Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Partha Chatterjee: ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত পার্থ-অর্পিতার! আদালতে কী বললেন প্রাক্তন মন্ত্রীর আইনজীবী?

    Partha Chatterjee: ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত পার্থ-অর্পিতার! আদালতে কী বললেন প্রাক্তন মন্ত্রীর আইনজীবী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ মামলায় ফের জেল হেফাজত পার্থ-অর্পিতার। বুধবার যে কোনও মূল্যে জামিন চেয়েছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। শারীরীক অসুস্থতার কথা বলেছিলেন বারবার। কিন্তু আদালত তাতে আমল দিতে নারাজ। এদিন ফের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। তাঁকে ফের ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। এদিন কোর্টে এসে নয়, জেল থেকে ভার্চুয়ালিই শুনানি হয় পার্থ-অর্পিতার। আদালত এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দেয় জেলে তাঁদের কোনও মৌলিক অধিকার খর্ব হয়নি। যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন পার্থর, খারিজ আদালতের।

    এদিন আদালতে ভার্চুয়াল হাজিরার বিরোধিতা করে পার্থর আইনজীবী জানান, ‘আমার মক্কেলের শারীরিকভাবে হাজিরা দেওয়ার মৌলিক অধিকার রয়েছে।’ তবে, ভার্চুয়ালিই শুনানি হবে পার্থ-অর্পিতার, বলে জানিয়ে দেয় আদালত। তারপর যে কোনও শর্তে জামিন চান পার্থ। তাঁর আইনজীবী জানান,  ‘প্রয়োজনে একা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বাড়িতে রাখুন পুলিশি নজরদারিতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অপা ইউটিলিটি সার্ভিসেসের অংশীদার ছিলেন না পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এসএসসি বোর্ডের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন না। তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে। বিভিন্ন রকম শারীরিক অসুস্থতা রয়েছে তাঁর। চিকিৎসারও প্রয়োজন রয়েছে।’ 

    আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলায় এবার সিবিআই- এর হাতে গ্রেফতার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর

    অন্যদিকে ইডির আইনজীবী জানান, পার্থর নতুন আরও ৩০টি অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছে ইডি। মোট ১০০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে। সেই সব অ্যাকাউন্টের লেনদেন খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাই পার্থকে জেল হেফাজতে রেখে সওয়াল করতে চায় ইডি। 

    অন্যদিকে, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) মিডলম্যান প্রসন্ন রায়ের আরও সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। বুধবার সকালে নিউটাউনের মহিষবাথান লোহারপুলের কাছে ‘মারলিন’ অভিজাত আবাসনের এক ফ্ল্যাট হানা দেয় সিবিআই (CBI)। প্রায় তিন ঘণ্টা চলে তল্লাশি। কার নামে কার থেকে কেনা হয়েছে ফ্ল্যাট, প্রসন্নর নামে কেনা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে সিবিআই। এদিন সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ আবাসনের গেটে পৌঁছে যায় সিবিআই আধিকারিকরা। ফ্ল্যাটের নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে বেশকিছুক্ষণ কথা বলেন। সঙ্গে ছিলেন সিআরপিএফ আধিকারিকরা। যাতে তল্লাশি চালানোর সময় সিবিআইকে বাধার মুখে না পড়তে হয়। এদিকে ফ্ল্যাটের চাবির জন্য প্রায় দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করেন তদন্তকারীরা। পরে মাস্টার কি দিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা খুলে ভিতরে ঢোকেন তাঁরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
  • Kolkata Schoolgirls Scare: স্কুলের বাইরে একা দেখলেই ছোট্ট মেয়েদের মডেল হওয়ার প্রলোভন! কে এই বোরখা পরিহিত মহিলা?

