Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Recruitment Scam: “চন্দনকে গ্রেফতার করতে ন’মাস লাগল?”, নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইকে তীব্র ভর্ৎসনা  বিচারকের

    Recruitment Scam: “চন্দনকে গ্রেফতার করতে ন’মাস লাগল?”, নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইকে তীব্র ভর্ৎসনা বিচারকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সিবিআইকে ভর্ৎসনা বিচারকের। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন বাগদার ‘রঞ্জন’ চন্দন মণ্ডল। বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মণ্ডলকে মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে তোলা হয়েছিল। শুনানি চলাকালীন সিবিআইয়ের তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারক। চন্দন মণ্ডল যদি নিয়োগ দুর্নীতিতে ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত, তা হলে কেন তাঁকে গ্রেফতার করতে ৯ মাস সময় লাগল? সিবিআই আইনজীবীকে প্রশ্ন আলিপুরের দেওয়ানি এবং দায়রা আদালতের বিচারক রানা দামের।

    সিবিআইের তরফে কী বলা হল?

    এদিন চন্দনের জামিনের বিরোধিতা করে সিবিআই। উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত অন্যতম দালাল চন্দন মণ্ডল চাকরি দেওয়ার নামে মোট ১৬ কোটি টাকা তুলেছিলেন। আদালতে আজ এমনই জানিয়েছে সিবিআই। তদন্তকারীদের দাবি, “বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে চন্দনের ভূমিকা আছে। চন্দন অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের থেকে টাকা তুলে নিজের অ্যাকাউন্টে রাখতেন। সেখান থেকে টাকা তুলে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে দিতেন। চন্দন কার থেকে টাকা নিয়েছেন, কাকে দিয়েছেন, সেগুলো এখনও জানা দরকার। তাই চন্দনের হেফাজত গুরুত্বপূর্ণ।” গ্রেফতারির আগে চন্দন অন্যদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী।

    আরও পড়ুন: চাকরি বিক্রি করে ১৬ কোটি টাকা! চন্দনকে জেরা করে নয়া তথ্য সিবিআই-এর হাতে

    বিচারকের প্রশ্নের মুখে সিবিআই

    সিবিআইয়ের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করলে বিচারক রাণা দাম প্রশ্ন করেন, “আপনারা চন্দন মণ্ডলকে হেফাজতে নিতে চান না, তাহলে জামিন দিলে কী সমস্যা? এখন কান্নাকাটি করছেন জামিন দেবেন না, তাহলে এতদিন ছেড়ে রেখেছিলেন কেন?” এর উত্তরে সিবিআইয়ের আইনজীবী দাবি করেন, এতদিন তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করছিলেন তাঁরা। ফের বিচারকের প্রশ্ন, “৪ মাস ধরে চন্দনকে বাইরে রেখেছিলেন। বলেছেন, ও তদন্তে সহযোগিতা করেছে। তখন জানতেন না যে, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করবেন? বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। ৯ মাস সময় লাগল চন্দনকে দোষী প্রমাণ করতে?”

    বিচারপতির আরও প্রশ্ন, “হঠাৎ করে এমন কী হল যে চন্দন দোষী হয়ে গেল? এখন বলছেন উনি সহযোগিতা করছেন না। তাহলে এত প্রমাণ পেলেন কীভাবে? আপনারা যা বলছেন সেটা আপনাদের কথায় প্রকাশ পাচ্ছে না।” সিবিআইয়ের দাবি, “চন্দন অনেক কিছু চাপা দিতে চাইছেন। সম্পূর্ণটা বলছেন না। মিডলম্যানের কাছ থেকে ৫-১৫ কোটি টাকা পাওয়া যাচ্ছে।” ফের বিচারপতি বলেন, “চারটে নোটিস পাঠিয়েছেন। ওনাকে বাইরে থাকতে দিয়েছেন আপনারাই। হঠাৎ করে আপনাদের মনে হল একে জেলে পুড়তে হবে।”

    এছাড়াও সিবিআইয়ের আইনজীবীকে প্রশ্ন বিচারকের, চন্দন এত গুরুত্বপূর্ণ হলে কেন তাঁর জন্য শুধু জেল হেফাজত চাওয়া হচ্ছে? কেন পুলিশ হেফাজত চাওয়া হচ্ছে না? এর পাশাপাশি, চন্দন যে সব ধরনের প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন, তার উল্লেখও চার্জশিটে নেই বলে বিচারকের পর্যবেক্ষণ। ফলে এদিন চন্দন মণ্ডলের মামলায় সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন বিচারক।  এখন এটাই দেখার, চন্দন মণ্ডলের থেকে আর কোনও তথ্য সিবিআইয়ের হাতে উঠে আসে কিনা।

