Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Liquor Smuggling: দরজায় লুকোনো সারি সারি বোতল! মদ চোরাচালান করতে গিয়ে ধৃত ২

    Liquor Smuggling: দরজায় লুকোনো সারি সারি বোতল! মদ চোরাচালান করতে গিয়ে ধৃত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুরাপ্রেমীদের কতই না কাণ্ড! মদ চোরাচালানের ঘটনা কতই না শোনা গিয়েছে। তবে এবারের ঘটনাটি একেবারেই আলাদা। পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়িতে করে ছ’টি কাঠের দরজা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। রাস্তায় পুলিশের তল্লাশি অভিযানের সময় সেই কাঠের দরজাগুলি নাড়াচাড়া করতেই আকাশ থেকে পড়লেন পুলিশরা। দরজাগুলো ভালো করে তল্লাশি করতে গিয়ে দেখলেন, দরজায় সারি সারি ভাবে লুকিয়ে রাখা হয়েছে মদের বোতল। তবে এক-দুটো নয়, এক সঙ্গে ২ হাজারেরও বেশি মদের বোতল সেই দরজাগুলোতে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির রোহিণী এলাকায়।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দিল্লি থেকে বিহারের উদ্দেশে প্রায় ২ হাজার ১১২ টি মদের বোতল পাচার করা হচ্ছিল। আর চোরাচালান করার ক্ষেত্রে এক অভিনব পথ বেছে নিয়েছে পাচারকারীরা। তবে তাতেও কোনও রেহাই পাওয়া গেল না। অবশেষে ধরা পড়ল পুলিশের হাতে। মদের বোতলগুলি কাঠের দরজার গায়ে এমন ভাবে লাগানো ছিল, যা দেখে সহজে কেউ বুঝতেই পারবেন না যে, কাঠের দরজার আড়ালে লুকিয়ে মদের বোতল পাচার করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ৫০% নয়, ৪৫% নম্বর থাকলেই বসা যাবে প্রাইমারি টেটে, নয়া ঘোষণা পর্ষদের

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আউটার নর্থ ডিস্ট্রিক্ট পুলিশ মদ চোরাচালানের অভিযোগে দুই ব্যক্তি- রোশন রাই এবং সর্বজিৎ সিং-কে গ্রেফতার করেছে ও যেই টেম্পো গাড়ি করে মদ পাচার করা হচ্ছিল তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে৷ পুলিশ জানিয়েছে, সেই গাড়ি দিল্লি থেকে বিহারে যাওয়ার পথে পুলিশের একটি দল রোহিণীর কাছে গাড়িটিকে আটকে দেয় ও তল্লাশি চালিয়ে বোতলগুলি জব্দ করে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে।  

    আরও জানা গিয়েছে, বোতলগুলিকে বের করে আনতে পুলিশদের ছেনি ও হাতুড়ি ব্যবহার করতে হয়েছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “বোতলগুলো এত চতুরভাবে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল যে, একজন সাধারণ মানুষ কখনই সন্দেহ করবে না যে অবৈধ কিছু চলছে।” এরপর অভিযুক্তরা এই মদ চোরাচালানের ঘটনা স্বীকার করেছে ও পুলিশ জানিয়েছে এই নিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

  • Missionary School: ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান দেওয়ায় শাস্তি পড়ুয়াকে, স্কুলে বিক্ষোভ 

    Missionary School: ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান দেওয়ায় শাস্তি পড়ুয়াকে, স্কুলে বিক্ষোভ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাধ বলতে স্কুলে প্রার্থনার পরে ভারত মাতা কী জয় (bharat mata ki jai) স্লোগান দেওয়া। তার জেরে মিশনারি স্কুলের (Missionary School) এক পড়ুয়াকে শাস্তি হয়েছে বলে অভিযোগ। মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) গুণা জেলার খ্রিস্ট সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলের ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য। ঘটনাটি ঘটেছিল বুধবার। যদিও প্রকাশ্যে আসে বৃহস্পতিবার, পরিবার এবং কয়েকটি সামাজিক সংগঠন স্কুল চত্বরে বিক্ষোভ দেখানের পর।

