Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Viswa Bharati: ‘মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদ না থাকলে সুবিধা, আমরা প্রধানমন্ত্রীর মার্গদর্শনে চলি’, বিস্ফোরক বিবৃতি বিশ্বভারতীর

    Viswa Bharati: ‘মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদ না থাকলে সুবিধা, আমরা প্রধানমন্ত্রীর মার্গদর্শনে চলি’, বিস্ফোরক বিবৃতি বিশ্বভারতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কান দিয়ে দেখেন। স্তাবকরা যা শোনান, তাই বিশ্বাস করেন, টিপ্পনি করেন।” এবারে বিশ্বভারতীর নিশানায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ আধিকারিক বিবৃতি দিলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর আর্শীবাদ না থাকলে আমাদের সুবিধা। কারণ, বিশ্বভারতী প্রধানমন্ত্রীর মার্গদর্শনে চলতে অভ্যস্ত।” বুধবার বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষের থেকে তিন পাতার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে শুরুতেই কড়া ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে। উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লেখার হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর হুঁশিয়ারির জবাবেই পালটা বিবৃতি দিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    গতকাল মঙ্গলবার আন্দোলনরত বিশ্বভারতীর পড়ুয়া ও অধ্যাপকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার বোলপুরে জনসভার মঞ্চ থেকে আরও একবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে আক্রমণ করেন তিনি। সেখানকার সাসপেন্ড হওয়া পড়ুয়া, কয়েক জন অধ্যাপক দেখাও করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা অভাব-অভিযোগের কথা তাঁকে জানান। এরপরেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে মমতা বলেন, “শিক্ষার্থী থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকা কর্মচারীরা কাঁদছেন। প্রতিবাদ করলে সাসপেন্ড বা রেস্ট্রিক্টেড করা হচ্ছে। প্রবীণ আশ্রমিক সুপ্রিয় ঠাকুরের বাড়িতেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পাঁচিল তুলে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিশ্বভারতীর গৈরিকীকরণ করবেন, সেটা চলতে পারে না। বিশ্বভারতীর আচার্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখব।”

    প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখার হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব বিশ্বভারতীর

    মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের পরেই বুধবার প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। মুখ্যমন্ত্রী বিশ্বভারতী সম্পর্কে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ মন্তব্য করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। আরও লেখা হয়েছে, “বিশ্বভারতীতে এখন ৪৭৩ জন শিক্ষক, প্রায় ১৫ হাজার ছাত্র-ছাত্রী এবং ৭৫০ জন কর্মচারী বন্ধু আছেন। তার মধ্যে এক জন শিক্ষক এবং ছয় জন ছাত্র-ছাত্রীদের বক্তব্য শুনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে আক্রমণ করলেন। এটা অস্বাভাবিক নয়, কারণ তিনি কান দিয়ে দেখেন। যে অধ্যাপক সম্পর্কে বললেন, তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে, এটা সর্বৈব ভুল। তাঁকে শাস্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং এই প্রস্তাবটা নিয়ে ওই অধ্যাপক মামলা করেছেন। অতএব ব্যাপারটা বিচারাধীন। মাননীয় কোর্ট কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি। অতএব মুখ্যমন্ত্রী একটু বাড়াবাড়ি করলেন না কি?” আবার ছাত্রদের প্রসঙ্গ এনেও বিশ্বভারতীর তরফে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাত্রদের সম্পর্কে যা মতামত দিয়েছেন তা তথ্যগত ভুল। সেই ছাত্রদের কেন পরীক্ষা দেওয়া থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, তাও স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে এই বিবৃতিতে।

    গতকাল বিশ্বভারতীতে পাঁচিল তোলা নিয়েও কর্তৃপক্ষকে নিশানা করেছিলেন মমতা। ফলে তার উত্তরে আজ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ওনার নিরাপত্তার জন্য বোলপুর শহরকে ঘিরে ফেলা হল। ওনার বাসস্থান, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে কি দেওয়াল নেই? আরও জানাই এই দেওয়াল তোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তিন যুগ আগে।”

    আবার এই বিবৃতিতে নাম না করে গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল ও নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত একাধিক মন্ত্রী-উপাচার্যের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বলা হয়েছে, “আজ আপনার মনোনীত মন্ত্রী ও উপাচার্য গারদের ভিতরে। কী করে হল? কারণ আপনি স্তাবকদের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেই বিধ্বস্ত। আপনার প্রিয় শিষ্য, যাঁকে না হলে আপনি বীরভূম ভাবতে পারতেন না। তিনিও জেলে। কবে বেরোবেন কেউ জানে না। আগে সাবধান করলে আপনি দুর্নাম থেকে বাঁচতে পারতেন। আপনি যদি সত্যি অর্থে মানুষের মুখ্যমন্ত্রী হন, তবে এই কথাটা আপনার বোধগম্য হবে।”

