Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sagardighi By Election: সাগরদিঘিতে গোহারা তৃণমূল, বিপুল ভোটে জয়ী কংগ্রেস

    Sagardighi By Election: সাগরদিঘিতে গোহারা তৃণমূল, বিপুল ভোটে জয়ী কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে (Sagardighi By Election) ধরাশায়ী তৃণমূল (TMC)। ঘাসফুল প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় ২৩ হাজার ভোটে হারালেন বাম সমর্থিত কংগ্রেস (Congress) প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে একটি আসনও পায়নি বাম-কংগ্রেস জোট। তবে সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ায় বিধানসভায় খাতা খুলল কংগ্রেস। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে ৫০ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রার্থী সুব্রত সাহা। তাঁর প্রয়াণে শূন্য হয়েছিল আসনটি। সেই আসনেই গোহারা হারল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

    সাগরদিঘি উপনির্বাচন (Sagardighi By Election)…

    সাগরদিঘি উপনির্বাচনে (Sagardighi By Election) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ৯ জন প্রার্থী। যদিও মূল লড়াই হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস, তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি প্রার্থী দিলীপ সাহার মধ্যে। এদিন গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন। গণনা শেষে দেখা যায় তৃণমূল প্রার্থীকে ২২ হাজার ৯৮০ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তিনি। বাইরন জয়ী হতেই অকাল হোলিতে মেতে ওঠেন সাগরদিঘির বাম ও কংগ্রেস কর্মীরা। বহরমপুরে মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের কার্যালয়ের সামনে বাজি পোড়াতে থাকেন কংগ্রেস কর্মীরা।

    তৃণমূল আমাকে কিনতে পারবে না…

    সাগরদিঘি কেন্দ্রে জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন বাইরন। ফল ঘোষণার ঢের আগেই তিনি বলেছিলেন, জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। আমি জয়ী হব। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, পরিবর্তন হবে সাগরদিঘি থেকেই। এদিন দুপুর পৌনে তিনটে নাগাদ বাইরনকে জয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তারপরেই বাইরন বলেন, লিখে রেখে দিন, তৃণমূল আমাকে কিনতে পারবে না। দরকারে তৃণমূলকে কিনে নেব।

    আরও পড়ুুন: নির্বাচনী বন্ডে তৃণমূলের ঝুলিতে কত কোটি টাকা এসেছে জানেন?

    দলীয় প্রার্থীর জয়ে (Sagardighi By Election) দৃশ্যতই খুশি কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে অধীর বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন হলে তো প্রভাব পড়বে। যদি পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেস বাংলায় থাকবেই না। এটাই তার প্রমাণ। তিনি বলেন, তৃণমূল ভোট লুঠের জন্য ক্রিমিনালদের জড়ো করেছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী সেই চেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে। বাম-কংগ্রেস কর্মীরা ঝাঁপিয়ে পড়ে ভোট করেছে। অধীর বলেন, এখানকার সংখ্যালঘুরা বুঝিয়ে দিয়েছেন দ্বিচারিতাকে কীভাবে ধাক্কা দিতে হয়। খেলা এখনও অনেক বাকি আছে। 

    রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যের নানা কেলেঙ্কারিতে তৃণমূলের জড়িয়ে পড়াটা ভালো চোখে দেখেননি ভোটাররা। তার ফলেই ৫০ হাজারে জেতা আসনে প্রায় ২৩ হাজার ভোটে হারতে হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
  • Naushad Siddiqui: হাইকোর্টে মুখ পুড়ল রাজ্যের, জামিন পেলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি

    Naushad Siddiqui: হাইকোর্টে মুখ পুড়ল রাজ্যের, জামিন পেলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪০ দিন জামিন পেলেন ভাঙরের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি (Naushad Siddiqui)। কলকাতা হাইকোর্টে জামিন দেয় নওশাদকে। নওশাদের জামিনের খবর সামনে আসতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন আইএসএফ কর্মী সমর্থকরা। প্রতিটি শুনানিতেই আদালতে আসতেন আইএসএফ সমর্থকরা। এদিনও আসেন।  

