Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • SSC Scam: এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডের সঙ্গে গরুপাচারের যোগ? এবার প্রসন্নর স্ত্রী-ভাইকে তলব সিবিআইয়ের

    SSC Scam: এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডের সঙ্গে গরুপাচারের যোগ? এবার প্রসন্নর স্ত্রী-ভাইকে তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দুর্নীতি নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এর মাঝে সামনে এল আরও এক বিস্ফোরক তথ্য। এসএসসি দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রসন্ন রায়ের (Prasanna Roy) ভাই ও স্ত্রীকে গরুপাচার (Cattle Smuggling Case) মামলায় তলব করল সিবিআই। আগামী সপ্তাহে প্রসন্নর ভাই ও স্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি। আর এতেই দুয়ে দুয়ে চার করে ফেলেছেন অনেকেই। অনেকেই মনে করছেন, এসএসি দুর্নীতি ও গরু পাচারের নিবিড় যোগ রয়েছে। 

    সিবিআই জানিয়েছে, প্রসন্নকে গ্রেফতার করার পর বেশ কিছু শেল কোম্পানির হদিশ মিলেছে। যেগুলির অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এসএসসির টাকা এদিক-ওদিক হয়েছে। আবার গরু পাচার মামলাতেও এমন বেশ কিছু শেল কোম্পানি সিবিআই- এর নজরে এসেছে। দেখা যাচ্ছে, একাধিক শেল কোম্পানির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন প্রসন্নর স্ত্রী ও ভাই। সিবিআই গোয়েন্দাদের অনুমান, প্রসন্নর কাজটাই ছিল প্রভাবশালীদের টাকা শেল কোম্পানির মাধ্যমে ঘুরিয়ে এদিক ওদিক করা। গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতি সব টাকাই প্রসন্নগর পরিবারের ঘাতে কোনও না কোনও সময় এসেছে।   

    আরও পড়ুন : শিক্ষক বদলিতে রয়েছে মানিকের হাত, সম্পত্তি নিয়েও ভুল তথ্য পেশ, বিস্ফোরক দাবি ইডির 

    প্রসন্নকে ২ মাস আগে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার করা হয়েছে চাকরি বিক্রির দালাল প্রসন্ন রায় ও তার সহযোগী প্রদীপ সিং- কে। একদা রঙের ছোট ঠিকাদার প্রসন্ন যে ভাবে গত সাত-আট বছরে ধন কুবের হয়ে উঠেছে তাতে অবাক হয়েছেন অনেকেই। নিউটাউন সল্টলেকে একাধিক সম্পত্তি, লাটাগুড়িতে রিসর্ট। প্রসন্ন হঠাতই রাজা হয়ে উঠেছিলেন। এসএসসি দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া প্রসন্নর ভাই ও স্ত্রীকে এবার গরু পাচার মামলায় ডাকল সিবিআই।   

    গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, বিধাননগরে একটি ছোট্ট অফিস থেকে গাড়ি ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা করতেন প্রসন্ন। সেই অফিসেই চাকরিও বিক্রি করা হত। উত্তর ২৪ পরগনার প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও টাকা আদায়ের দায়িত্ব ছিল প্রসন্নর ওপর। নিজের অফিসে বসেই ভুয়ো প্রার্থীদের তালিকা বানাত সে। তার পর তা প্রদীপ সিংয়ের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিত শান্তিপ্রসাদ সিনহার কাছে। মূলত প্রদীপকে সামনে রেখেই নথিপত্র এবং টাকার লেনদেন করত প্রসন্ন। এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডের যাবতীয় মেল প্রসন্নর সল্টলেকের কার রেন্টাল অফিসের কম্পিউটার থেকে করা হত। এমনটাই জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Naihati: নৈহাটি স্টেশনে উদ্ধার ৬০ লক্ষ টাকা, যুবক গ্রেফতার, সঙ্গে ছেঁড়া নোট কেন?

