Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Wikipedia: ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সমর্থনে ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াকে, দাবি মার্কিন সংস্থার

    Wikipedia: ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সমর্থনে ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াকে, দাবি মার্কিন সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সমর্থনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াকে (Wikipedia), এমনই গুরুতর অভিযোগ আনল মার্কিন দেশের একটি সংবাদ সংস্থা পাইরেট ওয়্যারস। মার্কিন দেশের ঐ সংস্থার দাবি হামাসপন্থী এবং হিজবুল্লাপন্থী সাংবাদিকদের ব্যবহার করা হচ্ছে প্যালেস্তাইন-ইজরায়েল যুদ্ধকে বিকৃত করে উপস্থাপন করার কাজে। শুধু তাই নয়, ইহুদিদের বিরুদ্ধে লাগাতার ঘৃণার প্রচারও চালাচ্ছে ওই সাংবাদিকরা। পাইরেট ওয়্যারসের (Pirate Wires) আরও দাবি, অন্তত ৪০ জন হামাস ও হিজবুল্লাপন্থী সাংবাদিককে এভাবেই ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াতে তথ্য বিকৃত করার কাজে।

    ইহুদি বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে (Wikipedia) 

    গত বছরের সাত অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে থাকা ধারণাকে (Wikipedia) পরিবর্তন  করতেই তারা এই কাজ করছে। অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে তারা হামাস ও হিজবুল্লাকে হিরো বানিয়ে, ইজরায়েলকে ভিলেন বানাতে চাইছে। অনলাইন যুদ্ধে এভাবেই তারা ইহুদি বিরোধী একটা মহল তৈরি করতে চাইছে।

    ২০ লক্ষ বার সম্পাদনা (Wikipedia) করা হয়েছে বিভিন্ন আর্টিকেল 

    পাইরেট ওয়্যারস (Pirate Wires) আরও জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত দশ হাজারেরও বেশি বিভিন্ন ধরনের প্রবন্ধে প্রায় কুড়ি লক্ষবার সম্পাদনা করা হয়েছে এবং প্রতিক্ষেত্রেই হামাস এবং হিজবুল্লার সমর্থনে কথা বলা হয়েছে। প্রতিবারই ইহুদিদের বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আরও তথ্য উঠে এসেছে, টেক ফর প্যালেস্টাইন নামের একটি ৮,০০০ সদস্যের ডিসকর্ড গ্রুপ এভাবেই অনলাইন যুদ্ধ চালাচ্ছে। পাইরেট ওয়্যারসের মতে, ‘নাবলেজি’ নামে একজন টিএফপি সদস্য হিজবুল্লার সমর্থক বলেই নিজের পরিচয় দেন। তিনি অসংখ্যবার হামাস-হিজবুল্লা বিরোধী লেখা মুছে সেখানে ইহুদি বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন বলে অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Iran: ইরানে হিজাবের বিরুদ্ধে পোশাক খুলে অন্তর্বাস পরে বিক্ষোভ তরুণীর, শোরগোল মধ্যপ্রাচ্যে

    Iran: ইরানে হিজাবের বিরুদ্ধে পোশাক খুলে অন্তর্বাস পরে বিক্ষোভ তরুণীর, শোরগোল মধ্যপ্রাচ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসালামি রাষ্ট্রের কঠোর পোশাকবিধির (Against Hijab) প্রতিবাদে ইরানের (Iran) বিশ্ববিদ্যালয়ে এক তরুণী নিজের পোশাক খুলে অন্তর্বাস পরে বিক্ষোভ দেখান। ইরানের ইসলামি আজাদ ইউনিভার্সিটির মুখপাত্র আমির মাহজব সামজিক মাধ্যমে এক্স হ্যান্ডলে বলেছেন, “পুলিশ স্টেশনে দেখা গিয়েছে মহিলা গুরুতর মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। তিনি একপ্রকার মানসিক ব্যাধির মধ্যে রয়েছেন।” তবে এই ভাবে কট্টর পোশাকবিধিকে উপেক্ষা করে সরাসরি আন্দোলনে নামায় মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। যদিও ওই দেশে হিজাবের বিরুদ্ধে আগেও মহিলা সমাজ আন্দোলনে নেমেছিলেন।

    তরুণীকে মানসিক বিকারগ্রস্থ (Iran)?

    সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট ইতিমধ্যে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, শনিবার ইসলামি কট্টর পোশাকবিধিকে (Against Hijab) অমান্য করে ইরানের (Iran) ইসালামিক আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক তরুণী বিক্ষোভ ঘোষণা করেছেন। তাঁকে নিজের জামা খুলে অন্তর্বাস পরে ক্যাম্পাসে হেঁটে প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তরক্ষীরা তাঁকে আটক করে। সামজিক মাধ্যমে অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ওই তরুণীকে মানসিক বিকারগ্রস্থ বলে বিবৃতি জারি করেছে।

    পোশাক বিধির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ

    অপর দিকে ইরানের (Iran) এক নেট নাগরিক লেই লা বলেছেন, “ওঁই তরুণীর এই জামাকাপড় খোলার পদক্ষেপটি একটি ইচ্ছাকৃত প্রতিবাদ। মেয়েদের যেরকম বাধ্যতামূলক ভাবে হিসাব পরার বিধি আরোপ করা হয়েছে, এটা সেই পোশাকবিধির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। অধিকাংশ নারীর জন্য এই বিধি ব্যক্তি স্বাধীনতার পরিপন্থী। একজন নারীর অন্তর্বাস খোলার মধ্যে দিয়ে সামজের সকল নারীর মনের কথাকে ঐ তরুণী তুলে ধরেছেন।” উল্লেখ্য মহিলার পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে মহিলাকে গুরুতর মানসিক বিকারগ্রস্থ বলা হয়েছে। আপাতত তদন্ত শুরু হয়েছে। খুব সম্ভবত একটি মানসিক হাসপাতলে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ সাইবার হামলার হুমকি দিচ্ছে ভারত! ফের এক নতুন অভিযোগ কানাডার, কী প্রতিক্রিয়া দিল্লির?

    ২০২২ সালের কুর্দি নামক এক মহিলার মৃত্য হয়েছিল

    উল্লেখ্য ইরানে (Iran) মেয়েদের পোশাকবিধিতে (Against Hijab) হিজাব পরার বাধ্যতামূলক নিয়মভঙ্গের কারণে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে কুর্দি নামক এক মহিলার মৃত্য হয়। আশ্চর্যজনক ভাবে যখন মৃত্যু হয়েছিল, তখন তিনি ইরান পুলিশের হেফাজতে ছিলেন। সাধারণ মানুষের দাবি, হিজাব পরার বিরোধিতা করায় তাঁকে খুন করা হয়েছিল। এরপর দেশব্যাপি নারী সমাজ গর্জে ওঠে, হিজাব, বোরখার মতো পর্দা প্রথার বিরুদ্ধে ইরানের মহিলা সমাজ বিরাট আন্দোলনে নামে। ঐ দেশ এবং একাধিক ইসলামি রাষ্ট্রের মহিলারা ইরানের নারী মুক্তির আন্দোলনে সামিল হন। প্রতিবাদের মূল ভাষাই ছিল মাথার চুল কেটে কট্টর মৌলবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Canada: সাইবার হামলার হুমকি দিচ্ছে ভারত! ফের এক নতুন অভিযোগ কানাডার, কী প্রতিক্রিয়া দিল্লির?

    Canada: সাইবার হামলার হুমকি দিচ্ছে ভারত! ফের এক নতুন অভিযোগ কানাডার, কী প্রতিক্রিয়া দিল্লির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চড়ছে ভারত-কানাডা কূটনৈতিক সম্পর্ক। কানাডায় সাইবার হামলার হুমকি দিচ্ছে ভারত। এমনই দাবি কানাডার সাইবার সিকিউরিটি সংস্থার। কানাডার সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার দ্বারা প্রস্তুত করা “ন্যাশনাল সাইবার থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট ২০২৫-২০২৬” প্রতিবেদনে ভারতকে “রাষ্ট্রীয় প্রতিপক্ষদের সাইবার হুমকি” শীর্ষক অংশে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অন্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে চিন, রাশিয়া, ইরান এবং উত্তর কোরিয়া।

    কানাডার অভিযোগ

    ভারত নাকি সাইবার প্রযুক্তি ব্যবহার করে কানাডায় বসবাসকারী খলিস্তানিদের চিহ্নিত করছে। সম্প্রতি এমনই দাবি করেছে কানাডার গুপ্তচর সংস্থা। এই আবহে ভারতকে সাইবার প্রযুক্তি ব্যবহার করে খলিস্তানিদের ‘ট্র্যাক’ করতে বারণ করেছে কানাডা সরকার। এর আগে কানাডা সরকার দাবি করেছিল, ভ্যানকুভারে শিখদের ওপর হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন ভারতের এক শীর্ষকর্তা। আর এবার ভারতের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ সংগঠিত করার অভিযোগ করল কানাডা। প্রসঙ্গত, কানাডার কমিউনিকেশনস সিকিউরিটি এস্ট্যাবলিশমেন্ট সম্প্রতি বলে, বিদেশে বসবাসকারী বিক্ষুব্ধদের ওপর নজরদারি চালাচ্ছে ভারত। এদিকে কানাডার সরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর সাইবার হামলাও নাকি করছে ভারত। 

