Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh: শিল্পে ধাক্কা, কর্মসংস্থান শূন্য, বিপুল রাজস্ব ঘাটতি, নজর ঘোরাতেই কি ইউনূস সরকারের ভারত-বিদ্বেষ?

    Bangladesh: শিল্পে ধাক্কা, কর্মসংস্থান শূন্য, বিপুল রাজস্ব ঘাটতি, নজর ঘোরাতেই কি ইউনূস সরকারের ভারত-বিদ্বেষ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারে পতনের পর দেশে পরিবর্তন আনতে নতুন ইউনূস সরকার ক্ষমতা দখল করেছে। আর এই তদারকি সরকার আসার পর থেকে অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh)। নতুন কোনও উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়ে পরিকল্পনার কথা শোনাতে পারেনি এই সরকার। বরং, এই চারমাসে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হু-হু করে বাড়ছে। যে বস্ত্র শিল্পের ওপর ভিত্তি করে এই দেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে থাকে, সেই শিল্প এখন কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে। এর পাশাপাশি মহম্মদ ইউনূস সরকারের আমলে বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ঘাটতি। তাই, দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতেই কি তোলা হল ভারত-বিদ্বেষের জিগির? উঠছে প্রশ্ন।

    রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ ৩১ হাজার কোটি টাকা (Bangladesh)

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সংবাদপত্র ‘কালের কণ্ঠ’ সূত্রে খবর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য বলছে, অর্থবর্ষের চার মাসেই রাজস্ব আয়ে টানাটানি চলছে। ঘাটতি ছাড়িয়েছে প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকা। মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছিল ১ লক্ষ ৩২ হাজার ১১২ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ১ লক্ষ ১ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা। এই সময়ে আমদানি শুল্ক, ভ্যাট ও আয়কর-এই তিন খাতের কোনওটিতেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। উল্টে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রাজস্ব আদায় কমেছে। এর মধ্যে সবথেকে বেশি ঘাটতি হয়েছে আয়কর খাতে। চার মাসে ঘাটতির পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা। এই খাতে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৫ হাজার ২৪২ কোটি টাকা। আয়কর খাতে আদায় হয়েছে ৩২ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ ঘাটতির কারণ, বাংলাদেশে কর্মসংস্থানই তৈরি হয়নি। আমদানি খাতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯ হাজার ৬৩০ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৩২ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা। এই খাতে ঘাটতি প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। ব্যবসা- বাণিজ্য কমে আসায় তার প্রভাব পড়েছে আমদানি খাতে।

     বাংলাদেশের টাকার দামে পতন

    মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে বাংলাদেশে। খাদ্যপণ্যের দামও চড়া। এবার আর্থিক পরিস্থিতি সামাল দিতে ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ নিচ্ছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। বুধবার এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্ক সূত্রে এই ঘোষণা করা হয়েছে, এমনটাই প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এ। বাংলাদেশি টাকায় এই ঋণের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৭ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা। ঋণের টাকা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে বলে জানা গিয়েছে। ৮ ডিসেম্বর থেকেই বাংলাদেশের টাকার দামে পতন ঘটেছে। নতুন হিসেবে ভারতের ১ টাকা মানে বাংলাদেশের ১ টাকা ৪১ পয়সা। আরও স্পষ্ট করে বললে, ভারতের ১০০ টাকা মানে বাংলাদেশের ১৪১ টাকা ২৬ পয়সা।

    বস্ত্রশিল্পে ধাক্কা!

    পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ (Bangladesh) বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম, চিনের পর। বেশ কিছু বড় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এই দেশে পোশাক তৈরি বা সংগ্রহ করে। এসব পোশাক তারপর দেশে বড় বড় শোরুমে বিক্রি হয়। তবে দেশের চলমান অস্থিরতা এই ব্র্যান্ডগুলির ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বাংলাদেশ বর্তমানে পাকিস্তানের মতো দেউলিয়া হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। ক্ষতি কমানোর জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান এখন ভারতীয় উৎপাদকদের দিকে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    ভ্যাট আদায়ে ঘাটতি হয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা

    বাংলাদেশে (Bangladesh) ভ্যাট আদায়ে ঘাটতি হয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা। ভ্যাট আদায় হয়েছে ৩৬ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা। এই সময়ে এই খাতের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৭ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে রাজস্ব আদায়ে বড়সড় ধস নেমেছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে। তাই প্রশ্ন উঠছে, অকর্মণ্যতা থেকে নজর ঘোরাতেই কি ভারত-বিদ্বেষের জিগির তুলছেন ইউনূস? হিন্দু নিপীড়ন জারি রেখে নিজের অপদার্থতা ঢাকতে চাইছেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নির্যাতনের শিকার আওয়ামি লিগের সংখ্যালঘু নেতা-মন্ত্রীরাও! ইউনূসের রোষে দিন কাটছে জেলে

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নির্যাতনের শিকার আওয়ামি লিগের সংখ্যালঘু নেতা-মন্ত্রীরাও! ইউনূসের রোষে দিন কাটছে জেলে

    হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই অশান্ত বাংলাদেশ। মন্দির ভাঙচুর, আগুন, মারধর, খুন-সবেতেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের কঙ্কালসার চেহারাটা এখন গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের পর গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে, কী ভয়াবহ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সেখানে। শুধু কি সাধারণ নিরীহ হিন্দু বা হিন্দুদের মন্দির? না, বেছে বেছে কাঠগড়ায় তুলে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদেরও। কীভাবে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, কীভাবে একের পর এক সরকারি অফিসার বা জনপ্রতিনিধির ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে, তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ প্রথম পর্ব।

