Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • G-20 Meet: সেজেছে শহর! আজ থেকে কলকাতায় শুরু গুরুত্বপূর্ণ জি-২০ কর্মসূচি

    G-20 Meet: সেজেছে শহর! আজ থেকে কলকাতায় শুরু গুরুত্বপূর্ণ জি-২০ কর্মসূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেনা দৃশ্য যেন হঠাৎই অচেনা। চিংড়িঘাটা থেকে সায়েন্স সিটি পর্যন্ত বাইপাসের দু’ধারে সাজসাজ রব। পড়েছে রংয়ের নতুন পোচ। ঝোপ-ঝাড় উধাও। কোথাও কোথাও আবার নীল-সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে রাস্তার দু’ধার। টাঙানো হয়েছে বড় বড় হোর্ডিং, কাট-আউট। কোনওটায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কোনওটায় আবার মুখ্যমন্ত্রী। উপলক্ষ্য জি-২০ সামিট। যা প্রথমবার হচ্ছে দেশের মাটিতে। জি-২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির এটি ১৮তম বার্ষিক সম্মেলন।

    ডিজিটাল আর্থিক সংযুক্তিকরণ নিয়ে আলোচনা

    গত অক্টোবরে সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল ভারত। ইন্দোনেশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে দায়িত্বের সম্মানসূচক হাতুড়ি সেদিন তুলে দেওয়া হয়েছিল। আগামী এক বছর ধরে দেশের নানা প্রান্তে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জি-২০ সম্মেলন চলবে। যা শুরু হচ্ছে আজ, সোমবার কলকাতা থেকে। নিউটাউনের একটি হোটেল ও বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে তিন দিন ধরে চলবে এই সম্মেলন। যেখানে যোগ দেবেন জি-২০ গোষ্ঠীর সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ডিজিটাল আর্থিক সংযুক্তিকরণ কীভাবে গোটা দেশে তথা বিশ্বজুড়ে বাড়ানো যায়, সেই নিয়ে মূল আলোচনা হবে। সব মিলিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১২ জন বক্তা আসছেন।

    আরও পড়ুন: শীতে জবুথবু রাজ্যবাসী, একাধিক জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সর্তকতা জারি

    জি-২০ বৈঠকের মূলত দু’টি ভাগ। একটি ফিনান্স ও অন্যটি শেরফা ট্র্যাক। আর ফিনান্স ট্র্যাকের একটি অংশ হল জিপিএফআই। তারই বৈঠক হচ্ছে কলকাতায়। অতীতে দেখা গিয়েছে একটি শহরেই জি-২০ বাষির্ক সম্মেলন হয়েছে। ভারত এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। অর্থমন্ত্রকের উপদেষ্টা চঞ্চল সরকারের কথায়, ‘দায়িত্ব পাওয়ার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, জি-২০ সম্মেলনের মতো এত বড় মাপের সম্মেলন যেন না শুধু মাত্র দিল্লির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। এটা ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের অন্য শহরেও। তাঁর নির্দেশ মেনেই ৪০টির বেশি শহরকে বেছে নেওয়া হয়েছে জি-২০ বৈঠকের জন্য।’ এবারের জি-২০ সম্মেলনের থিম হল, ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’। সেই মতো বিদেশি অতিথি অভ্যাগতদের সামনে ভারতের সংস্কৃতি, শিল্পকলা ও পর্যটনের সঙ্গে পরিচিতিও করানো হবে। তাই কলকাতা পর্বে আগত অতিথিদের জন্য রাজ্য সরকার গঙ্গাবক্ষে প্রমোদতরীতে সফর ও নৈশভোজের ব্যবস্থা করেছে। হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। পাশাপাশি ঐতিহাসিক পর্যটন স্থলগুলিও ঘুরিয়ে দেখানো হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • West Bengal Weather: শীতে জবুথবু রাজ্যবাসী, একাধিক জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সর্তকতা জারি

    West Bengal Weather: শীতে জবুথবু রাজ্যবাসী, একাধিক জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সর্তকতা জারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুর থেকেই রাজ্যে জাঁকিয়ে বসেছে শীত। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ, হাঁড়কাপুনি ঠান্ডা। শুক্রবারই কলকাতায় চলতি মরশুমের শীতলতম দিন ছিল। পাঁচ বছরের রেকর্ড ভেঙেছিল সেদিন। সেদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আজ খানিকটা উর্ধ্বগামী হল পারদ। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম।