  • Kolkata Metro: রুবি-নিউ গড়িয়া মেট্রো লাইনে সম্প্রসারণ! এবারে দক্ষিণেশ্বর থেকে সরাসরি পৌঁছে যাবেন বেলেঘাটায়

    Kolkata Metro: রুবি-নিউ গড়িয়া মেট্রো লাইনে সম্প্রসারণ! এবারে দক্ষিণেশ্বর থেকে সরাসরি পৌঁছে যাবেন বেলেঘাটায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার মেট্রো রেলযাত্রীদের জন্য ফের সুখবর! আগেই জানা গিয়েছিল যে, ফেব্রুয়ারিতেই শুরু হচ্ছে রুবি-নিউ গড়িয়া মেট্রো পরিষেবা। চলতি মাসেই পরিষেবা শুরুর জন্য রেলের সবুজ সঙ্কেত মিলেছে। কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির তরফ থেকে এই অনুমতি মিলেছে। আর এখন জানা যাচ্ছে, সেই লাইন দ্রুতই বেলেঘাটা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা করছে রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড। ফলে এই লাইনে মেট্রো পরিষেবা শুরু হলে দক্ষিণেশ্বর থেকে মেট্রো করেই যাওয়া যাবে বেলেঘাটা।

    রুবি-নিউ গড়িয়া মেট্রো লাইনে সম্প্রসারণ

    কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনে কবি সুভাষ বা নিউ গড়িয়া থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় স্টেশন বা রুবি পর্যন্ত পরিষেবা চালু হওয়ার জন্য প্রায় প্রস্তুত। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কলকাতা পেতে চলেছে চতুর্থ মেট্রো লাইন। নিউ গড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত চলবে এই মেট্রো। তবে এখন রুবি থেকে আরও ৪ কিমি রুট সম্প্রসারণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নয়া রুটে প্রাথমিক ভাবে একটি মেট্রোই চলবে। এই লাইনটি চালু হয়ে গেলে যাত্রীদের ব্যাপক সুবিধা হবে। উল্লেখ্য, মেট্রোর দুটি লাইন অর্থাৎ ব্লু লাইন এবং অরেঞ্জ লাইনকে সংযুক্ত করবে কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন (নিউ গড়িয়া)। কিন্তু এই রুট নিয়ে নতুন পরিকল্পনা নেওয়ায় শহরবাসীর যাতায়াতে আরও সুবিধা হবে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: কবি সুভাষ থেকে রুবি, নতুন লাইনে মেট্রো চলবে চলতি মাসেই! জুড়ে যাবে দুটি ভিন্ন লাইন

    কবে থেকে শুরু হবে বেলেঘাটা মেট্রো পরিষেবা?

    নিউ গড়িয়া-রুবি রুটের সম্প্রসারণ করে বেলেঘাটা পর্যন্ত করা হলে এই রুটের প্রাসঙ্গিকতা আরও বাড়বে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। মনে করা হচ্ছে, পুজোর আগেই এই সুবিধা পেতে পারেন শহরবাসী। যখন রুট আর বাড়ানোর পরিকল্পনা যখন সম্পূর্ণ হবে, তখন দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষ স্টেশন (নিউ গড়িয়া) হয়ে বেলেঘাটা পর্যন্ত ৪১ কিমি দীর্ঘ টানা লাইন তৈরি হবে। এবং এক টোকেনেই নিউ গড়িয়া হয়ে মেট্রো চেপে দক্ষিণেশ্বর থেকে বাইপাসে পৌঁছে যাওয়া যাবে।

    মেট্রো সূত্রের খবর, আপাতত আট ঘণ্টার পরিষেবা দেওয়া যাবে এই অরেঞ্জ লাইনে। মেট্রো সূত্রের খবর, জোকা-তারাতলা মেট্রোর ধাঁচেই এই পরিষেবা শুরু হতে পারে। সেক্ষেত্রে সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত সপ্তাহে পাঁচ দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিষেবা খোলা থাকবে। তবে আগামীতে পরিষেবার সময়কাল এবং মেট্রোর সংখ্যা বাড়ানো হবে।  

  • SSC Scam: চাকরি বিক্রি করে ১৬ কোটি টাকা! চন্দনকে জেরা করে নয়া তথ্য সিবিআই-এর হাতে

