Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Diwali 2022: উপলক্ষ কালীপুজো, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়িতে ভক্ত সমাগম

    Diwali 2022: উপলক্ষ কালীপুজো, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়িতে ভক্ত সমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালী পুজোর (Kali puja) এই বিশেষ দিনে তারাপীঠে (Tarapith) মা তারাকে কালী রূপে পুজো করা হয়। তারাপীঠে অন্য কোনও দেবীমূর্তি পুজোর চল নেই। কারণ মা তারা এখানে অধিষ্ঠাত্রী দেবী। তাই মা তারাই এখানে মা কালী রূপে পুজিত হন। তারাপীঠে কোনও দেবী মূর্তির পুজোর চল নেই। মা তারাকে সামনে রেখেই সমস্ত দেবী মূর্তির পুজো করা হয় তারাপীঠে। দীপান্বিতা কালী পুজোর তিথিতে সেখানে মা তারাকে শ্যামা রূপে পুজো করা হয়। এ দিন মায়ের নিত্য পুজার্চনার পাশাপাশি শ্যামা রূপে মা তারাকে বিশেষ পুজো করা হবে। 

    এদিন অন্য দিনের মতোই মা তারাকে ভোরবেলা স্নান করানো হয়। এরপর দেবীকে অষ্টধাতুর মুখাভরন, মুণ্ডমালা, মুকুট, সোনার অলঙ্কার, ডাকের সাজ ও ফুল মালা দিয়ে শ্যামা রুপে সাজানো হয়। এরপর শুরু হয় আরতি। মা তারাকে প্রথমে শীতল ভোগ দেওয়া হয়। এদিন মাকে নিত্যভোগও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: ডিসেম্বরেই পতন হচ্ছে তৃণমূল সরকারের? কী বললেন শুভেন্দু?

    এরপর মাকে রাত্রি বেলা দেবীকে সোনার অলঙ্কারে ও ডাকের সাজে শ্যামা রুপে সাজানো হয়। আজ গোটা রাত মন্দির খোলা থাকবে। কালীপুজোর দিন তারা মাকে পঞ্চব্যঞ্জন সহযোগে ভোগ নিবেদন করা হয় ৷ ভোগ হিসেবে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, পাঁচ মিশালি তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস এবং মিষ্টি। এখানকার অন্নভোগের বিশেষত্ব পোড়া শোলমাছ মাখা। দীপান্বিতা অমাবস্যা উপলক্ষ্যে নিয়ম-নিষ্ঠা মেনে হয় বিশেষ সন্ধ্যারতি৷ এরপর নিবেদন করা হয় লুচি, পায়েস, সুজি দিয়ে শীতল ভোগ। মন্দিরের এক পুরোহিত বলেন, “তারাপীঠ হল তন্ত্রপীঠ। এটা সাধনপীঠ। কোনও ৫১ পীঠের সতীপীঠ নয়। তাই এখানে তন্ত্রমতে পুজো অর্চনা করা হবে। দেবীকে ভোরবেলায় পঞ্চামৃত দিয়ে তন্ত্রমতে স্নান করানো হয়েছে। এরপর আরতি করা হয়েছে। তারপর গর্ভগৃহ খুলে দেওয়া হয়েছে ভক্তদের জন্য। আজ এখানে বহু তান্ত্রিক আসবেন সাধনার জন্য।”

    এদিকে কালীপুজো উপলক্ষে ভক্ত সমাগম হয়েছে দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়ি, ঠনঠনিয়া কালী বাড়ি, কামাখ্যায়। ৫১ সতীপীঠের শেষ দুটি পীঠ রয়েছে বীরভূমে। একটি, বোলপুরের কঙ্কালীতলা, আরেকটি নলহাটি। দীপান্বিতা অমাবস্যায় এই দুই মন্দিরে মহা ধূমধামের সঙ্গে কালীপুজো হয়। তারাপিঠের পাশাপাশি কালীপুজোর বিশেষ আয়োজনে সেজে উঠেছে কঙ্কালীতলা।

    দক্ষিণেশ্বরে দেবী পূজিতা হন মা ভবতারিণী রূপে। ভোরে দেবী ভবতারিণীর বিশেষ আরতি পুজোর অন্যতম আকর্ষণ। ঘট স্নানের পর মায়ের পুরনো ঘটেই নতুন করে গঙ্গার জল ভরে প্রতিষ্ঠা করা হয় কালীপুজোর দিন। শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণের দেখানো পথেই পুজো পান এখানে মা ভবতারিণী। ভোগও অতি সাধারণ। ভোগে নিবেদন করা হয় সাদাভাত, ঘি, পাঁচরকমের ভাজা, শুক্তো, তরকারি, পাঁচরকমের মাছের পদ, চাটনি, পায়েস ও মিষ্টি। দক্ষিণেশ্বর কিছুটা দূরেই আদ্যাপীঠ মন্দিরে রয়েছে। সেখানেও কালীপুজোর রাতে আদ্যা মায়ের বিশেষ পুজো হয়। অন্যান্য দিনের মতো সন্ধ্যারতিও হয়। সেই সন্ধ্যারতি দেখতে অসংখ্য ভক্ত সমাগম করেন। 

