Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Israel Hamas War: সন্ত্রাস-হামলার নেপথ্যে এরাই! হামাসের কুখ্যাত ‘নুখবা’ কমান্ডোদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল

    Israel Hamas War: সন্ত্রাস-হামলার নেপথ্যে এরাই! হামাসের কুখ্যাত ‘নুখবা’ কমান্ডোদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলে অতর্কিত জঙ্গি-হামলার নেপথ্যে ছিল এরাই! বদলা স্বরূপ, হামাসের সেই কুখ্যাত কমান্ডোদের সদর দফতর বোমা মেরে গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল (Israel Hamas War)। 

    ‘নুখবা’-র ডেরায় বোমাবর্ষণ ইজরায়েলের

    ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)-এর তরফে জানানো হয়েছে, গাজার প্রাণকেন্দ্রে হামাসের কুখ্যাত স্পেশাল ফোর্সের ইউনিট ‘নুখবা’-র ডেরায় অভিযান চালায় ইজরায়েল। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে আকাশপথে বোমাবর্ষণ করে হামাসের কমান্ডো-বাহিনীর ঘাঁটি ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা (Israel Hamas War)। আইডিএফ-এর আরও দাবি, রাতে গাজায় হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু আক্রমণ শানিয়েছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। সেই অভিযানে হামাসের রাফা নৌবাহিনীর প্রধান আবু শামলা খতম হয়েছে। জানা গিয়েছে, হামাসের নৌ-অস্ত্রাগারের পাশে একটি ডেরায় ছিলেন আবু শামলা। সেখানেই বোমা নিক্ষেপ করা হয়।

    আরও পড়ুন: ভারত চায় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাক ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    ইজরায়েলে হামলার নেপথ্যে কুখ্যাত ‘নুখবা’!

    ‘নুখবা’ হল সিরিয়ার বাছাই করা জঙ্গিদের নিয়ে গঠিত একটি এলিট ফোর্স। শীর্ষস্থানীয় হামাস নেতারা নিজের হাতে ‘নুখবা’-র সদস্যদের বেছে নেয়। অতর্কিত হামলা থেকে শুরু করে খুনজখম, সুড়ঙ্গ খুঁড়ে অনুপ্রবেশ— এরা সিদ্ধহস্ত। শুধু তাই নয়, ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র চালানো থেকে শুরু করে রকেট হানা এবং নিখুঁত লক্ষ্যভেদকারী স্নাইপার— এরা বিভিন্ন অস্ত্র চালনায় পারদর্শী। বর্তমানে এই কমান্ডোরাই হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে বলে ইজরায়েলি গোয়েন্দাদের দাবি।

    আইডিএফ জানিয়েছে, ২০০৭ সালে গাজার দখল নেয় হামাস। তার পর থেকে নিজেদের ‘সেফ প্যাসেজ’ তৈরি করতে গোপনে গাজায় গোপন সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়। দায়িত্ব দেওয়া হয় সুড়ঙ্গ খোঁড়ায় পারদর্শী ‘নুখবা’ বাহিনীকেই (Israel Hamas War)। এবার এই বাহিনীকে দিয়েই সীমান্তে গোপনে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে সেখান দিয়ে আচমকা ইজরায়েলে অনুপ্রবেশ করায় হামাস। ইজরায়েলি গোয়েন্দার দাবি, গাজায় হামাসের সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক এমনভাবে বিস্তৃত যে, প্রত্যেকটি স্কুল বা মসজিদ অথবা কোনও হামাস দফতর— সবার ভেতর দিয়ে একটি সুড়ঙ্গ পথ তৈরি করা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘অপারেশন অজয়’-এর প্রথম উড়ানে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২১২ জন ভারতীয়

    নিরীহ অপহৃতদের ঢাল বানাচ্ছে হামাস

    গত শনিবার সকালে, ইজরায়েলে অতর্কিতে হামলা চালায় হামাস জঙ্গিরা। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট এসে আছড়ে পড়ে ইজরায়েলে। আইডিএফ জানিয়েছে, ২০ মিনিটে প্রায় ৫ হাজার রকেট নিক্ষেপ করা হয়ে ইজরায়েলে। আয়রন ডোম-এর ফলে, অধিকাংশ মাঝ-আকাশেই নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তাও, অনেকগুলো আছড়ে পড়ে মাটিতে। এর পাশাপাশি, প্যারাগ্লাইডারে চেপে ইজরায়েলে অনুপ্রবেশ করে হামাস জঙ্গিরা (Israel Hamas War)। এছাড়া, সীমান্তে সুড়ঙ্গ কেটে এবং সুমুদ্রপথেও ইজরায়েলে ঢুকে হামলা চালায় জঙ্গিরা। হামাসের হামলায় ১২০০-র বেশি ইজরায়েলির মৃত্যু হয়। জখম হল ৩ হাজারের বেশি। হত্যালীলা চালানোর পর বহু ইজরায়েলিকে এপার থেকে অপহরণ করে সীমান্ত পেরিয়ে গাজায় পণবন্দি করে রেখেছে হামাস। তাঁদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি আইডিএফ-এর।

