Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Walmart: হিন্দু বিক্ষোভের জের, অন্তর্বাস থেকে ভগবান গণেশের ছবি সরাল ওয়ালমার্ট

    Walmart: হিন্দু বিক্ষোভের জের, অন্তর্বাস থেকে ভগবান গণেশের ছবি সরাল ওয়ালমার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান গণেশের ছবি দিয়ে ৭৪ রকমের অন্তর্বাস তৈরি করার অভিযোগ উঠেছিল ওয়ালমার্টের (Walmart) বিরুদ্ধে। অবশেষে হিন্দুদের ব্যাপক প্রতিবাদের (Hindu protest) জেরে বহুজাতিক এই সংস্থা তাদের তৈরি অন্তর্বাস থেকে গণেশের ছবি সরিয়ে ফেলল। আজ শনিবার ওয়ালমার্ট ডট কমে প্রচুর গ্রাহক গণেশ অন্তর্বাস লিখে সার্চ করেন। তখনই ওয়ালমার্ট থেকে জানানো হয় যে গণেশের ছবি সম্বলিত কোনও সার্চ রেজাল্ট নেই। প্রসঙ্গত, ওয়ালমার্ট এই ধরনের অন্তর্বাস তুলে নেওয়ায় আমেরিকার হিন্দু সমাজের অন্যতম নেতা রাজন জেড এক বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি নিজের বিবৃতিতে বলেন, ‘‘ওয়ালমার্টকে (Walmart) ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই কারণে যে তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাবাবেগকে বুঝেছেন এবং তাঁরা অনুভব করেছেন যে তাঁদের এই জাতীয় পণ্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। যাইহোক আমরা এখনও পর্যন্ত অপেক্ষা করে আছি যে কখন এই কোম্পানি ক্ষমা চাইবে।’’

    এমন ঘটনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভাবাবেগে ব্যাপক আঘাত করেছে

    প্রসঙ্গত রাজন জেড হলেন ইউনিভার্সাল সোসাইটি অফ হিন্দুজিম নামের একটি সংগঠনের সভাপতি। তিনি ওয়ালমার্টকে পরামর্শ দিয়েছেন যে তাদের সিনিয়র এক্সিকিউটিভদের যথেষ্ট প্রশিক্ষণ করাতে। যাতে এ ধরনের ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক ভাবে আঘাত লাগতে পারে এমন বিজ্ঞাপন তারা প্রচার না করে। নিজের বিবৃতিতে রাজন জেড আরও বলেন, ‘‘ভগবান গণেশ হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেবতা। প্রতি বাড়িতে কিংবা মন্দিরে তাঁকে উপাসনা করা হয়। তাই এমন ভগবানকে কখনও অন্তর্বাসে ব্যবহার করা যায় না। বাণিজ্যিক বা অন্যান্য এজেন্ডার জন্য হিন্দু দেবতাদের (Hindu protest) এভাবে ব্যবহার করা ঠিক নয়। এমন ঘটনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভাবাবেগে (Walmart) ব্যাপক আঘাত করেছে।’’

    হিন্দুধর্মকে অযৌক্তিকভাবে ব্যবহার করা উচিত নয়

    রাজন জেড আরও বলেন, ‘‘হিন্দু ধর্ম হল বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীনতম ধর্ম এবং বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধর্ম। একশো কুড়ি কোটি হিন্দু বর্তমানে পৃথিবীতে রয়েছেন। হিন্দু ধর্মের একটি দার্শনিক চিন্তাভাবনা রয়েছে। তাই এই ধর্মকে কখনও অযৌক্তিকভাবে ব্যবহার করা উচিত নয়। যেকোনও ধর্মের প্রতীক বড় হোক বা ছোট, তাকে ভুলভাবে ব্যবহার করা উচিত নয়।’’

    স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে হিন্দুরা, কখনও পবিত্র বিশ্বাসে আঘাত করা ঠিক নয়

    নিজের বিবৃতিতে রাজন জেড আরও বলেন, ‘‘এক দেবতাকে এভাবে টেনে নিচে নামানোর ঘটনায় হিন্দুদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। হিন্দুরা যেকোনো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন। তাঁরা মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিশ্বাস করেন। তাঁরা শিল্পীর স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন। কিন্তু যা কিছু পবিত্র সেখানে আঘাত করা ঠিক নয়।’’

    হিন্দু সংগঠনগুলির প্রতিবাদ

    প্রসঙ্গত ওয়ালমার্টের (Walmart) এমন বিজ্ঞাপন সামনে আসতেই প্রতিবাদ শুরু করে হিন্দু সংগঠনগুলি। ব্রিটেনের হিন্দু সংগঠন ‘ইনসাইড ইউকে’ সঙ্গে সঙ্গে ট্যুইট করে বলে, ‘‘হিন্দু সমাজ অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। হিন্দু দেবতা, হিন্দু অনুভূতি এবং হিন্দুদের ভাবাবেগকে সম্পূর্ণভাবে আঘাত করা হয়েছে।’’

    একইভাবে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে হিন্দু জাগৃতি নামের সংগঠন। তারাও ট্যুইট করে বলে, ‘‘আন্ডারওয়ার বক্সারদের কস্টিউম, মোজা, চপ্পল ইত্যাদিতে ভগবান গণেশের প্রতিকৃতি ব্যবহার করা হয়েছে যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং অসম্মানজনক।’’

    এভাবে হিন্দু দেবতাদের অবজ্ঞা করতে পারবেন না

    অন্যদিকে তথভম-আসি নামের একজন এক্স হ্যান্ডেল ব্যবহারকারী  নিজের এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘‘এভাবে হিন্দু দেবতাদের অবজ্ঞা করতে পারবেন না।’’ প্রসঙ্গত প্রতিটি এক্স হ্যান্ডলে যে ছবিগুলো প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ওয়ালমার্ট (Walmart) প্যান্টি, বিকিনি, মোজা, হাওয়াই চপ্পল এসব কিছুতেই ভগবান গণেশের ছবি ব্যবহার করেছে।