    বুধবারও ব্যাঙ্কশাল কোর্ট জামিন দেয়নি নওশাদকে (Naushad Siddiqui)। শুনানির শেষে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। বুধবার শুনানির সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত মেলেনি জামিন। হতাশ হয়েছিলেন আইএসএফ সমর্থকরা। তবে বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালত জামিন দিল নওশাদকে। নওশাদের জামিন পাওয়ার খবরে খুশির হাওয়া আইএসএফ শিবিরে।  

    বার বারই শাসক বিরোধী স্বরে কথা বলে এসেছে নওশাদ। এমনকী পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্যন্ত তাকে আটকে রাখার ষড়যন্ত্রের অভিযোগও করেছিলেন তিনি (Naushad Siddiqui)। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আটকে রাখা যায়নি। 

    এদিন ৪টি মামলায় জামিন পেলেন নওশাদ সিদ্দিকি (Naushad Siddiqui)। বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ জামিন দিয়েছে। নওশাদের এই জামিনে যে শাসক শিবিরে অস্বস্তি বাড়াবে তা বলাই বাহুল্য। 

    প্রসঙ্গত, গত ২১ জানুয়ারি গ্রেফতার করা হয়েছিল নওশাদকে (Naushad Siddiqui)। নওশাদ ও তাঁর সমর্থকদের বিরুদ্ধে পুলিশকে মারধরের যে অভিযোগ তোলা হয়েছিল তার কোনও প্রমাণ হাজির করতে পারেনি রাজ্য সরকার। তারপরই জামিন পান নওশাদ। জামিন পেয়েছেন গ্রেফতার হওয়া বাকি আইএসএফ নেতারাও।

    আরও পড়ুন: ‘নবম দশমের নিয়োগ প্রত্যাহারে এখনই স্থগিতাদেশ নয়’, জানাল কলকাতা হাইকোর্ট 

    জামিন মঞ্জুর করলেও নওশাদ (Naushad Siddiqui) সহ আইএসএফ নেতা, কর্মীদের তদন্তে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷ তদন্তকারী অফিসার তলব করলেই হাজিরারও নির্দেশ দিতে বলা হয়েছে৷

    গত ২১ জানুয়ারি ধর্মতলায় আইএসএফের প্রতিষ্ঠা দিবসের কর্মসূচি ঘিরে বিক্ষোভের জেরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে আইএসএফ কর্মীদের। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন নওশাদ-সহ (Naushad Siddiqui) আইএসএফের বহু কর্মী-সমর্থক। তার পর থেকে তাঁরা জেলেই ছিলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondol: অবশেষে দিল্লির পথে কেষ্ট! গরু পাচারকাণ্ডে ইডির আবেদনে সম্মতি আসানসোল আদালতের

    Anubrata Mondol: অবশেষে দিল্লির পথে কেষ্ট! গরু পাচারকাণ্ডে ইডির আবেদনে সম্মতি আসানসোল আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় আপাতত দিল্লি যেতেই হচ্ছে তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে।  অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে ইডির করা আবেদনে বৃহস্পতিবার সম্মতি দিল আসানসোল আদালত। যার ফলে কেষ্টর দিল্লিযাত্রা এখন সময়ের অপেক্ষা বলা চলে। শুক্রবারই তাঁকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে। 

    দিল্লির পথে অনুব্রত!

    দু’দিন আগে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট ইডিকে প্রশ্ন করেছিল, অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) কেন এখনও দিল্লি (Delhi) নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়নি? কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে আদালতে জানানো হয়, দিল্লি আসা রুখতে আগেই দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করে রেখেছেন অনুব্রত। সেই মামলা বিচারাধীন। বিচারপতি প্রশ্ন করেন, সেই মামলায় তো কোনও রায় বেরোয়নি, দিল্লি হাইকোর্টে কোনও স্থগিতাদেশও দেয়নি। অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে আসা যেতেই পারে। সেখানে কোনও বাধা থাকতে পারে না। এরপরই দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের নির্দেশ নিয়ে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে (CBI Court) আর্জি জানিয়েছিল ইডি। বৃহস্পতিবার তাতে সবুজ সঙ্কেত দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। 

    আরও পড়ুন: অযোগ্য ৬১৮ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করল এসএসসি