    SSC Scam: চাকরি বিক্রি করে ১৬ কোটি টাকা! চন্দনকে জেরা করে নয়া তথ্য সিবিআই-এর হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের চাকরি বিক্রি করে  ১৬ কোটি টাকা তুলেছিলেন বাগদার চন্দন মণ্ডল ওরফে রঞ্জন। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সিবিআইয়ের হাতে উঠে এল তারই বহু প্রমাণ। কীভাবে স্কুলের এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মী থেকে চন্দন মণ্ডল কোটিপতি হয়ে ওঠেন, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই টিনের চালের বাড়ি থেকে কীভাবে চন্দন তিনতলা বাড়ি করলেন, কীভাবেই বা বিলাসবহুল জীবনে অভ্যস্ত হয়ে গেলেন, তা নিয়ে চলছে তদন্ত। 

    কোটি কোটি টাকার লেনদেন

    নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম থাকা চন্দন প্রথম থেকেই সিবিআইয়ের আতশকাচের তলায় ছিলেন। সেই সময়েই চন্দনের লেনদেন খতিয়ে দেখে ৬ কোটি টাকার হদিশ পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। হেফাজতে পেয়ে চন্দনকে জেরা করে এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে আরও ১০ কোটি টাকার হদিশ পেয়েছে সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, চাকরি বিক্রি শুধু নয়, চাকরি পেয়েছেন চন্দনের মেয়ে ও ভাইঝি। চন্দন চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন তাঁর নিকট আত্মীয়দের।  

    একশোর বেশি অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি

    মঙ্গলবার চন্দন এবং আর এক অভিযুক্ত সুব্রত সামন্ত রায়কে সিবিআই হেফাজত থেকে আদালতে তোলা হয়। সিবিআই সূত্রে খবর, একশোর বেশি অযোগ্য প্রার্থীকে টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন চন্দন মণ্ডল। চন্দন মণ্ডলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে বিপুল লেনদেনের হদিশ পেয়েছে সিবিআই। উত্তর ২৪ পরগনা ছাড়াও দুই দিনাজপুরের অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তিনি। নিয়োগ দুর্নীতিতে ‘মিডলম্যান’ প্রসন্ন রায়ের কাছে সুপারিশ চাকরি প্রার্থীদের তালিকা পৌঁছে দিতেন চন্দন। ইতিমধ্যেই চন্দনের মাধ্যমে চাকরি পাওয়া ২২ জন প্রার্থীর চাকরি চলে গিয়েছে হাইকোর্টের নির্দেশে। 

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    চন্দন মণ্ডল গ্রেফতারির পর থেকেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে সিবিআই-এর হাতে। এই চন্দন মণ্ডলই মোটামুটি একটা ‘রেট চার্ট’ তৈরি করতেন। কার সুপারিশের ভিত্তিতে কোন প্রার্থী কী চাকরি করতে চাইছেন, তার ভিত্তিতে নির্ধারিত হত টাকার অঙ্ক। প্রাইমারিতে ১২ থেকে ১৫ লক্ষতে রফা হতো, আপার প্রাইমারির ক্ষেত্রে তা ছিল ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা। অন্তত সিবিআই জেরায় তেমনটাই জানিয়েছেন চন্দন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Walk Out: ‘গোর্খারা বহিরাগত…’, শোভনদেবের মন্তব্যের প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    Walk Out: ‘গোর্খারা বহিরাগত…’, শোভনদেবের মন্তব্যের প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোর্খাদের বহিরাগত ও আদিবাসীদের পরিযায়ী বলেছিলেন পরিষদীয় মন্ত্রী তৃণমূলের (TMC) শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Shovondeb Chatterjee)। সোমবার বিধানসভায় বঙ্গভঙ্গ প্রস্তাবের আলোচনায় ওই মন্তব্য করেছিলেন তিনি। মন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট (Walk Out) করলেন বিজেপি (BJP) বিধায়করা। মঙ্গলবার বিধানসভায় বিষয়টির উল্লেখ করেন কুমারগ্রামের বিধায়ক বিজেপির মনোজ ওঁরাও। বিজেপির দাবি, গোর্খা জনজাতিদের বহিরাগত ও অনুপ্রবেশকারী বলে অপমান করেছেন মন্ত্রী। অবিলম্বে মন্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে বিধানসভার অধিবেশন কক্ষের বাইরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা। কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখানোর পর ওয়াকআউট করেন তাঁরা। বিধানসভার বাইরে দীর্ঘক্ষণ অবস্থানও করেন।

