Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Gurugram Safari Park: গুরুগ্রামে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম সাফারি পার্ক

    Gurugram Safari Park: গুরুগ্রামে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম সাফারি পার্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানার আরাবল্লী পাহাড়ে (Aravalli mountain range) বিশ্বের বৃহত্তম সাফারি পার্ক তৈরি করতে চলেছে হরিয়ানা সরকার (Haryana Govt)।

    সম্প্রতি সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরের (Manohar Lal Khattar) নেতৃত্বে একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল একদিনের সফরে দুবাইয়ের (Dubai) শারজাহ সাফারি পার্ক (Sharjah Safari Park) পরিদর্শন করতে গিয়েছিল। সেখান থেকে ফিরে আসার পর মুখ্যমন্ত্রী জানান, হরিয়ানার এনসিআর (NCR) অঞ্চলটি হবে সাফারি পার্ক তৈরির জন্য আদর্শস্থান। তিনি আরও জানান, জঙ্গল সাফারি পার্ক শুধুমাত্র যে পর্যটন শিল্পকে (Tourism Industry) উৎসাহিত করবে তাই নয়। দেশ-বিদেশ থেকে পর্যটক ভারতে এলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আসবে। পাশাপাশি বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

    প্রস্তাবিত এই সাফারি পার্কটি আনুমানিক ১০ হাজার একর জুড়ে বিস্তৃত থাকবে। হরিযানার গুরুগাঁও (অধূনা গুরুগ্রাম) এবং নুহ জেলা দুটিকে কভার করবে এই পার্কটি। সরকারি তরফে ঘোষণা করা হয়েছে এই পার্কটির কাজ সম্পন্ন হলে এটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো সাফারি পার্ক। বর্তমানে ২০২২ সালে দুবাইতে উদ্বোধন হওয়া শারজাহ পার্কটি বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো সাফারি পার্ক। শারজাহ পার্কটি দুই হাজার একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত।

    কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব জানিয়েছেন, হরিয়ানার (Haryana) পরিবেশ দফতরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কেন্দ্রীয় সরকারও এই প্রকল্পের জন্য অর্থ সহায়তা করবে। অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক (Internatonal) দুটি সংস্থাকে এই পার্কটি তৈরির জন্য প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়েছে। এই দু’ সংস্থার মধ্যে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। জয়ী সংস্থা প্রকল্পটির বরাত পারে।

    আরও পড়ুন: কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দিগ্বিজয় ডামি প্রার্থী, কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের 

    প্রসঙ্গত, আরাবল্লী পর্বতমালায় বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, বন্য পশু এবং প্রজাপতির বাস। হরিয়ানা সরকারের সমীক্ষা (Survey) অনুযায়ী, আরাবল্লী পর্বতে ১৮০ প্রজাতির পাখি, ১৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ২৯ প্রজাতির জলজ প্রাণী এবং ৫৭ প্রজাতির প্রজাপতি পাওয়া গিয়েছে।

    হরিয়ানা সরকারের এই ঘোষণার পরেই সাধুবাদ জানিয়েছে পরিবেশ প্রেমীরা। বর্তমানে, পরিবেশের বিরুদ্ধে গিয়ে উন্নয়নকে হাতিয়ার করে একাধিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে রাজ্যগুলি। সেই ট্রেন্ডের বিপরীতে গিয়ে সাফারি পার্কের উদ্যোগে খুশি পরিবেশপ্রেমীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • S Jaishankar: ‘রাশিয়া – ইউক্রেন যুদ্ধে ভারত শান্তির পক্ষে রয়েছে…’, রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ঘোষণা করলেন বিদেশমন্ত্রী

    S Jaishankar: ‘রাশিয়া – ইউক্রেন যুদ্ধে ভারত শান্তির পক্ষে রয়েছে…’, রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ঘোষণা করলেন বিদেশমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) ভাষণ দিতে গিয়ে ইউক্রেন প্রসঙ্গ টেনে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেছিলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia-Ukraine War) থামাতে হবে। এরপর আবার তিনি রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় (UN General Assembly) বক্তৃতা দিতে গিয়ে বলেন, ভারত সবসময় শান্তির পক্ষে রয়েছে এবং সেখানেই অনড় থাকবে। গতকাল, ২৪ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার ৭৭তম অধিবেশনে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

