Category: বিজ্ঞান

Get updated Science and Research related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Solar Storm: ধেয়ে আসছে সৌর ঝড়, ইন্টারনেট শূন্য হতে পারে বিশ্ব! আশঙ্কা নাসার

    Solar Storm: ধেয়ে আসছে সৌর ঝড়, ইন্টারনেট শূন্য হতে পারে বিশ্ব! আশঙ্কা নাসার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনকার প্রজন্ম ইন্টানেটের উপর নির্ভরশীল। আজকের দিনে ওয়ার্ক ফ্রম হোমেই দিন কাটছে বহু মানুষের। পড়াশোনা চলছে অনলাইনে। দূর-দূরান্ত থেকে ডাক্তাররা রোগী দেখছেন ইন্টারনেট পরিষেবার দ্বারা। এই আবহে সৌর ঝড়ের ফলে যদি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ইন্টারনেট পরিষেবা। তাহলে তো সমূহ বিপদ। সৌর ঝড়ের (Solar Storm) ফলে ফাটল ধরতে পারে পৃথিবীর আবরণের চৌম্বক ক্ষেত্রে, বেতারযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে, জিপিএস বিকল হতে পারে, বিঘ্নিত হতে পারে মোবাইল নেটওয়ার্ক, এমনকী ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে, অনুমান গবেষকদের। এই ঝড়ের কারণে সমুদ্রের তলা দিয়ে যেই অপটিক ফাইবার বিছানো রয়েছে তা অফলাইন হয়ে গিয়ে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    সৌর ঝড় কী ?

    সূর্যপৃষ্ঠ থেকে নানা ধরণের অগ্ন্যুৎপাত ও শক্তি নির্গত হয়। এই অগ্ন্যুৎপাত ও শক্তির সমন্বয়ে তৈরি হয় সৌর ঝড় (Solar Storm)। এর মধ্যে থাকে ফ্লেয়ার (Flares), প্রমিনেন্স (Prominence), সানস্পট (Sunspots) এবং করোনাল মাস ইজেকশন (Coronal Mass Ejections) বা সিএমই (CME)। এগুলির মধ্যে সঞ্চিত চৌম্বকশক্তি সূর্যের গরম গ্যাসকে সক্রিয় করে। কখনও কখনও সৌর ঝড় পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রর দিকে চলে আসে এবং ধাক্কা খায়। সেই সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঘর্ষণের ফলে আকাশে অদ্ভুত আলোর সৃষ্টি করে।

    সৌর ঝড় কী কী করতে পারে ?

    সৌর ঝড়ের (Solar Storm) মধ্যে অবস্থিত শক্তি নিজের একটি চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। যা পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করতে পারে। একটি সৌর ঝড় স্যাটেলাইট, টেলি-যোগাযোগ এবং নেভিগেশন সিস্টেমকে ব্যাহত করতে পারে। পাওয়ার গ্রিড ধংস করতে পারে, নির্দিষ্ট কোনও অঞ্চলে অন্ধকার বা ব্ল্যাকআউটের কারণ হতে পারে।

    নাসার সতর্কীকরণ

    কয়েক দিন ধরেই সূর্যে উথালপাথাল পরিস্থিতি। সৌর ঝড় নিয়ে আগেও সতর্ক করেছে নাসা। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সেই সতর্কবার্তা সত্যি করে পৃথিবীর গায়ে এসে লাগল সৌর ঝড়ের (Solar Storm) ধাক্কা। সৌর ঝড়ের ফলে সূর্যের মধ্যেকার আগুনে পদার্থ ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় চারদিকে। মহাকাশে সৌরজগতের অন্যত্রও সেই পদার্থের বিচ্ছুরণ ঘটে। প্রভাব পড়ে সূর্যের বিভিন্ন গ্রহ ও উপগ্রহের পারিপার্শ্বিকে। পৃথিবীর উপরেও সম্প্রতি সৌরঝড়ের প্রভাব পড়েছে। আমেরিকার ন্যাশনাল ওসানিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা নোয়ার তরফে জানানো হয়েছে, সৌর ঝড়ের ধাক্কায় পৃথিবীর চৌম্বকীয় তরঙ্গে ঝড় উঠেছে। রবিবার রাত থেকে এই ভূ-চৌম্বকীয় তুফান শুরু হয়েছে। যা চলবে সোমবার সারা দিন। এই ঝড়ের ফলে পৃথিবীর বুকে একাধিক দেশের আকাশে দেখা গিয়েছে অভিনব মেরুজ্যোতি।

    আরও পড়ুন: মাল্টিভিটামিনের অভাবে ভুগছেন প্রতি ১০ জন মহিলার ৭ জনই! কীভাবে রুখবেন?

