Category: বিজ্ঞান

Get updated Science and Research related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Asteroid 2008 RW: তাজমহলের দ্বিগুণ আয়তনের গ্রহাণু সরাসরি আসছে ধেয়ে, তবে কি পৃথিবী ধ্বংসের পথে?

    Asteroid 2008 RW: তাজমহলের দ্বিগুণ আয়তনের গ্রহাণু সরাসরি আসছে ধেয়ে, তবে কি পৃথিবী ধ্বংসের পথে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বব্রহ্মাণ্ড বা মহাজাগতিক বিষয়ে আপনি বিশ্বাস করুন বা না করুন, কিন্তু এই খবর আপনাকে জানতেই হবে। 

    সম্প্রতি, এক ভীষণই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন মহাকাশ-বিজ্ঞানীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, এক দৈত্যকায় গ্রহাণু (Asteroid) পৃথিবীর দিকে সরাসরি ধেয়ে আসছে। আয়তনে যা তাজমহলের প্রায় দ্বিগুণ। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, গ্রহাণুটির সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষ হতে পারে। তবে, পৃথিবীর কোন স্থানে এই গ্রহাণুটি আছড়ে পড়তে পারে তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা কোন সঠিক তথ্য দিতে পারেননি। আবার বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে এই গ্রহাণুর প্রবেশের সম্ভাবনা খুবই কম। তা সত্ত্বেও বিজ্ঞানীরা সকলকে সতর্ক থাকতে বলেছেন।

    আরও পড়ুন: ডাইনোসরের যুগে তৈরি হওয়া গর্তের সন্ধান আজ! গ্রহাণু আছড়ে পড়ায় সৃষ্টি হয় ‘নাদির’ গহ্বরের

    বিজ্ঞানীরা এই গ্রহাণুর নাম দিয়েছে ‘২০০৮ আরডব্লিউ’ (2008 RW)। বিশাল এই গ্রহাণুটি তিন-চার বছর অন্তর পৃথিবীর কাছাকাছি আসে। গ্রহাণুটি এইবার পূর্বের চেয়ে পৃথিবীর কক্ষপথের অনেক কাছাকাছি আসতে চলেছে। যে কারণে, এই গ্রহাণুকে ‘নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যে এটি পৃথিবীর কক্ষপথে ১৩ সেপ্টেম্বর প্রবেশ করবে এবং এর গতিবেগ থাকবে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১০ কিলোমিটার। 

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA) জানিয়েছে, গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৬৭ লক্ষ কিলোমিটার দূরত্ব থেকে আসছে। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষীয় টানের মাধ্যমে টেনে নেওয়ার জন্য এই দূরত্ব যথেষ্ট কাছাকাছি। এটি পৃথিবীর খুব কাছাকাছি চলে আসায় নাসার গবেষকেরা এর গতিবিধির উপর সবসময় নজর রাখছেন। তবে এটি কোথায় আছড়ে পড়তে পারে সেই ব্যাপারে কিছু জানাননি তাঁরা। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গ্রহাণুটি প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছিল ২০০৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর। মহাকাশীয় এই বস্তুটি অ্যাপোলো গ্রুপের অন্তর্গত। সূর্যের চারপাশে একবার ঘুরে আসতে এটি সময় নেয় প্রায় ১০২৩ দিন।

    আরও পড়ুন: পৃথিবীকে বাঁচাতে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ নাসার মহাকাশযানের! দেখতে পাবেন লাইভ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Voyager 1: অবিশ্বাস্য! ৪৫ বছর মহাকাশে কাটিয়ে দিল নাসার ‘ভয়েজার ১’

    Voyager 1: অবিশ্বাস্য! ৪৫ বছর মহাকাশে কাটিয়ে দিল নাসার ‘ভয়েজার ১’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাসার (NASA) দুই মহাকাশযান ভয়েজার ১ (Voyager 1) ও ভয়েজার ২ (Voyager 2) পাঁচ দশক কাটিয়ে দিল মহাকাশে। কিছুদিন আগেই ভয়েজার ২ মহাকাশে ৪৫ বছর পূর্ণ করেছে, এরপর ভয়েজার ১, ৫ সেপ্টেম্বর ৪৫ বছর পূর্ণ করল। ১৯৭৭ সালে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল এই দুটি মহাকাশযান।

    এই দুটি মহাকাশযানের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্ব অপরিসীম। মানবসভ্যতার পাঠানো প্রথম দুই মহাকাশযান ভয়েজার-১ এবং ভয়েজার-২, রেডিওআইসোটোপ থার্মোইলেকট্রিক জেনারেটর (RTGs) দ্বারা চালিত, যা প্লুটোনিয়ামের প্রাকৃতিক ক্ষয় দ্বারা উৎপাদিত তাপ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। এই দুটি যানই মহাকাশে ঘণ্টায় ৩০ হাজার মাইলেরও বেশি গতিবেগে এগিয়ে চলছে।

