Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sukanta Majumdar: ‘‘বিচারপতি মৌচাকে ঢিল মেরেছেন, বাংলার মানুষ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পাশেই’’, মন্তব্য সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘বিচারপতি মৌচাকে ঢিল মেরেছেন, বাংলার মানুষ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পাশেই’’, মন্তব্য সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি মৌচাকে ঢিল মেরেছেন। তৃণমূল উচ্চতর আদালতে যেতে পারে। কিন্তু এভাবে বিচারপতির বিরুদ্ধে মন্তব্য করে আদালত অবমাননা করা হয়েছে।’ শুক্রবার বীরভুম যাওয়ার আগে অন্ডাল বিমানবন্দরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে এসে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একের পর এক রায়দানে কার্যত বিপাকে পড়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যে তৃণমূল মুখপাত্র তাঁর সমালোচনা করে অভিজিৎবাবুকে রাজনৈতিক মঞ্চে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন। আর তার প্রেক্ষিতে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। শুক্রবার বীরভুমে সভা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রন্ত্রী অমিত শাহর। এদিন দুপুর নাগাদ দিল্লি থেকে বিমানে অন্ডালের কাজি নজরুল বিমানবন্দরে নামেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে অন্ডাল বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ একাধিক বিজেপি নেতা। 

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্তবাবু কী জানালেন?

    এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্তবাবু (Sukanta Majumdar) বলেন, “মৌচাকে ঢিল মেরেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।” তিনি আরও বলেন, “রাজ্যের শিক্ষক দুর্নীতি সহ একাধিক মামলায় যেভাবে পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং অভিজিৎবাবু যেরকম সৎভাবে জীবনযাপন করেন, তাতে ওনার ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ওনার পাশে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আছে। তৃণমূল উচ্চতর আদালতে যেতে পারে। এভাবে একজন বিচারপতির বিরুদ্ধে মন্তব্য করে আদালতকে অনমাননা করেছে তারা।” দুর্নীতি মামলায় কুন্তল ঘোষের মুখোমুখি বসিয়ে তৃণমূলের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলি। সেই প্রসঙ্গে সুকান্তবাবু বলেন, “দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম আসাটা স্বাভাবিক। কারণ তিনিও দুর্নীতিতে অভিযুক্ত। দুর্নীতির আর্থিক লেনদেনের তথ্যপ্রমাণ তদন্তকারীদের কাছে আছে। তাই চোখে চোখে কথা বলো মুখে কিছু বলো না। আসলে, অভিজিৎবাবু মৌচাকে ঢিল মেরেছেন।” কেন্দ্রীয় বঞ্চনা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন,’পুরোনো মদ, নতুন বোতল। আগে সিপিএম বলতো, এখন একই কথা তৃণমূল বলে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Suvendu Adhikari: অমিত শাহের সামনে বাংলায় ‘পিসি-ভাইপোর রাজ’ শেষ করার শপথ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: অমিত শাহের সামনে বাংলায় ‘পিসি-ভাইপোর রাজ’ শেষ করার শপথ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সামনেই বাংলা থেকে ‘পিসি-ভাইপোর রাজ’ শেষ করার শপথ নিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার সিউড়ির জনসভায়, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ‘পরিবারতান্ত্রিক’ ও ‘তোষণে’র রাজনীতি উৎখাত করার ডাক দিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। 

    পরিবারতন্ত্রের অবসান

    অমিত শাহকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘অনুপ্রবেশকারীরা এখন বাংলার সবথেকে বড় সমস্যা। এটা আপনাকে সমূলে উপরে ফেলতে হবে। আর রয়েছে পরিবারতন্ত্রের সমস্যা। বাংলায় পিসি ভাইপোর রাজত্ব আপনাকে শেষ করতেই হবে!’ শুভেন্দু এ দিন সিউড়ির সভায় জানান, তিনি বিজেপি সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভায় যোগ দিয়েছিলেন৷ সেই বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে দেশের দুই রাজ্য থেকে পরিবারতন্ত্রের অবসানের কথা বলেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ সেই দুই রাজ্য হল পশ্চিমবঙ্গ এবং তেলেঙ্গানা৷ আগামী দিনে এই দুটো রাজ্যেই বিজেপি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে, বলে আশা রাজ্যের বিরোধী দলনেতার।

