Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh Crisis: বিক্ষোভকারীরা দিয়েছিলেন হুঁশিয়ারি! বাংলাদেশের সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

    Bangladesh Crisis: বিক্ষোভকারীরা দিয়েছিলেন হুঁশিয়ারি! বাংলাদেশের সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ শাহবুদ্দিন (Bangladesh President)। প্রসঙ্গত, এ নিয়ে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল আন্দোলনকারী ছাত্রদের জোট। সোমবার রাতেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট এবং সেখানেই তিনি সংসদ ভেঙে যাওয়ার কথা জানান। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে সংসদ ভেঙে দেওয়ার খবরও প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

    আন্দোলনকারী ছাত্রদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সেনা প্রধান

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতি সোমবারই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন দখল করে নেন আন্দোলনকারীরা। ইস্তফা দিয়ে তড়িঘড়ি দেশ ত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। বর্তমানে তিনি ভারতেই রয়েছেন। এরপর থেকেই আন্দোলনকারীরা সংসদ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানাতে থাকেন। আন্দোলনকারী ছাত্ররা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার বিকেল তিনটের মধ্যে যদি বাংলাদেশের সংসদ ভেঙে না দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। প্রসঙ্গত, সোমবারে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা জানিয়েছিলেন যে, সেনার সমর্থনে অথবা রাষ্ট্রপতি শাসনে থাকা কোনও সরকারকেই সমর্থন করা হবে না। প্রস্তাবিত সরকার তৈরি করতে হবে। নতুন সরকারের রূপরেখা গঠনের জন্য ২৪ ঘণ্টা সময়ও দেন পড়ুয়ারা। অন্যদিকে, মঙ্গলবার আন্দোলনকারী ছাত্রদের সঙ্গে বসার কথা রয়েছে বাংলাদেশের সেনা প্রধানের।

    জাতির উদ্দেশে ভাষণে কী বললেন প্রেসিডেন্ট?

    সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) প্রেসিডেন্ট (Bangladesh President) বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সংসদ বিলুপ্ত করা হবে। দ্রুত নতুন নির্বাচন করে সরকার নির্বাচিত হবে।’’ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘‘তিন বাহিনীর প্রধান, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সমাজের প্রতিনিধি ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে জরুরিভিত্তিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দল ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।’’ এর পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট এও ঘোষণা করেন, সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় আটক সকল বন্দিদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে। ছাত্র আন্দোলনের নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও জানান প্রেসিডেন্ট। প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্টের নির্দেশেই সোমবার বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: জ্বালিয়ে দেওয়া হল প্রাক্তন ক্রিকেটার অধিনায়ক মাশরাফে মোর্তাজার বাড়ি!

    Bangladesh Crisis: জ্বালিয়ে দেওয়া হল প্রাক্তন ক্রিকেটার অধিনায়ক মাশরাফে মোর্তাজার বাড়ি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) জ্বালিয়ে দেওয়া হল প্রাক্তন ক্রিকেটার অধিনায়ক তথা আওয়ামী লীগের সাংসদ মাশরাফে মোর্তাজার (Mashrafe Bin Mortaza) বাড়ি। কোটা এবং হাসিনা বিরোধী আন্দোলনের ইস্যুতে কেন চুপ করে ছিলেন এই ক্রিকেটার, এই প্রশ্ন তুলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি দেশের হয়ে ১১৭টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন। ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে ২০১৮ সাল থেকে রাজনীতিতে যোগদান করেছিলেন। অপর দিকে রাজনৈতিক সঙ্কটের প্রভাব পড়েছে পকিস্তান-বাংলাদেশের আসন্ন দুটি টেস্ট ম্যাচের সিরিজের ওপর।

    কেন হাসিনার বিরোধিতা করেননি (Bangladesh Crisis)?

    সোমবার বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগের সাংসদ মোর্তাজার (Mashrafe Bin Mortaza) বাড়িতে বিক্ষোভকারীরা আক্রমণ করে। এরপর ওই বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ইতি মধ্যে এই ভিডিও সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। তিনি এই কেন্দ্রে গত ২ বারের সাংসদ ছিলেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল, হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে সমস্ত বিক্ষোভ এবং আন্দোলনে কোনও রকম প্রতিক্রিয়া দেননি তিনি। আর সেই জন্য তাঁকে ঘিরে আন্দোলনকারীদের মনে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করা মাত্রই তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। একই ভাবে আরও এক প্রাক্তন ক্রিকেটার অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের রাজনৈতিক দলের অফিসে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনিও আওয়ামী লীগের হয়ে মাগুরা-১ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    টেস্ট সিরিজ নিয়ে সঙ্কটে

    বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) ক্রিকেট বোর্ড এই অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্রিকেট প্রশিক্ষণ নিয়ে চরম সঙ্কটের মধ্যে পড়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য বোর্ডের কর্তারা অপেক্ষা করছেন বলে জানিয়েছেন। ১৭ অগাস্ট বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের রাওয়ালপিন্ডিতে যাওয়ার কথা ছিল। ২১-২৫ অগাস্ট প্রথম ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। আবার ৩০ অগাস্ট থেকে ৩ সেপ্টম্বর পর্যন্ত হওয়ার কথা দ্বিতীয় টেস্ট। সবটাই এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের হিংসায় নিরপেক্ষ তদন্ত চাইল ব্রিটেন, চুপ হাসিনাকে ‘আশ্রয়’ নিয়ে

    অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হাসিনা বিরোধী আন্দোলনের আঁচ গিয়ে পড়েছে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সাংসদ, নেতা, সমর্থক এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর। হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন। সেনা বাহিনী অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আশ্বাস দিয়েছে। মানুষের জান-মালের দায়িত্ব সুরক্ষার কথা বললেও কার্যত চূড়ান্ত বিশৃঙ্গলা চলছে দেশ জুড়ে। একাধিক জায়গায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় বড় মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে। রাজধানী ঢাকা সহ একাধিক এলাকার থানায় আগুন দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসভবনে হামলা করে আগুন দেওয়া হয়েছে। যশোর, খুলনা, রংপুর, চট্টগ্রাম, সিলেটের একাধিক জায়গায় হিন্দুমন্দির ভাঙচুর করে আগুন দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে বাড়িঘর, দোকানপাটে চলছে লুটপাট।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: জ্বলছে বাংলাদেশ! আওয়ামি নেতার হোটেলে আগুন, মৃত ২১, খুন অভিনেতাও