    আরও পড়ুন: ৮৬০ কোটি টাকায় ইসরোর পাঁচটি পিএসএলভি নির্মাণের বরাত পেল হ্যাল-এল অ্যান্ড টি

    ভয়েজার-১ যাত্রা শুরু করেছিল ১৯৭৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। আর তার ‘যমজ’ ভয়েজার-২ যাত্রা শুরু করেছিল তার ১৬ দিন আগে, ১৯৭৭-এর ২০ অগাস্ট। ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে টাইটান IIIE-সেন্টার রকেটে ( Titan IIIE-Centaur rocket) চাপিয়ে এই দুটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। ভয়েজার ২ পৃথিবী থেকে ২৩.৩ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে ও ভয়েজার ২ প্রায় ১৯.৫ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে রয়েছে। উভয়েরই ওজন প্রায় ৮০০ কেজি এবং এতে ১১টি যন্ত্র রয়েছে যার সাহায্যে মহাকাশের বিভিন্ন জিনিসের ছবি তোলা এবং বিশ্লেষণ করতে ব্যবহৃত হয়েছিল।

    তবে এক দশক আগে, ২০১২ সালের ১ অগাস্ট ভয়েজার ১ সূর্যের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে ও প্রবেশ করেছে ‘ইন্টারস্টেলার স্পেস’-এ অর্থাৎ আন্তর্নক্ষত্রমণ্ডলের এলাকায়। দু’টি নক্ষত্রের মাঝের অঞ্চলকেই ‘ইন্টারস্টেলার স্পেস’ (Intersteller Space) বলা হয়। এর আগে আর কোনও মহাকাশযানই সূর্যের হেলিওস্ফিয়ার ছেড়ে ইন্টারস্টেলার স্পেসে যেতে পারেনি।

    এছাড়াও এটি বৃহস্পতির চারপাশে একটি পাতলা বলয় আবিষ্কার করেছে এবং এর দুটি নতুন জোভিয়ান চাঁদ- থিবে এবং মেটিস- এবং শনির চারপাশে পাঁচটি নতুন চাঁদ আবিষ্কার করেছে। ভয়েজার ১-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনির চাঁদ টাইটানের বায়ুমণ্ডলীয় তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, পৃথিবী ছাড়াও অন্য পৃথিবীতে তরল থাকতে পারে এবং নাইট্রোজেন, মিথেন এবং আরও জটিল হাইড্রোকার্বনের উপস্থিতিতে প্রিবায়োটিক রাসায়নিক বিক্রিয়ার সম্ভাবনার তথ্যও পাওয়া গিয়েছে ভয়েজারের মাধ্যমে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nadir Crater:  ডাইনোসরের যুগে তৈরি হওয়া গর্তের সন্ধান আজ! গ্রহাণু আছড়ে পড়ায় সৃষ্টি হয় ‘নাদির’ গহ্বরের

    Nadir Crater: ডাইনোসরের যুগে তৈরি হওয়া গর্তের সন্ধান আজ! গ্রহাণু আছড়ে পড়ায় সৃষ্টি হয় ‘নাদির’ গহ্বরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিশ্বাস্য! ডাইনোসরের যুগের এক গর্ত পৃথিবীর বুকে আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা। এই গর্তটি সমুদ্রপৃষ্ঠের নীচে অবস্থিত। এই আবিষ্কার নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গবেষক মহলে। তবে এতদিন কেন এই গর্ত কারও চোখে পড়েনি, তা নিয়েও অনেক জল্পনা শুরু হয়েছে।

    একসময় পৃথিবীতে রাজত্ব করত ডাইনোসররা। কিন্তু মহাকাশ থেকে বিভিন্ন আকৃতির শিলা, গ্রহাণু পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়ার কারণে ডাইনোসর সহ আরও অনেক প্রজাতির প্রাণীরা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। আর এইসব বিশালাকৃতির গ্রহাণু, শিলা পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়ায় সৃষ্টি হয় একাধিক গহ্বর বা গর্ত।

    বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন তাঁরা যে নতুন গর্তটি আবিষ্কার করেছেন, এটি ডাইনোসরের শেষ হওয়ার সময়েই সৃষ্টি হয়েছিল। তাঁদের ধারণা লক্ষ লক্ষ বছর আগে ডাইনোসর ধ্বংসকারী গ্রহাণুর আছড়ে পড়ার পরেই এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর বুকে পড়েছিল, ফলে সৃষ্টি হয়েছে এই গর্তের। এই গর্তটি আবিষ্কার করেছেন এডিনবার্গের হেরিওট-ওয়াট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক উইসডিয়ান নিকোলসন। তিনি জানিয়েছেন দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকার মধ্যে টেকটোনিক বিভাজনের উপর একটি গবেষণার জন্য ডেটা বিশ্লেষণ করার সময়, পশ্চিম আফ্রিকার গিনির উপকূলে প্রায় ৪০০  কিলোমিটার দূরে সমুদ্রতলের ১৩০০ ফুট নীচে এই গর্তটি দেখতে পান। তখন তিনি এই গহ্বরটির নাম দেন নাদির ক্রেটার (Nadir Crater)।

