Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India: “সন্ত্রাসবাদ কখনও স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না”, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে স্মরণ করাল ভারত

    India: “সন্ত্রাসবাদ কখনও স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না”, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে স্মরণ করাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পাকিস্তানের তীব্র নিন্দে করল ভারত (India)। পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে ভিত্তিহীন ও আত্মস্বার্থমূলক বক্তৃতা দেওয়ার জন্য তীব্র নিন্দা জানালেন নয়াদিল্লির প্রতিনিধি। একই সঙ্গে ভারত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে পাকিস্তানের ধারাবাহিক সন্ত্রাসবাদের ব্যবহার কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমদের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত পার্বতনেনি হরিশ এই মন্তব্য করেন। সোমবার ‘আন্তর্জাতিক আইনের শাসন পুনর্ব্যক্তকরণ: শান্তি, ন্যায়বিচার ও বহুপাক্ষিকতাকে পুনরুজ্জীবিত করার পথ’ শীর্ষক নিরাপত্তা পরিষদের খোলা বিতর্কে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত অপারেশন সিঁদুর, জম্মু ও কাশ্মীর এবং সিন্ধু জলচুক্তি প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন।

    পাকিস্তানের অ্যাজেন্ডা (India)

    হরিশের অভিযোগ, পাকিস্তানের একমাত্র অ্যাজেন্ডা হল ভারত ও ভারতের নাগরিকদের ক্ষতি করা। অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে আহমদের দাবির জবাবে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে জোরজবরদস্তি বা দায়মুক্তির ভিত্তিতে কোনও নতুন স্বাভাবিকতা তৈরি হতে পারে না। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদ কখনও স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না।” হরিশ (UNSC) বলেন, “পাকিস্তানের প্রতিনিধি নতুন স্বাভাবিকতা নিয়ে কথা বলেছেন। আমি আবারও স্পষ্ট করে বলছি—পাকিস্তান যেভাবে চায়, সন্ত্রাসবাদকে কখনও স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়া যায় না। রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদের ধারাবাহিক ব্যবহার সহ্য করা কোনওভাবেই স্বাভাবিক নয়। এই পবিত্র সভাকক্ষ পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদকে বৈধতা দেওয়ার মঞ্চ হতে পারে না।”

    অপারেশন সিঁদুর

    হরিশ এও বলেন, “অপারেশন সিঁদুর সম্পর্কে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত একটি মিথ্যা ও আত্মস্বার্থমূলক বর্ণনা তুলে ধরেছেন।” উল্লেখ্য, গত বছরের মে মাসে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালিয়ে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত ন’টি জঙ্গি ঘাঁটিতে আঘাত হানে। এটি ছিল ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত জঙ্গি হামলার প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ, যেখানে ২৬ জন সাধারণ মানুষ নিহত হন। তিনি বলেন (India), “তথ্য একেবারেই স্পষ্ট। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পহেলগাঁওয়ে পাকিস্তান-পোষিত জঙ্গিরা ২৬ জন নিরীহ মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এই মর্যাদাপূর্ণ সংস্থাই অপরাধী, সংগঠক, অর্থ জোগানদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছিল। আমরা ঠিক সেটাই করেছি (UNSC)।”

    জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংস

    হরিশ জানান, ভারতের প্রতিক্রিয়া ছিল সংযত, পরিস্থিতি ঘোরালো না করে শুধুমাত্র জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংসে সীমাবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, “৯ মে পর্যন্ত পাকিস্তান ভারতকে আরও হামলার হুমকি দিচ্ছিল। কিন্তু ১০ মে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সরাসরি আমাদের বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়।” তিনি বলেন, পাকিস্তানের একাধিক বিমানঘাঁটিতে ধ্বংস হওয়া রানওয়ে ও পুড়ে যাওয়া হ্যাঙ্গারের ছবি সর্বসাধারণের জন্য প্রকাশ্যেই দেখা যায়। হরিশ বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল, আছে এবং চিরকালই ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ হয়ে থাকবে।” সিন্ধু জলচুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারত ৬৫ বছর আগে সদিচ্ছা, সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের মনোভাব নিয়ে এই চুক্তিতে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু এই সাড়ে ছয় দশকে পাকিস্তান তিনটি যুদ্ধ এবং ভারতের বিরুদ্ধে হাজার হাজার জঙ্গি হামলার মাধ্যমে চুক্তির মূল ভাবধারাই বারবার লঙ্ঘন করেছে। পাকিস্তান-পোষিত সন্ত্রাসবাদের কারণে হাজার হাজার ভারতীয় প্রাণ হারিয়েছেন।

    সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিতের কারণ

    পহেলগাঁওয়ে হামলার প্রেক্ষিতে হরিশ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, “ভারত বাধ্য হয়েছে সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখতে। যতক্ষণ না সন্ত্রাসবাদের বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান সীমান্তপারের এবং সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে তার সমর্থন বিশ্বাসযোগ্য ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করে, ততদিন এটা চলতেই থাকবে।” ভারতের প্রতিনিধি এও বলেন, “আইনের শাসন মানার প্রশ্নে পাকিস্তানের আত্মসমালোচনা করা উচিত। পাকিস্তান চাইলে শুরু করতে পারে এই প্রশ্ন দিয়ে—কীভাবে তারা তাদের সশস্ত্র বাহিনীকে ২৭তম সংশোধনীর মাধ্যমে একটি সাংবিধানিক অভ্যুত্থান ঘটানোর সুযোগ দিল, যার ফলে তাদের প্রতিরক্ষা প্রধানকে আজীবন দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে (India)।” উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বে গৃহীত এই সংশোধনীর মাধ্যমে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে যে কোনও আইনি বিচারের হাত থেকে সম্পূর্ণ রেহাই দেওয়া হয়েছে (UNSC)।

     

  • Bangladesh: “বাংলাদেশে অমুসলিমরা সাংসদ হতে পারবেন না”! ক্ষমতায় এলেই শরিয়া শাসনের অঙ্গীকার জামাত নেতার, ভিডিও ভাইরাল

    Bangladesh: “বাংলাদেশে অমুসলিমরা সাংসদ হতে পারবেন না”! ক্ষমতায় এলেই শরিয়া শাসনের অঙ্গীকার জামাত নেতার, ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বরগুনায় একটি নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামির (Jamaat leader) এক নেতার মন্তব্যের ভিডিও (সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হওয়ার পর নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। জামাত নেতা আফজাল হোসেন তাঁর বক্তৃতায় বলেছেন, “দেশে কেবল মুসলমানদেরই সংসদ সদস্য হওয়া উচিত। বাংলাদেশ (Bangladesh) শরিয়া আইন অনুসারে পরিচালিত হওয়া উচিত।” এই মন্তব্যে এখন তোলপাড় পদ্মাপারের দেশ।

    আপনারা কি কুরআন ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা চান?