    ৫১ সতীপীঠের অন্যতম পীঠ হল কালীঘাট। ভোগে দেওয়া হয়, বেগুনভাজা, পটলভাজা, কপি, আলু ও কাঁচকলা ভাজা, ঘিয়ের পোলাও, ঘি ডাল, শুক্তো, শাকভাজা, মাছের কালিয়া, পাঁঠার মাংস ও চালের পায়েস। তবে রাতে মাকে নিরামিষ ভোগ নিবেদন করা হয় কালীঘাটে। লুচি, বেগুনভাজা, আলু ভাজা, দুধ, ছানার সন্দেশ আর রাজভোগ থাকে কালীঘাটের ভোগে।

    উত্তর কলকাতার ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে সিদ্ধেশ্বরী কালী রূপে পূজিতা হন মা। কথিত আছে যে অতীতে ডাকাতদের আক্রমণ থেকে সতর্ক করার জন্য এই মন্দিরের ঘণ্টা বাজিয়ে ঠনঠন শব্দ করা হত। তাই নাম ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি। কালীপুজোর রাতে ভোগ দেওয়া হয়, লুচি, পটলভাজা, ধোঁকা বা আলুভাজা, আলুর দম ও মিষ্টি। 

    শ্যামাপুজোর অন্যতম আকর্ষণ নৈহাটির অরবিন্দ রোডের বড়মা। মূর্তির উচ্চতা ২১ ফুট। মা এখানে দক্ষিণাকালী রূপে পূজিত হন। বড়মার পুজো উপলক্ষে সকাল থেকেই সাজো সাজো রব নৈহাটিতে। 

    জনপ্রিয়তার নিরিখে পিছিয়ে নেই কলকাতার লেক কালীবাড়িও। ভোররাত থেকেই সেখানে ভিড় জমিয়েছেন ভক্তরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Cyclone Sitrang: জারি হয়েছে লাল সতর্কতা, সিত্রাং মোকাবিলায় তৎপর প্রশাসন

    Cyclone Sitrang: জারি হয়েছে লাল সতর্কতা, সিত্রাং মোকাবিলায় তৎপর প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলাদেশেই আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং (Cyclone Sitrang)। মঙ্গলবার সকালে স্থলভাগে প্রবেশ করবে এই ঘূর্ণিঝড়। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। পাশাপাশি উত্তর-পূর্বের একাধিক রাজ্য, ত্রিপুরা, অসম, মিজোরাম, মণিপুর ও নাগাল্যান্ডেও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    সিত্রাং-এর প্রভাবে ভোর রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায়। বইছে ঝোড়ো হাওয়া। কুলতলি ব্লকের কৈখালিতে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে এনডিআরএফ (NDRF) দল। ঘূর্ণিঝড় নিয়ে মাইকে সতর্ক করা হচ্ছে l এছাড়াও সতর্ক করছেন সুন্দরবন এলাকার বন কর্মীরা। 

    সিত্রাং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সাগর, কুলতলি, কাকদ্বীপ গোসাবা সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রস্তুর এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ দল। অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কন্ট্রোল রুমের নম্বরগুলি হল ০৩৩-২৪৪৮৮০৫১ এবং ০৩৩-২৪৪৮৮০৫২।    

    জেলা শাসকের দফতরে তরফ থেকে, ঝড়ের উপর সর্বক্ষণ নজর রাখার জন্য রয়েছে বিশেষ জায়ান্ট স্ক্রিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলার যে পাঁচটি জায়গায় ক্ষতির সম্ভাবনা সব থেকে বেশি সেই জায়গাগুলিতে লাইভ মনিটারিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একজন আধিকারিক সবসময় সেদিকে নজর রাখবেন। 

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবার ভোরে ল্যান্ডফল, কোথায় আছড়ে পড়ছে সিত্রাং?  