    Kolkata Schoolgirls Scare: স্কুলের বাইরে একা দেখলেই ছোট্ট মেয়েদের মডেল হওয়ার প্রলোভন! কে এই বোরখা পরিহিত মহিলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনার মেয়ে কি একা স্কুলে যায়? স্কুলের বাইরে গাড়ির জন্য একা দাঁড়িয়ে থাকে আপনার শিশুকন্যা? তাহলে সতর্ক হোন। কলকাতার বুকে নতুন একদল বোরখা পরিহিতার খোঁজ মিলল। যারা স্কুলের সামনে ছাত্রীদের একা দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেই মডেল হওয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে। 

    দক্ষিণ কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকায় অবস্থিত মেয়েদের একটি নামী বেসরকারি স্কুলের সামনে শুক্রবার এই ধরনের ঘটনা ঘটে। ওই স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর মা জানান, তাঁর দুই মেয়ে ওই স্কুলে পড়েন। বড় মেয়ে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। দুই মেয়ে একসঙ্গে গাড়িতে করে বাড়ি ফেরে। দুজনের ছুটির সময় একটু আলাদা। ছোট মেয়ের আগে ছুটি হয়। বড় মেয়ের পরে। বড় মেয়ের জন্য ছোট মেয়ে একাই স্কুলের সামনে একটু অপেক্ষা করতে হয়। তবে স্কুল চত্বরে তখন লোক থাকে তাই তাঁরা এতদিন কিছু ভাবেননি।

    তবে, শুক্রবার তাঁর ছোট মেয়ে বাড়ি গিয়ে জানায়, সে যখন একা স্কুলের বাইরে দাঁড়িয়েছিল তখন এক বোরখা পরা দিদি এসে জিজ্ঞেস করে সে কী হতে চায়? মডেল হতে চায় কিনা জানতে চায়। তার দিদি চলে এলে মেয়েটি তাকেও জিজ্ঞাসা করে সে কী হতে চায়? ওরা দুই বোন আগ্রহ না দেখানোয় সে চলে যায়। এই কথা শুনে চমকে ওঠে ওই ছাত্রীর মা। স্কুলের অন্য ছাত্রীদের অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরেই এরকম একজন নয়, তিন-চারজন মহিলা ঘুরে বেড়াচ্ছে স্কুলের সামনে। বড় নয়, বিশেষ করে ছোট ছোট বাচ্চাদের, বিশেষ করে পাঁচ থেকে আট বছরের শিশুকন্যাদের টার্গেট করেছে তারা।  কোনও ছাত্রীকে একা পেলেই চলছে কথোপকথন। প্রলোভন দেখানোর পালা। যদি কেউ ফাঁদে পা দেয়!

    আরও পড়ুন: বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট খুনে নয়া মোড়, এ কী বললেন তাঁর সহকারী?

    এরপরই ওই অভিভাবিকা চিঠি দিয়ে গোটা ঘটনা স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানান। ই-মেল পাঠানো হয় স্কুলের প্রিন্সিপালের কাছে। স্কুলের সামনে নিরাপত্তা জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়। ছাত্রীদের সুরক্ষার কথা ভেবে তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নেয় স্কুল। প্রিন্সিপাল জানান, বিষয়টি পুলিশকে জানোনো হয়েছে। অভিভাবকদেরও সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে। সব অভিভাবকদের মধ্যে বিষয়টি ছড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এই ঘটনার পরে আতঙ্কিত অভিভাবকেরা। বহু শিশুই একা স্কুল থেকে আসা-যাওয়া করে। এই পরিস্থিতে যে কোনও কিছু হতে পারে। প্রশ্ন উঠছে এই চক্র নিয়েও। এটা কী তাহলে কোনও নতুন প্রতারণা চক্র? যারা শিশুদের অপহরণ করে পাচার করার কথা ভাবছে? মডেল হওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চলছে পাচার-চক্র? 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Anubrata Mondal: গরুপাচার মামলায় এবার সিবিআই- এর হাতে গ্রেফতার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর

    Anubrata Mondal: গরুপাচার মামলায় এবার সিবিআই- এর হাতে গ্রেফতার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় আরও এক কেষ্ট-ঘনিষ্ঠকে গ্রেফতার করল সিবিআই। এদিন সকালে বোলপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে প্রায় দু ঘণ্টা তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। এই বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে মনু অনুব্রতর ছায়াসঙ্গী হিসেবে পরিচিত। আয়-ব্যয় সংক্রান্ত নথি যাচাই করে, দু ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর আটক করা হয় তাঁকে। আয়-ব্যয় সংক্রান্ত নথি যাচাইয়ের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় কনসালট্যান্টের অফিসে।

    বোলপুরে একসঙ্গে ৪ জায়গায় হানা দিয়েছে সিবিআই। তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়ি ছাড়াও তৃণমূল কর্মী সুদীপ রায় ও অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ সুজিত দে- র বাড়িতেও চলছে সিবিআই তল্লাশি। সিবিআই সূত্রে দাবি, গরুপাচার মামলার তদন্তে উঠে এসেছে অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ এই তিনজনের নাম। সেই কারণেই এই অভিযান। একইসঙ্গে তল্লাশি চলছে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও অনুব্রতর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারির বোলপুরের বাড়িতে।

    আরও পড়ুন: পারলে আমাকে জেলে ভরো…মমতার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কী বললেন নাড্ডা?

