Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Paschim Bardhaman: তোলাবাজির অভিযোগ উঠতেই আঁতে ঘা, তৃণমূল নেতাদেরও চক্ষুশূল হয়ে গেল পুলিশ! 

    Paschim Bardhaman: তোলাবাজির অভিযোগ উঠতেই আঁতে ঘা, তৃণমূল নেতাদেরও চক্ষুশূল হয়ে গেল পুলিশ! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসিএলের খনি ভরাট করার জন্য প্রয়োজন বালি। বরাত পাওয়া প্রাইভেট সংস্থার বালির গাড়ি অবৈধ, এই অভিযোগ তুলে তা আটকে দিয়ে বিপাকে পড়েছেন জামুরিয়ার তৃণমূল নেতা তথা পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন দুই তৃণমূল নেতা। সংস্থার তরফে কর্মাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে তোলাবাজির। ঘটনার প্রেক্ষিতে সংঘাত লেগেছে তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে জামুরিয়া থানার। জামুরিয়া থানার পুলিশের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলে দলীয় পদ এবং সরকারি পদ থেকে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামুড়িয়ার পরাশিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান, সমিতির সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, অবৈধ এবং দূষিত বালিমাটি পরিবহণ তাঁরা আটকে দিয়েছেন মানুষের স্বার্থে। কিন্তু পুলিশ কাজ করছে ওই প্রাইভেট সংস্থার হয়ে, মানুষের হয়ে নয়। এই নিয়ে সরগরম জামুরিয়ার (Paschim Bardhaman) রাজনীতি।

    কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ?

    ইসিএলের কাজে বাধা দেওয়া ও তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে জামুরিয়া পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ, তৃণমূল কংগ্রেস নেতা উদীপ সিংয়ের বিরুদ্ধে। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, বেআইনি ও অবৈধ কাজ বরদাস্ত নয়। তারপরেই সক্রিয় হয়ে ওঠেন জামুরিয়া পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল নেতারা (Trinamool Congress)। মাটি, বালি, ফ্লাইঅ্যাশ বোঝাই গাড়ি দেখলেই অভিযান শুরু নেতাদের। এই নিয়েই তৃণমূল নেতাদের একাংশের সঙ্গে লাগল সংঘাত। প্রাইভেট সংস্থার অভিযোগ, অভিযানের নামে তোলাবাজিতে নেমেছেন ওই তৃণমূল নেতারা।

    পাল্টা কী হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা? (Paschim Bardhaman)

    ইসিএলের কুনুস্তোরিয়া এরিয়ার পরাশিয়া গ্রুপ অফ মাইনসের এজেন্ট মধুসূদন সিং ও ইসিএলের টেন্ডার পাওয়া একটি বেসরকারি সংস্থার তরফে পিওবি (প্রসেস ওভার বার্ডেন) প্ল্যান্টের ইনচার্জ অসীম চক্রবর্তীর অভিযোগের ভিত্তিতে জামুড়িয়া থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত উদীপ সিং ও তার ৬ সঙ্গী সহ ২০-২৫ জনের নামে একটি এফআইআর করেছে। শনিবার রাতে তাঁদের মধ্যে দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাঁরা হলেন রঘুপদ মণ্ডল ও মলয় মণ্ডল। পুলিশ অ্যাকশন নিতেই  জামুড়িয়া ব্লকের পরাশিয়া গ্রামে সাংবাদিক সম্মেলনে করে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করলেন তৃণমূল নেতা, তথা কর্মাধ্যক্ষ উদীপ সিং। পাল্টা তিনি জামুরিয়া থানার (Paschim Bardhaman) ওসি রাজশেখর মুখোপাধ্যায়, ইসিএল এবং ওই বেসরকারি সংস্থার আধিকারিককে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, আমি জামুরিয়া এলাকায় মাটি ও বালির বেআইনি কারবার বন্ধে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে এফআইআর করা হয়েছে। এদিন তাঁর সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে পরাশিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নির্বাচিত গ্রামসদস্য ছিলেন। উদীপ সিং এদিন হুমকি দিয়ে বলেন, দল পাশে না দাঁড়ালে এই ঘটনার বিরুদ্ধে সবাইকে নিয়ে অবস্থানে বসব। দলের নেতৃত্বকে সব জানিয়েছি। দল যদি পাশে না দাঁড়ায় তাহলে পদত্যাগ করব, এমন হুমকিও তিনি দেন। তিনি বলেন, আমি ইতিমধ্যেই ওই বেসরকারি সংস্থার আধিকারিকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছি। আর কী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়ে পরামর্শ করছি।

    কী প্রতিক্রিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের, কী বলছে বিজেপি?

