Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Rajiv Gandhi Foundation: বৈদেশিক অনুদানে অনিয়মের অভিযোগ, রাজীব গান্ধীর নামাঙ্কিত দুই সংস্থার লাইসেন্স বাতিল

    Rajiv Gandhi Foundation: বৈদেশিক অনুদানে অনিয়মের অভিযোগ, রাজীব গান্ধীর নামাঙ্কিত দুই সংস্থার লাইসেন্স বাতিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন (Rajiv Gandhi Foundation) ও রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্টের (Rajiv Gandhi Charitable Trust) বিরুদ্ধে বড়সড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। বাতিল করে দেওয়া হল ওই দুই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার লাইসেন্স। ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্টে এই ব্যবস্থা নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এই দুই সংস্থার সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে গান্ধী (Gandhi) পরিবার। বৈদেশিক অনুদানে অনিয়মের অভিযোগে লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানান এক আধিকারিক।

    ১৯৯১ সালের ২১ মে তামিলনাড়ুতে সন্ত্রাসবাদীদের ষড়যন্ত্রের বলি হন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। তাঁর স্বপ্ন পূরণে ওই বছরই প্রতিষ্ঠিত হয় রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন (Rajiv Gandhi Foundation)। এই ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। অন্য ট্রাস্টিদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদিকা প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম। ২০০৯ সাল পর্যন্ত এই ফাউন্ডেশন স্বাস্থ্য, সাক্ষরতা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, নারী ও শিশু উন্নয়ন, প্রতিবন্ধীদের সহায়তা, পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছে। প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, লাইব্রেরি ও অন্য কয়েকটি বিষয় নিয়েও কাজ করেছে। এই ফাউন্ডেশনের পাশাপাশি সোনিয়া আবার রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্টেরও মাথা। এই সংস্থার সদস্যদের মধ্যে অন্যতম হলেন রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যসভার সাংসদ অশোকএস গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: খাড়্গে হাতের পুতুল! রিমোট কন্ট্রোল থাকবে গান্ধী পরিবারের হাতে, দাবি বিজেপির

    সূত্রের খবর, রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন (Rajiv Gandhi Foundation) ও রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্টের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের তদন্তভার দেওয়া হতে পারে সিবিআইয়ের (CBI) হাতে। ২০২০ সালের জুন মাসে রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের (Rajiv Gandhi Foundation) বিরুদ্ধে বিদেশি ফান্ডিংয়ের অভিযোগ ওঠে। তৎকালীন আইনমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ দাবি করেছিলেন রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনে ফান্ডিং করেছে চিন। আইন অনুযায়ী, বিদেশ থেকে টাকা নিতে গেলে সরকারের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সেটা হয়েছিল কিনা, সে প্রশ্ন ওঠে। তার পরেই শুরু হয় তদন্ত।

    রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের (Rajiv Gandhi Foundation) পাশাপাশি রাজীবের নামে আরও একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গড়ে উঠেছিল ২০০২ সালে। এটি হল রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট। মূলত গ্রামীণ এলাকায় পিছিয়ে পড়া মানুষদের কল্যাণে কাজ করতে জন্ম হয়েছিল এই সংস্থার। অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল ইন্দিরা গান্ধী মেমরিয়াল ট্রাস্টের বিরুদ্ধেও। যদিও এই সংস্থার বিরুদ্ধে এখনও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলেই সূত্রের খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Extradition: বিজয় মাল্যর প্রত্যর্পণের বিষয়ে বৈঠকে ভারত-যুক্তরাজ্য

    Extradition: বিজয় মাল্যর প্রত্যর্পণের বিষয়ে বৈঠকে ভারত-যুক্তরাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধমূলক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের চার দিনব্যাপী ৯০তম সাধারণ অধিবেশন শুরু হয়েছে ১৮ অক্টোবর। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এই  সম্মেলন। ইন্টারপোলের সর্বশেষ অধিবেশন ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অধিবেশন শুরুর দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিল্লির প্রগতি ময়দানে দেন।   
     
