Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Prime Minister Birthday: নিজের জন্মদিন মধ্যপ্রদেশের জাতীয় উদ্যানে কাটাবেন প্রধানমন্ত্রী, ছাড়া হবে ৫টি চিতা

    Prime Minister Birthday: নিজের জন্মদিন মধ্যপ্রদেশের জাতীয় উদ্যানে কাটাবেন প্রধানমন্ত্রী, ছাড়া হবে ৫টি চিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) কুনো পালপুর জাতীয় উদ্যানে (Kuno National Park) এবছর নিজের জন্মদিন (Birth Day) পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। গত বার পালন করেছিলেন ‘সেবা ও সমর্পণ অভিযান’। জন্মদিন উপলক্ষে আফ্রিকা থেকে আনা পাঁচটি চিতা (Cheetah) ছাড়া হবে সেই জঙ্গলে। মঙ্গলবার একথা জানিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান।  

    শিবরাজ মঙ্গলবার বলেন, “নামিবিয়ার রাজধানী উইন্ডহোক থেকে পাঁচটি চিতা রাজস্থানের জয়পুরে আনা হচ্ছে। সড়কপথে চিতাগুলিকে পালপুরে আনা হবে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ১৭ সেপ্টেম্বর সেগুলিকে জাতীয় উদ্যানে ছাড়া হবে। প্রধানমন্ত্রী ওই কর্মসূচিতে হাজির থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।” 

    আরও পড়ুন: স্বাক্ষরিত কুশিয়ারা জল বণ্টন চুক্তি, সাতটি মউ, বৈঠকে আশাবাদী মোদি-হাসিনা

    কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, দক্ষিণ আফ্রিকা অথবা নামিবিয়া থেকে আগামী পাঁচ বছর ধাপে ধাপে মোট ৫০টি চিতা ভারতে আনা হবে। এদের মধ্যে তিনভাগের এক ভাগ কমবয়সী চিতা। যাতে তাদের থেকে ভারতে চিতার পর্যাপ্ত বংশবৃদ্ধি ঘটে, সে জন্যই তাদের আনা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বন ও পরিবেশ মন্ত্রক নিযুক্ত বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি নামিবিয়া গিয়ে প্রথম পর্বের চিতা বাছাইয়ের কাজ সেরে এসেছেন। ইতিমধ্যে মৌ সাক্ষরও হয়ে গিয়েছে। মধ্যপ্রদেশ বন দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সরাসরি জঙ্গলে না ছেড়ে, প্রথমে  তারের বেড়ায় ঘেরা মুক্ত প্রান্তরে ছাড়া হবে পাঁচটি চিতাকে। যাতে প্রাণীগুলি নতুন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কিছু সময় পায় তারজন্যেই এই ব্যবস্থা।    

    ১৯৪৭ সালে সরগুজার রামানুজ প্রসাদ সিংহদেওর গুলিতে ভারতের শেষ তিনটি চিতা মারা পড়েছিল। তার পাঁচ বছর পর ১৯৫২ সালে ভারত সরকারের তরফ থেকে চিতা বিলুপ্তির কথা ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, অবলুপ্ত হওয়া চিতা দেশে ফেরাতেই এই উদ্যোগ।

    আরও পড়ুন: বদলে যাচ্ছে দিল্লির রাজপথের নাম! কী নাম রাখা হচ্ছে, জানেন?

    এদিকে বিজেপির তরফ থেকে নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন ১৬ দিন ধরে উদযাপন করার কথা জানিয়ে কর্মীদের উদ্দেশ্যে চিঠি দিয়েছেন সলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং। ১৬ দিন ধরে পালন করা হবে এই অনুষ্ঠান। নাম দেওয়া হয়েছে ‘সেবা পক্ষ’।  সেবা পক্ষ নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনের দিন থেকে মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন ২ অক্টোবর অবধি পালন করা হবে।

    এছাড়াও ‘মোদি @২০ সপ্নে হুয়ে সাকার’ বইটির প্রচারেরও  পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির। এছাড়াও রক্তদান শিবির এবং বিনামুল্যে চিকিৎসা শিবিরের আয়োজনও করা হবে। এছাড়া এই উপলক্ষে সারা দেশে টিবি রোধে ক্যাম্পেনও চালানো হবে। এছাড়া বৃক্ষ রোপন, স্বচ্ছ ভারত অভিযানও এই কর্মসূচীর অংশ হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Liz Truss: ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস, ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের নতুন সমীকরণ? 

