Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হয়রানির শিকার আরও এক হিন্দু সন্ন্যাসী, এবার গ্রেফতার সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস

    Bangladesh: বাংলাদেশে হয়রানির শিকার আরও এক হিন্দু সন্ন্যাসী, এবার গ্রেফতার সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু সন্ন্যাসীদের ওপর পুলিশি হয়রানি চলছেই। ইসকনের চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পর এবার গ্রেফতার সনাতন জাগরণ ঐক্য জোটের সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস। প্রসঙ্গত, স্বরূপ দাস (Swarup Das) চট্টগ্রামের হাটাজারির গৌরাঙ্গ বাড়ির অধ্যক্ষ।

    হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই লাগাতার হামলা

    গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশে (Bangladesh) হাসিনা সরকারের পতেনর পর থেকেই আক্রমণের শিকার সংখ্যালঘু হিন্দুরা। সম্প্রতি, এই ধরনের হামলার ঘটনা আরও বেড়েছে। এরই প্রতিবাদে বাংলাদেশে রাস্তায় নেমেছে সনাতনী সমাজ। এই আবহে গত ২৫ নভেম্বর বাংলাদেশের (Bangladesh) বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে। জামাত-বিএনপি নিয়ন্ত্রিত ইউনূস সরকার রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনে চিন্ময় মহারাজের বিরুদ্ধে। এরপরেই এবার গ্রেফতার করা হল সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাসকে। বৃহস্পতিবারই চট্টগ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ, কোন অপরাধে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

    সরকারের প্রাণভোমরা জামাত-বিএনপির হাতে (Swarup Das)

    চিন্ময় কৃষ্ণের গ্রেফতারির পরে ইউনূস সরকারও ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার যাবতীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, জামাতরাও হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে ইসকনকে নিষিদ্ধ না করলে, আরও হামলা হবে। উল্লেখ্য জামাত-বিএনপি হল ইউনূস সরকারের প্রাণভোমরা। ইতিমধ্যেই শিবচরে ইসকনের মন্দির জোর করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সমাবেশ করেছিল বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চ। সেই সমাবেশে ভাষণ দিয়েছিলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রভুও। ইসলামি মৌলবাদীদের দাবি, ওই সমাবেশে নাকি বাংলাদেশের (Bangladesh) জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হয়েছিল। তবে এর সুনির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ মেলেনি। এই অভিযোগেই চট্টগ্রামে একটি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেন বিএনপি নেতা ফিরোজ খান। গত ৩১ অক্টোবর চিন্ময় দাস-সহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন সেই নেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ১৯৭৪ সালের আইন দিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির, সনাতনীদের জমি হাতাচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা

    Bangladesh Crisis: ১৯৭৪ সালের আইন দিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির, সনাতনীদের জমি হাতাচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা ও বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ নোটের মুখপাত্র (Bangladesh Crisis) চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অযৌক্তিক গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। ভারতে নিন্দার ঝড় উঠলেও, চট্টগ্রামে তিনটি হিন্দু মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে। এগুলি হল, ফরাসি বাজারের লোকনাথ মন্দির, মানসা মাতা মন্দির এবং হাজারি লেনের কালী মন্দির।

    সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার, বিশেষ করে হিন্দুদের বিরুদ্ধে অত্যাচার একটি রুটিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি দীর্ঘকাল ধরে চলে এলেও, হাসিনা-উত্তর জমানায় আরও খারাপ হয়েছে। বাংলাদেশে ৯১ শতাংশ জনগণ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, আহমদিয়া এবং খ্রিস্টান মিলিয়ে ৮.৯৫ শতাংশ। বছরের পর বছর ধরে এই সম্প্রদায়গুলি নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। বঞ্চিত হয়ে আসছে ন্যায়বিচার থেকেও। আইন থাকলেও, তা প্রয়োগ হয় না বলেই অভিযোগ। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের জন্য আইনগুলিতে (Vested Property Act) সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও, সেগুলি কখনই বাস্তবায়িত করা হয় না। ফলে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বেড়েই চলেছে।

    আরও পড়ুন: ইউনূস সরকারের বুকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন ঊনচল্লিশের সন্ন্যাসী চিন্ময়, তাই কি গ্রেফতার?

    কী বলছে সংবিধান

    বাংলাদেশের সংবিধান এবং অন্যান্য আইন বলে যে সব ধর্মকে সুরক্ষিত করতে হবে, সম্মান করতে হবে ধর্মীয় স্বাধীনতাকে। সরকারের যে এটি বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব, সংবিধানও বলে সে কথা। সংবিধানটি এও বলে, সব মানুষের উচিত আইন, জনশৃঙ্খলা এবং নীতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সকল ধর্মে বিশ্বাস করা, চর্চা করা বা প্রচার করার অধিকার দেওয়া। সংবিধানটি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তবে ২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্টের একটি (Bangladesh Crisis) রায় ১৯৭৫ সালের সংশোধনী বাতিল করে দিয়ে বলে, ধর্মনিরপেক্ষতা হল সংবিধানের মৌলিক নীতি।

    সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা

    এই নীতি অনুসরণ করে, সরকারকে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত ছিল এবং ২০০৯ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে তা বৃদ্ধি পায় (Vested Property Act)। এর মূল কারণ হল, সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা সমাজের নিম্নস্তরের দিকে অবস্থান করে। তাদের সঠিক রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বও সেই অর্থে নেই। যে কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। সংখ্যালঘুদের সংখ্যা হ্রাসের কারণে পেয়ে বসে সংখ্যাগুরুরা। তার জেরে বাংলাদেশের হিন্দু মন্দির ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের উপাসনাস্থলগুলিতে বারবার হামলা চালিয়েছে মুসলমানরা। তার পরেও সরকার থেকেছে হাত গুটিয়ে। যে ধর্মের মানুষের  উপাসনাস্থল আক্রমণের শিকার হয়েছে, তাদের পাশে দাঁড়ানোর লোক মেলেনি। সরকারও দেয়নি আইনি সহায়তা।