    অশান্ত বাংলাদেশ: টার্গেট হিন্দু-১

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অগাস্ট মাসে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) আওয়ামি লিগ সরকারের পতন হয়েছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তার পর থেকেই সে দেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার বেড়ে গিয়েছে, এমন অভিযোগ বারবার উঠছে। ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় থাকার এতদিন পরেও অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। বার বার বাংলাদেশের নানা প্রান্ত থেকে সংখ্যালঘু নিপীড়নের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসছে। এই ধরনের অভিযোগ প্রসঙ্গে ঢাকা বরাবর দাবি করে এসেছে, বিদেশি সংবাদমাধ্যমে ভুল প্রচার হচ্ছে। যে ভাবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি সেখানে তুলে ধরা হচ্ছে, বিষয়টি আদৌ তেমন নয়। প্রয়োজনে বিদেশি সাংবাদিকদের ঢাকায় গিয়ে পরিস্থিতি দেখে আসতেও বলা হয়েছে। কিন্তু তার মাঝেই সম্প্রতি ঘরোয়া বৈঠকে সংখ্যালঘুদের সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। এমনকী নিজেদের কেরামতি দেখাতে গিয়ে ইউনূস প্রশাসন যে তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে, তাতে তারা সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের কথা এই প্রথম স্বীকারও করে নিয়েছে। আসুন এবার ফিরে দেখা যাক, কীভাবে ইউনূস সরকার বিরোধী শিবিরে একের পর এক নির্মম আঘাত হেনেছে। আওয়ামি লিগের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত একাধিক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যকেও রেয়াত করা হয়নি। বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড তাঁদের আটক করেছে অথবা তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই লেখায় সেই তথ্যই তুলে ধরা হল।

    টার্গেট সংখ্যালঘু নেতা-জনপ্রতিনিধি

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis)  ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রাক্তন সংসদ সদস্য এবং জলসম্পদমন্ত্রী এমএম রমেশচন্দ্র সেনকে পুলিশ আটক করে। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ১৬ অগাস্ট নিজের বাড়ি থেকে গ্রেফতার হন হাসিনা জমানার এই প্রাক্তন মন্ত্রী। তাঁর স্ত্রী অঞ্জলি সেন জানিয়েছিলেন, গ্রেফতার করতে এসে পুলিশ কর্মীরা বলেছিল, ভালোর জন্যই নাকি রমেশবাবুকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, আবার ৩০ মিনিটের মধ্যে তাঁকে ফিরিয়ে দিয়ে যাওয়া হবে। তবে পরেই রমেশবাবুকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু আর ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। পরে পুলিশি হেফাজতে ছিলেন রমেশচন্দ্র সেন। এখন রয়েছেন জেলে।

    একইভাবে, বাংলাদেশের প্রাক্তন ভূমিমন্ত্রী নারায়ণচন্দ্র চন্দকে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী গ্রেফতার করে। এছাড়া এমপি ধীরেন্দ্রনাথ শম্ভু এবং সাবেক মন্ত্রী সাধনচন্দ্র মজুমদারকেও আটক করা হয়। বিজিবি জানায়, অবৈধভাবে ভারতে পালানোর সময় ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে প্রাক্তন ভূমিমন্ত্রী ও খুলনা-৫ আসনের প্রাক্তন এমপি নারায়ণচন্দ্র চন্দকে আটক করা হয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য নারায়ণচন্দ্র চন্দ। ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। 

    রেহাই পাননি মন্ত্রীও

    এছাড়া, বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) আওয়ামি লিগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আসিমকুমার কিল, তাঁর স্ত্রী এবং সংসদ সদস্য অপু কিল সহ আরও অনেক জনপ্রিয় নেতার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই নেতাদের মধ্যে প্রাক্তন সংসদ সদস্য বীরেন সিকদার, স্থানীয় সরকার ও সমবায়মন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য এবং আওয়ামি লিগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও রয়েছেন।

    এখানেই শেষ নয়। প্রতিহিংসার খিদে যত দিন গিয়েছে, বেড়েই গিয়েছে। খাদ্যমন্ত্রী সাধনচন্দ্র মজুমদারকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ। নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার) আসন থেকে নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামি লিগের মনোনয়ন নিয়ে পরপর চারবার সংসদ সদস্য হন জেলা আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক সাধনচন্দ্র মজুমদার। ২০১৮ সালে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য হওয়ার পর তিনি খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। আওয়ামি লিগের বিগত সরকারেও খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: অশান্ত বাংলাদেশে জোর ধাক্কা পোশাক শিল্পে! ভারত হতে পারে বিশ্বের নয়া গন্তব্য

     রোষে আওয়ামি লিগের সংখ্যালঘু সমর্থকরাও

    এছাড়া, বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথ, যিনি ১২তম সংসদ নির্বাচনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, এবং আরও অনেক নেতাকে টার্গেট করা হয়েছে। অন্যদের মধ্যে রয়েছেন আনন্দিত সরকার, প্রণবগোপাল দত্ত, সংসদ সদস্য মৃণালকান্তি দাস, প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্তলাল সেন এবং আনন্দিত রায়।

    এই দমন-পীড়ন শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং আওয়ামি লিগের সংখ্যালঘু সমর্থক এবং তৃণমূল স্তরের নেতাদের ওপরও এই নিপীড়ন চালানো হয়েছে সমান ভাবে। এই নেতাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার মধ্যে হত্যা মামলাও রয়েছে। বাংলাদেশে এই সময়ে সংখ্যালঘু নেতাদের প্রতি এই ধরনের নির্যাতন এবং দমন-পীড়ন এক দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক সংকটের প্রতিফলন, যা দেশের রাজনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

