Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Jagadhatri Puja 2024: রবিবার মাত্র একদিন জগদ্ধাত্রী পুজো হবে কৃষ্ণনগরে, চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের মণ্ডপসজ্জার কাজ

    Jagadhatri Puja 2024: রবিবার মাত্র একদিন জগদ্ধাত্রী পুজো হবে কৃষ্ণনগরে, চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের মণ্ডপসজ্জার কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের হাত ধরেই কৃষ্ণনগরের মাটিতে প্রথম জগদ্ধাত্রী পুজোর (Jagadhatri Puja 2024) সূচনা হয়েছিল। পরে, তাঁর উদ্যোগে এই পুজো চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। চন্দননগরে এই পুজো শুরু হওয়ার পিছনে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ভূমিকা রয়েছে বলে ইতিহাস থেকে আমরা জানতে পারি। স্বাভাবিকভাবে সেই জগদ্ধাত্রী পুজোকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণনগর জুড়ে এখন সাজো সাজো রব।

    কীভাবে শুরু হয়েছিল কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো? (Jagadhatri Puja 2024)

    ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, খাজনা দিতে না পারার কারণে নবাব মীর কাশেমের হাতে বন্দি হলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। অন্য মতে, নবাব আলিবর্দির হাতে কৃষ্ণচন্দ্র বন্দি হন। তাঁকে পাঠানো হল বিহারের মুঙ্গেরের জেলে। বন্দি দশা কাটানোর পর তিনি যখন নদীপথে বাড়িতে ফিরছিলেন, তখন কৃষ্ণনগরে (Jagadhatri Puja 2024) পৌঁছানোর আগে ধুবুলিয়াতে বিসর্জনের বাজনা শুনতে পান। তখন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র নৌকার মাঝিদের জিজ্ঞাসা করেন এটা কিসের বাজনা। তখন তাঁরা উত্তর দেন, দুর্গাপুজোর বিসর্জনের বাজনা। তার আগে থাকতেই রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজত্বে দুর্গাপুজো হয়ে আসছিল। সেবছর দুর্গাপুজো করতে না পারার কারণে কৃষ্ণচন্দ্রের মন খুব খারাপ হয়ে যায়। তিনি বাড়িতে আসার পর সেই রাতেই স্বপ্নাদেশ পান। তাঁকে বলা হয় যেহেতু তিনি দুর্গাপুজো দিতে পারেননি, দুর্গা মায়ের আর এক রূপ রয়েছে সেই পুজো তিনি দিতে পারেন। এরপরেই তিনি রাজদরবারে এসে বিভিন্ন পণ্ডিতদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, জগদ্ধাত্রী নামে একটি মাতা রয়েছে যাকে পুজো করা যায়। প্রায় ২৬৫ বছর আগে দুর্গাপুজোর নবমীর ঠিক একমাস পর কার্তিক শুক্লা নবমীতে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ৯৭ বছরে পা দিলেন লালকৃষ্ণ আডবানি, জন্মদিনে বর্ষীয়ান নেতাকে শুভেচ্ছা মোদি-শাহের

    কৃষ্ণনগরে কোথায় কী থিম?

    পুরানো ঐতিহ্য ও পরম্পরা বজায় রেখে আজও কৃষ্ণনগরে ধুমধাম করে পালিত হয় জগদ্ধাত্রী পুজো (Jagadhatri Puja 2024)। মূলত দুর্গাপুজোর একমাস পর কার্তিক শুক্লা নবমীতেই এই পুজো হয়ে থাকে। এবছরও কৃষ্ণনগরে জগদ্ধাত্রী পুজোয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চমক রয়েছে। পুরানো ঐতিহ্য মেনেই কৃষ্ণনগরের রাজবাড়িতে পূজিত হচ্ছেন জগদ্ধাত্রী মাতা। এবছরের চাষা পারা বারোয়ারি ইতিমধ্যেই তাদের ঐতিহ্যবাহী বড়মা তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছে। কৃষ্ণনগর পাত্র বাজার স্বীকৃতি ক্লাব পুজো কমিটি এবার আফ্রিকার জাঞ্জিবারের ডোমিনোজ টাওয়ারের আদলে তৈরি মণ্ডপ তৈরি করেছে। এবছর ক্লাব অন্যনার গুরুত্বপূর্ণ থিম হস্তশিল্পের সাবেকিয়ানা। অর্থাৎ বাংলা তথা নদিয়ার যে হস্তশিল্প রয়েছে, সেই হস্তশিল্প গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে এই মণ্ডপে। প্রতি বছরের মতোই প্রভাত সংঘ তাদের থিম করেছে অরণ্যকন্যা। ক্লাব অন্নপূর্ণার থিম রয়েছে মহাকাল। অন্যদিকে গোলাপপট্টি বারোয়ারির থিম রয়েছে আলোক সুধা। তবে বাগাডাঙ্গা বারোয়ারি থিমের মণ্ডপ তৈরি না করলেও তাদের বাঘা মা অতি ঐতিহ্যপূর্ণ।

