Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Ram Temple: তিন বছর আগে এদিনই রাম মন্দির নির্মাণের রায় দেয় শীর্ষ আদালত! জেনে নিন দ্বন্দ্বের শুরু থেকে শেষ

    Ram Temple: তিন বছর আগে এদিনই রাম মন্দির নির্মাণের রায় দেয় শীর্ষ আদালত! জেনে নিন দ্বন্দ্বের শুরু থেকে শেষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনবছর আগে আজকের দিনেই রাম মন্দির (Ram Temple) নির্মাণের ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ৯ই নভেম্বর ২০১৯ সালে সুপ্রিম রায়ে নিষ্পত্তি হয়েছিল রামমন্দির-বাবরি মসজিদ বিতর্কের। ইতিমধ্যে রামমন্দির নির্মাণের কাজ চলছে। এরমধ্যে , এই মেগা মন্দির প্রজেক্টের উদ্বোধনের দিনক্ষণও স্থির হয়ে গিয়েছে। ১৪ই জানুয়ারি ২০২৪ এই মন্দির উদ্বোধনের কথা রয়েছে।  প্রসঙ্গত , ১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর ভেঙে ফেলা হয়েছিল বিতর্কিত ধাঁচা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস ছিল, ওই স্থান ভগবান রামচন্দ্রের জন্মস্থান এবং জোরপূর্বক তা দখল করে ওখানে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করা হয়।

    ১৫২৭ সালে ওই মসজিদ নির্মাণ করেন বাবরের সেনাপতি মীর বাকি। এই দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল , কিন্তু বিবাদ সব থেকে প্রকট আকার ধারণ করে স্বাধীনতার ঠিক দুই বছর পরে, ১৯৪৯ সালে যখন বিতর্কিত ধাঁচা থেকে পাওয়া যায় রামলালার মূর্তি। দেশের প্রধানমন্ত্রী তখন জওহরলাল নেহেরু। তিনি তৎকালীন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী গোবিন্দ বল্লভ পন্থকে ওই রামলালার মূর্তি অপসারণের নির্দেশ দেন।  দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণ ছিল যে “ওখানে একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হচ্ছে”। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর এ নির্দেশ মানতে অস্বীকার করেন তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। আদালত ওখানে রিসিভার বসিয়ে দেয়। পুলিশি নিরাপত্তায় রামলালার মূর্তি পূজা চলতে থাকে ওখানে। মন্দিরের পূজারীকেও নিয়োগ করে আদালত। দেশে রাম মন্দির (Ram Temple) আন্দোলন তখন থেকেই বিস্তৃত হতে থাকে।

    রাম মন্দির আন্দোলন

    ১৯৮৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিতর্কিত এলাকার তালা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। কেন্দ্রে তখন রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বে সরকার চলছে। আদালতের এই নির্দেশের প্রতিবাদ জানায় বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটি। তখন থেকেই শুরু হলো আইনি লড়াই। এতদিন যে মামলার পর্যবেক্ষণ করছিল জেলা আদালত ,সেই মামলা এবার পৌঁছলো লখনউ হাইকোর্টে। এর মধ্যে আবার , নির্বাচনে লাভ হতে পারে, এই সমীকরণকে মাথায় রেখে ,রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠার স্লোগান দিয়ে ,বিতর্কিত এলাকার খুব কাছেই রাম মন্দিরের শিলান্যাস করিয়ে দেন রাজীব গান্ধী। ১৯৮৯ এর লোকসভা নির্বাচনে হেরে গেলেন তিনি। এই সময় সর্বোচ্চ গতি ধারণ করল রাম মন্দির (Ram Temple) আন্দোলন।   এরপর ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ঘটলো বিতর্কিত ধাঁচার ধ্বংসকাণ্ড।

    আরও পড়ুন: ভারতের জি-২০ সভাপতিত্বের লোগো, থিম এবং ওয়েবসাইটের প্রকাশ! জানেন কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    ২০০২ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টে শুরু হল মামলা। ২০০৩ সালে কোর্ট আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইণ্ডিয়াকে দায়িত্ব দেওয়ার পর  তারা যে রিপোর্ট জমা দিল তাতে বলা হল ‘বিতর্কিত স্থানে একটি পরিকাঠামো রয়েছে। যার সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে অতি প্রাচীনকালের হিন্দু মন্দিরের।’  মুসলিমরা এই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, এলাহাবাদ হাইকোর্ট বিতর্কিত জমিকে তিনভাগে ভাগ করে দেয়। যার একটি ভাগ দেওয়া হয় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে। একটি অংশ পায় নির্মোহী আখড়া। বাকি অংশ দেওয়া হয় রামলালাকে। যদিও এই রায়ে তিন বিচারপতি সহমত পোষণ করেননি। হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় হিন্দু মহাসভা ও সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড।

