Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Israel Hamas War: মিসাইল হামলায় উড়ল গাজার হাসপাতাল, হত অন্তত ৫০০, কাঠগড়ায় প্যালেস্তাইন

    Israel Hamas War: মিসাইল হামলায় উড়ল গাজার হাসপাতাল, হত অন্তত ৫০০, কাঠগড়ায় প্যালেস্তাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিসাইলের হামলায় উড়ে গেল আস্ত একটা হাসপাতাল। চোখের পলকে অকালে প্রয়াত হলেন অন্তত পাঁচশো জন মানুষ। সুস্থ হতে কিংবা রোগীর আত্মীয়-পরিজন হিসেবে যাঁরা এসেছিলেন হাসপাতালে। যুদ্ধের সঙ্গে যাঁদের পরোক্ষভাবেও কোনও সম্পর্কই নেই। গাজার (Israel Hamas War) স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে এ খবর জানানো হয়েছে। হামাসের অভিযোগ, ইজরায়েলের ছোড়া মিসাইলেই ভেঙে পড়েছে আস্ত হাসপাতালটি।

    অভিযোগ অস্বীকার ইজরায়েলের

    যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশ। তাদের দাবি, প্যালেস্তাইনের ছোড়া রকেটের আঘাতেই এই বিপর্যয়। এই ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই খুলে গেল অপপ্রচারের মুখোশ। ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে ইজরায়েল জানায়, গাজার হাসপাতালে যে রকেট আছড়ে পড়ে ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে, তা হামাসের ছোড়া। মিসফায়ার করে ওই রকেট হাসপাতালে গিয়ে পড়ে। দোষ চাপানোর চেষ্টা হয় ইজরায়েলের ওপর।  

    হামাস-ইজরায়েলের যুদ্ধ

    দিন দশেকেরও বেশি সময় ধরে চলছে হামাস-ইজরায়েলের যুদ্ধ (Israel Hamas War)। ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলকে শিক্ষা দিতে হামলা চালায় মুসলমানের দেশ প্যালেস্তাইন। এই প্যালেস্তাইনের গাজা ভূখণ্ডে ঘাঁটি গেড়ে থাকা জঙ্গি হামাসরাই প্রথম হামলা চালায়। প্রতিরোধ গড়ে তোলে তেল আভিভ। তার জেরে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

    ইজরায়েল-হামাসের এই সংঘর্ষ থেকে গাজার আল আহলি হাসপাতালে আশ্রয় নিয়েছিলেন শতাধিক সাধারণ মানুষ। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন কিছু রোগীও। তাঁদের দেখতে এসেছিলেন তাঁদের পরিজনেরা। আচমকাই আছড়ে পড়ে একটি মিসাইল। ভেঙে পড়ে হাসপাতালের একটি বড় অংশ। দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। গাজা স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, মিসাইলের ঘায়ে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৫০০ জনের। এর পরেই শুরু হয়েছে ইজরায়েল-প্যালেস্তাইনের (Israel Hamas War) মধ্যে দোষারোপ-পাল্টা দোষারোপের পালা। ইজরায়েলের দাবি, যে সময় হাসপাতালটি ভেঙে পড়ে, সেই সময় প্যালেস্তাইনের জিহাদি সংগঠন রকেট হামলা চালিয়েছিল। কোনও একটি রকেটের উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হয়। সেটিই আছড়ে পড়ে গাজার ওই হাসপাতালের ওপর।

    রয়েল ডিফেন্স ফোর্সের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “একাধিক গোয়েন্দা সূত্রে খবর, হাসপাতালে রকেট হামলার জন্য ইসলামিক জিহাদ জঙ্গি সংগঠনই দায়ী। আইডিএফের অপারেশনাল সিস্টেমের মাধ্যমে জানা গিয়েছে, একগুচ্ছ রকেট ইজরায়েল লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। তা ওই হাসপাতালের ওপর দিয়েই গিয়েছিল। কোনও একটি রকেট আছড়ে পড়েই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।” আইডিএফের মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলেন, “বিভিন্ন সূত্র থেকে আমরা জেনেছি, ইসলামিক জিহাদির এজন্য দায়ি। রকেট হামলা ব্যর্থ হওয়ায়ই ঘটেছে এই বিপর্যয়।”

    আরও পড়ুুন: “গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি”, মেরিটাইম সামিটে বললেন মোদি

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

     