    কলকাতার আবহাওয়া

    চলতি শীতের মরশুমে পরপর দু’দিন কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড পতন হয়েছে। শনিবার থেকে অবশ্য মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার তা সামান্য বেড়ে দাঁড়াল ১২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দু’তিনদিন ঠান্ডার এই আমেজ বজায় থাকবে কলকাতায়। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের চেয়ে তা ৩ ডিগ্রি কম। কলকাতার পাশাপাশি জেলায় জেলায় অব্যাহত পারদপতন। আবহবিদরা জানিয়েছেন, আগামী ৩ দিন তাপমাত্রার খুব একটা পরিবর্তন হবে না। কলকাতায় পারদও ১২ ডিগ্রির আশেপাশেই থাকবে।

    শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস

    রাজ্যের ৫ জেলায় শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে আগামী কয়েক দিন শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আরও কয়েকদিন থাকবে এই কনকনে ঠাণ্ডার দাপট। মঙ্গলবার পর্যন্ত আবহাওয়াতে কোনওরকম পরিবর্তন নেই। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে কুয়াশার দাপট থাকবে। এমনকি তাপমাত্রা ০.৫ বা ১ ডিগ্রি উপর-নীচ হতে পারে। সেই সঙ্গে রয়েছে শৈত্য প্রবাহের পূর্বাভাস। পাশাপাশি কয়েকটি জেলায় ঘন কুয়াশা থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুন: কলকাতা ১০.৯ ডিগ্রি! মরশুমের শীতলতম দিনে কাঁপুনি ধরাল হাড়ে

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গ থেকেও উত্তরবঙ্গে কুয়াশার দাপট বেশি। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে ৩ জেলায় শৈত্য প্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মালদহ, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপমাত্রা একধাক্কায় অনেকটা কমবে বলেও সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ ডিগ্রি কমে যাবে বলে জানা গিয়েছে। দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা ছিল ৭ ডিগ্রির আশেপাশে। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জও রয়েছে সাতেই। ফলে পারদপতনের নিরিখে উত্তরবঙ্গের পাহাড় ঘেরা এলাকাগুলিকেও জোর টক্কর দিচ্ছে সমতল এলাকাগুলিও।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে সোমবার সকালের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলার আবহাওয়াই শুকনো থাকবে। আগামী ২৪ ঘন্টায় সবকটি জেলারই কোথাও না কোথাও হাল্কা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। তবে পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় কুয়াশা তেমন থাকবে না। আগামী দুদিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রার তেমন কোনও পরিবর্তন না হলেও,পরের দুদিনে তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। তবে তাপমাত্রা বৃদ্ধির আগে কয়েক দিন কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা ৪ থেকে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত নামতে পারে।

  • Manik Bhattacharya: আরও একমাস জেল হেফাজতে মানিক, আদালতে আত্মসমর্পণ স্ত্রী-পুত্রের

    Manik Bhattacharya: আরও একমাস জেল হেফাজতে মানিক, আদালতে আত্মসমর্পণ স্ত্রী-পুত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের জামিন মঞ্জুর হল না ‘কিং পিন’ মানিক ভট্টাচার্যের। শনিবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতিকে আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে নগর দায়রা আদালত। এদিকে এদিনই এই মামলায় এল নয়া মোড়। আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করলেন মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্য এবং ছেলে সৌভিক ভট্টাচার্য। প্রসঙ্গত, আদালতের সমন পেয়ে এদিন ব্য়াঙ্কশাল কোর্টে হাজির হন মানিকের স্ত্রী শতরূপা ও ছেলে সৌভিক ভট্টাচার্য। এছাড়াও আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তাপস মণ্ডল।  

    শনিবার তাঁরা আদালতে জামিনের আর্জি জানান। মানিকের (Manik Bhattacharya) স্ত্রী ও পুত্রের জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। 

