Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Donald Trump: ট্রাম্প প্রশাসনে আরও এক ভারতীয়  বংশোদ্ভূতের অভিষেক, কী দায়িত্ব পেলেন কাশ?

    Donald Trump: ট্রাম্প প্রশাসনে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূতের অভিষেক, কী দায়িত্ব পেলেন কাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের এক ভারতীয়  বংশোদ্ভূতের অভিষেক ট্রাম্প প্রশাসনে! আমেরিকার হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) মন্ত্রিসভা-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে চলছে ভারতীয়  বংশোদ্ভূতদের নিয়োগ। এবার এফবিআই (ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন)-এর পরিচালক পদে ট্রাম্প বেছে নিলেন কাশ প্যাটেলকে (Kash Patel)।

    কাশ প্যাটেল

    সিআইএর প্রধান হওয়ার দৌড়ে এগিয়েছিলেন কাশ। পরে ওই পদে বসানো হয় জন ব়্যাটক্লিফকে। কাশকে বসানো হল এফবিআইয়ের পরিচালক পদে। এক্স হ্যান্ডেলে ট্রাম্প লিখেছেন, “আমি এটা ঘোষণা করতে পেরে গর্বিত যে কাশ্যপ ‘কাশ’ এফবিআই-এর পরবর্তী পরিচালক হিসেবে কাজ করবেন।” কাশের পুরো নাম কাশ্যপ প্রমোদ প্যাটেল। তিনি দীর্ঘদিন হাউস পারমানেন্ট সিলেক্ট কমিটিতে কাউন্টার টেররিজমের উপদেষ্টা পদে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হোয়াইট হাউসে কাউন্টার টেররিজম ডিরেক্টরেট অফ দ্য ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সিনিয়র ডিরেক্টর পদে ছিলেন। ২০২০ সালে আমেরিকার অস্থায়ী প্রতিরক্ষা সচিব ক্রিস মিলারের চিফ অফ স্টাফ নিযুক্ত হন কাশ।

    কী বললেন ট্রাম্প?

    নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump) (শপথ নেবেন ২০ জানুয়ারি) বলেন, “আমি গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে কাশ্যপ ‘কাশ’ প্যাটেল ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) পরবর্তী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কাশ একজন মেধাবী আইনজীবী, তদন্তকারী এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির প্রবক্তা, যিনি তাঁর পুরো কর্মজীবনে দুর্নীতির উন্মোচন, ন্যায়বিচারের সুরক্ষা এবং আমেরিকান জনগণের সুরক্ষার জন্য কাজ করেছেন। তিনি ‘রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া’ ষড়যন্ত্র উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং সত্য, জবাবদিহিতা ও সংবিধানের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: মাও-মুক্ত ছত্তিশগড়ের গ্রাম, বিজলির আলোয় ঘুঁচল ‘আঁধার’

    তিনি বলেন, “আমার প্রথম মেয়াদের সময় কাশ অসাধারণ কাজ করেছেন। তিনি প্রতিরক্ষা বিভাগের চিফ অব স্টাফ, ডেপুটি ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী বিষয়ক সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কাশ ৬০টিরও বেশি জুরি ট্রায়াল পরিচালনা করেছেন।”

    ট্রাম্প বলেন, “এই এফবিআই আমেরিকায় ক্রমবর্ধমান অপরাধের মহামারী শেষ করবে, অভিবাসী অপরাধী গ্যাংগুলোকে ধ্বংস করবে এবং সীমান্ত জুড়ে মানব ও মাদক পাচারের দুষ্ট চক্র বন্ধ করবে।” তিনি বলেন, “কাশ (Kash Patel) আমাদের মহান অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডির অধীনে কাজ করবেন, এফবিআই-এ বিশ্বস্ততা, সাহসিকতা এবং সততা পুনরুদ্ধার করতে (Donald Trump)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh: এবার চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা খুনের মামলা’ ইউনূস প্রশাসনের!

    Bangladesh: এবার চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা খুনের মামলা’ ইউনূস প্রশাসনের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুকে ‘মিথ্যা মামলা’ দিয়ে ইউনূস সরকারের প্রশাসন গ্রেফতার করার পর থেকেই উত্তাল হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। চট্টগ্রামের হিন্দু নিপীড়ন, মন্দির ভাঙচুর-লুটপাট এবং ধর্মগুরুর নিঃশর্তে মুক্তি-সহ একাধিক দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন সনাতনীরা। নিরাপত্তা এবং শান্তি চেয়েছে আপামর হিন্দু সমাজ। পাল্টা ওই দেশের অন্তর্বর্তী সরকার মোট ১১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। উল্লেখ্য, এইসব মামলায় ৭০ জন আইনজীবী এবং দুজন সাংবাদিকও রয়েছেন, যদিও প্রত্যেকেই তাঁরা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর (Chinmoy Krishnas Das) আইনজীবী ছিলেন।

    অনেকেই বলছেন, শান্তিতে নোবেল পাওয়া মহম্মদ ইউনূস তাঁর দেশে হিন্দুদের সঙ্গে কতটা অভব্য আচরণ করছেন, তা অনুমেয়। এই বিষয়ে ভারত সহ বিশ্বের একাধিক দেশ ওই দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে। 

    হিন্দুপক্ষের আইনজীবী মনে করে পিটিয়ে খুন হয় সাইফুল (Bangladesh)

