Category: বিজ্ঞান

Get updated Science and Research related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Climate Change in Mars: শুধু পৃথিবীই নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার মঙ্গলও

    Climate Change in Mars: শুধু পৃথিবীই নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার মঙ্গলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাল গ্রহেও এক সময় প্রাণের অস্তিত্ব ছিল। সম্প্রতি একথা নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞানীরা। এই বিষয়ে গবেষণারত ফরাসী বিজ্ঞানীদের এক দল জানিয়েছে, বহু বছর আগে মঙ্গল (Mars) গ্রহে (Climate Change in Mars) পৃথিবীর মতো পরিবেশ ছিল। মাইক্রোস্কোপিক জীব বেঁচে থাকতে পারত সেই পরিবেশে। তবে এই ছোট জীবগুলির সেই গ্রহের জন্যে ক্ষতিকারক হয়ে পড়ে বলেও জানান বিজ্ঞানীরা।  

    ফরাসি বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, এই জীবাণুগুলি মঙ্গল গ্রহে বরফ যুগের সূচনা করেছিল। যার ফলে গ্রহের (Climate Change in Mars) বায়ুমণ্ডলে একটি বড় পরিবর্তন হয়। এই পরিবর্তনের কিছু চিহ্ন এখনও মঙ্গলে রয়ে গিয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, জলবায়ুর পরিবর্তন গ্রহকে এতটাই প্রভাবিত করেছিল যে, লক্ষাধিক বছর পরেও এই গ্রহের মাটি অনুর্বর থেকে গিয়েছে।  

    গবেষকরা জানিয়েছেন, ৪০০ কোটি বছর আগে মঙ্গল গ্রহে জল ছিল। আজকের তুলনায় সেই সময় মঙ্গলে প্রাণের বিকাশ ঘটার সম্ভাবনা অনেক বেশি ছিল। গ্রহের (Climate Change in Mars) মাটিতে অনুর আকারে যে জীব ছিল, সেগুলি অনেক বেশি মাত্রায় মিথেন তৈরি করত। আগের মঙ্গল গ্রহে আর্দ্র, উষ্ণ জলবায়ু ছিল। পরে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা বাড়তে থাকে। তাপমাত্রার পরিবর্তন হতে শুরু করলে ধীরে ধীরে জীবের মৃত্যু হয়। 

    আরও পড়ুন: কীভাবে পোকামাকড় গাছের ক্ষতি করে?

    এই গবেষণার মুখ্য গবেষক বরিস সাওটেরে বলেন, “মাইক্রোস্কোপিক জীবগুলি নিজেরাই নিজেদের ধ্বংসের কারণ হয়েছে।” গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে মঙ্গলে (Climate Change in Mars) বরফের স্তরও প্রাণের সঞ্চার না ঘটার অন্যতম বড় কারণ।  

    আরও পড়ুন: চাঁদে প্রথম সোডিয়ামের সন্ধান পেল চন্দ্রযান ২ 

    তবে মঙ্গলের বেশ কিছু অংশে এখনও বিজ্ঞানীরা পৌঁছতে পারেননি। বিশেষত মঙ্গলের (Climate Change in Mars) উত্তর পশ্চিম প্রান্ত এখনও বিজ্ঞানীদের অজানা। তবে নাসার রোভার মঙ্গলের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাথর ও মাটি সংগ্রহের কাজ করছে। আশা করা যাচ্ছে যে, এই লাল গ্রহ সম্পর্কে আরও অনেক অজানা তথ্য জানতে পারবে মানুষ।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Insects harming plants : কীভাবে পোকামাকড় গাছের ক্ষতি করে?

    Insects harming plants : কীভাবে পোকামাকড় গাছের ক্ষতি করে?

    মাধ্যমে নিউজ ডেস্ক: বর্তমান শতাব্দীতে কীট-পতঙ্গের সংখ্যা ক্রমশ কমেই চলেছে, কিছু কিছু কীটপতঙ্গ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে এবং কিছু কিছু কীটপতঙ্গ বিলুপ্তির পথে। তবুও বহু কীটপতঙ্গ কৃষি ফসলসহ বহু উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকারক। এবং ফলনের প্রভুত ক্ষতিসাধন করে চলেছে। এরফলস্বরূপ প্রতিবছর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় কৃষকদের। উদ্ভিদজগতের ক্ষতির নিরিখে আধুনিক তৃণভোজী কীটপতঙ্গ এবং ৬.৭ কোটি বছর আগে ক্রিটেশাস যুগের উদ্ভিদ ও তৃণভোজী কীটপতঙ্গের মধ্যে তুল্যমূল্য বিচার করে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত করেছেন আমেরিকার ওয়াইওমিং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা।