    তিনি বলেন, “ইউক্রেনের সংঘাত ক্রমাগত উদ্বেগ সৃষ্টি করার কারণে, আমাদের প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয় যে আমরা কার পক্ষে। আমরা প্রতিবার সহজ, সরল ও সৎ উত্তর দিয়ে এসেছি। ভারত শান্তির পক্ষে আছে এবং দৃঢ়ভাবে সেখানে থাকবে। আমরা সেই পক্ষে রয়েছি যারা রাষ্ট্রসংঘের সনদ এবং এর নীতিগুলিকে সম্মান করে। আমরা যুদ্ধ নয়, আলোচনা এবং কূটনীতিকে একমাত্র উপায় হিসেবে মনে করি।” অর্থনীতিতে যুদ্ধের প্রভাবের উপর জোর দিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “চলমান ইউক্রেন সংঘাতের প্রভাব অর্থনৈতিক চাপকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, বিশেষ করে খাদ্য ও জ্বালানীর ওপর।” ফলে এইসব কথা উল্লেখ করে বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বিশ্ব জুড়ে শান্তির জন্য এবং কূটনীতির মাধ্যমে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘যুদ্ধ থামান’, রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়াকে আর্জি জয়শঙ্করের

    অন্যদিকে রাষ্ট্রসংঘের ৭৭ তম সাধারণ অধিবেশনে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বক্তব্য রাখতে গিয়ে সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, কীভাবে ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করছে। তিনি এদিন পাকিস্তানের নাম না নিয়ে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে কড়া বার্তা দিয়েছেন। একই সঙ্গে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ভারতের অভিযানে চিনের ষড়যন্ত্রকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন তিনি। তিনি বলেন, দশকের পর দশক ভারত আন্তঃসীামান্ত সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়েছে। ফলে ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

    তিনি এদিন আরও জানিয়েছেন যে, সন্ত্রাসবাদের কোনও যৌক্তিকতা হয় না। সন্ত্রাসবাদ কখনও কোনও সমস্যার সমাধান হতে পারে না।  রক্ত কখনও কোনও সমস্যার উত্তর হতে পারে না বলেও তিনি মনে করেন। যাঁরা সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করেন, তাঁরা আদতে নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনেন। কারণ যাই হোক না কেন, সন্ত্রাসবাদকে কখনও সমর্থন করা যায় না।

    উল্লেখ্য, চলতি মাসেই চিন লস্কর-ই- তৈবার জঙ্গি সাজিদ মীরকে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী ঘোষণা করার আহ্বানে বাধা দিয়েছে। এই প্রসঙ্গে জানা যায় যে ভারত এই আহ্বানে সমর্থন করেছিল। উল্লেখ্য, মীর ২৬/১১ মুম্বাই হামলার মামলায় ওয়ান্টেড।

    তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরে ভারত জি-২০ এর সভাপতিত্ব গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে ঋণ, খাদ্য এবং জ্বালানী সুরক্ষার গুরুতর সমস্যাগুলি মোকাবেলায় নয়াদিল্লি গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কাজ করবে।

  • PFI Ban: লক্ষ্য ছিল দাঙ্গা! আর একটা ‘শাহিনবাগ’-এর ছক কষেছিল পিএফআই?

    PFI Ban: লক্ষ্য ছিল দাঙ্গা! আর একটা ‘শাহিনবাগ’-এর ছক কষেছিল পিএফআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi) বড়সড় অশান্তি পাকানোর ছক কষেছিল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India), সংক্ষেপে পিএফআই (PFI)। অন্তত দিল্লি পুলিশের দাবি এমনই। আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে পিএফআই ও তার অনুমোদিত বিভিন্ন সংস্থাকে। তার পরেই শুরু হয়েছে দ্বিতীয় দফার ধরপাকড়। তার পরেই দিল্লি পুলিশ ফাঁস করেছে সদ্য নিষিদ্ধ ওই সংগঠনের পরিকল্পনা।

    জানা গিয়েছে, নিষিদ্ধ পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া দিল্লির শাহিনবাগ আন্দোলনের মতো একটি আন্দোলন সংগঠিত করার পরিকল্পনা করেছিল। দেশে দাঙ্গা এবং সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা সৃষ্টির ছকও কষেছিল ওই ইসলামিক সংগঠন।

    জেলায় জেলায় গোয়েন্দাও নিয়োগ করেছিল পিএফআই। সূত্রের খবর, পিএফআই জেলাস্তরে গোয়েন্দা বিভাগ খুলেওছিল। এই গোয়েন্দারা তথ্য সংগ্রহ করতেন। সেগুলি পাঠিয়ে দেওয়া হত পিএফআইয়ের ক্যাডারদের কাছে। পিএফআইয়ের হিটলিস্টে যাঁরা ছিলেন, মূলত তাঁদের সম্পর্কেই তথ্য সংগ্রহ করতেন গোয়েন্দারা। অন্য একটি সাংবাদ মাধ্যম সূত্রেও জানা গিয়েছে, এই সংগঠন ২০২০ সালে উত্তর-পূর্ব ভারতে হিন্দু-বিরোধী দাঙ্গার মতো ঘটনা ঘটাতে চেয়েছিল।

