Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • BrahMos Missiles: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    BrahMos Missiles: আরও চাপে চিন! ফিলিপিন্সে পোঁছল ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনৈতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ করল ভারত। চিনকে চাপে রাখতে ইতিমধ্যেই ফিলিপিন্সের সঙ্গে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই চুক্তির আওতায় শুক্রবার সকালেই ফিলিপিন্সে প্রথম দফায় পৌঁছল ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র (BrahMos Missiles)। ইতিমধ্যেই চিনকে নিশানায় রেখে লাদাখ ও অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র বসিয়েছে ভারত। এবার এই জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র চলে গেল ফিলিপিন্সের নৌ বাহিনীর হাতেও।

    সর্ববৃহৎ সামরিক রফতানি চুক্তি 

    ফিলিপিন্সের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত সর্ববৃহৎ সামরিক রফতানি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত (India-Philippines Relations)। শুক্রবার ভোরেই ফিলিপিন্সে পৌঁছে যায় ভারতের ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র। ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF C-17) বিমানে চাপিয়ে ফিলিপিন্সে ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে নাগপুর থেকে রওনা দেয় বায়ুসেনার ওই বিমান। শুক্রবার ভোরে ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলায় পৌঁছয়। এর সঙ্গে ছিল তিনটি সাধারণ বিমানও। যাতে ছিল অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম এবং ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের সহায়ক যন্ত্রাংশ।

    কেন ফিলিপিন্সে ব্রহ্মস

    ফিলিপিন্সের উপকূলীয় নিরাপত্তার কাজে ভারতে তৈরি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হবে। পশ্চিম ফিলিপিন্স সাগরে আধিপত্য নিয়ে চিনের সঙ্গে সংঘাত রয়েছে ফিলিপিন্সের। সেই আবহে ভারতের সঙ্গে ফিলিপিন্সের এই সামরিক চুক্তিতে চিনের উপর চাপ বাড়বে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে যৌথ উদ্যোগে গঠিত ব্রহ্মস এরোস্পেস সংস্থায় তৈরি ব্রহ্মস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়েও দ্রুতগামী। স্থলভূমির পাশাপাশি ডুবোজাহাজ, জাহাজ, যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া সম্ভব। এই ক্ষেপণাস্ত্রই এবার শোভা পাবে ফিলিপিন্সের নৌ বাহিনীর সমর সম্ভারে। 

    কবে হয়েছিল চুক্তি

    ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ফিলিপিন্সের সঙ্গে সামরিক চুক্তির ঘোষণা করে ভারত। চুক্তি যদিও ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বরই স্বাক্ষরিত হয়।  বিদেশে সামরিক সরঞ্জাম রফতানির ক্ষেত্রে ফিলিপিন্সের সঙ্গে এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রথম অন্য দেশের সঙ্গে সামরিক সরঞ্জাম রফতানির এত বড় চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ভারত।  যা শুক্রবার বাস্তব রূপ পেল। মোট ২,৭০০ কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের সঙ্গে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ফিলিপিন্স। ওই চুক্তির আওতায় ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র  প্রযুক্তি কিনছে তারা। ক্ষেপণাস্ত্রের তিনটি ব্যাটারিও তাদের বিক্রি করছে ভারত। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ফিলিপিন্স নৌসেনার ২১ সৈনিককে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Iran Israel Conflict: প্রত্যাঘাত করল ইজরায়েল, ইরানের ‘লক্ষ্যবস্তু’তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তেল আভিভের

    Iran Israel Conflict: প্রত্যাঘাত করল ইজরায়েল, ইরানের ‘লক্ষ্যবস্তু’তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তেল আভিভের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানকে জবাব দিল ইজরায়েল (Iran Israel Conflict)। শুক্রবার ভোরে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেলআভিভ। মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি ইসফাহানে বিস্ফোরণের বার্তা সম্প্রচার করা হয়েছে ইরানের সরকারি টেলিভিশনেও। ইরানের একটি বিমানবন্দরেও ক্ষেপণাস্ত্র হানা হয়েছে বলে খবর।

    হুঁশিয়ারি ছিল আগেই (Iran Israel Conflict)

    ইরানের ইসফাহানেই রয়েছে নাতাঞ্জ-সহ কয়েকটি পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র। রয়েছে ইউরেনিয়াম পরিশোধন কেন্দ্রও। প্রসঙ্গত, গত শনিবার ইরানিয়ান সেনা তিনশোটিরও বেশি ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র  হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েলে। তবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার আগেই সেগুলিকে গুলি করে নামিয়ে ফেলেছিল মার্কিন সেনা। পরে টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে ইজরায়েলি ফৌজের মুখপাত্র ড্যানিয়েল হ্যাগারি বলেছিলেন, ইরান ড্রোন ও মিসাইল হামলা শুরু করেছে। আমরা সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য তৈরি।

    প্রত্যাঘাতের বার্তা

    এর পরেই ইরানকে (Iran Israel Conflict) প্রত্যাঘাতের বার্তা দিয়েছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইজরায়েল যে প্রত্যাঘাত করবেই তা জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনও। পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তির কালো মেঘ ঘনাতেই ইজরায়েলকে ইরানে প্রত্যাঘাত করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানায় আমেরিকা, রাশিয়া সহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও দুই দেশে ফোন করে কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার কথা বলেছেন। এমনই আবহে ইরানিয়ান শহরে হামলা চালাল ইজরায়েল।

