Category: খেলা

Get updates on Sports News Cricket, Football, Tennis, from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতেও নেপালকে সাহায্য ভারতের, গুয়াহাটিতে অনুশীলন নেপালি বক্সারদের

    Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতেও নেপালকে সাহায্য ভারতের, গুয়াহাটিতে অনুশীলন নেপালি বক্সারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-নেপাল ক্রীড়া সম্পর্ক আরও মজবুত করার লক্ষ্যে এশিয়ান গেমসের আগে নেপালের বক্সিং দলকে বিশেষ প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিয়েছে ভারত। স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার (SAI) গুয়াহাটি ন্যাশনাল সেন্টার অব এক্সেলেন্সে (NCOE) দীর্ঘমেয়াদি উচ্চমানের প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নিয়েছেন নেপালের বক্সাররা। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে জাপানে শুরু হতে চলেছে আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমস। তার আগে নেপাল বক্সিং ফেডারেশনের অনুরোধে এই প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাত জন বক্সার এবং দুই জন কোচ নিয়ে নেপালের দলটি গত ১০ আগস্ট থেকে গুয়াহাটিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। শিবির শেষ করে এখান থেকেই সরাসরি জাপানের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা তাদের।

    নেপালের দলে ৭ বক্সার

    নেপাল দলের সাত বক্সার হলেন রামিশা শ্রেষ্ঠা, অস্মিতা দুওয়াল, কুসুম তামাং, চন্দ্র বাহাদুর থাপা, খগেন্দ্র রোকা মাগার, দান বাহাদুর দারলামি এবং রবিন নেপাল। তাঁরা বিভিন্ন বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সাই-এর কোচ নরেন্দ্র রানা, ত্রিদীপ বোরা এবং প্রণমিকা বোরার তত্ত্বাবধানে চলছে তাঁদের প্রশিক্ষণ। বক্সারদের টেকনিকের উন্নতি, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং প্রতিযোগিতার জন্য মানসিকভাবে তৈরি করার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই শিবিরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং মেঘালয়ের বক্সারদের সঙ্গে নেপালের খেলোয়াড়দের অনুশীলন ও স্প্যারিংয়ের সুযোগ। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের বক্সিং স্টাইল ও কৌশলের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন নেপালের বক্সাররা। নেপালের বক্সার রামিশা শ্রেষ্ঠা জানিয়েছেন, গুয়াহাটিতে কঠোর অনুশীলন এবং দক্ষ ভারতীয় বক্সারদের সঙ্গে প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা এশিয়ান গেমসের আগে তাঁদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়েছে। তাঁর কথায়, “এখানে প্রশিক্ষণ অত্যন্ত কঠোর হয়েছে। অসাধারণ ও দক্ষ বক্সারদের সঙ্গে অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছি। ফলে এশিয়ান গেমসের জন্য আমরা এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও প্রস্তুত।” ভারতীয় খেলোয়াড় ও সাই-এর কর্মীদের আতিথেয়তারও প্রশংসা করেন তিনি।

    ভারত ও নেপালের মধ্যে ক্রীড়া সম্পর্ক

    সাই-এর গুয়াহাটির এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর ডি কে মিত্তল বলেন, প্রথমবার নেপালের বক্সিং দল গুয়াহাটিতে প্রশিক্ষণ নিতে এসেছে। তাঁর আশা, এই শিবির থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা জাপানে নেপালের বক্সারদের ভাল ফল করতে সাহায্য করবে। তিনি জানান, শিবির চলাকালীন প্রায় পাঁচ দিনের একটি প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়েছিল, যা ভারত ও নেপাল—দুই দেশের বক্সারদেরই উপকৃত করেছে। সাই (SAI)-এর উপর কোনও আর্থিক বোঝা না রেখেই এই শিবির পরিচালিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক যাতায়াত, ভিসা, চিকিৎসা বিমা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বহন করছে নেপাল বক্সিং ফেডারেশন। নেপালের বক্সারদের এই প্রশিক্ষণ শিবির শুধু এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতিতেই সাহায্য করছে না, ভারত ও নেপালের মধ্যে ক্রীড়া এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে গুয়াহাটির গুরুত্বও ক্রমশ বাড়ছে।

  • Mohsin Naqvi: এশিয়া কাপ জিতেও ট্রফি নিল না ভারতীয় মহিলা দল! কেন এমন সিদ্ধান্ত, মুখ খুলল বিসিসিআই

    Mohsin Naqvi: এশিয়া কাপ জিতেও ট্রফি নিল না ভারতীয় মহিলা দল! কেন এমন সিদ্ধান্ত, মুখ খুলল বিসিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে রেকর্ড অষ্টমবার মহিলা এশিয়া কাপ জিতেছে ভারত। কিন্তু দুবাইয়ে ট্রফি হাতে নিয়ে উদযাপনের বদলে তৈরি হল অন্য ছবি। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (ACC)-এর সভাপতি তথা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (PCB) প্রধান মোহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নেননি হরমনপ্রীত কৌরের দল। এবার সেই সিদ্ধান্তের কারণ স্পষ্ট করল বিসিসিআই।

    বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, পুরুষদের এশিয়া কাপের ট্রফি নিয়ে তৈরি হওয়া অমীমাংসিত পরিস্থিতির সঙ্গে মহিলা দলের সিদ্ধান্তের সরাসরি যোগ রয়েছে। ২০২৫ সালে এশিয়া কাপ জিতেও এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ট্রফি হাতে পায়নি ভারতীয় পুরুষ দল। সেই অবস্থানে কোনও পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত মহিলা দলও একই অবস্থান বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

    সাইকিয়ার বক্তব্য, ২০২৫ সালের এপ্রিলের পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। সরকারি নীতির কারণে বহুদেশীয় প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেললেও, তার অর্থ এই নয় যে প্রতিপক্ষের সমস্ত শর্ত মেনে নিতে হবে। তাঁর কথায়, দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা কোনও ব্যক্তির কাছ থেকে ভারত ট্রফি গ্রহণ করতে পারে না। মহিলা দলও পুরুষ দলের গত বছরের অবস্থানের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    নাকভির বদলে অন্য কাউকে চেয়েছিল বিসিসিআই

    বিসিসিআই অবশ্য সরাসরি ট্রফি বিতর্কে যেতে চায়নি। পরিস্থিতি এড়াতে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যান খালিদ আল জারুনিকে দিয়ে ট্রফি তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সাইকিয়া। কিন্তু সেই প্রস্তাব কার্যকর হয়নি।

    এরপর মূল মঞ্চের পরিবর্তে আলাদা জায়গায় ভারতীয় দলের পদক বিতরণ হয়। সেখানে বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া এবং সহ-সভাপতি রাজীব শুক্ল উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, মোহসিন নাকভি শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্থুকে রানার্স-আপের চেক দেওয়ার পর মঞ্চ ছেড়ে চলে যান।

    ট্রফির থেকেও বড় ছিল ভারতের অবস্থান?