    Naihati: নৈহাটি স্টেশনে উদ্ধার ৬০ লক্ষ টাকা, যুবক গ্রেফতার, সঙ্গে ছেঁড়া নোট কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ফের মিলল বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা (Cash Recovery)। উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি (Naihati) রেল স্টেশনে এক যুবকের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে নগদ ৬০ লক্ষ টাকা। তার সঙ্গে মিলেছে একটি ছেঁড়া ১০ টাকার নোট। ওই বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে যুবকটি কোথায় যাচ্ছিল, তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি সে।টাকার উৎস সন্ধানে ওই যুবককে জেরা করছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে ওই যুবককে।

    সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দুপুরে নৈহাটি (Naihati) রেল স্টেশনে রুটিন তল্লাশি চালাচ্ছিল জিআরপি থানার পুলিশ। ওই সময় আপ কল্যাণী লোকাল থেকে ব্যাগ হাতে নামে দেখা যায় এক যুবককে। ব্যাগে তল্লাশি চালাতেই সন্ধান মেলে রাশি রাশি টাকার। রেল পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে আসেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। নিয়ে আসা হয় টাকা গোণার মেশিন। দেখা যায়, ওই যুবকের ব্যাগে রয়েছে ৬০ লক্ষ টাকা। ১০ টাকার একটি ছেঁড়া নোটও ছিল ওই যুবকের সঙ্গে। ওই যুবকের নাম অভিষেক সোনকর।বছর চব্বিশের অভিষেকের দাবি, তার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার টিটাগড়ে। তবে বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে সে কোথায় যাচ্ছিল, তার কোনও যথাযথ উত্তর সে দিতে পারেনি। পুলিশের অনুমান, লেনদেনের সংকেতের জন্য ওই ছেঁড়া দশ টাকার নোট ব্যবহার করা হচ্ছিল। সম্ভবত, যাকে টাকা দেওয়ার কথা ছিল তার কাছে ওই ১০ টাকার নোটের বাকি অংশটি রয়েছে। এদিন রাতে জেরা করা হলেও ওই যুবক মুখ খোলেনি। সে সত্যিই টিটাগড়ের বাসিন্দা কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন : পার্থ-অর্পিতার ১০৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! এসএসসি মামলায় চার্জশিট পেশ ইডি-র

    দিন কয়েক আগেও একবার বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছিল। হাওড়া (Howrah) স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্সের চার ও পাঁচ নম্বর গেটের কাছে দুই যুবককে কালো ব্যাগ নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে দেখে সন্দেহ হয় কর্তব্যরত আরপিএফ জওয়ানদের। ব্যাগ পরীক্ষা করতেই বেরিয়ে আসে নগদ ৩৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এরই কিছু দিন আগে হাওড়া স্টেশনেই রাজকুমার সোনি নামে এক ব্যক্তির ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয়েছিল ৩৫ লক্ষ টাকা। তার আগে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের টালিগঞ্জের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। উদ্ধার হয়েছিল কোটি কোটি টাকা। তার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে হানা দিয়েও কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • SSC Scam: সুবীরেশের কথাতেই চাকরিপ্রার্থীদের নম্বর বদল! ফের জেল হেফাজত এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যানের

    SSC Scam: সুবীরেশের কথাতেই চাকরিপ্রার্থীদের নম্বর বদল! ফের জেল হেফাজত এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) ধৃত উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য সুবীরেশ ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে আরও এক অভিযোগ উঠে আসল। এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্যের কথাতেই চাকরিপ্রার্থীদের মার্কশিটের নম্বর বদল করা হয়েছে, সোমবার এই অভিযোগ তোলা হয়েছে সিবিআই-এর তরফে।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে ভার্চুয়ালি আলিপুর আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। গতকাল মেয়াদ শেষে আলিপুর আদালতে ভার্চুয়ালি শুনানি হয়। সেখানেই এই অভিযোগ তোলেন সিবিআই-এর আইনজীবী। শুধু তাই নয়, অভিযোগের পাশাপাশি তাঁর হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদনও করছিলেন তিনি। অন্যদিকে সুবীরেশের জামিনের জন্য আবেদন করা হয়েছিল আদালতে। কিন্তু তাঁর জামিনের আর্জি খারিজ করা হয় ও তাঁকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আলিপুরের আদালতের বিচারক।