    এই হামলার চব্বিশ ঘণ্টা আগেই ইরানের আইআরজিসি কমান্ডার হুমকি দিয়েছিলেন, ইজারায়েলের নিউক্লিয়ার সাইটগুলিতে হামলা চালানো হবে। এর পরেই অ্যাটোমিক ফেসিলিটিকে ধ্বংস করতে মিসাইল ছুড়ল তেল আভিভ। এখানকার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জেনারেল আহমেদ হাগতালাব বলেন, “ইজরায়েলের এই আক্রমণের পর ইরানকে এবার নিউক্লিয়ার ডকট্রিন নিয়ে বিশদে ভাবনাচিন্তা করতে হবে।” জানা গিয়েছে, শুক্রবার কাকভোরে ইরানে আছড়ে পড়ে বেশ কয়েকটি ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের দাবি, ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্রগুলিকে প্রতিহত করেছে তারা। একাধিক মিসাইল গুলি করে নামিয়েছে তেহরান। ইরানেরই অন্য এক সামরিক আধিকারিক অবশ্য অস্বীকার করেছেন হামলার কথা। এছাড়া সিরিয়া এবং ইরাকেও হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। ঘটনার জেরে ইরান দেশের বেশ কয়েকটি স্থানের বিমান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে (Iran Israel Conflict)।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আরও বেশি করে ভোট দিন’’, পাঁচ ভাষায় প্রথম বারের ভোটারদের আবেদন মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India US Relation: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক ভারত, ফের রাষ্ট্রসংঘে সুর চড়াল আমেরিকাও

    India US Relation: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক ভারত, ফের রাষ্ট্রসংঘে সুর চড়াল আমেরিকাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য করা হোক ভারতকে। দিন কয়েক আগে টেসলার সিইও ইলন মাস্ক এমনই দাবি করেছিলেন (India US Relation)। এবার তাঁর সুরে সুর মেলাল আমেরিকাও। যদিও মাস্কের ঢের আগেই এই একই দাবি জানিয়েছিল জো বাইডেনের দেশ। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা ৫। এই দেশগুলির প্রত্যেকেরই ভেটো প্রয়োগের ক্ষমতা রয়েছে।

    নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদের দাবি (India US Relation)

    বাকি চার দেশ ভারতের স্থায়ী সদস্য হওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেও, চিনের ভেটোর জেরে প্রতিবারই ছিটকে যেতে হয়েছে ভারতকে। লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে বিজেপির তরফে যে ইস্তাহার (সঙ্কল্পপত্র) প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেও বলা হয়েছে ভারতকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যে পরিণত করতে জোরদার চেষ্টা চালানো হবে। এহেন (India US Relation) আবহেই মাস্ক দাবি করলেন, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদ পাওয়া উচিত ভারতের। একই দাবি আবারও করল আমেরিকা।

    কী বললেন বেদান্ত প্যাটেল?

    বৃহস্পতিবার মার্কিন বিদেশ দফতরের প্রিন্সিপাল ডেপুটি মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্য পদ পেতে বাড়তি সমর্থন মিলেছে।” মাস্কের দাবির প্রেক্ষিতে বেদান্ত বলেন, “প্রেসিডেন্ট (জো বাইডেন) এ ব্যাপারে আগেও বলেছেন রাষ্ট্রসংঘের প্রায় সব সাধারণ সভায়। সেক্রেটারি সে বিষয়ে ইঙ্গিতও দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “আমরা চাই নিরাপত্তা পরিষদ-সহ রাষ্ট্রসংঘের সব ক্ষেত্রে সংস্কার হওয়া প্রয়োজন। কারণ আমরা বাস করছি একবিংশ শতাব্দীতে। রাষ্ট্রসংঘে সংস্কারের যে প্রয়োজন রয়েছে, তা আমরা স্বীকার করি।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘আরও বেশি করে ভোট দিন’’, পাঁচ ভাষায় প্রথম বারের ভোটারদের আবেদন মোদির

    জানুয়ারি মাসেই টেসলার সিইও মাস্ক বলেছিলেন, “নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্য পদ নেই, এটা মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।” এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে মাস্ক লিখেছিলেন, “কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘের কাঠামোয় সংস্কার সাধন করা প্রয়োজন। কিন্তু সমস্যা হল, যে সব দেশের হাতে প্রভূত ক্ষমতা রয়েছে, তারা তা ছাড়তে রাজি নয়। ভারতের মতো জনবহুল একটি দেশের নিরাপত্তা পরিষদে ঠাঁই না হওয়াটা আশ্চর্যের বিষয়। সামগ্রিকভাবে আফ্রিকারও স্থায়ী সদস্য পদ পাওয়া উচিত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Maldives: কেলেঙ্কারির পাঁকে ডুবে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট! গদি খোয়াতে চলেছেন চিনপন্থী মুইজ্জু?

    Maldives: কেলেঙ্কারির পাঁকে ডুবে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট! গদি খোয়াতে চলেছেন চিনপন্থী মুইজ্জু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গদি খোয়াতে চলেছেন মলদ্বীপের (Maldives) চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু! রবিবার এই দ্বীপরাষ্ট্রে রয়েছে সংসদীয় নির্বাচন। তার আগেই পর্দা ফাঁস প্রেসিডেন্টের কেলেঙ্কারির। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে একটি রিপোর্ট। তাতেই দেখা গিয়েছে, ২০১৮ সাল থেকে দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত মুইজ্জু। রিপোর্ট ফাঁস হতেই প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি করেছেন সে দেশের বিরোধী নেতারা। দাবি জানিয়েছেন ইমপিচমেন্টেরও। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মুইজ্জু।

    কী বলছে রিপোর্ট? (Maldives)

    ২০১৮ সালের ওই গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুইজ্জুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বেআইনি আর্থিক লেনদেন হয়েছে। অন্ততপক্ষে ১০টি আর্থিক তছরুপের প্রমাণ মিলেছে। এই রিপোর্টেই ইঙ্গিত মিলেছে, রাজনৈতিকভাবে পরিচিত ও সরকারি তহবিলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও এই কেলেঙ্কারিতে সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। পরম মিত্র ভারতের পাশ থেকে সরে গিয়ে চিন-প্রীতি দেখানোয় এমনিতেই প্রেসিডেন্টের ওপর ক্ষিপ্ত মলদ্বীপের বিরোধীরা। তাঁদের হাতেই অস্ত্র তুলে দিয়েছে সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা এই রিপোর্ট। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠার পাশাপাশি তদন্তের দাবি জানিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের সরকার বিরোধী দুই দল এমডিপি এবং পিএনএফ। প্রাক্তন (Maldives) ভাইস প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জামিল আহমেদ দাবি তুলেছেন, ইমপিচমেন্ট করা হোক প্রেসিডেন্টকে। রবিবার মলদ্বীপে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় বিপাকে চিনপন্থী মুইজ্জু।

    কারা চালায় নজরদারি?