    ঘট বিসর্জন ঘিরে উন্মাদনা

    কৃষ্ণনগরে এবছর আগামী রবিবার মাত্র একদিন জগদ্ধাত্রী (Jagadhatri Puja 2024) পুজো হবে। সেই কারণে বিভিন্ন মণ্ডপ সম্পূর্ণভাবে তৈরি না হলেও প্রায় আংশিক কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ চলছে। তা সত্ত্বেও ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগরে আলোকসজ্জায় পরিপূর্ণ হয়েছে। গোটা রাজ্য থেকেও সাধারণ মানুষ কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো দর্শনে ইতিমধ্যেই আসতে শুরু করেছেন। আগামীকাল এবং পরশু সাধারণ মানুষের আরও ভিড় বাড়বে বলে জানা যায়। তবে, কৃষ্ণনগর জগদ্ধাত্রী পুজোর মূল আকর্ষণ সাং অথবা বিসর্জন। আগামী সোমবার সকাল থেকেই একাধিক বারোয়ারি প্রথমে ঘট বিসর্জন দেবে। এরপরেই বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিমা নিয়ে কাঁধে করে বিসর্জনের পথে এগিয়ে যাবে তারা। আর এই বিসর্জন দেখার জন্য হাজার হাজার ভক্তরা রাত জেগে উপভোগ করে থাকেন। তবে এবছর প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: রেখাকে নিয়ে কুমন্তব্যে নিন্দার ঝড়! চাপে পড়ে দুঃখপ্রকাশ করতে হল ফিরহাদ হাকিমকে

    Firhad Hakim: রেখাকে নিয়ে কুমন্তব্যে নিন্দার ঝড়! চাপে পড়ে দুঃখপ্রকাশ করতে হল ফিরহাদ হাকিমকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেখা পাত্রের উদ্দেশে কু-মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে। বিভিন্ন মহলে ওঠে নিন্দার ঝড়। সন্দেশখালি থানায় অভিযোগ করেছিলেন রেখা পাত্র (Rekha Patra)। সন্দেশখালির রাস্তায় ফিরহাদের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভও দেখাতে থাকেন সাধারণ মানুষ। অবশেষে চাপের মুখে দুঃখপ্রকাশ করলেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, ‘‘আমার কথায় ওঁর (রেখার) যদি খারাপ লেগে থাকে, আমি অত্যন্ত দুঃখিত। কোনও নারীকে অসম্মান করার কথা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারি না।’’ প্রসঙ্গত, বসিরহাটের হাড়োয়া কেন্দ্রে উপনির্বাচন রয়েছে আগামী ১৩ নভেম্বর। বুধবারই সেখানে প্রচারে গিয়েছিলেন ফিরহাদ। অভিযোগ, সেখানেই সন্দেশখালির প্রসঙ্গ উঠলে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং লোকসভায় সেখানকার বিজেপি প্রার্থী রেখার উদ্দেশে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।

    কী বলেছিলেন ফিরহাদ (Firhad Hakim)?

    হাড়োয়া উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে সন্দেশখালির প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, ‘‘সন্দেশখালিকে কলঙ্কিত করেছে বিজেপি, সন্দেশখালির মানুষের নামে কুৎসা রটিয়েছে, দেশের কাছে সন্দেশখালি নিয়ে ভুল বার্তা দিয়েছে। এখানকার মেয়েদেরও বদনাম হয়েছে। কিছু দিন আগে আমার সন্দেশখালির এক বন্ধুর মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছিল ক্যানিংয়ে। কিন্তু ছেলের বাড়ি থেকে বিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। বলে, সন্দেশখালি থেকে মেয়ে আনলে পাড়ার লোকে বলবে, সে মেয়ে পবিত্র নয়।’’ এর পরে রেখার (Rekha Patra) উদ্দেশে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করেন ফিরহাদ, এমনটাই অভিযোগ।

    গতকালই প্রতিবাদে নামেন সন্দেশখালির মহিলারা

    এর প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার রেখার নেতৃত্বে সন্দেশখালিতে বিজেপির মহিলা কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল করেই থানায় যান তাঁরা। সেখানে রেখা পাত্র বলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যের মন্ত্রী (Firhad Hakim) যে ভাষায় দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন, সন্দেশখালির মা-বোনেদের যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন, তার বিরুদ্ধে আমরা থানায় অভিযোগ জমা দিতে এসেছি। মন্ত্রীরাই যদি এই ধরনের ভাষা প্রয়োগ করেন, তা হলে আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি? এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীই দায়ী। আমাকে উদ্দেশ্য করে নোংরা ভাষা ব্যবহার করেছেন ফিরহাদ। তা আমরা মুখে প্রকাশ করতে পারব না। লজ্জায় আমাদের মাথা হেঁট হয়ে যাচ্ছে। আমরা ওঁর পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছি।’’ অবশেষে চাপের মুখে দুঃখপ্রকাশ করলেন ফিরহাদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagadhatri Puja 2024: কীভাবে শুরু হয়েছিল চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো? জানেন সেই ইতিহাস?

