Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • RG Kar Hospital: আরজি কর তৈরির জন্য ভিক্ষা করেছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর

    RG Kar Hospital: আরজি কর তৈরির জন্য ভিক্ষা করেছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর

    হরিহর ঘোষাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (RG Kar Hospital) ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় এখন সারা বাংলা-তথা দেশ তোলপাড়। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ পথে নেমে এর সুবিচারের দাবি জানাচ্ছেন। কিন্তু, এই হাসপাতালের সৃষ্টি এবং স্রষ্টার ইতিহাস জানেন কি? সম্পূর্ণ কাহিনি শুনলে অবাক হবেন। জানা যায়, এই হাসপাতাল তৈরি করেছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর।

    কে এই রাধাগোবিন্দ কর? (RG Kar Hospital)

    বেলগাছিয়া (Kolkata) থেকে দমদম বাড়ি বাড়ি সাইকেল চালিয়ে ঘুরে বেড়াতেন এক ডাক্তার। মাথায় একটা টুপি আর সাইকেলে ঝোলানো ক্যামবিসের ব্যাগ। রোগী দেখাই শেষ নয়, নানা ভাবে সহযোগিতা এমনকী ওষুধ কেনার পয়সাও দিচ্ছেন তিনি। সেই ডাক্তারবাবুর নাম রাধাগোবিন্দ কর। আরজি  কর হাসপাতালের (RG Kar Hospital) স্রষ্টা তিনি। সারা বাংলার মানুষের চিকিৎসার সুবিধার্থে একজন ডাক্তার সারাটা জীবন লড়াই করেছেন। হাওড়া জেলার রামরাজাতলা স্টেশন থেকে সামান্য দূরত্বে বেতড়ের বিখ্যাত কর বাড়ি তাঁর জন্মভিটে। ১৮৫০ সালের ২৩ অগাস্ট তাঁর জন্ম। জানা যায়, বাবা দুর্গাদাস কর ছিলেন অবিভক্ত বাংলায় মেডিক্যাল অফিসার। তিনি ঢাকা মিডফোর্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর রাধাগোবিন্দ কর কলকাতার হেয়ার স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করার পর চিকিৎসা বিজ্ঞানের পাঠ গ্রহণের জন্য ১৮৮০ সালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন। ১৮৮৩ সালে ডাক্তারি পড়তে কলকাতা ছেড়ে স্কটল্যান্ডে পাড়ি দেন তিনি। ১৮৮৭ সালে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বিদ্যার শ্রেষ্ঠ অলংকারে ভূষিত হলেন তিনি। এমআরসিপি হয়ে বিদেশে ডাক্তারি করার সুযোগ থাকলেও তিনি ফিরে এলেন এই বাংলায়। একজন বিলেত ফেরত ডাক্তার হয়ে বাংলার অসহায় গরিব মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন তিনি।

    হাসপাতাল তৈরির জন্যে ভিক্ষা!

    এদেশের মানুষের জন্য একটি হাসপাতাল তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন রাধাগোবিন্দ কর। হাসপাতালের অর্থ সংগ্রহ করতে সে সময় এই বিলেত ফেরত ডাক্তার ভিক্ষা পর্যন্ত করেছেন। তখনকার দিনে কলকাতার বড়লোকদের কাছে হাত পেতে ভিক্ষা করেছেন। বড়লোক বাড়িতে কোনও আনন্দ-অনুষ্ঠান হলে সেই বাড়ির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেন, হাত পেতে ভিক্ষা চাইতেন তিনি। চিকিৎসক হিসেবে অর্জিত অর্থের সমস্তটাই দান করে গিয়েছেন মেডিক্যাল স্কুল ও হাসপাতাল স্থাপনে।

    আরজি কর হাসপাতাল তৈরির আদি কথা

    ১৮৯৮ সালে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে বেলগাছিয়ায় ১২ বিঘে জমি কিনে নেন রাধাগোবিন্দ কর। এরপর সেখানেই ৭০ হাজার টাকা খরচ করে গড়ে তোলেন হাসপাতাল (RG Kar Hospital)। ঠিকানা, ১ নম্বর বেলগাছিয়া রোড। শয্যাসংখ্যা ৩০। হাসপাতাল পরিদর্শন করতে এসে প্রিন্স অ্যালবার্ট ভিক্টর দান করেন ১৮ হাজার টাকা। এই বিপুল পরিমাণ টাকা সাহায্য করার জন্য হাসপাতালের নাম রাখা হয় ‘অ্যালবার্ট ভিক্টর হাসপাতাল’। ১৯০৪ সালে এই হাসপাতালের সঙ্গে মিশে যায় কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জেনস অব বেঙ্গল। তারও ১০ বছর পর মেলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন। তখন নামকরণ হয় বেলগাছিয়া মেডিক্যাল কলেজ। ১৯১৬ সালের ৫ জুলাই সেই কলেজের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করেন লর্ড কারমাইকেল। তাই তাঁর সম্মানে আবারও বদলে যায় এই চিকিৎসা কেন্দ্রের নাম। দেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত নাম ছিল কারমাইকেল। ১৯১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৬৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাধাগোবিন্দ কর। মৃত্যুর সময় তাঁর নিজস্ব সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। শুধু ছিল বেলগাছিয়ায় তাঁর একটি বাড়ি। সেই বাড়িটিও তিনি উইল করে দিয়ে যান এই মেডিক্যাল কলেজের নামে। পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের উদ্যোগে রাধাগোবিন্দ করের নামেই কলেজের নাম রাখা হয় ‘আরজি কর’। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৯৫৮ সালের ১২ মে এটি গ্রহণ করে।