    সুপ্রিম নির্দেশ

    এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই রায়ের ৯ বছর পরে, ৯ নভেম্বর ২০১৯। রাম জন্মভূমি মামলায় ঐতিহাসিক রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ছিলেন রঞ্জন গগৈ। অযোধ্যার যে ২.৭৭ একর জমিকে বিরোধের মূল কেন্দ্র বলে গণ্য করা হয়, তার মালিকানা দেওয়া হয় ‘রামলালা’কে। বলা হয় , “কোটি কোটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস রয়েছে যে ওই স্থান রামলালার”। আদালত এই বিশ্বাসকে মর্যাদা দিচ্ছে। অযোধ্যাতেই ৫ একর জমি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় মুলসিমদের মসজিদ নির্মাণের জন্য। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ছাড়া বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা ছিলেন এস এ বোড়বে, চন্দ্রচূড়, অশোক ভূষণ ও এস আবদুল নাজির। এই মন্দির ও মসজিদ বানানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি ট্রাস্ট গঠনেরও নির্দেশ দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

     

  • Gujarat Assembly Elections: অতীতের সব রেকর্ড ভাঙতে চান, গুজরাটের জন্য নয়া স্লোগানও বাঁধলেন মোদি

    Gujarat Assembly Elections: অতীতের সব রেকর্ড ভাঙতে চান, গুজরাটের জন্য নয়া স্লোগানও বাঁধলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত আড়াই দশক ধরে গুজরাটের (Gujarat) কুর্সিতে রয়েছে বিজেপি (BJP)। এবার আগের সব রেকর্ড ভেঙে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে (Gujarat Assembly Elections) বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে বিজেপি। রবিবার গুজরাটে প্রচারে গিয়ে নিজের এই ইচ্ছার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন গুজরাটের ভালসাদের কাপরাদা গ্রামে আয়োজিত এক দলীয় জনসভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, দিল্লিতে বসেই আমি প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানতে পারছি, গুজরাটে বিজেপি সব রেকর্ড ভেঙে এবারও বিপুল ভোট জয়ী হবে। তিনি বলেন, আমি এখানে এসেছি আমার অতীতের সব রেকর্ড ভাঙতে। আমি গুজরাট বিজেপিকে বলেছি যে প্রচারের জন্য আমি যত বেশি সম্ভব সময় তোমাদের দিতে প্রস্তুত।  

    ডিসেম্বরে দু দফায় হবে গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন (Gujarat Assembly Elections)। প্রথম দফার ভোট হবে ১ ডিসেম্বর। আর ৫ ডিসেম্বর হবে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। গুজরাট বিধানসভার আসন সংখ্যা ১৮২টি। তার মধ্যে প্রথম দফায় হবে ৮৯টি আসনের ভোট। দ্বিতীয় দফায় হবে ৯৩টি আসনের নির্বাচন। রবিবাসরীয় প্রচারমঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবার আমি চাই অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিতে। আমার চেয়েও ভূপেন্দ্রর (বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল) রেকর্ড বড় হোক আমি চাই। তিনি বলেন, এই ভোটে কেবল ভূপেন্দ্র আর নরেন্দ্র লড়ছেন না। এই ভোটে লড়ছেন গুজরাটবাসীও।