    Liz Truss: ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস, ভারত-ব্রিটেন সম্পর্কের নতুন সমীকরণ? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটেনের (United Kingdom) প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেছেন লিজ ট্রাস (Liz Truss)। ভারতীয়দের (India) মন ভেঙে দিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভুত ঋষি সুনাককে প্রায় ২০ হাজার ভোটে হারিয়ে ব্রিটেনের মসনদে বসেছেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী কী পরিবর্তন নিয়ে আসছেন, সেদিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। একইভাবে তাকিয়ে ভারতও। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ কেমন রাখবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী এখন সে দিকেই তাকিয়ে দেশ। এর বরিস জনসনের সঙ্গে বরাবরই ভারতের ভাল সমীকরণ সামনে এসেছে। নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কেমন হয় এখন তাই দেখার। 

    আরও পড়ুন: হেরে গেলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি! ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসেই ভারত সফরে এসেছিলেন তিনি। তখন তিনি ছিলেন বরিস সরকারের বিদেশসচিব। সেই সময় ট্রাস দীপাবলির আগেই ভারতের সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। ওই সফরে, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা খাতে সহায়তার জন্য ভারত যাতে রাশিয়ার পরিবর্তে যুক্তরাজ্য বেছে নেয়, তার জন্য ভারতকে বিশেষ অনুরোধও করেছিলেন তিনি। এপ্রিলে কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে ব্রিটেনে ৩০ লক্ষ প্যাকেট প্যারাসিটামল রফতানির অনুমোদন দেওয়ার জন্য তিনি ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। এর আগে, ২০২১ সালের অক্টোবর মাসেও ভারত সফর করেছিলেন লিজ ট্রাস। সেই সময়, তিনি ভারতকে ব্রিটেনের ‘সবচেয়ে বড় বন্ধু’ বলেও অভিহিত করেছিলেন। 

    এবার এটাই দেখার পালা যে, আগে দেওয়া কথা রাখতে পারছেন কি না নতুন প্রধানমন্ত্রী। দীপাবলির আগেই কি সম্পন্ন হবে বাণিজ্য চ্যুক্তি? এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে ভারত। এছাড়াও ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলদিমির জেলেন্সকিকে সমস্ত ভাবে সমর্থন করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ইউক্রেন থেকে নজর সরে ব্রিটেনের নজর ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আসে কি না সে দিকেও তাকিয়ে আছে ভারত।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ের শেষ পর্যায়ে পৌঁছলেন ঋষি সুনক-লিজ ট্রাস  

    সোমবার বরিস জনসন সরকারের বিদেশ সচিব লিজ ট্রাস, ব্রিটেনের প্রাক্তন অর্থসচিব ঋষি সুনাককে পরাজিত করে কনজারভেটিভ পার্টির নেতা নির্বাচিত হন। কনজারভেটিভ দলের নেতা নির্বাচনে লিজ পেয়েছেন ৮১,৩২৬ ভোট, অন্যদিকে প্রাক্তন চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক পেয়েছেন ৬০,৩৯৯ ভোট। অল্প ভোটের ব্যবধানে জিতেই, মার্গারেট থ্যাচার এবং থেরেসা মে-র পর তৃতীয় মহিলা হিসেবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হলেন তিনি। 

    লিজ ট্রাস প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরেই তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লেখেন, “আশা করছি ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Taragiri: জলে ভাসল নৌসেনার স্টেলথ ফ্রিগেট ‘আইএনএস তারাগিরি’, কতটা শক্তিশালী এই রণতরী?