    ঘটনাটি নিছক একটি ট্রফি গ্রহণ না করার বিষয় নয়। বিসিসিআইয়ের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, পুরুষ ও মহিলা—দুই দলের ক্ষেত্রেই একই অবস্থান বজায় রেখে ভারত একটি কূটনৈতিক বার্তা দিতে চেয়েছে। একই সঙ্গে সাইকিয়া জোর দিয়ে বলেছেন, এর সঙ্গে ভারতীয় মহিলা দলের ঐতিহাসিক সাফল্যের কোনও সম্পর্ক নেই।

    ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে ভারত অপরাজিতভাবেই শিরোপা জিতেছে। ফলে ট্রফি বিতর্কের আড়ালে দলের পারফরম্যান্স যেন ঢাকা না পড়ে, সেটিও স্পষ্ট করেছেন বিসিসিআই সচিব। তাঁর দাবি, মহিলা ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং ভারতের আধিপত্যের সবচেয়ে বড় প্রমাণ এই এশিয়া কাপ জয়।

    সাইকিয়ার কথায়, “এটা আমাদের দলের পারফরম্যান্সকে কোনওভাবেই ছোট করে না।” একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, পুরুষদের এশিয়া কাপের ট্রফিও ভারত পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দুই ট্রফিই শেষ পর্যন্ত ভারতের হাতে ফিরবে—এমন আশাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

    অর্থাৎ, মহিলা এশিয়া কাপের ট্রফি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিক আবেগের নয়; বরং গত বছর থেকে চলে আসা বিসিসিআইয়ের অবস্থানের ধারাবাহিকতা এবং পুরুষ দলের সঙ্গে সংহতির প্রকাশ।

  • Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসে পাঁচতারা হোটেল নয়, নাগোয়ায় নির্ধারিত আবাসনেই থাকবেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা

    Asian Games 2026: এশিয়ান গেমসে পাঁচতারা হোটেল নয়, নাগোয়ায় নির্ধারিত আবাসনেই থাকবেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশ সফরে সাধারণত পাঁচতারা হোটেলেই থাকার অভ্যাস ভারতীয় ক্রিকেট দলের। কিন্তু ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2026) সেই চেনা ছবি দেখা যাবে না। জাপানের নাগোয়ায় আয়োজকদের নির্ধারিত আবাসনেই থাকবেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরা। তবে হোটেল পাঁচতারা না হলেও সেখানে থাকার ব্যবস্থা নিয়ে আপাতত সন্তুষ্ট ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)। এশিয়ান গেমসের জন্য ভারতীয় ক্রিকেট দলের হোটেল নিয়ে এর আগে তৈরি হয়েছিল কিছুটা ধোঁয়াশা। আয়োজকদের দেওয়া আবাসন নিয়ে বিসিসিআই-এর অসন্তোষ রয়েছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেই জল্পনায় জল ঢেলে বোর্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, নাগোয়ায় আয়োজকদের নির্ধারিত হোটেলেই থাকবেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা এবং থাকার ব্যবস্থা নিয়ে বোর্ড সন্তুষ্ট।

    পাঁচতারা হোটেল না হলেও আলাদা ঘর ক্রিকেটারদের

    রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, ভারতীয় দলের প্রতিটি ক্রিকেটারের জন্য আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা সাধারণত ভারতীয় ক্রিকেটাররা পান, তার সবটা না থাকলেও অন্তত টুইন-শেয়ারিং বা দু’জনের সঙ্গে একই ঘরে থাকার প্রয়োজন হবে না। বোর্ডের পক্ষ থেকে হোটেলের ছবি ও ভিডিও আগেই দেখে নেওয়া হয়েছে। ক্রিকেটারদের স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টিকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজীব শুক্ল।

    কেন টোকিও বা ওসাকায় নয়

    ভারতীয় দলকে টোকিও কিংবা ওসাকায় রাখার পরিবর্তে নাগোয়াতেই রাখার সিদ্ধান্তের পিছনে রয়েছে মূলত যাতায়াতের বিষয়টি। নাগোয়া থেকে টোকিও কিংবা ওসাকা—দুই শহরই বুলেট ট্রেনে প্রায় দেড় ঘণ্টা দূরে। ফলে প্রতিদিন দীর্ঘ যাতায়াত করলে ক্রিকেটারদের উপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে। রাজীব শুক্লা বলেন, আয়োজকদের মূল উদ্দেশ্য ছিল এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়া সমস্ত দলকে একই জায়গায় রাখা। কিছু দল টোকিও এবং কিছু দল ওসাকায় থাকলে গোটা আয়োজনের সমন্বয়ও কঠিন হয়ে যেত। তাই নাগোয়াতেই থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    হোটেলের চেয়ে বেশি চিন্তা মাঠ নিয়ে

    ভারতীয় দলের আবাসন নিয়ে আলোচনা হলেও বিসিসিআই-এর কাছে আসল উদ্বেগ ছিল মাঠ, উইকেট এবং ড্রেসিংরুমের ব্যবস্থা নিয়ে। রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, সেই সমস্যাগুলিও ইতিমধ্যে মিটিয়ে ফেলা হয়েছে। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (ACC) একটি দল নাগোয়ায় গিয়ে মাঠ ও অন্যান্য পরিকাঠামো পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শনের পর মাঠ, উইকেট এবং ড্রেসিংরুমের ব্যবস্থা নিয়ে এসিসি-ও সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন বিসিসিআই-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট। ভারতীয় ক্রিকেট দলের আবাসন ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন, এশিয়ান গেমসের আয়োজক কমিটি এবং জাপান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। বিসিসিআই-ও গোটা প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখছে। অর্থাৎ, পাঁচতারা হোটেল না হলেও ক্রিকেটারদের স্বাচ্ছন্দ্য এবং খেলার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নিশ্চিত করার দিকেই আপাতত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ভারতীয় বোর্ড। ফলে এশিয়ান গেমস ২০২৬-এ নাগোয়াতেই দেখা যাবে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অভিযান।

  • BCCI Associate Partners: ম্যাচপিছু সর্বোচ্চ দর ১.৩১ কোটি! বিসিসিআইয়ের অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ক্যাম্পা কোলা, সঙ্গে আর কারা?