    Jagadhatri Puja 2024: কীভাবে শুরু হয়েছিল চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো? জানেন সেই ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জগদ্ধাত্রী (Jagatdhatri Puja 2024) পুজো মানেই চন্দননগরের কথা সবার আগে ভেসে ওঠে। এই শহরে জগদ্ধাত্রী পুজোর জৌলুসের কাছে হার মানতে বাধ্য সকলেই। মায়াবী আলোর খেলা, সুউচ্চ মূর্তি, সোনা-রুপোর অলঙ্কারে সজ্জিত দেবী। চন্দননগরে (Chandannagar) দুর্গাপুজোর মতোই পাঁচদিন ধরে চলে জগদ্ধাত্রী পুজো।

    কী ভাবে শুরু হয়েছিল চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো? (Jagatdhatri Puja 2024)

    চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো (Jagatdhatri Puja 2024) কীভাবে শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে রয়েছে নানা মত। একটি মত বলে, নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আমলেই শুরু চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো। আরেকটি মতে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হয়েছিল ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরীর হাত ধরে। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী। তিনি ছিলেন ফরাসি সরকারের দেওয়ান। শোনা যায়, কৃষ্ণনগর রাজবাড়িতে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের বাড়ির পুজোয় অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন তিনি। কৃষ্ণচন্দ্রের বাড়ির সেই পুজো দেখে মুগ্ধ হয়ে যান ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী। ইন্দ্রনারায়ণ ছিলেন চন্দননগরের লক্ষ্মীগঞ্জের চাউলপট্টির বাসিন্দা। সেখানেই চাউলপট্টির নিচুপাটিতে ইন্দ্রনারায়ণ প্রথম শুরু করেন জগদ্ধাত্রী পুজো। তবে এই কাহিনি নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। অনেকের মতে ১৭৫৬ সালে মৃত্যু হয় ইন্দ্রনারায়ণের। কিন্তু সেই সময় জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হয়েছিল কি না, তা নিয়েও মতভেদ রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৯৭ বছরে পা দিলেন লালকৃষ্ণ আডবানি, জন্মদিনে বর্ষীয়ান নেতাকে শুভেচ্ছা মোদি-শাহের

    তেঁতুলতলার পুজো

    অন্য মতে, রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের দেওয়ান ছিলেন দাতারাম শূর। দাতারামের বসবাস ছিল ভদ্রেশ্বরের (Jagatdhatri Puja 2024) গৌরহাটি অঞ্চলে। জনশ্রুতি, এখানেই আনুমানিক ১৭৬২ সাল নাগাদ দাতারামের বিধবা মেয়ে তাঁর বাড়িতে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু করেছিলেন। অনেকের মতে এ পুজোতেও অনুদান দিতেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। পরবর্তীকালে এই পুজোই স্থানান্তরিত হয় বর্তমানের শিবতলা অঞ্চলে। মাঝে আর্থিক কারণে পুজোটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে গৌরহাটি অঞ্চলের বাসিন্দারা পুজোটির দায়িত্ব নেন এবং সেই পুজোটি আজ এলাকায় পরিচিত তেঁতুলতলার পুজো নামে। যা দেখতে প্রতি বছর ভিড় জমান বহু মানুষ।

    চন্দননগর জুড়ে বিশাল মাতৃ মূর্তির আরাধনা

    লক্ষ্মীগঞ্জের চাউলপট্টি, ভদ্রেশ্বরের গৌরহাটিসহ মানকুন্ডু, চন্দননগর, চুঁচুড়া জুড়ে জগদ্ধাত্রী পুজোকে (Jagatdhatri Puja 2024) কেন্দ্র করে এলাহি আয়োজন করা হয়েছে। এবারও অধিকাংশ পুজো মণ্ডপে বড় আকারের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। অধিকাংশ মণ্ডপে মা জগদ্ধাত্রীর টানা চোখ, অপরূপ সুন্দর ত্রিনয়ন, চার হাতে শোভা পাচ্ছে অসুর সংহারের জন্য অস্ত্র। দেবী সিংহ বাহিনী। এই রূপেই পূজিত হন দেবী জগদ্ধাত্রী। সারা চন্দননগর জুড়েই বিশাল বিশাল মাতৃ মূর্তির আরাধনা করা হয়েছে। পুজোকে কেন্দ্র করে উন্মাদনা তুঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: আগামী সপ্তাহেই বাড়বে উত্তুরে হাওয়ার দাপট! বাংলায় শীত কবে থেকে?

    Weather Update: আগামী সপ্তাহেই বাড়বে উত্তুরে হাওয়ার দাপট! বাংলায় শীত কবে থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাঁকিয়ে না হলেও আগামী সপ্তাহ থেকেই ধীরে ধীরে কমবে তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস বলছে, ১৫ নভেম্বর থেকে উত্তুরে হাওয়ার দাপট দেখা যাবে। সাধারণত, যখন উত্তুরে হাওয়া (Weather Update) শক্তিশালী হতে শুরু করে, তখনই তাপমাত্রা দ্রুত কমতে থাকে। চলতি বছরে ১৫ নভেম্বরের পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় উত্তুরে হাওয়ার (Weather Update) প্রবাহ বাড়বে বলে জানা যাচ্ছে, যা শীতের আবহ তৈরি করতে সাহায্য করবে।

    রাজ্যে উত্তরে হাওয়া প্রবেশ

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। তা নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। চলতি সপ্তাহের শেষে নিম্নচাপ তৈরি হলে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে তা কোন দিকে যায়, তা নজরে রেখেছেন আবহবিদেরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ১৫ নভেম্বরের পর থেকে বিপরীত ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে রাজ্যে উত্তুরে হাওয়া প্রবেশ করবে। শীতের আমেজ (Winter in Bengal) অনুভূত হবে বিস্তীর্ণ অংশে। উত্তুরে হাওয়া ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই রাতরাতি পরিবর্তন দেখা যাবে আকাশেও। সকালের দিকে হালকা কুয়াশা বা ধোঁয়াশাবৃত আবহওয়া দেখা যাবে। বেলা বাড়লেও কোনও কোনও জায়গায় আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যেতে পারে। 

