Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Dakshin Dinajpur: বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জমিজট না কাটায় চূড়ান্ত হতাশ সুকান্ত, দুষলেন রাজ্যকে

    Dakshin Dinajpur: বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জমিজট না কাটায় চূড়ান্ত হতাশ সুকান্ত, দুষলেন রাজ্যকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট-হিলি (Dakshin Dinajpur) রেল প্রকল্পের জমিজট এখনও না কাটায় হতাশ বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁর অভিযোগ, জেলা প্রশাসন জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ করে পুরো জমি রেলমন্ত্রককে দিতে না পারায় প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে না। বাজেট বরাদ্দের টাকা রেল দফতর জেলা প্রশাসনকে হস্তান্তর করেছে বেশ কয়েক মাস আগে। কিন্তু এখনও অর্ধেক জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি রাজ্য প্রশাসন। হতাশ সুকান্তবাবু দ্রুত এই কাজ শেষ করে জেলা প্রশাসনকে রেল দফতরের কাছে জমি হস্তান্তর করার দাবি তুলেছেন। সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “জেলা প্রশাসন কিছু জমি রেলকে হস্তান্তর করেছে। কিন্তু এখনও পুরোটা হয়নি। কবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে আমি জানি না, আমরা চূড়ান্ত হতাশ।”

    মাত্র ১০ কিমি রেলপথের জমি হস্তান্তর (Dakshin Dinajpur)!

    ২০০৪ সালে বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) পর্যন্ত ট্রেন ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরেই আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিলি পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণের দাবি ওঠে। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে ইউপিএ সরকার ওই রেলপথের অনুমোদন দিয়ে দেয়। বালুরঘাট থেকে হিলি পর্যন্ত ২৯.৭ কিলোমিটার পথের জন্য ৩৮৬ একর জমি চিহ্নিত করা হয়। দীর্ঘদিন ওই প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকার পর চলতি বছরেই জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়। বেশ কিছু জমিদাতা ইতিমধ্যেই টাকা পেয়ে গিয়েছেন। জমিজট কেটে যাওয়ায় এখনও পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার জমি রেলমন্ত্রককে হস্তান্তর করা হয়েছে। কিন্তু বাকি জমি অধিগ্রহণ শেষ করে রেলকে কবে হস্তান্তর করা হবে তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

    বিজেপি সাংসদের বক্তব্য

    বালুরঘাটের (Dakshin Dinajpur) বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “জেলা প্রশাসন কিছু জমি রেলকে হস্তান্তর করেছে। কিন্তু এখনও পুরোটা হয়নি। রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে অসহযোগিতা করছে। এখন কবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে আমি জানি না। আমরা চূড়ান্ত হতাশ।”

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যের ৩ কোটি মহিলা কেন পান না লক্ষ্মীর ভাণ্ডার? মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন বিজেপির

    প্রশাসনের বক্তব্য

    দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা অবশ্য আশার কথা শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, “আরও দু-একটি দাগের সমস্যা রয়েছে। আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে সেই সমস্যা মিটিয়ে নিয়ে প্রথম পর্যায়ের জন্য প্রয়োজনীয় ১৪ কিলোমিটার জমি রেলকে হস্তান্তর করা হবে। নভেম্বর মাসের শেষ বা ডিসেম্বরের প্রথম থেকেই রেললাইন তৈরির কাজ শুরু করতে পারবে রেল দফতর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WB BJP: রাজ্যের ৩ কোটি মহিলা কেন পান না লক্ষ্মীর ভাণ্ডার? মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন বিজেপির

    WB BJP: রাজ্যের ৩ কোটি মহিলা কেন পান না লক্ষ্মীর ভাণ্ডার? মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ কোটি ২০ লাখ মহিলা পাচ্ছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। কেন মুখ্যমন্ত্রী প্রতারণা করছেন বাকি ৩ কোটি মহিলার সঙ্গে? সম্প্রতি এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের বিতর্ক সভায় যোগ দিয়ে এমন প্রশ্নই তুললেন রাজ্য় বিজেপির (WB BJP) সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (Jagannath Chattopadhyay)। তিনি বলেন, ‘‘২০২১ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে শাসক দল ঘোষণা করেছিল রাজ্যের সব মহিলাই পাবেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার।’’ প্রসঙ্গত,রাজ্য়ে ৫ কোটির বেশি মহিলা থাকলেও প্রত্যেকে এই সুবিধা পান না। বিতর্ক সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য় সরকারের নারী ও শিশু কল্যাণমন্ত্রী, তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। শশী পাঁজা এবং কুণালকে দেখা যায় চুপচাপ বসে জগন্নাথের প্রশ্নবাণ হজম করতে। 

    রাজনৈতিক দাসী বানাতে চায় শাসক দল (WB BJP)

    জগন্নাথের বিস্ফোরক দাবি, ‘‘অন্য রাজ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ধরনের প্রকল্পগুলি নারী ক্ষমতায়ন আনতে পারলেও, পশ্চিমবঙ্গে তা দুর্বৃত্তায়নের কাজে ব্যবহার করছে শাসকদল।’’ কীভাবে? সে উত্তরও দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির (WB BJP) সাধারণ সম্পাদক। বিজেপির এই রাজ্য নেতা বলেন, ‘‘নির্বাচন এলেই জায়গায় জায়গায় শাসক দলের নেতারা হুমকি দিতে থাকেন, আমরা টাকা দিচ্ছি, ভোট না দিলে বন্ধ করে দেব।’’ জগন্নাথ বলেন, ‘‘মহিলাদের আর্থিক ক্ষমতা দিয়ে তাঁদের উন্নতি করার কথা ছিল এই প্রকল্পের মাধ্যমে। অথচ তা নারী শক্তিকে রাজনৈতিক দাসী বানানোর কাজে ব্যবহার করছে শাসক দল।’’

