Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Darul Uloom Deoband: দারুল উলুম দেওবন্দ সহ উত্তর প্রদেশের ৩০৬টি মাদ্রাসার রেজিস্ট্রেশন নেই!

    Darul Uloom Deoband: দারুল উলুম দেওবন্দ সহ উত্তর প্রদেশের ৩০৬টি মাদ্রাসার রেজিস্ট্রেশন নেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাহারানপুর জেলার ইসলামিক সেমিনারি দারুল উলুম দেওবন্দ (Darul Uloom Deoband) এবং ৩০৫টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উত্তর প্রদেশ মাদ্রাসা (Madrasa) এডুকেশন বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত নয়। উত্তর প্রদেশ (UP) সরকারের সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। জানা গিয়েছে, যেসব মাদ্রাসা মাদ্রাসা এডুকেশন বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত নয়, তারা স্কলারশিপ, শিক্ষকদের বেতন সহ অন্যান্য সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকে। সাহারানপুর জেলা মাইনরিটি ওয়েলফেয়ার অফিসার ভরতলাল গৌর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সাহারানপুরে সব মিলিয়ে ৭৫৪টি নথিভুক্ত মাদ্রাসা রয়েছে।

    সাহারানপুরে প্রচুর মাদ্রাসা রয়েছে। এগুলির মধ্যে মাদ্রাসা এডুকেশন বোর্ড স্বীকৃত মাদ্রাসা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে স্বীকৃত নয় এমন মাদ্রাসাও। সাহারানপুর জেলা মাইনরিটি ওয়েলফেয়ার অফিসার জানান, জেলায় এডুকেশন বোর্ড স্বীকৃত নয় এমন মাদ্রাসার সংখ্যা ৩০৬। জেলায় মাদ্রাসার প্রকৃত সংখ্যা কত, তা জানতে হয়েছিল সমীক্ষা। সেই সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য, জানান তিনি। সরকারি ওই আধিকারিক জানান, দারুল উলুম দেওবন্দ (Darul Uloom Deoband) মাদ্রাসা এডুকেশন বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত নয়। সাহারানপুর জেলা মাইনরিটি ওয়েলফেয়ার অফিসার জানান, সরকার ১২টি পয়েন্ট বেঁধে দিয়েছিল। সেই পয়েন্টগুলির ভিত্তিতেই চালানো হয়েছে সমীক্ষা।

    আরও পড়ুন: অবৈধ নির্মাণ না জঙ্গি-যোগ! অসমে বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হল মাদ্রাসা

    দারুল উলুম দেওবন্দ (Darul Uloom Deoband) মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, সোসাইটি অ্যাক্টে দারুল উলুমের সুরা সোসাইটিতে নথিভুক্ত রয়েছে এই মাদ্রাসা। সংবিধানের ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার বলে চলে এই মাদ্রাসা। তাঁরা জানান, দারুল উলুম দেওবন্দ শিক্ষামূলক কাজকর্ম করে আসছে। দেড়শো বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশকে সেবা করে আসছে। তা সত্ত্বেও এই মাদ্রাসা কোনও সরকারের কাছ থেকেই কোনওরকম সাহায্য কিংবা অনুদান নেয়নি। প্রসঙ্গত, সাহারানপুরের দেওবন্দের এই ইসলামিক প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছিল ১৮৬৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ইসলাম পণ্ডিত এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এঁদের প্রধান ছিলেন মহম্মদ কাসেম নানুতুবি। এখান থেকেই দেওবন্দি আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Modi in Kargil: দেশের সুরক্ষা যাদের কাঁধে, প্রথা মেনে তাঁদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে কার্গিলে মোদি

    Modi in Kargil: দেশের সুরক্ষা যাদের কাঁধে, প্রথা মেনে তাঁদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে কার্গিলে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর (Modi in Kargil) পদে বসার পর থেকে চলে আসছে এই প্রথা। কখনও বদল হয়নি এই নিয়মের। দীপাবলির এই বিশেষ তিনি উজ্জাপন করেন দেশের অতন্দ্র প্রহরীদের সঙ্গে, যাদের জন্যে আমরা প্রতিটা উৎসবে নিশ্চিন্তে মেতে যেতে পারি। আর সেই ধারাকে অব্যহত রাখতে, এবছরও সেনা জওয়ানদের সঙ্গে আলোর উৎসব পালন করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পৌঁছে গিয়েছেন কার্গিলে। 