    আরও পড়ুন: পৃথিবীকে বাঁচাতে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ নাসার মহাকাশযানের! দেখতে পাবেন লাইভ

    নিকোলসন পর্যবেক্ষণ করে বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে, পাঁচ মাইল জুড়ে তৈরি গর্তটি, একটি গ্রহাণুর জন্যই সৃষ্টি হয়েছে। যদিও এই গ্রহাণুটি ডাইনোসর ধ্বংসকারী শিলার থেকে অনেকটাই ছোট। কারণ যে মহাকাশ শিলা ডাইনোসরদের হত্যা করেছিল, তা মেক্সিকো উপসাগরে পড়ে ১০০ মাইল জুড়ে চিক্সউলুব ক্রেটার (Chicxulub Crater) তৈরি করেছিল। তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা অনুমান করেছেন, ১৩০০ ফুট লম্বা গ্রহাণুটি প্রতি সেকেন্ডে ১২ মাইল বেগে চলছিল এবং এর শক্তি সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক বিস্ফোরণের চেয়েও ১০০ গুণ বেশি ছিল। তিনি বিশ্বাস করেন যে, এই গ্রহাণুর সংঘর্ষের ফলে একটি বড় সুনামি হয়েছিল, বৃহৎ ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়েছিল ও এর কম্পন নিশ্চয়ই অনেক দূর থেকেই অনুভূত হয়েছিল।

    বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন সমুদ্রের নীচে এমন গর্তের আবিষ্কার খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এর ফলে তাঁরা এই গর্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা করার সুযোগ পাবে ও সমুদ্রের প্রভাবগুলির প্রক্রিয়া সম্পর্কে বুঝতে পারবে। তাছাড়াও এই ঘটনার সঙ্গে কোনও চিক্সউলুব ক্রেটারের কোনও যোগসূত্র আছে কিনা তাও জানতে পারবেন তাঁরা।

  • Aurora: অস্ট্রেলিয়ার আকাশে বিরল মেরুপ্রভা! স্পেস স্টেশনের ক্যামেরায় বন্দি সেই দৃশ্য

    Aurora: অস্ট্রেলিয়ার আকাশে বিরল মেরুপ্রভা! স্পেস স্টেশনের ক্যামেরায় বন্দি সেই দৃশ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে প্রতিনিয়ত কতই না মহাজাগতিক ঘটনা চলেছে, যার প্রভাব আমরা পৃথিবীর ওপরেও দেখতে পাই। সম্প্রতি কয়েকদিন আগেই সৌর ঝড় (Solar Storm) পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে, আর তার ফলে সৃষ্টি হয় অরোরা বা মেরুপ্রভা (Aurora)। এই মেরুপ্রভার একটি চোখধাঁধানো ভিডিও ইন্টারন্যাশনাল স্পেস সেন্টার (ISS) থেকে সম্প্রতি শেয়ার করা হয়েছে, যা ব্যাপকভাবে ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে।

    মহাকাশ স্টেশনটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপরে অরোরা গঠনের বিস্ময়কর দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি করেছে। আইএসএস থেকে জানানো হয়েছে, আইএসএস ভারত মহাসাগরের উপরে ছিল এবং অস্ট্রেলিয়ার পূর্বে কোরাল সাগরের দিকে যাওয়ার সময় এই মেরুপ্রভার অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়।

    আরও পড়ুন: ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে পৃথিবী! হঠাৎ আছড়ে পড়ল সৌর ঝড়

    জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবার স্পেস ওয়েদার প্রেডিকশন সেন্টার (SWPC) অনুসারে, ৪ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর ওপর আছড়ে পড়ে সৌর ঝড়। জি-২ ক্লাসের সৌর ঝড় পৃথিবীতে আঘাত করার ফলেই এই মেরুপ্রভার সৃষ্টি হয়েছিল। এই ঝড় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অংশ সহ কিছু অঞ্চলে একটি অরোরা তৈরি করেছিল।

    কী এই অরোরা বা মেরুপ্রভা বা মেরুজ্যোতি?