    দেশের মধ্যে ৫টি আর্থিক দুর্বল রাজ্যের মধ্যে অন্যতম পশ্চিমবঙ্গ

    বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘‘রাজ্যের মোট বাজেট ৩ লাখ ৩৬ কোটি টাকার। এর মধ্যে ১ লাখ ২ হাজার কোটি টাকা আসে রাজ্যের নিজের আয় থেকে। ১ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা পাঠায় দিল্লি। বাকি ১ লাখ কোটি মাননীয়া ধার করেন বাজার থেকে। ২ লাখ ৬৮ কোটি টাকা মুখ্যমন্ত্রী খরচ করেন রোজের কাজে অর্থাৎ যার কোনও দূরগামী পরিণাম নেই। বছরে মাননীয়ার ২৬ হাজার কোটি টাকা যায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিতে। ২৮ টাকার চোলাই বেচে আসে ২১ হাজার কোটি। তেলের দাম না কমিয়ে আসে ১৩ হাজার কোটি।’’ ১ লাখ কোটি টাকা রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে ৫টি দুর্বল রাজ্য়ের মধ্যে অন্যতম বলেও মন্তব্য করেন বিজেপির এই রাজ্য নেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘মমতা না তাঁর ভাইপো নাকি জামাত, কে সরকার চালাচ্ছে বুঝতে পারছি না,’’ তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘মমতা না তাঁর ভাইপো নাকি জামাত, কে সরকার চালাচ্ছে বুঝতে পারছি না,’’ তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘সরকার (পশ্চিমবঙ্গ) কে চালাচ্ছে, সেটাই বুঝতে পারছি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালাচ্ছেন, নাকি জামাত চালাচ্ছে, না তাঁর ভাইপো চালাচ্ছেন, সেটাই বুঝতে পারছি না।’’ শনিবার বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বালুরঘাটে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূল সরকারকে এই ভাষাতেই তোপ দাগলেন। মূলত, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা হ্যাক হওয়ার ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘কোন দিন দেখা যাবে সরকারটাই হ্যাক হয়ে গিয়েছে। সরকার কে চালাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালাচ্ছেন, নাকি জামাত চালাচ্ছে, নাকি ভাইপো চালাচ্ছেন, আমরা তো সেটাই বুঝতে পারছি না।’’

    আবাস দুর্নীতি নিয়ে সরব (Sukanta Majumdar)

    হাতিয়ারা পূর্বপাড়াতে নকল নাম দিয়ে জল বিক্রি করার অভিযোগে এক জল ব্যাবসায়ী গ্রেফতার হয়েছেন। সেই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘গোটা রাজ্য জুড়ে এমন খাদ্য দ্রব্যের বিভিন্ন ঘটনা দেখতে পাচ্ছি। কখনও দামি ব্র্যান্ডকে নকল করা হচ্ছে। কখনও চাইনিজ রসুন ঢুকে যাচ্ছে। এরপরে শুনবো চাইনিজ চাল বাজারে ঢুকে যাবে। সরকার তো এবার চাইনিজ হয়ে যাবে। মুখ্যমন্ত্রীও চাইনিজ মুখ্যমন্ত্রীতে পরিণত হবে।’’ আবাস যোজনার দুর্নীতি নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘গোটা রাজ্য জুড়ে আবাস যোজনার দুর্নীতি চলছে। গরিবদের ঘর না দিয়ে বড়লোকরা ঘর পাচ্ছেন। তৃণমূল তালিকায় নাম তুলতেও টাকা নিচ্ছে। তৃণমূল সরকার যা পাবে তাই বেচে দেবে। তৃণমূল সব কিছু বিক্রি করা ছাড়া কিছু জানে না। পারলে পুরো রাজ্যটাকে বেচে দিত।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    মর্ডান ইভিএমে ভোট হলে বেশিরভাগ পুরসভাতে জিতবে বিজেপি

    রাজ্যে ১৫৬টা পুরসভার চেয়ারম্যান ঠিক ঠাক করে কাজ করেননি, সেই চেয়ারম্যানদের নামের তালিকা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। সেই ক্ষেত্রে লোকসভা ভোটে গঙ্গারামপুর পুরসভা ও বালুরঘাট পুরসভার রেজাল্ট খারাপ হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নেবে তৃণমূল? এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘তৃণমূল জানে শিক্ষিত লোকরা যাঁরা আত্মনির্ভর, তাঁরা কেউ তৃণমূলকে ভোট দেন না। যদি পুরসভার ভোট মর্ডান ইভিএম দিয়ে হয়, তাহলে বিজেপি বেশিরভাগ পুরসভাতে জিতবে। কয়জনকে সরাবে। শিক্ষিত মানুষরা ভোট দেন না তৃণমূলকে। রাজ্যটাকে এমন করে রেখেছে, রাজ্যে কোনও রোজগার নেই, রাজ্যে কোনও চিকিৎসা নেই, মানুষ ওই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভিক্ষে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। তাঁদেরকেই জোর করে তৃণমূলকে ভোট দেওয়াচ্ছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagadhatri Puja 2024: স্বপ্নাদেশ পেয়ে শুরু হয়েছিল পুজো, ধাত্রীগ্রামের জগদ্ধাত্রী পুজোর মাহাত্ম্য জানেন?