    মিশনারি স্কুলের (Missionary School) যে ছাত্রকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, তার নাম শিবাংশ জৈন। সে বলে, জাতীয় সঙ্গীতের পর আমি ভারত মাতা কী জয় স্লোগান দিই। সেটা শুনে জাস্টিন স্যার আমার কাছে আসেন। তিনি আমাকে প্রার্থনার লাইন থেকে বেরিয়ে আসতে বলেন এবং বলেন, কী বলছ তুমি? যাও, ফাদারের কাছে যাও। ওই ছাত্র বলে, এর পরেই আমাদের হিন্দি শিক্ষক আসেন এবং আমাকে ক্লাস টিচারের সঙ্গে দেখা করতে বলেন। যখন আমি ক্লাস টিচারের সঙ্গে দেখা করি, তখন তিনি বলেন, এই স্লোগান আমার তোলা উচিত ঘরে। শিবাংশ বলে, এর পর আমি ক্লাসে যাই। লাল বাড়ির ভাইস ক্যাপটেন মনোনীত হয়েছে আমার এক সহপাঠী। তার উল্লেখ করে আমার ক্লাস টিচার জাসমিনা খাতুন বলেন, এক ছাত্র ক্লাসকে গর্বিত করছে আর আমি ক্লাসের বদনাম করছি। এর পর ওই শিক্ষিকা আমাকে চার পিরিয়ড মাটিতে বসিয়ে ক্লাস করান।

    আরও পড়ুন: গুজরাটের রশি ফের বিজেপির হাতেই, বলছে সমীক্ষা, কত আসন পাবেন জানেন?

    শিবাংশের মা বলেন, বাড়ি ফিরে ছেলে আমার নিজেকে একটি ঘরের মধ্যে বন্দি করে রাখে। খাবার না খেয়ে ঘরে পড়ে পড়ে কাঁদতে থাকে। অনেক অনুরোধ করার পরে দোর খোলে। পুরো ঘটনাটি খুলে বলে। আমি ওর বাবাকে সব জানাই। যদিও ঘটনার পরে ওই মিশনারি স্কুল (Missionary School) কর্তৃপক্ষ সার্কুলার জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটবে না। জাতীয় সঙ্গীতের পর ভারত মাতা কী জয় স্লোগান দেওয়া চলবে। গুণার এডিএম বীরেন্দ্র সিং বাঘেল বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। শীঘ্রই দায়ের করা হবে এফআইআর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gujarat Election: প্রার্থী বাছতে শাহের নেতৃত্বে বৈঠকে বসল গুজরাট বিজেপি

    Gujarat Election: প্রার্থী বাছতে শাহের নেতৃত্বে বৈঠকে বসল গুজরাট বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট বিধানসভা নির্বাচন (Gujarat Election) ঘোষণা হতেই প্রার্থী নির্বাচন করতে বৈঠকে বসল গুজরাট বিজেপি (BJP)। বৃহস্পতিবার রাজ্য সদর দফতরে ওই বৈঠক হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পুরুষোত্তম রুপালা এবং মনশুখ মাণ্ডব্য, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি এবং দলের অন্যান্য প্রবীণ নেতারা। রাজ্যের ১৩ জেলার ৪৭টি আসনে তিন-চারজনের সম্ভাব্য একটি প্যানেল তৈরি করা হয়েছে। এই জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে আরাবল্লী, সবরকান্থা, মহিষাগর, বানাসকান্থা, সুরেন্দ্রনগর, পোরবন্দর, দাং, ভালসাদ, তাপি, নর্মদা, মরবি এবং রাজকোট।

    আজ, শুক্রবারও ফের বৈঠকে বসেছে গুজরাট (Gujarat) বিজেপি। এদিন ১৫টি জেলার ৫৮ আসনে একই রকমভাবে প্যানেল তৈরি হবে। এই জেলাগুলি সৌরাষ্ট্র রিজিয়নের। সূত্রের খবর, দু দিনের বৈঠকে যে প্রার্থীর প্যানেল তৈরি হবে, সেটা পাঠানো হবে জাতীয় পার্লামেন্টারি বোর্ডে। এই বোর্ডে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, গুজরাটের ইনচার্জ ভূপেন্দ্র যাদব, বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষ প্রমুখ। রাজ্যের বৈঠক থেকে পাঠানো নামের তালিকা বিবেচনা করবে পার্লামেন্টারি কমিটি। পর্যবেক্ষকদের পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতেই ১৮২টি আসনে চূড়ান্ত করা হবে প্রার্থীর নাম। সূত্রের খবর, রাজ্যে যে দু দিনের বৈঠক হয়েছে, সেখানে প্রতিটি আসনের জন্য একজন করে মহিলা প্রার্থীর নাম চাওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: গুজরাটের রশি ফের বিজেপির হাতেই, বলছে সমীক্ষা, কত আসন পাবেন জানেন?