    এই অধিবেশনেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যুক্তরাজ্যের আধিকারকদের, ভারতীয় আধিকারিকরা পলাতক ব্যবসায়ী বিজয় মাল্যর প্রত্যর্পণ চ্যুক্তি “দ্রুত” করার আবেদন জানিয়েছেন। এছাড়াও আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন ইকবাল মিরচির স্ত্রী হাজরা মেমন এবং ছেলে আসিফ এবং জুনায়েদের খুঁজে বের করার বিষয়েও কথা বলেছেন। 

    ২০২০ সালের এপ্রিলে প্রত্যর্পণের নির্দেশের বিরুদ্ধে মাল্যের আবেদন খারিজ করেছিল লন্ডন হাইকোর্ট। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে ব্রিটেনের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার যে অনুমতি চেয়েছিলেন তিনি, পরবর্তীতে তাও বাতিল হয়ে যায়। হিসেব মতো ২৮ দিনের মধ্যেই প্রত্যর্পণ চ্যুক্তির মাধ্যমে মাল্যকে ভারতে ফিরিয়ে আনার কথা ছিল। কিন্তু অজানা কারণে আড়াই বছর ধরে আটকে রাখা হয়েছে এই প্রত্যর্পণ চ্যুক্তি। মনে করা হচ্ছে মাল্য যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের জন্যে আবেদন করেছেন। 

    আরও পড়ুন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয়-পরাজয়ের দৌড়ে কে কোথায় ?

    এই বিষয়ে ওয়াকিবহাল এক আধিকারিক জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের ইন্টারপোল প্রতিনিধিদলকে বলা হয়েছিল যে যেহেতু আদালত ইতিমধ্যেই  মাল্যর প্রত্যর্পণের অনুমতি দিয়েছে, তাই ভারতের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার মুখোমুখি হওয়ার জন্য তাঁকে শীঘ্রই প্রত্যর্পণ করা প্রয়োজন।     

    ভারত নীরব মোদী, সঞ্জয় ভান্ডারী সহ অন্যান্য পলাতকদের প্রত্যর্পণের বিষয়টিও উত্থাপন করেছে। উভয়টি মামলাই এখন আদালতে রয়েছে। এছাড়াও মেমন এবং আরও কিছু সাইবার অপরাধীকে খুঁজে বের করার বিষয়েও কথা বলেছে।

    এছাড়া কানাডার প্রতিনিধিদের সঙ্গে কানাডায় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও কথা হয়েছে ভারতের। গত সপ্তাহেই বেদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কানাডা প্রশাসনকে তথাকথিত ‘খালিস্থান আন্দোলন’ নিয়ন্ত্রণ করার কথা বলেছিলেন। 

    এই অধিবেশনে ২২টি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠুক হয়েছে ভারতের। আমেরিকা, ইউকে, কানাডা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, ইউএই, বাংলাদেশ, নেপাল, ওমান, নিউজিল্যান্ট, ভুটান, নাম্বিয়া, বাহারিন, সারবিয়া, মালয়েশিয়া, মঙ্গোলিয়া এবং ইউরোপোল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Four Year Child Rape Telangana: ৪ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ! স্কুলের স্বীকৃতি বাতিল করল তেলঙ্গানা সরকার

    Four Year Child Rape Telangana: ৪ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ! স্কুলের স্বীকৃতি বাতিল করল তেলঙ্গানা সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দ্রাবাদের একটি বেসরকারি স্কুলে ৪ বছরের শিশু কন্যাকে (Four Year Child Rape) ধর্ষণের ঘটনায় স্কুলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তেলঙ্গানা সরকার। ওই বেসরকারি স্কুলটির স্বীকৃতি বাতিল করে স্কুলটিকে সম্পূর্ণভাবে বন্ধের নির্দেশ দিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী সবিতা ইন্দ্র রেড্ডি। তবে ওই স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের অন্য স্কুলে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

    সূত্রের খবর, বিগত দু’মাস ধরে ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করে আসছে স্কুলের এক গাড়িচালক। গুরুতর এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই পুলিশ ওই গাড়ি চালককে গ্রেফতার করেছে এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে গাফিলতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে স্কুলের প্রিন্সিপালকেও। তাঁর জেরেই স্কুলের সরকার প্রদত্ত স্বীকৃতি বাতিল করে রাজ্যের শিক্ষা দফতর।