    সৌরঝড়ের ফলে প্লাজমা মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। সেটি পৃথিবীতে এসে পৌঁছলে এগুলি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র ও বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে। সেই কারণেই অণু-পরমাণুর সংঘর্ষে উজ্জ্বল আলোকবৃত্ত তৈরি হয়। বেশিরভাগ আরোরাতেই সবুজ ও গোলাপী রঙ দেখা যায়। কখনও নজরে পড়ে নীল, লাল বা বেগুনী রঙও। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের মতে, অরোরা শুধুমাত্র রাতে দেখা যায় এবং সাধারণত শুধুমাত্র নিম্ন মেরু অঞ্চলে দেখা যায়। সাধারণত কানাডা, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, গ্রিনল্যান্ড, রাশিয়া, আন্টার্টিকায় এই রঙের খেলা দেখা যায়। উত্তর অক্ষাংশে এটি অরোরা বোরিয়ালিস বা নর্দার্ন লাইটস বা সুমেরুজ্যোতি নামে পরিচিত। আর দক্ষিণে এর নাম অরোরা অস্ট্রালিস বা সাউদার্ন লাইটস বা কুমেরুজ্যোতি।  

    আরও পড়ুন: সরাসরি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে সৌর ঝড়! ফল কী হতে পারে? জানুন

  • Artemis 1 Mission: দ্বিতীয় চেষ্টাও ব্যর্থ! নাসার আর্টেমিস মিশনের রকেট উৎক্ষেপণ পিছিয়ে অক্টোবরে?

    Artemis 1 Mission: দ্বিতীয় চেষ্টাও ব্যর্থ! নাসার আর্টেমিস মিশনের রকেট উৎক্ষেপণ পিছিয়ে অক্টোবরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত নাসার (NASA) দ্বিতীয়বারের চেষ্টাও বিফলে গেল। নাসা থেকে জানানো হয়েছে, এই মাসে হয়তো আর্টেমিস ১ মিশনের (Artemis 1 Mission) প্রথম ধাপ অতিক্রম করা সফল হবে না।

    গত সোমবার অর্থাৎ ২৯ অগাস্ট পৃথিবীর মাটি ছেড়ে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল নাসার রকেটের। কিন্তু সেদিন আর উৎক্ষেপণ করা হয়নি। কারণ উৎক্ষেপণের ঠিক আগের মুহূর্তে রকেটের ইঞ্জিনে কিছু যান্ত্রিক গোলোযোগ দেখা যায়। এরপর দ্বিতীয়বারের জন্য নাসার তরফে পরিকল্পনা করা হয়েছিল যে ৩ সেপ্টেম্বর নাসার স্পেস লঞ্চ সিস্টেম(SLS Rocket) রকেট চাঁদে পাঠানো হবে। কিন্তু সেটিও আর হয়ে উঠল না।

    গত শনিবার কাউন্টডাউন শেষ হওয়ার ঠিক ২ ঘণ্টা ২৮ মিনিট আগে এই মিশনটি স্থগিত করা হয়। ঠিক ছিল ৩ সেপ্টেম্বর ফ্লোরিডার সময় অনুযায়ী, বেলা ২টা ১৭ মিনিটে উৎক্ষেপণ করা হবে রকেটটি। কিন্তু উৎক্ষেপণের আগে ইঞ্জিনে জ্বালানী লিকেজের সমস্যার ফলে রকেটটিকে ফের ভেহকেল অ্যাসেম্বলি বিল্ডিং (Vehicle Assembly building)-এ নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই নাসা সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছে, রকেটটিকে কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড ৩৯ বি থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আরও জানানো হয়েছে, সেপ্টেম্বরের প্রথমের দিকে রকেটটিকে লঞ্চ করা একেবারেই সম্ভব নয়।

    আরও পড়ুন: আশায় বুক বাঁধছে নাসা! ‘আর্টেমিস ১’ মিশন উৎক্ষেপণের নতুন দিন ৩ সেপ্টেম্বর

    নাসার বিজ্ঞানীরা শনিবার এসএলএস রকেট উৎক্ষেপণের আগে তরল হাইড্রোজেন পূরণ এবং নিষ্কাশন করতে ব্যবহৃত 8-ইঞ্চি লাইনের চারপাশে গ্রাউন্ড সাইড এবং রকেট সাইড প্লেটের মধ্যে একটি গর্তে ফুটো দেখতে পায়, যার ফলে সেদিন এই মিশন স্থগিত করা হয়। নাসা অনুসারে, তাদের টিম সমস্যাগুলো সমাধান করার জন্য তিনবার চেষ্টা করেছিল কিন্তু সমস্ত চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে। উল্লেখ্য, এসএলএস রকেটের মূল পর্যায়ে দুটি ট্যাঙ্ক রয়েছে, একটি ৫৩৮৬০৬ গ্যালন তরল হাইড্রোজেন এবং অন্যটি ১৯৬০০০ গ্যালন তরল অক্সিজেন সংরক্ষণের জন্য।

