Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Weather Update: পুরুলিয়ায় ৭.৫ ডিগ্রি, ঝাড়গ্রামে ৯, কলকাতায় কত? সাত জেলায় শৈত্য প্রবাহের সতর্কতা

    Weather Update: পুরুলিয়ায় ৭.৫ ডিগ্রি, ঝাড়গ্রামে ৯, কলকাতায় কত? সাত জেলায় শৈত্য প্রবাহের সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের কামড়ের আঁচ আন্দাজ করে ইতিমধ্যে সাত জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হু হু করে নামছে তাপমাত্রা। আরও কয়েকদিন এই ধারা বজায় থাকবে বলে হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে। ফলে, জাঁকিয়ে শীতের (Winter) পরিস্থিতি চলবে রবিবার পর্যন্ত।

    শৈত্য প্রবাহের সতর্কতা কোন কোন জেলায়? (Weather Update)

    পশ্চিমের সাত জেলায় শৈত্য প্রবাহের সতর্কতা (Weather Update) জারি করা হয়েছে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকে নীচে থাকবে। জেলাগুলি হল পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, – ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায়। আগামীকালও পশ্চিমের জেলায় শৈত্য প্রবাহের পরিস্থিতি। কুয়াশার দাপট থাকবে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায়। বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা থাকবে কলকাতা সহ বাকি জেলাতেও। কুয়াশার পরিমাণ বাড়বে সোমবার ও মঙ্গলবার। শনিবার থেকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদা জেলাতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘুদের কারও পদোন্নতি আটকে, কাউকে কমিশনে না রেখে সমানে চলেছে দমন-পীড়ন!

    পুরুলিয়ায় ৭.৫ ডিগ্রি, ঝাড়গ্রামে ৯, কলকাতায় কত?

    শনিবার কলকাতার (Weather Update) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি! রাত ও দিনের দুই তাপমাত্রাই স্বাভাবিকের বেশ কিছুটা নীচে। আপাতত ১৫ ডিগ্রির নীচেই থাকবে তাপমাত্রা। পশ্চিমের জেলাগুলির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কলকাতার প্রায় অর্ধেক! আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শনিবার সকালে পুরুলিয়ার তাপমাত্রা ছিল ৭.৫ ডিগ্রি, শ্রীনিকেতনে ৮.২ ডিগ্রি, ঝাড়গ্রামে ৯ ডিগ্রি, পানাগড়ে ৯.৬ ডিগ্রি, কল্যাণীতে ১০.৫ ডিগ্রি, বর্ধমানে ১০ ডিগ্রি, বাঁকুড়ায় ১১.৪ ডিগ্রি, দিঘাতে ১২ ডিগ্রি! একইভাবে উলুবেড়িয়ায় ১১.৪ ডিগ্রি, ডায়মন্ড হারবারে ১৩.৪ ডিগ্রি, ক্যানিং: ১৩.৬ ডিগ্রি এবং দমদমে ১৪ ডিগ্রি। জাঁকিয়ে শীতের স্পেল উত্তরবঙ্গেও। স্বাভাবিকের নীচেই থাকবে পারদ। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

    বৃষ্টির সম্ভাবনা কোথায়?

    হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী দু’তিন দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। সোম, মঙ্গলবার নাগাদ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে তামিলনাড়ু, পন্ডিচেরি এবং কেরালাতে। ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে ওড়িশা, অসাম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরাতে। চরম শৈত্য প্রবাহ থাকবে পঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ, জম্মু-কাশ্মীর-সহ একাধিক রাজ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: আরামবাগে পাক-জঙ্গির হদিশ! অভিযুক্তের বাড়িতে এনআইএ, তল্লাশিতে কী কী মিলল?

    NIA: আরামবাগে পাক-জঙ্গির হদিশ! অভিযুক্তের বাড়িতে এনআইএ, তল্লাশিতে কী কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ পরিস্থিতির আবহে হুগলির আরামবাগে এক জঙ্গির হদিশ পেল এনআইএ। শুক্রবার ওই জঙ্গির খোঁজে আরামবাগের সানাপাড়া এলাকায় হানা দেয় এনআইএ (NIA)। সাবিরউদ্দিন নামে ওই সন্দেহভাজন যুবক পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন।

    তল্লাশিতে কী কী পেল এনআইএ? (NIA)

