Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • IMA West Bengal: আইএমএ-র বৈঠকে ধুন্ধুমার, বের করে দেওয়া হল তিন চিকিৎসককে

    IMA West Bengal: আইএমএ-র বৈঠকে ধুন্ধুমার, বের করে দেওয়া হল তিন চিকিৎসককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (IMA West Bengal) বৈঠকে ধুন্ধুমার। তার জেরে বৈঠক থেকে বের করে দেওয়া হল তিন চিকিৎসককে। সামনেই আইএমএ-র পশ্চিমবঙ্গ শাখার নির্বাচন (Doctors Expelled)। সেই নির্বাচনের প্রস্তুতি বৈঠক ছিল রবিবার। অভিযোগ, সেখানেই চিকিৎসকদের দুই লবির মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। তার পরেই ধুন্ধুমারকাণ্ড বাঁধে। একটি লবির তিন চিকিৎসককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কয়েকজন। শেষমেশ ওই চিকিৎসকদের বৈঠক থেকে বের করে দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।

    ঝামেলার সূত্রপাত (IMA West Bengal)

    জানা গিয়েছে, যে তিন চিকিৎসককে নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত, তাঁরা হলেন চিকিৎসক তাপস চক্রবর্তী, জয়া মজুমদার এবং প্রিয়ঙ্কা রানা। এই চিকিৎসকরা উত্তরবঙ্গ লবির ঘনিষ্ঠ। তাঁদের দেখে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে শুরু করেন অন্য চিকিৎসকরা। এদিন পার্ক সার্কাসে বৈঠক ছিল আইএমএ-র রাজ্য শাখার (IMA West Bengal)। এই সংগঠনের বিভিন্ন পদে কারা মনোনয়নপত্র জমা দেবেন, মূলত তা নির্ধারণ করতেই ডাকা হয়েছিল বৈঠক। সেই বৈঠক শুরুর আগেই উত্তরবঙ্গ লবির তিন চিকিৎসককে দেখে খেপে যান অন্য চিকিৎসকরা। তাঁরা ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকেন। বৈঠক থেকে তাঁদের বের করে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

    ‘থ্রেট কালচার’

    আরজি করকাণ্ডের পর প্রকাশ্যে আসে রাজ্যের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে ‘থ্রেট কালচারে’র কথা। প্রকাশ্যে আসে ‘দাদাগিরি’র অভিযোগও। এই সব অভিযোগের নেপথ্যে ঘুরেফিরে আসে উত্তরবঙ্গ লবির কথা। তার পর থেকেই চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ উত্তরবঙ্গ লবির বিরুদ্ধে কার্যত খেপে রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: আন্দোলনের চাপে দিশাহারা মমতা সরকার, পিছিয়ে দেওয়া হল ‘দুয়ারে উদ্যম’ শিবির

    উত্তরবঙ্গ লবির মাথায় রয়েছেন সুশান্ত রায়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছেন শান্তনু সেন ও সুশান্ত রায়। সুশান্তকে ঘিরে রয়েছেন শান্তনুর অনুগামীরা। সুশান্তকে বলতে শোনা যায়, ‘এগুলো আপনাদের বানানো গল্প’। শান্তনুর অনুগামীদের বলতে শোনা যায়, ‘কোনওটাই বানানো গল্প নয়’। সুশান্তর কাছে শান্তনুকে হাতজোড় করে থাকতেও দেখা যায়। তাঁকে বৈঠক ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় তাপসকে। স্বাস্থ্য দফতরের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন জয়া। তাঁকেও বৈঠকে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি। বৈঠক থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক (Doctors Expelled) বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের বন্ধু বলে পরিচিত প্রিয়ঙ্কাকেও (IMA West Bengal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: তৃণমূলের হিংসার বিরুদ্ধে সরব, বাঁকুড়ায় সুকান্তর উপস্থিতিতে কাউন্সিলর বিজেপিতে

    Sukanta Majumdar: তৃণমূলের হিংসার বিরুদ্ধে সরব, বাঁকুড়ায় সুকান্তর উপস্থিতিতে কাউন্সিলর বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মার খেয়ে কাঁদতে কাঁদতে আমার কাছে আসবেন না। পাল্টা মার দিয়ে আসুন। বাকিটা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বুঝে নেবে। বিজেপিকে ফোঁস করতে এলে ডান্ডা নিন।” তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এমনই নিদান দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শনিবার বাঁকুড়ায় নারী সুরক্ষা মিছিল শেষে একটি প্রতিবাদ সভায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের চরম হুঁশিয়ারি দেন তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহিলা হলেও এরাজ্যের কোনও নারী সুরক্ষিত নন বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন তিনি।

    উল্লেখ্য আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে হত্যার পর থেকে ন্যায় বিচারের দাবিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেছে বিজেপি। প্রাক্তন সিপি বিনীত গোয়েল এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে গ্রেফতারের দাবিও জানানো হয়েছে দলের তরফ থেকে।

    তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একহাত সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    রাজ্যের নারী সুরক্ষার দাবিতে শনিবার বাঁকুড়ার হিন্দু হাইস্কুল থেকে মাচানতলা পর্যন্ত বিজেপির একটি বিরাট পদযাত্রা করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মিছিল শেষ করে, রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একহাত নিয়েছেন তিনি। শাসকদল আশ্রিত সমাজ বিরোধীদের বিরুদ্ধে কড়া দাওয়াই দিয়েছেন। তিনি বলেন, “সকলকে মিলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। নিজেদের অসহায়বোধ করবেন না। প্রয়োজনে ডান্ডা ধরবেন, এরপর সুকান্ত মজুমদার যা করার বুঝে নেবে।” অপর দিকে নির্দল হয়ে পুরভোটে লড়াই করেছিলেন অনন্যা রায় চক্রবর্তী। জয়ী হয়ে মমতার বিজয় মিছিলেও যোগদান করেছিলেন তিনি। এবার তৃণমূলের ক্রমবর্ধমান হিংসা এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে, মিছিলের শেষে বিজেপিতে যোগদান করেন। তাঁর সঙ্গে আরও যোগদান করেন বেশ কিছু লোকজন। সুকান্তর হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়ে বলেন, “আরজি কর নিয়ে রাজ্যে যা চলছে তা অত্যন্ত অন্যায়। এভাবে আর তৃণমূল করা যায় না। এখন থেকে নারী সুরক্ষার জন্য বিজেপির হয়ে কাজ করব।”

    আরও পড়ুনঃ আন্দোলনের চাপে দিশাহারা মমতা সরকার, পিছিয়ে দেওয়া হল ‘দুয়ারে উদ্যম’ শিবির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে বাঁকুড়া সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এই লোকসভায় বিজেপি হেরেছে। হারের পর আমাদেরকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সুকান্তবাবু (Sukanta Majumdar) অসত্য বলছেন। কাউন্সিলরের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। লোভের জন্য এই কাজ করেছেন। জমি মাফিয়াদের সঙ্গে ওঁর প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Duare Shilpo: আন্দোলনের চাপে দিশাহারা মমতা সরকার, পিছিয়ে দেওয়া হল ‘দুয়ারে উদ্যম’ শিবির

    Duare Shilpo: আন্দোলনের চাপে দিশাহারা মমতা সরকার, পিছিয়ে দেওয়া হল ‘দুয়ারে উদ্যম’ শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় লাগাতার রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের চাপে শাসক দল তৃণমূল অনেকটাই ব্যাকফুটে। মমতা সরকার (Mamata government) নারী নির্যাতনের ঘটনায় ব্যাপক অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। রাজ্যে তৃণমূল বিরোধী জনমতের জন্য ‘দুয়ারে উদ্যম’ (Duare Shilpo) পিছিয়ে দিল তৃণমূল সরকার। সূত্রের খবর, এই কর্মসূচি অগাস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে হওয়ার কথা ছিল। এখন সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে দুর্গাপুজোর পর আগামী নভেম্বরের শেষে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন প্রশ্ন, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

    কেন পিছিয়ে দেওয়া হল (Duare Shilpo)?

    মূলত রাজ্যের ক্ষুদ্র, ছোট এবং মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলিকে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘উদ্যম’ (Duare Shilpo) পোর্টালে নথিভুক্ত করার জন্য এই শিবিরের আয়োজন করা হয়ে থাকে। সাধারণ এই পোর্টালে নথিভুক্ত না হলে ঋণ বা সরকারি ভর্তুকির সুবিধাগুলি পাওয়া যায় না। এমনকী রাজ্য এবং কেন্দ্রের অন্যান্য সুবিধা-সাহায্যগুলিও পাওয়া যাবে না। কিন্তু রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের একাধিক আর্থিক দুর্নীতি, তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ডাক্তারদের থ্রেট কালচার, চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে নির্মম ভাবে হত্যার ঘটনায় আপামর বাঙালি সমাজ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। পুলিশ প্রশাসনের দ্বারা জোর করে দাহকার্য করা, সংস্কারের নামে ক্রাইম সিন বদলে দেওয়া, আত্মহত্যাতত্ত্ব এবং মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata government) ধর্ষণের দাম হিসেবে ১০ লাখ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মতো নানা অপ্রীতিকর ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে ব্যপক সাড়া ফেলেছে। প্রায় প্রত্যকে দিন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ধর্না, মানববন্ধন, মিছিলের ঘটনা ঘটে চলেছে কলকাতার রাজপথে। তাই রাজ্য সরকার বেগতিক বুঝতে পেরেছে এবং শিবিরে তেমন সাড়া মিলবে না বলেই ‘দুয়ারে উদ্যম’ পিছিয়ে দিয়েছে।

    পরিস্থিতি অনুকুল নয়

    রাজ্যের (Mamata government) ক্ষুদ্র শিল্প দফতরের এক আধিকারিক বলেন, “এখন পরিস্থিতি অনুকুল নয়। অবস্থা বদলে যাচ্ছে। নাম নথিভুক্তির জন্য এক-দেড় মাস লাগবে। ফলে নভেম্বরের শুরু থেকে ডিসেম্বরের ২৫ তারিখের মধ্যে ব্লক-স্তরে শিবির অনুষ্ঠিত হবে।” আবার রাজ্যের মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্প দফতরের প্রধান সচিব রাজেশ পাণ্ডে, নভেম্বর-ডিসেম্বরে শিবির হবে, এই কথাকে অস্বীকার করে বলেন, “কবে হবে এখনও ঠিক হয়নি। উন্নয়নের জন্য ব্লকেই শিবির (Duare Shilpo) করে পরিষেবা দেওয়া হবে।” একই ভাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও এক দফতরের আধিকারিক বলেন, “উদ্যম পোর্টালে দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ আট নম্বরে নথিভুক্ত হয়েছে। এই অবস্থান বদলাতে শিবির প্রয়োজন। রাজ্য যেহেতু ছোট শিল্পই বেশি করে জোর দিয়ে থাকে, তাই প্রোগ্রাম নেওয়া একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে শিবির শুরুর সিদ্ধান্ত সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকুল নয়।”