    Taragiri: জলে ভাসল নৌসেনার স্টেলথ ফ্রিগেট ‘আইএনএস তারাগিরি’, কতটা শক্তিশালী এই রণতরী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সমরাস্ত্রে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ প্রকল্পে তৈরি হচ্ছে আধুনিক অস্ত্র, মিসাইল, হেলিকপ্টার, ট্যাঙ্ক ও বড় বড় যুদ্ধ জাহাজ। কয়েকদিন আগেই ভারতীয় নৌবাহিনী হাতে পেয়েছিল আইএনএস বিক্রান্ত। এবার দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তৃতীয় স্টিলথ ফ্রিগেট ‘তারাগিরি’ (Stealth frigate Taragiri) যোগ হল নৌবাহিনীতে। তারাগিরি তৈরিতে ৭৫ শতাংশ দেশীয় উপাদান ব্যবহৃত হয়েছে। যা মুম্বইয়ের মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেডে তৈরি। রবিবার রণতরীটি আনুষ্ঠানিকভাবে পথ চলা শুরু করল। 

    আরও পড়ুন: জলে ভাসল দেশের তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত

    গাড়োয়ালে অবস্থিত হিমালয়ের একটি পর্বতশ্রেণীর নামানুসারে তারাগিরি রণতরীর নামকরণ করা হয়েছে। জাহাজটির ডিজাইন করেছে ভারতীয় নৌবাহিনীর ইন হাউশ ব্যুরো অফ নেভাল। তারাগিরির ওজন ৩৫১০ টন। লম্বা ১৪৯ মিটার এবং চওড়া ১৭.৮ মিটার। জাহাজটির দুটি গ্যাস টারবাইন ও দুটি প্রধান ডিজেল ইঞ্জনের সমন্বয়ে চালিত হবে। তারাগিরির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় প্রায় ৫২ কিমি। এতে ৩৫ জন অফিসারসহ মোট ১৫০জনকে মোতায়েন করা যাবে। 

    আরও পড়ুন: নবরাত্রিতে মুম্বই-আমেদাবাদ রুটে যাত্রা শুরু হতে পারে নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের, কেমন হবে এই ট্রেনে যাত্রা?

    জাহাজটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্র, সেন্সর, অ্যাডভান্স অ্যাকশন ইনফরমেশন সিস্টেম, ইন্টিগ্রেটেড প্ল্যাটফর্ম ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, বিশ্বমানের মডুলার প্রভৃতি সুবিধা রয়েছে। এটি সারফেস টু সারফেস সুপারসনিক মিসাইল সিস্টেম দিয়ে সজ্জিত। বিমান হামলা প্রতিরোধের জন্য এতে ৩২ বারাক ৮ ইআর এবং ভারতের গোপন অস্ত্র ভিএলএসআরএসএএম (VLSRSAM) ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করার কথা রয়েছে। তারাগিরিতে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রও মোতায়েন করা যাবে। সাবমেরিন বিরোধী যুদ্ধের জন্য দুটি ট্রিপল টর্পেডো টিউব রয়েছে এই রণতরীতে। এখান থেকে দুটি হেলিকপ্টার নামা ওঠাও করতে পারবে। দুটি একে ৬৩০ এম সি আই ডব্লু এস বন্দুকের পাশাপাশি একটি ৭৬ এমএম ওটিও মেলারা নেভাল গান লাগানো থাকবে এই যুদ্ধজাহাজে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • India-US: মোদির লক্ষ্য আত্মনির্ভর ভারত, আমেরিকার নেতৃত্বে ইন্দো-প্যাসিফিক বানিজ্যে না দিল্লির

    India-US: মোদির লক্ষ্য আত্মনির্ভর ভারত, আমেরিকার নেতৃত্বে ইন্দো-প্যাসিফিক বানিজ্যে না দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনকে শায়েস্তা করতে নয়া পন্থা অবলম্বন করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হাতে না পেরে পাতে মারাই লক্ষ্য তাঁর। সেই অনুযায়ী জাপান, ভারত সহ এশিয়ার ১৩টি দেশকে নিয়ে আমেরিকা তৈরি করেছিল ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফেমওয়ার্ক। যেখানে সমমনোভাবান্ন দেশগুলির মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া গড়ে তোলার পাশাপাশি বানিজ্য প্রসারই ছিল মূল লক্ষ্য। কিন্তু ভারত সরকার আপাতত এই প্রকল্পে অংশ নিতে চায় না। লস অ্যাঞ্জেলসে মার্কিন বানিজ্য প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর স্পষ্ট করে দিয়েছে দিল্লি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফেমওয়ার্ক প্রকল্প বড় ধাক্কা খেল।