    Bangladesh Crisis: জ্বলছে বাংলাদেশ! আওয়ামি নেতার হোটেলে আগুন, মৃত ২১, খুন অভিনেতাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) আন্দোলনকারীদের শান্ত হওয়ার ডাক দেন। কিন্তু, তাতে হামলায় রাশ টানা যায়নি, বরং বেড়েছে। আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন চাকলাদারের হোটেলেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ওই হোটেলে আগুনে পুড়ে বিদেশি-সহ ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, রাতে জাবির ইন্টারন্যাশনাল নামক হোটেলের নীচতলায় পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সেই আগুন ওপরের তলায় ছড়িয়ে পড়ে। হোটেলে আটকে পড়া বহু মানুষ জীবিত অবস্থায় পুড়ে মারা যান। সোমবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাংলাদেশের অন্তত ৯ জন মন্ত্রী এবং অন্তত ২৭ জন সাংসদের বাড়িতে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। দেশের প্রধান বিচারপতির বাসভবনে ঢুকেও হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা।

    সোমবার ১০৯ জনের মৃত্যু! (Bangladesh Crisis)

    জানা গিয়েছে, সোমবার সাভারে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের গুলি সংঘর্ষে ১৮ জন নিহত হয়েছেন। উত্তরাতেও চলেছে গুলি। থানা ঘেরাওকে কেন্দ্র করে পুলিশ এবং বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। বানিয়াচংয়ে পুলিশের গুলিতে আরও ছ’জনের মৃত্যু হয়েছে। শ্রীপুরে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিজিবির সদস্যদের দু’টি বাসে হামলা এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এর জেরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বিজিবির গুলি সংঘর্ষে মৃত্যু হয় পাঁচজনের। গুলিবিদ্ধ হয় শতাধিক। চুয়াডাঙা (Bangladesh Crisis) যুবলীগের সাবেক আহ্বায়কের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তেরা। শুধু সোমবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাতে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০৯ জনের! পরে অন্যান্য রিপোর্টে দাবি করা হয়, মৃতের সংখ্যা ১৩৫। বিশেষ করে হামলার শিকার হয়েছেন হাসিনার দল আওয়ামি লিগের নেতা-মন্ত্রী-পদাধিকারীরা। কাউকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। কারও বাড়ির দরজা বন্ধ করে অগ্নিসংযোগ করেছেন হামলাকারীরা। রবিবার মৃত্যু হয়েছিল ১১৪ জনের। আর শেষ দু’দিনে মৃতের সংখ্যা প্রায় আড়াইশো ছুঁই ছুঁই।

    আরও পড়ুন: ‘‘১ কোটির ওপর বাংলাদেশি হিন্দু আসবেন পশ্চিমবঙ্গে’’, বড় দাবি শুভেন্দুর

    আওয়ামি লিগের নেতাদের ওপর হামলা

    খুলনায় আওয়ামি লিগের উপজেলা সভাপতি জি এম মোহসিন রেজাকে তাঁর বাড়িতে ঢুকে পিটিয়ে মারে বিক্ষুব্ধ জনতা। বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’ জানিয়েছে, সোমবার বিকেলে রেজার বাড়িতে চড়াও হন হামলাকারীরা। সেখানেই তাঁকে পিটিয়ে মেরে তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে পুড়ে যান তিনি। পরে তাঁর খুড়তুতো ভাই বলেন, “সন্ধ্যায় আমরা ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে দেখি বাড়িতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। ঘরের বারান্দায় পড়ে রয়েছে দাদার মৃতদেহ।” আওয়ামি লিগের সাংসদ শফিকুল ইসলামের নাটোরের বাড়িতেও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল। মঙ্গলবার সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে তিনজনের মৃতদেহ। এরমধ্যে আকিব হোসেন নামে ১৭ বছরের এক তরুণও রয়েছে। সে নাটোর সিটি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। তাঁর বাবা ছিলেন ওই কলেজের অধ্যক্ষ। চাঁদপুরে অভিনেতা শান্ত খান এবং তাঁর বাবা সিনেমার প্রযোজক সেলিম খানকেও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

    মন্দির ভাঙচুর, হিন্দুদের বাড়ি লুটপাট

    জানা গিয়েছে, ২১ জুলাই থেকে বাংলাদেশে মোট মৃতের সংখ্যা ৪৪০-এর গণ্ডি ছাড়িয়েছে। এই মৃতদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে আন্দোলনকারীদের সংখ্যা ছিল বেশি। তবে, গতকাল থেকে ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার নাম করে আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মী এবং পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছে নির্বিচারে। অপরদিকে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষ দাবি করল, সেদেশের ২৯টি জেলায় সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলা চালানো হয়েছে। অরাজনৈতিক সাধারণ মানুষের বাড়ি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। ভাঙা হয়েছে মন্দির। বাংলাদেশের সংবাদপত্র প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাণা দাশগুপ্ত এক বিবৃতি জারি করে সোমবার দাবি করেন, বাংলাদেশে ৪টি জেলাতে অন্তত ৯টি মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। বহু জায়গায় হিন্দু সংখ্যালঘুদের বাড়িতে লুটপাট চালানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের হিংসায় নিরপেক্ষ তদন্ত চাইল ব্রিটেন, চুপ হাসিনাকে ‘আশ্রয়’ নিয়ে

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের হিংসায় নিরপেক্ষ তদন্ত চাইল ব্রিটেন, চুপ হাসিনাকে ‘আশ্রয়’ নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার পর এবার ব্রিটেনও (UK)। বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) রাজনৈতিক পট পরির্তন ও তার জেরে আন্দোলনে মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত চেয়েছিল আমেরিকা। ব্রিটেনও চাইছে, বাংলাদেশে তদন্ত করুক রাষ্ট্রপুঞ্জের নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী দল। ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশকে সমর্থনের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেছেন।

    ব্রিটেনের বিবৃতি (Bangladesh Crisis)