    ছাড় পাননি পুলিশ অফিসাররাও। তাঁদের ওপরও নানা ভাবে শাস্তির খাঁড়া নামিয়ে আনা হয়েছে। পরের কিস্তিতে আমরা সেই বিষয়েই বিশদে আলোচনা করব।                                                                   (…..চলবে)

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশে জোর ধাক্কা পোশাক শিল্পে! ভারত হতে পারে বিশ্বের নয়া গন্তব্য

    Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশে জোর ধাক্কা পোশাক শিল্পে! ভারত হতে পারে বিশ্বের নয়া গন্তব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর জ্বলছে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে পড়েছে প্রভাব। পদ্মাপাড়ে অশান্তির জেরে লাভবান হতে চলেছেন ভারতের বস্ত্র ব্যবসায়ীরা, এমনই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। ইতিমধ্যেই বাড়তে শুরু করেছে কাপড়ের কোম্পানিগুলির স্টকের গ্রাফ। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, এই পরিস্থিতিতে ইউরোপ ও আমেরিকায় রফতানির জন্য বিপুল টাকার বরাত পেতে পারে ভারতের বিভিন্ন সংস্থা।

    বাংলাদেশের কাপড়ের চাহিদা

    আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) কাপড়ের দারুণ চাহিদা রয়েছে। বস্ত্র রফতানিতে ভারত ও চিনকে রীতিমতো টেক্কা দিয়ে থাকে পূর্ব পাড়ের এই প্রতিবেশী। গত বছর অর্থাৎ ২০২৩-এ বস্ত্র শিল্পের পরিসর বৃদ্ধি করে পদ্মা নদীর দেশ। ফলে রফতানি বাণিজ্যের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়াছিল ঢাকা। সম্প্রতি পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হওয়ায় মারাত্মকভাবে ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশের কাপড় ব্যবসা। বাংলাদেশ বর্তমানে পাকিস্তানের মতো দেউলিয়া হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কারণ দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান খাত গার্মেন্ট শিল্প সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে হিন্দুদের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঘটনা বাড়ানোর ফলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে, এবং অনেক প্রতিষ্ঠান এখন বন্ধ হওয়ার পথে।

    ভারতের সুবিধা

    পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম, চিনের পর। বেশ কিছু বড় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এই দেশে পোশাক তৈরি বা সংগ্রহ করে। এসব পোশাক তারপর দেশে বড় বড় শোরুমে বিক্রি হয়। তবে দেশের চলমান অস্থিরতা এই ব্র্যান্ডগুলির ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ক্ষতি কমানোর জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান এখন ভারতীয় উৎপাদকদের দিকে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছে। প্রসঙ্গত, ২০১৮ থেকে ইউরোপ ও আমেরিকায় কাপড় রফতানির পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত। গত বছর যা ৬ শতাংশে পৌঁছয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্যের ২১ শতাংশ বাজার দখল করতে পারে ভারত।

    বাংলাদেশের জিডিপিতে পোশাক শিল্পের গুরুত্ব

    পোশাক শিল্প বাংলাদেশের জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২০২৪ সালে এটি ছিল জিডিপির ১১ শতাংশ। এই খাতের প্রায় ৮০ শতাংশ রাজস্ব আসে রফতানি থেকে। এই অবস্থায় পোশাক শিল্প কমে গেলে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিতে পারে। বহু মানুষ চাকরি হারাতে পারেন। বিপুল ঋণের বোঝা বহন করতে হতে পারে ঢাকাকে। এমন পরিস্থিতি বাংলাদেশকে পাকিস্তানের মতো অর্থনৈতিক পতনের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেডিমেড পোশাক রফতানি করেছে বিশ্ব বাজারে। আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলিতে বাংলাদেশের পোশাকের বিপুল চাহিদা। শেখ হাসিনার সময়কালে এই বস্ত্র শিল্পের উপরে ভরসা করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। তাদের বরাতে জুটেছিল উন্নয়নশীল দেশের তকমাও। আপাতত প্রবল বিদ্রোহের জেরে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা দেশত্যাগী। সেইসঙ্গে বিগত মাস দুয়েক ধরে চলা অশান্তির পরিবেশে বাংলাদেশের রফতানি প্রবল ভাবে ধাক্কা খেয়েছে। ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশের গৌরব এবং ভরসার বস্ত্র শিল্পও। 

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    ভারতের সুরাট শহর লাভবান হতে পারে