    ঢাকায় (Bangladesh) হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে (Chinmoy Krishnas Das) গত ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরদিন যখন চট্টগ্রামে তাঁকে আদালতে তোলা হবে সেই সময় এই প্রভুর ভক্তরা আদালত চত্বরে গেলে উগ্র জনতা এবং সেনা-প্রশাসন ব্যাপক মারধর করে। হিন্দুদের লক্ষ্য করে লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড চার্জ এবং কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং বাংলাদেশ সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, এই সময়েই হিন্দুপক্ষের আইনজীবী মনে করে পিটিয়ে খুন করা হয় সাইফুলকে। বর্তমানে পুলিশ এই খুনের মামলার তদন্ত করছে। এই মামলায় হিন্দুদের ফাঁসনোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছে চট্টগ্রামের হিন্দু পক্ষ।

    আরও পড়ুনঃ চিন্ময়কৃষ্ণের পরে শ্যামদাস প্রভু, আরও এক ইসকন সন্ন্যাসী গ্রেফতার বাংলাদেশে

    হিন্দুদের টার্গেট করতে খুনের মামলা আইনজীবীদের বিরুদ্ধে

    মৃত সাইফুলের ভাই খানে আলম চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর আইনজীবীদের নামে খুনের মামলা দায়ের করেছেন। হত্যা নিয়ে মোট ৫টি মামলা করা হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রামের (Bangladesh) হিন্দু আইনজীবীদের দাবি, মূলত হিন্দুদের টার্গেট করতে খুনের মামলায় হিন্দু আইনজীবীদের নাম দেওয়া হয়েছে। এরপর গত ৩০ নভেম্বর চট্টগ্রাম শহরের কোতয়ালি থানায় মামলা দায়ের হয়। মামলায় নিহত সাইফুলের বাবা জামালউদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের বিরুদ্ধে হত্যার মামলা করেছেন। আবার থানার ওসি আবদুল করিম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “নিহত সাইফুলের ভাই বাদী হয়ে ১১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচিতি আরও ৫০০ জনকে আসামি করে বিস্ফোরক আইনে মামলা করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক তথা আইনজীবী নিতাইপ্রসাদ ঘোষ, মহানগর পূজা পরিষদের সভাপতি চন্দন কুমার তালুকদার, আইনজীবী নিখিলকুমার নাথ, আইনজীবী চন্দন দাস, রুবেল পাল, সুমন আচার্য, আশীর্বাদ কুমার বিশ্বাস এবং আরও অনেকে।”

    হিন্দু আইনজীবীদের বক্তব্য

    চট্টগ্রামের (Bangladesh) আইনজীবী নিতাইপ্রসাদ ঘোষ বলেন, “মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে হিন্দু আইনজীবীদের। আদালত চত্বরে কোনও বিস্ফোরণ হয়নি। সেখানে বিস্ফোরক রাখার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। চট্টগ্রাম আদালতে নয় হাজার আইনজীবীর মধ্যে নয়শো জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। তাঁদের মধ্যে যাঁরা সংখ্যালঘুদের স্বার্থ নিয়ে কাজ করেন, বেছে বেছে তাঁদেরকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। সবটাই বৃহৎ হিন্দুশূন্য করার ষড়যন্ত্র।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: চিন্ময়কৃষ্ণের পরে শ্যামদাস প্রভু, আরও এক ইসকন সন্ন্যাসী গ্রেফতার বাংলাদেশে

    ISKCON: চিন্ময়কৃষ্ণের পরে শ্যামদাস প্রভু, আরও এক ইসকন সন্ন্যাসী গ্রেফতার বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দু সন্ন্যাসীদের ওপর হয়রানি চলছেই। ইসকনের (ISKCON) সন্ন্যাসী চিন্মযকৃষ্ণ দাসের পরে তাদেরই আরও এক সন্ন্যাসী শ্যামদাস প্রভুকে গ্রেফতার করল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে ইসকনের একটি কেন্দ্রে ভাঙচুরেরও অভিযোগ আনা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইসকনের ওই তরুণ সন্ন্যাসী (Hindu Priest) জেলে চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন এবং তখনই কোনও রকমের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই ইউনূস পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। গোটা ঘটনা কলকাতায় ইসকনের অন্যতম মুখপাত্র রাধারমণ দাস নিজের সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন এবং লিখেছেন, ‘‘চট্টগ্রাম পুলিশ আর এক ব্রহ্মচারী শ্যামদাসকে গ্রেফতার করেছে। তিনি কি সন্ত্রাসী? নির্দোষদের গ্রেফতারে ইসকন গভীর ভাবে মর্মাহত।’’ একের পর এক হিন্দু সন্ন্যাসী গ্রেফতার হচ্ছে বাংলাদেশে। এই আবহে ফের একবার হিন্দু বিক্ষোভে উত্তাল হতে পারে বাংলাদেশ, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    আজ ১৫০টির বেশি দেশে প্রার্থনার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাবে ইসকন (ISKCON)