    আগেও দেখা গিয়েছে এমন হিন্দু ফোবিয়া

    তবে বহুজাতিক সংস্থাগুলির এমন হিন্দু ফোবিয়া নতুন কিছু নয়। এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে ‘সাহারা রে সাঁতার’  নামের একটি সংগঠন সাঁতারের পোশাকে হিন্দু দেবদেবীদের ছবি মুদ্রণ করে। এই ব্র্যান্ডের মালিক ছিলেন সাহারা রায়। এর আগে ২০১৯ সালের মে মাসে ম্যাট এবং টয়লেট কভারে পবিত্র হিন্দু দেবদেবীদের ছবি আমাজনে বিক্রি করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: পাকিস্তানে প্রকাশ্যে ভাষণ দিচ্ছে জইশ প্রধান মাসুদ! দ্বিচারিতার অভিযোগ এনে কড়া হুঁশিয়ারি ভারতের

    Pakistan: পাকিস্তানে প্রকাশ্যে ভাষণ দিচ্ছে জইশ প্রধান মাসুদ! দ্বিচারিতার অভিযোগ এনে কড়া হুঁশিয়ারি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের রাস্তায় প্রকাশ্যে ভাষণ দিচ্ছে কান্দাহারে বিমান অপহরণকাণ্ড থেকে সংসদ ভবনে হামলা থেকে পুলওয়ামা হামলার মাথা জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার। সম্প্রতি এমনই কিছু রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে, যা নিয়ে ক্ষুব্ধ ভারত। মাসুদ আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সন্ত্রাসবাদী। তাঁকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জও। ভারতে একাধিক জঙ্গি হামলার নেপথ্যে মাসুদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ। ভারত বরাবরই অভিযোগ করেছে, মাসুদ গা ঢাকা দিয়ে আছে পাকিস্তানে। কিন্তু পাকিস্তান অভিযোগ অস্বীকার করেছে বার বার। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা রিপোর্ট যদি সত্য হয়, তবে তা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পাকিস্তানের (Pakistan) ‘দ্বিচারিতা’ ফাঁস করল বলে মনে করছে নয়াদিল্লি। সেই সঙ্গে মাসুদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবিও জানিয়েছে তারা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Pakistan)

    সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা একটি রিপোর্টে দাবি, পাকিস্তানের (Pakistan) বাহাওয়ালপুর শহরে প্রকাশ্যে ভাষণ দিয়েছে জইশ প্রধান। এছাড়া পাক সরকার তাকে ‘পলাতক’ বলে ঘোষণা করলেও, গত মঙ্গলবার, জইশ পরিচালিত এক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মাসুদ আজহারের একটি বক্তৃতা দেওয়ার ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ১৯২৪ সালে তুর্কি খিলাফতের বিলুপ্তি ঘটেছিল। তার শতবর্ষ উপলক্ষে ওই জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। আজহার সেখানে তার বক্তৃতায় ভারত ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন করে জেহাদি অভিযান শুরুর প্রতিশ্রুতি দেয়। দাবি করে, এর থেকেই বিশ্বব্যাপী একটি নতুন ইসলামী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। খিলাফত পুনরুদ্ধারের জন্য শ্রোতাদের সে তার নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানায়। শ্রোতাদের করতালির মধ্যে, তাকে বারবার চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, ‘ভারত, তোমার মৃত্যু আসন্ন’।

    আরও পড়ুন: এবার বাংলাদেশের স্কুল পাঠ্যবই থেকে বাদ যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর জীবনী!

    মাসুদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানাল ভারত

    বিশ্বের তাবড় তদন্তকারী সংস্থা তাকে খুঁজছে। এই অবস্থায় কী করে পাকিস্তানের (Pakistan) রাস্তায় প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে সে প্রকাশ্যে ভাষণ দিল, সেই প্রশ্ন তুলেছে ভারত। প্রশাসনের মদত ছাড়া তা সম্ভব কি না, তোলা হয়েছে সেই প্রশ্নও। শুক্রবার এ প্রসঙ্গে কড়া বিবৃতি দিয়েছে ভারতের (India) বিদেশ মন্ত্রক। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘‘আমরা ওর (মাসুদের) বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছি। অবিলম্বে ওকে আইনের আওতায় এনে সাজা দেওয়া উচিত। মাসুদ যে পাকিস্তানে আছে, তা বার বার অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ।” জয়সওয়াল আরও বলেন, ‘‘রিপোর্ট যদি সঠিক হয়, তবে তা নিঃসন্দেহে পাকিস্তানের দ্বিচারিতার পর্দাফাঁস করল। মাসুদ ভারতের সীমান্তে একাধিক জঙ্গিহানা ঘটিয়েছে। আমরা তার শাস্তি চাই।”

    মাসুদের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ রয়েছে?

    রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে ২০১৯ সালের মে মাসে মাসুদকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী হিসেবে চিহ্নিত এবং তালিকাভুক্ত করা হয়। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তাকে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ভারত। ১৯৯৯ সালে কান্দাহারের ভারতীয় বিমান অপহরণকাণ্ড থেকে শুরু করে ভারতে ২০০১ সালের সংসদ হানা, ২০১৯ সালে পুলওয়ামা জঙ্গিহানা, ২০১৬ সালের পাঠানকোট হামলা, ২০০১ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা চত্বরে জঙ্গি হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত এই মাসুদ। ১৯৯৪ সালে ভারত তাকে গ্রেফতারও করেছিল। কিন্তু ১৯৯৯ সালে তাকে মুক্ত করতে ভারতের একটি বিমান অপহরণ করা হয়। সেই সময়ে বন্দিদের বাঁচাতে মাসুদকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল নয়াদিল্লি। জেল থেকে বেরিয়ে তিনি জইশ-ই-মহম্মদ নামের জঙ্গিগোষ্ঠী তৈরি করে। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের (Pakistan) প্রাক্তন সামরিক শাসক জেনারেল পারভেজ মুশারফের প্রাণনাশের চেষ্টা করেছিল মাসুদ আজহার। তার পর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Iskcon Temple: এবার ঢাকার ইসকন মন্দিরে আগুন লাগাল মৌলবাদীরা, পুড়ল লক্ষ্মী-নারায়ণের মূর্তি