    আরও পড়ুনঃ টলিউডেও কি ‘থ্রেট কালচার’? কাজ না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা কেশসজ্জা শিল্পীর

    গত বছরে তেমন সাড়া মেলেনি

    কেন্দ্রীয় তথ্য সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ পর্যন্ত রাজ্যের ১২.৪ লক্ষ ছোট সংস্থা উদ্যমে নাম নথিভুক্ত করেছে। তবে নাবার্ডের তথ্যে সংখ্যাটা প্রায় ৯০ হাজারের বেশি। গত বছর এই উদ্যম বসেছিল জেলায় জেলায়, কিন্তু তেমন ভাবে কাঙ্ক্ষিত ফল মেলেনি। তাই এই বছর আরও একবার ‘দুয়ারে উদ্যম’ (Duare Shilpo)-এর ভাবনা নেওয়া হয়েছে। তবে অভয়ার ন্যায় বিচারের আবহে পুজোর পর কতটা বাস্তবে সম্ভব, সেটাও দেখার বিষয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tollywood: টলিউডেও কি ‘থ্রেট কালচার’? কাজ না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা কেশসজ্জা শিল্পীর

    Tollywood: টলিউডেও কি ‘থ্রেট কালচার’? কাজ না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা কেশসজ্জা শিল্পীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে থ্রেট কালচারের অভিযোগে সরগরম হয়েছে বাংলা। ঠিক এই আবহে টলিউডেও (Tollywood) কি থ্রেট কালচার চলছে? এমন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কারণ দীর্ঘদিন কাজ না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন টলিপাড়ার এক হেয়ার ড্রেসার। অভিযোগ, তনুশ্রী দাস নামের ওই শিল্পীর (Hairdresser) হাত থেকে একের পর এক কাজ কেড়ে নিতে থাকে হেয়ার ড্রেসার গিল্ড ও ফেডারেশনের লোকজন। কাজ হারিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অবসাদে ভুগছিলেন। সেই হতাশা থেকেই শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই শিল্পী, এমনটাই অভিযোগ তাঁর পরিবারের লোকজনের। গতকাল শনিবার রাত ঠিক আটটা নাগাদ বাড়ির বাথরুম ঢুকেছিলেন ওই শিল্পী (Tollywood)। কিন্তু, দীর্ঘক্ষণ সেখান থেকে না বেরনোয় সন্দেহ হয় তনুশ্রী দেবীর মেয়ে অঙ্কিতার! বাথরুমে দরজার কাছে যেতে কেরোসিনের গন্ধ পাওয়া যায়, দরজা ভেঙে অঙ্কিতা উদ্ধার করেন নিজের মাকে। গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন ওই শিল্পী। বর্তমানে তিনি ভর্তি রয়েছেন বাঙ্গুর হাসপাতালে।

    তিন মাস সাসপেন্ড করেছিল গিল্ড (Tollywood)

    খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে যান পরিচালক সুদেষ্ণা রায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী, চৈতি ঘোষাল, মানালি দে, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়রা। এই আবহে গর্জে ওঠেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী। আরজি কর কাণ্ডেও সরব হয়েছিলেন সুদীপ্তা। এনিয়ে সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘ওই কেশসজ্জা শিল্পীর কথা (Hairdresser) অনুযায়ী, ওঁকে অকারণে ১ জুলাই থেকে তিন মাস সাসপেন্ড করেছিল ওঁদের গিল্ড। তার পর কাজে ফিরলেও বাইরের কাজ করতে পারছিলেন না। সেই অভিযোগ আমার কাছে করেন। রবিবার মৈনাকের কাজটি হাতছাড়া হওয়ার পর সম্ভবত নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি তিনি।’’

    শিল্পীর বক্তব্য, বাড়িতে অসুস্থ স্বামী, মেয়ের পড়াশোনার খরচও রয়েছে!

    এরইমধ্যে একটি পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছবির জন্য বড় কাজের অফার পান ওই শিল্পী। যদিও শেষ পর্যন্ত সেখানেও বাধা আসে! গতকাল শনিবারই প্রোডাকশন ম্যানেজার ফোন করে ওই শিল্পীকে জানান, গিল্ড থেকে ফোনে বলা হয়েছে তাঁকে যেন কাজটি না দেওয়া হয়। এর পর তিনি যোগাযোগ করেন ফেডারেশন সম্পাদকের সঙ্গে। তিনিও জানান, গিল্ড ফোন করে তাঁকে অনুমতি না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কাজ খুইয়ে দিশাহারা ওই কেশসজ্জা শিল্পী হতাশায় ভেঙে পড়েন। সেই হতাশা থেকেই গায়ে কেরোসিন তেল ঢালেন। শিল্পীর (Tollywood) বক্তব্য, বাড়িতে অসুস্থ স্বামী। মেয়ের পড়াশোনার খরচ রয়েছে। মাত্র এক শিফ্টে কাজ করে দেনা শোধ, সংসার চালানো কোনও মতেই সম্ভব নয়।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ

  • RG Kar: ‘মাসোহারা’ না দেওয়া ও সন্দীপের কথা ‘অমান্য’ করায় হতে হয় বদলি! বিস্ফোরক গ্রুপ ডি কর্মী

    RG Kar: ‘মাসোহারা’ না দেওয়া ও সন্দীপের কথা ‘অমান্য’ করায় হতে হয় বদলি! বিস্ফোরক গ্রুপ ডি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বার সন্দীপের  (Sandip Ghosh) দুর্নীতি ও রাহাজানি নিয়ে মুখ খুললেন আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক গ্রুপ ডি কর্মী। মনোজ মল্লিক নামের ওই গ্রুপ ডি কর্মীর অভিযোগ, তিনি একটা সময়ে ওই হাসপাতালের মর্গে কাজ করতেন। কিন্তু ১০ হাজার টাকা করে ‘মাসোহারা’ না দেওয়া এবং সন্দীপের কথা ‘অমান্য’ করায় তাঁকে বদলি করা হয় অন্যত্র। ওই কর্মীর আরও অভিযোগ, সন্দীপ জমানায় হাসপাতালের মর্গে নানাবিধ অনিয়ম থেকে তোলাবাজি সবটাই চলত। সেই সব অনিয়মের সবটাই জানতেন সন্দীপ এবং তাঁর শাগরেদরা।

    আমাদের কথা শুনলে ভালো, না হলে বদলি করে দেওয়া হবে, কর্মীদের হুমকি দিতেন সন্দীপ

    মনোজের আরও অভিযোগ করেন, ফরেন্সিক বিভাগে থাকাকালীন তাঁর উপর নানা রকম ভাবে চাপ তৈরি করতেন তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ। মনোজের কথায়, ‘‘এক দিন আমাকে ডেকে পাঠিয়ে মর্গেরই অন্য এক কর্মচারীর নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলেন সন্দীপ। আমি বলেছিলাম, বিনা কারণে কেন ওঁর নামে লিখিত অভিযোগ করতে যাব! সরাসরি না বলে দিয়েছিলাম। তখন উনি বলেছিলেন, আমাদের কথা শুনলে ভালো, না হলে বদলি করে দেওয়া হবে (RG Kar)। চাকরিও যেতে পারে। আমি কিছু জবাব না দিয়েই বেরিয়ে যাই। পরে ইউনিয়নের এক সদস্যকে দিয়ে আমাকে বলানো হয়, পার্টি ফান্ডের জন্য মাসে মাসে ১০ হাজার টাকা করে ডোনেশন দিতে হবে।’’

    অ্যানাটমি বিভাগের ওয়ার্ড-মাস্টার (RG Kar) অফিসে বদলি করে দেওয়া হয় মনোজকে

    মনোজের দাবি, তিনি এই কথায় পাত্তা দেননি। তবে  এর কিছু দিন পরেই তাঁর কাছে বদলির নির্দেশ আসে। ফরেন্সিক বিভাগ থেকে তাঁকে অ্যানাটমি বিভাগের ওয়ার্ড-মাস্টার (RG Kar) অফিসে বদলি করে দেওয়া হয়। মনোজের দাবি, বদলির নির্দেশ সম্পূর্ণ ভাবেই মৌখিক ছিল। তিনি এখনও কোনও লিখিত নির্দেশ পাননি। মনোজের কথায়, ‘‘মর্গে থাকাকালীন কোনও ভুল কাজ করিনি। কোনও দু’নম্বরি করিনি। সাধারণ মানুষ থেকে পুলিশ, সকলকেই সাধ্যমতো সাহায্য করার চেষ্টা করতাম। আমায় নিয়ে কারও কোনও অভিযোগ ছিল না। অথচ ওঁদের কথা শুনিনি বলে বদলি করে দেওয়া হয়েছিল।’’ মনোজের অভিযোগ, ‘‘বেআইনি ভাবে টাকা লেনদেন (RG Kar) চলত মর্গে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের নামে টাকা তোলা হত। মৃতের বাড়ির লোককে ডেকে দেহ সেলাই করতে টাকা চাওয়া, টাকা নিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগে দেহ ছেড়ে দেওয়া, আরও নানা কিছুই চলত মর্গে। মদ খাওয়ার জন্যেও টাকা চাইতেন কেউ কেউ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Railway: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলে হামলার হুমকি চিঠি! জারি সতর্কতা

    Railway: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলে হামলার হুমকি চিঠি! জারি সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে রেল (Railway) পরিকাঠামোর উপর জঙ্গিদের হামলার হুমকি পাওয়া গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত খবরটি উড়ো, কিন্তু তবুও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে হালকা ভাবে নিতে চাইছেন না রেলের আধিকারিকরা। ইতিমধ্যে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারকে সতর্ক করলেন এসআরপি শিলিগুড়ি। তবে প্রশাসন এই হুমকিকে (Threat) অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে। ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ।

    প্রত্যেক স্টেশনে সতর্ক বার্তা (Railway)