    Jagadhatri Puja 2024: স্বপ্নাদেশ পেয়ে শুরু হয়েছিল পুজো, ধাত্রীগ্রামের জগদ্ধাত্রী পুজোর মাহাত্ম্য জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের হাত ধরে কৃষ্ণনগর রাজবাড়িতে প্রথম জগদ্ধাত্রী পুজো সূচনা হয়েছিল। চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো (Jagadhatri Puja 2024) শুরু হওয়ার পিছনেও রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ভূমিকা ছিল অন্যতম। এই সময়কাল ধরেই কালনার (Kalna) ধাত্রীগ্রামে দীর্ঘ ৩০০ বছর ধরে পূজিত হয়ে আসছেন জগদ্ধাত্রী। এবারও এই পুজোকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীদের উন্মাদনা চোখে পড়ার মতো।

    স্বপ্নাদেশ পেয়ে শুরু হয়েছিল পুজো (Jagadhatri Puja 2024)

    জনশ্রুতি রয়েছে, ধাত্রীমাতা জগদ্ধাত্রীর (Jagadhatri Puja 2024) নামেই এই জায়গার নামকরণ করা হয় ধাত্রীগ্রাম। কালনার এই জগদ্ধাত্রীর কতখানি মাহাত্ম্য, তা এর থেকেই অনুমেয়। স্থানীয় ইতিহাস থেকে জানা যায়, তিনশো বছর আগে নদিয়া জেলায় ব্রহ্মশাসন মহল্লা নামে এক জনপদ ছিল। সেখানকার চন্দ্রপতি গোষ্ঠীর এক পণ্ডিত সপরিবার ধাত্রীগ্রামে এসে বসবাস শুরু করেন এক সময়ে। ধাত্রীগ্রামে শিক্ষার প্রসারে তিনি বেশ বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন। কয়েকটি সংস্কৃত শিক্ষার গুরুকুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নিজের হাতে। সেখানে সংস্কৃত শিক্ষার পাঠ দেওয়া হতো। নবদ্বীপ থেকে সেই সময়ে পণ্ডিতরা এই টোলে এসে শিক্ষা দান করতেন। শোনা যায়, সেই সময়েই তৎকালীন চন্দ্রপতি গোষ্ঠীর এক গৃহবধূ স্বপ্নাদেশ পান এবং বাড়ির কাছে পুকুরে দেবী জগদ্ধাত্রীর সাক্ষাৎ মেলে। এর পরেই সেই স্থানে হোগলাপাতার ছাউনি দিয়ে গড়া হয় মণ্ডপ। সেখানেই প্রথম দেবীর পুজো শুরু হয়। জগদ্ধাত্রীর এক অন্য রূপে পুজো শুরু হয় এখানে। দেবী ছিলেন নরসিংহ বাহনে। স্থানীয় মানুষ এই জগদ্ধাত্রীকে ধাত্রীদেবী হিসেবে পুজো করতে শুরু করেন তখন থেকেই।

    নবমীর দিন মায়ের কাছে কী কী ভোগ নিবেদন করা হয়?

    বর্তমানে এলাকার বাসিন্দাদের মতে, এই দেবী খুবই জাগ্রত। অনেকে ধাত্রীগ্রাম (Jagadhatri Puja 2024) নামকরণের নেপথ্যে দেবীর মাহাত্ম্যকেই কারণ হিসেবে দেখেন। প্রায় তিনশো বছরের প্রাচীন রীতি মেনে এখনও এই পুজো করা হয়। নবমীর দিন এখানে মাছের নানা পদ ভোগ হিসেবে মায়ের কাছে অর্পণ করা হয়। পরে, মালশা করে সেই ভোগপ্রসাদ ভক্তদের বিতরণ করা হয়, যা নিতে ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। এই পুজোয় ভোগ হিসেবে দেওয়া হয় বাসমতি চালের খিচুড়ি, তেরো রকমের ভাজা, তরকারি, পায়েস-সহ মাছের নানা পদ। পুজোর কয়েক দিন ধরে গ্রামজুড়ে থাকে উৎসবের মেজাজ। অনেকে মন্দিরের পাশের পুকুর থেকে স্নান করে নিজেদের মনস্কামনা পূরণের জন্য দন্ডিও কেটে থাকেন। আশপাশের প্রায় ২০ থেকে ২৫টি গ্রামের মানুষ অংশগ্রহণ করেন এই পুজোয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাল সংগ্রহ করা হয় দরিদ্র সেবার উদ্দেশ্যে। গ্রামজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: আচমকাই লাইনচ্যুত শালিমার-সেকেন্দ্রাবাদ এক্সপ্রেস, নলপুরের দুর্ঘটনা ভাবাচ্ছে রেলকে

    Train Accident: আচমকাই লাইনচ্যুত শালিমার-সেকেন্দ্রাবাদ এক্সপ্রেস, নলপুরের দুর্ঘটনা ভাবাচ্ছে রেলকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার নলপুরের (Nalpur) কাছে সাতসকালেই বেলাইন ডাউন শালিমার-সেকেন্দ্রাবাদ এক্সপ্রেস। বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনও ঘটনা না ঘটলেও কেন বেলাইন হল ট্রেন (Train Accident) সেই প্রশ্ন ঘুরছে সহ মহলেই। ইতিমধ্যেই জোরকদমে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে রেল। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন রেলের উচ্চপদস্থ কর্তারা। সব যাত্রীদের উদ্ধার করে তাঁদের গন্তব্যের উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Train Accident)

    শনিবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ শালিমারে ঢোকার আগে সেকেন্দ্রাবাদ-শালিমার সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনা নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত করবে দক্ষিণ-পূর্ব রেল। দু’টি কামরা এবং একটি পার্সেল ভ্যান লাইনচ্যুত হয়। এদিন দুপুর পর্যন্ত লাইনের ওপর থেকে ট্রেনের বেলাইন কামরাগুলি সরানো যায়নি। রেল সূত্রে খবর, ডাউন লাইন দিয়ে শালিমারের দিকে আসছিল ট্রেনটি (Train Accident)। আচমকা তার শুরুর দিকের কামরাগুলি মাঝের লাইনে চলে আসে। পরে আবার তা ডাউন লাইনে চলে যায়। এর ফলে ট্রেনের ভিতরে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি হয়। ডাউন লাইনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেঁকে গিয়েছে লাইনের একাংশ। যে লোহার ক্লিপ দিয়ে লাইন সংযুক্ত রাখা হয়, তা-ও চারদিকে ছিটকে পড়েছে। লাইনের সিমেন্টের ঢালাই স্লিপারও ভেঙে পড়েছে।  যার ফলে হাওড়া থেকে লোকাল ট্রেন পরিষেবাও যে কারণে ব্যাহত হয়েছে। সকাল থেকে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন দক্ষিণ-পূর্ব লাইনের যাত্রীরা (Train Accident)। যদিও দুর্ঘটনাগ্রস্ত যাত্রীরা সকলেই সুরক্ষিত। কারও বড় কোনও আঘাত লাগেনি বলে জানিয়েছেন মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ওমপ্রকাশ চরণ। যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ১০টি বাস এবং একটি লোকাল ট্রেনের বন্দোবস্তও করে রেল। কিন্তু, কীভাবে তা সম্ভব হল, তা নিয়ে এখনও ধন্দে রেল আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    কী বললেন রেলের আধিকারিকরা?