    এই সুযোগ ছাড়তে নারাজ ভারতীয় বস্ত্র শিল্পপতিরা (Garment Industry)। ইউরোপ, আমেরিকার পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার বাজার দখলের মরিয়া চেষ্টা চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁরা। যার প্রভাব কোম্পানি ও কাপড়ের মিলের স্টকে দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলো তাদের পণ্য উৎপাদন বা সংগ্রহের জন্য নতুন স্থান খুঁজছে, এমন পরিস্থিতিতে ভারতের সুরাট শহর একটি বিকল্প হিসেবে উঠে আসতে পারে। ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে, সুরাটের গার্মেন্ট শিল্পে বড় বড় ব্র্যান্ডগুলোর আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্পের অভ্যন্তরীণ সূত্র অনুযায়ী, গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলো এখানে প্রস্তুত পোশাক উৎপাদন এবং সরবরাহ সম্পর্কে জানতে চাইছে। যদি এই আকর্ষণ অর্ডারে পরিণত হয়, তবে সুরাটের গার্মেন্ট শিল্পের বৃদ্ধির হার বর্তমানে ১২ শতাংশ থেকে ২০-২৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। দক্ষিণ গুজরাট চেম্বার অফ কমার্সের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আশিস গুজনির মতে, নতুন অর্ডারগুলি শুধুমাত্র সুরাট নয়, অন্যান্য ভারতীয় শহরগুলিকেও লাভবান করতে পারে, যেখানে বস্ত্র শিল্পের কেন্দ্র রয়েছে। তিরুপুর ও কোয়েম্বাটুর (তামিলনাড়ু), লুধিয়ানা (পাঞ্জাব) এবং নয়ডার (উত্তরপ্রদেশ) মতো শহরগুলোও লাভবান হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন বাতিল করে অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার চান ট্রাম্প

    Donald Trump: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন বাতিল করে অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার চান ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব (Birthright Citizenship) প্রদান বন্ধ করতে চান হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। একইসঙ্গে চান আমেরিকায় (US) থাকা অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার করতে। তবে তথাকথিত ড্রিমার অভিবাসীদের সুরক্ষিত রাখতে চান রিপাবলিকান পার্টির এই শীর্ষ নেতা।

    কী বললেন ট্রাম্প?

    ‘মিট দ্য প্রেস উইথ ক্রিস্টেন ওয়েলকার’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানান, তিনি অফিসে প্রথম দিনেই একটি এক্সিকিউটিভ অ্যাকশনের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব (Birthright Citizenship) প্রদান বন্ধ করার পরিকল্পনা করছেন। প্রসঙ্গত, আমেরিকায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সেই সকল ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, যারা সে দেশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের বাবা-মা অভিবাসী কিনা, তা বিবেচনা করা হয় না। ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেবেন ট্রাম্প। তাঁর আশা, সেদিনই দায়িত্ব নেওয়ার পরে অবৈধ অভিবাসনকে জাতীয় জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করবেন। সারা দেশে কঠোর অভিযান পরিচালনা করবেন বলেও জানান তিনি। জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত আমেরিকায় রয়েছেন প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ অবৈধ অভিবাসী। ট্রাম্প (Donald Trump) চান যাঁদের বৈধ স্ট্যাটাস নেই, তাঁদের প্রত্যেককেই বহিষ্কার করা হোক। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় আপনাকে এটি করতে হবে। এটি একটি খুব কঠিন কাজ। আপনি জানেন, এখানে নিয়ম, বিধি, আইন রয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    ড্রিমারদের সুরক্ষা

    তবে ড্রিমার অভিবাসীদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করতে প্রস্তুত হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প  বলেন, “রিপাবলিকানরা ‘ড্রিমার’ অভিবাসীদের সুরক্ষার ধারণাটি বিবেচনা করতে প্রস্তুত। যাদের শৈশবে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছিল, তাদের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।” তিনি বলেন, “যাঁদের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হয়েছে তাঁরা হলেন সেই ব্যক্তিরা যাঁরা ১০ বছর ধরে অনলাইনে কিংবা লাইনে দাঁড়িয়ে দেশটিতে বৈধ উপায়ে আসার চেষ্টা করছেন। আমরা মানুষদের জন্য আসার প্রক্রিয়াকে খুব সহজ করব। তবে তাঁদের অবশ্যই পরীক্ষায় পাস করতে হবে। তাঁদের অবশ্যই বলতে হবে যে স্ট্যাচু অব লিবার্টি কী। তাঁদের আমাদের দেশ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকতে হবে। তাঁদের অবশ্যই আমাদের দেশকে ভালোবাসতে হবে।”

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ট্রাম্পের (Donald Trump) জন্মগত নাগরিকত্বে (Birthright Citizenship) ইতি টানার পরিকল্পনা সহজে বাস্তবায়িত হবে না। এতে তাঁকে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। কারণ এই অধিকারটি মার্কিন (US) সংবিধান স্বীকৃত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বেকায়দায় ইউনূস! ভারতের চাপে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় গ্রেফতার ৭০

    Bangladesh: বেকায়দায় ইউনূস! ভারতের চাপে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় গ্রেফতার ৭০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে উত্তাল বাংলাদেশ। হিন্দুদের ওপর লাগাতার অত্যাচার চলছে। এই ঘটনা নিয়ে সোমবারই তদারকি সরকারের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি। সেখানে, তদারকি সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান আশ্বাস দেন, এ হেন ঘটনা বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার বরদাস্ত করবে না। তার ঠিক পরের দিনই, মঙ্গলবার বাংলাদেশ প্রশাসনের তরফে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। কার্যত ভারতের চাপে নতিস্বীকার করল ইউনূস (Md Yunus) সরকার। আর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনায় হিন্দুদের ওপর যে নির্যাতন হচ্ছিল তা প্রমাণ করে দিল।

    হিন্দু নির্যাতনে কতজন গ্রেফতার? (Bangladesh)

    মঙ্গলবার বাংলাদেশের (Bangladesh) তদারকি সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব মহম্মদ শফিকুল আলম বলেন, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বাংলাদেশে অশান্তির ঘটনায় ৮৮টি মামলা হয়েছে। গত ৫ অগাস্ট থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ৭০ জন। সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগেই এই মামলাগুলি দায়ের হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।” পাশাপাশি, বাংলাদেশের অশান্তির ঘটনা প্রসঙ্গে শফিকুল বলেন, “সুনামগঞ্জে একটি ঘটনা ঘটেছে। কিছু কিছু জায়গায় চট্টগ্রাম, ঢাকার তুরাগ ও নরসিংদীতে ঘটনা ঘটেছে। সেগুলির প্রতিটির তথ্য সাংবাদিকদের দেওয়া হবে। বাংলাদেশে যাঁরা এ ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িত, তাঁদের সবাইকে গ্রেফতার করা হবে। কোনও রাজনৈতিক দলের রং না দেখেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    ভারতের চাপেই ব্যবস্থা!