    এ দিকে, শনিবার রাতের মধ্যে তিরে ফিরে এসেছে মৎস্যজীবী ট্রলারগুলি। প্রায় ৩৫০০টি ট্রলার ফিরে এসেছে। এখনও কোনও ট্রলার সমুদ্রে আছে কি না তা খোঁজ নিয়েছে পুলিশ। বকখালির ফ্রেজারগঞ্জ ঘাঁটির উপকূল রক্ষী বাহিনী ও ড্রোনিয়ার দিয়ে ট্রলারের খোঁজ চালানো হয়েছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যরা বেলায় সাগর ও কাকদ্বীপে মাইকিং করছে।   

    আবহাওয়া দফতরের তরফে ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা, মিজোরাম, মণিপুর ও নাগাল্যান্ডে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ও অরুণাচল প্রদেশে। আসামের কাচার, করিমগঞ্জ ও হালাইকাণ্ডিতে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মিজোরামের ১১টি জেলায়, ত্রিপুরার ৮টি জেলায় ও নাগাল্যান্ডের ১৬টি জেলাতেও লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

  • Dengue: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, রাজ্যে এক সপ্তাহেই আক্রান্ত প্রায় ৭ হাজার

    Dengue: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, রাজ্যে এক সপ্তাহেই আক্রান্ত প্রায় ৭ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ফের বাড়বাড়ন্ত ডেঙ্গির (Dengue)। একদিনে আক্রান্ত হলেন ১০৯৪ জন৷ গত এক সপ্তাহে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬৮০৷ এমনটাই জানিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর৷ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে মশাবাহিত এই রোগ৷ 

    এবছর এই অবধি কত জনের মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে এখনও পরিষ্কার করে কিছু জানা যায়নি৷ যদিও সূত্রমতে, ইতিমধ্যেই এই রোগে অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ যার মধ্যে শিশুও রয়েছে৷ এবছর এখনও অবধি রাজ্যে মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৪৫৩। গ্রাফ এখন ঊর্ধ্বমুখী। প্রতি সপ্তাহে রাজ্যে ডেঙ্গির সামগ্রিক রিপোর্ট প্রকাশ হয় বৃহস্পতিবার। শুক্রবার সামনে এসেছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট। তাতে দেখা যাচ্ছে, এই সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এই বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। 

    স্বাস্থ্য আধিকারিকদের মতে, আগে প্রতি সপ্তাহে আক্রান্ত হচ্ছিলেন ৩-৪ হাজার জন। এ বার এক সপ্তাহেই আক্রান্তে সংখ্যা এক লাফে সাড়ে ৬ হাজারে পৌঁছেছে। আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি উত্তর চব্বিশ পরগণায়৷ এ ছাড়াও উত্তরবঙ্গেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে৷

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’, কালীপুজোতেও বৃষ্টিতে ভাসবে রাজ্য!  

    শুধুমাত্র উত্তর চব্বিশ পরগণাতেই গত এক সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬২৭ জন৷ দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুর্শিদাবাদ এবং হুগলি জেলা৷ যদিও কলকাতার অবস্থা তুলনামূলক ভালো। এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। 

    অবহাওয়ার পরিবর্তনও ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ দক্ষিণবঙ্গ থেকে এখনও বর্ষা বিদায় নেয়নি৷ এখনও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ফলে জমে থকছে জল। আর তাতেই বংশবিস্তার করছে ডেঙ্গির মশা।  

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কালীপুজোর আগে বৃষ্টিপাত হতে পারে৷ আর তাতে আরও আশঙ্কিত হচ্ছে বিশেষজ্ঞরা। কারণ জোরে বৃষ্টিতে মশার ডিম বা লার্ভা নষ্ট হলেও হাল্কা বা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে জল জমে বাড়তে পারে মশা৷ 

    ডেঙ্গি পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রস্তুত থাকতে চাইছে প্রশাসন। ডেঙ্গির জন্যে এমআর বাঙ্গুরে ১১৯টি শয্যা এবং বেলেঘাটা আইডিতে ৮০টি শয্যা রাখা হয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Saigal-Hossain: গরু পাচার কাণ্ডে বিপত্তি বাড়ল অনুব্রতর! আজই দিল্লিতে ইডির হাতে সায়গল

    Saigal-Hossain: গরু পাচার কাণ্ডে বিপত্তি বাড়ল অনুব্রতর! আজই দিল্লিতে ইডির হাতে সায়গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Scam) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সায়গল হোসেনকে (Saigal Hossain) দিল্লি নিয়ে যাওয়া হল। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের একটি দল সায়গলকে নিয়ে দিল্লি গিয়েছে। সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি। প্রথমে নিম্ন আদালত, তার পরে কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে চায়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো সায়গল হোসেনকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি পায় ইডি। সেই মতো শুক্রবার বিকেলে অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে দিল্লি নিয়ে যায় রাজ্য পুলিশের একটি বিশেষ দল।

    আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলায় কেষ্টর বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার চার্জশিট পেশ সিবিআই-এর