    ভেস্টেড প্রপার্টি অ্যাক্ট (Vested Property Act) 

    ১৯৭৪ সালের ভেস্টেড প্রপার্টি অ্যাক্ট সমালোচিত করা হয়েছে। এই আইন হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত সমস্ত আইনের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী এবং সবচেয়ে ক্ষতিকারক বলে বর্ণনা করা হয়েছে। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর শত্রু সম্পত্তি আইন প্রণীত হয়। এটি বাংলাদেশ সরকারকে পাকিস্তান থেকে ভারতে চলে যাওয়া মানুষের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার অনুমতি দেয়। এই পর্বে যারা সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ করেছে, তারা ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) থেকে আসা হিন্দু। ১৯৭৪ সালে ভেস্টেড প্রপার্টি অ্যাক্ট (Vested Property Act) প্রণীত হয়, যা শত্রু সম্পত্তিকে বাংলাদেশের সরকারের (Bangladesh Crisis) অধীনে স্থানান্তরিত করার অনুমতি দেয়।

    জমি দখল

    এটিই সবচেয়ে বেশি অপব্যবহৃত আইন (Vested Property Act)। এটি প্রায়ই সে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন বড় আয়তনের জমি দখল করতে ব্যবহৃত হয়েছে। সম্পত্তি বাজেয়াপ্তর সঙ্গে সম্পর্কিত বেশিরভাগ মামলা করেছে রাজনৈতিক নেতা বা জমি হাঙররা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা আইনি সাহায্য চাইলে জমি দখলকারীরা সেটিকে অধিকারী সম্পত্তি হিসেবে দেখায়। প্রতিষ্ঠানের সমর্থনে এই দুর্বৃত্তরা সবসময় পার পেয়ে যায়। ফলে সম্পত্তি তাদের হাতেই থেকে যায়। মামলা আদালত পর্যন্ত গড়ালে মীমাংসা হতে কয়েক দশক লেগে যায়। মামলার ফয়সালা হওয়ার আগেই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হয়ে পথে বসেন। শেষমেশ ছেড়ে দেন সেই সম্পত্তির দাবি (Vested Property Act)। লাভবান হয় জমি হাঙর। এ বছর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে সেন্টার ফর অলটারনেটিভস এবং বাংলাদেশ পিস অবজারভেটরি জানিয়েছে, দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসার ঘটনা প্রায় ৭০ শতাংশই ভূমি সংক্রান্ত। এই হিংসা সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি বা তাদের উপাসনালয়ে হামলার মাধ্যমে সংঘটিত হয়।

    হিংসা এবং হিংসা

    তথ্য অনুযায়ী, হিংসার ৫৯ শতাংশ ঘটনা সংখ্যালঘুদের মালিকানাধীন সম্পত্তি (Vested Property Act) ও উপাসনালয় ধ্বংসের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে। এগুলির ১১ শতাংশ সরাসরি ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে জড়িত। প্রায় ২৭ শতাংশ ক্ষেত্রে শারীরিক আক্রমণ বা হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২ শতাংশ ঘটনা লিঙ্গভিত্তিক হিংসা এবং ১ শতাংশ ঘটনা নির্বাচনকেন্দ্রিক। অধিকাংশ হিংসার উৎস হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রচার। অপরাধ করেও ১০০টির মধ্যে ৯৯টি ক্ষেত্রে পার পেয়ে যায় অপরাধীরা। তার জেরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা।

    এর থেকে মুক্তি কীভাবে (Vested Property Act)? উত্তর হাতড়ে বেড়াচ্ছেন বাংলাদেশের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
  • Bangladesh: বাংলাদেশে জোর করে বন্ধ করা হল ইসকন মন্দির, তুলে নিয়ে যাওয়া হল ভক্তদের

    Bangladesh: বাংলাদেশে জোর করে বন্ধ করা হল ইসকন মন্দির, তুলে নিয়ে যাওয়া হল ভক্তদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিন্দুদের ওপর লাগাতার অত্যাচার শুরু হয়েছে। সরকারের মাথায় লোকদেখানো করে মহম্মদ ইউনূসকে বসানো হয়েছে। কিন্তু, সরকার কার্যত পরিচালনা করছে জামাতে ইসলামি এবং হেফাজতে ইসলামের মতো বাংলাদেশের মৌলবাদী সংগঠনগুলি। তাদের নির্দেশেই সব কিছু হচ্ছে। চিন্ময় প্রভু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে সেখানকার সরকারের আচরণ এবং কট্টরপন্থিদের ভূমিকা আরও বেশি করে তা প্রমাণ করে দিয়েছে। এই আবহে ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার বাংলাদেশের হাইকোর্টে ইসকনকে নিষিদ্ধ সংগঠন ঘোষণা করার আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যেই বাংলাদেশে ইসকনের মন্দির-অফিসে হুমকি আসতে শুরু করেছে।