    গরু পাচার মামলায় যৌথ ভাবে তদন্ত চালাচ্ছে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং ইডি। ওই মামলায় গ্রেফতার অন্যতম অভিযুক্ত তথা অনুব্রতের এক সময়ের দেহরক্ষী সহগল হোসেন রয়েছেন তিহাড় জেলে। গত ২০ ডিসেম্বর আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ইডি। তখনই শিবঠাকুর মণ্ডল নামে এক তৃণমূলি পঞ্চায়েত প্রধানের করা খুনের চেষ্টার অভিযোগে অনুব্রতকে আসানসোল জেলে গিয়ে গ্রেফতার করে দুবরাজপুর থানার পুলিশ। এর পর তাকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অনুব্রত। কিন্তু এবার আর শেষ রক্ষা হল না। সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে আগামী কাল শুক্রবার দিল্লি নিয়ে যাবে ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ‘নবম দশম নিয়োগ সুপারিশ বাতিলে এখনই স্থগিতাদেশ নয়’, জানাল কলকাতা হাইকোর্ট

    Recruitment Scam: ‘নবম দশম নিয়োগ সুপারিশ বাতিলে এখনই স্থগিতাদেশ নয়’, জানাল কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবম দশমের ৬১৮ জনের সুপারিশ পত্র বাতিলের ওপর এখনই কোন স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে না। সাফ জানালেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু (Recruitment Scam)। বিচারপতির কথার উত্তরে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ বলে, “নিয়োগপত্র প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু করেছি।” 

    নবম-দশম মামলায় গতকালই রায়দান করেছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল রেখেছে ডিভিশন বেঞ্চ। তারপরেই গতকাল ৬১৮ জনের সুপারিশ পত্র প্রত্যাহার করে কমিশন। আজ নতুন করে মামলা দায়ের করার অনুমতি চান ৯৫২ জনের মধ্যে বেশ কয়েকজন। যদিও দ্রুত শুনানি সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি বসু।

    উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) নিয়ে কমিশনকে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে অযোগ্যদের সুপারিশপত্র প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। আদালতের নির্দেশে কমিশন ৬১৮ জনের নাম ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। কিন্তু বিচারপতি বসুর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় চাকরিচ্যুতদের একাংশ। তবে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ মামলায় হস্তক্ষেপ করেনি। আদালতের স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ চাকরি থাকবে কি না তার সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোন অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ নয় সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে। তিনি বলেন, “কমিশনই সর্বশেষ সিদ্ধান্ত নেবে চাকরি থাকবে কিনা। ন্যাচারাল জাস্টিস কোনও স্ট্রেট জ্যাকেট হতে পারে না। OMR Sheet বিকৃতি হয়নি বা এটা তাদের নয় বলে কোন মামলাকারী বলেননি।” বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, এসএসসি তাদের যে ১৭ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে অবৈধ চাকরিপ্রার্থীদের চাকরি বাতিল করেছিল, তাতে হস্তক্ষেপ করতে চায় না আদালত।

    আরও পড়ুন: অযোগ্য ৬১৮ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করল এসএসসি

    এসএসসি (Recruitment Scam) আরও জানিয়েছে, ওই ৬১৮ জন বাদে বাকি ১৮৭ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র বাতিলের প্রক্রিয়া শীঘ্রই শুরু করে দেওয়া হবে। তার আগে ওই ১৮৭ জনের ওএমআর শিটগুলি আরও এক বার হাতেকলমে যাচাই করে নিতে চায় এসএসসি। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় এসএসসি নিযুক্ত ৯৫২ জন নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র বিকৃত করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। আদালত ওই ৯৫২ জনের মধ্যে ৮০৫ জনের চাকরির সুপারিশপত্র বাতিল করে তাঁদের বরখাস্ত করার নির্দেশ দেয় স্কুল সার্ভিস কমিশনকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Sukanta Majumdar: “পুলিশ যদি তৃণমূলের ক্যাডারের মতো আচরণ করে তাহলে…”, কোচবিহারে হুঙ্কার সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “পুলিশ যদি তৃণমূলের ক্যাডারের মতো আচরণ করে তাহলে…”, কোচবিহারে হুঙ্কার সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিশীথ প্রামাণিকের ওপর হামলার ঘটনায় উত্তাল কোচবিহার রাজনীতি। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) তা আরও কিছুটা জোরদার হল। এবার পুলিশকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।  