    হাওড়া অমৃতসর জলিয়াওয়ালাবাগ এক্সপ্রেসে করে সায়গলকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লি। নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টে বেজে ১৫ মিনিটের ২ মিনিট পরে ঠিক ৪টে ১৭ মিনিটে আসানসোল রেল স্টেশনে ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন আসে। জানা গেছে, ট্রেনের এস ৩ কোচে সিট নম্বর ৫৮ এবং ৫৯ নং সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তাতে ২ জন যান। বাকি এস ৪ কামরায় ৪ জন আধিকারিকও গিয়েছেন। এদিন বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ আসানসোল জেল থেকে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে আসানসোল রেল স্টেশনের সায়গলকে আনা হয়। এদিন সায়গলের পরনে ছিল আকাশী নীল রংয়ের টি-শার্ট ও নীল জিন্সের প্যান্ট। সঙ্গে ছিল একটি পিঠ-ব্যাগও। মুখে লাগানো ছিল মাস্ক। গোটা স্টেশন চত্বরকে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ, রেল পুলিশ ও আরপিএফের আধিকারিকদের নিয়ে বিশাল নিরাপত্তা ঘেরাটোপ করা হয়েছিল। রেল সূত্রে জানা গেছে, সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবার দুপুরের পরে এই ট্রেন দিল্লি পৌঁছে যাবে। সেখানে ইডি-র হাতে তুলে দেওয়া হবে সায়গলকে।

    আরও পড়ুন: এফআইআর নিচ্ছে না পুলিশ! অভিষেকের ‘গুলি’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে আদালতে সুকান্ত

    সায়গল হোসেনকে ইডি দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করার অনুমতি পাওয়ায় অনুব্রত মণ্ডলের উপরেও নিঃসন্দেহে চাপ বাড়ল। কারণ প্রথম থেকেই ইডি এবং সিবিআই-এর অভিযোগ, গরু পাচারের বেআইনি কারবারে অনুব্রতর ডান হাত ছিলেন সায়গল। বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রতকে গ্রেফতারের আগেই সায়গলকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই বহু গোপন তথ্য পাওয়া যায়। তার রেশ ধরেই গ্রেফতার করা হয় অনুব্রতকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • TET Agitation: টেট চাকরিপ্রার্থীদের ওপর পুলিশি অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন এবিভিপির

    TET Agitation: টেট চাকরিপ্রার্থীদের ওপর পুলিশি অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল রাতে টেট উত্তীর্ন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের জোর করে তুলে দেওয়ার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে বিকাশ ভবনের সামনে  বিক্ষোভ দেখাল আরএসএস এবং বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। পুলিশ তাদের জোর করে তুলতে গেলে তুমুল ধস্তাধস্তি হয়। অপরদিকে শুক্রবার মধ্যরাতের ঘটনার প্রতিবাদে দুপুরে মধ্য কলকাতায় মিছিল করে বিজেপি।   

    এদিন দুপুরে বিধাননগরের বিকাশ ভবনের সামনে জড়ো হন এবিভিপি সমর্থকরা। বৃহস্পতিবার রাতের পুলিশি অভিযানের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ দেখান তাঁরা। প্রায় একই সময়ে এবিভিপির বিক্ষোভস্থল থেকে কিছু দূরেই বাম ছাত্রযুবদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি চলছিল। অপরদিকে এবিভিপি সমর্থকদের পুলিশ সরাতে এলে সেখানেও ধুন্ধুমার বেধে যায়। বেশ কিছুক্ষণ পরে তাদের প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। 

    অন্যদিকে বৃহস্পতিবারের পুলিশি হামলার প্রতিবাদে আজ দুপুরে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউয়ে সদর দফতর থেকে মিছিল করেন বিজেপির নেতাকর্মীরা। প্রতিবাদে সেই মিছিলে নেতৃত্ব দেন অগ্নিমিত্রা পাল। মিছিল গান্ধীমূর্তিতে আন্দোলনকারীদের কাছে যাওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: “এই সরকারকে একটাও ভোট না”, ক্ষোভে ফেটে পড়লেন চাকরিপ্রার্থীরা

    অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “দেখুন আমাদের কতদূর যেতে দেয়। গতরাতে যা করেছে তাকে ধিক্কার জানানোর ভাষা নেই। এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না কি আন্দোলন করে আজ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর মুখোস আজ খুলে গেছে।”

    এদিকে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য পুলিশি অত্যাচারের তীব্র নিন্দা করেছেন। ট্যুইটে তিনি লেখেন, “হিটলারের বাহিনীর মতো মাঝরাতে অভিযান চালিয়ে, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পুলিশ নির্মমভাবে বলপ্রয়োগ করে আন্দোলনরত ২০১৪-র টেট  উত্তীর্ণদের তুলে দিয়েছে। যাঁরা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসের কাছে আইন মেনেই অবস্থান করছিলেন।” 

     


    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Partha-Manik: জেলে পার্থর নতুন ‘প্রতিবেশী’ মানিক ভট্টাচার্য! দেখা হয়েও হল না কথা!