    আরও পড়ুন: উপত্যকায় দফায় দফায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ! অনন্তনাগে নিহত ২ জঙ্গি, শ্রীনগরে চলছে অভিযান

    অভিযোগ অস্বীকার দিল্লির

    উল্লেখ্য, ভ্যানকুভারেই ২০২৩ সালে খুন হয়েছিল খলিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর। হরদীপ সিং নিজ্জর খুনের ঘটনায় প্রথম থেকেই ভারতের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে আসছে কানাডা। তবে দিল্লিও দাবি করে এসেছে, এই মামলায় দিল্লির হাতে কোনও প্রমাণ তুলে দেয়নি জাস্টিন ট্রুডোর সরকার। এবার কানাডা সরকারের নতুন অভিযোগ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ সাইবার কর্মসূচি তৈরি করছে যা কানাডার জন্য ভিন্নমাত্রার হুমকি উপস্থাপন করছে। কানাডার সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার-এর দাবি, ভারত তার জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য সাইবার কর্মসূচি ব্যবহার করে, যার মধ্যে গোপন তথ্য সংগ্রহ, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম এবং ভারতের বৈশ্বিক অবস্থান উন্নীত করার প্রচেষ্টা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর জন্য ভারত এমন এক জাল বিস্তার করেছে যা কানাডাবাসীর পক্ষে ঠিক নয়। এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে দিল্লি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: গেরুয়া নিশান ওড়ানোয় দেশদ্রোহিতার অভিযোগ বাংলাদেশের ১৮ হিন্দুর বিরুদ্ধে

    Bangladesh Crisis: গেরুয়া নিশান ওড়ানোয় দেশদ্রোহিতার অভিযোগ বাংলাদেশের ১৮ হিন্দুর বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাধ বলতে হিন্দুত্বের নিশান উড়িয়েছিলেন। গেরুয়া এই পতাকা ওড়ালে যে ‘সোনার বাংলা’য় (!) দেশদ্রোহিতার অভিযোগে (Sedition Case) অভিযুক্ত হতে হবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি বাংলাদেশের কয়েকজন হিন্দু। মুসলমান অধ্যুষিত দেশে হিন্দুত্বের ধ্বজা ওড়ানোয় ১৮ জনের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা ঠুকে দেওয়া হয়েছে (Bangladesh Crisis)।

    হিন্দুদের টার্গেট করা হচ্ছে (Bangladesh Crisis)

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, মহম্মদ ইউনূস জমানায় বেছে বেছে হিন্দুদের টার্গেট করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট তথা প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্পও। বাংলাদেশের ওই ঘটনায় ইতিমধ্যেই দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন চট্টগ্রামে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য আইন ও ট্রাইব্যুনালের দাবি জানিয়ে বিশাল সমাবেশ করেছে। তার পরে পরেই দায়ের হয়েছে দেশদ্রোহিতার মামলা। এই দাবিটি ছাড়াও আরও সাত দফা দাবি ছিল হিন্দুদের।

    ‘সনাতন জাগরণ মঞ্চে’র ব্যানারে সমাবেশ

    সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল ‘সনাতন জাগরণ মঞ্চে’র ব্যানারে। প্রথমে সমাবেশে বাধা দেয় পুলিশ। পরে অবশ্য সফলভাবেই শেষ হয় সমাবেশ। এর পরেই ১৮ জনের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা ঠুকে দেওয়া হয়। যদিও সনাতন জাগরণ মঞ্চের দাবি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বুধবার মামলা রুজু হওয়ার পর মঞ্চের পক্ষ থেকে চেরাগি পাহাড় মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। সেই সঙ্গে শুক্রবার, ১ নভেম্বর দেশের ৬৪টি জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশের ডাকও দেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: “ছেলে কাঁদে কতক্ষণ? যতক্ষণ না স্তন পান করতে পায়, তারপরই কান্না বন্ধ হয়ে যায়”

    দেশদ্রোহিতার অভিযোগ

    দেশদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযু্ক্ত পুণ্ডরীক ধামের সভাপতি চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের একটি অংশ আট দফা দাবি তুলে ধরে এটিকে আওয়ামি লীগ ও ভারত সরকারের সমর্থনপুষ্ট হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে (Bangladesh Crisis)।” তিনি বলেন, “এই প্রতিবাদগুলি রাজনৈতিক নয়, বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধেও নয়।” কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী জানান, প্রশাসনের ওপর সংখ্যালঘু অধিকার সংরক্ষণের কাজে চাপ সৃষ্টি করতেই এই প্রতিবাদ আন্দোলন। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক মনোভাব চিরকালই প্রবল। ১৯৫১ সালে, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ২২ শতাংশ। এখন সেটাই নেমে এসেছে ৮ শতাংশের নীচে। হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬৪ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে ১ কোটি ১০ লাখের বেশি হিন্দু বাংলাদেশ (Sedition Case) ছেড়ে চলে গিয়েছে।

    যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে

    যে ১৮ জনের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ তোলা হয়েছে, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় সেই মামলা দায়ের করেন জনৈক ফিরোজ খান। বাংলাদেশের ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি অনুযায়ী, রাষ্ট্রদ্রোহের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, মাথায় গেরুয়া ফেট্টি বাঁধা একদল লোক চট্টগ্রামের নিউ মার্কেট এলাকায় জিরো পেয়েন্টে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার পাশে একটি গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করছে। তার জেরেই দায়ের হয়েছে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা। কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী বলেন, “ওই গেরুয়া পতাকা তোলার সঙ্গে সনাতনী সংগঠনগুলির কোনও সম্পর্ক ছিল না। ঘটনাটি লালদিঘির প্রতিবাদস্থল থেকে ২ কিমি দূরে ঘটেছিল।” তিনি বলেন, “আমি কোনওভাবেই ওই মামলার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। ঘটনাটার সময় আমি স্থানীয় বিএনপি অফিসে ছিলাম।”

    মামলা প্রত্যাহারের দাবি

    চট্টগ্রামের পুণ্ডরীক ধাম বাংলাদেশে হিন্দুদের দুটি পবিত্র তীর্থস্থানের একটি। কৃষ্ণ দাস সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্রও। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা ৩১ অক্টোবর রাতে দায়ের করেন বিএনপি-র এক স্থানীয় নেতা। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এ বিষয়ে অবগত ছিলেন না। আমি শুনেছি যে আমায় গ্রেফতার করা হবে। তবে সারা বাংলাদেশে প্রতিবাদ আন্দোলন চলায় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হচ্ছে। তাই গ্রেফতারিটা বিলম্বিত হতে পারে (Bangladesh Crisis)।”

    ত্রুটিপূর্ণ মামলা

    বাংলাদেশের এই হিন্দু নেতার মতে, মামলাটি অনেক দিক থেকেই ত্রুটিপূর্ণ। তিনি বলেন, “প্রথমত, যে পতাকাটিকে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বলা হচ্ছে, তাতে চার কোণায় চারটি চাঁদ ও তারা আঁকা রয়েছে। এটি একটি ইসলামপন্থী পতাকা। দ্বিতীয়ত, যেটিকে জাতীয় পতাকা বলা হচ্ছে, তা পতাকা উত্তোলন সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘন করেই ওড়ানো হয়েছিল। তৃতীয়ত, গেরুয়া পতাকাগুলি আলাদা খুঁটিতে উত্তোলন করা হয়েছিল।” বাংলাদেশের হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, সমাবেশে ব্যাপক ভিড় দেখেই প্রশাসনের একাংশ ও উগ্র ইসলামপন্থী দলগুলি অপপ্রচার শুরু করে। কৃষ্ণ দাস বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু সংগঠনগুলি তাদের কার্যক্রম শুরু করেছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে।”

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে সরব হয়েছেন ট্রাম্পও। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, “বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য (Sedition Case) সংখ্যালঘুদের ওপর গণহিংসা ও লুটপাটের ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। পুরো দেশটি এক ধরনের বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে (Bangladesh Crisis)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Sukanta Majumdar: স্যুটেড অ্যান্ড বুটেড! পাজামা-পাঞ্জাবি ছেড়ে ব্রাজিলে নতুন লুকে সুকান্ত‌ মজুমদার

    Sukanta Majumdar: স্যুটেড অ্যান্ড বুটেড! পাজামা-পাঞ্জাবি ছেড়ে ব্রাজিলে নতুন লুকে সুকান্ত‌ মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্যুট-টাই পরে‌ বিদেশের মাটিতে নতুন রূপে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সুকান্ত মজুমদারের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের পেজে বৃহস্পতিবার এরকম একাধিক ছবি ও ভিডিও সামনে এসেছে। পাজামার সঙ্গে ধবধবে সাদা আবার কখনওবা হরেকরকম পাঞ্জাবির সঙ্গে তাঁর নিত্যসঙ্গী থাকে উত্তরীয়। এই বেশেই তাঁকে দেখতে অভ্যস্ত বাংলার মানুষ। কিন্তু জি২০ সম্মেলনে বিদেশের মাটিতে ভারত সরকারের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাওয়া সুকান্ত এখন অন্য সাজে।