    অন্যদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার ও ইসকনের (ISKCON) সন্ন্যাসীদের হয়রানি করার প্রতিবাদে আজ রবিবার ১ ডিসেম্বর, বিশ্বজুড়ে দেড়শোর বেশি দেশে লক্ষ লক্ষ ইসকন ভক্ত প্রার্থনা শুরু করবেন, এ কথা জানিয়েছেন ইসকনের অন্যতম রাধারমণ দাস। তিনি ভক্তদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রার্থনা-কীর্তন-ধর্মসভায় যোগদানের জন্য।

    ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার হন চিন্ময়কৃষ্ণ

    প্রসঙ্গত গত মাসের ২৫ নভেম্বর ঢাকা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় ইসকনের (ISKCON) সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে। সন্ন্যাসীর মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রাম এবং রংপুরে প্রবল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন সংখ্যালঘু হিন্দুরা। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে চট্টগ্রাম আদালতে তোলা হয়। সেই সময় বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে এক আইনজীবীর মৃত্যু হয়।

    শুক্রবারও হামলা চলেছে চট্টগ্রামে

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ও হিন্দুদের ওপরে হামলা চলছেই। শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, মৌলবাদীদের একটি দল হামলা চালায় বাংলাদেশের চট্টগ্রামের তিনটি হিন্দু মন্দিরে। প্রত্যেকটি মন্দিরকেই ভাঙচুর করা হয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, শুক্রবার চট্টগ্রামের হরিশচন্দ্র মুন্সি লেনে দুপুর আড়াইটে নাগাদ এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। শান্তনেশ্বরী মাতৃমন্দির ও তার নিকটবর্তী একটি শনি মন্দির এবং শান্তনেশ্বরী কালীবাড়িতে হামলা করা হয়। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমেও এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, একটি ভিড় থেকে স্লোগান দিতে দিতে ইট নিয়ে হামলা চালানো হয় মন্দিরগুলিতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: রাস্তায় আইসিসের পতাকা নিয়ে উল্লাস মিছিল! বাংলাদেশ কি ইসলামিক স্টেটে পরিণত হচ্ছে?

    Bangladesh: রাস্তায় আইসিসের পতাকা নিয়ে উল্লাস মিছিল! বাংলাদেশ কি ইসলামিক স্টেটে পরিণত হচ্ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকার পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে (Bangladesh) আক্রমণের মুখে হিন্দুরা। লাগাতার চলছে অত্যাচার। বাড়িঘর, দোকান পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, ভাঙা হচ্ছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এমনটাই অভিযোগ। এরইমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভুকে। এখানেই শেষ নয়। এবার অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে হুমকি মৌলবাদীদের। ইসকনের নাম নিলে গলা নামিয়ে দেওয়া হবে— এমনটাই হুমকি দেওয়া হচ্ছে। উড়ল আইসিসের (ISIS) পতাকা। যা নিয়ে বাংলার দুই পারে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করছে বাংলাদেশ ক্রমশও ইসলামিক স্টেটে পরিণত হতে যাচ্ছে। এই ঘটনা তা প্রমাণ করে দিল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bangladesh)

    এতদিন ইউনূস সরকারের (Bangladesh) পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ছিল জামাতে-ইসলামি মতো মৌলবাদী শক্তিরা। এবার যতদিন দিন যাচ্ছে সরকারের আসল চেহারা সামনে আসতে শুরু করেছে। এতদিন মুখোশের আড়ালে সবকিছু করলেও এখন ধীরে ধীরে দাঁত, নখ বের হতে শুরু করেছে। হাসিনার আমলে নিষিদ্ধ থাকা জঙ্গি সংগঠনই এখন নতুন করে মাথা চাড়া দেওয়া শুরু করেছে। যা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের কাছে চরম আতঙ্কের। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে উড়ল আইসিসের পতাকা। নামাজের পরে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই মুহূর্তে আইসিস (ISIS)-র পতাকা নিয়ে মিছিল করে মৌলবাদীরা। প্রকাশ্যে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) পতাকা নিয়ে উল্লাস করতে দেখা গেল তাদের। প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে হুমকি, রাস্তায় উড়ল ইসলামিক স্টেটের পতাকা। নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের পতাকা নিয়ে উল্লাস করতে দেখা গেল বাংলাদেশি মৌলবাদীদের।

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ ভারতে ধেয়ে আসছে ‘ফেনজল’, ল্যান্ডফল বিকেলেই, কলকাতায় মেঘলা আকাশ

    কারা করল এই মিছিল?

    বাংলাদেশের (Bangladesh) রাস্তায় কালেমা সহ আইসিসের পতাকা ওড়ানোর ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, এই মিছিল করেছিল নিষিদ্ধ হওয়া জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহেরি। শেখ হাসিনার সরকারের সময়কালে এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। হাসিনা সরকারের পতনের পরই ফের সক্রিয় তারা। আইসিসের পতাকা নিয়ে মিছিল করতে দেখা গেল তাদের। তহবিল জোগাড় করতেও দেখা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, আওয়ামি লিগ সরকারের পতনের পরই, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এই নিষিদ্ধ সংগঠনের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। এই হিজবুত তাহেরির নেতা মাহফুজ আলম বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের একজন উপদেষ্টাও বটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    Bangladesh Crisis: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) কি হিন্দ শূন্য হয়ে যাবে? সম্প্রতি দেশটিতে যেভাবে (ISKCON) হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে, যেভাবে হিন্দু সন্ন্যাসীদের (ISKCON) মিথ্যে অভিযোগে গ্রেফতার করা হচ্ছে, তার পরে স্বভাবিকভাবেই উঠছে এই প্রশ্ন। দিন কয়েক আগে গ্রেফতার করা হয়েছে বিশিষ্ট হিন্দু নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস মহারাজকে। রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। ন্যায় বিচারের দাবিতে হিন্দু সম্প্রদায় সমাবেশ করছে। তবে তারাও নির্মম দমন-পীড়ন ও হামলার মুখোমুখি হচ্ছে।