    বন্ধ করা হল ইসকন মন্দির (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) ইসকনের (ISKCON) ৬৫টি মন্দির রয়েছে। ৫০ হাজারেরও বেশি অনুগামী রয়েছে। ঢাকায় ১৩টি ইসকন মন্দির রয়েছে। চট্টগ্রামে ১৪টি, সিলেটে ৯টি, খুলনায় ৮টি এবং রংপুরে ৭টি ইসকন মন্দির রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের শিবচরে ইসকনের মন্দিরগুলিকে নিশানা করছে মৌলবাদী জামাতরা। মন্দির বন্ধের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। বাংলাদেশের সোনালি মার্কেটে অবস্থিত ইসকন মন্দির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মন্দির বন্ধ না করলে, ভয়ঙ্কর পরিণতি হবে বলেই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এর আগে ইসকনের এই মন্দির থেকেই বোর্ড খুলে নেওয়া হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, মৌলবাদী নেতারা আধ ঘণ্টার মধ্যে মন্দির বন্ধ করার এবং ইসকনের সদস্যদের গ্রেফতার করার হুমকি দিচ্ছে। পুলিশ ও সেনারাও সেখানে উপস্থিত ছিল। ইসকনের সমর্থকদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। বেছে বেছে হিন্দুদেরই পুলিশ ধরছে বলে অভিযোগ। হিন্দুদের ওপরে মৌলবাদীদের নেতৃত্বে হামলার লাগাতার অভিযোগ আসছে। বাড়ি-ঘর, দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ভয়ঙ্কর চিত্রও সামনে এসেছে।

    আরও পড়ুন: সাগরে ঘনিভূত নিম্নচাপ, রাজ্যে শীতের আমেজে বাধা, বাড়বে রাতের তাপমাত্রা

    কী বললেন ইসকন কলকাতার ভাইস প্রেসেডেন্ট?

    ইসকন কলকাতার ভাইস প্রেসেডেন্ট এবং মুখপাত্র রাধারমণ দাস বলেন, ‘‘বাংলাদেশের শিবচরের ইসকন (Bangladesh) নামহাট্টা সেন্টারটি মুসলিমরা এসে জোর করে বন্ধ করে দিয়ে যায়। এরপর সেখানে সেনারা যান। ইসকনের ভক্তদের সেখান থেকে একটি গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।’’ একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন রাধারমণ দাস। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ইসকন মন্দিরের একটি হোর্ডিং খুলে ফেলা হচ্ছে লোহার রড দিয়ে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chinmoy Krishna Das: ইউনূস সরকারের বুকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন ঊনচল্লিশের সন্ন্যাসী চিন্ময়, তাই কি গ্রেফতার?

    Chinmoy Krishna Das: ইউনূস সরকারের বুকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন ঊনচল্লিশের সন্ন্যাসী চিন্ময়, তাই কি গ্রেফতার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্রই ঊনচল্লিশ। পরিচয় সনাতনী, বাংলাদেশের এক ইসকন মন্দিরের দায়িত্বে। তাঁর প্রতিপক্ষ যিনি, তিনি বয়সে প্রবীণ। বাংলাদেশের তদারকি সরকারের প্রধান। দুজনের ধর্ম পরিচয়ও আলাদা। প্রথম জন হিন্দু, অন্যজন ধর্মে মুসলমান (Muhammad Yunus)। ঊনচল্লিশ বছরের এই সনাতনিই ভয় ধরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বুকে। তাঁর একটা ডাকে জমায়েত হন বাংলাদেশের লাখো হিন্দু। মন দিয়ে শোনেন তাঁর কথা। এহেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ওরফে চিন্ময় প্রভুকে (Chinmoy Krishna Das) গ্রেফতার করে সাপের ছুঁচো গেলার দশা হয়েছে মহম্মদ ইউনূস সরকারের। তাঁরা না পারছেন চিন্ময়কে ছেড়ে দিতে, না পারছেন যাদের ‘বুদ্ধি’তে গ্রেফতার করা হল তাঁকে, তাদের চটাতে।

    ক্ষোভে ফুঁসছেন সনাতনীরা

    ফেরা যাক খবরে। দিন কয়েক আগে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় ইসকনের চিন্ময়কে। তাঁর মুক্তির দাবিতে কয়েক ঘণ্টার জন্য ঢাকা অচল করে দেন সে দেশের সনাতনীরা। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে, লাঠিচার্জ করে চিন্ময়কে কোনওরকমে নিয়ে যাওয়া হয় জেলে। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়। যারে জেরে বাংলাদেশ তো বটেই, ক্ষোভে ফুঁসছেন ভারত তথা তামাম বিশ্বের সনাতনীরা।

    নির্ভীক চিন্ময় (Chinmoy Krishna Das) 

    চিন্ময় প্রভুর নির্ভীকতাকে কুর্নিশ করতে হয়। পুলিশ যথন তাঁকে প্রিজন ভ্যানে করে জেলের কুঠুরিতে নিয়ে যাচ্ছেন, তখনও অকুতোভয় চিন্ময় ভিক্ট্রি সাইন দেখাচ্ছেন। সনাতনীদের উদ্দেশে বলছেন, “ঐক্যবদ্ধ থাকুন।” চট্টগ্রামের জনসমাবেশে সংখ্যালঘুদের জন্য যে আট দফা দাবি তিনি জানিয়েছিলেন, সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা বলে মনে করেন তিনি। চিন্ময় বলেন, “বিদ্রোহ মামলাটি আমাদের সংখ্যালঘুদের জন্য আট দফা দাবির বিরুদ্ধে। এটি আন্দোলনের নেতৃত্বকে শেষ করে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা।” যে চিন্ময়কে নিয়ে এত হইচই, মাস কয়েক আগেও তাঁকে বিশেষ চিনতেন না বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষ। হাসিনা সরকারের পতনের পর হিন্দুদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসার মহান কাজটি করে তিনি চলে আসেন খবরের শিরোনামে, নজরে পড়ে যান ইউনূস সরকারের (Muhammad Yunus)। এখন চিন্ময়ের নামে বাংলাদেশের যে কোনও জায়গায় নিমেষেই জড়ো করা যায় কয়েক হাজার হিন্দুকে।