    এর পর বিবৃতি শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রসঙ্গে এনে বলা হয়েছে, “বিশ্বভারতী একমাত্র কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আপনার আশীর্বাদ না থাকলে আমাদের সুবিধা কারণ আমরা প্রধানমন্ত্রীর মার্গদর্শনে চলতে অভ্যস্ত।” এরপর ছাত্র-ছাত্রী, মাস্টার মশায়দের ভুল পথে চলার জন্য প্ররোচনা না দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করা হয় এবং পরামর্শ দেওয়া হয়, মুখ্যমন্ত্রী যেন তথ্য, প্রমাণ দিয়ে মত তৈরি করেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শ ‘চোখ দিয়ে দেখুন, কান দিয়ে নয়।’ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই প্রেস বিজ্ঞপ্তির পর ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন মহলে।

  • Recruitment Scam: ‘‘চারপাশে এত দুর্বৃত্ত, দিদি একা পারছেন না’’! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মন্তব্য বিচারপতির

    Recruitment Scam: ‘‘চারপাশে এত দুর্বৃত্ত, দিদি একা পারছেন না’’! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মন্তব্য বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চারপাশে বহু দুর্বৃত্ত, তাই দিদি একা সামলাতে পারছেন না, অভিমত কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা চলাকালীন বুধবার এই মন্তব্য করেন বিচারপতি। এদিন মানিকের প্রসঙ্গে ভরা এজলাসে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, ‘‘দিদি একা আর সামলাতে পারছেন না। চারপাশে এত দুর্বৃত্ত থাকলে তিনি সামলাবেন কী করে?’’ এ প্রসঙ্গেই ভূপেন হাজারিকার ‘হাজার টাকার বাগান খাইলো পাঁচ সিকার ছাগলে!’ গানটি স্মরণ করেন তিনি।

    বিচারপতির প্রশ্ন

    এদিন ফের একবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে সিবিআই-ও। মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি সিবিআইকে প্রশ্ন করেন, “লন্ডনে মানিক ভট্টাচার্যের বাড়ির ঠিকানা জানেন? জানেন উনি কতবার লন্ডনে গিয়েছেন? আদালত তদন্ত করছে না সিবিআই?” মানিক সম্পর্কে অনেক তথ্য তাঁর জানা আছে, এজলাসে তার প্রমাণ দেন বিচারপতি নিজেই। তিনি জানান, লন্ডনের কোথায় মানিকের বাড়ি রয়েছে, তা তিনি জানেন। তিনি এ-ও জানেন, সেই বাড়ির পাশে এমন এক জনের বাড়ি রয়েছে, যিনি নিজেও রাজনৈতিক নেতা।

    আরও পড়ুন: চলতি মাসের ১৫ তারিখ পেশ হতে পারে রাজ্য বাজেট, জানালেন চন্দ্রিমা

    সিবিআইয়ের যুক্তি

    এদিন আদালতে সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, মানিক ভট্টাচার্যের ২টি বৈধ পাসপোর্ট রয়েছে। তখন বিচারপতি প্রশ্ন করেন এটা কী করে সম্ভব? পালটা বিচারপতি বলেন, “ছি! ছিঃ! ছিঃ। এটা কী হচ্ছে! লজ্জার ব্যাপার হল তিনি এখনো বিধায়ক পদে ইস্তফা দেননি।” সিবিআইয়ের তরফে আদালতে জানানো হয়, গত ২ সপ্তাহে তদন্ত অনেকটা এগিয়েছে। কিছু এসএমএস উদ্ধার হয়েছে। মানিক ভট্টাচার্যের কাছ থেকেও কিছু সূত্র পাওয়া গিয়েছে। ’এই মামলার শুনানিতে আগেই মঙ্গলবার সিবিআই আধিকারিক সোমনাথ বিশ্বাসকে তদন্তের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সেই প্রসঙ্গে বুধবার সিবিআইয়ের আবেদন ছিল, ‘‘তিন সপ্তাহ পরে আমরা রিপোর্ট পেশ করব। তার পর তদন্তকারী আধিকারিক সোমনাথ বিশ্বাসকে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হোক।’’ তবে সেই আবেদন গ্রাহ্য হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Union Budget 2023: “আমি অমৃতকাল বাজেটে বিশ্বাস করি”, বললেন শুভেন্দু, কী প্রতিক্রিয়া দিলীপ ঘোষের?

