Category: খেলা

Get updates on Sports News Cricket, Football, Tennis, from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • East Bengal FC: বিশৃঙ্খলা ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে! উৎসব শেষ চার মিনিটেই, কুয়াদ্রাতের লক্ষ্য ডার্বি

    East Bengal FC: বিশৃঙ্খলা ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে! উৎসব শেষ চার মিনিটেই, কুয়াদ্রাতের লক্ষ্য ডার্বি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। এক যুগ পর আবার ট্রফি নিয়ে শহরে ফিরল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। সুপার কাপে টিমকে চ্যাম্পিয়ন করলেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। সোমবার বিকেলে লাল-হলুদ টিম কলকাতায় পা দিতেই শুরু হয়ে গেল মাত্রাছাড়া উৎসব। বিমানবন্দরের রঙ লাল-হলুদ। টিমকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য় লাল-হলুদ আবির, স্মোকবম্ব,পতাকায় ছেয়ে দেওয়া হয় বিমানবন্দর। বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সমর্থকরা। প্রায় হাজার দশেক সমর্থক ভিড় করেছিলেন বিমানবন্দরে। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয় কুয়াদ্রাত, ক্লেটন, গিলদের। অবশেষে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশি তৎপরতায় এক-একজনকে এসকর্ট করে বের করে নিয়ে আসা হয় বিমানবন্দর থেকে।

    লক্ষ্য ডার্বি

    সবেমাত্র সুপার কাপ জয় করেছে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু, এখন দলের আত্মতুষ্টির কোনও জায়গাই নেই। কারণ সামনেই আবার ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ডার্বি। জয়ের আনন্দেও ডার্বি ম্যাচের চিন্তা লাল-হলুদের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতের। তিনি বলেন, “মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্য আমাদের একেবারে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমরা আপাতত খুব ভালো পারফরম্যান্স করছি। অনেকদিন পর আমরা আবার জিততে পেরেছি। তবে এরপর কলকাতায় ঘরের মাঠে মোহনবাগানের সামনে আমদের লড়াই যে কঠিন হবে, সেটা আমরা খুব ভালো করেই জানি। ডার্বি ম্যাচে জয়লাভ করা সত্যিই খুব কঠিন। তবে আমরা এই ম্য়াচটা জেতার আপ্রাণ চেষ্টা করব।”

    ক্লাব তাঁবুতে বিশৃঙ্খলা

    সোমবার সন্ধ্যায় ইস্টবেঙ্গল মাঠের উৎসব ক্ষণিকেই মিলিয়ে গেল। সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস আর ক্লাব কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনার অভাবে দ্রুত উৎসব শেষ করতে বাধ্য হলেন ক্লাব কর্তারা। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৭ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল মাঠে পা রাখেন কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। তার চার মিনিট আগে ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার (নিতু) সুপার কাপ ট্রফিটি নিয়ে গিয়ে রাখেন সাজানো চারটি টেবিলের মাঝখানে। কোচের পিছু পিছুই মাঠে ঢোকেন ক্লেটন সিলভা, সৌভিক চক্রবর্তী, সাউল ক্রেসপোরা। ব্যস! অমনি দেখা যায় র‌্যাম্পার্টের দিকের কর্নার ফ্ল্যাগের সামনে দিয়ে কিছু ইস্টেবঙ্গল সমর্থক মাঠে ঢুকছেন। কয়েক সেকেন্ডের ম‌ধ্যে তা যেন গ্যালারিতে সংক্রামিত হয়ে যায়। কেউ ফেন্সিং টপকান, তো কেউ উচ্ছ্বাসের ঠেলায় গ্রিলে লাগানো পলকা তালা ভেঙে দেন। বাঁধ ভেঙে যায়। কুয়াদ্রাতদের ঘিরে ফেলেন কয়েক হাজার ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। কোনওরকমে কেক কেটে উৎসবে ইতি টানেন কর্তারা। তবে চার মিনিটের মধ্যে ইস্টবেঙ্গল টিম মাঠ থেকে তাঁবুতে চলে গেলেও আবেগের উদযাপন চলতেই থাকে। আতসবাজি, আবিরে দোল-দীপাবলী একাকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Australian Open 2024: নতুন চ্যাম্পিয়ন! অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে ইতিহাস সিনারের