    ব্রিটেনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “গত কয়েক দিন বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক উত্থানের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চায় তারা। তদন্ত হোক রাষ্ট্রপুঞ্জের নেতৃত্বে স্বাধীনভাবে।” বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিটেন মুখ খুললেও, হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে উচ্চবাচ্য করেনি রাজার দেশ। ল্যামি বলেন, “বাংলাদেশে গত দু’সপ্তাহে নজিরবিহীনভাবে হিংসা এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। …একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সব পক্ষকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ গত কয়েক সপ্তাহের ঘটনাবলীতে রাষ্ট্রপুঞ্জের নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন তদন্তের দাবি রাখে।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতে নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দেখতে চায়।” মন্ত্রী বলেন, “ব্রিটেন ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে এবং কমনওয়েলথ মূল্যবোধ রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: তাঁর আমলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথ দেখিয়েছিলেন হাসিনা

    কী বলছে আমেরিকা

    বাংলাদেশের ঘটনার তদন্ত চেয়েছে আমেরিকাও। সে দেশের বিদেশ দফতরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেন, “আমরা মনে করি বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) আইন ও গণতান্ত্রিক নীতিকে মাথায় রেখেই সেখানে নয়া সরকার গঠন করা হবে। সেখানে যে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, অবশ্যই তার তদন্ত হওয়া উচিত।” এদিকে, ভারত কিংবা আমেরিকা কারও কাছেই রাজনৈতিক আশ্রয় চাননি হাসিনা।

    বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন লন্ডনের সঙ্গে। আবেদন করেছেন রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য। তবে ব্রিটেন নাকি সেই আবেদনে কান দেয়নি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সেই কারণেই ব্রিটেনের (UK) জারি করা বিবৃতিতে হাসিনার নাম পর্যন্ত নেওয়া হয়নি (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ফের শুরু হিন্দু নিধন যজ্ঞ! সেনাবাহিনী হেল্পলাইন সত্ত্বেও কার্যকারিতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ফের শুরু হিন্দু নিধন যজ্ঞ! সেনাবাহিনী হেল্পলাইন সত্ত্বেও কার্যকারিতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  ক্ষমতা ছাড়ার পরেও অরাজকতা থামছে না প্রতিবেশী দেশে। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই দেশের বিভিন্ন জেলায় হিংসা (Bangladesh Crisis) বাড়ছে। ইতিমধ্যেই লিটন দাস, মাশরাফি মুর্তাজা সহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। দেশ জুড়ে আওয়ামি লিগের নেতা কর্মীদের বাড়ি বাড়িতে লুঠপাঠের পর অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। অন্যদিকে দুই অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে সাভারের আশুলিয়া থানার সামনে তালিবানি কায়দায় খুন করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। একের পর এক হিন্দুদের বাড়ি এবং মন্দির পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি টার্গেট হচ্ছেন হিন্দুরা। যদিও এই পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সহ অন্যান্যদের সুরক্ষায় (Save Bangladeshi Hindus) তৎপর হয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী। হিন্দু সহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে থাকার জন্য বিভিন্ন জেলায় হেল্পলাইন নম্বর (Bangladesh Helpline) চালু করা হয়েছে এবং খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। যদিও তাতে কাজের কাজ কতটা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নির্যাতিত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ। সমস্যায় পড়লে হেল্পলাইন নাম্বারে ফোন করে যোগাযোগ করে সমস্যার কথা জানাতে বলেছে সেনাবাহিনী।

    সেনাবাহিনীর জারি করা হেল্পলাইন নম্বরের তালিকা (Bangladesh Crisis)

    ঢাকার জন্য

    মোহাম্মদপুরে ক্যাপ্টেন সৈকত: ১৭৬৯৫১০৫১৫

    মোহাম্মদপুরের ক্যাপ্টেন রিদনান সালেহ: ১৬৪১৯৬৮২৩৭

    সেগুন বাগিচায় ক্যাপ্টেন আশিক: ১৭৩৮৯৯৮৪৫৮

    উত্তরায় ক্যাপ্টেন আবরার: ১৭৪১৫৬৯৮৩২

    মিরপুরে ক্যাপ্টেন আতাহার ইশতিয়াক: ১৭৬৯৫১১১৪৪

    স্টেডিয়াম, পল্টনে ক্যাপ্টেন জাররাফ: ১৭০৮৩৭৫৩৭১

    বারিধারায় ক্যাপ্টেন নাসিফ: ১৭৬৯৫১০৮০৩

    আগারগাঁওয়ে লেফটেন্যান্ট ইমরুল: ১৭০৫২৬০০১৯

    গুলশন/বনানীর জন্য: ০১৭৬৯০১৩০৯৪

    মতিঝিল, বাংলাদেশ ব্যাংক কেপিআই-এর জন্য ক্যাপ্টেন শিহাব: ০১৭৬৬০৪৭৩২৩

    ঢাকা (যাত্রাবাড়ি)

    ক্যাপ্টেন হিমেল (০১৭৬৬১৬২০৭৭)

    উত্তরা, বিমানবন্দর, দিয়াবাড়ির জন্য ০১৭৬৯০২৪২৮০, ০১৭৬৯০২৪২৮৪ এবং ক্যাপ্টেন সাজ্জাদ (পারভেজ) (০১৭৬৯৫১০৪৫৭)

    মিরপুর এলাকায় ক্যাপ্টেন মাহমুদ (০১৮৩৩৫৮৫৭৩৬, ০১৭৬৯০২৪২৫৬) এবং (০১৭৬৯০২৪২৫২)

     

    জেলার হেল্পলাইন  (Bangladesh Helpline)

    দিনাজপুর

    কর্নেল রওশনুল ইসলাম (০১৭৬৯৬৮২৪৫৪)

    ময়মনসিংহ

    ক্যাপ্টেন ফয়সাল (০১৭৬৯২০৮১৭৪)

    সিরাজগঞ্জ

    ক্যাপ্টেন সুদীপ্ত (০১৭৬৯৫১০৫২৪)

    রামপুরা

    কর্নেল রেহগির আল শহীদ (০১৭৬৯০৫৩১৫০)

    রংপুর

    ক্যাপ্টেন আশরাফ (০১৬১৫৩৩২৪৪৬) এবং ক্যাপ্টেন

    মারিজ় (০১৭৪৫২০৭৪৬৯)

    কিশোরগঞ্জ(ভৈরব)-এর জন্য ০১৭৬৯২০২৩৫৪ এবং

    ক্যাপ্টেন রায়হান (০১৭৬৯২০২৩৬৬)

    যশোর

    ক্যাপ্টেন সাবির (০১৮৮৬৯১০৫১৪)

