Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Scam: চাকরি দুর্নীতিতে নাম জড়াল তৃণমূল বিধায়ক অভিনেতা চিরঞ্জিতের! ঠিক কী অভিযোগ?

    Scam: চাকরি দুর্নীতিতে নাম জড়াল তৃণমূল বিধায়ক অভিনেতা চিরঞ্জিতের! ঠিক কী অভিযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : এবার চাকরি দুর্নীতিতে (Scam) নাম জড়াল তৃণমূলের তারকা বিধায়ক তথা অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। যোগ্য প্রার্থীকে বঞ্চিত করে বাঁকা পথে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষীর মেয়েকে। অভিযোগ, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি বিক্রির নামে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীর পরিবারকে। বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীর এই অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সদর বারাসতে। যদিও সমস্ত অভিযোগ তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী অস্বীকার করেছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    ২০১৪-১৫ সালে গ্রুপ-সি এবং গ্রুপ-ডি কর্মী নিয়োগের জন্য বারাসত পুরসভায় বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। নিয়ম মেনে তাতে আবেদন করেছিলেন বারাসতের উত্তর কাজিপাড়ার বাসিন্দা কাজী আজিজ হোসেন হায়দার। পুরসভা সূত্রে খবর, এই চাকরির জন্য সাতশো-র বেশি আবেদনপত্র জমা পড়েছিল। ২০১৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার দিনক্ষণও ধার্য করা হয়েছিল। লিখিত পরীক্ষার পর ইন্টারভিউও হয়। ইন্টারভিউয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন কাজী আজিজ হোসেন হায়দার। তাঁর দাবি, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ওই প্রার্থীর কপালে জোটেনি পুরসভার স্থায়ী কর্মী পদের চাকরি। অভিযোগ, তাঁর পরিবর্তে চাকরি পেয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর নিরপত্তারক্ষীর মেয়ে পায়েল ইন্দু (মণ্ডল)। আর এই নিয়োগে দুর্নীতি (Scam) হয়েছে বলে বঞ্চিত প্রার্থীর দাবি। এরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, কীভাবে একজন যোগ্য প্রার্থীকে বঞ্চিত করে সেই চাকরি পাইয়ে দেওয়া হল তৃণমূল বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষীর মেয়েকে! তাহলে কি কোথাও বিধায়কের প্রভাব কাজ করেছে এক্ষেত্রে? যোগ‍্যতার মাপকাঠি বিচার না করেই পুরসভার চেয়ারম্যান ঘুরপথে চাকরি দিয়েছেন।

    কী বললেন বঞ্চিত চাকরি প্রার্থী?

    বঞ্চিত চাকরি প্রার্থী কাজী আজিজ হোসেন হায়দার বলেন, “ওই নিয়োগ পরীক্ষায় মেরিট লিস্টে আমার নাম ছিল তিন নম্বরে। এরপর ইন্টারভিউয়ে সবকিছু ঠিকঠাক ভাবেই উত্তর দিয়েছিলাম। কিন্তু, পরে শুনলাম সেই চাকরি পেয়েছেন বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষীর মেয়ে। আমার বিষয়টি দেখার জন্য চেয়ারম্যানের কাছে বার বার অনুরোধ করেছিলাম। যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও আমাকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি ।”

    কী বললেন পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা বর্তমান কাউন্সিলর?

    বিতর্কিত এই নিয়োগের সময় বারাসত পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন সুনীল মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এই অভিযোগ ঠিক নয়। সমস্ত নিয়োগ স্বচ্ছতার সঙ্গে হয়েছিল। আসলে যে অভিযোগ করছে তিনি ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন।

    নিয়োগ নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী বলেন, আমি কোনও দুর্নীতি (Scam) করিনি। আর কারও জন্য সুপারিশ করেছি বলে মনে নেই। আর এই ধরনের অভিযোগ করা হলে প্রমাণ দিতে হবে। আমার বিরুদ্ধে আঙুল তুললে হবে না। কারণ, আমি জানি এই ধরনের কোনও কাজ আমি করিনি। এই বিষয়ে আমি স্বচ্ছ রয়েছি।

    নিয়োগ নিয়ে কী বললেন পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান?

    পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায় বলেন, আমার কাছে এই ধরনের কোনও অভিযোগ হয়নি। এটুকু বলতে পারি, আগে বোর্ডে যা নিয়োগ হয়েছে কোথাও কোনও দুর্নীতি (Scam) হয়নি। স্বচ্ছতার সঙ্গে হয়েছে। আর নিয়োগ নিয়ে কোনও দুর্নীতির (Scam) অভিযোগ আসলে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Visva-Bharati: দুর্গাপুজো নিয়ে ‘বিরূপ’ মন্তব্য, বিশ্বভারতীর উপাচার্যের জবাবদিহি চাইল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    Visva-Bharati: দুর্গাপুজো নিয়ে ‘বিরূপ’ মন্তব্য, বিশ্বভারতীর উপাচার্যের জবাবদিহি চাইল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো প্রসঙ্গে বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) উপাচার্যের ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। ঐতিহ্যবাহী উপাসনা গৃহে বসে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বলেছিলেন, “দুর্গাপুজো ইংরেজদের পদলেহন করার জন্য শুরু হয়েছিল।” এমনকী, তিনি আরও বলেছিলেন, “দুর্গামঞ্চে অনেক ধরনের পানীয় পান করার সুযোগ ছিল।” নিরাকার ব্রহ্ম মন্দিরে বসে উপাচার্যের এহেন মন্তব্যের বিরুদ্ধে আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিল শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট।

    মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতনের উপাসনা গৃহ। যদিও, উপাসনা গৃহের সম্পূর্ণ নির্মাণ তিনি দেখে যেতে পারেননি। নিরাকার ব্রহ্মের উপাসনা ও সর্বধর্মকে সম্মান, আলোচনার জন্য দ্বার খোলা ছিল৷ এই উপাসনা গৃহ মহর্ষির তৈরি শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের অন্তর্গত। প্রতি বুধবার সকালে এখানে উপাসনার রেওয়াজ রয়েছে৷ এছাড়া, বিশেষ উপাসনাও হয়।

    কী বলেছিলেন উপাচার্য?

    গত ২২ ফেব্রুয়ারি এই উপাসনা মন্দিরে বসে কেন বিশ্বভারতী (Visva-Bharati) কর্তৃপক্ষ বসন্তোৎসব বন্ধ করেছে, তার ব্যাখ্যা দেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এই ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা জানেন আজ দুর্গাপুজো বিশ্বের একটা অন্যতম পুজো হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে। কিন্তু, দুর্গাপুজোর ইতিহাস যদি দেখেন, এই দুর্গাপুজো শুরু হয়েছিল বৃটিশদের পদলেহন করার জন্য। তৎকালীন রাজাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হত, কে ইংরেজ সাহেবদের দুর্গাপুজোর মঞ্চে নিয়ে আসবেন। সেই দুর্গামঞ্চে অনেক ধরনের অনুষ্ঠান হত ও অনেক ধরনের পানীয় পান করারও সুযোগ থাকত। পরবর্তীতে দুর্গাপুজো একটা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে যায়। কিন্তু, শুরু হয়েছিল ইংরেজদের পদলেহন করার জন্য।”

    কী অভিযোগ জানাল শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট?

    দুর্গাপুজো প্রসঙ্গে নিরাকার ব্রহ্মমন্দির তথা সর্বধর্ম সম্মানের পীঠস্থান ঐতিহ্যবাহী উপাসনা গৃহে বসে উপাচার্যের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। ১০ মার্চ ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার বিশ্বভারতীর আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়ে অভিযোগ করেন ও প্রতিকার চান৷ পাশাপাশি শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, উপাসনা মন্দিরে বসে বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী আশ্রমিক, পড়ুয়া, প্রাক্তনীদের বারংবার অপমান করছেন৷ উপাসনা গৃহের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ব্যক্তি আক্রমণ ও দুর্গাপুজো ঐতিহ্য নিয়ে মন্তব্য ঠিক নয়। সংবেদনশীল।