    মলদ্বীপের অর্থনৈতিক বিষয়ে নজরদারি চালায় সরকারি সংস্থা মলদ্বীপজ মানিটারি অথরিটিজ-এর গোয়েন্দা শাখা। এই শাখা এবং মলদ্বীপ পুলিশ সার্ভিস যৌথভাবে তৈরি করেছে ওই রিপোর্ট। এক্স হ্যান্ডেলে ফাঁস হয়ে যায় সেই রিপোর্ট। রিপোর্টটি উদ্ধৃত করে পোস্টে লেখা হয়েছে, ২০১৮ সালে প্রশাসনের একাধিক স্তরে দুর্নীতি হয়। মুইজ্জুর ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও অসঙ্গতি লক্ষ্য করা গিয়েছে বলে দাবি বিরোধীদের। অর্থ তছরুপ-সহ মোট দশটি বিষয়ে দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে হইচই ফেলে দেওয়া ওই রিপোর্টটিতে।

    আরও পড়ুুন: ‘এই নির্বাচন উন্নত জীবনযাত্রার নির্ণায়ক’, ভোটের আগে এনডিএ প্রার্থীদের বিশেষ চিঠি মোদির

    ভারত-মলদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বে ইতি টেনেছিলেন এই চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট। কুর্সিতে বসার পরেই মলদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন তিনি। মুইজ্জু সরকারের জুনিয়র তিন মন্ত্রী আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে তাঁদের সাসপেন্ড করে মুইজ্জু প্রশাসন। এঁদের মধ্যেই একজন আবার ভারতের জাতীয় পতাকার অপমান করেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এসব নিয়েই সংসদ তোলপাড় করেন বিরোধীরা। এহেন আবহে রবিবার হতে চলেছে দ্বীপরাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচন (Maldives)।

    মুইজ্জুর গদি টিকবে তো!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dubai: দুবাইয়ে ভারী বর্ষা, রাস্তায় জমল জল, ব্যাহত বিমান পরিষেবা

    Dubai: দুবাইয়ে ভারী বর্ষা, রাস্তায় জমল জল, ব্যাহত বিমান পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু-দিনের বর্ষায় ভেসে গেল দুবাই (Dubai)। আমিরাতে বর্ষা উপভোগ্য বিষয়, কিন্তু এখন তা দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার দুবাইয়ে (Dubai) ঝড় বৃষ্টির সঙ্গে ভারী বর্ষা (Heavy Rainfall) হয়। জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র সোমবার ২০ মিলিমিটার বর্ষা হয়েছে দুবাইয়ে। মঙ্গলবার সারাদিন ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে কয়েক দফায় বৃষ্টি হয়। দুবাইয়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৪২ মিলিমিটার বর্ষা হয়েছে। 

    বিমান ওঠা নামা ব্যাহত (Dubai)

    ভারী বৃষ্টির ফলে দুবাই বিমানবন্দরের জল জমে (Waterlogging) যায়। বিমানবন্দরে বিমান ওঠা নামা ব্যাহত হয়। বিমানবন্দরের আশেপাশে এবং দুবাই (Dubai) শহরের নানান প্রান্তে জল জমেছে। বুধবারেও শহরের আনাচে-কানাচে জল জমে ছিল। এই দৃশ্য দুবাইয়ে দুর্লভ। দুবাইয়ের পরিবহন দপ্তর সূত্রে খবর বুধবারও জল জমার কারণে যানবাহন কমে গেছে। শহরে বাস এবং অন্যান্য যানবাহন কম চলছে। এতটাই বৃষ্টি হয়েছে যে বিমানবন্দরের কর্মীদের রানওয়ে (Runway) ও ট্যাক্সি-তে পর্যন্ত পৌঁছতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিমান পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা এমিরেটস যাত্রীদের চেক ইন সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষে তরফের সামাজিক মাধ্যমে জানানো হয়, যা বৃষ্টি হয়েছে তাতে অবস্থার স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। যাত্রীদের কাছে ধৈর্য রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর কারণে বৃষ্টি!

    দুবাইয়ে (Dubai) বৃষ্টি হওয়া কিংবা রাস্তায় জল জমার ঘটনা সাধারণ ব্যাপার নয়। সারা বছর এতটা কম বর্ষা হয় যে শহরের বছরের অধিকাংশ সময় শুষ্ক থাকে এখানকার আবহাওয়া। কিন্তু গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জেরে সারা বিশ্বে আবহাওয়ায় বদল এসেছে। আরবের মরু অঞ্চলও বৃষ্টির সাক্ষী থাকছে। দুবাইয়ের মানুষ এখন প্রায় সময়ই বর্ষার আনন্দ উপভোগ করতে পারছেন। একইসঙ্গে অতিরিক্ত বর্ষা বয়ে নিয়ে আসছে নানান ধরনের সমস্যা। এবার বৃষ্টির সঙ্গে ব্যাপক পরিমাণে বজ্রপাত লক্ষ্য করা গেছে। এমনকী বুর্জ খলিফার চূড়ায়ও বেশ কয়েকবার বজ্রপাত হয়েছে বলে সেখানকার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কতটা প্রভাব পড়বে ভারতে? কেন উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি?