    সুর চড়িয়েছেন চিন্ময় (Chinmoy Krishna Das) 

    হাসিনা সরকারের পতনের পর সবাই যখন মুখে কুলুপ এঁটেছেন, তখন গলা চড়িয়েছেন চিন্ময়। ঢাকার এক কমেন্টেটর বলেন, “যখন সবাই ভয়ে চুপ করে গিয়েছিলেন, তখন সুর চড়িয়েছিলেন চিন্ময়। সঙ্কটের সেই সময়ে তিনি আত্মপ্রকাশ করেন নেতা হিসেবে। সময়টা তাঁর অনুকূলে ছিল। সে-ই চিন্ময়কে মাইলেজ দিয়েছে।” সেই কারণেই যে তিনি মুসলমানদের রোষের মুখে পড়েছেন, তা মনে করছেন সে দেশের সনাতনীরা। পূর্বাশ্রমে তাঁর নাম ছিল চন্দন কুমার ধর। সন্ন্যাস দীক্ষা নেওয়ার পর তাঁর নাম হয় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস (Chinmoy Krishna Das)। বাংলাদেশের নিপীড়িত সংখ্যালঘুদের মুখ হয়ে ওঠেন তিনিই। তার জেরে চিন্ময়ের সঙ্গে হাত মেলান বাংলাদেশের ইস্কনের সন্ন্যাসীরা। তাঁরা চিন্ময়ের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হন।

    কী বলছেন কমেন্টেটর

    ঢাকার ওই কমেন্টেটর বলেন, “তিনি তাঁর বয়সের তুলনায় জ্ঞানী এবং পরিণত। আর এটি পরিস্থিতিরই একটি ফসল।” চট্টগ্রামের এক সন্ন্যাসী বলেন, “চিন্ময় ১৯৮৫ সালের মে মাসে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কারিয়ানগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শিশু বয়স থেকেই ধর্মীয় ক্ষেত্রে একজন জনপ্রিয় বক্তা ছিলেন (Chinmoy Krishna Das)। তিনি ১৯৯৭ সালে, মাত্র ১২ বছর বয়সে দীক্ষা গ্রহণ করেন এবং ইসকনের ব্রহ্মচারী হন।” বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট ৮ দফা দাবি আদায়ের জন্য ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে একটি বিশাল সমাবেশের আয়োজন করেছিল। হিন্দুদের এই শক্তি প্রদর্শন বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি অংশের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। চিন্ময়-সহ ১৭ জন হিন্দু নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করে তারাই। সেই মামলার ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয় চিন্ময়কে।

    চিন্ময়কে রোখার চেষ্টা (Chinmoy Krishna Das)

    ২২ নভেম্বর রংপুরে জনসমাবেশের ডাক দেন চিন্ময়। সেই সমাবেশ আটকাতে চেষ্টার কসুর করেনি বাংলাদেশ সরকার। আগাম বুকিং করা থাকলেও, পরে কোনও কারণ ছাড়াই বাতিল করে দেওয়া হয় বুকিং। চিন্ময় বলেন, “বাংলাদেশে সনাতনীদের দুর্দশার কথা আপনি এই ঘটনাটি থেকেই অনুমান করতে পারেন। তাঁদের ওপর চলা দমন-পীড়নের প্রমাণের জন্য আর কিছুর প্রয়োজন নেই।” খুলনা এবং সিলেটেও দুটি বড় সমাবেশের আয়োজন করার পরিকল্পনা করেছিলেন চিন্ময় (Chinmoy Krishna Das)। তার আগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় ঢাকা থেকে।

    আরও পড়ুন: আজমের শরিফ দরগা আদতে একটি শিব মন্দির, হিন্দু সেনার আর্জি গ্রহণ করল আদালত

    বিপাকে ইউনূস সরকার

    বাংলাদেশের ওই কমেন্টেটর বলেন, “বাংলাদেশের হিন্দু জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ তরুণ এবং প্রযুক্তি-সচেতন। এই তরুণরা দেখেছে যে সারা বিশ্বে সংখ্যালঘুদের নিজেদের জন্মভূমিতে টিকে থাকার জন্য লড়াই করতে হয়।” জানা গিয়েছে, ১৯৬৪ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে বাংলাদেশ ছেড়ে গিয়েছেন ১ কোটির বেশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী। এই নিপীড়িতদেরই মুখ হয়ে উঠেছিলেন চিন্ময় (Chinmoy Krishna Das)। তাঁকে গ্রেফতার করেই বিপাকে বাংলাদেশ সরকার। কারণ এই মুহূর্তে চিন্ময়ের সঙ্গে রয়েছে তামাম বিশ্বের সহানুভূতির ঝড়। যার বড় মূল্য চোকাতে হতে পারে ইউনূসের (Muhammad Yunus) অন্তর্বর্তী সরকারকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jay Bhattacharya: ট্রাম্প প্রশাসনে গুরু দায়িত্বে বাঙালি, মার্কিন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মাথায় কলকাতার জয়ন্ত

    Jay Bhattacharya: ট্রাম্প প্রশাসনে গুরু দায়িত্বে বাঙালি, মার্কিন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মাথায় কলকাতার জয়ন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের নয়া অধিকর্তা হচ্ছেন জয় ভট্টাচার্য (Jay Bhattacharya)। পুরো নাম জয়ন্ত ভট্টাচার্য। বছর ছাপ্পান্নর জয় একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিদ এবং অর্থনীতিবিদ। তাঁর জন্ম কলকাতায়। বর্তমানে তিনি যুক্ত রয়েছেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আমেরিকার ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইকনমিক রিসার্চের সঙ্গে। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে এমডি ডিগ্রি। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডিও করেছেন জয়।

    জয়ের ভূয়সী প্রশংসা (Jay Bhattacharya)

    জয়কেই যে এনআইএইচ-এর অধিকর্তার পদে বসানো হচ্ছে, ২৬ নভেম্বর সে সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেন ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন ক্যাবিনেটে অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি জয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন ভারত-বন্ধু ট্রাম্প। ট্রাম্প জানান, রবার্ট এফ কেনেডির সঙ্গে মিলে এখন থেকে আমেরিকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দায়িত্ব সামলাবেন জয়। স্বাস্থ্য অধিকর্তার পদে নিযুক্তির খবর (Jay Bhattacharya) পাওয়ার আগেই কেনেডির সঙ্গে দেখা করেছিলেন জয়। তাঁকে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানান। তার পরেই এল নিযুক্তির খবর।

    কী বললেন ট্রাম্প?

