Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • CBI: সিউড়ি থানার আইসিকে নিজাম প্যালেসে ডেকে জেরা সিবিআইয়ের, কেন জানেন?

    CBI: সিউড়ি থানার আইসিকে নিজাম প্যালেসে ডেকে জেরা সিবিআইয়ের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ মঙ্গলবার বীরভূমের সিউড়ি থানার আইসি শেখ মহম্মদ আলিকে নিজাম প্যালেসে ডেকে সিবিআই (Cbi) ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করেন। মূলত কয়লা পাচার করার জন্য তাঁকে নিয়মিত প্রোটেকশন মানি দেওয়া হত বলে তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন। কয়লা পাচারের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার মুখেও এই পুলিশ অফিসারের নাম সিবিআই (Cbi) আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন। মহম্মদবাজারের অফিসার ইন চার্জ হিসেবে থাকার সময় এই পুলিশ আধিকারিক নিয়মিত প্রোটেকশন মানি নেওয়ার পাশাপাশি  বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে যেত। বিনিময়ে পাচারকারীদের   কয়লা পাচার করতে  কোনও সমস্যা হত না। কোনও সমস্যা হলেই মহম্মহ আলি মুশকিল আসান ছিলেন। মহম্মদ আলি থাকলে পাচারকারীদের কাজ করতে কোনও সমস্যা হত না বলে তদন্তকারী অফিসার জানতে পেরেছেন। কারণ, অনেকেই সে কথা তদন্তকারী অফিসারদের কাছে স্বীকার করেছে। এর আগে কয়লা পাচারে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা এবং গরু পাচারে অভিযুক্ত এনামূল হকের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে যে সব নথি পাওয়া গিয়েছে, তাতে রাজ্যে ১০০টি থানার অফিসার ইন চার্জের নাম পাওয়া গিয়েছে। লালার নিতুড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৫ হাজার পাতার খাতা পাওয়া গিয়েছে, তাতে সব পুলিশ অফিসারের খুঁটিনাটি রয়েছে। প্রোটেকশন মানি হিসেবে কাকে কত টাকা দেওয়া হত তার বিস্তারিত রয়েছে। সিউড়ি থানার আইসির কাছে নিয়মিত টাকার খাম পৌঁচ্ছে যেত। লালার কাছে থেকেই সেই তথ্য তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছে।

    মহম্মদ আলি বীরভূম জেলায় কত বছর আছে জানেন? Cbi

    ২০০৫ সালে বীরভূম জেলায় মহম্মদ আলির পোস্টিং হয়। এরপর নলহাটি, কাঁকড়তলা, খয়ড়াশোল, ইলামবাজার মহম্মদবাজার থানায় তিনি ঘোরাফেরা করেছেন। মূলত যে সব রুট দিয়ে কয়লা পাচার হত, সেই সব থানায় তিনি দায়িত্বে থাকতেন। এক সময় তিনি বাম নেতাদের কাছাকাছি থাকলেও রাজ্যে পালা বদলের পর তিনি শাসকদলের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। মহম্মদবাজার থানায় থাকার সময় তিনি কয়লা পাচারকারীদের ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেন। কয়লা পাচারকারীরা তাঁর মাধ্যমেই পুলিশের বিভিন্ন আধিকারিকদের কাছে টাকা পৌঁচ্ছে দিত। শুধু তাই নয়, যে সব থানা দিয়ে কয়লার গাড়ি যেত সেখানকার প্রোটেকশন মানিও তাঁর হাত দিয়ে যেত বলে (Cbi) সিবিআই তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন। কারণ, যারা নিয়মিত এই টাকা মহম্মদ আলিকে দিত তারা তদন্তকারী অফিসারের কাছে সে কথা স্বীকার করেছেন। কয়লা পাচারকারীদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার পাশাপাশি শাসক দলের দাপুটে নেতাদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত ওঠাবসা ছিল। বীরভূমের এক প্রভাবশালী নেতার কাছে তিনি নিয়মিত যেতেন বলে তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন। এক সময় প্রায় নিয়মিত সেই নেতার বাড়ি গিয়ে কী করতেন তা তদন্তকারী অফিসাররা জানার চেষ্টা করছেন। সিউড়ি থানার আইসি হিসেবে থাকলেও নলহাটি, মহম্মদবাজারসহ একাধিক থানা তিনি নিয়ন্ত্রণ করতেন। জেলার এক উচ্চ পদস্থ কর্তার সঙ্গে তাঁর এতটাই সখ্যতা ছিল যে জেলার বিভিন্ন থানায় কে কোথায় অফিসার হবেন তা তিনি ঠিক করতেন। তদন্তকারীরা আধিকারিকরা এই সব তথ্য কতটা সত্যি তা যাচাই করে দেখছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata High Court: ইডি-র হাতে গ্রেফতারির আশঙ্কা, রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে মমতার আইনজীবী