    ক্রিটেশাস যুগের উদ্ভিদ ও কীটপতঙ্গ সংগ্রহ করা হয়েছে সেই যুগের থেকে প্রাপ্ত জীবাশ্ম থেকে। গবেষণাপত্রটি যে জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে তার নাম ” proceedings of the national academy of sciences”। প্রধান গবেষক এবং পিএইচডি স্নাতক লরেন আজেভেডো-শ্মিডের কথায়, “আমাদের ভূমিকা হল যাঁরা জীবাশ্মর সাহায্যে প্রাচীন উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণা করছেন এবং যাঁরা নব বা বর্তমান উদ্ভিদকূল নিয়ে গবেষণা করছেন, তাঁদের মাঝে সেতু হিসেবে কাজ করা।”

    তিনি বর্তমানে মেইন বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টডক্টরাল গবেষক হিসেবে কর্মরত। তিনি আরও বলেছেন, “একটি অভূতপূর্ব বিষয় আমাদের গোচরে এসেছে, কিছু কিছু কীটপতঙ্গ ক্রিটেশাস যুগ থেকে আজও সমানভাবে উদ্ভিদকূলের ক্ষতিসাধন করে চলেছে।” ইউডব্লিউ ডিপার্টমেন্ট অফ বোটানি এবং জিওলজি এবং জিওফিজিক্স বিভাগের অধ্যাপক এলেন কুরানো এবং ক্যালিফোর্নিয়া-ডেভিস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক এমিলি মেইনেকের সঙ্গে গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন আজেভেডো-শ্মিড।

    গবেষণায় ক্রিটেশাস যুগের শেষকাল থেকে ২০ লক্ষ বছর আগে প্লাইস্টোসিন যুগ পর্যন্ত পোকায় খাওয়া জীবাশ্মযুক্ত পাতাগুলি পরীক্ষা করা হয়েছে এবং পাশাপাশি বর্তমান যুগ থেকে আজেভেডো-শ্মিডের সংগ্রহ করা পাতার সঙ্গে সেগুলির তুলনা করা হয়েছে। বিস্তারিত গবেষণায় পোকামাকড় দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন ধরণের ক্ষতির দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্লাইস্টোসিন যুগ কিংবা ক্রিটেশাস যুগের তুলনায় সাম্প্রতিক ক্ষতির উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    কীটপতঙ্গের দ্বারা উদ্ভিদের ক্ষতির সুনির্দিষ্ট কারণগুলি নির্ধারণের জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন, তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন একটি উষ্ণ জলবায়ু, নগরায়ন এবং আক্রমণাত্মক প্রজাতির প্রবর্তন সম্ভবত একটি বড় প্রভাব ফেলেছে। নগরায়ন, শিল্পায়নের ফলস্বরূপ জঙ্গলের বাড়তে থাকা সংকোচন বড় প্রাণীর পাশাপাশি কীটপতঙ্গগুলোর ক্ষতি ও তাদের জীবনযাত্রাকেও প্রভাবিত করেছে। শিল্পবিপ্লবের পরবর্তী যুগে পরিবেশ দূষণের জন্য জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে প্রকৃতির উপর এবং এতে বসবাসকারী জীবনকূলের উপর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Mars Orbiter Mission: ৮ বছর পর থামল ইসরোর মঙ্গলযান, কতটা প্রাপ্তি হল ভারতের মহাকাশ গবেষণায়?

    Mars Orbiter Mission: ৮ বছর পর থামল ইসরোর মঙ্গলযান, কতটা প্রাপ্তি হল ভারতের মহাকাশ গবেষণায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় আট বছর পর সফর শেষ হল ইসরোর মঙ্গলযানের (Mars Orbiter Mission)। যদিও এই মঙ্গলযানটিকে মাত্র ছয়মাসের জন্য বানানো হয়েছিল। অর্থাৎ এর আয়ু ছিল মাত্র ছয় মাস। কিন্তু সেখানে এটি প্রায় আট বছর অতিক্রম করে দিয়েছে। মহাকাশে। জানা গিয়েছে, এর পাশাপাশি, মঙ্গলযানে থাকা জ্বালানি ও ব্যাটারি ইতিমধ্যেই নিঃশেষ হয়ে গিয়েছে। আর এর ফলেই মঙ্গলযান অর্থাৎ মার্স অরবিটার মিশন (Mars Orbiter Mission-MOM)-এর আট বছর আট দিনের যাত্রা শেষ হল।

    উল্লেখ্য যে, এই মিশনটি ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর শুরু হয়েছিল (Mars Orbiter Mission)। পাশাপাশি, এটি ২০১৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বরে মঙ্গলের কক্ষপথে পৌঁছে যায়। মূলত, এই মিশনের মাধ্যমে, ভারত প্রথম পদক্ষেপেই সরাসরি মঙ্গল গ্রহ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। বিশ্বের আর অন্য কোনও দেশের কাছে এই নজির নেই। মঙ্গলযান বানাতে খরচ হয়েছিল প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ডলার। ইসরো থেকে জানানো হয়েছে, যে এই যানটিকে তৈরি করা হয়েছিল মাত্র ছয়মাস মঙ্গলের কক্ষপথে চলার প্রদক্ষিণ করার জন্য। কিন্তু বিজ্ঞানীদের যে আশা ছিল, তাকেও ছাপিয়ে ছয়মাসের পরিবর্তে টানা আট বছর কাজ করেছে গিয়েছে ভারতের এই মঙ্গলযান।