    উত্তর-পূর্ব রেলের (Railway) জিআরপি এস সিলভামুরগান বলেন, “একটি খবরে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গে রেলের উপর সন্ত্রাসবাদী হামলা হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে জিআরপি এবং আরপিএফ-এর পক্ষ থেকে যৌথ ভাবে পেট্রোলিং করা প্রয়োজন। ইতিমধ্যে প্রত্যেক স্টেশনের মাস্টার এবং ম্যানেজারকে সতর্ক করা হয়েছে। একইভাবে নিরাপত্তার জন্য স্নিফার ডগকে বিভিন্ন স্টেশন এবং ট্রেনের নিরাপত্তার (Threat) কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। বিভিন্ন সেতু স্টেশনের টিমকে সতর্ক করা হয়েছে।” এই হুমকির বিষয়ে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার অমরজিৎ গৌতম বলেন, “আমাদের রেল জিআরপি শিলিগুড়ি থেকে মেইল করে জানানো হয়েছিল, রেলের পরিকাঠামোতে নাশকতা মূলক হামলার সম্ভাবনা রয়েছে। আমি এই মর্মে প্রত্যেক স্টেশনকে সতর্ক করেছি। একাধিক সন্দেহজনক জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলেছি।”

    আরও পড়ুনঃ আরজি করের প্রতিবাদে যোগ, ক্লাস থেকে দুই ছাত্রীকে বহিষ্কার তৃণমূলের অধ্যাপক নেতার!

    গভীর ষড়যন্ত্রের নানা ভিডিও

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের (Railway) মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জলকুমার শর্মা বলেন, উড়ো চিঠির (Threat) একটি খবর এসেছে। তবে প্রেরকের হদিশ মেলেনি। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য দেশে বেশ কিছু দিন ধরে রেলে নাশকতা মূলক চক্রের হদিশ মিলেছে। উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, বিহারের একাধিক জায়গায় রেল লাইনের অপর লোহা, রড, গাছ, কাঠ ফেলে গভীর ষড়যন্ত্র করার নানা ভিডিও লক্ষ্য করা গিয়েছে। এমনকী লাইনের মধ্যে গ্যাসের সিলিন্ডার রেখে বড়সড় ছক করা হয়েছিল শিবরাজপুরে। প্রয়াগরাজ থেকে ভিওয়ানির দিকে আসা কালিন্দী এক্সপ্রেসে বড় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। মংপু এলাকায় রেল লাইনে ড্রাম ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: আরজি করের প্রতিবাদে যোগ, ক্লাস থেকে দুই ছাত্রীকে বহিষ্কার তৃণমূলের অধ্যাপক নেতার!

    RG Kar Protest: আরজি করের প্রতিবাদে যোগ, ক্লাস থেকে দুই ছাত্রীকে বহিষ্কার তৃণমূলের অধ্যাপক নেতার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Protest) তদন্তের দাবিতে হওয়া প্রতিবাদে সামিল হওয়ার অপরাধে দুই ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়া জেলা সারদামণি মহিলা কলেজে। কলেজের ভূগোল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন কলেজেরই দুই ছাত্রী। ওই দুই ছাত্রীকে ক্লাসে ফেরানোর দাবিতে শনিবার কলেজের গেটে ব্যাপক বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন কলেজের ছাত্রীদের একাংশ। বিক্ষোভে অংশ নিলেন বহিরাগতরাও। চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আশ্বাস দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

    ঠিক কী অভিযোগ? (RG Kar Protest)

    বাঁকুড়ার (Bankura) সারদামনি মহিলা কলেজের ছাত্রীদের একাংশের দাবি, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Protest) কলেজে বিক্ষোভ কর্মসূচি করার অনুমতি চেয়েছিলেন তাঁরা। সেই অনুমতি না মেলায় কলেজের গেটের বাইরে স্ট্রিট পেইন্টিং করেন ছাত্রীদের একাংশ। সেই স্ট্রিট পেইন্টিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন কলেজের পঞ্চম সেমিস্টারের দুই ছাত্রী অপর্ণা মণ্ডল ও প্রেয়সী টুডু। ওই দুই ছাত্রী পরবর্তীতে কলেজে ক্লাস করতে গেলে তাঁদের ক্লাস থেকে বের করে দেন ভূগোল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তথা রাজ্যের তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা, এমনটাই অভিযোগ। ঘটনার পরই সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়ে ওই দুই ছাত্রী সারদামণি মহিলা কলেজের গেটে শনিবার বিক্ষোভের ডাক দেন। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে কলেজ ছাত্রীদের একাংশ এদিন কলেজের গেটে বিক্ষোভে সামিল হন। অবিলম্বে ওই দুই ছাত্রীকে ক্লাসে ফেরানোর দাবিতে সরব হন স্থানীয় বাসিন্দা ও কলেজের প্রাক্তনীদের একাংশও। আন্দোলনকারীদের দাবি, অবিলম্বে ওই দুই ছাত্রীকে ক্লাসে ফেরাতে হবে। দুই ছাত্রীর বক্তব্য, আমরা কোনও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নই। আরজি করের প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করেছিলাম বলেই আমাদের ক্লাস থেকে বের করে দেওয়া হল।

    আরও পড়ুন: তিরুপতির প্রসাদ লাড্ডুতে পশু চর্বি! হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত, সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    কলেজে রাজনীতি করত বলেই পদক্ষেপ!