    লাইনচ্যুত (Train Accident) হওয়ার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বেশ কিছু জিনিস ভাবাচ্ছে দক্ষিণ পূর্ব রেলের আধিকারিকদের। ট্রেনটি ডাউন মেন লাইন থেকে মিডল লাইনে উঠছিল। এই ক্রসিং পয়েন্টে কোনও বিভ্রাট হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন রেলের টেকনিক্যাল বিভাগের কর্তারা। নলপুরের ওই যে অংশে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে সেই অংশে তিনটি লাইন রয়েছে। আপ লাইন, ডাউন মেন লাইন, মিডল লাইন। এই মিডল লাইন দিয়ে আপ এবং ডাউন দুই লাইনের ট্রেন চলাচল করে। যে সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে তখন গাড়ির গতি ছিল ঘণ্টায় ১৫-২০ কিমি। সে কারণেই বড়সড় দুর্ঘটনা (Train Accident) এড়ানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদি গতি বেশি থাকত তাহলে অন্য চিত্র দেখা যেত বলে মনে করছেন অনেকেই। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের এজিএম সৌমিত্র মজুমদার জানিয়েছেন, যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়াই রেলের অগ্রাধিকার। তার পর লাইনচ্যুত কামরাগুলি সরিয়ে লাইন মেরামতির কাজ হবে। ইতিমধ্যে সেই প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ট্রেন বাতিল, গতিপথ পরিবর্তন

    দুর্ঘটনার (Train Accident) জেরে সকাল থেকে হাওড়া-খড়াপুর শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। ডাউন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় লোকাল ট্রেন সঠিক সময়ে চলছে না। সকাল থেকে দীর্ঘ ক্ষণ কোনও ট্রেনই ছিল না, দাবি যাত্রীদের।  বেশ কিছু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল বা তার সময় পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে খবর রেল সূত্রে। বাতিল করা হয়েছে দিঘা থেকে হাওড়া এবং হাওড়া থেকে দিঘাগামী ট্রেন। এ ছাড়া, হাওড়া কিংবা শালিমার স্টেশনে আসার অনেক ট্রেনের গতিপথ সংক্ষিপ্ত হয়েছে। হাতিয়া থেকে হাওড়া, পুরী থেকে শালিমার, সম্বলপুর থেকে শালিমার, চেন্নাই থেকে শালিমার, আদ্রা থেকে হাওড়া, পুরুলিয়া থেকে হাওড়া, ভুবনেশ্বর থেকে হাওড়া আসার ট্রেনের গতিপথ সংক্ষিপ্ত হয়েছে। ঘুরপথে চলবে মুম্বই-শালিমার, মুম্বই-হাওড়া এক্সপ্রেস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Awas Yojana: তালিকায় নাম তৃণমূল নেতা থেকে রেশন ডিলারের, জেলায় জেলায় আবাস দুর্নীতি

    Awas Yojana: তালিকায় নাম তৃণমূল নেতা থেকে রেশন ডিলারের, জেলায় জেলায় আবাস দুর্নীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোথাও একজনের নাম রয়েছে পাঁচবার! আবার কোথাও বিলাসবহুল বাড়ি ও প্রচুর সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও আবাসের তালিকায় উঠেছে নাম। জেলায় জেলায় আবাস যোজনায় (Awas Yojana) দুর্নীতির ভুরি ভুরি দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে। অভিযোগ উঠছে, প্রকৃত উপভোক্তারা যেখানে টাকা পাচ্ছেন না, সেখানে আবাসের টাকা পাচ্ছেন শাসক দলের নেতারা। এনিয়ে এই মুহূর্তে তোলপাড় গোটা রাজ্য। ফলে, জেলায় জেলায় তৃণমূল (Trinamool Congress) সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    আবাস তালিকায় পাঁচবার নাম ভূতুড়ে উপভোক্তার (Awas Yojana)  

    পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া-২ নম্বর ব্লকের জগদানন্দপুর গ্রামের সুদেষ্ণা রায় নামে এক বাসিন্দার আবাস যোজনার (Awas Yojana)  তালিকায় তাঁর নাম এসেছে পাঁচবার! কিন্তু, আরও বড় কেলেঙ্কারি সামনে এল এবার। যখন সরকারি আধিকারিকরা সমীক্ষা করতে গিয়ে দেখলেন, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে সুদেষ্ণা রায় নামে কোনও মহিলার অস্তিত্বই নেই। আর এতেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, আবাস যোজনার টাকা লুট করতে কি এবার ভূতুড়ে উপভোক্তা তৈরি করা হচ্ছে? প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, তালিকায় যে গরমিলের অভিযোগ উঠেছে, তার সমাধান করা হবে। তালিকা খতিয়ে দেখে, সমস্ত ভুয়ো নাম যোগ হয়েছে। সেই সমস্ত নাম বাতিল করা হবে। বিজেপি নেত্রী সীমা ভট্টাচার্য বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের ঝোলা থেকে একের পর এক দুর্নীতি বেরিয়ে আসছে। আবাস যোজনার বাড়ি প্রতি তৃণমূল ২০ হাজার টাকা করে তুলছে। ফলে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলাবাজি চলছে এই আবাস যোজনার বাড়ি থেকে। তাই ভুয়ো নাম ঢুকিয়ে দিয়ে তারা টাকা তোলার কারবার ফেঁদেছে। সুদেষ্ণা রায় নামে এই পঞ্চায়েতে কাউকে পাওয়াই যায়নি।” জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাসের দাবি, “প্রশাসনিক ব্যাপার এটা। কারও নামে ভুলবশত বাড়ি এলে সেই নাম বাতিল হবে। যাঁরা পাওয়ার যোগ্য, তাঁরাই বাড়ি পাবেন।” অন্যদিকে, যোগ্যকে বঞ্চনা, যাঁর পাকা বাড়ি, তাঁকেই আবাস? পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডিতে ঝালদা-বাঘমুণ্ডি রাজ্য সড়ক  অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান যোগ্যরা। মূলত দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের।