    অন্যদিকে, দায় এড়িয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জামুরিয়ার (Paschim Bardhaman) বিধায়ক হরেরাম সিং বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখব। বিষয়টি জানা নেই। পাণ্ডবেশ্বর প্রাক্তন বিধায়ক, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, তৃণমূলে যাঁরা থাকেন, তাঁরা স্বাধীনভাবে থাকতে পারেন না বা তাঁদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার অধিকারও নেই। কারণ জামুরিয়ার সমস্ত কিছুই আসানসোলের তৃণমূল নেতৃত্ব দ্বারা পরিচালিত হয়। তাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেও দল ও পুলিশ-প্রশাসন থেকে অভিযোগের কাঠগড়ায় তোলা হবে উদীপকেই। সম্মান নিয়ে যদি উনি বাঁচতে চান, ওঁকে তৃণমূল ছাড়তে হবে। আর যদি উনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে চান, আত্মসমর্পণ না করতে চান, তাহলে দল ছাড়ুন। আমরা তাঁর (Trinamool Congress) পাশে থাকব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ড মামলায় (Sandeshkhali Case) সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মুখ পুড়ল রাজ্যের। শীর্ষ আদালতে খারিজ রাজ্যের সিবিআই তদন্তের বিরোধিতার আর্জি। রাজ্যকে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন, “রাজ্য কি কাউকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে?”

    কী বলল সুপ্রিম কোট? (Sandeshkhali Case)

    সন্দেশখালিতে জমি দখল ও মহিলাদের যৌন হেনস্থার অভিযোগের ভিত্তিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে আবেদন করে রাজ্য। সেখানেই খারিজ হয়ে যায় রাজ্যের আবেদন। সোমবার মামলাটির শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিআর গাভাই এবং কেভি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চে। তখনই বিচারপতি গাভাই প্রশ্ন ছুড়ে দেন, “এই বিষয়ে কেন আবেদন করেছে রাজ্য সরকার? তারা কাকে প্রোটেক্ট করতে চাইছে?” বেঞ্চের আরও প্রশ্ন, “সন্দেশখালিতে যেখানে নারী নির্যাতনের এত অভিযোগ উঠেছে, যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে, সেখানে কেন রাজ্য সরকার বাড়তি আগ্রহ দেখাচ্ছে?”

    কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কেলেঙ্কারির বেরল কেউটে!

    রাজ্যে রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে কেউটে। গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের দাপুটে নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এই কেলেঙ্কারির শেকড় খুঁজতে জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সেই সময় হামলা হয় ইডির আধিকারিকদের ওপর (Sandeshkhali Case)। পরে গ্রেফতার হয় শাহজাহান। তার পরেই একে একে বেরিয়ে আসতে থাকে কেলেঙ্কারির কেউটে।

    আর পড়ুন: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    শাহজাহান ও তার দলবলের বিরুদ্ধে জমি দখল, নারী নির্যাতন-সহ একাধিক অভিযোগ তুলে পথে নামে সন্দেশখালির প্রমীলা বাহিনী। জমি দখল এবং নারী নির্যাতনের অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। দেওয়া হয়েছিল সিবিআই তদন্তের নির্দেশ। উচ্চতর আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোটের দুয়ারে হাজির হয় রাজ্য। সেখানেও জুটল রামধাক্কা।

    দেশের শীর্ষ আদালতে রাজ্য সরকারের মুখ পোড়ায় যারপরনাই খুশি বিজেপি। সাংসদ বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্য সরকার কিছু অনৈতিক দাবি নিয়ে কিছু অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। সেই জন্যই মানুষেরই দেওয়া ট্যাক্সের টাকা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয় তারা। বারংবার পরাজিতও হয় (Sandeshkhali Case)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • South 24 Parganas: একদিকে হকার উচ্ছেদ, অন্যদিকে নয়নজুলি দখল করে চলছে অবৈধ নির্মাণ!

    South 24 Parganas: একদিকে হকার উচ্ছেদ, অন্যদিকে নয়নজুলি দখল করে চলছে অবৈধ নির্মাণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যেকটি দফতর থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, কোনও ভাবেই সরকারি জায়গা দখল করা যাবে না। যারা যারা দখল করেছে, তাদের উচ্ছেদ করতে হবে। আর সেই নির্দেশের পরেও উল্টো ছবি দেখা গেল কুলপি বিধানসভার (South 24 Parganas) বিভিন্ন জায়গায়। সেখানে নয়নজুলি দখল করে চলছে একের পর এক অবৈধ নির্মাণ। হেলদোল নেই প্রশাসনের।

    কোথায় চলছে এই বেপরোয়া কার্যকলাপ? (South 24 Parganas)

    কুলপি বিধানসভার নিশ্চিন্তপুর স্টেশন রোড সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক নয়নজুলি ও পিডব্লিউডি’র জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে একাধিক অবৈধ নির্মাণ। নিশ্চিন্তপুর এলাকায় রাস্তার পাশেই দীর্ঘদিন ধরে সিপিএমের পার্টি অফিস ছিল। তার পাশে পিডব্লিউডি’র ফাঁকা জায়গা দীর্ঘদিন ধরেই সিপিএমের দখলে ছিল। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছিল জায়গাটি, যাতে নয়নজুলি থেকে জল ব্যবহার করতে পারেন তাঁরা। কিন্তু সেই জায়গাটিও রাতারাতি এলাকারই শাসকদল ঘনিষ্ঠ উমাপদ দাস নামে এক ব্যক্তি জোরপূর্বক দখল করে নেয় বলে অভিযোগ। এমনকী নয়নজুলি দখল করে চলে নির্মাণকাজও (Eviction)। এই বিষয় নিয়ে সিপিএমের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগও করা হয়।

    কে শুনছে কার কথা?

