Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • IDF: ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির বেলুন ফুটো! ফের সংঘর্ষ শুরু ইজরায়েল-হামাসের

    IDF: ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির বেলুন ফুটো! ফের সংঘর্ষ শুরু ইজরায়েল-হামাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল ইজরায়েল ও হামাসের সঙ্গে। সেই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রচার করেছিলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি। তাঁর সেই অগ্রগতির বেলুন ফেঁসে গেল চুক্তির সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ গাজার রাফাহ এলাকায় প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র জঙ্গিরা (Hamas) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)-এর (IDF) ওপর হামলা চালায়। আইডিএফ এই ঘটনাকে চুক্তি লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে। হামলায় আরপিজি ও স্নাইপার গুলি ব্যবহার করা হয়। এগুলি চালানো হয় তথাকথিত ইয়েলো লাইনের পূর্ব দিকে মোতায়েন করা সেনাদের লক্ষ্য করে। জানা গিয়েছে, শান্তি চুক্তি অনুযায়ী এই এলাকাটি ইজরায়েলের নিয়ন্ত্রণেই রয়ে গিয়েছে।

    জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে ব্যাপক হামলা আইডিএফের (IDF)

    জঙ্গি হামলার পর অবশ্য হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি ইজরায়েল। জঙ্গিদের জবাব দিতে দক্ষিণ গাজায় হামাসের জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে ব্যাপক বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করে আইডিএফ। ২০টিরও বেশি জায়গায় হামলা হয়। এর মধ্যে সুড়ঙ্গপথ ও জঙ্গিদের ডেরাগুলিও ছিল। এই সংঘর্ষ এমন একটা সময়ে হল যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গাজার অসামরিক নাগরিকদের ওপর হামাসের আসন্ন আক্রমণের বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছিল। জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে যখন এই হামলার ঘটনা ঘটে, তখন জঙ্গিরা পূর্ব রাফাহ অঞ্চলে থাকা আইডিএফ সেনাদের লক্ষ্য করে আরপিজি এবং স্নাইপার গুলি চালায়। আইডিএফ জানিয়েছে, যে সব সেনা হামলার শিকার হয়েছেন, তাঁরা ইয়োলো লাইনের পূর্ব পাশে হামাসের সঙ্গে সমঝোতা অনুযায়ী ওই এলাকায় জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংসের অভিযান চালাচ্ছিলেন।

    আইডিএফের উপযুক্ত জবাব

    ইজরায়েলি পক্ষে হতাহতের কোনও (IDF) খবর মেলেনি। তবে এই ঘটনা শুক্রবারের হামলার মতোই। সেদিনও রাফাহর একটি টানেল থেকে গুলিবর্ষণ এবং খান ইউনিস এলাকায় জঙ্গিদের এগিয়ে আসার ঘটনা ঘটেছিল। দুটি ক্ষেত্রেই বিমান হামলা চালিয়ে জবাব দেয় আইডিএফ।যদিও এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে হামাস। প্যালেস্তাইনের এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর দাবি, ঘটনাটি ইজরায়েলি নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ঘটেছে। ওই অঞ্চলে কয়েক মাস ধরে আটকে থাকা তাদের সদস্যদের সঙ্গে তাদের কোনও যোগাযোগই নেই (Hamas)। হামাসের প্রবীণ কর্তা ইজ্জাত আল-রিশেক ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁর জোটের চাপের মুখে পড়ে প্রতিশ্রুতি এড়িয়ে যাচ্ছেন। হামাস-ঘনিষ্ঠ কিছু গণমাধ্যমের দাবি, এই হামলার লক্ষ্য ছিলেন ইয়াসির আবু শাবাব — যিনি কথিতভাবে ইজরায়েল-সমর্থিত একটি মিলিশিয়ার নেতা এবং নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ছিলেন।

    সিভিল ডিফেন্স সংস্থার দাবি

    দক্ষিণ কমান্ডের নেতৃত্বে ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ গাজায় হামাসের ঘাঁটিগুলিতে পাল্টা বিমান হামলা চালায়। রাফাহ অঞ্চলে হুমকি দূরীকরণে ফোকাস করে এই অভিযান পরিচালিত হয় এবং তা দেইর আল-বালাহ সংলগ্ন এলাকায়ও সম্প্রসারিত হয়। অভিযানের সময় বেশ কয়েকটি সুড়ঙ্গ ও জঙ্গি তৎপরতায় ব্যবহৃত ভবন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়। ইজরায়েল ২০টিরও বেশি টার্গেটে আঘাত হানে (IDF)। গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা জানিয়েছে, রবিবার সারা দিনে ইজরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছে, এর মধ্যে ছ’জন উত্তরাঞ্চলে। নেতানিয়াহু জঙ্গি টার্গেটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ সতর্ক করে বলেন, “হামাস কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করলে তাদের কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং প্রয়োজনে এর জবাবে ধাপে ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Hamas)।”