    সিবিআই গোয়েন্দাদের দাবি, অনুব্রত ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিপুল সম্পত্তির নথি গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। অনুব্রতর একার নামেই ২৪টি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। এছাড়া অনুব্রত-কন্যা সুকন্যার নামে ২৬টি সম্পত্তির নথি পেয়েছেন গোয়েন্দারা। অনুব্রতর স্ত্রী ছবি মণ্ডলের নামেও ১২টি সম্পত্তি রয়েছে। অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের নামে ৪৭টি সম্পত্তি রয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ বিদ্যুৎবরণ গায়েনের নামে রয়েছে ৩২টি সম্পত্তি! বিদ্যুতের স্ত্রী মহুয়া গায়েনের নামে ২টি জায়গায় সম্পত্তি রয়েছে। অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কমলকান্তি ঘোষ ও তাঁর পরিবারের নামে ১৮টি সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছেন সিবিআই গোয়েন্দারা।   

    আরও পড়ুন: অনুব্রত মামলায় বিচারককে হুমকি চিঠি-কাণ্ডে ধৃত আইনজীবী! আটক তাঁর সহকারীও 

    মঙ্গলবার আসানসোলে অনুব্রতকে জেরা করেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। অনুব্রত-ঘনিষ্ঠদের এত বিপুল সম্পত্তির উৎস কী, তার সন্ধানে রয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকেও সংশোধানাগারে জেরা করেন সিবিআই গোয়েন্দারা। তার পর দিনই কেষ্ট-ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই।       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টে অতিরিক্ত ৯ জন বিচারপতি নিয়োগ কেন্দ্রের

    Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টে অতিরিক্ত ৯ জন বিচারপতি নিয়োগ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতির অভাবে ঝুলে রয়েছে মামলা। দীর্ঘায়িত হচ্ছে বিচার প্রক্রিয়া। এবার সেই সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হল কেন্দ্র (Centre)। কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) ৯জন অতিরিক্ত বিচারপতি নিয়োগ করার কথা ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)।

    দেশের প্রাচীনতন হাইকোর্ট কলকাতা হাইকোর্ট। ১৮৬১ সালের হাইকোর্ট আইন বলে ১৮৬২ সালের ১ জুলাই স্থাপিত হয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সময় এই আদালতের নাম ছিল হাইকোর্ট অফ জুডিকেচার অ্যাট ফোর্ট উইলিয়াম। বর্তমানে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কলকাতা হাইকোর্টের অন্তর্ভুক্ত। আন্দামান ও নিকোবরের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারে কলকাতা হাইকোর্টের একটি সার্কিট বেঞ্চ রয়েছে। ১৮৭২ সালে স্যার বার্নেস পিকক কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন। হাইকোর্টের প্রথম ভারতীয় বিচারক ছিলেন শম্ভুনাথ পণ্ডিত। হাইকোর্টের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন রমেশ চন্দ্র মিত্র। প্রথম পূ্র্ণ মেয়াদের ভারতীয় প্রধান বিচারপতি ছিলেন ফণীভূষণ চক্রবর্তী।

    বরাবরই কলকাতা হাইকোর্টের ওপর মামলার চাপ পাহাড় প্রমাণ। বিচারপতি থাকার কথা ৭২ জন। অথচ রয়েছেন মাত্র ৪৬ জন। শূন্য পদের সংখ্যা ২৬। অতিরিক্ত এই ৯ জনের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ায় শূন্যপদের সংখ্যা কমে দাঁড়াল ১৭। স্বাভাবিক ভাবেই বিলম্বিত হচ্ছে বিচার প্রক্রিয়া। সেই সমস্যা মেটাতে অতিরিক্ত ৯ জন বিচারপতি নিয়োগ করার কথা ঘোষণা করল মোদি সরকার। যাঁদের নিয়োগ করা হল, তাঁরা হলেন, বিশ্বরূপ চৌধুরী, পার্থ সারথি সেন, প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, উদয় কুমার, অজয় কুমার গুপ্ত, সুপ্রতিম ভট্টাচার্য, পার্থ সারথি চ্যাটার্জি, অপূর্ব সিনহা রায় এবং মহম্মদ শাব্বার রাশিদি। সিনিয়রিটির ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়েছে এঁদের। 

