Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • SEZ Work From Home: সবাইকে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’! সেজ-কর্মীদের জন্য বিশেষ ভাবনা কেন্দ্রের

    SEZ Work From Home: সবাইকে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’! সেজ-কর্মীদের জন্য বিশেষ ভাবনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বাড়ি থেকে বসে কাজ করার কথা ভাবছে কেন্দ্র। কোভিড পরবর্তী  সময়ে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের ( Work From Home) চাহিদা বেড়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করাচ্ছেন। বহু কর্মী অফিস থেকে নয়,বরং বাড়ি থেকে কাজের পক্ষে সওয়াল করছেন। স্পেশাল ইকোনমিক জোন ( Special Economic Zone) বা সেজের (SEZ) কর্মীরাও তার ব্যতিক্রম নন। তাঁরাও চাইছেন বাড়ি থেকে কাজ করতে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ( Piyush Goyal) জানিয়েছেন তাঁরা বিষয়টা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছেন।

    আরও পড়ুন: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার সুখ্যাতি, মার্কিন অ্যাঙ্করকে মোক্ষম জবাব শশী থারুরের

    কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার বলেন “কোভিডের সময় আমরা  সেজ সেক্টরকে বাড়ি থেকে কাজের অনুমতি দিয়েছিলাম। বাড়ি থেকে কাজের ফলে আমাদের রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল রফতানি পরিষেবা। আমরা আশা করছি, এই বছর রফতানি পরিষেবা আরও বৃদ্ধি পাবে। বাড়ি থেকে কাজ করার সুবিধা দেওয়ায় সবাই উপকৃত হয়েছিল। অনেকেই এই পরিষেবা দেওয়ার পক্ষে সওয়ালও করেছে।”

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হবে ভারত! বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্যে জল্পনা

    ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ৫০ শতাংশ কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চুক্তিভিত্তিক কর্মীরাও রয়েছেন। সেজ সেক্টরের থেকে অবশ্য ১০০ শতাংশ কর্মীকেই বাড়ি থেকে কাজের দাবি রাখা হয়েছে। কর্মক্ষমতা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে কেন্দ্র সেই বিষয়েও চিন্তাভাবনা করছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বাড়ি থেকে কর্মীদের কাজ করতে দিলে ছোট শহরগুলিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। ফলে উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে। তাই কেন্দ্র এ নিয়ে ভাবছে।” কর্মীদের বাড়িতে বসে কাজ করার সুযোগ দিলে তাতে দেশেরই উপকার হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এখন সেজের আওতায় ৫০ শতাংশ কর্মী সর্বাধিক এক বছর পর্যন্ত বাড়িতে বসে কাজ করতে পারেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • NLEM: ক্যান্সারের সম্ভাবনা! জাতীয় তালিকা থেকে বাদ জিনট্যাক, বন্ধ হবে উৎপাদনও?

    NLEM: ক্যান্সারের সম্ভাবনা! জাতীয় তালিকা থেকে বাদ জিনট্যাক, বন্ধ হবে উৎপাদনও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (NLEM) থেকে বাদ পড়ল র‌্যানট্যাক-জিনট্যাক (India removes Ranitidine and Zinetac from the essential medicines list)। বদহজম হোক বা পেটে ব্যাথা বাঙালির র‌্যানট্যাক-জিনট্যাক যেন সব সময়ের সঙ্গী। অনেকে দৈনিকও খান এই ওষুধ। এবার অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের জাতীয় তালিকা থেকেই বাদ পড়ল এই ওষুধ।

    আরও পড়ুন: জরুরি ওষুধের জাতীয় তালিকা প্রকাশ স্বাস্থ্যমন্ত্রকের, স্থান পায়নি করোনা টিকা 

    মঙ্গলবার দেশের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। এই তালিকায় নাম রয়েছে ৩৮৪ টি ওষুধের। ২০১৫ সালের শেষ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকায় ছিল মোট ৩৭৬ টি ওষুধ। এবার ৩৪টি ওষুধ তালিকায় যোগ করা হয়েছে। বাতিলও করা হয়েছে বেশ কিছু।   