    অভিনব মেরুজ্যোতি

    ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রবিবার রাতে আকাশে মেরুজ্যোতির ছটা লক্ষ্য করা গিয়েছে। মহাজাগতিক আলোয় ছেয়ে গিয়েছিল আকাশের একাংশ। দক্ষিণ ইউরোপ, এমনকী ফ্রান্স পর্যন্ত এই মেরুজ্যোতির ঝলক দেখা গিয়েছে। চিনের আকাশে উজ্জ্বল লাল রঙের মেরুপ্রভা দেখতে পেয়েছেন অনেকে। বার্লিনে রাতের আকাশে দেখা গিয়েছে গাঢ় সবুজ রঙের আলো। এমন দৃশ্য আগে কখনও দেখা যায়নি বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। একই দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে পোল্যান্ডও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Solar Eclipse 2023: বৃহস্পতিবার ‘হাইব্রিড’ সূর্যগ্রহণ! কোথা থেকে দেখা যাবে অতি-বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য?

    Solar Eclipse 2023: বৃহস্পতিবার ‘হাইব্রিড’ সূর্যগ্রহণ! কোথা থেকে দেখা যাবে অতি-বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, আগামী ২০ এপ্রিল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের (Solar Eclipse 2023) সময় এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হবে পৃথিবী, এমনটাই জানাল নাসা। সূর্যের সোনালি বৃত্ত চাঁদের ছায়াকে ছাপিয়ে দেখা যায় চারপাশ থেকে। মাঝখানে অন্ধকার আর চারপাশে সোনালি বলয়ের সূর্যকে দেখতে লাগবে খানিকটা সোনার আংটির মতো। নাসা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবারের সূর্যগ্রহণকে বলা হচ্ছে হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ (Solar Eclipse 2023)। তাই এই বিরল ঘটনা নিয়ে কৌতুহল তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে। নাসা সূত্রে খবর,  ভারতে এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবেনা।

    এই বিরল সূর্যগ্রহণের (Solar Eclipse 2023) নাম হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ কেন

    হাইব্রিড গ্রহণ হল একই সঙ্গে আংশিক, পূর্ণগ্রাস ও বলয়গ্রাস গ্রহণ। যদি তিন রকম গ্রহণ পরপর একই সঙ্গে ঘটে তাহলে তা হল হাইব্রিড বা মিশ্র। এটিকে বিরলতম মহাজাগতিক ঘটনা বলেন বিজ্ঞানীরা।
    পূর্ণগ্রাস: যখন সূর্য পুরোপুরি ঢাকা পড়ে যায় চাঁদের ছায়ায়, আমরা বলি পূর্ণগ্রাস। বিজ্ঞানের পরিভাষায়, ‘টোটাল সোলার একলিপ্স’। সূর্যের পূর্ণগ্রাস মেরেকেটে হতে পারে ৬ কি সাড়ে ৬ মিনিটের জন্য। খুব বেশি হলে যা হতেও পারে বড়জোর সাড়ে ৭ মিনিট।

    আংশিক গ্রহণ: কোথাও যদি সেটা পুরোপুরি হয়, তা হলে অন্য কোথাও হবে সূর্যের আংশিক গ্রহণ। যেখানে পৃথিবীর সামনে এসে চাঁদ পুরোপুরি ঢেকে দিতে পারে না সূর্যকে। বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে বলা হয়, ‘পার্শিয়াল সোলার একলিপ্স’।

    বলয়গ্রাস গ্রহণ: আরও এক ধরনের সূর্যগ্রহণ হয় যাকে বলে বলয়গ্রাস গ্রহণ। বিজ্ঞানের পরিভাষায় যার নাম ‘অ্যানুলার সোলার একলিপ্স’। কক্ষপথে প্রদক্ষিণের সময় চাঁদ যখন এমন একটা দূরত্বে চলে যায়, যাতে তার ছায়া সূর্যকে ঢেকে দিতে পারে না পুরোপুরি, তখনই হয় সূর্যের বলয়গ্রাস।

    মহাকাশ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই হাইব্রিড সূর্যগ্রহণে (Solar Eclipse 2023) সূর্যের আকৃতির থেকে চাঁদের ছায়া ছোট হয়। ফলে সূর্যকে পুরো আড়াল করতে পারেনা। তারফলে চারদিক দিয়ে সূর্যের ছটা বেরিয়ে আসে। তখন সূর্যকে দেখতে অনেকটা সোনার আংটির মত দেখায়। নাসার মতে, এই ধরনের সূর্যগ্রহণের ঘটনা মাত্র ৩.১ শতাংশ ঘটে। এই শতাব্দীর মোট ২২৪ টি সূর্যগ্রহণের মধ্যে ৭টি মাত্র এই জাতীয় হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ। নাসা আরও জানাচ্ছে, এই ধরনের গ্রহণ প্রতি ১০ বছরে একবার হয়। এই হাইব্রিড গ্রহণ আংশিক থেকে পূর্ণগ্রাসের দিকে যায়। চাঁদের থেকে সূর্যের দূরত্ব যত কম তত গ্রহণ পূর্ণগ্রাসের দিকে যায়।

    কোথা থেকে এই বিরল দৃশ্য দেখা যাবে

    নাসা জানিয়েছে, ভারত থেকে এই বিরল দৃশ্য দেখার কোনও আশা নেই। কারণ হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ (Solar Eclipse 2023) দেখা যাবে শুধু মাত্র অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম উপকূলের এক্সমাউথ থেকে। এছাড়া ইস্ট ইন্ডিজ, ফিলিপিন্স এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে মোট চারটি গ্রহণ হবে। দুটি চন্দ্রগ্রহণ এবং দুটি সূর্যগ্রর্যহণ (Solar Eclipse 2023)। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই গ্রহণগুলো দেখা যাবে। বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ হবে ১৪ অক্টোবরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Carbon Capture: বায়ু থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে বেকিং সোডা! যুগান্তকারী গবেষণা বাঙালি বিজ্ঞানীর