    শুধুমাত্র এই নিশ্চিন্তপুর এলাকাতেই নয়, কুলপি বিধানসভার বাগারিয়া এলাকাতেও (South 24 Parganas) নয়নজুলি দখল করে দিনে-দুপুরে চলছে এই অবৈধ নির্মাণের কাজ। তবে এই বিষয় নিয়ে বেলপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বর্ণালী মণ্ডলের দাবি, তাঁরা এই অবৈধ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও কার অনুমতিতে এই অবৈধ নির্মাণ হচ্ছে, তা তাঁদের কিছুই জানা নেই।অন্যদিকে কুলপি বিধানসভার বাগারিয়া এলাকা নিয়ে বিডিও, এসডিও, পুলিশ-প্রশাসন থেকে প্রত্যেকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে। কিন্তু তারপরেও কোনও ফল লাভ হয়নি। এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, এইভাবে একের পর এক নয়নজুলি দখল করে অবৈধ নির্মাণের ফলেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে জল নিকাশি ব্যবস্থা। আগামী দিনে চাষের কাজ একদিকে যেমন বন্ধ হয়ে যাবে, ঠিক তেমনি ভোগান্তির শিকার হতে হবে সাধারণ মানুষকে। তবে এই অবৈধ দখলদারি নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কেউ কিছুই বলতে চাননি। কুলপি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুপ্রিয় হালদার জানান, ইতিমধ্যেই যে যে জায়গায় অবৈধ নির্মাণ হচ্ছিল, প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন বন্ধ করে দিয়েছে সেই নির্মাণ কাজ। 

    কটাক্ষ বিজেপি’র (South 24 Parganas)

    তবে এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। কুলপি বিধানসভার শ্রমিক সংগঠনের সম্পাদক স্বপন হালদার জানান, মুখ্যমন্ত্রীর ওই নির্দেশ শুধুমাত্রই ভাঁওতা ছাড়া অন্য কিছুই নয়। শাসকদলের মদত ছাড়া এবং প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া এইভাবে নয়নজুলি দখল করে নির্মাণ কোনও দিনই করা যায় না। এই বিষয় নিয়ে বারে বারে তাঁদের পক্ষ থেকেও প্রশাসনকে জানিয়ে কোনও ফল লাভ হয়নি। তাই প্রশ্ন উঠছে, এক দিকে যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কড়া নির্দেশ দিচ্ছেন অবৈধ নির্মাণ বন্ধের জন্য, তখন কীভাবে গোটা কুলপি বিধানসভা জুড়ে দিনে-দুপুরে চলছে অবৈধ নির্মাণ (Eviction)? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Anand Bose: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    CV Anand Bose: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপালকে (CV Anand Bose) নানা সময় অসম্মান প্রদর্শন করতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের ছোট-বড় নেতাকেও। কটু কথা বলতে শোনা গিয়েছে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমোকেও। এবার রাজ্যপালের অফিসকে কলঙ্কিত করার অভিযোগে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (MHA Action)। কলকাতার ডিসি এবং ডিসিপি সেন্ট্রালের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের আর্জি জানিয়ে দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তার প্রেক্ষিতেই পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    রাজ্যপালের চিঠি (CV Anand Bose)

    জানা গিয়েছে, রাজ্যপালের পাঠানো চিঠিতে নাম গিয়েছিল ডিসি বিনীত গোয়েল এবং ডিসিপি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের। গোয়েল ও মুখোপাধ্যায়কে অপসারণের আর্জি জানিয়ে নবান্ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আইএএস, আইপিএস ক্যাডার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ তথা ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিংকে চিঠি লিখেছিলেন রাজ্যপাল। তার জেরেই পদক্ষেপ হতে চলেছে বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর। যদিও দুই পুলিশ কর্তাই জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তাঁরা কিছু জানেন না। রাজ্যের তরফেও এখনও কিছু জানানো হয়নি তাঁদের। বিষয়টি নিয়ে রা কাড়েনি রাজভবনও।

    বাংলা থেকে সরানোর চক্রান্ত!

    এদিকে, রাজ্যের মুখ্যসচিব গোপালিকার বিরুদ্ধেও আইএসএস কার্যবিধি লঙ্ঘন ও দুর্নীতিতে সাহায্য করা ও উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগও এনেছেন রাজ্যপাল (CV Anand Bose)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠানো রিপোর্টে রাজ্যপাল এও লিখেছেন, বাংলা থেকে তাঁকে সরাতে চক্রান্ত করা হচ্ছে। সেই চক্রান্তে শামিল রয়েছেন এই আধিকারিকরাও। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছেন রাজভবনের এক কর্মী। ওই মহিলা প্রথমে অভিযোগ জানান রাজভবনের অফিসার ইনচার্জের কাছে। তাঁর অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যপাল তাঁকে কু-ইঙ্গিত করছিলেন। সেদিন সন্ধেয় চেম্বারে ডেকে পাঠিয়ে অশালীন আচরণ করেন বলেও অভিযোগ। রাজভবনের অফিসার ইনচার্জের কাছে অভিযোগ জানানোর পর তিনি সটান চলে যান হেয়ারস্ট্রিট থানায়।