    Kolkata High Court: ইডি-র হাতে গ্রেফতারির আশঙ্কা, রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে মমতার আইনজীবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-র (ED) হাতে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে আগেভাগেই রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) দ্বারস্থ হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আইনজীবী সঞ্জয় বসু (Sanjay Basu)। সঞ্জয় সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারের স্ট্যান্ডিং কাউন্সিল। মঙ্গলবার বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের এজলাসে এই মামলার শুনানিতে ইডি তাদের বক্তব্য জানানোর জন্য সময় চেয়েছে। বুধবার সেই আবেদনের শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে খবর।

    সঞ্জয়কে তলব ইডি-র…

    জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার নিজেদের দফতরে সঞ্জয়কে তলব করেছে ইডি। এদিনই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সঞ্জয়। সঞ্জয়ের আইনজীবী সপ্তাংশু বসুর দাবি, ভুয়ো অর্থনৈতিক সংস্থার একাধিক মামলায় রাজ্যের আইনজীবী ছিলেন তাঁর মক্কেল। তাই ইডি বারবার হেনস্থা করছে সঞ্জয়কে।

    প্রসঙ্গত, ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থার মামলায় তদন্তে নেমে সঞ্জয়ের আলিপুরের বাড়িতে ইতিমধ্যেই হানা দিয়েছে ইডি। ১ মার্চ সকালে তাঁর বাড়িতে ঢুকেছিলেন ইডির আধিকারিকরা। ২ মার্চ দুপুরের দিকে তাঁর বাড়ি থেকে বের হন তাঁরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, প্রায় ২২ ঘণ্টা ম্যারাথন তল্লাশির পর সঞ্জয়ের বাড়ি থেকে বেশ কিছু নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরেই ইডির দফতরে তলব করা হয় সঞ্জয়কে।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত শান্তনু-কুন্তলকে ছেঁটে ফেলল তৃণমূল, বহাল তবিয়তে মানিক, পার্থ

    সঞ্জয়ের বাড়িতে (Kolkata High Court) ইডির হানা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২ মার্চ দুপুরে নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ওরা (ইডি) গতকাল সঞ্জয়ের বাড়িতে ঢুকেছিল। আজ মেঘালয়ে ফল ঘোষণা পর্যন্ত ছিল। তিনি বলেন, সঞ্জয় রাজ্য সরকারের স্ট্যান্ডিং কাউন্সিল। সরকারের অনেক কাগজপত্র স্বাভাবিকভাবেই ওর কাছে থাকে। ও আমারও আইনজীবী। ওকে আমি জিজ্ঞেস করেছি, এত তল্লাশি করে কী কী পেল? ও বলল, কিছু পায়নি। খালি আপনাদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছিল।

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ইডি, সিবিআইয়ের অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলেন বিজেপি বিরোধী আটটি রাজনৈতিক দলের ৯জন নেতা। ওই চিঠিতে যাঁরা স্বাক্ষর করেছিলেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।  

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত শান্তনু-কুন্তলকে ছেঁটে ফেলল তৃণমূল, বহাল তবিয়তে মানিক, পার্থ