    Carbon Capture: বায়ু থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে বেকিং সোডা! যুগান্তকারী গবেষণা বাঙালি বিজ্ঞানীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি কার্বন শোষণ (Carbon Capture) করে তা সমুদ্রে সংরক্ষণ করার নতুন পদ্ধতি আবিস্কার করলেন বিজ্ঞানীরা। এই নয়া পদ্ধতিতে প্রথমে কার্বন সংগ্রহ করা হবে বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে পরে তা পরিবর্তিত করা হবে বেকিং সোডাতে। সাধারণভাবে বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি কার্বন সংগ্রহ(Carbon Capture) করার পদ্ধতি খুবই ব্যয়সাপেক্ষ। কিন্তু নতুন এই গবেষণা, খরচ অনেকটাই কম করবে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। গবেষকরা বলছেন, কার্বন সংরক্ষণের (Carbon Capture) এটা অনেক সহজ পদ্ধতি।

    বিজ্ঞানীরা বলছেন, বায়ুমণ্ডল থেকে সংগৃহীত কার্বন সংরক্ষণ (Carbon Capture) করার অসীম ক্ষেত্র হল সমুদ্র। আঠা এবং কিছু রাসায়নিক যৌগের সাহায্যে কার্বনকে বেকিং সোডায় পরিবর্তিত করা হবে, তারপর তা সমুদ্রের জলে মেশানো হবে। গবেষকদের দাবি, বেকিং সোডা সমুদ্রের জলে মেশালে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়না।

    আরও পড়ুন: আজ জাতীয় বিজ্ঞান দিবস, জানেন এই দিনের তাৎপর্য?

    কী বলছেন এই পদ্ধতির আবিষ্কারক বাঙালি বিজ্ঞানী অরুপ সেনগুপ্ত

    এই গবেষণার তত্ত্বাবধান করছেন বাঙালি বিজ্ঞানী অরুপ সেনগুপ্ত। তিনি বর্তমানে বেথলেহেমের লিহাই বিশ্ববিদ্যালেয় অধ্যাপক। তাঁর মতে, নতুন এই পদ্ধতি পূর্বের চেয়ে তিনগুণ দ্রুত কাজ করবে এবং তা খরচ সাশ্রয়ীও বটে। তাঁর মতে, এই নয়া পদ্ধতিতে অনেক বেশি পরিমাণ কার্বনকে কম ঘনত্বের উপাদানের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা যাবে। তিনি আরও বলেন পুরনো পদ্ধতিতে কার্বনকে সংরক্ষণ (Carbon Capture) করা হত মাটির নীচে। নতুন পদ্ধতিতে কার্বনকে বাইকার্বনেটে (বেকিং সোডা) রুপান্তরিত করে তা সমুদ্রের জলে সংরক্ষণ করা যাবে।

    বাঙালি বিজ্ঞানীর পরিকল্পনা

    বিজ্ঞানী অরুপ সেনগুপ্তের পরিকল্পনা রয়েছে একটি প্রযুক্তি সংস্থা তৈরি করার এবং তা কাজ করবে কার্বন সংরক্ষণের (Carbon Capture) ওপর। বাঙালি বিজ্ঞানী বলছেন, এরমাধ্যমে বায়ুমণ্ডল থেকে খুব তাড়াতাড়ি ১০০টন কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ কের নেওয়া সম্ভব হবে।

    প্রসঙ্গত, কার্বন ডাই অক্সাইডের বৃদ্ধির ফলে বাড়ছে গ্লোবাল ওয়ার্মিং। মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • National Science Day: আজ জাতীয় বিজ্ঞান দিবস, জানেন এই দিনের তাৎপর্য?

    National Science Day: আজ জাতীয় বিজ্ঞান দিবস, জানেন এই দিনের তাৎপর্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি। ফি বছর এই দিনটিকে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস (National Science Day) হিসেবে পালন করা হয়। নোবেল জয়ী ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন (C V Raman) এই দিনেই তাঁর জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার রামন এফেক্ট আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তাছাড়াও দেশের অগ্রগতির নেপথ্যে বিজ্ঞানীদের (Sciencetist) ভূমিকার কথা মাথায় রেখে ফি বছর মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয় জাতীয় বিজ্ঞান দিবস।

    জাতীয় বিজ্ঞান দিবস (National Science Day)…

    ভারত মাতা যেসব তারকা বিজ্ঞানীর জন্ম দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একজন হলেন স্যর চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন। বিশ্বখ্যাত এই পদার্থ বিজ্ঞানীকে সবাই চেনেন সিভি রামন নামে। ১৯২৮ সালে তিনি আবিষ্কার করেন রামন এফেক্ট। তাঁর নামেই হয় নামকরণ। যুগান্তকারী এই আবিষ্কারের কারণে ১৯৩০ সালে পদার্থ বিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পান তিনি। মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্ত প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ১৯৯৭ সালে স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ হন রামন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন তিনি। ১৯৩০ পান নোবেল পুরস্কার। ১৯৩৩ সালে বেঙ্গালুরুতে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স তৈরি করেন। সেখানকার পদার্থবিদ্যা বিভাগের প্রধানের দায়িত্বও পালন করেন রামন। ১৯৪৭ সালে হন রামন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর।