    Australian Open 2024: নতুন চ্যাম্পিয়ন! অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে ইতিহাস সিনারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেনিস বিশ্বে আলোড়ন ফেললেন ইটালির তরুণ টেনিস তারকা যানিক সিনার। ২০২৪ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ছেলেদের বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হলেন ২২ বছরের সিনার। রবিবার ফাইনালে দানিল মেদভেদেভকে ৩-৬, ৩-৬, ৬-৪, ৬-৪, ৬-৩ সেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন এই তরুণ টেনিস তারকা। সেমিফাইনালে নোভাক জোকোভিচকে হারিয়ে সাড়া ফেলেছিলেন সিনার। এবার বাজিমাত করলেন তিনি। 

    দুরন্ত সিনার

    এদিন ম্যাচের প্রথম দুটি সেটে পিছিয়ে পড়েছিলেন সিনার। কিন্তু তিনি ফিরলেন রাজার মতো। দাপটে বাকি তিনটি সেট জিতলেন তিনি। রড লেভার এরিনায় সিনার দেখালেন অনভিজ্ঞ হলেও তিনিও মহাতারকা হওয়ার ক্ষমতা রাখেন। চলতি আসরে ফাইনালের আগে অবধি একটি সেট হেরেছেন, তাও সেটি জকোভিচের কাছে।  এদিন দুটি সেট হারলেও যেভাবে খেতাব জিতেছেন, ম্যাচ শেষে সবাই তাঁকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। মেলবোর্নে সিনার খেললেন মস্তিষ্ককে কাজে লাগিয়ে। তিনি নেটবলে এতই ভাল যে বিপক্ষ বুঝেই উঠতে পারছিলেন না কী করবেন।

    ইটালির হয়ে ইতিহাস

    কেরিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম খেতাব জয় করলেন সিনার। তিনি মেদভেদেভের স্বপ্ন ভঙ্গ করেন। রাশিয়ার এই টেনিস তারকা অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জেতার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু, ইটালির তরুণ তুর্কির কাছে তাঁকে শেষ পর্যন্ত হার স্বীকার করে নিতে হল। ২০০৪ সাল থেকে সুইজারল্যান্ডের রজার ফেডেরার, সার্বিয়ার নোভাক জোকোভিচ এবং স্পেনের রাফায়েল নাদাল এই টুর্নামেন্টে নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রেখেছিলেন। ২০০৪ সাল থেকে ফেডেরার ৬ বার এই টুর্নামেন্টে জয়লাভ করেছেন। জোকোভিচ তাঁর থেকে বেশি ১০ বার জয়লাভ করেন। অন্যদিকে নাদাল মাত্র ২ বারই জয়লাভ করতে পেরেছেন। ইতিমধ্যে রাশিয়ার মারাট সাফিন ২০০৫ সালে এবং বাবরিঙ্কা ২০১৪ সালে এই টুর্নামেন্টে খেতাব জিতেছিলেন। অবশেষে ইটালির প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে সিনার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের খেতাব জয় করেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal FC: ট্রফিহীন যুগের অবসান! সুপার কাপ জয়ের পরই প্লেয়ার বদল ইস্টবেঙ্গলের

    East Bengal FC: ট্রফিহীন যুগের অবসান! সুপার কাপ জয়ের পরই প্লেয়ার বদল ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় স্তরে ১২ বছর পর  ট্রফি জিতল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার সুপার কাপের ফাইনালে ৩-২ গোলে ওড়িশার বিপক্ষে জয়লাভ করে লাল-হলুদ শিবির। মশাল জ্বলে সমর্থকদের ঘরে ঘরে। ওডিশার হয়ে গোল করলেন দিয়েগো মরিশিও এবং জাহু। আর ইস্টবেঙ্গলের হয়ে একটি করে গোল করেন নন্দকুমার এবং সাউল ক্রেসপো এবং অধিনায়ক ক্লেইটন সিলভা।