    আজ সকালেই ট্যুইটারে দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান নরেন্দ্র মোদী। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, “সকলকে দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আলোর সঙ্গে জড়িয়ে দিওয়ালি। এই শুভ উৎসব আমাদের জীবনে আনন্দ ও মঙ্গলের চেতনাকে আরও বাড়িয়ে তুলুক। পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে দিওয়াবলি কাটান, এই কামনা করি।” অন্য একটি ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে জানানো হয়, “প্রধানমন্ত্রী কার্গিল পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি আমাদের বীর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করবেন।” 

     

     

    গতকাল অযোধ্যায় পোৎসবে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে অস্থায়ী রামমন্দিরে মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করেন তিনি। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য্য সত্যেন্দ্র দাস তাঁর কপালে সিঁদুরের টিকা দিয়ে দেন। মন্দিরের দান বাক্সে প্রণামীও দেন তিনি।  

    বিগত আটবছর ধরেই দীপাবলির দিনটি দেশের বিভিন্ন সীমান্তের প্রহরীদের সঙ্গে কাটিয়ে আসছেন মোদি। ২০১৪ সালে গিয়েছিলেন সিয়াচেনে। এরপর ২০১৫ সালে পাঞ্জাবের সীমান্তে গিয়ে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের তিনটি সৌধে সম্মান জ্ঞাপন  করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৬ সালে হিমাচলের চিন সীমান্তে যান। সেখানে আইটিবিপি জওয়ানদের সঙ্গে দিওয়ালি উদযাপন করেন। এরপর ২০১৭ সালে উত্তর কাশ্মীরের গুরেজ সেক্টরে গিয়েছিলেন মোদি। ২০১৮ সালে মোদী যান উত্তরাখণ্ডের হরসিল সীমান্তে। ২০১৯ সালে কাশ্মীরের রাজৌরি এবং ২০২০ সালে গিয়েছিলেন রাজস্থানের লঙ্গেওয়ালা সীমান্তে। গতবছর প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন কাশ্মীরের নৌশেরায়। এবারেও কাশ্মীর।   

  • Government employee: কাজে গাফিলতি! দোষী প্রমাণ হলে সরকারি কর্মীদের বন্ধ হয়ে যাবে পেনশন, গ্র্যাচুইটি?

    Government employee: কাজে গাফিলতি! দোষী প্রমাণ হলে সরকারি কর্মীদের বন্ধ হয়ে যাবে পেনশন, গ্র্যাচুইটি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ (DA) উপহার দেওয়া হয়েছে। দেওয়া হয়েছে বোনাসও। জোড়া উপহার পেয়ে যারপরনাই খুশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা (Government employee)। তবে এবার তাঁদের দেওয়া হল সতর্কবার্তাও (Warning)। কেন্দ্রের তরফে জারি করা ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, কাজের সময় আরও সতর্ক হোন। কাজের ক্ষেত্রে অবহেলা করবেন না। যদি তা প্রমাণ হয়, তাহলে অবসরের পর বন্ধ হয়ে যাবে পেনশন এবং গ্র্যাচুইটিও। এই নির্দেশিকা প্রযোজ্য হবে কেবল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে। রাজ্য চাইলে এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের (Government employee) ডিএ ৩৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩৮ শতাংশ। বেসিক পে-র ৩৮ শতাংশ হারে ওই ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে কেন্দ্র। ২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে তা কার্যকর করা হবে বলেও জানানো হয়। এর পর দেওয়া হয়েছে বোনাসও। এসবের সঙ্গে এবার দেওয়া হল সতর্কবার্তাও। সম্প্রতি এক নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, যদি কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি (Government employee) কর্মী গুরুতর দোষী সাব্যস্ত হন অথবা তাঁর কর্মজীবনে কোনও কিছু অবহেলার প্রমাণ মেলে, তাহলে অবসরের পর বন্ধ করে দেওয়া হবে পেনশন ও গ্র্যাচুইটি। এই যে নির্দেশিকা জারি হয়েছে, তা সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিসেস পেনশন রুল ২০২১ এর অধীনে। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই সিসিএস পেনশন রুলস ৮ পরিবর্তন করেছে। এই বদল করতে গিয়েই তিনটি নয়া বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নিয়মে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের কাছে। ওই নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছে, যদি কোনও সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে এবং তা প্রমাণিত হয়, তাহলে পেনশন এবং গ্র্যাচুইটি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