    গাজায় ঢোকার অপেক্ষায় ৩ লক্ষ ইজরায়েলি ফৌজ

    এর পরই যুদ্ধ ঘোষণা করে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। গাজায় হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে চলে মুহুর্মুহু আক্রমণ।  ইজরায়েলি সেনার হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজার একাংশ। হামাস তাদের হামলার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’। ইজরায়েলের জবাবি অভিযানের কোডনেম হল ‘অপারেশন সোর্ডস অফ আয়রন’। হামাসের হত্যালীলা রুখতে ইজরায়েলের তরফে ৩ লক্ষ শক্তিশালী বাহিনীকে সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে (Israel Hamas War)। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা স্থলপথে গাজায় ঢুকতে তৈরি। কিন্তু, রাজনৈতিক সবুজ সঙ্কেত না মেলায় তারা অপেক্ষায় রয়েছে। যদিও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, পৃথিবীর বুকে একটিও হামাস জঙ্গিকে রাখা হবে না। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানান, বায়ুসেনাকেও হামাসের উপরে হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Palestine Israel war: ভারত চায় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাক ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    Palestine Israel war: ভারত চায় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাক ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা পাঁচ দিনেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলছে ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের (Palestine Israel war) মধ্যে। প্যালেস্তাইনের গাজা ভূখণ্ড থেকে ইজরায়েলের দিকে ছোড়া হচ্ছে এলোপাথাড়ি রকেট। গাজা ভূখণ্ডটি দখল করে রেখেছে হামাসরা। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন এই হামাসরাই মাত্র কুড়ি মিনিটের মধ্যে ৫ হাজার রকেট ছুড়েছিল।

    জঙ্গি হামলা 

    টানা এই যুদ্ধের জেরে ইজরায়েলে মৃতের সংখ্যা চার হাজার ছুঁইছুঁই। ভারত যে বরাবরই যুদ্ধের বিপক্ষে, তা বিভিন্ন সময় জানিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। বৃহস্পতিবার যে তীব্র হামলা চালিয়েছে হামাসরা, তাকে জঙ্গি হামলা বলে দেগে দিয়েছে ভারত। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করুক ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইন দুই প্রতিবেশী দেশ। থাকুক শান্তিতে। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র (Palestine Israel war) অরিন্দম বাগচি জানান, আন্তর্জাতিক মানবতাবাদ আইন এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নজর রাখাটা বিশ্বজনীন বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে।

    ভারতের বক্তব্য

    ইজরায়েলে হামাসের হামলা প্রসঙ্গে বাগচি বলেন, “ভারতীয় আইনের অধীনে জঙ্গি সংগঠনের ডেজিগনেশন লিগ্যাল ম্যাটার। আমি এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের রিলেভেন্ট অথরিটি। আমি মনে করি, আমরা খুব পরিষ্কার যে আমরা এটাকে জঙ্গি হামলা হিসেবেই বিবেচনা করছি। সংশ্লিষ্ট অথরিটির এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দেওয়া প্রয়োজন। ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন।” তিনি বলেন, “ভারত বরাবর আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে আগ্রহী। ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইন দু’টি সার্বভৌম দেশ। তারা শান্তিতে বসবাস করুক।” তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের একযোগে লড়াই করতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: হিংসার আগুনের মাঝে জীবনের জয়গান! ইজরায়েলে ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার যমজ শিশু

    ইজরায়েলে হামাসের হামলায় ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা পেরিয়েছে সাড়ে ৩ হাজারের গণ্ডি। জখমও হয়েছেন কয়েক হাজার ইজরায়েলবাসী। তার পরেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হামাস। পাল্টা লড়ছে ইজরায়েল। হামাসদের সঙ্গত দিচ্ছে হেজবুল্লা নামে একটি জঙ্গি সংগঠন। হামলা চালাচ্ছে লেবাননও। জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের হামলায় গাজা ভূখণ্ডে মৃত্যু হয়েছে ৯৫০ জনের। জখম হয়েছেন ৫ হাজার মানুষ। যুদ্ধের কারণে ইজরায়েলে আটকে পড়েছেন কয়েক (Palestine Israel war) হাজার ভারতীয়। তাঁদের উদ্ধারে বুধবারই ভারত চালু করেছে অপারেশন অজয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas War: হিংসার আগুনের মাঝে জীবনের জয়গান! ইজরায়েলে ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার যমজ শিশু

    Israel Hamas War: হিংসার আগুনের মাঝে জীবনের জয়গান! ইজরায়েলে ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার যমজ শিশু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধ্বংস যজ্ঞের মধ্যেও প্রাণের স্পন্দন! এ ছবি যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইজরায়েলের। দিন পাঁচেক ধরে কার্যত যুদ্ধ চলছে ইজরায়েল এবং হামাসের (Israel Hamas War)। প্যালেস্তাইনের জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসই প্রথম গাজা ভূখণ্ড থেকে হামলা চালায় ইজরায়েলে। পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে তেল আভিভ। হামাসের হামলায় ইজরায়েলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার হাজারের কাছাকাছি। ইজরায়েলের বাতাসে বারুদের গন্ধ। যত্রতত্র ছড়িয়ে মৃতদেহ। এরই মধ্যে শোনা গেল জীবনের জয়গান।

    শেল্টার হাউসে লুকিয়ে রাখেন যমজ সন্তান

    ঘটনাটি তাহলে খুলেই বলা যাক। হামাসরা ইজরায়েলে হামলা চালাতেই মাস দশেকের যমজ সন্তানকে একটি শেল্টার হাউসে লুকিয়ে রাখেন ইজরায়েলের এক তরুণ দম্পতি। এর পরপরই হামাস জঙ্গি বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় ওই দম্পতির। হামাসের ছোড়া গোলায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তাঁদের বাড়িটিও। হামাসের ডেরা গাজার পূর্বে মাইল তিনেক দূরের ওই এলাকায় কার্যত তাণ্ডব চালিয়ে ফিরে যায় হামাস জঙ্গিরা। হিংসার আগুন কিছুটা স্তিমিত হলে প্রাণের খোঁজে এলাকা চষে ফেলে ইজরায়েলি সেনা। তখনই শেল্টার হাউস থেকে ভেসে আসে কান্নার শব্দ। তারাই উদ্ধার করে (Israel Hamas War) যমজ ওই শিশু দুটিকে।