    আর পড়ুন: হিন্দু বিরোধিতা কংগ্রেসের ট্র্যাডিশন! জেনে নিন বহমান সেই ধারা

    সাংবিধানিক রক্ষাকবচ থাকায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা না গেলেও, অভিযোগকারিণীর বয়ানের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করতে (MHA Action) শুরু করে কলকাতা পুলিশ। এর পরেই কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট ডিসির বিরুদ্ধে ‘অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেসে’র অফিসারদের আচরণবিধি সংক্রান্ত শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন রাজ্যপাল (CV Anand Bose)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘ওড়িশার মতো বাংলাকেও রক্ষা করুন প্রভু জগন্নাথ’’, রথের উৎসবে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘ওড়িশার মতো বাংলাকেও রক্ষা করুন প্রভু জগন্নাথ’’, রথের উৎসবে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ওড়িশার মতো বাংলাকেও রক্ষা করুন প্রভু জগন্নাথ’’, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটের বোয়ালদারের রথযাত্রায় সামিল হয়ে এমনটাই বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গেই ওড়িশাতে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে নবীন পট্টনায়েকের বিজেডি সরকার। বিপুল সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। সেই পালাবদলের কথা মাথায় রেখেই জগন্নাথদেবের কাছে বাংলাতেও অনুরূপ পালাবদলের প্রার্থনা করেন সুকান্ত মজুমদার। সাংবাদিকদের কাছে এই মনোবাসনার কথা নিজেই জানিয়েছেন বিজেপির সভাপতি (Sukanta Majumdar)।

    জেলা অফিসের ভূমি পূজন করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    চলতি বছরের তিথি অনুযায়ী, জগন্নাথদেবের রথযাত্রা শুরু হয় দুপুরে। সেই মতোই গোটা জেলার সমস্ত রথযাত্রা দুপুরের পরেই শুরু হয়। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এদিন প্রথমে বালুরঘাট ব্লকের বোয়ালদারে রথের দড়ি টানেন। এরপর সেখান থেকে তপন রাধাগোবিন্দ মন্দিরের রথযাত্রা, বালুরঘাটে নিউ টাউন ক্লাবের রথযাত্রার পাশাপাশি শহরের বহু পুরোনো দিপালী নগর মাঠের রথযাত্রাতেও সামিল হন তিনি। পাশাপাশি রবিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি পার্টি অফিসের ভূমি পূজনও করেন তিনি। এর মাধ্যমে জেলা বিজেপির সদর কার্যালয়ে নির্মাণ কাজের সূচনা হয়। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিজেপির সদর কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হয় একটি পুরোনো বাড়ি, যেটা বছর ৭ আগে দলের পক্ষ থেকে কেনা হয়েছিল। সেই বাড়িটি ভেঙেই নতুন ভবন তৈরি হবে বলে জানা গিয়েছে। সুকান্ত মজুমদারের দাবি, অফিসের সমস্ত রকমের পরিকাঠামো থাকবে নতুন এই ভবনে। এই নতুন ভবনটি তিন তলা হবে বলে জানা গিয়েছে। ভূমি পূজন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা নেতৃত্বও।

    প্রসঙ্গ উপ নির্বাচন

    সাংবাদিক সম্মেলনে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘সরকার পুলিশকে বলে দিচ্ছে, হকার উচ্ছেদ করো, কোথাও বলছে বিজেপি নেতাদেরকে কেস দাও। অনৈতিক কাজ করার জন্য পুলিশের ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে।’’ প্রসঙ্গত, ১০ জুলাই ৪ বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচন রয়েছে। গত বিধানসভা ভোটে চারটি কেন্দ্রের মধ্যে তিনটিতেই তৃণমূল হেরেছিল। উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কি কনফিডেন্ট? এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘যে তিনটি সিট আমাদের ছিল, সেগুলি আবার জিতব ও চতুর্থ সিট যা আমরা ৫ হাজার ভোটে হেরেছিলাম সেইটাও জিতব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bolpur Fire: বোলপুরে তিনজনকে অগ্নিদগ্ধ করার আগে ক্লোরোফর্ম ছিটিয়ে করা হয়েছিল অবশ!