    শুক্রবার দেশের ৮টি রাজ্যের ১৯ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল এনআইএ। তাঁদের (NIA) কাছে খবর ছিল রাজ্যে রাজ্যে জাল ছড়িয়েছে জৈশ-ই-মহম্মদ। বিভিন্ন রাজ্যে রয়েছে তাদের লোক। ধৃত শেখ সুলতান সালাউদ্দিন আয়ুবির থেকে এই তথ্য পেয়ে রাজ্যে রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েন এনআইএ গোয়েন্দারা। তল্লাশি চালানো হয়, অসম, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, বাংলা, জম্মু-কাশ্মীর, রাজস্থান, গুজরাটে। বাংলায় এনআইএ-র দলটি চলে যায় হুগলিতে। সেখানে এক যুবককের খোঁজ করা হয় বলে খবর। সূত্রের খবর, এনআইএ বৃহস্পতিবার আরামবাগের (Arambagh) মায়াপুরের সানাপাড়া এলাকায় হানা দেয়। সেখানে শেখ সাবিরউদ্দিন আলি নামক এক যুবকের খোঁজ চালান গোয়েন্দারা। যদিও এখনও তার খোঁজ মেলেনি বলেই জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, আরামবাগে এনআইএ টিম বেশ কিছু ক্ষণ সন্দেহভাজনের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। তাতে নাকি পাওয়া গিয়েছে ল্যাপটপ, পেনড্রাইভ, নগদ টাকা, সিডি, হার্ড ডিস্ক। এ থেকেই মিলেছে সন্দেহজনক চ্যাট। এরপর থানার হাজিরা দিতে একটি নোটিশও ঝুলিয়ে দেন গোয়েন্দারা।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘুদের কারও পদোন্নতি আটকে, কাউকে কমিশনে না রেখে সমানে চলেছে দমন-পীড়ন!

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    নোটিশ পেয়েই সাবিরউদ্দিন ও তাঁর বাবা সাইফুদ্দিন কলকাতার অফিসে (NIA) হাজিরা দিতে চলে যান। এদিকে খবর চাউর হতেই এলাকায় রীতিমতো হইচই কাণ্ড শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে এলাকার অনেক বাসিন্দাই বলছেন, সাবিরউদ্দিন মেধাবি। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। বিএড পাশও করেছেন। আচরণও ভালো। এলাকায় কারও সঙ্গে কোনও ঝামেলা করতে না। সেই তিনি কী করে এই ধরনের কাজে যুক্ত থাকতে পারেন তা ভেবে কূল-কিনারা পাচ্ছেন না কেউ। সন্দেহভাজনের এক আত্মীয় জানালেন, কারও সঙ্গে মেলামেশা করে না সাবিরউদ্দিন। চুপচাপই থাকে। বাড়ির ছেলের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ, তাও বুঝে উঠতে পারেননি তাঁরা। তাঁদের দাবি, দিল্লির কোনও কেসে সাবিরউদ্দিনের খোঁজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।

    হতবাক প্রতিবেশীরা!

    এদিকে সাবিরের বাড়ির আর্থিক অবস্থাও বিশেষ ভালো নয়। ভগ্নপ্রায় অবস্থায় রয়েছে মাটির বাড়ি। দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারের সম্বল বলতে শুধুই কিছু জমি। এলাকার লোকজন জানাচ্ছেন, ধান চাষের ওপর নির্ভর করেই মূলত চলে সংসার। সেই পরিবারের ছেলে কী করে এমন কাজ করতে পারে তা ভেবেই অবাক প্রতিবেশীরা। এদিকে এনআইএ আসতেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা নাসিমা বেগম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: তৃণমূল নেতার বাড়িতে এনআইএ অভিযান, বাজেয়াপ্ত মোটা ডায়েরি, ল্যাপটপ ব্যাগ

    NIA: তৃণমূল নেতার বাড়িতে এনআইএ অভিযান, বাজেয়াপ্ত মোটা ডায়েরি, ল্যাপটপ ব্যাগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) নেতার বাড়িতে এনআইএ (NIA) অভিযান। শুক্রবার সকালে কাঁথির তৃণমূল নেতা মানব পড়ুয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার ৭-৮জন আধিকারিকের একটি দল। মানব পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। বেশ কিছুক্ষণ পরে যখন তদন্তকারীরা মানবের ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন, তখন তাঁদের হাতে সাদা কাপড়ে মোড়া বেশ কয়েকটি মোটা ডায়েরি ও একটি ল্যাপটপ ব্যাগ। রবিবার কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কে নির্বাচন। এই নির্বাচনে তৃণমূলের বাজি মানবই। বিজেপির দাবি, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ।   