    বিজেপির বক্তব্য…

    বিজেপি বিধায়কদের বক্তব্য, পরিষদীয় মন্ত্রী অন রেকর্ড বলেছেন, আদিবাসীরা আসলে বাইরে থেকে এসে বসবাস করছেন। এবং গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ যাঁরা পশ্চিমবঙ্গে রয়েছেন, তাঁরা বহিরাগত। এই শব্দ প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে আগামী দিনে আন্দোলন (Walk Out) আরও জোরদার হবে। মনোজ ওঁরাও বলেন, কোন ইতিহাসের পাতায় উনি এই তথ্য পেয়েছেন, তার সদুত্তর দিতে পারেননি। আমরা মনে করি, ভারতে বসবাসকারী গোর্খাদের ও রাজ্যের আদিবাসী ভাইবোনেদের এই শব্দের মাধ্যমে অপমান করা হয়েছে। বিজেপি পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা বলেন, গতকাল মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ইতিহাসের অপলাপ করেছেন। তিনি বলেছেন, গোর্খারা বহিরাগত ও আদিবাসীরা অন্য জায়গা থেকে এসেছেন। তাঁরা এ রাজ্যে পরিযায়ী। তাই আমাদের দাবি, বিধানসভায় মন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন, তা অত্যন্ত নিন্দাজনক। আমরা নিঃশর্তে এই মন্তব্য প্রত্যাহার করে তাঁর ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানাচ্ছি।

    আরও পড়ুুন: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক বিজেপির অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, আমরা কখনও কাউকে দূরে ঠেলে দিতে পারি না। তাই গতকাল শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় যেভাবে গোর্খাদের বহিরাগত ও আদিবাসীদের পরিযায়ী বলে আক্রমণ করেছেন, তা নিয়ে আমরা বিধানসভায় উল্লেখ করে ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু স্পিকার আমাদের সেই অনুমতি দেননি। তিনি বলেন, তাই বাধ্য হয়ে আমরা বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ অবস্থান করছি। এ ব্যাপারে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ইতিহাস অনেকে অনেক রকমভাবে লিখে গিয়েছেন। আপনার যেটা পছন্দ হবে সেটা তুলে ধরে আপনি গোর্খাকে বলবেন বহিরাগত, আপনি সাঁওতাল, ওঁরাও-মুন্ডা এঁদের বলবেন পরিযায়ী। আপনার কাছে অনুরোধ, এই ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে আপনি বলবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Adenovirus: ‘অ্যাডিনো ৭’ এবং ‘অ্যাডিনো ৩’-এর মিলিত রূপ ‘রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাস’! এর ফলেই কী ভয়াবহ পরিস্থিতি?

    Adenovirus: ‘অ্যাডিনো ৭’ এবং ‘অ্যাডিনো ৩’-এর মিলিত রূপ ‘রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাস’! এর ফলেই কী ভয়াবহ পরিস্থিতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার পর এবারে নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস। বিশেষত শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। কলকাতা সহ একাধিক জেলাতেও অ্যাডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ অতিরিক্ত মাত্রায় ছড়াচ্ছে। এই ভাইরাস মূলত সর্দি-কাশির জন্য দায়ী, কিন্তু এখন করোনার মতই রূপ বদলে আরও বেশি সংক্রামক ও ছোঁয়াচে হয়ে উঠেছে। এখনও অবধি রাজ্যে তিনশোর বেশি আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি বহু। তবে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কী কারণ তা নিয়েই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ‘রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাস’

    জানা যাচ্ছে, মিউটেশন হয়ে অ্যাডিনো ভাইরাসের নতুন কোনও প্রজাতি তৈরি হয়নি ঠিকই, কিন্তু দু’টি স্ট্রেন বা সেরোটাইপের মিশ্রণের ফলে তৈরি হয়েছে ‘রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাস’। এ বারের ভয়াবহ পরিস্থিতির নেপথ্যে এই ভাইরাস কতটা দায়ী, তা জানার চেষ্টা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্রের খবর, পরিচিত অ্যাডিনো ভাইরাস কেন এতটা ভোগাচ্ছে, তা জানতে ৪০টির মত নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করেছিল নাইসেড। সেই রিপোর্টেই উঠে এসেছে ভাইরাসের দু’টি স্ট্রেন ‘অ্যাডিনো ৭’ এবং ‘অ্যাডিনো ৩’-এর মিশে থাকার বিষয়টি। নাইসেডের অধিকর্তা শান্তা দত্ত বলেন, “আগেও রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাস মিলেছে। কিন্তু তখন সংখ্যায় কম থাকলেও এ বার অধিকাংশই তাতে আক্রান্ত। এই রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাসের মধ্যে অ্যাডিনো-৭ সেরোটাইপ আগেও ছিল। এর সঙ্গে মিশেছে অন্য সেরোটাইপ।” তিনি জানান, দু’টি সেরোটাইপ মিশ্রিত ভাইরাস কতটা ভয়াবহ, পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