    অভিযুক্ত প্রাক্তন মন্ত্রী তথা অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা বলেন, ওরা কলেজে রাজনীতি করছিল। চাঁদা করত। অনেকেই আমার কাছে অভিযোগ করেছিল। তাই, আমি এই পদক্ষেপ (RG Kar Protest) নিয়েছি। অন্য কোনও কারণ নেই। অন্যান্য ছাত্রীদের পঠন-পাঠনের স্বার্থেই এটা করেছি। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেবব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ওই দুই ছাত্রীকে ক্লাসে ফেরানোর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: বিরূপাক্ষর পর সিজিওতে অভীক-ও, ‘থ্রেট কালচার’-এর দুই মাথাকে মুখোমুখি জেরা?

    RG Kar Case: বিরূপাক্ষর পর সিজিওতে অভীক-ও, ‘থ্রেট কালচার’-এর দুই মাথাকে মুখোমুখি জেরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Case) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে শনিবার সিজিওতে তলব করা হয়েছিল চিকিৎসক বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে। এবার ওই মেডিক্যাল কলেজের আরেক চিকিৎসক-পড়ুয়া অভীক দে-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। শনিবার দুপুর ২টো নাগাদ দফতরে পৌঁছে যান তিনি। উল্লেখ্য আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের প্রথম থেকেই অভিযোগের আঙুল ছিল এই দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে। উভয়েই তৃণমূল ঘনিষ্ঠ সন্দীপ ঘোষের কাছের লোক বলে পরিচিত। আন্দোলনকারীদের দাবি, এই দুজন হল রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলিতে চলতে থাকা ‘থ্রেট কালচার’-এর দুই মাথা। ৯ অগাস্ট ঘটনার দিন ক্রাইম সিনে তাঁদের দুজনকেই ছবি দেখা গিয়েছে বলেও অভিযোগ। এবার সিবিআইয়ের তলবে এই প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছেন ডাক্তারদেরই একাংশ।

    ‘থ্রেট কালচার’-এর কর্ণধার (RG Kar Case)

    তদন্তকারী অফিসারদের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, “বিরূপাক্ষ এবং অভীককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে। চিকিৎসক মহলের দাবি, থ্রেট কালচারের কর্ণধার হলেন বিরূপাক্ষ এবং অভীক।” তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের দাদাগিরিতে জুনিয়র ডাক্তাররা ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। মেডিক্যালে কারা পাশ করবে, কারা ফেল করবে, গবেষণার পছন্দের বিষয় কীভাবে পাওয়া যাবে, সব তাঁদের অদৃশ্য নির্দেশে এক প্রকার মাফিয়া রাজত্ব চলত বলে অভিযোগ উঠেছে। এবার অভয়া খুনের (RG Kar Case) মামলায় দুই জনকেই মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ মনোরঞ্জন করতে হবে! অভীকের নৈশপার্টিতে চলত দেদার মদ, ভয় দেখিয়ে ডাকা হত ছাত্রীদের

    সেমিনার হলে কীভাবে গিয়েছিলেন অভীক?

    উল্লেখ্য, বিরূপাক্ষর ভয় দেখানো একটি অডিও সামজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। (অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। সেখানে স্পষ্ট ভাবে শোনা যায়, কীভাবে ভয় দেখানো হচ্ছিল চিকিৎসক-পড়ুয়াদের। আবার অভীক দে-কে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। আরজি কর-কাণ্ডের সময় তিনি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের রেসিডেন্ট চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু ওই ক্রাইম সিনের (RG Kar Case) সেমিনার হলে কীভাবে গিয়েছিলেন? কে ডেকেছিল তাঁকে? প্রমাণ লোপাটের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই তো? এইসব নানা প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে তিলোত্তমার হত্যাকাণ্ডে। সাধারণ মানুষ দোষীদের নাম জানার জন্য অত্যন্ত কৌতুহলী হয়ে রয়েছেন। কবে আরও নাম প্রকাশ্যে আসে তাই এখন দেখার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Burdwan Medical: মনোরঞ্জন করতে হবে! অভীকের নৈশপার্টিতে চলত দেদার মদ, ভয় দেখিয়ে ডাকা হত ছাত্রীদের

    Burdwan Medical: মনোরঞ্জন করতে হবে! অভীকের নৈশপার্টিতে চলত দেদার মদ, ভয় দেখিয়ে ডাকা হত ছাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে ধৃত সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ অভীক দে (Avik Dey)  এবং তাঁর সাঙ্গপাঙ্গদের কুকীর্তি প্রকাশ্যে এসেছে। যা জানলে বোঝা যাবে, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে (Burdwan Medical) অভীক ও তাঁর বাহিনীর দাপট কতটা ছিল। তাঁর দাপটে জুনিয়র ডাক্তাররা ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতেন। বিশেষ করে ডাক্তারি পড়়ুয়া ছাত্রীদের সঙ্গে যে আচরণ করা হত, তা শুনলে চোখ কপালে উঠবে। আনন্দ বাজারে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভীকদের রাতভর পার্টি চলত। ছুটত মদের ফোয়ারা। সেখানেই, ছাত্রীদের জোর করে ডাকা হত। তাদের দিয়ে পরিবেশন করা হত। এমনকী, তাদের বলা হত, মনোরঞ্জন করতে!