    আরও পড়ুন: পৃথিবীর কেন্দ্রে মিলল বিশাল মহাসাগর

    ইসরো (ISRO) থেকে জানানো হয়েছে, ভারতীয় মঙ্গলযানটিতে আর কোনও জ্বালানি অবশিষ্ট নেই। স্যাটেলাইটের ব্যাটারিও শেষ হয়ে গিয়েছে। যার ফলে মঙ্গলযানের ব্যাটারিকে ফের জাগিয়ে তোলা যাচ্ছে না। এমনকি ইসরোর সঙ্গে মহাকাশযানটির সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে, মহাকাশযানটি মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথের মাত্র ছয় মাস ধরে চলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। সেই জায়গায় এটি আট বছরেরও বেশি সময় ধরে তার কাজ করে গিয়েছে। তাই এটি ভারতের মহাকাশবিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে বলেই মনে করা হয়। ২০১৩ সালে মঙ্গলযানটিকে একটি পিএসএলভি-সি২৫ রকেটের মাধ্যমে মঙ্গলের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল। এটিই ছিল ভারতের প্রথম আন্তঃগ্রহের মহাকাশ অভিযান (Mars Orbiter Mission)।

    এটিকে পাঠানোর মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতও যে অন্য গ্রহে পাড়ি দিতে পারে, তা বিশ্বের কাছে তুলে ধরার জন্যই এই মঙ্গলযান তৈরি করা হয়েছিল (Mars Orbiter Mission)। এটির সাহায্য লাল গ্রহের পৃষ্ঠদেশের বৈশিষ্ট্য, বায়ুমণ্ডল এবং এক্সোস্ফিয়ার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছে বিজ্ঞানীরা। এছাড়াও গ্রহের ধূলিকণা সম্পর্কে ধারণা করতে, মঙ্গল গ্রহে ভূমিধস অধ্যয়ন করতে বিজ্ঞানীদের সাহায্য করেছে। ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা থেকে জানানো হয়েছে, মহাকাশযানটিকে আর কোনওভাবেই পুনরুদ্ধার করা যাবে না। তবে এই মার্স অরবিটার মিশনটি পুরো বিশ্বে এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে (Mars Orbiter Mission)। তবে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই আরেকটি অভিযানের পরিকল্পনা রয়েছে ভারত। সূত্রের খবর অনুযায়ী, খুব শীঘ্রই মঙ্গলযান-২ (Mangalyaan 2) পাঠাতে চলেছে ইসরো।

     

  • Yoga in Space: মহাকাশে যোগব্যায়াম নভশ্চরের! কীভাবে করলেন অসাধ্য সাধন?

    Yoga in Space: মহাকাশে যোগব্যায়াম নভশ্চরের! কীভাবে করলেন অসাধ্য সাধন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে যোগব্যায়াম করছেন এমন ঘটনা কেউ কখনও শুনেছেন? ইউরোপের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নভশ্চর সামান্থা ক্রিস্টোফোরেটি (Samantha Cristoforetti) মহাকাশে যোগব্যায়াম করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) উদ্যোগে ২০১৫ সালে ২১ জুন দিনটিকে  রাষ্ট্রসংঘ আন্তজার্তিক যোগ দিবস (International Yoga Day) ঘোষণা করে। তার পর থেকেই সারা বিশ্বে যোগব্যায়ামের এক ভিন্ন উন্মাদনা দেখা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারতীয়দের মার্কিন ভিসা পেতে এত দেরি হচ্ছে কেন? ব্লিঙ্কেনকে প্রশ্ন জয়শঙ্করের

    আজ বিশ্বের নামী দামী ব্যক্তিরা যোগাভ্যাসের ছবি তাঁদের ব্যক্তিগত সোস্যাল সাইটে শেয়ার করছেন। কিন্তু এবার এক মহাকাশচারীকে পৃথিবী থেকে কয়েক হাজার মাইল দূরে মহাকাশের শূন্য মাধ্যাকর্ষণে যোগাভ্যাস করতে দেখা গিয়েছে। টুইটারে (Twitter) কসমিক কিডস নামক একটি পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে।