    নয়া নিয়মে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে পেনশন এবং গ্র্যাচুইটি পুরোপুরি কিংবা আংশিক বন্ধ করে দেওয়ার। একমাত্র দোষী প্রমাণিত হলে তবেই তা করা যাবে। কর্মজীবনে যদি বিভাগীয় কিংবা বিচার বিভাগীয় কোনও পদক্ষেপ করা হয়, তাহলে অবশ্যই তা জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের। অবসরের পর কোনও কর্মী যদি পুনর্নিযুক্ত হন, তাহলেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

     

  • Early Marriage: চাকরি নেই, ২১ ছোঁওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে যাচ্ছে বাংলার সিংহভাগ মহিলার!

    Early Marriage: চাকরি নেই, ২১ ছোঁওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে যাচ্ছে বাংলার সিংহভাগ মহিলার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ ছোঁওয়ার আগেই বিয়ের (Marriage) পিঁড়িতে বসে যান পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) ও ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand)  অর্ধেকেরও বেশি মহিলা। কম বয়সে মা হওয়ায় ভগ্নস্বাস্থ্য হচ্ছেন তাঁরা। জন্মের পর থেকে সন্তানও হচ্ছে কমজোরি। কী কারণে কম বয়সে বিয়ে (Early Marriage) করে ফেলছেন এই দুই রাজ্যের মেয়েরা? কারণ জানলে চমকে উঠবেন আপনিও। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের মধ্যে এই দুই রাজ্যে মহিলাদের চাকরির সুযোগ কম। তাই ঘরে বসে থেকে সময় নষ্ট না করে বিয়ে করে সংসারি হয়ে পড়ছেন এই দুই রাজ্যের সিংহভাগ মহিলা। আরও জানা গিয়েছে, সরকারের যেসব উন্নয়নমূলক প্রকল্প রয়েছে, তার সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। যার জেরে নিত্য বাড়ছে কম বয়সে বিয়ের প্রবণতা। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ আবার এই ডেটায় সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এই সমীক্ষা করা হয়েছিল কোভিড অতিমারি পরিস্থিতিতে।

    তবে ওই সমীক্ষা থেকে এটা স্পষ্ট যে, দেশের মধ্যে কেবল বাংলা ও ঝাড়খণ্ডই সেই রাজ্য যেখানে অর্ধেকেরও বেশি মহিলার বিয়ে হয়ে যায় একুশ বছর হওয়ার আগেই। সমীক্ষায় প্রাপ্ত পরিসংখ্যান বলছে, বাংলার  মহিলাদের মধ্যে ৫৪.৯ শতাংশের বিয়ে হয়ে যায় একুশের গণ্ডী পার হওয়ার আগেই। ঝাড়খণ্ডের ক্ষেত্রে এটা ৫৪.৬ শতাংশ। শতাংশের হিসেবে গোটা দেশের গড় ২৯.৫।

    আরও পড়ুন: “পশ্চিমবঙ্গ, না কি হিটলারের জার্মানি?” টেট উত্তীর্ণদের উপর পুলিশের বলপ্রয়োগে ট্যুইট শুভেন্দু অধিকারীর

    সমীক্ষা থেকে আরও জানা যাচ্ছে, শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে সমস্যাটা আরও বেশি। গ্রামাঞ্চলের মহিলারা সম্মানজনক কাজ পান না। তাই তাঁদের মা-বাবারা তাড়াতাড়ি বিয়ে (Early Marriage) দিয়ে দেন মেয়েদের। একথা বলছেন কংগ্রেস নেত্রী দীপিকা পাণ্ডে সিং। ঝাড়খণ্ডে বাল্যবিবাহ রোধে কাজ করছেন দীপিকা। তিনি বলেন, ঝাড়খণ্ডে বাল্য বিবাহের প্রবণতা রয়েছে সমাজের সর্বস্তরে। উপজাতি, হিন্দু, সংখ্যালঘু, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-গরিব নির্বিশেষে সর্বত্র। জনসচেতনতা বাড়াতে ধারাবাহিক প্রচারের প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি। দীপিকার কথার প্রতিধ্বনি শোনা গেল কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিদ্যার অধ্যাপক সুকন্যা সর্বাধিকারীর গলায়। তিনিও বলেন, গ্রামাঞ্চলে অল্প বয়সী মেয়েদের কাজের সুযোগ কম। তাই কবে চাকরি পাবেন, সেই ভরসায় না থেকে তাঁদের অনেকেই বসে পড়ছেন বিয়ের পিঁড়িতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Saudi Prince: মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারত সফরে আসছেন সৌদির প্রধানমন্ত্রী বিন সালমান!