  • Israel-Hamas War: ইজরায়েলি রকেট হানায় খতম হামাসের শীর্ষ জঙ্গি আয়মান নোফাল

    Israel-Hamas War: ইজরায়েলি রকেট হানায় খতম হামাসের শীর্ষ জঙ্গি আয়মান নোফাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের রকেট হানায় খতম হামাসের শীর্ষ জঙ্গি নেতা আয়মান নোফাল (Israel-Hamas War)। ইজরায়েল সেনা সূত্রে খবর যে এয়ার স্ট্রাইকের ফলেই এই জঙ্গি নেতাকে নিকেশ করতে সক্ষম হয়েছে তারা। আয়মান মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি তালিকায় ছিল বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি লেবাননের হেজবুল্লা জঙ্গিগোষ্ঠীর ২ জঙ্গিকেও খতম করতে সক্ষম  হয়েছে ইজারায়েলি সেনা। প্রসঙ্গত, হামাসের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করার পরে লেবাননের হেজবুল্লা ইজরায়েলে আচমকাই হামলা চালায়, পাল্টা প্রত্যাঘাত করতে শুরু করে নেতানিয়াহু প্রশাসন (Israel-Hamas War)।

    খতম হামাসের শীর্ষ জঙ্গি নেতা

    ইজরায়েল প্রশাসন জানিয়েছে যে বিমান হানায় গাজার একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি তারা ধ্বংস করতে পেরেছে। ঠিক এরকম একটি বিমান হানায় খতম হয়েছেন হামাসের কট্টরপন্থী নেতা আয়মান নোফাল। জানা গিয়েছে, আড়াল থেকেই জঙ্গিগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। প্রসঙ্গত, ১৯৮৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর শেখ আহমেদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে তৈরি হয়েছিল হামাস। যার পুরো নাম, ‘হারকত আল-মুকাওয়ামা আল-ইসলামিয়া’ (Israel-Hamas War)। ২০০৪ সালে ইজরায়েলের হানায় নিহত হয় ইয়াসিন। জানা গিয়েছে প্রতিষ্ঠাতা তিনজনের মধ্যে দুজনই মারা গিয়েছেন। জীবিত রয়েছেন একমাত্র জঙ্গি নেতা জহর। তাঁর কিছু কমান্ডার এখনও যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। যাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আয়মান নোফাল।

    সাধারণ প্যালেস্তাইন নাগরিকদের জন্য ত্রাণ ইজরায়েলের

    ইজরায়েলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে গাজার সাধারণ প্যালেস্তাইন নাগরিক যারা পালিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে তাঁদের জন্য সুরক্ষিত রুটও ইজরায়েলের সেনাবাহিনী ঘোষণা করে দিয়েছে। যদিও সেই পথেই বোমাবাজি চালাতে শুরু করে হামাস (Israel-Hamas War)। সাধারণ নাগরিকদের গাড়ির চাবিও কেড়ে নেয় তারা, এমনটাই অভিযোগ হামাসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে ইজরায়েলের আক্রমণের বিরুদ্ধে সাধারণ নাগরিকদের ঢাল হিসেবে তারা ব্যবহার করছে। প্যালেস্তাইনে এখনও পর্যন্ত তিন হাজার জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জখম সাড়ে ১২ হাজারেরও বেশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Palestine War: প্রত্যাঘাত! লেবাননে হেজবুল্লার সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক বোমাবর্ষণ ইজরায়েলি বায়ুসেনার

    Israel Palestine War: প্রত্যাঘাত! লেবাননে হেজবুল্লার সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক বোমাবর্ষণ ইজরায়েলি বায়ুসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যালেস্তাইনের হামাসের (Israel Palestine War) পর এবার ইজরায়েলি ভূখন্ডে আঘাত হানল লেবাননের হেজবুল্লা। আগেই হামাসের পক্ষে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিল হেজবুল্লা। লেবানন থেকে ছোড়া আন্টি ট্যাঙ্ক মিসাইলে নিহত হন ইজরায়েলের এক সেনা অফিসার। হামলার পরেই পাল্টা প্রত্যাঘাত দিতে শুরু করে নেতানিয়াহু প্রশাসন। জানা গিয়েছে, ইজরায়েলি সেনার পাল্টা হানায় বেশ বেকায়দায় পড়েছে হেজবুল্লা। তবে এই আক্রমণে লেবাননের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি।

    ইজরায়েলি সেনার বিবৃতি

     ইজরায়েল সেনার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘‘লেবাননের ভূখণ্ডে জঙ্গি সংগঠন হেজবুল্লাকে লক্ষ্য করে ইজরায়েলের অভিযান চলছে।’’ লেবানন সীমান্তের অন্তত আঠাশটি জায়গা থেকে তার নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরানোর কাজও শুরু করেছে নেতানিয়াহু সরকার। আপাতত গাজার পাশাপাশি লেবাননের হেজবুল্লাকেও (Israel Palestine War) নিকেশ করার জন্য পরিকল্পনা শুরু করেছে ইজরায়েল। চলতি সপ্তাহের রবিবারই হেজবুল্লা জানায় যে সীমান্তে তারা ইজরায়েলের পাঁচটি সেনা ব্যারাককে টার্গেট করছে। কারণ হিসেবে তারা বলে যে দক্ষিণ লেবাননে সাধারণ মানুষের উপর ইজরায়েল হামলা চালিয়েছে, তারই পাল্টা প্রত্যাঘাত করা হবে।