    গত ২২ জানুয়ারি বাংলাদেশের (Bangladesh) বরগুনার বামনা উপজেলার দৌয়াতলা স্কুল মাঠে হওয়া অনুষ্ঠানের সময় আফজাল হোসেনকে জামায়াতে ইসলামিতে যোগদানকারী একজন হিসেবে আয়োজকরা পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর জনতার উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময়, আফজাল হোসেন ধর্ম এবং রাজনীতি সম্পর্কে জোরালো বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “যে দেশে প্রায় ৮০% জনসংখ্যা মুসলিম, সেখানে এমন কোনও সংসদ সদস্য থাকা উচিত নয় যিনি ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে যান। উপস্থিতি জনগণরাই বলুক আপনারা কি কুর’আন ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা চান নাকি অন্যান্য ব্যবস্থা চান। জামায়াতে ইসলামি কুর’আন দ্বারা পরিচালিত একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যই সব সময় কাজ করবে। দুর্নীতি, চুরি, সন্ত্রাসীর মতো অপরাধ বন্ধ করতে হবে। জামাত-সমর্থিত প্রার্থীরা ধর্ম, ন্যায়বিচার এবং আদর্শ বুঝেই কাজ করছে।” ভাষণের ভিডিওটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ার পর, আফজাল হোসেনের প্রতিক্রিয়া জানতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে একাধিক সংবাদমাধ্যম। কিন্তু কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি।

    আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে

    বিতর্কের জবাবে, বরগুনা-২ (Bangladesh) আসনের জন্য জামায়াতে ইসলামির মনোনীত প্রার্থী ডঃ সুলতান আহমেদ বলেন, “আফজাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে দলের সদস্য ছিলেন না। তিনি তাঁকে স্থানীয় একজন প্রবীণ মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেন। আফজাল হোসেন আবেগঘন বক্তব্য রেখেছেন এবং তাঁর কথার জন্য দল দায়ী নয় বলে হাত ঝেড়ে ফেলেন সুলতান আহমেদ। জামাত নেতারা (Jamaat leader) কেউই এ ধরনের বিবৃতি দেননি এবং স্পষ্ট করে বলেন, দলে যোগদান একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মাত্র, তবে  নির্বাচনী সমাবেশের সময় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটে না।”

    এদিকে, বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. পলাশ আহমেদ বলেন, কর্মকর্তাদের দ্বারা আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ‘বন্ধু’ হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আমেরিকা

    জামায়াতে ইসলামির (Jamaat leader) আন্তর্জাতিকভাবেও মনোযোগ আকর্ষণ করছে। ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানেই দেখা যায় মার্কিন কূটনীতিকরা বাংলাদেশের নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার আগ্রহ দেখিয়েছেন। একটি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ অনুসারে জানা গিয়েছে, একজন মার্কিন কূটনীতিককে বলতে শোনা গেছে, বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃশ্যপটে পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা আমেরিকার স্বার্থে হবে। আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতি কোন স্রোতে বয় তাই এখন দেখার।

  • India US Trade Deal: প্রকাশ্যে চলে এল ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল

    India US Trade Deal: প্রকাশ্যে চলে এল ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে চলে এল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল (India US Trade Deal)। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসে মার্কিন সেনেটর টেড ক্রুজের একটি অডিও রেকর্ডিং। ওই রেকর্ডিংয়ে টেক্সাসের রিপাবলিকান এই সেনেটর বাণিজ্যনীতি ও থমকে থাকা ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক চুক্তি নিয়ে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স (JD Vance), হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা পিটার নাভারো এবং কখনও কখনও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পেরও। অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ১০ মিনিটের ওই অডিওটি এক রিপাবলিকান সূত্র শেয়ার করেছে। এটির সময়কাল ২০২৫ সালের শুরু ও মধ্যভাগ। এতে ব্যক্তিগত দাতাদের সঙ্গে একান্ত কথোপকথনে ক্রুজ নিজেকে ঐতিহ্যবাহী, মুক্তবাণিজ্যপন্থী ও হস্তক্ষেপমূলক নীতিতে বিশ্বাসী রিপাবলিকান হিসেবে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের তুলনামূলকভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী অবস্থানের বিরোধিতা করেন, যা সম্ভাব্য ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট প্রাইমারির প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    ট্রাম্পের শুল্কনির্ভর বাণিজ্যনীতির কড়া সমালোচনা (India US Trade Deal)

    অডিওতে ক্রুজ ট্রাম্পের শুল্কনির্ভর বাণিজ্যনীতির কড়া সমালোচনা করে সতর্ক করেন যে, এই নীতি মার্কিন অর্থনীতিকে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে। তিনি জানান, ২০২৫ সালের এপ্রিলের শুরুতে শুল্ক আরোপের পর তিনি ও কয়েকজন সেনেটর গভীর রাতে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি ফোনালাপে তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তবে সেই আলোচনা ভালোভাবে শেষ হয়নি (India US Trade Deal)। অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রুজ দাতাদের জানান মধ্যরাত পেরিয়ে যাওয়া ওই ফোনালাপে ট্রাম্প আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্যে চিৎকার করেন এবং অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন। ক্রুজ বলেন, “ট্রাম্প সেদিন খুব খারাপ মেজাজে ছিলেন। আমি তাঁর সঙ্গে এমন কথোপকথনেও ছিলাম, যখন তিনি খুব খুশি ছিলেন। কিন্তু এটি সেরকম ছিল না।”