    স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছে, সল্ট র‌্যানিটিডিনসহ মোট ২৬টি ওষুধ অত্যাবশ্যকীয় তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। জিনট্যাক এবং র‌্যানট্যাকসহ বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ডের নামে বিক্রি হয় র‌্যানিটিডিন। এই র‌্যানিটিডিনের মধ্যে থাকা এন-নাইট্রোসোডিমেথাইলামাইন নামে এমন এক উপাদান রয়েছে, যা থেকে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ক্যানসারের ঝুঁকি এড়াতেই বাদ দেওয়া হয়েছে এই ওষুধ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এও জানানো হয়েছে, অত্যাবশ্যকীয় তালিকা থেকে বাদ পড়া ২৬টি ওষুধের উৎপাদনও বন্ধ করে দেওয়া হবে।     

    কোন কোন ওষুধ বাদ দেওয়া হয়েছে?

    ১. অল্টেপ্লেস

    ২. অ্যাটেনোলল

    ৩. ব্লিচিং পাউডার

    ৪. ক্যাপ্রিওমাইসিন

    ৫. সেট্রিমাইড

    ৬. ক্লোরফেনিরামিন

    ৭. ডিলোক্সানাইড ফুরোয়েট

    ৮. ডাইমারকাপ্রোল

    ৯. এরিথ্রোমাইসিন

    ১০. ইথিনাইলস্ট্রাডিওল

    ১১. ইথিনাইলস্ট্রাডিওল(A) নরেথিস্টেরন (B)

    ১২. গ্যানসিক্লোভির

    ১৩. কানামাইসিন

    ১৪. লামিভুডিন (A) + নেভিরাপাইন (B) + স্ট্যাভুডিন  (C)

    ১৫. লেফ্লুনোমাইড

    ১৬. মিথাইলডোপা

    ১৭. নিকোটিনামাইড

    ১৮. পেজিলেটেড ইন্টারফেরন আলফা 2a, পেজিলেটেড ইন্টারফেরন আলফা 2b

    ১৯. পেন্টামিডিন

    ২০. প্রিলোকেইন (A) + লিগনোকেইন (B)

    ২১. প্রোকারবাজিন

    ২২. রেনিটিডিন

    ২৩. রিফাবুটিন

    ২৪. স্ট্যাভুডিন (A) + লামিভুডিন (B) 

    ২৫. সুক্রালফেট

    ২৬. সাদা পেট্রোলটাম

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • ED Raid Money: তিন মাসে ইডি হানায় উদ্ধার ১০০ কোটি, কোথায় যায় এই বিপুল ধনরাশি?

    ED Raid Money: তিন মাসে ইডি হানায় উদ্ধার ১০০ কোটি, কোথায় যায় এই বিপুল ধনরাশি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর বড় সাফল্যের মুখ দেখল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। মাত্র তিন মাসে উদ্ধার ১০০ কোটি কালো টাকা (ED seizes Rs 100 crore in 3 months)। দেশজুড়ে ইডির সাম্প্রতিক তল্লাশি অভিযানে (ED Raid) বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকার তালিকায় চমকে যাবেন অনেকেই। ইডি হানায় সম্প্রতি একাধিকবার উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) নাম।  গত সপ্তাহেই কলকাতার গার্ডেনরিচে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৭ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। ওই ব্যবসায়ী গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার কয়েক সপ্তাহ আগেই এসএসসি দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে বিপুল ধনরাশি উদ্ধার হয়। টালিগঞ্জের একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রায় ২২ কোটি টাকা। এরপর বেলঘরিয়ার অপর একটি ফ্ল্যাট থেকে মিলেছিল আরও প্রায় ৩০ কোটি টাকা। ভেবেছেন কখনও উদ্ধার হওয়া এই ‘যকের ধন’ যায় কোথায়? শেষ ঠিকানা কোথায় হয় এই কালো টাকার? 

    আরও পড়ুন: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে! গার্ডেনরিচে কোন সূত্রে মিলল ১৭.৩২ কোটি টাকা?
      