    কোচের পছন্দে নতুন প্লেয়ার

    ইস্টবেঙ্গল সুপার কাপ জেতার দিনেই লাল-হলুদ থেকে সরে যাওয়া নিশ্চিত হল বোরহা হেরেরার। ইস্টবেঙ্গল থেকে লোনে এফসি গোয়া দলে যোগ দিচ্ছেন এই মিডফিল্ডার। সূত্রের খবর অনুযায়ী, স্প্যানিশ বোরহার বদলে আর এক স্প্যানিশ ফুটবলারকে সই করতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। গত বছর তিনি খেলেছেন আমেরিকার মেজর লিগ সকারে (এমএলএস), যে লিগে এখন খেলেন লিয়োনেল মেসি, লুই সুয়ারেসরা। বোরহার মতোই তিনি মিডফিল্ডার। কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাত এই ফুটবলারকে বেছে নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    রবিবার সুপার কাপের ফাইনাল ম্যাচে কার্লেস কুয়াদ্রাতের দল ওডিশা এফসি’র বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন দিয়েগো মরিশিয়ো। প্রথমার্ধে ওড়িশা ১-০ গোলে লিড নিয়ে নেয়। ৫২ মিনিটে ম্য়াচে সমতা ফেরান নন্দকুমার। মহেশ তাঁর দিকে গোল করার জন্য বলটা একেবারে সাজিয়ে দিয়েছিলেন।

    ৬২ মিনিটে ম্যাচের স্কোর কার্ড ২-১ করে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে বোরহাকে বক্সের মধ্যে বাজেভাবে ফাউল করে মোর্তাদা ফল। সেকারণে লাল-হলুদ ব্রিগেডকে পেনাল্টি দেওয়া হয়। আর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে বিন্দুমাত্র ভুল করলেন না সাউল ক্রেসপো। ম্যাচের একেবারে শেষবেলায় পেনাল্টি পায় ওড়িশা। সমতা ফেরান জাহু। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অবশেষে ১১০ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন ক্লেইটন সিলভা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs England: ইংল্যান্ডের কাছে লজ্জার হার ভারতের, পড়ুন পরাজয়ের ধারা বিবরণী

    India vs England: ইংল্যান্ডের কাছে লজ্জার হার ভারতের, পড়ুন পরাজয়ের ধারা বিবরণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম টেস্ট ম্যাচে চার দিনেই ইংল্যান্ডের কাছে হেরে গেল ভারত (India vs England)। নিজেদের পাতা স্পিনের ফাঁদেই আটকে গেল রোহিত শর্মার দল। রবিবার ইংল্যান্ডের অখ্যাত স্পিনারদের সামনে অসহায়ভাবে আত্মসমর্পণ করলেন ভারতীয় ব্যাটাররা।

    লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে ব্যর্থ রোহিতরা

    ২৮ রানে হেরে সিরিজ শুরু করেছিলেন রোহিতরা। তার পরেও ২৩১ এর লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে পারল না ভারতীয় ক্রিকেট দল। খেলা হচ্ছিল হায়দরাবাদে। প্রথম থেকেই কারও মধ্যে টেস্টসুলভ ব্যাটিং করার মানসিকতা দেখা যায়নি। শুভমন গিল আউট হয়ে যান শূন্য রানে। তরুণ ব্যাটার যশস্বী জয়সওয়ালও ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন মাত্র ১৫ রান করে। ৪২ রানের মধ্যে দুটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রোহিত শর্মার দল। ৩৯ রান করে স্বয়ং অধিনায়ক টেন্টে ফিরে যাওয়ায় সেই চাপ আরও বাড়ে।

    অভিষেক টেস্টেই মাত হার্টলের

    খেলা ধরতে নামানো হয় অলরাউন্ডার অক্ষর পটেলকে। চা বিরতি পর্যন্ত অক্ষর করেন ১৭ রান। তার পরে নেমে আর রান পাননি। রাহুল দ্রাবিড়ও আউট হয়ে যান মাত্র ২২ রানে। রোহিত শর্মার দলের পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে চারজনকেই সাজঘরে ফেরান ইংল্যান্ডের তরুণ স্পিনার টম হার্টলে (India vs England)। এটি ছিল তাঁর অভিষেক টেস্ট। ৬২ রানে ৭ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও অর্জন করলেন এই তরুণ। মাত্র ১৭ রানে আউট হন শ্রেয়স আইয়ার। ২ রানে আউট হন রবীন্দ্র জাডেজা। ১৯৯ রানেই ৭ উইকেট পড়ে যায়। শ্রীকর ভরত সাজঘরে ফেরেন ২৮ রান করে। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সংগ্রহেও ২৮ রান। ১২ রান করে আউট হয়ে যান মহম্মদ সিরাজ। ৬ রানে অপরাজিত রইলেন যশপ্রীত বুমরা।