    Iskcon Temple: এবার ঢাকার ইসকন মন্দিরে আগুন লাগাল মৌলবাদীরা, পুড়ল লক্ষ্মী-নারায়ণের মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া সন্ত্রাস চলছেই বাংলাদেশে। খোদ রাজধানী ঢাকায় ইসকনের (Iskcon Temple) আরও একটি মন্দিরে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠল মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে। পেট্রোল বা অকটেন ব্যবহার করে লক্ষ্মী-নারায়ণের মূর্তি জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন ইসকনের কলকাতা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস। পুরো ঘটনা তুলে ধরে এক্স হ্য়ান্ডলে পোস্টও করেছেন রাধারমণ দাস।

    রাধারমণ দাসের ট্যুইট

    বাংলাদেশে (Bangladesh) ফের ইসকনের মন্দিরে (Iskcon Temple) হামলার অভিযোগ এনে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেছেন কলকাতায় ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমন দাস। তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশে আরও একটি ইসকনের (Iskcon Temple) নামহাট্ট কেন্দ্র পুড়ে গেছে। শ্রী শ্রী লক্ষ্মী নারায়ণ দেবতা এবং মন্দিরের ভিতরের সমস্ত জিনিসপত্র সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে। ইসকনের কেন্দ্রটি ঢাকায় অবস্থিত। ভোর ২-৩টের মধ্যে দুষ্কৃতীরা শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণের মন্দির এবং শ্রী শ্রী মহাভাগ্য লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দিরে অগ্নিসংযোগ করে। তুরাগ থানার আওতাধীন ধৌর গ্রামে অবস্থিত হরে কৃষ্ণ নামহট্ট সঙ্ঘের অধীনে পড়ে এই মন্দিরটি। মন্দিরের পিছনের টিনের ছাদ তুলে পেট্রল বা অকটেন ব্যবহার করে আগুন ধরানো হয়।’’

    সাংবাদিকদের কী বললেন রাধারমণ দাস? 

    বাংলাদেশে ফের ইসকনের (Iskcon Temple) মন্দিরে হামলা নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বিবৃতিতে রাধারমন দাস বলেন, ‘‘রাতে ঢুকে পুড়িয়ে দিয়েছে। রাধা-কৃষ্ণের মূর্তি পুড়িয়ে দিয়েছে। সব জিনিসপত্রে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। চতুর্থ ইসকনের মন্দির ভাঙা হল বাংলাদেশে। ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার দিন রাতেও আমাদের জগন্নাথ মন্দিরে বোমা মেরেছিল। এক সপ্তাহ আগে একটি নামহট্ট মন্দিরে হামলা হয়েছে। তিন চারদিন আগেও ওখানে মন্দিরে ঢুকে ভাঙচুর করেছে। এবার ঢাকায় আরও একটি মন্দিরে ঢুকে আগুন ধরাল। আমাদের ভক্তরা খুব আতঙ্কে আছে বাংলাদেশে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: দুষ্কৃতীদের আখড়া বাংলাদেশ! ১৭৪ জন জঙ্গি মুক্তি পেয়েছে ইউনূসের চার মাসের রাজত্বে

    Bangladesh: দুষ্কৃতীদের আখড়া বাংলাদেশ! ১৭৪ জন জঙ্গি মুক্তি পেয়েছে ইউনূসের চার মাসের রাজত্বে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা সরকারের (Bangladesh) জমানায় ইসলামি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেওয়া হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রক্তক্ষয়ী অভিযান চালিয়ে জঙ্গিদের (Militant) গ্রেফতার করে জেলে ভরেছিল। আর ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর মৌলবাদীদের সঙ্গে জঙ্গিরাও হাত মিলিয়ে সংখ্যালঘু নিধনে নেমেছে। মহিলারা বাজারে বের হতে পারবে না বলে তালিবানি ফতোয়া জারি করছে। এই সরকার ক্ষমতায় আসা থেকেই প্রকাশ্যে মিছিল, মিটিং করছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিজবুল তাহরির বলে অভিযোগ। সরকারের মধ্যেও এই জঙ্গিদের নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর তারপর থেকেই খুন, রাহাজানি, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই এবং অপহরণের ঘটনা রোজই ঘটছে।

     চারমাসে ১৭৪ জন জঙ্গি জামিনে মুক্ত! (Bangladesh)

    ইউনূস সরকার ক্ষমতায় (Bangladesh) আসার পর থেকে অশান্ত বাংলাদেশ। ক্রমাগত আক্রমণ নেমে আসছে হিন্দুদের ওপর। আতঙ্ক এবং অশান্তির মধ্যে জনজীবন বিপর্যস্ত। এই আবহে ব্রিটেন তাদের নাগরিকদের বাংলাদেশ সফরের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে। সুতরাং ওপার বাংলার ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক স্তরে কতটা বাড়ল সেটা এই ঘটনা থেকেই বোঝা যাচ্ছে। এই বিষয়টি মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের ভালো লাগেনি। ব্রিটিশ সরকার যে নির্দেশিকা দিয়েছে তাতে উল্লেখ রয়েছে, “জঙ্গি হামলার আশঙ্কা রয়েছে বাংলাদেশে”। এরপরই ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুককে ডেকে বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানান, বাংলাদেশে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা ভিত্তিহীন। যদিও বাংলাদেশের কারা বিভাগের ডিজি জানান, ৮ অগাস্ট ইউনূস সরকার গঠন হওয়ার পরে চার মাসে ১১ জন শীর্ষস্থানীয় দুষ্কৃতী এবং ১৭৪ জন জঙ্গি জামিনে মুক্তি পেয়েছে। আর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময়ে বিভিন্ন জেল ভেঙে বার করে নেওয়া বন্দিদের মধ্যে অন্তত ৭০০ জন এখনও ধরা পড়েনি। এদের বেশির ভাগই বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্য।

    আরও পড়ুন: এবার বাংলাদেশের স্কুল পাঠ্যবই থেকে বাদ যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর জীবনী!