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    আদত বাড়ি ভূপতিনগরে হলেও, বর্তমানে কাঁথিতেই থাকেন মানব। তদন্তের পরে তিনি বলেন, “২০২২ সালে নাড়ুয়াবিলা গ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনায় যে মামলা হয়েছিল, তার তদন্তেই এনআইএর প্রতিনিধিরা এসেছিলেন। আমি তদন্তে সব রকম সহযোগিতা করেছি। ওঁরা বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি করেছেন। এর পর ওঁরা চলে গেলেন।” তিনি বলেন, “ওই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনও যোগ ছিল না। তবে আগামিদিনে তদন্তকারীরা আবার আসবেন কিনা, সেটা ওঁরাই বলতে পারবেন।”

    ভয়াবহ বিস্ফোরণ

    ২০২২ সালের ২ ডিসেম্বর রাত ১১টা নাগাদ ভূপতিনগরের নাড়ুয়াবিলা গ্রামে তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্নার বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছিল। সেই বিস্ফোরণে রাজকুমার-সহ মৃত্যু হয়, তাঁর ভাই দেবকুমার মান্না ও বিশ্বজিৎ গায়েনের। অভিযোগ, তৃণমূলের বুথ সভাপতির বাড়িতে বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। সেই ঘটনায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় এনআইএর (NIA) হাতে। সেই তদন্তেই শুক্রবার কাঁথি থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মানবের বাড়িতে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘সিংহের সঙ্গে কুকুরের লড়াই হয় না”, বাংলাদেশের মৌলবাদীদের কড়া বার্তা দিলেন দিলীপ

    বিজেপি নেতা দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “নাড়ুয়াবিলা বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই মামলায় এনআইএ অত্যন্ত ধীর গতিতে তদন্ত চালাচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা এখনও বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আজ এনআইএ সেই ঘটনার তদন্তের জন্য একজনের বাড়িতে অভিযানে এসেছিল। এই তদন্ত দ্রুত শেষ করে অভিযুক্তদের (TMC) গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি (NIA)।”

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: জয়নগরের পর বিচার পেল ফরাক্কা, নাবালিকা ধর্ষণ-খুনে ফাঁসির সাজা

    Murshidabad: জয়নগরের পর বিচার পেল ফরাক্কা, নাবালিকা ধর্ষণ-খুনে ফাঁসির সাজা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়নগরের পর মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ফরাক্কা। আবারও নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দ্রুত বিচার পেল নির্যাতিতার পরিবার। প্রায় দুমাসের মধ্যেই এই ঘটনায় মূল দুই অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে কঠোরতম সাজা শোনাল আদালত। ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত দীনবন্ধু হালদারকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হল। আর এক অভিযুক্ত শুভজিৎ হালদারের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জঙ্গিপুর ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক অমিতাভ মুখোপাধ্যায় শুক্রবার বিকেলে দুই অভিযুক্তের সাজা ঘোষণা করেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Murshidabad)

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ফরাক্কায় (Farakka ) নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাটি ঘটেছিল ১৩ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিন। ওই নাবালিকার বাবা ও মা দু’জনেই কর্মসূত্রে রাজ্যের বাইরে থাকেন। তাই, নাবালিকাও তাঁদের সঙ্গে ভিন রাজ্যে থাকত। কিন্তু, পুজো উপলক্ষে সে ফরাক্কায় তার মামাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। দশমীর সকালে মেয়েটি অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে খেলা করছিল। সেই সময়েই দীনবন্ধু হালদার তাকে ভুলিয়ে নিজে ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে বাচ্চাটির ওপর চরম যৌন অত্যাচার করা হয় এবং পরে তাকে খুন করে বস্তাবন্দি করে রাখা হয়। এই কুকীর্তিতে দীনবন্ধুকে পূর্ণ সহযোগিতা করে শুভজিৎ। এই দু’জনই এই এলাকার বাসিন্দা এবং তারা দু’জনই মাছ বিক্রেতা। এই প্রসঙ্গে এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার বলেন, “মূল দুই অপরাধী এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া চেষ্টা করলেও, তাতে লাভ হয়নি। তারা যে নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়ে ওই ঘরে ঢুকেছিল, সেটা স্থানীয় এক মহিলা দেখে ফেলেন। পরবর্তীতে পুলিশের তদন্তে গোটা ঘটনা পরিষ্কার হয়ে যায়।”

    আরও পড়ুন: সর্বকনিষ্ঠ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন! দাবায় সেরা ডি গুকেশ, কুর্নিশ সচিন-মোদি-মুর্মুদের

    ময়না তদন্তের রিপোর্টে কী জানা যায়?