    ডিরেক্ট হিট! মুহূর্তেই ছিটকে গেল গ্রহাণু! নাসার ঐতিহাসিক পরীক্ষা সফল

    পোস্টটিতে মহাকাশচারী ক্রিস্টোফোরেটিকে একজন যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষককে অনুসরণ করে বিভিন্ন যোগব্যায়ামের পোজ দিতে দেখা যাচ্ছে। নেটপাড়ায় এই ভিডিয়োটি খুব ভাইরাল হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, মাধ্যাকর্ষণের শূন্যতায় যোগব্যায়াম? এটা কিন্তু কঠিন। তবে সৃজনশীলতার স্বাধীনতা থাকলে আপনি এটি অনায়াসেই করতে পারেন।

    নেটিজেনরা এই ভিডিওকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। একজন সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন দারুন! এখন প্রতিটি স্থানেই যোগাসন করা সম্ভব। আর এক জন মন্তব্য করেছেন, পারফেক্টের থেকেও বেশি কিছু।

    প্রসঙ্গত, সামান্থা ক্রিস্টোফোরেটি নভঃচর ভারতের স্বাধীনতার অমৃতকালে ভারতবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • NASA DART Mission: ডিরেক্ট হিট! মুহূর্তেই ছিটকে গেল গ্রহাণু! নাসার ঐতিহাসিক পরীক্ষা সফল

    NASA DART Mission: ডিরেক্ট হিট! মুহূর্তেই ছিটকে গেল গ্রহাণু! নাসার ঐতিহাসিক পরীক্ষা সফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাজাগতিক বিস্ময়! পৃথিবীকে মহাজাগতিক বস্তু থেকে বাঁচাতে নাসা-র (NASA) ডার্ট মিশনের (DART Mission) প্রথম চেষ্টাই দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করল। গতকাল স্থানীয় সময় অনুসারে, সন্ধ্যে ৭টা ১৪ মিনিট নাগাদ গ্রহাণু ডিমরফস-এর (Dimorphos) সঙ্গে সংর্ঘর্ষ ঘটানো হয় নাসার ডার্ট মিশনের যানের। এর মাধ্যমে পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে গ্রহাণুটিকে সরিয়ে নিতে সফল হয়েছে নাসা। ফলে নাসার মিশন মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এনে দিয়েছে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন।

    জানা গিয়েছে, গ্রহাণুটি পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ছিল এবং গতকাল এই অভিযানের সময় পৃথিবী থেকে ৭০ লক্ষ মাইল দূরে অবস্থান ছিল গ্রহাণুটির। নাসার ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডায়রেকশন টেস্ট (ডার্ট) মহাকাশযান সেটির উপর আছড়ে পড়ে। ফলে গ্রহাণুটির দিক কক্ষপথ থেকে বের করে দিতে সক্ষম হয়েছে মহাকাশযানটি। নাসার প্ল্যানেটারি সায়েন্স ডিভিশনের ডিরেক্টর লরি গ্লেজ বলেছেন, “আমরা একটি নতুন যুগের সূচনা করলাম। যে যুগে বিপজ্জনক গ্রহাণুর প্রভাবের থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করার ক্ষমতা আছে।”

    আরও পড়ুন: আজই গ্রহাণুতে ধাক্কা নাসার ডার্ট মিশনের! সরাসরি সেই ভিডিও কখন, কোথায় দেখবেন?

    প্রসঙ্গত, এই মহাকাশযানটিকে প্রায় ১০ মাস আগে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে এই বিশেষ অভিযানের জন্য মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। গতকাল এই মহাকাশযনটি প্রায় ঘণ্টায় ২৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার গতিতে ডিমরফস-এর উপর আছড়ে পড়ে। ডিমরফস (Dimorphos) আয়তনে প্রায় ৫৩০ ফুট ও এর আকার মিশরের বৃহদাকার পিরামিডের মত। এতদিন এই গ্রহাণুটি ডিডিমস (Didymos) নামের গ্রহাণুকে ঘিরে প্রদক্ষিণ করছিল। ডার্ট এই ডিমরফস-এ আছড়ে পড়ার আগে এই গ্রহাণুর রুক্ষ্ম, পাথুরে পৃষ্ঠদেশ স্পষ্ট দেখা গিয়েছিল।

    বিজ্ঞানীদের দাবি, ডিফরমস গ্রহাণুটি পৃথিবীর জন্য বিপজ্জনক না, বরং এই অভিযানের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা  নিশ্চিত হল যে, ডার্ট গ্রহাণুর দিক পরিবর্তন করতে সক্ষম। বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন, সংঘর্ষ হওয়ার পরে গ্রহাণুটি তুলনামূলক ছোট একটি কক্ষপথে গিয়ে পড়েছে তবে তার নির্দিষ্ট অবস্থান জানতে গ্রাউন্ড টেলিস্কোপ ব্যবহার করবেন বিজ্ঞানীরা। এ ছাড়াও, ডার্টের সঙ্গে লিসিয়াকিউব নামের একটি কৃত্রিম উপগ্রহও মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। ডার্ট গ্রহাণুর উপর আছড়ে পড়ার আগে লিসিয়াকিউব তার থেকে আলাদা হয়ে যায়। আগামী কয়েক মাস মহাকাশে ওই দুই গ্রহাণুকে (ডিমরফস ও ডিডিমস) পর্যবেক্ষণ করবে লিসিয়াকিউব ও সেই ছবি পাঠাবে নাসা-র বিজ্ঞানীদের। এর ফলে দুই গ্রহাণু থেকে সংগৃহীত পদার্থও সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য বিজ্ঞানীরা জানতে  পারবেন ও তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারবেন।