    TMC: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত শান্তনু-কুন্তলকে ছেঁটে ফেলল তৃণমূল, বহাল তবিয়তে মানিক, পার্থ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam) মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের (TMC) পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। তাঁকে সাসপেন্ড করা হলেও বহিষ্কার করা হয়নি। যেমন বহিষ্কার করা হয়নি পলাশিপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকেও। গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলও বহাল তবিয়তে রয়েছেন দলে। তবে এঁদের মতো ‘কপাল’ নয় নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত হুগলির দুই তৃণমূল যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুন্তল ঘোষের। মঙ্গলবার তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

    তৃণমূলের (TMC) শাস্তির খাঁড়া…

    এদিন এক সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের তরফে দলের মুখপাত্র তথা রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা এই দুই নেতার বহিষ্কারের খবর জানান। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে শশীর পাশে ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শশী বলেন, আমরা বরাবর বলে এসেছি, আমরা এই দুর্নীতির সমাধান চাই। যাঁরা এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাঁদের রেয়াত করা হবে না। শশী বলেন, তৃণমূল (TMC) কখনওই দোষীদের সমর্থন করেনি। বরং তারা চায় এই দুর্নীতির তদন্তে গতি আসুক। দ্রুত এর সমাধান হোক। এই প্রক্রিয়ায় যাঁদের নাম প্রকাশ্যে এসেছে, দল তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপও করছে। তিনি বলেন, এখানেই অন্যান্য দলের সঙ্গে তৃণমূলের ফারাক। তৃণমূল অভিযুক্তদের সমর্থন করে না। অথচ বিজেপিকে দেখা গিয়েছে, স্পষ্টতই তাদের দুর্নীতিতে অভিযুক্ত নেতাদের জামিনের জন্য তদ্বির করতে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সিপিএমকে সাফ করেছি, পিসি-ভাইপোকেও গ্যারাজ করব’’, নন্দীগ্রামে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    শশীর দাবি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে বহু রাজনৈতিক দল জড়িত। বহু নেতা বিধানসভায় প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছেন তোমায় জেলে ভরে দেব। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস কোনও দুর্নীতি সহ্য করতে করে না। শশী বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত নিয়ে তৃণমূলের আপত্তি নেই। কিন্তু যেভাবে রোজ নিয়ম করে সিবিআই-ইডি তল্লাশি চালিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বদনাম করার চেষ্টা চলছে, তাতে আপত্তি রয়েছে। তিনি বলেন, একটা কথা মানতে হবে, তা হল যে টাকা উদ্ধার হয়েছে, তা কিন্তু তৃণমূলের কোনও পার্টি অফিস (TMC) থেকে হয়নি। তা উদ্ধার হয়েছে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে। শশী বলেন, কারও বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার হলে, তার দায় দলের নয়।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতির জের! হাইকোর্টের নির্দেশে ৩৪৭৮ জনের তালিকা প্রকাশ করল এসএসসি

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতির জের! হাইকোর্টের নির্দেশে ৩৪৭৮ জনের তালিকা প্রকাশ করল এসএসসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) জের এসএসসি-র গ্রুপ সি (Group C) পরীক্ষাতেও। গ্রুপ সি-তেও ওএমআর শিটের নম্বরে কারচুপি ধরা পড়েছে। প্রাপ্ত নম্বর শূন্য, বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৭! প্রাপ্ত নম্বর ১, বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৪! হাইকোর্টের নির্দেশ ৩৪৭৮ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি।  ৩৪৭৮ জনের মধ্য়ে ৩৬২ জনের নম্বরে কোনও রদবদল হয়নি। বাকী ৩১১৬ জনের মধ্যে ৮৬ জনের নম্বর কমে গিয়েছে এসএসসির মূল সার্ভারে। এদের নম্বর গাজিয়াবাদের ওএমআর মূল্যায়নকারী সংস্থা এনওয়াইএসএ-র সার্ভারে বেশি বা কম ছিল। 

    তালিকায় স্পষ্ট নম্বরে কারচুপি

    এসএসসি-র প্রকাশিত তালিকায় স্পষ্ট নম্বরে কারচুপি করে নিয়োগ-দুর্নীতির (SSC Scam) ছবি। প্রার্থীদের নাম ও রোল নম্বর দেওয়া আছে সেই তালিকায়। পাশে পরপর কলামে লেখা – প্রকাশ হওয়া নম্বর ও আসল নম্বর। তার পাশের কলামে দেখানো হয়েছে, ঠিক কত নম্বরের তফাৎ রয়েছে। 

    এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “এটা সংগঠিত, পরিকল্পিত দুর্নীতি (SSC Scam)। এসএসসির মান সম্মান এখন আর কিছু নেই। যে উদ্দেশে এসএসসি তৈরি হয়েছিল, সেটিকেই বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অজান্তে এই দুর্নীতি হয়নি। উনি জানতেন না এটা হতে পারে না। আর যদি না জানেন তাহলে অযোগ্য হিসেবে তাঁর পদ ছেড়ে দেওয়া উচিত’। এদিকে, গ্রুপ সি-র শূন্য পদে নিয়োগের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে এসএসি। খুব শীঘ্রই হবে কাউন্সেলিং। এই মর্মে বিবৃতি প্রকাশ করল কমিশন। প্রথম দফায় হবে ৭৮৫ পদে নিয়োগ। ওয়েটিং লিস্ট থেকেই হবে নিয়োগ। কিন্তু ওইসব প্রার্থীদের ওএমআর শিট পরীক্ষা করে দেখা হবে। কোনও অসংগতি থাকলে তাদের কাউন্সেলিংয়ে ডাকা হবে না। 

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে ফের ধাক্কা! উপাচার্য পুনর্নিয়োগের অধিকার নেই রাজ্যের

    এদিকে, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ গ্রুপ সি-র চাকরিচ্যুতরা। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ৮৪২ জন চাকরিচ্যুত। মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চ। চলতি সপ্তাহে শুনানির সম্ভাবনা।    

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bonny Sengupta: “ওসব আমার টাকা, অন্য কারোর নয়”, ইডির জেরা শেষে বললেন বনি

    Bonny Sengupta: “ওসব আমার টাকা, অন্য কারোর নয়”, ইডির জেরা শেষে বললেন বনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকা ফেরত দেওয়ার প্রশ্নই নেই, এমনটাই বলতে শোনা গেল বনি সেনগুপ্তকে (Bonny Sengupta)। মঙ্গলবার ফের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন টলি অভিনেতা। এদিন মাত্র আড়াই ঘণ্টার মধ্যেই বেরিয়ে এলেন তিনি। আগের দিন জিজ্ঞাসাবাদের পরেই বনিকে তাঁর কথার প্রমাণ হিসাবে নানা নথি জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল ইডি। আজ সকালে সেই সব নথি নিয়েই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন তিনি। এদিন সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকার সময় মিডিয়ার সঙ্গে কোনও কথা বলতে চাননি তিনি। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে সংবাদমাধ্যমের সব প্রশ্নের জবাব দিলেন তিনি। টাকা তিনি ফেরত দেবেন কি না, বিদেশযাত্রার অর্থ কুন্তলের কি না, এইসব প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “ওই সব টাকা আমার দাদা, আর কারও নয়।”

    সংবাদমাধ্যমে আর কী বললেন বনি?

    রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত হুগলির বলাগড়ের যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের কাছ থেকে ৪০ লক্ষ টাকায় একটি গাড়ি কিনেছিলেন বনি। সেই লেনদেনের সূত্রেই তাঁকে আজ তলব করেছিল ইডি। এদিন বেলা ১২টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন বনি। ইডি দফতরে ঢোকার সময় সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি এই অভিনেতা। এরপর বেলা ২টো ৩০ মিনিট নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতর থেকে বেরোন বনি (Bonny Sengupta)।

    আরও পড়ুন: ‘‘একমাত্র বিপরীত লিঙ্গেই সম্ভব’’, সমলিঙ্গ বিয়ে নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থানকেই সমর্থন সঙ্ঘের