    এই গোটা ধর্ষণের ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। স্কুলের অভিভাবকরাও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তবে আচমকা এইভাবে স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বড় সমস্যায় পড়েছেন পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা। সরকার অবশ্য আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছে, সব পড়ুয়াকেই কোনও না কোনও স্কুলে ভর্তি করানো হবে। সরকারি সূত্রে খবর, ওই স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা অন্তত ৭০০। বছরের এই মাঝামাঝি সময়ে এত সংখ্যক পড়ুয়াকে অন্য স্কুলে ভর্তি করানো খুব একটা সহজ কাজ হবে না।

    আরও পড়ুন: বৈবাহিক ধর্ষণ ও গর্ভপাত নিয়ে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    শিক্ষামন্ত্রী একটি কমিটি গঠন করারও নির্দেশ দিয়েছেন। যে কমিটির মাথায় থাকবেন শিক্ষা দফতরের সচিব। থাকবেন মহিলা ও শিশুকল্যাণ দফতরের সচিবও। স্কুলে পড়ুয়াদের হেনস্থা এবং ধর্ষণের মতো ঘটনা রুখতে কী কী পদক্ষেপ করা যেতে পারে, এক সপ্তাহের মধ্যে সেই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই কমিটিকে।

    এদিকে, তেলঙ্গানার রাজ্যপাল তামিলিসাই সৌন্দরাজন এই ঘটনায় গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং অপরাধীর বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও-এর কাছে ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন।

    অভিযুক্ত ওই ড্রাইভারের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ (এবি) ধারা এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েটিকে ধর্ষণ করা অপরাধে পকসো আইনে (POCSO) পুলিশ মামলা দায়ের করেছে। এছাড়াও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতি ও স্কুল পরিচালনের ক্ষেত্রে ব্যর্থতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধেও পকসো আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Sukhoi: ব্রহ্মোস বহনে সুখোই-এর আধুনিকীকরণ করছে বায়ুসেনা! জানেন কী হবে এর প্রভাব?

    Sukhoi: ব্রহ্মোস বহনে সুখোই-এর আধুনিকীকরণ করছে বায়ুসেনা! জানেন কী হবে এর প্রভাব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুশ নির্মিত মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্ট “সুখোই ৩০-এমকেআই” হল ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান স্তম্ভ। আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বহনের জন্য এই বিমানের আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বহনের জন্য ৪০টি সুখোই-৩০ এম কে আই-এর আধুনিকীকরণ করছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ব্রহ্মোস ৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। কিন্তু এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। সেক্ষেত্রে ব্রহ্মোস বহনের জন্য সুখোই-এর আধুনিকীকরণও জরুরি। সেই পরিকল্পনা নিয়েই চলছে বায়ুসেনা

    আরও পড়ুন: শীতের শুরুতে আরেকটা করোনার প্রকোপ? সতর্কতা জারি করল ‘হু’

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, ব্রহ্মোস বহনের জন্য সুখোই-এর বেশ কিছু অংশকে আরও শক্ত করতে হবে। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, এই কাজ সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে করবে হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)। ইতিমধ্যেই ৩৫ টি ফাইটার জেটের আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আরও ২০ থেকে ২৫ টি ফাইটার জেট  উন্নত করা হবে। বিশ্বের অন্যতম সেরা চতুর্থ প্রজন্মর যুদ্ধবিমান হল এই সুখোই-৩০। এর আধুনিকীকরণ করা হলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, গোটা এশিয়াতে এটি গেম চেঞ্জার হয়ে উঠতে পারে।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ ওঠায় পূর্বতন শাসকদের দুষলেন মোদি