    ময়না তদন্তের (Murshidabad) রিপোর্টে জানা যায়, ওই নাবালিকার ওপর পৈশাচিক অত্যাচার করা হয়েছিল। মেঝেয় মাথা থেঁতলে খুন করা হয়েছিল মেয়েটিকে। যে কারণে তার গলার হাড় ভেঙে যায়! এমনকী, মৃত্যুর পরও নাবালিকার মৃতদেহের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হয়! পুলিশের দাবি, তথ্য-প্রমাণ যথাযথ থাকায় ধৃত দীনবন্ধ ও শুভজিতের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে কোনও সমস্যা হয়নি। পাশাপাশি, আদালতও অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এই মামলার শুনানি করেছে। বৃহস্পতিবারই জঙ্গিপুরের আদালত ধৃতদের দোষী সাব্যস্ত করেছিল এবং শুক্রবার তাদের সাজা ঘোষণা করা হল। উল্লেখ্য, জয়নগরেও নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মাত্র ৬২ দিনের মাথায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা এবং তার বিরুদ্ধে ফাঁসির সাজা ঘোষণার প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছিল। তারপর সমান দ্রুততার সঙ্গে ফরাক্কাতেও দোষীদের শাস্তি দেওয়া হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Dinajpur: ‘‘জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়ি-ঘর”! প্রাণভয়ে ভারতে দুই বাংলাদেশি বৃদ্ধা

    North Dinajpur: ‘‘জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়ি-ঘর”! প্রাণভয়ে ভারতে দুই বাংলাদেশি বৃদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ। মৌলবাদীদের লাগাম ছাড়া অত্যাচার চলছে। কয়েকদিন আগে চোপড়ায় বাংলাদেশি নাবালিকার প্রাণভয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের ঘটনা মনে আছে? সেই ঘটনার রেশ মিটতে না মিটতেই এবার উত্তর দিনাজপুরের (North Dinajpur) কালিয়াগঞ্জে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশের দায়ে বিএসএফের হাতে আটক হলেন দুই বৃদ্ধা। লাগাতার প্রাণনাশের হুমকি ও অত্যাচারের ভয়ে তাঁরা ভারতে এসেছে বলে দাবি করেছেন। সীমান্তে বিএসএফ আটক করার পর তাঁদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়ি-ঘর, মেয়েদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে! (North Dinajpur)

    পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুই বৃদ্ধার নাম আধো বর্মন (৮০) ও কাঞ্জু বালা (৭৪)। আধো বর্মনের বাড়ি বাংলাদেশের পীরগঞ্জ এলাকায়। আর কাঞ্জু বালার বাড়ি বাংলাদেশের দিনাজপুর এলাকায়। তাঁদের রাধিকাপুর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে আটক করে কালিয়াগঞ্জ থানার (North Dinajpur) পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ। পরে,তাঁদের রায়গঞ্জ জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

    আরও জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে বেশ কিছুদিন ধরেই লাগাতার হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছিল তাঁদের। তাঁরা বলেন, “ওই এলাকায় অনেক সংখ্যালঘু মানুষের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির মেয়েদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, বাড়িঘর লুটপাট ও গবাদি পশুও নিয়ে চলে যাওয়া হচ্ছে। এলাকায় আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে। এলাকায় মিছিল করে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আর ওদেশে ফিরব না। চরম আতঙ্কে প্রাণ হাতে নিয়ে এদেশে চলে এসেছি। এখানে আমাদের সন্তানরা রয়েছে।” আদো বর্মনের ছেলে  সুরেন্দ্র বর্মন জানিয়েছেন, “আমার মা খুব আতঙ্কে ছিলেন। ওখানে থাকার মতো পরিস্থিতি নেই। ওপারে সব ঠিক কবে হবে জানি না। তাই মা সব ছেড়ে আমার কাছে চলে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” অপর ধৃত বৃদ্ধা কাঞ্জু বালা বলেন, “ওখানে খুব অত্যাচার চলছে। বাড়ি ঘর ভেঙে দিয়েছে। থাকার জায়গা নেই। তাই এদেশে চলে এসেছি। এখানে মেয়ের বাড়ি।”  এই ঘটনায় সরকারি আইনজীবী নীলাদ্রী সরকার বলেন, “অনুপ্রবেশের দায়ে দুই বৃদ্ধাকে আটক করা হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘সিংহের সঙ্গে কুকুরের লড়াই হয় না”, বাংলাদেশের মৌলবাদীদের কড়া বার্তা দিলেন দিলীপ