    মন্তব্য করতে চায়নি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ

    মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়ে বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) ভারপ্রাপ্ত কর্মসচিব অশোক মাহাতর কাছে রিপোর্ট তলব করল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। অর্থাৎ, উপাচার্যের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জবাবদিহি চাইলেন আচার্য প্রধানমন্ত্রী। যদিও, এই প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Attack: শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত, উত্তেজনা কাঁথিতে, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    TMC Attack: শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত, উত্তেজনা কাঁথিতে, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুর এবং হুগলির রিষড়ায় রামনবমীর মিছিলে হামলা চালানোর ঘটনা নিয়ে রাজ্য-রাজনীতি তোলপাড়। রামনবমীর শোভাযাত্রায় গিয়ে বহু ভক্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবার শিবের মাথায় জল ঢালতে গিয়ে আক্রান্ত (TMC Attack) হলেন বেশ কয়েকজন। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভা কেন্দ্রে। ঘটনাস্থল কাঁথি-১ নম্বর ব্লকের দুলালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হামির মহল গ্রাম। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই নির্মম অত্যাচারের ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে এলেও ভবিষ্যতে যে ফের হামলা হবে না, এমন আশ্বস্ত হতে পারছেন না অনেকেই।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    সোমবার রাতে এই গ্রামের শিবভক্তরা চন্দনেশ্বর থেকে জল নিয়ে যখন পাকা রাস্তা ছেড়ে গ্রামে প্রবেশ করেন, তখন বাবার মাথায় ঢালতে গেলেই শুরু হয় গণ্ডগোল। সেই সময় ভক্তদের উপর চড়াও হয় (TMC Attack) তৃণমূলের বেশ কিছু দুষ্কৃতী, অভিযোগ এমনটাই। গণ্ডগোলের খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশি তৎপরতায় রাতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তারপর ভক্তরা শিবের মাথায় জল ঢালেন। আহতরা বেশিরভাগ মাজনা ও কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, রাজনৈতিক হানাহানি তো আছেই। কিন্তু এর মধ্যে ধর্মাচরণে এভাবে কেন আঘাত হানা হচ্ছে, তা তাঁরা বুঝে উঠতে পারছেন না। গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আরজি তাঁরা জানিয়েছেন। পুলিশ দাবি করেছে, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে।

    পুলিশকে সক্রিয় হওয়ার আবেদন বিজেপির

    শিবভক্তদের এভাবে আক্রান্ত (TMC Attack) হওয়ার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি অসীম মিশ্র পুলিশকে দ্রুত সক্রিয় হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

    প্রতিক্রিয়া দিলেন না তৃণমূল নেতা

    একটা গণ্ডগোল হয়েছিল। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। এ বিষয়ে এখনই কোনও প্রতিক্রিয়া দেব না। বললেন কাঁথি এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা প্রদীপ গায়েন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Corruption: মমতার ‘উন্নয়নের পথ’ থমকে গেছে গোঘাটে, দুর্নীতির অভিযোগে কাজ বন্ধ

    Panchayat Corruption: মমতার ‘উন্নয়নের পথ’ থমকে গেছে গোঘাটে, দুর্নীতির অভিযোগে কাজ বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তা সত্ত্বেও হুঁশ নেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের! ঢালাই রাস্তা তৈরি নিয়ে দুর্নীতির (Panchayet Corruption) অভিযোগ তুলে এমনই দাবি গ্রামবাসীদের। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির গোঘাট এক নম্বর ব্লকের বালি গ্রাম পঞ্চায়েতের জগৎপুরে। ওই এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গ্রামের মূল রাস্তায় ঢালাইয়ের কাজে খুবই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহৃত হচ্ছিল। পাশাপাশি এস্টিমেট অনুযায়ী রাস্তা তৈরি হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেছেন ওই গ্রামের মানুষ। প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকে রাস্তা তৈরি শুরু হতেই গ্রামের মানুষ একজোট হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। বেশ কয়েক ঘন্টা কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে থাকে। এলাকায় উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকে। জানা গিয়েছে, পথশ্রী প্রকল্পের শিলান্যাস হতেই এই কাজ শুরু হয়েছে। তাও আবার কোনও নিয়ম না মেনেই। তাতেই ক্ষোভ বাসিন্দাদের।
    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বালির জগৎপুর গ্রামের দ্বারকেশ্বর নদীবাঁধ থেকে মূল ঢালাই রাস্তার কাজ শুরু হয়। এর জন্য প্রায় ৪৫ লাখ টাকার বরাত পান ঠিকাদার। কিন্তু অভিযোগ, ৬ ইঞ্চি উচ্চতার জায়গায় রাস্তা আড়াই ইঞ্চি উঁচু করা হচ্ছে। অভিযোগ, নিয়ম না মেনেই এই কাজ হচ্ছে। মাঝখানে বালি দিয়ে ভরাট করে দু সাইডে মেজারমেন্ট ঠিক রেখে অনিয়ম করা হচ্ছে। সিমেন্ট ও স্টোনচিপস কম দিয়ে কোনও রকমে রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    কী বলছেন গ্রামের মানুষজন?