    অশান্ত বাংলাদেশ। সংখ্যালঘু হিন্দুদের (Bangladesh) ওপর লাগাতার অত্যাচার চলছে। এই আবহেই সোমবার ঢাকায় যান ভারতের বিদেশ সচিব। প্রথমে তিনি বৈঠক করেন বাংলাদেশের বিদেশ সচিব মহম্মদ জসীম উদ্দিনের সঙ্গে। পরে বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিক্রম। তিনটি বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়- যার মূল নির্যাস উভয় পক্ষই সুসম্পর্ক চায়। এ ছাড়াও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগের বিষয়টিও উঠেছিল দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে। বৈঠক শেষে ভারতের বিদেশ সচিব জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং উন্নয়ন নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন তিনি। সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন নিয়ে ভারতের উদ্বেগ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশ সচিব পরে জানান, সে দেশে বসবাসরত সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীন ভাবে নিজেদের ধর্মচর্চা করছেন। এ ব্যাপারে কোনও ধরনের বিভ্রান্তির জায়গা নেই। বাংলাদেশ সরকার এমন ঘটনা কোনও ভাবেই মেনে নেবে না, তা-ও বৈঠকে ভারতের বিদেশ সচিবকে জানানো হয়েছে বলে দাবি করেন জসীম উদ্দিন। তার পরই মঙ্গলবার অশান্তির অভিযোগের পরিসংখ্যান দিল ইউনূস প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: মুজিবের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানও খারিজ! বঙ্গবন্ধুর সব স্মৃতি মুছে ফেলতে মরিয়া ইউনূস

    Bangladesh: মুজিবের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানও খারিজ! বঙ্গবন্ধুর সব স্মৃতি মুছে ফেলতে মরিয়া ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে একে একে বঙ্গবন্ধুর সব স্মৃতি মুছে ফেলা হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে। তাঁর মূর্তিতে পড়েছে হাতুড়ি। কালি লেপে দেওয়া হয়েছে মুজিবুরের ছবিতে। এবার বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান থাকছে না বঙ্গবন্ধুর ‘জয় বাংলা’। এই স্লোগানও খারিজ করল বাংলাদেশের (Bangladesh) সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্টের ২০২০ সালের নির্দেশিকায় স্থগিতাদেশ দিল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।

    ইউনূস সরকারের আবেদনে শিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের! (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে ‘জয় বাংলা’কে বাংলাদেশের (Bangladesh) জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করেছিল হাইকোর্ট। সেই রায় স্থগিত করে দিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মহম্মদ ইউনূসের তত্ত্বাবধানে থাকা অন্তর্বর্তী সরকারের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বাংলা দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের বেঞ্চ এই রায় দেন। ডেইলি স্টার সূত্রে খবর, সরকার পক্ষের হয়ে সওয়াল করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এই আদেশের ফলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান আর বাংলাদেশের জাতীয় হিসেবে বিবেচিত হবে না। অন্যদিকে, বাংলাদেশ তাদের টাকা থেকেও বঙ্গবন্ধুর মুখ সরিয়ে ফেলতে চায়। সেই প্রস্তুতিও সম্পূর্ণ প্রায়। একে একে বদলে যাবে বাংলাদেশের নোটগুলি। বঙ্গবন্ধুর ছবির বদলে সেখানে আসবে জুলাই বিদ্রোহ (২০২৪) এর বিভিন্ন গ্রাফিতি।

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    হাসিনাকে ফেরতের দাবি!

    ভারতের আশ্রয়ে থেকে লাগাতার ভার্চুয়াল সভা করে চলেছেন বাংলাদেশের (Bangladesh) ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামি-সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। রবিবারও পরোক্ষে কামব্যাকের ইঙ্গিত দিয়েই তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘বাংলাদেশের মাটিতেই খুনি মাস্টারমাইন্ড মহম্মদ ইউনূসের বিচার হবে।’’ ঘটনাচক্রে রবিবার রাতেই ইউনূসের প্রেস-সচিব দাবি করেছেন, হাসিনাকে (Sheikh Hasina) ফেরাতে নতুন করে কোমর বাঁধছে ঢাকা। স্রেফ কিছু আইনি প্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করছে বাংলাদেশ সরকার। তাঁর কথায়, ‘‘ভারতের সঙ্গে আমাদের যে প্রত্যপর্ণ চুক্তি রয়েছে, তা বাস্তবায়নে কিছু আইনি প্রক্রিয়া বাকি আছে। তা শেষ হলেই আনুষ্ঠানিক ভাবে হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতকে অ্যাপ্রোচ করা হবে।’’