    Dilip Ghosh: ‘‘সিংহের সঙ্গে কুকুরের লড়াই হয় না”, বাংলাদেশের মৌলবাদীদের কড়া বার্তা দিলেন দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) মাটিতে দিকে দিকে উঠছে ভারত-বিরোধী স্লোগান। এই আবহে ভারত বিরোধী স্বরকে তীব্রতর করছেন মৌলবাদী কট্টরপন্থীরা। ভারতীয়দের লাথি মেরে বাংলাদেশ ছাড়া করার হুমকি দিয়েছেন সে দেশের গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম সচিব তারেক রহমান। একের পর এক নেতার মুখে যখন ভারত বিরোধী স্লোগান চলছেই, তখনই মৌলবাদী নেতাদের তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সিংহের সঙ্গে কুকুরের লড়াই হয় না বলে কটাক্ষ তাঁর। কট্টপন্থীদের সঙ্গে ভিখারিরও তুলনা করেন তিনি।

    সিংহের সঙ্গে কুকুরের লড়াই হয় না (Dilip Ghosh)

    হাসিনা সরকারের অবসান ঘটিয়ে এখন বাংলাদেশের ক্ষমতায় রয়েছে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। ইতিমধ্যে সেদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটে চলা ধারাবাহিক হিংসার ঘটনায় ইউনূস সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে ভারত। এরপর থেকেই ভারত বিরোধী স্লোগান উঠছে বাংলাদেশে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই শুক্রবার সকাল সকাল বাংলাদেশ নিয়ে তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ। জলপাইগুড়িতে ‘চায়ে পে চর্চায়’ তিনি (Dilip Ghosh) বাংলাদেশের মৌলবাদীদের বলেন, ‘‘সিংহের সঙ্গে কুকুরের লড়াই হয় না। ভিখারিদের আশ্রয় ফুটপাতেই হয়।”

    তৃণমূলকেও নিশানা দিলীপের

    এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসকেও সংখ্যালঘু তোষণ নিয়ে তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, ‘‘সিরিয়ার ঘটনা দেখে কিছু বুঝুন, গাজায় বোম ফাটলে মিছিল হয়, অথচ ওপার বাংলার হিন্দুদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে মিছিল করার হিম্মত নেই তৃণমূলের।” এদিকে উত্তরবঙ্গের জনবিন্যাস পরিবর্তনের চেষ্টার অভিযোগ এনে দিলীপ বলেন, ‘‘আফগান নাগরিকদের জন্ম মৃতুর সার্টিফিকেট দিয়ে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে মালবাজার পুরসভা। হাজার হাজার কোটি টাকা আয় করছে তৃণমূল নেতারা।”

    আরও পড়ুন: সর্বকনিষ্ঠ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন! দাবায় সেরা ডি গুকেশ, কুর্নিশ সচিন-মোদি-মুর্মুদের

    প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে পর্যন্ত উত্তর পূর্ব ভারত, বিহার, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ দখলের ডাক দিচ্ছিল কয়েকজন বাংলাদেশি মৌলবাদী। ইউনূস জমানায় সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সব দাবি এবং সেই সংক্রান্ত পোস্টে ভরিয়ে দিয়েছিলেন কট্টরপন্থীরা। বাংলাদেশের বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভি ভারতের একাংশ দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। আবার বাংলাদেশের তিসরাই ইনসাফ পার্টির নেতা মিনাজ প্রধানও বলেন, ‘‘আমরা চার দিনের মধ্যেই কলকাতা, আগরতলা ও সেভেন সিস্টার্স দখল করে নিতে পারি।” যার পালটা তোপ দেগে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘‘দুটো রাফাল পাঠালে সেই আওয়াজেই প্যান্টে বাথরুম করে দেবে।’’ এবার বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ (Dilip Ghosh) বাংলাদেশের মৌলবাদী নেতাদের তুলোধনা করলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: জাঁকিয়ে শীত রাজ্যে! এক ধাক্কায় বিরাট পতন তাপমাত্রায়, কোন কোন জেলায় শৈত্যপ্রবাহ?