    এই নিয়ে স্থানীয় যুবক সৌমেন সামন্ত বলেন, “রাস্তার কাজ গত রবিবার থেকে শুরু হয়। কিন্তু পরেরদিন থেকেই রাস্তায় বড় বড় ফাটল দেখা যাচ্ছে। সিমেন্টের ভাগ খুব কম। এতটাই নিম্নমানের মশলা দিয়ে কাজ হচ্ছে, যা সহজেই খুলে যাচ্ছে। ৬ ইঞ্চি ঢালাইয়ের জায়গায় ৩ ইঞ্চি ঢালাই দিচ্ছে। তাই গ্রামের সব মানুষ এই দুর্নীতির প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন। এইভাবে রাস্তা করলে হবে না। আজ এই জায়গায় হচ্ছে, পরে অন্য জায়গাতেও তো হবে। তাই এই প্রতিবাদ”। অপরদিকে দিলীপ সামন্ত নামে আরও একজন ব্যক্তি বলেন, “রাস্তা তৈরি নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি (Panchayet Corruption) হচ্ছে। বালির ভাগ বেশি দিয়ে কেবল ভরাট করে চলে যাচ্ছে। দুদিনে যদি ফাটল হয়, তাহলে আগামিদিনে তো রাস্তা ধসে যাবে। রাস্তা যদি ভাল না হয়, তাহলে কাজ বন্ধ থাকবে”।

    কী বলছেন ঠিকাদার এবং পঞ্চায়েত প্রধান?

    অন্যদিকে ঠিকাদার সুজিৎ মণ্ডল জানান, “এস্টিমেট অনুযায়ীই কাজ হচ্ছে। গ্রামের মানুষের জন্য বাঁধের রাস্তাটা করে দিয়েছি। সামান্য ফাটল দেখা দিয়েছে। ওটা সিমেন্ট দিয়ে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে”। তবে এই বিষয়ে বালি অঞ্চলের পঞ্চায়েত প্রধান মৃত্যুঞ্জয় পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “রাস্তা তৈরির কাজ (Panchayet Corruption) বন্ধ হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম।
    ঠিকঠাক কাজ যাতে হয় তার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে”। সব মিলিয়ে মানুষের প্রাথমিক দাবি, মজবুত ঢালাই রাস্তার। কিন্তু তা না হওয়ায় বালির জগৎপুর গ্রামের মানুষ ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Case: এই নিয়ে ৬ বার! সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল ডিএ মামলা, পরবর্তী শুনানি কবে?

    DA Case: এই নিয়ে ৬ বার! সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল ডিএ মামলা, পরবর্তী শুনানি কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ-এর দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ ধর্নায় বসেছেন দিল্লিতে। এরমাঝেই মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি ফের পিছিয়ে গেল। বিচারপতিরা ব্যস্ত থাকায় সই শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে নতুন শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ২৪ এপ্রিল। প্রসঙ্গত গত বছরের ২০ মে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে। তবে রাজ্য সরকার সেই পথে হাঁটেনি। বরং হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার কয়েকদিন আগে হাইকোর্টে রিভিউ পিটিশন দাখিল করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর ডিএ মামলার প্রথম শুনানির দিন ধার্য ছিল সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু ওই দিন শুনানি হয়নি। এর পর আরও তিন বার পিছিয়ে যায় শুনানি। অবশেষে গত ২১ মার্চ এই মামলার শুনানি হবে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মামলাটির শুনানি আবার স্থগিত রাখা হয়। পরে ফের ১১ এপ্রিল শুনানির কথা থাকলেও এদিন আবার তা পিছিয়ে গেল, এই নিয়ে ছ’বার পিছল শুনানি।

    দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি এম সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে ছিল শুনানি 

    বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি এম সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে এদিন ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি ছিল। অল্প সময়ের জন্য তা হয়ও। তবে মূল মামলা নিয়ে কোনও সওয়াল জবাব হয়নি। এদিন বিচারপতিরা জানান, যেহেতু এটি বড় মামলা এবং শুনানিতে অনেকটা সময় লাগবে তাই আজ তা করা সম্ভব নয়। কারণ আজকের সূচিতে যেসব মামলা রয়েছে তারসঙ্গে ডিএ শুনানি সম্ভব নয়। 

    রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি রয়েছেন আইনজীবী

    আদালতের পক্ষ থেকে নতুন শুনানি ২৪ এপ্রিল হবে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়, তার আগে একটা দিন ধার্য করা হোক। যেদিন তাঁরা তাঁদের বক্তব্যটা জানাতে পারেন। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি বলেন, শুনানি হলে একই দিনে করা হোক। সেদিন রাজ্যের তরফে তিনিও তাঁর বক্তব্য জানাবেন। শেষ পর্যন্ত ২৪ এপ্রিল তারিখেই নতুন শুনানির দিন ঠিক হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: শিবপুর ও রিষড়ায় অশান্তি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট পেশ মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর

    CV Ananda Bose: শিবপুর ও রিষড়ায় অশান্তি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট পেশ মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুর এবং হুগলির রিষড়ায় অশান্তির ঘটনা নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট জমা দিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। মঙ্গলবার তাঁকে রাজভবনে ডেকে পাঠান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, এই বৈঠক পূর্ব নির্ধারিত নয়। শিবপুর এবং রিষড়ায় অশান্তির ঘটনার পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গত শনিবার রাজ্যে এসেছিল তথ্যানুসন্ধানী দল (ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম)। সোমবার রাজভবনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (CV Ananda Bose) সঙ্গে বৈঠক করেন সেই টিমের সদস্যরা। রাজভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় টিমের সদস্যরা জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক নেই। রাজভবন সূত্রে খবর, তারপরই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে তলব করেন রাজ্যপাল।

    মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনা

    রাজভবন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ রাজভবনে আসেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্য সরকারের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে হাওড়ার শিবপুর ও হুগলির রিষড়ায় অশান্তির ঘটনা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছিল ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। সোমবার রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট জমা দিয়েছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। সেই নিয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) আলোচনা হয়।

    আরও পড়ুন: এই প্রথম! টেট দুর্নীতিতে ইডির দফতরে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচী

    ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম-এর সঙ্গে কথা

    গত শনিবার ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম-এর সদস্যরা গিয়েছিলেন রিষড়ায়। সেখানে তাঁরা ‘পুলিশি বাধা’র মুখে পড়েন বলে অভিযোগ। রবিবার তাঁরা রওনা দিয়েছিলেন হাওড়ার উদ্দেশে। সেখানেও তাঁরা পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। সোমবার রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) সঙ্গে দেখা করেছিলেন ওই দলের সদস্যেরা। প্রায় ১ ঘণ্টার কাছাকাছি সময় রাজভবনে ছিলেন তাঁরা। পরিস্থিতি ঠিক থাকলে তাঁদের ঘটনাস্থলে যেতে দেওয়া হত বলে মনে করছেন তাঁরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কেন ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TET Scam: এই প্রথম! টেট দুর্নীতিতে ইডির দফতরে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচী

    TET Scam: এই প্রথম! টেট দুর্নীতিতে ইডির দফতরে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) দফতরে হাজিরা দিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচী। এই প্রথম তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি (ED)। সোমবার তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল ইডির তরফে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছেন রত্না। 

    চাপের মুখে নানান কাজ করতে হয়েছিল

    কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি (ED) সূত্রে খবর, মানিক ভট্টাচার্য ও নিয়োগ দুর্নীতি সম্পর্কে তথ্য জানার বিষয়েই তাঁকে ডাকা হয়েছে। রত্নাকে সচিব করা, সরিয়ে দেওয়া এবং ফের সেই পদে ফিরিয়ে আনার ঘটনায় একসময়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল শিক্ষামহলে। এর আগে রত্নাকে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ঘণ্টা তিনেক। একবারই তাঁকে ডেকেছিল সিবিআই। সিবিআই যখন রত্না চক্রবর্তী বাগচীকে ডেকেছিল, সেই সময়ে তিনি নাকি কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে জানিয়েছিলেন, চাপের মুখে নানান কাজ করতে হয়েছিল তাঁকে। শুধু তাই নয়। সার্ভারে যে কলকাঠি নাড়া হয়েছে তাও তিনি জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে।