    BCCI Associate Partners: ম্যাচপিছু সর্বোচ্চ দর ১.৩১ কোটি! বিসিসিআইয়ের অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ক্যাম্পা কোলা, সঙ্গে আর কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (BCCI) স্পনসরশিপ তালিকায় যুক্ত হল তিনটি বড় নাম—রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টসের পানীয় ব্র্যান্ড ক্যাম্পা কোলা (Campa Cola), এসবিআই লাইফ (SBI Life) এবং চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)। বিসিসিআই সূত্রে খবর, ভারতের মাটিতে আয়োজিত দ্বিপাক্ষিক আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলির জন্য এই তিন সংস্থা অ্যাসোসিয়েট পার্টনার (BCCI Associate Partners) হিসেবে যুক্ত হয়েছে। সূত্রের খবর, মোট ৩৫টি ম্যাচের জন্য এই অংশীদারিত্ব কার্যকর হবে এবং চুক্তির মেয়াদ চলবে ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত। গত আগস্টে আগের টাইটেল স্পনসরশিপ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এখনও নতুন টাইটেল স্পনসর খুঁজছে বিসিসিআই।

    অ্যাসোসিয়েট পার্টনারদের দর কত

    অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে বেশি দর দিয়েছে ক্যাম্পা কোলা (Campa Cola)। তাদের প্রস্তাব ছিল ম্যাচপিছু ১.৩১ কোটি টাকা। এরপর এসবিআই লাইফ (SBI Life) এবং চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)—দুই সংস্থাই ম্যাচপিছু ১.২ কোটি টাকা করে দর দিয়েছে। অ্যাসোসিয়েট পার্টনারের অধিকার পেতে ক্যাম্পা কোলা-কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়েছিল বিসলরি (Bisleri) এবং ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (Indian Oil Corporation)-এর সঙ্গে। জানা গিয়েছে, দুই সংস্থাই ম্যাচপিছু ১.২ কোটি টাকা করে দরপত্র দিয়েছিল। বিসিসিআইয়ের স্পনসরশিপ কাঠামো নতুন করে সাজানোর প্রক্রিয়ার মধ্যেই এই চুক্তি হল। গত জুলাইয়ে বোর্ড টাইটেল স্পনসর এবং অ্যাসোসিয়েট পার্টনারের অধিকার নিয়ে দরপত্র আহ্বান করেছিল। এর আওতায় ছিল ভারতের মাটিতে আয়োজিত টিম ইন্ডিয়ার আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং রনজি ট্রফির মতো ঘরোয়া ক্রিকেট প্রতিযোগিতাও।

    টাইটেল স্পনসর-এর খোঁজে বিসিসিআই

    টাইটেল স্পনসরশিপের জন্য দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১৩ আগস্ট। অন্যদিকে, অ্যাসোসিয়েট পার্টনারদের জন্য প্রথমে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হলেও পরে তা বাড়িয়ে ৭ সেপ্টেম্বর করা হয়। টাইটেল স্পনসর চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলতে থাকায় অ্যাসোসিয়েট পার্টনারদের অধিকারও একই সময়ে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনটি অ্যাসোসিয়েট পার্টনারের নাম চূড়ান্ত হলেও বিসিসিআইয়ের জন্য এখনও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টাইটেল স্পনসরশিপ খালি রয়েছে। ভারতের মাটিতে আয়োজিত দ্বিপাক্ষিক ম্যাচ এবং বিসিসিআইয়ের নির্দিষ্ট অন্যান্য ক্রিকেট কার্যক্রমের স্পনসরশিপ অধিকারকে ঘিরে এই চুক্তি হবে।

    স্পনসরদের কাছে গুরুত্ব

    ক্যাম্পা কোলা (BCCI with Campa Cola)-র এই চুক্তি রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টসের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। অধিক প্রচারিত ক্রীড়া ইভেন্টের মাধ্যমে বাজারে ব্র্যান্ডটির উপস্থিতি আরও বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি নতুন পদক্ষেপ। একইভাবে, এসবিআই লাইফ-ও ভারতীয় ক্রিকেটের বিপুল টেলিভিশন ও ডিজিটাল দর্শকসংখ্যাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ব্র্যান্ডের প্রচার বাড়ানোর সুযোগ পাবে। সব মিলিয়ে, ম্যাচপিছু ১.২ কোটি থেকে ১.৩১ কোটি টাকা পর্যন্ত দর ওঠা থেকেই স্পষ্ট, ভারতের দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট ম্যাচের বিজ্ঞাপন ও স্পনসরশিপ অধিকার এখনও সংস্থাগুলির কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। এবার নজর নতুন টাইটেল স্পনসরের দিকে—কোন সংস্থা শেষ পর্যন্ত বিসিসিআইয়ের সেই বড় স্পনসরশিপ অধিকার পায়, সেটাই দেখার।

  • India U20 Football: বাংলাদেশকে হারিয়ে ২০ বছর পর অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে ভারত

    India U20 Football: বাংলাদেশকে হারিয়ে ২০ বছর পর অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল ভারত (India U20 Football)। রবিবার তাসখন্দের দোস্তলিক স্টেডিয়ামে যোগ্যতা অর্জন পর্বের গ্রুপ-বি-র শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখান ভারতের তরুণ ফুটবলাররা (AFC Asian Cup)। দানি মিতেই লাইশরাম, বিশাল যাদব এবং পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা মহম্মদ আরবাসের গোলে অনায়াস জয় তুলে নেয় মহেশ গাউলির দল।

    এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ-বি-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন উজবেকিস্তান তিন ম্যাচে নয় পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। তবে আটটি গ্রুপের সেরা সাত রানার্স-আপ দল মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাওয়ায় সেই তালিকায় জায়গা করে নেয় ভারত। ফলে ২০০৬ সালের পর এই প্রথম অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলবে ভারত।

    প্রথমার্ধেই এগিয়ে ভারত (India U20 Football)

    ম্যাচের শুরুতে দু’দলই সমানে সমানে লড়াই করে। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ভারত। ২৫ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। বাংলাদেশের রক্ষণভাগের উপর প্রবল চাপ তৈরি করেন দানি মিতেই লাইশরাম। তাঁর চাপে বল পেয়ে যান হাতেম আলি। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তিনি বল বাড়িয়ে দেন ফাঁকায় থাকা দানির দিকে। ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন তিনি।

    এরপরও একাধিক আক্রমণ তৈরি করে ভারত। ৩৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগও এসেছিল। দানির ভাসানো ফ্রি-কিক দুর্দান্ত দক্ষতায় আটকে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক রাজ চৌধুরি। ফলে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলেই এগিয়ে থাকে ভারত।

    দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের দাপট

    বিরতির পর আরও আগ্রাসী মেজাজে খেলতে শুরু করে ভারত। ৬০ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। বক্সের মধ্যে লম্বা থ্রো-ইন থেকে বল পেয়ে তা মাথা ছুঁইয়ে বিশাল যাদবের দিকে পাঠান ঋষিকান্ত। শূন্যে শরীর ছুড়ে অ্যাক্রোব্যাটিক শটে বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বিশাল।

    দুই গোল হজম করার পর জোরালো আক্রমণের চেষ্টা করে বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতের জমাট রক্ষণভাগের সামনে তাদের আক্রমণ বারবার থেমে যায়। বাংলাদেশের ফুটবলাররা কোনও পরিষ্কার গোলের সুযোগও তৈরি করতে পারেননি (India U20 Football)।