    উদ্ধার অনাথ দু’টি শিশু 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই দম্পতির ছবি পোস্ট করে সাইপ্রাসে ইজরায়েলের ডেপুটি অ্যাম্বাসাডর রোতেম সেগেভ লিখেছেন, “বছর তিরিশের ইটালি ও হাদার বেরডিচেভস্কি একটি শেল্টার হাউসে তাঁদের দশ মাসের যমজ বাচ্চাকে লুকিয়ে রেখেছিল। জঙ্গিরা ইটালি ও হাদারকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। যদিও জঙ্গিদের সঙ্গে শেষতক লড়েছিল ওই দম্পতি।” সেগেভ জানান, বাচ্চা দু’টি ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ওই শেল্টার হাউসে পড়েছিল। পরে ইজরায়েলি বাহিনী তাদের উদ্ধার করে।

    আরও পড়ুুন: বাটলা হাউস এনকাউন্টারে দোষী সাব্যস্ত আরিজ খানের ফাঁসির সাজা রদ

    মাইক্রোব্লগিং সাইটে তিনি লিখেছেন, “কল্পনা করুন ভয়ঙ্কর সেই দৃশ্যের। ভীত-সন্ত্রস্ত সেই দম্পতি তাঁদের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত চেষ্টা করেছিল সন্তান দুটিকে রক্ষা করতে। এই শিশু দু’টি এখন অনাথ হয়ে পড়ল। তাদের এই স্মৃতি যেন আশীর্বাদ হয়ে ঝরে পড়ে।” জানা গিয়েছে, বর্তমানে শিশু দু’টি সুস্থ রয়েছে। তাদের তুলে দেওয়া হয়েছে তাদের ঠাকুমার হাতে (Israel Hamas War)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel: হামাসের পর এবার ইজরায়েলে হামলা হেজবোল্লা, সিরিয়ার, লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

    Israel: হামাসের পর এবার ইজরায়েলে হামলা হেজবোল্লা, সিরিয়ার, লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের (Israel) ওপর হামলা চালিয়েছিল হামাসরা। এবার আক্রমণ ধেয়ে এল উত্তরের লেবানন ভূখণ্ড থেকেও। বুধবার রাতে  আকাশযান থেকেও হামলা চালানো হয়েছে লেবানন সীমান্তবর্তী ইজরায়েলি শহর বেইট শিয়ার, সাফেদ এবং টাইবেরিয়াসের ওপর। অনুমান, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লার ড্রোন হানা দিয়েছে ইজরায়েল ভূখণ্ডে। ইজরায়েল সেনা সূত্রে খবর, ঘটনার নেপথ্যে লেবাননের বায়ুসেনার ভূমিকাও থাকতে পারে।

    হেজবুল্লা বাহিনীর হুঁশিয়ারি

    বুধবার সকালেই ইরানের মদতপুষ্ট হেজবুল্লা বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইজরায়েলকে। বিবৃতি জারি করে লেবাননের ওই জঙ্গিগোষ্ঠীর এক মুখপাত্র বলেছিলেন, “প্যালেস্তাইনকে ইউক্রেন ভাবলে ভুল করবে অন্যরা। বাইরের কোনও শক্তি ইজরায়েল ও হামাসের সংঘাতে হস্তক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিলে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এরই কয়েক ঘণ্টা পরে শুরু হয়েছে হামলা। হেজবুল্লা বাহিনীতে রয়েছে লক্ষাধিক যোদ্ধা। এর আগেও ইজরায়েলের ওপর হামলা চালিয়েছে তারা।

    হামাসকে শুভেচ্ছা হেজবুল্লার 

    ৭ অক্টোবর হামাস যখন প্রথম হামলা চালায়, তখন তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছিল লেবানের হেজবুল্লা। হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধ বুধবার পড়ল পঞ্চম দিনে। এদিন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে হাজার চারেক ইজরায়েলি নাগরিকের। এহেন পরিস্থিতিতে হেজবুল্লা ঢুকে পড়ায় হতাহতের সংখ্যা বাড়বে বলেই আশঙ্কা। ইজরায়েলি (Israel) সেনার তরফে জানানো হয়েছে, দেশের আকাশসীমায় বেআইনি অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে লেবানন। তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ভিতরে ঢুকে পড়েছে পড়শি দেশ।

    ১৯৮২ সালে হেজবুল্লা প্রতিষ্ঠা করে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড। ইজরায়েলের বাহিনী লেবানন আক্রমণ করলে এবং ইসলামি বিপ্লবকে আরব দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিতেই গড়া হয়েছিল হেজবুল্লা। সেই হেজবুল্লাই এবার সঙ্গত দিতে শুরু করল হামাসকে।

    আরও পড়ুুন: “কয়েকজন জালি হিন্দুর জন্য পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজো উদ্বোধন”! মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    এদিকে, সিরিয়া সীমান্তে মোতায়েন থাকা কামান থেকেও গোলা ছোড়া হচ্ছে ইজরায়েলে (Israel)। তেল আভিভের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমাদের বাহিনী গোলা ও মর্টার শেলের জবাব দিচ্ছে। সিরিয়া থেকে যে হামলা হচ্ছে, তা আমরা প্রতিহত করছি।” প্রসঙ্গত, সিরিয়ার সঙ্গেও ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলের রক্তাক্ত সংঘাত হয়েছে একাধিকবার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Israel-Hamas Conflict: শুরু ‘অপারেশন অজয়’! ইজরায়েল, যুদ্ধে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারে সক্রিয় সরকার