    রাজবাড়ি

    ক্যাপ্টেন এনাম (০১৭৯৫-৬১৫৯৫০)

    কক্সবাজার

    ক্যাপ্টেন মুজতাহিদ (০১৭৬৯১১৯৯৮৮)

    ঠাকুরগাঁওয়ে লেফটেন্যান্ট ফয়েজ (০১৭৬৯৫১০৮৬৬) এবং ক্যাপ্টেন মোহতাশিম (০১৭৬৯০০৯৮৫৫)

    হেল্পলাইনের কার্য নিয়ে প্রশ্ন 

    বাংলাদেশের নির্যাতিত সংখ্যালঘুরা ভিডিও বার্তায় যে অভিযোগ করেছেন, তাতে হেল্পলাইনে নম্বরে (Bangladesh Helpline) ফোন করেও কাজের কাজ হয়নি। লুটপাট হয়েছে হাজারো সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়ি, দোকান, অফিস ঘর। আওয়ামী লিগের সঙ্গে যুক্ত নন, এমনকি বিএনপি করেন, তাদেরও বাড়িঘর লুটপাট হয়েছে, ভাঙচুর হয়েছে। বাংলাদেশের শেরপুর এবং সাতক্ষীরায় ১২০০ বন্দিকে ছাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছে আন্দোলনকারীরা। ছাড়া পাওয়া আসামিরা ভিড়ের মধ্যে মিশে (Bangladesh Crisis) লুটপাট চালাচ্ছে বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: এখনও থমথমে বাংলাদেশ! কার্ফু উঠলেও চালু হল না বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠন

    এমতাবস্থায় সেনাবাহিনী বা বাংলাদেশের অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী বাংলাদেশে কতটা নিরাপত্তা দিতে পারছে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। কেন দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য তৈরি করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বাংলাদেশের যে পরিমাণ হিংসা শুরু হয়েছে, তা ঠেকানোর জন্য নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা চোখে পড়ছে না।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: ‘‘শেষ মুহূর্তেও দেশ ছাড়তে চাননি মা’’, জানালেন হাসিনার ছেলে সাজিব

    Sheikh Hasina: ‘‘শেষ মুহূর্তেও দেশ ছাড়তে চাননি মা’’, জানালেন হাসিনার ছেলে সাজিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের পর শেষ মুহূর্তেও দেশ ছাড়তে চাননি শেখ হাসিনা। পরিবারের জোরাজুরিতেই নিতে হয় কঠিন সিদ্ধান্ত। হাসিনা (Sheikh Hasina) বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসার পর এমনটাই জানালেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সাজিব ওয়াজেদ জয়। 

    ঠিক কী জানিয়েছেন সাজিব ওয়াজেদ জয়? 

    বাংলাদেশের উত্তপ্ত পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) ও শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সাজিব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, “মা থাকতে চেয়েছিলেন। কোনওভাবেই দেশ ছেড়ে যেতে চাননি। কিন্তু আমরাই জোর করি, বলি যে এই দেশ আর সুরক্ষিত নয় তোমার জন্য। মায়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলাম আমরা। তাই সবাই তাঁকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বলি।” এছাড়াও তিনি আরও বলেন, ”আমি আজ সকালেই মায়ের সঙ্গে কথা বলেছি। বাংলাদেশের পরিস্থিতি অরাজক। মা (Sheikh Hasina) ভালো আছেন, তবে গোটা পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট হতাশ। মায়ের কণ্ঠে স্পষ্ট হতাশা ছিল। মায়ের কাছে এটা অত্যন্ত দুঃখের কারণ গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশকে উন্নত করার জন্য তিনি অনেক পরিশ্রম করেছেন। বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার স্বপ্ন ছিল তাঁর। এতদিন ধরে জঙ্গি, সন্ত্রাসবাদীদের থেকে দেশকে সুরক্ষিত রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু আজ বিরোধী ও সন্ত্রাসীরা ক্ষমতা দখল করে নিল।” 

    আরও পড়ুন: ব্রিটেন রাজনৈতিক আশ্রয় না দেওয়া পর্যন্ত কি ভারতেই থাকবেন হাসিনা?

    বর্তমানে ভারতেই রয়েছেন হাসিনা (Sheikh Hasina)। তবে এর পরবর্তীতে তিনি কোথায় যাবেন, হাসিনার নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই সে কথা প্রকাশ্যে আনতে চাননি তাঁর ছেলে। তবে তিনি জানিয়েছেন, ”আশা করছি বাংলাদেশে নির্বাচন হবে। কিন্তু যেভাবে আমাদের দলের নেতা-কর্মীদের নিশানা করা হচ্ছে, তা দেখে আমি জানি না কতটা মুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়া সম্ভব। আমার পরিবারের আর দায়িত্ব নয় এটা। আমরা দেখিয়েছি, দেশের জন্য আমরা কী কী করতে পারি, বাংলাদেশের উন্নয়নে কী কী করেছি। আওয়ামি লিগ এখনও দেশের সবথেকে জনপ্রিয় দল। বিএনপির ক্ষমতায় ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা শেষবার দেখেছিলাম ওরা ক্ষমতায় আসার পর কী হয়েছিল। দেশকে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছিল। সন্ত্রাসবাদীদের খোলা হাতে ছুট দিয়েছিল। সংখ্যালঘুদের উপরে হামলা চালানো হয়েছিল। যদি বাংলাদেশের মানুষ সঠিক মানুষের পাশে না দাঁড়ায় এবং ক্ষমতা দখল করে নিতে দেয়, তবে এই নেতৃত্বই তাদের প্রাপ্য।”  

    গণভবনে ঢুকে লুটপাট (Bangladesh Crisis) 

    অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী দেশ ছাড়ার পরেই গণভবনে ঢুকে লুটপাট চালায় আন্দোলনকারীরা। সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সে সমস্ত ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, গোটা গণভবন মানুষের দখলে। অনেককে আবার কোলবালিশ, ঘটি-বাটি ও বালতি ভরে গণভবনের বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। কারও হাতে চেয়ার, কারও হাতে বড় মাছ তো কারও হাতে খরগোশ, ছাগল এমনকী রাজহাঁসও দেখা গিয়েছে। এছাড়াও টিভি, ফ্রিজ, হাসিনার ব্যবহৃত শাড়ি সহ বিভিন্ন জিনিসের দখল নিয়েছেন। মোদ্দা কথা, যে যেভাবে যা পেয়েছে নিয়ে গিয়েছেন। এই গোটা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর (Sheikh Hasina) ছেলে বলেন, ” একটা সময় এই দেশের স্বাধীনতার জন্য আমার পরিবার কঠোর সংগ্রাম করেছিল। তবে আজ দেশের এই পরিস্থিতি খুবই হতাশাজনক, কারণ এই পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ চুপ করে আছে।”   