    ভোটের (Gujarat Election) দিন ঘোষণা হতেই আস্তিন গুটিয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি। তার প্রমাণ এই প্রার্থী তালিকা নিয়ে বৈঠক। সূত্রের খবর, ৫০টি আসনে প্রার্থীর নামের তালিকায় সবুজ সংকেত দিয়েছে কংগ্রেসও। তবে তারা বিজেপির তালিকা প্রকাশের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। গেরুয়া শিবির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেই, তারাও করবে। এদিকে, ইতিমধ্যেই ১১৮ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে আপ। কংগ্রেস এবং আপ লড়াইয়ের ময়দানে থাকলেও, রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির জয় হবে অনায়াস। এর অন্যতম কারণ হার্দিক প্যাটেল। গত জুন মাসে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন হার্দিক। তিনি প্যাটেল সম্প্রদায়ের তরুণ মুখ। গুজরাটবাসীর ১২ থেকে ১৪ ভোটার প্যাটেল সম্প্রদায়ের। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তার সিংহভাগই যাবে পদ্ম-ঝুলিতে। প্রত্যাশিতভাবেই বিজেপির জয় হবে অনায়াস। অন্যদিকে, চলতি মাসের শেষের দিকে গুজরাট যেতে পারেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। ভোট প্রচারেই আসার কথা তাঁর।

    মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করল আম আদমি পার্টি

    তার দলের হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে কে থাকবেন, সেই নাম ঘোষণা করলেন আম আদমি পার্টি শীর্ষ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শুক্রবারই এই ঘোষণা করে তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হতে চলেছেন দলের জাতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসুদন গাদভি। আপের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • UP Gang Rape: ঘুষ নেওয়ার জের! ডিএসপি থেকে সাব-ইন্সপেক্টর বানিয়ে শাস্তি দিল যোগী সরকার

    UP Gang Rape: ঘুষ নেওয়ার জের! ডিএসপি থেকে সাব-ইন্সপেক্টর বানিয়ে শাস্তি দিল যোগী সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক বড় পদক্ষেপ নিলেন যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। উত্তরপ্রদেশের এক পুলিশ আধিকারিককে ঘুষ নেওয়ার অপরাধে তার পদের অবনতি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এক ধর্ষণের মামলাকে ভেস্তে দেওয়ার জন্য তিনি প্রায় ৫ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই যোগী সরকার তাকে পদ অবনতি করিয়ে সাব-ইন্সপেক্টর করলেন। ১ নভেম্বর উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে ট্যুইট করে এই ঘোষণা করা হয়।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ডিএসপি বিদ্যা কিশোর শর্মা রামপুরে কর্মরত ছিলেন। সেখানেই ঘুষ নেওয়ার দায়ে অভিযুক্ত হন। আর এই ঘুষ নেওয়ার ব্যাপারটি প্রমাণিত হওয়ার পরেই উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, বিদ্যা কিশোর শর্মার চাকরি জীবন শুরু হয় একজন কন্সস্টেবল হিসাবেই। ধীরে ধীরে পদোন্নতি করতে করতে আজ ডিএসপি পদে বসেছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষিত, ভোট হবে দুই দফায়