    পরবর্তী লঞ্চের জন্য নাসা থেকে জানানো হয়েছে, ১৯ সেপ্টেম্বরের আগে উৎক্ষেপণ করা কিছুতেই সম্ভব নয়। তবে রকেট লঞ্চ অক্টোবর মাস পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবরের মধ্যে ১৪ বার লঞ্চ করার সুযোগ রয়েছে, আবার ১৭ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ১১ বার সুযোগ রয়েছে আর্টেমিস মিশনের রকেট উৎক্ষেপণ করার।

  • Super Typhoon Hinnamnor: গতি ঘণ্টায় ২৫৭ কিলোমিটার! ধেয়ে আসছে সবচেয়ে বিধ্বংসী টাইফুন ‘হিন্নামনর’

    Super Typhoon Hinnamnor: গতি ঘণ্টায় ২৫৭ কিলোমিটার! ধেয়ে আসছে সবচেয়ে বিধ্বংসী টাইফুন ‘হিন্নামনর’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে উত্তাল পূর্ব চিন সাগর। ঝড়টির নাম দেওয়া হয়েছে সুপার টাইফুন ‘হিন্নামনর’ (Hinnamnor)। এই ঝড়কে চলতি বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড় বলা হয়েছে। বর্তমানে সুপার টাইফুন ‘হিন্নামনর’ পূর্ব চিন সাগর জুড়ে শক্তি বৃদ্ধি করছে। এর ফলে চরম বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে জাপানের দক্ষিণ অঞ্চলের দ্বীপগুলি এবং চিনের পূর্ব উপকূল জুড়ে।

    ইউএস জয়েন্ট টাইফুন সতর্কীকরণ কেন্দ্র (US Joint Typhoon Warning Center) থেকে জানানো হয়েছে ঘণ্টায় প্রায় ১৬০ মাইল অর্থাৎ ২৫৭ কিলোমিটার বেগে এগিয়ে আসছে এই ঝড়। এর পাশাপাশি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৩১৩ কিলোমিটারের বেশি বেগে দমকা হাওয়া বইছে। জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সির (Japan Meteorological Agency) একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই সময়ে সর্বোচ্চ গতির উপর ভিত্তি করেই হিন্নামনর ঝড়কে ২০২২ সালের সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ইউএস জয়েন্ট টাইফুন সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে, পূর্ব চিন সাগরে টাইফুনের ফলে ঢেউয়ের উচ্চতা এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক ৫০ ফুট অর্থাৎ ১৫ মিটার।

    আরও পড়ুন: কলকাতাসহ পার্শ্ববর্তী জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস, বাড়বে ট্রাফিকজনিত সমস্যা

    ইউএস জয়েন্ট টাইফুন সতর্কীকরণ কেন্দ্র পূর্বাভাস দিয়েছে যে সুপার টাইফুনটি আগামী দিনে তার কিছু শক্তি হারাবে। হংকং অবজারভেটরি জানিয়েছে বুধবার সকাল ১০টায় টাইফুনটি জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপ থেকে প্রায় ২৩০ কিলোমিটার পূর্বে ছিল। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি ঘণ্টায় প্রায় ২২ কিলোমিটার বেগে পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে রিউকিউ দ্বীপের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

    গত ২৫ বছর ধরে বছরের এই সময়ে আটলান্টিকে হ্যারিকেন প্রবণ অঞ্চল বেশ সক্রিয় থাকে। তবে এ বছর এখনও তেমন কিছু দেখা যায়নি। কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির মৌসুমী ঝড়ের পূর্বাভাসের প্রধান লেখক ফিল ক্লটজবাচ (Phil Klotzbach, lead author of Colorado State University’s seasonal storm forecast) জানিয়েছেন সাত দশকেরও বেশি সময়ে কেবল দু’বছর ১৯৬১ এবং ১৯৯৭ সালে অগাস্ট মাসে আটলান্টিকে ঝড় হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Artemis 1 Mission: ‘নাসা’-র তৈরি রকেটে যান্ত্রিক গোলযোগ! শেষ মুহূর্তে স্থগিত আর্টেমিস ১ উৎক্ষেপণ

    Artemis 1 Mission: ‘নাসা’-র তৈরি রকেটে যান্ত্রিক গোলযোগ! শেষ মুহূর্তে স্থগিত আর্টেমিস ১ উৎক্ষেপণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেবারে শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হল আর্টেমিস-১ মিশনের (Artemis 1 Mission) চন্দ্রযান যাত্রা। সোমবার অর্থাৎ গতকালই এক ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু হওয়ার কথা ছিল। ঠিক ছিল গতকাল ভারতীয় সময়ের সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে এসএলএস রকেটটিকে চাঁদের উদ্দেশে উৎক্ষেপণ করা হবে। কিন্তু রকেট উৎক্ষেপণের ঠিক ৪০ মিনিট আগে হঠাৎ রকেটের প্রধান চারটি ইঞ্জিনের মধ্যে একটিতে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিলে নাসার ইঞ্জিনিয়াররা তৎক্ষণাৎ মিশন থামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, নাসার তরফে জানানো হয়েছে, ৩০ অগাস্ট একটি প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছে. যেখানে ঘোষণা করা হবে যে এরপর কবে রকেট উৎক্ষেপণের দিন নির্ধারণ করা হবে। তবে জানা গিয়েছে, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার  ফের রকেট উৎক্ষেপণের পরবর্তী দিন ঠিক করা হবে। আপাতত চন্দ্রযান লঞ্চ প্যাডের জায়গাতেই থাকবে।