    পাম্প লাগিয়ে রাস্তার জল বের করা হচ্ছে

    দুবাই (Dubai) পুলিশ জানিয়েছে, তাদের কাজকর্মেও খুবই অসুবিধে হচ্ছে। রাস্তায় জল জমে যাওয়ায় গাড়ি নিয়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাতায়াত করতে সমস্যা হচ্ছে। ইউনাইটেড আরব আমিরাত সাতটি রাজশাহী মিলিয়ে তৈরি। দেশের সাতটি প্রান্তেই ঝড়ঝঞ্ঝার জেরে সরকারি কাজকর্মে বাধা এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এখানকার বেশিরভাগ সরকারি কর্মীরা দূরদূরান্ত থেকে কাজে যোগ দিয়ে থাকেন। অনেকেই বজ্রপাত সহ বৃষ্টির কারণে কাজে আসতে পারেননি। সরকারি কাজকর্মের বহু বিভাগে অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। অনেকেই কাজে আসার চেষ্টা করলেও রাস্তার জমা জল গাড়িতে ঢুকে যাওয়ায় কাজকর্মে যোগ দিতে পারেননি। দুবাই প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পাম্প লাগিয়ে রাস্তার জল নিকাশি প্রণালীতে ফেলার কাজ চলছে। দু-একদিনের মধ্যে অবস্থা স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Iran Israel War: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কতটা প্রভাব পড়বে ভারতে? কেন উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি?

    Iran Israel War: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের কতটা প্রভাব পড়বে ভারতে? কেন উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কা ছিলই। আর সেটাই সত্যি হল। ইজরায়েলে হামলা চালাল ইরান (Iran Israel War)। এই হামলায় ইজরায়েলের বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি না হলেও, বিশ্বে আরও একটা সংঘাতের আগুন জ্বলে উঠল। রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইজরায়েল-প্যালেস্তাইনের পর সৃষ্টি হল আরেকটা যুদ্ধের ফ্রন্ট— ইজরায়েল বনাম ইরান। এর ফলে, বিশ্ববাসীর সামনে উঠে এল মোকাবিলা করার জন্য আরও একটা কঠিন চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ আর্থিক মন্দার, মুদ্রাস্ফীতির, মূল্যবৃদ্ধির। এই চ্যালেঞ্জ যতটা অর্থনৈতিক, ঠিক ততটাই আবার কূটনৈতিক। তবে, ভারতের কাছে এই চ্যালেঞ্জ (Impact On India) অন্যদের তুলনায় অনেকটাই যেন বেশি। কিন্তু কেন?

    ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী ইজরায়েল

    ইরান ও ইজরায়েল— উভয়ের সঙ্গেই কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে ভারতের। দশকের পর দশক ধরে, দুপক্ষের সঙ্গে একটা ভারসাম্যের কূটনীতি পালন করে এসেছে নয়াদিল্লি। কিন্তু, বর্তমান ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ (Iran Israel War) শুরু হওয়ার ফলে সেই ভারসাম্য বা নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে ভারতের। এর কারণ— একদিকে ইজরায়েলের সঙ্গে গভীর কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে ভারতের। বিশেষ করে, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে। গত দশকে এই সম্পর্কের বিষয়টি উন্মুক্ত হয়েছে অনেকটাই। যে কারণে, গত বছর ৭ অক্টোবর তেল আভিভের আকাশে হামাসের জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা করেছে ভারত। চরমপন্থা থেকে নাশকতার সমস্যা এবং তার মোকাবিলা নিয়ে ভারত ও ইজরায়েলের মনোভাবে অনেকটাই মিল। কারণ, ২৬/১১ মুম্বই হামলার সময় উভয় দেশই ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এযাবৎকালে, অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্রে ভারতের অন্যতম বড় যোগানদার হিসেবে উঠে এসেছে ইজরায়েল। 

    অর্থনৈতিক দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইরান

    অন্যদিকে, সাম্প্রতিককালে ইরানের সঙ্গেও কৌশলগত ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে প্রভূত উন্নত করেছে ভারত। তরল জ্বালানির ক্ষেত্রে ভারতকে বেশিরভাগটাই নির্ভর করতে হয় আমদানির ওপর। এক্ষেত্রে, অশোধিত তেলের যোগানদার হিসেবে রয়েছে ইরান। তবে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে, সেই যোগানের পরিমাণ ধাক্কা খেয়েছে বটে। আবার, পাকিস্তানে উৎস হওয়া নাশকতার শিকার হয়েছে এই দু’দেশই। উভয় দেশই তালিবানের একাধিক নীতির—বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের অধিকার কেন্দ্রিক— সমোচ্চরে বিরোধিতা করেছে। তবে, ভারতের কাছে সবচেয়ে বড় কৌশলগত গুরুত্ব হল চাবাহার করিডরের। ইরানের এই বন্দর ব্যবহার করে ভারত। এই বন্দর দিয়েই আফগানিস্তান থেকে শুরু করে মধ্য এশিয়া ও ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য করতে হয় ভারতকে। কারণ, ভারতীয় পণ্যকে পরিবহণের জন্য নিজেদের ভূমি দিতে অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। ফলত, চাবাহার বন্দর ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

    ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ (Iran Israel War) নিয়ে কেন উদ্বিগ্ন ভারত?