    Saudi Prince: মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারত সফরে আসছেন সৌদির প্রধানমন্ত্রী বিন সালমান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারত সফরে আসছেন সৌদি আরবের যুবরাজ (Saudi Prince) তথা প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ বিন সালমান। সূত্রের খবর, নভেম্বরের মাঝামাঝি ভারত (India) সফরে আসার কথা তাঁর। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি-২০ বৈঠকে যোগ দিতে আসবেন বিন সালমান। ওই সফরের পথেই তিনি আসবেন ভারতে।

    দীর্ঘ দিন সৌদির যুবরাজ (Saudi Prince) থাকার পর মাস খানেক আগে ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে অভিষিক্ত হন বিন সালমান। বছর সাঁইত্রিশের বিন সালমান ইতিমধ্যেই অর্থ, প্রতিরক্ষা, তেল এবং স্বরাষ্ট্র সহ সে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সৌদির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের নির্দেশে মন্ত্রিসভায় আনা রদবদলের সূত্রেই প্রধানমন্ত্রী পদে বসানো হয় বিন সালমানকে। তার পর এই প্রথমবার ভারত সফরে আসছেন তিনি। জানা গিয়েছে, বিন সালমান ভারতে আসবেন নভেম্বরের ১৪ তারিখে। চলে যাবেন তার পরের দিন। সেপ্টেম্বর মাসে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের মাধ্যমে বিন সালমানকে আমন্ত্রণপত্র পাঠান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ রক্ষা করতেই দু দিনের ভারত সফরে আসছেন বিন সালমান।

    চলতি সপ্তাহেই ভারত সফরে এসেছিলেন সৌদি আরবের শক্তিমন্ত্রী আবদুল আজিজ বিন সালমান। ওপেক প্লাস তেল উৎপাদনে কাটছাঁট করেছে। সেই কারণেই সৌদির যুবরাজের (Saudi Prince) আগে এক দিনের ভারত সফরে এসেছিলেন সে দেশের বিদ্যুৎ মন্ত্রী। ভারতে আসার সঙ্গে সঙ্গে তিনি অনলাইনে কথা বলেছেন চিনা আধিকারিকদের সঙ্গেও। সৌদির বিদ্যুৎ মন্ত্রী ভারত সফরে এসে বাণিজ্য এবং শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, তৈলমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এবং শক্তিমন্ত্রী আরকে সিংয়ের সঙ্গেও কথা বলেছিলেন। প্রসঙ্গত, সৌদি আরবে সাধারণত প্রধানমন্ত্রিত্বের রাশ নিজেদের হাতেই রাখেন বাদশাহরা। ছেলে মহম্মদ বিন সালমানকে প্রধানমন্ত্রী করার মাধ্যমে তিনি নিঃশব্দে সেরে ফেললেন ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া। রাজ দরবার সূত্রে অবশ্য প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়ে কোনও কারণ দর্শানো হয়নি।

     

  • Shivraj Patil: শিবরাজের ‘গীতা-জিহাদ’ সম্পর্কের কথা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী মানসিকতারই প্রকাশ, সাফ কথা বিজেপির

    Shivraj Patil: শিবরাজের ‘গীতা-জিহাদ’ সম্পর্কের কথা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী মানসিকতারই প্রকাশ, সাফ কথা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গীতা (Gita) নিয়ে কংগ্রেসের (Congress) প্রবীণ নেতা শিবরাজ পাটিলের (Shivraj Patil) মন্তব্যের জেরে কড়া প্রতিক্রিয়া দিল বিজেপি। তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদও (VHP)। কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন বিজেপির মুখপাত্র তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদীও। তিনি বলেন, এই মন্তব্যের দায় নেওয়া উচিত কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মল্লিকার্জুন খাড়গে অথবা কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর।  