    আরও পড়ুুন: “শক্তিশালী বিচারব্যবস্থা বিকশিত ভারতের অংশ”, সুপ্রিম কোর্টের জন্মদিনে বললেন মোদি

    এদিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে ৪২০ রানে শেষ হয় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস। ২২ গজে কার্যত দাপিয়ে বেড়ান অলি পোপ। চার মেরেছেন ২১টি। তাঁর সংগ্রহে ১৯৬ রান। বুমরার বলে আউট হন তিনি। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে সফলতম বুমরাই। ৪১ রানে চার উইকেট নিয়েছেন তিনি। অশ্বিন নিয়েছেন ৩ উইকেট। ১৩১ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নিয়েছেন জাডেজা। অক্ষরের ঝুলিতে মাত্রই একটি উইকেট। পাঁচ ম্যাচের সিরিজ। তার প্রথমটিতেই ধরাশায়ী রোহিতের দল (India vs England)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Yogi Adityanath: সোনার মেয়ে পারুলের স্বপ্নপূরণে সাহায্য যোগী আদিত্যনাথের

    Yogi Adityanath: সোনার মেয়ে পারুলের স্বপ্নপূরণে সাহায্য যোগী আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান গেমসে মহিলাদের সিঙ্গলসে ৩ হাজার মিটার স্টিপলচেজে রুপো জিতেছিলেন পারুল চৌধুরী (Parul Chaudhary)। তারপর ৫ হাজার মিটারে সোনা জিতলেন। সোনা জেতার পর সহজসরল হাসিমুখে পারুল জানিয়েছিলেন, “আমাদের উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এমন, যেখানে কেউ আন্তর্জাতিক মঞ্চে সোনা জিতলে ডিএসপি (Deputy superintendent of police) পদে প্রমোশন দেয়। ট্র্যাকে দৌড়নোর আগে এটাই আমার মাথায় ছিল।” এবার তার সেই আশাই পূরণ হল। তার স্বপ্ন পূরণ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)।

    পারুলকে নিয়োগপত্র

    উত্তরপ্রদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পারুল চৌধুরী এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ডিএসপি, ইউপি পুলিশ। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাতে তাঁর নিয়োগপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে। উত্তর প্রদেশের মিরাট শহরের একলোটা গ্রামের বাসিন্দা, পারুল চৌধুরী মুম্বাইতে পশ্চিম রেলওয়ের ট্রেন টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) হিসাবে কাজ করেছিলেন। এশিয়ান গেমসে একাই ব্যক্তিগত দুই ইভেন্টে পদক জেতেন পারুল। হ্যাংঝাউয়ে শেষবেলায় ঝড় তুলে এশিয়ান গেমসের ৫,০০০ মিটারে সোনা জেতেন ভারতের তারকা অ্যাথলিট। সেইসঙ্গে গড়ে ফেলেন ইতিহাস। কারণ এশিয়ান গেমসের মহিলাদের ৫,০০০ মিটার রেসিংয়ে এটাই হল ভারতের প্রথম সোনা। 

    পারুলের আগামী লক্ষ্য

    এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ের পর পারুল বলেছিলেন ট্র্যাকে শেষ ৫০ মিটার দৌড়নোর সময় তাঁর মাথায় এসেছিল একটি ভাল চাকরির কথা। আর তা যদি ডিএসপি হয়, তাহলে তো কথাই নয়। এবার পারুলের লক্ষ্য প্যারিস অলিম্পিক্সে। ইতিমধ্যেই প্যারিস অলিম্পিক্সের টিকিট পেয়ে গিয়েছেন ভারতীয় দৌড়বিদ।