    প্রধানত এয়ার-টু-এয়ার সুপিরিওরিটি যুদ্ধবিমান হল সুখোই-৩০। অর্থাৎ, মাঝ-আকাশে ডগ-ফাইটে এই বিমানের জুড়ি মেলা ভার। এই বিমান শত্রুর কোনও সামরিক ঘাঁটি বা ভূমিতে থাকা কোনও লক্ষ্যবস্তুকে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। সুখোইয়ের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২ হাজার ১২০ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ টেক-অফ লিফ্ট ৩৮ হাজার ৮০০ কেজি। বিভিন্ন ধরনের বম্ব, রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম সুখোই। মোট বহন ক্ষমতা প্রায় ৮ হাজার কেজি। দুই আসন বিশিষ্ট, দুই ইঞ্জিনের সুখোইতে রয়েছে একটি ৩০এমএম বন্দুক। মাঝারি পাল্লার গাইডেড এয়ার-টু-এয়ার, ইনফ্রারেড হোমিং স্বল্প পাল্লার মিসাইল সহ একাধিক ক্ষপণাস্ত্র বহন করতে পারে সুখোই। পারমাণবিক অস্ত্রবহন করতেও সক্ষম সুখোই-৩০। এবার এই বিমানে বিশ্বের একমাত্র সুপারসনিক ব্রহ্মোস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের এয়ার-ভার্সান অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। একবার তা সম্পন্ন হলে, সুখোই-৩০ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Modi at Uttarakhand: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ ওঠায় পূর্বতন শাসকদের দুষলেন মোদি

    Modi at Uttarakhand: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ ওঠায় পূর্বতন শাসকদের দুষলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের (Centre) বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে বারংবার সরব হয়েছে বিভিন্ন রাজ্য সরকার। বছরের পর বছর বঞ্চিত থেকেছে রাজ্য। এজন্য আগের সরকারকে দুষলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এখন আর তা হচ্ছে না। দেশের বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ এলাকার হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। শুক্রবার উত্তরাখণ্ডের মানা গ্রামে এক অনুষ্ঠানে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Pm Modi)।

    দু দিনের উত্তরাখণ্ড (Uttarakhand) সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন কেদারনাথে রোপওয়ের শিলান্যাস করেন তিনি। এই প্রকল্প চালু হলে মাত্র ৩০ মিনিটেই গৌরীকুণ্ড থেকে পৌঁছে যাওয়া যাবে কেদারনাথ মন্দিরে। এ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানটি হয় মানা গ্রামে। এই অনুষ্ঠানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোদি কাশী বিশ্বনাথ মন্দির, উজ্জ্বয়িনী এবং অযোধ্যার প্রসঙ্গ তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, সাম্প্রতিক বছরে এই তিন ক্ষেত্রেই বড়সড় সংস্কারের কাজ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অথচ বছরের পর বছর এই ক্ষেত্রগুলি উপেক্ষিত হয়ে থেকেছে। তিনি বলেন, আমাদের সম্পদ নিয়ে অহংকার করতে হবে। একবিংশ শতাব্দীর ভারত গড়তে আমাদের উন্নয়ন করতে হবে। এই মানা গ্রামটি ভারত-চিন সীমান্ত ঘেঁষা। এদিন কেদারনাথ ছাড়াও হেমকুণ্ড সাহিবেও একটি রোপওয়ে প্রকল্পের শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: দীপাবলির উপহার! ২২ অক্টোবর ৭৫ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মোদি

    মোদি বলেন, মানা গ্রামকে ভারতের শেষ গ্রাম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু এখন থেকে সীমান্তের গ্রামগুলি বিবেচিত হবে ভারতের প্রথম গ্রাম হিসেবে। হেমকুণ্ড সাহিবে প্রধানমন্ত্রী যে রোপওয়ের শিলান্যাস করেন, সেটি গোবিন্দঘাট থেকে হেমকুণ্ড সাহিব পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দুই রোপওয়ের শিলান্যাস করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই যে রোপওয়ের শিলান্যাস হল, এটা কেবল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নয়, এই রোপওয়ে চালু হলে রাজ্যের আর্থিক হালও ফিরবে। তিনি বলেন, কেবল রোপওয়ে চালুই নয়, আমাদের সরকার পাহাড়ি অঞ্চলে ড্রোনের মাধ্যমে জিনিসপত্র পরিবহণেও কাজ করছে। মোদি বলেন, এই সমস্ত অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ করছে আমাদের সরকার। দিল্লি এবং উত্তর প্রদেশের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলতে চার লেনের এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি করা হচ্ছে। দিল্লি-দেরাদুন অর্থনৈতিক করিডর রাজ্যের ব্যবসায়ীদের উৎসাহ দেবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, উত্তরাখণ্ড সফরে গিয়ে এদিন প্রধানমন্ত্রী কেদারনাথে পুজো করেন। পরে শিলান্যাস করেন রোপওয়ের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Arvind Kejriwal: টাকায় লক্ষ্মী-গণেশের ছবি ছাপানোর আবেদন কেজরির, কী বলল বিজেপি? 