    সতর্ক করেছিলেন প্রেসিডেন্টকে

    ক্রুজ আরও জানান, তিনি প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করেছিলেন যে ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যে যদি অবসরভিত্তিক বিনিয়োগ হিসেব ৩০ শতাংশ কমে যায় এবং নিত্যপণ্যের দাম ১০ থেকে ২০ শতাংশ বেড়ে যায়, তাহলে রিপাবলিকানদের জন্য নির্বাচনে ‘ভয়াবহ বিপর্যয়’ নেমে আসবে। ক্রুজের ভাষায়, তিনি ট্রাম্পকে বলেছিলেন, “আপনি প্রতিনিধি পরিষদ হারাবেন, সেনেট হারাবেন, আর পরবর্তী দু’বছর প্রতি সপ্তাহে একবার করে ইমপিচমেন্টের মুখোমুখি হবেন (JD Vance)।” এর প্রেক্ষিতে ট্রাম্প খুবই খারাপ কথা বলেছিলেন। ক্রুজ প্রশাসনের শুল্ক আরোপকে ‘লিবারেশন ডে’ বা ‘মুক্তির দিন’ নামে ব্র্যান্ডিং করার বিষয়টিও ব্যঙ্গ করেন। এক দাতা ওই শব্দবন্ধ ব্যবহার করলে ক্রুজ মন্তব্য করেন, তাঁর দলে কেউ এই শব্দটি ব্যবহার করলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে বরখাস্ত করা হত।

    ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনার প্রসঙ্গ

    ক্রুজের বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে ছিল ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনার প্রসঙ্গ। তিনি দাতাদের বলেন, চুক্তিটি এগিয়ে নিতে তিনি হোয়াইট হাউসের সঙ্গে লড়াই করছেন এবং যারা এই ধরনের চুক্তির বিরোধিতা করছেন, তাঁদের নামও উল্লেখ করেন (India US Trade Deal)। আমেরিকার অগ্রগতি কে আটকে দিচ্ছে, এই প্রশ্নে ক্রুজ অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পিটার নাভারো, ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স এবং কখনও কখনও স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নামও নেন। রেকর্ডিংয়ে ক্রুজ বারবার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সকে রক্ষণশীল পডকাস্টার টাকার কার্লসনের সঙ্গে যুক্ত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, কার্লসন বিদেশনীতি বিতর্কে হস্তক্ষেপবিরোধী ও ইহুদিবিদ্বেষী অবস্থানকে উসকে দিচ্ছেন এবং ভ্যান্স মূলত কার্লসনের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। ক্রুজ বলেন, “টাকারই জেডিকে তৈরি করেছে। জেডি টাকারের শিষ্য, আর তারা দু’জন একই (JD Vance)।”

    যদিও ক্রুজ গত কয়েক মাস ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে কার্লসনের সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছেন, এবং অডিও রেকর্ডিংটি দেখায় যে ব্যক্তিগতভাবে তিনি কার্লসন ও ভ্যান্সের মধ্যে আরও স্পষ্ট ও কঠোর সীমারেখা টেনেছেন, যা প্রকাশ্যে তিনি এতটা স্পষ্ট করেননি, যদিও ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ওই পডকাস্টারের বন্ধুত্ব সুপরিচিত (India US Trade Deal)।

  • China Nuclear Leaks: আমেরিকার কাছে পারমাণবিক তথ্য পাচার চিনা সেনাকর্তার! তদন্তের নির্দেশ জিনপিংয়ের

    China Nuclear Leaks: আমেরিকার কাছে পারমাণবিক তথ্য পাচার চিনা সেনাকর্তার! তদন্তের নির্দেশ জিনপিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের গভীর অস্থিরতার মুখে চিনের (China Nuclear Leaks) সামরিক নেতৃত্ব। দেশটির অন্যতম শীর্ষ সেনা আধিকারিক এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের (Xi Jinping) দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জেনারেল ঝাং ইউশিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে স্পর্শকাতর পারমাণবিক তথ্য পাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। পঁচাত্তর বছর বয়সি ঝাং, সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের (সিএমসি) প্রথম-ক্রমিক ভাইস চেয়ারম্যান। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি চিনের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত তথ্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর কাছে সরবরাহ করেছেন বলে অভিযোগ।

    চিনা গণমাধ্যমের দাবি

    চিনা গণমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা হয় এবং এর আগেই চলতি সপ্তাহে সামরিক দুর্নীতিবিরোধী কর্তৃপক্ষ তাঁকে আটক করেছে বলে অনুমান। তদন্তের অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উত্তর-পূর্ব চিনের শেনইয়াং শহরে একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স পাঠিয়েছেন বলেও খবর (China Nuclear Leaks)। ঝাং অতীতে সেখানে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং এখনও সেখানে তাঁর শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে বলে অনুমান। অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপ এড়াতে ওই টাস্ক ফোর্স সামরিক কাঠামোর বদলে অসামরিক হোটেলে থেকে কাজ করছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ, গোয়েন্দা তথ্য ফাঁসের পাশাপাশি ঝাং পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ভেতরে পদোন্নতির বিনিময়ে ঘুষ নিয়েছেন এবং পরে ব্যক্তিগত লাভের জন্য গোপন পারমাণবিক তথ্য শেয়ার করেছেন।

    কমিউনিস্ট পার্টির সর্বময় নেতৃত্বকে হুমকি

    চিনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের অভিযোগ, ঝাং এবং পিএলএর আর এক জেনারেল লিউ ঝেনলি কমিউনিস্ট পার্টির সর্বময় নেতৃত্বকে হুমকির মুখে ফেলেছেন এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের হাতে ন্যস্ত চূড়ান্ত দায়বদ্ধতার ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করেছেন (Xi Jinping)। ঝাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ প্রেসিডেন্ট শির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। পিএলএর প্রবীণ আধিকারিক এবং ‘রেড প্রিন্সলিং’ হিসেবে পরিচিত ঝাং একটি বিপ্লবী পরিবার থেকে উঠে এসেছেন, যার সঙ্গে চিনা গৃহযুদ্ধের সময় থেকেই শি জিনপিংয়ের বাবার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সামরিক সহযোগীদের একজন হিসেবে দেখা হত(China Nuclear Leaks)।

    এই তদন্ত শুরু হয়েছে এমন একটা সময়ে, যখন পিএলএর রকেট ফোর্স, যা চিনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের দায়িত্বে রয়েছে, গত এক বছরে একের পর এক শুদ্ধি অভিযানের কারণে মারাত্মক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপ সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ স্তরে আনুগত্য ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেতৃত্বের গভীর উদ্বেগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বর্তমান এই কঠোর অভিযানকে ১৯৭১ সালের পরে সবচেয়ে বড় সামরিক রদবদল হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। ওই বছর তৎকালীন কমিউনিস্ট পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান লিন বিয়াওয়ের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান মাও সে-তুংয়ের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছিল (Xi Jinping)।