    মাঠে নেমেই গোল আরবাসের

    ম্যাচের ৭২ মিনিটে জোড়া পরিবর্তন করেন ভারতের কোচ মহেশ গাউলি। দানি ও বিশালের জায়গায় মাঠে নামেন মহম্মদ আরবাস ও প্রশান্ত জাজো। মাঠে নামার মাত্র সাত মিনিটের মধ্যেই নিজের উপস্থিতি জানান দেন আরবাস।

    ইয়াইফারেম্বা চিঙ্গাকহামের পা থেকে শুরু হওয়া আক্রমণ বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ভেদ করে পৌঁছে যায় আরবাসের কাছে। বাঁ পায়ের জোরালো শটে বাংলাদেশের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ভারতের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। এরপর আর ম্যাচে ফেরার কোনও সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ।

    শেষদিকে অনিকেত যাদব, ওমাং দোদুম এবং দানিয়াল মাকাকমায়ুমকে মাঠে নামিয়ে বাকি সময়টা নিয়ন্ত্রণে রাখে ভারত। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের দাপুটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মহেশ গাউলির দল।

    ২০২৭ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত চিনে অনুষ্ঠিত (AFC Asian Cup) হবে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্ব। এই প্রতিযোগিতার প্রথম চারটি দল ২০২৭ সালের ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ (India U20 Football) বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

     

  • BCCI on Players Fitness: ‘১০০ শতাংশ নয়, ২০০ শতাংশ নিশ্চিত হলেই দলে’, আফগানিস্তান সিরিজে ফিটনেস নিয়ে সতর্ক বিসিসিআই

    BCCI on Players Fitness: ‘১০০ শতাংশ নয়, ২০০ শতাংশ নিশ্চিত হলেই দলে’, আফগানিস্তান সিরিজে ফিটনেস নিয়ে সতর্ক বিসিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-২০ সিরিজের আগে ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI) এবং বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সেলেন্স (CoE)। ১ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজের জন্য ভারতীয় দল ঘোষণা করা হলেও চার ক্রিকেটারের দলে থাকা এখনও তাঁদের ফিটনেসের উপর নির্ভরশীল। সেই তালিকায় রয়েছেন পেসার জসপ্রীত বুমরাহ, অলরাউন্ডার নীতীশ কুমার রেড্ডি, ওয়াশিংটন সুন্দর এবং পেসার হর্ষিত রানা। সাম্প্রতিক সময়ে চোটের কারণে শেষ মুহূর্তে ক্রিকেটার বদলের ঘটনা একাধিকবার ঘটায় এবার কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না সেন্টার অব এক্সেলেন্স। একজন ক্রিকেটারকে ফিট ঘোষণা করার আগে শুধু ১০০ শতাংশ নয়, বরং ‘২০০ শতাংশ নিশ্চিত’ হতে চাইছে তারা। বিসিসিআই সূত্রে খবর, “কোনও ক্রিকেটারকে দলে ফেরানোর আগে তাঁর ফিটনেস নিয়ে ১০০ শতাংশ নয়, ২০০ শতাংশ নিশ্চিত হতে চায় বোর্ড।”

    শেষ মুহূর্তে ক্রিকেটার বদলের জের

    সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক সফরে চোট ও ফিটনেস সমস্যার কারণে দল ঘোষণার পরেও ক্রিকেটার বদল করতে হয়েছে ভারতকে। ইংল্যান্ড সফরে ফিট না থাকায় হর্ষিত রানার পরিবর্তে দলে নেওয়া হয়েছিল প্রিন্স যাদবকে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচের পর অধিনায়ক শুভমন গিলও ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর মতে, শেষ মুহূর্তে ক্রিকেটারদের বাদ পড়া দলের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলে। এছাড়াও সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ থেকে জসপ্রীত বুমরাহ এবং সাই সুদর্শন ছিটকে গেলে তাঁদের পরিবর্তে দলে নেওয়া হয় অকিব নবি ও সরফরাজ খানকে। ইংল্যান্ড সফরে চোটের কারণে নীতীশ কুমার রেড্ডির পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছিলেন সূর্যাংশ শেডগে। আবার জিম্বাবোয়ে সিরিজে রবি বিষ্ণোইকে দলে নেওয়া হয়েছিল বরুণ চক্রবর্তীর পরিবর্তে।

    ফিটনেস নিয়ে ভিভিএস লক্ষ্মণ

    ক্রিকেটারদের দল ঘোষণার পর চোটের কারণে ছিটকে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আগেই মুখ খুলেছিলেন বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সেলেন্স-এর প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণ। তাঁর বক্তব্য ছিল, দল পরিচালনাকারী টিম এবং সিওই-এর মধ্যে ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে স্পষ্ট যোগাযোগ রয়েছে। লক্ষ্মণ জানিয়েছিলেন, অনেক সময় কোনও সিরিজ শুরু হওয়ার কয়েক সপ্তাহ আগেই দল নির্বাচন করতে হয়। সেই কারণে কিছু ক্রিকেটারকে ‘ফিটনেস সাপেক্ষে’ দলে রাখা হয়। নির্ধারিত ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারলে তাঁদের পরিবর্তে অন্য ক্রিকেটারকে দলে নেওয়া হয়। লক্ষ্মণের কথায়, দল ঘোষণার সময়ই স্পষ্ট করে দেওয়া হয় যে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটাররা ফিটনেস সাপেক্ষে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে নির্বাচকদের কাছে বিকল্প ক্রিকেটারের নামও প্রস্তুত থাকে।

    রেড্ডি ও সুন্দরকে নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো নয়

    নীতীশ কুমার রেড্ডি ও ওয়াশিংটন সুন্দরকে নিয়েও কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না সিওই। কোয়াড্রিসেপসের চোটের কারণে রেড্ডি ইংল্যান্ড ও জিম্বাবোয়ে সফরে খেলতে পারেননি। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচেও খেলতে পারেননি সুন্দর। পরে জিম্বাবোয়ে টি-২০ সিরিজ থেকেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেড্ডি-সহ চোট থেকে ফেরা ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে কোনও রকম তাড়াহুড়ো করবে না সিওই। সম্পূর্ণ সুস্থতা নিয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরেই তাঁদের মাঠে ফেরানো হবে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের টি-২০ সিরিজ শুরু হবে ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে। সিরিজ শুরুর আগে হাতে এখনও এক সপ্তাহের বেশি সময় থাকায় চোটগ্রস্ত ক্রিকেটারদের ফিট হয়ে ওঠার জন্য পর্যাপ্ত সময় রয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে ফিটনেস পরীক্ষায় সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হওয়ার পরেই তাঁদের খেলার অনুমতি দিতে চাইছে বিসিসিআই।

  • Indian Football Team: ঢাকের আগেই সাম্বার তালে মাতবে মহানগর! ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে বিপক্ষ ব্রাজিল, দল ঘোষণা ভারতের