    Union Budget 2023: “আমি অমৃতকাল বাজেটে বিশ্বাস করি”, বললেন শুভেন্দু, কী প্রতিক্রিয়া দিলীপ ঘোষের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের আগে আজ মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অমৃত কালের প্রথম বাজেট-কে স্বাগত জানিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে অভিবাদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাজেট নিয়ে প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। আর এবারে নির্মলা সীতারামনের বাজেটের প্রশংসা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষ। এই দুই বিজেপি নেতা দৃঢ়বিশ্বাসী যে, এবারে বাজেট মধ্যবিত্তদের জীবনে খুশি নিয়ে আসবে।

    বাজেট নিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্য

    শুভেন্দু অধিকারী এদিন ট্যুইটে বাজেটের প্রশংসা করেছেন। তিনি বাজেটে সবথেকে বেশি গুরুত্ব পাওয়া সাতটি ক্ষেত্র সামনে রেখে লেখেন, “আমি অমৃতকাল বাজেটে বিশ্বাস করি।” নির্মলা সীতারামনের বাজেটের সাতটি উল্লেখযোগ্য পয়েন্ট তুলে ধরেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক ক্ষেত্র, কৃষিপরিকাঠামো উন্নতির জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ইত্যাদি। অন্যদিকে, বাজেটে আয়কর ছাড়ের ঊর্ধবসীমা বৃদ্ধি করার প্রসঙ্গ এনেও অন্য একটি ট্যুইটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। এর ফলে মধ্যবিত্তের অনেক সুবিধা বলে মন্তব্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতার।

    বাজেট নিয়ে দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া

    বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এদিন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “নির্মলাজি যা বলেছেন তার ফলে সমাজের সমস্ত মানুষ খুশি হবেন। ব্যক্তিগত ইনকামে ছাড় আছে। অর্থনীতিকে গতিশীল রাখার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার জনকল্যাণের জন্য যা যা ব্যবস্থা নিয়েছে তাও বজায় থাকছে। সার্বিক ভাবে খুশি মানুষ।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Recruitment Scam: কয়েক ঘণ্টার জন্য পর্ষদের ওয়েবসাইট ‘হ্যাক’ করে চাকরি, এই টোপেই কুন্তলের বাজিমাৎ?

    Recruitment Scam: কয়েক ঘণ্টার জন্য পর্ষদের ওয়েবসাইট ‘হ্যাক’ করে চাকরি, এই টোপেই কুন্তলের বাজিমাৎ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) উত্তাল গোটা রাজ্য। সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)। তারপর থেকেই সামনে এসেছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। এবার প্রকাশ্যে এল আরও এক ভয়ঙ্কর তথ্য। ইডির দাবি, পর্ষদের সাইট হ্যাক করেই চাকরির টোপ দিতেন কুন্তল। ইডি গোয়েন্দারা আগেই জানিয়েছেন চাকরিচ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা নিতেন কুন্তল ঘোষ। ইডির প্রশ্ন ছিল, কীভাবে করানো হত এই চাকরি? তারপরেই সামনে এসেছে ওয়েবসাইট হ্যাক করার বিষয়টি। 

    প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি (Recruitment Scam) পেতে যেটা অবশ্যক তা হল টেট পাশের শংসাপত্র। সে আসলই হোক বা ভুয়ো। আর এই ভুয়ো শংসাপত্রই সাপ্লাই করতেন তৃণমূল যুবনেতা। টাকার বিনিময়ে এই সার্টিফিকেট পেতেন অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে ছিল না তাদের নাম। ইডি সূত্রে দাবি, ওই প্রার্থীদের নাম ওয়েবসাইটে না থাকার কারণ হল, পর্ষদের ওয়েবসাইট হ্যাক করে নকল শংসাপত্র বানানো হয়েছিল এবং সেই সাইবার অপরাধের মূল মাথা ধৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। 

    ইডি সূত্রে খবর, ভুয়ো নিয়োগপত্রের (Recruitment Scam) বিনিময়ে যুবনেতা প্রায় ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন। ইডির আরও দাবি, বেসরকারি কলেজ সংগঠনের সভাপতি তাপস মণ্ডলের মাধ্যমে ৩২৫ জনের কাছ থেকে প্রাথমিকে নিয়োগের অগ্রিম টাকা তোলেন কুন্তল। মাথাপিছু এক লক্ষ টাকা। তবে সেই ৩২৫ জনের মধ্যে চাকরি হয়েছে মাত্র ২৭ জনের। অন্যদিকে, ওই ৩২৫ জনের কাছেই রয়েছে টেট পাশের ‘শংসাপত্র’, যা ডাউনলোড করা হয়েছে পর্ষদের ওয়েবসাইট থেকেই।