    পিঠ বাঁচাতে উগ্র ভারত-বিরোধিতা!

    বাংলাদেশের (Bangladesh) এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্তা বলেন, “এই সরকারের আমলে গণতন্ত্রের বদলে মবোক্রেসি চেপে বসেছে। ক্ষোভের প্রকাশ ঘটলে খুনের মামলা দেওয়া থেকে পিটিয়ে মারা হতে পারে বলে মানুষ বুঝতে পেরেছেন। সকলে এখন আতঙ্কিত। একজন নাগরিক হিসেবে আমিও নিজের নামটুকু প্রকাশ করার ঝুঁকি নিতে পারছি না।”  কলকাতায় আওয়ামি লিগের এক নেতা বলছেন, “সংখ্যালঘু নির্যাতন থেকে জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণ বা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে লাগাম টানা- কোনও কাজেই ইউনূস সরকারের উদ্যোগ দেখতে পাচ্ছেন না বাংলাদেশের আমজনতা। এই পরিস্থিতিতে পিঠ বাঁচাতে উগ্র ভারত-বিরোধিতার পুরনো তাস ফের খেলেছে বর্তমান শাসকেরা।”

    জঙ্গিদের হাতে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র

    এই সরকারের (Bangladesh) জমানায় যে সাংবাদিকরাও নিরাপদ নন তার একাধিক প্রমাণ মিলেছে। সাংবাদিক মারধর থেকে শুরু করে সরকারি পরিচয়পত্র এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ হারানো সবই ঘটেছে। গত তিন মাসে ৫০০-র বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে। রাহাজানি, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণের ঘটনাও নৈমিত্তিক। পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনের সময়ে তাদের থানা ও অস্ত্রাগার লুট এবং মোতায়েন পুলিশ ও কারারক্ষীদের হাত থেকে ছিনতাই করা হয়েছিল ৫৮২৯টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং সাড়ে ৬ লক্ষের বেশি গোলাবারুদ। দেড় হাজারের বেশি মারণাস্ত্র ও প্রায় ২ লক্ষ গোলাগুলি এখনও উদ্ধার হয়নি। এর মধ্যে বিশেষ সুরক্ষা বাহিনীর ৩২টি অত্যাধুনিক ভারী অস্ত্রও রয়েছে। গোয়েন্দাদের খবর, এই বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র দুষ্কৃতীদের হাতে চলে গিয়েছে। জঙ্গি শক্তি তাদের কাছ থেকে এই অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ করছে।

    সেনা পাহারায় জঙ্গি নেতাকে মুক্তি!

    ব্লগার হত্যার পাণ্ডা আনসারউল্লা বাংলা টিম (এবিটি)-র শীর্ষ জঙ্গি জসিমুদ্দিন রাহমানিকে ইউনূস সরকার (Bangladesh) মুক্তি দিয়েছে। সেনা পাহারায় হুডখোলা গাড়িতে হাতমাইকে বক্তৃতা দিতে দিতে রাহমানির জেল থেকে বেরিয়ে আসার ছবি বাংলাদেশের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করার সাহস দেখিয়েছিল। ইতিমধ্যেই ইউনূস সরকারের রোষে পড়ে সরকারি পরিচয়পত্র এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ হারানো এক সাংবাদিক বলছেন, “অধিকাংশ মিডিয়া এত বড় খবরটি প্রকাশই করেনি সরকারপক্ষ অসন্তুষ্ট হতে পারে ভেবে। ছবি দেওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না।” এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রকাশ্যে এসে মিছিল-সমাবেশ করছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহরীর। তাদের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়ে সাংবাদিক বৈঠকও করেছে এই জঙ্গি গোষ্ঠীর চাঁইয়েরা। সরকারের মধ্যেও এই জঙ্গিদের একাধিক কর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক, সরব নেটিজেনরা

    ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে বিএনপির (Bangladesh) একাংশ। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভি একটি লাল শাড়িকে ভারতীয় শাড়ি দাবি করে ছুড়ে ফেলে বলেন, “স্ত্রীর কাছ থেকে চেয়ে এনেছি। পুরনো এই ভারতীয় শাড়িটি বয়কট করছি!” এক দল অনুগামী সঙ্গে সঙ্গে শাড়িটি কুড়িয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। রিজভির এই কাণ্ডের ভিডিও নীচে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, “ভারত থেকে চাল-ডাল, তেল, পেঁয়াজ, ডিম, মশলা না-এলে নেতাদের অসুবিধা হয় না। হয় আমাদের। পুরনো শাড়ি পুড়িয়ে বয়কটের নাটক জমছে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বধ্যভূমি বাংলাদেশ! নেত্রকোনায় হামলা কালী মন্দিরে, রাজশাহীতে হিন্দুর জমি জবরদখল

    Bangladesh: বধ্যভূমি বাংলাদেশ! নেত্রকোনায় হামলা কালী মন্দিরে, রাজশাহীতে হিন্দুর জমি জবরদখল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উগ্র জেহাদি মুসলমান (Jehadi Muslim) দুষ্কৃতীদের খপ্পরে বাংলাদেশ (Bangladesh)। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূস এখন হিন্দু শূন্যে লক্ষ্য মাত্রা নিয়ে জেলায় জেলায় হিন্দুদের উপর ব্যাপক অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। ওই দেশে হিন্দু নাগরিকদের মানবাধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার একেবারে নেই বললেই চলে। চট্টগ্রামে হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভুকে মিথ্যা মামালায় গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়িতে চিন্ময়ের সহযোগীর মা চুমকিরানি দাসকে বাড়িতে ঢুকে খুন করা হয়। শুক্রবার, সুনামগঞ্জে লোকনাথ মন্দির ভাঙা হয়। একই ভাবে ওই দিনেই রাজশাহীর সুপ্রিয় সরকার এবং তাঁর বোনের বসত বাড়ি জবর দখল করে জামাতিরা। সেইসঙ্গে নেত্রকোনায় কালী মন্দির ভাঙচুর করেছে মৌলবাদী মুসলিম দুষ্কৃতীরা। দিন যত এগোচ্ছে বাংলাদেশ হিন্দুদের জন্য বধ্যভূমিতে পরিণত হচ্ছে।

    পুড়িয়ে দেওয়া হয় কালী মন্দির (Bangladesh)!