    ইয়েলো লাইন চিহ্নিতকরণ শুরু

    একই সময়ে কাটজের নির্দেশ, আইডিএফ ইয়েলো লাইন চিহ্নিত করা শুরু করেছে, হলুদ কংক্রিটের ব্লক ও সাইনবোর্ড স্থাপন করে, যাতে সীমানা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত থাকে এবং কেউ যেন সীমা অতিক্রম না করে সেই সতর্কবার্তা দেওয়া যায়। গত কয়েক দিনে আইডিএফ বাহিনী এই রেখা অতিক্রম করে হুমকি সৃষ্টির অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্যালেস্তাইনিকে হত্যা করে (IDF)। সাম্প্রতিক এই উত্তেজনা ইঙ্গিত দেয়, যদিও হামাস শান্তিচুক্তির পর বন্দিদের ফিরিয়ে দিয়েছে, তবুও এ অঞ্চলে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ এখনও অনেক দূর (Hamas)। হামাস ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি ফর্মুলার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ধারা, যেমন, সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ ও গাজায় রাজনৈতিক ক্ষমতা থেকে দূরে থাকা প্রত্যাখ্যান করেছে। এদিকে, ইজরায়েল সাফ জানিয়েছে, হামাস যদি চুক্তির সব ধারা মেনে না চলে, তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাবে (IDF)।

    প্রসঙ্গত, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী হামাস জীবিত সব বন্দিকে মুক্তি দেয় এবং নিহত বন্দিদের দেহাবশেষ ফেরত দিতে শুরু করে। এর বিনিময়ে ইজরায়েল প্রায় ২ হাজার প্যালেস্তাইন বন্দি ও আটক ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়। এর মধ্যে ২৫০ জন সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত অপরাধে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ছিল। শনিবার ১৮ অক্টোবরের (Hamas) শেষ নাগাদ ২৮ জন নিহত বন্দির মধ্যে ১০ জনের দেহাবশেষ ফেরত এসেছে। ওই দিন আরও দু’জনের দেহাবশেষ পাওয়া গিয়েছে, যেগুলির আনুষ্ঠানিক শনাক্তকরণ বাকি ছিল (IDF)।

  • Paris: প্যারিসের লুভ্যর জাদুঘর থেকে চুরি গিয়েছে নেপোলিয়ানের অলঙ্কার!

    Paris: প্যারিসের লুভ্যর জাদুঘর থেকে চুরি গিয়েছে নেপোলিয়ানের অলঙ্কার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সকালে প্যারিসের (Paris) জাদুঘরে ডাকতির ঘটনায় শোরগোল। কার্যত ফিল্মি কায়দায় জানালা ভেঙে লুভ্যরের একটি ঘরে ঢুকে লাখ লাখ টাকার গয়না লুট করেছে দুই দুষ্কৃতী। ঘরের বাইরে দাঁড়িয়েছিল তৃতীয় একজন। জানা গিয়েছে, চুরি যাওয়া গয়নাগুলি হল ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ান বোনাপার্ট (Napoleon-era jewels) এবং সম্রাজ্ঞী জোসেফইনের। মুহূর্তের মধ্যেই দর্শনার্থীদের মধ্যে শোরগোল পড়ে যায় জাদুঘরজুড়ে। ঘটনায় তদন্তে নেমেছে পুলিশ। দেশজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য।

    ডিস্ক কাটার দিয়ে কাটা হয়েছে (Paris)

    ফ্রান্সের (Paris) সংস্কৃতি মন্ত্রী রাচিদা দাতি এক্স হ্যান্ডলে বলেন, “রবিবার জাদুঘর খুলতেই ডাকাতি হয়। ডিস্ক কাটার দিয়ে কাটা হয়েছে কাঠামো। নেপোলিয়ন (Napoleon-era jewels) এবং সম্রাজ্ঞীর অলঙ্কার সংগ্রহ থেকে ন’টি নগদ অর্থ চুরি হয়েছে। তবে কেউ হতাহত হননি। আপাতত জাদুঘর বন্ধ রাখা হয়েছে।” পুলিশ ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানিয়েছে, জাদুঘরের শ্যেন নদীর দিকে সংস্কারের কাজ চলছিল। ওই জায়গা দিয়ে লিফটে করে অভিযুক্তরা ঢুকেছে জাদুঘরে। এরপর ঢুকে পড়ে সোজাসুজি গয়না রাখার ঘরে। তারপর চলে দেদার লুটপাট।