    আরও পড়ুুন: ক্রমশই পরিবর্তিত হচ্ছে শুক্র গ্রহের পৃষ্ঠতল! পৃথিবীর ওপর এর কী প্রভাব? জানুন বিস্তারিত

    প্রথমবার জাতীয় বিজ্ঞান দিবস (National Science Day) পালিত হয় ১৯৮৭ সালে। এই দিনটি পালনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল রামন এফেক্ট আবিষ্কারের দিনটিকেই। প্রশ্ন হল, রামন এফেক্ট কী? ফোটন কণার অস্থিতিস্থাপক বিকিরণকে বলা হয় রামন এফেক্ট। অন্যভাবে বলা যায়, আলো যখন কোনও স্বচ্ছ পদার্থের মধ্যে দিয়ে যায়, তখন তার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য পরিবর্তনের ব্যাখ্যা দেয় এই রামন এফেক্ট। ১৯২৮ সালে রামন ও তাঁর এক ছাত্র কেএস কৃষ্ণণ তরল পদার্থে রামন এফেক্ট আবিষ্কার করেন। কলকাতার ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্সে এই আবিষ্কারটি করেছিলেন রামন।

    প্রসঙ্গত, ১৯২১ সালে জাহাজে চেপে ইউরোপে যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরের জলে নীল আলোর বিচ্ছুরণ দেখে রামন এফেক্টের ভাবনা মাথায় আসে তাঁর। পরে ল্যাবরেটরিতে বসে মার্কারি ল্যাম্প ও বরফের টুকরো দিয়ে পরীক্ষা করেন তিনি। সেই পরীক্ষারই ফল প্রকাশিত হয় ১৯২৮ সালে (National Science Day)। নোবেল পুরস্কার আসে তারও দু বছর পর। চলতি বছর জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের থিম হল গ্লোবাল সায়েন্স ফর গ্লোবাল ওয়েলবিয়িং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Venus: ক্রমশই পরিবর্তিত হচ্ছে শুক্র গ্রহের পৃষ্ঠতল! পৃথিবীর ওপর এর কী প্রভাব? জানুন বিস্তারিত

    Venus: ক্রমশই পরিবর্তিত হচ্ছে শুক্র গ্রহের পৃষ্ঠতল! পৃথিবীর ওপর এর কী প্রভাব? জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ বিজ্ঞানীদের কাছে নতুনভাবে গবেষণার বিষয় হয়ে উঠেছে শুক্রগ্রহ (Venus)। রাতের আকাশে আমরা যাকে শুকতারা বলে চিনি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, শুক্রগ্রহ (Venus) ক্রমশই কাছে আসছে পৃথিবী এবং চাঁদের। এই গ্রহের আরও বেশি রহস্য আগামীতে উন্মোচন হতে চলেছে বলেই ধারণা গবেষকদের। পৃথিবীর মতোই পাথুরে এই গ্রহ। অনেকে তাই একে পৃথিবীর যমজ গ্রহ বলেন। শুক্রগ্রহের (Venus) পৃষ্ঠের অনেককিছুই পরিবর্তিত হচ্ছে বলছেন গবেষকরা। ১৯৯০ সাল থেকই ভালোভাবে চলছে শুক্রগ্রহের (Venus) উপর গবেষণার কাজ। ম্যাগেলান মহাকাশযানের মাধ্যমে তখন থেকেই জানার চেষ্টা চলছে এই গ্রহের তাপ প্রবাহ ঠিক কেমন! জীবের বেড়ে ওঠার পক্ষে তা অনুকূল কিনা! পৃথিবী এবং শুক্রগ্রহ অনেকটাই একরকমের। গবেষকার তাই অনুসন্ধান চালাচ্ছেন যে পৃথিবী যে পদ্ধতিতে তাপ বিকিরণ করে শুক্রগ্রহের তাপ বিকিরণের পদ্ধতিটা ঠিক কেমন!

    কী বলছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা

    জনৈক মহাকাশ বিজ্ঞানীর কথায়, এতদিন অবধি আমাদের ধারণা ছিল শুক্রের (Venus) লিথোস্ফিয়ার খুব পুরু। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে আমাদের আরও বেশি গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে পৃথিবীর এই যমজ গ্রহ সম্পর্কে। কারণ যত বেশি এই গ্রহের রহস্য উন্মোচিত হচ্ছে ততই আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাচ্ছে।

    পৃথিবীর কেন্দ্র অত্যন্ত উত্তপ্ত। এই তাপ লিথোস্ফিয়ার পর্যন্ত আসে এবং তারপর বিকিরিত হয়। শুক্রগ্রহের (Venus) ক্ষেত্রে তাপের বিকিরণ কীভাবে হয় সেটাই এখন জানা চেষ্টা করছেন গবেষকরা।