    Bolpur Fire: বোলপুরে তিনজনকে অগ্নিদগ্ধ করার আগে ক্লোরোফর্ম ছিটিয়ে করা হয়েছিল অবশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির এক বউয়ের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক শফিকুল ইসলাম ওরফে চন্দনের। এমন পরকীয়া করতে ছোট জা’কে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় প্রেমিকের সঙ্গে দেখে ফেলেছিলেন বড় জা। ঠিক এই কারণে চরম খেসারত দিতে হল বড় জায়ের গোটা পরিবারকে। ছোট্ট সন্তানও নিস্তার পেল না নৃশংসতা থেকে। বোলপুরের (Bolpur Fire) রজতপুরে ফিরে এল বগটুইয়ের স্মৃতি। ছোট জা স্মৃতিবিবি আগুনে পুড়িয়ে মারল ভাসুর শেখ তোতা, জা রুপা বিবি ও তাঁদের ছোট্ট ৪ বছরের সন্তানকে। শুধুই কী তাই! নিখুঁত অপারেশন চালাতে ব্যবহার করা হল ক্লোরোফর্ম। জানলা থেকে ক্লোরোফর্ম (Chloroform) ছিটিয়ে দেওয়া হল বড় জায়ের ঘরে। ঘুমন্ত অবস্থায় ক্লোরোফর্মে সবাই তখন অজ্ঞান। এরই মধ্যে আগুন লাগিয়ে দেয়া হল ঘরে। যাতে কোনওভাবেই চিৎকার করতে না পারে তাঁর জায়ের পরিবার। স্মৃতি বিবির পক্ষে ক্লোরোফর্ম জোগাড় করাও সহজ ছিল। তার কারণ প্রেমিক ছিল পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক, এমনটাই মনে করছে পুলিশ। জেরায় উঠে এসেছে এই খুনের রোমহর্ষক ঘটনার বিবরণ। নৃশংস ঘটনা শোনার পরে বাকরুদ্ধ গোটা সভ্যসমাজ।

    গভীর রাতে স্মৃতি বিবি অপেক্ষা করতে থাকেন কখন তাঁর প্রেমিক আসবেন (Bolpur Fire)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন গভীর রাতে (Bolpur Fire) স্মৃতি বিবি অপেক্ষা করতে থাকেন কখন তাঁর প্রেমিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক আসবেন। এর পরবর্তীকালে জানলা দিয়ে ঘরে ক্লোরোফর্ম ছিটিয়ে দেন তিনি। তখনই তাঁর জা রুপা বিবি, স্বামী সন্তান সহ চৈতন্য হয়ে পড়েন ঘুমের মধ্যেই। সেই সময়ই পেট্রোল ঢেলে দেওয়া হয় ঘরে। ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন। যতক্ষণে তাঁদের জ্ঞান (Chloroform) ফেরে ততক্ষণে দেখা যায় শরীরের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পুরে গিয়েছে। এর ফলে বাঁচার সম্ভাবনাও ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসে। পুলিশের ধারণা, আগুন লাগার পরে যাতে তাঁরা কেউ চিৎকার করতে না পারেন সেজন্যই অজ্ঞান (Bolpur Fire) করে দেওয়া হয়েছিল আগে থেকে।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    ঘটনা প্রসঙ্গে, নিহত রূপা বিবির বাবা শেখ করিম বলেন, ‘‘আমার জামাই বোলপুরে ঠিকাদারির কাজ করত। ওর তেমন কেউ ছিল কি না জানি না। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’’ প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২১ মার্চ রাতে বীরভূমের রামপুরহাট থানার বগটুইয়ের এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। তাতে মৃত্যু হয় ১০ জনের। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বগটুই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করে সিবিআই। সেই সময় এই ঘটনাকে ঘিরে আলোড়িত হয়েছিল গোটা রাজ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rath Yatra 2024: পুরীতে রথের দড়ি যেত বাংলার এই গ্রাম থেকেই! বারাসতে সম্প্রীতির ছবি

    Rath Yatra 2024: পুরীতে রথের দড়ি যেত বাংলার এই গ্রাম থেকেই! বারাসতে সম্প্রীতির ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর রথযাত্রার দড়ি যেত একসময় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের কুলিনগ্রাম থেকে। রবিবার এই গ্রামের ৫০০ বছরের পুরনো রথযাত্রায় (Rath Yatra 2024) সামিল হয়েছিলেন হাজার হাজার ভক্ত। পূর্ব বর্ধমানের এই রথ আজও টেনে নিয়ে যাচ্ছে সেই ইতিহাসকেই। অন্যদিকে রবিবার রথযাত্রার দিন বারাসতে (Barasat) ধরা পরল এক অনন্য ছবি। হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই টান দিলেন রথের দড়িতে। এমন নানা ঘটনা-ঐতিহ্য-ইতিহাস নিয়েই মহা সমারোহে বাংলাতে পালিত হল রথযাত্রা। পা মেলালেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত।

    কুলিনগ্রামের রথযাত্রা (Rath Yatra 2024) 

    জানা যায়, ‘শ্রীকৃষ্ণবিজয়’ কাব্যের রচয়িতা মালাধর বসুর ছেলে লক্ষ্মীকান্ত বসুকে পুরীর জগন্নাথ দেবের রথ টানার জন্য বর্ধমানের কুলিনগ্রাম থেকে রথের দড়ি আনার নির্দেশ পান। লক্ষীকান্ত বসু রথ টানা দড়ি নিয়ে পুরীতে গিয়েছিলেন। তারপর থেকেই শুরু হয় জামালপুরের ঐতিহ্যমন্ডিত এই রথযাত্রা। মাঝখানে কখনও বন্ধ হয়নি। ৮ দিনের পরিবর্তে ৯ দিনের রথ হয় এখানে। এলাকার মানুষরা জানিয়েছেন, একটা সময় ছিল যখন নিয়মিত ভাবে পুরীতে কুলিনগ্রাম থেকেই রথের (Rath Yatra 2024) দড়ি যেত, তবে ধীরে ধীরে তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এলাকায় বসু পরিবারের সদস্যরা কাজের সূত্রে এখন আর গ্রামে থাকেন না। তাঁরা নানা জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছেন। তবে গ্রামে রথযাত্রা হয় ধুমধাম করেই।

    কী বলছেন উদ্যোক্তারা?