    এক ভাইরোলজিস্টের মতে, মানুষের অ্যাডিনো ভাইরাসের সাতটি প্রজাতি রয়েছে। যার মধ্যে ৬৮ প্রকার (সেরোটাইপ বা স্ট্রেন) অ্যাডিনো ভাইরাসের খোঁজ মিলেছে। আরও জানা গিয়েছে, শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ মূলত ঘটায় অ্যাডিনো ১, ২, ৩, ৫, ৬ ও ৭ সেরোটাইপ। এছাড়াও অ্যাডিনোভাইরাস শ্বাসনালি তথা ফুসফুসের সংক্রমণ, প্রদাহ ছাড়াও পরিপাকতন্ত্র, মূত্রনালি তথা রেচনতন্ত্র এবং চোখের কনজাংটিভা-র সংক্রমণ ও প্রদাহেও পটু।

    আরও পড়ুন: খুদেদের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে অ্যাডিনো-সংক্রমণ! হাসপাতাল পরিদর্শনে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন

    বিশেষ নির্দেশিকা জারি পুরসভার

    এই নতুন ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হলে গতকাল কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের নেতৃত্বে বিশেষ বৈঠক করা হয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ। কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টি ওয়ার্ডে যে সমস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে এবং সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে সব-কটিতেই অ্যাডিনো ভাইরাস নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হচ্ছে।

    কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ জানান, কলকাতায় বাড়িতে বাড়িতে বাচ্চাদের জ্বর কেমন রয়েছে তা ক্ষতিয়ে দেখতে স্বাস্থ্য কর্মীদের বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করবেন কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য কর্মীরা। জ্বর-সর্দিকাশি হলেই শিশুদের হাসপাতালে বা  নার্সিং হোমে ভর্তি করতে বলা হয়েছে। শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যায় না, তাই কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে কোনও ওষুধ দেওয়া হচ্ছে না। যাদের সমস্যা বেশি রয়েছে, তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আক্রান্ত শিশুদের কাছে যাতে বড়রা দূরে থাকেন বা মাস্ক পরেন, তাদের সংস্পর্শে থাকেন সেই পরামর্শ দিয়েছেন কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র ও মেয়র পরিষদ স্বাস্থ্য অতীন ঘোষ।

  • Anubrata Mondal: মাইনে এক হাজার, অথচ ব্যাঙ্কে ১৫ লক্ষ! অনুব্রতর পরিচারকের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ!

    Anubrata Mondal: মাইনে এক হাজার, অথচ ব্যাঙ্কে ১৫ লক্ষ! অনুব্রতর পরিচারকের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলার তদন্তে নেমে বীরভূমের সিউড়ি সমবায় ব্যাঙ্কে তিনশোর বেশি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের খোঁজ পেয়েছিল সিবিআই। গরুপাচারের কালো টাকা সাদা করার কাজে ব্যবহার করা হতো ওই অ্যাকাউন্টগুলি। সেই মামলার তদন্ত করতে গিয়েই এবার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) পরিচারকের ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট ফ্রিজ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (CBI)।

    টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন

    সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে অনুব্রত মণ্ডলের পরিচারকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অনুব্রতর ওই পরিচারকের নাম বিজয় রজক। তাঁর অ্যাকাউন্টে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা রয়েছে। কিন্তু এই টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে তদন্তকারী আধিকারিকদের মনে। ওই টাকার উৎস কী? কিভাবে এল তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। 

    সিবিআই সূত্রে খবর, অনুব্রতর পরিচারক হিসেবে মাসে মাত্র কয়েক হাজার টাকা আয় হলেও ওই ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে। এমন কি, এখনও ওই অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা রয়েছে৷ গরুপাচারের টাকাই এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। কারা কারা এই টাকা নিতেন এবং কোথায় সেই টাকা গুলি যেত সেটাকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তদন্তকারীদের অনুমান পরিচারকের পরিচয়পত্র দিয়ে এই অ্যাকাউন্ট খুলে গরু পাচারের টাকা কেষ্টর নির্দেশেই লেনদেন করা হত। এত টাকার লেনদেন রজতের আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন বলে মনে করছে সিবিআই। ওই অ্যাকাউন্ট থেকে যাতে কোনও টাকা তোলা না যায় বা অন্যত্র সরানো না যায়, বীরভূমের সিউড়ির সমবায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে সেই নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷

    আরও পড়ুুন: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    এর আগে একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সিউড়ি সমবায় ব্যাঙ্কের ম্যানেজারকে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন  যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই এই অ্যাকাউন্ট গুলো খোলা হয়েছিল। যাঁদের নামে অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছে তাঁরা কেউ জানেন না তাঁদের নামে রয়েছে অ্যাকাউন্ট। পঞ্চায়েত অফিসে আধার কার্ড জমা দিয়েছিলেন তাঁরা। সেই আধারকার্ড দেখিয়েই অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয় বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kolkata Weather: মার্চেই ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে শহরের তাপমাত্রা! এদিন এক ধাক্কায় পারদ চড়ল ৫ ডিগ্রি

    Kolkata Weather: মার্চেই ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে শহরের তাপমাত্রা! এদিন এক ধাক্কায় পারদ চড়ল ৫ ডিগ্রি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারি মাস শেষ না হতেই শহর থেকে উধাও শীত। ক্রমশই বেড়ে চলেছে দিন ও রাতের তাপমাত্রা। নতুন করে ঠান্ডা পরার সম্ভাবনা খুবই কম, আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর। ফেব্রুয়ারিতেই গরমে নাজেহাল অবস্থা রাজ্যবাসীর। জেলায় জেলায় তাপমাত্রার পারদ পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করেছে। আজ শহরে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৪-৫ ডিগ্রি বেশি। অন্যদিকে, দেশজুড়েও ঊর্ধ্বমুখী পারদ। ৫৪ বছর পর রেকর্ড গরম দিল্লিতে। ফেব্রুয়ারি মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাজধানীতে।

    কলকাতার আবহাওয়া

    আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৫ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার দিনের আকাশ রৌদ্রোজ্জ্বল থাকবে। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩২ এবং ২১ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে।

    মার্চেই ৪০ ডিগ্রি হতে পারে তাপমাত্রা!

    আবহাওয়াবিদদের মতে, মার্চেই শহরের তাপমাত্রা পৌঁছে যেতে পারে ৪০ ডিগ্রির কোঠায়। এ প্রসঙ্গে এক আবহাওয়াবিদ বলেন, “ফেব্রুয়ারির শেষেই বঙ্গের তাপমাত্রা পৌঁছে যাবে ৩৫ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মার্চেও ভ্যাপসা গরম পড়বে রাজ্যে। তাপমাত্রা পৌঁছে যাবে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তবে রাজ্যের আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। উল্লেখযোগ্যভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে চলতি বছর।”

    এছাড়াও জানা গিয়েছে, এবছর রাজ্য জুড়ে ব্যাপক গরম পড়বে। আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, তার প্রভাব পড়তে পারে ফসল উৎপাদনেও। এমনকী খরাও দেখা দিতে পারে। আবহাওয়াবিদের অনুসারে, পশ্চিমবঙ্গে একটা মারাত্মক খরা সৃষ্টি হবে। রাজ্যের গ্রাউন্ড ওয়াটার লেভেল অর্থাৎ ভূগর্ভস্থ জলের মাত্রা অনেকটাই নীচে নেমে যাবে। দ্রুত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আর্সেনিকের প্রভাব পড়বে। কৃষিকাজেও ব্যাপক ক্ষতি হবে বাংলায়। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়বে না ফলে দিল্লির মতই এবার কলকাতাও শুষ্ক হবে।

    দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রাতের তাপমাত্রা বা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একই রকম থাকলেও দিনের তাপমাত্রা আগামী দু-তিন দিনে সামান্য বাড়বে। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং এবং কালিম্পং-এ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাতে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।

  • SSC Scam: টেটকাণ্ডে আজ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের জেরার মুখে ৪০ জন ইন্টারভিউয়ার! কেন জানেন?