    রাধাগোবিন্দ কর ও নিবেদিতা

    ১৮৯৯ সালে কলকাতা জুড়ে প্লেগ মহামারির আকার নেয়। সেই সময়ে উত্তর কলকাতার অলিতে গলিতে ঘুরে রোগীদের সেবা করছেন ভগিনী নিবেদিতা। আর বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর সাইকেলে করে এলাকা চষে বেড়ান। বেশিরভাগ রোগীই গরিব। পথ্য কেনারই পয়সা নেই, তার ওপর আবার ডাক্তাবের ফিস। রোগী দেখার সঙ্গে সঙ্গে দরকার হলে রোগীদের পথ্য কেনার টাকাও দিচ্ছেন বিলেত ফেরত ডাক্তারবাবু। এর কিছুদিন পরই নিবেদিতার সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। প্লেগ সংক্রমণ রুখতে এবং মৃত্যুর হার কমাতে দু’জনে মিলে একসঙ্গে কাজ করেছেন তাঁরা। ডাক্তারি পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাতে চিকিৎসা শাস্ত্রের ওপর একাধিক বইও লিখেছেন। যা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

    এখন আরজি কর হাসপাতাল

    বর্তমানে ১৫ একর জুড়ে বিস্তৃত ১২১০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল (RG Kar Hospital) কমপ্লেক্সে ১০টি ভবন এবং সাতটি হস্টেল রয়েছে। ২০১৫ সালে শতবর্ষ উদযাপনের সূচনা উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা বলেন, এই মেডিক্যাল কলেজকে এক সময় অনেকে অবজ্ঞা করত। কারণ, তখন বেলগাছিয়াকে কলকাতা শহরের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হত না। তাই, এই মেডিক্যাল কলেজকে খালের কলেজ বলা হত। জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালে এমবিবিএস, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট করা হয়। বিএসসি নার্সিং, প্যারামেডিক্যাল শাখায় আরও কয়েকটি কোর্সের জন্য আসন রয়েছে। বিলেত থেকে ফিরে এদেশের মানুষের জন্য যে হাসপাতাল তৈরির চারাগাছ তিনি লাগিয়েছিলেন, আজ তা বটবৃক্ষে পরিণত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandip Ghosh: ডাক্তারি পেশায় ইতি! সন্দীপ ঘোষের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করল রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল

    Sandip Ghosh: ডাক্তারি পেশায় ইতি! সন্দীপ ঘোষের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করল রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতলের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh) আর্থিক দুর্নীতি এবং চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই আগেই গ্রেফতার করেছে। এখন তিনি জেলে বন্দি। এবার তাঁর নামের আগে ‘ডাক্তার’ লেখার অধিকার কেড়ে নেওয়া হল। রোগী দেখার প্রেসক্রিপশনেও তিনি লিখতে পারবেন না ‘ডাক্তার’ শব্দ। বৃহস্পতিবার, পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিল তাঁর রেজিস্ট্রেশন (Registration) বাতিল করেছে। যদিও অনেক দিন ধরেই আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের একটা বড় অংশের মধ্যে এই দাবি উঠেছিল। এই পদক্ষেপে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    নোটিশের জবাব দেননি সন্দীপ (Sandip Ghosh)

    গত ৯ অগাস্ট হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল। ঘটনায় তথ্যপ্রমাণ লোপাট এবং আত্মহত্যার তত্ত্ব দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে। পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই রেজিস্ট্রেশন (Registration) বাতিলের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “গত ৬ সেপ্টেম্বর সন্দীপকে কারণ দর্শানোর কথা বলে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এই নোটিশের জবাব দেননি সন্দীপ। এই জন্য নথিভুক্ত চিকিৎসকদের রেজিস্টার থেকে তাঁর নাম বাতিল করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ সিবিআইয়ের নজরে আরজি করের হাউজস্টাফ, নথি নিয়ে সিজিওতে সল্টলেকের হোটেল কর্মী

    আর কি রোগী দেখতে পারবেন?