    আসল ঘটনাটি কী? বছর খানেক আগে বিদ্যা কিশোর শর্মার উপর দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ উঠে আসে। এছাড়াও একজন মহিলা অভিযোগ করেছিলেন যে একজন সাব-ইন্সপেক্টর রামবীর যাদব এবং একজন হাসপাতালের ম্যানেজার বিনোদ যাদব সহ দু’জন পুরুষ তাঁকে গণধর্ষণ করেছিল। এবং পুলিশ ঘুষ নেওয়ার পরেই কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি তার টাকার ব্যাগ নেওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ধর্ষণ কাণ্ডে কোনও পদক্ষেপ যাতে না নেওয়া হয় তার জন্য শর্মার ব্যাগে ৫ লক্ষ টাকা ছিল বলে অভিযোগ। পরে মুখ্যমন্ত্রীর আদেশে একটি তদন্তকারী কমিটি তৈরি হয়। তদন্তের রিপোর্টে বলা হয় ওই মহিলার অভিযোগ সত্য এবং ঘুষ নেওয়ার অপরাধে শাস্তি দিল যোগী সরকার। ইতিমধ্যেই ২ অভিযুক্তর নামে এফআইআর দায়ের করা হয় ও সাসপেন্ড করা হয়েছে বিদ্যা কিশোর শর্মাকে।

    প্রসঙ্গত, শর্মার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলাটি সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনে দায়ের করেছিলেন আরটিআই কর্মী দানিশ খান। তিনি সিভিল লাইন কোতোয়ালি এলাকার অন্তর্গত মডেল কলোনির বাসিন্দা। তারপর থেকেই খবরের শিরোনামে রয়েছেন বিদ্যা কিশোর শর্মা। আরও জানা যায়, শর্মা দুই বছর ধরে রামপুর সিও থাকার সময় একই ধরনের বেশ কয়েকটি অপরাধ করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও ২০২১ সালে তার সাসপেন্ড সম্পর্কে ট্যুইট করেছিলেন আর এবারে এই শাস্তি দিলেন।

  • Kerala High Court: স্বামীর সম্মতি ছাড়াই মুসলিম মহিলারা ডিভোর্স চাইতে পারেন, সাফ জানাল কেরল হাইকোর্ট

    Kerala High Court: স্বামীর সম্মতি ছাড়াই মুসলিম মহিলারা ডিভোর্স চাইতে পারেন, সাফ জানাল কেরল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহ বিচ্ছেদ (Divorce) নিয়ে এক বড় সিদ্ধান্ত নিল কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court)। ইসলাম ধর্মের আইন অনুযায়ী, একজন মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদের দাবি জানাতেই পারেন। আর এই ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের দাবি করার জন্য স্বামীর অনুমতির কোনও প্রয়োজন নেই। মঙ্গলবার একটি মামলার শুনানি চলাকালীন এমনই মন্তব্য করল কেরল হাইকোর্ট।

    উল্লেখ্য, একজন মুসলিম নারীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত রায় দিয়েছিল, মুসলিম নারীদের বিচ্ছেদের দাবি জানানোর অধিকার রয়েছে। এরপর সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কেরল হাইকোর্টে (Kerala High Court) মামলা হয়েছিল। আবেদনকারীর দাবি ছিল, যদি কোনও মুসলিম মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চান, তাহলে তাঁকে তাঁর স্বামীর থেকে ‘তালাক’ চাইতে হবে। এরপরেই বিচারপতি মহম্মদ মুস্তাক এবং বিচারপতি এস ডিয়াসের ডিভিশন বেঞ্চ বলে যে, মহিলাদের বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য স্বামীর অনুমতি নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।

    আরও পড়ুন: অন্য দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করা উচিত এসসিও বৈঠকে চিনকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    আদালত আরও জানান, এই আবেদনের মাধ্যমে এটাই মনে হচ্ছে, মুসলিম মহিলারা তাঁর স্বামীর অধীনে রয়েছে। এই ধারণার পিছনে মুসলিম ধর্মগুরু ও ওই সম্প্রদায়ের পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব রয়েছে বলে মনে হয়। ফলে মুসলিম সম্প্রদায়ের কোনও আইনের প্রকৃত ব্যাখ্যা জানার জন্য আদালত এমন কোনও ধর্ম প্রচারকের ওপর নির্ভর করতে পারে না, যার আইন সম্পর্কে জ্ঞান নেই।