    হামাসের ৬ শীর্ষ কমান্ডার নিহত

    অন্যদিকে হামাস-ইজরায়েলের যুদ্ধে, নেতানিয়াহু প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়েছে যে হামলায় এখনও পর্যন্ত ছয় শীর্ষ হামাস কমান্ডারকে নিকেশ করা গিয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রয়েছে মুরাদ আবু মুরাদ। প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ভূখণ্ডে হামলা চালায় হামাস জঙ্গিরা,তারপর থেকেই প্রত্যাঘাত শুরু করে ইজরায়েল। প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু  সেসময় বলেন, ‘‘শুরু করেছে হামাস, শেষ আমরা করব।’’ এই যুদ্ধে ভারত সমেত ব্রিটেন, আমেরিকা ইজরায়েলের (Israel Palestine War) পক্ষে দাঁড়ায়। দশ দিন ধরে চলা এই যুদ্ধে চার হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel-Hamas War: গাজায় চরম আঘাত হানতে প্রস্তুত ইজরায়েলি সেনা, নাগরিকদের সরতে নির্দেশ

    Israel-Hamas War: গাজায় চরম আঘাত হানতে প্রস্তুত ইজরায়েলি সেনা, নাগরিকদের সরতে নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ওপর রকেট হামলা চালায় প্যালেস্তাইনের জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস। তারপর থেকেই চলছে ইজরায়েল ও হামাস বাহিনীর যুদ্ধ। ইজরায়েলের (Israel-Hamas War) পাল্টা আঘাতে বেসামাল গাজা। পরপর রকেট হামলায় চারিদিকে ধ্বংসের ছবি ধরা পড়ছে গাজায়। অন্যদিকে ইজরায়েল থেকে কাতারে কাতারে সেনা ঢুকছে গাজায়। গাজা সীমান্ত সম্পূর্ণভাবে দখল নিয়েছে ইজরায়েল বাহিনী। আপাতত সবুজ সংকেতের অপেক্ষা করছে সেনা। নির্দেশ মিললেই জল-স্থল-বিমানবাহিনী একযোগে হামলা চালাবে গাজায়।

    গাজার নাগরিকদের সরে যাওয়ার সুরক্ষিত রুট ঘোষণা ইজরায়েলের

    ইজরায়েলের প্রশাসনের তরফ থেকে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিও দেখা গিয়েছে অভিযানে।  গাজা শহরের দখল নেওয়ার সময় যাতে কোনও সাধারণ নাগরিক নিহত না হয়, সেজন্য শহরের ১১ লাখ বাসিন্দাকে অবিলম্বে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে নির্দেশ দেয় ইজরায়েল সেনা। কীভাবে তাঁরা উত্তর থেকে দক্ষিণ গাজায় পৌঁছাবেন তার সুরক্ষিত রাস্তাও বলে দেয় ইজরায়েল সেনাবাহিনী। তবে এখানেও নিজের দেশের নাগরিকদেরই পাল্টা আক্রমণ করেছে হামাস জঙ্গিগোষ্ঠী। কোনওভাবে যেন তারা গাজা ছেড়ে যেতে না পারে, তার জন্য লাগাতার বোমা বর্ষণ করে চলেছে হামাস। কেড়ে নেওয়া হচ্ছে গাড়ির চাবিও। আপাতত গাজাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস (Israel-Hamas War) করতে কার্যত প্রস্তুত ইজরায়েলের সেনা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইজরায়েলের পাশেই দাঁড়িয়েছে।

    ইজরায়েলের নারী বাহিনীতে শহিদ ৩ ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা

    হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করেছে ইজরায়েলের নারী বাহিনীও (Israel-Hamas War)। হামাসের আক্রমণে ইজরায়েলের নারী বাহিনীর তিনজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলার মৃত্যুও হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদের মধ্যে একজন ইজরায়েল পুলিশ বাহিনীর সদস্য এবং অন্যরা ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অংশ। যুদ্ধে শহিদ হওয়া ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলারা প্রত্যেকেই ভারতীয় ইহুদি সম্প্রদায়ের বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের আদি বাসস্থান এদেশের মহারাষ্ট্রে। অন্যদিকে রবিবার রাজধানী তেল আভিভের সামরিক দফতরে এক উচ্চপর্যয়ের বৈঠক হয়। এখানে হামাসের হামলায় মৃত ১,৩০০ নাগরিকের উদ্দেশে নীরবতা পালন করেন ইজরায়েলের মন্ত্রীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hamas Israel War: ইজরায়েলের হানায় হত নুখবার শীর্ষ কমান্ডার, এবার হামাসের ঘরে ঢুকে জঙ্গি নিধন!  