    অনুব্রতকে নিশানা

    এ দিন অমিত শাহের সামনে অনুব্রত মণ্ডলের উদাহরণ দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘যিনি গোটা রাজ্যের মধ্যে সবথেকে বেশি ভোট পরবর্তী হিংসায় মদত দিয়েছিলেন, সেই অনুব্রত মণ্ডলের অবস্থা এখন দেখেছেন তো কী হয়েছে৷ আপনারা যাঁরা এখনও ভাবছেন আগামী নির্বাচনগুলিতেও অনুব্রত মণ্ডলের মতো বিজেপি নেতা কর্মীদের উপরে অত্যাচার করবেন, তাঁদের অবস্থাও ওই একই রকম হবে৷ লাখ লাখ বিজেপি কর্মীরা পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। আগামী দিনেও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।’

    আরও পড়ুন: ২৫-এ পালাবদলের ইঙ্গিত! ‘লোকসভা ভোটে ৩৫টি আসন দিন’, বঙ্গবাসীকে আহ্বান অমিত শাহের

    সুকান্তর টার্গেট অভিষেক

    অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের টার্গেট লিস্টে ছিল তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সামনেই রাজ্যে বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের অত্যাচারের খতিয়ান তুলে ধরে সুকান্ত বলেন, “তৃণমূলের প্রচুর নেতা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর অত্যাচার করছে,ভয় দেখাচ্ছে, কার সাহসে? ভাইপোর সাহসে, কয়লা ভাইপোর সাহসে।” এরপরে অভিষেকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না উল্লেখ করে সুকান্তকে বলতে শোনা যায়, “খোকনের ডাক এসে গিয়েছে সিবিআইয়ের কাছ থেকে।” এদিন সুকান্ত ও শুভেন্দু দুজনেই বাংলায় বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের উপর অত্যাচারের বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নজরে আনার চেষ্টা করেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ২৫-এ পালাবদলের ইঙ্গিত! ‘লোকসভা ভোটে ৩৫টি আসন দিন’, বঙ্গবাসীকে আহ্বান অমিত শাহের

    Amit Shah: ২৫-এ পালাবদলের ইঙ্গিত! ‘লোকসভা ভোটে ৩৫টি আসন দিন’, বঙ্গবাসীকে আহ্বান অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে (LokSabha Election 2024) বাংলায় বিজেপির টার্গেট ঠিক করে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুক্রবার প্রচণ্ড গরমের মধ্যে সিউড়ির বেনীমাধব হাই স্কুলের মাঠে সভা করেন অমিত শাহ। এদিন তিনি বলেন, ‘বিধানসভায় বিজেপিকে ৭৭টি আসন জিতিয়ে দায়িত্ব বাড়িয়েছে বাংলা। ২০২৪-এ নরেন্দ্র মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে ৩৫টিরও বেশি আসনে জেতান।’ অমিতের দাবি, লোকসভায় ৩৫এর বেশি আসন বঙ্গবাসী দিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের পতনের জন্য ২০২৫ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না তাঁদের।

    পাখির চোখ লোকসভা নির্বাচন

    দিল্লির বিজেপি নেতৃত্বের পাখির চোখ ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন৷ এ দিন বীরভূমের সিউড়ির জনসভা থেকে তা স্পষ্ট করে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজ্যবাসীর কাছে আগামী লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে বিজেপি-কে ৩৫টি আসনে জেতানোর অনুরোধ করেছেন৷ একইসঙ্গে শাহের হুঁশিয়ারি, বাংলা থেকে বিজেপি যদি ২০২৪-এ ৩৫টি বা তার বেশি আসনে জয়ী হয়, তাহলে ২০২৬ পর্যন্ত বর্তমান তৃণমূল সরকারই থাকবে না৷ অমিত শাহ বলেন, ‘আপনারা ৭৭ আসনের সঙ্গে ৩৮ শতাংশ ভোট দিয়েছেন৷ তার জন্য আপনাদের আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই৷ ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে ৩৫টি আসনে বিজেপি-কে জিতিয়ে নরেন্দ্র মোদিকে ফের প্রধানমন্ত্রী করুন৷ ২৪-এ ৩৫টি আসন বিজেপি পেলেই আর ২৫-এর প্রয়োজন হবে না৷ তার আগেই দিদির রাজত্বের অবসান হবে৷’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবে বিজেপির থেকেই। আর ২০২৪ সাল থেকে এর ট্রেলার শুরু করতে হবে।’