    চিন্ময় মহারাজ (Bangladesh Crisis)

    জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল পর্যন্তও চিন্ময় মহারাজকে আটকে রাখা হয়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখানে তাঁকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সনাতনী খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে না। তাঁর আইনজীবীরা উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করতে গিয়েও বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছে বিভিন্ন ইসলামী জঙ্গি সংগঠন যেমন হিজবুত তাহরির, জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ, হরকা তুল জিহাদ (হুজি), আনসার আল ইসলাম এবং হেফাজতে ইসলাম (হেই)-এর মতো উগ্রপন্থী ইসলামী গোষ্ঠীর সাজাপ্রাপ্ত জিহাদিরা। এই পরিস্থিতিতে চিন্ময় মহারাজের প্রাণ সংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা সনাতনীদের। চিন্ময় মহারাজ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ জোটের নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে যিনি রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ করেছেন, তিনি বিএনপির নেতা। ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার করার পর পরের দিনই তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় কারাগারে।

    হিন্দু আন্দোলনের মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলার চেষ্টা

    চিন্ময় মহারাজ ছিলেন বাংলাদেশে নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাঁকে গ্রেফতার করে হিন্দু আন্দোলনের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে দিতে চেয়েছে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা। সোশ্যাল মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসলামপন্থী ও হিন্দু-বিরোধী এলিমেন্টরা চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে হিন্দুদের বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলা চালাচ্ছে। ২৭ নভেম্বর ভোরের দিকে চট্টগ্রাম শহরের মেথরপট্টি এলাকায় মনসা মায়ের মন্দিরে দুষ্কৃতীরা আগুন লাগিয়ে দেয়। হজারিগলিতে কালী মন্দিরেও আগুন লাগিয়ে দেয় ইসলামপন্থী জনতা। হরিজন সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন বহু হিন্দু বাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, উগ্রপন্থীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলমানদের “ছুরি ধারালো করার” আহ্বান (ISKCON) জানাচ্ছে। তারা যাতে ইসকনের সদস্যদের হত্যা করতে পারে, তাই ছুরি ধারালো করার আহ্বান। চট্টগ্রাম শহরের হিন্দুরা এক অসহনীয় অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন বলে খবর (Bangladesh Crisis)। এবারের অত্যাচার ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের স্থানীয় সহযোগীদের দ্বারা সংঘটিত নির্যাতনের কথা মনে করিয়ে দেয়।

    আরও পড়ুন: “মোদি অনেক ভালো কাজ করেছেন”, বললেন আন্তর্জাতিক লগ্নিকারী জিম রজার্স

    চরমে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মহম্মদ ইউনূসের তদারকি সরকার যদি এই হিংসা বন্ধ করতে না পারে, তাহলে বহু হিন্দু খুন হতে পারেন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে পারেন হিন্দু মহিলারা। চলতি বছরের অগাস্ট মাস থেকে (পড়ুন প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর) বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার তুঙ্গে। নির্বিচারে ভাঙচুর করা হচ্ছে হিন্দুদের বাড়ি এবং মন্দির। লুটতরাজ চালানো হচ্ছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে। হামলা চালনো হচ্ছে হিন্দুদের বাড়িতে। রাতের অন্ধকারে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুনও। স্থানীয় মিডিয়াকে এই ঘটনাগুলো প্রচার করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মিডিয়ার বেশিরভাগই কোনও এক অজানা কারণে নৃশংসতার এই ছবি তুলে ধরা থেকে বিরত থেকেছে।

    বিহারিদের অত্যাচার!

    ‘স্ট্র্যান্ডেড পাকিস্তানিজ’ কমিউনিটির সদস্যরা, যারা বিহারি নামেও পরিচিত, তারাও হিন্দুদের বিরুদ্ধে এই হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। এই অপরাধগুলো গুরুতর হওয়া সত্ত্বেও, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো মানবাধিকার সংগঠনগুলি অদ্ভুতভাবে নীরব রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এর কারণ সম্ভবত ইউনূসের প্রভাব এবং বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর কানেকশনের কারণে (ISKCON)।

    ক্লিন্টনের কারবার

    দেশে লাগাতার হিন্দু নিধন যজ্ঞ চললেও, চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য আমেরিকা সফরের সময় ইউনূসকে ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ দ্বারা সম্মানিত করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে, বিল ক্লিনটন নিষিদ্ধ ইসলামপন্থী সংগঠন হিজব-উত-তাহরির-এর নেতা মাহফুজ আলমের প্রশংসা করেন। এই সংগঠন খিলাফত প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করে। সেই সংগঠনেরই হয়ে সাফাই গাইতে দেখা যায় বিল ক্লিনটনকে। হিন্দুদের (Bangladesh Crisis) পীড়ন করার পাশাপাশি বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করাও শুরু করে দিয়েছে ইউনূস সরকার। অক্টোবরে আওয়ামি লিগের ছাত্র সংগঠনের গায়ে জঙ্গি সংগঠনের তকমা সেঁটে দিয়ে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। রিপোর্টে বলা হচ্ছে যে, সরকার আওয়ামি লিগকে রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে।

    এতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে প্রতিষ্ঠিত হবে ইসলামি শক্তির আধিপত্য। হিন্দু ও খ্রিষ্টান-সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য তেমন কোনও প্রতিনিধিত্ব থাকবে না। তাই সমালোচনাও হবে না। মৌলবাদীদের পাশাপাশি করেকম্মে (ISKCON) খাবে জঙ্গিরাও (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: আদালতে ধাক্কা খাওয়া ইউনূস সরকারের নয়া চক্রান্ত, ফ্রিজ ইসকনের ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট

    ISKCON: আদালতে ধাক্কা খাওয়া ইউনূস সরকারের নয়া চক্রান্ত, ফ্রিজ ইসকনের ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসকন (ISKCON) ইস্যুতে বাংলাদেশ কোর্টে জোর ধাক্কা খেয়ছে মৌলবাদীরা। কারণ, অনেক ইসলামপন্থি বাংলাদেশি তাঁদের দেশে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ‘ইসকন’কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবিতে সরব হয়েছিল। এই মর্মে বাংলাদেশ হাইকোর্টে একটি পিটিশনও দাখিল করা হয়। তবে আদালতে সেই পিটিশন খারিজ হয়ে যায়। আদালত সরকারের ওপর দায় চাপিয়ে দিয়েছে। আদালতে কাজ হাসিল না হওয়ায় ‘রাগে’ ইসকনের ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার নির্দেশ দিল ইউনূস সরকার। অবশ্য ইউনূসকে সামনে রেখে পিছনে ছড়ি ঘোরানো মৌলবাদীরা ইসকনকে চাপে রাখতে সব রকমের কৌশল নেওয়া শুরু করেছে। এবার মূলত ইসকনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের দিকে ইউনূস সরকারের নজর রয়েছে!

    ইসকনের ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ! (ISKCON)

    বাংলাদেশের ইসকনের (ISKCON) ১৭ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার নির্দেশ দিল দেশের অর্থনৈতিক কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছেন ধৃত সনাতনী নেতা চিন্ময়কৃষ্ণ দাসও। প্রথম আলো সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে এই নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের ফিনান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এক মাস এই অ্যাকাউন্টগুলিতে কোনও রকম আর্থিক লেনদেন হবে না, কড়া নির্দেশে জানিয়েছে বিএফআইইউ। বিএফআইইউ ইসকনের ১৭ জনের অ্যাকাউন্টের যাবতীয় তথ্য জানাতে বলেছে ওই ব্যাঙ্ক এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে। তিনদিনের মধ্যে অ্যাকাউন্টগুলির লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য জানাতে হবে বিএফআইইউ-কে।

    আরও পড়ুন: দক্ষিণ ভারতে ধেয়ে আসছে ‘ফেনজল’, ল্যান্ডফল বিকেলেই, কলকাতায় মেঘলা আকাশ

    চিন্ময় প্রভু গ্রেফতারি নিয়ে সরব অসকন

    প্রসঙ্গত, ২৫ নভেম্বর ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেফতার হন সনাতনী নেতা চিন্ময়কৃষ্ণ দাস। এই ঘটনার পরপরই বাংলাদেশের ইসকন (ISKCON) বিবৃতিতে চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির তীব্র নিন্দা করেছে। বৃহস্পতিবারও এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘আমরা সবাই হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আর্জি জানাচ্ছি। ফের শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা হোক দেশে। চিন্ময়কৃষ্ণ দাস হিন্দুদের রক্ষার্থে এবং মন্দিরের সুরক্ষার জন্য লড়াই করছেন। অধিকার আদায় এবং স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামের অধিকার তাঁর রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে সমর্থন করা থেকে বিরত হচ্ছি না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jim Rogers: “মোদি অনেক ভালো কাজ করেছেন”, বললেন আন্তর্জাতিক লগ্নিকারী জিম রজার্স

    Jim Rogers: “মোদি অনেক ভালো কাজ করেছেন”, বললেন আন্তর্জাতিক লগ্নিকারী জিম রজার্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি (PM Modi) সাহেব অনেক ভালো কথা বলেছেন এবং তিনি কিছু ভালো কাজ করেছেন।” কথাগুলি বললেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী জিম রজার্স (Jim Rogers)। গ্লোবাল বাজার বিশ্লেষণে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিভঙ্গির জন্যও পরিচিত তিনি। তিনি ভারতের প্রবৃদ্ধি এবং গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের উন্নতির বিষয়ে তাঁর দক্ষতা এবং কৌশলগত অন্তর্দৃষ্টির জন্যও সুপরিচিত।

    আশাবাদী রজার্স (Jim Rogers)

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের অর্থনৈতিক গতিপথ নিয়ে আশা প্রকাশ করেন রজার্স। গত দশকে সরকারের প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ভারতের অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। রজার্স বলেন, “অনেক দশক ধরে দিল্লি অনেক ভালো বিষয় নিয়ে কথা বলেছে। কিন্তু তারা সত্যিই তা বাস্তবে প্রয়োগ করেনি। আমার কখনও মনে হয়নি যে দিল্লি অর্থনীতি বুঝেছে এবং কী হওয়া উচিত, তা উপলব্ধি করেছে।”

    কী বললেন রজার্স?