     

  • Abu Dhabi: শেখ নাহিয়ানের ৩-ঘণ্টার ভারত সফরের পরই  ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে পরিচালনার পরিকল্পনা বাতিল আবু ধাবির

    Abu Dhabi: শেখ নাহিয়ানের ৩-ঘণ্টার ভারত সফরের পরই ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে পরিচালনার পরিকল্পনা বাতিল আবু ধাবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই)-র প্রেসিডেন্ট শেখ মহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের আকস্মিক ভারত সফর দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে আলোড়ন ফেলেছে (Abu Dhabi)। এর পরোক্ষ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের ওপর (Pakistan)। শেখ নাহিয়ানের তিন ঘণ্টার সফরের অল্প সময়ের মধ্যেই আবু ধাবি ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনার পরিকল্পনা বাতিল করে দেয়। অথচ এই চুক্তিটি নিয়ে ২০২৫ সালের অগাস্ট মাস থেকে আলোচনা চলছিল দুই দেশের মধ্যে।

    প্রকল্পটিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে ইউএই (Abu Dhabi)

    পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইউএই প্রকল্পটিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলার পাশাপাশি পরিচালনার জন্য কোনও স্থানীয় অংশীদার না পাওয়ায় এই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। যদিও পাকিস্তানের এই সংবাদমাধ্যম চুক্তি বাতিলের পেছনে কোনও রাজনৈতিক কারণের সরাসরি উল্লেখ করেনি, তবে এই ঘটনা এমন একটা সময়ে ঘটল, যখন ইউএই এবং সৌদি আরবের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। একসময় উপসাগরীয় অঞ্চলের ঘনিষ্ঠ মিত্র এই দুই দেশ বর্তমানে ইয়েমেনে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলিকে সমর্থন করা নিয়ে প্রকাশ্যে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে। ইসলামাবাদ যেখানে রিয়াধের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং সৌদি আরব ও তুরস্ককে নিয়ে তথাকথিত একটি “ইসলামিক ন্যাটো” গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে, সেখানে ইউএই ভারতের সঙ্গে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। একই সঙ্গে সৌদি আরব পাকিস্তানের সামরিক দক্ষতার ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে, আর ইউএই কৌশলগতভাবে ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করছে।

    রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস

    প্রায় চার দশক আগে ইউএই ছিল পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার এবং রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস। বিভিন্ন খাতে কর্মরত হাজার হাজার পাকিস্তানি ইউএইতে কাজ করতেন। প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও বিনিয়োগ প্রকল্পেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ, লাইসেন্স সংক্রান্ত বিতর্ক এবং পাকিস্তানের পুরনো পরিকাঠামোর কারণে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে (Abu Dhabi)। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের ফলে দুর্বল প্রশাসন ও অব্যবস্থাপনার কারণে পাকিস্তানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ছে। পরে সেগুলি নামমাত্র দামে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। গত বছর ইসলামাবাদ পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (পিআইএ) বেসরকারিকরণ করেছে (Pakistan)। চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে, এমনকি আফগানিস্তানেও, বিমানবন্দর পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও ইসলামাবাদ বিমানবন্দর পরিচলনা থেকে সরে দাঁড়ানোর ইউএইর সিদ্ধান্ত দেশটির ওপর অনাস্থার ছবিটাই তুলে ধরেছে। গত সপ্তাহে দিল্লি সফরের পর ইউএই নেতা ৯০০ ভারতীয় বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন, যা নয়াদিল্লির প্রতি সদিচ্ছার এক বড় বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    ইউএই নেতার সফরকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সম্পূর্ণ ক্ষেত্র পর্যালোচনা করেন এবং একমত হন যে ভারত-ইউএই সামগ্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব কেবল পরিপক্বই নয়, বরং এখন আরও উচ্চাভিলাষী ও বহুমাত্রিক পর্যায়ে প্রবেশ করছে। বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিটি দীর্ঘমেয়াদি ভূ-রাজনৈতিক ও ভূ-অর্থনৈতিক সমন্বয়ের একটি রূপরেখার মতো। রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের দিকে অগ্রসর হওয়া। সফরের সময় একটি ‘লেটার অব ইনটেন্ট’ স্বাক্ষরিত হয়, যা প্রতিরক্ষা সহযোগিতার জন্য (Pakistan) একটি কাঠামোগত চুক্তির পথ প্রশস্ত করবে (Abu Dhabi)।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হিন্দু খুন, গ্যারেজ কর্মীকে পুড়িয়ে হত্যা

    Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হিন্দু খুন, গ্যারেজ কর্মীকে পুড়িয়ে হত্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ফের হিন্দু খুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সে দেশে হওয়ার কথা সাধারণ নির্বাচন। এমন সময় বাংলাদেশে হিন্দু (Hindu Burnt Alive) সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসার মধ্যেই আরও একটি ভয়াবহ ঘটনা প্রকাশ্যে চলে এল (Bangladesh)। রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে নরসিংদী শহরে ঘুমন্ত অবস্থায় বছর তেইশের এক হিন্দু যুবককে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

    হিন্দু খুন (Bangladesh)

    নিহত যুবকের নাম চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক। তিনি কুমিল্লা জেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা খোকন চন্দ্র ভৌমিকের ছেলে। চঞ্চল নরসিংদী পুলিশ লাইনের খানাবাড়ি মসজিদ মার্কেট এলাকায় একটি গ্যারাজে কাজ করতেন। শুক্রবার রাতে কাজ শেষ করে ক্লান্ত অবস্থায় গ্যারাজের ভেতরেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন চঞ্চল। সেই সময় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন ব্যক্তি গ্যারাজে আগুন লাগিয়ে দেয়। গ্যারাজের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে পেট্রোল, ইঞ্জিন অয়েল ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

    মারা হল জ্যান্ত পুড়িয়ে

    ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা চঞ্চল ভৌমিক দমবন্ধ হয়ে ও দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারান। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে হামলাকারীদের গ্যারাজে আগুন দিতে দেখা গেলেও এখনও তাদের পরিচয় জানা যায়নি (Bangladesh)। পুলিশের এক আধিকারিক জানান, “মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশের একটি দল দোষীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।” ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার হিন্দু বসবাস করেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭.৯৫ শতাংশ।