    Hamas Israel War: ইজরায়েলের হানায় হত নুখবার শীর্ষ কমান্ডার, এবার হামাসের ঘরে ঢুকে জঙ্গি নিধন!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলি বায়ুসেনার হামলায় হত হামাসের (Hamas Israel War) এলিট বাহিনী নুখবার শীর্ষ কমান্ডার। মৃতের নাম বিলাল আল কেদরা। শনিবার রাতে গাজা ভূখণ্ডে থাকা হামাসের ডেরাগুলিতে লাগাতার বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল। তেল আভিভের দাবি, সেই হানায়ই মৃত্যু হয়েছে নুখবার শীর্ষ কমান্ডারের। কেবল কেদরা নয়, ওই হামলায় মৃত্যু হয়েছে আরও কয়েকজন জঙ্গির।

    গাজা সীমান্তে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, এদিনই সেনার সঙ্গে গাজা সীমান্তে এসেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সব দিক থেকে সেনাদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, নুখবা বাহিনীর কমান্ডার দক্ষিণ ইজরায়েলের কিবুৎজ নিরিম ও নির ওজে হামলার দায়িত্বে ছিল। মুসলমানদের দেশ প্যালেস্তাইনের হামাস অধিকৃত গাজা ভূখণ্ডের বাসিন্দাদের শনিবারের মধ্যে শহর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বলা হয়েছিল ইজরায়েলের তরফে। এর পর প্রচুর মানুষ গাজা ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। এর পরেই গাজায় ঘরে ঢুকে হামাস জঙ্গিদের খতম করার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স।

    সীমান্তে ১০ হাজার সেনা

    জানা (Hamas Israel War) গিয়েছে, শনিবার পর্যন্ত শহর ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার যে সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল, তা ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই এবার সেখানে স্থল, জল এবং আকাশ – তিন পথেই হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স। ইজরায়েলের (Hamas Israel War) এই বাহিনীর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চারদিক থেকে গাজায় হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গাজা সীমান্তে ১০ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। জড়ো করা হয়েছে ট্যাঙ্ক। নির্দেশ পেলেই হামাস ধ্বংস-যজ্ঞে নামবে ইজরায়েলি বাহিনী।

    আরও পড়ুুন: অপারেশন অজয়, চতুর্থ দফায় ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২৭৪ জন ভারতীয়

    ইজরায়েলের তরফে জারি করা বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, হামাস তাদের শক্তি দেখাচ্ছে। এ বার ইজরায়েল দেখাবে তাদের ক্ষমতা। এই বিশ্বে সন্ত্রাসের কোনও ঠাঁই নেই। তাই হামাসকে পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার কাজ শুরু হবে দ্রুত। হামাসকে দুরমুশ করতে ইজরায়েলের (Hamas Israel War) পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা। তারা আগেই একটি যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়ে দিয়েছিল। দ্বিতীয় রণতরীটিও পূর্ব ভূমধ্যসাগরে পাঠানোর তোড়জোড় করছে জো বাইডেনের দেশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hamas Israel War: ইজরায়েলের পাশাপাশি প্যালেস্তাইনেও ফোন বাইডেনের, কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    Hamas Israel War: ইজরায়েলের পাশাপাশি প্যালেস্তাইনেও ফোন বাইডেনের, কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়েছে হামাস-ইজরায়েলের যুদ্ধ (Hamas Israel War)। এখনও বাতাসে গোলা-বারুদের গন্ধ। যত্রতত্র ছড়িয়ে রয়েছে মৃতদেহ। কোথাও শিশুর লাশ, তো কোথাও মায়ের, কোথাও আবার বাবা-ছেলের দেহ পড়ে রয়েছে পাশাপাশি। গত শনিবার ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলের ওপর হামলা চালায় মুসলমানের দেশ প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস। এই যুদ্ধে ইজরায়েলের পাশে দাঁড়ায় আমেরিকা।

    প্যালেস্তাইনে ফোন বাইডেনের 

    তবে বাইডেন প্রশাসন যে প্যালেস্তাইনের নাগরিকদের সুরক্ষার বিষয়েও চিন্তিত, তাও হয়ে গেল স্পষ্ট। শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ড জো বাইডেন ফোন করেন প্যালেস্তাইনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে। হামাসের দখলে থাকা গাজা ভূখণ্ডের বাসিন্দাদের জন্য সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন বাইডেন। এদিন হোয়াইট হাউসের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাইডেন একই দিনে ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের (Hamas Israel War) সঙ্গে কথা বলেছেন। যুদ্ধের কারণে প্যালেস্তাইনে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাইডেন।