    আরও পড়ুন: চলতি মাসের ১৫ তারিখ পেশ হতে পারে রাজ্য বাজেট, জানালেন চন্দ্রিমা

    গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, হাতে ‘শংসাপত্র’ সত্ত্বেও পর্ষদের (Recruitment Scam) ওয়েবসাইটে নাম না আসায় বিচলিত হয়ে পড়েন চাকরিপ্রার্থীরা। বহুদিন দিন অপেক্ষা করেও নিয়োগপত্র না-আসায় অযোগ্য প্রার্থীরা কুন্তলকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তাপসের উপরেও চাপ আসে। ইডির দাবি, কুন্তলের দুই কর্মচারী এই কাজে তাকে সাহায্য করত। কয়েক ঘণ্টার জন্য পর্ষদের ওয়েবসাইট ‘হ্যাক’ করে অযোগ্য প্রার্থীদের নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হত তালিকায়।

    ফের তলব শান্তনুকে 

    এদিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ ও যুব তৃণমূল (Recruitment Scam) নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবার তলব করেছে ইডি। ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট ও সম্পত্তি সংক্রান্ত নথি নিয়ে আজই হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এর আগে শান্তনুর বলাগড়ের বাড়ি থেকে অ্যাডমিট কার্ড, শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করে ইডি। ইডির দাবি, তাপস মণ্ডল ও কুন্তল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে একাধিক তথ্য জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। সেই সূত্রেই শান্তনুকে আজ ফের তলব করেছে ইডি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • State Budget: চলতি মাসের ১৫ তারিখ পেশ হতে পারে রাজ্য বাজেট, জানালেন চন্দ্রিমা

    State Budget: চলতি মাসের ১৫ তারিখ পেশ হতে পারে রাজ্য বাজেট, জানালেন চন্দ্রিমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় পেশ হতে পারে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের বাজেট (State Budget)। এমনটাই জানালেন রাজ্য সরকারের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য৷ বিধানসভার অধিবেশন শুরু হচ্ছে ৮ ফেব্রুয়ারি। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “সম্ভবত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বাজেট পেশ করা হবে।” 

    মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য সংক্ষিপ্ত হতে পারে এবারের বিধানসভার বাজেট অধিবেশন (State Budget)। এমনটাই জানিয়েছে পরিষদীয় দফতর। বিধানসভা অধিবেশনের প্রথম দিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বক্তৃতা দিয়ে অধিবেশনের সূচনা হবে। ১৯ তারিখ শোকপ্রস্তাবেব মধ্যে দিয়ে শেষ হয়ে যাবে অধিবেশেনর কাজকর্ম। ১৫ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। আগে স্থির হয়েছিল ৮-২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হতে পারে বাজেট অধিবেশন।

    আরও পড়ুন: ডিজিটাল প্যান কার্ডই ব্যবসায়ীদের মূল পরিচয়পত্র, বড় ঘোষণা নির্মলার

    মাধ্যমিক শুরুর আগেই শেষ হবে অধিবেশন 

    সম্প্রতি পরিষদীয় দফতর জানিয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য অধিবেশন (State Budget) শেষ হতে পারে সময়ের আগেই। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে মাধ্যমিক পরীক্ষা। শেষ হবে ৪ মার্চ। সেই সময়ে বিধায়করা নিজেদের এলাকায় মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন। সেই ভাবনা থেকেই পরিষদীয় দফতর মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর আগেই অধিবেশন শেষ করার এই সিদ্ধান্ত।

    যদিও এখন অবধি সমন করে আনুষ্ঠানিক ভাবে অধিবেশন (State Budget) শুরুর নির্দেশ দেননি রাজ্যপাল। তাই বিধানসভা অধিবেশনের কার্যবিবরণীও এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। অনুমান করা হচ্ছে, রাজ্যপাল সমন করে অধিবেশন শুরুর নির্দেশ দিলেই সর্বদলীয়ও কার্যবিবরণীর বৈঠক করবেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও কার্যবিবরণীর একটি বৈঠকেই বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের সূচি তৈরি করা যায় না। তার জন্য স্পিকার বেশ কয়েকটি বৈঠক করেন। অধিবেশন শুরু হলেই কার্যবিবরণীর বৈঠক করে যাবতীয় কাজকর্ম স্থির করা হবে। চেষ্টা করা হবে ২১-২২ তারিখের মধ্যেই অধিবেশনের যাবতীয় কাজকর্ম শেষ করে দিতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Suvendu Adhikari: ‘কয়লা ভাইপো কে? তাঁর পরিচয়ই বা কী?’, প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের

    Suvendu Adhikari: ‘কয়লা ভাইপো কে? তাঁর পরিচয়ই বা কী?’, প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা ভাইপো কে? তাঁর পরিচয় কী? প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বুধবার বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) মামলার শুনানিতে বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণ, যে ট্যুইটের কথা বলা হচ্ছে সেখানে ‘কয়লা ভাইপো’র কথা বলা হয়েছে! ইনি কে? মামলাকারী ট্যুইটে তো কারও নাম ব্যবহার করেননি। বিচারপতি ভট্টাচার্য বলেন, লেডি কিম! তিনি কে? কিম জন উং উত্তর কোরিয়ার শাসক বলে জানি। তাঁকেই কি বলা হয়েছে? না কি মজা ছিল?

    শুভেন্দু অধিকারী...

    গত বছর ১৩ নভেম্বর শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) করা কয়েকটি ট্যুইটকে কেন্দ্র করে তাঁকে শোকজ নোটিশ পাঠায় পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার রক্ষা কমিশন। নোটিশ পাঠানো হয় তিন বার। কমিশনের এই নোটিশ খারিজের আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলেনতা। বুধবার এই মামলার শুনানিতে সওয়াল করেন শুভেন্দুর আইনজীবী। শুনানি চলাকালীন শুভেন্দুর আইনজীবী বলেন, শিল্পা দাস নামে এক মহিলা কমিশনে অভিযোগ করেছিলেন। তার ভিত্তিতে নোটিশ পাঠায় কমিশন।

    আরও পড়ুুন: সত্যকে লুকোতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য! মিড ডে মিল নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    বিচারপতি ভট্টাচার্যের প্রশ্ন, যিনি অভিযোগ করেছেন তাঁর সঙ্গে এই ট্যুইটের কী সম্পর্ক রয়েছে? তাঁর কি কোনও ক্ষতি বা স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়েছে? কমিশনের আইনজীবী জানান, অভিযোগকারিণী একজন মা। বিরোধী দলনেতার ওই মন্তব্য শিশু অধিকার লঙ্ঘন করে! একটি শিশুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানকে কটাক্ষ করার অভিযোগ রয়েছে। এর পরেই কমিশনের উদ্দেশে বিচারপতি ভট্টাচার্যের প্রশ্ন, যদি অভিযোগ সত্যি হয় তা হলে মামলকারীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার কোনও ক্ষমতা আপনাদের রয়েছে? কমিশনের আইনজীবী জানান, অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে অনুসন্ধান করা হয়। কমিশন নিজেও শুনানি করে। তার পর আইন অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হতে পারে। এর পর কমিশনের আইনজীবী হলফনামা দিয়ে উত্তর দেওয়ার জন্য সময় চান। শুভেন্দুও (Suvendu Adhikari) এই বিষয়ে অতিরিক্ত হলফনামা জমা দিতে চান। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলাটির শুনানির দিন ধার্য হয়।

    এদিকে, একদিন জেল হেফাজতে রাখার পর বুধবার ফের আসানসোল সিবিআই আদালতে পেশ করা হল লালা ঘনিষ্ঠ রত্নেশ ভার্মাকে। কয়লাকাণ্ডে অভিযুক্ত রত্নেশকে নিজেদের হেফাজতে পেতে চায় সিবিআই। এই মর্মে এদিন আদালতে আবেদন করা হবে সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে। প্রসঙ্গত, দু বছর পলাতক থাকার পর আত্মসমর্পণ করেন রত্নেশ। কয়লা পাচার মামলায় মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা ঘনিষ্ঠ রত্নেশ মঙ্গলবার সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী তাঁর জামিন নাকচ করে একদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সত্যকে লুকোতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য! মিড ডে মিল নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: সত্যকে লুকোতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য! মিড ডে মিল নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিড ডে মিল প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে রাজ্যে রয়েছে ১১ সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনামতো কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল পূর্ব ঘোষিত স্কুলগুলিতে পরিদর্শনেও যাচ্ছেন। এবার তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, অসত্যকে ঢেকে সাজিয়ে গুছিয়ে পরিবেশন করা হচ্ছে। দায়িত্বে থাকা সরকারি আধিকারিকরা কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে সেই সমস্ত স্কুলেই নিয়ে যাচ্ছে যাদের আগে থেকে সতর্ক করে রাখা হয়েছে। দুর্নীতি অনিয়ম লুকোতে মিড মিল স্টাফদেরও এতে সামিল করা হচ্ছে বলে দাবি শুভেন্দুর।