    Israel-Hamas Conflict: শুরু ‘অপারেশন অজয়’! ইজরায়েল, যুদ্ধে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারে সক্রিয় সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলে (Israel-Hamas Conflict) আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করতে বিমান পাঠানোর পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র সরকার। গাজায় হামাস গোষ্ঠীর সঙ্গে ইজরায়েলের সংঘাত বেঁধেছে। এই পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা দিতে বদ্ধ পরিকর কেন্দ্র। বুধবার রাতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন অজয়’। জেরুজালেম, তেল আভিভ-সহ ইজরায়েলের বিভিন্ন শহরে আনুমানিক ১৮ হাজার ভারতীয় বসবাস করেন। তাঁদের কেউ তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। কেউ পরিষেবা ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। কেউ আবার পড়ুয়া।

    অপারেশন অজয় 

    জয়শঙ্কর জানান, ‘‘ইজরায়েল থেকে ফিরে আসতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে অপারেশন অজয় শুরু করা হচ্ছে। বিশেষ চার্টার্ড উড়ান-সহ সব ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বিদেশের মাটিতে আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ দূতাবাস থেকে আরও বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবারই একটি বিশেষ উড়ান ভারত থেকে ইজরায়েলে (Israel-Hamas Conflict) গিয়ে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনবে। তারপর ধাপে ধাপে আরও যারা যারা ফিরতে চাইবেন, তাঁদের সকলকেই ফিরিয়ে আনা হবে।

    বিশেষ ব্যবস্থা মোদি সরকারের

    চলতি বছরে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার বিদেশ থেকে ভারতীয়দের ফেরাতে পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। এর আগে এপ্রিল-মে মাসে যুদ্ধ বিধ্বস্ত সুদান থেকে নাগরিকদের ফেরাতে ‘অপারেশন কাবেরী’ চালিয়েছিল মোদি সরকার। এবার ইজরায়েল (Israel-Hamas Conflict)। তেল আভিভের ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার প্রথম স্পেশাল বিমান ইজরায়েল থেকে রওনা দেবে। এ ব্যাপারে একাধিক ভারতীয় নাগরিককে ইমেল করে জানানো হয়েছে। রেজিস্টার্ড বাকি ভারতীয়দের পরবর্তী বিশেষ বিমানগুলি সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: হামাসকে আইসিসের সঙ্গে তুলনা বাইডেনের, ইজরায়েল যাচ্ছেন মার্কিন বিদেশ সচিব

    গত ৭ অক্টোবর গাজা স্ট্রিপ থেকে ইজরায়েলের উপর বড়সড় হামলা চালায় হামাস জঙ্গিরা। এর পরই যুদ্ধ ঘোষণা করে পাল্টা প্রত্যাঘাত শুরু করে ইহুদি সেনা। গাজায় একের পর এক এয়ার স্ট্রাইক চালায় তাঁরা। এহেন পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লি থেকে তেল আভিভ পর্যন্ত উড়ান পরিষেবা বন্ধ রেখেছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ।

    ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম

    বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইজরায়েল- প্যালেস্টাইনের (Israel-Hamas Conflict) পরিস্থিতি নিয়ে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় তথ্য় ও সহায়তা দেওয়ার জন্য এটা করা হয়েছে।

    কন্ট্রোল রুমের নম্বরগুলি হল:

    1800118797 (toll free), +91-11 23012113, +91-11-23014104, +91-11-23017905 , +919968291988,

    ইমেল আইডি:

    situationroom@mea.gov.in

    অন্যদিকে তেল আভিভে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে +972-35226748, +972-543278392 নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদের মেল আইডি হল cons1.telaviv@mea.gov.in

    রামাল্লাতে ভারতীয় দূতাবাসের কন্ট্রোল রুমের নম্বর হল +970-592916418 (WhatsApp-ও)

    ইমেল আইডি হল rep.ramallah@mea.gov.in

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas War: হামাসকে আইসিসের সঙ্গে তুলনা বাইডেনের, ইজরায়েল যাচ্ছেন মার্কিন বিদেশ সচিব

    Israel Hamas War: হামাসকে আইসিসের সঙ্গে তুলনা বাইডেনের, ইজরায়েল যাচ্ছেন মার্কিন বিদেশ সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে (Israel Hamas War) এখন তোলপাড় পশ্চিম এশিয়া। সেখানকার আকাশে-বাতাসে এখন বারুদের গন্ধ। চারদিকে ধ্বংসের ছবি। এবার কি সেই যুদ্ধে যোগ দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র? এই প্রশ্নটা উঠছে, কারণ সোমবারই ইজরায়েলের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন। আর বুধবার, ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভে পৌঁছল অস্ত্রবোঝাই মার্কিন সামরিক বিমান। জানা যাচ্ছে, এই বিমানে অত্যাধুনিক সামরাস্ত্র রয়েছে, যা হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইজরায়েলকে দিচ্ছে ওয়াশিংটন। পাশাপাশি, হামাসের তথাকথিত মিত্র বলে পরিচিত— লেবানন, সিরিয়া, ইরানের ওপর নজর রাখতে ভূমধ্যসাগরে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর একটি আস্ত ফ্লিট। যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী। অন্যদিকে, এদিনই ইজরায়েলে পৌঁছচ্ছেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। সব মিলিয়ে যুদ্ধে মার্কিন ভূমিকা কী হতে চলেছে, সেই নিয়ে তুমুল জল্পনা আন্তর্জাতিক মহলে।