    আদালত সূত্রে খবর, সুবীরেশ ভট্টাচার্যের আইনজীবী তমাল মুখোপাধ্যায়ের তরফে সুবীরেশের জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। মূলত তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কথাকেই তুলে ধরেন তাঁর আইনজীবী। বলা হয়, সুবীরেশের ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, সুবীরেশ জেলের খাবার খেতে পারছেন না- এ সব দিক বিচার করে তাঁকে জামিন দেওয়া হোক। একইসঙ্গে তাঁর আইনজীবী বলেন, জেলের খাবার খেতে না পারায় তাঁকে ডায়েট চার্ট মেনে খাবার দেওয়া হোক।

    আরও পড়ুন: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নন সোনালি চক্রবর্তী! তাঁর অপসারণেই মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট

    অন্যদিকে, সিবিআই-এর আইনজীবী এই শুনানি চলাকালীন অভিযোগ করেন যে, এসএসসি পরীক্ষায় চাকরীপ্রার্থীদের মার্কশিটের নম্বর তাঁর নির্দেশেই পরিবর্তন করা হয়েছে। ফলে এই ঘটনার পেছনে তিনিই মূল ষড়যন্ত্রকারী। বিভিন্ন ‘ডকুমেন্ট’ পরীক্ষা করাও বাকি আছে। তাই এই পর্যায়ে জামিন সম্ভব না বলে জানিয়েছেন সিবিআই।

    এছাড়াও সিবিআইয়ের আইনজীবী সাফ দাবি করেছেন, এই এসএসসি কেলেঙ্কারির ব্যাপারে পুরোপুরি জানতেন সুবীরেশ ভট্টাচার্য। তাঁর কথাতেই সবকিছু করা হত। ফলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী সুবীরেশের জামিনের বিরোধিতা করে সুবীরেশের জেল হেফাজত বাড়ানোর আবেদন করেছেন। কারণ তাঁদের মতে, সুবীরেশ বৃহত্তর ষড়যন্ত্রকারী। তিনি প্রভাবশালী। জামিনের আবেদন খারিজ করে জেল হেফাজতে পাঠানো হোক তাঁকে। বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা বাকি আছে। তাই এই পর্যায়ে জামিন সম্ভব না। এরপর দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর কেস ডায়েরি খতিয়ে দেখেন বিচারক ও সিদ্ধান্ত নেন যে, এখনই জামিন দেওয়া হবে না এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে। তাই আগামী ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন আলিপুর আদালতের বিচারক আমান সিংহাল।

    প্রসঙ্গত, গত ১৯ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার হন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য সুবীরেশ ভট্টাচার্য (Subirtesh Bhattacharya)। ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮-র মাঝামাঝি পর্যন্ত তিনি স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন।

  • SSC Scam: মঙ্গলবার ভোর রাতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য! টেট দুর্নীতির তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ ইডির

    SSC Scam: মঙ্গলবার ভোর রাতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য! টেট দুর্নীতির তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  টেট দুর্নীতি মামলায় (TET Scam) রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পর মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) গ্রেফতার করল ইডি। আজ, মঙ্গলবারই আদালতে পেশ করার কথা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতিকে। পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে বয়ানে অসঙ্গতি ও তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছে ইডি।

    আরও পড়ুন: একদিনের সুপ্রিম ‘রক্ষাকবচ’ মানিক ভট্টাচার্যের,কাল কি হবে?

    টেট দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam) মানিকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।  নিয়োগের ক্ষেত্রে যে বিপুল পরিমাণ টাকার লেনদেন হয়েছিল, তার যাবতীয় তথ্য  প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতির কাছে রয়েছে বলে দাবি ইডি আধিকারিকদের। মানিককে আগে বারবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল।  নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডির আধিকারিকরা। সেই সময় বাজেয়াপ্ত নথি পরীক্ষা করার জন্যই মানিক ভট্টাচার্যকে তলব করা হয়। ইডি চায় দ্রুত নিয়োগ দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে। পাশাপাশি কিভাবে আর কোন পথে নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে। যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর পেতেই ইডি তলব করেছিল মানিক ভট্টাচার্যকে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান। এবার তা খাটল না। ইডি কর্তাদের দাবি, সুপ্রিম কোর্ট সিবিআই মামলায় মানিককে রক্ষাকবচ দিয়েছে। ইডি-র গ্রেফতারির ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই।