    Partha-Manik: জেলে পার্থর নতুন ‘প্রতিবেশী’ মানিক ভট্টাচার্য! দেখা হয়েও হল না কথা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেখা হয়েও কথা হল না! গতকাল ব্যাঙ্কশাল কোর্ট থেকে মানিককে নিয়ে যাওয়া হয় প্রেসিডেন্সি জেলে। সেখানেই দেখা হয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) সঙ্গে। কিন্তু কথোপকথন তো দূর, মানিকের সৌজন্যের ডাকেও সাড়া দিলেন না পার্থ। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (TET Scam Case) গ্রেফতার হওয়া মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) গতকাল ইডি হেফাজত শেষ হয়। কিন্তু আদালত ফের প্রাক্তন প্রাথমিক পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের জামিনের আর্জি খারিজ করে দেয়। তাঁকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতে থাকার নির্দেশ দিয়েছে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। ফলে জানা গিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নতুন ‘প্রতিবেশী’ এখন মানিক ভট্টাচার্য অর্থাৎ এখন থেকে পার্থর সেলের পাশেই থাকবেন মানিক।

    গতকাল, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি তথা পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে তিন দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। প্রেসিডেন্সি জেলের পয়লা ২২ ওয়ার্ডেই রাখা হয়েছে তাঁকে। অর্থাৎ পার্থর সঙ্গে একই ওয়ার্ডে থাকবেন মানিক। জেলসূত্রে খবর, গতকাল যখন মানিক ভট্টাচার্যকে প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন পার্থর সেলের সামনে দিয়ে মানিক হেঁটে যাচ্ছিলেন আর তখনই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে সৌজন্যবশত ডেকে তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, ‘পার্থদা, কেমন আছেন?’ কিন্তু তাঁর কোনও উত্তর এল না। জানা গিয়েছে, মানিককে দেখেই সেলের ভিতর দিকে মুখ করে ঢুকে যান পার্থ। আর বাইরে ঘুরেও তাকাননি। সাড়া না পেয়ে তারপর মানিকও হেঁটে হেঁটে চলে যান সেলের দিকে।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া বাংলায় ভোট হওয়াই উচিত নয়! পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক সুর সুকান্ত-শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, একসময় মানিক ও পার্থর যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তা বিভিন্ন তথ্য থেকে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আদালতে ইডি যে চার্জশিট পেশ করেছিল, তাতেও নাম রয়েছে মানিকের। মোবাইল ঘেঁটে তদন্তকারীরা দেখেছেন, মানিকের সঙ্গে পার্থর হোয়াটসঅ্যাপে বেশ কিছু কথোপকথন হয়েছে। এমনকি মানিক যে টাকা নিতেন, সেই বিষয়টিও পার্থকে জানিয়েছিলেন কেউ বা কারা। আর সে সব মেসেজ নাকি মানিককেই পাঠিয়ে দিতেন পার্থ। আবার অনেকে বলেন, মানিক ভট্টাচার্যকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান করার পিছনে ছিলেন পার্থই। ফলে এমন অভিযোগ সামনে আসার পর আরও জোরদার তদন্ত শুরু হয়। এরপর সেই পার্থই গতকাল মানিকের ডাকে সাড়া দিলেন না।

  • Cyclone Sitrang: মঙ্গলবার ভোরে ল্যান্ডফল, কোথায় আছড়ে পড়ছে সিত্রাং?

    Cyclone Sitrang: মঙ্গলবার ভোরে ল্যান্ডফল, কোথায় আছড়ে পড়ছে সিত্রাং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলোর উৎসবকে কি ছারখার করে দেবে ঘূর্ণিঝড়? এখন এই আতঙ্কেই দিন কাটাচ্ছে বাঙালি। রবিবার বিকেলে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে হয়তো ঘূর্ণিঝড়টি আছড়ে পড়বে না। তবে বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই রাজ্যবাসীর। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি রবিবার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এবার এটি বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশের তিনকোনা দ্বীপ ও সন্দ্বীপের মধ্যবর্তী স্থানে উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভবনা রয়েছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং- এর। 