    বাংলায় আতঙ্কের পরিবেশ

    সিউড়ির জনসভায় শাহের (Amit Shah) প্রশ্ন, ‘বাংলায় রামনবমীর শোভাযাত্রা কেন বেরোবে না? তৃণমূলের তোষণের রাজনীতির জন্যই অশান্তি হয়েছে।’ এদিন রাজ্য়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করে তৃণমূলকে নিশানা করেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ‘বীরভূমে এনআইএ ৮০ হাজারের বেশি ডিটোনেটর বাজেয়াপ্ত করেছে। এনআইএ এত বিস্ফোরক উদ্ধার না করলে প্রচুর মানুষের প্রাণ যেত।’ শাহের দাবি, ‘দিদির শাসনে বাংলা বোমা বিস্ফোরণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। যে বীরভূম স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে তাতে আতঙ্কের কেন্দ্রে পরিণত করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদিজি সারা দেশে জাতপাতের রাজনীতি আর পরিবারতন্ত্রকে বিলুপ্ত করে দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের জন্য কাজ করেন না। বাংলার জনতার কল্যাণ ওঁর লক্ষ্য নয়। ওঁর একমাত্র লক্ষ্য হল ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী বানানো। বাংলার মানুষের জন্য ওঁর কোনও চিন্তা নেই। মোদিজি যে প্রকল্পগুলি পাঠাচ্ছেন সেগুলো নিচু তলায় পৌঁছতে দেন না’।

    আরও পড়ুন: ‘আপনার উপস্থিতি অনুপ্রাণিত করে, মনোবল বাড়ায়’, শাহকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইট শুভেন্দুর

    সমাধান বিজেপি

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফের মনে করালেন, ‘তৃণমূলের একের পর এক নেতা এখন জেলের গরাদের পিছনে। দিদির দাদাগিরির জন্যেই একের পর এক তৃণমূল নেতা জেলে।’ সঙ্গে সংযোজন, ‘দিদি-ভাইপোর জুটিকে হারানোর এখন একটাই রাস্তা। বিজেপি।’ শাহের কথায়, ‘চাকরি চুরি হচ্ছে, মোদিজি জেলে পাঠালেই বলে অত্যাচার হচ্ছে। যারা দুর্নীতিগ্রস্ত, তাদের তো জেলে পাঠাতেই হবে। এর পাশাপাশি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়েও অমিত শাহ (Amit Shah) সরাসরি প্রশ্ন ছু়ড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে৷ বীরভূমে কেন এখনও গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলকে তৃণমূলের জেলা সভাপতি পদে রাখা হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷ এদিনের সভা থেকে বগটুইয়ে নিহতদের শ্রদ্ধা জানান অমিত শাহ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: বাংলা নববর্ষ নয়, আজই দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেবেন অমিত শাহ, সফরসূচি বদলের কারণ কী?

    Amit Shah: বাংলা নববর্ষ নয়, আজই দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেবেন অমিত শাহ, সফরসূচি বদলের কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক ছিল বাংলা নববর্ষের দিন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেই মতো বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কাছে খবরও ছিল। প্রস্তুতিও চলছিল জোরকদমে। কিন্তু, আচমকাই তার সফরসূচির কিছুটা বদল ঘটেছে। সিউড়ি-র সভা শেষ করে শুক্রবার বিকেলের পর তিনি দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিতে আসছেন বলে জানা গিয়েছে। সেই মতো মন্দির জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    আচমকাই সফর বদলানোর কারণ কী?