    আরও পড়ুন : পিএফআই-কে নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্তকে স্বাগত মুসলিম সম্প্রদায়ের

    সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক মহলের সহানুভূতি কুড়োতে পিএফআইয়ের একটি গোষ্ঠী গণআন্দোলনও সংঘটিত করেছিল। এই গোষ্ঠী বোধহয় রাজনৈতিক, তবে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাদের যোগ ছিল। পূর্ব দিল্লির দাঙ্গার মতো ঘটনাও ঘটাতে চেয়েছিল তারা।

    এদিকে, পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলন হতে পারে দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। এমন আশঙ্কা করে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। জামিয়া নগর এলাকা, যেখানে এই বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত, সেখানে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে দিল্লিতে যে হিন্দু বিরোধী দাঙ্গা হয়েছিল, তা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর দিল্লির শাহিনবাগে শুরু হয়েছিল সিএএ বিরোধী আন্দোলন। এটা তারই জের।

    এদিকে, ২৭ সেপ্টেম্বর এনআইএ পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফায় ধরপাকড় শুরু করেছে। সূত্রের খবর, এই দফায় আটটি রাজ্যে চলেছে অভিযান। আটক করা হয়েছে পিএফআইয়ের ১৭০ জন সদস্যকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • FSSAI: খাবারের প্যাাকেটে রেটিং সিস্টেম চালু করার জন্য খসড়া বিজ্ঞপ্তি জারি এফএসএসএআই-এর

    FSSAI: খাবারের প্যাাকেটে রেটিং সিস্টেম চালু করার জন্য খসড়া বিজ্ঞপ্তি জারি এফএসএসএআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাবারের গুণাগুণ নিয়ে সতর্ক করতে এবারে পদক্ষেপ নেওয়া হল ফুড সেফটি অ্যান্ড স্যান্ডার্ডস অথরিটির (FSSAI) তরফ থেকে। এই অথরিটি থেকে একটি খসড়া বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, যেখানে বলা আছে, এবার থেকে কোনও খাবারের প্যাকেটে ইন্ডিয়ান ফুড রেটিং (Inian Foor Rating) দেওয়া থাকবে, আর এর জন্য বিশেষজ্ঞ ও আমজনতার প্রতিক্রিয়া কী আছে, তাও জানা হবে। তার এর জন্যই খসড়া বিজ্ঞপ্তি। এই রেটিং খাবারের গুণাগুণের ভিত্তিতেই দেওয়া হবে। পুষ্টিকর খাবারের জন্য বেশি পরিমাণে রেটিং দেওয়া থাকবে।

    খাবারের প্যাকেটে এই রেটিং সিস্টেম চালু করার ক্ষেত্রে প্রধান উদ্দেশ্য হল কোন খাবারে বেশি পরিমাণে লবণ, চিনি, ফ্যাট রয়েছে, সে বিষয়ে গ্রাহকদের সচেতন করা। আর এই রেটিং দেখে তারা বুঝতেও পারবেন যে, কোন খাবার বেশি ভালো ও পুষ্টিকর। কোনও খাবারে কত পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, চিনি, সোডিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার এবং প্রোটিনের পরিমাণ আছে তা প্রতি ১০০ গ্রাম পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে নম্বর ও রেটিং দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: খাদ্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ১৫টি সংস্থার লাইসেন্স বাতিল করল কেন্দ্র, কেন জানেন?

    এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা আছে, আইএনআর সিস্টেম শুধুমাত্র প্যাক করা খাবারের জন্য। আর এই খাবারগুলোকে ১/২ স্টার থেকে ৫ স্টার পর্যন্ত দেওয়া হবে। আর এর ফলে এই প্রমাণিত হবে যে, খাদ্য পণ্যটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত কিনা। এছাড়াও সেই খাবার কোন ব্র্যান্ডের, সেটি জানার জন্য ব্র্যান্ডের লোগো প্যাকেটের সামনেই দেওয়া থাকবে।

    তবে দুগ্ধ জাতীয় খাবার, উদ্ভিজ্জ তেল, ফ্যাট, তাজা এবং ফ্রোজেন ফল, শাকসবজি, মাংস, ডিম, মাছ, ময়দা এবং মিষ্টির মতো আইটেমগুলির রেটিং-এর দরকার নেই৷ তবে নির্মাতাদের তাদের জিনিসগুলোর উপযুক্ত লোগোর জন্য FSSAI পোর্টালে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এছাড়াও এফএসএসএআই-এর ফুড রেগুলেটর বিভাগ গ্রাহকদের জন্য খাবারের প্যাকেজিং উন্নত করার কাজ করছে।