    এই দুই দেশ নিজেদের মধ্যে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে, আখেরে ক্ষতি ভারতেরই (Impact On India)। কারণ, ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে কোনও এক দিক বেছে নেওয়া সহজ হবে না ভারতের। যে কারণে, জাতীয় স্বার্থকে মাথায় রেখেই, ভারসাম্যের কূটনীতির মাধ্যমে দু’দেশকেই ভারত আবেদন জানিয়েছে অবিলম্বে যুদ্ধ থামানোর। যেটা অমূলক নয় একেবারেই। ভারত এখন উভয় দেশের কাছে শান্তির আবেদন করেছে। ভারত বিলক্ষণ জানে, ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ আরও বাড়লে তিন দিকে সমস্যা হবে নয়াদিল্লির— প্রবাসী ভারতীয় সম্পৃক্ত, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত।

    প্রবাসী ভারতীয়দের নিয়ে চিন্তা

    প্রথমত, ইজরায়েল ও ইরানে বর্তমানে বসবাস করছে যথাক্রমে প্রায় ১৮ হাজার এবং ৫ থেকে ১০ হাজার ভারতীয়। এছাড়া, প্রায় পশ্চিম এশিয়া ও গাল্ফ অঞ্চলে কর্মরত প্রায় ৯০ লক্ষ ভারতীয়। যে কোনও সংঘাতের (Iran Israel War) ফলে, গোটা অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি হবে। এমনিতেই, ইজরায়েল-গাজা যুদ্ধের ফলে, সেখানে একটা অনিশ্চয়তা ও আশঙ্কার পরিবেশ আগে থেকেই ছিল। তার ওপর এখন ইজরায়েল-ইরান পুরোদমে যুদ্ধ বাঁধলে, সমস্যা বহুগুণ বেড়ে যাবে। ভারত জানে, এতে সেখানে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের জটিলতা বৃদ্ধি পাবে (Impact On India)। হতে পারে, ভারতীয়দের সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসতে হবে। যেমনটা হয়েছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের শুরুতে। 

    অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির শঙ্কা

    দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক সঙ্কট। ভারতের অর্থনৈতিক স্বার্থ জ্বালানির সঙ্গে জড়িত। জ্বালানি চাহিদার অধিকাংশটাই আমদানি করে সামাল দিতে হয় ভারতকে। আর এই আমদানির ৮০ শতাংশ হয় পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল থেকে। ফলত, এখানে যুদ্ধ বাঁধলে (Iran Israel War), অশোধিত তেলের জোগান কমবে, বাড়বে দাম। যার প্রভাব পড়বে ভারত সহ আন্তর্জাতিক বাজারে। ফলে, পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা থাকছে। যার ফলস্বরূপ, দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধিও হবে অনিবার্যভাবে (Impact On India)। ভারত অবশ্য গত ২ বছরে পশ্চিম এশিয়ার ওপর এই নির্ভরতা অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ার পাশাপাশি রাশিয়া থেকে ন্যায্য মূল্যে অশোধিত তেল কেনে ভারত। কিন্তু, সেও তো যুদ্ধে লিপ্ত।

    বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে ভারতের

    তৃতীয়ত, আরব-মুলুকে তথা মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল বিনিয়োগ করেছে ভারত। বিনিয়োগ রয়েছে ইরান ও ইজরায়েলেও। দীর্ঘদিন ধরেই এই অঞ্চল দিয়ে ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ করিডর প্রকল্পকে বাস্তব রূপ দিতে উদ্যোগী ভারত। এখন, এই অঞ্চলে আরেকটা যুদ্ধ (Iran Israel War) হলে, সেই প্রকল্প, সেই স্বপ্ন জোর ধাক্কা খেতে পারে (Impact On India)। ভারত তা একেবারেই চাইছে না। যে কারণে, সব পক্ষকে যুদ্ধের পথ ছেড়ে আলোচনায় ফেরার আবেদন একাধিকবার করে চলেছে ভারত। নয়াদিল্লি বিলক্ষণ জানে, একবার এই করিডর সফল হলে, ভারতের বাণিজ্য বিশেষ করে রফতানি বহুগুণ বেড়ে যাবে। সহজেই বিদেশের বাজার ধরতে সক্ষম হবে ভারত। 

    রক্তাক্ত ভারতের শেয়ার বাজার

    এমনিতেই, ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ (Iran Israel War) শুরু হতেই তার প্রভাব পড়েছে ভারতের শেয়ার বাজারে। তেলের দাম বাড়া এবং বিনিয়োগে ধাক্কা এই জোড়া আশঙ্কার ফলে, গত তিন দিনে লাগাতার পতন হয়েছে স্টক মার্কেটে। গত শুক্রবার এবং চলতি সপ্তাহের সোম-মঙ্গল—এই তিনদিনে ভারতের শেয়ার বাজারে প্রায় ১০ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে বেশ খানিকটা সময় লাগবে। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে একটিই শর্তে। তা হল, ইরান-ইজরায়েলের সংঘাতের পরিবেশে যেন না নতুন করে আগুন লাগে (Impact On India)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Spy Imam Project: ‘স্পাই ইমাম’ প্রজেক্টে গোয়েন্দা প্রশিক্ষণ নিতে ইমামদের তুরস্কে পাঠাচ্ছে পাক আইএসআই!

    Spy Imam Project: ‘স্পাই ইমাম’ প্রজেক্টে গোয়েন্দা প্রশিক্ষণ নিতে ইমামদের তুরস্কে পাঠাচ্ছে পাক আইএসআই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁরা ইমাম। ইসলামের শান্তির ললিত বাণী জনমনে ছড়িয়ে দেওয়াই তাঁদের কাজ। এঁদের দিয়েই গোয়েন্দাগিরির কাজ করাতে চাইছে তুরস্ক। সেজন্য সরকারি খরচে দেওয়া হচ্ছে ট্রেনিং। এই প্রজেক্টের পোশাকি নাম ‘স্পাই ইমাম’ প্রজেক্ট (Spy Imam Project)। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পে প্রশিক্ষণ নিতে তুরস্কে ইমাম পাঠাচ্ছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। তুরস্কে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই ইমামরাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা হিন্দু এবং অহিন্দু ভারতীয়দের ছলে-বলে-কৌশলে ইসলামে দীক্ষিত করবেন। পাক গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা, এতে এক ঢিলে দুই পাখি মরবে। এক, বিশ্বে দ্রুত বাড়বে ইসলামে দীক্ষিত মানুষের সংখ্যা। দুই, শত্রু দেশ ভারতকে উচিত শিক্ষা দেওয়া যাবে।