    আরও পড়ুন : পুরুলিয়া সূচকাণ্ডে মা, প্রেমিকের ফাঁসির সাজা রদ করে যাবজ্জীবন দিল হাইকোর্ট

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Nadda on Mamata: পারলে আমাকে জেলে ভরো…মমতার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কী বললেন নাড্ডা? 

    Nadda on Mamata: পারলে আমাকে জেলে ভরো…মমতার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কী বললেন নাড্ডা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই তাঁকে গ্রেফতার করার জন্য বিজেপিকে (BJP) চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এদিন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন মমতা। সেখানেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানান তিনি। এদিন তার কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল বিজেপি। 

    দলের হেভিওয়েট দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং ইডি। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) গ্রেফতার হয়েছেন এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (SSC Scam)। আর তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandol) গ্রেফতার হয়েছেন গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case)। দুজনকেই প্রথমে তলব করেছিল সিবিআই। পরে করা হয় গ্রেফতার। এদিনের সমাবেশে সেই প্রসঙ্গ টেনে গেরুয়া শিবিরকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে আমরা বিজেপিকে শূন্যে নামিয়ে আনব। তারা চায়, তৃণমূলের অন্য নেতাদেরও গ্রেফতার করতে। এর পরেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মমতা বলেন, এসো, আমাকে গ্রেফতার কর, যদি পার। আমি জেল থেকে বিজেপিকে গোহারা হারাব। তৃণমূল নেত্রী বলেন, এর পর ওরা মলয় (ঘটক) এবং ফিরহাদ (হাকিম)কে গ্রেফতার করতে চায়। অভিষেককেও…। মমতা বলেন, অভিষেককে ইতিমধ্যেই নোটিশ পাঠিয়েছে, নোটিশ পাঠিয়েছে তার স্ত্রীকেও। আমি বলছি, এমনকী তাদের ছেলেকেও নোটিশ পাঠাবে।

    আরও পড়ুন : সিবিআই থেকে জেল হেফাজত হতেই কেষ্ট-‘কলঙ্ক’ ঝেড়ে ফেলতে চাইছে তৃণমূল?

    দিল্লি দখল যে তাঁর প্রধান লক্ষ্য এদিন তাও গোপন করেননি মমতা। বলেন, আমার মূল লড়াই দিল্লির জন্য। দিল্লি থেকে বিজেপিকে তাড়াব। ২০২৪ সালে বিজেপিকে আমরা দিল্লি থেকে দূর করব। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা ভয় ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি লোকসভা নির্বাচন জিততে চায় প্রত্যেকে জেলের ভিতরে রেখে। আমি বলছি, তোমার যদি ধৃষ্টতা থাকে, তাহলে আমাকেও জেলে ঢোকাও। আমরা দেখব, নির্বাচনের ফল কী হয়। তৃণমূল নেত্রী বলেন, আমরা লড়াই করব, এবং আমরা জিতব এবং বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করব।           

    তৃণমূল নেত্রীর এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। এই মুহূর্তে ত্রিপুরা সফরে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি বলেন, বিজেপি তৃণমূলের জনবিরোধী নীতি, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা এবং মহিলাদের ওপর নৃশংসতার বিরোধী। তাঁর তোপ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। অথচ তাঁর রাজ্যেই মহিলা পাচারের ঘটনা দেশের মধ্যে সব চেয়ে বেশি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Saigal Hossain: আদালতের কাজকর্ম স্থগিত, ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে সায়গল হোসেন 

    Saigal Hossain: আদালতের কাজকর্ম স্থগিত, ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে সায়গল হোসেন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) দেহরক্ষী সায়গল হোসেন (Saigal Hossain)। আজ বৃহস্পতিবার আসানসোল আদালতে তাঁকে পেশ করা হলেও হয়নি মামলার শুনানি। এক আইনজীবীর মৃত্যুতে আদালতের সমস্ত কাজকর্ম স্থগিত রয়েছে। শুনানি না হওয়ায় সায়গলকে আবার ১৪ দিনের জেল হেফাজতের (Jail Custody) নির্দেশ দিয়েছে সিবিআই- এর বিশেষ আদালত। ১৫ সেপ্টেম্বর ফের তাঁকে আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

    আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলায় এবার সিবিআই- এর হাতে গ্রেফতার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর

    গত ৯ জুন সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই (CBI)। প্রথমে তাঁকে সিবিআই হেফাজত এবং পরে জেল হেফাজতে নেওয়া হয়। গত ১৮ অগাস্ট আদালতে তোলা হয়েছিল তাঁকে। সে দিন তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক। সেইমতো আজ তাঁকে সিবিআই আদালতে তোলা হয়। কিন্তু আজ মামলার শুনানি না হওয়ায় ফের ১৫ সেপ্টেম্বর আদালতে তোলা হবে সায়গলকে।

    আরও পড়ুন: সায়গলকে হেফাজতে চায় ইডি, সিবিআই- এর নজরে অনুব্রতর ড্রাইভার

    ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে এদিন আসানসোল আদালতে তাঁর মামলার শুনানি ছিল। এই মামলার শুনানির দিকে নজর ছিল গোটা রাজ্যের। সকলকে হতাশ করে পিছিয়ে গিয়েছে মামলার শুনানি। সায়গলের আইনজীবীর তরফ থেকে এদিন জামিনের আবেদন করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু আদালতে মামলার শুনানি না হওয়ায় জামিনের আবেদন করাও সম্ভব হল না। বিনা শুনানিতেই সিবিআই- এর বিশেষ আদালতের নির্দেশে ফের সেই জেলেই ঠাঁই হল সায়গলের। 

    প্রসঙ্গত, গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) অনুব্রত মণ্ডলের আগেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন। ডোমকল থেকে বোলপুর, তাঁর একাধিক বাড়ি-জমির হদিশও পেয়েছেন সিবিআই গোয়েন্দারা। বর্তমানে আসানসোল সংশোধনারে বন্দি সায়গল। সম্প্রতি গরুপাচার মামলায় কেষ্ট মণ্ডলকেও গ্রেফতার করেছে সিবিআই। টানা বেশ কয়েকদিন সিবিআই হেফাজতের পর অনুব্রতর বর্তমান ঠিকানা আসানসোল সংশোধনাগার। অর্থাৎ ফের একই জায়গায় মালিক এবং দেহরক্ষী। শোনা যায়, অনুব্রত জেলে আসার পরই তাঁর সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছিলেন সায়গল। ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে এদিন জামিনের আশায় ছিলেন তিনি। কিন্তু জামিন মেলেনি। তাই জেলেই ফিরে গেলেন সায়গল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Abhishek Banerjee: কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের ইডির তলব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে

    Abhishek Banerjee: কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের ইডির তলব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling Case) ফের ইডির (ED) তলব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। ২ সেপ্টেম্বর তাঁকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কলকাতা (Kolkata) অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এর আগেও একবার ইডির আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন অভিষেককে। ২১ মার্চ তাঁকে টানা ন’ঘণ্টা জেরা করেছিলেন তদন্তকারীরা। সোমবারই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসেব অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিকে তলব করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই আশঙ্কা প্রকাশ করার পর চব্বিশ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই দলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করল ইডি (ED)।

    কয়লা পাচারকাণ্ডে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। একপ্রস্ত জেরা করা হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। গত বছর ৫ সেপ্টেম্বর আর্থিক তছরুপ রোধ আইনে (PMLA) ইডি একবার জেরা করেছিল অভিষেককে। এবার তলব করা হল কয়লা কেলেঙ্কারিতে। অভিষেকের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী রুজিরাকেও (Rujira Banerjee) একবার তলব করেছিল ইডি।

    আরও পড়ুন : জানত না রাজ্য গোয়েন্দা পুলিশও! দুবাই সফর কেন ‘গোপন’ রাখলেন অভিষেক?

    সোমবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে বিজেপিকে নিশানা করেছিলেন অভিষেক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও তাঁর পুত্র বিসিসিআই সচিব জয় শাহকেও (Jay Shah) আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। অভিষেকের অভিযোগ, গরু পাচার মামলায় সব চেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন বিজেপি নেতারা। তিনি বলেন, তারা (বিজেপি) গরু পাচার মামলার কথা বলছে। এই কেলেঙ্কারিতে সব চেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন বিজেপি নেতারা। বিজেপি নেতাদের মাধ্যমেই অসাধু উপায়ে অর্জিত টাকা গিয়েছে দিল্লিতে। অভিষেকের প্রশ্ন, কেন অমিত শাহ বিএসএফকে জিজ্ঞাসা করছেন না কীভাবে গরু পাচার হল? তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের তোপ, এটা গরু পাচার কেলেঙ্কারি নয়, এটা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কেলেঙ্কারি। বিএসএফকে পরিচালনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। যদি বিএসএফ ঠিকঠাক কাজ করে তাহলে গরু পাচার হয় কী করে?  অভিষেক বলেন, এ প্রশ্নের কৈফিয়ত দিতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Partha Chatterjee Aide: অর্পিতার মতো প্রসন্নরও রয়েছে ফিল্মি-যোগ? পার্থ-ঘনিষ্ঠদের ‘অপ’-কর্মেও মিল!

    Partha Chatterjee Aide: অর্পিতার মতো প্রসন্নরও রয়েছে ফিল্মি-যোগ? পার্থ-ঘনিষ্ঠদের ‘অপ’-কর্মেও মিল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী। আরেক ঘনিষ্ঠ প্রযোজক! এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে (SSC Recruitment Scam) জেল হাজতে থাকা তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) এক ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) সঙ্গে ফিল্মি জগতের যোগ সকলেরই জানা। হরিদেবপুর (Haridevpur) ও বেলঘরিয়ায় (Belghoria) অভিনেত্রী-মডেল অর্পিতার জোড়া ফ্ল্যাট থেকে নগদ ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার হওয়ার পর থেকেই তিনি রয়েছেন শ্রীঘরে।

    ইতিমধ্যেই, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছে এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ২ মিডলম্যানও। একজন হলেন প্রদীপ সিং, অপরজন প্রসন্নকুমার রায় (Prasanna Kumar Roy)। এরমধ্যে সিবিআই সূত্রে দাবি, সম্পর্কে পার্থর ভাগ্নী-জামাই প্রসন্নর সঙ্গেও নাকি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির (Kolkata Film Industry) যোগসূত্র রয়েছে। অন্তত এমনটাই দাবি করছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, একসময় সিনেমা প্রযোজনাও করেছিলেন এসএসসি দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-র ধৃত মিডলম্যান প্রসন্নকুমার রায়।

    আরও পড়ুন: সামান্য রং-মিস্ত্রি থেকে দুবাইয়ে হোটেল-মালিক! পার্থ-ঘনিষ্ঠর উল্কাবেগে উত্থানে তাজ্জব সিবিআই

    হেফাজতে প্রসন্নকে যত জেরা করছেন তদন্তকারীরা, ততই যেন তাঁর নিত্য-নতুন সম্পত্তির রহস্য উদঘাটিত হচ্ছে। এমনিতেই, তদন্তে উঠে এসেছে যে, সামান্য রং-মিস্ত্রি থেকে কীভাবে অল্প সময়ের মধ্যে স্রেফ পার্থর ‘প্রসন্নতায়’ বৈভবের চূড়ায় পৌঁছেছেন প্রসন্ন। এবার তাঁর আরও সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। 

    সিবিআই সূত্রে দাবি, প্রসন্নকুমারের একাধিক ফ্ল্যাটের মধ্যে রয়েছে আইডিয়াল ভিলা, হাওড়ার গাদিয়াড়ায় চলন্তিকা রিসর্ট–সহ নানা সম্পত্তি। প্রায় দশ বিঘা জমির উপর তৈরি হয়েছে চলন্তিকা রিসর্ট। হোটেলটি মূলত থ্রি স্টার। আবার টাইলস কারখানার খোঁজ মিলল তাঁর নামে। ২০১৫–১৬ সালে বাগনানে ১২ কোটি টাকা দিয়ে এই টাইলস কারখানা কেনেন। ওই কারখানাটি ৩০ বিঘা জমির উপর তৈরি।

    আরও পড়ুন: সিবিআই হেফাজতে আসতে পারেন পার্থ! ১৩১টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান

    সিবিআই সূত্রে খবর, প্রসন্নকে জেরা করে অযোগ্যদের নিয়োগ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে যে, প্রসন্নই তৈরি করতেন অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা। তারপর সেটি প্রদীপ সিংয়ের হাত ধরে পৌঁছে যেত এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহার কাছে।

    আবার, এই প্রসন্ন-ঘনিষ্ঠ এক পার্শ্বশিক্ষকও রয়েছেন সিবিআই রেডারে। আব্দুল আমিন নামে ওই ব্যক্তি পাথরঘাটা স্কুলের সহকারি শিক্ষক। ২০১৬ সালে পাথরঘাটা এলাকায় প্রাসাদোপম বাড়ি নির্মাণ করেন আমিন। সূত্রের খবর, বাড়িটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ১.৫ কোটি টাকা। কিন্তু ১০ হাজার টাকার চাকরি করে কীভাবে এত বড় বাড়ি বানিয়েছেন আমিন? তা খতিয়ে দেখছে সিবিআই। 

    তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ২০১৪ সাল থেকে পাথরঘাটা হাই স্কুলের প্যারা টিচার হিসেবে কাজ করতেন। কাজের সূত্রেই কোনওভাবে প্রসন্ন রায়ের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা হয়। অভিযোগ, কয়েক লক্ষ টাকার বিনিময়ে আমিনও একাধিক ব্যক্তির চাকরি করিয়ে দিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ১১৩টি চাকরি তিনি টাকার বিনিময়ে করিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Durga Puja Donation: কেন দুর্গোৎসব কমিটিগুলোকে দেওয়া হচ্ছে অনুদান? রাজ্যের ব্যাখ্যা তলব হাইকোর্টের

    Durga Puja Donation: কেন দুর্গোৎসব কমিটিগুলোকে দেওয়া হচ্ছে অনুদান? রাজ্যের ব্যাখ্যা তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (Pending DA case) দেওয়ার টাকা নেই। অথচ, পুজো অনুদানের (Durga Puja Donation) নামে কোটি কোটি টাকা বিলোচ্ছে রাজ্য সরকার (Bengal Government)। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় (PIL Against Durga Puja Donation)  এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারের জবাব তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt)।

    সম্প্রতি, রাজ্যের দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে ৬০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata)। কিন্তু কেন এই অনুদান দেওয়া হচ্ছে? হলফনামা আকারে রাজ্য সরকারের কাছে তার স্পষ্ট কারণ জানতে চাইল হাইকোর্ট।

    গত সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের রেজিস্টার্ড ৪৩ হাজার পুজো কমিটিগুলিকে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। গত দু’বছর পুজো কমিটিগুলিকে রাজ্যের দেওয়া অনুদানের অঙ্ক ছিল ৫০ হাজার। সঙ্গে ক্লাবগুলোকে পূজায় বিদ্যুৎ বিলে ভর্তুকি দেওয়ারও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে রাজ্য। এর ফলে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা খরচ হবে রাজ্যের কোষাগার থেকে। 

    আরও পড়ুন: বকেয়া ডিএ না মিটিয়ে পুজোয় অনুদান! দুর্নীতিকে আড়াল নাকি নজরে পঞ্চায়েত?

    এর বিরুদ্ধে গত ২৪ অগাস্ট কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী কাউন্সিল। পরে আরও দুটি মামলা দায়ের হয়। এই পর্যন্ত মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে। মামলাগুলির মূল প্রশ্ন, রাজ্য সরকারকে স্পষ্ট করে জানাতে হবে, কেন এই অনুদান দেওয়া হচ্ছে। 

    সোমবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। এদিন মামলার শুনানিতে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, “এই বিষয়ে এখনও সরকারের তরফে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। বিজ্ঞপ্তি জারি না হলে সরকারের তরফে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।” মামলাকারীর তরফে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “বৈঠক ডেকে অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যে টাকা দেওয়ার কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: কলকাতা পুরসভার আপত্তিতে বন্ধের মুখে মহম্মদ আলি পার্কের দুর্গাপুজো

    রাজ্যের তরফে বলা হয়, বিগত কয়েক বছর ধরেই এই অনুদান দিয়ে আসছে রাজ্য। এই প্রেক্ষিতে অ্যাডভোকেট জেনারেল গত দু’বছরের অর্থাৎ ২০২০ ও ২০২১ সালের হাইকোর্টের দুটি নির্দেশের কপি আদালতে পেশ করেন জানান, হাইকোর্ট এই অনুদান দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল। বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য তখন বলেন, “আপাতত অনুদান দেওয়া বন্ধ রাখার নির্দেশ দিক আদালত। কারণ টাকা বিলি করা শুরু হয়ে গেলে সেটা ফেরত নেওয়া সম্ভব নয়।” 