    এদিন দুপুরে সাড়ে ১২টা নাগাদ দুর্গাপুর বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে বীরভূমের সিউড়ি যান অমিত শাহ (Amit Shah)। সেখানে সভা শেষ করে ৩টে ৫ মিনিট নাগাদ সিউড়ির নবনির্মিত বিজেপির বীরভূম জেলা পার্টি অফিসে যাবেন শাহ (Amit Shah)। সেখানে নতুন কার্যালয় উদ্বোধন করবেন তিনি। তারপর বিকেল ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ ফিরবেন পুলিশ লাইন মাঠের হেলিপ্যাডে। রওনা দেবেন কলকাতা বিমানবন্দরে। সেখান থেকে সোজা দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে যাবেন। এমনিতেই পয়লা বৈশাখের দিন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়। সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন তাই নিজের সফরসূচির একটু পরিবর্তন করেছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। কারণ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ভিভিআইপি হওয়ায় বাড়তি নিরাপত্তা দিতে হবে। তাতে সাধারণ মানুষের এই গরমে চরম নাকাল হতে হবে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়েছিল, বিজেপি একদম মানুষের কথা ভাবে না। মানুষের অসুবিধা করতেই পয়লা বৈশাখে দক্ষিণেশ্বরে যাচ্ছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। অসুবিধায় পড়লে সাধারণ মানুষও এভাবেই ভাববে। তাতে দলের ক্ষতি হতে পারে বুঝতে পেরেই সফরসূচি পরিবর্তন করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    রাজ্যে অমিত শাহের (Amit Shah) সফরকে স্বাগত জানিয়ে ঠিক কী ট্যুইট করেছেন শুভেন্দু অধিকারী এবং সুকান্ত মজুমদার?

    শুভেন্দু অধিকারী ট্যুইটে লেখেন, ‘‌মাননীয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) উষ্ণ স্বাগতম। রাজ্যে আপনার উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করে এবং মনোবল বাড়ায়।’‌ সুকান্ত মজুমদার লেখেন, ‘‌স্বাগত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আজ বাংলার মাটিতে অমিত শাহ (Amit Shah) ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘আপনার উপস্থিতি অনুপ্রাণিত করে, মনোবল বাড়ায়’, শাহকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইট শুভেন্দুর

    Amit Shah: ‘আপনার উপস্থিতি অনুপ্রাণিত করে, মনোবল বাড়ায়’, শাহকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইট শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাননীয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) উষ্ণ স্বাগতম। রাজ্যে আপনার উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করে এবং মনোবল বাড়ায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ট্যুইট-বার্তায় এভাবেই স্বাগত জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ট্যুইট-বার্তায় তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar)।    

    দু দিনের বঙ্গ সফরে অমিত শাহ (Amit Shah)…

    আজ, শুক্রবার দু দিনের বঙ্গ সফরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিনই তিনি সভা করবেন বীরভূমে। শাহের সঙ্গে থাকবেন শুভেন্দু এবং সুকান্ত। এদিনই রাতে নিউটাউনের একটি হোটেলে দলের কোর কমিটি ও রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন শাহ। রাজ্যে এর আগেও একাধিকবার ভোটের আগে সভা করেছেন অমিত শাহ। বোলপুর, বিশ্বভারতীতেও সফর করেছিলেন তিনি। রাজ্যে দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে শাহের এই সফর রাজনৈতিক দিক থেকে যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    দিন কয়েক আগে রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে উঠেছিল হাওড়ার কাজিপাড়া, শিবপুর, হুগলির রিষড়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা। হাওড়ায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। ঘটে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও। শিবপুরে যাওয়ার পথে পুলিশ বাধা দেয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। রিষড়ায় রেললাইনে বোমাবাজি করা হয়। তার জেরে রাতে ঘণ্টা তিনেক বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    বঙ্গ বিজেপির কাছে এসব অভিযোগ পেয়ে রাজ্যের রিপোর্ট তলব করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Amit Shah)। পুলিশ কেন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করেনি, তাও জানতে চেয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শুক্রবার রাতটা হোটেলে কাটিয়ে শনিবার সকালে দক্ষিণেশ্বরে গিয়ে পুজো দেওয়ার কথা অমিত শাহের। তারপরেই দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা তাঁর।

    আরও পড়ুুন: শুরু সলতে পাকানোর কাজ, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন কবে?

    এদিকে, অমিত শাহের বঙ্গ সফর নিয়ে উচ্ছ্বসিত গেরুয়া শিবির। বিজেপির রাজ্যস্তরের এক নেতা বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে শক্তি আরও বাড়ানোই আমাদের লক্ষ্য। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়া ১৪৪টি আসনকেই পাখির চোখ করা হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে বীরভূম আসনটিও। প্রতিটিতে হেভিওয়েটরা সভা করবেন। অমিত শাহ বীরভূম দিয়ে তার সূচনা করবেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Congress: তৃণমূল কর্মীদের হাত কেটে নেওয়ার নিদান দিলেন কংগ্রেসের উত্তর দিনাজপুরের জেলা সভাপতি, কেন?