    এর আগে ভারত বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। প্রতিবেশী এই দেশে চরমপন্থা বৃদ্ধির আশঙ্কার মধ্যেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ব্যাপক হিংসার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এক সপ্তাহ আগেই গাজিপুর জেলায় এক হিন্দু মিষ্টি বিক্রেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি এক কর্মচারীকে হামলার হাত থেকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন। ওই সপ্তাহেই সিলেট জেলায় এক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে আগুন (Hindu Burnt Alive) লাগানো হয় এবং ফেনি জেলায় এক হিন্দু অটোরিকশা চালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় (Bangladesh)।

     

  • Pakistan: পাকিস্তানে মানবাধিকার আইনজীবী দম্পতিকে কারাদণ্ড, কারণ জানলে অবাক হবেন

    Pakistan: পাকিস্তানে মানবাধিকার আইনজীবী দম্পতিকে কারাদণ্ড, কারণ জানলে অবাক হবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রবিরোধী মতপ্রকাশের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের (Pakistan) দমন–পীড়ন এক নাটকীয় মোড় নিল শনিবার। মানবাধিকার আইনজীবী (Human Rights Lawyer) ইমরান জয়নাব মাজারি–হাজির এবং তাঁর স্বামী, আইনজীবী হাদি আলি চাঠাকে রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে ‘অবৈধ’ বলে বিবেচিত সোশ্যাল মিডিয়া কাজকর্মের অভিযোগে প্রত্যেককে ১৭ বছরের করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    অশাস্তির সূত্রপাত (Pakistan)

    এই অশাস্তির সূত্রপাত হয় ২০২৫ সালের ১২ অগাস্ট, ইসলামাবাদের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ)-তে দায়ের করা একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে। অভিযোগে বলা হয়, মাজারি–হাজির অনলাইনে এমন কিছু কনটেন্ট ছড়িয়েছেন, যা নিষিদ্ধ সংগঠনের বয়ানের সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ। অন্যদিকে, তাঁর কিছু পোস্ট পুনরায় শেয়ার করার অভিযোগে হাদি আলি চাঠার বিরুদ্ধে মামলা করা হয় (Human Rights Lawyer)। গত বছরের ৩০ অক্টোবর এই দম্পতির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়। শুক্রবার আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে ইসলামাবাদে তাঁদের গ্রেফতার করা হয় এবং পরে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। মামলার শুনানি চলাকালে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্যেই অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মহম্মদ আফজল মাজোকার আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।

    আদালত বয়কট

    রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেল থেকে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের জন্য শুনানিতে উপস্থিত হয়ে মাজারি–হাজির ও চাঠা আদালত বয়কট করেন। কারণ হিসেবে তাঁরা জানান, আদালতকক্ষে গণমাধ্যমের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পরেই তাঁরা পুরো বিচারপ্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ান (Pakistan)। আদালতের লিখিত আদেশে বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক অপরাধ প্রতিরোধ আইন (পিইসিএ)-এর একাধিক ধারায় রাষ্ট্রপক্ষ সফলভাবে অভিযোগ প্রমাণ করতে পেরেছে (Human Rights Lawyer)। জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উভয়কে ধারা ৯-এর আওতায় পাঁচ বছর, ধারা ১০-এর আওতায় দশ বছর এবং ধারা ২৬-এ-এর আওতায় আরও দু’বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়, মোট ১৭ বছর করে। শুনানি চলাকালীন সময়ে তীব্র বাকবিতণ্ডার পর এই বয়কটের ঘটনা ঘটে। মাজারি–হাজির আদালতে গণমাধ্যমের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। আমাদের খাবার বা জল দেওয়া হচ্ছে না।”
    এরপরই তাঁরা বিচারপ্রক্রিয়ায় আর অংশ নেবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন।

    ফ্যাসিবাদ চূড়ায়

    তাঁদের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত হওয়ার পর বিচারক মাজোকা রায় ঘোষণার সময় তাঁদের আসনে বসে থাকার নির্দেশ দেন। কিন্তু তাঁরা চেয়ার ছেড়ে সরে গেলে বিচারক আদালত কর্মীদের সব রেকর্ড সংরক্ষণের নির্দেশ দেন এবং পরে দণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন (Pakistan)। গত ১৫ জানুয়ারি আদালত দম্পতির অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বাতিল করে, কারণ তাঁরা একাধিকবার আদালতে হাজির হননি। পরদিনই তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি করা হয়। মাজারি–হাজিরের মা, প্রাক্তন মানবাধিকারমন্ত্রী ও ইমরান খান সরকারের সদস্য শিরিন মাজারি শুক্রবার গ্রেফতারের খবরটি নিশ্চিত করেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁদের আলাদা আলাদা গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “ফ্যাসিবাদ তার চূড়ায়। ক্ষমতায় থাকা পুরুষত্বহীন লোকেরা নিশ্চয়ই এই সাফল্যে খুব খুশি (Human Rights Lawyer)।”

    ইসলামাবাদ হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন

    প্রসঙ্গত, গ্রেফতারি এড়াতে এই দম্পতি ইসলামাবাদ হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের (আইএইচসিবিএ) কার্যালয়ে টানা দু’রাত কাটিয়েছিলেন। গ্রেফতারের সময় উপস্থিত থাকা আইএইচসিবিএ সভাপতি ওয়াজিদ আলি গিলানি দাবি করেন, কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছিলেন যে আদালতে হাজিরার সময় আইনজীবীদের গ্রেফতার করা হবে না। গিলানির অভিযোগ, পুলিশ তাঁদের গাড়ি জোরপূর্বক থামিয়ে জানালা ভেঙে মাজারি–হাজির ও চাঠাকে টেনে বের করে আনে। তিনি বলেন, “ঘটনার সময় আইএইচসিবিএ সেক্রেটারি মানজুর জাজ্জাকে মাটিতে ফেলে মারধর করা হয় (Pakistan)।” প্রতিবাদ আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে গিলানি বলেন, “এই ধরনের দমন–পীড়ন চলতে থাকলে ২০০৭ সালের আইনজীবী আন্দোলনের মতো পরিস্থিতি ফের সৃষ্টি হতে পারে। কর্তৃপক্ষকে এই নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।”

    গ্রেফতারের পর পাকিস্তানের আইনজীবী মহল তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। ইসলামাবাদ হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, ইসলামাবাদ বার অ্যাসোসিয়েশন এবং ইসলামাবাদ বার কাউন্সিল যৌথভাবে ঘটনার নিন্দা জানায়। আইএইচসিবিএ ও আইবিএ শুক্রবার ধর্মঘট ঘোষণা করে। ইসলামাবাদ বার কাউন্সিল শনিবার প্রদেশজুড়ে আইনজীবী ধর্মঘটের ডাক দেয়। এই (Human Rights Lawyer) ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের আইনজীবী মহলে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে (Pakistan)।

     

  • Iran: মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কী বলল জানেন?