    আরও পড়ুন: ‘মানিক ইজ টেকিং মানি…’, অভিযোগ পেয়েও চেপে গিয়েছিলেন পার্থ! দাবি ইডির

    সোমবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মানিককে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। গতকাল দুপুরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। ইডি সূত্রে খবর, বয়ানে অসঙ্গতি ও সহযোগিতা না করার অভিযোগেই মঙ্গলবার ভোররাতে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি হিসাবে নিজের ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে চাকরি পাইয়ে দেওয়া, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগসাজশ, তাঁকে সুপারিশ পাঠানোর কাজ মানিক করতেন বলে অভিযোগ। ইডির দাবি, ঘুষের টাকা নিয়ে তা পার্থ-অর্পিতার কাছে পাঠাতেন মানিক। বার্ক কমিটির রিপোর্টেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানিক ভট্টাচার্যের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 
     

  • Amit Malviya: গোষ্ঠী হিংসা এখন রাজ্যে খুবই স্বাভাবিক ঘটনা! মোমিনপুর-কাণ্ডে মমতার সরকারকে দুষলেন অমিত মালব্য

    Amit Malviya: গোষ্ঠী হিংসা এখন রাজ্যে খুবই স্বাভাবিক ঘটনা! মোমিনপুর-কাণ্ডে মমতার সরকারকে দুষলেন অমিত মালব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুর কাণ্ডে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র  আক্রমণ করলেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তিনি বলেন, ‘ইতিহাস থেকে যাঁরা শিক্ষা নেয়নি তারাই এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে।’ উল্লেখ্য, রবিবার লক্ষ্মীপুজোর দিন দক্ষিণ কলকাতার ইকবালপুর থানার অন্তর্গত মোমিনপুরে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এই ঘটনায় আহত হন অনেকে। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বহু দোকানপাট, বাইক। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ ঠুটো জগন্নাথের মতো দাঁড়িয়েছিল। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিলে এত ক্ষয়ক্ষতি হত না।

    ইতিমধ্যেই মোমিনপুর কাণ্ডে রাজ্য বিজেপি নিতেরা সরব হয়েছেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকরারী থেকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে ট্যুইট করেছেন। মোমিনপুর কাণ্ডের ভয়বহাতার আরও ছবি ফুটে উঠেছে অমিত মালব্যের ট্যুইটে। তিনি লিখেছেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামানায় শুধু সাধারণ মানুষ নয়, পুলিশও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তার জ্বলন্ত উদাহরণ মোমিনপুর কাণ্ড। বিশেষ একটি সম্প্রদায় ইকবালপুর থানায় বিক্ষোভের নামে রীতিমতো লুঠতরাজ চালায়। টেবিলের নীচে লুকিয়ে প্রাণ বাঁচানোর ঘটনা বাংলায় নতুন নয়। এক্ষেত্রে পুলিশ অসহায়তার ছবি ফুটে উঠেছে। ইকবালপুর থানায় যেভাবে ভাঙচুর, লুঠের ঘটনা ঘটেছে, তা গণতন্ত্রের কালো দিন। পুলিশমন্ত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না।’

    ১৯৪৬ সালের নোয়াখালি হিংসার কথা উল্লেখ করে মালব্য বলেন, “যারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না তারা এর পুনরাবৃত্তি করতে পারে।” অতীতে কোজাগরী পূর্ণিমার রাতেই নোয়াখালিতে গোষ্ঠী সংঘর্ষের সাক্ষী থেকেছে বাংলা। এবার সেই একই ঘটনা ঘটল কলকাতায়। মালব্যের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে রাজ্যে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা খুবই সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে। রাজ্য বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, এই ঘটনায় পুলিশ শুধু নিষ্ক্রিয় ছিল না, ঘটনা ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কীভাবে গণ্ডগোল লাগল, কারা এর পিছনে রয়েছে, সব তথ্য প্রকাশ্যে আনা উচিত।’

  • Anubrata Mondal: আরও বিপাকে অনুব্রত! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই, কী রায় দেবে আদালত?

