Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Baranagar: ভোটের মুখে বিজেপির সভায় তৃণমূলের হামলা, তুলকালাম বরানগর

    Baranagar: ভোটের মুখে বিজেপির সভায় তৃণমূলের হামলা, তুলকালাম বরানগর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী হওয়ার পর থেকে বিজেপি নেতা সজল ঘোষকে বরানগরে (Baranagar) নানাভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করেছে তৃণমূল। এবার বিজেপির দলীয় সভায় হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বরানগর বিধানসভা এলাকায়। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Baranagar)

    স্থানীয় ও বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, বরানগর (Baranagar) বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের সমর্থনে বরানগরে একটি জনসভার আয়োজন করেছিল গেরুয়া শিবির। সন্ধ্যা সাড়ে আটটা নাগাদ জনসভা যখন চলছে তখন সেখানে আচমকা এসে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি মিছিল। সভার মধ্যে ঢুকে পড়ে সভাতে থাকা বিজেপি নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে তৃণমূলের লোকজন কটূক্তি করতে শুরু করেন বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। এরপরই বিজেপি কর্মীরা প্রতিবাদ করলে তৃণমূল হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হল। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    আরও পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এপ্রসঙ্গে বরানগর (Baranagar) বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ বলেন, “আমাদের সভা চলাকালীন আচমকা তৃণমূলের মিছিল ঢুকে পড়ে। তারপর চেঁচামেচি শুরু করে দেয়। এর ফলে আমাদের সভায় ব্যাঘাত হচ্ছিল। বিষয়টির প্রতিবাদ করায় ওরা আমাদের কর্মীদের ওপর চড়াও হয়। ওখানকার সাধারণ মানুষ সব দেখেছে। আমি শুধু একটা কথাই বলতে চাই এভাবে গুণ্ডামি করে কিছু হয় না। যা হবে তা মানুষের রায়েই হবে।” অন্যদিকে এই গণ্ডগোলের জন্য বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়কেই দায়ী করছেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। এপ্রসঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতা বলেন, “তাপস রায় যখন এখানকার তৃণমূল বিধায়ক ছিলেন তখন তো দুর্নীতি বা এলাকার উন্নয়ন নিয়ে কোনও কথা বলেননি। আজ দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তিনি সবকিছুতেই দুর্নীতি দেখছেন। আজকের এই গণ্ডগোল তাঁর জন্যই হয়েছে। আমরা বিজেপির সভায় কোনও হামলা চালাইনি। সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    Lok Sabha Election 2024: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট (Lok Sabha Election 2024) আবহের মধ্যে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সন্ন্যাসী কার্তিক মহারাজকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবমাননাকর মন্তব্য করার ঘটনায় রাজ্যজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গ সফরে এসে এই বিষয় নিয়ে সরব হয়েছেন। এই মন্তব্যের জন্য কার্তিক মহারাজের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রবিবার তীব্র আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী? (Lok Sabha Election 2024)

    শনিবার এক নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,’ সব সাধু সমান নয়। বহরমপুরের একজন মহারাজ আছেন। কার্তিক মহারাজ। আমি শুনেছি উনি বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টকে বসতে দেব না। তাঁকে আমি সাধু বলে মনে করি না। তিনি সরাসরি রাজনীতিকরছেন। দেশের সর্বনাশ করছেন। আমি চিহ্নিত করেছি কে কে করছেন।’

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে সরব

    রবিবার বেলডাঙা ভারত সেবাশ্রম সংঘ আশ্রম সূত্রে এই খবর পাওয়া গিয়েছে। বিষয়টি তাঁর কানে এসেছে বলে জানিয়েছেন কার্তিক মহারাজ ওরফে স্বামী প্রদীপ্তানন্দ। নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) সভায় মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে রবিবার ধিক্কার জানিয়ে বেলডাঙায় মিছিল করেন কার্তিক মহারাজের ভক্তরা। ভারত সেবাশ্রম সংঘের উদ্যোগে একটি ধিক্কার মিছিলের আয়োজন করা হয়। বেলডাঙ্গা ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ থেকে ছাপখানা হয়ে নেতাজি পার্ক হয়ে হরিমতি হয়ে আবার ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘে শেষ হয়। ওই মন্তব্যেক মমতাকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ করতে চলেছেন মহারাজের অনুগামী ও ভক্তরা।