    মানিক-জায়া (Manik Bhattacharya) শতরূপার এক মৃত ব্যক্তির সঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে বলে দাবি করেছে ইডি। সেই অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৩ কোটি টাকা। এর আগে ইডি আদালতকে জানিয়েছিল, যে  মৃত ব্যক্তির সঙ্গে শতরূপার জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাঁর নাম মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী। ২০১৬ সালেই মারা গিয়েছেন ওই ব্যক্তি। আজও তাঁর নাম ওই অ্যাকাউন্ট থেকে সরানো হয়নি। ইডির অনুমানের এই অ্যাকাউন্টের সঞ্চয় পুরোটাই দুর্নীতি থেকে আসা টাকা থেকে। 

    প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত মানিকের ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) বিরুদ্ধে ইডির হাতে এসেছে একাধিক প্রমাণ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে মানিকই এই দুর্নীতির ‘কিং পিন’। মানিকের পুত্র সৌভিক ভট্টাচার্যের গতবিধিও আপাতত ইডি স্ক্যানারে। রাজ্যে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বেআইনি ভাবে টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে সৌভিকের বিরুদ্ধে। 

    আরও পড়ুন: কুয়েটের সঙ্গে জেইই এবং নীট সংযুক্তিকরণের পথে ইউজিসি? জানুন বিস্তারিত

    মানিকের (Manik Bhattacharya) প্রচুর বেআইনি সম্পত্তির হদিস পেয়েছে ইডি। তদন্ত যত এগিয়েছে, তত এই দুর্নীতিতে সৌভিকের যুক্ত থাকার প্রমাণও হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। সৌভিকের নামেও বিপুল সম্পত্তি রয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। রাজ্যের ৫৩০টি বেসরকারি বিএড এবং ডিএলএড কলেজের থেকে মানিক-পুত্রের সংস্থা এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে নিয়েছিল বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Calcutta High Court: বিচারপতি মান্থার এজলাস বয়কট, আইনজীবীদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হাইকোর্ট চত্বর

    Calcutta High Court: বিচারপতি মান্থার এজলাস বয়কট, আইনজীবীদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হাইকোর্ট চত্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজিরবিহীন ঘটনা বাংলায়! কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাস বয়কটের দাবি তুলে বিক্ষোভ করতে দেখা গেল আইনজীবীদের একাংশকে। আইনজীবীদের মধ্যে এই সংঘাত শেষপর্যন্ত হাতাহাতিতে পৌঁছল। কলকাতা হাইকোর্টের ১৩ নম্বর আদালত কক্ষ বন্ধ থাকা নিয়ে প্রতিবাদ জানান আইনজীবীদের একাংশ। তাঁরা জোর করে এজলাসে ঢুকতে গেলে বাধা দেন কিছু আইনজীবী। এর পর দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয়ে যায় ধস্তাধস্তি, হাতাহাতি। তৃণমূলের মহিলা আইনজীবীদের একাংশ এজলাসের গেট বন্ধ করে দেন। তুমুল হট্টগোলে বিচারপতি এজলাস ছেড়ে উঠে যান। এই বিক্ষোভ, ধস্তাধস্তি শুরু হলে কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে কাজ। এর পর ২ ঘণ্টা পর এজলাসে ফিরে আসেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা ও শুরু হয় বিচারের কাজ।

    হাইকোর্ট চত্বরে ধুন্ধুমার! 

    সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টা নাগাদ কলকাতা হাইকোর্টে  বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাস ঘিরে বয়কটের দাবি তোলে কিছু আইনজীবী। তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভে বসেন। সেই পরিস্থিতিতে নিজের এজলাস ছেড়ে উঠে যান প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবও। বন্ধ হয়ে যায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের শুনানি। প্রায় ১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে শুনানি বন্ধ থাকে বিচারপতি মান্থার এজলাসে। এরপর বিচারপতি মান্থা ফিরে আসলে কাজ শুরু হয়। হাইকোর্টের এই দৃশ্য ট্যুইটারে শেয়ার করেছেন, আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।

    বিচারপতির বাড়ির পাশেও বেনামি অভিযোগ-পোস্টার

    আবার তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের বাইরের দেওয়ালেও পোস্টার দেখা গিয়েছে। তাতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ছবি দিয়ে ইংরাজিতে লেখা – লজ্জা, বিচারব্যবস্থার নামে কলঙ্ক! কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন – কোথায় আসল বিচার মিলবে? তাঁর বাড়ির আশেপাশেও লাগানো হয়েছে পোস্টার। যোধপুর পার্ক এলাকায় বিচারপতির বাড়ি। পোস্টারে বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নামে বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হয়েছে, কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে, তার কোনও উল্লেখ নেই। তদন্তে নেমেছে লেক থানার পুলিশ।

    প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব কী বললেন?