    Anubrata Mondal: আরও বিপাকে অনুব্রত! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই, কী রায় দেবে আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো কেটেছে জেলে। কালীপুজোর আগে আরও বিপাকে পড়তে চলেছেন বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় (Post Poll Violence Case) তাঁকে হেফাজতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আবেদন জানাল সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি, আবেদন হাইকোর্টে

    গরু পাচার কাণ্ডে গরাদেই রয়েছেন কেষ্ট।  ৫৭ দিনের মাথায় গরু-পাচার মামলায় চার্জশিটও জমা দেয় সিবিআই অফিসাররা। সেখানে উঠে এসেছে অনুব্রতর একাধিক সম্পত্তি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, জমিজমা ইত্যাদির কথা। আদালতের নির্দেশে একদা বীরভূমে তৃণমূলের বেতাজ বাদশা অনুব্রতের ঠিকানা এখন আসানসোল জেল। এবার আরও চাপে তিনি। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে  ইলামবাজারের খুনের তদন্তে নেমে সিবিআই অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একাধিক বার তলব করে। কিন্তু  তখন অসুস্থতার অজুহাতে হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের থেকে রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন অনুব্রত। সেই সময় নিজের শারীরিক অবস্থা ভাল নয় বলে হাইকোর্টে আবেদন জানান তিনি। হাইকোর্টের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হয়, এখনই এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

    আরও পড়ুন: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    সিবিআই সূত্রের খবর, সোমবার সকাল ১০টায় বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও সুধাংশু ধূলিয়ানের বেঞ্চে শুনানি রয়েছে এই মামলার। এই মামলায় বেশ কিছু নতুন তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা। তাদের বক্তব্য, অনুব্রতকে যে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে তার জেরে তিনি আগাম জামিন পেতে পারেন। এই রক্ষাকবচের ফলে তদন্ত থমকে গেছে। তাই শীর্ষ আদালতে যাওয়ার কথা ভাবা হয়েছে।  ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন (এসএলপি) করে সিবিআই। তাঁদের যুক্তি, অনুব্রতের রক্ষাকবচ আগাম জামিনের অনুরূপ। এর ফলে তদন্ত থমকে যেতে পারে। তদন্তে সহযোগিতা না-ও করতে পারেন অনুব্রত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Manik Bhattacharya: শিক্ষক বদলিতে রয়েছে মানিকের হাত, সম্পত্তি নিয়েও ভুল তথ্য পেশ, বিস্ফোরক দাবি ইডির

    Manik Bhattacharya: শিক্ষক বদলিতে রয়েছে মানিকের হাত, সম্পত্তি নিয়েও ভুল তথ্য পেশ, বিস্ফোরক দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) বিরুদ্ধে ফের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসল। ইডির দাবি, শিক্ষক বদলিতেও রয়েছে মানিকের হাত। টাকার বিনিময়ে পছন্দের স্কুলে শিক্ষক বদলি হয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের হাত ধরেই। এর পাশাপাশি আরও জানা গিয়েছে যে, নিজের সম্পত্তি নিয়েও ভুল তথ্য দিয়েছিলেন মানিক ভট্টাচার্য, এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছে ইডি।

    নিজের সম্পত্তি নিয়ে ভুল তথ্য দিয়েছিলেন মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya) এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য এবার পেশ করল ইডি। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের সময় তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে যে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন তা সম্পূর্ণ ভুল। অর্থাৎ নদিয়ার পলাশিপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে যখন তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন তখন তিনি কমিশনকে যে সম্পত্তি সংক্রান্ত যে তথ্য দিয়েছিলেন তা ভুল বলে মনে করে ইডি। এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সামনে এই তথ্য এসেছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মানিক ভট্টাচার্য তাঁর স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি- সব মিলিয়ে সম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি টাকার কিছু বেশি ছিল বলে জানিয়েছিলেন হলফনামায়। কিন্তু একটি সংবাদ সংস্থাকে ইডির এক আধিকারিক বলেন, “তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই পরিস্কার হচ্ছে যে মানিক ভট্টাচার্য তাঁর হলফনামায় সম্পত্তির পরিমাণ কমিয়ে দেখিয়েছেন। তাঁর সম্পত্তি অনেক বেশি।”