    শুভেন্দুর দাবি

    মঙ্গলবার এক ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু দাবি করেন, ‘মনে হচ্ছে সত্য অনুসন্ধানে, তাঁদের ওপর ভরসা করা হচ্ছে, যারা সত্যকে লুকোতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। রাঁধুনিদেরও এতে সামিল করা হয়েছে। তাদের বেতন ও ইনসেন্টিভ সময়ের আগেই দেওয়া হচ্ছে। এটা পশ্চিমবঙ্গ। যদি পড়ুয়াদেরও হুমকি দেওয়া হয়, অবাক হব না।’ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ”কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের (Central Team) উচিত নিজেদের মতো যেমন খুশি তেমন স্কুল বেছে হানা দেওয়া। নইলে আসল ছবিটা ধরা পড়বে না। রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে বাছাই করা স্কুলে মিড ডে মিল প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে নিয়ে যাচ্ছে। আগে থেকে জানানো বলে রান্নার কর্মীদের অ্যাপ্রন, গ্লাভস ও টুপি পরে দেখা যাচ্ছে। আর রান্নাঘরও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। হাতেনাতে ধরতে আগাম খবর না দিয়ে যেতে হবে।”

    এই ট্যুইটের সঙ্গেই তিনি একটি হোয়াটস অ্যাপ মেসেজেরও স্ক্রিনশট দেন। যেখানে মিড-ডে-মিলের রাঁধুনীদের জন্য বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। সোমবার থেকে রাজ্যের জেলায় জেলায় মিড ডে মিল প্রকল্পের অনুসন্ধান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল।

    আরও পড়ুন: মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা! ইডির দফতরে গিয়ে দাবি গোপাল দলপতির

    এদিনই কেন্দ্রীয় দলের অনুসন্ধানে একাধিক বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছে। ৭ জন মিড ডে মিলের কর্মীকে ভাগ করে দেওয়া হয় ৫জনের বেতন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রসকুঞ্জ প্রাণকৃষ্ণ হাইস্কুলে গিয়ে এমনই তথ্য় পেলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। প্রায় ১০-১২ বছর ধরে এভাবেই কম বেতন নিয়ে কাজ করে আসছেন কর্মীরা। মিড ডে মিলের রান্নাঘর পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। প্রধান শিক্ষকের অফিসে গিয়ে কথা বলেন তাঁরা। এদিকে রাজ্যে মিড মিলের খতিয়ান দেখার দিনেই  চন্দ্রকোণায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে মিড ডে মিলের খিচুড়িতে আরশোলা মিলেছে, বলে খবর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: হাইকোর্টের নির্দেশ মানল কমিশন, প্রকাশ করা হল গ্রুপ ডি-র ৪৪৮৭ প্রার্থীর ওএমআর

    Recruitment Scam: হাইকোর্টের নির্দেশ মানল কমিশন, প্রকাশ করা হল গ্রুপ ডি-র ৪৪৮৭ প্রার্থীর ওএমআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে মঙ্গলবার গ্রুপ ডি- র ৪৪৮৭ (Recruitment Scam) জন প্রার্থীর ওএমআর শিট প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। আদালত আগেই জানিয়েছিল ৩১ জানুয়ারির মধ্যেই গ্রুপ ডি প্রার্থীদের ওএমআর প্রকাশ করতে হবে। সেই অনুয়ায়ী অবশেষে প্রকাশিত হল এসএসসির গ্রুপ ডি প্রার্থীদের ওএমআর শিট। স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের ওএমআর শিট প্রকাশ করা হয়েছে।

    শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি অশিক্ষক কর্মী নিয়োগের (Recruitment Scam) ক্ষেত্রেও ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে কমিশনের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সিবিআই- এর তরফে ওএমআর-এর তথ্য বিকৃত করার অভিযোগ জানানো হয়। তার প্রেক্ষিতে গত ২৪ জানুয়ারি, স্কুল সার্ভিস কমিশনকে ৪৪৮৭ জন গ্রুপ ডি কর্মী এবং ওয়েটিং লিষ্টে থাকা প্রার্থীদের ওএমআর শিট প্রকাশ করার নির্দেশ দেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। সেইমতোই মঙ্গলবার কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের উত্তরপত্র প্রকাশ করা হয়। 

    কী করে দেখবেন ওএমআর শিট?