    রজার্স বর্তমান সরকারের অধীনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি (Jim Rogers) বলেন, ‘‘এখন, জীবনে প্রথম বারের মতো আমি মনে হচ্ছে যে, দিল্লি এটা (অর্থনীতি) বুঝছে এবং তারা সত্যিই এটি বাস্তবায়ন করতে চায়, এবং পরিস্থিতি আরও ভালো হবে।’’ তিনি ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কার ও প্রবৃদ্ধি কৌশল সম্পর্কে নতুন করে আশার আলোর কথা শোনান। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মোদি সরকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়ন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে পণ্য ও পরিষেবা কর, দেউলিয়া ও দেউলিয়া আইন, এবং ব্যবসা পরিচালনা উন্নত করার লক্ষ্যে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ।

    আরও পড়ুন: ‘পরিবারের যত্ন নিন’, ওড়িশায় দলীয় বৈঠকে কর্মীদের ‘পরামর্শ’ প্রধানমন্ত্রীর

    মোদি সরকারের এই সব পদক্ষেপের সুফলও ফলেছে। ২০১৪ সালের আগে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ১০ নম্বরে ছিল ভারত। মোদি জমানায় সেই দেশই উঠে এসেছে পাঁচ নম্বরে। দীর্ঘকাল এই জায়গাটা ধরে রেখেছিল ব্রিটেন। সেই রাজার দেশকে নীচে নামিয়ে পঞ্চম স্থানটি দখল করেছে মোদির (PM Modi) ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, অচিরেই ভারত উঠে আসবে ওই তালিকার তিন নম্বরে (Jim Rogers)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দু! চট্টগ্রামে ফের হামলা ৩ মন্দিরে

    Bangladesh: বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দু! চট্টগ্রামে ফের হামলা ৩ মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) সংখ্যালঘু ও হিন্দুদের ওপরে হামলা চলছেই। ইতিমধ্যে সেখানে পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে ভারত সরকারও। ঠিক এই আবহে শুক্রবার ২৯ নভেম্বর মৌলবাদীদের একটি দল হামলা চালায় বাংলাদেশের চট্টগ্রামের তিনটি হিন্দু মন্দিরে। প্রত্যেকটি মন্দিরকেই ভাঙচুর করা হয়েছে বলে খবর। চট্টগ্রাম বাংলাদেশের (Bangladesh) বন্দর নগরী বলে পরিচিত। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এখানেই গ্রেফতার করা হয় ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে।

    একটি ভিড় স্লোগান দিতে দিতে হামলা চালায় 

    সে নিয়ে উত্তাল হয় চট্টগ্রাম (Chattogram) আদালত। জানা গিয়েছে, শুক্রবার চট্টগ্রামের হরিশচন্দ্র মুন্সি লেনে দুপুর আড়াইটা নাগাদ এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। শান্তনেশ্বরী মাতৃমন্দির ও তার নিকটবর্তী একটি শনি মন্দির এবং শান্তনেশ্বরী কালীবাড়িতে হামলা করা হয়। বাংলাদেশের (Bangladesh) জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল বিডি নিউজ২৪ এই খবর করেছে। ওই পোর্টালের নিউজ অনুযায়ী, একটি ভিড় স্লোগান দিতে দিতে  ইট নিয়ে হামলা চালায় মন্দিরগুলিতে। 

    মন্দিরের পাশপাশি হামলা চলে আশেপাশের দোকানগুলিতেও

    এ নিয়ে বিবৃতি সামনে এসেছে স্থানীয় কোতোয়ালি থানার ওসি আবদুল করিমের। তিনি এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। শান্তনেশ্বরী মন্দির কর্তৃপক্ষের অন্যতম সদস্য তপন দাস সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শুক্রবার জুম্মার নমাজের পরে শতাধিক ভিড়ের একটি মিছিল আসে এবং তারা হিন্দু বিরোধী ও ইসকন বিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করে। এর পরেই হামলা চালানো হয়। মন্দিরের মূল দরজায় আক্রমণ করে। এই সময় অন্য একটি ভিড় পাশের শনি মন্দির ও কালীমন্দিরে হামলা চালায়। শুধু তাই নয়, বেশ কতগুলি দোকান ঘরেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

    বুধবারই বন্ধ করা হয় ইসকনের এক মন্দির

    বুধবার বাংলাদেশের সোনালি মার্কেটে অবস্থিত ইসকন মন্দির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, মৌলবাদী নেতারা আধ ঘণ্টার মধ্যে মন্দির বন্ধ করার এবং ইসকনের সদস্যদের গ্রেফতার করার হুমকি দিচ্ছে। পুলিশ ও সেনারাও সেখানে উপস্থিত ছিল। ইসকনের সমর্থকদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। বেছে বেছে হিন্দুদেরই পুলিশ ধরছে বলে অভিযোগ। হিন্দুদের ওপরে মৌলবাদীদের নেতৃত্বে হামলার লাগাতার অভিযোগ আসছে। বাড়ি-ঘর, দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ভয়ঙ্কর চিত্রও সামনে এসেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Unrest: ২ বছর ধরে বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী চক্রান্তের জাল বুনেছে ইসলামি ছাত্র শিবির, আইএসআই!