    ইজরায়েলে ফোন মার্কিন প্রেসিডেন্টের 

    প্যালেস্তাইন প্রেসিডেন্টকে সে দেশের বাসিন্দাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় যে কোনও সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা শহরের বাসিন্দাদের সাহায্যের কথা বলেছেন বাইডেন। প্রসঙ্গত, এই গাজা ভূখণ্ড থেকেই ইজরায়েলে আক্রমণ শানাচ্ছে হামাসরা। ইজরায়েলেরও পাখির চোখ গাজায় হামাসের ডেরাগুলি। প্যালেস্তাইনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলার পর ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও কথা বলেছেন বাইডেন। ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক এলাকায় শান্তি ফেরানো, যুদ্ধের পরিধি পকেটের মধ্যেই সীমাবন্ধ রাখার বিষয়েও আলোচনা করেছেন তাঁরা। হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইজরায়েলকে যুদ্ধাস্ত্র দিয়েও সাহায্য করছে আমেরিকা।

    আরও পড়ুুন: মোদি জমানায় অতীত মাও আতঙ্ক, প্রথমবার ভোট দেবে ছত্তিশগড়ের বস্তার

    এদিকে, দ্বিতীয় এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে ইস্টার্ন মেডিটেরিয়ান সমুদ্রে পাঠাল আমেরিকা। ইজরায়েলের ওপর হামাসের (Hamas Israel War) আক্রমণ প্রতিহত করতেই এটা পাঠানো হয়েছে বলে শনিবার জানান মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন। এদিকে, রবিবার প্যালেস্তাইনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গাজা ভূখণ্ড ও ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৩৮৩ জন। এর মধ্যে কেবল গাজায়ই মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৩২৯ জন। সব মিলিয়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ হাজার ৮১৪ জন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas War: উড়ে যাচ্ছে হামাসের ছোড়া রকেট, প্রত্যাঘাত ইজরায়েলি বোমার, গাজা-অভিযানের ভিডিও প্রকাশ্যে

    Israel Hamas War: উড়ে যাচ্ছে হামাসের ছোড়া রকেট, প্রত্যাঘাত ইজরায়েলি বোমার, গাজা-অভিযানের ভিডিও প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরুটা হয়েছিল গত শনিবার। ৭ অক্টোবর, ভোর সাড়ে ৬টা নাগাদ (স্থানীয় সময়) ইজরায়েলের দিকে ধেয়ে আসে হাজার হাজার রকেট (Israel Hamas War)। সেগুলি ছোড়া হয়েছিল সীমান্তের ওপারে জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা থেকে। কাঁটাতার পেরিয়ে ইজরায়েলে ঢুকে পড়ে শয়ে শয়ে হামাস জঙ্গি। নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয় শয়ে শয়ে নিরীহ ইজরায়েলিকে। অপহরণ করে পণবন্দি করা হয় আরও শয়ে শয়ে সাধারণ নাগরিককে।

    অষ্টম দিনে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ

    সেই অতর্কিত জঙ্গি হামলার পরই যুদ্ধ ঘোষণা করে ইজরায়েল। সেই থেকে চলছে দুই যুযুধান পক্ষের রক্তক্ষয়ী লড়াই। মাঝে পেরিয়ে গিয়েছে ৭ দিন। আজ আরেক শনিবার। অষ্টম দিনে পড়ল ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ (Israel Hamas War)। দুপক্ষের এই তীব্র লড়াইয়ে মৃ্তের সংখ্যা ৪ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। আহতের সংখ্যা আরও কয়েকগুণ বেশি। সারাক্ষণ চলছে মুহুর্মুহু আক্রমণ। এরই মধ্যে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস বা আইডিএফ।

    ভিডিও প্রকাশ আইডিএফ-এর

    এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সমুদ্র তীরবর্তী একটি অংশে একের পর এক রকেট পড়ছে। ইজরায়েল সেনা জানিয়েছে, সমুদ্রসৈকতের কাছের ঘাঁটি থেকে ইজরায়েলি সেনার দিকে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে হামাস বাহিনী (Israel Hamas War)। পাল্টা হামাস গোষ্ঠীর ঘাঁটিতে মুহুর্মুহু বোমা বর্ষণ করে চলেছে ইজরায়েলি সেনাও। ইজরায়েলি সেনা লিখেছে, হামাসের ঘাঁটি ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী মিসাইল লঞ্চারগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে। একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রর হামলা ও পাল্টা হামলায় মুহূর্তের মধ্যে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছে গোটা এলাকা। গুঁড়িয়ে যাচ্ছে ঘর-বাড়ি। এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    ২৪-ঘণ্টার ডেডলাইন…