    Iran: মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কী বলল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনও সামরিক পদক্ষেপ করে, তবে তাকে তারা সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবেই বিবেচনা করবে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এই মর্মে সতর্ক করে দিল ইরান (Iran)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (US) ঘোষণার পর, যেখানে তিনি বলেন যে একটি ‘নৌবহর’ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, এরই মধ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলি ওই অঞ্চলের আরও কাছে চলে এসেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রবীণ ইরানি আধিকারিক জানান, ওয়াশিংটন এই হামলাকে সীমিত বা নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক যেভাবেই ব্যাখ্যা করুক না কেন, তেহরান এর জবাব দেবে সবচেয়ে কঠোর উপায়ে।

    ইরানের সতর্কবার্তা (Iran)

    ইরানের পক্ষে এই সতর্কবার্তাটি এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক ও মেরিন এবং যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন-সহ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন বিমানবাহী রণতরী বহর ভারত মহাসাগর পেরিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমাদের একটি বড় সামরিক শক্তি ইরানের দিকে এগোচ্ছে।” তবে তিনি এও জানান, সেটি ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়বে না। এদিকে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “তেহরানের সশস্ত্র বাহিনী আবারও হামলার শিকার হলে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সব কিছু দিয়েই পাল্টা আঘাত হানতে কোনও দ্বিধা করব না।”

    সর্বাত্মক সংঘর্ষই হবে ভয়াবহ

    তিনি বলেন, “যে কোনও সর্বাত্মক সংঘর্ষই নিশ্চিতভাবে হবে ভয়াবহ।” তবে একই সঙ্গে তিনি জানান, তাঁর বক্তব্য কোনও হুমকি নয়, বরং একজন কূটনীতিক ও অভিজ্ঞ সেনা হিসেবে তিনি যে বাস্তবতা তুলে ধরাকে প্রয়োজনীয় মনে করেছেন, সেটাই তিনি প্রকাশ করেছেন। এই ক্রমবর্ধমান কঠোর ভাষার পটভূমিতে রয়েছে ইরানে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ, যা গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, বিক্ষোভ দমনে সরকারের অভিযানে পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন (Iran)।

    এর আগে, বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে অথবা তেহরান যদি তার পরমাণু কর্মসূচি ফের শুরু করে, সে ক্ষেত্রে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি একাধিকবার দিয়েছেন ট্রাম্প। গত বছরের জুন মাসে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলিকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল আমেরিকা (Iran)। একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ বহর আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে (US)। ওই অঞ্চলে ইতিমধ্যেই অতিরিক্ত ডেস্ট্রয়ার এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হচ্ছে।

     

  • Donald Trump: ডাহা ফেল ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিসে’র প্রচেষ্টা, কেন জানেন?

    Donald Trump: ডাহা ফেল ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিসে’র প্রচেষ্টা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে (Davos) গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর সেই সফর শেষমেশ এক বড়সড় ব্যর্থতায় পরিণত হল। ইউরোপীয় দেশগুলির ঐক্যবদ্ধ বিরোধিতার মুখে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তাঁর দাবিতে পিছু হটতে বাধ্য হওয়ার পর, গাজা সঙ্কট নিয়ে তাঁর প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ উদ্যোগটিও সম্পূর্ণভাবে ভেস্তে গেল (Donald Trump)। ট্রাম্প এই বোর্ডে যোগ দিতে প্রায় ৬০টি দেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ প্রভাবশালী দেশই এই উদ্যোগ থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। শেষ পর্যন্ত আমন্ত্রিত দেশগুলির মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন এই বোর্ডে যোগ দিতে রাজি হয়।

    উচ্চাভিলাষী ট্রাম্প (Donald Trump)

    গাজায় যুদ্ধবিরতি দিয়ে বিশ্বব্যাপী সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে যে নতুন সংস্থাটি গঠনের কথা ছিল, সেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া মাত্র ১৯টি দেশের অংশগ্রহণে যাত্রা শুরু করেছিল। ট্রাম্প যে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন, বাস্তবে তা তার ধারেকাছেও পৌঁছায়নি। ভারত, চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক শক্তিগুলি এই বোর্ডে যোগ দেয়নি।২০২৬ সালের বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সময় বৃহস্পতিবার সকালে দাভোসে ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বোর্ড অব পিসে’র সূচনা করেন। বিশ্বের সব মহাদেশের বহু দেশকে এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হলেও, সিংহভাগ দেশই তা প্রত্যাখ্যান করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমেরিকা-সহ মোট ২০টি দেশ উপস্থিত ছিল। যদিও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে আগে দাবি করা হয়েছিল, আমন্ত্রিত ৬০টি দেশের মধ্যে অন্তত ৩৫টি দেশ যোগ দেবে, বাস্তবে সেই সংখ্যা ছিল ঢের বেশি কম (Davos)।

    পশ্চিম ইউরোপীয় দেশই এই বোর্ডে যোগ দেয়নি

    উল্লেখ্য যে, কোনও পশ্চিম ইউরোপীয় দেশই এই বোর্ডে যোগ দেয়নি, যা গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপের বাড়তে থাকা দূরত্বকেই স্পষ্ট করে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও যে ১৯টি দেশ এই বোর্ডে যোগ দিয়েছে এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল, তারা হল,  আর্জেন্টিনা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহরিন, বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডন, কাজাখস্তান, কসোভো, মঙ্গোলিয়া, মরক্কো, পাকিস্তান, প্যারাগুয়ে, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই) এবং উজবেকিস্তান (Donald Trump)। আলবেনিয়া, বেলারুশ এবং ভিয়েতনাম বোর্ডে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছিল, কিন্তু দাভোসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ওই দেশগুলিরই কোনও শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন না (Davos)।