    আরও পড়ুন: উপাসনা স্থল আইন সংক্রান্ত আবেদন পত্র পাঠানো হতে পারে সাংবিধানিক বেঞ্চে, মত সুপ্রিম কোর্টের

    কিন্তু হঠাৎ করে ভারতের পিছিয়ে আসার কারণ কি? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘এক ঢিলে দুই পাখি মারার কৌশল নিয়েছে আমেরিকা। একদিকে আর্থিকভাবে চিনকে দুর্বল করার পাশাপাশি নিজেদের বানিজ্য প্রসারের চেষ্টায় রয়েছে বাইডেন সরকার। এক্ষেত্রে বর্তমান ব্যবস্থা ধ্বংস হতে পারে। তার জেরে নতুন সমস্যা উত্থাপিত হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। মোদির লক্ষ্য আত্মনির্ভর ভারত। সঙ্গে রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপকে আরও শক্তশালী করে তোলা। পাশাপাশি মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পকে আরও বেশি করে ছড়িয়ে দেওয়াই ভারত সরকারের মূল লক্ষ্য। ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেমওয়ার্কে যোগ দিলে সেই প্রয়াস বাধা পাবে। তাই ভারত এই প্রকল্প থেকে আপাতত সরে আসার সিদ্ধান্ত নিল বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন সূচকে ৮১ থেকে ৪৬তম স্থানে ভারত, বিজ্ঞান সম্মেলনে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    তবে এখনই হাল ছাড়ার পাত্র নন আমেরিকা। মার্কিন বানিজ্য প্রতিনিধি ক্যাথেরিন তাই জানিয়েছেন, ‘ভারত এখন ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেমওয়ার্কে অংশ নিচ্ছে না ঠিকই, তবে আমরা আশা ছাড়ছি না। ভারতের বনিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে আলোচনায় আমরা খুশি। এবছরের শেষের দিকে দুই দেশের প্রতিনিধি আবারও মিলিত হবেন। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে আমরা এই বিষয়ে ফের বিস্তারিত আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।’ উল্লেখ্য, ভারত ছাড়াও আইপিইএফ প্রকল্পে থাকার কথা অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনেই, ফিজি, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, কোরিয়া, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপিন্স, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও আমেরিকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Broken Rice: ভাঙা চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি ভারতের, কেন জানেন? 

    Broken Rice: ভাঙা চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি ভারতের, কেন জানেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিলম্বে ভাঙা চালের (Broken Rice) রফতানি (Export) নিষিদ্ধ (Ban) করল ভারত (India)। এই প্রেক্ষিতে ভাঙা চালের রফতানি নীতি ‘মুক্ত’ থেকে ‘নিষিদ্ধ’ করা হয়েছে। যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ১৫ সেপ্টেম্বর অবধি রফতানিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে। কারণ কোথাও কোথাও জাহাজে ইতিমধ্যেই রফতানির জন্যে মাল তোলা হয়ে গিয়েছে বা শুল্ক প্রক্রিয়া সম্পন্ন অথবা বিলিং হয়ে গিয়েছে। সেগুলিকে বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শিখদের পাগড়ি কিংবা কৃপাণের সঙ্গে তুলনা চলে না হিজাবের, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    মনে করা হচ্ছে এ বছর খরিফ শস্যের ফলন কম হতে পারে। এতে যোগান এবং দামেও প্রভাব পড়বে। আর তাতেই এই নিষেধাজ্ঞা বলে মনে করছেন অনেকেই। বৃহস্পতিবারই অ-বাসমতি চালে (সিদ্ধ চাল বাদ দিয়ে) ২০ শতাংশ রফতানি শুল্ক ধার্য করেছে ভারত সরকার। এই শুল্ক লাগু হবে ৯ সেপ্টেম্বর থেকে। 

    রেভিনিউ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ভুসি চালের (Husked Rice) পরেও ২০% রফতানি শুল্ক ধার্য করা হয়েছে। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস আরও বলেছে যে, কিছুটা ভাঙা বা সম্পূর্ণ ভাঙা চাল পালিশ করা হোক বা না হোক (সিদ্ধ চাল এবং বাসমতি চাল বাদ দিয়ে)- তার ওপরেও ২০% শুল্ক লাগু করা হবে।  
     