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: এখনও থমথমে বাংলাদেশ! কার্ফু উঠলেও চালু হল না বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠন

    Bangladesh Crisis: এখনও থমথমে বাংলাদেশ! কার্ফু উঠলেও চালু হল না বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সকালে নতুন করে কোনও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির খবর মেলেনি বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমগুলিতে। হাসিনা দেশ (Bangladesh Crisis) ছেড়ে চলে যাওয়ার পর এবং তার পরবর্তী এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তুলে দেওয়া হল কার্ফু। চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অফিস-কাছারি। উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলি খুললেও এখনও চালু হয়নি পঠনপাঠন।

    আন্তবাহিনীর পক্ষ থেকে কী জানানো হয়েছে? (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অধীনস্থ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দফতর সোমবার রাতেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। সেখানে জানানো হয়েছিল, মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত কার্ফু কার্যকর থাকবে। এর পর মঙ্গলবার থেকেই স্কুল- কলেজ, অফিস-কাছারি, কারখানা খোলা যাবে বলে জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দফতরের বিজ্ঞপ্তির পর মঙ্গলবার থেকেই পদ্মাপারের বেশির ভাগ অফিস, আদালত খুলে গিয়েছে বলে ‘প্রথম আলো’-য় প্রকাশিত হয়েছে। খুলেছে ব্যাঙ্কও। বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, অঞ্চলভিত্তিক ঝুঁকি বিবেচনা করে ব্যাঙ্কগুলি নিজেদের শাখা খোলা রাখতে পারবে।

    আরও পড়ুন: ‘‘১ কোটির ওপর বাংলাদেশি হিন্দু আসবেন পশ্চিমবঙ্গে’’, বড় দাবি শুভেন্দুর

    পঠনপাঠন চালু হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে

    মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে কার্ফু প্রত্যাহার করা হয়েছে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। অফিস, কারখানা, স্কুল-কলেজ পুনরায় খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খুললেও, এখনই শুরু হল না বিশ্ববিদ্যালয়গুলির স্বাভাবিক পঠনপাঠন। সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি বাংলা’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পড়ুয়াকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ক্যাম্পাস খোলা থাকলেও, পঠনপাঠনের প্রক্রিয়া এখনই চালু হচ্ছে না। মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেট বৈঠক রয়েছে। ওই বৈঠকের পরই পঠনপাঠন শুরুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। একই ছবি রাজশাহি বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গিরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও।

    সাংসদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ১৩টি থানায় হামলা!

    শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা এবং বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) থেকে চলে যাওয়ার পরও পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি। সোমবার বিকেলে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করেছেন এ সব থেকে বিরত থাকার জন্য। রাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহবুদ্দিনও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা করার বার্তা দিয়েছিলেন। তবে সোমবার রাতেও বেশ কিছু প্রান্ত থেকে অশান্তি ও গোলমালের অভিযোগ উঠে এসেছে। নাটোর ২-এর সাংসদ শফিকুল ইসলামের বাড়িতে গভীর রাতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছিল। সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’-য় প্রকাশ, মঙ্গলবার সকালে তাঁর বাড়ি থেকে তিন জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। সোমবার বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মাঝেই ঢাকায় ১৩টি থানা ও দু’টি সংশোধনাগারে হামলা চালানো হয়। বন্দিদের ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। ভাঙচুর চালানো হয়েছে বাড্ডা, ভাটারা, যাত্রাবাড়ি, মহম্মদপুর-সহ একাধিক থানায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: কোটা বিরোধী আন্দোলন থেকে হাসিনার পতন! ফিরে দেখা ঘটনাক্রম

    Bangladesh Crisis: কোটা বিরোধী আন্দোলন থেকে হাসিনার পতন! ফিরে দেখা ঘটনাক্রম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ৫ অগাস্ট ইস্তফা দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। প্রসঙ্গত, ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি ক্ষমতায় ছিলেন। সরকার বিরোধী আন্দোলনের জেরে অগ্নিগর্ভ হয় বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis)। যার ফলে মৃত্যু হয় ৩০০ জন মানুষের। হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিকরা শেখ হাসিনার বাড়িতে হামলা চালান। এরপরেই বোন শেখ রেহেনাকে নিয়ে দেশ ছাড়েন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina)। নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্দেশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী চলে আসেন ভারতে এবং গাজিয়াবাদের এক গোপন আস্তানায় তাঁকে রাখা হয়।

    এরইমধ্যে, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ঘোষণা করেন যে দেশে অন্তর্বর্তী সরকার তৈরি করা হবে। এর পাশাপাশি, তিনি প্রতিশ্রুতিও দেন যে দেশের সমস্ত অংশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে এবং নাগরিক হত্যার সুবিচার দেওয়া হবে। সোমবারই গণভবন দখলের পরে বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নিয়ে উল্লাস করতে থাকে (Bangladesh Crisis)। ৫ অগাস্ট গণভবন দখল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইস্তফা, তাঁর দেশ ছেড়ে যাওয়া- এই ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে একটি ব্যাপক রাজনৈতিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। আমরা সেই সমস্ত ঘটনাক্রমগুলি নিয়েই আজকে আলোচনা করব।

    প্রথম পর্যায়ের বিক্ষোভ

    বাংলাদেশে অশান্তি শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের গোড়াতেই। সংরক্ষণের নিয়ম নিয়েই এই অশান্তির সূত্রপাত। সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ নীতিকে নিয়েই বিতর্কে সূত্রপাত। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী পরিবারদের চাকরিতে ব্যাপক কোটা দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি, মহিলাদেরও অনেকটাই সংরক্ষণ দেওয়া হয়। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা অংশগ্রহণ করেছিলেন সেই সমস্ত পরিবারের উত্তরসূরিদের ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে হাইকোর্টও এই সংরক্ষণ নীতিতে সিলমোহর দেয়। এরপরেই প্রথমে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ শুরু হয় সেদেশে, পরবর্তীকালে তা ব্যাপক সহিংস আকার ধারণ করে। গত ১৮ জুলাই ঢাকায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের সদর দফতরে আগুন লাগিয়ে দেয় সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনকারীরা। ছাত্র-ছাত্রীদের এই বিক্ষোভ দমন করতে পুলিশ রবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের পাশাপাশি গুলিও চালায়। এর ফলে মৃত্যুর সংখ্যাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে। বাড়ে আহতদের সংখ্যাও (Bangladesh Unrest)।