    সূত্রের দাবি, সোমবার ঢাকা সফররত ভারতীয় বিদেশসচিবের কাছে হাসিনা-প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন ইউনূস সরকারের বিদেশসচিব মহম্মদ জসিম উদ্দিন। কিন্তু হাসিনাকে নিয়ে হঠাৎ এত তৎপর কেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার? ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের দাবি, হাসিনার একের পর এক ভার্চুয়াল ভাষণ হিট হচ্ছে দেখেই চাপে ইউনূস সরকার। খুব সম্ভবত নিজেদের বিপদ আঁচ করে অন্তর্বর্তী সরকারকে নেপথ্যে থেকে উস্কানি দিচ্ছে খালেদা জিয়ার দল বিএনপি। জানা গিয়েছে, রবিবার ঢাকার মৌলবী বাজারে এক আওয়ামি নেতার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। সেখানে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন দুই মহিলা। অভিযোগ উঠেছে, হাসিনার ভাষণ শেষে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল ওই বাড়িতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Syria Conflicts: গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত সিরিয়া, বিশেষ বিমানে দেশে ফেরানো হচ্ছে ৭৫ ভারতীয়কে

    Syria Conflicts: গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত সিরিয়া, বিশেষ বিমানে দেশে ফেরানো হচ্ছে ৭৫ ভারতীয়কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত সিরিয়া (Syria Conflicts)। তাই কর্মসূত্রে সিরিয়ায় থাকা ৭৫ জন ভারতীয়কে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করল বিদেশ মন্ত্রক। মঙ্গলবার রাতে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সিরিয়া থেকে ৭৫ জন ভারতীয়কে নিরাপদে বাণিজ্যিক বিমানে করে দেশে ফেরানো হচ্ছে। সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাস এবং লেবাননের রাজধানী বেইরুটে থাকা ভারতীয় দূতাবাসের যৌথ তৎপরতায় তপ্ত সিরিয়া থেকে তাঁদের বার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।

    লেবানন হয়ে দেশের পথে 

    এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা গৃহযুদ্ধের পর সিরিয়ায় (Syria Conflicts) পতন হয়েছে বাশার আল-আসাদের শাসনের। সিরিয়ার দখল নিয়েছেন বিদ্রোহীরা। পশ্চিম এশিয়ার এই দেশে রাজনৈতিক তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিয়ে উদ্বেগ দানা বাঁধতে শুরু করে। এই আবহে এক বিবৃতিতে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, সিরিয়ার পরিস্থিতির দিকে আগে থেকেই নজর রাখা হচ্ছিল। ইতিমধ্যে ৭৫ জন ভারতীয়কে সিরিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁরা লেবাননে পাড়ি দিয়েছেন এবং বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ভারতে ফিরে আসবেন। উদ্ধার হওয়া ভারতীয়দের মধ্যে রয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের ৪৪ জন বাসিন্দা। তাঁরা সিরিয়ার সাইদা জানাব অঞ্চলে আটকে পড়েছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ উদ্যোগী এনডিএ, ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ বিল পেশ শীতকালীন অধিবেশনেই?

    সতর্ক ভারতীয় দূতাবাস 

    কর্মসূত্রে বহু ভারতীয় সিরিয়ায় বসবাস করেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার (Syria Conflicts) পরিস্থিতি বিবেচনা করে এর আগে গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছিল, যাদের সামর্থ্য রয়েছে তাঁরা এখনই বিমান ধরে সিরিয়া থেকে দেশে ফিরুন। আর যাঁরা এখনই বিমানে করে ফেরার মতো অবস্থায় নেই, তাঁরা নিজেদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে করে প্রতি মুহূর্তে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। ইতিমধ্যেই উতপ্ত পরিস্থিতিতে সিরিয়ায় থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে দামাস্কাসের ভারতীয় দূতাবাস একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে। সেটি এখনও সচল রাখা হয়েছে। প্রবাসী ভারতীয়দের ওই নম্বরের মাধ্যমে দূতাবাসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। হেল্পলাইন নম্বরটি হল (+৯৬৩) ৯৯৩৩৮৫৯৭৩। এই নম্বরে হোয়াটস্‌অ্যাপ করেও দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন সিরিয়ায় থাকা প্রবাসী ভারতীয়রা। যোগাযোগ করা যাবে দামাস্কাসে ভারতীয় দূতাবাসের ইমেলেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Harmeet K Dhillon: টিম ট্রাম্পে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভুত, মানবাধিকার কমিশনের শীর্ষে হরমিত

    Harmeet K Dhillon: টিম ট্রাম্পে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভুত, মানবাধিকার কমিশনের শীর্ষে হরমিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টিমে ফের এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত ললনা। পেশায় আইনজীবী হরমিত কৌর ধিলোঁকে (Harmeet K Dhillon) মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে নির্বাচিত করলেন ট্রাম্প। ধিলোঁ এক বিবৃতিতে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। বলেন, তিনি মার্কিন নাগরিক অধিকার এজেন্ডায় সহায়তা করবেন। এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, “আমি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের নাগরিক অধিকারের জন্য সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে হারমিত কে. ধিলোঁকে মনোনীত করতে পেরে আনন্দিত।” ধিলোঁ ল গ্রুপ এবং সেন্টার ফর আমেরিকান লিবার্টি নামে দুটি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। তাঁকে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের টিমে জায়গা পেলেন মোট চারজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত। 

    হরমিতের জন্ম ভারতে (Harmeet K Dhillon)

    হরমিত কৌর (Harmeet K Dhillon) ধিলোঁর জন্ম ভারতের পঞ্জাবের চণ্ডীগড়ে ১৯৬৯ সালে। একটি পঞ্জাবী শিখ পরিবারে জন্ম তাঁর। হরমিতের বাবা তেজপাল সিং ধিলোঁ মেয়ের শিশুকালেই আমেরিকায় চলে যান। তিনি পেশায় চিকিৎসক। আমেরিকায় নিউইয়র্কে স্কুল শিক্ষা শুরু হলেও হরমিতের পরিবার পরবর্তী কালে উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ায় পাকাপাকিভাবে বসবাস করেন। ডার্টমাউথ কলেজ এবং ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়া ল স্কুলের স্নাতক, এবং ইউএস ফোর্থ সার্কিট কোর্ট অফ আপিলসে কেরানি। হারমিত শিখ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের একজন সম্মানিত সদস্য।

    কী বললেন হরমিত?