    গতকাল আদালত থেকে এও বলা হয়েছে যে, মুসলিম মহিলাদের বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন জানানোর ক্ষমতা দেয় পবিত্র কোরান। এটা কোনও ভাবেই স্বামীর ইচ্ছে বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে না। এমনকি আদালত এদিন ‘খুলা’ পদ্ধতিকেই স্বীকৃতি দিয়েছে। ‘খুলা’ হল মুসলিম সমাজের এমন একটি প্রথা যেখানে স্বামী বা স্ত্রী নিজের ইচ্ছেতে বিবাহ বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারেন। ফলে সেই মহিলা খুলার মাধ্যমে তাঁর স্বামীকে ডিভোর্স দিলে স্বামী সেটি অমান্য করে ও দাবি করে, বিশ্বে কোথাও মুসলিম মহিলারা নিজেদের ইচ্ছেতে ‘খুলা’র মাধ্যমে বিবাহ বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারে না। কিন্তু আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কোরানেই বলা হয়েছে যে একজন মুসলিম মহিলা ‘খুলা’র মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন। 

  • Jammu & Kashmir: কাশ্মীরে বানচাল সন্ত্রাসী হামলার বড় ছক, জোড়া এনকাউন্টারে খতম ৪ জঙ্গি

    Jammu & Kashmir: কাশ্মীরে বানচাল সন্ত্রাসী হামলার বড় ছক, জোড়া এনকাউন্টারে খতম ৪ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Jammu & Kashmir) সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জোড়া এনকাউন্টারে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। গতকাল, মঙ্গলবার কাশ্মীরের অনন্তনাগ ও অবন্তিপোরা জেলায় যৌথ বাহিনীর এনকাউন্টারে ৪ জন জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন লস্কর-ই-তৈবার (LeT Commander) কমান্ডার মুখতার ভাট, বলে জানিয়েছে কাশ্মীর পুলিশ (Kashmir Police)।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অবন্তিপোরার বিজবেহারা এলাকায় জঙ্গিদের ওই ডেরা ঘিরে ফেলে যৌথ বাহিনী। নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়েই গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। এরপরই গুলির লড়াইয়ে নিহত হয় লাদারমুডের বাসিন্দা হাবিবুল্লাহর ছেলে শাকির আহমেদ নামে এক স্থানীয় সন্ত্রাসী। পুলিশের রেকর্ড অনুসারে, নিহত সন্ত্রাসী নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন এইচএম এর সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং পুলিশ/এসএফ এবং হামলা সহ বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী অপরাধের মামলায় জড়িত ছিল।

    আবার একইভাবে, অবন্তিপোরার খান্দিপোরা এলাকায় সন্ত্রাসীদের উপস্থিতির বিষয়ে জানতে পেরে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালায়। এরপরে গুলির লড়াই শুরু হলে এনকাউন্টারে তিন জঙ্গিকে খতম করা হয়। এই তিন সন্ত্রাসীর মধ্যে একজন বিদেশি। বাকি দুজন লস্কর-ই-তৈবার সদস্য বলে জানা গিয়েছে। কাশ্মীর পুলিশের এডিজি দিলবাগ সিং জানিয়েছেন, সেনা শিবিরে আত্মঘাতী হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের। এই খবর আগে জানতে পেরে যৌথ অভিযানে তা বানচাল করতে সমর্থ হয় নিরাপত্তা বাহিনী। আর এই অভিযানেই খতম হয়েছে লস্কর কমান্ডার মুখতার ভাট। এই তিন জেহাদি এক পুলিশকর্মী ও দুই আরপিএফ হত্যায় জড়িত ছিল। খতম হওয়া জঙ্গিদের কাছ থেকে একে ৪৭ রাইফেল, একে ৫৬ রাইফেল ও একটি পিস্তল উদ্ধার হয়। তাদের কাছে থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরকও উদ্ধার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জম্মু এবং কাশ্মীরকে নয়া উচ্চতায় নিয়ে যাব, রোজগার মেলায় ঘোষণা মোদির

  • Gujarat Bridge Collapsed: মাচ্ছু নদীতে গভীরতা কম, নেই জলের স্রোতও, তবে কীভাবে প্রাণ হারালেন শতাধিক মানুষ?