    বৃহস্পতিবার বই প্রকাশের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে শিবরাজ (Shivraj Patil) বলেন, কেবল কোরানে নয়, জিহাদের (Jihad) উল্লেখ রয়েছে শ্রীমদ্ভগবদগীতায়ও! এর পরেই দেশজুড়ে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। শিবরাজের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে গোটা দেশে। কড়া মন্তব্য করেন গেরুয়া নেতৃত্বও। বিজেপির মুখপাত্র সঈদ শাহনাওয়াজ হুসেন শিবরাজকে আক্রমণ করেন বলেন, একজন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, শিবরাজ পাটিল (Shivraj Patil) জিহাদের সঙ্গে গীতার সংযোগ খুঁজে পেয়েছেন! আমরা জানি কংগ্রেস হিন্দু সমাজের ওপর রেগে রয়েছে। হুসেন বলেন, কিন্তু জিহাদের সঙ্গে হিন্দু ধর্মের সংযোগের কথা বলে কংগ্রেস না হিন্দু, না মুসলমান কাউকেই খুশি করতে পারবে না।

    বিজেপির (BJP) জাতীয় মুখপাত্র সেহজাদ পুন্নাওয়ালা বলেন, ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে শিবরাজ পাটিল (Shivraj Patil) শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে জিহাদের বার্তা দিয়েছিলেন বলে দাবি করছেন। এর পরে পরেই আমরা দেখছি কংগ্রেসের অন্য এক মুখপাত্র উদিত রাজ হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছেন। এই দুই ঘটনা সমাপতন নয়, ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখার খেলা। বিজেপির দাবি, এটা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী মানসিকতারই প্রকাশ।

    আরও পড়ুন: অর্জুনকে জিহাদের শিক্ষা দিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ! কংগ্রেস নেতা বলেন কী?

    বিজেপির আর এক নেতা সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু, হিন্দুত্ব এবং হিন্দুস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। পাটিলের (Shivraj Patil) মন্তব্য এরই অন্য একটি অধ্যায়। কংগ্রেস নেতারা আগেও বোকা হারাম এবং তালিবানের সঙ্গে হিন্দুত্বের তুলনা টেনেছিল। শিবরাজের (Shivraj Patil) এই বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদও। পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিলিন্দ পারান্ডে কংগ্রেসকে একহাত নিয়ে বলেন, তারা দায়িত্বজ্ঞানহীন। সস্তা জনপ্রিয়তা পেতে এবং সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে এসব করছে। এর পরেই শিবরাজকে নিশানা করে তিনি বলেন, আমি জানি না উনি (পাটিল) কোন গীতা পড়েছেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই নেতার দাবি, গীতার কোথাও জিহাদের কোনও উল্লেখ নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Rozgar Mela: ২২ অক্টোবর শুরু হচ্ছে রোজগার মেলা, জানুন বিস্তারিত

    Rozgar Mela: ২২ অক্টোবর শুরু হচ্ছে রোজগার মেলা, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আগেই ঘরে ঘরে আসুক খুশির খবর। আর সেই লক্ষ্যেই  ১০ লক্ষ চাকরি দিতে ‘রোজগার মেলা’ (Rozgar Mela) শুরু হতে চলেছে ২২ অক্টোবর। মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিন বক্তব্যও রাখবেন তিনি। এমনটাই জানা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে। জানা গিয়েছে এই উদ্যোগের মাধ্যমে ১০ লক্ষ চাকরি দেবে বিজেপি সরকার। পিএমও সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম ধাপে ৭৫,০০০ জনকে নিয়োগ করা হবে। 

    আরও পড়ুন: ইমরান খানকে ‘অযোগ্য’ ঘোষণা, প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে চলল গুলি 