    আরও পড়ুন: আর্টেমিস ১ মিশনের প্রথম ধাপ! আজই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিতে চলেছে নাসার মহাকাশযান

    ঠিক কী কারণে যান্ত্রিক ত্রুটি হয়েছে, সেটাই খতিয়ে দেখছেন নাসার ইঞ্জিনিয়ারদের দল। তারপরেই জানা যায়, রকেটের চারটি আরএস-২৫ ইঞ্জিনের একটিতে তাপমাত্রা জনিত সমস্যার কারণে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা যায়। এছাড়াও হাইড্রোজেন জ্বালানির ট্যাঙ্কে হাইড্রোজেন ভরাট করার সময় ফুটো দেখা দিয়েছিল। সেই সঙ্গে দেখা দেয় খারাপ আবহাওয়ার সমস্যাও। এরপরেই এই যাত্রা স্থগিত করা হয়।

    তবে তাঁরা আশাবাদী, যে শীঘ্রই এই সমস্যাগুলোর  সমাধান করা হবে। চন্দ্র অভিযানের প্রথম পর্যায় হিসেবে, এদিন নাসার তৈরি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (SLS)  উড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আর্টেমিস মিশনের প্রথম ধাপেই বড় বাধার সম্মুখীন হতে হল নাসা-কে(NASA)।

    আরও পড়ুন: মানুষ তো খেলনা নয়! জানেন কি আর্টেমিস-১ রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে ‘খেলনা-মানুষ’?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • DART Mission: পৃথিবীকে বাঁচাতে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ নাসার মহাকাশযানের! দেখতে পাবেন লাইভ

    DART Mission: পৃথিবীকে বাঁচাতে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ নাসার মহাকাশযানের! দেখতে পাবেন লাইভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা গ্রহাণু কখনও কখনও পৃথিবীর জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে যার ফলে নাসা (NASA) থেকে এক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রহাণু থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে নাসা তৈরি করেছে ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট বা ডার্ট মিশনের। স্পেস ক্রাফটের মাধ্যমে এই প্রথমবার একটি গ্রহাণুর সঙ্গে ইচ্ছাকৃত সংঘর্ষ করতে চলেছে নাসা (NASA)। শুধু তাই নয়, ডার্ট মিশনের মহাকাশযানকে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ করার এই বিরল দৃশ্য লাইফ স্ট্রিম করা হবে। আগামী মাসের ২৬ তারিখে এই মিশনের অংশ হিসেবে  গ্রহাণুতে আঘাত করা হবে।

    এমন বিরল ঘটনা হয়তো আগে কখনও ঘটেনি। তবে ১৯৯৮ সালে হলিউডে বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছিল ‘আর্মা গেডন’(Arma Geddon), সেই ছবিতে এমন ঘটনা দেখানো হয়েছিল। সেখানেও গ্রহাণুর সঙ্গে মহাকাশযানের সংঘর্ষ ঘটানো হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ‘নাসা’-র তৈরি রকেটে যান্ত্রিক গোলযোগ! শেষ মুহূর্তে স্থগিত আর্টেমিস ১ উৎক্ষেপণ

    কী এই ডার্ট মিশন?

    পৃথিবীর দিকে যদি কোনওদিন কোনও গ্রহাণু ধেয়ে আসে, তবে তার গতিপথ বদলে দেওয়াই এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য। DART মহাকাশযানটি ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ এয়ার ফোর্স বেস থেকে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটে করে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। গ্রহাণুকে দূরে রাখতে বা তার দিক পরিবর্তন করতে নাসা গত বছর ডার্ট মিশন চালু করেছে।

    ১৬০ মিটার আকৃতি বিশিষ্ট ‘ডিমরফস’ নামক একটি গ্রহাণুর সঙ্গেই এই বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। ‘ডিমরফস’ হল একটি ছোট ‘মুনলেট’ যা ‘ডিডিমোস’ (Didymos) নামে একটি বড় গ্রহাণুকে প্রদক্ষিণ করে। এটি প্রায় ৭৮০ মিটার জুড়ে রয়েছে।

    কখন কীভাবে এই দৃশ্য দেখবেন?