    নেত্রকোনার (Bangladesh) সদর উপজেলার নসিবপুর গ্রামে ১০-১৫টি হিন্দু পরিবার বসবাস করেন। তাঁরা সেখানে কয়েক পুরুষ ধরে সেখানে রয়েছেন। এখানে একটি মা কালীর একটি বিগ্রহ ছিল। মন্দির নির্মাণ করে বহুদিন ধরে মায়ের পুজো করে আসছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার দেখা গিয়েছে মন্দিরের একটা অংশ ভাঙা হয়েছে। মা কালীর মূর্তি ভাঙা হয়েছে। ঠাকুরের চুল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ডাকিনী-যোগিনীর মূর্তিগুলিকেও ভাঙা হয়। অভিযোগ জানিয়ে পুলিশের কাছে গেলে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। একই ভাবে হিন্দু এলাকায় ব্যাপক লুটপাট, ভাঙচুর এবং অত্যাচার চালাচ্ছে মুসলিম দুষ্কৃতীরা (Jehadi Muslim)।

    আমি হিন্দু বলে আমার কোনও জায়গা নেই?

    এক দিকে যেমন সনাতন জাগরণ মঞ্চের এক মহিলা নেত্রীকে বাড়িতে ঢুকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়, ঠিক অপর দিকে উগ্র মুসলমানদের (Jehadi Muslim) আক্রমণের শিকার হয়েছেন (Bangladesh) হিন্দু মহিলারাও। রাজশাহীতে দুই বোন থাকতেন পৈতৃক বাসভবনে। তাঁদের শেষ সম্বল ছিল এই বাড়ি এবং জমি। তাঁদের এই বাড়ি দখল করেছে মুসলমান দুষ্কৃতীরা। দুই বোনকে বেঁধে রেখে বাড়িতে থাকা একাধিক গাছ কেটে নেয় গুন্ডারা। দুই বোন কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘‘ওরা বলেছে, মুসলিম কান্ট্রিতে হিন্দুর কোনও জায়গা নেই। আমি হিন্দু বলে আমার কোনও জায়গা নেই? একবার দখল করেছে। আবার এসেছে দখল করতে। এই দেখ সব মুখ বেঁধে বেঁধে এসেছে। এর আগে আমার মা একা বাড়িতে ছিল। বাড়িতে আমাদের মেরে দিয়ে সব দখল করে নিয়েছে।’’

    লোকনাথ মন্দির ভাঙচুর

    উল্লেখ্য সুনামগঞ্জের (Bangladesh) দোয়ারাবাজারের মংলারগাঁও ও মণিগাঁও পূর্বহাটি গ্রামে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলাকে নিন্দা করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘গত ৩ ডিসেম্বর রাতে হিন্দুদের শতাধিক বাড়ি, দোকান-ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দোয়ারাবাজারে লোকনাথ মন্দিরে আক্রমণ করা হয়েছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে। এই ঘটনায় সংখ্যালঘুরা আতঙ্কিত। অনেকেই ভয়ে সিলেট-সহ অন্যত্র চলে গিয়েছেন।’’ ইতিমধ্যে এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে যথাযথ বিচারবিভাগীয় তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশি মাইনরিটিস নামে একটি সংগঠন। ইউনূস এখন জামাত-বিএনপি-হিজবুল তাহেরির সঙ্গে সরকার চালাচ্ছেন। তাই হিন্দুদের নিয়ে কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই, করছেন না কোনও পদক্ষেপ।

    চূড়ান্ত ভারত-বিদ্বেষীর পথে বাংলাদেশ

    হিন্দু নির্যাতনের খবর যত আসছে, তত আরও খবর আসছে পাকিস্তান (Jehadi Muslim) এবং বাংলাদেশের (Bangladesh) সুমধুর সম্পর্কের। ৫২ সাল পর করাচি বন্দর থেকে সন্দেহজনক জাহাজ চট্টগ্রামে এসেছে। এখন থেকে পাকিস্তানের নাগরিক হলে বাংলাদেশের আসার ভিসা লাগবে না, সারসরি চলবে বিমান পরিষেবা। সেই সঙ্গে একাধিক সামরিক গোপন যুক্ত স্বাক্ষর করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস। আবার ভারতের অসমের ভূমিতে মন্দিরের চূড়া নির্মাণ করলে গুলি করবে বাংলাদেশের সেনা, এমন হুমকি দিয়েছে শুক্রবার। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত বারাবর তুরস্কের ড্রোন মোতায়েন করেছে বাংলাদেশ সেনা। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টারা রোজ হুমকি দিচ্ছেন আমাদের বিজিবি প্রস্তুত। উল্লেখ্য, আসন্ন ১৬ ডিসেম্বর, বিজয় দিবস উপলক্ষে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে বাংলাদেশের সেনা বা মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা ক্ষীণ হচ্ছে ক্রমশ। ফলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের সব সমীকরণ বদলে ফেলতে চাইছে পরিবর্তনের বাংলাদেশ। সঙ্কট যে আরও গভীর হতে চলেছে, তা অনেক বিশেষজ্ঞ মেনে নিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: নেপথ্যে পাক ইন্ধন! সীমান্তে সামরিক প্রস্তুতি বাংলাদেশের, ভারতের কি উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত?