    কী কী আছে জাদুঘরে

    এই জাদুঘর লুভ্যরে (Paris) রয়েছে মোনালিসার ছবি। প্রতিদিন ৩০ হাজার দর্শক আসেন। এখানে ৩৩ হাজারেরও বেশি নিদর্শন রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে প্রাচীন জিনিসপত্র, ভাস্কর্য এবং চিত্রকর্ম। প্রধান আকর্ষণ হল মোনালিসার ছবি, যা বিশ্বের সর্বাধিক পরিচিত শিল্পকর্ম। সেই সঙ্গে রয়েছে ভেনাস ডি মিলো এবং সামোথ্রেসের উইংড ভিক্টরি। প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার দ্রষ্টব্য রয়েছে জাদুঘরের সংগ্রহে। ৩৫ হাজার জিনিস রয়েছে প্রদর্শনীতে। প্রতি বছর ৮০ থেকে ৯০ লাখ মানুষ এই জাদুঘর পরিদর্শনের (Napoleon-era jewels) জন্য যান। আগেও এখান থেকে বহু মূল্যবান জিনিস চুরি গিয়েছে। ১৯১১ সালেই এখান থেকে চুরি গিয়েছিল মোনালিসার ছবি। যদিও সেই ছবি চুরি করেছিলেন জাদুঘরের কর্মীরাই। দু’বছর পরে অবশ্য উদ্ধার হয়েছিল সেই ছবি।

  • Donald Trump: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে “নো কিংস” আন্দোলন, লোকে লোকারণ্য

    Donald Trump: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে “নো কিংস” আন্দোলন, লোকে লোকারণ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনসভায় অচলাবস্থার কারণে সরকারি কার্যকলাপ বন্ধ রয়েছে তিন সপ্তাহ ধরে। এহেন আবহে শনিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যজুড়ে প্রচুর বিক্ষোভকারী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) বিরুদ্ধে সমবেত হন। বিক্ষোভকারীরা এই প্রতিবাদকে “নো কিংস” (No Kings) আন্দোলন আখ্যা দেন। রিপাবলিকানরা একে ব্যঙ্গ করে “হেট আমেরিকা” (Hate America) সমাবেশ বলে অভিহিত করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যেই ২,৫০০-রও বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে ওয়াশিংটন (US) ডিসি এবং নিউ ইয়র্কের মতো বড় শহর, তেমনি রয়েছে মধ্য-পশ্চিমের ছোট ছোট শহরও।

    “নো কিং!” (Donald Trump)

    সান ফ্রান্সিসকোয় শয়ে শয়ে মানুষ ওসান বিচে তাঁদের শরীর দিয়ে “নো কিং!” (কোনও রাজা নয়!) এবং অন্যান্য স্লোগান লিখে প্রতিবাদ জানান। স্ট্যাচু অব লিবার্টির পোশাকে সেজেছিলেন হেইলি উইঙ্গার্ড। তিনি বলেন, “আমি আগে কখনও কোনও বিক্ষোভে অংশ নিইনি।” সম্প্রতি তিনি ট্রাম্পকে একজন একনায়ক হিসেবে দেখতে শুরু করেন। “এটাই গণতন্ত্রের চেহারা!” – এমনতর স্লোগানে হাজারো মানুষ ওয়াশিংটনে মার্কিন ক্যাপিটল ভবনের কাছে প্রতিবাদ জানান। প্রসঙ্গত, আইনসভায় অচলাবস্থার কারণে ফেডারেল সরকার টানা তিন সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে।