    Gujarat Bridge Collapsed: মাচ্ছু নদীতে গভীরতা কম, নেই জলের স্রোতও, তবে কীভাবে প্রাণ হারালেন শতাধিক মানুষ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোরবি সেতু ঘটনায় (Gujarat Bridge Collapsed) সারা দেশ জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ১৪১ জন। তবে কেন এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। এর কারণ খুঁজতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। তারপরেই মোরবির এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট। তিনি জানালেন রবিবারের বিপর্যয়ের প্রধান কারণ মাচ্ছু নদীর নিম্ন জলস্তর ও পাথুরে তলদেশ। নদীর তল পাথরে পূর্ণ। এই কারণেই অনেক লোক আহত ও নিহত হয়েছে।

    জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট ভিভিএন প্রসন্ন কুমার জানিয়েছেন, গুজরাটের মোরবির মাচ্ছু নদীর জলের তেমন স্রোত নেই, আর এই নদীর জলস্তরও কম। মাত্র ১০ ফিট, যা একটি ছোট গাড়ির উচ্চতার সমান। ফলে নদীতে জলের জন্য এত জনের মৃত্যু হয়নি। নদীর তলদেশ পাথরে ভরা, তাই সেখানে ব্রিজ ভেঙে পড়লে তাঁরা নদীতে পড়ে তলদেশে পৌঁছে যায় ও সেখানকার পাথরে তাঁরা গুরুতর ভাবে আঘাত পায় ও মারা যান।

    আরও পড়ুন: কাউকে আড়াল করা হবে না! মোরবি সেতু বিপর্যয়ে উচ্চপর্যায়ে তদন্তের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

    তিনি আরও জানিয়েছেন, মৃতদের দেহ উদ্ধার করতে ইতিমধ্যেই ডুবুরিরা নদীর তলদেশে পৌঁছেছে। নদীর মাঝে গভীরতা প্রায় ২০ ফিট ও স্রোতও না থাকায় কোনও দেহই ভেসে যায়নি। তবে মৃতদেহ কাদায় আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে ফলে উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। এছাড়াও এই নদীর জল ঘোলা, তাই মৃতদেহ শনাক্ত করতে ক্যামেরা এবং সোনার ডিভাইস লাগানো একটি অতি আধুনিক রিমোট আন্ডারওয়াটার গাড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে।

    আবার দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরই শোকপ্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গতকাল তিনি মোরবির আহতদের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে যান। উদ্ধারকাজ কতদূর এগিয়েছে, কেন এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল, তাও খতিয়ে দেখেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই মোরবি সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে গুজরাট পুলিশ (Gujarat)। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন ব্রিজ রক্ষণাবেক্ষণ সংস্থা ‘ওরেভা’-র ২ জন ম্যানেজার। গ্রেফতার করা হয়েছে ২ জন টিকিট বিক্রেতা, ২ জন কনট্রাক্টর এবং ৩ নিরাপত্তারক্ষীকেও। পুলিশ সূত্রে খবর, কর্তব্যে গাফিলতির দায়ে এই ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

  • Pulwama Attack: পুলওয়ামা আক্রমণ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ, ৫ বছরের জেল বেঙ্গালুরুর ছাত্রের

    Pulwama Attack: পুলওয়ামা আক্রমণ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ, ৫ বছরের জেল বেঙ্গালুরুর ছাত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালের মর্মান্তিক পুলওয়ামা হামলা (Pulwama Attack) নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে পোস্ট করে গ্রেফতার বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) এক যুবক। তাঁকে ৫ বছরের জেলের সাজা শোনালো বিশেষ আদালত। ২০১৯ সালে কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে জঙ্গি হামলা হয়। এর পরেই ২২ বছর বয়সী ওই যুবক সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিপূর্ণ, অবমাননাকর পোস্ট করে। সেই মামলাতেই ৫ বছরের সাজা শোনালো বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালত। ২৫ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে তাকে। যুবকের নাম ফয়েজ রশিদ।   