  • Virus: ভাইরাস আমাদের ওপর নজর রেখে সিদ্ধান্ত নেয় কখন আক্রমণ করবে, বলছে গবেষণা

    Virus: ভাইরাস আমাদের ওপর নজর রেখে সিদ্ধান্ত নেয় কখন আক্রমণ করবে, বলছে গবেষণা

    মাধ্যমিক নিউজ ডেস্ক: একটি ভাইরাস কতদিন কারও শরীরে সুপ্ত থাকবে এবং কখন বৃদ্ধি পাবে এবং কখন কোষকে ধ্বংস করবে, এইসবই সে পরিবেশ থেকে নেওয়া তথ্য ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত নেয়। সম্প্রতি গবেষণায় (Study on Virus) দেখা গিয়েছে, ভাইরাসগুলি তাদের পারিপার্শ্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতার পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করে। এ বিষয়ে এক গবেষক বলেছেন, “আমরা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ে এই বিষয়টিকে লাগাতে পারি।”  

    আরও পড়ুন: ফের নয়া বিপদ, করোনা ভাইরাসের মতো লক্ষণ পাওয়া গেল রাশিয়ান বাদুড়ে!

    গবেষক ইভান এরিল বলেছেন, ভাইরাস এবং এর হোস্টের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া আরও জটিল হয়, কারণ ভাইরাস ক্রমাগত পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে। নতুন গবেষণার বিষয়বস্তু ছিল ব্যাকটিরিওফেজ, যা “ফেজ” নামেও পরিচিত। যে ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করে, এই গবেষণা মূলত সেই ভাইরাসের ওপর। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ফেজগুলি কেবল তখনই তাদের হোস্টকে আক্রমণ করতে পারে যখন হোস্ট ব্যাকটেরিয়াগুলির পিলি এবং ফ্ল্যাজেলা নামক বিশেষ উপাঙ্গ থাকে। এই উপাঙ্গ চলাচল এবং প্রজননে সহায়তা করে।   

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গির পাশাপাশি রাজ্যে বাড়ছে কোভিডও! পুজোর মুখে ফের সংক্রমণের আতঙ্ক 

    এরিল বলেন, “ফেজ সম্পর্কে আমরা যা কিছু জানি, তা হল, এরা ক্রমাগত এদের হোস্টের ওপর নজর রাখে। মানুষের শরীরেও একই ঘটনা ঘটায়।” এছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে ফেজগুলি তাদের আশেপাশের পরিবেশকে পর্যবেক্ষণ করে। কিন্তু হোস্টকে আক্রমণ করার কৌশল এক এক ফেজের ক্ষেত্রে এক এক রকম। 

    এরিলের মতে, এই নতুন গবেষণাটিতে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে যে, ফেজগুলি কোষের কার্যকলাপের উপর নজর রাখে। তিনি দাবি করেছেন যে, তাঁর দলের সদস্যরা ইতিমধ্যে ফেজে অতিরিক্ত ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রক রাসায়নিকের জন্য রিসেপ্টর অনুসন্ধান শুরু করেছে এবং তাঁরা তাতে সফলতাও পেয়েছেন।  
     
    এই গবেষণার সবচেয়ে বড় সাফল্য হল, এই গবেষণা থেকেই জানা গিয়েছে, ভাইরাস কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যে “সেলুলার ইন্টেল” কৌশল ব্যবহার করে। এর থেকে গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, ব্যাক্টেরিয়া যদি এই কৌশল ব্যবহার করে, তাহলে নিশ্চই উদ্ভিত এবং প্রাণীদের ক্ষেত্রেও এই রকম কোনও কৌশল রয়েছে।   

  • Artemis 1 Mission: তৃতীয় বারে হবে কি সফল? ২৭ সেপ্টেম্বর ফের চাঁদে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করবে ‘আর্টেমিস ১’

    Artemis 1 Mission: তৃতীয় বারে হবে কি সফল? ২৭ সেপ্টেম্বর ফের চাঁদে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করবে ‘আর্টেমিস ১’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’বার বাধা পাওয়ার পর চাঁদের উদ্দেশে ফের স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেট পাঠাতে চলেছে নাসা (NASA)। যান্ত্রিক গোলোযোগের কারণে অগাস্টের শেষের দিকে দুবার স্থগিত করা হয় আর্টেমিস মিশন (Artemis Mission)। নাসার চেষ্টা দুবার ব্যর্থ হওয়ার ফলে তৃতীয়বারে আর্টেমিস মিশন সফল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে নাসা। ফলে চাঁদের বুকে রকেট উৎক্ষেপণের জন্য দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ মাসেই চাঁদের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে আর্টেমিস ১ মিশনের স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেট (SLS Rocket)।

    আরও পড়ুন: দ্বিতীয় চেষ্টাও ব্যর্থ! নাসার আর্টেমিস মিশনের রকেট উৎক্ষেপণ পিছিয়ে অক্টোবরে?