    ট্রাম্পের সমালোচনা

    বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের তথাকথিত কঠোর কৌশলের তীব্র সমালোচনা করেন। এর মধ্যে রয়েছে গণমাধ্যম, রাজনৈতিক বিরোধী ও অনথিভুক্ত অভিবাসীদের ওপর আক্রমণও। ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে ফেরার পর এটি ছিল তৃতীয় বৃহৎ গণ-সমাবেশ, যা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এমন এক সময়ে যখন শাটডাউন থাকায় শুধু ফেডারেল কর্মসূচি ও সেবা বন্ধই হয়ে যায়নি, ক্ষমতার মৌলিক ভারসাম্যেরও পরীক্ষা হয়েছে। একটি আক্রমণাত্মক এক্সিকিউটিভ শাখা যেভাবে কংগ্রেস ও আদালতের (US) সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাতে লিপ্ত হয়েছে, তা নিয়ে বিক্ষোভকারীরা সতর্ক করেছেন। তাঁদের মতে, এটি কর্তৃত্ববাদিতার বিপজ্জনক স্খলন (Donald Trump)।

    প্রতিবাদের কারণ

    বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কিছু নির্দিষ্ট নীতি ও পদক্ষেপের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এর মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলিতে ফেডারেল বাহিনী ও ন্যাশনাল গার্ড পাঠানো, যা ফেডারেল ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে যাওয়া ও সমাজের সামরিকীকরণ হিসেবে দেখা হয়েছে; ব্যাপক অভিবাসন অভিযান ও নীতিগুলি যা বহিষ্কার ও অভিযোগ করা অবিচারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সরকার বন্ধের ফলে ফেডারেল কর্মী ও জরুরি সেবার ওপরও যে প্রভাব পড়েছে, তাও প্রতিবাদের অন্যতম কারণ (Donald Trump)।

    ট্রাম্প বলেন, “ওরা আমায় রাজা বলে উল্লেখ করছে। আমি কোনও রাজা নই।” ট্রাম্পের প্রচার টিমের তরফে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকেও বিক্ষোভকারীদের ব্যঙ্গ করে একটি পোস্ট করা হয়, যেখানে ট্রাম্পকে এক রাজামহারাজার মতো মুকুট পরে ব্যালকনি থেকে হাত নাড়তে দেখা গিয়েছে (US)।

  • Bangladesh: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ কালী পুজো! বিক্ষোভ ছাত্রদের

    Bangladesh: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ কালী পুজো! বিক্ষোভ ছাত্রদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজধানী ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ করা হল কালী পুজো। এই বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকার অন্যতম প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়। উল্লেখ্য, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জমিটি একজন হিন্দু জমিদার দান করেছিলেন। হিন্দু সমাজের মানুষের দেওয়া জমির ওপর বিশ্ববিদ্যালয়, অথচ এখানেই আজ সনাতন ধর্মের কালী পুজোকে (Kali Puja) নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন। প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন হিন্দু ছাত্র, শিক্ষক এবং কর্মচারীরা। বাংলাদেশে ইউনূসের রাজত্বে হিন্দু ধর্মের মানুষরা যে কতটা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন, তার আরও একটি বাস্তব চিত্র এই ঘটনা।

    উদ্দেশ্যপূর্ণ ভাবে বন্ধ পুজো (Bangladesh)

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যলয়ে (Bangladesh) কালী পুজো বন্ধের নির্দেশের স্বপক্ষে সাফাই গেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের তরফে এক ব্যক্তি বলেন, “কালী পুজো (Kali Puja) উত্তর ভারতের সংস্কৃতির অংশ।” কিন্তু এই মন্তব্য ঐতিহাসিক ভাবে বাঙালি সংস্কৃতির পরিপন্থী। এটি সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক চক্রান্ত। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বঙ্গে কালীপুজো হয়ে আসছে। তারা, কালিকা, দুর্গা, উমা, ভগবতী বাঙালির শক্তিরূপা দেবী শক্তির প্রতীক। বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গি ভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই পুজো। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু ছাত্র এবং অধ্যাপকদের মত খুব স্পষ্ট। হিন্দু সমাজকে নিপীড়ন করতে প্রশাসন পুজো বন্ধ করেছে। ঢাকার বুকেই যদি পুজো বন্ধ হয়, তাহলে দেশজুড়ে কী হবে? সেই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে বাংলাদেশজুড়ে।