    ২০১৮ সালেও একই ইস্যুতে উত্তাল হয়েছিল বাংলাদেশ

    ২০১৮ সালেও একই বিষয়ে আন্দোলন উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশটি। সরকারি চাকরিতে সে দেশে মোট ৫৬ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল, যার মধ্যে ৪৪ শতাংশ আসন সাধারণের জন্য নির্ধারিত ছিল। ৫৬ শতাংশ আসনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ, মহিলাদের জন্য ১০%, জেলার জন্য ১০%, জনজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ ছিল। ২০১৮ সালে সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ৩০ শতাংশ, নারীদের ১০ শতাংশ ও জেলার ১০ শতাংশ আসন বাতিল করে দেয়। রাখা হয় শুধু জনজাতিদের ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ সংরক্ষণ। এ নিয়ে মামলা গড়ায় বাংলাদেশের হাইকোর্টে। চলতি বছরের ৫ জুন হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, হাসিনা সরকারের (Sheikh Hasina) নির্দেশ অবৈধ। ফের প্রতিবাদ আন্দোলনে নামেন পড়ুয়ারা। অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশের প্রথম পর্যায়ের আন্দোলনে নিহত হন ২০০-এর ওপর মানুষ।

    দ্বিতীয় পর্যায়ের বিক্ষোভ (Bangladesh Crisis)

    গত ২১ জুলাই সংরক্ষণ মামলায় রায় দেয় বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত নিজেদের রায়ে জানায়, সরকারি চাকরিতে ৭ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সন্তানদের জন্য। বাকি ২ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে অন্যান্য শ্রেণির জন্য। বাকি ৯৩ শতাংশ নিয়োগই হবে মেধার ভিত্তিতে। এর পাশাপাশি, পড়ুয়াদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও ফিরে যেতে বলে শীর্ষ আদালত। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরেও আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্যায়ে হিংসা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এই পর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা দাবি জানান যে, মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সংরক্ষণ, সরকারি চাকরিতে একেবারে প্রত্যাহার করতে হবে। এর পাশাপাশি, আন্দোলনের প্রথম পর্যায়ে যেভাবে ২০০ জন আন্দোলনকারীকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের পুলিশ ও সেনাবাহিনী হত্যা করেছে, সেটার ন্যায়-বিচারের দাবিতেও আবার দলে দলে মানুষ রাস্তায় নামতে থাকেন। ঢাকা, খুলনা, সিলেট, নরসিংদি, চট্টগ্রাম প্রভৃতি স্থানে মসজিদে নমাজের পরেই অসংখ্য হিংসার (Bangladesh Crisis) ঘটনা সামনে আসতে থাকে। চট্টগ্রামে জুম্মার নামাজের পরে সেখানকার স্থানীয় ওয়াসা মোড়ে একটি পুলিশ ভ্যানে আগুন লাগিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভকারীরা পাথর ছুড়তে থাকেন। পাল্টা আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও শান্তি ফিরিয়ে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে, রবার বুলেট চালায়, টিয়ার গ্যাস ছুড়ে জবাব দেয়, চলে গুলিও।

    বিক্ষোভের তৃতীয় পর্যায়

    দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া হিংসার পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) পদত্যাগ দাবি করতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। গত ৪ অগাস্ট আওয়ামি লিগ সমর্থক ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এর ফলে শতাধিক মানুষ নিহত হন। জানা যায়, নিহতদের মধ্যে ১৪ জন পুলিশ কর্মীও ছিলেন। বাংলাদেশের এমন সহিংস পরিস্থিতিতে রবিবারই দেশজুড়ে ফের একবার কার্ফু জারি করে সরকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ৫ থেকে ৭ অগাস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নেয় হাসিনা সরকার। ঠিক এই আবহে ‘বৈষম্যের বিরুদ্ধে ছাত্ররা’- এই দাবি তুলে আসিফ মাহমুদের নেতৃত্বে পড়ুয়ারা ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ অভিযান শুরু করেন সোমবার। একমাত্র লক্ষ্য হয় শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করা (Bangladesh Crisis)।

    সক্রিয় ভূমিকা জামাত ও বিএনপির

    বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে এই তীব্র সংঘর্ষের আবহে বাংলাদেশের জামাত-এ-ইসলামি ও বিএনপি ক্ষমতাসীন আওয়ামি লিগ সরকারকে ফেলার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করে। তারাও যোগ দেয় এই বিক্ষোভে। এর ফলে দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। বিএনপি ও জামাতের কর্মী-সমর্থকরা দলে দলে যোগ দেয় হাসিনা সরকারের পতন অভিযানে। অর্থাৎ, সামনে ছাত্র আন্দোলন এবং পিছনে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন জামাত-বিএনপির। এই দুই সংগঠন হিন্দু বিরোধী ও ভারত বিরোধী বলেই পরিচিত। উল্লেখযোগ্যভাবে, সম্প্রতি বিএনপি ভারতীয় পণ্য বয়কটের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে এবং ভারত বিরোধী ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রচার আন্দোলন চালায় (Bangladesh Crisis)।

    আন্দোলনের রাশ জামাতের হাতে

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিক্ষোভকারীরা এখন বর্তমানে জামাত ও বিএনপি’র হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। ঠিক সে কারণেই তাদের কার্যকলাপগুলিও সেভাবে দেখা যাচ্ছে। হিন্দু মন্দির গুলিতে হামলা হচ্ছে। শেখ হাসিনার পদত্যাগের মাধ্যমে বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক যুগের অবসান (Bangladesh Crisis) ঘটল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: তাঁর আমলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথ দেখিয়েছিলেন হাসিনা