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    আবাসের তালিকায় নাম রেশন ডিলারের

    পশ্চিম বর্ধমানে আবার আবাসের (Awas Yojana) তালিকায় নাম ঢুকেছে রেশন ডিলারের। জানা গিয়েছে, জেলার কাঁকসার বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের জামদোহা এলাকায় থাকেন মৃণালকান্তি ঘোষ। তিনি আবার বিদবিহার গ্রামের রেশন ডিলার। তিনি থাকেন বিদবিহারের জামদহ এলাকায় এই বিলাসবহুল বাড়িতে। তারপরেও কীভাবে বাংলা আবাস যোজনায় নাম ঢুকল ওই ব্যক্তির সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে যখন সমীক্ষা হয়েছিল তখন যে ৭৭৪ জনের নাম তালিকায় ছিল, সেই তালিকা গ্রাম পঞ্চায়েতের সার্ভার থেকে মুছে গিয়েছিল। সম্প্রতি সেগুলি আবার ফিরে এসেছে। দেখা যাচ্ছে, ওই তালিকায় অধিকাংশ নামের ব্যক্তিরই রয়েছে পাকা বাড়ি। সেই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আবাসের তালিকায় নাম থাকা রেশন ডিলারকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি তড়িঘড়ি বাইক নিয়ে এলাকা ছাড়েন। কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, এই ধরনের কারও নাম আবাসের তালিকায় থাকার কথা নয়। যারা পাওয়ার যোগ্য তাদেরকেই দেওয়া হবে বাড়ি। সমালোচনায় সরব বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা সাংগঠনিকজেলার বিজেপির সহ-সভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, “সবাই বুঝতেই পারছে বাংলার কী হাল! যারা পাওয়ার যোগ্য তারা থাকছে মাটির ঘরে, আর যাদের রয়েছে বিলাসবহুল বাড়ি তাদের জাতি বদল করে আবাসের তালিকায় নাম দেওয়া হচ্ছে।” রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় দফতরের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, “যারা বাংলা আবাস যোজনার যোগ্য ব্যক্তি তাদেরকেই দেওয়া হবে আবাসের পাকা বাড়ি।”

    আবাসের তালিকায় তৃণমূল প্রধানের স্বামীর নাম

    এবার আউশগ্রাম ১ ব্লকের দিগনগর ২ পঞ্চায়েতেও আবাসের (Awas Yojana) অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে আবাসের তালিকায় নাম রয়েছে পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর। যদিও প্রধান সবিতা মাহাতো তাঁর স্বামী পরশুরাম মাহাতোর নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ব্লক প্রশাসনের কাছে চিঠি লিখেছেন। একইভাবে ওই পঞ্চায়েতেরই এক তৃণমূল ছাত্রনেতার নাম জড়িয়েছে। এই অবস্থায় আবাসের তালিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। জানা গিয়েছে, ওই ছাত্র নেতার নাম হল তন্ময় গোস্বামী। তিনি আউশগ্রাম ১ ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি এবং দিগনগর ২ পঞ্চায়েতের গোপীনাথবাটীর বাসিন্দা। অভিযোগ উঠেছে আবাসের তালিকায় নাম রয়েছে তাঁর বাবার। তবে তিনিও প্রধানের মতোই একইভাবে বিডিওকে চিঠি দিয়ে তালিকা থেকে বাবার নাম বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, বিডিও (আউশগ্রাম ১) শেখ কামরুল ইসলাম। এ বিষয়ে বিডিও জানান, সবকিছু খতিয়ে দেখার পরেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: নৃশংসভাবে খুন উস্তির বিজেপি নেতা, মমতাকে ‘রক্তপিপাসু মুখ্যমন্ত্রী’ তোপ সুকান্তর

    BJP: নৃশংসভাবে খুন উস্তির বিজেপি নেতা, মমতাকে ‘রক্তপিপাসু মুখ্যমন্ত্রী’ তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) নেতাকে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তি থানার দ্বীপের মোড় এলাকায়। বাইরে থেকে তালাবন্ধ অবস্থায় থাকা বিজেপির কার্যালয়ের ভিতর থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃত বিজেপি নেতার নাম পৃথ্বীরাজ নস্কর। তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মথুরাপুর লোকসভার বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া কনভেনার ছিলেন। তাঁর বাড়ি আটপাড়া এলাকায়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই খুন করেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘রক্তপিপাসু মুখ্যমন্ত্রী’ বলে আক্রমণ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন বিজেপি নেতা (BJP)