    আরও পড়ুন: ‘দুর্নীতি’, ‘বিভাজনকারী শক্তি’কে হুঁশিয়ারি মোদি-শাহের

    এদিনের জনসভায় বিজেপির জন্য নয়া স্লোগানও বেঁধে দেন প্রধানমন্ত্রী। সেটি হল, আমি এই গুজরাট বানিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক গুজরাটি সে তিনিই আদিবাসী হোন কিংবা জেলে, তিনি শহরে বাস করুন বা গ্রামে, প্রত্যেকে আজ আত্মবিশ্বাসী। সেই কারণেই প্রত্যেক গুজরাটি বলেন, আমি এই গুজরাট বানিয়েছি। কঠোর পরিশ্রম দিয়ে এই গুজরাট বানিয়েছেন তাঁরা। এদিনের সভায় নয়া স্লোগানটি উপস্থিত জনতাকে দিয়ে বার কয়েক বলিয়ে নেন প্রধানমন্ত্রী। তারপরেই বলেন, যেহেতু প্রত্যেক গুজরাটি আত্মবিশ্বাসে ভরপুর, সেই কারণেই তাঁরা হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে এই স্লোগান দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি এই গুজরাট বানিয়েছি এই স্লোগানের প্রতিটি শব্দই আসছে গুজরাটের হৃদয় থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • QS Asia University Rankings 2023: এশিয়ার সেরা ১০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভারতের দখলে সাতটি, কোন কোন গুলি জেনে নিন 

    QS Asia University Rankings 2023: এশিয়ার সেরা ১০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভারতের দখলে সাতটি, কোন কোন গুলি জেনে নিন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রাচীনতম নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশ-বিদেশ থেকে বহু ছাত্র আসত বিদ্যা লাভ করতে। সাহিত্যচর্চা, বিজ্ঞান চর্চা, জ্যোতিষ চর্চা, চিকিৎসাশাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনার রীতি এদেশে অনেক প্রাচীনকাল থেকে। এশিয়ার সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে ভারতের প্রতিনিধিত্ব থাকবে না, তাই আবার হয় নাকি! 

    কিভাবে তৈরি করা হয়েছে সেরা ১০০ তালিকা? 

    আমাদের মহাদেশের সেরা ১০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দেশের ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঠাঁই পেয়েছে। রাজ্যের মধ্যে আছে খড়গপুর আইআইটি। ‘কোয়াককোয়ারেলি সাইমন্ডস’ (কিউএস) (QS Asia University Rankings 2023) নামের একটি  ব্রিটিশ সংস্থা এই তালিকা তৈরি করেছে। ‘কিউএস’ এর ব্যাপক নেটওয়ার্ক রয়েছে আন্তর্জাতিক স্তরে উচ্চ‌শিক্ষা ক্ষেত্রে। তারা এই তালিকা তৈরি করেছে বেশ কতগুলো মাপকাঠির ভিত্তিতে। ‘কিউএস’ এর বিবৃতি অনুযায়ী, প্রথমে তারা দেখেছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খ্যাতি, জনপ্রিয়তা। দ্বিতীয়ত, তারা পর্যবেক্ষণ করেছে , ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পিএইচডি ডিগ্রি প্রাপ্ত অধ্যাপক সংখ্যার উপর এবং তৃতীয় সূচক হিসাবে দেখা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক পড়ুয়াদের শতাংশ  কত রয়েছে। 

     কোন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঠাঁই পেয়েছে এই তালিকায়

    ‘কিউএস’ তাদের এই কর্মসূচির নাম দিয়েছে, ‘কিউএস এশিয়া রাঙ্কিংস ২০২৩’ (QS Asia University Rankings 2023)। এই কর্মসূচির ফলাফল হিসেবে যে তালিকা প্রকাশ করেছে তারা, সেখানে প্রথম স্থান অধিকার করেছে চিন। চিনের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়, পি পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিনহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় যথাক্রমে এক এবং তিন নম্বর স্থানে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে সিঙ্গাপুরের ,ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর। ভারতের মধ্যে সবথেকে এগিয়ে রয়েছে আইআইটি বম্বে। তালিকার ৪০ তম স্থানে রয়েছে এই কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিবছরই এই সংস্থা অর্থাৎ ‘কোয়াককোয়ারেলি সাইমন্ডস’ এই তালিকা প্রকাশ করে। ‘কিউএস এশিয়া রাঙ্কিংস ২০২২’ এর  তুলনায় দু ধাপ এগিয়ে এসেছে আইআইটি বম্বে। আবার গত বছরে যে তালিকা ছিল সেখান থেকে এক ধাপ নিচে নেমে এসেছে আইআইটি দিল্লি। এ বছরে আইআইটি দিল্লি এই তালিকায় ৪৬ তম স্থানে রয়েছে। গত বছরের ‘কিউএস এশিয়া রাঙ্কিংস ২০২২’ এ ৫৬ তম স্থানে ছিল বেঙ্গালুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স (আইআইএসসি), এ বছরে দেশের এই নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চার ধাপ উঠে এসেছে এবং ৫২ তম স্থান অধিকার করেছে। এশিয়ার সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় আইআইটি মাদ্রাজ পেয়েছে ৫৩ তম স্থান। আমাদের রাজ্যের আইআইটি খড়গপুরের স্থান ৬১ তম। আইআইটি কানপুর রয়েছে ৬৬ নম্বরে অন্যদিকে দিল্লী ইউনিভার্সিটির স্থান ৮৫ তম।