    আরও পড়ুন: জাতীয় থেকে আঞ্চলিক! জানেন কী কী সুবিধা হারাল তৃণমূল কংগ্রেস?

    শুরু হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদ

    প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পদে মানিক ভট্টাচার্য যখন ছিলেন, সেই সময় সচিব পদে কর্মরত ছিলেন রত্না। নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন। কিছু দিন আগেই ইডি দফতরে নথি নিয়ে হাজিরা দিয়েছিলেন পর্ষদের দুই প্রতিনিধি। ২০১২ এবং ২০১৪ সালে টেটের প্যানেল সংক্রান্ত নথি নিয়ে তাঁরা গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। অর্ণব বসু নামে পর্ষদের এক কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি (ED)। অর্ণবের ল্যাপটপ, মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ইডির জেরার মুখে রত্না। এদিন কোমরে বেল্ট পরে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন তিনি। শুরু হয়েছে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া। রত্নাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন কী তথ্য উঠে আসে তা জানার অপেক্ষায় শিক্ষামহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Complain: অয়ন শীলের বিরুদ্ধে চুঁচুড়া থানায় অভিযোগ! প্রতারিত চাকরি প্রার্থীর পাশে বিজেপি

    Complain: অয়ন শীলের বিরুদ্ধে চুঁচুড়া থানায় অভিযোগ! প্রতারিত চাকরি প্রার্থীর পাশে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের বিরুদ্ধে এবার চুঁচুড়া থানায় অভিযোগ (Complain) দায়ের করলেন প্রতারিত এক চাকরি প্রার্থী। তাঁর নাম চয়নিকা আঢ্য। বাড়ি চুঁচুড়ার ষন্ডেশ্বর তলায়। দুর্নীতির অভিযোগে ইডি-র (ED) হাতে অয়ন শীল গ্রেফতার হওয়ার পর চয়নিকা তাঁর প্রতারণার কথা সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেছিলেন। যোগ্যতা থাকার পরও টাকা না দেওয়ায় অয়ন চাকরি দেয়নি বলে তিনি অভিযোগ তুলেছিলেন। তবে, পুলিশ প্রশাসনের কাছে এই প্রথম অয়নের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ (Complain) দায়ের করেন। পাশাপাশি টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা প্রশান্ত চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ (Complain) দায়ের করা হয়েছে।

    অয়ন শীলের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ (Complain)?

    চয়নিকা আঢ্য নামে ওই চাকরি প্রার্থী ২০১৯ সালে টিটাগড় পুরসভার গ্রুপ ডি পদে চাকরি পেয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই চাকরিতে যোগ দিতে গেলে অয়ন শীল ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিতে পারায় নিজের যোগ্যতায় পাওয়া চাকরি করতে পারেননি চয়নিকা। টিটাগড় পুরসভায় প্রায় এক সপ্তাহ তিনি কাজও করেছিলেন। জিরো ব্যালেন্সে ব্যাংকের স্যালারি অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া হয়। এটিএম কার্ডও দেওয়া হয়। তারপরও চাকরি হয়নি তাঁর। পুরসভায় জানতে গেলে টাকা না দিলে চাকরি হবে না বলে জানানো হয়।

    এতদিন পর অয়নের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ (Complain) নিয়ে কী বললেন চয়নিকা?