    এরপর ১৩ নম্বর কোর্ট বয়কট নিয়ে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কেন্দ্রের অ্যাসিস্ট্যান্ট সলিসিটর জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য। এসব শুনে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব বলেন, “এটা উচিত নয়। সব তথ্য প্রমাণ নিয়ে আসুন। বারের সভাপতি ডেকে পাঠাচ্ছি। এই ঘটনা একেবারেই উচিত নয়। বিষয়টি আমরা দেখেছি।” এরপর প্রধান বিচারপতি বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে (AG) ডেকে পাঠান। তাঁদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চান তিনি। আদালতের ১৩-এর বাইরের সমস্ত সিসি ক্যামেরা ফুটেজ চাইলেন প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব। পরে একাধিক সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পাঠানোও হল তাঁর কাছে। ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তিনি। এই বিক্ষোভ এবং হাতাহাতির ঘটনার পর নিজের এজলাসে শুনানি বন্ধ করে জরুরি বৈঠকে বসেছেন তিনি। বৈঠকে রয়েছেন হাই কোর্টের অন্য বিচারপতিরাও। 

  • Suvendu Adhikari: এক হাজার কোটি টাকার পুরনো নোট বদলেছিলেন ‘ভাইপো’! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: এক হাজার কোটি টাকার পুরনো নোট বদলেছিলেন ‘ভাইপো’! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোট-বাতিলের সময়ে অন্তত এক হাজার কোটি টাকার পুরনো নোট ‘ভাইপো’ বদল করিয়েছেন বলে অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অতীতের মতো এ বারও সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করেননি তিনি, সামনে রেখেছেন ‘ভাইপো’কেই। খড়গপুরের ইন্দা এলাকায় রবিবার একটি স্বাস্থ্যমেলার অনুষ্ঠানে অভিষেককে লক্ষ্য করে এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু

    খড়্গপুরের অনুষ্ঠানে অনুব্রত মণ্ডলের জেলা বীরভূমে সমবায় ব্যাঙ্কের ভুয়ো অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে শুভেন্দুকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, ‘‘অনুব্রতের যদি একশো কোটির নোট বদল হয়ে থাকে, ভাইপোর এক হাজার কোটি টাকা তাঁর পি এ করিয়েছেন! কাকে কাকে এজেন্ট লাগিয়েছিলেন, তার তালিকা আমার কাছে আছে।’’ শুভেন্দুর আরও অভিযোগ, ‘‘পুরনো নোট বদল করেছে ভাইপো। আমি এক হাজার লোকের নাম দিয়ে দেব। পেট্রল পাম্পের মালিক, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন থানার আইসি-দের মাধ্যমে বস্তা বস্তা পাঁচশো-হাজার টাকার পুরনো নোট বদল করা হয়েছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলে দেব!’’ পরে পূর্ব বর্ধমানে একটি সভার পরেও প্রশ্নের জবাবে এ দিন শুভেন্দু ফের বলেছেন, ‘‘মোদিজি বেআইনি টাকা আটকানোর জন্য নোটবন্দি করেছিলেন। ভাইপো তাঁর পি এ এবং ক্যাডারদের মাধ্যমে টাকা বদল করিয়েছে।’’ 

    আরও পড়ুন: শীতে জবুথবু রাজ্যবাসী, একাধিক জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সর্তকতা জারি