    কারা দিচ্ছে প্রশিক্ষণ? (Spy Imam Project) 

    তুরস্কের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম মিল্লি ইস্তিবার্ত টেসকিলাতি। তারা (Spy Imam Project) ছাড়াও সে দেশের আরও কয়েকটি সংস্থা, যার মধ্যে সরকারের রিলিজিয়াস অ্যাফেয়ার্স ডিরেকটরেট ‘দিয়ানেট’ও রয়েছে, যৌথভাবে পরিচালনা করছে এই স্পাই ইমাম প্রজেক্ট। স্বদেশের তো বটেই, পাকিস্তানের মতো আরও কয়েকটি ইসালামি দেশের ইমামদেরও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তারা। ইসলামের প্রসারের পাশাপাশি এই ইমামরা যে দেশের মসজিদে নিয়োজিত হবেন, সেখানকার তথ্য সংগ্রহ করবেন। সেই তথ্যই গোপনে পাঠিয়ে দেওয়া হবে নিজের দেশে। যার প্রেক্ষিতে যুদ্ধের অনেক আগে থেকেই অস্ত্রে শান দিতে পারবে ওই ইমামদের দেশ।

    প্রার্থীদের যোগ্যতামান

    প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য যে ইমামদের বেছে নেওয়া হচ্ছে, তাঁদের হয় দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকতে হবে, নয়ত ভিন দেশের নাগরিক হতে হবে (Spy Imam Project)। তুরস্কেরই অরিজিন তাঁদের হতে হবে, এমনটা নয়। প্রশিক্ষণ নিতে হলে প্রার্থীর বয়স হতে হবে পঁচিশের নীচে। অবিবাহিত হওয়ার পাশাপাশি তুর্কি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যোগ্যতামানের চৌকাঠ পার হলেই প্রশিক্ষণ নিতে তাঁদের পাঠানো হবে তুরস্কের ধর্মীয় স্কুলগুলিতে। জানা গিয়েছে, স্পাই ইমাম প্রজেক্টে গত বছরই গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন ১ হাজার ৮১ জন। বিশ্বের ১৩টি দেশের ৪৬২ জন পড়ুয়া নাম নথিভুক্ত করেছেন প্রশিক্ষণ নেবেন বলে। পাশআউটদের মধ্যে সব চেয়ে ইমাম এসেছিলেন জার্মানি থেকে।

    কী বলছে তুরস্কের সংস্থা?

    দিয়ানেটের প্রেসিডেন্ট এরবাস জানান, এই প্রোগ্রামে যাঁরা গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে প্রায় ৫০০ জনকে দিয়ানেট নিয়োগপত্র দিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাজও করছেন তাঁরা। ইন্টারন্যাশনাল সেমিনারি প্রোগ্রামকে তিনি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বহুমুখী মানব সম্পদকে কাজে লাগানোর একটা পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, কেবল দিয়ানেটই নয়, অন্যান্য সরকারি সংস্থাও এঁদের নিয়োগ করছে। স্পাই ইমাম প্রজেক্টে (Spy Imam Project) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই ইমামদের সমুদ্রপারের বিভিন্ন দেশে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া হয়েছে ডিপ্লোমেটিক পাসপোর্টও। সেই ইমামরাই ইসলামের বাণী প্রেরণের পাশাপাশি সংগ্রহ করছেন তথ্যও।

    এসব করতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণও হারাতে হচ্ছে অনেক ইমামকে। এই যেমন পাকিস্তানের স্পাই ইমাম কলোনেল সুলতান আমির তারার। তাঁর কোড নেম কলোনেল ইমাম। স্পাই হিসেবে পাকিস্তানে তিনি চলে গিয়েছিলেন লেজেন্ডারি পর্যায়ে। ২০১১ সালে তাঁকে অপহরণ করা হয়। অভিযোগের আঙুল উঠেছিল পাকিস্তানি তালিবানের একটা অংশের দিকে। আর এক প্রাক্তন স্পাই খলিদ খাওয়াজাকে নৃশংসভাবে খুন করে অপহরণকারীরা।

    আরও পড়ুুন: “অনুপ্রবেশকারী ও অপরাধীদের কাছে বাংলাকে লিজ দিয়ে দিয়েছে তৃণমূল”, বিস্ফোরক মোদি

    তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া (Spy Imam Project) প্রশিক্ষণপর্ব শেষে পাকিস্তানের স্পাই ইমামদের বিভিন্ন দেশে নিয়োগ করছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। এঁদের মধ্যে অনেকেই তৃতীয় কোনও দেশের পাশপোর্ট ব্যবহার করে ভারতে ঢুকে পড়তে সফল হয়েছে। তাঁরা কাজ করছেন তবলিঘি জামাতের অঙ্গুলি হেলনে। ভারতে থাকা আইএসআইয়ের অ্যাসেস্টস পরিদর্শন করেছেন এঁরা। ভারতীয় অর্থনীতিতে ধাক্কা দিতে এই স্পাই ইমামদের অনেকেই আবার জাল নোট ছড়িয়ে দিচ্ছেন। দেশের মধ্যে যে জাল বিছানো রয়েছে আইএসআইয়ের, তার মাধ্যমেই এই দুষ্কর্ম করে চলেছে স্পাই ইমামরা।

    তুরস্কের সাংবাদিক আবদুল্লা বজকুর্ত বলেন, “দিয়ানেট বছর বছর এই খাতে (স্পাই ইমাম প্রজেক্টে) বাজেট বাড়িয়েই চলেছে। ইতিমধ্যেই তারা তুরস্ক এবং অন্যান্য দেশে নিয়োগ করেছে এক লাখ চল্লিশ হাজার স্পাই ইমামকে। এদের মধ্যে সমুদ্রপারের বিভিন্ন মসজিদে রয়েছেন ৯০ হাজার স্পাই ইমাম। চলতি বছর বাজেটে এই খাতে ৯১.৮ বিলিয়ন টার্কিস লিরা বরাদ্দ করা হয়েছে। গতবারের বাজেটের চেয়ে যা ১৫১ শতাংশ বেশি (Spy Imam Project)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israel Iran Conflict: ইজরায়েলে ব্যর্থ ইরান, ড্রোন হামলা রুখল আমেরিকা, কাঁধ মেলাল ব্রিটেনও