    কাঠের তৈরি রথের উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট। দৈর্ঘ্য-প্রস্থ ১৬ ফুট। ৬টি লোহার চাকা রয়েছে রয়েছে রথে। তিন তলা এই রথে রথের ওপরের তলায় থাকেন জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রা। গ্রামের মাঝেই গড়ে উঠেছে জগন্নাথ মন্দির। সেখান থেকে বিশেষ পুজো করা হয়।  উদ্যোক্তাদের মধ্যে থেকে দেবব্রত সিংহ বলেন, “চৈতন্যদেব যখন এসেছিলেন তখন থেকে এই রথ। সেই থেকে রথ চলে আসছে। ৫০০ বছরের বেশি সময় হয়ে গেল। পট্টডোর এক সময় পুরীতে যেত। তা বিলুপ্ত হয়। তবে আমরা আবার সেই প্রথা ফেরাতে চাইছি।”

    বারাসাতে (Barasat) হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির নজির

    রথের (Rath Yatra 2024) রশি গড়ে দিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির। এমনই চিত্র দেখা গেল বারাসতে। হিন্দু-মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে টান দিলেন রথের রশিতে। ধর্ম যার যার উৎসব তো সবার, এই কথা আক্ষরিক অর্থে সত্যি হল বারাসতে। পশ্চিমবঙ্গের দূর্গা পুজোর সময় দুই সম্প্রদায়ের মানুষ মিলে অনেক জায়গাতেই উৎসবে মেতে ওঠেন। খবরের শিরোনামেও আসে সেই ঘটনাগুলি। এবার রথযাত্রাতেও সেই ছবি ধরা পরল। ঘুচে গেল দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ভেদাভেদ। জগন্নাথ দেব হয়ে উঠলেন সবার প্রভু।

    রথটি বানিয়েছেন এক মুসলিম

    জানা গিয়েছে, বারাসতের এই রথটি যিনি তৈরি করেছেন তিনিও আদতে একজন মুসলমান। বারাসতের কাজীপাড়ায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি তাই আজ রাজ্য জুড়ে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবার রথযাত্রার সামিল হন দেশ-বিদেশের কোটি কোটি মানুষ। ভারতের মধ্যে সবথেকে বড় রথযাত্রা হয় পুরীতে। ঘণ্টা-কাঁসর, জয় জগন্নাথ ধ্বনিতে শ্রী ক্ষেত্র ছিল একেবারে মুখরিত (Rath Yatra 2024)। এর পাশাপাশি রথ নিয়ে বের হয়েছিল ইসকনও। মাহেশের রথেও পা মেলান অসংখ্য ভক্ত।  কিন্তু এরই মধ্যে ব্যতিক্রমী হয়ে উঠল বারাসতের কাজীপাড়ার রথযাত্রা। উদ্যোক্তাদের কথায়, এই উৎসবে কোনও রাজনৈতিক রঙ নেই। বারাসত পুরসভার ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সকলের উপস্থিতি থাকে এইদিন।গত ৬ বছর ধরে এইভাবেই হয়ে আসছে সম্প্রীতির মেলবন্ধন রথযাত্রা উৎসবের মধ্য দিয়ে।

    শাসনেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ছবি

    তবে শুধু বারাসতের কাজীপাড়াতে নয়, উত্তর ২৪ পরগনার শাসনেও দেখা গিয়েছে একই ছবি। রাজনৈতিক হানাহানির খবরে প্রায় শিরোনামে আসে শাসন কিন্তু সেসবকে ছাপিয়ে রবিবার খবরের শিরোনামে এল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির রথযাত্রা। রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে শাসনের সর্দারহাটিতেও দেখা গেল বারাসতের কাজীপাড়ার মতো ছবি। হিন্দু মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই রথের রশিতে টান দিয়ে সামিল হলেন উৎসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bolpur Fire: প্রেমে বাধা দেওয়ায় বোলপুরে বাড়িতে আগুন, জীবন্তদগ্ধ ৩

    Bolpur Fire: প্রেমে বাধা দেওয়ায় বোলপুরে বাড়িতে আগুন, জীবন্তদগ্ধ ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের বোলপুরে একটি বাড়িতে (Bolpur Fire) অগ্নিকাণ্ডে জেরে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার ওই বাড়িরই মেজবউ। তাঁর প্রেমিককেও আটক করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের রহস্যের জট কাটাতে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।  

    বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে খুন? (Bolpur Fire)