    চেনা ছকের বাইরে

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) দেখা যাচ্ছে, কখনও ব্রাজিলের ফোর্টালেজায় জি ২০ অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রগুলির শিক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে সৌদি আরবের শিক্ষামন্ত্রী ইউসুফ আল বেনিয়ার সঙ্গে। আবার কখনও অন্য কারোর সঙ্গে। বৈঠকের পর স্যুট- টাই পরা অবস্থায় একসাথে সকলের সঙ্গে ছবিও তুলেছেন তিনি। বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এগিয়ে চলা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির বিষয়গুলির মধ্যে দিয়ে জাতীয় শিক্ষানীতির বিষয় সম্পর্কে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বক্তব্য রাখেন সুকান্ত। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিন সুকান্ত মজুমদারকে দেখা যায় একেবারে বাঙালি বেশে ধুতি পাঞ্জাবি পরে শপথ নিতে। দিল্লিতে তাঁর দফতর হোক বা বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও পাজামা পাঞ্জাবি‌ পরতেই দেখা যায় সুকান্ত মজুমদারকে। সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে কিম্বা অধ্যাপনা করার সময়‌ শার্ট- প্যান্ট বেশির ভাগ সময় তাঁর পরনে থাকলেও পুরোদস্তুর রাজনীতিতে পা রাখার পর থেকেই পাজামা পাঞ্জাবি আর জহর কোটেই সুকান্ত মজুমদারকে এখন বেশি দেখা যায়।

    ব্রাজিলে (Brazil) অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্তরে শিক্ষা মন্ত্রীদের জি২০ বৈঠকে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন বাংলা থেকে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।‌‌ সেখানেই ‘নিউ লুক’ সুকান্তর। ঘনিষ্ঠ মহলে সুকান্ত মজুমদার বার বারই বলে থাকেন‌ যে, সাধারণ বাঙালি বেশেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তবে পরিস্থিতির কারণে কখনও কখনও নিজেকে ‘পরিবর্তন’ করতেই হয়। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় সুকান্ত মজুমদার লিখেছেন, ‘‘ব্রাজিলের ফোর্টালেজায় অনুষ্ঠিত শিক্ষামন্ত্রীদের সম্মেলনে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত বোধ করছি। বৈঠকে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এগিয়ে চলা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির বিষয়গুলির মধ্যে দিয়ে জাতীয় শিক্ষানীতির (NEP) বিষয় সম্পর্কে উপস্থাপন করলাম।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hezbollah: ইজরায়েলে রকেট হামলা লেবাননের, নিহত ৭, ‘হিজবুল্লা যেন প্রস্তুত থাকে’, হুঁশিয়ারি ইহুদি দেশের

    Hezbollah: ইজরায়েলে রকেট হামলা লেবাননের, নিহত ৭, ‘হিজবুল্লা যেন প্রস্তুত থাকে’, হুঁশিয়ারি ইহুদি দেশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর পর রকেট হামলা ইজরায়েলে (Israel)। হামলার জেরে মৃত সাতজন নিরীহ নাগরিক। জানা গিয়েছে, লেবানন থেকে উত্তর ইজরায়েল লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। হামলার অভিযোগ উঠেছে জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লার (Hezbollah) বিরুদ্ধে। হামলায় নিহতদের মধ্যে চার জন বিদেশিও রয়েছেন খবর। হামলার পরেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইজরায়েলও। ইহুদি দেশের দাবি, হিজবুল্লা তাদের (Hezbollah) প্রতিটি হামলার যোগ্য জবাব পাবে।

    ২৫টি রকেট হামলা

    ইজরায়েল সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করেই ২৫টি রকেট হামলা চালানো হয় লেবানন থেকে। হামলার সময়ই সেখানকার জলপাইয়ের বাগানে কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। সেই হামলায় মৃত্যু হয় সাত জনের। প্রসঙ্গত, গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে লেবানন (Hezbollah) এবং ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। অন্যদিকে, ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন যুদ্ধ চলছে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে। এরই মধ্যে প্যালেস্তাইনের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধে তাদের দেশের মোট ৪৩ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে ইজরায়েল। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর আচমকাই ইজরায়েলে রকেট হামলা করে গাজার হামাস জঙ্গিরা। তারপর পাল্টা প্রত্যাঘাত শুরু করে ইজরায়েল। তারপর থেকে ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ায় লেবানন ও ইরানও।

    গতকালই হিজবুল্লা (Hezbollah) প্রধানের আলোচনার প্রস্তাব, তারপরেই হামলা জঙ্গি গোষ্ঠীর 

    হিজবুল্লাকে নিকেশ করতে আকাশপথে ইজরায়েলি বিমানবাহিনীর অভিযান তো চলছেই, এর পাশাপাশি লেবাননে ঢুকেও সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইজরায়েলি বাহিনী। দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লার একের পর এক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি ইজরায়েলের। ইজরায়েলের আঘাতে হিজবুল্লা প্রধান হাসান নাসরাল্লার সম্প্রতি মৃত্যুও হয়েছে। হিজবুল্লার নতুন প্রধান নঈম কাশেমের সময় ফুরিয়ে এসেছে বলে সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দেয় ইজরায়েল। গতকাল বৃহস্পতিবারই কাশেম বার্তা দেন, ইজরায়েল (Israel) চাইলে আলোচনার রাস্তা খোলা থাকছে। তারপরেই এমন হামলার ঘটনা ঘটল ইজরায়েলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: “আমি ক্ষমতায় থাকলে…’’, বাংলাদেশে হিন্দু নিধন নিয়ে সরব ট্রাম্প, দিলেন ‘বন্ধু’ মোদিকে বিশেষ বার্তা