    বিবৃতি জারি করে ট্রাম্প বলেন, “ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে হেল্থ পলিসি নিয়ে পড়ান জয়। ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইকনমিকস রিসার্চের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট তিনি। এছাড়া স্ট্যানফোর্ড ইনস্টিটিউট এবং হুভার ইনস্টিটিউটে তিনি সিনিয়র ফেলো। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমডি এবং পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে তাঁর কাছে।” হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, স্ট্যানফোর্ডের সেন্টার ফর ডেমোগ্রাফি অ্যান্ড ইকোনমিক্স অফ হেল্থ অ্যান্ড এজিংয়ের ডিরেক্টর জয়। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় হল, সমাজের দুর্বল শ্রেণির মানুষের জন্য স্বাস্থ্য প্রকল্পের ভূমিকা, বায়োমেডিক্যাল ইনোভেশন এবং অর্থনীতি।

    আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! ভারতীয় নাগরিকত্ব খারিজের দাবি, তদন্তে সিবিআই

    কলকাতায় ১৯৬৮ সালে জন্ম জয়ের (Jay Bhattacharya)। ১৯৯৭ সালে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন থেকে তিনি ডক্টর অফ মেডিসিন ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯০ সালে মাস্টার্স করেন তিনি। ২০০০ সালে স্ট্যানফোর্ড থেকেই অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি পান জয়। জয় নামে পরিচিত হলেও, তাঁর আসল নাম জয়ন্ত ভট্টাচার্য।

    প্রসঙ্গত, আমেরিকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এনআইএইচ। স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে গবেষণায় অনুদান দিয়ে থাকে এই সংস্থা। মার্কিন (Donald Trump) দেশে ওষুধ এবং থেরাপির ক্ষেত্রেও অনুমোদন নিতে হয় এই সংস্থার (Jay Bhattacharya)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON Bangladesh: ‘‘সনাতনীদের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা হোক’’, ইউনূসকে কড়া বার্তা বাংলাদেশ ইসকনের

    ISKCON Bangladesh: ‘‘সনাতনীদের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা হোক’’, ইউনূসকে কড়া বার্তা বাংলাদেশ ইসকনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘুদের শান্তিতে বাঁচতে দেওয়া হোক। নিশ্চিত করা হোক তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের (Chinmay Krishna Das) গ্রেফতারি নিয়ে মহম্মদ ইউনূস সরকারকে কড়া বার্তা দিল ইসকন বাংলাদেশ (ISKCON Bangladesh)। এই নিয়ে দু’টি পৃথক বিবৃতি জারি করেছে ইসকন। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে সংগঠনের তরফে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে ইসকন। 

    সংখ্যালঘুদের সাংবিধানিক সুরক্ষার দাবি

    এই আবহে ইসকনের (ISKCON Bangladesh) তরফ থেকে বলা হয়েছে, ‘‘আমরা ধারাবাহিক ভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আবেদন করেছি যাতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়া হয়। আমরা চাই যাতে সরকার এবং প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ করে সনাতনীদের উদ্বেগ মেটায়। বাংলাদেশ আমাদের জন্মস্থান। আমরা এই দেশের গর্বিত নাগরিক। আমাদের অনেক আচার্য্যদের জন্ম এই দেশে। আমরা চাই সরকার যাতে এই দেশের প্রতিটি নাগিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা বজায় রাখে। আমরা বর্তমান এবং ভবিষ্যতের যে কোনও সরকারের সঙ্গেই সমন্বয় বজায় রাখতে চাই। আমারা চাই যাতে সবাই সব ধর্মের প্রতি সহনশীল হন এবং যে কোনও ধরনের উস্কানি দেওয়া থেকে বিরত থাকেন।’’

    চিন্ময় প্রভুকে মুক্তির দাবি

    অপর এক বিবৃতিতে চিন্ময় প্রভু ইস্যুতে ইসকন বাংলাদেশের (ISKCON Bangladesh) তরফ থেকে বলা হয়, ‘‘বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের (Chinmay Krishna Das) গ্রেফতারির তীব্র নিন্দা করছি। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সনাতনীদের উপর যে হামলা চলছে আমরা সেই সব ঘটনারও নিন্দা করছি। আমরা চাই যাতে সরকার সনাতনীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটে’র প্রতিনিধি এবং একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রথম থেকেই সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে সরব ছিলেন। তাঁর বাকস্বাধীনতার বিষয়টি বজায় রাখা খুবই প্রয়োজন। তিনি অন্যদের অধিকারের জন্যে মনে যে বল যোগাচ্ছেন, তা সমর্থন করা খুবই প্রয়োজন। চিন্ময় কৃষ্ণ দাস এবং এদেশের সনাতনী সম্প্রদায়ের বিচার প্রাপ্য। সংখ্যালঘুদের প্রতি কোনও ধরনের বৈষম্য আর মেনে নেওয়া হবে না।’’

    আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত ইজরায়েল-হিজবুল্লার! কেন এই সিদ্ধান্ত, কী ভাবছেন নেতানিয়াহু?