    উল্লেখ্য, এরই মধ্যে ভারতের সমস্ত রেঁস্তোরায় নোটিশ পাঠানো হয়েছে মেনু কার্ডে খাবারের পাশে ক্যালোরির পরিমাণ দেওয়ার জন্য। কারণ ২০২০ সালের নভেম্বরে কিছু নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল যে, রেস্তোরাঁগুলিকে গ্রাহকদের জন্য মেনু কার্ড, বোর্ড এবং বুকলেটগুলিতে খাবারের আইটেমের পাশে ক্যালোরির পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rupee vs Dollar: টাকার দামে রেকর্ড পতন! মার্কিন ডলারের তুলনায় দাম দাঁড়াল ৮১ টাকা ৯ পয়সা

    Rupee vs Dollar: টাকার দামে রেকর্ড পতন! মার্কিন ডলারের তুলনায় দাম দাঁড়াল ৮১ টাকা ৯ পয়সা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কমল ভারতীয় টাকার দাম (Indian Rupee Price)। মার্কিন ডলারের (Rupee vs US Dollar) তুলনায় রেকর্ড পতন ভারতীয় মুদ্রায়। এই প্রথম টাকার দাম এতটা কমেছে। পুজোর আগে টাকার দাম পড়ে যাওয়ায় চিন্তায় ভারতীয় বাজার (Indian Stock Market)। এদিন টাকার দর নামে ৮১ টাকা ৯ পয়সায়। অর্থাৎ ১ ডলারের সমান হল ৮১ টাকা ৯ পয়সা। গতকাল টাকার মূল্য ছিল ৮০ টাকা ৮৬ পয়সা। লক্ষ্মীবারেও লক্ষ্মীলাভ হল না ভারতীয় বাজারে। শুক্রবার ফের এক ধাক্কায় ২৫ পয়সা কমে যায় টাকার মূল্য।

    আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারাল রিজার্ভ (US Fed) রেপো রেট (Repo Rate) ৭৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানোয় বৃহস্পতিবার ধসের মুখে পড়েছে টাকা। আর তার ফলে টাকার দর এতটা কম গেল। বেশ কয়েকদিন ধরেই টাকার মূল্য আশির কাছে ঘোরাফেরা করছিল। কিন্তু আজ তা ৮১-এর গণ্ডি পার করে দিল।

    আরও পড়ুন: ভারত-রাশিয়া বাণিজ্যে লেনদেন হবে টাকায়! প্রক্রিয়া চালু শীঘ্রই

    এশীয় মুদ্রার মধ্যে সবথেকে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে ভারতীয় টাকা। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, টাকার মূল্যের এরূপ নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে আরও কিছুদিন। ফলে আর কয়েকদিনের মধ্যই এই দাম আরও কমে ৮১.৫০ টাকাও পার করে যেতে পারে। পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির পরে এইভাবে বাজার চলাকালীনই টাকার দামের এত পতন হয়নি।

    প্রসঙ্গত, বুধবার টাকার দাম ২২ পয়সা কমে মার্কিন ডলারের (US Dollar) মূল্য গিয়ে দাঁড়িয়েছিল ৭৯ টাকা ৯৬ পয়সা। তার থেকে আবার অনেকটা নেমে রেকর্ড গড়ে বৃহস্পতিবার বাজার বন্ধের সময়ে মার্কিন ডলারের মূল্য ফের আশি পার করে ফেলে। শুক্রবারও এই দাম কমার প্রবণতা বজায় রেখে সর্বকালীন রেকর্ড গড়ে টাকার দামে পতন হল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Indian Students: ইউক্রেন ফেরত ডাক্তারি পড়ুয়াদের পড়া শেষ করতে হবে বিদেশে, ঘোষণা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের

    Indian Students: ইউক্রেন ফেরত ডাক্তারি পড়ুয়াদের পড়া শেষ করতে হবে বিদেশে, ঘোষণা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন ফেরত ভারতীয় মেডিক্যাল পড়ুয়াদের জন্য নয়া ঘোষণা জাতীয় মেডিক্যাল কমিশনের। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের (Russsia-Ukraine War) সময় ইউক্রেন থেকে হাজার হাজার ভারতীয় ডাক্তারি পড়ুয়ারা দেশে ফিরে আসে। ফলে তাঁদের ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। কিন্তু এখন পড়ুয়াদের সেই বিষয়ে আর চিন্তা করতে হবে না। কারণ জানা গিয়েছে ইউক্রেন ফেরত পড়ুয়ারা বিশ্বের ২৯টি দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তাঁদের বাকি পড়া চালিয়ে যেতে পারবে। এই সকল পড়ুয়াদের সুবিধার্থে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন (National Medical commission) ২৯ টি দেশের বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করেছে। ফলে এবারে ডাক্তারি পড়ুয়ারা তাঁদের পড়াশোনা শেষ করে ডিগ্রি অর্জন করতে পারবে।