    গবেষকরা বলছেন, শুক্রগ্রহ (Venus) আমাদের জানার সুযোগ করে দিয়েছে যে ঠিক ২৫০ কোটি বছর আগে পৃথিবী ঠিক কেমন ছিল। 

    প্রসঙ্গত বিশ্বের অনেক দেশই এখন কৌতুহলী হয়ে উঠেছে পৃথিবীর এই যমজ গ্রহের হালচাল জানতে। পিছিয়ে নেই আমাদের দেশও, সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, শুক্র গ্রহের রহস্য উন্মোচন করতে নেওয়া হবে বেশ কতকগুলি মিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Earth: কেন্দ্রে ৬৪০ কিমি প্রশস্ত কঠিন লৌহ-গোলক! চার নয়, পৃথিবী পাঁচ স্তরের, দাবি বিজ্ঞানীদের

    Earth: কেন্দ্রে ৬৪০ কিমি প্রশস্ত কঠিন লৌহ-গোলক! চার নয়, পৃথিবী পাঁচ স্তরের, দাবি বিজ্ঞানীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু মহাকাশ বিজ্ঞান নয়, মাটির অভ্যন্তরে অনবরত কী ঘটে চলেছে তা নিয়েও নিরন্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবীর (Earth) কেন্দ্রক অবধি পৌঁছাতে ভূত্বক থেকে যেতে হবে ম্যান্টেল অঞ্চলে এবং তার অভ্যন্তরে পড়বে পৃথিবীর (Earth) কেন্দ্রক। সেটিও আবার দুটি ভাগে বিভক্ত। ভূগোল বইতে এমনটাই পড়েছি আমরা এতদিন। এমনকি গবেষণার ক্ষেত্রেও এতদিন ধরে নেওয়া হত, পৃথিবীর বাইরের অংশটি কঠিন এবং কেন্দ্রে আবর্তন করে চলেছে গলিত-উত্তপ্ত লৌহ আয়ন। তবে চিরাচরিত এই ধারণা এবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল।

     অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির রিসার্চ স্কুল অফ আর্থ সায়েন্সেসের গবেষকরা বলছেন পৃথিবীর (Earth) কেন্দ্রে আছে একটি কঠিন লৌহগোলক

    সম্প্রতি, ক্যানবেরার অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির রিসার্চ স্কুল অফ আর্থ সায়েন্সেসের গবেষকরা দাবি করেছেন, পৃথিবীর (Earth) গলিত কেন্দ্রকের মধ্যেই নাকি ভেসে বেড়াচ্ছে প্রকাণ্ড একটি কঠিন লৌহগোলক (Iron Ball)।  নেচার কমিউনিকেশন সায়েন্স পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এই বিশেষ গবেষণাপত্রটি।  এই গবেষণার ফলাফল সত্যি হলে, চারটির বদলে পাঁচটি স্তর রয়েছে পৃথিবীতে। অথচ, ভূতাত্ত্বিক গণনার ক্ষেত্রে এতদিন গাণিতিক দিক থেকে ৪টি স্তরই ধরে এসেছি আমরা। কাজেই এই গবেষণা বদলে দিতে পারে গোটা ভূ-বিদ্যাকে।

    কীভাবে আবিষ্কৃত হল পৃথিবীর (Earth) কেন্দ্রে লুকিয়ে থাকা এই কঠিন স্তরটি

    সিসমিক তরঙ্গ বা ভূমিকম্পন নিয়েই গবেষণা করছিলেন ক্যানবেরার গবেষকরা। সে-সময় তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েই তাঁদের চোখে পড়ে এক আশ্চর্য ঘটনা। সাধারণত, ভূমিকম্পের তরঙ্গ বা সিসমিক তরঙ্গ পৃথিবীর অভ্যন্তরের বিভিন্ন স্তরের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময়, তার গতিবেগ পরিবর্তন করে। অনেকটা শব্দের মতোই। যেমন গ্যাসীয় পদার্থের থেকে তরলে শব্দের গতি বেশি, কঠিন পদার্থে তার চেয়েও বেশি— তেমনই পৃথিবীর ঘনত্বের ওপর নির্ভর করেই সিসমিক তরঙ্গের গতি বৃদ্ধি বা হ্রাস পায় পৃথিবীর অভ্যন্তরে। ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করতে গিয়ে, এই একই ঘটনা লক্ষ করেছিলেন ক্যানবেরার গবেষকরা। পৃথিবীর (Earth) কেন্দ্রকের অর্থাৎ ‘কোর’-এর একটি বিশেষ অঞ্চলে সিসমিক তরঙ্গের গতিবেগ বেড়ে যায় হঠাৎ করেই। অর্থাৎ, গলিত কেন্দ্রকের তুলনায় তার ঘনত্ব অনেকটাই বেশি। সম্ভবত সেটি কঠিন গোলক।