    গত ৫ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। দীর্ঘ সময় খোঁজ না পেয়ে গত ৭ তারিখ সন্ধ্যায় উস্তি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে পুলিশ। শুরুতে খোঁজ না মিললেও পৃথ্বীরাজের ফোন চালু রাখা ছিল বলে পরিবারের দাবি। তাতেই ঘনায় রহস্য। শুক্রবার রাতে সন্দেহের বশে পরিবারের লোকজনেরা বন্ধ পার্টি (BJP) অফিসের জানালা দিয়ে কাপড় জড়ানো অবস্থায় কিছু পড়ে দেখতে দেখে পুলিশে খবর দেন। জানা গিয়েছে, তালা ভেঙে বিজেপির ওই কার্যালয়ে পুলিশ ঢোকে। সেখানে বিজেপি নেতার রক্তাক্ত দেহটি পড়ে ছিল। বিবস্ত্র অবস্থায় পড়েছিল দেহটি। জামাকাপড় পড়ে ছিল দেহের পাশেই। দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল বলেও জানা গিয়েছে। তবে, পৃথ্বীরাজের মোবাইল নম্বরের টাওয়ার লোকেশন জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। শেষবার তিনি কার সঙ্গে কথা বলেন, তা-ও জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যে জায়গায় দেহ উদ্ধার হয়েছে সেখান থেকে পৃথ্বীরাজের বাড়ির দূরত্ব মেরেকেটে ১ কিলোমিটার। বাড়ির এত কাছে এই কাণ্ড ঘটে গেল, অথচ কেউ কীভাবে কিছু টের পেল না তা ভাবাচ্ছে পুলিশকে। তাহলে কী অন্যত্র মেরে ওখানে দেহ রাখা হয়েছে? সেই প্রশ্নও উঠছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    গত লোকসভা নির্বাচনে মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির (BJP) পরাজিত প্রার্থী অশোক পুরকাইতের ছায়া সঙ্গী ছিলেন পৃথ্বীরাজ। তখন থেকেই শাসক তৃণমূলের টার্গেট হয়ে গিয়েছিলেন বলে পরিবারের দাবি। পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পনা করেই পৃথ্বীরাজকে অপহরণ করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই। ওরাই খুন করেছে। তারপর দেহ নিয়ে এসে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে ফেলে রেখে গিয়েছে। পরিবার সূত্রে খবর, ৪ নভেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন পৃথ্বীরাজ। বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। ফোন করলেও পাওয়া যায়নি। এর পর ৭ নভেম্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পরিবারের লোকজন। পৃথ্বীরাজের দাদা বলেন, ‘‘আমি সবসময় বাড়িতে থাকি না। ১২টার সময় স্ত্রী ফোন করে বলল, ভাই খুন হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে আসতে পারিনি। সকালে এসে শুনলাম নিয়ে গিয়েছে। সাময়িকভাবে ব্যবহার করা হত কার্যালয়টি। বিজেপির আইটি সেলের কর্মী ছিল ভাই। ঠিক ভাবে বলতে পারছি না। কিন্তু আমাদের একটা দুর্গাপুজো হয়। সেখানে জাস্টিস ফর আরজি কর লেখা ব্যানার টাঙানো হয়। বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যান সমাজবিরোধীরা। ভাইয়ের কাছে পার্টি অফিসের চাবি থাকত। অথচ পার্টি অফিসে বাইরে থেকে তালা দেওয়া ছিল। আমার ভাইকে খুন করা হয়েছে। আমরা ঘটনার প্রকৃত তদন্ত করে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।’’

    মমতাকে নিশানা সুকান্তর

    দলীয় কর্মীকে খুনের ঘটনায় রাজ্যের শাসক দলকে নিশানা করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। নিজের এক্স হ্যান্ডলে সুকান্ত দাবি করেন, কয়েকদিন আগে তাঁকে তাঁর নিজের এলাকা থেকেই তুলে নিয়ে গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীবাহিনী। নৃশংস খুনের আগে পৃথ্বীরাজের উপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছে। সমাজমাধ্যমে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে লেখেন, ‘‘এই ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করে দিল রাজ্যের জনবিচ্ছিন্ন, নৃশংস এবং রক্তপিপাসু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক কতটা ভয় পেয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টিকে। আমরা আমাদের সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও রাজ্যের প্রতিটি বিজেপি কর্মীর সুরক্ষার জন্য লড়বো। রাজ্যকে বাঁচানোর সংকল্পে রক্তপিপাসু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলছে, চলবে।’’

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার দুর্গাপুরে জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনে হাজির ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে থ্রেট কালচারের জনক বলেন তিনি। একই সঙ্গে রেখা পাত্রকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করায় ফিরহাদ হাকিমকেও তোপ দাগেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, ‘‘ঝাড়খণ্ডের জামতাড়ায় ইন্ডি জোটের মন্ত্রী ইরফান আনসারি সেখানের এক জনজাতি মা’কে বলেছিলেন, ‘সি ইজ রিজেক্টেড মাল’। আর এপারে তাদের তৃণমূলের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম তফশিলি মা’কে বলছেন ‘হেরো মাল’। এদের মানসিকতা, রুচিবোধ ভাষা সংস্কৃতি এতটাই নিম্নমানের। মাতৃশক্তির প্রতি মনোভাব মুখের ভাষা থেকে প্রকাশিত হয়।’’

    ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য ভারতীয়ত্ব ও সনাতনী সংস্কৃতিকে আঘাত করেছে

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘ফিরহাদ হাকিমের এই বক্তব্য ভারতীয়ত্ব ও সনাতনী সংস্কৃতিতে আঘাত করেছে। এই ইস্যু ছাড়ব না। আইনি ব্যবস্থা নেব। অতীতে বহুবার এধরনের আক্রমণ করেছেন। এর আগে মেটিয়াবুরুজে পাকিস্তানি সাংবাদিকদের এনে মিনি পাকিস্তান বলেছিলেন। তারপর রাজ্যের (West Bengal) ৫০ শতাংশের বেশি মানুষকে উর্দুতে কথা বলাতে চেয়েছিলেন। তারপর তিনি নিজের ধর্মকে সৌভাগ্য বলে যারা ওই ধর্মে যায়নি, তাদের দুর্ভাগ্যবান বলেছেন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘রেখা পাত্র আদালতে গিয়েছেন। রেখা পাত্র জিতবেন। যে কারণে দেবাশিস ধরের মনোনয়ন বাতিল করেছিল, সেই একই গ্রাউন্ডে হাজি নুরুলের মনোনয়নও বাতিল হবে। রেখা পাত্র আদালতে জিতবে। উপনির্বাচন হবে না।’’