    Donald Trump: “আমি ক্ষমতায় থাকলে…’’, বাংলাদেশে হিন্দু নিধন নিয়ে সরব ট্রাম্প, দিলেন ‘বন্ধু’ মোদিকে বিশেষ বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপরে যে নৃশংস অত্য়াচার হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা করলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ঢাকায় শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই পদ্মাপাড়ে চলছে অরাজকতা। হিন্দুদের উপর অত্যাচার যেন প্রতিদিনের ঘটনা। এবার এ নিয়ে সরব হলেন ট্রাম্প। একইসঙ্গে পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ও ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সুসম্পর্ককে আরও মজবুত করার কথাও বললেন তিনি।

    শক্তির মাধ্যমেই শান্তি

    দীপাবলির শুভেচ্ছা জানিয়ে আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “অশান্ত বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুরা দুষ্কৃতীদের হাতে প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হচ্ছেন। বাংলাদেশে প্রতিদিন লুটপাট চলছে। এর তীব্র নিন্দা করি।” ট্রাম্প লেখেন, “আমি ক্ষমতায় থাকলে, এমন কখনও হত না। কমলা হ্যারিস ও জো বাইডেন আমেরিকায় এবং বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের গুরুত্ব দেননি। ইজরায়েল থেকে ইউক্রেন, এমনকী আমাদের নিজেদের দক্ষিণ সীমান্তেও বিপর্যয় ঘটিয়েছে। তবে আমরা ফের আমেরিকাকে শক্তিশালী করব এবং শক্তির মাধ্যমেই শান্তি ফিরিয়ে আনব।”

    হিন্দু ধর্মীয় স্থানের উপরে হামলা

    সম্প্রতি বিদেশের মাটিতে হিন্দু ধর্মীয় স্থানের উপরে হামলার প্রসঙ্গও তুলে আনেন ট্রাম্প (Donald Trump)। লেখেন, “আমরা হিন্দু-আমেরিকানদেরও কট্টর বামপন্থীদের ধর্ম-বিরোধী অ্যাজেন্ডা থেকে রক্ষা করব। আমরা আপনাদের স্বাধীনতার জন্য লড়ব। আমার প্রশাসনের অধীনে ভারত ও আমার ভাল বন্ধু নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গেও সুসম্পর্ক আরও মজবুত করব।” প্রসঙ্গত, ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন একাধিকবার ভারত সফরে এসেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রধানমন্ত্রী মোদিও ২০১৯ সালে আমেরিকার টেক্সাসে “হাউডি মোদি” অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। তার পরের বছর, ২০২০ সালে আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্য “নমস্তে ট্রাম্প” অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • White House: হোয়াইট হাউসের ব্যান্ডে বাজল ‘ওম জয় জগদীশ হরে’, মোহিত হয়ে শুনলেন মার্কিনরা

    White House: হোয়াইট হাউসের ব্যান্ডে বাজল ‘ওম জয় জগদীশ হরে’, মোহিত হয়ে শুনলেন মার্কিনরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির সন্ধে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসে (White House) পালিত হচ্ছে দীপাবলি। হাউসের সামরিক ব্যান্ডে বাজছে ‘ওম জয় জগদীশ হরে’। মগ্ন হয়ে গান শুনছেন এই বাড়ির বাসিন্দারা। আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর গীতা গোপীনাথ শেয়ার করেছেন (Joe Biden) ভিডিওটি।

    ব্যান্ডে বাজছে ভজন (White House)

    তাতে দেখা যাচ্ছে, ব্যান্ডের চারজন সদস্য পিয়ানো, বেহালা, সেলো এবং ড্রাম বাজিয়ে ভজনটি গাইছেন। গোপীনাথ লিখেছেন, “দীপাবলির জন্য হোয়াইট হাউসের সামরিক ব্যান্ডের ‘ওম জয় জগদীশ হরে’ বাজানোটা দারুণ। শুভ দীপাবলি।” ভিডিওটি ইতিমধ্যেই চার হাজারের বেশি লাইক পেয়েছে। ভারতীয়দের কাছ থেকে প্রচুর প্রশংসাও কুড়িয়েছে ভিডিওটি। ভজনটি পরিবেশনা সুন্দর হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইন্দো-মার্কিন সুরকার তথা তিনবারের গ্র্যামি অ্যাওায়র্ড বিজয়ী রিকি কেজ বলেন, “গানটি সুন্দরভাবে পরিবেশন করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “চমৎকার সুরারোপ এবং বেহালাবাদক গ্লিস্যান্ডোগুলি বেশ ভালোভাবে করেছেন।”