    Indian Football Team: ঢাকের আগেই সাম্বার তালে মাতবে মহানগর! ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে বিপক্ষ ব্রাজিল, দল ঘোষণা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই ফুটবল জ্বরে কাঁপছে কলকাতা। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোয় রীতিমতো কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ব্লু-টাইগার্স। প্রতিপক্ষ বিশ্ব ফুটবলের তিন শক্তি—ব্রাজিল, উরুগুয়ে এবং পানামা। সদ্যসমাপ্ত ফিফা বিশ্বকাপে (2026 FIFA World Cup) খেলেছে এই তিনটি দেশ। ৩ অক্টোবর বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের সামনে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল (India vs Brazil)। ঠিক তিনদিন বাদে, ৬ অক্টোবর, একই মাঠে প্রতিপক্ষ দু’বারের বিশ্বজয়ী উরুগুয়ে (India vs Uruguay)। ঢাকের তালে কোমর দোলানোর আগে সাম্বার ছন্দেই মেতে উঠবে মহানগর।

    বেঙ্গালুরুতে জাতীয় দলের ক্যাম্প

    বিশ্বমানের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মহড়া নিতে ২৬ জনের শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করলেন ভারতের জাতীয় দলের হেড কোচ খালিদ জামিল (Indian Football Team)। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুতে শুরু জাতীয় দলের ক্যাম্প। হাই-ভোল্টেজ ম্যাচগুলির আগে প্রস্তুতির জন্য প্রায় দু’সপ্তাহ সময় পাবেন ফুটবলাররা (Indian Football Squad)। ব্রাজিল বা উরুগুয়ের মতো বিশ্বমানের দলের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ ভারতীয় ফুটবলে বিরল। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF) কর্তাদের মতে, এই তিন ম্যাচ ভারতীয় দলের জন্য বিশাল এক্সপোজার। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে নামার আগে প্রথম পঞ্চাশে থাকা পানামার বিরুদ্ধে ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অ্যাসিড টেস্ট। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্লু-টাইগার্সদের আসল দৌড় কতটা, তা মেপে নেওয়ার এটাই সেরা মঞ্চ জামিলের কাছে।

    কবে কোন প্রতিপক্ষ

    প্রথম ম্যাচ ২৬ সেপ্টেম্বর, বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে। ভারতের প্রতিপক্ষ পানামা। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৪৪ নম্বরে থাকা এই শক্তিশালী মধ্য আমেরিকান দেশটির বিরুদ্ধে এর আগে কখনও খেলেনি ভারত (India vs Panama)। ফলে প্রথম ম্যাচেই কড়া চ্যালেঞ্জ। পানামা পর্ব মিটিয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর কলকাতায় উড়ে আসবে দল। আসল আকর্ষণ অপেক্ষা করছে ফুটবলের মক্কায়। ৩ অক্টোবর বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের সামনে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল (India vs Brazil)। ৬ অক্টোবর, একই মাঠে প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে (India vs Uruguay)।

    ব্রাজিল ম্যাচের টিকিট কীভাবে পাবেন, কত দাম

    ৩ অক্টোবর ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ভারতীয় দল খেলবে কলকাতায়। ভারত-ব্রাজিল ম‍্যাচের টিকিট পাওয়া যাবে ডিস্ট্রিক্ট অ‍্যাপে। ২৫ কোটি টাকার চুক্তি ফেডারেশনের সঙ্গে সংস্থার। ব্রাজিল ম্যাচে টিকিটের দাম কত হতে পারে-প্রাথমিকভাবে যা আলোচনা হয়েছে সব থেকে কম টিকিটের দাম আড়াই হাজার থেকে তিন হাজারের মধ্যে রাখা হবে। একটি সূত্রের খবর ১০০০ টাকা দামেরও কিছু টিকিট রাখার একটা ভাবনাচিন্তা চলছে৷ সর্বোচ্চ টিকিটের দাম যেখানে ভিভিআইপি ২২ থেকে ২৫ হাজারের মধ্যে থাকতে পারে। এআইএফ এর টিকিটের দাম নির্ধারণ করবে। এরই মধ্যে ব্রাজিলের প্রতিনিধি দল কলকাতায় এসেছিল৷ ব্রাজিলের ৯৬ জন সদস্য অস্ট্রেলিয়া প্রদর্শনী ম্যাচ খেলার পর ৩০ তারিখ কলকাতায় আসার কথা৷

    খালিদের দলে অভিজ্ঞতার জোর

    ঘোষিত ২৬ জনের স্কোয়াডে রয়েছেন চার গোলরক্ষক, আট ডিফেন্ডার, আট মিডফিল্ডার এবং ছয় ফরোয়ার্ড। দলে অভিজ্ঞতার উপরই জোর (FIFA Friendlies) দেওয়া হয়েছে। গুরপ্রীত সিং সান্ধু, অনিরুদ্ধ থাপা, আনোয়ার আলি, মনবীর সিংয়ের মতো চেনা মুখেরা ডাক পেয়েছেন। আক্রমণে বড় মুখ রায়ান উইলিয়ামস।

    ইস্টবেঙ্গলের চার ফুটবলার

    এই ২৬ জনের মূল স্কোয়াডে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) থেকে রয়েছেন মোট চারজন। তাঁরা হলেন গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিল, ডিফেন্ডার আনোয়ার আলি ও জয় গুপ্ত এবং ফরোয়ার্ড এডমুন্ড লালরিনডিকা। ২০২৬-এর ডুরান্ড কাপে এই চার ফুটবলারই লাল-হলুদ জার্সিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। বিশেষ করে এডমুন্ডের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে।

    মোহনবাগানের পাঁচ প্রতিনিধি

    মোহনবাগানের (Mohun Bagan Super Giant) দিক থেকেও রয়েছে শক্তিশালী উপস্থিতি। বর্তমান ক্লাব স্কোয়াডের সঙ্গে মিলিয়ে ভারতের ২৬ জনের দলে রয়েছেন পাঁচজন—অভিষেক সিং টেকচাম, অনিরুদ্ধ থাপা, লালেংমাওইয়া রালতে (আপুইয়া), সাহাল আবদুল সামাদ এবং মনবীর সিং। ফলে কলকাতার দুই প্রধান ক্লাব মিলিয়ে জাতীয় দলের মূল স্কোয়াডে মোট ৯ জন ফুটবলার রয়েছেন।

    রিজার্ভেও চার ফুটবলার

    মূল ২৬ জনের বাইরে চারজনকে রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছে। তাঁরা হলেন গোলরক্ষক হৃতিক তিওয়ারি, ডিফেন্ডার চিংলেনসানা সিং কোনশাম ও রোশন সিং নাওরেম এবং মিডফিল্ডার সুরেশ সিং ওয়াংজাম। প্রয়োজন হলে এই চার ফুটবলারকে মূল দলে ডাকা যেতে পারে।