    রাজ্যে শীত শীত ভাব

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update) অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও ২ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে। ফলে রাজ্যজুড়ে শীত শীত ভাব অনুভূত হবে। উত্তুরে হাওয়া বঙ্গে শীত নিয়ে আসে। এই হাওয়া মূলত উত্তর ভারত ও হিমালয়ের পাদদেশ থেকে বয়ে আসে এবং এটাই বঙ্গে শীতল আবহাওয়া (Weather Update) সৃষ্টি করে। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে এই হাওয়ার শক্তি বাড়তে শুরু করলে রাতের দিকে তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং শীতের আবহ স্পষ্ট হতে শুরু করে। তবে এরই মধ্যে আবার আছে নিম্নচাপের পূর্বাভাস। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হলে, তা বঙ্গে শীতের (Winter in Bengal) প্রভাবকে কিছুটা বিলম্বিত করতে পারে। সাধারণত নিম্নচাপের প্রভাবে মেঘলা আকাশ, মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত এবং আর্দ্রতা বৃদ্ধি পায়। ফলে দিনের বেলায় গরম অনুভূত হতে পারে, যদিও রাতের দিকে ঠান্ডা হাওয়া বইতে পারে। এ কারণে শীতের প্রকৃত প্রভাব অনেক সময় পিছিয়ে যেতে পারে। তবে, এই নিম্নচাপের প্রকৃতি কেমন হবে এবং তার প্রভাব কতটা হবে তা এখনও নির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয়। আবহাওয়া দফতর পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।

    আরও পড়ুন: দূরদৃষ্টি এবং বুদ্ধিমত্তার জন্য সর্বত্র সমাদৃত, ৯৭ বছরে লালকৃষ্ণ আডবানিকে শুভেচ্ছা মোদি-শাহের

    উত্তরবঙ্গে অবশ্য আগামী সপ্তাহে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। দার্জিলিং এবং কালিম্পঙে সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। কাঞ্চনজঙ্ঘা রেঞ্জে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তবে জলীয় বাষ্প থাকায় বাতাসে ধোঁয়াশার কিছুটা সৃষ্টি হবে। শনিবার পর্যন্ত সকালের দিকে সুস্পষ্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সম্ভাবনা থাকবে। জলপাইগুড়িতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বুধবার এবং বৃহস্পতিবার। তবে উত্তরের আর কোনও জেলায় আপাতত বৃষ্টি হবে না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kolkata Tunnel: যানজট কমাতে বড় পদক্ষেপ, গঙ্গার তলা দিয়ে কলকাতা-হাওড়া সুড়ঙ্গপথ তৈরিতে উদ্যোগী কেন্দ্র

    Kolkata Tunnel: যানজট কমাতে বড় পদক্ষেপ, গঙ্গার তলা দিয়ে কলকাতা-হাওড়া সুড়ঙ্গপথ তৈরিতে উদ্যোগী কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মধ্যে প্রথম নদীর তলা দিয়ে মেট্রো চলাচল শুরু হয়েছে কলকাতাতেই। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য কলকাতা (Kolkata Tunnel) থেকে হাওড়া পর্যন্ত গঙ্গার (Ganges) নীচ দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের সুড়ঙ্গ তৈরি। এ নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের প্রাথমিক কথাবার্তা হয়ে গিয়েছে। আগামী বছর থেকেই সেই কাজ শুরু হয়ে যেতে পারে।

    কোথায় তৈরি হবে সুড়ঙ্গপথ? (Kolkata Tunnel)

    কেন্দ্রীয় সরকার কোন প্রকল্পে এই কাজ করবে, তাও ঠিক হয়ে গিয়েছে। এমনকী গঙ্গার নীচে কোথায় সেই সুড়ঙ্গ পথ তৈরি করা হবে, তার প্রাথমিক জায়গাও ঠিক করা হয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তি প্রকল্পের অধীনেই ওই সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। কলকাতার দক্ষিণ প্রান্তে মেটিয়াবুরুজ থেকে হাওড়া যাওয়ার প্রস্তাবিত সুড়ঙ্গ (Kolkata Tunnel) মূলত ট্রাক যাতায়াতের জন্যই তৈরি হবে। এর ফলে বন্দর এলাকার ট্রাক হাওড়া হয়ে বিভিন্ন জাতীয় সড়ক ধরে রাজ্যের অন্যত্র যেতে পারবে। ২০২২ সালেই এমন পরিকল্পনা করেছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর পরে গঙ্গার তলা দিয়ে বন্দর এলাকায় ট্রাক যাতায়াতের জন্য সুড়ঙ্গ বানানো সম্ভব কি না, তার পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু হয়। ইতিমধ্যেই সেই কাজ শেষ হয়ে বন্দর, জাহাজ ও জলপথ মন্ত্রকে রিপোর্ট জমা পড়েছে।

    আরও পড়ুন: ৯৭ বছরে পা দিলেন লালকৃষ্ণ আডবানি, জন্মদিনে বর্ষীয়ান নেতাকে শুভেচ্ছা মোদি-শাহের