    সামাজিক মাধ্যমেও আন্দোলন

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রাক্তন ছাত্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “এটা হৃদয়বিদারক ঘটনা। হিন্দু দানশীল ব্যক্তিরা যে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দিয়ে গিয়েছেন, এখন বর্তমান প্রশাসনের কর্তৃপক্ষের লোকেরা কালীপুজো বন্ধ করেছেন। এটা কোন ধরনের ধর্ম নিরপেক্ষতা? এই বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কেন্দ্রীয় উপাসনালয়ের আবেদন জানিয়ে একটি মন্দির স্থাপনের আবেদন জানানো হয়েছিল। তাতেও সম্মতি মেলেনি। ফলে বাংলাদেশে সার্বিকভাবে বৈচিত্র্যময় কাঠামোকে ভেঙে ফেলতেই এই সিদ্ধান্ত। ইতিমধ্যে ছাত্রছাত্রীরা হ্যাসট্যাগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কালী পুজোর (Kali Puja) মতো অভিযান শুরু করেছে আন্দোলনকারীরা। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট থেকে হাসিনাকে বিতাড়িত করার পর থেকেই হিন্দু সমাজের ওপর অত্যাচার ক্রমেই বেড়ে চলেছে। সব জেনেশুনেও ইউনূস প্রশাসন (Bangladesh) চুপ!

  • AADHAAR: পথ দেখিয়েছে ভারত, নয়াদিল্লি ঘুরে গিয়ে আধারকার্ডের ধাঁচে পরিচয়পত্র চালু করতে চলেছেন স্টার্মার?

    AADHAAR: পথ দেখিয়েছে ভারত, নয়াদিল্লি ঘুরে গিয়ে আধারকার্ডের ধাঁচে পরিচয়পত্র চালু করতে চলেছেন স্টার্মার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে এসে ব্রিটেনে নিয়ে গিয়েছেন আধারকার্ডের (AADHAAR) কনসেপ্ট। সেই ধাঁচেই নয়া পরিচয়পত্র ব্রিটেনে চালু করতে চাইছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)। নাম হবে ‘ব্রিট কার্ড’। তবে আধারের মতো বায়েমেট্রিক তথ্য ব্যবহৃত হবে না এই কার্ডে। ব্রিটেনে অনুপ্রবেশকারীদের রুখতেই এই কার্ড চালু করতে চাইছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী।

    স্টার্মারের মুখে আধার-স্তুতি (AADHAAR)

    সম্প্রতি ভারত সফরে এসেছিলেন স্টার্মার। তখনই তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল আধার-স্তুতি। পরে তিনি সাক্ষাৎ করেন ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান নন্দন নিলেকানির সঙ্গে। তাঁর কাছ থেকে জেনে নিয়েছিলেন আধার কার্ড এবং সেই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যও। ব্রিটেনের সরকারি মুখপাত্র জানান, এই কার্ড চালুর ক্ষেত্রে ভারতের অভিজ্ঞতার সাহায্য নেবে ব্রিটেন। যদিও তা আদতে আধার কার্ডের মতো হবে না। এর নকশা হবে আলাদা। এই কার্ডে ব্যবহার করা হবে না বায়োমেট্রিক তথ্যও। আধারের ভূয়শী প্রশাংসা করেছে ব্রিটেনের বিভিন্ন গণমাধ্যম। তাদের মতে, প্রশাসনিক ব্যয় এবং দুর্নীতি কমাতে সদর্থক ভূমিকা নিয়েছে আধার।

    অবৈধ অভিবাসী বিতাড়নের দাবি

    প্রসঙ্গত, অবৈধ অভিবাসী বিতাড়নের দাবিতে সম্প্রতি ব্রিটেনে বেশ কয়েকটি মিছিল এবং জমায়েত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অবৈধভাবে ব্রিটেনে থাকা শ্রমিকদের চিহ্নিত করতে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নয়া সচিত্র পরিচয়পত্র তৈরি করতে চলেছে ব্রিটেনের স্টার্মার সরকার।মনমোহন সিংয়ের জমানায় ১৫ বছর আগে ভারতে চালু হয়েছিল আধার কার্ড (AADHAAR)। ব্যাংক, পোস্ট অফিসের বিভিন্ন জরুরি কাজে আধার কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতেও কাজে লাগে এই কার্ড। বর্তমানে ভারতের ১৪০ কোটি নাগরিকের কাছেই রয়েছে এই কার্ড।

    ব্রিটেনের লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারের এক মুখপাত্র জানান, ভারতের আধার কার্ড সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা থেকে তাঁরা শিক্ষা নিচ্ছেন ঠিকই, তবে ব্রিট কার্ডের ধরন একটু আলাদা হবে। জানা গিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করতে কেবল (Keir Starmer) ব্রিটেনের চাকরিজীবীদের জন্যই বাধ্যতামূলক করা হবে এই কার্ড (AADHAAR)।

  • China: শীর্ষ ৯ জেনারেলকে বরখাস্ত করল চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার, কেন জানেন?