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি (Bonny Sengupta) বলেন, “আমার কাছে যে যে তথ্য চাওয়া হয়েছিল, আমার যা যা জমা দেওয়ার ছিল সব জমা দিয়েছি। আশা করি আমাকে আর আসতে হবে না। তবে কী কী তথ্য জমা দিয়েছি সেটা বলা যাবে না। এবার যা বলার ইডি বলবে। আশা করি আমায় আর ডাকা হবে না। আমায় আর এ ভাবে হেনস্থা করবেন না।” আবার মিডিয়াকে সাফ বলে দেন যে, “আমি টাকা ফেরত দেব না। ওসব আমার টাকা। ওসব অন্য কারও না।”

    নিয়োগ দুর্নীতিতে জিজ্ঞাসাবাদের আবহে বনির (Bonny Sengupta) বিদেশ সফরে অর্থের উৎস নিয়েও চর্চা চলেছে। সেই প্রসঙ্গেও বনি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন যে, সবই তাঁর টাকায় হয়েছে। এখন এটাই দেখার যে, ইডির পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • School:  স্কুলে ২৭ জন ছাত্র-ছাত্রীকে পড়াতে ১০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা! কোথায় দেখে নিন

    School: স্কুলে ২৭ জন ছাত্র-ছাত্রীকে পড়াতে ১০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা! কোথায় দেখে নিন

     মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বাংলা মাধ্যমে পড়ার অনীহা, নাকি অভিভাবকদের ইংরেজি মাধ্যমে ভর্তি করার প্রবণতা? যে কোন কারণেই হোক বাংলা মাধ্যম স্কুল গুলিতে কিভাবে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমছে তা কোন্নগর জোড়াপুকুরে নগেন্দ্রনাথ কুন্ডু বিদ্যালয়ে (School) গেলেই বোঝা যায়। প্রায় ৫০ বছরের পুরানো স্কুল। এক সময় স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের ভিড়ে গম গম করত। এলাকার অধিকাংশ ছেলেমেয়েরা এই স্কুলেই (School)  পড়শুনা করেছেন। কিন্তু, এখন স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকলেও নতুন করে কেউ আর ভর্তি হতে চায় না। এই স্কুলের (School) পরিকাঠামোতে কোন গলদ নেই। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে মিড ডে মিল সবই চালু। স্কুলে এখন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন ১০ জন। ২ জন শিক্ষা কর্মী রয়েছেন। আর ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ২৭ জন। পড়়ুয়ার অভাবে রাজ্যে ৮ হাজারের বেশি স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামীদিনে এই স্কুল সেই পথেই হাঁটছে।

    কেন কমছে স্কুলের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা? School

    এই স্কুলে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ানা হয়। সাধারণত যে স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত রয়েছে, সেখানেই অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের ভর্তির বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এই বিষয় নিয়ে স্কুলের (School) এক শিক্ষিকা দীপান্বিতা চক্রবর্তী বলেন, ২০২১ সালে অন্য স্কুল (School) থেকে বদলি হয়ে এই স্কুলে এসেছি। তখন থেকে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা কম। আমার মনে হয়েছে, বর্তমান অভিভাবকদের ইংরেজি স্কুলে পড়ানোর প্রবণতা বাড়ছে। সেই কারণে শুধু এই স্কুলে (School)  নয় সারা রাজ্যের বাংলা মিডিয়াম স্কুলগুলি ধুঁকছে। অভিভাবকরা সাধারণত চেষ্টা করেন পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি করিয়ে একেবারে উচ্চমাধ্যমিক অবধি একই স্কুলে (School) রেখে দিতে। কিন্তু এই স্কুলে (School)  সেই ব্যবস্থা নেই। স্কুলের মাঠের অবস্থাও ভাল না। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। পঠনপাঠনকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়। আশা রাখব, ভবিষ্যতে এই অবস্থা থাকবে না।