    অভিযোগের আঙুল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের দিকেও

    খড়্গপুরের পর বর্ধমানের ষষ্ঠী পল্লীর মাঠে জনসভা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই সভায় তিনি বলেন,  গোটা পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতিগ্রস্ত নেতারা নোট বদল করেছেন। সিউড়ি কো অপারেটিভ ব্যাঙ্ক কাণ্ড তারই উদাহরণ। এই ঘটনায় বর্ধমানের এক যুবনেতার দিকেও ইঙ্গিত করেন তিনি। অভিযোগ তোলেন, বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী এবং প্রাক্তন বিধায়ক অর্ধেন্দু মাইতির দিকেও। শুভেন্দুর কথায়,‘‘এই বর্ধমানেও একজন বারের মালিক আছেন যিনি তৃণমূল পার্টির যুব নেতা। তার মাধ্যমেও এখানে টাকার বদল ঘটানো হয়েছে। এটা গোটা রাজ্য জুড়েই হয়েছে। আমি তো দু’টো নাম বলছি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রীর নামে ৪ কোটি টাকা পরিবর্তন করা হয়েছে বিধাননগরের ব্যাঙ্কে। প্রাক্তন বিধায়ক অর্ধেন্দু মাইতি তৃণমূলের নেতা, তিনি ১৫ কোটি টাকা মুগবেড়িয়া কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাঙ্কে বদল করেছেন। আমি তো নাম নিয়ে বলছি। আমার কাছে ডকুমেন্ট আছে। সব সময়মতো দেখিয়ে দেব।’’

  • Coal Mine: আসানসোলের কয়লা খাদানে ধস, ভেতরে কতজন আটকে জানেন?

    Coal Mine: আসানসোলের কয়লা খাদানে ধস, ভেতরে কতজন আটকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সাত সকালে ধস আসানসোলের (Asansol) কয়লা খাদানে (Coal Mine)। অন্তত ২৫ জন আটকে রয়েছে বলে আশঙ্কা। ঘটনাস্থলে পুলিশ, সিআইএসএফ (CISF)। রয়েছেন কোলিয়ারি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিও। অভিযোগ, খাদানে যাঁরা আটকে রয়েছেন, তাঁরা ভিন রাজ্যের শ্রমিক। তাঁদের দিয়েই চলছিল ওই খাদান থেকে কয়লা সরানোর কাজ।

    আচমকাই ধস…

    এদিন সকালে আচমকাই ধস নামে কুলটির বোডরা গ্রামে বিসিসিএলের বারো নম্বর হাজলা পিটের বিস্তীর্ণ অংশে। স্থানীয়দের দাবি, খাদানের নীচে চাপা পড়তে পারেন প্রায় ২৫জন। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে এলাকায় আসে পুলিশ। খাদানের ভিতরে ঠিক কতজন আটকে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভিন রাজ্যের শ্রমিক এনে খাদানে চলছিল কয়লা সরানোর কাজ। আচমকাই ধস নামে খাদানে। চাপা পড়ে যান খনির মধ্যে থাকা লোকজন। এ ব্যাপারে অবশ্য  মুখে কুলুপ এঁটেছেন বিসিসিএল কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুুন: প্রতিশোধের আগুন! ধর্ষণ করল ছেলে, বদলা নিতে মাকে গুলি করল দিল্লির এক কিশোরী

    ঘটনার জন্য প্রশাসনের উদাসীনতাকেই দায়ী করেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর লালন মেহরা। তিনি বলেন, এখানে অবৈধভাবে কয়লার কারবার চলছে। কাউকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ ও প্রশাসন মিলে সিন্ডিকেট করে এই অবৈধ কাজ (Coal Mine) করে। লালন বলেন, এখানে বেকারত্বের সমস্যা চূড়ান্ত। সামান্য ১০০ টাকার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কয়লা তোলার কাজ করেন অনেকেই। সেই সুযোগ নিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করেন অন্যরা।    