    হামাস-হামলাকে ‘‘শয়তানের কাজ’’ উল্লেখ বাইডেনের

    শনিবার ভোরবেলা ইজরায়েলে অতর্কিত হামলা চালায় হামাস বাহিনী। হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজা থেকে ইজরায়েলে উড়ে আসে হাজার হাজার রকেট। ইজরায়েলে ঢুকে শতাধিক মানুষকে পণবন্দি করে হামাস জঙ্গিরা। নির্বিচারে হত্যালীলা চালানো হয়। যাতে ১২০০ ইজরায়েলিদের পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৪ মার্কিন নাগরিকেরও। এর পরই হামাসের বিরুদ্ধে ইজরায়েলকে (Israel Hamas War) পূর্ণ সহযোগিতার ঘোষণা করে মার্কিন প্রশাসন। হামাস বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে যে তারা যে ইজরায়েলের পাশে আছে সেই কথা পরিষ্কার করে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মঙ্গলবার হামাসকে জঙ্গি-গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে একাসনে বসান জো বাইডেন। হোয়াইট হাউস থেকে ইজরায়েল যুদ্ধ নিয়ে বিবৃতি রাখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘এটা সম্পূর্ণরূপে শয়তানের কাজ। সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হামাসের রক্তাক্ত হাত, যাদের লক্ষ্যই হল ইহুদিদের হত্যা করা। ইজরায়েলের পাশে আমাদের দৃঢ় সমর্থন রয়েছে।’’

     

    ইজরায়েল পৌঁছল মার্কিন সামরিক বিমান, সাগরে রণতরী 

    এটাই নয়। ইজরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার কথাও জানিয়ে দেন বাইডেন। তিনি বলেন, ‘‘আয়রন ডোম যাতে ফের পূর্ণ শক্তি ফিরে পায়, তার জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাচ্ছি। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে নিজেদের শহর ও শহরবাসীকে রক্ষা করার কাজে ইজরায়েলের অস্ত্রাগারে কোনও টান না পড়ে।’’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্যের কিছু পরই ইজরায়েলে পৌঁছে যায় অস্ত্রভর্তি তেল আভিভে পৌঁছে যায় (Israel Hamas War)। বুধবার ভোরে আমেরিকার বিমান দেশের দক্ষিণ প্রান্তে নেভাটিম বিমানঘাঁটিতে নামে। তাতে প্রচুর পরিমাণ অত্যাধুনিক অস্ত্র রয়েছে বলে খবর। ইজরায়েলের সহায়তায় পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন রয়েছে মার্কিন রণতরী। জানা যাচ্ছে, গোটা ফ্লিট নিয়ে মোতায়েন রয়েছে বিমানবাহী রণরতী ইউএসএস জেরাল্ড এস ফোর্ড। রয়েছে মার্কিন যুদ্ধবিমানও। 

    কূটনৈতিক সমর্থন দিতে ইজরায়েলের পথে ব্লিঙ্কেন

    সামরিক সাহায্যের পাশাপাশি, ইজরায়েলকে কূটনৈতিক সমর্থনও জানাচ্ছে আমেরিকা। বুধবার রাতে বা বৃহস্পতিবার ইজরায়েলে যেতে পারেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিনকিন। ইজরায়েলি প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা তাঁর। ব্লিঙ্কেন জানিয়েছেন, তিনি ইজরায়েলের পক্ষে মার্কিন সমর্থনের বার্তা নিয়ে আসবেন। নিজের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে ট্যুইট করে মার্কিন বিদেশ সচিব বলেন, ‘‘কাল আমি ইজরায়েলে যাব। সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করব। একইসঙ্গে এই জঙ্গি হামলার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে (Israel Hamas War) কীভাবে ইজরায়েলকে সহায়তা করা যায়, তা খতিয়ে দেখা হবে। ইজরায়েলের প্রতি আমাদের সমর্থনে কোনও হেরফের হবে না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas War: ইজরায়েল সীমান্তে ৪০ শিশুর মুণ্ডচ্ছেদ! হামাস জঙ্গিদের নারকীয় অত্যাচারে স্তম্ভিত বিশ্ব

    Israel Hamas War: ইজরায়েল সীমান্তে ৪০ শিশুর মুণ্ডচ্ছেদ! হামাস জঙ্গিদের নারকীয় অত্যাচারে স্তম্ভিত বিশ্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজা ভূখণ্ডের কাছে বসবাসকারী কাফর আজা গোষ্ঠীভূক্তদের ওপর হামাসের নারকীয় অত্যাচারের ছবি সামনে এল। এলাকায় ৪০ টি শিশুর দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাদের মধ্যে বহু শিশুর মুণ্ডচ্ছেদ করা হয়েছে, বলে খবর। ইজরায়েলের (Israel Hamas War) শান্তিপ্রিয় কাফর আজা গোষ্ঠীর উপর নৃশংস অত্যাচার চালিয়েছে হামাস। 

    নৃশংস অত্যাচার হামাসের

    ইজরায়েলি (Israel Hamas War) সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, কাফর আজা গোষ্ঠীর উপর নৃশংস অত্যাচার চালিয়েছে হামাস। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বিভাগের মেজর জেনারেলন ইতাই ভেরুভ হামাসের এই হামলাকে ‘জেনোসাইড’ বলে উল্লেখ করেছেন। সন্তানহারাদের পরিবারের আর্তনাদে কাফার আজা গোষ্ঠীভূক্তদের মধ্যে শোকের ছায়া। হামাসের এই নারকীয় অত্যাচারের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই শিউরে উঠছে গোটা বিশ্ব। জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় ৭০ জন হামাস জঙ্গি অনুপ্রবেশ করে অতর্কিতে আক্রমণ চালায়। তখনই তারা গণহত্যা শুরু করে। ছাড়েনি শিশুদেরও। ৪০ টি শিশুর দেহ এই গণহত্যার পর উদ্ধার হয়েছে। 

    সতর্ক ইজরায়েল

    জানা গিয়েছে, কাফার (Israel Hamas War) আজায় যে হামলা চলেছে, তাতে গ্রেনেড ব্যবহার করছে হামাস। কাফর আজা হল, একটি শান্তিপ্রিয় গোষ্ঠী। তবে ওই এলাকায় হামাসের আক্রমণের পর থেকে বহু বাড়ি এখন খালি। এলাকার বহু বাসিন্দা আতঙ্কে ঘর ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছেন। জানা যাচ্ছে, যুদ্ধের বলি এখনও পর্যন্ত তিন হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। সতর্ক থাকতে হচ্ছে, বুবি ট্র্যাপ নিয়ে। বহু গাড়ি কিম্বা বাড়িকে বিস্ফোরণের হাতিয়ার করে এই ফাঁদ পেতে রাখার সম্ভাবনা থাকছে হামাসের তরফে। 

    আরও পড়ুন: গাজা সীমান্ত পুনরুদ্ধার ইজরায়েলি সেনার, এবার ‘গ্রাউন্ড অ্যাসল্ট’-এর প্রস্ততি?