    চিকিৎসক সংগঠন আইএমএ-র রাজ্য শাখার পক্ষ থেকে মঙ্গলবার মেডিক্যাল কাউন্সিলের সভাপতিকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এই কাউন্সিলের সভাপতি হলেন তৃণমূল সমর্থক চিকিৎসক সুদীপ্ত রায়। চিঠিতে স্পষ্ট করে আবেদন করা হয়, ব্যক্তিগত পরিচয়কে ঊর্ধে রেখে সন্দীপের রেজিস্ট্রেশন যেন অবিলম্বে বাতিল করা হয়। একই ভাবে চিঠিতে সই রয়েছে আরেক তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেনের। আরজি কর-কাণ্ডের শুরু থেকেই শান্তনু এবং তাঁর স্ত্রী-কন্যাকে আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছিল। উল্লেখ্য, সন্দীপ (Sandip Ghosh), হত্যাকাণ্ডের পর নিজেই অধ্যক্ষ পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। সেই সঙ্গে বলেছিলেন, “আমি অর্থোপেডিক সার্জেন। আমার দু’টো হাত রয়েছে। আমি কিছু করে খেতে পারব।” কিন্তু এখন তাঁর রেজিস্ট্রেশন বাতিল হওয়ার পর ডাক্তারদের একাংশ বলছে, “আর কি রোগী দেখতে পারবেন? খাবেন কী”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: উর্দি পরে মদ্যপ অবস্থায় টলমল পায়ে ডিউটি করছেন পুলিশকর্মী! ভিডিও ভাইরাল

    Raiganj: উর্দি পরে মদ্যপ অবস্থায় টলমল পায়ে ডিউটি করছেন পুলিশকর্মী! ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনার পর গোটা রাজ্যে রাজ্য পুলিশের কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল। এবারে উর্দি পরে মদ্যপ অবস্থায় এক পুলিশকর্মীর ভিডিও ভাইরাল। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ (Raiganj) শহরের ঘড়িমোড় এলাকায়। ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর আবার পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে শহরজুড়ে। এই ঘটনা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি। রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কুন্তল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওই পুলিশকর্মীর নাম প্রীতম গুহ। তিনি রায়গঞ্জ থানায় পোস্টিং ছিলেন। তিনি এএসআই। তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। আমরা তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছি।

    ভাইরাল ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে? (Raiganj)

    ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বুধবার রাতে রায়গঞ্জ (Raiganj) শহরের ঘড়িমোড় এলাকায় রাস্তায় ঠিকমতো হাঁটতেও পারছেন না ওই পুলিশকর্মী। কোনওক্রমে সেখান থেকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। সেই অবস্থায় তাঁকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন স্থানীয় মানুষ। কিন্তু, ঠিকমতো কথাও বলতে পারছেন না তিনি। নাম জিজ্ঞেস করলে নিজের নেমপ্লেটটিও হাত দিয়ে ঢেকে দেন। পরবর্তী সময়ে স্থানীয়রা সেই পুলিশকর্মীকে একটি টোটোতে তুলে দেন। এই  ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর তীব্র শোরগোল শুরু হয়েছে শহরজুড়ে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনায় পুলিশ (Raiganj) ও রাজ্য সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার। তিনি বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার কঙ্কালসার অবস্থা, যা বারে বারে সামনে আসছে। আরজি করের ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। বুধবার রাত পৌনে দশটা নাগাদ এক উর্দিধারী পুলিশ (Police) অফিসার গলি থেকে টলতে-টলতে বেরোচ্ছেন, গলির মধ্যে মেয়েদের কটূক্তি করছেন। ঘড়িমোড়ে যখন এসেছেন, তিনি হাঁটতে পারছেন না। টলে-টলে পড়ে যাচ্ছেন। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রী দায়ী।

    অপরদিকে, এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি অরিন্দম সরকার বলেন, ওই পুলিশ অফিসার যে কাজটি করেছেন, তা সমর্থনযোগ্য নয়। তিনি ডিউটিতে ছিলেন কি না, তা জানা নেই, তবে উর্দি পরে ডিউটি অবস্থাতে কেউ মদ খেলে অবশ্যই সেটি এক ধরনের ক্রাইম। এবিষয়ে অবশ্যই জেলা পুলিশ-প্রশাসন আইন আনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কোনও মহিলাকে কটূক্তি করা হয়েছে কিনা, তা আমাদের জানা নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: সিবিআইয়ের নজরে আরজি করের হাউজস্টাফ, নথি নিয়ে সিজিওতে সল্টলেকের হোটেল কর্মী

    CBI: সিবিআইয়ের নজরে আরজি করের হাউজস্টাফ, নথি নিয়ে সিজিওতে সল্টলেকের হোটেল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (rg kar) তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআইয়ের হাতে এসেছে। চিকিৎসক ছাত্রীর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় এবার সিবিআইয়ের নজরে সল্টলেকের সেক্টর টুয়ের একটি হোটেল। হোটেলের এক কর্মীকে তলব করল সিবিআই (CBI)। চাওয়া হয়েছে হোটেলের রেজিস্টার ও সিসিটিভি ফুটেজ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নির্দেশমতো বৃহস্পতিবার হোটেলের রেজিস্টার সহ বিভিন্ন নথি সিবিআইয়ের দফতরে জমা করেছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

    কেন সল্টলেকের হোটেলের কর্মীকে ডাকা হল? (CBI)

    সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, ৯ অগাস্টের ওই ঘটনার তদন্তে নেমে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছিলেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেই মোবাইল ফোনের সূত্র ধরেই সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন যে, এক ব্যক্তি বাজেয়াপ্ত হওয়া মোবাইল থেকে সেক্টর টুয়ের ওই হোটেলে বুকিং করেছিলেন। জানা যাচ্ছে, আশিস পাণ্ডে বলে একটি নাম তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। তাঁর সম্পর্কে বিশেষ খোঁজ খবর নিতে চাইছেন তদন্তকারীরা। সল্টলেকের ওই হোটেলে ৯ অগাস্ট উঠেছিলেন আশিসবাবু। ১০ তারিখ তিনি ওই হোটেল ছেড়ে দেন। ৯ তারিখ সকালে আরজি করের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। আশিস পাণ্ডের গতিবিধি জানতেই হোটেলের কর্মীকে তলব করেছেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘সনাতন ধর্মের উত্থানের সময় এসেছে’’, বললেন সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত

    কে এই আশিস?

    জানা গিয়েছে, আশিস পাণ্ডে আরজি কর হাসপাতালের একজন হাউজস্টাফ। পাশাপাশি তিনি আরজি করের টিএমসিপি ইউনিটের সভাপতি। এর আগে, তৃণমূলের বিধায়ক চিকিৎসক আরজি করের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়ের কল রেকর্ড নিয়ে সিবিআইকে (CBI) তৎপর হতে দেখা গিয়েছে। আদালতেও উঠেছিল কল রেকর্ড প্রসঙ্গ। সেদিন বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছিলেন সুদীপ্ত রায়। এর আগে এই কল রেকর্ডের সূত্র ধরেই মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি-কে তলব করা হয়েছিল। ক্যালকাটা হার্ট রিসার্চ ক্লিনিকেরও এক চিকিৎসককে তলব করা হয়েছিল। জানা যাচ্ছে, কল ডিটেইলসে আশিস পাণ্ডের নাম প্রকাশ্যে আসার পর সুদীপ্ত রায় স্বীকার করেন, ঘটনার পর টিএমসিপি ইউনিটের সভাপতি হিসেবে আশিসকে সেদিন যেতে বলেছিলেন। আশিস পাণ্ডেকে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি যে ঘটনাক্রম বলেছিলেন, তার সঙ্গে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে হোটেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য শুনবে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tribal Welfare Schemes: আদিবাসী উন্নয়নে জোর কেন্দ্রের, ৭৯ হাজার ১৫৬ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

    Tribal Welfare Schemes: আদিবাসী উন্নয়নে জোর কেন্দ্রের, ৭৯ হাজার ১৫৬ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসীদের সার্বিক উন্নয়নের (Tribal Welfare Schemes) ওপর জোর দিল মোদি সরকার। আর এই লক্ষ্যকে ফলপ্রসূ করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী জনজাতীয় উন্নত গ্রাম অভিযানে ৭৯,১৫৬ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় মন্ত্রক থেকে অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ রয়েছে ৫৬,৩৩৩ কোটি টাকা। আর রাজ্যগুলির বরাদ্দের পরিমাণ ২২,৮২৩ কোটি টাকা। এই অর্থ দেশের উপজাতি সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতির জন্য ব্যয় করা হবে বলে কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ৫ কোটি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ উপকৃত হবেন (Tribal Welfare Schemes)

    উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রকের দেওয়া প্রেস বিবৃতি থেকে জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের ফলে দেশের ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত এলাকার ৫৪৯টি জেলা এবং ২৭৪০টি ব্লককে কভার করা হবে। মূলত, ৬৩ হাজার গ্রামের ৫ কোটিরও বেশি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ উপকৃত হবেন। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, দেশে তফশিলি উপজাতির জনসংখ্যা ১০.৪৫ কোটি। সারা দেশে ৭০৫টিরও বেশি উপজাতি সম্প্রদায় রয়েছে, যারা প্রত্যন্ত এবং দুর্গম এলাকায় বসবাস করে। প্রধানমন্ত্রী জনজাতীয় উন্নত গ্রাম অভিযানে (PMJUGA) ভারত সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সামাজিক পরিকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জীবিকার ক্ষেত্রে যে সব ঘাটতি রয়েছে, সেগুলি পূরণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘সনাতন ধর্মের উত্থানের সময় এসেছে’’, বললেন সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত

    কী কী উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে?