    যখন এই পোস্ট করে তখন ওই যুবকের বয়স ছিল ১৯ বছর। সেই সময়ে কলেজে পড়াশোনা করত সে। বিগত সাড়ে তিন বছর ধরে সেই মামলা বিচারাধীন। জেল হেফাজতে রয়েছে সে। আদালত অভিযুক্তকে ধারা ১৫৩ এ (ধর্মের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা প্রচার) এবং ২০১ (প্রমাণ নষ্ট করা) -এর অধীনে দোষী সাব্যস্ত করেছে। ১২৪এ (রাষ্ট্রদ্রোহ) ধারার মামলা এখনও বিচারাধীন। আইপিসির ১৫৩এ ধারার অধীনে আদালত এর আগে অভিযুক্তকে ৩ বছরের জন্য কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছিল। পরে আইপিসির ২০১ ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উল্লেখ্য, ওই যুবক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সন্ত্রাসবাদী হামলা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিল। সেনাবাহিনীকে উপহাস করে কমেন্ট করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। 

    আরও পড়ুন: কিং খানের মুক্তির দিন ফের মুক্তি পাচ্ছে দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে         

    আদালত রায় দিয়ে জানিয়েছে, ধর্মীয় অশান্তি সৃষ্টি করার মতলবেই পুলওয়ামায় সিআরপিএফ জওয়ানদের উপর হামলাকে সমর্থন করেছিল ওই যুবক। ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একের পর এক অবমানকর পোস্ট করে সে। এতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও ছিল বলে দাবি আদালতের। 

    ফাইয়াজের আইনজীবী তার পক্ষে সওয়াল করে বলেন, অভিযুক্তের বয়স কম। আগে কোনও অপরাধের ইতিহাস নেই। তাই তাকে মুক্তি দেওয়া উচিৎ। আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলে, ফাইয়াজ যা করেছে তা ভেবেচিন্তেই করছে। অভিযুক্ত ফেসবুকের সব পোস্টেই পুলওয়ামা হামলা নিয়ে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  
  • CRPF: সিআরপিএফের ইনস্পেক্টর জেনারেল পদে প্রথম দুই মহিলা, গড়লেন নতুন ইতিহাস

    CRPF: সিআরপিএফের ইনস্পেক্টর জেনারেল পদে প্রথম দুই মহিলা, গড়লেন নতুন ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস রচনা করলেন সীমা ধুন্দিয়া এবং অ্যানি আব্রাহাম। ভারতের আধা সামরিক বাহিনী সিআরপিএফের ইতিহাসে এই দুই মহিলাই প্রথম ইনস্পেক্টর জেনারেল পদে নিযুক্ত হলেন। সিআরপিএফের (Central Reserve Police Force) আইজি (Inspector General) পদে বসলেন দুজন মহিলা আধিকারিক (women officers)। 

    আইজি সীমা ধুন্ধিয়া (IG Seema Dhundiya) সিআরপিএফের বিহার সেক্টরের (Bihar Sector) প্রধান (head) হচ্ছেন এবং আইজি অ্যানি আব্রাহাম (IG Annie Abhram) হচ্ছেন আরএএফ (Rapid Action Force)-এর প্রধান (head)। দুই আধিকারিকই সিআরপিএফের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১৯৮৭ সাল থেকে।

    এর আগেও মহিলা অফিসাররা দেশের বিভিন্ন আধা-সামরিক এবং কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীতে সিনিয়র পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। কিন্তু সিআরপিএফে এই প্রথম। অর্চনা রামাসুন্দরাম অতীতে সশস্ত্র সীমা বল (SSB) এর ডিজি এবং মঞ্জরি জারুহর সিআইএসএফ-এর বিশেষ ডিজি হিসাবে কাজ করেছেন। তাঁরা দুজনেই ছিলেন আইপিএস আধিকারিক। 

    কেন্দ্রীয় আধা-সামরিক বাহিনীগুলির মধ্যে সিআরপিএফ প্রথম ১৯৮৬ সালে সর্ব-মহিলা ব্যাটালিয়ন গঠন করে। এক বছর পরে ১৯৮৭ সালে মহিলা অফিসারদের নিযুক্ত করা শুরু হয়। আব্রাহাম এবং ধুন্দিয়া উভয়ই সিআরপিএফের মহিলা অফিসারদের এই প্রথম ব্যাচেই নিযুক্ত হন।