    SSC Scam: টেটকাণ্ডে আজ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের জেরার মুখে ৪০ জন ইন্টারভিউয়ার! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের (SSC Scam) পরীক্ষায় অ্যাপটিটিউড টেস্টে নিয়ম না মানার অভিযোগ করেছিলেন চাকরি প্রার্থীরা। সেই কারণে যাঁরা ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন, তাঁদেরই জেরা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। মঙ্গলবার এমনই ৪০ জন ইন্টারভিউয়ারকে তলবও করেছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। রুদ্ধদ্বার জেরা করা হবে তাঁদের। এদিন মোট পাঁচটি জেলা থেকে ৪০ জনকে ডাকা হয়েছে।

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়…

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি এই ইন্টারভিউয়ারদের মুখোমুখি হবেন এজলাসের বাইরে। জানা গিয়েছে, হাইকোর্টের সার্ধশতবার্ষিকী ভবনের কোনও একটি জায়গায় বসবে আদালত। সেখানেই ওই ইন্টারভিউয়ারদের প্রশ্ন করবেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। রুদ্ধদ্বারে হবে সেই প্রশ্নোত্তর পর্ব। সবরকম গোপনীয়তা বজায় রেখেই ওই ৪০ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করবেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। যাঁদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হচ্ছে তাঁরা এবং আইনজীবীরাই কেবল উপস্থিত থাকবেন প্রশ্নোত্তর পর্ব চলাকালীন। এই সময় বাইরের কেউ উপস্থিত থাকতে পারবেন না আদালতে।

    প্রাথমিকে (SSC Scam) অ্যাপটিটিউড টেস্টের জন্য নির্দিষ্ট নম্বর থাকে। চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, সেখানে ইন্টারভিউ হয়েছে নিয়ম না মেনেই। কোথাও কোথাও বারান্দায় বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার পরীক্ষার্থীদের কোনও প্রশ্নই করা হয়নি। চাকরি প্রার্থীদের কয়েকজন আবার অভিযোগ করেছিলেন কেবল নাম জিজ্ঞাসা করেই ইন্টারভিউ শেষ করা হয়েছে। কাউকে আবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছে কোথায় থাকেন।এসব অভিযোগ পাওয়ার পরেই ইন্টারভিউয়ারদের তলব করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    এদিন যাঁদের তলব করা হয়েছে, তাঁরা ২০১৬ সালের ইন্টারভিউয়ার। পর্ষদের হলফনামা খতিয়ে দেখে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও অ্যাপটিটিউড টেস্ট হয়নি। বসানো হয়েছিল গড় নম্বর। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সেদিন শুনানিতে বলেছিলেন, অ্যাপটিটিউড টেস্ট নিয়ে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে তাতে বোঝা যাচ্ছে ২০১৬ সালের ইন্টারভিউতে ওই টেস্ট নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে যে নথি ও সাক্ষ্য পর্ষদের তরফ থেকে এসেছে, তাতে স্পষ্ট ওই টেস্ট নেওয়া হয়নি। তিন চারটে প্রশ্ন করেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অ্যাপটিটিউড টেস্ট নেওয়া হয়নি। এদিন যাঁদের ডেকে পাঠানো হয়েছে, তাঁরা হলেন হাওড়া, হুগলি, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার ও মুর্শিদাবাদের ইন্টারভিউয়ার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) নিশানা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে কুকথা বলেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি। তার পরেও তিনি দিব্যি রয়েছেন মন্ত্রীর চেয়ারে। এদিন সেই বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকারকে একহাত নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, এটা যদি বিজেপির কোনও মন্ত্রী হতেন, তাহলে আমরা কান ধরে বার করে দিতাম দল থেকে।

    সুকান্ত বলেন…

    নীতি যাত্রা শেষে সোমবার পুরুলিয়া শহরের একটি সভায় যোগ দেন সুকান্ত। সেখানেই তিনি নিশানা করেন তৃণমূলকে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, নিজেদের আদিবাসী দরদি হিসেবে পরিচয় দেওয়া তৃণমূল আদিবাসী রাষ্ট্রপতিকে সমর্থন করেনি, উল্টে আদিবাসীদের সঙ্গে নৃত্য করার সময় হাতে গ্লাভস পরে নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সুকান্ত বলেন, যিনি রাষ্ট্রপতিকে অসম্মানজনক কথা বলেছিলেন, তিনি এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন তৃণমূলের মন্ত্রিসভায়। এর পরেই তিনি বলেন, এটা যদি বিজেপির কোনও মন্ত্রী হতেন, তাহলে আমরা কান ধরে বার করে দিতাম দল থেকে। লাথি মেরে তাড়িয়ে দিতাম মন্ত্রিসভা থেকে।  