    Congress: তৃণমূল কর্মীদের হাত কেটে নেওয়ার নিদান দিলেন কংগ্রেসের উত্তর দিনাজপুরের জেলা সভাপতি, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে ভোট লুঠ করতে এলে তৃণমূল কর্মীদের হাত কেটে নেওয়ার নিদান দিলেন উত্তর দিনাজপুর জেলা কংগ্রেসের (Congress) সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত। বৃহস্পতিবার ইটাহারে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা কংগ্রেস (Congress) সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত বলেন, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েতে মস্তান বাহিনী নিয়ে এসে তৃণমূল ভোট লুঠ করেছিল। এবার পঞ্চায়েত ভোটে আমরা তা করতে দেব না। পুলিশ এবং মস্তান বাহিনী নিয়ে এসে কেউ যদি মারে, তাহলে আমরাও রুখে দেব। তৃণমূল কংগ্রেস যদি মনে করে কালিয়াচক থেকে মস্তান আনবে, তাহলে আমরাও কথা বলে রেখেছি, কিশানগঞ্জ থেকে মস্তান বাহিনী এনে তৃণমূলের হাত কেটে দেব। মারের বদলা মার, না হলে তৃণমূল কংগ্রেসকে মারা যাবে না। জেলা কংগ্রেস (Congress) সভাপতির এই বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এক সময়ের কংগ্রেসের (Congress) গড় বলেই পরিচিত ছিল উত্তর দিনাজপুর জেলা। পরবর্তীতে সেই মাটি হাতছাড়া হয়ে শাসক দল তৃণমূল দখল করে। এবারে রাজ্য জুড়ে চলা দুর্নীতি কাণ্ডের পর মুর্শিদাবাদ সহ উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও ফের মাটি শক্ত হতে শুরু করেছে কংগ্রেসের। আর আসন্ন পঞ্চায়েতের আগে জেলা কংগ্রেস সভাপতির এই গরম গরম বক্তব্য দলীয় কর্মীদের মনোবল বাড়াবে বলেই ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে।

    তৃণমূলের ইটাহারের প্রাক্তন বিধায়ক অমল আচার্য্যের কংগ্রেসে (Congress) যোগদান নিয়ে জল্পনা

    সাগরদিঘি উপ নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসিয়ে কংগ্রেস (Congress) বাজিমাত করেছে। ধরাশায়ী হয় তৃণমূল। এই উপ নির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করে দেয়, সংখ্যালঘুরা শাসক দলের থেকে মুখ ফেরাচ্ছে। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয়ে ওঠে। এক সময়ে কংগ্রেসের খাসতালুক ইটাহারেও পঞ্চায়েত ভোটের আগে মাটি শক্ত হতে শুরু করেছে কংগ্রেসের (Congress)। জেলা কংগ্রেসের সভাপতির হাত ধরে অসংখ্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ কংগ্রেসের পতাকা ধরেন। কংগ্রেসে যোগ দেওয়া অধিকাংশ কর্মী প্রাক্তন বিধায়ক অমল আচার্য্যের অনুগামী। এই প্রসঙ্গে কংগ্রেসের (Congress) জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত বলেন, সাগরদিঘির পর এদিন যে ভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ মিছিল করে আমাদের দলে যোগ দিলেন, তাতে প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে, শাসক দলের সঙ্গে তাঁরা আর নেই। আগামীদিনে অমলবাবুও আমাদের দলে যোগ দেবেন। প্রদেশ কংগ্রেস অফিসে গিয়ে তিনি যোগ দেবেন।

    জেলা কংগ্রেস (Congress) সভাপতির হুমকি প্রসঙ্গে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    মোহিতবাবুকে “৭২-এর গুন্ডা” বলে পালটা কটাক্ষ করেছে শাসক শিবির। এই বিষয়ে জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন দেখিয়েই আমাদের ভোট হবে। তৃণমূল গুন্ডাগিরি করে না। আমাদের কোনও গুন্ডার প্রয়োজন পড়ে না। কারা গুন্ডাগিরি করে তা কংগ্রেসের (Congress) জেলা সভাপতিই বলে দিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: বাংলায় ভাষণ দেবেন রাজ্যপাল! নববর্ষ থেকেই রাজভবন সকলের জন্য