    হিন্দুদের ওপর আক্রমণ এলে আমি চুপ করে বসে থাকতে পারি না

    রবিবার সংবাদমাধ্যমকে বেলডাঙা ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রধান কার্তিক মহারাজ জানিয়েছেন, ‘আমি কোথাও এরকম কোনও কথা বলিনি যে তৃণমূলের এজেন্ট বসতে দেব না। মুখ্যমন্ত্রী কার কাছে এসব শুনেছেন আমি জানি না। আমি তো রাজনীতির লোকই নই। আর্তের সেবা করা আমার কাজ। কিন্তু আমি একজন হিন্দু। আর হিন্দুদের ওপর আক্রমণ এলে আমি চুপ করে বসে থাকতে পারি না। রেজিনগরে ওনার দলের বিধায়ক যখন বললেন ২ ঘণ্টার মধ্যে হিন্দুদের ভাগিরথীতে ভাসিয়ে দেব তখন উনি কোনও প্রতিবাদ করেননি কেন? ঈশ্বর ওনাকে চৈতন্য দিন।’

    মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ মোদির

    এই মন্তব্যের জন্য কার্তিক মহারাজের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রবিবার তীব্র আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “ভোটে যে তৃণমূল সরকার বাংলার মানুষকে ভয় দেখায়, হুমকি দেয়, হিংসা করায় তারা এবার সব সীমা পার করে দিয়েছে। আজ দেশ ও দুনিয়ায় ইসকন, রামকৃষ্ণ মিশন ও ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ সেবা ও সদাচারের জন্য সারা বিশ্বে বিখ্যাত। তারা ভারতের নাম উজ্জ্বল করে। কিন্তু, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ইসকন, রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রমের সন্ন্যাসীদের খোলাখুলি হুমকি দিচ্ছেন। খোলাখুলি হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। দুনিয়াজুড়ে এই মিশনের সঙ্গে যুক্ত লক্ষ লক্ষ অনুগামী থাকেন। আর এদের উদ্দেশ শুধুমাত্র মানুষের সেবা করা। বাংলার সরকার তাদের দিকে আঙুল উঠিয়ে তাদের নাম নিয়ে হুমকি দিচ্ছে। এই দুঃসাহস কেবলমাত্র নিজের ভোটব্যাঙ্ককে খুশি করতে। সেই লক্ষ্যে তৃণমূল এত নীচে নেমে গিয়েছে। এদের বাংলার মানুষের কোনও চিন্তা নেই। লক্ষ লক্ষ মানুষের ভাবাবেগের কোনও চিন্তা নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “মেদিনীপুর আমাদের শুভেন্দু-দিলীপের কর্মভূমি”, খড়্গপুরে বললেন মোদি

    PM Modi: “মেদিনীপুর আমাদের শুভেন্দু-দিলীপের কর্মভূমি”, খড়্গপুরে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মেদিনীপুর আমাদের শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষের কর্মভূমি।” রবিবার খড়্গপুরের নির্বাচনী জনসভায় বিজেপির দুই নেতাকে এক পঙতিতে বসিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দিলীপ ঘোষ ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। আর শুভেন্দু এখন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। গেরুয়া শিবিরে যে দুই নেতার গুরুত্বই সমান, কেউ বড় কিংবা কেউ ছোট নয়, এদিনের সভায় প্রধানমন্ত্রী সেই বার্তাই দিলেন বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    মোদির মুখে দিলীপ স্তুতি (PM Modi)

    মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ দিলীপ। তাঁকে এবার পদ্ম-পার্টি প্রার্থী করেছে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে। দিলীপকে মেদিনীপুরে প্রার্থী না করায় দলের অন্দরে যদি কোনও অসন্তোষ দানা বেঁধেও থাকে, তার প্রভাব যেন ইভিএমে না পড়ে, সেই বার্তা দিতেই প্রধামমন্ত্রী (PM Modi) দিলীপ ও শুভেন্দুকে বসালেন একাসনে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মেদিনীপুর আমাদের শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষের কর্মভূমি। আমি দিলীপকে রাজনীতির অনেক আগে থেকে চিনি। পরিশ্রম করা তাঁর স্বভাব। উনি শান্তিতে দু’দণ্ড বসতে পারেন না। পার্টির সভাপতি হিসেবে দিনরাত এক করে পরিশ্রম করেছিলেন।” প্রসঙ্গত, দিলীপের কেন্দ্র বর্ধমান-দুর্গাপুরে দিলীপকে ‘বড় নেতা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    শোনা গেল শুভেন্দু প্রশস্তিও

    দিলীপের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মুখে এদিন শোনা গিয়েছে শুভেন্দু-প্রশস্তিও। তিনি বলেন, “শুভেন্দু তৃণমূলের বিরুদ্ধে লাগাতার লড়াই করে যাচ্ছেন। তাই আমি বলব, মেদিনীপুরে বিজেপির কার্যকর্তাদের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। মেদিনীপুর থেকে অগ্নিমিত্রা পাল ও ঘাটালে হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায়কে জেতাতেই হবে।”

    আর পড়ুন: উন্নততর ভারত গড়তে কী করণীয়, ‘ফাঁস’ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    শুভেন্দুর ঢের আগে থেকেই দিলীপকে চেনেন প্রধানমন্ত্রী। রাজনীতিতে আসার আগে দিলীপ ছিলেন আরএসএসের প্রচারক। প্রধানমন্ত্রীও তা-ই ছিলেন। নানা সময় তাঁদের দেখাসাক্ষাৎ হয়েছে। রবিবার খড়্গপুরের জনসভায় সেই প্রসঙ্গই উত্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী। কেবল তা-ই নয়, এদিন সভা শেষে দিলীপের সঙ্গে আলাদা করে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। দিলীপের কেন্দ্রে যেহেতু ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে, তাই তাঁকে আরও বেশি করে মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে সময় দিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mallikarjun Kharge: বিধানভবনে মল্লিকার্জুনের ছবিতে দেওয়া হল কালি! অধীরের সঙ্গে দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট?

    Mallikarjun Kharge: বিধানভবনে মল্লিকার্জুনের ছবিতে দেওয়া হল কালি! অধীরের সঙ্গে দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের টানাপড়নের মধ্যেই রাজ্যের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে নিশানা করলেন কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge)। এরপর রাজ্য-রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়ে গেল। রবিবার কলকাতার বিধান ভবনে মল্লিকার্জুনের ছবিতে কালি লেপে দেওয়া হল। কংগ্রেসের অবশ্য অভিযোগ তৃণমূল এই কাজ করেছে। পাল্টা তৃণমূল পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। বেগতিক বুঝে কালি দেওয়া ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে দ্রুত। একই সঙ্গে দুধ দিয়ে ধোয়া হল ছবি সহ হোর্ডিং।

    কীভাবে ঘটল (Mallikarjun Kharge)?

    কলকাতার বিধান ভবনের দেওয়ালে কংগ্রেসের তিনটি হোর্ডিং লাগানো ছিল। সেখানে কংগ্রেস হাইকমান্ড তথা জাতীয় কংগ্রেসের সর্ব ভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) মুখে কালি লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ছবির নিচে লিখে দেওয়া হয় ‘তৃণমূলের দালাল’। প্রথমে কেউ না দেখতে পেলেও পরে দেখতে পেয়ে শোরগোল পড়ে যায়। কংগ্রেস কর্মীরা দ্রুত কালি দেওয়া ছবি সরিয়ে দেন। কালি মুছে দাগগুলিকে ধুয়ে দেওয়া হয় দুধ দিয়ে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

    কী বলেছেন অধীর?