    আরও পড়ুন: সিত্রাং এর প্রবাহে দীপাবলির আলো ম্লান হবার মুখে

    মৌসম ভবনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায়, পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ থেকে ৫৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং বাংলাদেশের বরিশাল থেকে ৭৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে ছিল ঘূর্ণিঝড়টি। ক্রমশ এটি উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে থাকবে। ২৪ তারিখ শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ২৫ অক্টোবর সকালে তিনকোনা দ্বীপ এবং সন্দ্বীপের মধ্য দিয়ে, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং বাংলাদেশ উপকূলে আছড়ে পড়বে।

     


    ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এর প্রভাবে ইতিমধ্যে বাংলার জেলায় জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। ২৪ অক্টোবর সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, তার সঙ্গে চলছে বৃষ্টি। সিত্রাং-এর ল্যাজের ঝাপটা বঙ্গের একাধিক উপকূলে পড়বে। যার জেরে উত্তাল হবে সমুদ্র। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ৬ ফুট উঁচু সমুদ্রের ঢেউ হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাবব পড়বে দক্ষিণবঙ্গের ৩ জেলায়। বেশি প্রভাব পড়বে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে। প্রভাব পড়বে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হবে রবিবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত। এরপর থেকে বাতাসের গতি ও বৃষ্টি দুটোই কমবে। পশ্চিমবঙ্গে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এর প্রভাবে বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। তবে এর সঙ্গে ভরা কোটালের কারণে বাড়তি নজরজারির কথা জানিয়ে, সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। 

    কলকাতায় মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার বিকেল থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। সোমবার ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে আর মঙ্গলবার ৪০-৫০ কিলোমিটার ও সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে শহরে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই তিলোত্তমার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। সঙ্গে রয়েছে হাল্কা বৃষ্টি। এদিন শহরের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৮ ও ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

         

            

  • Cyclone Sitrang: বাংলায় আছড়ে পড়ছে না সিত্রাং, তবে বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই কালীপুজোয়

    Cyclone Sitrang: বাংলায় আছড়ে পড়ছে না সিত্রাং, তবে বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই কালীপুজোয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর আগেই খুশির খবর দিল হাওয়া অফিস। বাংলায় আছড়ে পড়ছে না সিত্রাং। তবে বৃষ্টি থেকে এখনই রেহাই মিলছে না। ঘূর্ণিঝড় আছড়ে না পড়লেও, এর জেরে রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    মৌসম ভবন সূত্রে খবর, আগামী সোমবার থেকে বৃষ্টি শুরু হবে। উপকূল এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রভাব পড়তে পারে কলকাতাতেও (Kolkata)। তবে তিলোত্তমায় ঝোড়ো হাওয়ার থেকে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেশি। তবে আজ এবং আগামীকাল আকাশ পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। সকালে ও রাতের দিকে আবহাওয়া মনোরম থাকবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের তাপমাত্রা থাকবে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, রাজ্যে এক সপ্তাহেই আক্রান্ত প্রায় ৭ হাজার 

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আন্দামানের নিম্নচাপটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হচ্ছে। আন্দামান সাগর ও পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এটি আজ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এরপর পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম দিকের বদলে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। আগামীকাল এটি অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে আবার দিক পরিবর্তন করে উত্তর দিক বরাবর অগ্রসর হবে। পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে সোমবার তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এরপর উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হবে ঘূর্ণিঝড়টি। মঙ্গলবার তা সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্মে পরিণত হয়ে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূল বরাবর সমুদ্রে অবস্থান করবে। এরপর বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকা দিয়ে এটি স্থলভাগে ঢুকতে পারে বলে অনুমান করছেন আবহাওয়াবিদরা। তাই বাংলাদেশে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি।

    তবে ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সতর্ক প্রশাসন। প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে সবদিক থেকে। এদিকে মাইকিং চলছে সুন্দরবনের একাধিক এলাকায়। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের মোকাবিলায় বাংলা-ওড়িশা উপকূলে নৌবাহিনীর বিশেষ দল নামানো হয়েছে। এ ছাড়া আকাশপথে নজরদারি চালাচ্ছে উপকূলরক্ষী বাহিনী। নিউ দিঘা থেকে খেজুরি অবধি দীর্ঘ ৭১ কিলোমিটার উপকূল এলাকায় নৌ-বাহিনীর পাশাপাশি নজর রাখতে চলেছে ভারতীয় উপকূলীয় বাহিনী। হলদিয়া থেকে উপকূলীয় বাহিনীর জাহাজে নজর রাখা হচ্ছে। নৌবাহিনীর মোট তিনটি বিশেষ দল এসেছে বিশাখাপত্তনম থেকে।