    কোচবিহারের ঘোকসাডাঙ্গায় এক কর্মীসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য পুলিশের দিকে নিশানা দেগে বালুরঘাটের সাংসদ (Sukanta Majumdar) বলেন, “পুলিশ যদি নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করে তাহলে পুলিশকে পুলিশ মনে করব। আর পুলিশ যদি তৃণমূলের ক্যাডারদের মতো কাজ করে তাহলে ক্যাডারদের সঙ্গে যা ট্রিটমেন্ট করা হয়, পুলিশের সঙ্গেও সেই ট্রিটমেন্ট করা হবে।” 

    তৃণমূলকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। গত শনিবার দিনহাটার বুড়িরহাটে তৃণমূল- বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষ ঘটে। আক্রান্ত হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়।

    আরও পড়ুন: “হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের ২০০ কোটি কোথায় গেল?”, রাজ্যকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে ৪৮ জন বিজেপি নেতাকর্মীর নামে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছে পুলিশ (Sukanta Majumdar)। সেই মামলায় ইতিমধ্যে ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন ঘোকসাডাঙ্গা এলাকার বিজেপি নেতা প্রশান্ত বর্মন।

    বুধবার প্রশান্ত বর্মনের বাড়িতে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আইনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সুকান্ত বলেন, “দলীয় কর্মীকে ছাড়ানোর জন্য বিজেপি সহযোগিতা করবে। প্রয়োজনে হাইকোর্টেও যাবে।” 

    সেখানেই পুলিশকে একহাত নেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বলেন, “পুলিশ দলদাসে পরিণত হয়েছে। পুলিশ যদি নিরপেক্ষভাবে কাজ করে তাহলে পুলিশকে পুলিশ বলে মনে করব। আর পুলিশ যদি তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করে তাহলে তৃণমূলের ক্যাডারদের সঙ্গে যে ট্রিটমেন্ট করা হয় পুলিশের সঙ্গেও সেই একই ট্রিটমেন্ট হবে।”

    দলীয় কর্মীদের বার্তা সুকান্তর

    এদিন দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “তৃণমূলের সন্ত্রাস মোকাবিলা করতে বিজেপি কর্মীদের হাতে ঝাণ্ডার সঙ্গে ডান্ডাও রাখতে হবে। কোচবিহারে ডান্ডা ছাড়া রাজনীতি হবে না। তৃণমূলের যে নেতা যে ভাষা বোঝে তাকে সেই ভাষাতেই জবাব দিতে হবে।”

    এদিন নাম না করে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে লুঙ্গি মন্ত্রী বলে ব্যাঙ্গ করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “কোচবিহারের ছেলেকে আপনারাই সাংসদ করেছিলেন‌। নরেন্দ্র মোদি তাকে মন্ত্রী করে পাঠিয়েছেন। সেটা তৃণমূলের সহ্য হয়নি। আর তাই তার উপর আক্রমন হয়েছে লুঙ্গি মন্ত্রীর নির্দেশে।”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “দিদি নিজের রাজ্য সামলাতে পারেন না মেঘালয়ে গিয়ে মাথায় পালক লাগিয়ে কাক সেজে কুকু করছেন। ‌রাজ্যের বেকার ছেলেরা কাজ পাচ্ছে না । তারা গুজরাটে চলে যাচ্ছে।‌ দিদি বলছেন ১০০ দিনের কাজে তারা এক নম্বর। তাতে সায় দিয়ে তিনি বলেন সেটাতো হবেনই, কারন‌ এই রাজ্যের বেকার যুককেরা কাজ না পেয়ে বাধ্য হয়ে ৩০০ টাকার মজুরিতে ১০০ দিনের কাজ করে। কিন্তু গুজরাটে কাজ করলে দৈনিক মজুরি এক হাজার টাকা পায়। ‌তাই সেখানে মানুষ ১০০ দিনের কাজ করে না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

     

     

     

     

     