    Israel Iran Conflict: ইজরায়েলে ব্যর্থ ইরান, ড্রোন হামলা রুখল আমেরিকা, কাঁধ মেলাল ব্রিটেনও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা দিয়েছিল আগেই। সেই মতো ইজরায়েলের পাশে দাঁড়াল আমেরিকা। ইরান থেকে ছোড়া প্রায় সব ড্রোনই গুলি করে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Israel Iran Conflict)। বাইডেন জানান, আমেরিকার সাহায্যে ইরানের ড্রোন হামলার মোকাবিলায় সফল হয়েছে তেল আভিভ (ইজরায়েলের রাজধানী)।

    ইরানিয়ান ড্রোন ধ্বংস (Israel Iran Conflict)

    রবিবার ইজরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ২০০টি ড্রোন দিয়ে মিসাইল হামলা চালায় ইরান। ইরানিয়ান ড্রোনগুলি ধ্বংস করতে গুলি ছোড়ে মার্কিন সেনা। ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে ব্রিটেনও। তেল আভিভকে সাহায্য করেছে তারাও। প্রত্যাশিতভাবেই ব্যর্থ হয়েছে ইহুদি রাষ্ট্র ইজরায়েলে ইসলামি রাষ্ট্র ইরানের হামলার পরিকল্পনা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জারি করা এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, “ইজরায়েলের বাহিনীকে সাহায্য করতে আমার নির্দেশে আমেরিকার সেনা গত সপ্তাহেই ওই এলাকায় একাধিক যুদ্ধ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী বিমান পাঠিয়েছে। এই অত্যাধুনিক বিমান ও আমাদের সেনাবাহিনীর অসাধারণ দক্ষতায় আমরা ইরানের ছোড়া প্রায় সব ক’টি ড্রোন ও মিসাইল ধ্বংস করতে ইজরায়েলকে সাহায্য করতে পেরেছি।”

    নেতানিয়াহুকে ফোন বাইডেনের

    ইরানের (Israel Iran Conflict) হামলার পরেই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বাইডেন। প্রতিশ্রুতি দেন পাশে থাকার। ইরানের হামলা প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, “আমাদের ওপর যারা হামলা চালাবে, আমরাও তাদের ওপর হামলা করব। যে কোনওরকম হুমকির বিরুদ্ধে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াব। এটাই ইজরায়েলের নীতি।” এদিকে, ইরান-ইজারায়েলের আকাশে যুদ্ধের মেঘ ঘনাতেই উদ্বেগে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ইরান-ইজরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। ভারতীয়েদর অযথা উদ্বিগ্ন না হতে ও সুরক্ষা প্রোটোকল অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমরা অবিলম্বে শান্তি ফেরানো ও হিংসা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। দুই দেশকেই কূটনীতির পথে ফিরতে বলা হচ্ছে। ওখানে আমাদের দূতাবাস ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। ওখানে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমরা পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছি।” প্রসঙ্গত, ইরান-ইজরায়েলের এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ক্রমেই বাড়ছে অপরিশোধিত জ্বালানির দাম। জ্বালানির সঙ্কটও দেখা দিতে পারে মধ্য প্রাচ্যে (Israel Iran Conflict)।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেস দুর্নীতির আখড়া, ওদের অবস্থা বিগবসের মতো”, তোপ রাজনাথের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Iran-Israel Conflict: মিসাইল ও বিস্ফোরক বোঝাই ২০০টি ড্রোন নিয়ে ইজরায়েলে হামলা ইরানের

    Iran-Israel Conflict: মিসাইল ও বিস্ফোরক বোঝাই ২০০টি ড্রোন নিয়ে ইজরায়েলে হামলা ইরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের শুরুতেই ইজরায়েল সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাসে ইরানের দূতাবাসের ওপরে হামলা চালিয়েছিল। এই হামলার জবাব দিতে ইরান কী করে, তার দিকে বিশ্বের একাধিক দেশ তাকিয়েছিল। ইরান (Iran-Israel Conflict) যে হামলা চালাতে পারে, তা নিয়ে জল্পনাও তৈরি হয়েছিল। এবার সেই জল্পনাই সত্যি হল। আকাশপথে ইজরায়েলে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান।

    ২০০-এর বেশি ড্রোন দিয়ে এই হামলা! (Iran-Israel Conflict)

    আইডিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার মধ্যেরাতে বিভিন্ন প্রকার ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইজরায়েলে হামলা (Iran-Israel Conflict) চালায় তেহরান। আইডিএফ (ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স) সূত্রের খবর, ২০০-এর বেশি ড্রোন দিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে। যদিও এই হামলার ঘটনায় প্রাণহানির খবর এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে, এই হামলার ঘটনায় ফের যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইরানের সেনাবাহিনী সূত্রে খবর, এই ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ইজরায়েলের কোথায় আঘাত হেনেছে, তা এখনও স্পষ্ট জানা যায়নি। আইডিএফ-ও ভিডিও প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, ইরানের ছোড়া অধিকাংশ মিশাইল আয়রন ডোমে আটকে রয়েছে। যেক’টি মিসাইল আছড়ে পড়ে, তাতে একজন শিশু জখম হয়েছে। ইরান হামলা চালিয়ে থেমে থাকেনি। জানা গিয়েছে, এই সংঘর্ষের ঘটনায় আমেরিকাকে নাক না গলানোর কথা বলা হয়েছে। তবে, যুদ্ধে আমেরিকা ইজরায়েলের পাশে দাঁড়াবে বলে জানিয়েছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই বিষয় নিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলতে পারেন। সব মিলিয়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা করছে অনেকে।

    আরও পড়ুন: “সবই তো আমি দিয়েছি, কেন বিজেপিকে ভোট দেন?,” আক্ষেপ মমতার

    কেন হামলা?

    গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে যে যুদ্ধ (Iran-Israel Conflict) শুরু হয়েছিল, তা সময় কাটার সঙ্গে সঙ্গে আরও জটিল হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতেই ইজরায়েল সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাসে ইরানের দূতাবাসের ওপরে হামলা চালায়। এরপরই পাল্টা মোক্ষম জবাবের হুঁশিয়ারি দেয় ইরান। আশঙ্কা ছিল, হুশিয়ারির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই হয়তো হামলা চালাবে ইরান। বাস্তবে দেখা গেল,  ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই হামলা চালাল ইরান।

    আমেরিকা– মিত্র দেশের থেকে সহযোগিতার দাবি

    ইজরায়েল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলেন, “ইরান আমাদের দেশের ওপর ড্রোন হামলা চালিয়েছে। আমরা আমেরিকা এবং বাকি মিত্র দেশের থেকে সহযোগিতা চেয়েছি যাতে, এই হামলা রোধ করা যায়।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukraine War: ইউক্রেনের বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিল রাশিয়া, ভাইরাল ভিডিও

    Russia Ukraine War: ইউক্রেনের বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিল রাশিয়া, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনের সব থেকে বড় বিদ্যুৎ উৎপাদন (Power Plant) কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিল রাশিয়া। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন সূত্রে জানা গিয়েছে, ড্রোন (Drone) ও ৮২টি মিসাইল সহযোগে ধ্বংস করা হয়েছে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে হাইপারসনিক (Hypersonic) মিসাইলও। পাল্টা ইউক্রেনের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার ফলে রাজধানী কিভে (kyiv) এখনও বিদ্যুৎ ঘাটতি হয়নি।

    তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস

    সিএনএন সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের কিভের খুব কাছে ট্রিপিলস্কায় অবস্থিত এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস হয়ে গিয়েছে সাম্প্রতিক হামলায়। সামাজিক মাধ্যমে এই হামলা সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সোভিয়েত যুগের ওই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দাউ দাউ করে জ্বলছে। কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে শহরের আকাশে।

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

    এই ঘটনার জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জ়েলেনস্কি প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নকে তাঁদের জরুরি এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম না দেওয়াকে দায়ী করেছেন। তিনি এই হামলাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলে আখ্যা দিয়েছেন। প্রসঙ্গত পশ্চিমী দেশগুলোর কাছে ইউক্রেন জরুরি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের আবেদন করেছিল। ইতিমধ্যেই রাশিয়া ইউক্রেনের তাপ ও জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ জ্বালানির ঠিকানাগুলিকে নিশানা করা শুরু করেছে। হামলা ব্যাপক তীব্র হয়েছে। ইউক্রেনের শক্তি ব্যবস্থা ধ্বংস দিতে চাইছে রাশিয়া এমনটাই অভিযোগ জানিয়েছেন জ়েলেনস্কি । রাশিয়ার যে হামলা চালিয়েছিল তার মধ্যে ১৮ টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৯ ড্রোনকে আটকানো সম্ভব হয়েছে। কিন্তু বাদ বাকি মিসাইল ও হাইপারসনিক মিসাইল সফলভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানে দাবি ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর এক আধিকারিকের। তাঁদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত কিভ, চেরকাসি ও ঝাইটেমির অঞ্চলের জন্য এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র ছিল খুবই জরুরী।

    সেন্টারেনারগর সংস্থার বক্তব্য

    এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনা করতো সেন্টারেনারগর নামে একটি সংস্থা। ওই সংস্থার তত্ত্বাবধায়ক বোর্ডের প্রধান এন্দ্রে গোটা বলেন, “সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব নয়। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংসের ফলে আশপাশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের সাবস্টেশন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে সমস্যা দেখা দেবে। প্রসঙ্গত ইউক্রেনের বৃহত্তম বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানির ডিটেক সাম্প্রতিক হামলায় যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। দুটি পাওয়ার স্টেশন রাশিয়ান আক্রমণের জেরে মারাত্মকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ পাক-মাটিতে খতম হয়েছে ২০জনেরও বেশি জঙ্গি নেতা, নেপথ্যে কারা?

    যুদ্ধ এখনও থামার লক্ষণ নেই

    প্রথমদিকে আমেরিকা ইউক্রেনকে যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে সাহায্য করলেও পরবর্তীকালে ইউক্রেনের দাবি মতো যুদ্ধাস্ত্র আর দেয়নি আমেরিকা এমনটাই অভিযোগ জ়েলেনস্কি। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও জার্মানি যে যুদ্ধাস্ত্র দিচ্ছে তাও দীর্ঘদিন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে যথেষ্ট নয় বলেই দাবি প্রশাসনের। একদিকে যুদ্ধাস্ত্রের অভাব অন্যদিকে রাশিয়ার আক্রমণে ব্যাপক বৃদ্ধি। সবমিলিয়ে বেশ বেকায়দায় পড়েছে ইউক্রেন। আরব দুনিয়ায় হামাসের সঙ্গে ইজরায়েলের যুদ্ধ বিরতির দিকে এগোলেও দুই বছর পার হলেও রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ এখনও থামার কোনো লক্ষণ নেই। প্রথমদিকে রাশিয়াকে অনেকটা প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও এখন দেশের একটা বড় অংশ হাতছাড়া হয়ে গেছে ইউক্রেনের। তাঁরা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে অপারগ হলেও রাশিয়া যুদ্ধ থামানোর কোন ইঙ্গিত দিচ্ছে না। প্রথম দিকের বেগতিক অবস্থা কাটিয়ে এখন যুদ্ধের ময়দানে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে পুতিনের বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share