    সমুদ্রের পাড়ের একাধিক গ্রাম সাময়িক সময়ের জন্যে খালি করা হতে পারে। তারপরেও যদি কেউ সমুদ্রে তলিয়ে যান তা হলে এই বিশেষ ডাইভিং টিম উদ্ধার কাজে নেমে পড়বেন। আর যদি কোথাও মাটির বাড়ি বা পাকা বাড়ির নীচে কেউ চাপা পড়ে যান বা দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে নৌ-বাহিনীর এই বিশেষ দল কাজ করবে। এ ছাড়া ডরনিয়ার বিমানে চেপে চক্কর কাটছে ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী। মাঝসমুদ্রে থাকা পণ্যবাহী জাহাজ ও ভেসল যা আছে তাদের উপকূলে ফেরানোর ব্যবস্থা করছে। 

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, নেভির দুটো ডাইভিং টিম, ৫ খানা ফ্লাড রিলিফ টিম ও বিশেষ নৌকা আনা হয়েছে। এই টিম থাকতে পারে দিঘা ও ফ্রেজারগঞ্জে। এ ছাড়া একটি ফ্লাড রিলিফ টিম ডায়মন্ড হারবারে স্ট্যান্ডবাই হিসাবে রাখা হতে পারে। এই সব দল গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করা, আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা, রিলিফ মেটিরিয়াল পৌছে দেওয়ার কাজ করবে। নৌ বাহিনীর তরফে এয়ারড্রপ করানোর ব্যবস্থা থাকছে। রাজ্য সরকার সাহায্য চাইলেই ত্রাণ পাঠানো বা উদ্ধার কাজের জন্যে এই টিম ঝাঁপিয়ে পড়বে। এ ছাড়া চিকিৎসকদের একটি দল প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। সাইক্লোনের পরেই তাঁরা বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে যাবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

        

  • Cyclone Sitrang: ১১০ কিলোমিটার বেগে ছুটে আসছে সিত্রাং, কোথায় প্রভাব বেশি?

    Cyclone Sitrang: ১১০ কিলোমিটার বেগে ছুটে আসছে সিত্রাং, কোথায় প্রভাব বেশি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং ( (Cyclone Sitrang)। আন্দামানে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তই শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আর সেই নিম্নচাপই বঙ্গোপসাগরের উপরে পৌঁছেই শক্তি বাড়াতে শুরু করেছে। কালীপুজোর দিনই ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এ পরিণত হতে পারে এই নিম্নচাপ। মঙ্গলবারই তা আরও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। পশ্চিমবঙ্গেও প্রভাব দেখাতে পারে সিত্রাং। বাংলাদেশেও আছড়ে পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধ্র প্রদেশ সহ একাধিক রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।  

    দুর্গাপুজোর আনন্দে জল ঢেলেছিল বৃষ্টি। ফের কালীপুজোতেও একই আশঙ্কা। বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরেই দীপাবলি থেকে ভাইফোঁটা অবধি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, অন্ধ্র উপকূল ধরে ঘূর্ণিঝড়টি পশিচিমবঙ্গের উপকূলের কাছ ঘেষে বাংলাদেশের উপরে আছড়ে পড়তে পারে। যদি এই পথেই এগোয় ঘূর্ণিঝড়টি, তবে রাজ্যে দুর্যোগের আশঙ্কা কম। তবে, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তু প্রশাসন। দক্ষিণবঙ্গের জেলাপ্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যসচিব। ধান তুলে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বিদ্যুত্‍ দফতর। জরুরি পরিষেবায় যুক্ত সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে (Weather Update)।

    আরও পড়ুন: গরু পাচার কাণ্ডে বিপত্তি বাড়ল অনুব্রতের! আজই দিল্লিতে ইডির হাতে সায়গল

    বিশেষ করে সাবধান করা হয়েছে উপকূলবর্তী জেলাগুলিকে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একদিকে যেখানে নিম্নচাপের জেরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে অমাবস্যায় ভরা কোটালেরও সম্ভবনা রয়েছে। এই কারণেই আগামী ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর অবধি মৎসজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উপকূল এলাকায় যাদের বাড়ি তাদের সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। 

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বদিকে পৌঁছে যাবে নিম্নচাপটি। আগামিকাল তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবরের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলে পৌঁছে যাবে। ঘূর্ণিঝড়টি ল্য়ান্ডফল বা স্থলভাগে প্রবেশের সময় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার। রবিবার থেকেই রাজ্যের উপকূলবর্তী তিন জেলা উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে আকাশের মুখ ভার হতে শুরু করবে৷ তিন জেলারই উপকূল লাগোয়া এলাকায় শুরু হবে হাল্কা বৃষ্টি৷

    সোমবার থেকেই অবশ্য দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আবহাওয়ার পরিবর্তন চোখে পড়বে৷ শুরু হবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া৷ উপকূলের জেলাগুলিতে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে৷ মঙ্গলবার উপকূলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে৷ এর পাশাপাশি উপকূলের তিন জেলা দুই চব্বিশ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে৷ দমকা হাওয়ার গতিবেগ পৌঁছতে পারে প্রতি ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার৷