    সনাতনীদের ওপর হামলা বন্ধ হোক

    ইসকনের (ISKCON Bangladesh) তরফ থেকে আরও বলা হয়, ‘‘সরকারের প্রতি আমাদের দাবি, সনাতনীদের ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করে তাদের সাজা দিতে হবে। চিন্ময় কৃষ্ণ দাস (Chinmay Krishna Das) এবং দেশের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার রক্ষা করতে হবে। দেশের সব সম্প্রদায়ের মধ্যে যাতে শান্তি বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে হবে। বাংলাদেশের এক সনাতনী সংগঠন হওয়ার দরুণ সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং অধিকার রক্ষা করার বিষয়ে আমরা বদ্ধপরিকর।’’ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছে ইসকনের সাধু চিন্ময় কৃষ্ণ দাস সহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে। সোমবার বাংলাদেশ বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাংলাদেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘুরা। প্রতিবাদে সরব হন তাঁরা। ভারত সরকারের তরফেও ইসকনের সাধুর গ্রেফতারি এবং জামিন মঞ্জুর না হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israel Hezbollah Ceasefire: যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত ইজরায়েল-হিজবুল্লার! কেন এই সিদ্ধান্ত, কী ভাবছেন নেতানিয়াহু?

    Israel Hezbollah Ceasefire: যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত ইজরায়েল-হিজবুল্লার! কেন এই সিদ্ধান্ত, কী ভাবছেন নেতানিয়াহু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাময়িক স্বস্তি পশ্চিম এশিয়ায়। হিজবুল্লার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি (Israel Hezbollah Ceasefire) ঘোষণা করল ইজরায়েল। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সাংবাদিক বৈঠক করে এই ঘোষণা করেন। দীর্ঘ ১৪ মাসের লড়াইয়ের পর অবশেষে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত নিল ইজরায়েল ও লেবানন সমর্থিত হিজবুল্লা৷ মঙ্গলবার এই বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে৷ যদিও হামাসও একই পথে হাঁটবে কি না, সেই প্রসঙ্গে কোনও কথা উল্লেখ নেই এই চুক্তিপত্রে৷

    যুদ্ধবিরতির ঘোষণা

    প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ঘোষণা অনুযায়ী, আজ বুধবার, ২৭ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হচ্ছে। আপাতত হিজবুল্লার উপরে হামলা (Israel Hezbollah Ceasefire) চালাবে না ইজরায়েল। নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইজরায়েলের সিকিউরিটি ক্যাবিনেট দীর্ঘ আলোচনার পর যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কতদিন এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে, তা নির্ভর করছে লেবাননে কী হচ্ছে, তার উপরে। যদি যুদ্ধবিরতি কোনওভাবে লঙ্ঘিত হয়, তবে ইজরায়েল সর্বশক্তি দিয়ে তার জবাব দেবে। লেবাননের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই যুদ্ধবিরতির চুক্তির পিছনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাক্রঁ মধ্যস্থতা করেছেন। যুদ্ধবিরতিতে একাধিক শর্ত রেখেছে ইজরায়েল। 

    কেন যুদ্ধবিরতি

    হঠাৎ যুদ্ধবিরতি (Israel Hezbollah Ceasefire) ঘোষণার পিছনে তিনটি কারণ ব্যাখা করেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। প্রথমত, ইরানের হুমকিতে মনোনিবেশ করা। দ্বিতীয়ত, ইজরায়েলি সেনাবাহিনীকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য এবং অস্ত্রশস্ত্র মজুত করার জন্য সময় দেওয়া এবং তৃতীয়ত, বিভিন্ন ফ্রন্ট থেকে হামাসকে বিচ্ছিন্ন করা। নেতানিয়াহুর দাবি, যুদ্ধের দ্বিতীয় দিন থেকেই হামাস হিজবুল্লার উপরে নির্ভর করেছে। হিজবুল্লার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে হামাসকে সম্পূর্ণ একা করে দেওয়াই লক্ষ্য ইজরায়েলের। যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ইজরায়েলের শীর্ষকর্তারা জানিয়েছেন, দক্ষিণ লেবানন থেকে ইজরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে। লেবাননের বিদেশমন্ত্রী আবদুল্লা বাও হাবিব জানিয়েছেন, ইজরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পর দক্ষিণ লেবাননে অন্তত পাঁচ হাজার সেনা মোতায়েন থাকবে। ইজরায়েলের হামলায় ধ্বংস হওয়া পরিকাঠামোগুলি পুনর্গঠনে আমেরিকা সাহায্য করতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: হিন্দুদের প্রতিবাদ সভায় হামলা পুলিশের, রণক্ষেত্র বাংলাদেশ

    Bangladesh Crisis: হিন্দুদের প্রতিবাদ সভায় হামলা পুলিশের, রণক্ষেত্র বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুদের প্রতিবাদ (Hindus Protesting) সভায় হামলা বাংলাদেশ পুলিশের (Bangladesh Crisis)। ফাটানো হল টিয়ার গ্যাসের সেল। করা হল লাঠিচার্জও। এদিন দুপুরে প্রথমে ঘটনাটি ঘটে রাজধানী ঢাকায়। পরে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় চট্টগ্রামেও। এদিনই হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে অনুরোধ করেছিল ভারত। সেই আর্জির পর চব্বিশ ঘণ্টাও কাটেনি, মঙ্গলবার হামলা হল হিন্দুদের প্রতিবাদ সভায়।

    শান্তিপূর্ণ সমাবেশে লাঠিচার্জ (Bangladesh Crisis)