    দেশজুড়ে আর্থিক তছরুপের মামলায় তদন্ত চলাকালীন বেআইনি সম্পত্তির খোঁজে বিভিন্ন এলাকায় হানা (ED Raid In Kolkata) দেওয়ার অধিকার রয়েছে ইডির। বেআইনি নগদ সম্পত্তি বাজেয়াপ্তও করতে পারেন ইডি আধিকারিকরা। কিন্তু উদ্ধার হওয়ার পর বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকা নিজেদের হেফাজতে রাখতে পারে না ইডি। নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে অভিযুক্তকে উদ্ধার হওয়া টাকার সপক্ষে উপযুক্ত নথি দেখানোর জন্য সময় দেওয়া হয়। কিন্তু ধার্য করা সময়ে অভিযুক্ত সেই নথি দেখাতে ব্যর্থ হলে সেই টাকাকে ‘কালো টাকা’ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। আর্থিক তছরুপ আইনে ওই টাকাকে বেআইনি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এরপর স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়াকে ওই টাকা গোণার বরাত দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গণনা শেষে বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে একটি তালিকা তৈরি করা হয়। কোন টাকার কতোগুলি নোটের বান্ডিল রয়েছে, তার বিস্তারিত তালিকা। ব্যাংক আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই এই তালিকা তৈরি করা হয়। 

    আরও পড়ুন: পুনরুদ্ধার ২৩ হাজার কোটি টাকা! কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির মধ্যে এগিয়ে ইডি    
     
    প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে রেখে বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকা ট্রাঙ্কে কিংবা বস্তায় ঢোকানো হয়। এরপর সেগুলি সিল করে দেওয়া হয়। তারপর তৈরি করা হয় সিজার মেমো। স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কোনও একটি ব্রাঞ্চে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের নামে থাকা পার্সোনাল অ্যাকাউন্টে ওই সমস্ত টাকা জমা করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের ট্রেজারিতে ওই টাকা জমা রাখা হয়। যদিও ইডি, স্টেট ব্যাংক কিংবা কেন্দ্রীয় সরকার, কেউই এই টাকা ব্যবহার করতে পারে না। এরপর বিচারাধীন মামলার বিচারপতিকে দিয়ে ৬ মাসের মধ্যে এই বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকার পরিমাণ নিশ্চিত করাতে হয় ইডিকে। যতক্ষণ না পর্যন্ত বিচারপতি তা নিশ্চিত করছেন, ততক্ষণ ব্যাংকেই জমা থাকে সেটি। মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্টেট ব্যাংকের অ্যাকাউন্টেই থাকে সেই ‘যকের ধন’।   
     
    অভিযুক্ত যাতে কোনওভাবেই বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকা ব্যবহার করতে না পারে, তার জন্যই এই কড়াকড়ি। কোনও আর্থিক তছরুপের মামলায় যখন অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত হয় এবং তার সাজা ঘোষণা হয়ে যায়, তারপর বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকা সরকারি সম্পত্তিতে পরিণত হয়। যদি অভিযুক্ত বেকসুর খালাস হয় তবে সেই উদ্ধার হওয়া টাকা তাকে আবার ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত ২০০৪-২০১৪ সালের মধ্যে মাত্র ১১২টি ইডি হানার খবর সামনে এসেছিল। ২০১৪ সালের পর তা ২৭ গুণ বেড়েছে। ২০১৪-২০২২ সালের মধ্যে ৩০১০ জায়গায় হানা দিয়েছে ইডি। এই মুহূর্তে ইডির হেফাজতে রয়েছে ১ লক্ষ কোটি টাকা। এরমধ্যে ৫৭,০০০ কোটি টাকাই ব্যাংক জালিয়াতির।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Ayodhya Ram Mandir: ২০২৩-এই খুলে যাবে দরজা! রাম মন্দির তৈরিতে খরচ ১৮০০ কোটি টাকা

    Ayodhya Ram Mandir: ২০২৩-এই খুলে যাবে দরজা! রাম মন্দির তৈরিতে খরচ ১৮০০ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু চর্চিত রাম মন্দির তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। অযোধ্যায় (Ayodhya) শুরু হয়ে গিয়েছে তিনতলা মন্দিরের নির্মাণের কাজ। মন্দির তৈরি করতে খরচ হচ্ছে ১৮০০ কোটি টাকা। এমনটাই জানিয়েছে, মন্দির ট্রাস্ট। মূল মন্দির আর তিনটি মণ্ডপ তৈরি করার কাজ প্রায় শেষের পথে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৩-র ডিসেম্বরেই ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে বহু প্রতীক্ষিত রাম মন্দিরের (Ram Mandir) দরজা।

    আরও পড়ুন: গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে অযোধ্যার রাম মন্দির উঠে এল মহারাষ্ট্রে!  
     
    যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে মন্দির তৈরির কাজ। মন্দির নির্মানের কাজ কতদূর এগিয়েছে তা নিয়ে রবিবার বৈঠকে বসেছিলেন মন্দির ট্রাস্টের সদস্যরা। তাতে জানানো হয়েছে, কাজ প্রায় অনেকটাই হয়ে গিয়েছে। মূল মন্দির আর চারটি মঞ্চের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। মূল মন্দির তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। ট্রাস্টের সদস্যরা জানিয়েছেন, ১৮০০কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হচ্ছে মন্দির। এদিন বৈঠকে মন্দিরের সাজ সজ্জার নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। কোথায় রাম লালার মূর্তি বসানো হবে তা নিয়ে হয়েছে আলোচনা।  

    ট্রাস্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দিরে রাম লালাসহ রামায়ণের সমস্ত চরিত্রের মূর্তি রাখা হবে এই মন্দিরে। মূর্তি নির্মিত হবে সাদা মার্বেল দিয়ে। এর ফলে বাজেট আরও খানিকটা বেড়েছে। মন্দির নির্মাণের কাজে দেশের নানা প্রান্তের হিন্দু দেবস্থানের জল-মাটি ব্যবহার করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। এ রাজ্য থেকে পাঠানো হয়েছে, গঙ্গাসাগর, কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বর, নবদ্বীপ, ত্রিবেণী সঙ্গম, কলকাতার ভূতনাথ মন্দিরের মাটি ও জল। উত্তরবঙ্গেরও কয়েকটি মন্দির ও নদীর জল, মাটি অযোধ্যায় পাঠানো হয়েছে।  

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় রাম মন্দির গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন যোগী আদিত্যনাথের

    ১৭,০০০ গ্র্যানাইটের ব্লক দিয়ে তৈরি হচ্ছে মন্দির। চার টাওয়ারের ক্রেনে করে পাথর ওপরে তোলা হয়েছে। এক একটি পাথরের ওজন প্রায় ৩ টন। গ্র্যানাইট পাথরের ব্লকগুলি দিয়ে কাজ করতে একাধিক মোবাইল ক্রেন ব্যবহার করা হচ্ছে। কর্ণাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে পাথর গুলি নিয়ে আসা হয়েছে। ৩৫০০ স্কোয়ার মিটার এলাকা জুড়ে তৈরি হচ্ছে মন্দিরের চাতাল। 

    সম্পাদক চম্পত রাই বলেন, ‘‘বহুবার বিবেচনা করার পর আমরা খরচের একটি সম্ভাব্য মাত্রা ঠিক করতে পেরেছি। তবে এই খরচ আগামী দিনে বাড়তে পারে।’’  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Assam:  মাদ্রাসাগুলি ছিল আল-কায়দার অফিস, বিস্ফোরক হিমন্ত! জানেন কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী?

    Assam: মাদ্রাসাগুলি ছিল আল-কায়দার অফিস, বিস্ফোরক হিমন্ত! জানেন কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেঙে ফেলা মাদ্রাসাগুলি ছিল আল-কায়দার (Al-Qaeda) এক একটা অফিস। অভিমত  অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার (Himanta Biswa Sarma)। বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “সরকারের তরফে দুই থেকে তিনটি মাদ্রাসা ভেঙে ফেলা হয়েছিল। এরপর সাধারণ মানুষ মাদ্রাসা ভেঙে দেয়। এমনকি মুসলিম জনগণরাই এই কাজে এগিয়ে এসেছে। তারা বলেছে তারা এমন মাদ্রাসা চায় না যেখানে আল কায়দা তার কাজ চালায়। আল কায়দা মাদ্রাসার এসল উদ্দেশ্য নষ্ট করে।”