    এই বিষয়ে হরমিত কৌর ধিলোঁ  (Harmeet K Dhillon)বলেন, “আমাদের দেশের নাগরিক অধিকার অ্যাজেন্ডাকে সহায়তা করার জন্য রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের মনোনয়নের দ্বারা আমি অত্যন্ত সম্মানিত। আমাদের মহান দেশকে সেবা করতে সক্ষম হওয়া আমার স্বপ্ন ছিল। আমি তাতে অংশ নিতে পেরে খুশি। আমার পরিবারের সকলের সমর্থন রয়েছে। আমার বাবা, স্বামী যাঁরা দেখে যেতে পারলেন না, আমি আশা করি ঈশ্বরের কৃপায় তাঁদের স্মৃতিকে সম্মান করব।” এর আগে ১৬ জুলাই ট্রাম্পের প্রচারের সময়, রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে একটি শিখ প্রার্থনা আরদাস পালন করেছিলেন ধিলোঁ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: চাপে বাংলাদেশ! ভারতের একাধিক প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন, জানালেন ঢাকার উপদেষ্টা

    India Bangladesh Relation: চাপে বাংলাদেশ! ভারতের একাধিক প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন, জানালেন ঢাকার উপদেষ্টা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার প্রসঙ্গে চাপে ঢাকা। ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রির একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation)। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে সংযোগ আরও বাড়ানোর কথা বলেছে বাংলাদেশ। তবে, ভারতের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিষয় হল মানুষ। দুই দেশের মানুষের স্বার্থকেই সামনে রেখে এগোনোর কথা বলেছে দিল্লি। সেক্ষেত্রে পদ্মা পাড়ে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    ভারতের চাপ

    বাংলাদেশে (India Bangladesh Relation) গিয়ে বৈঠক করেছেন ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি। ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বর্তমান একাধিক ইস্যু নিয়ে ভারতের বক্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বর্তমান পরিস্থিতি যে উদ্বেগজনক তা স্পষ্ট ভাবেই ঢাকায় বলে এসেছেন বিদেশ সচিব। তবে বিক্রম মিস্রি ফিরে আসার পর, বাংলাদেশের তরফে ভারতের বিদেশ সচিবের সফরের বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করতে গিয়ে সরকারের উপদেষ্টা জানান, ভারতের তরফে একাধিক বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিষয় তাঁরা জবাব দিয়েছেন। উপদেষ্টার বক্তব্যেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে বৈঠকে ভারতের তরফে চাপ কতটা ছিল। 

    আরও পড়ুন: ‘শুধু ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণ করা যায় না’, ওবিসি মামলায় রাজ্যকে সুপ্রিম-ধাক্কা

    মানুষের স্বার্থেই সু-সম্পর্ক

    গত ৫ অগাস্ট কোটা আন্দোলনের জেরে মসনদ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়ে চলে আসেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাসিনার ভারতে আসার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় বিদেশ সচিব গেলেন ঢাকায়। সোমবার ঝটিকা সফরে ঢাকায় পৌঁছন ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি। সেখানে তিনি বিদেশ সচিব স্তরের বৈঠকের পর বিকেলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন ‘যমুনা’য় মহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করেন। বিদেশমন্ত্রকের তরফে পেশ করা নথিতে বলা হয়েছে, বিক্রম মিস্রি বলেন, ‘‘আমি (বাংলাদেশে) সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের সঙ্গে সম্পর্কিত আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এবং কূটনৈতিক সম্পত্তির উপর হামলার কিছু দুঃখজনক ঘটনা নিয়েও আলোচনা করেছি আমরা।’’ ভারতের তরফে সাফ বার্তায় বলা হয়েছে, ‘‘বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এই সমস্ত বিষয়ে একটি গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি আশা করি এবং আমরা সম্পর্কটিকে ইতিবাচক, দূরদর্শী এবং গঠনমূলক দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করি।’’ অন্যদিকে, ভারতে শেখ হাসিনার উপস্থিতির কথা বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: পণ্য বয়কটের হুমকির এই কি নমুনা! ভারত থেকে ফের ১০০ টন চাল কিনল বাংলাদেশ

    Bangladesh: পণ্য বয়কটের হুমকির এই কি নমুনা! ভারত থেকে ফের ১০০ টন চাল কিনল বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের মাটিতে প্রকাশ্যে ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হচ্ছে। ভারতীয় পণ্য বয়কটের হুমকি দিচ্ছেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, কলকাতা দখলের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ভারত যেন তাদের কাছে চিরশত্রু! অথচ সেই ‘শত্রু দেশের’ কাছেই চাল কিনছে ইউনূস সরকার। বাংলাদেশের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। নেটিজেনরা বাংলাদেশের (Bangladesh) পণ্য বয়কটক করার এই হাল দেখে রীতিমতো কটাক্ষ করছেন। ভারত ছাড়া যে বাংলাদেশিদের মুখে দু’বেলা অন্ন জুটবে না, তা এই চাল কেনার ঘটনায় আরও একবার প্রমাণিত হয়ে গেল বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে।