    এই ঘটনার লাইভ দেখানো হবে নাসা টিভি নামক চ্যানেলে। ভারতীয় সময় অনুসারে ২৭ সেপ্টেবর মধ্যরাত ৩টা ৩০ মিনিটে দেখানো হবে। এর পাশাপাশি একই সময়ে নাসার ফেসবুক, ট্যুইটার, ইউটিউবে দেখানো হবে। নাসা অনুসারে, ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যে ৭টা ১৪ মিনিটে অর্থাৎ ভারতীয় সময়ে ভোর ৪ টা ৪৫ মিনিটে ডার্টের স্পেসক্রাফট ডিমরফস গ্রহাণুর সম্মুখীন হবে ও সংঘর্ষ ঘটাবে। প্রায় ২৪ হাজার কিলোমিটার বেগে এটি গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ করবে।

  • Mars: মঙ্গলে প্রবাহিত নদী-হ্রদ! প্রমাণ হিসেবে মানচিত্র প্রকাশ করল ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি

    Mars: মঙ্গলে প্রবাহিত নদী-হ্রদ! প্রমাণ হিসেবে মানচিত্র প্রকাশ করল ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলে (Mars) জল আছে বা ছিল, তা আগেই জানতে পেরেছিলেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। তবে এবারে তার প্রমাণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা পেলেন মানচিত্র। সেই মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে লাল গ্রহে একসময় প্রবাহিত ছিল নদী এবং হ্রদ। পৃথিবীর নিকটতম লাল গ্রহে জলের প্রমাণ পাওয়ার পর জীবনের সন্ধান করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। বিলিয়ন বিলিয়ন বছরের বিবর্তনে লালগ্রহ থেকে জল হারিয়ে গিয়েছিল এবং আজ তার পৃষ্ঠে জলের কোনও চিহ্ন মাত্র নেই। তবে সম্প্রতি কেমিক্যাল এবং স্পেকট্রাল পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, মঙ্গলে একসময় জল ছিল।

    ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির (ESA) তরফে মঙ্গল গ্রহের জলের প্রথম মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে মানুষ অবতরণ করতে পারে এমন সম্ভাব্য জায়গাগুলিও দেখা গিয়েছে এই মানচিত্রে। মানচিত্রগুলিতে আরও দেখা গিয়েছে গ্রহ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা খনিজ বস্তুগুলিকে। গত দশকের গবেষণা ও পর্যবেক্ষণে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই মানচিত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।

    বিজ্ঞনীরা মনে করছেন, মানুষ মঙ্গল গ্রহে পা রাখার আগে, এই মানচিত্রটি মিশনের জন্য খুবই উপকারী কারণ এর সাহায্যে মঙ্গলে অবতরণ করার জায়গাগুলি সনাক্ত করা যেতে পারে। যেখানে প্রচুর পরিমাণে জলীয় খনিজ রয়েছে সেই স্থানগুলি সন্ধানের জন্য ইউরোপের মার্স এক্সপ্রেস অবজারভেটরি এবং আমেরিকার মার্স রিকনেসেন্স অরবিটার একসঙ্গে কাজ করছে। জানা গিয়েছে, এই খনিজগুলি পাথর থেকে তৈরি হয়, যা অতীতে রাসায়নিক ভাবে জল দ্বারা পরিবর্তিত হয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কাদামাটি এবং লবণে পরিবর্তিত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: চাঁদ ও মঙ্গলের পর এবার শুক্রগ্রহে অভিযান চালাবে ইসরো

    বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তাঁরা গ্রহের কয়েকটি অংশে এই ধরনের হাজার হাজার খনিজ পদার্থ খুঁজে পেয়েছেন। আর সমস্ত গ্রহ জুড়ে জলীয় খনিজ খুঁজে পাওয়া প্রমাণ করে যে, মঙ্গলে জল শুধুমাত্র কয়েকটি স্থানেই সীমাবদ্ধ ছিল না। গ্রহের চারপাশে ভূতত্ত্ব গঠনেও একটি বিশাল ভূমিকা পালন করেছিল। এখন একটাই প্রশ্ন যে, জল সেখানে স্থায়ী ছিল, নাকি সীমাবদ্ধ ছিল।

    জন কার্টার নামে এক বিজ্ঞানী জানান, বিজ্ঞানীরা প্রাথমিকভাবে ভেবেছিলেন যে যখন এটি ভেজা অবস্থায় ছিল, তখনই শুধুমাত্র কয়েক ধরনের কাদামাটির মত খনিজ পদার্থ তৈরি হয়েছিল। তবে নতুন মানচিত্রে অন্য কিছুর ইঙ্গিত মিলেছে। তিনি বলেন, যদিও মঙ্গলগ্রহের অনেক লবণ সম্ভবত কাদামাটির থেকে পরে তৈরি হয়েছিল। মানচিত্রে আরও দেখা যায় লবণ ও কাদামাটির ঘনিষ্ঠ মিশ্রণ রয়েছে। আবার কিছু লবণ মাটির থেকেও পুরনো বলে অনুমান করা হয়েছে।