    আরও পড়ুুন: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জনসংযোগ বাড়াতে দিদির দূত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তৃণমূল। এদিন সে প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, দেখবেন, গ্রামে গিয়ে আপনার গরুটা, ছাগলটা যেন না চুরি করে নিয়ে যায় দূতেরা। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ওই নির্বাচনে পুলিশ যাতে তৃণমূলের হয়ে কাজ না করে সে ব্যাপারেও তাদের সতর্ক করে দিয়েছেন সুকান্ত। তিনি বলেন, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুলিশ যদি তৃণমূলের হয়ে কাজ করে, তাহলে তাঁরা যেন টুপি থেকে অশোকস্তম্ভ খুলে ফেলেন এবং হাওয়াই চটি লাগিয়ে নেন।

    মন্ত্রী সন্ধ্যারানি টুডুকেও এদিন একহাত নেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। বলেন, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মানজনক কথা বলার সময় চুপ ছিলেন সন্ধ্যারানি। কারণ তাঁর পরিবারের লোকজনকে তিনি চাকরি করে দিয়েছেন। দুর্নীতিগ্রস্তরা কোনওভাবেই রেহাই পাবে না বলেও এদিন সাফ জানিয়ে দেন সুকান্ত। তিনি বলেন, যদি কর চুরি, যত বড় হও দিদির ভাই, ধরবে তোমায় সিবিআই। তিনি বলেন, চাটার্ড অ্যাকাউন্টেটকে দিয়ে সম্পত্তির হিসেব করিয়ে নিন। দরজায় সিবিআই, দুয়ারে সিবিআই চলে আসবে এবার। তখন বিজেপির পতাকা ধরলেও বাঁচা যাবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Adeno Virus: খুদেদের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে অ্যাডিনো-সংক্রমণ! হাসপাতাল পরিদর্শনে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন

    Adeno Virus: খুদেদের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে অ্যাডিনো-সংক্রমণ! হাসপাতাল পরিদর্শনে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের পর স্বাস্থ্য দফতরের সামনে নয়া উদ্বেগ অ্যাডিনো ভাইরাস। বিশেষত শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। কলকাতা সহ একাধিক জেলাতেও অ্যাডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ অতিরিক্ত মাত্রায় ছড়াচ্ছে। চিকিৎসা করাতে আসা শিশুদের মধ্যে কেউ ১৫ দিন, কেউ এক মাস, কেউ আবার দেড় মাস ধরে ভুগছে সর্দি, কাশি ও জ্বরে। কারও আবার শ্বাসকষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। এইরকম পরিস্থিতিতে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সচেতনতা। তাই নতুন এই ভাইরাসের উপসর্গ কী এবং পরিস্থিতি ঠিক কতটা উদ্বেগজনক তার সঠিক মূল্যায়ন করতে আগ্রহী রাজ্য সরকার।

    শিশু সুরক্ষা কমিশনের পরিদর্শন

    সোমবার রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্য  যশোবন্তী শ্রীমানি অ্যাডিনো ভাইরাসের চিকিৎসা চলা হাসপাতালগুলির পরিস্থিতি ঠিক কী রকম , তা জানতে  বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের তরফে  প্রথম পরিদর্শন করা হয় ফুলবাগানের বিসি রায় শিশু হাসপাতালে। বিসি রায় হাসপাতালের পাশাপাশি, সেখান থেকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যরা। কমিশনের তরফ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হয়, অ্যাডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে তারা কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে, কত সংখ্যক শিশু ভর্তি রয়েছে অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে, কত জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হাসপাতালের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলেই মনে করছে কমিশন। 

    আরও পড়ুন: নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস! শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন রসুন, নিম, কাঁচা হলুদ

    সচেতনতা প্রচার

    হাসপাতালের তরফে রোগীর বিভিন্ন স্টেজ ভাগ করে আলাদা আলাদা ভাবে চিকিৎসা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়াও কমিশনের তরফে সচেতনতামূলক প্রচারের জন্য কী কী করণীয় তা সম্পর্কেও হাসপাতালকে জিজ্ঞাসা করা হয়। কমিশন প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে বাড়ির বড়দের কারও ঠাণ্ডা জ্বর সর্দি-কাশি থাকলে বাড়ির শিশুকে তার থেকে দূরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। শরীর খারাপ থাকলে স্কুলে পাঠানো বন্ধ করতে হবে। জ্বরের সঙ্গে বমি, পাতলা পায়খানা, শ্বাসকষ্ট, খিদে কমে যাওয়া এই লক্ষণ থাকলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। শিশুর তিন থেকে পাঁচ দিনের জ্বর হলেও হাসপাতালে নিতে হবে। এছাড়া জনবহুল এলাকায় গেলে মাক্স ব্যবহার করাতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share