    বোর্ড ভবিষ্যত রাষ্ট্রসংঘের

    পর্যবেক্ষকদের মতে, মূলত মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিই এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। লক্ষণীয় বিষয় হল, এই তালিকার বহু দেশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নয় এবং বেশ কয়েকটি দেশ মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ, যেখানে ইসলামি আইনের ভিত্তিতে শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়। যে দেশগুলি এই বোর্ডে যোগ দিতে অস্বীকার করেছে, তাদের মধ্যে কয়েকটি দেশ আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। অনেক দেশ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, এই বোর্ড ভবিষ্যতে রাষ্ট্রসংঘের (ইউএন) ভূমিকা খর্ব করার চেষ্টা করতে পারে। আবার কয়েকটি দেশ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানানো নিয়েও আপত্তি তুলেছে। যদিও পুতিন নিজেও এই বোর্ডে যোগ দিতে অস্বীকার করেছেন এবং জানিয়েছেন, এই বিষয়ে রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারদের সঙ্গে এখনও আলোচনা চলছে (Donald Trump)।

    রাষ্ট্রসংঘের বিকল্প 

    ব্রিটেন নিশ্চিত করেছে যে তারা বোর্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবে না। ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা এই বোর্ডে যোগ দেবে না, কারণ এটি রাষ্ট্রসংঘের বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। নরওয়ে, সুইডেন, স্লোভেনিয়া এবং চিনও স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা এই বোর্ডে যোগ দিচ্ছে না। অন্য অনেক দেশ কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না দিলেও বৃহস্পতিবার বোর্ডে যোগ দেয়নি। এই তালিকায় রয়েছে ভারত, জার্মানি, ইতালি, জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সহ আরও বহু দেশ (Davos)। তবে ট্রাম্প আশাবাদী যে ভবিষ্যতে আরও দেশ তাঁর এই বোর্ডে যোগ দেবে। তিনি বলেন, “একবার এই বোর্ড পুরোপুরি গঠিত হয়ে গেলে, আমরা কার্যত যা চাই তাই করতে পারব। এবং তা আমরা রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই করব।”

    ‘বোর্ড অব পিস’

    গাজার জন্য গঠিত এই ‘বোর্ড অব পিস’ পশ্চিম এশিয়া সংক্রান্ত ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য গাজা যুদ্ধের পর পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনের তদারকি করা। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম এই প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছিল গাজা সংঘাতের অবসান ঘটানোর একটি উপায় হিসেবে। তবে বর্তমানে এটি আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসার একটি বৃহত্তর মঞ্চের রূপ নিতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বোর্ডটির এক্সিকিউটিভ কমিটি গাজার স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির তদারকি করবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক কূটনৈতিক যোগাযোগ, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ সংগ্রহ এবং বৃহৎ পরিসরের অর্থায়ন (Donald Trump)।

    উল্লেখ্য যে, এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি ঐচ্ছিক সদস্য ফি ধার্য করা হয়েছে। যে দেশগুলি এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে, তারাই স্থায়ী সদস্যপদ পাবে। আর যারা অর্থ দিতে পারবে না, তারা তিন বছরের জন্য (Davos) সদস্য হিসেবে থাকতে পারবে। তবে বোর্ডে যোগ দেওয়ার সময় কোনও দেশ এই ফি দিয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য জানা যায়নি (Donald Trump)।

     

  • India: পাক-তুরস্ক-সৌদির ‘ইসলামিক ন্যাটো’র পাল্টা, দুই দেশের সঙ্গে নয়া জোট ভারতের! সঙ্গী আরও দুই

    India: পাক-তুরস্ক-সৌদির ‘ইসলামিক ন্যাটো’র পাল্টা, দুই দেশের সঙ্গে নয়া জোট ভারতের! সঙ্গী আরও দুই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন ব্যস্ত। ব্যস্ত তার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ লক্ষ্যপূরণে ট্রাম্প-নেতৃত্বাধীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম গোলার্ধকে আরও মজবুত করার ভাবনায় মজে (India)। বহুপাক্ষিক সংস্থা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি, শুল্কযুদ্ধের ‘বাজুকা’ ছোড়া এবং লেনদেনভিত্তিক চুক্তিতে ঝোঁক, এ সবই তার বহিঃপ্রকাশ। ফলস্বরূপ, বিশ্বে স্থিতিশীলতার রক্ষক হিসেবে আমেরিকার ঐতিহ্যগত ভূমিকা ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। এই প্রভাব এখন আটলান্টিকের গণ্ডি ছাড়িয়ে বহু দূর পর্যন্ত স্পষ্ট।

    নীরবে নিজেদের কৌশল পুনর্গঠন (India)

    দক্ষিণ ও পশ্চিম এশিয়ার শক্তিগুলি নীরবে নিজেদের কৌশল পুনর্গঠন করছে। এই ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই দুটি আলগা কিন্তু ক্রমশ আলোচিত কৌশলগত অক্ষ মাথা তুলতে শুরু করেছে। একটি গড়ে উঠছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ককে কেন্দ্র করে। অন্যটি গড়ে উঠছে ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) ও ইজরায়েলকে কেন্দ্র করে, যার কৌশলগত প্রান্তে রয়েছে গ্রিস ও সাইপ্রাস। এগুলির কোনওটিই এখনও আনুষ্ঠানিক জোট নয়। তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলির মধ্যে হওয়া ইঙ্গিতপূর্ণ চুক্তি, কূটনৈতিক বার্তা ও কৌশলগত অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, পুরানো জোটব্যবস্থা ভেঙে নতুন ও কার্যকর সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। এসবই হচ্ছে সরকারি ঘোষণার তুলনায় অনেক দ্রুত।

    স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট

    এই জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট (SMDA)। ন্যাটোর অনুচ্ছেদ ৫-এর আদলে তৈরি এই চুক্তি অনুযায়ী, এক দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা উভয়ের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি রিয়াধের জন্য একটি বড় কৌশলগত পরিবর্তন, কারণ এতদিন তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল দ্বিপাক্ষিক ও মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভর (India)। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা এবং ট্রাম্প আমলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে সংশয় থেকেই এই চুক্তির জন্ম। বিশেষজ্ঞদের ভাষায় ‘ইসলামিক ন্যাটো’ হিসেবে পরিচিত এই কাঠামোয় তুরস্কের আগ্রহ পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। ব্লুমবার্গ গত সপ্তাহে জানিয়েছে, ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি তুরস্ক এই জোটে যোগ দিতে ‘উন্নত পর্যায়ের আলোচনা’ চালাচ্ছে (UAE)।