    নাসা জানিয়েছে, পরবর্তী উৎক্ষেপণের জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে যদি এদিনও যাত্রা সফল না হয়, তবে পঞ্চমবারের চেষ্টা ২ অক্টোবর করা হবে। মার্কিন সংস্থা নাসা একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এবারে বিভিন্ন লজিস্টিক বিষয়গুলি যত্ন সহকারে বিবেচনা করা হয়েছে, ফলে উৎক্ষেপণের দিন চূড়ান্ত করতে এতদিন সময় লেগে গেল। এছাড়াও জানানো হয়েছে, ২৭ সেপ্টেম্বর এটি উৎক্ষেপণের আগে ২১ সেপ্টেম্বর একটি ক্রায়োজেনিক ডেমোনস্ট্রেশন পরীক্ষা করা হবে।

    আরও পড়ুন: চাঁদের বুকে কোথায় নামবেন মহাকাশচারীরা? ১৩টি জায়গা বেছে নিল নাসা

    ২৯ অগাস্ট উৎক্ষেপণের আগে এসএলএস রকেটের ইঞ্জিনগুলির একটিতে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে প্রথমবারের মতো স্থগিত করা হয়েছিল আর্টেমিস মিশ। এরপর দ্বিতীয়বারের জন্য চেষ্টা করা হয়েছিল ৩ সেপ্টেম্বর। কিন্তু SLS রকেট থেকে তরল হাইড্রোজেন পূরণ এবং নিষ্কাশন করতে ব্যবহৃত 8-ইঞ্চি লাইনকে ঘিরে গ্রাউন্ড সাইড এবং রকেট সাইড প্লেটের মধ্যে একটি গহ্বরে একটি ফুটো দেখতে পান ইঞ্জিনিয়াররা। ফলে আর্টেমিস ওয়ান রকেট লঞ্চ প্যাডে থাকাকালীন হাইড্রোজেন লিক হওয়ার কারণে সেদিন পাড়ি দিতে পারেনি মহাকাশে। এরপর নাসার ইঞ্জিনিয়াররা এইসব সমস্যার সব সমাধান করে ফের চাঁদে উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফলে এইবারের প্রচেষ্টায় কোনরকমের বাধা আসবে না বলেই আসা করেছে নাসা।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • NASA Artemis Mission: নাসার আর্টেমিস মিশনের সামনে ফের বাধা, চিন্তা বাড়াচ্ছে ‘হ্যারিকেন’

    NASA Artemis Mission: নাসার আর্টেমিস মিশনের সামনে ফের বাধা, চিন্তা বাড়াচ্ছে ‘হ্যারিকেন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাসার (Nasa) আর্টেমিস চন্দ্রাভিযানের (Artemis Mission) জন্য আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে বিশ্ববাসীকে। কিউবার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থানকারী হ্যারিকেন ঝড় মেক্সিকো (Mexico) উপসাগরের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড গতিতে ফ্লোরিডার (Florida) দিকে এগিয়ে আসছে। প্রবল বাতাস সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় চন্দ্রাভিযান আপাতত স্থগিত করছে নাসা। দু’বার পরপর চেষ্টার পরেও ব্যর্থ হয়েছে নাসার আর্টেমিস-১ মিশন। তাই তৃতীয়বারের চেষ্টায় মিশন সফল করতে মরিয়া নাসা। কিন্তু নানা প্রতিবন্ধকতার সামনে দাঁড়িয়ে এই স্পেস রিসার্চ (Space Research) সংস্থাটি। 

    আরও পড়ুন: ডিরেক্ট হিট! মুহূর্তেই ছিটকে গেল গ্রহাণু! নাসার ঐতিহাসিক পরীক্ষা সফল 

    মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তাদের ওয়েবসাইটে (Website) জানিয়েছে, হ্যারিকেন ঝড়ের ফলে এই মিশনটি রাতারাতি স্থগিত করা হয়েছে। ৩২০ ফুটের লম্বা বিশাল রকেটটিকে ঝড়ের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিশাল কমলা এবং সাদা রঙের রকেটটি তৈরি করতে কয়েক দশক সময় লেগেছে। গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী চাঁদের (Moon) দেবী আর্টেমিসের নাম অনুসারে এই চন্দ্রযানটির নামকরণ করা হয়েছে। নাসা জানিয়েছে বিধ্বংসী এই ঝড়টি চলে গেলেই তারা ফের রকেটটিকে উৎক্ষেপণের চেষ্টা করবে। তবে এখনও পর্যন্ত তার দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অক্টোবরের ১৭ থেকে ৩১ তারিখ অথবা নভেম্বরের ১২ থেকে ২৭ এর মধ্যে ফের উৎক্ষেপণের চেষ্টা হতে পারে।