    CV Ananda Bose: বাংলায় ভাষণ দেবেন রাজ্যপাল! নববর্ষ থেকেই রাজভবন সকলের জন্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নববর্ষেই বাঙালি হওয়ার পথে পা রাখছেন রাজ্যপাল! রাজভবন সূত্রে খবর, পয়লা বৈশাখে রাজভবনের এক অনুষ্ঠানে বাংলার ভাষণ দেবেন সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। একইসঙ্গে শনিবার, নববর্ষের দিন থেকে জনসাধারণের জন্য খোলা থাকবে রাজভবন। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের বাসভবন ঘুরে দেখতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

    বেলুড়ে রাজ্যপাল

    আজ, শুক্রবার সকালেই বেলুড় মঠে পৌঁছন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রামকৃষ্ণ মিশন কোচি কেন্দ্রের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বেলুড় মঠের মায়ের ঘাট থেকে নেওয়া গঙ্গাজল পাঠানো হয় কোচিতে। কোচি শাখার পক্ষে এদিন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল তা গ্রহণ করেন। সেখানে পৌঁছন কোচি আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী ভুবনাত্মানন্দ ও আশ্রমের ট্রাস্টি সদস্যদের কয়েকজন। সেই মঙ্গল কলসটি কোচি আশ্রমের রামকৃষ্ণ মন্দিরের গর্ভগৃহে রক্ষিত হবে। বেলুড় মঠের ১২৫তম প্রতিষ্ঠা দিবসে সমাবর্তন অনুষ্ঠানেও রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস রামকৃষ্ণ মিশন বলরাম মন্দিরে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে মঠ সূত্রে খবর।

    বাংলায় ভাষণ রাজ্যপালের

    কেরলের কোট্টায়ামে জন্ম বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (CV Ananda Bose)। তাই কোচি ও কলকাতার সঙ্গে আত্মিক যোগ রয়েছে তাঁর। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হওয়ার পর একাধিকবার বাংলা শেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁর মতে, ‘যেখানেই কাজ করি না কেন, স্থানীয় ভাষা শেখা জরুরি। তাতে সাধারণ মানুষের উপকার হয়’। সরস্বতী পুজোর দিনে হাতেখড়ি অনুষ্ঠান হয় রাজভবনে। শুধু তাই নয়, সরকারি স্কুলের এক শিক্ষক এখন তাঁকে নিয়মিত বাংলা শেখাচ্ছেন বলে খবর। এবার ইংরেজি ছেড়ে বাংলায় ভাষণও দেবেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল! শনিবার বাংলা নববর্ষ। সেদিন বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে রাজভবনে। সেই অনুষ্ঠানে বাংলার ভাষণ দেবেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

    আরও পড়ুুন: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    সবার জন্য রাজভবন

    সম্প্রতি রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) জানিয়েছেন, ‘আমরা জনরাজভবন প্রোগ্রাম চালু করছি। রাজভবনকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যুক্ত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নববর্ষের দিন থেকেই হেরিটেজ ওয়াক চালু করছি আমরা।’ এদিন থেকে রাজভবনের বিভিন্ন ঘর ঘুরে দেখতে পারবেন সাধারণ মানুষ। রাজভবনের মধ্যেকার সুইমিং পুল, ঝুলন্ত সেতু, গ্রন্থাগার, বাগান ইত্যাদি দেখা যাবে। তবে রাজভবনের কয়েকটি জায়গা এই তালিকা থেকে বাদ রাখা হয়েছে। সূত্রের খবর, নিরাপত্তার কারণেই কয়েকটি জায়গা সাধারণ মানুষকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: শুরু সলতে পাকানোর কাজ, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন কবে?

    Panchayat Election: শুরু সলতে পাকানোর কাজ, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election) সলতে পাকানোর কাজ। বুধবারই সব জেলাশাসক ও জেলা পঞ্চায়েত অফিসারকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission) জানিয়ে দিয়েছে কারা পঞ্চায়েতে প্রার্থী হতে পারবেন, আর কারা পারবেন না। এদিকে, আগামী ১৮ এপ্রিল রাজ্যের জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বৈঠক হবে ভার্চুয়ালি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে জেলাশাসকদের সঙ্গে কমিশন বৈঠকে বসতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayet Election)…