  • Education Business: শিক্ষা কোনও ব্যবসা নয়, টিউশন ফি সাশ্রয়ী হতে হবে, মন্তব্য শীর্ষ আদালতের

    Education Business: শিক্ষা কোনও ব্যবসা নয়, টিউশন ফি সাশ্রয়ী হতে হবে, মন্তব্য শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা কোনও মুনাফা অর্জনের ব্যবসা নয় (Education Business)। তাই টিউশন ফি সাধ্যের মধ্যেই রাখতে হবে। এমনটাই সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। অন্ধ্রপ্রদেশ (Andhra Pradesh) সরকার ডাক্তারি শিক্ষার (MBBS) বার্ষিক ফি ২৪ লক্ষ টাকা করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তার পরিপ্রেক্ষিতেই গতকাল এমন মন্তব্য করল শীর্ষ আদালত।

    শীর্ষ আদালতের রায়

    এর আগেই অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার এমবিবিএস পড়ার খরচ ৭ গুণ বাড়িয়ে বছরে ২৪ লক্ষ টাকা করেছিল (Education Business)। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট। তারপর হাইকোর্টের রায়কে শীর্ষ আদালতে চ্যালেঞ্জ করেছিল অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার। আর সেই মামলার রায় ঘোষণার সময়, এই বিশেষ পর্যবেক্ষণ করেছে বিচারপতি এম আর শাহ এবং সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ। মেডিক্যাল কলেজগুলিতে টিউশন ফি বার্ষিক ২৪ লক্ষ টাকা করার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তকে বাতিল করে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট।

    “দেশের সমস্ত নাগরিকদের রক্ষা করব…”, প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়

    গতকাল বিচারপতি এমআর শাহ বলেন, “২০১৭ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭-২০২০ সালের টিউশন ফি বৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার, তা হাইকোর্ট বাতিল করেছিল (Education Business)। এই রায়ে কোনও ভুল নেই। খরচ ৭ গুণ বাড়িয়ে ডাক্তারি পড়ার ফি ২৪ লক্ষ টাকা করার কোনও যুক্তি নেই। এটি ন্যায্য নয়। শিক্ষা কোনও ব্যবসা নয়, যা মুনাফা বাড়াতে কাজে লাগানো হবে। টিউশন ফি সবসময় সাশ্রয়ী হওয়া উচিত।”

    প্রসঙ্গত, আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার ডাক্তারি শিক্ষার খরচ বছরে ২৪ লক্ষ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেয় (Education Business)। এর ফলে একলাফে এই খরচ ৭ গুণ বেড়ে যায়। এরপরই সিদ্ধান্তটির বিরোধিতা করে মামলা দায়ের হয়। অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট সিদ্ধান্তটির বিরুদ্ধেই রায় দিয়েছিল। কিন্তু এই মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। আর এখন পূর্ববর্তী রায়ই বহাল রাখল বিচারপতি এম আর শাহ ও সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: ‘১০ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে…’, শেষ দিনে আর কী বললেন প্রধান বিচারপতি

  • Chitradurga: নাবালিকাদের মাদক খাইয়ে যৌন নির্যাতন করতেন মুরুগা মঠের প্রধান, চার্জশিটে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Chitradurga: নাবালিকাদের মাদক খাইয়ে যৌন নির্যাতন করতেন মুরুগা মঠের প্রধান, চার্জশিটে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুরুগা মঠের (Murugha Math) প্রধানের যৌন নির্যাতন মামলায় এবারে চার্জশিট জমা দিল চিত্রদুর্গ পুলিশ। যৌন নির্যাতনের অভিযোগে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে কর্ণাটকের অন্যতম জনপ্রিয় চিত্রদুর্গের (Chitradurga) মুরুগা মঠের প্রধানকে (Shivamurthy Murugha Sharanaru)। আর এবারে শিবমূর্তি মুরুগার বিরুদ্ধে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, পানীয়, চকোলেট ও ফলের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে নাবালিকাদের খাওয়ানো হত ও তাদের উপর যৌন নির্যাতন করা হত। এমনটাই চিত্রদুর্গের পুলিশের ৬৯৪ পৃষ্ঠার চার্জশিটে উঠে এসেছে।