    কঠিন লৌহ গোলকটি ৬৪৪ কিমি প্রশস্ত

    ৬৪৪ কিলোমিটার বা ৪০০ মাইল ব্যাসের এই গোলকটি নির্মিত মূলত লোহা দিয়েই। তাছাড়াও তার বাইরের অংশে স্বল্পমাত্রায় রয়েছে নিকেল ও অন্যান্য ধাতু। এমনটাই অনুমান গবেষকদের। যদিও এই মডেল নিয়ে আরও পরীক্ষানিরীক্ষা করার বিস্তর প্রয়োজন আছে বলেই মনে করছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

  • Jupiter: শনিকে টপকে সবথেকে বেশি উপগ্রহের মালিক এখন বৃহস্পতি

    Jupiter: শনিকে টপকে সবথেকে বেশি উপগ্রহের মালিক এখন বৃহস্পতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি (Jupiter)। এবার এই গ্রহের কক্ষপথে আরও ১২টি উপগ্রহের সন্ধান পাওয়া গেল। সম্প্রতি সেগুলির সন্ধান পেয়েছেন আমেরিকার জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর শনির রেকর্ড ভেঙে দিল বৃহস্পতি (Jupiter)। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, বৃহস্পতিকে(Jupiter) কেন্দ্র করে এর কক্ষপথে ওই ১২টি উপগ্রহ ঘুরছে। এখন মোট ৯২টি উপগ্রহ হল বৃহস্পতির। অন্য দিকে, শনির কক্ষপথে ঘুরছে ৮৩টি উপগ্রহ। ফলে এত দিন উপগ্রহের সংখ্যার নিরিখে শনিই শীর্ষে ছিল। তবে এখন সৌরজগতে সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে বৃহস্পতির (Jupiter)।

    আরও পড়ুন: মহাকাশ গবেষণায় নয়া দিশা! ৮৮০ কোটি বছর পুরনো রেডিও-সংকেত ধরলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা

    কোন সংস্থা এই আবিষ্কার করল

    জানা গিয়েছে, ওয়াশিংটনের ‘কার্নেগি ইনস্টিটিউশন ফর সায়েন্স’-এর জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্কট শেপার্ডের নেতৃত্বে পর্যবেক্ষণ দল বৃহস্পতির কক্ষপথে ওই ১২টি উপগ্রহ খুঁজে পেয়েছেন। আমেরিকার ‘মাইনর প্ল্যানেট সেন্টার’ সম্প্রতি এই সম্পর্কে সবিস্তার তথ্যসম্বলিত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। ওই রিপোর্টে তারা বলছে, বৃহস্পতির (Jupiter) ওই উপগ্রহগুলি আকারে নাকি অনেকটাই ক্ষুদ্র। 

    আরও পড়ুন: উল্টোদিকে ঘুরতে শুরু করেছে পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল! এর প্রভাব কী হতে পারে?

    জোভিয়ান জগত কী জানেন

    বৃহস্পতি (Jupiter), শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুন— এই চারটি গ্রহমিলিত ভাবে জোভিয়ান জগৎ বলে পরিচিত। এখানে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা এবং গবেষণার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে নাসা। চলছে অভিযানের প্রস্তুতিও। তার বছরখানেক আগে এই ১২টি

    আরও পড়ুন: একযোগে বিশ্বের ৮টি দেশ মিলে তৈরি করছে সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ, জানুন বিস্তারিত

    উপগ্রহের সন্ধান পাওয়াকে বড় সাফল্য মনে করছে নাসা। সবথেকে বড় কথা, এই উপগ্রহগুলি মানুষের বসবাসের উপযুক্ত কি না, তা-ও খতিয়ে দেখবে ইউরোপা ক্লিপার মিশন হিসাবে পরিচিত নাসার ওই অভিযান।

    আরও পড়ুন: এবার পৃথিবীর সমস্ত জলাশয় সম্পর্কে তথ্য দেবে নাসার এই বিশেষ স্যাটেলাইট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Earths Inner Core: উল্টোদিকে ঘুরতে শুরু করেছে পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল! এর প্রভাব কী হতে পারে?

    Earths Inner Core: উল্টোদিকে ঘুরতে শুরু করেছে পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল! এর প্রভাব কী হতে পারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঞ্চল্যকর দাবি বিজ্ঞানীদের! পৃথিবীর কেন্দ্রে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ঘূর্ণন। ভূ-বিজ্ঞানীরা বলছেন, দিক পরিবর্তন করে এবার বিপরীত দিকে হতে পারে ঘূর্ণন! এই ঘটনা নাকি তারই ইঙ্গিত! বিজ্ঞানীরা বলছেন দিক পরিবর্তনের সময়েই পৃথিবীরের অভ্যন্তরীণ কোরের ঘূর্ণন (Earths Inner Core) বন্ধ হয়। 

    এটা নতুন নয়, এমন ঘটনা ঘটেছিল ২০০৯ সালেও

    বিজ্ঞানীরা বলছেন, ২০০৯ সালেও হয়েছিল এমন ঘটনা। তখন পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কোরের ঘূর্ণন (Earths Inner Core) থেমে গিয়েছিল। পরে তা বিপরীত দিকে ঘুরে যায়। ১৪ বছর পর আবারও সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পৃথিবীর ভূগর্ভে কী চলছে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণের সময়ই আমরা তা  অনুভব করতে পারি।