    প্রসঙ্গত, হাইকোর্টের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টও জানিয়ে দিয়েছিল, ভোটে আমরা বাধা দিতে পারি না। দেশের শীর্ষ আদালতের এই পর্যবেক্ষণের পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে নির্বাচনের প্রস্তুতি। জানা গিয়েছে, এবার ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) গ্রাম পঞ্চায়েতের আসন সংখ্যা ৬২ হাজার ৪০৪। পঞ্চায়েত সমিতির আসন রয়েছে ৯ হাজার ৪৯৮টি। আর জেলা পরিষদের আসন সংখ্যা ৯২৮টি। সব মিলিয়ে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ৭২ হাজার ৮৩০টি।

    বর্তমানে রাজ্যে চলছে দাবদাহ। তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এমতাবস্থায় কীভাবে নির্বাচন করানো হবে, ভোটকর্মীদের জন্য কী কী বন্দোবস্ত করা হবে, নিরাপত্তা নিয়েই বা কী পদক্ষেপ করা হবে, সেই সব বিষয়ই উঠতে পারে জেলাশাসকদের সঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে। কমিশন সূত্রে খবর, ওই দিনের বৈঠকে সব জেলাশাসককে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    এদিকে, বুধবারই সব জেলাশাসক ও জেলা পঞ্চায়েত অফিসারকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজ্য নির্বাচন (Panchayat Election) কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, সিভিক ভলান্টিয়াররা পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্য সরকার চুক্তিতে তাঁদের নিয়োগ করেছে। সেই নিয়োগের কিছু শর্ত রয়েছে। সেই কারণে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না তাঁরা। প্রার্থী হতে পারবেন না গ্রাম রোজগার সেবক, শিক্ষাবন্ধু, পঞ্চায়েতের ঠিকাকর্মী বা রাজ্য সরকারের চুক্তিভিত্তিক ঠিকাকর্মীরা।

    তবে শিক্ষকদের প্রার্থী হতে কোনও বাধা নেই। কমিশন জানিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষক, হাইস্কুল শিক্ষক, প্যারাটিচার, অধ্যাপক, সহকারি অধ্যাপক, লেকচারার, গেস্ট লেকচারারও প্রার্থী হতে পারবেন। প্রার্থী হতে পারবেন আশাকর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, শিশুশিক্ষা সহায়ক এবং ইলেকট্রিসিটি বোর্ডের কর্মীরাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Talent: স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস! তিন বছরের খুদের প্রতিভা চমকে দেবে

    Talent: স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস! তিন বছরের খুদের প্রতিভা চমকে দেবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স সবে তিন বছর পেড়িয়েছে। এই বয়সে সাধারণত সবে অক্ষরজ্ঞান হয়। অনেকে ঠিকমতো করে কথা বলতে পারে না। সেখানে তিন বছরের দীপান্বিতা বর্মনের প্রতিভা (Talent) দেখে হতবাক সকলে। এত অল্প বয়সে তার এই প্রতিভাকে (Talent) স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস। বিষয়টি জানাজানি হতেই অনেকেই বাড়িতে ভিড় করেছেন। প্রতিবেশীরাও তার প্রতিভা (Talent) দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ। প্রতিবেশী শ্যামল পাল বলেন, আমাদের এই সীমান্তবর্তী গ্রামে খুদে মেয়ের এই সাফল্যে আমরা খুব গর্বিত।

    তিন বছরের খুদের প্রতিভা (Talent) কী জানেন?

    দীপান্বিতার বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ব্লকের চিঙ্গিসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সীমান্তবর্তী গ্রাম কিসমত রামকৃষ্ণপুরে। এই বয়সে তার দেশের সব রাজ্যের রাজধানীর নাম মুখস্থ। একাধিক দেশের নাম তাঁর ঠোঁটের ডগায়। মাত্র দু মিনিট ২৫ সেকেন্ডে বিভিন্ন দেশ ও ভারতের সব রাজ্য মিলিয়ে ১০০টি রাজধানীর নাম অনায়াসে বলে দিতে পারে সে। আর এই বিরল প্রতিভা (Talent) দেখেই ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে নাম উঠেছে তার। ইতিমধ্যেই মেডেল, সার্টিফিকেট সহ অন্যান্য পুরস্কার তার বাড়িতে এসে পৌঁছেছে। আর এই খুদের এমন সাফল্যে গর্বিত তার বাবা মা, পরিবারের লোকজন। গর্বিত সমগ্র গ্রামের বাসিন্দারাও। তিন বছরের খুদের অর্জন করা পুরস্কারগুলি দেখতে তার বাড়িতে এখন ভিড় জমাচ্ছেন এলাকাবাসীও।

    কী বললেন দীপান্বিতার বাবা?