    আর্টেমিস প্রোগ্রামটিকে নাসা তিন ভাগে ভাগ করছে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই মিশন সফল হলে চাঁদের সঙ্গে পৃথিবীর যোগাযোগ আরও নিবিড় হবে। আর্টেমিস ১ মিশনটিতে (Artemis 1 mission) ইতিমধ্যেই বিরাট অঙ্কের টাকাও খরচ করে ফেলেছে নাসা। তাই দু বার ব্যর্থ হলেও, এই মিশন সফল করতে মরিয়া বিশ্বের বৃহত্তম এই মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রটি।

    প্রসঙ্গত, ৫০ বছর আগে নাসার অভিযানে শেষবার চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল মানুষ। তার পর এবার চাঁদে যাচ্ছে ‘আর্টেমিস-১’। এতে অবশ্য কোনও মহাকাশচারী যাচ্ছেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jupiter Nearest to Earth: বৃহস্পতির হাতছানি! ৭০ বছর পরে ফের পৃথিবীর কাছাকাছি গ্রহরাজ

    Jupiter Nearest to Earth: বৃহস্পতির হাতছানি! ৭০ বছর পরে ফের পৃথিবীর কাছাকাছি গ্রহরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের আকাশে দূরবীনে চোখ রেখে অনেকেই হারিয়ে যান তারাদের জগতে। এমন মহাকাশপ্রেমীদের জন্য সুখবর। রাতের আকাশে পৃথিবীর খুব কাছাকাছি দেখা যাবে গ্রহরাজ বৃহস্পতিকে। ২৬ সেপ্টেম্বর সোমবারই আসবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ৭০ বছর পর একবারই পৃথিবীর সবথেকে কাছে আসে বৃহস্পতি। এমন বিরল ঘটনা জীবনে দু-বার দেখার সুযোগ মেলে খুব কম সংখ্যক মানুষেরই। আকার আয়তনের দিক থেকে সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৬০ কোটি মাইল দূরে অবস্থান করে। কিন্তু ২৬ সেপ্টেম্বর পৃথিবী থেকে মাত্র ৩৬ কোটি ৫০ লক্ষ মাইল দূরে অবস্থান করবে গ্রহরাজ বৃহস্পতি।

    আরও পড়ুন: ডাইনোসরের যুগে তৈরি হওয়া গর্তের সন্ধান আজ! গ্রহাণু আছড়ে পড়ায় সৃষ্টি হয় ‘নাদির’ গহ্বরের

    বৃহস্পতির এরকম পৃথিবীর নিকটবর্তী হওয়ার ঘটনাটি মহাজাগতিক বলে জানিয়েছেন নাসার মার্শাল স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের গবেষণারত জ্যোতির্বিজ্ঞানী অ্যাডাম কোবেলস্কি। তিনি বলেছেন, অত্যাধুনিক ব্যান্ডযুক্ত বাইনোকুলার ব্যবহার করলে পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকেই সেদিন দেখতে পাওয়া যাবে বৃহস্পতির ৩-৪টি গালিলিয়ান উপগ্রহ। এছাড়াও ৪ ইঞ্চি বড়ো এবং সবুজ-নীল ফিল্টারযুক্ত টেলিস্কোপ ব্যবহার করলে বৃহস্পতিকে শুধু স্পষ্ট ভাবে দেখাই যাবে না, তাকে জড়িয়ে থাকা বাষ্পীয় বলয়ও (অন্তত মাঝখানের বলয়টি) স্পষ্ট দেখা যাবে। বৃহস্পতির দক্ষিণ গোলার্ধে একটি লাল বিন্দু রয়েছে৷ যা বৃহত্তম সৌরঘূর্ণি বলে পরিচিত।

    আরও পড়ুন: পৃথিবীকে বাঁচাতে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ নাসার মহাকাশযানের! দেখতে পাবেন লাইভ

    শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রে চোখ রাখলে সেটিরও দেখা মিলবে৷ প্রাপ্তির এখানেই শেষ নয়৷ ওই দিন দেখা মিলতে পারে বৃহস্পতির তিন-চারটি উপগ্রহেরও৷ ১৭ শতকে গ্যালিলিও প্রথম বৃহস্পতির তিনটি উপগ্রহ নিরীক্ষণ করেছিলেন। সেকারণেই এই উপগ্রহগুলি গ্যালিলিয়ান উপগ্রহ নামে পরিচিত। প্রসঙ্গত, নাসার জুনো মহাকাশযান ৬ বছর ধরে বৃহস্পতিকে প্রদক্ষিণ করে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের আশা, বৃহস্পতির অধ্যয়ন সৌরজগতের অনেক অজানা তথ্যের উন্মোচন করবে। নাসার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতি পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থান কালে তার ছবি তোলা হবে। যদিও ভারতের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরো এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Asteroid: আজই ধেয়ে আসছে বিমানের আকারের সমান গ্রহাণু ‘২২ আরকিউ’, সতর্ক করল নাসা

    Asteroid: আজই ধেয়ে আসছে বিমানের আকারের সমান গ্রহাণু ‘২২ আরকিউ’, সতর্ক করল নাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও একটি বিশালাকৃতির গ্রহাণু ধেয়ে আসছে গ্রহাণু (Asteroid)। গ্রহাণুটির নাম Asteroid 22 RQ। সম্প্রতি ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা) প্রকাশ করেছে যে একটি বিশাল গ্রহাণু, যা প্রায় একটি বিমানের আকারের সমান, আজ পৃথিবীর দিকে আসছে। গ্রহাণু ২২ আরকিউ ইতিমধ্যেই পৃথিবীর দিকে প্রতি ঘন্টায় প্রায় ৪৯,৫৩৬ কিলোমিটর গতিতে এগিয়ে চলছে।

    নাসা থেকে জানানো হয়েছে যে, গ্রহাণুটি পৃথিবীর কক্ষপথের প্রায় ৩৭ লক্ষ কিলোমিটারের মধ্যে দিয়ে পৃথিবীর একেবারে পাশ কেটে চলে যাবে। তবে, নাসার প্ল্যানেটারি ডিফেন্স কোঅর্ডিনেশন অফিস থেকে সতর্ক করা হয়েছে যে, গ্রহাণু ২২ আরকিউ প্রায় ৮৪ ফুট চওড়া এবং এটি একটি বিমানের আকারের প্রায় সমান। তাই যে কোনও মুহূর্তে যে কোনও বিপদ ঘটতে পারে। জানা গিয়েছে, সূর্য থেকে গ্রহাণুটির দূরতম বিন্দু ৩২৮ মিলিয়ন কিলোমিটার, এবং সূর্যের নিকটতম বিন্দুটি ১১০ মিলিয়ন কিলোমিটার। গ্রহাণু 2022 RQ-এর  সূর্যের চারপাশে একবার প্রদক্ষিণ সম্পূর্ণ করতে ৬৪৮ দিন সময় লাগে।

    আরও পড়ুন: ডাইনোসরের যুগে তৈরি হওয়া গর্তের সন্ধান আজ! গ্রহাণু আছড়ে পড়ায় সৃষ্টি হয় ‘নাদির’ গহ্বরের

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গ্রহাণুটি প্রাথমিকভাবে ১ সেপ্টেম্বর, ২০০-এ আবিষ্কার করা হয়েছিল। এটি প্রধানত অ্যাপোলো গ্রহাণু গোষ্ঠীর সদস্য৷ এই গ্রহাণুটিকে নাসার নিওওয়াইজ টেলিস্কোপের দ্বারা আবিষ্কার করা হয়েছে। এই টেলিস্কোপটিকে ওয়াইড-ফিল্ড ইনফ্রারেড সার্ভে এক্সপ্লোরার একটি সমীক্ষায় টেলিস্কোপ হিসাবে ব্যবহার করে। এটি পৃথিবীর কাছাকাছি অবজেক্টের অনুসন্ধান করতে, বেশিরভাগ গ্রহাণুর পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে। গ্রহাণু, উল্কা এবং বিভিন্ন ধরনের ধূমকেতুকে একত্রে নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট (NEO) বলা হয়।

    গ্রহাণুর টুকরো, ধূমকেতু এবং উল্কাপিণ্ড যেগুলোর আকার সাধারণত ৩ ফুটেরও কম হয় তারা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আঘাত করে এবং এটিকে তখন জ্বলতে দেখা যায়। এই ঘটনাটি কার্যত প্রতিদিন ঘটে। প্রসঙ্গত, নাসা  গত বছর ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট (DART) প্রোগ্রাম শুরু করেছে। এই প্রোগ্রামের লক্ষ্যই হল এমন ধরণের গ্রহাণুর থেকে পৃথিবীকে বাঁচানো। আর কিছুদিন পরেই, ২৬ সেপ্টেম্বর, নাসার ডার্ট মিশনের মহাকাশযানকে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ করানো হবে ও সেই বিরল দৃশ্য লাইফ স্ট্রিমও করা হবে।  

    আরও পড়ুন: পৃথিবীকে বাঁচাতে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ নাসার মহাকাশযানের! দেখতে পাবেন লাইভ

LinkedIn
Share