    আরও পড়ুন: ‘বুড়ো’ বয়সে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে গ্র্যান্ড স্লাম জিতে রেকর্ড বোপান্নার

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Rohan Bopanna: ‘বুড়ো’ বয়সে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে গ্র্যান্ড স্লাম জিতে রেকর্ড বোপান্নার

    Rohan Bopanna: ‘বুড়ো’ বয়সে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে গ্র্যান্ড স্লাম জিতে রেকর্ড বোপান্নার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স যে নিছকই একটি সংখ্যা মাত্র, ফের তা প্রমাণ করলেন টেনিস খেলোয়াড় রোহন বোপান্না (Rohan Bopanna)। ৪৩ বছর ১১ মাস বয়সে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে গ্র্যান্ড স্লাম পকেটে পুরলেন তিনি। পুরুষদের মধ্যে সব চেয়ে বেশি বয়সে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতার নজির গড়লেন তিনি। খেলা হয়েছিল মেলবোর্নের রড লেভার এরিনায়। ম্যাথু এবডেনের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন তিনি। ফাইনালে তাঁদের লড়তে হয়েছে সিমোনে বোলেল্লি এবং আন্দ্রেয়া ভাভাসোরির সঙ্গে। শনিবার বোলেল্লি-ভাভাসোরি জুটিকে ৭-৬, ৭-৫ গেমে হারান বোপান্না-এবডেন। মিক্সড ডাবলসে একটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছিলেন বোমান্না। ডাবলসে এই প্রথম পেলেন ট্রফি। 

    গড়লেন রেকর্ড

    গ্র্যান্ড স্লাম জিতে বোমান্না ভেঙে দিয়েছেন ফরাসি খেলোয়াড় জাঁ জুলিয়েন রজারের রেকর্ড। ঠিক দু’ বছর আগে মার্সেলো আরেভোলাকে নিয়ে ফরাসি ওপেন জিতেছিলেন তিনি। তখন (Rohan Bopanna) রজারের বয়স ছিল ৪০ বছর ৯ মাস। ২০১৮ সালে ৪০ বছর ৪ মাস বয়সে ইউএস ওপেন জিতেছিলেন মাইক ব্রায়ান। ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় লিয়েন্ডার পেজ ২০১৩ সালে জিতেছিলেন ইউএস ওপেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ৪০ বছর ২ মাস।

    মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা

    অবশ্য পুরুষ-মহিলা ধরলে সব চেয়ে বেশি বয়সে গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছিলেন মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা। লিয়েন্ডার পেজের সঙ্গে জুটি বেঁধে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মিক্সড ডাবলস জিতেছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে তিনি যখন গ্র্যান্ড স্লাম জেতেন, তখন নাভ্রাতিলোভার বয়স ছিল ৪৬ বছর ২৬১ দিন। বোপান্নার জয়ের পরে দর্শক গ্যালারি ভেসে যায় ‘ভারত মাতা কি জয়’ চিৎকারে। বোপান্নাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন ধারাভাষ্যকার টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা, সোমদেব দেববর্মন ও পূরব রাজা। টেনিস বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক পাওয়ার টেনিসে বোপান্নার এই নজির ভাঙা মুশকিল।

    আরও পড়ুুন: দোরগোড়ায় লোকসভা ভোট, ইলেকশন ইন-চার্জ ঘোষণা নাড্ডার, বাংলার দায়িত্বে কে?

    এদিন খেলার মোড় ঘুরে যায় দ্বিতীয় সেটের একাদশতম গেমে বোপান্নাদের ব্রেক। বোলেল্লি-ভাভাসোরি সার্ভিক ব্রেক করেন তাঁরা। তার আগে পর্যন্ত নিজেদের সার্ভিস ধরে রেখেছিলেন। এই সেটও ট্রাইব্রেকারে গড়াতে চলেছে বলে মনে করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। সেই সময় তফাত গড়ে দিল বোপান্নার নেট প্লে ও এবডেনের জোরালো সার্ভিস ম্যাচ (Rohan Bopanna)। প্রসঙ্গত, শনিবারই পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপক হিসেবে বোপান্নার নাম ঘোষণা করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • India vs England: চতুর্থ দিনেই ফয়সালা! ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই করছে ইংল্যান্ড