    দীপান্বিতার বাবা সুরজিৎ বর্মন বলেন, আমরা খেলার ছলে মেয়েকে এসব রাজধানীর নাম বলতাম। ও একবার শুনলে সেটা মনে রাখতে পারত। ফলে, প্রতিদিন নতুন নতুন রাজধানীর নাম বলতাম। প্রথমে দেশের সব রাজ্যের নাম বললাম। দেখলাম, কয়েকদিনের মধ্যেই ও সব রাজধানীর নাম বলে দিল। এরপর দেশ ছাড়িয়ে সারা বিশ্বের সব দেশের নাম, রাজধানীর নাম ওর কাছে বলি। সব দেশের নাম ও অনায়াসে বলে দেয়। এরপর একদিন ওর প্রতিভার (Talent) বিষয়টি ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে মেল করে জানাই। ওদের নির্দেশ মতো ২ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের ভিডিও করে ওদের পাঠাই। এরপর মেয়ের প্রতিভাকে (Talent) ওরা স্বীকৃতি দেওয়ায় খুব ভাল লাগছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে কোন্দল প্রকাশ্যে! গরহাজির একাধিক কাউন্সিলার

    TMC: তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে কোন্দল প্রকাশ্যে! গরহাজির একাধিক কাউন্সিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ ছিল দক্ষিণ দমদম পুরসভায় তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলারদের মধ্যে কোন্দল মেটাতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে জেলা নেতৃত্ব বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেন। তবে, দক্ষিণ দমদম নয়, বরানগরে সেই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। আর সেই বৈঠকে তৃণমূল কাউন্সিলারদের হাজিরার সংখ্যায় শাসক দলের গোষ্ঠীকোন্দলের চিত্র আরও একবার প্রমাণ করে দিল। জেলা নেতৃত্বের নির্দেশকে যে তারা আমল দিতে নারাজ তা প্রকাশ্যে চলে এল। যা নিয়ে বারাকপুর সাংগঠনিক জেলায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।

    জেলা নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে যাননি কতজন কাউন্সিলার?

    বৃহস্পতিবার জেলা নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দক্ষিণ দমদম পুরসভার সব কাউন্সিলারকে ডাকা হয়েছিল। সেই বৈঠকে তৃণমূলের (TMC) দমদম বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায়, সাংসদ সৌগত রায়, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু, দলের যুব সভাপতি দেবরাজ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় মোট ওয়ার্ডের সংখ্যা ৩৫। তার মধ্যে একজন কাউন্সিলার মারা গিয়েছেন। দুজন কাউন্সিলার নির্দল। ৩২ জন তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলারকে এদিন ডাকা হয়েছিল। এরমধ্যে একজন করোনা আক্রান্ত। আর একজন মহিলা কাউন্সিলার ব্যক্তিগত কারণে বৈঠকে আসতে পারেননি। বাকী ৩০ জন কাউন্সিলারের বৈঠকে থাকার কথা। কিন্তু, বাস্তবে দেখা গেল, ১৬ জন কাউন্সিলার বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন। ১৪ জন কাউন্সিলার বৈঠকে যাননি। তাদের বক্তব্য, দুই নির্দল কাউন্সিলার দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রীতা রায়চৌধুরীকে ডাকতে হবে। জেলা নেতৃত্বের ডাকা বৈঠকে একসঙ্গে এতজন কাউন্সিলারের গরহাজিরার ঘটনায় দলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যদিও পুরসভার চেয়ারপার্সন কস্তুরি চৌধুরী বলেন, আমরা সব ওয়ার্ডে কাজের সমবন্টন করি। কি কি কাজ হচ্ছে তাও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয় বৈঠকে। কাজের ক্ষেত্রে কাউকেই বৈষম্য করা হয় না।

    কাউন্সিলারদের গরহাজিরা নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি?

    বৈঠকে অনুপস্থিত কাউন্সিলারদের ওপরে অসন্তুষ্ট হয়েছেন তৃণমূলের (TMC) বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায়। তিনি বৈঠকে বলেন, কাউন্সিলারদের অভিযোগ নিয়েই এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সেখানে এসে তাদের দাবিদাওয়ার বিষয়টি বলতে পারত। আমি সমস্ত বিষয়টি দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানাবো।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share