    Sheikh Hasina: তাঁর আমলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথ দেখিয়েছিলেন হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ১৫ বছরের হাসিনা-যুগের সমাপ্তি ঘটল। পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন মুজিব-কন্য়া। শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) দেশ ছাড়ার পর ঢাকার রাজপথে চোখে পড়ল আনন্দ-উচ্ছ্বাস। এই হাসিনাই বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথ দেখিয়েছিলেন। সেনা-শাসন থেকে ক্ষমতা গিয়েছিল মানুষের হাতে। ৭৬ বছরের হাসিনা, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দিন ধরে সরকারে থাকা নেত্রীদের মধ্যে একজন। বাংলাদেশের (Bangladesh) ‘আয়রন লেডি’ হাসিনার আমলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটেছিল ঢাকার। সন্ত্রাস দমনে কঠোর ভূমিকা নিয়েছিল হাসিনা সরকার। এককালে সেনা শাসিত বাংলাদেশকে যিনি স্থিরতা দিয়েছিলেন, সেই হাসিনার বিরুদ্ধেই উঠেছে অত্যাচার, দুর্নীতির অভিযোগ।  

    বাবার হাত ধরেই রাজনীতিতে (Sheikh Hasina)

    তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বাংলাদেশ) ১৯৪৭ সালে জন্ম হাসিনার। বাবা মুজিবর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই তিনি ১৯৬০ সালের সময়কালে রাজনীতিতে পা রাখেন। বাবা মুজিব জেলে থাকা অবস্থাতে বাবার দেখানো রাজনীতিকে দেশে ধরে রাখতে লড়াই চালান হাসিনা। এরপর দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান হন সেদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।

    কীভাবে উত্থান (Bangladesh)

    ৪৯ বছর আগের ঘটনা। ১৯৭৫ সাল। সেই সময় শেখ মুজিবর রহমানের মেয়ে শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina) আশ্রয় দিয়েছিল ভারত। দিনটা ছিল ১৫ অগাস্ট। বাংলাদেশ (Bangladesh) স্বাধীন হয়েছে মাত্র ৪ বছর। ঢাকায় ধানমন্ডির বাসভবনে বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারকে খুন করা হয়। বঙ্গন্ধুর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, ১০ বছরের শিশু শেখ রাসেল, দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামালও নিহত হয়েছিলেন ঘাতকের বুলেটে। তাঁর দুই মেয়ে – শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা – তখন বিদেশে, ফলে এই দু’জনই কেবল প্রাণে বাঁচেন। ১৯৭৫ সালে মুজিব-হত্য়ার সময় জার্মানিতে ছিলেন শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালের ২৪ অগাস্ট এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে দিল্লির পালাম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন হাসিনা। ৬ বছর ভারতে পরিচয় গোপন করে থাকার পর দেশে ফেরেন তিনি। হাল ধরেন বাবার প্রতিষ্ঠিত পার্টি আওয়ামি লিগের। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে সেনা শাসিত বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষে সওয়াল করতে থাকেন হাসিনা। যার জেরে তাঁকে বহুবার গৃহবন্দি করা হয়। শুরু হয় হাসিনার রাজনৈতিক লড়াই।

    ক্ষমতার অলিন্দে হাসিনা (Bangladesh)

    ১৯৯১ সালের বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে হাসিনার (Sheikh Hasina) আওয়ামি লিগ, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। জেতে খালেদা জিয়ার বিএনপি। ১৯৯৬ সালে মসনদে আসেন হাসিনা। পরে ২০০১ সালে ফের তিনি ভোটে হেরে যান। ২০০৮ সালে বিএনপির খেকে মসনদ ছিনিয়ে নিয়ে দাপুটে জয়ে ক্ষমতায় ফেরেন মুজিব কন্যা ও তাঁর দল। সেই থেকে, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের আগে তাঁর গদি কেউ টলাতে পারেনি। ২০০৪ সালে এক সভায় গ্রেনেড বিস্ফোরণে হাসিনাকে খুনের চেষ্টা করা হয়। এরপর ২০০৯ সালে ক্ষমতায় ফিরে ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধের অপরাধীদের সাজা দেওয়ার পথ নেয় হাসিনা সরকার। বিপক্ষের প্রধান খালেদা জিয়ার ১৭ বছরের জেল হয়। বহু বিপক্ষের তাবড় নেতাকে এই সময় সাজা দেওয়া হয়। ২০১৩ সালে জামাত-এ-ইসলামিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। সদ্য জানুয়ারি মাসেই তিনি চতুর্থবারের জন্য জিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন। 

    আরও পড়ুন: ভারতে আশ্রয় পেলেন হাসিনা, অশান্ত বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তায় দিল্লি

    বাংলাদেশের উন্নয়নে হাসিনা

    বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) প্রথম মেয়াদকে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তিনি অর্থনীতির উদারীকরণ করেছিলেন, বিদেশি বিনিয়োগকে আকর্ষণ করেন এবং জীবনযাত্রা মান বৃদ্ধির চেষ্টা করেন। তাঁর সময়ে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশ বিশ্বের শিল্প মানচিত্রে স্থান করে নেয়। শেখ হাসিনার সময়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবারও সমূহ উন্নতি হয়েছে। তাঁর সময়ে উল্লেখযোগ্য হল স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান। 

    সন্ত্রাস দমনে সক্রিয় 

    অস্থির বাংলাদেশকে শান্তও করেছিলেন হাসিনা (Sheikh Hasina)। দেশে সন্ত্রাস দমন করেছিলেন। তবে শেখ হাসিনার সময়ে বিচার বিভাগের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হয়। রাজনৈতিক ভিন্ন মত পোষণকারী বিশেষ করে ইসলামপন্থী জামাত-এ-ইসলামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন হাসিনা। এ বিষয়ে মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলিও হাসিনা সরকারের সমালোচনা করে। ২০২৪-এ টানা চতুর্থ মেয়াদে জয়ী হওয়ার পরে আমেরিকা ও ব্রিটেনের তরফে বাংলাদেশের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না বলেও অভিযোগ করা হয়। এরপর থেকেই বাংলাদেশের নানা প্রান্তে শুরু হয় হাসিনা-বিরোধী আন্দোলন। তবে এর পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না তা নিয়েও শুরু হয়েছে চর্চা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Violence: উত্তাল বাংলাদেশ, ভারতের আর কোন পড়শির বাড়িতে লেগেছে অশান্তির আগুন?