    নতুন গবেষণা কী বলছে

    সম্প্রতি একটি নতুন গবেষণায় জানা গিয়েছে, পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কোরটি ঘূর্ণন (Earths Inner Core) বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু তাই নয় বিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী বিপরীত দিকে হতে চলেছে ঘূর্ণন অভিমুখ। বিজ্ঞানীদের মতে অভ্যন্তরীণ কোরটি পৃথিবী পৃষ্ঠের সাপেক্ষে সামনে বা পিছনে ঠিক দোলনের মতো ঘুরতে থাকে। দোলনের একটি চক্রের সময় প্রায় ৭০ বছর। অর্থাৎ ৩৫ বছরে দিক পরিবর্তন করার কথা এই দোলনের। এটি পূর্বে ১৯৭০-এর দশকের গোড়ার দিকে পরিবর্তিত হয়েছিল, গাণিতিক হিসাবে পরবর্তী ২০৪০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে দিক পরিবর্তন করার কথা এটির। ১৯৩৬ সালে পৃথিবীর আভ্যন্তরীণ কোর নিয়ে অনেক তথ্যই পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। গবেষকরা ভূমিকম্প থেকে উৎপন্ন তরঙ্গ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময়ই তা জানতে পেরেছিলেন। গবেষকদের মতে ভূমিকম্পের তরঙ্গ সমগ্র পৃথিবী জুড়ে ভ্রমণ করে। চিনের পিকিং ইউনিভার্সিটির একটি দল ১৯৯৫ এবং ২০২১ সালের মধ্যে বেশিরভাগ ভূমিকম্প বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁদের বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ২০০৯ সালের কাছাকাছি কোনও এক সময় কোরটি ঘূর্ণন বন্ধ করে দেয় এবং ঘূর্ণনের (Earths Inner Core) দিক পরিবর্তন করে। গবেষকরা বলছেন, পৃথিবীর কেন্দ্রের ঘূর্ণন দিনের দৈর্ঘ্যের পরিবর্তনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং এই ঘূর্ণন পৃথিবীকে তার অক্ষের উপর ঘুরতেও সাহায্য করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Atmospheric Carbon: হাতি কমে যাওয়ার প্রভাব পড়বে জলবায়ুর ওপরও!

    Atmospheric Carbon: হাতি কমে যাওয়ার প্রভাব পড়বে জলবায়ুর ওপরও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনসংখ্যা বৃদ্ধির জেরে ক্রমেই কমছে জঙ্গলের (Forest) আয়তন। বসতি স্থাপন করতে গিয়ে মানুষ কেড়ে নিচ্ছে না-মানুষের বসত। এসব আমাদের জানা ছিল। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেল আরও ভয়ঙ্কর তথ্য। জানা গেল, জঙ্গল সৃষ্টিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে হাতি (Elephant)। কেবল তাই নয়, আফ্রিকার (Atmospheric Carbon) জঙ্গলের জীব বৈচিত্র্য রক্ষা করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গজকুল।

    হাতির বংশ…

    মানুষের লোভের জেরে ইতিমধ্যেই বিলুপ্ত হতে বসেছে হাতির বংশ। তার ছাপ পড়েছে আফ্রিকার জঙ্গলে। এক সময় আফ্রিকার জঙ্গলে বাস করত হাজার হাজার হাতি। পরে সভ্য মানুষ হাতির দাঁতের লোভে নির্বিচারে হত্যা করতে শুরু করে হস্তিকুলকে। যার জেরে ওই জঙ্গলের হাতির সংখ্যা কমতে কমতে ক্রমেই বিলুপ্তির পথে চলে গিয়েছে। যার প্রভাব পড়ছে জঙ্গলে। এই আফ্রিকায়ই রয়েছে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম রেইন ফরেস্ট। এতদিন এই জঙ্গল পরিবেশ থেকে কার্বন (Atmospheric Carbon) শুষে নিত। এখনও নিচ্ছে। তবে হস্তিকুল কমে যাওয়ায় জঙ্গলেরও কার্বন শুষে নেওয়ার ক্ষমতা কমে যেতে পারে ৬ থেকে ৯ শতাংশ। সেন্ট লুইস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞাণের অধ্যাপক তথা প্রবীণ লেখক স্টিফেন ব্লেক হাতি নিয়ে দীর্ঘ সময় গবেষণা করেছেন। সম্প্রতি একটি গবেষণা পত্রে ব্লেক এবং তাঁর সহযোগীরা দেখিয়েছেন, আফ্রিকার রেইন ফরেস্টে কীভাবে কার্বন ধরে রাখার কাজ করে হাতির পাল।

    আরও পড়ুুন: মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্রের জের, কংগ্রেস ছাড়লেন এ কে অ্যান্টনির ছেলে