    ওএমআর শিট দেখার জন্য প্রার্থীদের প্রথমে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (Recruitment Scam) ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এবার ওয়েবসাইটের সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তিতে ক্লিক করতে হবে। এরপর পিওন, ল্যাব অ্যাসিসট্যান্ট, ম্যাট্রন, নাইট গার্ড এই সকল গ্রুপ ডি পদের মধ্যে প্রার্থীদের নিজ নিজ পদের বিভাগ বাছাই করতে হবে। এরপরই গ্রুপ অনুযায়ী স্ক্রিনে প্রার্থীরা তালিকা দেখতে পাবেন। আর তালিকায় নিজের নাম অনুযায়ী ওএমআর শিট ডাউনলোড করতে পারবেন।

    এদিকে প্রাথমিকের টেট নিয়ে নিজেদের (Recruitment Scam) ওয়েবসাইটে গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সম্প্রতি কুন্তল ঘোষের চিনার পার্কের ফ্ল্যাট থেকে ওএমআর শিট উদ্ধার হওয়ার পরেই, প্রাথমিকের টেটের তথ্য সুরক্ষিত নেই বলে অভিযোগ ওঠে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে সদ্য গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তল ঘোষের বাড়িতে ২০২২ এর প্রাথমিকের টেটের ওএমআর শিট-এর কপি পাওয়া গিয়েছে। তারপর সোমবারই পর্ষদের তরফে সভাপতি গৌতম পাল সাংবাদিক বৈঠক করেন।

    আরও পড়ুন: আইসিইটি- র আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন জ্যক সুলিভান এবং অজিত ডোভাল

    সেই সাংবাদিক সম্মেলনের পরের দিনই (Recruitment Scam) পর্ষদের তরফে প্রায় সাত লক্ষ চাকরি প্রার্থীর কাছে একটি আবেদন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, গত ১১ ডিসেম্বর ২০২২ সালে যে প্রাথমিকের টেট নেওয়া হয়েছে তার ওএমআর শিটের আসল কপি প্রত্যেক প্রার্থীর সুরক্ষিত রয়েছে। ওএমআর শিট কেউ টেকনিক্যালি ট্যাম্পারিং করতে পারবে না বলেও জানিয়েছে পর্ষদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Arup Chakraborty: এ কোন সংস্কৃতি! সুকান্ত-সুভাষকে কুরুচিকর আক্রমণ তৃণমূলের, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    Arup Chakraborty: এ কোন সংস্কৃতি! সুকান্ত-সুভাষকে কুরুচিকর আক্রমণ তৃণমূলের, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুকান্তবাবু শুনে রাখুন, তৃণমূল কর্মীরা যেদিন হাত তুলবে, সেদিন আপনাদের জায়গা হবে হাসপাতালে। প্রকাশ্য সভায় এই ভাষায়ই বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumder) হুমকি দিলেন বাঁকুড়ার তালডাংরার বিধায়ক তৃণমূলের (TMC) অরূপ চক্রবর্তী (Arup Chakraborty)। সোমবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন অরূপ। পরে যোগ দেন প্রকাশ্য সভায়। সেই সভা থেকেই হুমকি দেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির সুকান্ত মজুমদারকে। ঘটনায় সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। রাজনৈতিক মহলের মতে, হুমকি দিয়ে বিরোধীদের দমিয়ে রাখার বাম জমানার সেই ট্র্যাডিশন চলছে তৃণমূল জমানায়ও।

    সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি…

    সোমবার বিকেলে নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন অরূপ (Arup Chakraborty)। তিনি বলেন, সুকান্তবাবুকে আমি বলি, আপনি অধ্যাপক, আপনি বাংলায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। আপনি আপনাদের কর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন। আপনি আগুনে ঘি ঢালছেন। এর পরেই তিনি বলেন, সুকান্তবাবু শুনে রাখুন, তৃণমূল কর্মীরা যেদিন হাত তুলবে, সেদিন আপনাদের জায়গা হবে হাসপাতালে।  

    এদিন সভা শেষে স্বপক্ষ সমর্থন করতে গিয়ে অরূপ বলেন, সুকান্তবাবুকে সংযত হওয়ার জন্য সতর্ক করা হল। আপনি নিজে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ঘুরে বেড়িয়ে কর্মীদের লেলিয়ে দিচ্ছেন। বাংলায় অশান্তি হলে আপনাদের দেখা পাওয়া যাবে না। রাজ্য সরকারকেই তা সামলাতে হবে। অতি সম্প্রতি অরূপের (Arup Chakraborty) বিরুদ্ধে একাধিকবার প্ররোচনামূলক বক্তব্য রাখার অভিযোগ উঠেছে। গত সপ্তাহে আবাস যোজনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিডিওকে নিশানা করেন তিনি। তার আগেও একবার বিজেপির বিরুদ্ধে প্ররোচনামূলক বক্তব্য রাখতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। তার পরেও অবশ্য অরূপ রয়েছেন বহাল তবিয়তে। কোনও পদক্ষেপ করেনি তাঁর দল। ওই মঞ্চেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলের ইন্দপুর ব্লক সভাপতি রেজাউল খাঁ নিশানা করেন  সাংসদ বিজেপির সুভাষ সরকারকে। তিনি বলেন, আপনি যদি কোথাও যান সেখানের জনগণ আপনার প্যান্ট খুলে নেবে।