    Arvind Kejriwal: টাকায় লক্ষ্মী-গণেশের ছবি ছাপানোর আবেদন কেজরির, কী বলল বিজেপি? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া নোটে লক্ষ্মী গণেশের ছবি দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) অনুরোধ করলেন আম আদমি পার্টির (AAP) নেতা তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তাঁর মতে, দেশের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে নোটের এই ছবি।

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ আমি কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে একটা অনুরোধ করছি। ভারতীয় নোটে গান্ধীজির একটা ছবি থাকে। সেটা থাকুক। নোটের উল্টো পিঠে রাখা উচিত গণেশজি ও লক্ষ্মীজির ছবি। তিনি বলেন, দেশের আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে নানাবিধ চেষ্টা আমাদের করতে হবে। আমাদের সেই চেষ্টা তখনই সফল হবে যখন ভগবানের আশীর্বাদ মিলবে। নোটের একদিকে গান্ধীজির ছবি, অন্য দিকে গণেশজি লক্ষ্মীজির ছবি থাকলে গোটা দেশই ভগবানের আশীর্বাদ পাবে। আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো (Arvind Kejriwal) বলেন, লক্ষ্মী সমৃদ্ধির দেবী। আর গণেশ হলেন বিঘ্ননাশকারী। তিনি বলেন, আমি সব নোট পরিবর্তন করতে বলছি না। কিন্তু প্রতি মাসে যেসব নতুন নোট বের হয়, সেগুলিতে ওই ছবি দিতে বলছি।

    এ প্রসঙ্গে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী (Arvind Kejriwal) ইন্দোনেশিয়ার প্রসঙ্গ টানেন। তিনি বলেন, ইন্দোনেশিয়া মুসলিম দেশ। তাদের নোটে গণেশের ছবি রয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, ইন্দোনেশিয়া পারলে, আমরা কেন পারব না? তিনি বলেন, নতুন নোটেই ছবি ছাপানো যেতে পারে। প্রসঙ্গত, ইন্দোনেশিয়ায় ২০ হাজার টাকার নোটে গণেশের ছবি রয়েছে। কেজরিওয়াল বলেন, আমি এক দু দিনের মধ্যে কেন্দ্রকে এ ব্যাপারে চিঠি লিখব। দেশের আর্থিক হাল ফেরাতে চেষ্টার পাশাপাশি আমাদের ভগবানের আশীর্বাদ প্রয়োজন।

    নোটে লক্ষ্মী গণেশের ছবি দেওয়ার কথা বলে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) দলের হিন্দু বিরোধী মুখটাই ঢাকতে চাইছেন বলে দাবি বিজেপি নেতা মনোজ তিওয়ারির। তাঁর মতে, সামনে ভোট। তাই তিনি এসব বলছেন। মনোজের মতে, এটা তাঁর ব্যর্থ চেষ্টা। বিজেপি সাংসদ বলেন, তিনি (কেজরিওয়াল) যদি সত্যিই এটা বোঝাতে চাইতেন, তাহলে তাঁর উচিত দিল্লির প্রাক্তন মন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল গৌতম ও আপের গুজরাট ইউনিট প্রেসিডেন্ট গোপাল ইটালিয়াকে দল থেকে বহিষ্কার করা। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে এই দুই নেতা হিন্দুদের দেবদেবীর মূর্তি-বিরোধী কথা বলেছিলেন বলে অভিযোগ।

     

     

  • Mosambi Juice: প্লাজমার বদলে মুসাম্বির রস, অভিযুক্ত হাসপাতালকে বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত যোগী সরকারের

    Mosambi Juice: প্লাজমার বদলে মুসাম্বির রস, অভিযুক্ত হাসপাতালকে বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত যোগী সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) প্রয়াগরাজে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্লাজমার বদলে ডেঙ্গুর রোগীকে মুসম্বির রস (Mosambi Juice) দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। ওই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুও হয়। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল গোটা দেশে। এবার প্রয়াগরাজের ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল যোগী সরকার। প্রয়াগরাজ ডেভেলপমেন্ট অথরিটি একটি নোটিস জারি করে জানিয়েছে, কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের প্রশ্নের জবাব দিতে না পারলে বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে হাসপাতালটিকে। 