    সোমবারই গ্রেফতার করা হয় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ওরফে চিন্ময় প্রভুকে। তিনি ইসকনের সঙ্গে যুক্ত। ঢাকা থেকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। আদালতে তোলা হলে জামিনও মেলেনি চিন্ময়ের। চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতারির প্রতিবাদে এদিন ঢাকা এবং চট্টগ্রামে জমায়েত করেন বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুরা। অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ ওই সমাবেশে নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে ছত্রভঙ্গ করে জনতাকে।

    উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের

    এদিন জামিন খারিজ হওয়ার পর চিন্ময়কে যখন আদালত থেকে ফের জেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন পুলিশের গাড়ি ঘিরে ধরেন বাংলাদেশের হাজার দুয়েক হিন্দু। ঘণ্টা দুয়েক ধরে রাস্তা অবরোধ করেন তাঁরা। যদিও বাংলাদেশ পুলিশের এক কর্তা বলেন, ওরা (প্রতিবাদীরা) উন্মত্ত আচরণ করছিল। আমাদের দিকে ইট ছুঁড়ছিল। ভিড় ছত্রভঙ্গ করতে আমাদের টিয়ার গ্যাস ছুড়তে হয়েছিল। কেউ গুরুতর আহত হয়নি। তবে আমাদের এক কনস্টেবল জখম হয়েছেন। ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। সংখ্যালঘু হিন্দুদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেওয়ার আর্জি জানায় সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুঃখজনক বিষয় হল, যখন এসব ঘটনার অপরাধীরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে, তখন শান্তিপূর্ণ সমাবেশের মাধ্যমে বৈধ দাবি উপস্থাপনকারী এক ধর্মীয় নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি, বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন অফিস ঘেরাও করবে বিজেপি

    সরকারের পাশাপাশি (Bangladesh Crisis) ভারতের শাসক দল বিজেপির তরফেও চিন্ময় প্রভুকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে। পদ্ম-পার্টির তরফে জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তারা যেন চিন্ময় প্রভুকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়। তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত মিথ্যা মামলাও সরিয়ে নেওয়ার আর্জি জানিয়েছে গেরুয়া পার্টি।   

    বাংলাদেশের সমস্ত হিন্দু এবং হিন্দু মন্দির যেন সুরক্ষিত থাকে এবং সংখ্যালঘুদের যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতেও অনুরোধ করা (Hindus Protesting) হয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ২ হাজার ১০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, দাবি কাউন্সিলের

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ২ হাজার ১০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, দাবি কাউন্সিলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা-উত্তর জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের (Minority Families) ওপর ২ হাজার ১০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে খুন, যৌন হয়রানি এবং অপহরণের মতো ঘটনাও রয়েছে। এ সবের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ হাজার ৭০৫টি পরিবার (Bangladesh Crisis)। মঙ্গলবার এ খবর জানান মণীন্দ্র কুমার নাথ। তিনি বাংলাদেশের হিন্দু বুদ্ধিস্ট খ্রিস্টান ইউনিটি কাউন্সিলের অ্যাক্টিং জেনারেল সেক্রেটারি।

    সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)

    সোমবারই গ্রেফতার করা হয়েছে বাংলাদেশের নিপীড়িত হিন্দুদের নেতা তথা বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ জোটের ধর্মীয় নেতা ও মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে (চিন্ময় প্রভু নামেই পরিচিত)। সেই প্রেক্ষিতে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশে কীভাবে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে, সেই পরিসংখ্যান তুলে ধরেন মণীন্দ্র। তিনি বলেন, “হিংসার ঘটনা ঘটতে থাকলেও, তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই ঘটনাগুলির তদন্ত বা দোষীদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি।” মণীন্দ্র বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক… আমরা দেখেছি যে বাংলাদেশের প্রায় ৬৪টি জেলায়ই হিন্দু জনগণের বিরুদ্ধে এবং খ্রিস্টান ও বৌদ্ধদের বিরুদ্ধেও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। আমাদের সংগঠনের মাধ্যমে প্রাপ্ত পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, হত্যাকাণ্ড, যৌন হয়রানি এবং অপহরণ-সহ হামলার ২ হাজার ১০টি ঘটনা ঘটেছে। যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ হাজার ৭০৫টি পরিবার।”

    আরও পড়ুন: চিন্ময়কৃষ্ণকে মুক্তি না দিলে সীমান্তে অবরোধ হবে, ইউনূসকে কড়া বার্তা শুভেন্দুর

    কী বললেন মণীন্দ্র?

    মণীন্দ্র বলেন, “এই অত্যাচারের ফলে দেশের বিভিন্ন শহরে, যেমন ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং রামপুরে সাধু ও সন্ন্যাসীরা প্রতিবাদ করছেন। এই প্রতিবাদগুলি বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে, অংশগ্রহণকারীদেরও নির্যাতন ও আঘাতের শিকার হতে হয়েছে।” তিনি বলেন, “ফলস্বরূপ, সাধু ও সন্ন্যাসীরাও এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে এগিয়ে এসেছেন বিভিন্ন আন্দোলনের মাধ্যমে। আমরা ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং রামপুরে বড় ধরনের প্রতিবাদ দেখেছি। এসব আন্দোলনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, এবং আন্দোলনের সময় লোকজন নির্যাতিত হয়েছে। এমনকি চিন্ময়ের গ্রেপ্তারের পরেও একটি প্রতিবাদসভায় যোগ দিয়ে আহত হয়েছেন।” তিনি বলেন (Bangladesh Crisis), “এই প্রতিবাদগুলির উদ্দেশ্য ছিল সনাতনী জনগণের জন্য আটটি মূল সংস্কারের দাবি জানানো। এই দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে ধর্মীয় উৎসবের সময় ছুটি দেওয়া, অত্যাচারের তদন্ত এবং উপাসনাস্থলে প্রার্থনার অধিকার নিশ্চিত করা।” তিনি বলেন, “এই দাবিগুলি (Minority Families) মৌলিক এবং একটি বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ (Bangladesh Crisis)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারের প্রতিবাদে কড়া প্রতিক্রিয়া রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত, সদগুরুর