    দুপক্ষের সওয়াল-পর্ব শোনার পর প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে হলফনামা দিয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশের সুযোগ দিয়েছে। রাজ্য সরকারকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ, তার মধ্যেই কারণ জানিয়ে আদালতের কাছে হলফনামা পেশ করতে হবে সরকারকে। ৫ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Vedic Planetarium: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় স্থাপত্য বাংলায়, নির্মাণে খরচ ১০ কোটি টাকা

    Vedic Planetarium: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় স্থাপত্য বাংলায়, নির্মাণে খরচ ১০ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর সব থেকে বড় এবং উঁচু মন্দির তৈরি হচ্ছে বাংলার (West Bengal) মায়াপুরে (Mayapur)। বিশ্বের সব থেকে উঁচু গম্বুজ থাকবে এই মন্দিরেই। ইসকন (ISKCON) কর্তৃপক্ষের অত্ত্বাবধানে তৈরি হচ্ছে এই মন্দির।  

    বিশ্বের এই বৃহত্তম ধর্মীয় স্থাপত্যটি তৈরি হচ্ছে নদীয়ার মায়াপুরে। নাম দেওয়া হয়েছে বৈদিক তারামণ্ডল মন্দির (Vedic Planetarium)। আগে ২০২৩ সালে এই মন্দির উদ্বোধনের কথা থাকলেও কোভিডের কারণে পিছিয়ে যায় কাজ। আশা করা হচ্ছে ২০২৪ সালের মধ্যেই এই মন্দিরের উদ্বোধন হয়ে যাবে। এই মন্দির পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ হবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

    আরও পড়ুন: ভারতের ধনীতম গণপতি! ৩১৬ কোটি টাকার বিমায় সুরক্ষিত মুম্বইয়ের এই গণেশ, আওতায় ভক্তরাও!  

    এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয়। 

    আপাতত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় স্থাপত্য কম্বোডিয়ার আংকর ভাট মন্দির। কিন্তু এই মন্দির উদ্বোধন হওয়ার পরে শীর্ষস্থান দখল করবে বাংলাই। তাজমহল, ভার্টিক্যান সিটির সেন্টপলস ক্যাথিড্রালের থেকেও উঁচু হবে এই মন্দিরের চূড়া। 

    এই বৈদিক তারামণ্ডলে বৈদিক কসমোলজি ইনস্টিটিউট থাকবে। এখানে বৈদিক বিজ্ঞান, মহাকাশ বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হবে। 

    ১০ কোটি টাকা ব্যয় করে তৈরি করা হচ্ছে এই মন্দির। একসঙ্গে ১০ হাজার ভক্ত থাকতে পারবেন এই মন্দিরে। 

    আরও পড়ুন: উল্লা কাণ্ডা, পৃথিবীর উচ্চতম স্থানে অবস্থিত কৃষ্ণ মন্দির

    এই মন্দিরটির নেতৃত্বে থাকবেন আলফ্রেড ফোর্ড। বিখ্যাত ব্যবসায়ী হেনরি ফোর্ডের প্রপৌত্র এবং ফোর্ড মোটর কোম্পানির ভবিষ্যত মালিক তিনি। ইসকনে যোগদানের পর ১৯৭৫ সালে নিজের নাম পরিবর্তন করে অম্বরীশ দাস রাখেন৷ মন্দির তৈরির জন্যে ৩ কোটি টাকা দিয়েছেন তিনি।  
    ভিয়েতনাম থেকে আনা মন্দিরটি নীল বলিভিয়ান মার্বেল দিয়ে তৈরি হচ্ছে। এই মন্দিরটি নির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন আচার্য প্রভুপাদ। বৈদিক বিজ্ঞান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে চেয়েছিলেন তিনি।

    প্ল্যানেটেরিয়ামে একটি বিশাল ঘূর্ণায়মান মডেল থাকছে। এটি ভগবত গীতা, পুরাণের মতো পবিত্র গ্রন্থে বর্ণিত বিষয়গুলিকে চিত্রায়িত করবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share