    প্রধানমন্ত্রী জনজাতীয় উন্নত গ্রাম অভিযানের মাধ্যমে উপজাতি (Tribal Welfare Schemes) পরিবারগুলিকে পাকা ঘর, বিশুদ্ধ পানীয় জল এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। এই সব গ্রামে রাস্তাঘাট, মোবাইল সংযোগ ও ইন্টারনেট সুবিধাও উন্নত করা হবে। অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য উপজাতিদের স্বনির্ভরতা বাড়াতে, দক্ষতা উন্নয়ন, স্ব-কর্মসংস্থানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। আর শিক্ষার প্রসার ঘটাতে ১০০০টি নতুন হস্টেল তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নের জন্য মোবাইল মেডিক্যাল ইউনিট এবং উন্নত টিকাদান কর্মসূচিরর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। স্থায়ী জীবিকার জন্য পর্যটন অঞ্চলে হোমস্টে চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তার জন্য প্রচারও করা হবে। আর ফরেস্ট রাইট অ্যাক্ট অনুযায়ী, পাট্টা প্রাপকদের কৃষি ও বনাঞ্চলে জীবিকার সুযোগ দিয়ে সহায়তা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Flood in Bengal: বন্যায় টিকার আকাল! রোগীকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে ছুটতে হচ্ছে অন্য হাসপাতালে

    Flood in Bengal: বন্যায় টিকার আকাল! রোগীকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে ছুটতে হচ্ছে অন্য হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টিতে জেরবার রাজ্যবাসী। একাধিক জায়গায় জমা জলে (Flood in Bengal) ভোগান্তি বাড়ছে‌। হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুর সহ রাজ্যের বহু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। আর তার মধ্যেই রেবিস ভ্যাকসিন, অ্যান্টি ভেনম টিকার আকাল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই পরিস্থিতি স্বাস্থ্য পরিষেবায় যথেষ্ট সমস্যা তৈরি করতে পারে বলেও আশঙ্কা চিকিৎসকদের একাংশের।

    কোন ভ্যাকসিনের চাহিদা বাড়ছে? কেন বাড়ছে? (Flood in Bengal)

    রাজ্যের একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতির ফলে অধিকাংশ জায়গায় জল জমছে। এই পরিস্থিতিতে সাপের উপদ্রব বাড়ে। আবার ইঁদুর, ছুঁচোর উপদ্রবও বাড়ে। বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় সাপে কামড়ানো, ইঁদুর কিংবা ছুঁচোয় কামড়ানোর মতো ঘটনা বাড়তে থাকে। আবার এর সঙ্গে কুকুর কামড়ানোর মতো ঘটনাও ঘটে। যেহেতু খাবার এবং জলের চাহিদা বাড়ে, মানুষের মতো অন্যান্য প্রাণীরাও অস্থির হয়ে থাকে। তাদের বাসস্থানের সমস্যা হয়। আর জমা জলের জেরে অনেক সময়েই ঘরের ভিতরেও সাপ ঢুকে আসে। শিশু থেকে প্রবীণ, সকলের বিপদ বাড়ে। তাই এই সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রেবিস এবং অ্যান্টি ভেনম টিকার প্রয়োজনীয়তা বেশি। এই সময়ে জেলাস্তরের হাসপাতালে এই ধরনের টিকার চাহিদা বাড়ে। বিশেষত পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, মালদা সহ একাধিক জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চলতি সপ্তাহে এই টিকার চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই টিকাগুলির জোগান‌ বাড়েনি। তাই অনেক সময়েই ভোগান্তি বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশের আশঙ্কা, টিকার জোগান না বাড়ালে পরিস্থিতি বিপজ্জনক (Vaccination problem) হয়ে উঠতে পারে। 

    কেন আশঙ্কিত চিকিৎসক মহল? 

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদা, মুর্শিদাবাদ কিংবা পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলার একাধিক প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাপে কামড়ানো এবং ইদুরে কামড়ানোর মতো ঘটনা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। কিন্তু বন্যাবিধ্বস্ত (Flood in Bengal) পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়ার একাধিক জায়গায় প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রেবিস কিংবা অ্যান্টি ভেনম টিকা নেই। ফলে রোগীকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল ছুটতে হচ্ছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে রোগীর ভোগান্তি আরও বাড়ছে। এমনকী প্রাণহানির আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, মহকুমা কিংবা জেলা হাসপাতালেও পর্যাপ্ত টিকা নেই। তাই একাধিক হাসপাতালে রোগীকে ঘুরতে হচ্ছে। পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে বলেই আশঙ্কা করছে চিকিৎসক মহল! তাঁরা জানাচ্ছেন, কুকুর, ইঁদুর কামড়ানোর পরে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে রেবিস ভ্যাকসিন না দিলে প্রাণ সংশয় তৈরি হয়। পাশপাশি সাপে কামড়ানো ব্যক্তির মৃত্যু রুখতে পারে একমাত্র অ্যান্টি ভেনম টিকা। তাই যত দ্রুত এই টিকা দেওয়া হবে, রোগীর প্রাণ সংশয় তৈরি হবে না। তাই এই টিকা প্রত্যেক হাসপাতালে এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পর্যাপ্ত থাকা জরুরি। এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল ছুটতে ছুটতে সময় পেরিয়ে গেলে মর্মান্তিক পরিণতি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে চিকিৎসকদের একাংশ। 

    কী বলছেন স্বাস্থ্যকর্তারা? (Flood in Bengal) 