    বাস্তব চিত্র

    যদিও রিয়াধ, ইসলামাবাদ ও আঙ্কারা বলছে এই কাঠামো আদর্শগত নয়, প্রতিরক্ষামূলক, তবুও বাস্তব চিত্র উপেক্ষা করা কঠিন। সম্ভাব্য এই ত্রিপাক্ষিক জোটে এক ছাতার নীচে মিলিত হচ্ছে সৌদি আরবের আর্থিক শক্তি, পাকিস্তানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং তুরস্কের সামরিক প্রযুক্তি। আঙ্কারাভিত্তিক থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক টেপাভের বিশ্লেষক নিহাত আলি ওজচান সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন দেশগুলিকে তাদের নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে বাধ্য করছে (India)।” পাকিস্তানের ক্ষেত্রে, এই চুক্তি ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের সঙ্গে চার দিনের সীমিত যুদ্ধের পর জোট মজবুত করার প্রয়াস। ওই সংঘাতে পাকিস্তানের পক্ষে তুরস্কের সামরিক সমর্থন প্রকাশ্যে এসেছিল এবং নয়াদিল্লি তা লক্ষ্যও করেছিল। বহুদিন ধরে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির লক্ষ্যে সৌদি আরবের জন্য এটি ওয়াশিংটনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা, বিশেষত ভৌগোলিক বাস্তবতা ও ‘ভাই’ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সঙ্গে সাম্প্রতিক সম্পর্কের শীতলতার প্রেক্ষাপটে। আর তুরস্কের ক্ষেত্রে, এই ‘মুসলিম ন্যাটো’ প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ভূমধ্যসাগর ও পশ্চিম এশিয়ায় কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের দীর্ঘদিনের লক্ষ্যকে এগিয়ে নেয়, যদিও দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোর মধ্যেই রয়েছে (UAE)।

    ‘কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের উদ্দেশ্যপত্র’

    যদি সৌদি–পাকিস্তান–তুরস্ক অক্ষ এক দিক হয়, তবে অন্য দিকে রয়েছে ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও ইজরায়েলের ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব (India)। ১৯ জানুয়ারি, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের প্রায় দু’ঘণ্টার ভারত সফরের সময় নয়াদিল্লি ও আবুধাবি একটি ‘কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের উদ্দেশ্যপত্র’ সই করে। ভাষাগতভাবে এটি সংযত হলেও সময়টি মোটেই কাকতালীয় নয়। সৌদি–পাক অক্ষ নিয়ে আলোচনা ও অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই এই চুক্তি প্রকাশ্যে আসে। আমেরিকান লেখক ও সাংবাদিক মাইকেল ভাটিকিওটিস এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “তুরস্ক–সৌদি আরব–পাকিস্তান অক্ষের মোকাবিলায় ভারত ইউএই এবং পরোক্ষভাবে ইজরায়েলকে নিয়ে একটি নতুন ভূরাজনৈতিক অক্ষ গড়ে তুলছে।” তিনি আরও বলেন, “এই নতুন অক্ষগুলির জন্ম হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় শক্তির সঙ্কোচনের ফল হিসেবে।”

    আব্রাহাম চুক্তি

    এই অংশীদারিত্ব আব্রাহাম চুক্তির পর আরও শক্তিশালী হয়েছে, যার মাধ্যমে ইউএই ও ইজরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। এটি ভারত–ইজরায়েল–ইউএই– মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে পূর্বে গঠিত (I2U2) জোট কাঠামোর সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভারত ইতিমধ্যেই ইজরায়েল থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি করে এবং যৌথ উৎপাদনেও যুক্ত। দুই দেশ যৌথ সামরিক মহড়া ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা চালায়। ২০২৫ সালের মে মাসে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে ইজরায়েল প্রকাশ্যে ভারতের পাশে দাঁড়ায়। ইউএইর (UAE) কাছে ভারত ইয়েমেন, আফ্রিকা ও কৌশলগত লোহিত সাগর অঞ্চলে সৌদি প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি ভারসাম্য রক্ষাকারী শক্তি (India)। এই পাল্টা জোট কেবল পশ্চিম ভারত মহাসাগরেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি ধীরে ধীরে ভূমধ্যসাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সেখানে তুরস্কের আগ্রাসী অবস্থানের বিরুদ্ধে কৌশলগত সমন্বয় বাড়াচ্ছে  গ্রিস, সাইপ্রাস ও ইজরায়েল। ২০২৪ সালে ব্রিটেনভিত্তিক ইউরোপিনিয়নের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্কের প্রভাব মোকাবিলায় গঠিত ৩+১ ত্রিপাক্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে (ইজরায়েল–গ্রিস–সাইপ্রাস) ভারতকে আমন্ত্রণ জানায় ইজরায়েল।

    জোট গড়ছে আঞ্চলিক শক্তিগুলি

    এয়ার মার্শাল অবসরপ্রাপ্ত অনিল চোপড়া ‘ইউরেশিয়ান টাইমসে’ লেখেন, এই গোষ্ঠীটি ভবিষ্যতে ইউএইকেও (UAE) অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। অ্যাজেন্ডায় রয়েছে যৌথ সামরিক মহড়া, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর, যা চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের প্রতিদ্বন্দ্বী (India)। বিশেষজ্ঞদের মতে, তুরস্ক–পাকিস্তান–সৌদি অক্ষ শুধু ভারতের জন্য নয়, ইজরায়েল, আর্মেনিয়া ও সাইপ্রাসের জন্যও চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তবে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ত্রিপাক্ষিক সামরিক জোট গড়ে ওঠেনি। আমেরিকা ভেতরের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে, ইউরোপ বিভক্ত। ফলে আঞ্চলিক শক্তিগুলি আর দিকনির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছে না, তারা নিজেদের মতো করে জোট গড়ছে, হিসাব কষছে এবং প্রস্তুতি নিচ্ছে (UAE)। এই অক্ষগুলি এখনও তরল এবং অনানুষ্ঠানিক হলেও, ভবিষ্যতের কৌশলগত রূপরেখা যে নতুন করে লেখা হচ্ছে, তা স্পষ্ট (India)।

     

LinkedIn
Share