    এদিকে, গাজায় স্থলপথে অভিযানের প্রস্তুতি প্রায় পাকা করে ফেলেছে ইজরায়েলি সেনা (Israel Hamas War)। ৭ তারিখ থেকে আকাশপথে বোমাবর্ষণ চালাচ্ছিল ইজরায়েলি এয়ার ফোর্স। এবার, স্থলপথে গাজায় ঢোকার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। ইজরালেয়ের দাবি, পণবন্দিদের খুঁজে বের করতে সব তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করছে ইজরায়েল। তার আগে, উত্তর গাজায় বসবাসকারী প্রায় ১১ লক্ষ প্যালেস্তেনীয়কে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গাজার দক্ষিণে স্থানান্তরিত করার নির্দেশ দিয়েছে ইজরায়েল। এর পরই, গাজায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শয়ে শয়ে মানুষ বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে গাজা ছেড়ে পালাচ্ছেন।

     

    শের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Israel Hamas War: হামাসের ডেরায় হানা ইজরায়েলি ‘শায়েতেত ১৩’ কমান্ডোদের, মুক্ত ২৫০ পণবন্দি, খতম ৬০ জঙ্গি

    Israel Hamas War: হামাসের ডেরায় হানা ইজরায়েলি ‘শায়েতেত ১৩’ কমান্ডোদের, মুক্ত ২৫০ পণবন্দি, খতম ৬০ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম সেরা কমান্ডো বাহিনী হল ইজরায়েলের ‘শায়েতেত মতকল’ (Shayetet Matkal)। এদের গঠন করা হয়েছে ব্রিটিশ স্যাস-এর ধাঁচে। এই ‘শায়েতেত মতকল’ বাহিনীর একটি বিশেষ ইউনিট হল ‘শায়েতেত ১৩’ (Shayetet 13)। সম্প্রতি, এই ইউনিট দুর্ধর্ষ একটি কমান্ডো অপারেশন চালিয়ে হামাসের হাতে বন্দি ২৫০ পণবন্দিকে উদ্ধার করে। শুধু তাই নয়, ওই গোপন ডেরায় লুকিয়ে যাকা অন্তত ৬০ হামাস জঙ্গিকে খতম করেছে তারা। অভিযানের সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছে ইজরায়েলি সেনাবাহিনী আইডিএফ ও সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। যদিও, সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    পর্দার অভিনয় নয়, বাস্তব অভিযান!

    এক ঝলক দেখে মনে হবে যেন কোনও হলিউডি বা হালের ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়া অ্যাকশন থ্রিলারের একটি দৃশ্য। আবার কখনও দেখে মনে হবে এ তো কোনও ভিডিও গেম। দেখা যাচ্ছে, একজন সৈনিক এগিয়ে যাচ্ছেন। যা ঘটে চলেছে, তাঁর চোখ দিয়েই দেখছে দুনিয়া। ওই সৈনিকের হাতে ধরা অত্যাধুনিক অ্যাসল্ট রাইফেলের ভাইসর এদিক-ওদিক শত্রু খুঁজে বেড়াচ্ছে। আশে-পাশে রয়েছেন ওই সৈনিকের আরও কয়েকজন সহযোদ্ধা। তাঁরা সকলে মিলে একটি বাঙ্কারে অভিযান চালাচ্ছেন। এদিক-ওদিক দিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি চলার আওয়াজ আসছে। চিৎকার শোনা যাচ্ছে। এক ঝলকে মনে হবে একেবারে সিনেমার মতো। কিন্তু, গোটা ঘটনা একেবারে বাস্তব। যা ঘটেছে ইজরায়েল-গাজা সীমান্তবর্তী এলাকায়।

    বন্দি উদ্ধারে ডাক ডাক পড়ে ‘শায়েতেত ১৩’ ইউনিটের

    সম্প্রতি, ইজরায়েলি সেনা আইডিএফ এবং সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ একটি ভিডিও পোস্ট করে নিজেদের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে। সেখানে ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি লাইভ অপারেশনের ফুটেজ। বুঝতে অসুবিধে হয় না যে, এটা ইজরায়েলি কমান্ডো (Israeli Commandos) অপারেশন। আইডিএফ স্বীকার করে যে, ওই ভিডিওটি আদতে গত ৭ তারিখের। ঘটনাস্থল গাজা সীমান্ত সংলগ্ন সুফা আউটপোস্ট। খবর ছিল, সীমান্তবর্তী জায়গা থেকে ইজরায়েলিদের অপহরণ করে সেখানেই পণবন্দি করে রেখেছে হামাস বাহিনী। কালক্ষেপ না করে, জঙ্গি নিধন ও বন্দিদের মুক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয় কমান্ডো বাহিনী ‘শায়েতেত মতকল’-কে। এই অভিযানে পাঠানো হয় বাহিনীর ‘শায়েতেত ১৩’ ইউনিটকে। 