    প্রত্যেক বছরে হুগলি, হাওড়া কিংবা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই ধরনের সমস্যা সম্পর্কে স্বাস্থ্য প্রশাসনের ওয়াকিবহাল থাকা উচিত বলেই মনে করছে চিকিৎসকদের একাংশ। কিন্তু তার পরেও কেন এই সব টিকার আকাল (Vaccination problem)? এই প্রশ্নের অবশ্য কোনও উত্তর দিতে চাননি স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা। এক স্বাস্থ্যকর্তা বলেন, “সব সময় যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। প্রত্যেক জেলার হাসপাতালে যাতে ঠিকমতো জীবনদায়ী ওষুধ ও ভ্যাকসিন পৌঁছতে পারে, সে দিকে নজর রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vineet Goyal: পুলিশ কমিশনারের পদও গেল, হাইকোর্টের অস্বস্তিও কাটল না বিনীত গোয়েলের

    Vineet Goyal: পুলিশ কমিশনারের পদও গেল, হাইকোর্টের অস্বস্তিও কাটল না বিনীত গোয়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য পদ থেকে সরানো হয়েছে বিনীত গোয়েলকে (Vineet Goyal)। জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি মেনে পুলিশ কমিশনার পদ থেকে তাঁকে সরানোর কথা ঘোষণা করেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ-এর এডিজি পদে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তারপরও প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের অস্বস্তি কাটল না। আদালতে চাপের মুখে রয়েছেন তিনি। আরজি কর মেডিক্যালে নির্যাতিতার নাম প্রকাশ করে দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের দাবিতে দায়ের হওয়া মামলা খারিজ করতে অস্বীকার করল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি নিয়ে শুনানি চলায় আপাতত এই মামলায় কোনও নির্দেশ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম।

    আদালতে মামলার শুনানিতে কী হল? (Vineet Goyal)

    গত ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যালে মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের পর তাঁর নাম প্রকাশ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কলকাতার তৎকালীন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের (Vineet Goyal) বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে বিনীত গোয়েলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের দাবি জানিয়ে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাকারী আদালতে আবেদন করেন, পুলিশ কমিশনারের মতো উচ্চ পদে থেকেও বিনীত গোয়েল নির্যাতিতার নাম প্রকাশ করে দিয়েছেন। যা গুরুতর অপরাধ। বুধবার এই মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানে বিনীত গোয়েলের আইনজীবী মামলাটি খারিজ করে দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, যে পুলিশ আধিকারিকের কথা বলা হচ্ছে তাঁকে ইতিমধ্যে বদলি করা হয়েছে। সে কথা শুনে মামলাকারীর আইলাজীবী মহেশ জেঠমালানি বলেন, পুলিশ কমিশনার থেকে তাঁকে এডিজি করা হয়েছে। উনি তো প্রোমোশন পেয়েছেন। বরং, এই মামলাকে সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হোক। এ কথা শুনে বিনীত গোয়েলের আইনজীবী বলেন, সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন। তাই হাইকোর্টে এই মামলার কোনও গুরুত্ব নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘সনাতন ধর্মের উত্থানের সময় এসেছে’’, বললেন সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    প্রধান বিচারপতি জানিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই মামলা এখন খারিজ করা হচ্ছে না। শীর্ষ আদালতে শুনানির পর ফের শুনানি হবে। তাই হাইকোর্টে আপাতত অস্বস্তি কাটল না প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের (Vineet Goyal)। প্রধান বিচারপতি জানান, আপাতত এব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ করবে না আদালত। তবে মামলা খারিজ করা হবে না। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখে এ ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: চাঁদার বিলে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ লেক গার্ডেন্সের ক্লাবের, অনুদান ফেরাল বেহালার ক্লাব

    RG Kar Protest: চাঁদার বিলে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ লেক গার্ডেন্সের ক্লাবের, অনুদান ফেরাল বেহালার ক্লাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। রাজ্য সরকারের দেওয়া দুর্গাপুজোর অনুদান (Durga Puja Grant) ফেরাচ্ছে একের পর এক ক্লাব। আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ (RG Kar Protest) জানাতেই রাজ্যের একাধিক ক্লাব এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একই ইস্যুতে এর আগে দক্ষিণ কলকাতার ‘মুদিয়ালি আমরা ক’জন পুজো কমিটি’ রাজ্য সরকারের দেওয়া দুর্গাপুজোর অনুদান ফিরিয়েছিল। এবার পুজোর চাঁদা তুলতে গিয়ে অভিনব প্রতিবাদে সামিল তারা। 

    চাঁদার বিলে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ লিখে প্রতিবাদ (RG Kar Protest)

    লেক গার্ডেন্স অঞ্চলের এই ক্লাবটি এবার চাঁদা বিলে আরজি কর নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে। চাঁদা বিলে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে স্ট্যাম্প দেওয়া হচ্ছে। তাতে লেখা থাকছে, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। পুজো কমিটির কর্মকর্তাদের বক্তব্য, আরজি করের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এমনিতেই আমরা সরকারের দেওয়া ৮৫ হাজার টাকা অনুদান ফিরিয়ে প্রতিবাদ (RG Kar Protest) জানিয়েছি। এবার আমরা চাঁদার বিলেও বিচারের দাবি জানালাম। পুজোর চাঁদার বিলে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ লেখার কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, ‘‘এই চাঁদার বিল কম করে এলাকার দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে। ফলে পুজোর আনন্দে আরজি করের নির্যাতিতা যে বিচার পাননি, সেটা মানুষজন ভুলে যাবেন না। পুজোতে আনন্দ করলেও, আমরা চাই, সাধারণ মানুষ যাতে মানসিকভাবে এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকুক।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘সনাতন ধর্মের উত্থানের সময় এসেছে’’, বললেন সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত

    সরকারের ৮৫ হাজার টাকা ফেরাল আরও একটি ক্লাব

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার প্রতি বছরই দুর্গাপুজো কমিটিগুলোকে আর্থিক সাহায্য করে। প্রতিবছর বাড়ছে সেই অনুদানের অঙ্ক। গত বছর এই অনুদানের অঙ্ক ছিল ৭০ হাজার। এবার সেটা বেড়ে হয়েছে ৮৫ হাজার টাকা। মণ্ডপে ঢাক-গান-ধুনুচি নাচ নয়, এবার পুজোয় আনন্দ নয়, দাবি একটাই বিচার চাই, এই দাবি তুলে অনুদান (RG Kar Protest) ফেরাল বেহালা চৌরাস্তার সবেদাবাগান ক্লাব। বেহালা চৌরাস্তার সবেদা বাগান ক্লাবের কর্মকর্তাদের বক্তব্য, এবার পুজোতে কোনও ঢাক বাজানো হবে না। গানও বাজবে না। সমস্ত আনন্দ থেকে বিরত থাকবে সবেদা বাগান পুজো কমিটি। শুধুমাত্র নিয়ম রক্ষায় কোনও রকমে এবার পুজো করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ২৭ সেপ্টেম্বর আরজি কর মামলার সুপ্রিম-শুনানি, কোন কোন বিষয় উঠতে পারে?

    RG Kar: ২৭ সেপ্টেম্বর আরজি কর মামলার সুপ্রিম-শুনানি, কোন কোন বিষয় উঠতে পারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) মামলায় সুপ্রিম কোর্টে পরবর্তী শুনানি রয়েছে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর। গত মঙ্গলবার, ছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) শুনানি সেখানেই বেশ কিছু প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্য সরকার। এর পাশাপাশি, সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দেয়, কোনওভাবেই তদন্তের স্বার্থে সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা যাবে না। মঙ্গলবারের শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওঠে। যার মধ্যে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের নিয়ে রাজ্য সরকারের বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি, আরজি কর কাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা- ইত্যাদি নানা বিষয়ে সওয়াল জবাব চলে। ওই দিন যে একাধিক নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট দেয়, সেগুলির অগ্রগতি কতটা হল? ২৭ সেপ্টেম্বরের শুনানিতে শীর্ষ আদালত তা জানতে চাইবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    চিকিৎসকদের (RG Kar) নিরাপত্তার বিষয়টি অবিলম্বে সুনিশ্চিত করতে হবে 

    প্রসঙ্গত, রাতে মহিলাদের কর্মস্থল সংক্রান্ত বিতর্কিত বিজ্ঞপ্তি মুছে ফেলার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার জুনিয়র ডাক্তারদের (RG Kar) সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) সওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তিনি বলেন, “জুনিয়র ডাক্তারদের আস্থা অর্জনের জন্য রাজ্যের সঙ্গে তাঁদের যে বোঝাপড়া, তা নথিবদ্ধ রাখা হোক। আমরা জানি, আমাদের সব দাবি এক দিনে পূরণ হবে না। জুনিয়র ডাক্তারেরা কাজে ফিরতে চান। এই বিষয়ে এখনই নজর দেওয়া দরকার।” অন্যদিকে, মঙ্গলবারের শুনানিতে জুনিয়র চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে তাঁদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আদালতের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়টি অবিলম্বে সুনিশ্চিত করার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশও দেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। হাসপাতালে নিরাপত্তার কাজে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ব্যবহারেও আপত্তি জানান প্রধান বিচারপতি।

    আরও ছ’দফা নির্দেশ (RG Kar)

    এগুলির পাশাপাশি  ছ’দফা নির্দেশ দিয়েছিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। সেগুলি হল— 

    প্রথমত, উইকিপিডিয়া থেকে নির্যাতিতার নাম ও ছবি মুছে ফেলতে হবে। দ্বিতীয়ত, চলতি মাসের ১২ তারিখ তদন্ত সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয় নিয়ে সিবিআইকে চিঠি দিয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা। ওই বিষয়গুলি গোপনীয়। তাই সেগুলি প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না। সিবিআইকে সেগুলি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে বলেছে শীর্ষ আদালত। তৃতীয়ত, আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা করে হাসপাতালে শৌচাগার এবং সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে। চতুর্থত, মহিলা চিকিৎসকরা সেমিনার হলে (RG Kar) বিশ্রাম নিতে গেলে তাঁদের সুরক্ষায় দরজায় বায়োমেট্রিক বসাতে হবে। নিরাপত্তার জন্য রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করতে হবে। পঞ্চমত, ওই ঘটনার পরে আরজি কর হাসপাতালের পুরো সিসিটিভি ফুটেজ সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে পুলিশকে। ষষ্ঠত, জুনিয়র ডাক্তাররা বৈঠক করার পরে কাজে যোগ দিলে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না মমতা সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘আলোচনা হতাশাজনক’, মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক শেষে কর্মবিরতিতে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকরা

    RG Kar Incident: ‘আলোচনা হতাশাজনক’, মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক শেষে কর্মবিরতিতে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের সদিচ্ছার অভাবে কর্মবিরতি থেকে সরলেন না জুনিয়র ডাক্তাররা। আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) পর নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন পড়ুয়া চিকিৎসকরা। কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের সেই সামান্য দাবি পূরণে ব্যর্থ মমতা প্রশাসন। দিনভর বৈঠকের পর বুধবার মধ্যরাতেও জুনিয়র চিকিৎসক ও রাজ্য সরকারের মধ্যে কোনও রফাসূত্র বের হল না৷ মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর জুনিয়র চিকিৎসকররা জানিয়ে দিলেন, তাঁরা কর্মবিরতি (Junior Doctors Protest) থেকে সরছেন না৷ পাঁচ ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠক শেষে দৃশ্যতই হতাশ তাঁরা। এদিন নবান্ন সভাঘরে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের সঙ্গে বৈঠক করেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    হতাশ জুনিয়র চিকিৎসকরা

    বৈঠক শেষে জুনিয়র চিকিৎসকদের পক্ষে অনিকেত মাহাতো সাংবাদিকদের বলেন, “মোট পাঁচটি দাবি আমরা পেশ করেছিলাম। তার মধ্যে কয়েকটা মানা হলেও, চার এবং পাঁচ নম্বর দাবি দু’টি নিয়ে আজ আলোচনা হওয়ার কথা ছিল৷ এর মধ্যে স্বাস্থ্যসচিবের অপসারণ, হাসপাতালগুলিতে সার্বিক নিরাপত্তা, থ্রেট কালচার ও মেডিক্যাল কলেজগুলিতে টাস্ক ফোর্স গঠন প্রাধান্য পেয়েছিল। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরকার আমাদের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছে৷ তবে কয়েকটি জায়গায় অসুবিধে আছে৷ আমরা মুখ্যসচিবের কাছে আলোচনার কার্যবিবরণী চেয়েছিলাম৷ কিন্তু উনি সেটা দেননি৷ শুধু মৌখিক আশ্বাস দিয়েছেন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সরকারের মৌখিক আশ্বাসে আমরা রাজি ছিলাম না। সরকারের কার্যবিবরণী তৈরি করা এবং লিখিত আশ্বাস দেওয়ার এই অনীহায় আমরা হতাশ। তবে মুখ্যসচিব আমাদের বলেছেন বৃহস্পতিবার আমাদের দাবিগুলিকে খসড়া আকারে ওনার কাছে ইমেল করতে৷ তারপর ওনারা সিদ্ধান্ত জানাবেন। আমরা কাজে ফিরতে চাই৷ কিন্তু যতক্ষণ আমাদের ন্যায্য দাবিগুলি পূরণ না-হচ্ছে, ততক্ষণ আমাদের আন্দোলন এবং কর্মবিরতি চলবে।”

    আরও পড়ুন: চাকরির বিনিময়ে জমি মামলায় লালু ও তাঁর দুই ছেলেকে তলব

    সরকারের সদিচ্ছার অভাব

    এদিন ৩০ জন জুনিয়র ডাক্তার বৈঠকে যোগ দিতে আসেন। বৈঠক শেষে আন্দোলনকারীরা জানান, তাঁরা বৈঠকের মিনিটসে সই করেননি। তাঁদের বক্তব্য, পাঁচ দফা দাবির পাঁচ নম্বর পয়েন্ট ছিল থ্রেট কালচারের অবসান। যার লক্ষ্যে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, আরডিএ গঠনে নির্বাচন নিয়ে আশ্বাস মিলেছিল আলোচনা পর্বে। তবে মিনিটসে তার উল্লেখ নেই। মিনিটসে শুধু সুপ্রিম কোর্টে যে নিরাপত্তার বিষয়গুলো বলা ছিল, সেগুলি‌ই রয়েছে। পঞ্চম দফা নিয়ে আলোচনা যেহেতু মিনিটসে নেই, তাই মিনিটসে স‌ই করেননি আন্দোলনকারীরা। তাঁরা কাজে যোগ দিতে চাইলেও সরকারের সদিচ্ছার অভাবেই বিষয়টি আটকে থাকছে বলে মত আন্দোলকারীদের। তাঁদের কথায়, “এদিনের আলোচনা হতাশাজনক। আজকের ঘটনায় প্রমাণ হল, কেন স্বচ্ছতার প্রশ্নে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দাবি জানিয়েছিলাম আমরা। আমরা কিছুটা হলেও ভরসা হারিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share