    কে এই অভীক দে ? (Burdwan Medical)

    দুর্নীতি, দাদাগিরি, তোলাবাজি, ‘থ্রেট কালচার’-সহ একাধিক অভিযোগে বিদ্ধ অভীক। তিনি ছিলেন বর্ধমান মেডিক্যালে আরএমও। পরে, সার্ভিস কোটা এসএসকেএমে সার্জারি বিভাগে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি হন। আরজি কর কাণ্ডের জেরে তাঁকে এসএসকেএম থেকে সাসপেন্ড করা হয়। পাশাপাশি কলেজ ও হস্টেলে ঢোকায় জারি হয় নিষেধাজ্ঞা।

    আরও পড়ুন: তিরুপতির প্রসাদ লাড্ডুতে পশু চর্বি! হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত, সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

     পার্টিতে রাতভর মদ্যপান, জোর করে ছাত্রীদের ডাকা হত!

    আনন্দবাজারে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি অভীকের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে গঠিত হয়েছে চার সদস্যের কমিটি গঠিত হয়। কমিটির কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে জানা গিয়েছে, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের ওপরের তলায় কলেজের গেস্ট হাউস। সেখানে তিন- চারটি ঘর পাকাপাকি ভাবে কব্জায় ছিল অভীক দে ও তাঁর ডান হাত হিসেবে পরিচিত বর্ধমানের চিকিৎসক (Burdwan Medical) বিশাল সরকার ও উমর ফারুখের জন্য। সেখানে রাতভর চলত পার্টি, মদ্যপান। সেখানে হস্টেল থেকে প্রথম, দ্বিতীয় বর্ষের ডাক্তারি ছাত্রীদের জোর করে এবং ভয় দেখিয়ে ডেকে আনা হত। তাঁদের দিয়ে খাবার ও মদ পরিবেশন করানো হত। এমনকী অতিথিদের মনোরঞ্জনের নির্দেশও দেওয়া হত বলে অভিযোগ। নির্দেশ না মানলে পরীক্ষায় বসতে না দেওয়া এবং রেজিস্ট্রেশন আটকানোর হুমকি দেওয়া হত। ২০২২-২৩ সালের ছাত্রীরা সেই পার্টিতে যাওয়ার নির্দেশ না মানায় অভীক-সঙ্গী বিশাল ওই ব্যাচের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

    রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের রাতে সঙ্গ দিতে ছাত্রীদের প্রস্তাব

    আনন্দবাজারের তথ্য অনুযায়ী, তদন্ত কমিটির কাছে যে লিখিত অভিযোগ এসেছে তাতে বলা হয়েছে, মেডিক্যাল (Burdwan Medical) পড়ুয়াদের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর জোর করে নিজেদের কাছে রাখতেন অভীক। তার পরে সেই নম্বর চলে যেত ‘রাজনৈতিক প্রভাবশালী’দের কাছে। এমনকী রাতে তাঁদের সঙ্গ দিতে ডাক পড়ত সেই শিক্ষানবিশদের। সম্মত না হলে চলত ভয় দেখানো, হেনস্থা এবং পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি- এমনই লিখিত অভিযোগ গিয়েছে তদন্তকারীদের কাছে। বহু ছাত্রী তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছেন, সরস্বতী পুজোর আগে বেছে বেছে ছাত্রীদের ডেকে বলা হত, পুজোর দিন অভীকের ঘনিষ্ঠ সিনিয়রদের সঙ্গিনী হয়ে ঘুরতে হবে। সাত দিনের মধ্যে কমিটিকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু কমিটিতে এত বিপুল চিঠি, তথ্য জমা পড়ছে যে, রিপোর্ট দিতে আরও ১৪ দিন সময় চেয়েছেন তাঁরা।

    লক্ষ লক্ষ টাকায় ভিন রাজ্যে হাড় পাচার

    কমিটির তদন্তে এ-ও জানা গিয়েছে যে, নিয়মিত বর্ধমানের (Burdwan Medical) মর্গ থেকে মৃতদেহের ভিসেরা ও হাড় ৭ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিহার, উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে পাচার করা হত এবং এর পিছনেও ছিল অভীক বাহিনী। বর্ধমান মেডিক্যালের অধ্যক্ষ মৌসুমী বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, “তদন্ত কমিটির কাজ চলছে। তাদের যা জানানোর জানাচ্ছি। এর বাইরে কিছু বলা যাবে না।”

    ছাত্রীদের মোবাইলে অশালীন মেসেজ!

    আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, পরীক্ষায় কারা গার্ড দেবেন সেই তালিকাও অভীকের তত্ত্বাবধানে ঠিক করতেন চিকিৎসক বিশাল ও অমলেন্দু দাস। বর্ধমানের (Burdwan Medical) এক চিকিৎসক তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছেন, তিনি অভীক বাহিনীর কথা শোনেননি বলে প্রতি বর্ষে এক বার করে তাঁকে ফেল করানো হয়েছে। চূড়ান্ত হতাশ হয়ে তিনি আত্মহননের চেষ্টাও করেছিলেন। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ সূত্রের খবর, অভীকের ঘনিষ্ঠ বিশাল ২০২১-২২ এবং ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মেডিক্যালের শিক্ষানবিশ ছাত্রীদের অশালীন মেসেজ পাঠাতেন, রাতে ঘরে ডেকে পাঠাতেন ও ঘুরতে যেতে চাপ দিতেন। পরীক্ষার হলে ছিল তাঁর অবাধ গতিবিধি। পছন্দের ছাত্রছাত্রীদের কাছে গিয়ে উত্তর বলে দিতেন প্রকাশ্যেই। কারা কারা অনার্স পাবে সেটাও অভীক, বিশাল ও অমলেন্দু কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বসে ঠিক করতেন বলে অভিযোগ জমা পড়েছে। ২০১৯-২০ এবং ২০২২-২৩ বর্ষের বহু মহিলা চিকিৎসকের অভিযোগ, অমলেন্দু তাঁদের রাতে কলেজের গেস্ট হাউসে ডাকতেন, মোবাইলে অশালীন মেসেজ পাঠাতেন। এ ব্যাপারে জানতে বিশালকে বহু বার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। আর অমলেন্দু বলেন, “এই সবই মিথ্যা অভিযোগ, চক্রান্ত।”

    তৃণমূলের মিটিংয়ে যাওয়ার জন্য চাপ!