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    এখন বন্দর থেকে কোনও ট্রাককে জাতীয় সড়কে যেতে হলে প্রধান পথ দ্বিতীয় হুগলি সেতু। সেই সেতু দিয়েই যাতায়াতের জন্য কলকাতা (Kolkata Tunnel) শহরে ঢুকতে হয় ট্রাককে। শহরের যান চলাচলে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, তার জন্যই সুড়ঙ্গপথের প্রস্তাব কেন্দ্রীয় সড়কমন্ত্রী নীতীন গড়কড়িকে দিয়েছিলেন শান্তনু। বনগাঁর বিজেপি সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার পরেই ওই প্রস্তাব দেন। পরে ‘সম্ভাবনা’ পরীক্ষার অনুমোদন পাওয়া যায়। বন্দর কর্তৃপক্ষ সেই পরীক্ষা চালান একটি বেসরকারি সংস্থাকে দিয়ে। সেই রিপোর্ট যে মন্ত্রকে জমা পড়েছে, সম্প্রতি তা লোকসভাতেই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। প্রকল্প প্রসঙ্গে জাহাজ ও জলপথ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর  বলেন, “আপাতত যা ঠিক হয়েছে, তাতে ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে ওই প্রকল্পের জন্য। মোট ১৫ কিলোমিটার রাস্তা হবে। তার মধ্যে ৮ কিলোমিটার থাকবে সুড়ঙ্গপথ। ফলে, এই কাজ শুরু করা যেতে পারে। আর সুড়ঙ্গ তৈরি হয়ে গেলে শহরে কোনও ট্রাক ঢুকবে না। ফলে, যানজট অনেকটাই কমবে। আর শুধু কলকাতা নয়, গোটা রাজ্যের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হবে ওই সুড়ঙ্গ। যা পরিকল্পনা, তাতে ভিন্ রাজ্য তো বটেই, রাজ্যেরও সর্বত্র সহজে পৌঁছে যাওয়ার জন্য সংযোগকারী রাস্তা তৈরি এই পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে।”

    কোথায় যানজট?

    এখন কলকাতায় যানজট কমাতে দিনে ৮ ঘণ্টা ভারী গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে। এর পরেও রাস্তায় বাকি গাড়ির জটের মধ্য দিয়ে গতি বাড়াতে পারে না ট্রাক। ফলে রাত পর্যন্ত অপেক্ষ করতে হয় অনেক ট্রাককে। আবার বন্দর থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু যাওয়ার জন্য গার্ডেনরিচ সার্কুলার রোড, খিদিরপুর রোড, হেস্টিংস পর্যন্ত যানজট তৈরি হয়। গঙ্গার তলা দিয়ে হাওড়ায় যাওয়ার সুবিধা হয়ে গেলে এ সব থেকে কলকাতা মুক্তি পাবে বলে দাবি শান্তনুর। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গোটা দেশেই সড়কপথের চরিত্র বদলে গিয়েছে। দেশের গতি বেড়েছে। অনেক টানেল পথ দিয়ে গাড়ি, ট্রেন, ছুটছে। এ বার সেই গতি পাবে কলকাতা তথা বাংলাও।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: রেখা পাত্রকে ‘কু-মন্তব্য’ ফিরহাদের! মুখ্যসচিব-ডিজিকে তদন্তের নির্দেশ জাতীয় মহিলা কমিশনের

    Firhad Hakim: রেখা পাত্রকে ‘কু-মন্তব্য’ ফিরহাদের! মুখ্যসচিব-ডিজিকে তদন্তের নির্দেশ জাতীয় মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাড়োয়ায় উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্রকে নিয়ে প্রকাশ্য জনসভা থেকে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে ফিরহাদের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে। যা নিয়ে তোলপাড় চলছে রাজনৈতিক মহলে। এবার ফিরহাদ হাকিমের ওই মন্তব্য নিয়ে তদন্ত করার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে নির্দেশ দিল জাতীয় মহিলা কমিশন। আইনি পদক্ষেপ করার জন্য কমিশন নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তদন্ত শেষে ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে। এসেছে এমনই নির্দেশ।

    ফিরহাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ (Firhad Hakim)

    বৃহস্পতিবার সকালেই ফিরহাদের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে বিধাননগর দক্ষিণ থানার দ্বারস্থ হন বিজেপির বিধাননগরের মণ্ডল সভাপতি সঞ্জয় পয়রা। কিন্তু, পুলিশ অভিযোগ নিতে চায়নি বলে দাবি তাঁর। পরবর্তীতে মেইল মারফত অভিযোগ দায়ের হয় বিধাননগর কমিশনারেটে। যা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওই বিজেপি নেতা। তিনি ক্ষোভের সুরে বলেন, “বাংলায় গণতন্ত্র নেই। আইনের শাসন নেই। শাসকের আইন রয়েছে। তাই অভিযোগ নিতে অস্বীকার করল পুলিশ।”

    আরও পড়ুন: আমেরিকার নয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিনন্দন হাসিনার, কৌশলী বার্তা আওয়ামী লিগের