    মহাকাশ থেকে অংশ নিলেন সুনীতা

    ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট (White House) নির্বাচন। এবার প্রার্থী হননি হোয়াইট হাউসের বর্তমান বাসিন্দা জো বাইডেন। এবার তিনি হোয়াইট হাউসেই দীপাবলি উৎসবের আয়োজন করেছিলেন। এই অনুষ্ঠানে মার্কিন কংগ্রেস সদস্য এবং কর্মকর্তা-সহ প্রায় ৬০০ ইন্দো-মার্কিন নাগরিক উপস্থিত ছিলেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস, যিনি বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে রয়েছেন, ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনিও। তবে নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত থাকায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেননি ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন।

    আরও পড়ুন: নিশানায় শহুরে নকশালরা, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা প্রয়োজন”, বললেন মোদি

    এদিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী তথা ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের ভূয়সী প্রশংসা করেন বাইডেন। পাশাপাশি ভারত থেকে যাওয়া যেসব মানুষ মার্কিন প্রশাসনে রয়েছেন, তাঁদের অবদানও তুলে ধরেন বাইডেন। তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি হোয়াইট হাউসে সব চেয়ে বড় দীপাবলি উৎসবে (Joe Biden) যোগ দিতে পেরে সম্মানিত। এটা আমার কাছে খুব বড় বিষয় (White House)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Taliban: অন্য মহিলার সামনেও জোরে কোরান পড়তে পারবেন না আফগান মহিলারা!

    Taliban: অন্য মহিলার সামনেও জোরে কোরান পড়তে পারবেন না আফগান মহিলারা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নারী ও মেয়েদের (Afghan Women) স্বাধীনতার ওপর তালিবানি নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়তে পারে। এবং সেটা গণ্য হবে মানবতা-বিরোধী অপরাধ হিসেবে।” ২০২২ সালে এমনই মন্তব্য করেছিলেন আফগানিস্তানে (Taliban) মানবাধিকার বিষয়ক রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিশেষ প্রতিবেদক। দু’বছর আগের ওই প্রতিবেদকের বলা কথা হুবহু মিলে গেল।

    তালিবানি নির্দেশিকা (Taliban)

    সম্প্রতি আফগানিস্তানের তালিব সরকার নয়া একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। এই নির্দেশিকায় আফগান নারীদের পরস্পরের উপস্থিতিতে উচ্চস্বরে প্রার্থনা করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, নয়া নির্দেশিকা জারির কথা জানিয়েছেন তালিবান সরকারের মন্ত্রী মহম্মদ খালিদ হানাফি। তিনি জানিয়েছেন, কোনও আফগান মহিলার উচিত নয় অন্য কোনও আফগান মহিলার সামনে জোরে কোরান পাঠ করা। কোরান এমনভাবে পাঠ করতে হবে যাতে তাঁরা একে অন্যের কথা শুনতে না পান। হানাফি বলেন, “মহিলাদের যখন তাকবির বা আজান পড়ার অনুমতি দেওয়া হয় না, তখন তাঁরা গান গাইতেও পারেন না, সঙ্গীত উপভোগও করতে পারেন না।”

    কী বললেন মন্ত্রী

    আফগান সরকারের ওই মন্ত্রী জানান, একজন মহিলার কণ্ঠস্বরকে ‘আওরাহ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর অর্থ হল, এটি সব সময় গোপন করা উচিত, সর্বসমক্ষে শোনা উচিত নয়। কোনও মহিলারও অন্য মহিলার আওয়াজ শোনা উচিত নয়। তাই এই নিয়ম। চলতি (Taliban) বছরের অক্টোবর মাসে আফগানিস্তানের তালিবান নৈতিকতা মন্ত্রণালয় একটি আইন কার্যকর করার অঙ্গীকার করেছে। এই আইন অনুযায়ী, সে দেশের সংবাদ মাধ্যম সকল জীবন্ত সত্তার ছবি প্রকাশ নিষিদ্ধ করবে। সাংবাদিকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই নিয়মটি ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত করা হবে।

    আরও পড়ুন: আরও গাড্ডায় ট্রুডো! কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে সরাতে এবার গোপন ভোটের দাবি উঠল দলেই

    আফগান সমাজে যে মহিলাদের স্বাধীনতা আরও বেশি করে খর্ব করা হচ্ছে, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। অগাস্ট মাসেই মহিলাদের জন্য নয়া নিয়ম জারি করেছিল আফগান সরকার। তাতে বলা হয়েছিল, আফগান মহিলাদের সব সময় সারা শরীর ঢেকে রাখতে হবে। ছাড় পাবে না মুখমণ্ডলও। অপরিচিত পুরুষদের দিকে তাকানোর ক্ষেত্রেও নারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। আফগান মহিলারা জনসমক্ষে (Afghan Women) বা বাড়ির ভেতরে জোরে কথা বলতে পারবেন না বলেও নিয়ম চালু করেছিল তালিবানরা (Taliban)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Google: ২-এর পরে ৩৬টি শূন্য! গুগলকে অবিশ্বাস্য জরিমানা রাশিয়ার আদালতের, কেন?