    রেখাকে নিয়ে কুমন্তব্যে শুরু হয় বিতর্ক

    প্রসঙ্গত, ভোটমুখী ঝাড়খণ্ডের জামতাড়ায় নির্বাচনী প্রচার সভা থেকে বিজেপির জনজাতি প্রার্থী সীতা সোরেনকে কটুক্তি করেন সেরাজ্য়ের ইন্ডি জোটের মন্ত্রী ইরফান আনসারি। এরই মাঝে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বিজেপির তফশিলি মোর্চার নেত্রী রেখা পাত্রকে একই ভাষায় কটুক্তি করেন। তাই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়। ইতিমধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় তফশিলি মহিলারা এফআইআর দায়ের করেছেন। এমনকি জাতীয় মহিলা কমিশন ও তফশিলি কমিশনেও অভিযোগ দায়ের হয়েছে। রেখা পাত্রও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

    সময় এসেছে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘এবছর দুর্গাপুজোয় ফালাকাটা, গার্ডেনরিচ, হাওড়ার শ্যামপুরে কীভাবে পুজো মণ্ডপে আক্রমণ হয়েছে! মাতৃশক্তি প্রতিরোধ করেছে। তাই সময় এসেছে হিন্দুদের ক্ষমতা দেখানোর। ওরা যে ভাষায় সন্তুষ্ট সেই ভাষায় উত্তর দিতে হবে। হিন্দুদের একমাত্র দেশ ভারতবর্ষ। কেউ কেউ ধর্ম নিরপেক্ষতার নামে হিন্দুদের বিভাজন করতে চাইছে। তাই সময় এসেছে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।’’ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত কয়েকদিন ধরে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী থ্রেট কালচারের শিকার। তাঁকে হস্টেলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ (West Bengal)। এপ্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থ্রেট কালচারের জনক।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagadhatri Puja 2024: রবিবার মাত্র একদিন জগদ্ধাত্রী পুজো হবে কৃষ্ণনগরে, চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের মণ্ডপসজ্জার কাজ

    Jagadhatri Puja 2024: রবিবার মাত্র একদিন জগদ্ধাত্রী পুজো হবে কৃষ্ণনগরে, চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের মণ্ডপসজ্জার কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের হাত ধরেই কৃষ্ণনগরের মাটিতে প্রথম জগদ্ধাত্রী পুজোর (Jagadhatri Puja 2024) সূচনা হয়েছিল। পরে, তাঁর উদ্যোগে এই পুজো চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। চন্দননগরে এই পুজো শুরু হওয়ার পিছনে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ভূমিকা রয়েছে বলে ইতিহাস থেকে আমরা জানতে পারি। স্বাভাবিকভাবে সেই জগদ্ধাত্রী পুজোকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণনগর জুড়ে এখন সাজো সাজো রব।

    কীভাবে শুরু হয়েছিল কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো? (Jagadhatri Puja 2024)

    ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, খাজনা দিতে না পারার কারণে নবাব মীর কাশেমের হাতে বন্দি হলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। অন্য মতে, নবাব আলিবর্দির হাতে কৃষ্ণচন্দ্র বন্দি হন। তাঁকে পাঠানো হল বিহারের মুঙ্গেরের জেলে। বন্দি দশা কাটানোর পর তিনি যখন নদীপথে বাড়িতে ফিরছিলেন, তখন কৃষ্ণনগরে (Jagadhatri Puja 2024) পৌঁছানোর আগে ধুবুলিয়াতে বিসর্জনের বাজনা শুনতে পান। তখন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র নৌকার মাঝিদের জিজ্ঞাসা করেন এটা কিসের বাজনা। তখন তাঁরা উত্তর দেন, দুর্গাপুজোর বিসর্জনের বাজনা। তার আগে থাকতেই রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজত্বে দুর্গাপুজো হয়ে আসছিল। সেবছর দুর্গাপুজো করতে না পারার কারণে কৃষ্ণচন্দ্রের মন খুব খারাপ হয়ে যায়। তিনি বাড়িতে আসার পর সেই রাতেই স্বপ্নাদেশ পান। তাঁকে বলা হয় যেহেতু তিনি দুর্গাপুজো দিতে পারেননি, দুর্গা মায়ের আর এক রূপ রয়েছে সেই পুজো তিনি দিতে পারেন। এরপরেই তিনি রাজদরবারে এসে বিভিন্ন পণ্ডিতদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, জগদ্ধাত্রী নামে একটি মাতা রয়েছে যাকে পুজো করা যায়। প্রায় ২৬৫ বছর আগে দুর্গাপুজোর নবমীর ঠিক একমাস পর কার্তিক শুক্লা নবমীতে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ৯৭ বছরে পা দিলেন লালকৃষ্ণ আডবানি, জন্মদিনে বর্ষীয়ান নেতাকে শুভেচ্ছা মোদি-শাহের

    কৃষ্ণনগরে কোথায় কী থিম?