    আসানসোলের বিস্তীর্ণ অংশে উন্নত মানের কয়লা পাওয়া যায়। দেশ তো বটেই, বিদেশেও চাহিদা রয়েছে আসানসোলের ওই কয়লার। কোনও খনি থেকে কয়লা তোলা হয়ে গেলে খনি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সেখানে মানুষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। অভিযোগ, তার পরেও ভিন রাজ্যের শ্রমিক এনে নামানো হয় ওই পরিত্যক্ত খনিগুলিতে। সামান্য কিছু পয়সার বিনিময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই খনিগুলিতেই নামেন শ্রমিকরা। সেখান থেকে পাওয়া কয়লা বেচে ফুলে ফেঁপে ওঠে কারবারিরা। শ্রমিকরা থাকেন কয়লা মতোই নিকষ কালো অন্ধকারে। যেদিন খনিতে ধস নামে, সেদিন দুশ্চিন্তার প্রহর গোণে দিন আনি দিন খাই শ্রমিকদের পরিবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামে একটা বড় অংশ যাঁরা হিন্দু, তাঁদের ভোটে আমি জিতেছি, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রামে একটা বড় অংশ যাঁরা হিন্দু, তাঁদের ভোটে আমি জিতেছি, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে (Nandigram) একটা বড় অংশ যাঁরা হিন্দু (Hindu), তাঁরা ভোট দিয়েছেন বলে আমি জিতেছি। শনিবার নন্দীগ্রাম দিবসে একথা বলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের জন্যই যে রাজ্যে পালাবদল হয়, এদিন পরোক্ষে তাও জানিয়ে দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তিনি বলেন, উনি দিদি থেকে দিদিমা হয়ে যেতেন, যদি নন্দীগ্রাম না থাকত। এর পরেই শুভেন্দু বলেন, এদের (তৃণমূল) থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল সিপিএম। অনেক বেশি ক্ষমতা ছিল বামফ্রন্ট সরকারের। শুভেন্দু বলেন, বামপন্থীরা সবাই খারাপ নন। আমাদের সঙ্গে প্রচুর বামপন্থী এসেছেন। নন্দীগ্রামে একটা বড় অংশ যাঁরা হিন্দু, তাঁরা ভোট দিয়েছেন বলে আমি জিতেছি। আমি তা অকপটে স্বীকার করি।

    নন্দীগ্রাম…

    দীর্ঘ দিন নন্দীগ্রামের রাশ ছিল সিপিআইয়ের হাতে। পালাবদল হয় ২০১১ সালে। সেবার জিতেছিল তৃণমূল। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে প্রার্থী হন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari) হারাতে লড়াইয়ের ময়দানে অবতীর্ণ হন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। এই কেন্দ্রে বাম-কংগ্রেস জোটের প্রার্থী হন সিপিএমের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ১৯৫৬ ভোটে নন্দীগ্রামে জয়ী হন শুভেন্দু। এর পর গণনা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতের শরণাপন্ন হন পরাজিত মমতা। এই ভোটের প্রচারে গিয়ে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য বামপন্থীদের আবেদন করেছিলেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য ছিল, তৃণমূল জয়লাভ করলে কোনও বিরোধী শক্তিকেই মাথা তুলতে দেবে না। তাই গণতন্ত্রের স্বার্থে বিজেপিকে ভোট দিন বামেরা। শনিবার নন্দীগ্রাম দিবসে বামেদের ধন্যবাদ জানালেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপি ছাড়ুন, নাহলে…’, লস্কর-ই-খালসার হুমকি আরএসএস এবং সেনাকেও

    প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে ফি বছর ৭ জানুয়ারি দিনটি পালিত হয়ে আসছে নন্দীগ্রাম দিবস হিসেবে। সেই উপলক্ষে এদিন সকালে নন্দীগ্রামে যান তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। পরে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন বিজেপির শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, যাঁদের দেখছেন, তাঁরা হালি নেতা। তাঁদের সঙ্গে আন্দোলনের কোনও সম্পর্কই নেই। ওরা পতাকা টাঙিয়েছে। নীচে ওই শহিদ বেদিটা আমার বানানো। সরকারি জায়গায়, কিন্তু বেদিটা সরকারি টাকায় তৈরি নয়। শুভেন্দু বলেন, ইট-সিমেন্ট-বালি সব আমার দেওয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • West Bengal Weather: পৌষ সংক্রান্তিতে পারদ হবে ঊর্ধ্বমুখী! শীত কি তবে বিদায়ের পথে?

    West Bengal Weather: পৌষ সংক্রান্তিতে পারদ হবে ঊর্ধ্বমুখী! শীত কি তবে বিদায়ের পথে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই হাড়কাঁপুনি ঠান্ডায় কেঁপেছে গোটা বাংলা। কিন্তু আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন পর থেকেই আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, মকর সংক্রান্তির দিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির উপরে থাকবে। মঙ্গলবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি কম। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় আগামী কয়েক দিনে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে।

    কলকাতার আবহাওয়া

    আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও আকাশ সাধারণভাবে পরিষ্কার থাকবে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ও ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। ১৫ জানুয়ারি নাগাদ কলকাতায় ন্যূনতম তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠে যেতে পারে।

    পৌষে শীত কি বিদায়ের পথে?