  • ED Raid: আইনজীবী সঞ্জয় বসুর ফ্ল্যাটে আজও ইডির তল্লাশি! ‘‘সরকার ফেঁসে গিয়েছে’’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    ED Raid: আইনজীবী সঞ্জয় বসুর ফ্ল্যাটে আজও ইডির তল্লাশি! ‘‘সরকার ফেঁসে গিয়েছে’’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিটফান্ড দুর্নীতিতে আইনজীবী সঞ্জয় বসুর বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। বুধবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে তল্লাশি। ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও আইনজীবীর ফ্ল্যাট থেকে বেরতে দেখা যায়নি ইডি (ED Raid) অফিসারদের। বৃহস্পতিবারও তল্লাশি জারি রয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, রাতভর দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে আইনজীবীকে। দুর্নীতির সঙ্গী আইনজীবী সঞ্জয় বসু, এমন দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ইডির তল্লাশি প্রসঙ্গে শুভেন্দু যা বললেন

    আলিপুরের বর্ধমান রোডে আইনজীবী সঞ্জয় বসুর ফ্ল্যাটে ইডির তল্লাশি (ED Raid) চলাকালীন বুধবার সন্ধ্যায় এক সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাবতীয় কুকর্মের সাথী এই সঞ্জয় বসু। শুভেন্দু বলেন, ‘সঞ্জয় বসু শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী নন, তিনি সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্থায়ী আইনজীবী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে যত অপকর্ম করেছেন তার মূল সাগরেদ হচ্ছে সঞ্জয় বসু। শুধু তাই নয়, উত্তরবঙ্গ থেকে আসানসোল, পুলিশকে সংগঠিত করে টাকা তুলছে এই সঞ্জয় বসু। গোটা রাজ্যে তৃণমূলের যত টাকা সংগ্রহ হচ্ছে তার দায়িত্ব রয়েছে সঞ্জয় বসুর ঘাড়ে। গোয়া, মেঘালয়, ত্রিপুরায় যে টাকা খরচ হয়েছে সেই টাকা তোলার দায়িত্ব আগে বিনয় মিশ্রর ছিল, এখন সঞ্জয় বসুর’।

    ইডি সূত্রে খবর, দিল্লি থেকে কেন্দ্রীয় সংস্থার এক আধিকারিক এসেছেন, যাঁর তত্ত্বাবধানে এই তল্লাশি (ED Raid) চলছে। একটি চিটফান্ড সংস্থার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সঞ্জয় বসুর বিলাসবহুল আবাসনের ভিতরে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আবাসনের বাইরে বাড়ানো হয়েছে পুলিশি নিরাপত্তা। আলিপুর থানার ওসি এবং একজন এসি পদমর্যাদার অফিসারের নেতৃত্বে বিশেষ বাহিনী মোতায়ন হয়েছে। ওই আবাসন থেকে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু নথি উদ্ধার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: শান্তিপ্রসাদের ‘ডেরা’য় মিলল দেড় কেজি সোনা, নগদ ৫০ লক্ষ, অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা

    এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘এই অভিযান (ED Raid) নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজে বিচলিত। ডিজিপি অনেককে অনেক নির্দেশ দিয়েছেন তার তথ্যপ্রমাণ আমরা পাচ্ছি। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিভিন্ন সংবাদ চ্যানেলকে ফোন করে বলেছেন, আপনারা এটা নিয়ে বেশি প্রচার করবেন না। আমার অনুরোধ থাকল। টিভি চ্যানেলের মাথাদের কাছে ১২টা থেকে ৩টের মধ্যে ফেসটাইমে এই কল গিয়েছে। অর্থাৎ সরকার ফেঁসে গেছে। কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়, জিট্টা, তার পর কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র, আর আজকে সঞ্জয় বসু, আর চৌকাঠ পেরনোর জন্য বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে না’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: “হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের ২০০ কোটি কোথায় গেল?”, রাজ্যকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের ২০০ কোটি কোথায় গেল?”, রাজ্যকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নয়া বিতর্ক উস্কে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন তিনি। বুধবার হলদিয়া পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডে চায়ে পে চর্চায় উপস্থিত হয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করে বলেন, যখন তিনি হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলেন তখন ২০০ কোটি টাকা রেখে এসেছিলেন। কিন্তু সেই টাকা নিজেদের ট্রেজারিতে নিয়ে নিয়েছে রাজ্য। এর জেরে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করতেও সমস্যা হচ্ছে। টাকার অভাবে কাজ করা যাচ্ছে না।