    স্কুলটি কোন্নগর পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে পড়ে। স্থানীয় কাউন্সিলর বাবলু পাল বলেন, এই স্কুল বহু পুরোনো। বর্তমানে এর গরিমা হারালেও একসময় এই স্কুল রমরম করে চলতো। আসলে বিগত সরকারের ভ্রান্ত শিক্ষানীতি, প্রাথমিক স্তরে ইংরেজি উঠিয়ে দেওয়া এবং বর্তমানে শিক্ষায় ইংরেজির গুরুত্ব ,সব কিছু ধরে দেখা যাবে এখনকার অভিভাকরা চাইছেন ছেলেমেয়েরা ইংরেজি ভালো করে শিখুক। তাই তারা বিভিন্ন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে (School) ভর্তি করাতে চান। সেই জন্যই এই ধরণের বাংলা মিডিয়াম স্কুলগুলি ডুবছে। দুঃখের বিষয় যাঁরা শিক্ষক হওয়ার জন্য ধর্ণা দিচ্ছেন তাঁরাই আবার তাঁদের উত্তরসূরি দের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে দিচ্ছেন। কি আর হবে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami: রামনবমীতে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিতে মুখরিত হবে বাংলা, জানালেন শুভেন্দু

    Ram Navami: রামনবমীতে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিতে মুখরিত হবে বাংলা, জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবারের মতো এবারও মহা সমারোহে রামনবমী (Ram Navami) উদযাপন করতে চলেছে বিজেপি (BJP)। এজন্য ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। উত্তর থেকে দক্ষিণ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কয়েক হাজার শোভাযাত্রার পরিকল্পনা করেছে পদ্ম শিবির। চলতি বছর রামনবমী পালিত হবে ৩০ মার্চ। ওই দিন জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে বাংলা কাঁপিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, রামনবমীতে রাজ্যে কীভাবে জয় শ্রীরাম স্লোগান ওঠে, তার জন্য অপেক্ষা করুন দুটি সপ্তাহ। রাজ্যে কয়েক হাজার মিছিলে ৪০-৫০ লক্ষ মানুষ গেরুয়া ঝান্ডা নিয়ে অংশ নেবেন। আলিপুরদুয়ার থেকে কাঁথি, কাকদ্বীপ থেকে পুরুলিয়া সর্বত্র জয় শ্রীরাম স্লোগান উঠবে।

    রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রা…

    রাজ্যে রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রা সেই অর্থে হত না। ২০১৮ সালে প্রথম রামনবমীর শোভাযাত্রা বের করে বিজেপি। ওই বছর জেলায় জেলায় শোভাযাত্রার আয়োজন করেছিল গেরুয়া শিবির। তার ফল ফলেছিল উনিশের লোকসভা নির্বাচনে। এ রাজ্যে এক লপ্তে বিজেপির আসন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮। তার পর থেকে প্রতি বছর দিনটি মর্যাদার সঙ্গে পালন করে বিজেপি। এ বছরও হবে রামনবমীর শোভাযাত্রা। সনাতন পঞ্চাঙ্গ অনুসারে, চৈত্র মাসকে হিন্দু নববর্ষের সূচনা বলে মনে করা হয়। এ মাসের শুক্লপক্ষে ন দিন ধরে মাতৃদেবীর পুজো করা হয়। নবম দিনটিকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই দিনে ভগবান বিষ্ণুর সপ্তম অবতার হিসেবে মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রী রামচন্দ্র জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সেই কারণেই চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে পালিত হয় রামনবমী।

    আরও পড়ুুন: ভারতের উত্থান অনেকের কাছে বিপদ! মোদি সরকারের দিশাকে সিলমোহর সঙ্ঘের

    এ বছর রামনবমী (Ram Navami) পালিত হবে ৩০ মার্চ। তার পরে পরেই রয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। বছর ঘুরলেই হবে লোকসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তার আগে রামনবমীর শোভাযাত্রা করে শক্তি যাচাই করে নিতে চাইছে বিজেপি। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একদিকে যেমন পুরষোত্তম রামকে শ্রদ্ধা জানানো হবে, তেমনি এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা যাবে সনাতনীদের। যার সুফল ফলতে পারে আসন্ন পঞ্চায়েত ও আগামী লোকসভা নির্বাচনে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Weather: আজ থেকেই রাজ্যে কালবৈশাখী-শিলাবৃষ্টি! কোন কোন জেলায় জারি সতর্কবার্তা?