    Bangladesh Violence: উত্তাল বাংলাদেশ, ভারতের আর কোন পড়শির বাড়িতে লেগেছে অশান্তির আগুন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে উত্তাল (Protests) বাংলাদেশ। তার জেরে সোমবারই প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন (Bangladesh Violence) শেখ হাসিনা। বোনকে নিয়ে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন ভারতে। হাসিনার পদত্যাগের খবর জানান সে দেশের সেনা প্রধান ওয়াকের-উজ-জামান। রাজধানী ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। লাঠিচার্জ করেও তাদের নিরস্ত করতে পারেনি বাংলাদেশ প্রশাসন। তার জেরেই সপ্তাহখানেক ধরে অশান্তির আগুনে পুড়ছে ভারতের প্রতিবেশী এই দেশ। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, মাঝ-জুলাইয়ের এই আন্দোলনে অন্তত ৯১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ডামাডোলের বাজারে চলছে হিন্দু নিধন যজ্ঞও।

    ‘দক্ষযজ্ঞ’ শ্রীলঙ্কায়

    বাংলাদেশের মতো এমন আন্দোলন বছর দুয়েক আগে দেখেছিল দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কাও। ঘটনাচক্রে সেটাও ছিল জুলাই মাস। দেশে (Protests) অথনৈতিক সঙ্কট চরমে। ব্ল্যাক আউট করে বিদ্যুৎ সঙ্কটের সমাধানের চেষ্টা করছে সরকার। খাবার এবং জ্বালানির অভাবে দ্বীপরাষ্ট্রবাসীর প্রাণ ওষ্ঠাগত। দেশকে দেউলিয়া ঘোষণা করে দেয় সরকার। এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই পথে নেমে পড়েন শ্রীলঙ্কাবাসী। তাঁরা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের সরকারি বাসভবনে হামলা চালান। জনরোষের আঁচ পেয়ে তার আগেই অবশ্য দেশ ছেড়ে ভিন দেশে পালিয়ে বাঁচেন রাজাপক্ষে।

    পাকিস্তানে অশান্তি

    ব্যাপক অশান্তি দেখেছে ভারতের আর এক পড়শি দেশ পাকিস্তানও। দেশের অর্থনৈতিক সঙ্কট যখন চরমে, তখনই সরিয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির প্রধান ইমরান খানকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে। সেটাও দু’বছর আগে। তবে মাসটা ছিল এপ্রিল। আস্থা ভোটে হেরে যাওয়ায় সরানো হয় ইমরানকে। জোট সরকারের নেতৃত্ব দেন শাহবাজ শরিফ। ওই বছরই (Bangladesh Violence) নভেম্বর মাসে পঞ্জাব প্রদেশে এক প্রতিবাদ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার সময় ইমরানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। তিনটি গুলি লাগে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর পায়ে। প্রাণে বেঁচে যান ইমরান। তবে কলঙ্কের দাগ লাগে পাক রাজনীতির গায়ে।

    আন্দোলনের আঁচ সর্বত্র

    তোষাখানা মামলা-সহ একাধিক মামলায় গ্রেফতার করা হয় ইমরানকে। ২০২৩ সালের মে মাসের ওই ঘটনার আগে পরে ব্যাপক আন্দোলন হয় পাকিস্তানে। প্রতিবাদী এই আন্দোলনের ঢেউ গিয়ে আছড়ে পড়ে আর্মি হেডকোয়ার্টার এবং আইএসআইয়ের হেডকোয়ার্টারে। তবে বন্দিদশা ঘোচেনি প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের। একের পর এক মামলা চলায় জেলের ঘানি টানছেন পাকিস্তানের এই ক্রিকেট তারকা-রাজনীতিক। চলতি বছরের মার্চে পাকিস্তানের মসনদে বসেন শরিফ। দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হন তিনি। শাসক বদলেছে। তবে দুঃখ ঘোচেনি পাকিস্তানের। দেনার দায়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার জোগাড় দেশটার। দেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হালের দশা কাটাতে ২৩ মার্কিন বিলিয়ন ডলার ঋণ করার পরিকল্পনা করেছে পাক সরকার। অর্থ সাহায্যের জন্য দোরে দোরে হাত পেতেছে শরিফের দেশ। আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার থেকেও সাহায্য মেলেনি। সব মিলিয়ে বেসামাল দশা পাক অর্থনীতির।

    অশান্তির আগুন মায়ানমারেও

    অশান্তির আগুনে পুড়েছে ছবির মতো সাজানো দেশ মায়ানমারও। সে দেশের জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলনে নেমেছেন মায়ানমারবাসী। সরকারের সঙ্গে সাধারণ মানুষের এই লড়াইয়ে কখনও পিছু হটেছে সেনা, কখনও আবার পিছু হটেছেন আন্দোলনকারীরা। ২৫ জুলাই মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (সামরিক শাসক বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জোট) ঘোষণা করে, জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে (Bangladesh Violence) জয় পেয়েছে তারা। টানা ২৩ দিনের লড়াই শেষে লাসিওর দখল নিয়েছে মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি। পুরোপুরি স্বাধীন হয়েছে লাসিও।

    আরও পড়ুন: অর্থ সংগ্রহ করতে আরএসএসের ভরসা গুরুদক্ষিণা!

    মাইলফলক জয়

    যদি প্রতিবাদীদের দাবি সত্য হয়, তাহলে তা হবে টানা তিন বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের একটা মাইলফলক জয়। জুন্টা সরকার যেভাবে সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছিল, তার প্রতিবাদে পথে নেমেছেন মায়ানমারবাসী। সেখানেই ঘোষিত হয়েছে জনতা জনার্দনের জয়। তবে সেজন্য কম খেসারত দিতে হয়নি মায়ানমারবাসীকে। প্রচুর প্রাণের বিনিময়ের পাশাপাশি ভিটে ছাড়া হয়েছেন ৩ মিলিয়নের বেশি মানুষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় লাসিও জয়ের ভিডিও পোস্ট করেছে মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি। তাতে দেখা যাচ্ছে, সর্বত্রই অ্যালায়েন্স আর্মির ভিড়। রেলস্টেশন, কারাগার, ব্রডকাস্ট স্টেশন কোথায় নেই তারা! মায়ানমারের সামরিক সরকার সোমবার স্বীকার করেছে যে তারা উত্তর-পূর্বে একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেনা দফতরের কমান্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে (Bangladesh Violence) পারছেন না।

    জনগণ খেপে গেলে কীই (Protests) না হয়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share