    অন্যদিকে আরও জানা গিয়েছে, মানিকের (Manik Bhattacharya)বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির নথি থেকেই মিলেছে শিক্ষক বদলির সুপারিশ, যা মানিক ভট্টাচার্যের নামে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। আর এই শিক্ষক বদলিতে মাথাপিছু আর্থিক লেনদেন হয়েছে পাঁচ থেকে সাত লক্ষ টাকা। কিন্তু সেই সেই টাকা এখন কোথায়? তারই তদন্ত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে মমতার নাম ইডির নথিতে, সব জানতেন মুখ্যমন্ত্রী

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে টাকার বদলে চাকরি দেওয়ার অভিযোগে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত করতে গিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya)। এছাড়াও কয়েকদিন আগেই তাঁর ছেলের সংস্থার সঙ্গেও মানিকের যোগসূত্র রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছিল, মানিক পুত্র শৌভিকের কনসালটেন্সি কোম্পানি হলেও এটি পশ্চিমবঙ্গের ৫৩০টি বেসরকারি বিএড এবং ডি.এল.ইডি (D. El. Ed) কলেজ থেকে পরামর্শ দেওয়ার নামে ৫০ হাজার টাকা করে নিয়েছে এই সংস্থা। ফলে ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের এপ্রিল মাস তথা ৭ মাসের মধ্যে ওই সংস্থা এইভাবে মোট তুলেছে ২ কোটি ৬৪ হাজার টাকা। এই টাকার কথাও তিনি তাঁর সম্পত্তির পরিমাণে উল্লেখ করেননি। এছাড়াও তদন্ত করতে গিয়ে দুর্নীতি সংক্রান্ত তথ্য সামনে এসেছে হোয়াটসঅ্যাপ ও টেক্সট মেসেজে। এবং এই অভিযোগগুলির পাশাপাশি এবার যুক্ত হল টাকার বিনিময়ে শিক্ষক বদলির অভিযোগও।

    ইডি সূত্রে খবর, যে সমস্ত নথি সামনে এসেছে তাতে বদলি সংক্রান্ত সুপারিশ মিলেছে। এগুলোতে কয়েকজন শিক্ষকের নাম পাওয়া গিয়েছে, যারা পছন্দের স্কুলে বা বাড়ির কাছে স্কুলে বদলির জন্য আবেদন করেছে ও তাদের জন্য সুপারিশ এসেছে মানিকের (Manik Bhattacharya) কাছে। এই শিক্ষকদের পছন্দ মত স্কুলে ট্রান্সফার করানোর জন্য মাথাপিছু নিত ৬-৭ লক্ষ টাকাও। তবে কে এই সুপারিশ করত, কে নির্দেশ দিত, তা নিয়েই তদন্ত চালাচ্ছে ইডি।

  • Primary TET: ফের আইনি গেরোয় প্রাথমিকে নিয়োগ, বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা

    Primary TET: ফের আইনি গেরোয় প্রাথমিকে নিয়োগ, বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিকে (Primary TET Notification) চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ চাকরিপ্রার্থীরা। মামলাকারীদের দাবি, বিএড উত্তীর্ণদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া যাবে না। সোমবার হবে মামলার শুনানি।

    গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ডিএলএড, বিএড ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে পারবেন ডিএলএডের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়ারাও। ২০১৪ ও ২০১৭ সালের টেট উত্তীর্ণরাও আবেদন করতে পারবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। আবেদনের শেষ তারিখ ২১ অক্টোবর।

    আরও পড়ুন: ‘কিংপিন’ মানিকের আমলেই ৫৮ হাজার বেআইনি চাকরি, চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির 

    মামলাকারীদের দাবি, বিএড ডিগ্রি থাকলে প্রাথমিক টেটে আবেদন করা যাবে পর্ষদের বিজ্ঞপ্তির এই অংশ বাতিল করতে হবে। মামলাটি উঠেছে বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। তিনি মামলা দেখে বলেন, “এতো মহা মুশকিল। পর্ষদের বিরুদ্ধে শুধু মামলা হচ্ছে।” 

    নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে শূন্যপদের সংখ্যা উল্লেখ করা না হলেও তিনদিন আগেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ১১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানায়। আগামী ১১ ডিসেম্বর টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। 

    মামলাকারীরা তাঁদের সপক্ষে যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন, রাজস্থান হাইকোর্টেও প্রাথমিক নিয়োগে একই ইস্যুতে একটি মামলা দায়ের হয়। সেই মামলায় রাজ্য সরকারের ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিকে স্থগিত করে দেয় রাজস্থান হাইকোর্ট। যদিও সেই মামলার এখনও কোনও সুরাহা হয়নি।