    Google: ২-এর পরে ৩৬টি শূন্য! গুগলকে অবিশ্বাস্য জরিমানা রাশিয়ার আদালতের, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ায় (Russia) একটি আদালত গুগলকে (Google) ২ আনডেসিলিয়ন রুবল জরিমানা ধার্য করেছে, যা কিনা ২-এর পরে ৩৬টি শূন্য সহ একটি অবিশ্বাস্য সংখ্যা। গুগল রাশিয়ার মিডিয়া আউটলেটগুলি নিষিদ্ধ করার ফলেই এই জরিমানা। পৃথিবীর সব টাকা একসঙ্গে করলেও এই পরিমাণ অর্থ হবে কিনা বলা দায়। রাশিয়ার আদালতের তরফে জানানো হয়, “গুগলকে প্রশাসনিক দায়িত্বের আওতায় এনে এই জরিমানা করা হয়েছে, এবং আদালত গুগলকে চ্যানেলগুলোর পুনরুদ্ধার করার নির্দেশ দিয়েছে।”

    কত অর্থ জরিমানা

    সোমবারের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রুশ (Russia) আদালত গুগলকে (Google) ২ আনডেসিলিয়ন রুবল বিশাল পরিমাণ অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে। সংখ্যার বিচারে, আনডেসিলিয়ন হল ১-এর পরে ৩৬টি শূন্য। জরিমানা করা হয়েছে ২ আনডেসিলিয়ন রুবল। মার্কিন ডলারের হিসেব অনুযায়ী, যা ২০ ডেসিলিয়ন দাঁড়ায়। এখান বলে দেওয়া দরকার, ডেসিলিয়ন হল ১-এর পর ৩৩টি শূন্য। অর্থাৎ, রুশ (Russia) আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, গুগলকে যে পরিমাণ জরিমানার অর্থ ধার্য করা হয়েছে, তা প্রায়  ২০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ মার্কিন ডলারের সমান।

    এই পরিমাণ অর্থ গুগলের (Google) প্যারেন্ট কোম্পানি আলফাবেটের বাজার মূল্যকেও শুধু ছাড়িয়ে যায় তা নয়। বরং এটি বিশ্বের মোট জিডিপির পরিমাণকেও অতিক্রম করে, যা প্রায় ১০০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এছাড়াও বলা হয়েছে, যদি গুগল এই জরিমানা নয় মাসের মধ্যে না দেয়, তবে প্রতিদিন এটি দ্বিগুণ হয়ে যাবে এবং এর কোনও সর্বোচ্চ সীমা নেই। এর মানে, প্রতিদিন এটি দ্বিগুণ হতে থাকবে। 

    আরও পড়ুন: সেনা প্রত্যাহার-পর্ব শেষ, পূর্ব লাদাখ সীমান্তে দীপাবলিতে মিষ্টি বিনিময় ভারত-চিনের

    কেন জরিমানা

    গুগলের (Google) মালিকানাধীন ইউটিউবে ১৭টি রাশিয়ান টেলিভিশন চ্যানেলের অ্যাকাউন্ট আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ করে দেওয়ায় অস্বাভাবিক জরিমানার মুখে পড়েছে সংস্থাটি। নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া ক্রেমলিনপন্থী চ্যানেলগুলোর মধ্যে রাশিয়া-ওয়ান এবং রাশিয়া টুডে উপস্থাপক ও পুতিনের মুখপাত্র মার্গারিটা সিমোনিয়ানের চ্যানেলও রয়েছে। চার বছর ধরে রাশিয়ার (Russia) আদালতে গুগলের বিপক্ষে মামলা চলছে। রাশিয়ায় চলমান মামলা নিয়ে সম্প্রতি এক বিবৃতিতে গুগল বলেছিল—‘আমরা বিশ্বাস করি না, চলমান এই আইনি বিষয়গুলো কোনও বস্তুগত বিরূপ প্রভাব ফেলবে।’ গুগল সম্ভবত এই জরিমানাও পরিশোধ করবে না, কারণ তারা ২০২২ সালে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার আক্রমণের পর তাদের রাশিয়ান কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share