    ডিসেম্বরে তেমন শীতের আমেজ অনুভব করতে পারেনি শহরবাসী। তবে নতুন বছরের শুরুর থেকেই শীতের দাপট দেখা গিয়েছে। গোটা বাংলায় ছিল হাড়কাঁপানো ঠান্ডা। কিন্তু এই শীতও এখন বিদায়ের পথে, এমনটাই পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। আবহবিদরা জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে তাপমাত্রা ফের বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে দুর্বল হয়ে এসেছে উত্তুরে হাওয়া। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ বাতাস রাজ্যে প্রবেশ করছে। সেই কারণেই আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা বাড়তে পারে কয়েক ডিগ্রি। দু’টি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই আগামী ৪৮ ঘণ্টা পার হয়ে গেলে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হবে। তবে শীতের আমেজ বজায় থাকবে।

    উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঘন কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশা থাকবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা। এছাড়াও দুই দিনাজপুর এবং মালদাতে ঘন কুয়াশা থাকবে। দিনের বেলাতেও ভালো ঠান্ডা থাকবে এই জেলাগুলিতে। এই মুহূর্তে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই উত্তরবঙ্গে। তবে জোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে আগামী ৪৮ ঘণ্টার পর থেকে তুলনামূলক ভাবে তাপমাত্রা বাড়তে পারে উত্তরবঙ্গেও।

    ১২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে। আগামী ২৪ ঘন্টায় রাতের তাপমাত্রার তেমন বড় কোনও পরিবর্তন হবে না। তবে তার পরের তিন দিনে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের।

  • Mid Day Meal: মিড ডে মিলের খাবারে সাপ! স্কুলেই অসুস্থ একাধিক পড়ুয়া

    Mid Day Meal: মিড ডে মিলের খাবারে সাপ! স্কুলেই অসুস্থ একাধিক পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) খাবারে মিলল সাপ। বীরভূমের স্কুলের ঘটনায় শোরগোল পড়েছে গোটা এলাকায়। অভিযোগ, সেই খাবার খাওয়ার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়ে স্কুলের চার পড়ুয়া। স্কুলেই বমি করতে শুরু করে তারা।

    বীরভূম জেলার ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের প্রাথমিক স্কুলে মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) ডালের বালতিতে পড়েছিল ছোট একটি সাপ। অভিযোগ, সাপ-সমেতই রান্না করা হয় ডালটি। ঘটনা সামনে আসতেই চরম উত্তেজনা ছড়ায়। ওই রান্না খাওয়ার পরই চার পড়ুয়া স্কুলেই বমি করে বলে অভিযোগ। প্রায় ১৫ জন পড়ুয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: সুপ্রিমকোর্টে জোর ধাক্কা খেল রাজ্য, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা ফিরল হাইকোর্টে

    এদিকে সোমবার সকালে ময়ূরেশ্বর ২ ব্লকের দাসপলতা মণ্ডলপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ঘটনায় (Mid Day Meal) বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। এরপর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আপাতত নিরাপত্তার খাতিরে প্রধান শিক্ষককে স্কুলের ঘরে রেখেছে পুলিশ। রাঁধুনীকে নিরাপত্তা দিয়েছে গ্রামের বাসিন্দারাই।  

    কী ঘটেছে?

    প্রতিদিনের মতো এদিনও ৩৬ জন স্কুল পড়ুয়ার জন্যে রান্না করেন চামেলি বাগদি। শুরুতে ১৪ জন পড়ুয়া খেতে বসেন। তাদের মধ্যে চারজন খাওয়া শুরুও করে দেন। বাকিরাও খাওয়া শুরু করবেন এমন সময় রাঁধুনি বালতি থেকে ডাল (Mid Day Meal) নিতে গিয়ে দেখেন নিচের দিকে কিছু একটা পড়ে রয়েছে। হাতা দিয়ে তুলতেই দেখা যায় সেটি একটি আস্ত সাপ। চিতি সাপ। সঙ্গে সঙ্গে খাবার দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, দুই শিক্ষক ১৪ জন পড়ুয়াকে নিয়ে প্রথমে বাসুদেবপুর হাসপাতালে পরে বেসরকারি হাসপাতালে যান। সেখানে পড়ুয়াদের পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্য়ে চার ছাত্র বমি করছিল।     

    এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই (Mid Day Meal) স্কুলে ছুটে আসেন অভিভাবকসহ অন্যান্য গ্রামবাসীরা। তারা স্কুল ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। প্রধান শিক্ষকের গাড়িও ভাংচুর করা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kanthi: কাঁথি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসকে তলব সিবিআইয়ের! কী জানতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা?