    India Bangladesh Relation: নেপথ্যে পাক ইন্ধন! সীমান্তে সামরিক প্রস্তুতি বাংলাদেশের, ভারতের কি উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে নিষ্ক্রিয় ছিল বাংলাদেশের (India Bangladesh Relation) ঠাকুরগাঁও ও লালমনিরহাট বিমানবন্দর। সম্প্রতি বাংলাদেশ পুনরায় এখানে কাজ শুরু করেছে। এই বিমানবন্দরগুলি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে সংযোগকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিকেন নেক করিডরের কাছাকাছি অবস্থিত। ঠাকুরগাঁও থেকে এই করিডরের দূরত্ব প্রায় ৫২ কিলোমিটার এবং লালমনিরহাট থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। ভারতের পূর্ব সীমান্তে এই দুই বিমানঘাঁটিতে ঢাকা নতুন করে কাজ শুরু করায় দিল্লি এই মুহূর্তে উদ্বিগ্ন না হলেও, নিশ্চিত কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলে অনুমান কূটনৈতিক মহলের।

    চিকেন নেক করিডর-এর কাছে বাংলাদেশের কাজ

    চিকেন নেক করিডর, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে। এর কৌশলগত গুরুত্ব বাংলাদেশে (India Bangladesh Relation) আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বিমানবন্দরগুলোর তৈরি হলে, এই অঞ্চলে সামরিক গতিবিধি সহজ হয়ে উঠতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশ তার সামরিক পরিকাঠামো দ্রুত উন্নত করছে, যা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই সামরিক উদ্যোগ বাংলাদেশের একার নয়। এর পিছনে পাকিস্তানের মদত রয়েছে। পদ্মাপাড়ে পালা বদলের পর পাকিস্তানপন্থী মনোভাব ক্রমশ বাড়ছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত-বিরোধী সামরিক কার্যক্রমের জন্য পাকিস্তান বাংলাদেশকে একটি প্রক্সি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে, বলে অনুমান কূটনীতিকদের।

    ভারতের উন্নত সামরিক শক্তি

    আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল, বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) তার দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর শহর চট্টগ্রামে তুরস্কের তৈরি ড্রোন মোতায়েন করেছে। চট্টগ্রাম ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত থেকে মাত্র ৩৫২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এই বিষয়টির ওপরও তীক্ষ্ণ নজর রেখেছে ভারত। তবে, সামরিক শক্তির তুলনায়, বাংলাদেশ ভারতের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হতে পারবে না। বাংলাদেশে মোট ২,০০,০০০ সক্রিয় সেনা রয়েছে, যা ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের তুলনায় অনেক কম। ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডে ২,০০,০০০ এরও বেশি সেনা রয়েছে। ভারতের বায়ুসেনার উন্নত মিগ ২৭, রাফাল, মিরাজ, সুখোই-৩০ এবং দেশীয় তেজস দেশের আধিপত্য নিশ্চিত করে।

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে স্ত্রীর ভারতীয় শাড়ি পুড়িয়ে বিতর্ক বাড়ালেন কট্টরপন্থী বিএনপি নেতা, নিন্দার ঝড়

    বাংলাদেশের ভারত নির্ভরতা

    বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) যতই ভারত-বিদ্বেষ দেখাক, এখনও ঢাকা ভারতের উপর এককভাবে অনেকটাই নির্ভরশীল। পাট, সিরামিক, সবজি, ওষুধ, অটো পার্টস, চা, কফি, এবং প্লাস্টিক প্রভৃতি ভারত থেকে সরাসরি আমদানি করে বাংলাদেশ। ভারত যদি এই পণ্যগুলি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়, তবে বাংলাদেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই, দুই দেশের মধ্যে কোনও সামরিক সংঘাত বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে, তা ভালোই জানে ঢাকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: এবার বাংলাদেশের স্কুল পাঠ্যবই থেকে বাদ যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর জীবনী!

    Bangladesh: এবার বাংলাদেশের স্কুল পাঠ্যবই থেকে বাদ যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর জীবনী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস জমানায় বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রাথমিক স্কুলের বই থেকে বাদ যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের (Bangabandhu Sheikh Mujibur) জীবনী। সূত্রের খবর, তাঁকে নিয়ে লেখা একটি পদ্য এবং তিনটি গদ্য বাদ দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। অন্যদিকে, তৃতীয় শ্রেণির একটি বই সম্পূর্ণভাবে বাদ যাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর জীবনী। এর পরিবর্তে বাংলাদেশের ৪ নেতার জীবনী যোগ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে রাসেলকে নিয়ে একটি ইংরেজি গদ্য রয়েছে, সেটিও বাদ দেওয়া হচ্ছে পাঠ্যসূচি থেকে।  জানা গিয়েছে, ‘মুজিব মানে মুক্তি’ কবিতাটি বাদ দেওয়া হচ্ছে।

    অগাস্ট মাস থেকেই মুজিবর রহমানের স্মৃতি মুছে ফেলতে পদক্ষেপ শুরু করে ইউনূস সরকার 

    প্রসঙ্গত, গত অগাস্ট মাস থেকেই মুজিবর রহমানের (Bangabandhu Sheikh Mujibur) স্মৃতি মুছে ফেলতে পদক্ষেপ শুরু করে ইউনূস সরকার। ১৫ অগাস্ট তাঁর জন্মদিনে আনুষ্ঠানিক ছুটি বাতিল করে বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার। গত অগাস্ট মাসেই জামাত-বিএনপির সমর্থকরা প্রথমে একের পর এক হাতুড়ির ঘা মেরে, পরে আর্থ মুভার দিয়ে ভেঙে ফেলে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি। বাংলাদেশের ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভেঙে জ্বালিয়ে দেয় মৌলবাদীরা। এবার বাংলাদেশের পাঠ্যবই থেকেও বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার চেষ্টা শুরু করল ইউনূস সরকার। অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর নাম সব জায়গা থেকে মুছে ফেলতে উদ্যোগী ইউনূস সরকার।