    Weather Update: জাঁকিয়ে শীত রাজ্যে! এক ধাক্কায় বিরাট পতন তাপমাত্রায়, কোন কোন জেলায় শৈত্যপ্রবাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান। এবার জাঁকিয়ে শীত পড়তে চলেছে রাজ্যে। অবশেষে রাজ্যে শৈত্যপ্রবাহ শুরু! বাধাহীন ভাবে বইছে উত্তুরে হাওয়া। বিশেষত পশ্চিমের জেলাগুলিতে কাঁপুনি দিয়ে পড়তে পারে শীত। শুষ্ক আবহাওয়া (Weather Update)  রাজ্যে। অবাধ উত্তুরে হাওয়া। আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। দু-এক জেলায় সকালের দিকে সামান্য কুয়াশা দিনভর পরিষ্কার আকাশ।

    কতদিন চলবে শৈত্য প্রবাহ? (Weather Update)  

    হাওয়া (Weather Update) অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মরশুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ রাজ্যে। ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার থেকে ১৫ ডিসেম্বর রবিবার পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ চলবে রাজ্যের পশ্চিমের জেলায়। ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলতি শীতের প্রথম ইনিংসের দাপুটে ব্যাটিং। শুক্রবার শৈত্যপ্রবাহ শুরু দক্ষিণবঙ্গের চার জেলা পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে। কাল এবং পরশু, অর্থাৎ শনি ও রবিবারে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কবার্তা পাঁচ জেলায়। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম এই পাঁচ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ চলবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১০ ডিগ্রির নিচে নামল পারদ। ১৪ ডিসেম্বর রাতেই দক্ষিণের জেলাগুলোর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত নিচে নেমে যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাতেও তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা স্বাভাবিকের নিচে থাকবে। জাঁকিয়ে শীতের পরিস্থিতি দক্ষিণবঙ্গে। উত্তরের ৪ জেলাও পড়তে পারে শৈত্যপ্রবাহের কবলে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পূর্বাভাস।

    আরও পড়ুন: সর্বকনিষ্ঠ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন! দাবায় সেরা ডি গুকেশ, কুর্নিশ সচিন-মোদি-মুর্মুদের

    কোন কোন জেলায় কুয়াশার দাপট?

    উত্তরবঙ্গে শুক্রবার কুয়াশা থাকবে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলাতে। আবহাওয়া (Weather Update) দফতর জানাচ্ছে, কুয়াশার দাপট থাকবে দক্ষিণবঙ্গের তিন জেলাতে। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলাতে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা সহ বাকি জেলাতেও সকালের দিকে ধোঁয়াশা থাকবে। কলকাতায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে। সারাদিন উত্তরে হাওয়ার অবাধ বিচরণ। রাতের তাপমাত্রা শুক্রবার সামান্য নামবে। শনিবার রাতের তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি কম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: আধাসেনায় ৪৬ হাজার নিয়োগে নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, রোজগার মেলায় নিয়োগপত্র দিতে পারবেন মোদি!

    Calcutta High Court: আধাসেনায় ৪৬ হাজার নিয়োগে নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, রোজগার মেলায় নিয়োগপত্র দিতে পারবেন মোদি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে আধাসামরিক বাহিনীতে ৪৬ হাজার ৬১৭ শূন্য পদে নিয়োগে সবুজ সঙ্কেত দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মূল মামলাকারীরা পরবর্তী কালে যোগ্য বলে বিবেচিত হলে তাঁদের মেধা তালিকায় স্থান দিতে হবে।বৃহস্পতিবার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, আধাসেনা বাহিনীর ওই নিয়োগের মেধাতালিকা প্রকাশ করা যাবে। ফলে, রোজগার মেলায় চাকরিপ্রার্থীদে নিয়োগপত্র দিতে পারবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।  

    মামলাকারীদের কী বক্তব্য? (Calcutta High Court)

    গত বছর দেশ জুড়ে আধাসেনার ৪৬ হাজার ৬১৭ শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয় স্টাফ সিলেশন কমিশন (এসএসসি)। সেই মতো সারা দেশে তিন লক্ষের বেশি আবেদন জমা পড়ে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে এসএসসি। পশ্চিমবঙ্গের কয়েক জন চাকরিপ্রার্থী তথা মামলাকারীদের বক্তব্য, আধাসেনার পদে চাকরি পেতে গেলে ১৭০ সেন্টিমিটার উচ্চতা হতে হবে বলে জানানো হয়। তাঁদের উচ্চতা ‘আধ সেন্টিমিটার’ কম রয়েছে, এই যুক্তিতে চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, ‘আধ সেন্টিমিটার’ উচ্চতা কম হলে ওই পদের যোগ্য বলে বিবেচনা করতে হয়। এরপরই আদালতে মামলা হয়। ওই মামলায় (Calcutta High Court) প্রথমে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এবং পরে বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ জানায়, ৩৮ জনের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। তাঁদের পুনরায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুযোগ দিতে হবে। তত দিন মেধাতালিকা প্রকাশ করতে পারবে না এসএসসি। সিঙ্গল বেঞ্চের ওই নির্দেশ পরিবর্তন করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, মেধাতালিকা প্রকাশ করা যাবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে মামলাকারীরা উত্তীর্ণ হলে জায়গা পাবেন মেধাতালিকায়।