    Bangladesh: চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারের প্রতিবাদে কড়া প্রতিক্রিয়া রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত, সদগুরুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর হিন্দুদের ওপর লাগাতার অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছিল। এই আবহের মধ্যে এবার সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারি ঘিরে ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশ (Bangladesh)। এরপর বিক্ষোভ আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশে। ভারত সরকার প্রতিবাদ জানিয়েছে। একইসঙ্গে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন রাম জন্মভূমি মন্দিরের প্রধান পুরোহিতসহ বিভিন্ন ধর্মগুরু। ইসকনের পক্ষ থেকে এই বিষয় নিয়ে ভারত সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারের ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড় শুধু বাংলাদেশের মাটিতে থেমে নেই। ভারতে সনাতনীরাও প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। চাপ বাড়ছে বাংলাদেশ সরকারের।

    পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা (Bangladesh)

    চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারি প্রসঙ্গে শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের (Bangladesh) প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস বলেন, ‘‘যা হয়েছে অত্যন্ত খারাপ। আমার এটাই মনে হচ্ছে, পাকিস্তান যেমন হিন্দুদের সঙ্গে ব্যবহার করে থাকে বাংলাদেশও তেমনটাই করছে। বাংলাদেশে যাঁরা হিন্দুদের সমর্থন করছেন, তাঁদেরকেই গ্রেফতার করা হচ্ছে, এটা খুব খারাপ। আমাদের সরকারের উচিত অবিলম্বে এই বিষয়টিতে নজর দেওয়া। এখনও সরকার যদি কিছু না বলে তাহলে হিন্দুদের ওপর যে অন্যায় অত্যাচার হচ্ছে তা আরও বাড়বে আর এটাই চলতে থাকবে।’’

    সরব হয়েছেন সদগুরু

    ইসকনের-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য চিন্ময় কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারী। তিনি সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্রও। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে তিনি ‘চিন্ময় প্রভু’ নামে পরিচিত। বাংলাদেশ (Bangladesh) সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্রের পাশাপাশি, পুণ্ডরীক্ষ ধামের অধ্যক্ষও তিনি। তাঁর গ্রেফতারের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন আধ্যাত্মিক শিক্ষক এবং ইশা লিডারশিপ অ্যাকাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সদগুরু। মঙ্গলবার বাংলাদেশে হিন্দু নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর গ্রেফতারকে অসম্মানজনক বলে অভিহিত করেছেন তিনি। সদগুরু এক্স হ্যান্ডলে সকল বাংলাদেশি নাগরিককে একটি গণতান্ত্রিক জাতি গঠনের জন্য আহ্বান জানান। তিনি লিখেছেন, ‘‘মুক্ত গণতন্ত্রের মূল্য বোঝা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। ধর্মের ভিত্তিতে নিপীড়ন ঠিক নয়। দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের প্রতিবেশি গণতান্ত্রিক নীতি থেকে দূরে সরে গিয়েছে। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব হওয়া উচিত একটি গণতান্ত্রিক জাতি গঠন করা যেখানে সকল নাগরিকের প্রয়োজনীয় অধিকার এবং তাদের চাহিদা ও বিশ্বাস অনুযায়ী জীবন যাপন করার ক্ষমতা থাকবে।’’

    গোয়েন্দা শাখার মুখপাত্র রেজাউল করিম কী বলেছেন?

    সোমবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে হিন্দু সংগঠন সম্মিলিত সনাতনী জোটের নেতা চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের গোয়েন্দা শাখার মুখপাত্র রেজাউল করিমকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে,  নিয়মিত পুলিশের অনুরোধের ভিত্তিতে দাসকে আটক করা হয়েছে। করিম বলেন, ‘‘পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য দাসকে এখন সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে।’’

    ভারত সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ ইসকনের

    ইসকন একটি এক্স পোস্টে ভারত সরকারকে অবিলম্বে বাংলাদেশ সরকারের (Bangladesh) সঙ্গে কথা বলার জন্য অনুরোধ করে। এক্স পোস্টে লিখেছে, ‘‘বিশ্বের যে কোনও জায়গায় সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ইসকনের কোনও সম্পর্ক নেই। এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ করা নিন্দনীয়। ভারত সরকারকে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কথা বলার জন্য অনুরোধ করে এবং জানিয়ে দেয় যে আমরা শান্তিপ্রিয় ভক্তি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। আমরা চাই বাংলাদেশ সরকার অবিলম্বে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে মুক্তি দিন। এই ভক্তদের সুরক্ষার জন্য ভগবান কৃষ্ণের কাছে আমাদের প্রার্থনা।’’

    রাস্তায় নেমেছে হিন্দুরা

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দাসকে আটক করা হয়েছিল। বাংলাদেশ (Bangladesh) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এই আটকের নিন্দা জানিয়ে বলেছে যে এটি বিদেশে দেশের ভাবমূর্তিকে প্রভাবিত করতে পারে। প্রসঙ্গত, গত ৩০ অক্টোবর চট্টগ্রামের নিউমার্কেট এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সমাবেশে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাকে অসম্মান করার অভিযোগে দাসসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়। এদিকে দাসের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের শত শত মানুষ বন্দরনগরীর চেরাগী পাহাড় মোড়ে রাস্তায় নেমেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share