    সরব হয়েছেন শুভেন্দু

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্য প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রেখা পাত্রকে অপমান করার কোনও অধিকার নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য ফিরহাদ হাকিমের। একজন মহিলা সম্পর্কে ওই শব্দ ব্যবহার করা উচিত হয়নি।”  ‘কু-মন্তব্যের’ জন্য ফিরহাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। জাতীয় মহিলা কমিশনকে ট্যাগ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন শুভেন্দু। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দফতর, জাতীয় মহিলা কমিশন, জাতীয় তফসিলি জাতি জনজাতি কমিশনকে ট্যাগ করে অভিযোগ জানান। সেই সঙ্গে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদারকেও ট্যাগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, “শুধু একজন মহিলাকে নয়, পৌণ্ড্র ক্ষত্রিয় জনজাতিকেও অপমান করা হয়েছে”।

    সন্দেশখালির মা-বোনেদের অপমান

    এদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগের জবাব দিয়ে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার জানিয়েছেন, জাতীয় মহিলা কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে। তিনি এক্স মাধ্যমে লিখেছেন,”সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলাদের ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। এই মন্তব্য তাঁদের সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে। এটা সমাজের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।” ফিরহাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন রেখা পাত্রও। তিনি বলেন, “আমাকে যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন, সেটা খুব নিন্দনীয়। আমার মতো খেটে খাওয়া পরিবারের মেয়েকে অপমান করা হয়েছে। এই অপমান গোটা সন্দেশখালির মা-বোনেদের অপমান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ল সিবিআই স্টেটাস, জাতীয় টাস্ক ফোর্স নিয়ে রিপোর্ট

    RG Kar: সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ল সিবিআই স্টেটাস, জাতীয় টাস্ক ফোর্স নিয়ে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর পর দুদিন আরজি কর (RG Kar) মামলা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি শেষ হল। আগামী ১০ নভেম্বর অবসর নিচ্ছেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। অর্থাৎ তিনি আর এই মামলার শুনানি করবেন না। পরবর্তী প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে এই মামলার শুনানি হবে। 

    সিবিআইকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ (RG Kar)

    হাসপাতাল বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জায়গায় সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলানোর বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে পড়েছিল রাজ্য সরকার। নির্দেশ মেনে সেই প্রশ্নের জবাব হলফনামা আকারে জমা দিয়েছে রাজ্য। যদিও বিষয়টি বৃহস্পতিবার শুনানির জন্য ওঠেনি। আদালতে এদিন রাজ্যের তরফে উপস্থিত ছিলেন কপিল সিব্বল। তিনি দ্রুত তদন্ত এবং দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করার আর্জি জানান। আদালতে এদিন দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS)-এর চিকিৎসকদের আইনজীবী তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ৯০ দিন ধরে তদন্ত (RG Kar) চলছে, কিন্তু কিছু হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। এর পাল্টা প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, “নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পর্যাপ্ত ক্ষমতা রয়েছে নিম্ন আদালতের। যদি তথ্যপ্রমাণ দেখে তাঁদের মনে হয়, তেমন নির্দেশ দিতে পারেন তাঁরা।” পাশাপাশি,  আদালতে এদিন সিবিআইয়ের ষষ্ঠ স্টেটাস রিপোর্ট জমা পড়ে। রিপোর্টে সিবিআই তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে কী জানিয়েছে, তা যদিও খোলসা করেনি আদালত। তবে, ঘটনা নিয়ে সিবিআইকে তদন্ত চালিয়ে যেতে নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। সপ্তম স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে আগামী চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আমেরিকার নয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিনন্দন হাসিনার, কৌশলী বার্তা আওয়ামী লিগের

    জাতীয় টাস্ক ফোর্স নিয়ে রিপোর্ট পেশ

    রাজ্যের বাইরে আরজি কর (RG Kar) মামলার বিচারপ্রক্রিয়া সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার যে আবেদন জমা পড়ে আদালতে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানান, রাজ্যের বাইরে বিচার প্রক্রিয়া সরিয়ে নিয়ে গেলে, নিম্ন আদালতের কার্যক্রম নিয়ে সন্দেহের পরিবেশ তৈরি হবে। বৃহস্পতিবার আদালতে জাতীয় টাস্ক ফোর্স নিয়ে রিপোর্ট পেশ করে কেন্দ্রীয় সরকারও। দু’টি ক্যাটেগরিতে টাস্ক ফোর্সের অন্তর্বর্তী রিপোর্ট পেশ করা হয়। যৌন হিংসা ও শারীরিক হিংসা বন্ধের প্রস্তাব পেশ করা হয় রিপোর্টে। সমস্ত স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলি যাতে সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে, তা বলা হয়। সমস্ত কৌঁসুলি, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিবদের কাছে রিপোর্টের কপি পাঠাতে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। তিনি জানান, রাজ্যের সচিবরা রিপোর্ট নিয়ে নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে গোটা প্রক্রিয়া নিষ্পত্তি করতে বলা হয়। কী ভাবে একটি স্বাধীন নজরদারি ব্যবস্থা ভারতজুড়ে প্রয়োগ করা যায়, তা নিয়ে মতামতও চান প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Awas Yojana: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা নিয়ে দুর্নীতি! হাইকোর্টে ব্যর্থতা মেনে নিল রাজ্য