    India vs England: চতুর্থ দিনেই ফয়সালা! ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই করছে ইংল্যান্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দ্রাবাদ টেস্টে লড়াইয়ে ফিরল ইংল্যান্ড। ম্যাচ যদিও এখনও ভারতেরই অনুকূলে। তৃতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ড এগিয়ে ১২৬ রানে। কৃতিত্ব অলি পোপের। একদিক আটকে রাখলেন তিনি। দিনের শেষে ১৪৮ রানে অপরাজিত তিনি। বুমরা, জাদেজা বা অশ্বিন কেউই টলাতে পারেননি তাঁকে। চতুর্থ দিনে ভারতকে শুরুতেই পোপকে ফেরাতে হবে। রবিবার সকালে ইংল্যান্ডকে দ্রুত ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচ শেষ করতে চাইবে ভারত।

    ভারতের ইনিংস

    দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারতের স্কোর ছিল ৪২১ রানে ৭ উইকেট। ক্রিজে ৮১ রানে রবীন্দ্র জাদেজা ৩৫ রানে অক্ষর প্যাটেল অপরাজিত ছিল। তৃতীয় দিনের সকালে আরও ১৫ রান যোগ করেন জাদেজা ও অক্ষর জুটি। তারপর পরপর ৪৩৬ রানেই ৩ উইকেট হারায় ভারত। ৮৭ রান করে আউট হন রবীন্দ্র জাদেজা। জসপ্রীত বুমরাহ খাতা না খুলেই সাজঘরে ফেরেন। শেষ উইকেট পড়ে অক্ষর প্যাটেলের। ৪৪ রান করেন তিনি। ইংল্যান্ডের হয়ে সব থেকে বেশি উইকেট নিয়েছেন রুটই। দু’টি করে উইকেট নিয়েছেন টম হার্টলি এবং রেহান আহমেদ। একটি উইকেট নেন জ্যাক লিচ। রান আউট হয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। রুট ২৯ ওভারে ৭৯ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন।

    ইংল্যান্ডের ইনিংস

    ১৯০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ইংল্য়ান্ড। ওপনিং জুটিতে ৪৫ রান যোগ করেন জ্যাক ক্রাউলি ও বেন ডাকেট। এরপর ৩১ রান করে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে আউট হন ক্রাউলি। এরপর অলি পোপের সঙ্গে ইনিংস এগিয়ে যান ডাকেট। লাঞ্চের পর একদিক থেকে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে ইংল্যান্ডের। এদিন দ্বিতীয় সেশন ছিল ভারতের অনুকূলে। বুমরার বল বুঝতে পারছিলেন না ইংরেজ ব্যাটারেরা। বলের গতির হেরফের করলেন, কাটার দিয়ে ব্যাটারদের বিভ্রান্ত করলেন। বুমরা দেখালেন পিচ থেকে সাহায্য না পেলে কী ভাবে পেসারদের বল করতে হয়। বুমরার দাপটের সঙ্গে ছিল রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজাদের ঘূর্ণি। ইংল্যান্ডের জনি বেয়ারস্টো জাদেজার বল বুঝতে না পেরে বোল্ড হলেন। অশ্বিনের বলে বোল্ড হন স্টোকস। দ্বিতীয় সেশন ভারতের হলেও তৃতীয়টা ছিল ইংল্যান্ডের, বলা ভাল অলি পোপের। ২০০ বলে ১৪৮ রান করে ক্রিজে রয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Tanmay Agarwal: বিশ্বরেকর্ড তন্ময়ের, ১৬০ বলে ৩২৩, রঞ্জিতে নজির হায়দরাবাদের তরুণের