    কী বলেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এখন উন্নয়ন পর্ষদে টাকা নেই। আলো খারাপ হয়ে গেলে তা সারানোর টাকা নেই। নিকাশি, দূষণ, রাস্তার কোনও কাজ হয় না।”  

    তৃণমূল এবং রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তোলেন নন্দিগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “রাজ্যের শাসকদল আর পুলিশ হলদিয়া শিল্পাঞ্চলে লুঠ চালাচ্ছে। বিচ ম্যারাথনের নাম করে ৬০ লক্ষ টাকা তুলেছেন জেলার পুলিশ সুপার। এক ড্রাইভার বলল রিপ্লে কোম্পানিতে কাজের জন্য ড্রপ বক্সে আবেদন করেছিল। শ্রম দফতর হয়ে সেই আবেদন জেলা প্রশাসনের কাছে যাওয়ার কথা। সেই আবেদন গিয়েছে থানায়। ভবানীপুরের পুলিশ আধিকারিক সেই ছেলেকে ডেকে টাকা দিতে বলছে। চাকরির বিনিময়ে দেড় লক্ষ টাকা চাইছে। বলছে টাকা দিলে ইন্টারভিউতে ডাক পাবে।” 

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) এই বিস্ফোরক দাবির পরেই শুরু হয়েছে বিভিন্ন জল্পনা। ইতিমধ্যেই নানা চর্চা শুরু হয়েছে। শুভেন্দুকে পালটা আক্রমণ করেছেন পর্ষদের বর্তমান চেয়ারম্যান তথা মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,  “২০০ কোটির গল্প দিচ্ছেন শুভেন্দু। ফাঁকা করে দিয়ে গিয়েছেন। আসলে ওই ২০০ কোটি ওনার বাড়িতে রয়েছে। হলদিয়ার উন্নয়ন নিয়ে ওনার গাত্র দাহ হচ্ছে। প্রাক্তন চেয়ারম্যান হিসাবে তিনি ১.৫৭ কোটি টাকা ঋণ রেখে গিয়েছে।” 

    এসবের মাঝেও শুভেন্দুর দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হলে তৃণমূল এবার তৃতীয়স্থানে নেমে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: অযোগ্য ৬১৮ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করল এসএসসি

    SSC Scam: অযোগ্য ৬১৮ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করল এসএসসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) জেরে অযোগ্য ৬১৮ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করল এসএসসি। নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল রেখেছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। তাই বুধবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এসএসসি জানিয়ে দেয়, আপাতত মোট ৬১৮ জন শিক্ষক নিয়োগের (SSC Scam) সুপারিশপত্র বাতিল করা হয়েছে। সুপারিশপত্র বাতিল করে দেওয়ার ফলে এই ৬১৮ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করতে আরও কোনও বাধা নেই মধ্য শিক্ষা পর্ষদের। বাতিলের তালিকায় কারা রয়েছেন তাঁদের নাম, রোল নম্বর এবং বিভাগও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে। 

    পুরো তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কমিশনের পদক্ষেপ

    উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) নিয়ে কমিশনকে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে অযোগ্যদের সুপারিশপত্র প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। আদালতের নির্দেশে কমিশন ৬১৮ জনের নাম ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। কিন্তু বিচারপতি বসুর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় চাকরিচ্যুতদের একাংশ। তবে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ মামলায় হস্তক্ষেপ করেনি। আদালতের স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ চাকরি থাকবে কি না তার সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোন অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ নয় সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে। তিনি বলেন, “কমিশনই সর্বশেষ সিদ্ধান্ত নেবে চাকরি থাকবে কিনা। ন্যাচারাল জাস্টিস কোনও স্ট্রেট জ্যাকেট হতে পারে না। OMR Sheet বিকৃতি হয়নি বা এটা তাদের নয় বলে কোন মামলাকারী বলেননি।” বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, এসএসসি তাদের যে ১৭ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে অবৈধ চাকরিপ্রার্থীদের চাকরি বাতিল করেছিল, তাতে হস্তক্ষেপ করতে চায় না আদালত।

    আরও পড়ুন: “বিনিদ্র রাত্রি কাটাতেই হবে…”, নবম-দশমের দুর্নীতি মামলায় মন্তব্য বিচারপতি বসুর, কিন্তু কেন?