    অন্যদিকে নিয়োগ দুর্নীতির প্রতিবাদে গান্ধী মূর্তির নীচে চাকরিপ্রার্থীদের ধর্না-অবস্থানের মেয়াদ বাড়াতে নারাজ হাইকোর্ট। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২০১৪-র প্রাথমিকের প্রায় ৫০ জন চাকরিপ্রার্থী ২ মাসের জন্য ধর্না চালিয়ে যাওয়ার আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য। গত ৬ সেপ্টেম্বর অবস্থান বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে নতুন করে পুলিশের কাছে আবেদন করার জন্য চাকরিপ্রার্থীদের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। ৮ সেপ্টেম্বর আবেদন জানান চাকরিপ্রার্থীরা। ১৩ সেপ্টেম্বর অনুমতি দেয় পুলিশ। ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে পাঁচদিনের জন্য অবস্থান বিক্ষোভে বসেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২০১৪-র প্রাথমিকের চাকরি প্রার্থীরা। কিন্তু বিক্ষোভের সময়সীমা বাড়ানোর আনেদন মঞ্জুর করল না আদালত। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

       

  • Anubrata Mondal: ৮ বছরে  আয় বেড়েছে প্রায় ১৭৫ গুণ! অনুব্রত কন্যা সুকন্যার আয়কর রিটার্ন চমকে দেবে আপনাকেও

    Anubrata Mondal: ৮ বছরে  আয় বেড়েছে প্রায় ১৭৫ গুণ! অনুব্রত কন্যা সুকন্যার আয়কর রিটার্ন চমকে দেবে আপনাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের (Sukanya Mondal) ৮ বছরে  আয় বেড়েছে প্রায় ১৭৫ গুণ! সিবিআই (CBI) সূত্রে খবর, সুকন্যার আয়কর রিটার্নে মিলেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। ২০১৩-১৪ থেকে ২০২১-২২-এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষিকা কেষ্ট-কন্যার সম্পত্তি বেড়েছে রকেট গতিতে। করোনার সময় যখন প্রতিদিন চাকরি হারিয়েছেন শয়ে শয়ে মানুষ। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষদের পেটে ভাত জুটছে না। বেসরকারি কর্মীদের পকেট শূন্য। ব্যবসায়ীরা জমানো টাকা ভাঙিয়ে খেতে ব্যস্ত। সেই বছর অর্থাৎ, ২০১৯-২০-তে আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি আয় বৃদ্ধি পেয়েছে সুকন্যার। তাঁর আয়কর রিটার্ন থেকেই এই তথ্য পেয়েছে সিবিআই। সামান্য প্রাথমিক শিক্ষিকার এই বিপুল আয়বৃদ্ধি কীভাবে? চার্জশিটে সেই প্রশ্ন তুলেছে সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রত ঘনিষ্ঠ প্রমোটার রানা সরকারকে সিবিআইয়ের জেরা! কী জানতে চাইলেন অফিসারেরা

    গরু পাচার মামলায় সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে গত ১০ বছরে  শুধু সুকন্যা নয়,বিপুল হারে সম্পত্তি বৃদ্ধি পেয়েছে অনুব্রত মণ্ডলেরও (Anubrata Mondal)। ৮ বছরে অনুব্রতর আয় বেড়েছে প্রায় ১৯ গুণ। সুকন্যা ও অনুব্রতের বার্ষিক আয়ের পরিমান দেখে আলোড়ন ছড়িয়েছে তৃণমূলের অন্দরেও। গরু পাচার মামলায় আসানসোল সিবিআই কোর্টে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। তাতে দেখা যাচ্ছে ২০১২-১৩ আর্থিক বছরে সুকন্যা মণ্ডলের আয় ছিল ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকার মতো। পরের বছর তা বেড়ে হয় সাড়ে ৮ লাখ। ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে সেটা এক লাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা। ২০১৮-১৯ সালে সুকন্যা আয়কর রিটার্নে ১ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা আয় দেখিয়েছেন। ১৯-২০ সালে সেটাও বেড়ে হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। আর গত আর্থিক বছরে তাঁর আয় হয়েছে ৯২ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা। এই আয় শুধুমাত্র সুকন্যা মণ্ডলের ব্যক্তিগত আয়।

    আরও পড়ুন: আরও বিপাকে অনুব্রত! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই, কী রায় দেবে আদালত?