    আরও পড়ুন: ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে গুগলকে ফের জরিমানা করল সিসিআই

    প্রয়াগরাজের বেসরকারি হাসপাতাল গ্লোবাল হসপিটালে ৩২ বছরের এক ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে প্লেটলেটের বদলে মুসম্বির রস দেওয়া হয়। এরপরেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের। মৃত যুবকের শ্যালক দাবি করেন, “প্লেটলেটের বদলে মোসাম্বির রস দেওয়া হয়েছিল তাঁর ভগ্নিপতিকে। পাঁচ নম্বর প্যাকেটে ফলের রস ছিল। পরে হাসপাতালের আধিকারিকদের সেটা দেখিয়ে পুরো বিষয়টা জানাই।” যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি সামনে আসতেই দেশজুড়ে প্রতিবাদ গড়ে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গেই সক্রিয় হয়ে ওঠে প্রশাসন। কর্তৃপক্ষকে কড়া নোটিস ধরিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। আগামী তিন দিনের মধ্যে জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে। প্রয়াগরাজ ডেভেলপমেন্ট অথরিটির নোটিস বলা হয়েছে, পুরসভার কোনওরকম অনুমতি ছাড়া বেআইনি ভাবে হাসপাতালের ভবন নির্মাণ হয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে সেটিকে ফাঁকা করতে হবে। প্রসঙ্গত মুসম্বি বিতর্কের পরেই সিল করে দেওয়া হয় হাসপাতালটিকে। অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় রোগীদের। কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। আজ ‘বুলডোজার নোটিস’ জারি করল প্রয়াগরাজ ডেভেলপমেন্ট অথরিটি। 

    প্রয়াগরাজের সিএমও নানক সরণ বলেন, “তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে রোগীর আত্মীয়দের অভিযোগের তদন্ত করা হচ্ছে। মৃতের পরিবারের কিছু অভিযোগ রয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, এর আগে তিন ইউনিট প্লেটলেট রোগীকে দেওয়া হয়েছিল তা নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। তার পর হাসপাতালের কারও মারফত তাঁরা আরও প্লেটলেট জোগাড় করেন। তাতে রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয়। পরের দিন রোগীর মৃত্যু হয়।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mallikarjun Kharge: মাথায় কাঁটার মুকুট! আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসের দায়িত্ব নিলেন খাড়গে

    Mallikarjun Kharge: মাথায় কাঁটার মুকুট! আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসের দায়িত্ব নিলেন খাড়গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আক্ষরিক অর্থেই কাঁটার মুকুট পরে দলের দায়িত্ব নিলেন প্রবীণ কংগ্রেস (Congress) নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun Kharge)। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে ওই দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। দিল্লিতে (Delhi) কংগ্রেসের সদর দফতরে জয়ের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে। এদিন দায়িত্ব নেওয়ার আগে রাজঘাটে গিয়ে মাহাত্মা গান্ধীর (Mahatma Gandhi) সমাধিস্থলে শ্রদ্ধাও জানান কংগ্রেসের নয়া প্রেসিডেন্ট।

    চলতি বছরেই রয়েছে দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। পরের বছর অগ্নিপরীক্ষা দুই রাজ্যের কংগ্রেস সরকারের। ২০২৪ সালে রয়েছে সাধারণ নির্বাচন। দায়িত্ব নিয়েই এই তিন অস্ত্রের ধাক্কা সামলাতে হবে অশীতিপর এই কংগ্রেস নেতাকে। এদিন দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একাধিক রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন খাড়গে (Mallikarjun Kharge)। জগজীবন রামের পঞ্চাশ বছর পরে ফের কোনও দলিত সভাপতি পেল কংগ্রেস। নিজলিঙ্গাপ্পার পরে কর্নাটক থেকে কংগ্রেসের দ্বিতীয় সভাপতিও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। শশী থারুরকে ৬ হাজার ৮২৫ ভোটে হারিয়েওছেন কংগ্রেসের নয়া প্রেসিডেন্ট।