    গত কয়েকমাসে অসমে (Assam) একধিক আলকায়দার জঙ্গি ধরা পড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি তাঁর রাজ্য আল কায়দার ঘাঁটি হয়ে উঠছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের অভিযোগে রাজ্যে ধ্বংস করা হয়েছে চারটি মাদ্রাসা। এগুলি বাস্তবে ‘আল-কায়েদার অফিস’ছিল বলে দাবি হিমন্তের। তিনি আরও বলেন, “মাদ্রাসাগুলিকে ধ্বংস করা কখনওই আমাদের উদ্দেশ্য নয়। তবে সেখানে যাতে জেহাদি কার্যকলাপ না হয় সেদিকে আমরা নজর রাখছি। তবে, আমরা যদি নির্দিষ্টভাবে তথ্য পাই যে মাদ্রাসার আড়ালে কোনও ভারতবিরোধী কার্যকলাপ হচ্ছে, সেক্ষেত্রে সেগুলিকে ভেঙে ফেলা হবে।”

    আরও পড়ুন: পটাপট খান অ্যাজিথ্রোমাইসিন! শুধু আপনি নন দেশের অনেকেই স্বচ্ছন্দ অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণে, দাবি ল্যানসেটের

    অসম পুলিশ দাবি করেছে যে সাধারণ মানুষ ‘জিহাদি’ কার্যকলাপের জন্য মাদ্রাসা প্রাঙ্গণকে ব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর পরেই গোয়ালপাড়া জেলায় একটি মাদ্রাসা এবং এর সংলগ্ন একটি বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি গোয়ালপাড়া জেলার পাখিউড়া চর এলাকায় থাকা একটি মাদ্রাসা ভেঙে দেন ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ সূত্রে খবর, জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য ওই মাদ্রাসাটি ব্যবহার করেছিল দুই বাংলাদেশি নাগরিক। আমিনুল ইসলাম এবং জাহাঙ্গীর আলম নামে ওই দু’জন আল কায়েদার সহযোগী সংগঠনের সদস্য। ২০২০-২২ সালের মধ্যে ওই দু’জন মাদ্রাসায় পড়াত বলেও জানা গিয়েছে। আমিনুল ও জাহাঙ্গীর বর্তমানে পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান জারি রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajnath Singh: মঙ্গোলিয়ায় সাদা ঘোড়া উপহার পেলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, নাম রাখলেন ‘তেজস’

    Rajnath Singh: মঙ্গোলিয়ায় সাদা ঘোড়া উপহার পেলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, নাম রাখলেন ‘তেজস’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোড়া ছুটিয়েই পৃথিবীর একটা বড় অংশে সাম্রাজ্য বিস্তার করেছিলেন মোঙ্গল সম্রাট চেঙ্গিস খান। সেই মঙ্গোলিয়ায় (Mongolia) গিয়েই একটি  রাজকীয় ‘সাদা ঘোড়া’ উপহার পেলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। এই প্রথমবার কোনও ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মঙ্গোলিয়া গেলেন। সাদা ঘোড়া উপহার হিসেবে পেয়ে খুশি রাজনাথ। নাম রাখলেন তেজস। ওই ঘোড়ার ছবি-সহ ট্যুইট করে একথা জানান রাজনাথ।

    পাঁচদিনের জন্য মঙ্গোলিয়া ও জাপান সফরে গিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এই দুই দেশের সঙ্গেই চিনের সম্পর্ক একেবারে ভাল নয়। ভারতের সঙ্গেও চিনের বৈরিতা স্পষ্ট। সীমান্তে সমস্যা অব্যাহত। এই আবহে রাজনাথের মঙ্গোলিয়া সফর তাৎপর্যপূর্ণ। বুধবার নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে  মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্ট এইচ ই ইউ খুরেলসুখের (H.E.U. Khurelsukh) থেকে সাদা ঘোড়া উপহার পাওয়ার ছবি পোস্ট করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সেখানে ওই রাজকীয় ঘোড়াটিকে আদর করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। রাজনাথ লেখেন, “মঙ্গোলিয়ায় বিশেষ বন্ধুর থেকে বিশেষ উপহার পেয়েছি। এই অসাধারণ সৌন্দর্যের নাম দিয়েছি তেজস। ধন্যবাদ রাষ্ট্রপতি খুরেলসুখ। ধন্যবাদ মঙ্গোলিয়া।” 

    আরও পড়ুন: পুজোর আগে কমল সোনার দাম, কেন জানেন?

    সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি একটি ফাইটার জেট হল তেজস। যা আত্মনির্ভর ভারতের প্রতীক। তেজস কিনতে ইতিমধ্যেই আগ্রহ দেখিয়েছে বিশ্বের একাধিক দেশ। মঙ্গোলিয়াও হয়তো তেজস কিনতে আগ্রহী!তাই তাদের দেওয়া সাদা ঘোড়ার নাম তেজস!যদিও এ বিষয়ে কোনও কথা স্পষ্ট করেননি প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এদিন মঙ্গোলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেন রাজনাথ। কথা বলেন সেখানকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও। বৈঠক নিয়ে ট্যুইট বার্তায় রাজনাথ জানান, ‘আমরা কৌশলগত সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বদ্ধপরিকর।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gold Price India, Sept 7: পুজোর আগে কমল সোনার দাম, কেন জানেন?

    Gold Price India, Sept 7: পুজোর আগে কমল সোনার দাম, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগে সাজতে পারেন সোনার গয়নায় (Gold)। দেশে দাম পড়ল (Gold Price) সোনার। বুধবার ২২ ক্যারট সোনার ১০ গ্রামে ৫০০ টাকা দাম কমেছে। মুম্বইয়ে এদিন  ১০ গ্রাম ২২ ক্যারট সোনার দাম এদিন ছিল ৪৬ হাজার ৪০০ টাকা। প্রতি ১০ গ্রামে দাম ৫০০ টাকা কম ছিল। চেন্নাইয়ে দাম ছিল ৪৬ হাজার ৯৫০ টাকা। দিল্লিতে ছিল ৪৬ হাজার ৫৫০টাকা। ২৪ ক্যারট সোনার দাম ১০ গ্রাম প্রতি কমেছে ৫৪০ টাকা। এদিন ২৪ ক্যারট সোনার দাম ছিল ৫০ হাজার ৬২০টাকা। তবে দাম কম হলেও সোনা কিনতে গেলে এর উপরে আপনাকে দিতে হবে জিএসটি। তাই দোকানে গয়না কেনার সময় দাম একটু বাড়লে অবাক হবেন না।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় কলকাতায় রেকর্ড দাম বেড়েছিল সোনার। ২২ ক্যারট, ২৪ ক্যারট এবং ২২ ক্যারট হলমার্কযুক্ত সোনার দামে বদল এসেছিল। রেকর্ড ৫২ হাজার টাকা ছাপিয়ে ৫৪ হাজার টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল দর। কিন্তু, বর্তমানে সেই দাম নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে ওঠাপড়া আছে।

    আরও পড়ুন: খাদ্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ১৫টি সংস্থার লাইসেন্স বাতিল করল কেন্দ্র, কেন জানেন? 

    এদিন দেশের বাজারে সোনার দাম কম হওয়ার পেছনে বিশেষজ্ঞদের নানা মত রয়েছে। তাঁদের মতে সোনার দাম কম হওয়ার পেছনে মার্কিন ডলারের সঙ্গে টাকার ফারাক হয়েছে। সোনাকে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চাহিদার থেকে জোগান বেশি হলে স্বাভাবিকভাবেই কমে হলুদ ধাতুর দাম। দেশীয় অর্থনীতির উন্নতি ঘটায় বিনিয়োগকারীরা উচ্ছ্বসিত এবং তারা আবারও তাদের অর্থ ইক্যুইটির মতো ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে বিনিয়োগ করছে যা অনেক বেশি লাভজনক। ফলে এটা বলা যেতেই পারে যে বিনিয়োগকারীরা সোনা এবং সরকারি বন্ডে তাদের বিনিয়োগ কম করছে এবং বিনিয়োগের জন্য অন্যান্য বিকল্পগুলিকে বেছে নিচ্ছে। তাই সোনা কেনার জন্য বাজারে হাহাকার পড়ছে না। হলুদ ধাতুর জোগান ঠিক থাকছে। তাই মধ্যবিত্তের নাগালে আসছে সোনার দাম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • G20 Summit: আগামী বছর ভারতে হতে চলেছে জি-২০ বৈঠক

    G20 Summit: আগামী বছর ভারতে হতে চলেছে জি-২০ বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে বসতে চলেছে জি-২০ (G20 Summit) বৈঠকের আসর। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, ২০২৩ সালের অর্থাৎ আগামী বছর ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে জি-২০ সম্মেলন আয়োজন করা হবে। এদিন বিদেশ মন্ত্রকের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত এক বছরে সারা দেশে ২০০ টিরও বেশি জি-২০ বৈঠকের আয়োজন করবে । প্রসঙ্গত, চলতি বছরের নভেম্বর মাসে ইন্দোনেশিয়া বসতে চলেছে জি-২০ গোষ্ঠীর দেশগুলির শীর্ষ সম্মেলন।