    প্রসঙ্গত, ভারতের একাধিক পড়ুয়া ইউক্রেনে ডাক্তারি পড়তে গিয়েছিল। কিন্তু ফ্রেবুয়ারি মাসে হঠাৎ রাশিয়া ও ইউক্রেন এই দুই দেশের মধ্যে শুরু হয় যুদ্ধ। এরপর সেই শিক্ষার্থীদের প্রাণ বাঁচাতে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়। কিন্তু তাঁদের ডাক্তারি পড়াশোনা পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় তাঁদের ভবিষ্যত চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। কিন্তু ৬ সেপ্টেম্বর ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন থেকে এই কথা ঘোষণা করায় তাঁরা পুনরায় আশার আলো দেখতে পায়। ২৯ টি দেশের মধ্যে যে যে দেশগুলো রয়েছে সেগুলি হল পোল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জর্জিয়া, লিথুয়ানিয়া, মলদোভা, স্লোভেনিয়া, স্পেন, উজবেকিস্তান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, মিশর, বেলারুশ, লাটভিয়া, কিরগিজস্তান, গ্রীস, রোমানিয়া, সুইডেন, ইসরাইল, ইরান, আজারবাইজান, বুলগেরিয়া, জার্মানি, তুরস্ক, ক্রোয়েশিয়া এবং হাঙ্গেরি। এই দেশগুলোর কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁরা পড়তে পারবেন।

    আরও পড়ুন: ডিএ মামলায় ফের ধাক্কা রাজ্যের! রিভিউ পিটিশন খারিজ করল হাইকোর্ট

    জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের ‘অ্যাকাডেমিক মোবিলিটি প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে, ভারতীয় পড়ুয়ারা বিদেশের কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোর্স শেষ করতে পারবেন। এনএমসি (NMC) থেকে জানানো হয়েছে, তাঁরা এই দেশগুলোর যেই কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুক না কেন, তাঁদের ইউক্রেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবেই মনে করা হবে ও কোর্স শেষে ডিগ্রি সার্টিফিকেট ইউক্রেনের প্যারেন্ট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি থেকেই দেওয়া হবে।

    ইউক্রেন ফেরত প্রায় ২০ হাজার থেকে ২২ হাজার ভারতীয় পড়ুয়া রয়েছে, যার মধ্যে মোট ৭৪০ জন ছাত্র তেলেঙ্গানার। এদেরকে  হঠাৎ করে ইউক্রেনে তাঁদের এমবিবিএস কোর্স ছেড়ে ফিরে আসতে হয়েছিল। ফলে এইসব এমবিবিএস কোর্স করা পড়ুুয়াদের এই ২৯টি দেশ থেকে বিশেষ সাহায্য করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Chandigarh University MMS Row: চণ্ডীগড় কাণ্ডে ধৃত মূল ষড়যন্ত্রকারী জওয়ান, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Chandigarh University MMS Row: চণ্ডীগড় কাণ্ডে ধৃত মূল ষড়যন্ত্রকারী জওয়ান, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চণ্ডীগড় কাণ্ডে (Chandigarh University MMS Row) আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এবারে এই ভিডিও কাণ্ডে নাম জড়াল এক ভারতীয় সেনা জওয়ানের। জানা গিয়েছে, এই কাণ্ডে অভিযুক্ত হিসেবে জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই কাণ্ডে তিনজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আবার গতকালই এই চার নম্বর ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হল।

    পাঞ্জাবের পুলিশ ডিজিপি গৌরব যাদব জানিয়েছেন, এই অভিযুক্ত জওয়ানের নাম গৌরব কাঁথাওয়াল, কিন্তু সে জম্মু-কাশ্মীরে সঞ্জীব সিং নামে পরিচিত। আরও জানা গিয়েছে, এই জওয়ান অরুণাচল প্রদেশে কর্মরত ছিলেন। তাই একে সেখান থেকেই গ্রেফতার করেছে মোহালি পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এই জওয়ান অভিযুক্ত ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেল করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