    ১ লা এপ্রিল বিজেপি আইনজীবী সেলের এক প্রতিনিধি দল চয়নিকার বাড়িতে গিয়ে আইনি সাহায্য দেওয়ার আশ্বাস দেয়। এরপরই সোমবার চুঁচুড়া থানায় অভিযোগ (Complain) দায়ের করেন চয়নিকা। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি আইনজীবী সেলের সদস্যরা। অয়ন শীল ছাড়া আরও তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Complain) করা হয়। জানা গিয়েছে, যে পুলিশ কর্মী অয়ন শীলের বার্তা নিয়ে চয়নিকার বাড়িতে গিয়েছিলেন সেই মানস সেন, টিটাগড় পুরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী এবং টিটাগড় পুরসভার বড়বাবু শঙ্কর কুমার সিং-এর বিরুদ্ধেও অভিযোগ (Complain) করা হয়েছে। চয়নিকা বলেন, পরীক্ষা দিয়ে নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছিলাম। অয়ন শীলের এই চক্রের জন্য সেই চাকরি করতে পারিনি। আমার হকের চাকরি ফেরত চাই। অভিযুক্তের শাস্তি চাই। আর অয়ন শীলের লোকজন হুমকি দিত বলে এতদিন থানায় অভিযোগ (Complain) করতে পারিনি। এখন পাশে অনেকে রয়েছে, তাই সাহস করে থানায় অভিযোগ (Complain) জানালাম।

    কী বললেন বিজেপি-র আইনজীবী সেলের সদস্য?

    চয়নিকার আইনজীবী তথা বিজেপি-র আইনজীবী সেলের সদস্য শিবাজি দাস বলেন, চয়নিকার কাছে যে তথ্য প্রমাণ রয়েছে, তার ভিত্তিতে চাকরি ফিরে পেতে কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা না। তাই, এদিন এফ আই আর করা হয়েছে। পুলিশ কি ব্যবস্থা নেয় তা দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hanuman Death: ‘রামভক্ত’ হনুমানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ দুটি গ্রাম, তিনদিন ধরে চলল অশৌচ পালন

    Hanuman Death: ‘রামভক্ত’ হনুমানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ দুটি গ্রাম, তিনদিন ধরে চলল অশৌচ পালন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হনুমানের মৃত্যুতে (Hanuman Death) তিনদিন অশৌচ পালন করল দুটি গ্রামের তিন শতাধিক পরিবার। রীতিমতো হিন্দু শাস্ত্রমতে ক্রিয়াকর্ম সেরে, পিন্ডদান করে সন্ধ্যায় ভোজনেরও ব্যবস্থা করেন গ্রামবাসীরা।

    ঠিক কী ঘটেছিল ? 

    ৬ এপ্রিল ছিল হনুমান জয়ন্তী। ওইদিন সকালে বীরভূম মুরারই ২ নম্বর ব্লকের লতাগ্রাম-পালিতপুর গ্রামে একটি হনুমানকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন গ্রামবাসীরা। গ্রামের যুবক শেষেন মাল তড়িঘড়ি হনুমানটিকে কোলে তুলে স্থানীয় পাইকরের পশু চিকিৎসালয়ে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে চিকিৎসক না থাকায় তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য নগেন মালের সহযোগিতায় হনুমানটিকে গাড়িতে চাপিয়ে নলহাটি নিয়ে যান। নলহাটি পশু হাসপাতালে ততক্ষণে দুই চিকিৎসককে নিয়ে হাজির ছিলেন বিধায়ক রাজেন্দ্রপ্রসাদ সিং। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হনুমানটির মৃত্যু হয় (Hanuman Death)। এরপর বিধায়কের সহযোগিতায় পঞ্চায়েত সদস্য নগেন মাল ও গ্রামবাসী নকল মোল্লার প্রচেষ্টায় হনুমানটির মৃতদেহ পুনরায় গ্রামে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রামবাসীরা আলোচনা করে হনুমানের মৃতদেহ মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন। 

    শোকাচ্ছন্ন গ্রামের বাসিন্দারা

    হনুমান জয়ন্তীর দিন রামভক্তের মৃত্যুতে (Hanuman Death) শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে দুটি গ্রাম। নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনদিন ঘরে ঘরে অশৌচ পালন শুরু করেন গ্রামবাসীরা। তিনদিন পর অর্থাৎ রবিবার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সেরে সন্ধ্যায় ভোজনের ব্যবস্থা করা হয়। রাতে শাস্ত্র মেনে লতাগ্রাম, পালিতপুর গ্রামে হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন করা হয়। গ্রামের বাসিন্দা নিত্যানন্দ কর, প্রণব পাল, সুবোধ পাল, দীপক মালরা বলেন, “হনুমান জয়ন্তীর দিন রামভক্তের মৃত্যুতে গোটা গ্রাম শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। তাই মৃত হনুমানের আত্মার শান্তিতে শেষকৃত্য থেকে পিন্ডদান, ভোজন সব কিছুই ব্যবস্থা করা হয়। দুই গ্রামের হাজার দেড়েক মানুষ শ্রাদ্ধ ভোজনে অংশগ্রহণ করেন। গ্রামবাসীদের পাশে থেকে সহযোগিতা করে গিয়েছেন বিধায়ক রাজেন্দ্রপ্রসাদ সিং”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতি! তৃণমূল নেতার ভাগ্নের বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ

    Scam: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতি! তৃণমূল নেতার ভাগ্নের বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি দুর্নীতি (Scam) নিয়ে তোলপাড় গোটা রাজ্য। দুর্নীতিতে (Scam) জড়িত থাকার অভিযোগে তৃণমূলের একের পর এক রাঘববোয়ালরা জেলে যাচ্ছে। এবার চাকরি দুর্নীতিতে (Scam) নাম জড়াল আরামবাগের এক তৃণমূল নেতার ভাগ্নের। মামা তৃণমূলের আরামবাগ পুরসভার চেয়ারম্যান। আর তাঁকে ভাঙিয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের নাম অভিজিৎ হাজরা। তার বাড়ি হুগলি জেলার আরামবাগ পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে। সে আরামবাগ পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভান্ডারির ভাগ্নে। লক্ষ লক্ষ টাকা দেওয়ার পর চাকরি না হওয়ায় প্রতারিতরা সোমবার রাতে তৃণমূল নেতার ভাগ্নের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকারীরা অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানোর সময় ঘর ছেড়ে চম্পট দেয় সে।

    ঠিক কী অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের?

    বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালসহ স্বাস্ব্য দফতরের বিভিন্ন জায়গায় চাকরি দেওয়ার নাম করে তৃণমূল নেতার ভাগ্নে অভিজিৎ হাজরা টাকা তোলে। স্বাস্থ্য দফতরের পদ অনুযায়ী টাকা নেওয়া হত। ২০ হাজার থেকে শুরু করে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত একজন চাকরিপিছু প্রার্থীর কাছে টাকা নেওয়া হত। প্রায় ১৫০ – ২০০ জন চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে সবমিলিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে চেয়ারম্যানের গুনধর ভাগ্নে। তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতো সোমবার হাওড়া থেকে কালিকাপুরে বেশ কয়েকজন চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যান। সেখানে গিয়ে প্রতারণার শিকার হন চাকরি প্রার্থীরা। কারণ, সেখানে গিয়ে দেখা যায়, সবই ভুয়ো। কেউ কোথাও নেই। প্রতারিত হয়ে তাঁরা সকলে তৃণমূল নেতার ভাগ্নেকে ফোন করেন। কিন্তু, সে ফোন তোলেননি। এরপরই সকলে জোটবদ্ধ হয়ে আরামবাগে তার বাড়িতে এসে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। এই বিষয়ে আশিস মাঝি নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা চেয়েছিল। পুরসভার চেয়ারম্যানের ভাগ্নে বলে টাকা দিয়েছি। আট নয় মাস হয়ে গেল কোনও চাকরি পাইনি। আর টাকাও ফেরত দেয়নি। আমার মতো এই এলাকায় বহু মানুষ প্রতারিত হয়েছেন।

    ভাগ্নেকে বাঁচাতে পুরসভার চেয়ারম্যান কী করলেন?

    দুর্নীতিগ্রস্ত (Scam)  ভাগ্নে বিপদে পড়েছে বুঝতে পেরে আসরে নামে তৃণমূলের আরামবাগ পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভাণ্ডারি। রাতেই ভাগ্নের বাড়িতে এসে তিনি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে বরফ গলানোর চেষ্টা করেন। আর, সংবাদ মাধ্যম প্রতিক্রিয়া নিতে গেলে তিনি রীতিমতো রেগে যান। সংবাদ মাধ্যমের সামনে গুণধর ভাগ্নের অপকীর্তি বলার মতো তিনি সাহস দেখাননি। তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি, দুর্নীতিতে (Scam) জড়িত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share