    আরও পড়ুন: ‘‘রাজ্যটাকে উত্তর কোরিয়া বানিয়ে দিয়েছেন ‘লেডি কিম’…’’, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    ১৯৯৯ সালে জি-২০ রাষ্ট্রগোষ্ঠীর গঠন করা হয়। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতির ১৯টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এই গোষ্ঠীর সদস্য। গোটা বিশ্বের জিডিপির ৮০ শতাংশেরও বেশি এবং বিশ্ব বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে  জি-২০ গোষ্ঠী। বিশ্বের জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ এই গোষ্ঠীর সদস্য দেশগুলির নাগরিক। প্রথম থেকেই ভারত এই শক্তিশালী অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর সদস্য। বিদেশ মন্ত্রক আগেই জানিয়েছিল, ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর থেকেই ভারত এই গোষ্ঠীর সভাপতিত্ব করবে এবং ২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো জি-২০ রাষ্ট্রনেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করবে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত ভারত এই গোষ্ঠীর সভাপতিত্ব করবে। এই সময় ভারতে জি-২০গোষ্ঠীর ২০০টিরও বেশি বৈঠক হবে দেশের নানা প্রান্তে। তামিলনাড়ু থেকে জম্মু-কাশ্মীর নানা জায়গায় বৈঠকে বসবেন রাষ্ট্রনেতারা। 

    আরও পড়ুন: গোগরা-হটস্প্রিং থেকে সরল দুদেশের জওয়ান! চিন-সীমান্তে প্রস্তুত ভারত, বললেন পূর্বাঞ্চলীয় সেনাপ্রধান

     জি-২০ গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে,আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ। অতিথি দেশ হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ, মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, পাশাপাশি আইএসএ (ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স), সিডিআরআই (কোয়ালিশন ফর ডিজাস্টার রেসিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার) এবং এডিবি (এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক)। স্পেন এই জোটের স্থায়ী আমন্ত্রিত অতিথি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Tharoor Slams US Anchor: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার সুখ্যাতি, মার্কিন অ্যাঙ্করকে মোক্ষম জবাব শশী থারুরের  

    Tharoor Slams US Anchor: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার সুখ্যাতি, মার্কিন অ্যাঙ্করকে মোক্ষম জবাব শশী থারুরের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার সুখ্যাতি করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (US) এক বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমের অ্যাঙ্কর (Anchor)। তার মোক্ষম জবাব দিলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর (Shashi Tharoor) সহ বেশ কয়েকজন।

    ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওই বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমের অ্যাঙ্কর। তাঁর দাবি, ব্রিটিশ শাসনকালেই ভারতের প্রভূত উন্নতি হয়েছিল। ফক্স নিউজের ওই অ্যাঙ্করের নাম টাকার কার্লসন। তিনি বলেছিলেন, ব্রিটিশ জমানার আগে ভারতে কোনও চোখ ধাঁধানো স্থাপত্য গড়ে ওঠেনি। তাঁর মন্তব্যকে বর্ণবাদী এবং চরমভাবে অজ্ঞাত আখ্যা দিয়েছেন বহু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী। এঁদের মধ্যে রয়েছেন টেনিস তারক মার্টিনা নাভ্রাতিলোভাও।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হবে ভারত! বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্যে জল্পনা

    অনুষ্ঠানের নাম ছিল টাকার কার্লসন টুনাইট। ওই অনুষ্ঠানের অ্যাঙ্কর ভারতে ব্রিটিশ শাসন কালের প্রশংসা করার পাশাপাশি ওই শাসনকালকে তিনি কেবল গণহত্যার চেয়েও ঢের বেশি কিছু বলে মন্তব্য করেন। কার্লসনের একটি ট্যুইট বার্তা ভাইরাল হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, শক্তিশালী দেশগুলি দুর্বল দেশগুলিকে দমিয়ে রাখে। এই ধারা একটুও বদলায়নি। অন্তত ইংরেজরা তাদের ঔপনিবেশিক দায়িত্ব পালন করেছিল ঠিকঠাকভাবে। তিনি বলেন, আমরা (আমেরিকা) আফগানিস্তান ছেড়ছি, এয়ারস্ট্রিপ ছেড়েছি, অস্ত্র ছেড়েছি এবং বন্দুকও।