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরা বিধানসভায় অর্ধেক আসনে লড়বে তৃণমূল, ‘পর্যটক’ বলে কটাক্ষ বিজেপির

    তৃণমূল নেতা অরূপের এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। পদ্ম নেতা রাহুল সিনহা বলেন, পুলিশকে পকেটে পুরে এই ধরণের বক্তব্য রাখা সহজ। পনের মিনিটের জন্য পুলিশকে সরিয়ে দিন, তার পর বোঝা যাবে অরূপবাবুদের পাশে কটা লোক আছে। তিনি বলেন, এভাবে পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে হিংসায় কার্যত উসকানি দিচ্ছেন তৃণমূলের নেতারা। দোরগোড়ার পঞ্চায়েত নির্বাচন। ওয়াকিবহালের মতে, সেই কারণেই বিরোধীদের চমকে, ধমকে এক তরফা ম্যাচ বের করতে চাইছে তৃণমূল। সেই কারণেই বিরোধীদের হুমকি দিচ্ছেন অরূপের (Arup Chakraborty) মতো পুলিশ পরিবৃত শাসক দলের নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে গোপাল-কুন্তলকে মুখোমুখি জেরা! ১২ ঘণ্টা পর ইডির দফতর ছাড়লেন তাপসরা

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে গোপাল-কুন্তলকে মুখোমুখি জেরা! ১২ ঘণ্টা পর ইডির দফতর ছাড়লেন তাপসরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে প্রায় ১২ ঘণ্টা জেরার পর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট (ইডি)-র দফতর থেকে বেরোলেন মানিক ভট্টাচার্যের ‘ঘনিষ্ঠ’ তাপস মণ্ডল এবং গোপাল দলপতি। ইডি  সূত্রে খবর গোপাল দলপতির কাছে বেশ কিছু নথি চাওয়া হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে সেই সমস্ত নথি জমা করতে হবে। 

    তাপস মণ্ডলের কথা

    রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে ইডি-র মুখোমুখি হতে মঙ্গলবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে একসঙ্গে হাজির হন গোপাল এবং তাপস। মঙ্গলবার গভীর রাতে দু’জনকে ইডির অফিস থেকে বার হতে দেখা যায়। রাতে বেরোনোর সময় গোপাল প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তাপস মণ্ডল বলেন, “গোপালের সঙ্গে আমার দীর্ঘ চার বছর পর দেখা। ও যে বাইরে আছে সেটাও আমি জানতাম না।” তারপরই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, “ওর একটা অর্থলগ্নি সংস্থা ছিল। এরপর গ্রেফতার হয়ে তিহার জেলে চলে যায়। পরবর্তীকালে অফিসারাই আমায় জানান যে গোপাল বাইরে আছে। আপনি খোঁজ করুন।” একই সঙ্গে তাপস বলেন, “গোপাল আমার গ্রামের ছেলে। ২৮ জানুয়ারি আমি গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম মেদিনীপুরে, আমি ওর খোঁজ করে নিয়ে এসেছি। গোপালকে কুন্তলের সঙ্গে বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা! ইডির দফতরে গিয়ে দাবি গোপাল দলপতির

    গোপালের দাবি

    অন্যদিকে ইডির (ED) অফিস থেকে বেরোনোর সময় গোপাল বলেন, ‘‘তদন্তে আমি সাহায্য করছি। আবার যে দিন আমায় ডাকবে সে দিনই আসব।’’ কুন্তল বা শান্তনুর সঙ্গে লেনদেন সংক্রান্ত কোনও রকম চুক্তি হয়েছিল কি না সে প্রশ্নে গোপাল (gopal) বলেন, ‘‘এই রকম কোনও ডিল কখনও হয়নি। আমি এর আগে কুন্তলকে চিনতাম না। তাপসদাই পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।’’ তিনি আরও জানান, কুন্তল (kuntal) এবং তাঁকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়েছে মঙ্গলবার। গোপাল বলেন, ” ও ওর বক্তব্য পেশ করেছে আমি আমারটা। কুন্তল বা শান্তনুর সঙ্গে কোনও রকমের চুক্তি ছিল না। কুন্তলের থেকে কোনও টাকা পেতাম না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share