    আরও পড়ুন: চালিয়ে খেলছে শীত! কলকাতায় ১৩ ডিগ্রির ঘরে পারদ, বঙ্গে তাপমাত্রা নামল ১০-এর নিচে

    রোজগার মেলায় হবে নিয়োগ

    ২০২২ সাল থেকে কেন্দ্র রোজগার মেলার আয়োজন করে। ওই কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় চাকরি প্রাপকদের সরাসরি নিয়োগপত্র দেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ২৩ ডিসেম্বর ওই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে আধাসামরিক বাহিনীর এই ৪৬ হাজার শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা। বাকি দেশে হলেও এ রাজ্যে মামলার জটে নিয়োগপ্রক্রিয়া থমকে গিয়েছিল। সুযোগ না-পেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেন ৩৮ জন। তাঁদের মামলায় (Calcutta High Court)সিঙ্গল বেঞ্চ জানায়, মামলাকারীদের বিষয়টি বিবেচনা না-করে ওই নিয়োগপ্রক্রিয়া চালিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে না। ১০ দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান রয়েছে। এই অবস্থায় সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে তড়িঘড়ি ডিভিশন বেঞ্চে যায় কেন্দ্র। তারা দ্রুত শুনানির আর্জি জানায়। বৃহস্পতিবার ডিভিশন বেঞ্চ সেনাবাহিনীর ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ছাড়পত্র দেয়।

    কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল কী বললেন?

    কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এএসজি অশোককুমার চক্রবর্তী বলেন, “সেনাবাহিনীর ওই নিয়োগের মেধাতালিকা প্রকাশ করা যাবে। আদালত (Calcutta High Court) নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে। এর ফলে ওই নিয়োগের আইনি জট কেটে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিয়োগপত্র দিতে পারবেন। সব মিলিয়ে এই রায় নিয়ে আমরা খুবই খুশি। তবে কোর্টের নির্দেশ মেনে মামলাকারীদের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: সরে দাঁড়ালেন বৃন্দা গ্রোভার, এবার অভয়ার হয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা লড়বেন করুণা নন্দী

    RG Kar: সরে দাঁড়ালেন বৃন্দা গ্রোভার, এবার অভয়ার হয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা লড়বেন করুণা নন্দী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar) নির্যাতিতা অভয়ার হয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা লড়বেন আইনজীবী করুণা নন্দী। এতদিন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার এই মামলা লড়ছিলেন। অভয়ার হয়ে তিনি আর সওয়াল জবাব করবেন না। এবার এই মামলায় আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভারের পরিবর্তে করুণা নন্দীকেই ভরসা করছেন অভয়ার বাবা-মা।   

    কেন আইনজীবী বদল? (RG Kar)

    জানা গিয়েছে, আদালতে আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভারের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট ছিলেন অভয়ার বাবা-মা। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির পর নিজেদের অসন্তোষের কথা বৃন্দা গ্রোভারকে ফোনে জানান তাঁরা। এছাড়া অভয়ার (RG Kar) বাবা-মায়ের কথা আদালতে সঠিকভাবে তুলে ধরা হচ্ছিল না বলে অভিযোগ ওঠে। তাতেই আইনজীবীর ওপর তাঁরা সন্তুষ্ট ছিলেন না। এর পাশাপাশি, সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে দাবি করেছিলেন, তদন্ত সংক্রান্ত সব তথ্য সিবিআই জানাচ্ছেন অভয়ার পরিবারকে। অথচ আরজি করের নির্যাতিতা তরুণীর বাবা-মা জানান, তাঁদের কিছুই জানানো হচ্ছে না। আদালতে যে স্টেটাস রিপোর্ট জমা পড়ছে, সেই সংক্রান্ত কোনও তথ্যও তাঁদের হাতে আসছে না। এই বিষয়টি কেন বৃন্দা গ্রোভার আইনজীবী হিসেবে তুলে ধরলেন না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলে অভয়ার পরিবার। এরপরই মামলা থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন বৃন্দা গ্রোভার। এতদিন পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলায় ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অব ডক্টর্স’ অর্থাৎ চিকিৎসকদের তরফে আইনজীবী হিসেবে সওয়াল করছিলেন করুণা নন্দী। তাঁকেই বেছে নিলেন অভয়ার বাবা-মা।

    আরও পড়ুন: চালিয়ে খেলছে শীত! কলকাতায় ১৩ ডিগ্রির ঘরে পারদ, বঙ্গে তাপমাত্রা নামল ১০-এর নিচে

    কী বললেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার?