    বৃহস্পতিবার বোলপুর থানার নতুন গীত গ্রামে ঘুমন্ত অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান রূপা বিবি, শেখ তুতার এবং তাঁর ছোট ছেলে আয়ান শেখ। পরিবারের বেঁচে যাওয়া সদস্যদের সন্দেহ, ওই বাড়িতে কেউ বা কারা কেরোসিন ঢেলে আগুন (Bolpur Fire) লাগিয়ে দেয়। শনিবার সামনে আসে পারিবারিক দ্বন্দ্বের বিষয়টি। মৃত দম্পতির বড় ছেলে ওয়াসিম আখতার তাঁর কাকিমা নাজরিন নিহার ওরফে স্মৃতি বিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন থানায়। নাজরিনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ (Bolpur Police) সূত্রে খবর, টানা জেরায় ভেঙে পড়ে দোষ কবুল করে নিয়েছেন নাজরিন। ওয়াসিম পুলিশকে জানান, তাঁর কাকিমার সঙ্গে গ্রামেরই এক হাতুড়ে ডাক্তার চন্দন ইসলামের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। বাবা-মা বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবাদ করেছিলেন। তাই চক্রান্ত করে বাবা-মা ও ভাইকে মেরে ফেলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ে চোর সন্দেহে পিটিয়ে খুন, পুলিশ ভূমিকা প্রশ্নের মুখে

    এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পরে পরেই উধাও হয়ে গিয়েছিলেন চন্দন। পরে তাঁকেও আটক করা হয়। চন্দনকে আটক করে ষড়যন্ত্র ও তাঁদের সম্পর্কের বিষয়ে ওয়াসিমের অভিযোগের সত্যতা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    এদিকে, এই ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার (Bolpur Police) অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। বেশ কিছুক্ষণ ধরে বোলপুর ও বর্ধমান যাওয়ার রাস্তা অবরোধ করা হয়। শোকাহত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে ঘটনাস্থলে যান রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, বীরভূম জেলা পরিষদের সভাপতি কাজল শেখ এবং বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অসিত মাল।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mob Lynching: ভাঙড়ে চোর সন্দেহে পিটিয়ে খুন, প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা

    Mob Lynching: ভাঙড়ে চোর সন্দেহে পিটিয়ে খুন, প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ে ফের চোর সন্দেহে থানার অদূরেই বেঁধে রেখে পিটিয়ে খুন (Mob Lynching)। অভিযোগ, ভোরবেলায় চোর ভেবে এক ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধর করে স্থানীয় জনতা। হাত-পা বাঁধা অবস্থায়ই তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে পেটানো হয়। চিকিৎসা না করিয়ে ফেলেও রাখা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।     

    চোর সন্দেহে পিটিয়ে খুন (Mob Lynching)

    পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম আজগর মোল্লা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় থানার ফুলবাড়ি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন তিনি। ভাঙড় বাজার এলাকায় গত কয়েকদিন চোরের উপদ্রব বাড়ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় সর্বক্ষণই ভয়ে ভয়ে থাকতেন স্থানীয়রা। এলাকায় রাত পাহারার ব্যবস্থা করা হয়। তাতেও বিশেষ লাভ হয়নি। পাহারাদাররা চলে গেলে ভোরবেলার দিকে চুরি হচ্ছিল। পুলিশকে জানিয়েও সুরাহা না হওয়ায় বেজায় ক্ষুব্ধ ছিলেন স্থানীয়রা। রবিবার ভোরে আজগরকে এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখে চোর সন্দেহে তাঁকে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। প্রথমে বেঁধে রাখা হয় তাঁকে।

    খবর ছড়িয়ে পড়তেই জড়ো হয়ে যান স্থানীয়রা। শুরু হয় গণপ্রহার। আজগর অচৈতন্য হয়ে পড়লে তাঁকে ফেলে পালিয়ে যান তাঁরা। বেশ কিছুক্ষণ পরে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। গণপিটুনির জেরে আজগরের মৃত্যুতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে এলাকায়। থানার অদূরে দীর্ঘক্ষণ এক ব্যক্তিকে বেঁধে রেখে গণপিটুনি দেওয়া হল অথচ পুলিশ টের পেল না! স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “রাতে পাহারাদাররা চলে গেলে ভোরবেলার দিকে চুরি হচ্ছিল। গত কয়েকদিন ধরেই একই ঘটনা বারবার ঘটছিল। ফলে নজর রাখা হচ্ছিল। এলাকায় ভোরবেলা সাড়ে চারটা নাগাদ ওঁকে ধরা হয়। উনি সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরি করছিলেন। তাই বেঁধে রাখা হয়েছিল। পরে অনেকে চলে এসে মারধর (Mob Lynching) করতে শুরু করে। অনেকক্ষণ নিস্তেজ হয়ে পড়েছিলেন। আমরা ভেবেছিলাম নেশা করে পড়ে আছেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে জানা যায় উনি মারা গিয়েছেন।”

    কলকাতা পুলিশও ভাঙড়ে শান্তি ফেরাতে ব্যর্থ (Bhangar)

    প্রসঙ্গত, ভাঙড় থানা এলাকায় শান্তি ফেরাতে নিয়ে আসা হয় কলকাতা পুলিশের অধীনে। তার পরেও ভাঙড়ে একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে। পুলিশের দক্ষতা ও সদিচ্ছা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়দের একাংশের প্রশ্ন, দীর্ঘক্ষণ এক ব্যক্তিকে বেঁধে রেখা রেখে মারধর করা হল, অথচ পুলিশ খবর পেল না কেন? জানা গিয়েছে, দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, মৃতের পরিবার পুলিশকে দেহ নিতে দেয়নি। তাঁদের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। ডিসি সৈকত ঘোষ জানিয়েছেন, পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। 