    Tanmay Agarwal: বিশ্বরেকর্ড তন্ময়ের, ১৬০ বলে ৩২৩, রঞ্জিতে নজির হায়দরাবাদের তরুণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বরেকর্ড গড়লেন হায়দরাবাদের ব্যাটার তন্ময় আগরওয়াল (Tanmay Agarwal)। ১৬০ বলে ৩২৩ রান করে তিনি ছাপিয়ে গেলেন বীরেন্দ্র সেওয়াগকেও। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দ্রুততম ত্রিশতরানের রেকর্ড গড়লেন তিনি।  ১৪৭ বলে তিনি ত্রিশতরান করেন, যা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দ্রুততম। অরুণাচলের বোলারেরা তন্ময়কে থামানোর মতো কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি।

    তন্ময়ের রেকর্ড

    অরুণাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে টি-২০ ক্রিকেটের মেজাজে ইনিংস খেলেছেন তন্ময় (Tanmay Agarwal)। ঘরের মাঠে রঞ্জি ট্রফির প্লেট গ্রুপের ম্যাচে অরুণাচলের মুখোমুখি হয় হায়দরাবাদ। তারা প্রথম দিনে মোটে ৪৮ ওভার ব্যাট করে ১ উইকেটের বিনিময়ে ৫২৯ রানের বিশাল ইনিংস গড়ে তোলে। প্রথম দিনে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে অরুণাচল তাদের প্রথম ইনিংসে ৩৯.৪ ওভারে ১৭২ রান তুলে অল-আউট হয়ে যায়। দুটি ইনিংস মিলিয়ে প্রথম দিনে খেলা হয় সাকুল্যে ৮৭.৪ ওভার। দুই ইনিংস মিলিয়ে রান ওঠে ৭০১। উইকেট পড়ে ১১টি। হায়দরাবাদের ওপেনার তন্ময় আগরওয়াল ৩৩টি চার ও ২১টি ছক্কার সৌজন্যে ১৬০ বলে ৩২৩ রান করে প্রথম দিনের শেষে অপরাজিত থাকেন। অপর ওপেনার রাহুল সিং ২৬টি চার ও ৩টি ছক্কার সৌজন্যে ১০৫ বলে ১৮৫ রানের ইনিংস খেলেছেন।

    ভাঙল সেওয়াগের রেকর্ড

    তন্ময় (Tanmay Agarwal) ভেঙে দিয়েছেন বীরেন্দ্র সেওয়াগের রেকর্ড। এত দিন পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে একটি দিনে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের নিরিখে সবার আগে ছিলেন সেওয়াগ। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একই দিনে ২৮৪ রান করেছিলেন তিনি। সেই নজির ভেঙে দিয়েছেন তন্ময়। একটি দিনেই ৩২৩ রান তুলে দিয়েছেন। ১৪৭ বলে ত্রিশতরানের রেকর্ড করেন তন্ময়। আগে এই রেকর্ড ছিল মার্কো মারাইসের। ২০১৭ সালে তিনি বর্ডার দলের হয়ে ইস্টার্ন প্রভিন্সের বিরুদ্ধে ১৯১ বলে ত্রিশতরান করেছিলেন।

     

    আরও পড়ুন: ইনিংস জয়ের স্বপ্ন দেখার শুরু! দ্বিতীয় দিনের শেষে ১৭৫ রানে এগিয়ে ভারত

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India vs England: ইনিংস জয়ের স্বপ্ন দেখার শুরু! দ্বিতীয় দিনের শেষে ১৭৫ রানে এগিয়ে ভারত

    India vs England: ইনিংস জয়ের স্বপ্ন দেখার শুরু! দ্বিতীয় দিনের শেষে ১৭৫ রানে এগিয়ে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবীন্দ্র জাদেজার ব্যাটে ভর করে বড় রানের লিডের দিকে এগোচ্ছে ভারত। দ্বিতীয় দিনের শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ভারতের রান ৪২১। আপাতত ১৭৫ রানে এগিয়ে টিম ইন্ডিয়া।  প্রথম দিন মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ১১৯ রান তুলে নিয়েছিল ভারত।  দ্বিতীয় দিন শতরানের দোরগোড়া থেকে ফেরেন যশস্বী জয়সওয়াল এবং কেএল রাহুল। যথাক্রমে ৮০ এবং ৮৬ রানে ফেরে দুই ভারতীয় ব্যাটার। শতরানের মুখে দাঁড়িয়ে জাদেজা। দ্বিতীয় দিনের শেষে ৮১ রানে অপরাজিত তিনি। 