    আরও পড়ুন: ট্যুইটারের দায়িত্ব পেয়েই ৩৭০০ কর্মী ছাটাইয়ের পথে ইলন মাস্ক

    বুধবার সিআরপিএফের এক মুখপাত্র বলেন, আব্রাহাম এবং ধুন্দিয়া উভয়েরই চাকরি জীবন অত্যন্ত ঝকঝকে। তাঁরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করেও সফলতার মুখ দেখেছেন। ধুন্দিয়া সারা দেশের বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বাহিনীর ২য় মহিলা ব্যাটালিয়ন গঠনে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তিনি লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘ মিশনে প্রথম সর্ব-মহিলা এফপিইউ-এর কন্টিনজেন্ট কমান্ডারও ছিলেন। তিনি এর আগে র‍্যাফের ডিআইজি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

    আব্রাহাম, লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘ মিশনে সর্ব-মহিলা এফপিইউ-এর কমান্ড করার পাশাপাশি, সিআরপিএফ সদর দফতরে ডিআইজি ইন্টেলিজেন্স, কাশ্মীর অপারেশন সেক্টরে ডিআইজি অপারেশন এবং ডিআইজি সিআর অ্যান্ড ভিজিল্যান্স হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    সিআরপিএফের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আইজি হিসাবে পদোন্নতি হওয়া উভয় মহিলা অফিসারই তাঁদের বিশেষ পরিষেবার জন্য রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক, মেধাবী পরিষেবার জন্য পুলিশ পদক এবং অন্যান্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পাশাপাশি সেবা পদকও পেয়েছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gujarat Election: নরেন্দ্র মোদির জনসভার প্যান্ডেল থেকে নাট-বোল্ট খোলার ভিডিও ভাইরাল, গ্রেফতার যুবক

    Gujarat Election: নরেন্দ্র মোদির জনসভার প্যান্ডেল থেকে নাট-বোল্ট খোলার ভিডিও ভাইরাল, গ্রেফতার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে নরেন্দ্র মোদির জনসভার প্যান্ডেল থেকে নাট-বোল্ট খোলার অভিযোগে গ্রেফতার এক ব্যক্তি। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।  ভিডিওতে দেখা যায় ভিড়ের মাঝে এক ব্যক্তি সন্তর্পণে খুলছেন প্রধানমন্ত্রীর জনসভার প্যান্ডেলের নাট বোল্ট (Nut bolt)। এই ঘটনায় বিস্মিত গোটা দেশ। মোদির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ তুলেছে অনেকে।

     

    গুজরাটের (Gujarat) বানাসকাঁথার (Banaskantha) জনসভার একটি চাঞ্চল্যকর ভিডিও সামনে এসেছে। ওই ব্যক্তি সন্তর্পণে নাট বোল্ট খোলেন। তারপর কিছুক্ষণ পরে সেই নাট বোল্ট নিয়ে চেয়ারে বসে পড়েন। ইতিমধ্যেই সেই ব্যক্তির ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। তারপরেই গ্রেফতার। তিনি এমন ভাবে কাজ করছিলেন যাতে কেউ দেখতে না পায়। তবে সেখানে উপস্থিত কেউ একজন ঘটনাটির ভিডিও করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি পোস্ট হতেই শুরু হয় জল্পনা। উল্লেখ্য, ৩১ অক্টোবর বানাসকাঁথায় জনসভা ছিল মোদির।

    আরও পড়ুন: গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষিত, ভোট হবে দুই দফায়

    চলতি বছর ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই গুজরাট নির্বাচন। আর তার আগেই এমন ঘটনায় শঙ্কিত গোটা দেশ। এই মুহূর্তে গুজরাটে বহু প্রকল্পের উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বানাসকাঁথাতেও প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। মনে করা হচ্ছে, দুর্ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা নিয়েই এই কাজ করা হয়েছে। ভাইরাল ভিডিওই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। ২০১৮ সালের জুলাই মাসেও ঠিক এমন ধরনের একটি ঘটনা ঘটে। মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশে একটি প্যান্ডেল ভেঙে প্রায় ৯০ জন আহত হন। তখন প্রধানমন্ত্রী নিজে হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন।

    ভাইরাল ভিডিওটিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একদল নেটিজেন মনে করছেন, মোরবি সেতুর দুর্ঘটনার প্রতিশোধে নিতে এই ষড়যন্ত্র করা হতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
LinkedIn
Share