    পুরানো ঐতিহ্য ও পরম্পরা বজায় রেখে আজও কৃষ্ণনগরে ধুমধাম করে পালিত হয় জগদ্ধাত্রী পুজো (Jagadhatri Puja 2024)। মূলত দুর্গাপুজোর একমাস পর কার্তিক শুক্লা নবমীতেই এই পুজো হয়ে থাকে। এবছরও কৃষ্ণনগরে জগদ্ধাত্রী পুজোয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চমক রয়েছে। পুরানো ঐতিহ্য মেনেই কৃষ্ণনগরের রাজবাড়িতে পূজিত হচ্ছেন জগদ্ধাত্রী মাতা। এবছরের চাষা পারা বারোয়ারি ইতিমধ্যেই তাদের ঐতিহ্যবাহী বড়মা তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছে। কৃষ্ণনগর পাত্র বাজার স্বীকৃতি ক্লাব পুজো কমিটি এবার আফ্রিকার জাঞ্জিবারের ডোমিনোজ টাওয়ারের আদলে তৈরি মণ্ডপ তৈরি করেছে। এবছর ক্লাব অন্যনার গুরুত্বপূর্ণ থিম হস্তশিল্পের সাবেকিয়ানা। অর্থাৎ বাংলা তথা নদিয়ার যে হস্তশিল্প রয়েছে, সেই হস্তশিল্প গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে এই মণ্ডপে। প্রতি বছরের মতোই প্রভাত সংঘ তাদের থিম করেছে অরণ্যকন্যা। ক্লাব অন্নপূর্ণার থিম রয়েছে মহাকাল। অন্যদিকে গোলাপপট্টি বারোয়ারির থিম রয়েছে আলোক সুধা। তবে বাগাডাঙ্গা বারোয়ারি থিমের মণ্ডপ তৈরি না করলেও তাদের বাঘা মা অতি ঐতিহ্যপূর্ণ।

    ঘট বিসর্জন ঘিরে উন্মাদনা

    কৃষ্ণনগরে এবছর আগামী রবিবার মাত্র একদিন জগদ্ধাত্রী (Jagadhatri Puja 2024) পুজো হবে। সেই কারণে বিভিন্ন মণ্ডপ সম্পূর্ণভাবে তৈরি না হলেও প্রায় আংশিক কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ চলছে। তা সত্ত্বেও ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগরে আলোকসজ্জায় পরিপূর্ণ হয়েছে। গোটা রাজ্য থেকেও সাধারণ মানুষ কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো দর্শনে ইতিমধ্যেই আসতে শুরু করেছেন। আগামীকাল এবং পরশু সাধারণ মানুষের আরও ভিড় বাড়বে বলে জানা যায়। তবে, কৃষ্ণনগর জগদ্ধাত্রী পুজোর মূল আকর্ষণ সাং অথবা বিসর্জন। আগামী সোমবার সকাল থেকেই একাধিক বারোয়ারি প্রথমে ঘট বিসর্জন দেবে। এরপরেই বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিমা নিয়ে কাঁধে করে বিসর্জনের পথে এগিয়ে যাবে তারা। আর এই বিসর্জন দেখার জন্য হাজার হাজার ভক্তরা রাত জেগে উপভোগ করে থাকেন। তবে এবছর প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: রেখাকে নিয়ে কুমন্তব্যে নিন্দার ঝড়! চাপে পড়ে দুঃখপ্রকাশ করতে হল ফিরহাদ হাকিমকে

    Firhad Hakim: রেখাকে নিয়ে কুমন্তব্যে নিন্দার ঝড়! চাপে পড়ে দুঃখপ্রকাশ করতে হল ফিরহাদ হাকিমকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেখা পাত্রের উদ্দেশে কু-মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে। বিভিন্ন মহলে ওঠে নিন্দার ঝড়। সন্দেশখালি থানায় অভিযোগ করেছিলেন রেখা পাত্র (Rekha Patra)। সন্দেশখালির রাস্তায় ফিরহাদের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভও দেখাতে থাকেন সাধারণ মানুষ। অবশেষে চাপের মুখে দুঃখপ্রকাশ করলেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, ‘‘আমার কথায় ওঁর (রেখার) যদি খারাপ লেগে থাকে, আমি অত্যন্ত দুঃখিত। কোনও নারীকে অসম্মান করার কথা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারি না।’’ প্রসঙ্গত, বসিরহাটের হাড়োয়া কেন্দ্রে উপনির্বাচন রয়েছে আগামী ১৩ নভেম্বর। বুধবারই সেখানে প্রচারে গিয়েছিলেন ফিরহাদ। অভিযোগ, সেখানেই সন্দেশখালির প্রসঙ্গ উঠলে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং লোকসভায় সেখানকার বিজেপি প্রার্থী রেখার উদ্দেশে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।

    কী বলেছিলেন ফিরহাদ (Firhad Hakim)?

    হাড়োয়া উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে সন্দেশখালির প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, ‘‘সন্দেশখালিকে কলঙ্কিত করেছে বিজেপি, সন্দেশখালির মানুষের নামে কুৎসা রটিয়েছে, দেশের কাছে সন্দেশখালি নিয়ে ভুল বার্তা দিয়েছে। এখানকার মেয়েদেরও বদনাম হয়েছে। কিছু দিন আগে আমার সন্দেশখালির এক বন্ধুর মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছিল ক্যানিংয়ে। কিন্তু ছেলের বাড়ি থেকে বিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। বলে, সন্দেশখালি থেকে মেয়ে আনলে পাড়ার লোকে বলবে, সে মেয়ে পবিত্র নয়।’’ এর পরে রেখার (Rekha Patra) উদ্দেশে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করেন ফিরহাদ, এমনটাই অভিযোগ।

    গতকালই প্রতিবাদে নামেন সন্দেশখালির মহিলারা

    এর প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার রেখার নেতৃত্বে সন্দেশখালিতে বিজেপির মহিলা কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল করেই থানায় যান তাঁরা। সেখানে রেখা পাত্র বলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যের মন্ত্রী (Firhad Hakim) যে ভাষায় দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন, সন্দেশখালির মা-বোনেদের যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন, তার বিরুদ্ধে আমরা থানায় অভিযোগ জমা দিতে এসেছি। মন্ত্রীরাই যদি এই ধরনের ভাষা প্রয়োগ করেন, তা হলে আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি? এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীই দায়ী। আমাকে উদ্দেশ্য করে নোংরা ভাষা ব্যবহার করেছেন ফিরহাদ। তা আমরা মুখে প্রকাশ করতে পারব না। লজ্জায় আমাদের মাথা হেঁট হয়ে যাচ্ছে। আমরা ওঁর পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছি।’’ অবশেষে চাপের মুখে দুঃখপ্রকাশ করলেন ফিরহাদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share