    নতুন করে নোটও ছাপছে বাংলাদেশের (Bangladesh) ব্যাঙ্ক

    অন্যদিকে, নতুন করে নোট ছাপছে বাংলাদেশের (Bangladesh) ব্যাঙ্ক। আর সেখানে নেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিও। কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন হাসিনা। এরপরেই তাঁর ভাষণের সম্প্রচার নিষিদ্ধ করে ইউনূস সরকার। অগাস্ট থেকে লাগাতার অত্যাচার চলছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর। এই আবহে এবার পাঠ্যবই থেকে বাদ পড়ল বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা গদ্য-পদ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: প্রকাশ্যে স্ত্রীর ভারতীয় শাড়ি পুড়িয়ে বিতর্ক বাড়ালেন কট্টরপন্থী বিএনপি নেতা, নিন্দার ঝড়

    India Bangladesh Relation: প্রকাশ্যে স্ত্রীর ভারতীয় শাড়ি পুড়িয়ে বিতর্ক বাড়ালেন কট্টরপন্থী বিএনপি নেতা, নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ভারতীয় পণ্য বয়কটের (India Bangladesh Relation) ডাক দিলেন কট্টরপন্থী বিএনপি নেতা রুহুল রিজভি। এই প্রতিবাদ দেখাতে গিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সেক্রেটারি জেনারেল অবিমৃষ্যকারীর মতো স্ত্রীর ভারতীয় শাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিও ভাইরাল হতেই নিন্দার ঝড় উঠেছে আন্তর্জাতিক মহলে। প্রশ্ন উঠছে দুই দেশের ভিন্ন আচরণ নিয়ে। একদিকে বাংলাদেশের হাইকমিশন, ডেপুটি হাইকমিশনের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে ভারত। দুই দেশের বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনার জন্য ঢাকায় যাচ্ছেন ভারতের বিদেশ সচিব। তখনই হঠকারী আচরণ বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান দল বিএনপি-র এক শীর্ষ নেতার।

    ঘটনায় নিন্দার ঝড়

    ভারত যখন বাংলাদেশে (India Bangladesh Relation) হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ঢাকাকে বার্তা দিচ্ছে, তখন বিএনপি নেতা ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দিলেন। স্থানীয় পণ্য ব্যবহার করতে বললেন। সেইসময় একটি লাল শাড়ি দেখিয়ে রিজভি বলেন, “এটি ভারতীয় শাড়ি। আমার স্ত্রীর। তিনি নিজে শাড়িটি আমায় দিয়েছিলেন। আমি আপনাদের সামনে শাড়িটি ছুড়ে ফেলে দিচ্ছি।” অবিমৃষ্যকারীর মতো শাড়িটি ছুড়েও ফেলে দেন তিনি। এরপর দলের কর্মীদের শাড়িটিতে আগুন ধরাতে বলেন। দলীয় কর্মীরাও তাঁর কথা মতো শাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেই ছবি। ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন নেটিজেনরা। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। 

    আরও পড়ুন: সেনার ৫৩তম বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবে না বাংলাদেশ?

    ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়ে রুহুল বলেন, “ভারতের যে শাড়ি বাংলাদেশের মা-বোনেরা কিনতেন, তা আর কেনা হবে না। তিনি বলেন, ভারতের সাবান, টুথপেস্ট কোনও কিছুই কেনা হবে না। পেঁয়াজ প্রসঙ্গে তিনি সুর চড়া করে বলেছেন, ভারতের পেঁয়াজের চাইতে বাংলাদেশে পেঁয়াজের ঝাঁঝ বেশি, ভারতের মরিচের থেকে বাংলাদেশের মরিচের ঝাল বেশি। ভারত যা বলবে, শেখ হাসিনা তা শুনতে পারেন আমরা নই।” বিএনপি নেতার মন্তব্য দুই দেশের মধ্যে বিদ্বেষ বাড়াবে বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Bangladesh: চট্টগ্রামে বাড়িতে ঢুকে হিন্দু মহিলাকে খুন! ছেঁড়া হয় তুলিসীর মালা, চলে দেদার লুটপাট

    Bangladesh: চট্টগ্রামে বাড়িতে ঢুকে হিন্দু মহিলাকে খুন! ছেঁড়া হয় তুলিসীর মালা, চলে দেদার লুটপাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাগাতার বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নিধন অব্যাহত। এবার চট্টগ্রামের খাগড়াছড়িতে এক হিন্দু মহিলাকে (Hindu woman) নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে মৃত মহিলা চিন্ময় প্রভুর সনাতন জাগরণ মঞ্চের সদস্যা ছিলেন। জামাত, বিএনপি, হিজবুল তাহেরির, ছাত্র শিবির, ইউনূস প্রশাসন এবং সেনা বাহিনী একযোগে অত্যাচার, খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নি সংযোগ, মন্দির ভাঙা ইত্যাদিতে যে প্রত্যক্ষ নেতৃত্ব দিচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এক কথায় পাকিস্তানের মতো এবার বাংলাদেশকে হিন্দু শূন্যের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এলাকায়।

    সনাতন জাগরণ মঞ্চের সদস্য ছিলেন (Bangladesh)