    এদিন দায়িত্ব নিয়েই খাড়গে (Mallikarjun Kharge) বলেন, আমরা উদয়পুর চিন্তন শিবিরে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম দলের পঞ্চাশ শতাংশ পদে বসাব ৫০ বছরের নীচের বয়সের নেতাদের। আপনাদের সকলের সমর্থন নিয়ে আমরা সেদিকে এগোব। বিজেপি এবং আরএসএসকে নিশানা করে কংগ্রেসের নয়া সভাপতি বলেন, যাঁরা ঘৃণা ছড়াচ্ছেন আমরা তাঁদের পরাজিত করব। যাঁরা ভারত ভাগ করতে চান, পরাজিত করব তাঁদেরও। কর্নাটকের এই কংগ্রেস নেতা (Mallikarjun Kharge) বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশ দেখছে মিথ্যে এবং প্রতারণার রাজনীতি। কংগ্রেস যে গণতান্ত্রিক কাঠামো তৈরি করছিল, তা ভেঙে ফেলারও চেষ্টা চলছে। কিন্তু কংগ্রেসের আদর্শ ভারতের সংবিধান ভিত্তিক। এখন সেই সংবিধান রক্ষা করার সময়।

    আরও পড়ুন: ‘গীতা-জিহাদ’ মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়, শিবরাজের ব্যাপারে হাত ধুয়ে ফেলতে চাইছে কংগ্রেস?

    কংগ্রেসের ভিত্তি যে গণতন্ত্র, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন খাড়গে (Mallikarjun Kharge)। বলেন, আমি একজন সাধারণ কংগ্রেস কর্মী হিসেবে উঠে এসেছি। আমাকে প্রেসিডেন্ট পদে বসানোর জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আমি এক শ্রমিকের ছেলে, আজ প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, কংগ্রেসই এক মাত্র দল যেখানে অন্তবর্তী গণতন্ত্র রয়েছে। আমার ভোট জয়ে তা প্রমাণিত হয়েছে আরও একবার। রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রার প্রশংসা করে খাড়গে বলেন, দলের বার্তা তৃণমূলস্তরে পৌঁছে দিতে এটা একটা ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। কংগ্রেস অনেক ভাল কাজ করেছে বলেও জানান খাড়গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • India UK Relations: ঋষি প্রধানমন্ত্রী হতেই জয়শঙ্করকে ফোন ব্রিটিশ বিদেশ সচিবের, কী আলোচনা হল জানেন?

    India UK Relations: ঋষি প্রধানমন্ত্রী হতেই জয়শঙ্করকে ফোন ব্রিটিশ বিদেশ সচিবের, কী আলোচনা হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পোক্ত হচ্ছে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক (India UK Relations)!

    ব্রিটেনের (UK) প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনীত হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। চলতি মাসের ২৮ তারিখে শপথ নেওয়ার কথা তাঁর। প্রধানমন্ত্রী পদে ঋষি মনোনীত হতেই ট্যুইট বার্তা পাঠান ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এর পরে পরেই ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি জেমস ক্লেভারলি ফোন করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে (S Jaishankar)। দুই দেশের দুই নেতা ইউক্রেন রাশিয়া দ্বন্দ্ব, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। প্রসঙ্গত, দুই দেশের এই দুই নেতার এহেন আলোচনা হল এমন একটা সময়ে যখন ইউক্রেনে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত ভারতীয় নাগরিকদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ইউক্রেন ছাড়তে বলেছেন।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পর ট্যুইট করেন ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি। লেখেন, আজ ভারতের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভাল লাগল। আমরা রাশিয়া-ইউক্রেন সঙ্কট নিয়ে আলোচনা করেছি। এবং এটাও জানিয়েছি, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার বক্তব্য ও অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ জানাব। বছর বিয়াল্লিশের ঋষি একজন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কার। পরে আসেন রাজনীতিতে। ২০১৫ সালে প্রথম জিতে পা রাখেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টে। ব্রিটেনের ২১০ বছরের ইতিহাসে তিনিই সে দেশের কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী। তিনি ব্রিটেনের প্রথম হিন্দু প্রধানমন্ত্রী। তিনি সে দেশের প্রথম অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রীও।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক, কে তিনি জানেন?