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ২২ অক্টোবর বেলা ১১ টায় ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এই মেলার সূচনা করবেন নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠান চলাকালীনই ৭৫,০০০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। রিপোর্ট মোতাবেক এই ৭৫ হাজার যুবক-যুবতি কেন্দ্রের ৩৮টি মন্ত্রক ও নানা বিভাগে যোগদান করবে। গ্রুপ – এ, গ্রুপ – বি, গ্রুপ – সি, গ্রুপ -ডি ইত্যাদি যে কোনও স্তরেই নিয়োগ করা হতে পারে এই যুবক-যুবতিদের। সেন্ট্রাল আর্মড ফোর্সেস পার্সোনেল, সাব ইন্সপেক্টর, কনস্টেবল, এলডিসি, স্টেনো, পিএ, ইনকাম ট্যাক্স ইন্সপেক্টর, এমটিএস ইত্যাদি পদে নিয়োগ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, “তরুণদের জন্য চাকরির সুযোগ প্রদান এবং নাগরিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ক্রমাগত প্রতিশ্রুতি পূরণের দিকে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।” প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুসারে, সমস্ত মন্ত্রণালয় এবং বিভাগ মিশন মোডে চলে গিয়েছে। অনুমোদিত পদের বাকি পদ দ্রুত পূরণের জন্য কাজ করছে, বিবৃতিতে বলা হয়েছে। এউপিএসসি, এসএসসি, রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে। 

    গ্রুপ এ (গেজেটেড) বিভাগে ২৩৫৮৪ টি শূন্যপদ, গ্রুপ বি (গেজেটেড) ২৬২৮২ টি, গ্রুপ বি (নন-গেজেটেড) ৯২৫২৫ টি এবং গ্রুপ সি (নন-গেজেটেড) ৮.৩৬ লাখ শূন্যপদ রয়েছে। শুধুমাত্র প্রতিরক্ষা মন্ত্রকেই ৩৯৩৬৬ টি গ্রুপ বি (নন-গেজেটেড) এবং ২.১৪ লক্ষ গ্রুপ সি শূন্যপদ রয়েছে। রেলের ২.৯১ লক্ষ গ্রুপ সি পদ রয়েছে এবং গৃহ মন্ত্রানালয়ে ১.২১ লক্ষ গ্রুপ সি (নন-গেজেটেড) শূন্যপদ রয়েছে। 

    প্রসঙ্গত গত জুন মাসেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রক ও বিভাগগুলিতে কত জন কাজ করছে তা পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তখনই তিনি আগামী দেড় বছরে ১০ লক্ষ কর্মী নিয়োগের আদেশ দিয়েছিলেন। দ্রুত নিয়োগের জন্যেই এই ব্যবস্থা।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Covid Wave: শীতের শুরুতে আরেকটা করোনার প্রকোপ? সতর্কতা জারি করল ‘হু’

    Covid Wave: শীতের শুরুতে আরেকটা করোনার প্রকোপ? সতর্কতা জারি করল ‘হু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের শুরুতে ফের করোনার প্রকোপ (Covid Wave) বাড়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্কতা জারি করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organisation) করোনার এই প্রকোপ থেকে বাঁচতে বুস্টার ডোজ নেবার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। ভারতে এখন এক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৫ হাজার ৫১০ থেকে কমে ২৫ হাজার ৩৭ জন হলেও ২৪ ঘন্টার মধ্যে অন্তত ৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

    বর্তমানে চীনে নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে করোনাভাইরাস। চিনের মঙ্গোলিয়ায় করোনা ভাইরাসের নতুন একটি প্রজাতির খোঁজ মিলেছে। চিকিৎসকদের মতে, ওমিক্রনের বিএ.৫.১.৭ (Omicron BA 5.1.7) এবং বিএফ.৭ প্রজাতির ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় অনেক গুণ বেশি। তাই করোনা টিকা নেওয়ার পর বা এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার পর শরীরে যে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে, তা নতুন এই প্রজাতিটিকে ঠেকানোর জন্য যথেষ্ট নয় বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    ইতিমধ্যেই চিনের বেশ কিছু জেলায় ছড়িয়ে (Covid Wave) পড়েছে এই ভাইরাস। আমেরিকা, ব্রিটেন, জার্মানি এবং ফ্রান্সের ক্ষেত্রেও সংক্রমণের হার বেশ দ্রুত। ভারতে এই ভ্যারিয়েন্টের নাম এক্সবিবি ( XBB variant)। এই ভ্যারিয়েন্টটিও শরীরের অ্যান্টিবডিকে কাটিয়ে উঠতে পারে। করোনার  ঢেউ যাতে পুনরায় না উঠতে পারে তা নিশ্চিত করতে বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের ট্র্যাকিং করতে হবে পাশাপাশি, ভারতে এর আগে করোনায় (Covid Wave) সবচেয়ে বেশী বয়স্ক ব্যক্তিরা সংক্রমিত হয়েছিল। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বয়স্কদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই বুস্টার ডোজটি নিতে বলেছে।