    গত লোকসভা ভোটে অভীক-বাহিনী বর্ধমান মেডিক্যালের (Burdwan Medical) সুপারের ঘরে পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল প্রার্থী চিকিৎসক শর্মিলা সরকারের নির্বাচনী সভার আয়োজন করেছিল এবং সেখানে সব জুনিয়রের উপস্থিত থাকার ফতোয়া দিয়েছিল বলেও অভিযোগ জমা পড়েছে। সন্দীপ ঘোষকে আরজি কর থেকে বদলির পরে বর্ধমান থেকে বহু ছাত্রছাত্রীকে অভীক তাঁর সঙ্গীরা জোর করে কলকাতায় নিয়ে গিয়ে বিক্ষোভ-মিছিল করতে বাধ্য করেছিলেন বলেও অভিযোগ পেয়েছে কমিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: তলব সিবিআইয়ের, সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ চিকিৎসক বিরূপাক্ষর

    RG Kar Case: তলব সিবিআইয়ের, সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ চিকিৎসক বিরূপাক্ষর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Case) চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে হত্যার তদন্তে সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ চিকিৎসক বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফলে সিবিআই-এর (CBI) এই তলবে চাপ আরও বাড়ল হাসপাতালের চিকিৎসক সন্দীপ ঘোষের। ডাক পেয়ে এদিন সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছান বিরূপাক্ষ। তাঁকে করা হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ। ঘটনার দিনের একটি ভিডিওতে সন্দেহজনকভাবে ক্রাইম সিনে তাঁকে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল বলে দাবি জুনিয়র ডাক্তারদের।

    বেগুনি জামা পরনে ছিলেন বিরূপাক্ষের!

    আরজি কর হত্যাকাণ্ডের (RG Kar Case) একটি ভিডিও সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়েছিল। (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।) সেখানে বেগুনি জামা পরনে এক ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাঁর গতিবিধি ছিল ভীষণ করম রহস্যজনক। ন্যায় বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের বক্তব্য, ক্রাইম সিনে দেখতে পাওয়া ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তি হলেন বিরূপাক্ষ। এরপর থেকেই তাঁর উপস্থিতি নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    ঘটনায় কি বিরুপাক্ষ জড়িত?

    বিরূপাক্ষের বিরুদ্ধে তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ মিলেছে। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় থ্রেট সিন্ডিকেটের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তিনি বলে জানা গিয়েছে। তিনি এক ইন্টার্নকে ফোনে হুমকি দিয়েছিলেন বলে অডিও ভাইরাল হয়েছিল। (অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ মাধ্যম মাধ্যম।) সিজিও-তে (CBI) ঢোকার সময় প্রশ্ন করলে সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে যান নিজে। তবে কোনও নথি আনতে বারণ করা হয়েছিল। সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বললেই এড়িয়ে যান তিনি। অপর দিকে মামলার (RG Kar Case) তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআই বার বার সুপ্রিম কোর্টে বৃহৎ ষড়যন্ত্রের কথা বলেছে। ফলে ঘটনায় কি বিরূপাক্ষ জড়িত? সন্দীপ ঘোষের কথায় কি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন? তথ্য প্রমাণ লোপাটে কি কোনও হাত রয়েছে? এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সিবিআই। যদিও সন্দীপকে সাসপেন্ড করলেও বিরূপাক্ষের বিরুদ্ধে এখনও কোনও কড়া পদক্ষেপ নেয়নি স্বাস্থ্য দফতর। কেবলমাত্র বর্ধমান থেকে কাকদ্বীপে বদল করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘ছোট না হলে প্রণাম করতাম’’, মাঝরাতে মশাল মিছিলে কুর্ণিশ জানালেন নির্যাতিতার মা

    টাকা নিয়ে ভর্তির সঙ্গে জড়িত!

    বিরূপাক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক আরও মারাত্মক অভিযোগ (RG Kar Case) রয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিনে ২৩ হাজার ৮০০ টাকা বাকি রেখে চলে গিয়েছেন। ক্যান্টিন থেকে নিয়মিত খবার, চা, সিগারেট খেতেন। কিন্তু কোনও দিন বিল দেননি। ডাক্তারি পরীক্ষায় ভর্তির নামে এক ছাত্রের কাছ থেকে প্রচুর টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দুই দফায় মোট ৮ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। তবে সেই ছাত্রকে ভর্তি করাতে পারেননি তিনি। সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেননি, মাত্র ৪৫ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। পরে ২০২১ সালে জলঙ্গি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। পুলিশ অনেক দিন পদক্ষেপ নেয়নি, শেষে আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share