    ভারতের ২৬ জনের স্কোয়াড

    গোলরক্ষক: গুরপ্রীত সিং সান্ধু, আলবিনো গোমস, সোম কুমার, প্রভসুখন সিং গিল।

    ডিফেন্ডার: আকাশ মিশ্র, অভিষেক সিং টেকচাম, বিজয় ভার্গিস, আনোয়ার আলি, জয় গুপ্ত, হমিংথানমাউইয়া রালতে, প্রমবীর, রিকি মিতেই হাওবাম।

    মিডফিল্ডার: ম্যাকার্টন নিকসন, আশিক কুরুনিয়ান, ফারুক চৌধরি, অনিরুদ্ধ থাপা, লাললেংমাউইয়া রালতে, সাহাল আবদুল সামাদ, মহম্মদ সানান, রিকি শাবং।

    ফরোয়ার্ড: ইরফান ইয়াদওয়াদ, এডমন্ড লালরিনডিকা, রহিম আলি, মনবীর সিং, রায়ান উইলিয়ামস, বিক্রমপ্রতাপ সিং।

  • Lionel Messi: অগাস্টে শুরু, অগাস্টেই শেষ! বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে আলবিদা মেসির

    Lionel Messi: অগাস্টে শুরু, অগাস্টেই শেষ! বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে আলবিদা মেসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক যুগের অবসান! আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন লিওনেল মেসি (Lionel Messi Retirement। ৩১ অগাস্ট, ২০২৬। আর্জেন্টিনার জার্সিতে দীর্ঘ ২১ বছরের বর্ণময় কেরিয়ারে পাকাপাকিভাবে ইতি টানলেন নব্য ফুটবলের জাদুকর। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের কাছে ২০২৬ বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) ফাইনালে ১-০ গোলে পরাজয়ের ঠিক ছ’সপ্তাহ পর এল এই ঘোষণা। আকস্মিক ঠিকই কিন্তু অপ্রত্যাশিত নয়৷ শুরু হয়েছিল ২১ বছর আগের অগাস্ট মাসে। ২০০৫ সালের ১৭ অগাস্ট, হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল আধুনিক ফুটবলের রাজপুত্রের। সেই অগাস্টেই আন্তর্জাতিক ফুটবল যাত্রায় ইতি টানলেন মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন মেসি। ২০২২ সালে কাতারে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০২৬ সালে সেই সাফল্য ধরে রাখার লক্ষ্য ছিল তাঁর। কিন্তু তা হয়নি। তবে, ২০৩০-আর নয়। থামতেও জানতে হয়। সঠিক সময়েই থামলেন রাজপুত্র।

    কবে নিয়েছিলেন অবসরের সিদ্ধান্ত

    মেসি জানিয়েছেন, স্পেনের কাছে বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের মাত্র দু’দিন পরই অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে বেশ কয়েক সপ্তাহ সেই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। সেই সময় তাঁর পরিবারও কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আগস্টে ৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত হন মেসির বাবা হোর্হে মেসি। ইন্টার মায়ামিতে ফিরে ক্লাব ফুটবলে যোগ দেওয়ার পর অবশেষে নিজের সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আনেন মেসি। সোমবার, যখন ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দীর্ঘ অবসরের বার্তাটি সামনে আসে, বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোড়ন! কিন্তু কেউ জানত না, এই চিঠি লেখা হয়েছিল পাক্কা ৪১ দিন আগে! খোলা চিঠিতে মেসি নিজেই স্বীকার করেছেন, বিশ্বকাপ ফাইনালে পরাস্ত হওয়ার ঠিক দু’দিন পর, অর্থাৎ ২১ জুলাই তিনি এই বয়ান ড্রাফট করেছিলেন। দ্রুতই সেটি পোস্ট করার কথা ছিল। কিন্তু আচমকা নেমে আসে এক ভয়ংকর পারিবারিক বিপর্যয়। গত ৭ অগাস্ট রাতে রোজারিওর এক ক্লিনিকে দীর্ঘ অসুস্থতার পর ৬৮ বছর বয়সে মারা যান বাবা জর্জ মেসি (Jorge Messi Death)। তাঁর শেষ সময়ে পাশে থাকতে মায়ামি থেকে তড়িঘড়ি ছুটে গিয়েছিলেন লিও। জর্জ নিছক বাবা নন, ছিলেন মেসির কেরিয়ারের মূল স্থপতি। ২০০০ সালে গ্রোথ-হরমোনের সমস্যায় ভোগা ১৩ বছরের কিশোরকে রোজারিও থেকে বার্সেলোনায় নিয়ে যাওয়া, ন্যাপকিনে প্রথম চুক্তির সই—সবই তাঁর হাত ধরে। শোকস্তব্ধ লিও (Argentina National Football Team) নিজেকে সব ধরনের জনসমক্ষ থেকে গুটিয়ে নেন। অবশেষে ৩১ অগাস্ট চিঠিটি প্রকাশের সময় নীচে একটি ব্যক্তিগত নোট জুড়ে দেন তিনি। জানান, বাবার মৃত্যু তাঁর সিদ্ধান্ত বদলায়নি, বরং সঠিক সময়ে ১০ নম্বর জার্সি তুলে রাখার বিষয়ে তাঁকে ‘আগের চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসী’ করে তুলেছে। মেসির কথায়, সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত কষ্টের ছিল এবং এখনও সেই কষ্ট রয়েছে। তবে তিনি বুঝতে পেরেছেন, এবার সেই অধ্যায় বন্ধ করার সময় এসেছে।

    অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যান

    ৩৯ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে মেসি রেখে গেলেন এক অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যান। আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৭টি ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ১২৫। দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল ও ম্যাচ খেলা ফুটবলার হিসেবে আন্তর্জাতিক অধ্যায় শেষ করলেন তিনি। আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির পথচলা ছিল সাফল্য ও হতাশার এক অনন্য মিশেল। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির কাছে হার, ২০১৫ ও ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরাজয়—একসময় জাতীয় দলের জার্সিতে তাঁর ভাগ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অবশেষে ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জিতে প্রথম বড় আন্তর্জাতিক ট্রফি পান মেসি। এর পরের বছরই আসে তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত। কাতার বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে হারিয়ে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেন তিনি। ফাইনালে জোড়া গোলসহ পুরো টুর্নামেন্টে সাতটি গোল করে মেসি জেতেন গোল্ডেন বল। এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপেও তিনি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছিলেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসেও মেসির নাম লেখা থাকবে বিশেষ জায়গায়। ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে তিনি প্রতিযোগিতার ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে আন্তর্জাতিক অধ্যায় শেষ করেছেন। তাঁর আগে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। দু’জনেই ২০২৬ বিশ্বকাপে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসের পুরনো গোলের রেকর্ড পেরিয়ে যান।