    এসএসসি (SSC Scam) আরও জানিয়েছে, ওই ৬১৮ জন বাদে বাকি ১৮৭ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র বাতিলের প্রক্রিয়া শীঘ্রই শুরু করে দেওয়া হবে। তার আগে ওই ১৮৭ জনের ওএমআর শিটগুলি আরও এক বার হাতেকলমে যাচাই করে নিতে চায় এসএসসি। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় এসএসসি নিযুক্ত ৯৫২ জন নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র বিকৃত করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। আদালত ওই ৯৫২ জনের মধ্যে ৮০৫ জনের চাকরির সুপারিশপত্র বাতিল করে তাঁদের বরখাস্ত করার নির্দেশ দেয় স্কুল সার্ভিস কমিশনকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: “আমরা পাঁচ বছর পর পর ভিক্ষা চাইতে যাই না”, ববিকে পাল্টা ডিএ আন্দোলনকারীরা

    DA Protest: “আমরা পাঁচ বছর পর পর ভিক্ষা চাইতে যাই না”, ববিকে পাল্টা ডিএ আন্দোলনকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহার্ঘ ভাতার (DA Protest) দাবিতে রাজ্যজুড়ে চলছে বিক্ষোভ। ধর্নার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন সরকারি অফিসে পেন ডাউন কর্মসূচিও পালন হচ্ছে। আন্দোলনের আগুনে কিছুটা ছাই চাপা দিতে ৩% ডিএ- র ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু তাতেও কমানো যায়নি রাজ্য সরকারি কর্মীদের ক্ষোভ। বকেয়া ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মীদের আন্দোলনকে কটাক্ষ করে সম্প্রতি কলকাতার মেয়র (DA Protest) ফিরহাদ হাকিম বলেন, “না পোষালে ছেড়ে দিন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী হয়ে যান।” এই মন্তব্যের জেরে বুধবার কলকাতা পৌরসভার বাইরে বিক্ষোভ দেখান পৌরসভার কর্মীরা। তাঁরা বলেন, “ববি হাকিমের মন্তব্যের প্রতিবাদে পুরসভার কর্মীরা পেন ডাউন করেছি। আমরা যোগ্যতার মাধ্যমে পরীক্ষা দিয়ে এই জায়গায় এসেছি। উনি তো ক্যাবিনেট মন্ত্রী, ওনার যদি সৎ সাহস থাকে তাহলে মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন বিধানসভায় বিল আনতে। যে বিলের মাধ্যমে বলুক রাজ্য যে কর্মচারীদের ডিএ দিতে পারবে না সেই কর্মচারীদের কেন্দ্র নিয়ে নেবে। আর ওনারা যা দুর্নীতি করেছেন কলকাতা পৌরসভায় সমস্ত নথি আছে আমাদের কাছে।”

    ফিরহাদের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চও। তাদের সাফ কথা, বেতন দিতে না পারলে, ফিরহাদ (DA Protest) চেয়ার ছেড়ে চলে যান। সংগঠনের এক সদস্য বলেন, “আপনাকে বলছি ববিবাবু, আপনি যদি বেতন দিতে না পারেন, আপনার চেয়ারটা ছেড়ে চলে যান। কর্মচারীরা ৬০ বছর মাথা উঁচু করে থাকবে। আপনার মতো পাঁচ বছর পর পর হাতজোড় করে জনগণের কাছে ভিক্ষা চাইতে যাবে না নিজের কুর্সি বাঁচানোর জন্য।” এক রাজ্য সরকারি কর্মী বলেন, “ওনার মতো গেঞ্জি পরে টাকা নিই না।”

    আরও পড়ুন: উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যে আজ ভোট গণনা, কারা গড়বে সরকার?