    আরও পড়ুন: বুলডোজার নিয়ে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা, তৃণমূল কাউন্সিলরদের ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    উল্লেখ্য, প্রায় এক মাস সময় ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে। কোথাও আক্রান্তের মৃত্যু হচ্ছে, কোথাও আবার তাঁরা গুরুতর জখম হচ্ছেন। গণপিটুনি রুখতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় নির্দিষ্ট আইন রয়েছে। তা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে গণপিটুনির ঘটনা কিছুতেই কমছে না। বউবাজার থেকে শুরু করে সল্টলেক হয়ে নিউটাউন, গণপিটুনি অব্যাহত। এবার গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল ভাঙড়ে (Bhangar) । দেশের আইন বদলালেও, পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে যথা পূর্বং, তথা পরং। 

    এ রাজ্যের হাল কি ফিরবে না? গণপিটুনির বলি হতে হবে আজগর মোল্লাদের!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cataract Surgery: ছানি অস্ত্রোপচারকাণ্ডে অসুস্থ আরও ৪, অস্বস্তিতে স্বাস্থ্য ভবন

    Cataract Surgery: ছানি অস্ত্রোপচারকাণ্ডে অসুস্থ আরও ৪, অস্বস্তিতে স্বাস্থ্য ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেটিয়াবুরুজে (Metiaburuz) ছানি অস্ত্রোপচারকাণ্ডে ক্রমেই অস্বস্তি বেড়ে চলেছে স্বাস্থ্য ভবনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের শিকার হয়েছেন আরও চার রোগী। সব মিলিয়ে সরকারি হাসপাতালে ছানি অপারেশন (Cataract Surgery) করিয়ে এ পর্যন্ত সংক্রমণের শিকার হলেন ২০ জন। শনিবার আরও দুই রোগী সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে গিয়েছেন আরআইওতে। ঘটনায় প্রশ্নের মুখে ছানি অপারেশন থিয়েটারের প্রোটোকল। মেটিয়াবুরুজের ওই হাসপাতালে ওটির প্রোটোকল মানা হয়নি বলেই অভিযোগ। অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত ওষুধের গুণমান নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। আতশ কাচের তলায় অপারেশন থিয়েটারের নিয়মিত স্যানিটাইজেশন, গজ এবং তুলোও।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? (Cataract Surgery)

    রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অফ অপথ্যালমোলজি (আরআইও)-র প্রাক্তন (Cataract Surgery) অধিকর্তা গৌতম ভাদুড়ি বলেন, “ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন হলে রাতারাতি তা ছড়িয়ে পড়ে। এখানে তো অনেকে দু’দিন পরে আসছেন। হতে পারে ফাঙ্গাল ইনফেকশন।” তিনি বলেন, “ফ্লুইডের বোতল থেকে ফ্লুইড নিয়েই ছানি অপারেশন করা হয়। সেই সময় পরিষ্কার করা, ছানি বের করতে জলের একটা বড় ভূমিকা থাকে। সেই জল যদি স্বচ্ছ না থাকে, তাতে যদি ছত্রাক থাকে, তা দেখা সম্ভব নয় যে চিকিৎসক অপারেশন করছেন, তাঁর পক্ষে। কারণ এই জল আসে সিলড বোতলে।”

    ফ্লুইডের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন

    চিকিৎসকদের একাংশের মতে, ছানি অস্ত্রোপচারকাণ্ডে যে ফ্লুইড ব্যবহার করা হয়েছিল তার গুণমানেই সমস্যা রয়েছে। তাঁদের যুক্তি, গত ছ’মাস ধরে একাধিক মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল এই ফ্লুইডের গুণমান নিয়ে সরব হয়েছে। গত ২৫ জুন এনআরএসে ফ্লুইডের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় অর্থো-ওটিতে স্থগিত রাখা হয়েছিল অস্ত্রোপচার। ঘটনাচক্রে এদিনই ঘটেছিল মেটিয়াবুরুজের হাসপাতালে ছানি অপারেশনকাণ্ড। অভিযোগ পেয়ে তড়িঘড়ি সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোরের তরফে ছানি অপারেশনে ব্যবহৃত ফ্লুইডের গুণমান যাচাই করতে পাঠানো হয়েছে ব্যাচের নমুনা।

    আর পড়ুন: “যাঁরা ইসলাম ধর্মে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা”, ‘হাকিমি’ মন্তব্যে তোপ বিজেপির

    জানা গিয়েছে, এই নমুনা পাঠানো হয়েছে এনএবিএল, রাজ্য ড্রাগ রিসার্চ ল্যাবরেটরি এবং পূর্ব ভারতের সেন্ট্রাল ড্রাগ ল্যাবরেটরিতে (Metiaburuz)। স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, একটি নির্দিষ্ট সংস্থার ফ্লুইডের গুণমান নিয়েই যাবতীয় অভিযোগ উঠেছে (Cataract Surgery)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share