    তুমি ইতিহাসের সেরা ফুটবলার

    মেসির বিদায়ের খবরে চোখে জল বিশ্ব জুড়ে ফুটবল প্রেমিদের। মহাতারকার অবসরে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তাঁর প্রাক্তন ও বর্তমান সতীর্থরাও। কোপা জয় হোক আর বিশ্বকাপ জয়, দেশের জার্সিতে মেসির ট্রফি জয়ের সাফল্যে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার অবদান কতটা তা সকলের জানা। সেই বয়স ভিত্তিক দল থেকে মেসির সঙ্গে জুটিতে খেলেছেন ডি মারিয়া। মেসির অবসরে আবেগাপ্লুত তিনি। মেসির অবসরের পোস্টে কমেন্টে একদা সতীর্থ অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনাকে বিশ্বের সেরা করার জন্য ধন্যবাদ। তুমি তো অন্য দলকেও বেছে নিতে পারতে। কিন্তু তুমি আর্জেন্টিনাকেই বেছে নিয়েছ। সব কিছুর জন্য তোমাকে ধন্যবাদ অধিনায়ক। তুমি ইতিহাসের সেরা ফুটবলার।’ তাঁকে বলা হয় মেসির ‘বডিগার্ড’। প্রিয় বন্ধুর অবসরে মেসির সতীর্থ রড্রিগো ডি পল লিখেছেন, ‘তুমি কখনও যুদ্ধ থেকে পালাওনি। তোমার নেতৃত্বের জন্য আমরা এত ভালো খেলতাম। তোমাকে শুধু ধন্যবাদ বলতে চাই। তুমি নিজেও জানো না, কত মানুষের মুখে তুমি হাসি ফুটিয়েছ। তুমি চিরকালীন। সর্বকালের সেরা তুমি। আমাদের এতটা খুশি করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। তুমি সর্বসেরা।’

    আমরা তোমায় ভালোবাসি

    ২০২৬ বিশ্বকাপে মেসির সঙ্গে খেলা লিসান্দ্রো মার্টিনেজ অধিনায়কের অবসরের লিখেছেন, “সত্যি বলতে, খুব খারাপ লাগছে। কখনও এ রকম মুহূর্তের জন্য আমাদের তৈরি থাকতে বলোনি। হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে জানাচ্ছি, ধন্যবাদ!! তুমি আমার কাছে এবং গোটা বিশ্বের কাছে একটা উদাহরণ। ফুটবলের বিজয়ী এবং জীবনের বিজয়ী!! ওর বাবা যে অসাধারণ একটা দলের সদস্য ছিল, এটা ভেবে আমার মেয়ে খুব গর্বিত হবে। তুমি বিশ্বের সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদ। কারণ ফুটবলের তুলনা টানতে গেলে, তোমার মতো কেউ নেই। তোমাকে খুব ভালোবাসি।” বিশ্বকাপ ফাইনালে মারামারি করে ১০ ম্যাচ নির্বাসিত হয়েছেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। মেসির অবসরে তিনিও চুপ থাকেননি। লিখেছেন, “সব কিছুর জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ!!! তুমি ছিলে এবং বরাবরের জন্য সর্বকালের সেরাই থাকবে। অধিনায়ক, আমরা তোমায় ভালোবাসি।” আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা। তারা লেখে, “আমাদের জীবনের অন্যতম সুন্দর একটা যাত্রার জন্য তোমায় ধন্যবাদ। তোমার উত্তরাধিকার এবং পেশাদারিত্ব সারাজীবন আমাদের হৃদয়ে থেকে যাবে। ধন্যবাদ অধিনায়ক। আমরা তোমায় ভালোবাসি।” ফিফা থেকেও ধন্যবাদ জানিয়ে লেখা হয়েছে, ‘গ্রাসিয়াস’।

    ফুটবল মাঠে এখনও মেসি ম্যানিয়া

    আর্জেন্টিনার জার্সিতে আর না খেললেও ফুটবলকে এখনই বিদায় বলছেন না আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী মেসি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মেজর লিগ সকারে খেলা চালিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। তবে, আর আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সিতে দেখা যাবে না এল এম টেন-কে। বিদায়-বার্তায় মেসি লিখেছেন, “আমাকে আর্জেন্টাইন হিসেবে জন্ম দেওয়ার জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। চলো, আর্জেন্টিনা।”

  • Praggnanandhaa: পিছিয়ে পড়েও ইতিহাস! প্রথম ভারতীয় হিসাবে গ্র্যান্ড চেজ ট্যুর খেতাব জয় প্রজ্ঞানন্দের

    Praggnanandhaa: পিছিয়ে পড়েও ইতিহাস! প্রথম ভারতীয় হিসাবে গ্র্যান্ড চেজ ট্যুর খেতাব জয় প্রজ্ঞানন্দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দের (Praggnanandhaa)। প্রথম ভারতীয় দাবাড়ু হিসাবে গ্র্যান্ড চেজ ট্যুর (Grand Chess Tour) খেতাব জিতলেন ২১ বছরের এই তরুণ তুর্কি। পিছিয়ে থেকেও ফাইনালে ফ্যাবিয়ানো কারুয়ানাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলেন প্রজ্ঞানন্দ। ফাইনালে এক সময় ছ’পয়েন্টে পিছিয়ে ছিলেন তিনি। এরপর কারুয়ানাকে দু’টি র‌্যাপিড গেমে হারিয়ে দেন। তার পর ব্লিৎজ গেমে ১৫-১৩ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন রমেশবাবু। ফাইনালে কঠিন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হয়েছে ভারতের গ্র্যান্ডমাস্টারকে। তবে, আগ্রাসী দাবা খেলে ফাইনাল জমিয়ে দেন তিনি।

    ভারতীয় দাবায় ঐতিহাসিক মুহূর্ত

    ভারতীয় দাবাকে আরও একবার নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেলেন প্রজ্ঞানন্দ।এই খেতাব জিতে ২ লক্ষ মার্কিন ডলার পুরস্কার পেলেন প্রজ্ঞানন্দ। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১ কোটি ৯১ লাখ টাকার সমান। প্রজ্ঞানন্দের কেরিয়ারে এটিই এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় শিরোপা। এদিন র‌্যাপিড রাউন্ডে চাপে ছিলেন দুই দাবাড়ুই। কারণ চার গেমের এই রাউন্ডই হয়ে ওঠে আসল ফাইনাল। সেখানেই চাপ সামলে কিস্তিমাত করেছেন প্রজ্ঞানন্দ। প্রথম গেমে কিছুটা চাপে পড়ে যান ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার। জয়ের কাছাকাছি পৌঁছেও সময়ের চাপে ভুল চাল দিয়ে পরিস্থিতি জটিল করে ফেলেন। কারুয়ানাও ভুল করলে ম্যাচ ড্র হয়। পরের ম্যাচগুলি জিতে ১৫-১৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন প্রজ্ঞানন্দ।