    যখন ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে গেল, তখন রেখে গেলে একটা সভ্যতা, ভাষা, লিগ্যাল সিস্টেম, স্কুল, চার্চ, পাবলিক বিল্ডিং, এখনও পর্যন্ত যা কিছু রয়েছে। এর পরেই শুরু হয় ট্যুইটার যুদ্ধ। কংগ্রেস নেতা শশী থারুর লেখেন, আমার মনে হয় ট্যুইটারের একটি অপশন আছে কোনওকিছু দাপিয়ে রাখতে, যখন তুমি কোনও প্রতিক্রিয়া না দাও। এখন আমি নিজেকে শান্ত রাখব। এর পরেই তিনি দুটো রাগত মুখের ইমোজি দিয়েছেন। আমেরিকার ওই অ্যাঙ্করকে শশী থারুরেরই ‘ইনগ্লোরিয়াস এম্পায়ার’ বইটি পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন নাভ্রাতিলোভা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: বিদেশি সংস্থাগুলো আসতে চাইছে ভারতে! উৎপাদনে বিনিয়োগ করতে বণিকমহলকে উৎসাহ নির্মলার

    Nirmala Sitharaman: বিদেশি সংস্থাগুলো আসতে চাইছে ভারতে! উৎপাদনে বিনিয়োগ করতে বণিকমহলকে উৎসাহ নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে শিল্প আনা এবং বিনিয়োগের জন্য সরকার সব কিছু করবে। এমনটাই বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Finance Minister Nirmala Sitharaman)। মঙ্গলবার দিল্লিতে আয়োজিত মাইন্ডমাইন সামিটের ১৫- তে (Mindmine Summit 15) বক্তৃতা রাখেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। এই সম্মেলনে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, “অনেক  কোম্পানি নিজেদের উৎপাদন প্রক্রিয়া চিন থেকে সরিয়ে নিতে চাইছে এবং ভারতে আসতে চায়। আমরা উৎপাদন সংক্রান্ত ইনসেন্টিভ স্কিমও দিয়েছি। ভারতীয় সংস্থাগুলির (Indian Inc) কাছে জানতে চাই আপনারা কেন এগিয়ে আসছেন না?” 

    আরও পড়ুন: দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত, দাবি সরকারি সূত্রের  

    নির্মলা সীতারমন আরও বলেন, “বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ এবং বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগ আসছে এবং বিভিন্ন দেশ মনে করে যে ভারত বিনিয়োগের জন্য সঠিক স্থান। আরবিআই সম্প্রতি একটি ব্যবস্থা ঘোষণা করার পর অনেক দেশ ভারতীয় মুদ্রায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে।”

    অর্থমন্ত্রী পরিষ্কার করেন, ভারতীয় সরকার শিল্পজগতের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে প্রবল আগ্রহী। তিনি বলেন, ”কোনও নীতিই নিজে নিজেই চূড়ান্ত হয় না। যত আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব তত এটা আরও বেশি করে বিকশিত হতে থাকে। শিল্পের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা অবিকল তাই।”

    আরও পড়ুন: ট্যুইটে ডেরেকের জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী, কী বললেন তৃণমূল সংসদকে? 

    অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “দেশের ব্যবসায়ী তথা কর্পোরেট সংস্থাগুলির তাদের পূর্ণ সম্ভাবনার ব্যাপারে ভাবার সময় চলে এসেছে। এটা অনেকটা হনুমানের মতো? আপনারা আপনাদের নিজের ক্ষমতাকে বিশ্বাস করেন না?” তিনি বলেন, “চিনের বিকল্প হিসাবে নানা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এখন ভাবছে যাতে ভারতে বিনিয়োগ করা যায়। কারণ এখানকার অর্থনীতি আরও বেশি আকর্ষণীয়। ভারতের যুবশক্তিই দেশকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে তুলে ধরবে।”

    প্রসঙ্গত এসবিআইয়ের গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত অর্থনীতির সূচকে ২০২৯-এর মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির জায়গায় পৌঁছতে চাইছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
LinkedIn
Share