    দীর্ঘদিন ধরে দুই নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সম্প্রতি গ্রেফতার হন আচার্য শিবমূর্তি মুরুগা। গত ১ সেপ্টেম্বর, পকসো ধারায় (POSCO) তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয় ও তাঁকে গ্রেফতার করে কর্ণাটক পুলিশ। বর্তমানে তিনি বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। গতকাল চিত্রদুর্গ পুলিশ (Chitradurga) চার্জশিট জমা দিলে তাতে অনেক তথ্যই উঠে এসেছে। ওই দুই নাবালিকা জানিয়েছেন, মাদক খাওয়ানোর পর তাদের প্রধানের বাথরুম ও অফিসেও পাঠানো হত। তারা যেতে না চাইলে হস্টেলের ওয়ার্ডেন তাদের হুমকি ও শাস্তি দিতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। নাবালিকাদের বয়ান সিআরপিসি ধারা ১৬৪-এর অধীনে রেকর্ড করা হয়েছে ও এই ধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে এটি মূল প্রমাণ হিসেবে ধরা হবে।

    আরও পড়ুন: ঘুষ নেওয়ার জের! ডিএসপি থেকে সাব-ইন্সপেক্টর বানিয়ে শাস্তি দিল যোগী সরকার

    চিত্রদুর্গ (Chitradurga) এসপি কে পরশুরাম বলেছেন, “আমরা ওয়ার্ডেন ও অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও অভিযোগের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আরও প্রমাণ সংগ্রহ করছি।” পুলিশ আরও জানিয়েছে, মঠ প্রধান মুরুগার দেওয়া ফল এবং চকোলেটের ফলেই তারা অজ্ঞান হয়ে যেত। নাবালিকারা জ্ঞান হারানোর পর সারারাত তাঁর ব্যক্তিগত কক্ষে আটকে রাখতেন শিবমূর্তি মুরুগা শারনারু। আর, নাবালিকাদের জ্ঞান ফেরার পর, তাঁদের ভয় দেখাতেন তিনি। এছাড়াও নাবালিকারা আরও অভিযোগ করেছে যে তারা শরীরের বিভিন্ন অংশে এবং গোপনাঙ্গে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করত।

    আবার কর্ণাটক-অন্ধ্রপ্রদেশ সীমান্তে রেলপথে রহস্যজনকভাবে একটি মেয়ের মৃত্যুর কথাও এই চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে। কারণ এই মেয়েটি মঠের হস্টেলেরই একজন ছিল ও তাকে সেখানে বন্দি করে রাখা হয়েছিল এবং তার মৃত্যুর কিছুদিন আগেই তাকে মঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়। ফলে এই মৃত্যুর সঙ্গে প্রধানের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    মুরুগা মঠ নিয়ে রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা

    মুরুগা মঠের (Chitradurga) এই পরিস্থিতির ফলে কর্ণাটক সরকার এই মঠের দায়িত্ব নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ও রাজ্য প্রশাসক নিয়োগের কথা ভাবছে। মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোম্মাই বলেছেন “আমরা ডিসির কাছে একটি প্রতিবেদন চেয়েছি, রিপোর্টটি দেখার পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”  আর এই পরিস্থিতির মাঝেই শিবমূর্তি মুরুগা শারনারুকে মঠের প্রধান পদ থেকে সরানোর জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

  • Earthquake Delhi: একদিনে চারবার ভূমিকম্প নেপালে! কম্পন অনুভূত দিল্লিতে, সকালে ফের কাঁপল উত্তরাখণ্ডও