    যাদব আরও বলেন, ফরেনসিক এবং ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে মোহালি পুলিশের দলকে অরুণাচল প্রদেশে পাঠানো হয়েছিল। তিনি বলেন, অভিযুক্ত সেনা সদস্যকে অরুণাচল প্রদেশের সেলা পাস থেকে অরুণাচল প্রদেশ পুলিশ, আসাম পুলিশ এবং অরুণাচল প্রদেশের সেনা কর্তৃপক্ষের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন: চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয় এমএমএস কাণ্ডে গ্রেফতার আরও দুই, ৬ দিনের জন্য বন্ধ ক্যাম্পাস

    এদিকে, ভারতীয় সেনাবাহিনী বলেছে যে, তারা এই ধরনের কাজ কখনওই মেনে নেওয়া হবে না। তাই তদন্তের সময় তাঁরা পুরো সহায়তা করতে রাজি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভারতীয় সেনা থেকে জানানো হয়েছে, একটি মামলায় পাঞ্জাব পুলিশ তদন্ত করার সময়ে এক তথ্য উঠে এসেছিল। জানা গিয়েছিল, একজন কর্মরত সেনা জওয়ান সম্ভবত আইপিসি এবং আইটি আইনের ধারার অধীনে কিছু কাজে জড়িত রয়েছে। আর এরপরেই পুলিশ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে,  গ্রেফতার করতে এবং আরও তদন্তের জন্য পাঞ্জাব এবং অরুণাচল প্রদেশের পুলিশকে সম্পূর্ণ সাহায্য করা হয়েছিল।

    পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত জম্মুর বাসিন্দা এবং সেলা পাসে কর্মরত। অভিযুক্ত মেয়েটিকে আরও ছবি ও ভিডিও তোলার জন্য ফোন করে মেসেজ পাঠাচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠে আসছে। ফলে এই চক্রান্তের মূল ষড়যন্ত্রকারী এই জওয়ানকেই মনে করা হচছে। তার ফোন ও অন্যান্য ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হবে। এসআইটি ইনচার্জ রুপিন্দর কৌর ভাট্টি নিশ্চিত করেছেন যে, এই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আরও তদন্তের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    এই মামলায় একটি এসআইটি গঠন করা হয়েছে ও তাঁর নেতৃত্বে রয়েছেন, এসপি (কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স) লুধিয়ানা রুপিন্দর কৌর ভাট্টি, ডিএসপি খারর-1 রুপিন্দর কৌর এবং ডিএসপি এজিটিএফ দীপিকা সিং। পাঞ্জাব ডিজিপি বলেছেন, “এই মামলায় দোষীদের রেহাই দেওয়া হবে না এবং এই ঘটনার ন্যায়বিচার করা হবেই।”

    প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত ছাত্রী সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবং ১৮ সেপ্টেম্বর সদর খারর থানায় IPC এবং IT আইনের ধারা ৩৫৪-সিধারার অধীনে এদের বিরুদ্ধে একটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

  • Telecom Bill 2022: এবার থেকে হোয়াটসঅ্যাপ কলেও গুণতে হবে টাকা? খসড়া টেলিকম বিলে প্রস্তাব

    Telecom Bill 2022: এবার থেকে হোয়াটসঅ্যাপ কলেও গুণতে হবে টাকা? খসড়া টেলিকম বিলে প্রস্তাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে হোয়াটসঅ্যাপে কল করলেও দিতে হতে পারে টাকা। ভারতীয় টেলিযোগাযোগ বিল ২০২২ এর খসড়া প্রকাশ করেছে ভারতীয় টেলিযোগাযোগ বিভাগ (DoT)৷ ২০ অক্টোবরের মধ্যে বিলটির বিষয়ে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (TRAI) পরামর্শ চাওয়া হয়েছে ৷ ইতিমধ্য়েই টেলিকম বিলের খসড়ায় সেই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিলের খসড়াতে বলা হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুকের মাধ্যমে কল বা বার্তা পাঠানোর সুবিধাটি আগামী দিনে টেলিকম পরিষেবা হিসাবে বিবেচিত হবে। এর জন্য এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে লাইসেন্স নিতে হবে আলাদা করে। 

    বহুদিন ধরেই হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুকের ফ্রি কলের বিরুদ্ধে কেন্দ্রকে অভিযোগ জানাচ্ছে টেলিকম সংস্থাগুলি। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলি কেন গ্রাহকদের মেসেজিং বা কলিং পরিষেবা দিচ্ছে তার বিরুদ্ধে সওয়াল করে টেলিকম কোম্পানিগুলি। অভিযোগ, এর ফলে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে সংস্থাগুলির। টেলিকম কোম্পানিগুলির এই অভিযোগের পরই জনগণের মতামত জানতে খসড়া বিলে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: টার্গেট আরএসএস? সংঘের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালাত পিএফআই! চক্রান্ত ফাঁস   