    আটকে বহু দেশের নাগরিক

    মধ্যপ্রাচ্যে গত শনিবার থেকে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় হামাস জঙ্গিদের আক্রমণে। ইজরায়েলের (Israel Hamas War) তরফে জানানো হয়েছে, তারা দেড় হাজার হামাস জঙ্গিকে নিকেশ করেছে। ইজরায়েল জানিয়েছে, সীমান্তে তাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রয়েছে। কোনও হামাস জঙ্গি সোমবারের পর থেকে ইজরায়েল সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে পারেনি, বলেও জানানো হয়েছে। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ইজরায়েলে আটকে রয়েছে বহু দেশের নাগরিকরা। প্রায় সাত হাজার কেরালার বাসিন্দা ইজারায়েলে যুদ্ধের কবলে। এই নিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরকে চিঠি লিখেছেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JeM Terrorist Killed: পাকিস্তানে আততায়ীর গুলিতে খতম পাঠানকোট হামলার মাস্টারমাইন্ড শাহিদ লতিফ

    JeM Terrorist Killed: পাকিস্তানে আততায়ীর গুলিতে খতম পাঠানকোট হামলার মাস্টারমাইন্ড শাহিদ লতিফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ সাত বছর পর পাঠানকোট বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হওয়া জঙ্গি হামলার মাস্টারমাইন্ড (Pathankot Attack Mastermind) শাহিদ লতিফ খতম হল পাকিস্তানে। বুধবার শিয়ালকোটে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদের (JeM Terrorist Killed) এই শীর্ষস্থানীয় নেতাকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে খতম করে দুই অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ী।

    ভারতে অতীতে জেলও খেটেছিল লতিফ

    জঙ্গি কার্যকলাপ ও মাদক পাচারে জড়িতে থাকার অভিযোগে ১৯৯৪ সালে তাকে জম্মু থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এর পাশাপাশি, ১৯৯৯ সালে নেপাল থেকে দিল্লিগামী একটি ভারতীয় বিমানের হাইজ্যাক করার ঘটনাতেও অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন লতিফ (JeM Terrorist Killed)। বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বিচার প্রক্রিয়া শেষের পর তাঁর জেল হয়। ২০১০ সালে তাঁর সাজা পূরণ হওয়ার পর তাঁকে ওয়াগা সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়।  

    পাকিস্তানে বসেই পাঠানকোট হামলার পরিকল্পনা

    তবে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, পাকিস্তানে ফিরেই ফের সক্রিয় হয়ে ওঠে লতিফ। সীমান্তপার জঙ্গি কার্যকলাপের নেটওয়ার্ককে ফের চালু করেন ওপার থেকেই। ২০১৬ সালে ২ জানুয়ারি পঞ্জাবে পাঠানকোট বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায় জয়েশ জঙ্গিরা। হামলায় নিহত হন সাত সেনা জওয়ান। তদন্তে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, ওই হামলার মূল কুচক্রী ছিল এই লতিফ (Pathankot Attack Mastermind)। সেই থেকেই ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় ছিল এই জঙ্গির (JeM Terrorist Killed) নাম। অবশেষে, বুধবার তাকে খতম করে অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীরা।

    পাকিস্তানে পরপর জঙ্গি-নেতা নিধন চলছে

    সাম্প্রতিককালে, পাকিস্তানে পর পর অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীর হামলায় খতম হয়ে চলেছে একের পর এক জঙ্গি-নেতা। অক্টোবরে মুম্বই হামলার মূল চক্রী হাফিজ সইদের অন্যতম সহযোগী মুফতি কায়জর ফারুককে খুন করা হয়েছিল পাকিস্তানে। করাচিতে এক অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ী ওই জঙ্গিকে গুলি করে হত্যা করে। সেপ্টেম্বরে জঙ্গি মহম্মদ রিয়াজকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরে রাওয়ালকোটের একটি মসজিদে খুন করে অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীরা। মহম্মদ রিয়াজ আবু কাসিম কাশ্মীরি নামেও পরিচিত ছিল। 

    তার আগে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে আইএসআই সদর দফতরের সামনেই অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীর গুলিতে হিজবুল মুজাহিদিনের কমান্ডার বশির পীর নিহত হয়। গত বছর তাকে সন্ত্রাসবিরোধী ঘোষণা করেছিল ভারত। এর পর ২২ ফেব্রুয়ারি ইজাজ আহমেদ আহঙ্গার নামে এক জঙ্গিকে আফগানিস্তানের কাবুলে খতম করা হয়। ইজাজ ভারতে ইসলামিক স্টেট-এর শাখা চালু করতে চাইছিল। এর কিছুদিন পর আল বদর জঙ্গিগোষ্ঠীর কমান্ডার সৈয়দ খালিদ রাজাকে পাকিস্তানের করাচিতে তার বাড়ির বাইরে গুলি করে হত্যা করে এক অজ্ঞাপরিচয় আততায়ী। পরের মাসে ভারতের ওয়ান্টেডের তালিকায় থাকা সৈয়দ নূর শালোবারকে খুন করা হয়। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকায় অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা তাকে গুলি করে খুন করে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khalistani Threat: ‘‘হামাসের ধাঁচে হামলা ভারতে’’! যুদ্ধের আবহে হাওয়া গরমের চেষ্টা খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনের

    Khalistani Threat: ‘‘হামাসের ধাঁচে হামলা ভারতে’’! যুদ্ধের আবহে হাওয়া গরমের চেষ্টা খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বাতাসে গোলা-বারুদের গন্ধ। যুদ্ধ চলেছ পৃথিবীর দুই পকেটে। একটি প্রাচ্যে – ইজরায়েল-হামাসের, অন্যটি পাশ্চাত্যে – রাশিয়া-ইউক্রেনে। যুদ্ধের এই আবহে চোখ রাঙাচ্ছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা (Khalistani Threat)। ভারত থেকে পলাতক মোস্ট ওয়ান্টেড এই বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বিদেশি শক্তির সমর্থন জোগাড় করে হুমকি দিচ্ছে ভারতকে।

    পান্নুনের হুমকি মোদিকে

    হামাস যেভাবে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলে, তেমনিভাবে ভারতের ওপর হামলা চালানো হবে বলে হুমকি দিয়েছে খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নুন। ‘শিখ ফর জাস্টিস’ নামে নিষিদ্ধ এক সংগঠনের নেতা পান্নুন। এক্স হ্যান্ডেলে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বার্তায় পান্নুনকে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ভারতকে হুমকি দিতে। যে সময় সে হুমকি দিচ্ছে ভারতকে, সেই সময় স্ক্রিনে ইজরায়েলে হামাসের হামলার ভিডিও চলছিল।

    কী বলছে পান্নুন?

    পান্নুনকে (Khalistani Threat) বলতে শোনা যায়, “প্যালেস্তাইনের মতো পঞ্জাবের বাসিন্দারাও প্রত্যুত্তর দেবে। ভারতের এটা মনে রাখা দরকার, হিংসা কেবলই হিংসার জন্ম দেয়। বহু পঞ্জাবী কর্মসূত্রে প্যালেস্তাইনে রয়েছেন। তাঁরা এবার উত্তর দেবেন। ভারত যদি পঞ্জাবকে দখল করে রাখে, তাহলে প্রত্যাঘাত আসবেই। এজন্য দায়ী থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।” ভিডিওর শেষের দিকে খালিস্তানপন্থী এই বিচ্ছিন্নতাবাদীকে বলতে শোনা যায়, “শিখ ফর জাস্টিস ব্যালটে বিশ্বাস করে। নির্বাচনে বিশ্বাস করে। পঞ্জাবের মুক্তির দিন আসতে চলেছে। এবার ভারতকে বেছে নিতে হবে কোনটা চায় তারা – ব্যালট বা বুলেট।”

    বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেও একবার হুমকি দিয়েছিল পান্নুন। ৫ অক্টোবর শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ ক্রিকেট। তার আগে দিল্লির বহু জায়গায় খালিস্তানপন্থী স্লোগান এবং ছবি দেওয়া পোস্টার দেখা গিয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে পান্নুনের সংগঠনের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়া বহু ভারতবাসীর কাছে ব্রিটেনের একটি নম্বর থেকে ফোন আসছে। তাতে শোনানো হচ্ছে রেকর্ড করা বার্তা। এই বার্তা পাঠানোর অভিযোগও উঠেছে পান্নুনের সংগঠনের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: আবুধাবিতে প্রথম হিন্দু মন্দিরের উদ্বোধন করবেন মোদি, কবে জানেন?

    ২০ জুন কানাডার কলম্বিয়া প্রদেশে (Khalistani Threat) প্রকাশ্যে খুন হন খালিস্তানপন্থী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর। ওই ঘটনায় ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। অভিযোগ অস্বীকার করে ভারত। তার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে বাড়বাড়ন্ত দেখা গিয়েছে খালিস্তানপন্থীদের। জনসমর্থন জোগাড় করতে ভারত-বিরোধী স্লোগান দিচ্ছে তারা। হামলা চালাচ্ছে মন্দিরে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Israel Hamas War: গাজা সীমান্ত পুনরুদ্ধার ইজরায়েলি সেনার, এবার ‘গ্রাউন্ড অ্যাসল্ট’-এর প্রস্ততি?

    Israel Hamas War: গাজা সীমান্ত পুনরুদ্ধার ইজরায়েলি সেনার, এবার ‘গ্রাউন্ড অ্যাসল্ট’-এর প্রস্ততি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাজা সীমান্তের কাঁটাতার কেটে গত শনিবার ইজরায়েলে অনুপ্রবেশ করেছিল হামাস বাহিনী। ৪ দিনের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর গাজা সীমান্ত জঙ্গি-মুক্ত করে পুনরুদ্ধার করল ইজরায়েলি সেনা। যুদ্ধে এখনও অবধি ৩ হাজার নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১২০০ জন ইজরায়েলি। ৯০০ জন মারা গিয়েছেন গাজায়। তবে, লড়াই (Israel Hamas War) এখনও শেষ হয়নি। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছেন, জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসকে ধ্বংস না করা পর্যন্ত থামবে না সেনা। সেই মতো, বড় অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। 

    ইজরায়েলকে বাঁচিয়েছে ‘আয়রন-ডোম’

    শনিবার দক্ষিঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় অতর্কিত হামলা চালায় হামাস। গাজা স্ট্রিপ থেকেই ইজরায়েলের ওপর হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। ইজরায়েলের দিকে ধেয়ে এসেছিল ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট। ইজরায়েলের দাবি, ২০ মিনিটে প্রায় ৫ হাজার রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছিল ইজরায়েলের ওপর। কিন্তু, বেশিরভাগ রকেটকে মাঝ-আকাশে ধ্বংস করে দেয় ইজরায়েলের ‘আয়রন-ডোম’। কিন্তু, ঝাঁকের মধ্যে থেকে বহু রকেটগুলি আছড়ে পড়ে ইজরায়েলের বুকে (Israel Hamas War)। 