    এই খরিফ মরসুমে ধান চাষের আওতাধীন এলাকা আগের মরসুমের তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ কম। ভারতীয় কৃষকরা এই খরিফ মরসুমে কম ধান চাষ করেছেন। খরিফ ফসল বেশিরভাগই বর্ষাকালে বপন করা হয় – মূলত জুন এবং জুলাই মাসে। ফসল কাটা হয় অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসে।

    আরও পড়ুন: “দারুণ কাজ করছেন”, মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ট্রাম্প
     
    ফসলের এলাকা হ্রাস পাওয়ার প্রাথমিক কারণ বর্ষা এবছর দেরিতে এসেছে। অনেকেই মনে করছেন, এবছর কম ফলনের ফলে দেশে খারিফ শস্যের ঘাটতি দেখা  দিতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তার জন্যে এ বছর মে মাসের শুরুতে গম রফতানিও নিষিদ্ধ করেছিল দেশ। গম রফতানি নিষিদ্ধ করার সময় সরকার বলেছিল, যে দেশের সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তা পরিচালনার পাশাপাশি প্রতিবেশী এবং অন্যান্য দুর্বল দেশগুলির চাহিদা মেটাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।  

    ভারত সরকার শুধু গম রফতানি নিষিদ্ধ করেই থেমে থাকেনি। এর পরে কেন্দ্র আটা, ময়দা, সুজির মতো পণ্য রফতানিতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে খাদ্য শস্যের সরবরাহ কমেছে এবং দাম বেড়েছে। ইউক্রেন এবং রাশিয়া দুই প্রধান গম সরবরাহকারী দেশ। এই দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের কারণে গমের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তাই আগে থেকেই সাবধান থাকতে চাইছে ভারত। 

  • Amazon Sale: শুরু হচ্ছে অ্যামাজন গ্রেট ইন্ডিয়ান ফেস্টিভ্যাল সেল! জানুন কিসে মিলবে ছাড়

    Amazon Sale: শুরু হচ্ছে অ্যামাজন গ্রেট ইন্ডিয়ান ফেস্টিভ্যাল সেল! জানুন কিসে মিলবে ছাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো মানেই কেনাকাটা। নতুন জামা, জুতো থেকে ‘নিউ ফোন’। আর কেনাকাটা মানে  এখন শুধু হাতিবাগান বা গড়িয়াহাট নয়, কোভিড পরবর্তী বিকিকিনি মানেই ‘অনলাইন শপিং’। তাই উৎসবের কিছুদিন আগেই বড় ছাড়ের (Sell) ঘোষণা অ্যামাজনে (Amazon)। সপ্তাহের শুরুতেই Amazon Great Indian Festival Sale 2022 ঘোষণা করেছে জনপ্রিয় ই-কমার্স সংস্থা। নিজেদের ওয়েবসাইটে তারা জানিয়েছে শীঘ্রই এই সেল শুরু হবে। বিভিন্ন গ্যাজেটে আকর্ষণীয় ছাড়ের সঙ্গেই গ্রাহকরা ক্যাশব্যাক ও এক্সচেঞ্জ অফার পাবেন। একই সঙ্গে থাকছে নো কস্ট ইএমআই-এর সুযোগ। তবে কবে থেকে এই সেল শুরু হবে তা জানায়নি সংস্থা। 

    আরও পড়ুন: ভারতের অর্থনীতির হাল স্থিতিশীল, বৃদ্ধির হারও আশাব্যঞ্জক, জানাল মুডি’জ

    এই সেলে স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ, স্মার্ট গ্যাজেট ও অ্যামাজন অ্যালেক্সা (Amazon Alexa) চালিত বিভিন্ন ডিভাইসে মিলবে বিশেষ ছাড়। এসবিআই (SBI) ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড গ্রাহকরা এই সেল চলাকালীন অতিরিক্ত ১০ শতাংশ ছাড় পাবেন। এছাড়াও প্রথমবারের জন্য অ্যামাজন থেকে কেনাকাটা করলে মিলবে ১০ শতাংশ ক্যাশব্যাক। এই সেল শুরুর আগেই Amazon Prime সদস্যরা বিভিন্ন ডিলে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত হয়েছে নিট-ইউজি- র ফল, এমবিবিএস ছাড়া আর কোন কোর্সে পড়ার সুযোগ রয়েছে? জেনে নিন