    ওভার-দ্য-টপ (OTT) প্ল্যাটফর্মগুলিকে টেলিকম লাইসেন্সের আওতায় আনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে সেই খসড়ায়। ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সংজ্ঞাও বদলানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বিলের খসড়ায়। টেলিকম বিভাগকে আন্তর্জাতিক মানের করতেই এই খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে স্পেকট্রাম বরাদ্দ বা নিলামের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এছাড়াও গ্রাহকদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে টেলিকম কোম্পানিগুলোকে স্বেচ্ছাচারিতা করা থেকেও বিরত রাখা হবে বলে বিলে প্রস্তাব দেওয়া হবে। সরকার টেলিকম কোম্পানিগুলোর ফি, জরিমানা ও অন্যান্য সার্ভিস চার্জ প্রয়োজনে সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করতে পারে।       

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশ, মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলিতে রমরমা পিএফআইয়ের

    এছাড়াও সাইবার জালিয়াতি রুখতেও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে টেলিকম বিলে। নতুন টেলিকম বিলে থাকবে ‘রক্ষকবচ’। এবার থেকে লোন, ক্রেডিট কার্ড বা লটারি জেতা নিয়ে কেউ ফোন করলেই জানতে পারবেন কে রয়েছে অপর প্রান্তে। নতুন বিলের খসড়ায় তেমনই একটি বিকল্প রেখেছে সরকার। মূলত অনলাইন জালিয়াতি রুখতেই এই ব্যবস্থা।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • RBI Repo Rate: ফের রেপো রেট বাড়াতে চলেছে রিজার্ভ ব্যাংক?

    RBI Repo Rate: ফের রেপো রেট বাড়াতে চলেছে রিজার্ভ ব্যাংক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে চলছে অস্থিরতা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) জেরে বিশ্ববাসীর গায়ে লেগেছে মুদ্রাস্ফীতির আঁচ। বদলে গিয়েছে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ। বেড়েছে উদ্বেগ-উত্তেজনা। এই যুদ্ধের প্রভাব যে বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়বে, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) ভাষণ দিতে গিয়ে তা জানিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সেটা যে নিছকই কথার কথা নয়, তা বোঝা গিয়েছিল মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের (US Federal Reserve) সুদ বৃদ্ধিতে। কেবল আমেরিকার শীর্ষ ব্যাংকই নয়, বেলাগাম মুদ্রাস্ফীতির রাশ টানতে উদ্যোগী হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ ব্যাংকগুলোও।

    বুধবার মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়িয়েছিল ০.৭৫ শতাংশ। চলতি বছরে এটা পঞ্চমতম হার বৃদ্ধি। চলতি বছর এটা শুরু হয়েছিল শূন্য থেকে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী সপ্তাহে ভারতের শীর্ষ ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়াও রেপো রেট (Repo Rate) বাড়াতে পারে। আরবিআইয়ের পলিসি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত স্থগিত রয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তাই বাজার বিশেষজ্ঞদের ধারণা, তার পরেই রেপো রেট বাড়ানো হতে পারে ৫০ বেসিস পয়েন্ট।

    আরও পড়ুন : দুমাসে দুবার! ফের রেপো রেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, কতটা সমস্যায় মধ্যবিত্ত?

    আইসিআইসিআই সিকিউরিটিজের এক বিশ্লেষকের বিশ্বাস, রিজার্ভ ব্যাংক পলিসি রেট বাড়তে পারে আরও ০.৫ শতাংশ। এই মাসের শেষের দিকে এটা করা হতে পারে। বাকি ২৫ বেসিস পয়েন্ট বা ০.২৫ শতাংশ সুদের হার বাড়ানো হতে পারে ডিসেম্বরে। একটি বেসরকারি ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বলেন, অল্প কয়েক দিনের মধ্যে ভারতে রেপো রেট হঠাৎ করে ৬ শতাংশ থেকে ৬.৫ শতাংশ হয়েছে। এক বাজার বিশেষজ্ঞের মতে, আমরা আশা করি, মুল্যবৃদ্ধি সামাল দিতে গিয়ে বেসিস পয়েন্ট বাড়ানো হতে পারে ৩৫-৫০ পয়েন্ট।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি চিন-আমেরিকার দ্বন্দ্বের (China US conflict) জেরে বদলে গিয়েছে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ। বেড়েছে আন্তর্জাতিক অস্থিরতা। প্রভাব পড়েছে বাণিজ্যে। ফলে, বেড়েছে দ্রব্যমূল্য। তৈরি হয়েছে সঙ্কট। বৃদ্ধি পেয়েছে চাহিদা। এসব প্রভাব ফেলেছে ব্যাংকিং সেক্টরে। যার প্রভাব আবার আছড়ে পড়েছে সার্বিক অর্থনীতিতে। তাই বাড়ানো হতে পারে বেসিস পয়েন্ট। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আমেরিকা যে দফায় দফায় সুদের হার বাড়িয়ে চলেছে, তা ভারতীয় স্টক মার্কেটের (Indian Stock Exchange) পক্ষে ঝুঁকির হতে পারে। কিন্তু এটা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে সুবর্ণ সুযোগ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sukhoi-30: নারীশক্তির জয়! চিন সীমান্তে সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান ওড়াচ্ছেন এই বীর কন্যা…