    উৎসবের মরসুমে করোনার বিধি-নিষেধে ছাড় এবং মানুষের লাগামছাড়া মনোভাব, নতুন করে সংক্রমণের ভয় উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। চিকিৎসকরা আরও এক বার মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, সংখ্যাটি এক হলেও নতুন প্রজাতিটি কিন্তু দেশে ঢুকে পড়েছে। তার উপর শীতকাল আসছে। এটি এমনিই ফ্লুয়ের সময়। তাই অতিরিক্ত সাবধানতা থাকতেই হবে। করোনা থিতু হতেই ভাইরাস প্রতিরোধে সুরক্ষাবিধি কেউই প্রায় মানছেন না। আমজনতার একটা বড় অংশ করোনার সুরক্ষাবিধি ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অধিকাংশ মানুষের মুখেই মাস্ক থাকছে না। তা ছাড়া শারীরিক দুরত্ববিধিরও বালাই নেই। আবার, কোথাও কোথাও মাস্ক পরা নিয়ে কড়াকড়ি শিথিলও করা হয়েছে।তাই সব কিছু বন্ধ করে ঘরে বসে থাকা কোনও সমাধান হতে পারে না।এ ক্ষেত্রে সচেতনতা গড়ে তোলাই একমাত্র হাতিয়ার বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Competition Commission of India: ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে গুগলকে ফের জরিমানা করল সিসিআই

    Competition Commission of India: ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে গুগলকে ফের জরিমানা করল সিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্লে স্টোর নীতিতে বার বার ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে গুগলের (Google) বিরুদ্ধে। এই অপরাধে গুগলকে ৯৩৬.৪৪ কোটি টাকা জরিমানা করেছে কম্পিটিশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া (CCI)। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই নিয়ে দুবার জরিমানা করা হল গুগলকে। এরই সঙ্গে অনৈতিকভাবে ব্যবসা বন্ধ করারও নির্দেশ দিয়েছে সিসিআই। মঙ্গলবার সংস্থাটিকে জরিমানা করে এই নির্দেশ দিয়েছে সিসিআই। সিসিআই- এর অভিযোগ, পেমেন্ট অ্যাপের প্রচারের জন্য নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে গুগল। ট্যুইটারে এই জরিমানার কথা ঘোষণা করেছে গুগল। 

     


              

    এর আগে ২০ অক্টোবর গুগলকে ১ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা জরিমানা করেছিল সিসিআই। সেই সময় অভিযোগ করা হয়েছিল, অনলাইন সার্চ এবং অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ স্টোরে নিজেদের অ্যাপ যেমন ক্রোম এবং ইউটিউবকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছে গুগল। আর তার জেরেই জরিমানা করা হয়। গুগল জানিয়েছে, এই নির্দেশের ফলে ধাক্কা খাবেন ভারতীয় ব্যবহারকারীরা।

    আরও পড়ুন: ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলে সামরিক আইন জারি করল মস্কো

    সিসিআই তার তদন্তে দেখেছে, ভারতে অ্যাপ স্টোরের বাজারে স্মার্ট মোবাইল ডিভাইসের জন্য অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট মোবাইল  আইওএস -এ গুগলের প্রাধান্য থাকার সুযোগ নিচ্ছে কোম্পানি। গুগলের প্লে স্টোরের নীতি অনুযায়ী, অ্যাপ ডেভেলপারদের প্লে স্টোরে নিজেদের অ্যাপ রাখতে হলে গুগল প্লে বিলিং সিস্টেম (GPBS) ব্যবহার করতে হবে। অ্যাপ ডেভেলপাররা GPBS ব্যবহার করার ক্ষেত্রে যদি Google-এর নীতি অনুসরণ না করে, তাহলে তারা তাদের অ্যাপগুলি প্লে স্টোরে রাখতে পারবে না। গুগলের এই নীতির কারণে, অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপগুলি একটা বড় গ্রাহক সংখ্যা হারাচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্লে স্টোরে এই অ্যাপ রাখার জন্য বিলিংয়ের ক্ষেত্রে UPI অ্যাপগুলিকেও লেনদেনের সুযোগ দিচ্ছে না গুগল। প্লে স্টোরের অ্যাপে নিজেদের পেমেন্ট অ্যাপকেই প্রমোট করছে কোম্পানি। যা আদতে আইনবিরুদ্ধ। সেই কারণেই গুগলের বিরুদ্ধে জরিমানার পথে হেঁটেছে কম্পিটিশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