    বিভিন্ন স্মার্টফোনে আকর্ষণীয় ছাড়ের সঙ্গেই এই সেলে মোবাইল ফোন অ্যাকসেসারিজ, স্মার্টওয়াচ, ট্যাবলেট, ল্যাপটপের মতো ইলেকট্রনিক ডিভাইসে মিলবে দুর্দান্ত ছাড়। বিভিন্ন ডিভাইসের সঙ্গে পাওয়া যাবে কম্বো অফার। একই সঙ্গে এই সেল চলাকালীন ৬০টি নতুন প্রোডাক্ট লঞ্চ করবে অ্যামাজন। গত সপ্তাহেই বিগ বিলিয়ন ডে (Big Billion Days 2022) এর ঘোষণা করেছিল ফ্লিপকার্ট (Flipkart)। এর পরে অ্যামাজনের সেল ঘোষণা ছিল সময়ের অপেক্ষা। এখন উৎসব শুরুর আগেই বাজার ধরতে জোর টক্কর দুই ই-কমার্স সংস্থার মধ্যে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Supreme Court on Hijab row: রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের তুলনা চলে না! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি নিয়ে মত সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court on Hijab row: রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের তুলনা চলে না! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি নিয়ে মত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের কোনও তুলনা চলতে পারে না, অভিমত দেশের শীর্ষ আদালতের। রুদ্রাক্ষ বা ক্রস থাকে পোশাকের ভিতরে যা বাইরে দেখা যায় না। কিন্তু হিজাব পরা হয় পোশাকের উপরে। যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধিকে লঙ্ঘন করতে পারে, বলে জানায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ।

    বুধবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হিজাব পরা নিয়ে মামলার শুনানি চলাকালীন, আইনজীবী ধর্মীয় প্রতীক হিসাবে রুদ্রাক্ষ বা ক্রস চিহ্ন পরে আসার উদাহরণ দিলে শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, “এই ধর্মীয় প্রতীক বা চিহ্নগুলি পোশাকের ভিতরে পরা হয়। কেউ পোশাক তুলে দেখান না যে তিনি রুদ্রাক্ষ বা ক্রস পরেছেন কি না। হিজাব পরার অধিকার নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি অমান্য হচ্ছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক।”

    কর্ণাটকের এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুরু হওয়া হিজাব বিতর্কে গত কয়েকমাস ধরেই উত্তপ্ত দেশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাবের অধিকারের বিতর্ক গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছিল তৎকালীন বিচারপতি এনভি রমণার বেঞ্চে। পরবর্তীকালে এই মামলার শুনানি হয়  বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চে। বুধবার শুনানি চলাকালীন আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবী দেবদত্ত কামতের এক প্রশ্নের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের তরফে প্রশ্ন করা হয়, “পোশাকের অধিকারের মধ্য়ে কি পোশাক খোলার অধিকারও পড়ছে?”

    আরও পড়ুন: শুরু হচ্ছে অ্যামাজন গ্রেট ইন্ডিয়ান ফেস্টিভাল সেল! জানুন কিসে মিলবে ছাড়

    মামলাকারীদের স্বপক্ষে আইনজীবী কামাত জানান যে পোশাক পরার অধিকার সংবিধানের বাক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত। তিনি জানান, সংবিধানের ১৯(১) ধারায় নাগরিকদের সাধারণ অধিকারগুলিকে মান্যতা দেওয়া হয়েছে এবং তা সংরক্ষণ করার কথাও বলা হয়েছে। পোশাক পরার অধিকারও মৌলিক অধিকারেরই অঙ্গ। তাঁর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত বলেন, “আপনি অযৌক্তিক পরিণতিতে নিয়ে যাবেন না। পোশাক পরার অধিকার মানে কি পোশাক খোলারও অধিকার রয়েছে?” জবাবে আইনজীবী বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনও পড়ুয়ার পোশাক খোলা হচ্ছে না।” আইনজীবীর এই যুক্তিতে কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়েই বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত বলেন, “ধরে নেওয়া হল যে পোশাকের অধিকার নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের অংশ। তাহলে আপনি এটাও তো বলতে পারেন যে আমি পোশাক পরতে চাই না?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Bihar Politics: প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