    China: শীর্ষ ৯ জেনারেলকে বরখাস্ত করল চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের (China) ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি প্রকাশ্যে তাদের শীর্ষ ন’জন জেনারেলকে বরখাস্ত করেছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্তা হে ওয়েইদংও রয়েছেন। ১৭ই অক্টোবর শুক্রবার প্রতিরক্ষামন্ত্রক (Party Session) ঘোষণা করেছে যে, দলীয় শৃঙ্খলার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপুল অর্থের সঙ্গে জড়িত কর্মসংক্রান্ত অপরাধের কারণে ওই জেনারেলদের সেনাবাহিনী ও কমিউনিস্ট পার্টি—দু’টি থেকেই বহিষ্কার করা হয়েছে।

    জিনপিংয়ের দুর্নীতি বিরোধী অভিযান (China)

    গত ১২ বছর ধরে চিনের নেতা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং একটি ব্যাপক দুর্নীতি বিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছেন। এই অভিযানে স্থানীয় নেতা থেকে শুরু করে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্তা-সহ সারা দেশের এক মিলিয়নেরও বেশি আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য একটি আরও পরিচ্ছন্ন ও শক্তিশালী দল গঠন করা। তবে সমালোচকদের একাংশের মতে, এটি আসলে একটি রাজনৈতিক শুদ্ধি অভিযান, যার মাধ্যমে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাঁর প্রতি পুরোপুরি অনুগত নন এমন ব্যক্তিদের সরিয়ে দিয়ে দল ও সেনাবাহিনীর ওপর নিজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করছেন।

    যাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে

    যাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে সব চেয়ে বড় নামটি হল হে ওয়েইদং। তিনি ছিলেন চিনের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি, কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। এটি পুরো সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। তিনি একই সঙ্গে ২৪ সদস্যের পলিটব্যুরোর সদস্য ছিলেন, যা চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা। তাঁর বরখাস্ত হওয়ার ঘটনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তিনি প্রথম কর্মরত পলিটব্যুরো সদস্য, যাঁকে এভাবে তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়েছে (China)।

    অগাস্ট মাসের পর থেকে তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এটা আগেই তাঁর সমস্যায় পড়ার গুঞ্জন বাড়িয়ে তুলেছিল। বাকিরা হলেন, মিয়াও হুয়া, সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক কার্যক্রমের প্রধান, হে হংজুন, মিয়াও হুয়ার ডেপুটি, ওয়াং শিউবিন, সামরিক বাহিনীর যৌথ অভিযান কমান্ড সেন্টারের শীর্ষ পরিচালক, লিন শিয়াংইয়াং, পূর্ব থিয়েটার কমান্ডের কমান্ডার (Party Session), ছিন শুতং, সেনাবাহিনীর রাজনৈতিক প্রধান, ইউয়ান হুয়াঝি  নৌবাহিনীর রাজনৈতিক প্রধান, ওয়াং চুননিং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কমান্ডার (China)। পার্টির অধিবেশনের আগে এঁদের বহিষ্কার করায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন জিনপিংয়ের বিরোধীরা।

  • Belgium Court: পলাতক মেহুল চোকসিকে ভারতে প্রত্যর্পণের নির্দেশ বেলজিয়ামের আদালতের

    Belgium Court: পলাতক মেহুল চোকসিকে ভারতে প্রত্যর্পণের নির্দেশ বেলজিয়ামের আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক প্রতারণা মামলায় মূল অভিযুক্ত পলাতক মেহুল চোকসিকে ভারতে প্রত্যর্পণের নির্দেশ দিল বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্প আদালত (Belgium Court)। বেলজিয়াম পুলিশের হাতে চোকসি এবং ভারত সরকারের কৌঁসুলির যুক্তি শোনার পরে বিচারক তাঁর নির্দেশে (Mehul Choksi) বলেন, “চোকসিকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের আবেদন বৈধ।”

    চোকসির বিরুদ্ধে তছরুপের অভিযোগ (Belgium Court)

    চোকসির বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশ ছাড়া তিনি। সম্প্রতি খবর মিলেছে, ভারত ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে চোকসি রয়েছেন বেলজিয়ামে। এর পরেই চোকসিকে দেশে ফেরানোর জন্য ভারত সরকারের তরফে বেলজিয়ামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ১২ এপ্রিল বেলজিয়ামের পুলিশ একটি হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করে বছর পঁয়ষট্টির চোকসিকে। আদালতে পেশ করার পর শুরু হয় প্রত্যর্পণের আইনি প্রক্রিয়া।