    পরবর্তী লক্ষ্য দাবা অলিম্পিয়াড

    বছরের শুরুটা প্রজ্ঞানন্দের জন্য ভাল হয়নি। ক্যান্ডিডেটস টুর্নামেন্টে দ্বিতীয়বার নেমেই ব্যর্থ। কিন্তু এরপর স্বপ্নের ফর্মে ফেরেন। নরওয়ে চেসে ম্যাগনাস কার্লসেনকে (Magnus Carlsen) দু’বার হারিয়ে শিরোপা জয়। জেতেন সেন্ট লুইস র‍্যাপিড ও ব্লিটজ খেতাবও। সিঙ্কফিল্ড কাপেও যুগ্মভাবে শীর্ষস্থান দখল করেন। প্রজ্ঞানন্দের কথায়, ‘ক্যান্ডিডেটস জিতলে ভাল লাগত ঠিকই। কিন্তু এই টুর্নামেন্ট জেতাও দারুণ একটা ব্যাপার। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের পরেই এই টুর্নামেন্টের স্থান। এই স্তরের প্রতিযোগিতায় জিততে গেলে অনেক মানসিক দৃঢ়তা লাগে। আমি শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে পেরে খুশি।’টানা একমাস দাবার বোর্ডে মগ্ন থাকার পর প্রজ্ঞার পরবর্তী লক্ষ্য এখন দাবা অলিম্পিয়াড (Chess Olympiad)। আগামী ১৬ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর উজবেকিস্তানের সমরকন্দে খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে ভারতীয় দল। সেখানেও অন্যতম প্রধান ভরসা প্রজ্ঞানন্দ।

  • Durand Cup 2026: লাল-হলুদ ঝড়ে ডুবে গেল নৌকা! ২২ বছর পর ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল, হ্যাটট্রিক এডমুন্ডের

    Durand Cup 2026: লাল-হলুদ ঝড়ে ডুবে গেল নৌকা! ২২ বছর পর ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল, হ্যাটট্রিক এডমুন্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  লাল-হলুদের দুরন্ত ঝড়ে কার্যত উড়ে গেল সবুজ-মেরুন নৌকা। ডুরান্ড কাপের (Durand Cup 2026) ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের কাছে ৪-১ গোলে হারল মোহনবাগান। গোটা ম্যাচেই ইস্টবেঙ্গলের সামনে সেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি সবুজ-মেরুন। এডমুন্ড লালরিন্দিকার হ্যাটট্রিকই হল ইস্টবেঙ্গলের জয়ের মূল। ২০২৩ সালের পর আবার ৩ বছর পর ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। ফাইনালে শেষ সাক্ষাতে জিতেছিল মোহনবাগান। গোল করেছিলেন বাগানের দিমিত্রি পেত্রাতোস। এই বছরেও ডুরান্ড কাপ শুরু হয়েছিল ডার্বি ম্যাচ দিয়েই। সেই ম্যাচে ১-০ জিতেছে সবুজ-মেরুন। গোল করেছিলেন সাহাল আব্দুল সামাদ। কিন্তু এই রবিবাসরীয় সন্ধ্যা ছিল লাল হলুদের। গ্যালারি জুড়ে জ্বলছিল মশাল।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর অভিনন্দন-বার্তা

    ডুরান্ড কাপ ২০২৬ জেতার জন্য ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কলকাতায় মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ফাইনালে দলটির দৃঢ়সংকল্প, দলগত প্রচেষ্টা ও পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন। সিং বলেন, এই জয় ভারতীয় ফুটবলের প্রকৃত স্পিরিটকে তুলে ধরেছে এবং এতে এডমন্ড লালরিন্দিকার হ্যাটট্রিক ও দলের নিখুঁত নৈপুণ্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যা ইস্ট বেঙ্গলকে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই মর্যাদাপূর্ণ শিরোপা জিততে সাহায্য করেছে। এদিন ডুরান্ড ফাইনাল দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ। ম্যাচ শেষে তিনি ফুটবলারদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    প্রথম ২২ মিনিটেই খেলা শেষ

    মোহনবাগানকে ৪-১ ব্যবধানে চূর্ণ করে ২২ বছর পর ডুরান্ড কাপ জিতল ইস্টবেঙ্গল। গ্রুপ পর্বে এই মোহনবাগানের কাছেই হারতে হয়েছিল। তার মধুর প্রতিশোধ নিলেন হাবাস। মোহনবাগানের কোচ হিসাবে অতীতে বহু বার হারিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলকে। এ বার লাল-হলুদের কোচ হিসাবে মস্তিষ্কের যুদ্ধে দাপটে জিতে হাবাস বুঝিয়ে দিলেন, আইএসএলের লিগ-শিল্ড জেতার পরেও তাঁকে ছেড়ে কতটা ভুল করেছে মোহনবাগান। প্রতিটি গোলের পর তাঁর উল্লাস বুঝিয়ে দিয়েছে, মোহনবাগানকে মুখের উপর জবাব দিয়েছেন। ফাইনাল ম্যাচ। তার উপর ডার্বি। সেখানে কোনও দল যদি ২২ মিনিটেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়, তা হলে সেই ম্যাচের আর কী-ই বা পড়ে থাকে! এ দিন ইস্টবেঙ্গল প্রথম ২২ মিনিটেই ম্যাচ শেষ করে দিল। এডমুন্ডের জোড়া গোল, বিপিন সিং-এর গোলে ম্যাচ শুরুতেই পকেটে পুরে নিল তারা। মাঝে মনবীর সিং একক প্রয়াসে একটি গোল শোধ করলেন। তবে প্রথমার্ধের মধ্যেই একক দক্ষতায় গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করলেন এডমুন্ড।

    এডমুন্ডই সেরার সেরা

    সামনে মোহনবাগানকে দেখলেই জ্বলে ওঠেন তিনি। রবিবারের পর থেকে তিনি যে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের চোখের মণি হয়ে উঠবেন, তা বলাই বাহুল্য। ২৯ বছর পর ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে কোনও ফুটবলার ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করলেন। ইস্টবেঙ্গলের প্রথম এবং একমাত্র ফুটবলার হিসাবে এত দিন এই নজির ছিল বাইচুং ভুটিয়ার। ১৯৯৭-এর সেই ঐতিহাসিক ফেডারেশন কাপে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি। তার পর এডমুন্ডই হ্যাটট্রিক করলেন। মিজোরামের লুংলেই গ্রামে জন্ম এডমুন্ডের। ভারতীয় দলের নিয়মিত সদস্য তিনি। ডুরান্ডে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে ৩ লক্ষ টাকার আর্থিক পুরস্কার পেলেন এডমুন্ড। ডুরান্ড কাপ রানার্স হওয়ার ফলে ৬০ লক্ষ টাকা পুরস্কার পেল মোহনবাগান। চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইস্টবেঙ্গল পেল ১ কোটি ২১ লক্ষ টাকা।

    • গোল্ডেন গ্লাভস – বিশাল কাইথ (মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট)
    • গোল্ডেন বুট – আলাদিন আজারাই (নর্থইস্ট ইউনাইটেড)। ৯ গোল করেছেন আলাদিন।
    • গোল্ডেন বল – এডমুন্ড (ইস্টবেঙ্গল)
LinkedIn
Share