    Bangladesh Unrest: ২ বছর ধরে বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী চক্রান্তের জাল বুনেছে ইসলামি ছাত্র শিবির, আইএসআই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের কবল থেকে ভারতের প্রত্যক্ষ মদতে স্বাধীনতা লাভ করেছিল বাংলাদেশ (Bangladesh)। ৫২ বছর পর সেই বাংলাদেশে ভিড়ল পাকিস্তানের জাহাজ। পাকিস্তানের সেই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছয়। জাহাজে কী ছিল? জানা যায়নি স্পষ্ট করে। কিন্তু এরমধ্যে হাসিনার গণতান্ত্রিক সরকারকে ফেলে দিয়ে লুট হয়েছে গণভবন (Bangladesh Unrest)। আওয়ামি লিগকে বিতাড়িত করে, পেছনের দরজা দিয়ে গদিতে বসেছেন মহম্মদ ইউনূস (Muhammed Yunus)। দেশ এখন সম্পূর্ণ ভাবে জামাত-ই-ইসলামি এবং বিএনপি-র মতো কট্টর মৌলবাদী জেহাদিদের হাতে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অকথ্য অত্যাচার চলছে (Anti Hindu Conspiracy)। একই ভাবে ভারতের জাতীয় পতাকা এবং সম্মানকে ক্ষুণ্ণ করার দৃষ্টান্ত নজরে এসেছে সামজিক মাধ্যমে। কীভাবে উপকারীর অপকার করতে হয় তার হয়ত উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ইউনূস প্রশাসন। তবে, এটা আচমকা শুরু হয়নি। গত ২ বছর ধরে ধীরে ধীরে বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী (Anti Hindu Conspiracy) ও ভারত-বিরোধী চক্রান্তের জাল বুনে চলেছে কট্টর মৌলবাদী ইসলামি ছাত্র শিবির (Islami Chhatra Shibir) এবং পাকিস্তানের আইএসআই (Pak ISI)। আসুন জেনে নিই কীভাবে এতকাণ্ড ঘটল।

    ষড়যন্ত্র শুরু হয় ২০২২ সালে

    বাংলাদেশে (Bangladesh Unrest) গভীর ষড়যন্ত্রের প্রথম শুরু হয় ২০২২ সালের একেবারে গোড়ায়। ইসলামিক ছাত্র শিবিরের (Islami Chhatra Shibir) নেতারা তখন ঘনঘন পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলেন। পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে লাগাতার বৈঠক হয়। সেখানেই আন্দোলন এবং পরিকল্পনার রোডম্যাপ তৈরি করা হয়। তবে তারা এক দিনের আন্দোলন নয়, দীর্ঘ দিনের আন্দোলনের বিষয় স্থির করেছিল। যার প্রথম ধাপে ছিল বিপুল পরিমাণ মানুষকে ক্ষিপ্ত করে রাস্তায় নামানো (Bangladesh Unrest)। এরপর শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করানো। তারপর দ্বিতীয় ধাপে মহম্মদ ইউনূসকে তত্ত্বাবোধায়ক সরকার গঠনে নেতৃত্ব দেওয়া। কারণ ইউনূস এমন ব্যক্তি যিনি ইসালামি আগ্রাসী মনোভাব নিয়েই কাজ করবেন। আইএসআই স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বাংলাদেশে ইসলামকে সর্বাত্মক কার্যকর করতে হবে। কোনও সংখ্যালঘু (Anti Hindu Conspiracy) যেন আর না থাকে। অত্যাচার, নিপীড়ন, লুট, ধর্ষণ, খুনের বিরাট টার্গেট স্থির করা হয়। পাকিস্তানের মতো যেন বাংলাদেশ হিন্দু শূন্য হয়, এটাই পরিকল্পনা স্থির হয়েছিল। 

    আইএসআই-এর বিরাট ষড়যন্ত্র! (Anti Hindu Conspiracy)

    কার্যত এই পরিকল্পনার স্পষ্ট বাস্তবায়ন আমরা দেখেছি গত ৫ অগাস্টের পর থেকে। একে একে রংপুর, কুমিল্লা, ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল, চট্টগ্রামে হিন্দু মন্দির এবং বাড়ি-ঘরে কীভাবে হামলা হয়েছে (Bangladesh Unrest)। তবে আইএসআই ছাত্র শিবিরকে আশ্বাস দিয়েছিল, আন্দোলনে শোরগোল ফেলতে আরও বেশি কর্মীর প্রয়োজন হবে। তরুণ মুসলমান যুবকদের ভারত বিরোধী (Anti India Campaign) মগজ ধোলাই করতে সামজিক মাধ্যমে নানা উপকরণ ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিকৃত তথ্য এবং বিভ্রান্ত খবরের জোগান দিয়ে যুব সমাজের মনকে আকর্ষণ করা হয়। প্রথমে সামজিক মাধ্যমে আবহকে উত্তপ্ত করা হয় এবং এরপর মাঠে-ময়দানে, রাস্তায়  ধাপে ধাপে পরিকল্পনা করে নামানো হয় জনগণকে।