    ডিএ ফিরিয়ে দিলেন শিক্ষক 

    এদিকে সরকারের ঘোষিত ৩ শতাংশ ডিএ ফিরিয়ে দিলেন শিলিগুড়ির এক স্কুল শিক্ষক। শিলিগুড়ি বয়েজ স্কুলের শিক্ষক প্রবীর কুমার বর্মণ বুধবার সাফ বলেন, “ভিক্ষার দান চাই না।” ডিএ নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী এবং শাসকদলের নেতাদের বক্তব্যে বিরক্ত তিনি।

    এ ব্যাপারে শিলিগুড়ি বয়েজ স্কুলের শিক্ষক প্রবীর কুমার বর্মণ বলেছেন, “২০১৬ থেকে সীমাহীন বঞ্চনা এবং যে প্রতারণা হয়েছে আমি তার প্রতিবাদ (DA Protest) করছি। আমাদের প্রাপ্য ডিএ ৩৯ শতাংশ। সেখানে ৩ শতাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেছেন না পোষালে ছেড়ে দিন। কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরি করুন। এই চাকরি আমি চটি চেটে পায়নি, নিজের যোগ্যতায় পেয়েছি। ডিএ অধিকার। অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ভিক্ষার মতো ডিএ দিচ্ছে সরকার। সে জন্য আমি স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং ডিআই-কে ঘোষণাপত্র জমা দিয়েছি আমার বর্ধিত ৩ শতাংশ ডিএ দরকার নেই।” ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক উৎপল দত্ত বলেন, “আমার স্কুলের এক জন শিক্ষক বর্ধিত ডিএ নেবেন না বলে আমার কাছে চিঠি দিয়েছেন।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Sagardighi: কড়া নিরাপত্তায় শুরু ভোটগণনা! সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জয় কোন শিবিরের?

    Sagardighi: কড়া নিরাপত্তায় শুরু ভোটগণনা! সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জয় কোন শিবিরের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যেই আজ, বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় শুরু হল সাগরদিঘি (Sagardighi) বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা। মন্ত্রী সুব্রত সাহার মৃত্যুতে খালি হয়ে যায় মূর্শিদাবাদের সাগরদিঘি আসনটি। সাগরদিঘি (Sagardighi) কলেজে শুরু হয়েছে এই কেন্দ্রের গণনা। ভোট গণনা চলবে দুপুর পর্যন্ত। এই কেন্দ্রে মূলত ত্রিমুখী লড়াই হচ্ছে। উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি প্রার্থী দিলীপ সাহা। আর বামফ্রন্ট সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী হলেন বায়রন বিশ্বাস। 

    সাগরদিঘি (Sagardighi) বিধানসভায় ত্রিমুখী লড়াই

    গত সোমবার সাগরদিঘি (Sagardighi) বিধানসভায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৭৪ শতাংশ ভোট পড়ে। ভোটকে কেন্দ্র করে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনাও ঘটে। কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিজেপির সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগ তোলে তৃণমূল। এই কেন্দ্রে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থী মাফুজা খাতুনকে হারিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। তৃতীয় স্থান পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় এক সময় জেলার রাজনীতিতে নির্ণায়ক শক্তি কংগ্রেসকে। তবে গত লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই কেন্দ্র থেকে ‘অভাবনীয়’ সাড়া পেয়ে এবার চমক দেওয়ার কথা বলছে বিজেপি। জয়ের বিষয়ে আশাবাদী গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: শান্তিপ্রসাদের ‘ডেরা’য় মিলল দেড় কেজি সোনা, নগদ ৫০ লক্ষ, অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারে যাওয়া, সাগরদিঘির (Sagardighi) মাটি কামড়ে অধীর চৌধুরীর পড়ে থাকা, শুভেন্দু অধিকারীর প্রচার—সব মিলিয়ে সাগরদিঘির উপনির্বাচনকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিল। এক কংগ্রেস কর্মীর গ্রেফতার, হাইকোর্ট থেকে তাঁর জামিন পাওয়া, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে ওসি বদল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বুটের শব্দ অন্য আবহ তৈরি করে দিয়েছিল সেখানে। অশান্তির কথা মাথায় রেখে মোতায়েন করা হয়েছিল ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাগরদিঘি (Sagardighi) বিধানসভায় মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮২৫। মহিলা ভোটার রয়েছেন ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৫৩৩ জন। গত সোমবারই ভোটগ্রহণ হয় সাগরদিঘিতে। এই উপ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৭৫.১৮ শতাংশ। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই কেন্দ্রে নির্ণায়ক ভূমিকায় থাকবেন সংখ্যালঘু ভোটাররা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share