    দলের তরফে প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনীত হওয়ার পর প্রথা মেনে বাকিংহাম প্যালেসে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা করেন ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে পা রাখার আগে প্রথা মেনে ঋষি তা করেনও। পরে বলেন, তিনি এমন একটা সময় দেশের দায়িত্বভার নিচ্ছেন যখন ব্রিটেন গভীর অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে রয়েছে। করোনা অতিমারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর যা আরও বেড়েছে। ব্রিটেনবাসীর আশা পূরণ করবেন বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। প্রসঙ্গত, আগামী মাসেই ইন্দোনেশিয়ার বালিতে রয়েছে জি-২০ সম্মেলন। ওই সম্মেলনে যোগ দিতে যাওয়ার কথা ঋষি এবং মোদির। সেখানে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলাপচারিতা হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Diwali 2022: ট্যুইটারে ট্রেন্ড করল #AyodhyaDeepotsav, পৌঁছল ২৩০ কোটি মানুষের কাছে

    Diwali 2022: ট্যুইটারে ট্রেন্ড করল #AyodhyaDeepotsav, পৌঁছল ২৩০ কোটি মানুষের কাছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার অযোধ্যায় দীপোৎসব (Ayodhya Deepotsav) উদযাপিত হয় জন্য সরযূ নদীর তীরে। আর সেই উপলক্ষে ১৫ লাখের বেশি মাটির প্রদীপ জ্বালানো হয়। আর এতে আরও একবার রামনগরীর নাম উঠল একবার গিনেস বুকস অফ ওয়ার্ল্ডরেকর্ডে। এর আগে গত বছর অযোধ্যাতেই দীপোৎসবের আয়োজন করেছিল যোগী সরকার। সেখানে জ্বালানো হইয়েছিল ১২ লক্ষ মাটির প্রদীপ। তাতে রেকর্ড তৈরি হয়েছিল। তার পরে উজ্জয়নীতে সেই রেকর্ড ভাঙা হয়েছিল। এবছর ফের অযোধ্যা রেকর্ড গড়ল। 

    আরও পড়ুন: ‘বন্দেমাতরম’ গাইলেন নরেন্দ্র মোদি, শেয়ার করলেন এ আর রহমান

    আর একই সঙ্গে ট্যুইটারে ট্রেন্ড করল #AyodhyaDeepotsav। এই হ্যাশট্যগ পৌঁছে যায় বিশ্বব্যাপী ২৩০ কোটি মানুষের কাছে। ২ লক্ষের বেশি মানুষ ট্যুইটারে এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেন। এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে অনেকে ভিডিও, ফটো শেয়ার করেন, কেউ কোট ট্যুইট করেন, কেউ রিট্যুইট করেন। কেউ আবার কমেন্টে এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেন। 

    গতকাল ১৫ লক্ষ ৭৬ হাজার প্রদীপ জ্বালানো হয়েছিল। ২২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক এই কাজ করেন। প্রত্যেকে ২৫৬টি করে প্রদীপ জ্বালানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন। গতকাল প্রধানমন্ত্রী দীপোৎসবের সূচনা করেন। সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। এর আগে শ্রী রামলালার দর্শন ও পুজো করেন মোদি। পরে রামমন্দির নির্মাণের কাজ পরিদর্সন করেন তিনি। অনুষ্ঠানের সাফল্যের পর, প্রধানমন্ত্রী  যোগী আদিত্যনাথের ভূয়সী প্রশংসা করেন। গ্র্যান্ড ফেস্টিভ্যালে রেকর্ড করার সময় ঘাটটিতে প্রায় ৫০ হাজারেও বেশি মানুষ ভিড় করেছিল বলে জানা গিয়েছে। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে ৩৭টি ঘাটে আলো জ্বালানো শুরু হয়। গিনেস বুক অফ রেকর্ডসের এক আধিকারিক এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, পাঁচ মিনিটের জন্য কতগুলি প্রজীপ জ্বলবে, সেগুলিই একমাত্র গণনা করা হবে। পুরো ঘটনাটি রেকর্ড করার জন্য রাখা হয়েছিল ড্রোন।  রাখা হয়েছে। চূড়ান্ত ঘোষণা করার আগে এই ড্রোন পরীক্ষা করা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share