    বিশ্বের অন্যতম সেরা কমান্ডো-ইউনিট

    ‘শায়েতেত ১৩’ (Shayetet 13) হল ইজরায়েলি কমাান্ডোদের অন্যতম ক্ষিপ্র, ক্ষুরধার ও তীক্ষ্ণ। এক কথায়, স্পেশাল অপারেশন্সের জন্য বাহিনীর অন্যতম সেরা এই এলিট ইউনিট। পণবন্দি পরিস্থিতি মোকাবিলা এই ইউনিট অত্যন্ত দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ। অতীতের একাধিক এমনই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার অভিজ্ঞতা রয়েছে এই ইউনিটের (Israeli Commandos)। ফলে, এমন বাহিনীর সঙ্গে এঁটে উঠকে পারেনি হামাস জঙ্গিরা। রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর বাঙ্কার থেকে অপহৃত ২৫০ বন্দিকে উদ্ধার করে ইজরায়েলের এই এলিট বাহিনী। শুধু তাই-ই নয়, হামাসের ৬০ সদস্যকে খতমও করেছে তারা।

    খতম ৬০ জঙ্গি, আটক আরও ২৬

    ভিডিও পোস্ট করে ইজরায়েলি সেনা জানিয়েছে, সুফা আউটপোস্টের কাছে বাঙ্কারে অভিযান চালিয়ে বন্দিদের মুক্তির পাশাপাশি জঙ্গি নিধন অভিযানও সম্পন্ন করেছে ‘শায়েতেত ১৩’ (Shayetet 13)। এছাড়া, হামাসের সাদার্ন নেভাল ডিভিশনের ডেপুটি কমান্ডার মহম্মদ আবু আলি সহ ২৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। এই অভিযান অবশ্য ঠিক কবে হয়েছে, তা জানা যায়নি। তবে, ৭ অক্টোবর হামাস এই সুফা সামরিক ঘাঁটি দখল করে নিয়েছিল। ওই দিনই ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে কমান্ডোদের (Israeli Commandos) নামিয়েছিল ইজরায়েল। একই ভিডিও নিজেদের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছে মোসাদও। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas War: ‘‘অন্তঃসত্ত্বার পেট ফালা ফালা করা, পাশে পড়ে গর্ভস্থ শিশু’’! প্রকাশ্যে হামাস জঙ্গিদের বর্বরোচিত হামলা

    Israel Hamas War: ‘‘অন্তঃসত্ত্বার পেট ফালা ফালা করা, পাশে পড়ে গর্ভস্থ শিশু’’! প্রকাশ্যে হামাস জঙ্গিদের বর্বরোচিত হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই দাঁত-নখ বের করছে প্যালেস্তাইনি (Israel Hamas War) জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস। কখনও তারা খুন করছে অসহায় শিশুদের। কখনও আবার আচরণ করছে বর্বরোচিত। সম্প্রতি এমনই এক ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন আশদোদের বাসিন্দা ইয়োসি ল্যান্ডাও। ইজরায়েলের এই বাসিন্দা কয়েক দশক ধরে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হয়ে কাজ করছেন মৃতদেহ উদ্ধারের। হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের সময়ও তিনি উদ্ধার করে চলেছেন লাশ।

    ভয়ঙ্কর দৃশ্য

    বছর পঞ্চান্নর ইয়োসি জানান, প্রতিদিন সাইরেনের শব্দে ঘুম ভাঙে তাঁর। তার পরেই বেরিয়ে পড়েন দেহ উদ্ধারের কাজে। যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকাগুলিতে গিয়ে খুঁজে বেড়ান লাশ। ইয়োসি বলেন, “আমি গাড়ি উল্টে পড়ে থাকতে দেখেছি। রাস্তায় কত মানুষের দেহ পড়ে থাকতে দেখেছি। সেই দৃশ্য ভয়ঙ্কর। সীমান্তের কাছাকাছি সেডেরো শহরে অনেক সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন।” কয়েক দশক ধরে মৃতদেহ উদ্ধারের কাজ করলেও, এবারই ভয়ঙ্করতম ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন ইয়োসি। বলেন, “একটা রাস্তায় এত দেহ পড়েছিল যে ১৫ মিনিটের রাস্তা পেরোতে আমাদের সময় লেগেছিল ১১ ঘণ্টা। কারণ আমরা ব্যাগে করে দেহগুলি তুলছিলাম।”