    Earthquake Delhi: একদিনে চারবার ভূমিকম্প নেপালে! কম্পন অনুভূত দিল্লিতে, সকালে ফের কাঁপল উত্তরাখণ্ডও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যরাতের ঘুম ভাঙল ভূমিকম্পের কম্পনে (Earthquake Delhi)। মাঝরাতে জোরালো ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল। আর এর জের অনুভূত হল দেশের রাজধানী দিল্লিতেও। এছাড়াও কম্পন অনুভূত হয়েছে উত্তরাখণ্ড-সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন জায়গায়। ৬.৩ মাত্রার কম্পন ধরা পড়েছে রিখটার স্কেলে। ইতিমধ্যে নেপালে কমপক্ষে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে দিল্লিতে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতকাল, এক দিনেই মোট চারবার কেঁপে উঠেছে নেপাল। সকালে যখন প্রথম ভূমিকম্প হয়, তখন কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। কম্পনের উৎসস্থল ছিল কাঠমাণ্ডু থেকে ১৫৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে, মাটি থেকে ১০০ কিলোমিটার গভীরে। এর পরে রাত ৯টা নাগাদ নেপালে জোড়া ভূমিকম্প হয়েছিল। রিখটার স্কেলে একটির মাত্রা ছিল ৪.৯। দ্বিতীয়টির মাত্রা ছিল ৩.৫। আর এরপর গভীর রাত প্রায় ১টা ৫৭ মিনিটে ফের কেঁপে ওঠে নেপাল। আর এবারের কম্পনের মাত্রাও ছিল বেশি। সেটির উৎসস্থলটি ছিল নেপাল সীমানার কাছে, মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে (Earthquake Delhi)।

    নেপালের পরিস্থিতি

    জানা গিয়েছে, নেপালের দুই জেলায় ভূমিকম্পের তীব্রতা বেশি ছিল (Earthquake Delhi)। আর এর জেরেই দোতি জেলায় একটি বাড়ি ভেঙে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তাঁদের মধ্যে কমপক্ষে একজন মহিলা ও দুই জন শিশুও রয়েছে। দোতির মুখ্য জেলা আধিকারিক কল্পনা শ্রেষ্ঠা জানিয়েছেন, পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ধস নেমেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক বাড়ি।

    আজ উত্তরাখণ্ডেও ভূমিকম্প

    গভীর রাতের ভূমিকম্পের কম্পন দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা-সহ উত্তর ভারতের একাংশে অনুভূত হয়েছে (Earthquake Delhi)। তবে এই জায়গাগুলোতে এখনও পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর সামনে আসেনি। কিন্তু ভূমিকম্পের এক আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই ফের আজ সকালে উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড়ে নতুন করে ভূমিকম্প হয়েছে। যে এলাকা নেপাল সীমান্তের কাছে অবস্থিত। ন্যাশানাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৬ টা ২৭ মিনিট ১৩ সেকেন্ডে ভূমিকম্প হয়েছে পিথোরাগড়ে। ভূপৃষ্ঠের পাঁচ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৩। ফলে এই ভূমিকম্পের তীব্রতা অনেকটাই কম ছিল।

  • African Cheetahs: কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়া পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কুনোয় চিতল শিকার দুই আফ্রিকান চিতার

    African Cheetahs: কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়া পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কুনোয় চিতল শিকার দুই আফ্রিকান চিতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সেপ্টেম্বরেই আফ্রিকার নামিবিয়া থেকে মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে (Kuno National Park) আনা হয়েছে দুটি চিতা (African Cheetah)। ৮০ বছর পর ভারতের মাটিতে পা রেখেছে চিতা। প্রথমে দুমাসের জন্যে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়া পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চিতল হরিণ শিকার করল দুই চিতা। চিতা দুটির নাম ফ্রেডি ও এলটন। এই দুই পুরুষ চিতা আদতে সহোদর। ৬-৭ নভেম্বরের মধ্যে তারা একটি চিতল হরিণ বা স্পটেড ডিয়ার শিকার করেছে। রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার সকালের মধ্যে চিতাদুটি ওই শিকার করেছে। এমনটাই জানিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের বনদফতর।

    এই খবরে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর জন্মদিন ১৭ সেপ্টেম্বরেই চিতাদুটিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল। একটি ট্যুইটের প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বিরাট খবর! আমাকে জানানো হয়েছে যে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের শেষে দুটি চিতাকে বৃহত্তর বনাঞ্চলে ছাড়া হয়েছে। অন্যান্য চিতাগুলোকেও খুব শীঘ্রই ছেড়ে দেওয়া হবে। আমি খুব আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাই যে সমস্ত চিতারই স্বাস্থ্য ভালো আছে। তারা রীতিমতো সক্রিয়। আর, পরিবেশের সঙ্গে ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে।”   