    Bihar Politics: প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলেকশন স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোরকে (Prashant Kishor) কোনও অফার দেওয়া হয়নি। সাফ জানিয়ে দিলেন জনতা দল ইউনাইটেড (jdu) প্রধান লালন সিং। জেডিইউয়ের ওই নেতা জানান, বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের বৈঠক হলেও, তাঁকে দলে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।

    এক সময় নীতীশের দল জেডিইউয়ের নেতা ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। পরে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিরুপ মন্তব্য করায় ২০২০ সালে জেডিইউ থেকে বহিষ্কার করা হয় প্রশান্তকে। তার পর থেকে আর নীতীশ-প্রশান্ত মুখোমুখি হননি। সম্প্রতি ফের একবার নীতীশ-প্রশান্ত বৈঠকে বসেন। তার পরেই জল্পনা ছড়ায় প্রশান্তের পুরানো দল জনতা দল ইউনাইটেডেই ফিরছেন ইলেকশন স্ট্র্যাটেজিস্ট। প্রশান্তকে যে সময় দল থেকে বহিষ্কার করা হয়, সেই সময় বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার চালাচ্ছিলেন নীতীশ কুমার। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের সমালোচনা সহ্য করতে পারেননি জেডিইউ সুপ্রিমো। তার জেরেই বহিষ্কার করা হয় প্রশান্তকে।

    আরও পড়ুন : নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    মাসদুয়েক আগে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে রাষ্ট্রীয় জনতা দল ও কংগ্রেসের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে সরকার গড়েন নীতীশ। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন তিনি। উপমুখ্যমন্ত্রী হন লালু প্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী। তার পর এই প্রথম নীতীশের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন প্রশান্ত। জনতা দল ইউনাইটেড প্রধান লালন সিং শনিবার জানান, কিশোর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। তিনি বলেন, ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। তিনি একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি মার্কেটিং করে চলেছেন। জনতা দল ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে তাঁকে কোনও অফার করা হয়নি। তিনি নিজেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সেই মতো দেখা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ভোট জয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য প্রশান্তের একটি সংস্থা রয়েছে। নাম আইপ্যাক। প্রশান্তের এই সংস্থা বিভিন্ন দলের হয়ে কাজ করে। একুশের ভোটে প্রশান্তের সংস্থা পশ্চিমবঙ্গে কাজ করেছিল তৃণমূলের হয়ে। অনেকেরই ধারণা, তার জেরেই ফের বাংলার ক্ষমতায় ফেরে তৃণমূল সরকার।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Assam Police: ফের জাল নোটের কারবার! আসামে জাল নোট ও জাল নোট তৈরি করার মেশিন সহ গ্রেফতার ৪ জন

    Assam Police: ফের জাল নোটের কারবার! আসামে জাল নোট ও জাল নোট তৈরি করার মেশিন সহ গ্রেফতার ৪ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাল নোটের (Fake Currencies) বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেল আসাম পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার, নগাঁও ও হোজাই জেলা থেকে জাল নোট কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে আসাম রাজ্যের পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের থেকে দুটি জাল ভারতীয় মুদ্রার নোট তৈরির মেশিন ও জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে।

    আসাম পুলিশ জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগাঁও জেলার কচুয়া থানা পুলিশের একটি দল কচুয়া এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযান চালিয়ে পুলিশ এলাকাতে একটি জাল নোট তৈরির মেশিন, ৫০০ টাকার ১০৩ নম্বরের জাল নোট, ৬ নম্বরের ৫০০ টাকার জাল নোট, A4 সাইজের কাগজের একটি বান্ডিল, একটি মোটরসাইকেল এবং তিনটি মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট বাজেয়াপ্ত করেছে। এই কাগজ এবং ওই মেশিন দিয়েই জাল টাকা ছাপানো হত বলেও অনুমান করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “চোরেদের রানি কে?”, নবান্ন অভিযানের আগে আলিপুরদুয়ারের সভায় প্রশ্ন শুভেন্দুর

    দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে আসাম পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম জালাল উদ্দিন, আর. ভ্যআনলালরুয়াতি, জোরামছানি। জানা গিয়েছে, জালালের বয়স ৩৫ বছর ও কচুয়ার বাসিন্দা ও বাকি দুজনের একজনের বয়স ৪২ ও আরেকজনের ৪০। এরা উভয়েই মিজোরামের আইজলের রামলুমের বাসিন্দা। অন্যদিকে পুলিশ হোজাই জেলার জোবোকা মিকিরাতি এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাল নোটসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে। এই ধৃতের নাম আব্দুল জলিল।

    এক পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর বলেন, “গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। আমরা তথ্য পেয়েছিলাম যে এক ব্যক্তি জাল নোটের কারবার করবে এবং তারপর আমরা কয়েকজন পুলিশ কর্মীকে সাধারণ পোশাকে সেই ব্যক্তিক কাছে পাঠাই। এরপরেই আমরা সেই ব্যক্তিকে জাল নোট, জাল নোট তৈরি করার মেশিন সহ আটক করেছি।“ পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই জাল নোট কারবারে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত তদন্ত করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: মাদ্রাসাগুলি ছিল আল-কায়দার অফিস, বিস্ফোরক হিমন্ত! জানেন কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Himanta Biswa Sarma: হিমন্তকে শারীরিক নিগ্রহ, তেলঙ্গানা সরকারের রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    Himanta Biswa Sarma: হিমন্তকে শারীরিক নিগ্রহ, তেলঙ্গানা সরকারের রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গানায় (Telangana) গণেশ উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে শারীরিক নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন আসামের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ঘটনার জেরে শুক্রবার রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। জেড প্লাস সিকিউরিটি পান হিমন্ত। তার পরেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা জানতে চাওয়া হয়েছে তেলঙ্গানার মুখ্য সচিবের কাছে। এর আগে এই একই ইস্যুতে তেলঙ্গানার মুখ্য সচিবকে চিঠি দিয়েছিল আসাম সরকার এবং সিআরপিএফ (CRPF)।

    জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে তেলঙ্গানায় গণেশ উৎসবের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন হিমন্ত। অভিযোগ, ওই সময় আচমকাই তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির এক নেতা মঞ্চে উঠে আসামের মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কাধাক্কি করেন। কেড়ে নেন তাঁর মাইক্রোফোনও। যিনি এসব করেছেন, তিনি তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির নেতা নন্দু ব্যাস। নন্দুকে সঙ্গে সঙ্গে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় আবিদ রোড থানায়। পরে অবশ্য তাঁকে ছেড়েও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন :মাদ্রাসাগুলি ছিল আল-কায়দার অফিস, বিস্ফোরক হিমন্ত! জানেন কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী?

    ছাড়া পেয়েই স্বমূর্তি ধারণ করেন তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির ওই নেতা। নিশানা করেন বিজেপিকে। বলেন, যে উৎসব উপলক্ষে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ রাজ্যে এসেছেন, সেই উৎসব সম্পর্কিত কথাবার্তা না বলে তিনি ভোটের প্রচার শুরু করে দিয়েছিলেন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও সম্পর্কে অযথা বাজে কথা বলছিলেন। তিনি বলেন, আমি এটা সহ্য করতে পারিনি। তাই মঞ্চে গিয়ে ওঁকে অনুরোধ করেছিলাম মঞ্চ ছেড়ে চলে যেতে। তাঁকে এও বলেছি, যদি ভবিষ্যতে আপনাদের কোনও নেতা কিংবা নেত্রী এসে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে এসব বলেন, তবে আমরা তা সহ্য করব না। তাঁকে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

    তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির মুখপাত্র কৃষাঙ্ক মান্নে বলেন, মঞ্চে দাঁড়িয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দিনভর আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওকে গালি দিয়ে গেলেন। তাঁর মন্তব্য নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করতে শুরু করল। কেসিআরের এক সমর্থক এটা মেনে নিতে পারেননি। তারই প্রতিক্রিয়ার জেরে ঘটেছে এই ঘটনা। তিনি বলেন, কেসিআরের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত হিমন্তর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

LinkedIn
Share