    জাদেজার যাদু

    বৃহস্পতিবার ৮৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ইনিংসে ধস নামিয়েছিলেন যাদেজা। এবার সেই পিচেই অর্ধ শতরান করে ফেললেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। রবীন্দ্র জাদেজা তাঁর ২০তম টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি ৮৪ বলে পূর্ণ করেন। দিনের শেষ সেশনে দাপট দেখালেন অক্ষর প্যাটেল। ক্রিজে জাদেজার সঙ্গে রয়েছেন তিনি। দুই বাঁ হাতি সেট ব্যাটার, যদি তৃতীয় দিনের শুরুটা ভাল করতে পারেন তাহলে ভারত ইনিংস জয়ের স্বপ্নও দেখতে পারে। প্রথম ইনিংসে ২৫০ রানের লিড নিতে পারলে ইনিংস জয়ের একটা সম্ভাবনা থাকবে। 

    এদিন চায়ের বিরতিতে ৬৩ রানে এগিয়ে ছিল ভারত। ৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের রান ছিল ৩০৯। ৪৫ রানে অপরাজিত ছিলেন জাদেজা। তৃতীয় সেশনে একশোর বেশি রান যোগ হয়। ভারত হারায় ২ উইকেট। ৪১ করেন শ্রীকর ভরত। উইকেটকিপিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও রান পান। তবে রাহুল আউট হওয়ার পর লিড বাড়ানোর দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন জাদেজা। প্রথমে ভরতের সঙ্গে, পরে অক্ষরকে নিয়ে এগিয়ে যান। রান পাননি অশ্বিন। জাদেজার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ১ রানে রান আউট হন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shoaib Malik: ম্যাচ গড়াপেটায় অভিযুক্ত! আর্থিক ক্ষতির মুখে শোয়েব মালিক

    Shoaib Malik: ম্যাচ গড়াপেটায় অভিযুক্ত! আর্থিক ক্ষতির মুখে শোয়েব মালিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ থেকে আপাতত সরিয়ে দেওয়া হল পাকিস্তানি অলরাউন্ডার শোয়েব মালিককে। ম্যাচ গড়াপেটায় অভিযুক্ত সানিয়ার প্রাক্তন স্বামী। মঙ্গলবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে একটি ওভারে তিনটি ‘নো’ বল করেছিলেন শোয়েব। স্পিনার হয়েও একই ওভারে শোয়েব কী করে তিন বার ক্রিজের বাইরে পা ফেললেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। 

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ থেকে বাদ

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ফরচুন বরিশালের হয়ে খেলেন শোয়েব। কয়েকদিন আগে খুলনা টাইগার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল ফরচুন বরিশাল। এই ম্যাচে শোয়েব একই ওভারে তিনটে নো-বল করেছিলেন। তাঁর এই তিনটে ডেলিভারির পরই ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। ওই ম্যাচে শোয়েবকে আক্রমণে এনেছিলেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। প্রথম ওভার বল করতে এসেই তিনটি ‘নো’ বল-সহ ১৮ রান দিয়েছিলেন শোয়েব। তাঁর বোলিং দেখে মাঠেই বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন বরিশালের অধিনায়ক তামিম। 

    টি-২০ ফরম্যাটে অন্যতম বর্ষীয়ান ক্রিকেটার হলেন শোয়েব মালিক। এই ফরম্যাটে এশিয়ার প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিনি মোট ১৩,০০০ রান করেন। তবে এই মাইলফলক অর্জনের জন্য প্রশংসা পাওয়ার আগেই, এমন একটি নিন্দনীয় ঘটনার সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে গেল। সম্প্রতি তৃতীয়বার বিয়ে করেছেন শোয়েব মালিক। পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনত্রী সানা জাভেদকে তিনি ‘ঘরনী’ হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ইতিমধ্যে ভারতীয় মহিলা টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার সঙ্গে তাঁর ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে। যদিও তারপর থেকেই সময়টা ভাল যাচ্ছে না শোয়েবের। বারবারই সমালোচকদের শিকার হয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share