    গত বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর রাতে চট্টগ্রাম (Bangladesh) বিভাগের খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার নিজের বাড়িতে চুমকিরানি দাস নামে এক হিন্দু মহিলাকে (Hindu woman) নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর ছেলের নাম প্রান্ত দাস। তিনি খাগড়াছড়ির সনাতন জাগরণ মঞ্চের অন্যতম আহ্বায়ক। তাঁকেও খুব মারধর করা হয়। প্রথমে দুষ্কৃতীরা ঘরে ঢুকে মাথায় আঘাত করে চুমকিকে। এরপর একে একে শরীর থেকে গয়না খুলে নেওয়া হয়। গলায় থাকা তুলিসীর মালা পর্যন্ত ছিঁড়ে ফেলা হয়। ঘরের টাকা পয়সা লুট করে নেওয়া হয়। আরও জানা গিয়েছে, তিনি সনাতন জাগরণ মঞ্চের সদস্য হিসেবে হিন্দু অস্তিত্ব রক্ষার দাবি তুলেছিলেন। তিনি বাংলাদেশে হিন্দু ধর্ম এবং সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে ইউনূস প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায়ও নেমেছিলেন। তবে হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময় কৃষ্ণদাসকে গ্রেফতার করার পর থেকেই প্রতিবাদীদের নানা ভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। এবার শিকার হলেন চুমকি।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে তুরস্কের ড্রোন মোতায়েন করল বাংলাদেশ, সতর্ক ভারত

    লাগাতার হিন্দু নিধন চলছেই

    জানা গিয়েছে, আগে সামাজিক মাধ্যমেও বেশ কয়েকবার হুমকি দেওয়া হয়েছিল চুমকি দেবীকে। হিন্দু সংগঠনের সব রকম কর্মকাণ্ডকে প্রশাসনিক ভাবে যেমন কঠোর ভাবে দমন করা হচ্ছে, একই ভাবে কট্টর মুসলমান মৌলবাদীরা প্রকাশ্যে হিন্দু নিধনের কর্মযজ্ঞকেও নেতৃত্ব দিচ্ছে। অপর দিকে শান্তির জন্য নোবেল প্রাপক মহম্মদ ইউনূস হিংসাকে প্রশ্রয় দিয়ে উৎসাহদানের কাজ করছেন। মিথ্যা মামলা দিয়ে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের আইনজীবীদের পর্যন্ত আদালতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। চলছে লাগাতার খুন-ধর্ষণ। এক কথায় মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। 

    উল্লেখ্য মাত্র কিছু দিন আগেই খাগড়াছড়িতে (Bangladesh) মৌলবাদীরা আক্রমণ করে বৌদ্ধ চাকমা এবং হিন্দু ত্রিপুরী সম্প্রদায়ের উপর হামলা করেছিল। সেখানে দুষ্কৃতীরা ২০০টির বেশি দোকান, বাড়ি, মঠ, মন্দির পুড়িয়ে দিয়েছিল। একই ভাবে ওই অঞ্চলের সংখ্যালঘু ৩ জন বৌদ্ধকে খুনের ঘটনাও ঘটেছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ইসলামাবাদের জন্য অবাধ বাংলাদেশ! পাকিস্তানি হলেই মিলবে ভিসা, নয়া নির্দেশিকা ইউনূসের

    Bangladesh: ইসলামাবাদের জন্য অবাধ বাংলাদেশ! পাকিস্তানি হলেই মিলবে ভিসা, নয়া নির্দেশিকা ইউনূসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাগাতার অত্যাচারে চালিয়ে বাংলাদেশকে (Bangladesh) হিন্দুশূন্য করার ছক কষছে মৌলবাদীরা। এই আবহের মধ্যে পাক নাগরিকদের সহজে ভিসা দেওয়ার উদ্যোগ নিল ইউনূস প্রশাসন। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সিকিউরিটি সার্ভিস ডিভিশন থেকে বিদেশ মন্ত্রকের কাছে চিঠি দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছে, বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে থাকা পাকিস্তানের নাগরিক ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূতরাও যাতে সহজে বাংলাদেশের ভিসা পান, তা নিশ্চিত করতে হবে।

    ঢাকা পাক জঙ্গিদের আখড়া! (Bangladesh)

    ইউনূসের এই নির্দেশিকা সমস্ত বাংলাদেশি (Bangladesh) দূতাবাস এবং ডেপুটি হাই কমিশনগুলির জন্যও জারি করা হয়েছে। পাকিস্তানিরা যাতে অনায়াসে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই ঢাকার এই পদক্ষেপ। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। ইউনূস সরকারের এই পদক্ষেপে বাংলাদেশ ফের পাক জঙ্গিদের আখড়া হয়ে উঠবে, আশঙ্কা দিল্লির। বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের অপসারণের পর থেকেই প্রভাব বিস্তার করতে মরিয়া পাকিস্তান। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব বাড়াতে শুরু করেছেন ইউনূসও। ১৯৭১ সালের পর করাচি থেকে পণ্যবাহী জাহাজ বাংলাদেশে আসেনি। সম্প্রতি করাচি থেকে চট্টগ্রামে এসেছে একটি পণ্যবাহী জাহাজ। পাকিস্তানের সঙ্গে কতটা ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে বাংলাদেশের, এতেই তা স্পষ্ট।

    এছাড়া, গত কয়েক মাস ধরে খালেদা জিয়ার বিএনপি’র সঙ্গেও বন্ধুত্ব বাড়াতে শুরু করেছে পাকিস্তান। সম্প্রতি বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ আহমেদ মারুফ। দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছেন তাঁরা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, খালেদা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বাংলাদেশ যেভাবে পাক জঙ্গিদের আখড়া হয়ে উঠেছিল, সেই দিন কি আবার ফিরে আসছে? সব মিলিয়ে এটা পরিষ্কার, বাংলাদেশজুড়ে যে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটাকে কাজে লাগিয়ে ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছে ইসলামাবাদ।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    কূটনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস হলেও, তাঁর হাত-পা বাঁধা রয়েছে জামাত-ই-ইসলাম, হেফাজতে ইসলামের মতো মৌলবাদী দলগুলির হাতে। এই মৌলবাদী দলগুলি দীর্ঘদিন ধরে মদত দিয়ে আসছে পাকিস্তানকে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে ঢাকা-ইসলামাবাদের সম্পর্ক যেভাবে গভীর হতে শুরু করেছে, তাতে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এটা পরিষ্কার, বাংলাদেশের মাটিকে কাজে লাগিয়ে ভারতকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করবে পাকিস্তান। একই ভাবে সেই চেষ্টা করতে পারে চিনও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share