    বেলজিয়ামের জেলেই চোকসি

    গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে বেলজিয়ামের জেলেই রয়েছেন চোকসি। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা প্রতারণার মামলায় চোকসির বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের আদালতে দু’টি জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০১৮ সালে সস্ত্রীক ভারত ছেড়েছিলেন চোকসি। গত সাত বছর ধরে পলাতক রয়েছেন এই ব্যবসায়ী। তাঁর মুম্বইয়ের একটি আবাসনের ফ্ল্যাটের দেখভালের জন্য বকেয়া রয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। মুম্বইয়ের মালাবার হিল এলাকায় ওই আবাসনে নবম, দশম এবং একাদশ তল মিলিয়ে তিনটি ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর নামে (Mehul Choksi)।

    জামিনের আবেদন খারিজ

    গত অগাস্টেই চোকসির জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় বেলজিয়ামের আদালত। কারণ ভারতের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি আদালতকে জানিয়েছিল, চোকসি একজন পাকা অপরাধী। জামিন পেলে অন্য কোনও দেশে পালিয়ে যেতে পারেন তিনি। প্রসঙ্গত, বেলজিয়ামের আগে মেহুল ধরা পড়েছিলেন ডমিনিকান রিপাবলিকে। সেখানে ভারতীয় সংস্থার বিরুদ্ধে অপহরণ করে তাঁকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। গুজরাটের এই হিরে ব্যবসায়ী এখনও অ্যান্টিগার নাগরিকত্ব নিয়ে রেখেছেন (Belgium Court)। জানা গিয়েছে, সিবিআই চোকসির বিরুদ্ধে প্রমাণ তুলে ধরতে তিনবার বেলজিয়ামে গিয়েছিল। আইনি সাহায্যের জন্য একটি ইউরোপীয় বেসরকারি আইন সংস্থাকে নিয়োগও করেছে। সংস্থাটি বেলজিয়ামের আদালতে চোকসির ভারতের অর্থনৈতিক অপরাধে জড়িত থাকার বিস্তারিত তথ্য ও তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া দু’টি খোলা গ্রেফতারি পরোয়ানার কপি জমা দেয়। এছাড়াও, সংস্থাটি আদালতকে জানায় যে অতীতে চোকসি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অ্যান্টিগুয়া থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন (Belgium Court)।

    প্রত্যর্পণ চাইছে ভারত

    চোকসিকে যাতে দেশের আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচার করা যায়, তাই তাঁর প্রত্যর্পণ চাইছে ভারত। এজন্য ভারত রাষ্ট্রসংঘের আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন সনদ (UNTOC) এবং রাষ্ট্রসংঘের দুর্নীতিবিরোধী সনদ (UNCAC)–সহ একাধিক আন্তর্জাতিক চুক্তির উল্লেখ করেছে। ভারত বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে, প্রত্যর্পণের পর চোকসিকে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলের ব্যারাক নম্বর ১২-তে রাখা হবে (Mehul Choksi)। সেখানে ইউরোপীয় মান অনুযায়ী পরিষ্কার জল, খাবার, সংবাদপত্র, টেলিভিশন এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব রাকেশ কুমার পাণ্ডে ৪ সেপ্টেম্বর বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষের (Belgium Court) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে লিখেছেন, “মহারাষ্ট্র সরকারের একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার নিশ্চিত করছে যে চোকসিকে আর্থার রোড জেল কমপ্লেক্সের ব্যারাক নম্বর ১২-তে রাখা হবে। এছাড়াও নিশ্চিত করা হচ্ছে যে তাঁকে এমন একটি সেলে রাখা হবে, যেখানে তিনি অন্তত তিন বর্গমিটার ব্যক্তিগত স্থান (আসবাবপত্র বাদে) পাবেন, তাঁর সম্ভাব্য আটক (বিচার-পূর্ব ও দণ্ড-পরবর্তী) সময়কাল জুড়ে, যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।” পাণ্ডের আশ্বাস, চোকসিকে একাকী সেলে রাখা হবে না। তাঁকে উচ্চমানের নিরাপত্তাও দেওয়া হবে। তাঁকে পরিষ্কার মোটা তুলোর গদি, বালিশ, চাদর এবং কম্বল দেওয়া হবে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে চোকসির সেল প্রতিদিন পরিষ্কার করা হবে এবং সেখানে নিয়মিত বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ করা হবে। খোলা আকাশের নীচে তিনি ব্যায়াম, বিশ্রাম, দাবা ও কেরমের মতো বোর্ড গেম এবং ব্যাডমিন্টন খেলার সুবিধা পাবেন।