    West Bengal Weather: আজ থেকেই রাজ্যে কালবৈশাখী-শিলাবৃষ্টি! কোন কোন জেলায় জারি সতর্কবার্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ায় (West Bengal Weather) আসতে চলেছে বড় পরিবর্তন। আজ থেকে রাজ্যে শুরু ঝড়-বৃষ্টি। শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও আবহাওয়ার বিশাল পরিবর্তন হতে চলেছে। আজ এবং আগামিকাল একাধিক জেলায় শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে আবার কয়েকটি জেলায় ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে। সপ্তাহভর বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি, সঙ্গে দমকা ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে ইঙ্গিত আবহাওয়া দফতরের। উত্তরবঙ্গের ৫টি জেলায় কমলা সতর্কতা এবং দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই হলুদ সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে ১৫ থেকে ১৭ মার্চ অর্থাৎ বুধ থেকে শুক্রবারের মধ্যে। সঙ্গে বজ্রপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমে। হাওয়া অফিস বলছে, মঙ্গল ও বুধবার আংশিক মেঘলাই থাকবে আকাশ। বৃহস্পতিবার থেকে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতা শহরেও। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস সঙ্গে রয়েছে (West Bengal Weather)।

    উত্তরবঙ্গে শিলাবৃষ্টি

    হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে মঙ্গলবার থেকে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই তিন জেলার কিছু অংশে বুধবার থেকে হাওয়া বদল হবে। বৃষ্টি বাড়বে ১৫ মার্চ থেকে। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আজ ও আগামিকাল উত্তরবঙ্গের ওই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে (West Bengal Weather) ।

    কেন এই দুর্যোগ?

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, ঝাড়খণ্ড ও সন্নিহিত এলাকায় শক্তিশালী নিম্নচাপ অক্ষরেখা অথবা ঘূর্ণাবর্ত তৈরির সম্ভাবনা বাড়ছে। এর জেরে রাজ্য জুড়ে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দেখা দিয়েছে। ১৪ থেকে ২০ মার্চের মধ্যে ঝড়বৃষ্টি চলবে রাজ্যে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Satish Kaushik:সতীশ কৌশিকের মৃত্যু অস্বাভাবিক! কী বললেন অভিনেতার স্ত্রী?

    Satish Kaushik:সতীশ কৌশিকের মৃত্যু অস্বাভাবিক! কী বললেন অভিনেতার স্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সতীশ কৌশিকের (Satish Kaushik)। মৃত্যুর আগে যে ফার্মহাউসে হোলি পার্টিতে ছিলেন অভিনেতা, সেই ফার্মহাউসের মালিকের স্ত্রী গত শনিবার জানিয়েছিলেন, অভিনেতার মৃত্যুর সঙ্গে তাঁর স্বামী বিকাশ মালু জড়িত। এমনটাও জানা গেছিল টাকা লেনদেনের ব্যাপার জড়িত আছে এই মৃত্যুর সঙ্গে। ওই মহিলা দাবি করেছিলেন, বিকাশের কাছ থেকে ১৫ কোটি টাকা পেতেন সতীশ কৌশিক। তবে এবার সব জল্পনার অবসান ঘটালেন সতীশ কৌশিকের স্ত্রী। স্বামীর মৃত্যুর পর নীরব ছিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে গেছেন। অবশেষে শোক সামলে উঠে সতীশের মৃত্যু ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক সম্পর্কে মুখ খুললেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘‘প্রধানমন্ত্রী সঠিক মানুষ চেনেন, আরআরআর-এর অস্কার জয়ই প্রমাণ’’, কেন এ কথা বললেন পীযুষ?

    সতীশের বন্ধু বিকাশ মালুর স্ত্রীর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন!

    সতীশ কৌশিকের স্ত্রী শশী  জানান, ব্যাবসায়ী বিকাশ মালুর দ্বিতীয় স্ত্রীর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। অভিনেতার মৃত্যুর সঙ্গে টাকা লেনদেনের কোনও যোগ নেই। পাশাপাশি তিনি এও জানান, সতীশ কৌশিক ও বিকাশ মালু ভাল বন্ধু ছিলেন। ব্যবসায়ী বিকাশ মালু এমনিই ধনী ব্যক্তি। সতীশের থেকে টাকা নেওয়ার তার দরকার পড়ত না।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, অভিনেতার হার্টে ৯৮ শতাংশ ব্লকেজ ছিল। রক্তে শর্করার মাত্রাও বেশি ছিল। শরীরে কোনও ড্রাগের নমুনা পাওয়া যায়নি। তাহলে কেন এই মৃত্যুকে মার্ডার বলছেন, বিকাশ মালুর স্ত্রী?