    ব্লেক বলেন, মানুষ নির্বিচারে হস্তিনিধন করে চলেছে। ফলশ্রুতি হিসেবে ভয়ঙ্কর সমস্যায় আফ্রিকার জঙ্গল। হাতি হত্যা বন্ধ করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, অথচ হাতি জঙ্গলে জীব বৈচিত্র বজায় রাখে। তাই হস্তিকুলের বিনাশ হলে ধ্বংস হয়ে যাবে জঙ্গলও। আমরা যদি জঙ্গলের হাতিকে হত্যা করে চলি, তাহলে তার প্রভাব পড়বে তামাম বিশ্বের (Atmospheric Carbon) জলবায়ুর ওপর। ব্লেক বলেন, আমাদের এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে যে হাতি বাঁচাতে না পারলে আমরা পরোক্ষে দায়ী হব জলবায়ু পরিবর্তনের জন্যও। তিনি বলেন, একে সিরিয়াসলি নিতে হবে। বাঁচাতে হবে হস্তিকুলকে। জঙ্গলের হাতির ভূমিকাকে কোনওভাবেই অবহেলা করা যাবে না।

    ব্লেক বলেন, হাতিরা বিভিন্ন গাছ থেকে পাতা খায়, ডাল ভাঙে, চারা গাছ উপড়ে ফেলে দেয়। তিনি বলেন, দেখা গিয়েছে, হাতিরা যেসব গাছ ধ্বংস করে সেগুলি লো-কার্বন ডেনসিটির গাছ। জঙ্গলে যদি শুধুই হাই-কার্বন ডেনসিটির গাছ থাকে, তাহলে পরিবেশের উপকার হয়। তিনি বলেন, হাতিরা হল জঙ্গলের মালি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Astronomy: মহাকাশ গবেষণায় নয়া দিশা! ৮৮০ কোটি বছর পুরনো রেডিও-সংকেত ধরলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা

    Astronomy: মহাকাশ গবেষণায় নয়া দিশা! ৮৮০ কোটি বছর পুরনো রেডিও-সংকেত ধরলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৮৮০ কোটি বছর আগে উদ্ভূত হওয়া এক রেডিও সিগন্যাল ধরা পড়ল ভারতীয় টেলিস্কোপে। বিজ্ঞানীরা বলছেন এই রেডিও সিগন্যাল যখন তৈরি হয় তখন আমাদের মহাবিশ্বের (Astronomy) বয়স মাত্র ৪৯০ কোটি বছর। অর্থাৎ মহাবিশ্ব তখন অনেকটাই নবীন এখনকার তুলনায়। ঠিক সেই সময়কার মহাবিশ্বের ছায়াপথ থেকে এসেছে এই রেডিও সংকেতটি। বিজ্ঞানীরা বলছেন এই রেডিও সংকেতগুলি পারমাণবিক হাইড্রোজেন থেকে সৃষ্টি হয়েছে। নক্ষত্রমণ্ডলগুলি কীভাবে সৃষ্ট হয়েছিল সে সম্পর্কে অনেক তথ্যই পাওয়া যায় এই জাতীয় সংকেতগুলি থেকে। মহাকাশ গবেষকরা বলছেন, এই সংকেতটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে সেই সমস্ত তথ্য,যে কীভাবে নক্ষত্রমণ্ডল (Astronomy) তৈরি হয়েছিল। অতি প্রাচীন বললেও ভুল হবে, তার চেয়েও যদি কিছু বেশি প্রাচীন থাকে তাহলে সেই রকমই এই রেডিও সংকেতটিকে ধরল পুনের জায়ান্ট মেট্রিওয়েভ রেডিও টেলিস্কোপ (GMRT).

    নক্ষত্রের গঠন জানা যায় এই সংকেতগুলি থেকে

    বেঙ্গালুরুতে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এবং কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা (Astronomy) সম্প্রতি দূরবর্তী ছায়াপথ থেকে তৈরি এই সংকেতকে সনাক্ত করতে জিএমআরটি-র থেকে ডেটা ব্যবহার করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। বেঙ্গালুরুর আইআইএসসি জানাচ্ছে যে এই রেডিও সংকেতের বিশেষত্ব হল যে এটি অনেক দূরবর্তী এবং প্রাচীন।
    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন পারমাণবিক হাইড্রোজেন নক্ষত্রমণ্ডল গঠনের সময় জ্বালানি হিসেবে কাজ করে এবং চারপাশের মাধ্যম থেকে আয়নিত গ্যাস যখন ওই ছায়াপথগুলিতে এসে পড়ে তখন এই পারমানবিক হাইড্রোজেন শীতল হয়ে যায় যা পরে আণবিক হাইড্রোজেনের রূপান্তরিত হয় এবং অবশেষে গঠিত হয় একটি নক্ষত্র। এই পারমাণবিক হাইড্রোজেন ২১ সেন্টিমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের রেডিও সংকেত পাঠায়। কম তরঙ্গের রেডিও টেলিস্কোপ ব্যবহার করে সহজেই শনাক্ত করা যায় এই জাতীয় তরঙ্গ গুলিকে। কিন্তু দূরবর্তী ছায়াপথগুলি থেকে যে রেডিও সংকেতগুলি আসে সেগুলি সাধারণত অত্যন্ত দুর্বল হয় এবং তাদের সনাক্ত করা বা বর্তমান টেলিস্কোপ ব্যবহার করে সেই ছায়াপথগুলি কিভাবে গঠিত হয়েছে সেটা জানা এক কথায় অসম্ভব হয়ে পড়ে ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share