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

      

              

        
  • TET Agitation: হাইকোর্টের ১৪৪ ধারা রায়ের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা চাকরিপ্রার্থীদের

    TET Agitation: হাইকোর্টের ১৪৪ ধারা রায়ের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা চাকরিপ্রার্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ ২০১৪ সালের উত্তীর্ন টেট প্রার্থীরা (TET Agitation)। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের ১৪৪ ধারার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দারস্থ চাকরি প্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার রাতে করুণাময়ী থেকে আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীদের জোর খাটিয়ে তুলে দেয় পুলিশ। একেবারে চ্যাং ধোলা করে মধ্যরাতে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয় অনশনকারী চাকরি প্রার্থীদের। 

    আর এই ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আন্দোলনকারীরা। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির সচিবালয়ে সঙ্গে যোগাযোগ করেন টেট আন্দোলনকারীরা। রাতেই কোর্ট বসিয়ে জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদনও জানানো হয়। আদালত এই বিষয়ে মামলা করার অনুমতি দেয়। অমিত মজুমদার, শুভঙ্কর ঘোষ এবং শান্তনু দেবনাথ নামের তিন প্রার্থী মামলা করেছেন। যেখানে আবেদনকারীদের দাবি, পুলিশ জোরে করে তাঁদের তুলে দেয়। এমনকি তাঁদের বক্তব্য না শুনেই আদালত রায় দিয়েছে বলে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন আবেদনকারীদের। মনে করা হচ্ছে, আগামী শুক্রবার ওই মামলার শুনানি শুরু হতে পারে।

    গতকালই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ হাইকোর্টে মামলা করে আর্জি জানায়, সল্টলেক করুণাময়ীর যে চত্বরে টেট-প্রার্থীরা আন্দোলন করছেন, সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা রয়েছে। ফলে অবস্থান-জমায়েত তুলে দেওয়া হোক। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পর্ষদের সামনে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে তা বজায় রাখতে প্রশাসন ধর্না তুলে দিতে পারে। সে জন্য যা ব্যবস্থা নেওয়ার তা নিতে পারে প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে জোর ধাক্কা সায়গলের, দিল্লিতে জেরা করার অনুমতি পেল ইডি

    আর এরপরেই আন্দোলনকারীদের সরাতে প্রচুর পুলিশ জমায়েত হতে থাকে করুণাময়ী চত্বরে। এরপর আন্দোলনকারীদের জমায়েতকে বেআইনি বলে ঘোষণা করা হয় প্রথমে। তারপর তাঁদের সরে যাওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয় দুই মিনিট। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তাঁদের দাবি ও আন্দোলনে অনড় থাকে। ফলে আন্দোলনকারীরা না সরলে কার্যত তাঁদের জোর করে টেনে-হিঁচড়ে জায়গা থেকে সরানো হয়। আন্দোলনকারীদের মধ্যে আবার ২০ জনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় নিউটাউন থানায়। আন্দোলনকারীদের মধ্যে বহু মহিলাও ছিলেন৷ তাই তাঁদের সরানোর জন্য মহিলা পুলিশও নিয়ে আসা হয়েছিল৷ কান্নায় ভেঙে পড়েন আন্দোলনকারীরা। তিন দিন ধরে অনশনে থাকা চাকরিপ্রার্থীরা এই ধস্তাধস্তির মধ্যে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন৷ কেউ কেউ সংজ্ঞা হারান৷ 

    জানা গিয়েছে, ২০১৪-এর টেট উত্তীর্ণরা প্রায় ৯০ঘণ্টা ধরে আমরণ অনশন ও আন্দোলন চালাচ্ছিলেন। ফলে তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই ক্লান্ত-অবসন্ন ছিলনে। সেসময় হঠাৎ করে পুলিশ এসে ১৪৪ ধারার কথা জানালে তাঁরা আন্দোলনে অনড় থাকে। কিন্তু তাঁদের আন্দোলন থেকে সরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে পুলিশ। এর ফলে প্রায় কিছু সময়ের মধ্যেই তাঁদের ওপর জোর খাটিয়ে কাউকে চ্যাংদোলা করে, কাউকে টানতে টানতেই প্রিজন ভ্যানে তুললেন। এরপরে মধ্যরাতে ২০১৭-র চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভও তুলে দেয় পুলিশ। প্রথমে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের আলোচনা চলে কয়েক মিনিট। তার পরে সেখানেও গায়ের জোর প্রয়োগ করেই তোলা হয় সবাইকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share