    বর্বর, নির্মম হত্যালীলার সাক্ষী বিশ্ব

    শুধু আকাশপথে নয়, হামাস বাহিনী হামলা চালানো হয় সমুদ্রপথ ও স্থলপথেও। গাজা সীমান্ত জুড়ে ৪০ কিমি লম্বা কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে। বিভিন্ন জায়গা দিয়ে সেই বেড়া কেটেই অনুপ্রবেশ করেছিল হামাস জঙ্গিরা। সীমান্ত পেরিয়ে গাড়ি নিয়ে ইজরায়েলের গাজা-সীমান্তবর্তী শহরে ঢুকে পড়ে শয়ে-শয়ে সশস্ত্র জঙ্গি। পাশাপাশি, প্যারাগ্লাইড করে আকাশপথে ইজরায়েলে ঢুকে হামলা চালায় জঙ্গিরা। ইজরায়েলি সেনা ছাড়াও শয়ে শয়ে অসামরিক নাগরিকদের ওপর নির্মম হত্যালীলা চালায় জঙ্গিরা। বিরি নামক একটি জায়গাতেই হামাসের যোদ্ধারা শতাধিক নাগরিককে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছে বলে জানা গিয়েছে (Israel Hamas War)। আর শুধু হত্যা করাই নয়। হত্যার সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। কোথাও তরুণীকে হত্যা করে তাঁর নগ্ন দেহ শহরজুড়ে ঘোরানো হয়। আবার কোথাও অপহরণ করে পণবন্দি করা হয় শতাধিক ইজরায়েলবাসীকে। জঙ্গি হামলায় মোট ১২০০-র বেশি ইজরায়েলির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯০০-রও বেশি সাধারণ ইজরায়েলি নাগরিকই রয়েছেন। 

    ইজরায়েলি জবাবে খতম হামাসের দুই শীর্ষ কর্তা

    হামাসের এই অতর্কিত হামলার জবাব দিতে যুদ্ধ ঘোষণা (Israel Hamas War) করে ইজরায়েল। হামাস-অধ্যূষিত ও নিয়ন্ত্রিত গাজা স্ট্রিপে মুহুর্মুহু আছড়ে পড়ে ইজরায়েলি বোমা-ক্ষেপণাস্ত্র। ইজরায়েলি সেনার জবাবি হামলায় কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজার একাংশ। গাজাতেই হামাসের মূলকেন্দ্র বা ঘাঁটি। ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফের দাবি, হামাসের ৫০০টি ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। ইজরায়েলের বায়ুসেনা আইএএফ দাবি করেছে, তারা হামাসের অর্থনীতি-বিষয়ক মন্ত্রী জাওয়াদ আবু শামলাকে খতম করেছে। পাশাপাশি, জঙ্গি সংগঠনের রাজনৈতিক ব্যুরোর অন্যতম সিনিয়র সদস্য জাকারিয়া আবু মামারকেও খতম করা হয়েছে বলে দাবি ইজরায়েলি সেনার। ১৫০০ হামাস জঙ্গির দেহ উদ্ধার করা হয়েছে গাজা স্ট্রিপ ও তার আশেপাশের এলাকাগুলি থেকে। অন্যদিকে, গাজা প্রশাসনের তরফে এখনও অবধি ৭৬৫ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

    গাজায় জরুরি পরিষেবা বন্ধ করল ইজরায়েল

    শুধু হাতে মারা নয়, হামাসকে ভাতে মারার ব্যবস্থাও করেছে ইজরায়েল (Israel Hamas War)। সোমবার গাজাকে চারদিক থেকে ঘিরতে ট্যাঙ্ক বাহিনীকে নামায় আইডিএফ। বন্ধ করে দেওয়া হয় জল, খাবার ও বিদ্যুতের লাইন। গাজার এই সমস্ত জরুরি পরিষেবা ইজরায়েলের উপর নির্ভরশীল। মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের তরফে বলা হয়, গাজায় ইজরায়েলি বিমান হানায় ৭৯০টি আবাসন ধ্বংস হয়েছে। এছাড়াও ৫৩৩০টি আবাসন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাজায় বর্তমানে গৃহহীন অবস্থায় রয়েছেন ১ লক্ষ ৮৭ হাজার ৫০০ জন। এদের সিংহভাগই স্থানীয় একটি স্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন। 

    ‘গ্রাউন্ড অ্যাসল্ট’-এর প্রস্তুতি ইজরায়েলের

    মঙ্গলবার ইজরায়েলের তরফে জানানো হয়, তারা গাজা সীমান্ত পুনরুদ্ধার করেছে। গাজার সীমান্ত ফের এখন ইজরায়েলি সেনার নিয়ন্ত্রণে। সে দেশের সেনার তরফেও বিবৃতিত জানানো হয়েছে, গাজার সীমান্ত ও দক্ষিণ অংশের অধিকাংশ অঞ্চলই পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় ১২টিরও বেশি শহর থেকে উৎখাত করা হয়েছে হামাস বাহিনীকে। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধিনতা দেওয়া হয়েছে। হামাসের ঘাঁটি ধ্বংস করতে এবার পূর্ণ শক্তি দিয়ে ঝাঁপাতে চলেছে তাদের সেনা (Israel Hamas War)। এর জন্য প্রস্তুতি সারা হয়েছে। খুব শীঘ্রই ‘গ্রাউন্ড অ্যাসল্ট’ শুরু হবে। অর্থাৎ, এবার গাজায় নেমে হামাস-নিধন অভিযান চালাবে আইডিএফ। তাঁর হুমকি, গাজা আর পুরনো দিনে ফিরবে না। ফলে, এটা সহজেই অনুমেয় যে, আগামী কয়েকদিন যুদ্ধ আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share