    আরও পড়ুন: রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড়াসাঁকো ক্যাম্পাসে নির্মাণে স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের 

    বনদফতরের মতে, চিতা শিকার করছে মানেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে। তাদের শারীরিক অবস্থা ভালো। আর, চিতাগুলোর পুনর্বাসন প্রক্রিয়াও সঠিক পথেই চলছে। এই ব্যাপারে বন দফতরের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, “প্রত্যাশাতীতভাবে মুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চিতাগুলো প্রথমবার শিকার করল। যার অর্থ চিতাগুলো সম্পূর্ণ সুস্থ আছে। চিতাগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে কি না, এই চিন্তা এবার দূর হল।”

    আফ্রিকা থেকে দীর্ঘ ৮ হাজার কিলোমিটার পথ পেরিয়ে ভারতে এসেছে আটটি চিতা। নামিবিয়ার সঙ্গে ভারতের জলবায়ুর বিস্তর পার্থক্য। চিতাগুলোর কাছে তাই ভারতের পরিবেশ নতুন। বাস্তবে, বিশ্বে এই প্রথমবার বড় আকারের মাংসাশী প্রাণী চিতাকে এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে নিয়ে আসা হয়েছে। তারপর থেকে ওই চিতাগুলোকে দীর্ঘদিন কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল। কোয়ারেন্টাইনে থাকাকালীন চিতাগুলো মোষের মাংস খাচ্ছিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।      

  • Metro AG: এবার ভারতীয় মেট্রো ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারির মালিকও আম্বানি? জানুন কত টাকায় হচ্ছে হস্তান্তর

    Metro AG: এবার ভারতীয় মেট্রো ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারির মালিকও আম্বানি? জানুন কত টাকায় হচ্ছে হস্তান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগবাজার তো ঝুলিতে ছিলই, এবার দেশের খুচরো বাজারের একচেটিয়া সম্রাট হওয়ার লক্ষ্যে আরও এক ব্যবসা কিনতে চলেছে রিলায়্য়ান্সে গ্রুপ (Reliance Industries Ltd)। জার্মান ফার্ম মেট্রো এজির (METRO AG) ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারির ভারতীয় ব্যবসা অধিগ্রহণ করতে চলেছেন মুকেশ আম্বানি। জানা গিয়েছে, প্রায় ৪,০৬০ কোটি টাকায় এই হস্তান্তর হতে চলেছে। যদিও আগের খবর মোতাবেক, এই চুক্তি হওয়ার কথা ছিল ৮,২০০ কোটি টাকায়। এই চুক্তির মাধ্যমে মেট্রো ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারির ব্যবসা ভারতে ছড়িয়ে দেবে রিলায়্য়ান্স। 

    জানা গিয়েছে, ৩১টি পাইকারি ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার, ল্যান্ড ব্যাঙ্ক এবং মেট্রো ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারির মালিকানাধীন অন্য সম্পত্তিগুলিও এই চুক্তির আওতায় আসছে। বেশ কয়েক মাস ধরেই এই আলোচনা চলছিল। সূত্রের খবর, গত সপ্তাহেই এই প্রস্তাবে রাজী হয়েছে মেট্রো এজি।

    আরও পড়ুন: সৌদি আরব এবং ইরাককে পিছনে ফেলে অক্টোবরে ভারতের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারী দেশ রাশিয়া 

    এদিকে ভারতে এই ব্যবসা কেনার দৌড়ে ছিল আরও অনেক বিদেশি সংস্থাও। তবে শেষ হাসিটি হাসলেন আম্বানিই। যদিও এই বিষয়ে কোনও পক্ষই নিশ্চিত করে কিছু বলেনি। রিলায়্য়ান্সের মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমাদের সংস্থা বিভিন্ন সময়ই নানারকম সুযোগ খতিয়ে দেখে।” আর মেট্রো এজির মুখপাত্র বলেছেন, “বাজারে ছড়ানো রটনা বা জল্পনায় আমরা কোনও মন্তব্য করি না।” 

    উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন মেট্রো শহরে মেট্রো ক্যাশ অ্য়ান্ড ক্যারির বেশ কিছু আউটলেট রয়েছে। যার মধ্যে কলকাতাতেই রয়েছে ১ টি, ৬ টি রয়েছে বেঙ্গালুরুতে, ৪ টি হায়দ্রাবাদে, মুম্বইতে ও দিল্লিতে ২ টি করে এবং জয়পুর, জলন্ধর, জিরাকপুর, অমৃতসর, আমেদাবাদ, সুরাট, ইন্দোর, লখনউ, মীরাট, নাসিক, গাজিয়াবাদ, তুমাকুরু, বিজয়ওয়াড়া, বিশাখাপত্তনম, গুন্টুর ও হুব্বাল্লিতে ১ টি করে আউটলেট রয়েছে। ভারত ছাড়াও বিশ্বের ৩৪ টি দেশে মেট্রো এজির ব্যবসা রয়েছে। ভারতে ২০০৩ সালে ব্যবসা শুরু করেছিল এই জার্মান সংস্থা্টি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
     

     

  • Oil Import: সৌদি আরব এবং ইরাককে পিছনে ফেলে অক্টোবরে ভারতের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারী দেশ রাশিয়া

    Oil Import: সৌদি আরব এবং ইরাককে পিছনে ফেলে অক্টোবরে ভারতের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারী দেশ রাশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জ্বালানি তেল সরবরাহে সৌদি আরব (Saudi Arabia) ও ইরাককে (Iraq) পিছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করে নিল রাশিয়া (Russia)। শুধু অক্টোবর মাসেই ভারতে রাশিয়ার জ্বালানি তেলের (Crude Oil) রপ্তানি বেড়েছে ৯ লক্ষ ৪৬ হাজার ব্যারেল।  শতকরা হিসেবে এই বৃদ্ধির হার ৮ শতাংশ।     

    এতদিন পর্যন্ত জ্বালানি তেলের জন্য মূলত সৌদি আরব এবং ইরাকের ওপর নির্ভরশীল ছিল ভারত। কিন্তু জ্বালানি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষক সংস্থা ভোরটেক্সা জানিয়েছে, অক্টোবর মাসে মোট যে পরিমাণ জ্বালানি তেল আমদানি করেছে ভারত, শতকরা হিসেবে তার ২২ শতাংশই এসেছে রাশিয়া থেকে। ইরাক থেকে ২০.৫ শতাংশ এবং সৌদি থেকে ১৬ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ভারতে এসেছে। 

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এতদিন রাশিয়ার তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল ইউরোপের দেশগুলো। তবে অক্টোবরে ইউরোপকে সরিয়ে সেই জায়গা নিয়েছে ভারত। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার ওপর একগুচ্ছ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলি। এই নিষেধাজ্ঞাগুলির মধ্যে রাশিয়ার জ্বালানি তেলও রয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর থেকে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কেনার হার শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনবে ইউরোপ। 

    আরও পড়ুন: শহিদ ভগৎ সিং- এর নামে চণ্ডীগড় বিমানবন্দরের নামকরণ, জারি হল নোটিস  

    রাশিয়া থেকে তেল আমদানির হিসেবে গত মাসে শীর্ষে ছিল চিন। ভোরাটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে প্রতিদিন প্রায় ১০ লক্ষ ব্যারেল রুশ তেল আমদানি করেছে চিন। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা বন্ধু দেশগুলি চলতি বছরের মার্চের দিকে রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে শুরু করে। এ সময় নতুন বাজার খুঁজতে শুরু করে রাশিয়া। বন্ধু দেশগুলির কাছে কম দামে তেল বিক্রির প্রস্তাব দেয়  মস্কো। আর ভারত লুফে নেয় সেই প্রস্তাব। 

    ভারতের কেন্দ্রীয় জ্বালানিমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি চলতি সপ্তাহে মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জন্য কোনও প্রকার নৈতিক সংকট নেই ভারতের। জ্বালানি তেলের মূল্য বেড়ে গেলে সাধারণ লোকজন ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হবে। যেহেতু আমরা ভারতের নাগরিকের কাছে দায়বদ্ধ, তাই জনস্বার্থেই আমরা রাশিয়া থেকে তেল কিনছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

LinkedIn
Share