    বর্বরোচিত অভিজ্ঞতার সাক্ষী ইয়োসি

    তবে ইয়োসির বুকে গেঁথে রয়েছে (Israel Hamas War) এক নৃশংশ খুনের ছবি। তিনি বলেন, “একটি বাড়িতে দেহ উদ্ধার করতে গিয়ে দেখি, ছুরি দিয়ে পেট ফালাফালা করে দেওয়া হয়েছে এক মহিলার। সেখানে একটি শিশুও ছিল। মায়ের নাড়ির সঙ্গে তখনও যুক্ত ছিল শিশুটি। শিশুটিকেও ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। দৃশ্যটি দেখে আমি ঠিক থাকতে পারিনি।” এই যুদ্ধের আবহে ইজরায়েলের অনেক মহিলা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি ইয়োসির। ইয়োসি বলেন, “আমার কেবলই মনে হচ্ছিল, আমিও বুঝি ছিন্নভিন্ন হয়ে যাব। শুধু আমিই নয়, আমার সঙ্গীরাও।” তিনি বলেন, “দেখলাম, কয়েকজনকে বিষ দেওয়া হয়েছে এবং যৌন হেনস্থা করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: রক্তাক্ত শিশুর লাশের পাশেই অর্ধদগ্ধ একরত্তির দেহ, হামাস হামলার নৃশংস ছবি প্রকাশ্যে

    গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধ। ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলে প্রথম হামলা চালায় শিয়া মুসলমানের দেশ প্যালেস্তাইনের হামাস জঙ্গি গোষ্ঠী। ইহুদিদের সবংশে ধ্বংস করতে মরিয়া হামাস। সেই কারণেই তারা এমন বর্বরোচিত আচরণ করছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Israel Hamas War: রক্তাক্ত শিশুর লাশের পাশেই অর্ধদগ্ধ একরত্তির দেহ, হামাস হামলার নৃশংস ছবি প্রকাশ্যে

    Israel Hamas War: রক্তাক্ত শিশুর লাশের পাশেই অর্ধদগ্ধ একরত্তির দেহ, হামাস হামলার নৃশংস ছবি প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তার এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে লাশ। এর মধ্যে যেমন তরুণ-তরুণী রয়েছেন, তেমনি রয়েছে মাস কয়েকের শিশুর দেহও। রক্তাক্ত শিশুর লাশের (Israel Hamas War) পাশেই হয়তো কোথাও পড়ে রয়েছে আধপোড়া শিশুর দেহ। এই সব দেহ উদ্ধার করে সৎকারের ব্যবস্থা করছে ইজরায়েলি সেনা। গত কয়েক দিন ধরে প্যালেস্তাইনের গাজা ভূখণ্ড থেকে ইজরায়েলের ওপর নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে হামাসরা। এমনই কিছু মৃত শিশুর বিকৃত দেহের ছবি পোস্ট করা হয়েছে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে। যে ছবি দেখে স্তম্ভিত তামাম বিশ্ব।

    আচমকা হামলা চালায় হামাসরা

    গত শনিবার ইহুদিদের উৎসবের দিনেই আচমকা হামলা চালায় হামাসরা। কোথাও নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে কোনও শিশুর পিতাকে। কোথাও (Israel Hamas War) আবার খুন করা হয়েছে তার মাকে। আবার কোথাও তরোয়াল দিয়ে চিরে দেওয়া হয়েছে গর্ভবতী মায়ের পেট। ছুরিকাঘাতে বিদ্ধ করা হয়েছে ভ্রুনটিকেও। হামাসদের এই নৃশংস হামলার নিন্দা করেছে বিশ্বের বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলির একটা বড় অংশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় মর্মান্তিক ছবিগুলি প্রকাশ করে নেতানিয়াহুর কার্যালয় লিখেছে, “প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে যে ছবিগুলি দেখিয়েছিলেন, তার কয়েকটি এখানে রয়েছে। সতর্কতা: এগুলি হামাস দানবদের খুন করা এবং পুড়িয়ে ফেলা শিশুদের ভয়ঙ্কর ছবি। হামাস অমানবিক। হামাস আর আইএসআইএসে কোনও পার্থক্য নেই।”

    “হামাস আইএসআইএসের থেকেও খারাপ”

    বৃহস্পতিবারই নেতানিয়াহু একটি রক্তমাখা শিশুর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছিলেন, “হামাস আইএসআইএসের থেকেও খারাপ।” এদিকে, নেতানিয়াহু-ব্লিঙ্কেন বৈঠকের পর হয় যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন। সেখানে ব্লিঙ্কেন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইজরায়েল শক্তিশালী দেশ হলেও, মার্কিন শক্তি তাদের পাশে রয়েছে। সর্বদা সাহায্য করে। হামাসরা চাইলে মার্কিন সরকার কথাবার্তা বলতে রাজি বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্লিঙ্কেন। তিনি বলেন, হামাসরা প্যালেস্তানীয়দের প্রতিনিধিত্ব করে না। প্যালেস্তাইনের যে সব মানুষ (Israel Hamas War) শান্তি চান, মার্কিন প্রশাসন তাঁদের সঙ্গে রয়েছে। স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে সকলেরই।

    আরও পড়ুুন: সন্ত্রাস-হামলার নেপথ্যে এরাই! হামাসের কুখ্যাত ‘নুখবা’ কমান্ডোদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share