    অনুব্রত কন্যা সুকন্যা তো প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা কিন্তু, তাঁর মা তথা অনুব্রতর স্ত্রী ছবি মণ্ডলের কোন পেশা না থাকলেও তাঁর ২০১২-১৩ সালে বার্ষিক আয় ছিল প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা। ২০১৪-১৫ সালে তাঁর আয় বেড়ে দাঁড়ায় ৬২ লক্ষ টাকা। ২০১৭-২০১৮ সালে তাঁর আয় বেড়ে দাঁড়ায় ৭৩ লক্ষ টাকা। এই আয়ের উৎস কী? কোথা থেকে আসত এত টাকা? এখন সেই সত্যই খুঁজতে ব্যস্ত সিবিআই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর নামে চিঠি! তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক দাবি বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর নামে চিঠি! তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক দাবি বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে চিঠি পাওয়া গিয়েছে, তাই  নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। তমলুকে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এই কথা বলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “সাত হাজার টাকার প্লেটে বিজয়া করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর চাকরি না পাওয়া যোগ্য ছেলেরা গাছের তলায় বসে পুজো কাটাচ্ছে। আমি বলব মমতার নামে চিঠি যখন পাওয়া গিয়েছে, তখন তাঁকে অবিলম্বে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক অফিসারেরা।” শুভেন্দুর প্রশ্ন “কেন মমতাকে ডেকে বা নবান্নে গিয়ে ইন্টারোগেশন করা হচ্ছে না?”

    আরও পড়ুন: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    জমি অধিগ্রহণ না করে তাজপুরে কোনওদিন বন্দর হবে না বলেও জানান  শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। উনি নিজেই জানেন না ৷ একটা বন্দর করতে হলে পাঁচ হাজার একর জমি দিতে হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন তাজপুর থেকে মাত্র  চার কিলোমিটার দূরে এক হাজার একর জমি আাদনিদের অফার করা হয়েছে । কিন্তু ওই চার কিলোমিটার রাস্তা যেতে হলে, ফোরলেন করতে হবে। ওই রাস্তা তৈরি করতে গেলেই জমি অধিকগ্রহণ করতে হবে। ” মুখ্যমন্ত্রীকে হলদিয়া বন্দর তৈরির ইতিহাস ঘাঁটতে বলেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়,   “সতীশ সামন্ত, বিরাজ মোহন দাস, কুমার চন্দ্র জানা, সুশীল ধারা হলদিয়া বন্দর করার সময় পুরো পাঁচটা গ্রামের জমি নিয়েছিলেন । বোনবিষ্ণুপুর, রাজাচক, রায়রায়চক, বিষ্ণুর রামচক, দত্তের চকের ইতিহাসটা দেখবেন । তাহলেই বুঝবেন একটা বন্দর করতে গেলে কী কী করতে হয় ।”  শুভেন্দুর দাবি, বন্দরের জন্য রেল করিডোর লাগে । ওয়ারহাউস লাগে । সেগুলো কোথায় হবে? মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলে,বাজার গরম করছেন, অভিমত বিরোধী নেতার।

    আরও পড়ুন: বাকি উপাচার্যরাও পদত্যাগ করুন! সোনালি চক্রবর্তীর অপসারণের ‘সুপ্রিম’ সিদ্ধান্তের পর বিস্ফোরক শুভেন্দু

    দলের কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো প্রসঙ্গে তমলুকের আইসি ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এসপিকে কোর্টে নিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু। আগামী নির্বাচনে তমলুক লোকসভায় যে দাঁড়াবে তাঁকে নন্দীগ্রাম থেকে ৫০ হাজার ভোটে লিড দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। শিল্প ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষের সুরে শুভেন্দু বলেন,”মুখ্যমন্ত্রী কয়েক মিনিটে আড়াইশো পুজোর উদ্বোধন করতে পারেন,কিন্তু সাড়ে ১১ বছর ক্ষমতায় থেকেও উনি একটা শিল্পের উদ্বোধন করতে পারেননি।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share