    ছাত্রদের মুখ করতে হবে

    আইএসআই খুব স্পষ্ট ভাবে নির্দেশ দিয়েছিল এই আন্দোলন যেন দেখতে সম্পূর্ণ ভাবে ছাত্র আন্দোলন হয়। ছাত্রদের সামনে রাখলে তবেই আন্দোলন বাস্তবায়ন হবে। উদ্দেশ্য সফল হবে। যে ছাত্র সমাজ কোটা-বিরোধী আন্দোলনে (Bangladesh Unrest) যোগদান করেছিল, তাদের একটা বড় অংশ আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে অন্ধকারে ছিল (Anti Hindu Conspiracy)। বিএনপি এই বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজনৈতিক রং দেয়। বিশ্বের ইতিহাস দেখলে দেখা যাবে ছাত্র আন্দোলনের নামে যে কোনও স্বার্থকে খুব সহজেই আদায় করা যায়। জামাত শিবির, ইসলামিক ছাত্র শিবির (Islami Chhatra Shibir) এবং আইএসআই তাই এই বৃহৎ পরিকল্পনা করেছিল (Islami Chhatra Shibir Pak ISI Nexus)।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘লুট করা হচ্ছে হিন্দুদের দোকান-বাড়ি’’, বাংলাদেশ ইস্যুতে সংসদে বিবৃতি জয়শঙ্করের

    প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনা (Bangladesh Unrest)

    প্রায় দুই বছর ধরে ইসালামিক ছাত্র শিবির (Islami Chhatra Shibir) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গির নগর বিশ্ববিদ্যালয় সহ একাধিক জায়গায় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ধীরে ধীরে প্রভাব বিস্তার শুরু করে। জামাতের এই ছাত্র সংগঠনের অনেক সদস্য পাকিস্তানের আইএসআই-এর দ্বারা প্রশিক্ষিত হয়। তবে তারা নিজেরা রাস্তায় না নামলেও পরিকল্পিত ভাবে সাধারণ ছাত্র-জনতাকে রাস্তায় নামতে যুক্তি, কারণ এবং তথ্য প্রদানের কাজ করেছে। ফলে, আজকে বাংলাদেশের যা পরিস্থিতি, তার জন্য আইএসআই ভীষণ ভাবে দায়ী। 

    ভারত বিদ্বেষী প্রচার 

    আইএসআই-এর কাছে হাসিনার সরকারকে টার্গেট করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ঠিক হয় ভারত বিদ্বেষী (Anti India Campaign) ভাবনার ব্যাপক প্রচার-প্রসার। হাসিনার আমলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ৬.৩ শতাংশ আর্থিক বৃদ্ধি হয়েছিল। ভারতের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত মিত্রতার। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh Unrest) বাণিজ্য ২০২১ সালে রেকর্ড স্তর ১৪ বিলিয়ন ডালারে পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৩ সালে ১১.৩ বিলিয়ন ডলারে পরিণত হয়েছে। অপর দিকে নতুন ইউনূস সরকার জানিয়েছে, দুই দেশের বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না। যদিও বাংলাদেশের থেকে আদানি পাওয়ার সংস্থার ৮০ কোটি ডলার পাওনা রয়েছে। এখন এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হল ভারতের সঙ্গে যাতে বাংলাদেশের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন ও চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারির বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠল ব্রিটিশ সংসদেও

    Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন ও চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারির বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠল ব্রিটিশ সংসদেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্রিটেনের সংসদে সরব হলেন কনজারভেটিভ পার্টির এমপি বব ব্ল্যাকম্যান। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ও চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর গ্রেফতারির ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বব ব্ল্যাকম্যান (Bob Blackman) বলেন, “বাংলাদেশে যেভাবে হিন্দুদের ওপর হামলা হচ্ছে, জেলে ভরা হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে, সেসবের তীব্র নিন্দা করছি। ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে চেয়ে বাংলাদেশের হাইকোর্টে যেভাবে মামলা দায়ের হয়েছে, সেটাও যথেষ্ট উদ্বেগের। বিশ্বের সমস্ত দেশেই ধর্মপালনের স্বাধীনতা থাকা উচিত।”

    ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর এমন নির্যাতন মোটেই বরদাস্ত করা যায় না

    বব ব্ল্যাকম্যান (Bob Blackman)  আরও বলেন, “বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের হত্যা করে তাঁদের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে মন্দির। বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকারে যাই পরিবর্তন হয়ে থাকুক না কেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর এমন নির্যাতন মোটেই বরদাস্ত করা যায় না। গোটা ঘটনায় দায় রয়েছে আমাদেরও, কারণ বাংলাদেশকে স্বাধীন হতে সাহায্য করেছিল ব্রিটেন।”

    ইউনূস সরকারের আমলে বাংলাদেশে দু’হাজারের বেশি হিংসার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে

    প্রসঙ্গত, গত বুধবারই বাংলাদেশের (Bangladesh) ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক রিপোর্ট পেশ করে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্স-এর বহুদলীয় গোষ্ঠী ‘অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ ফর দ্য কমনওয়েলথ’। ওই রিপোর্টে বলা হয়, “ইউনূস সরকারের আমলে বাংলাদেশে দু’হাজারের বেশি হিংসার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার বদলা নিতে বিচার ব্যবস্থাকে ব্যবহার করেছে। আইনকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার সংস্কৃতি অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share