    PM Awas Yojana: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা নিয়ে দুর্নীতি! হাইকোর্টে ব্যর্থতা মেনে নিল রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PM Awas Yojana) টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে এবার হাইকোর্টে ভর্ৎসিত রাজ্য সরকার। ঘটনাটি ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকের ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকার জন্য আবেদন করেন ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকের ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সিরাজুল মণ্ডল-সহ পাঁচ বাসিন্দা। তাঁদের দাবি, এখনও সেই টাকা পাননি তাঁরা। টাকা পেতে হাইকোর্টে মামলা করেন ওই ৫ জন। মামলাকারী ৫ জনের টাকাই ভুল অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে আদালতে রিপোর্ট দিয়ে জানায় রাজ্য। এরপরই আদালতের (Calcutta High Court) ক্ষোভের মুখে পড়ে সরকার। 

    ইচ্ছাকৃত জালিয়াতি

    এই ঘটনা ইচ্ছাকৃত জালিয়াতি, বলে এদিন মত প্রকাশ করেন বিচারপতি রবি কিষাণ কাপুর। বিডিও এবং পঞ্চায়েত প্রধানের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর তলব করেন বিচারপতি। অবিলম্বে সরকারকে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পদক্ষেপের নির্দেশও দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। দীর্ঘদিন টাকা না আসায় পঞ্চায়েতের দ্বারস্থ হন আবাসের টাকা থেকে বঞ্চিত পাঁচজন। অভিযোগ, তখন পঞ্চায়েত থেকে বলা হয় টাকা আসেনি। পরে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, তাঁরা টাকা পাওয়ার জন্য যোগ্য ব্যক্তি নন। এরই প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে আদালতে মামলা করা হলে স্বাধীন তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তভার দেওয়ার আর্জি জানানো হয়। সে ব্যাপারে রিপোর্ট তলব করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রবি কিষাণ কাপুর। 

    আরও পড়ুন: সরকারের দেওয়া ট্যাব কেনার ১০ হাজার টাকা গায়েব! একের পর এক স্কুলে একই ঘটনা কীভাবে?

    কাঠগড়ায় রাজ্য সরকার

    উল্লেখ্য, প্রায়ই জেলায় জেলায় আবাস যোজনার (PM Awas Yojana) তালিকায় গরমিলের অভিযোগ সামনে আসছে। কোথাও তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলই। কোথাও বিডিও অফিসের দরজা বন্ধ করে বিক্ষোভ। সম্প্রতি হুগলির গোঘাটে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ডের বিরুদ্ধে আবাস যোজনার তালিকায় স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূলেরই পঞ্চায়েত সদস্য। আবাস যোজনার তালিকায় গরমিলের অভিযোগ তুলে বীরভূমের রামপুরহাটেও বিক্ষোভ দেখিয়েছিন স্থানীয় তিলডাঙা গ্রামের বাসিন্দারা। বিরোধীরা বারবার যে দুর্নীতির কথা বলছেন, এবার তা মেনে নিল রাজ্যও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Jagadhatri Puja 2024: জগদ্ধাত্রীর আরাধনায় সাজছে বাংলা, রইল চন্দননগর থেকে কৃষ্ণনগরের নামী পুজোর তালিকা

    Jagadhatri Puja 2024: জগদ্ধাত্রীর আরাধনায় সাজছে বাংলা, রইল চন্দননগর থেকে কৃষ্ণনগরের নামী পুজোর তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই বছর দুর্গাপুজোর অষ্টমী ও নবমী একই দিনে পড়েছিল। মূল পুজো শেষ হয়েছিল তিনদিনে। যা নিয়ে আমবাঙালির আক্ষেপের শেষ ছিল না। তবে জগদ্ধাত্রী পুজো এবার চারদিনেই হবে। কালীপুজো, ভাইফোঁটা কাটিয়ে বাঙালি এবার দেবী জগদ্ধাত্রীর পুজোয় (Jagadhatri Puja 2024) মেতে উঠেছেন। নদিয়ার কৃষ্ণনগর এবং হুগলির গঙ্গাপাড়ের শহর চন্দননগরে এখন সাজ সাজ রব। দুর্গাপুজোর দশমীতে চন্দননগরে হয়ে যায় জগদ্ধাত্রীপুজোর কাঠামো পুজো। এরপর শুরু হয় অপেক্ষার পালা। গঙ্গার তীরের ঐতিহ্যবাহী এই চন্দননগরের পরতে পরতে রয়েছে ইতিহাসের নানান অধ্যায়। আর সেই শহর এবার মেতে উঠতে চলেছে জগদ্ধাত্রী পুজোয়। পিছিয়ে নেই কৃষ্ণনগরও। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

    চলতি বছর কবে থেকে শুরু পুজো? (Jagadhatri Puja 2024)

    কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষে জগদ্ধাত্রী পুজো হয়। এই সময় পুজো শুরু হওয়ার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নাম। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই পুজো শুরু করেন। জলঙ্গী তীরবর্তী এই শহরে পুজো হয় মহানবমীর দিনে। তবে পরে শুরু হওয়া চন্দননগরের পুজো চারদিনই হয়। দেবী মায়ের আরাধনায় আলোর মোড়কে সেজে উঠছে চন্দননগর থেকে কৃষ্ণনগর। চলতি বছর ৭ নভেম্বর থেকে শুরু পুজো (Jagadhatri Puja 2024)। সেদিন ষষ্ঠী। আজ শুক্রবার ৮ নভেম্বর সপ্তমী। অষ্টমী শনিবার ৯ তারিখ। ১০ তারিখ মহানবমী। দশমী ১১ নভেম্বর। আর এই পুজোকে ঘিরে দুই শহরের বাসিন্দাদের উৎসাহ-উদ্দীপনা চরমে।

    চন্দননগর ও কৃষ্ণনগরে কোথায় কোন জগদ্ধাত্রী দেবী মূর্তি খ্যাত?

    কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজোয় (Jagadhatri Puja 2024) এলে বুড়িমা এবং বড়মায়ের দর্শন চাই-ই চাই। সোনার সাজে সুসজ্জিত দেবী মূর্তি নজর কাড়বেই। এছাড়াও রয়েছেন ছোটমা এবং রানিমা। রানিমা রয়েছেন চন্দননগরেও। তেমাথা শিবমন্দিরের রানি মায়ের পুজো ঘিরে জমে ভক্তের সমাগম। এছাড়াও চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বরের মাঝে গৌড়হাটি তেঁতুলতলার জগদ্ধাত্রী পুজো বিখ্যাত। সেখানে নবমীর রাতে বিপুল ভক্তের ঢল নামে। চন্দননগরের বাগবাজারের জগদ্ধাত্রী পুজো বেশ খ্যাতনামা। এছাড়া প্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রায় থাকা আলাদা ঘরনার রেশ। পিছিয়ে নেই এখানকার বড়বাজারের পুজো। সুরেরপুকুর সর্বজনীন জগদ্ধাত্রী পুজোর দেবীমূর্তির সাবেকি সাজ মুগ্ধ করেছে সবাইকে। চন্দননগরের আরও এক পুজোর জনপ্রিয়তা রয়েছে, তা হল আদি মায়ের পুজো। পালপাড়ায় জগদ্ধাত্রীকে সাজানো হয়েছে ডাকের সাজে। হেলা পুকুরেও জগদ্ধাত্রীকে সাজানো হয়েছে সোনার গয়নায়। রাজ ইতিহাস বুকে করে এগিয়ে চলা এই শহর। কৃষ্ণনগরে বুড়িমার পুজো ঘিরে ফের বিপুল ভক্তের ঢল নামার আশা। রাজবাড়ির পুজোয় এবারও ভক্তের ঢল নামবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি কর ইস্যুতে তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন নির্যাতিতার বাবা-মা

    RG Kar: আরজি কর ইস্যুতে তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন নির্যাতিতার বাবা-মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar) চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা নিয়ে তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। বুধবার সন্ধ্যায় সোদপুরের বাড়িতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নির্যাতিতার বাবা তৃণমূল (Trinamool Congress) সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। একইসঙ্গে মেয়ের মৃত্যুর বিচারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

    কী বললেন নির্যাতিতার বাবা? (RG Kar)

    নির্যাতিতার বাবা (RG Kar) বলেন, ‘‘আমার মেয়ে চাকরি করতে গিয়ে হাসপাতালের মধ্যে ধর্ষিত হল। সেখানেই তাকে খুন করা হল। রাজ্য সরকার এর দায় এড়িয়ে যেতে পারে না। স্থানীয় প্রশাসন হল রাজ্য সরকার। তাই, এই ঘটনার জন্য আমরা রাজ্য সরকারকে দায়ী করব। তিন মাস ধরে চোখের জল ফেলেছি। এবার মেয়ের বিচারের জন্য আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। বিচার আমরা ছিনিয়ে আনব। মেয়েকে হারিয়ে আমরা কঠিন হয়ে গিয়েছি। আন্দোলনই একমাত্র পথ।’’

    আরও পড়ুন: আমেরিকার নয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিনন্দন হাসিনার, কৌশলী বার্তা আওয়ামী লিগের

    মেয়ের মৃত্যুর বিচার নিয়ে ছেলেখেলা চলছে!

    নির্যাতিতার মা বলেন, ‘‘আমার মেয়ের মৃত্যুর বিচার নিয়ে ছেলেখেলা চলছে! প্রথমে আমাদের আরজি কর হাসপাতাল (RG Kar) থেকে বলা হল আমার মেয়ে অসুস্থ। পরে বলা হল সে নাকি আত্মহত্যা করেছে! সেই কথা শুনে আমরা তড়িঘড়ি সেখানে পৌঁছলাম। তিন ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পরও আমার মেয়ের মুখ দেখতে দেওয়া হল না। পুলিশের ভূমিকা প্রথম থেকেই সন্দেহজনক। একটা অপরাধ সংঘঠিত হল, তারপরও কেন সেই অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হবে? কেনই বা অপরাধীদের মাথায় প্রশাসনের হাত থাকবে? ৯ অগাস্ট কী ঘটনা ঘটেছে, তা আজও আমরা জানতে পারলাম না। সেদিনের ঘটনা সম্পর্কে আমরা জানতে চাই।’’ বার বার বিচার আরজি কর মামলার শুনানি পিছিয়ে যাওয়া উষ্মা প্রকাশ করেন তাঁরা।

    অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে নির্যাতিতার বাবা-মা

    রাজ্য সরকারের ওপর আস্থা হারালেও কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর তিনি ভরসা রাখছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’র সঙ্গে দেখা না হওয়ার বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য, ‘‘আমাদের সঙ্গে তাঁর ঠিক দেখা হবে। আমাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি আমাদের সঙ্গে দেখা করার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা চিঠিও (RG Kar) দিয়েছি। আশা করি খুব শীঘ্রই জবাব পাব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share