  • Democracy in India: ভারতের গণতন্ত্র ঢের বেশি ভাল, মুফতির মন্তব্য প্রসঙ্গে জিতেন্দ্র সিং, নিশানা করলেন বিবেকও

    Democracy in India: ভারতের গণতন্ত্র ঢের বেশি ভাল, মুফতির মন্তব্য প্রসঙ্গে জিতেন্দ্র সিং, নিশানা করলেন বিবেকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের (UK) প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। তাঁর এই নিয়োগে খুশি তামাম ভারত (India)। এহেন আবহে ‘বেফাঁস’ মন্তব্য করে তাল কাটলেন জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu & Kashmir) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পিডিপি (PDP) নেত্রী মেহবুবা মুফতি। বেফাঁস মন্তব্যের জেরে মঙ্গলবার তাঁকে একহাত নিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র প্রসাদ সিং। তাঁর দাবি, বিশ্বের যে কোনও দেশের চেয়ে ভারতের গণতন্ত্র (Democracy in India) ঢের বেশি ভাল। মুফতিকে মুখের মতো জবাব দিয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা বিবেক অগ্নিহোত্রীও।

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে ঋষি মনোনীত হওয়ার পরেই ট্যুইট করেন মুফতি। লেখেন, এটা গর্ব করার মতো মুহূর্ত যে প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী পাবে ব্রিটেন। গোটা ভারত তা উদযাপন করছে। তবে ব্রিটেন একজন জাতিগতভাবে সংখ্যালঘুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিলেও, আমরা এখনও এনআরসি এবং সিএএ-র মতো বিভাজনকারী ও বৈষম্যমূলক আইনে শেকলবন্দি হয়ে রয়েছি।

    এদিন এই প্রসঙ্গেই নাম না করে মুফতিকে একহাত নিয়েছেন জিতেন্দ্র প্রসাদ। তিনি বলেন, যিনি ভারতের স্বাধীনতা ও ভারতীয় গণতন্ত্রের (Democracy in India) ইতিহাস জানেন, তিনি স্বীকার করবেন যে ভারতের গণতন্ত্র বিশ্বের যে কোনও দেশের তুলনায় ঢের ভাল। তিনি বলেন, আমি এ কথা বলতে পেরে গর্বিত যে বাজপেয়ির আমলে আমরা এপিজে আবদুল কালামকে ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে পেয়েছিলাম। মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পেয়েছিলাম রামনাথ কোবিন্দকে। এবং এখন পেয়েছি দ্রৌপদী মুর্মুকে।

    জিতেন্দ্র প্রসাদ বলেন, ঘটনাচক্রে এঁরা সবাই সমাজের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় কিংবা দুর্বল শ্রেণির প্রতিনিধি। মুফতির নাম না করে তিনি বলেন, আপনি যদি ভাবেন জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অঙ্গ, তাহলে আমি মনে করি ভারতের রাষ্ট্রপতি জম্মু-কাশ্মীরেরও রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, যাঁরা এই ধরনের কথা বলতে পারেন, তাঁরা জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের অংশ হিসেবে মেনে নিতে বোধহয় দ্বিধাগ্রস্ত। মুফতিকে নিশানা করেছেন আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। ট্যুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, মেহবুবা মুফতিজি জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আপনি কি কোনও সংখ্যালঘুকে মেনে নেবেন?  সত্যি কথাটা বলুন তো।   

    আরও পড়ুন: ঋষি সুনকের নিয়োগ নিয়ে মুফতির মন্তব্য হতাশার জের, বলছে আরএসএস

    মুফতিকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা বিবেক অগ্নিহোত্রীও। কাশ্মীর ফাইলসের ডিরেক্টর ট্যুইট বার্তায় লেখেন, যেদিন ভারতের সমস্ত মুসলমান কাফের শব্দটিকে নিষিদ্ধ করবে, শর্তহীনভাবে সরব হবেন ইসলামিক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে, স্বীকার করবেন কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, তাঁরা প্রথমে নিজেদের ভারতীয় এবং তারপর অন্যকিছু ভাববেন এবং একই উন্মাদনা নিয়ে বলবেন ভারত মাতা কী জয় এবং বন্দে মাতরম। আপনি প্রস্তুত?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share