    ইএসএ-র (ESA) প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জল ও জলের বিবর্তন ততটা স্পষ্ট নয় মানচিত্রে। আবার মঙ্গলে খনিজ পদার্থের বিবর্তনও ব্যাখ্যা করা যাচ্ছেনা । ভূতত্ত্ববিদরা লাল গ্রহের সার্ভে করার জন্য মার্স এক্সপ্রেসের ওমেগা যন্ত্র ও এমআরও-তে মার্সের জন্য কমপ্যাক্ট রিকনাইসেন্স ইমেজিং স্পেকট্রোমিটার (Compact Reconnaissance Imaging Spectrometer for Mars) থেকে ডেটা ব্যবহার করেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Artemis 1 Mission: আর্টেমিস ১ মিশনের প্রথম ধাপ! আজই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিতে চলেছে নাসার মহাকাশযান

    Artemis 1 Mission: আর্টেমিস ১ মিশনের প্রথম ধাপ! আজই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিতে চলেছে নাসার মহাকাশযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এরপরেই আর্টেমিস ১ মিশনের (Artemis 1 Mission) চন্দ্র যাত্রা শুরু হতে চলেছে। সোমবার অর্থাৎ আজ নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার (NASA’s Kennedy Space Center) থেকে স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৩ মিনিটে উৎক্ষেপণ করা হবে এসএলএস রকেট। অর্থাৎ ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ লঞ্চ প্যাড ৩৯ বি -এর মাধ্যমে নাসার ওরিয়ন স্পেসক্রাফট চাঁদের উদ্দেশে রওনা দেবে।

    আর্টেমিস মিশনের তিনটি পর্যায় রয়েছে। সেগুলি হল আর্টমিস ১,২ এবং ৩। স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেটেই থাকবে ওরিয়ন স্পেসক্রাফট (Orion Spacecraft)। বিশাল এসএলএস রকেট এবং ওরিয়ন স্পেস ক্যাপসুল মহাকাশচারীদের চাঁদের কক্ষপথে নিয়ে যাবে। সেখান থেকে মহাকাশচারীদের চাঁদে নিয়ে যাবে।

    আগে ঠিক করা হয়েছিল যে আবহাওয়া পরিস্কার না থাকলে সেপ্টেম্বরে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হবে। কিন্তু আজ আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে আকাশ প্রধানত পরিস্কারই থাকবে, ৮০% সুযোগ থাকবে সফল উৎক্ষেপণের। ফলে আজই উৎক্ষেপণ করতে চলেছে রকেট। আর এই মুহূর্তেরই অপেক্ষা করে আছে গোটা বিশ্ব।

    আরও পড়ুন: মানুষ তো খেলনা নয়! জানেন কি আর্টেমিস-১ রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে ‘খেলনা-মানুষ’?

    নাসা (NASA) থেকে জানানো হয়েছে, এই মিশনটি সফল হলেই ২০২৫ সালে মহাকাশচারীরাও পাড়ি দেবেন চাঁদে। সূত্রের খবর, পৃথিবীতে ফিরে আসার আগে মহাকাশযানটি ৪২ দিন ধরে চাঁদকে প্রদক্ষিণ করবে। এরপর ৬ সপ্তাহ পর ফের পৃথিবীতে ফিরে আসবে এবং এটি প্রশান্ত মহাসাগরে এসে নামবে। এই রকেটের মধ্যে ওরিয়ন নামক স্পেসক্রাফটি রয়েছে, তাতে কোনও মানুষ থাকবে না। তবে এতে মানুষ না থাকলেও মানুষের ন্যায় রোবট থাকবে।

    প্রসঙ্গত, চাঁদে শেষবার মানুষ পাড়ি দিয়েছিলেন ১৯৭২ সালের অ্যাপোলো মিশনে (Apollo)। অ্যাপোলো মিশনের পাঁচ দশকের পর আবার চাঁদে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে নাসা (NASA)। সে পরিকল্পনায় প্রথম বড় পদক্ষেপ হতে চলেছে আর্টেমিস ১ মিশন। পরের বছর দ্বিতীয় ধাপে আবার রকেট পাঠানো হবে ও তৃতীয় ধাপে চাঁদের বুকে মানুষ নামবে বলে জানিয়েছে নাসা। ৩২২ ফুট লম্বা রকেটটি বানাতে খরচ হয়েছে ৯৩ বিলিয়ন ডলার, যা নাসার সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। নাসার এ অভিযান সফল হলে দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় পর আবারও চাঁদের বুকে পা রাখবে মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share