    শশী জানান, ‘হয়তো তিনি তাঁর স্বামীর কাছ থেকে টাকা নিতে চান। সেকারণে এই সব রটাচ্ছেন।’ পাশাপাশি সতীশের স্ত্রী জানান, ডাক্তারি রিপোর্ট, পুলিশের তদন্তের পর, তাঁর স্বামীর মৃত্যু নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এই বিষয়ে তিনি আর তদন্ত চান না।

    আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার বিয়ে, শনিবারে ছিল বৌভাত! কোর্টের নির্দেশে শুক্রবারই চাকরি গেল যুবকের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasekhar Mantha: নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিতের পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিশেরই, জানাল হাইকোর্ট  

    Rajasekhar Mantha: নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিতের পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিশেরই, জানাল হাইকোর্ট  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন হয়েছেন কাঁকুড়গাছির বিজেপি (BJP) কর্মী অভিজিৎ সরকার (Abhijit Sarkar)। অন্তত এমনই অভিযোগ বিজেপির। এই সংক্রান্ত মামলায় প্রয়াত অভিজিতের মা ও দাদার নিরাপত্তা দিতে হবে পুলিশকেই। তাঁরাই এই মামলার মূল দুই সাক্ষী। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এই মন্তব্য করেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা (Rajasekhar Mantha)। তাঁর নির্দেশ, নারকেলডাঙা এলাকায় অভিজিতের বাড়িতে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ক্যাম্প করে পাহারা দিতে হবে পুলিশকে। এই সময়ের মধ্যে সিবিআই তাদের পাঠানো অভিযোগ বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

    বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Rajasekhar Mantha) প্রশ্ন…

    বিচারপতি মান্থার প্রশ্ন, নিরাপত্তার গাফিলতিতে যদি দুজনের ওপর আক্রমণ হয়, যদি বড় কোনও ঘটনা ঘটে যেত, তাহলে তার দায় কে নেবে? আদালতের পর্যবেক্ষণ, নিম্ন আদালতে অভিজিতের মা ও দাদা ১৯ ও ২০ মার্চ সাক্ষ্য দেবেন। এরই মধ্যে তাঁদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই অবস্থায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা খুব জরুরি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয় ২ মে। এর পরেই কাঁকুড়গাছির বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের ওপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ, ওই বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন করে তারা। পিটিয়ে মারা হয় তাঁর সঙ্গী কুকুটিকেও। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আক্রান্তের পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশও দেয় আদালত (Rajasekhar Mantha)।

    অভিজিৎ খুনের প্রধান সাক্ষী তাঁর মা ও দাদা। চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর দাদা বিশ্বজিতের বাড়িতে হামলা হয় বলে অভিযোগ। অভিজিৎ খুনে জেলবন্দি অভিযুক্তদের পরিবারের লোকজন আইনজীবী এনে তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এমনকী অভিজিতের মাকে সাদা কাগজে সই করানোর চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিজিতের মা। ওই রাতেই চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এনআরএস হাসপাতালে। তার পরেই নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিশ্বজিৎ।

    আরও পড়ুুন: ‘‘এবার মিছিল করে আসব’’! দলবদলু বিধায়কদের ইস্যুতে স্পিকারকে স্মারকলিপি শুভেন্দুদের

    ওই মামলার শুনানির আগেই ২৫ ফেব্রুয়ারির ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিলেন বিচারপতি মান্থা (Rajasekhar Mantha)। পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন অভিজিতের পরিবারের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে। এদিন বিচারপতি মান্থা বলেন, আগামী ১৯ ও ২০ মার্চ অভিজিৎ হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে সাক্ষ্য দেবেন অভিজিতের মা ও দাদা। ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত পরিবারটিকে নিরাপত্তা দিতে হবে পুলিশকেই।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share