    Sukhoi-30: নারীশক্তির জয়! চিন সীমান্তে সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান ওড়াচ্ছেন এই বীর কন্যা…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটু দূরেই চিন সীমান্ত। এখানকার আকাশে প্রতিনিয়ত পাহারা দিচ্ছে চিনা সেনা পিপলস লিবারেশন আর্মির (PLA) লড়াকু বিমান। তাতে ভয় কী? এরা তো মহিষাসুরমর্দিনী। দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালনই তো ভারতীয় মেয়েদের চিরায়ত বৈশিষ্ট্য। তাই চিনের চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর অসমের (Assam) তেজপুর  স্থিত ভারতীয় বায়ুসেনার ঘাঁটি (Tezpur Airbase) থেকে সুখই-৩০ (Sukhoi-30 MKI) যুদ্ধবিমান ওড়াচ্ছেন বীর কন্যা। 

    আরও পড়ুন: ভারতে রকেট লঞ্চার তৈরি করবে স্যাব! কী বলছে সুইডেনের সংস্থা?

    সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, মঙ্গলবার তেজপুর থেকে একটি সুখোই-৩০ চক্কর কেটেছে চিন সীমান্তের আকাশে। সেই বিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তেজস্বী রঙ্গা রাও জানান, এই সুখোই-৩০ সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি। বিমানের নীচের অংশে লাগানো সেন্সর ধরে ফেলবে প্রতিপক্ষ অস্ত্র নিক্ষেপ করছে কিনা! সেই সঙ্কেত দেখেই অভ্যর্থ লক্ষ্যে আঘাত হানবে সুখোই। তাঁর কথায়, ‘আমরা উড়ছি আকাশ ছোঁয়ার স্পর্ধা নিয়েই। টাচ দ্য স্কাই উইথ গ্লোরি!’ তিনি  এও বলছেন, “দেশের স্বার্থে আমরা যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। যে কোনও পরিস্থিতি মানে যে কোনও পরিস্থিতিই!” তেজস্বী হলেন সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানের একমাত্র মহিলা ওয়েপন সিস্টেম অপারেটর বা ‘উইজ়ো’। এঁরা মূলত কো-পাইলট। যুদ্ধবিমান চালানো নয় ওই বিমান থেকে শত্রুর উপর আঘাত হানার কাজ করেন তেজস্বী। বিমানের পিছনে বসে পুরো যুদ্ধ পরিচালনা করেন। শত্রুর উপর কত দূর থেকে কী ধরনের মিসাইল নিক্ষেপ করা হবে বা কীভাবে আক্রমণ চালানো হবে তা ঠিক করেন ‘উইজ়ো’।

    আরও পড়ুন: আত্মনির্ভর ভারতে আস্থা! আধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার জন্য দেশীয় সংস্থাগুলির কাছে দরপত্র চাইল সেনা

    বায়ুসেনার হেলি-পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সাক্ষ্য বাজপেয়ীর কথায়, “এখানকার ভৌগলিক পরিবেশ অত্যন্ত কঠিন। পাহাড়ের আড়ালে ঢেকে থাকে আকাশ। সেখানে এই যুদ্ধবিমান ওড়ানো যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। সেই চ্যালেঞ্জটার মুখোমুখি হয়েছি আমরা। এবং আরও বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার রসদ পেয়েছি এখান থেকে।” বরাবরই দেশের নারীশক্তিকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এগিয়ে চলেছে বায়ুসেনা। ‘মেয়েরা সব পারে’ এই আদর্শকে স্বীকার করে  চিন সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর হেলিকপ্টার, ফাইটার জেট নিয়ে টহল দিচ্ছেন মহিলারা। এই কাজে খুশি স্বয়ং বায়ুসেনার কর্তারা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share