    Kanthi: কাঁথি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসকে তলব সিবিআইয়ের! কী জানতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার উল্টো হাওয়া বইতে শুরু করল কাঁথি পুরসভার টেন্ডার দুর্নীতি মামলায়। কাঁথি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসকে তলব করল সিবিআই। তাঁকে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তবে ঠিক কী কারণে তাঁকে তলব করা হয়েছে, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, কাঁথি পুরসভার ঠিকাদার রামচন্দ্র পান্ডার বয়ানের ভিত্তিতেই অমলেন্দু বিশ্বাসকে ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই।

    মিথ্যা অভিযোগ

    রামচন্দ্রবাবু রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। বিজেপি নেতাকে ফাঁসানোর জন্য পুলিশ রাম পান্ডাকে গ্রেফতার করে জোর জবরদস্তি মিথ্যে বয়ান লিপিবদ্ধ করতে চেয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে জামিন পান ওই ঠিকাদার। পরে তিনি সাংবাদিকদের সামনে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন পুলিশের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, ‘শুভেন্দু অধিকারীর নাম বলার জন্য আমার উপর প্রবল চাপি তৈরি করা হয়। কলকাতা থেকে অফিসাররা এসে টেবিলের উপর রিভলবার রেখে জেরা করেন। বলা হয়, আমি যদি শুভেন্দুবাবুর নাম না বলি তাহলে তিন বছর জেলে ভরে রেখে দেবে।’ এখানেই থামেননি কাঁথির ঠিকাদার রামচন্দ্র পাণ্ডা। তিনি বলেছেন, ‘জেলের ভিতরে আমাকে জল দেওয়া হয়নি। ভয় দেখানো হয়েছিল আমার স্ত্রীকে গ্রেফতার করার। ওরা আগে থেকে একটা বয়ান লিখে এনেছিল। সেখানে জোর করে সই করাতে চাইছিল আমাকে। কিন্তু আমি কোনওভাবেই রাজি হইনি।’ এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। তাই মনে করা হচ্ছে, রাম পান্ডার অভিযোগের ভিত্তিতেই কাঁথি থানার আইসিকে তলব করেছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: আরও একমাস জেল হেফাজতে মানিক, আদালতে আত্মসমর্পণ স্ত্রী-পুত্রের

    কে এই অমলেন্দু

    এর আগে, ২০২০ সালে মালদার ইংরেজবাজার থানার আইসি থাকাকালীন ঘুষ নিয়ে বাংলাদেশিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে ক্লোজ করা হয়েছিল এই অমলেন্দু বিশ্বাসকে। ঘটনায় প্রকাশ, মালদা শহরের নেতাজি সুভাস রোড সংলগ্ন একটি ট্রাস্ট বোর্ডের মালিকানায় এক বাংলাদেশির নাম জড়িয়ে পড়ে। সেই ব্যক্তির কাছ থেকে ভারতীয় নাগরিকত্বের পরিচয়পত্রও উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একই সঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশের ভোটার কার্ড ও অন্যান্য নথি উদ্ধার হয় ওই বাংলাদেশির কাছ থেকে। এমনকী ট্রাস্টের মালিকানাও না কি ছিল ওই ব্যক্তির নামেই। অভিযোগ, ট্রাস্টের অধীনস্থ জমি বিক্রি করে ভারতীয় টাকা সে বাংলাদেশেও নিয়ে গিয়েছিল। ওই ঘটনায় ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। কিছুদিন পুলিশি হেফাজতে থাকার পরেই জামিনে ছাড়া পেয়ে যায় ওই ব্যক্তি। ঘটনায় পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। তদন্তে জানা যায়, ওই বাংলাদেশির কাছ থেকে মোটা টাকা (সূত্রের খবর ১ কোটি ৩০ লক্ষ) ঘুষ নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ঘটনায় নাম জড়ায় থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসেরও। যার জেরে কর্তব্যে গাফিলতির কারণে অমলেন্দুকে সেই সময় ক্লোজ করা হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share