    সুপ্রিম কোর্টের পাশাপাশি শিয়ালদা আদালত, কলকাতা হাইকোর্টেও নতুন আইনজীবী নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন অভয়ার (RG Kar) বাবা-মা। অন্যদিকে, বৃন্দা গ্রোভারের দফতরের তরফে মামলা ছাড়ার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “কিছু নির্দিষ্ট কারণ এবং পরিস্থিতির জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। বিগত তিন মাসে যাবতীয় নিয়ম মেনেই আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সিবিআইয়ের সঙ্গেও সহযোগিতা করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: “জোর করে জমির ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশিরা”! আতঙ্কে নদিয়ার সীমান্ত এলাকার চাষিরা

    Nadia: “জোর করে জমির ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশিরা”! আতঙ্কে নদিয়ার সীমান্ত এলাকার চাষিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারের পর ফের উত্তাল বাংলাদেশ। চলছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার। এই আবহের মধ্যে এবার নদিয়া (Nadia) সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশিদের অত্যাচার শুরু হয়েছে। কেটে নিয়ে যাচ্ছে জমির ফসল। জিরো পয়েন্টে চাষ করতে গিয়ে প্রাণের ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে ভারতের চাষিদের।

    জিরো পয়েন্টে চাষ করে আতঙ্কে চাষিরা (Nadia)

    নদিয়ার (Nadia) গেদে সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে, সমস্যায় রয়েছেন ভারতীয় চাষিরা। শেখ হাসিনার পতন এবং মহম্মদ ইউনূসের তদারকি সরকার দায়িত্বগ্রহণ করার পর থেকে অশান্ত হয়ে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ। অভিযোগ উঠেছে অরাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ প্রশাসন সেখানকার সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। গ্রেফতার করার পাশাপাশি বাড়িঘর এবং মন্দির ভাঙচুর করা হচ্ছে। এরপরই দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশিরা ভারতের পতাকা মাটিতে ফেলে তার ওপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। পাশাপাশি ভারত সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন কটূক্তি করছে বাংলাদেশিরা। যার কারণে বর্তমানে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে তিক্ততা অনেকটাই বেড়েছে।

    অন্যদিকে, বাংলাদেশে এই পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় জওয়ানদের বাড়তি নজরদারির নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তগুলির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত হল নদিয়ার গেদে। মূলত এই সীমান্তবর্তী এলাকার জিরো পয়েন্ট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চাষ করে আসছেন বাংলার কৃষকরা। বিএসএফ জওয়ানরা কাঁটাতার এলাকায় পাহারা দিলেও তাঁরা জিরো পয়েন্টের দিকে যেতে চান না। অথচ সেই জিরো পয়েন্টেই জমি রয়েছে ভারতবাসীদের। সেখানেই দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা চাষ আবাদ করেন। সেই কারণেই বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির মধ্যে অনেকটা সমস্যায় পড়েছেন। আতঙ্কে রয়েছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: চালিয়ে খেলছে শীত! কলকাতায় ১৩ ডিগ্রির ঘরে পারদ, বঙ্গে তাপমাত্রা নামল ১০-এর নিচে

     জোর করে জমির ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশিরা!

    নদিয়ার (Nadia) গেদে সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষক ভজন বিশ্বাস। তিনি বলেন, “জিরো পয়েন্টে আমার জমি রয়েছে। বাংলাদেশের এই ঘটনার পর আমাদের জমির ফসল ওরা (Bangladeshis )জোর করে কেটে নিয়ে চলে যাচ্ছে। বাধা দিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর ভয় দেখাচ্ছে। চরম আতঙ্কে রয়েছি।” সুকান্ত বিশ্বাস নামে অন্য চাষি বলেন, “বিএসএফরা জিরো পয়েন্টে যেতে চায় না। ফলে, আমরা ঝুঁকি নিয়ে সেখানে চাষ করি। বাংলাদেশিরা এসে এখন যা খুশি তাই করছে।  তাই বিএসএফের কাছে অনুরোধ যাতে তারা বাড়তি নিরাপত্তা দিয়ে কৃষকদের বিষয়টি নজর দেয়। ”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share