    চোকসির আইনজীবীর বক্তব্য

    যদিও চোকসির আইনজীবী জানিয়েছেন, অ্যান্টওয়ার্প আদালতের ওই নির্দেশকে উচ্চতর আদালতে চ্যালেঞ্জ জানানো হবে। তাই আপাতত ওই ব্যবসায়ীকে (Mehul Choksi) ভারতে আনা সম্ভব নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ উচ্চ আদালতে চোকসির আইনজীবীরা প্রত্যর্পণ ঠেকানোর চেষ্টা করবেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা (Belgium Court)। সূত্রের খবর, চোকসির বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের আদালতে যে দুটি জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে, মেহুলকে প্রত্যর্পণের জন্য মূলত আদালতের এই পরোয়ানাকেই হাতিয়ার করা হবে।

  • Bangladesh: ত্রিপুরায় তিন মৃত বাংলাদেশি গরু পাচারে অভিযুক্ত, দাবি বিদেশ মন্ত্রকের

    Bangladesh: ত্রিপুরায় তিন মৃত বাংলাদেশি গরু পাচারে অভিযুক্ত, দাবি বিদেশ মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ত্রিপুরায় তিন বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (Ministry of External Affairs) বিবৃতি জারি করে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে গণপিটুনির দাবি সম্পূর্ণ ভাবে মিথ্যা। নিহত তিন বাংলাদেশি নাগরিক (Bangladesh) চোরাকারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিল। প্রথমে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধ ভাবে অনুপ্রবেশ করেছিল তারা এবং সেই সঙ্গে সীমান্তবর্তী গ্রামবাসীদের ওপরে হামলা চালিয়ে হিংসাত্মক কাজ করে। ফলে ইউনূস সরকারের মিথ্যা অভিযোগকে সম্পূর্ণভাবে আরও একবার প্রত্যাখান করায় মুখ পুড়ল বাংলাদেশেরই।

    গ্রাম থেকে গরু চুরি করার অপচেষ্টা করে

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র (Ministry of External Affairs) রণধীর জয়সওয়ালের সাফ কথা, ঘটনাটি গত ১৫ অক্টোবর ত্রিপুরায় ঘটেছিল। ভারতীয় সীমান্ত খোয়াই জেলার ৩ কিমি ভিতরে এই এলাকা। বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে তিনজন দুষ্কৃতীর একটি দল আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে ঢুকে পড়েছিল। এরপর বিদ্যাবিল গ্রাম থেকে গরু চুরি চেষ্টা করে তারা। সেই সঙ্গে তারা লোহার দা ছুরি দিয়ে আক্রমণ করে এবং একজন গ্রামবাসীকে কুপিয়ে খুন করে। এরপর গ্রামবাসীরাই চোরদের আক্রমণের জবাব দেয়। ঘটনাস্থলে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুই চোরকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। অপর আরেকজনকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরের দিন মৃত্যু হয়।

    প্রয়োজনীয় স্থানে বেড়া দিতে হবে

    নিহত তিন চোরাকারবারির মৃতদেহ শনাক্ত করার পর জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা বাংলাদেশের (Bangladesh) হবিগঞ্জের বাসিন্দা। তাদের পরিচয় জুয়াল মিয়া, সজল মিয়া এবং পণ্ডিত মিয়া। তিন জনের মৃতদেহ বাংলাদেশের প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে মৃতদেহ পাঠানোর সময় ভারতের বিএসএফ এবং বাংলাদেশের বিজেবি সহ পুলিশ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ইতিমধ্যে ত্রিপুরা সরকার এই বিষয়ে একটি মামলাও দায়ের করেছে। তবে বাংলাদেশের গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনাকে ঘিরে বিভ্রান্তি ছড়ালে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক কঠোর ভাবে নিন্দা জানায়। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (Ministry of External Affairs) ইতিমধ্যে দুই দেশের সীমান্তে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আবেদন করেছে। চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ রোধের জন্য প্রয়োজনীয় স্থানে বেড়া দেওয়ার বিষয়েও মত প্রকাশ করেছে। একই ভাবে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে উভয় সীমান্তে সতর্কতার বার্তাও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

LinkedIn
Share