    ভারত থেকে ১০০ টন চাল গেল বাংলাদেশে (Bangladesh)

    সোমবার ভারতের (Bangladesh) বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রী বাংলাদেশে গিয়েছেন। দু’দেশের বিদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। প্রায় দু’ঘণ্টা বৈঠক হয় তাঁদের। ওই বৈঠকেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মিস্রী। তার আগে রবিবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পার করে ওপার বাংলায় পৌঁছল আরও ১০০ টন চাল। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ অনুসারে, ফুলবাড়ি-বাংলাবান্ধা সীমান্ত হয়ে চারটি চাল বোঝাই ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করে। সম্প্রতি ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েনের প্রভাব যে বাণিজ্যের উপর পড়েনি, রবিবারের ঘটনা সে দিকেই ইঙ্গিত করছে। দিল্লির সাউথ ব্লক থেকে আগেই জানানো হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের খাদ্য উপদেষ্টা আলি ইমাম মজুমদারও রবিবার জানান, ভারত থেকে চাল আমদানি এবং রাজনীতিকে তাঁরা একসঙ্গে দেখছেন না।

    আরও পড়ুন: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    দেড় লক্ষ টন চাল আমদানিতে অনুমোদন!

    ভারত-সহ একাধিক দেশ (Bangladesh) থেকে চাল আমদানির কথা ভাবছে তারা। কোনও একটি দেশের ওপর নির্ভরশীল না থাকতে চাইলেও, ভারত থেকে চাল আমদানি তুলনামূলক ভাবে সাশ্রয়ী বলে মনে করছে ইউনূসের সরকার। তাই মায়ানমার, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম, তাইল্যান্ড-সহ বেশ কিছু দেশ থেকে চাল আমদানির ভাবনাচিন্তা থাকলেও ভারত থেকে চাল আমদানি চালু রাখতে চাইছে বাংলাদেশের খাদ্য মন্ত্রক। ভারত থেকে দেড় লক্ষ টন চাল আমদানিতে অনুমোদন দিয়েছে সে দেশের তদারকি সরকার। এমনকী আলু, পেঁয়াজ কিংবা ডিম আমদানির জন্য বিকল্প দেশের খোঁজ করলেও ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে অক্ষত রাখতে চাইছে তারা। বাংলাদেশের বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনও সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর মতে, বর্তমানের উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য দু’দেশের বাণিজ্যের ওপরেও প্রভাব পড়েছে। গত প্রায় দু-তিন মাস ধরে চলা ‘মন্দা’ বাংলাদেশকে তো প্রভাবিত করছেই, সঙ্গে স্বল্প পরিমাণে হলেও ভারতে প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন তিনি।

    বাংলাদেশ (Bangladesh) আলু, ডিম, পেঁয়াজ, চালের জন্য ভারতের ওপর সত্যি কতটা নির্ভরশীল?

    ভারত-বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানিকারক দেশ। সর্বশেষ অর্থ বছরে ভারত থেকে বাংলাদেশ প্রায় সাড়ে ১১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।

    ডিম

    ভারত থেকে পড়শি দেশে ২ লক্ষ ৩১ হাজার ৪০টি (১৩ হাজার ৯১০ কেজি) মুরগির ডিম রফতানি করা হয় সেপ্টেম্বর মাসেই। আমদানি করা ডিমের দাম পড়েছে ১১ হাজার ২৭২ ডলার। ভারত থেকে আমদানি করার আগে বাংলাদেশে একটি ডিম কিনতে হচ্ছিল পিসপ্রতি ১৫-১৬ টাকায়। আমদানি হওয়ার পর দাম কমে হয় ৭-৮ টাকা প্রতি পিস।

    আলু

    বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের আগে বাংলাদেশ (Bangladesh) কখনও আলু আমদানি করেনি। বরং বাংলাদেশ আলু রফতানি করত। তবে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ভারত থেকে ১৭ লক্ষ ডলারের আলু আমদানি করতে বাধ্য হয় ঢাকা। কারণ ঘরোয়া চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জোগান দিতে পারছিল না।

    পেঁয়াজ

    বাংলাদেশে (Bangladesh) বার্ষিক পেঁয়াজের চাহিদা ২৭-২৮ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে উৎপাদন ছিল ৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন। তবু ভারত থেকে প্রায় ২০ কোটি ডলারের পেঁয়াজ আমদানি করে বাংলাদেশ।

    চাল

    রবিবার চলতি মরশুমে দ্বিতীয় দফায় ভারত থেকে চাল আমদানি করল বাংলাদেশ। ‘প্রথম আলো’ অনুসারে, ২৬ নভেম্বর ৯৯.৯৩ টন চাল বাংলাদেশে গিয়েছে ভারত থেকে। রবিবার আরও ১০০.২২ টন চাল পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশে। ইউনূস সরকারের (Bangladesh) খাদ্য উপদেষ্টা জানান, সে দেশে বর্তমানে ২২ লক্ষ টন চাল মজুত রয়েছে। তবে চাহিদার কথা বিবেচনা করে সেটিকে ৩০ লক্ষ টন পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি। শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বনির্ভর দাবি করলেও তারা ধারাবাহিক ভাবে চাল আমদানি করে। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ভারত থেকে ১৫ কোটি ডলারের চাল আমদানি করে বাংলাদেশ। এর আগের বছরে আমদানির পরিমাণ ছিল ৩১ কোটি ডলার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share