    শনিবার মমতা নির্বাচনী প্রচার সভাতে বলেছিলেন, “বাইরে থেকে সমর্থন করব। ইন্ডি জোট আমি তৈরি করেছি। আমি জোটে থাকব। অনেকে আমাকে ভুল বুঝেছেন। সর্ব ভারতীয় স্তরে বিরোধী জোটে আমি আছি।” কিন্তু প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, “মমতাকে আমরা কোনও ভাবে খাতির করতে পারব না। এই বাংলায় এই মহিলা আমাদের শেষ করেছে। আমি সমর্থন করতে পারিনা। আমার কোনও দ্বিমত নেই। এই লড়াই আমাদের নৈতিকতার। আমিও দলের পদাতিক সৈনিক।” এরপর জোট নিয়ে অধীরকে নিশানা করেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge)।

    আরও পড়ুনঃ শাহজাহানের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ, মে মাসের শেষেই ইডি-সিবিআই-এর চার্জশিট

    মল্লিকার্জুন খাড়্গের বক্তব্য কী ছিল?

    জোট প্রসঙ্গে মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge) বলেছেন, “মমতা জোটে আছেন, এটা নিশ্চিত। অধীর নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কেউ না। সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য দল রয়েছে, হাইকমান্ড রয়েছে। আমরা যা করব তাই দলের সিদ্ধান্ত। যা বলব মানতে হবে। কেউ যদি মানতে না পারেন তাহলে রাস্তা খোলা বেরিয়ে যেতে পারেন।” এরপর বিধানভবনে কালি দেওয়া হয় মল্লিকার্জুন খাড়্গের ছবিতে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Humayun Kabir: ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যের জের! হুমায়ুনকে সেন্সর করল কমিশন

    Humayun Kabir: ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যের জের! হুমায়ুনকে সেন্সর করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহেই ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ককে সতর্কবার্তা দিল নির্বাচন কমিশন। আসলে সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কাজিপাড়ায় এক দলীয় কর্মিসভায় হুমায়ুন কবিরের (Humayun Kabir) এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই এবার হুমায়ুন কবিরকে সেন্সর করল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সাফ জানিয়ে দিল, এই ধরনের মন্তব্য থেকে আগামী দিনে তাঁকে বিরত থাকতে হবে।

     কী বলেছিলেন হুমায়ুন? 

    এক কর্মিসভায় হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) বলতে শোনা যায়, ‘‘২ ঘণ্টার মধ্যে যদি তোমাদের ভাগীরথীতে না ফেলতে পারি তাহলে রাজনীতি থেকে সরে যাব। শক্তিপুর এলাকায় বসবাস করা বন্ধ করে দেব। তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছো? মুর্শিদাবাদ জেলায় আমরা ৭০ শতাংশ। এখানে রামনগরে তোমরা বেশি আছো বলে কাজিপাড়ার মসজিদ ভাঙবে? আর বাকি এলাকায় মুসলিম ভাইয়েরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এটা কোনও দিন হবে না, বিজেপিকে আমি বলছি।’’

    কেন এই সিদ্ধান্ত? 

    এর আগে ওই মন্তব্যের জন্য আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে বলে হুমায়ুনকে (Humayun Kabir) শোকজ করা হয়েছিল। সেই শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট না হয়ে এবার তাঁকে সেন্সর করার সিদ্ধান্ত নিল কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ বিজেপির (Humayun Kabir) 

    বিতর্কিত মন্তব্যটিকে ইস্যু করে নির্বাচন কমিশনে আগেই নালিশ জানিয়েছিলেন বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া। বিজেপির অভিযোগ ছিল ওই মন্তব্যের মাধ্যমে বিরোধী দলের কর্মীদের ও সাধারণ ভোটারদের মনে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা হয়েছে। বিজেপির সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১০ মে হুমায়ুন কবিরকে শোকজ করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেদিন কর্মিসভার মন্তব্যের জন্য জবাব তলব করা হয়েছিল তৃণমূল বিধায়কের থেকে। শোকজ নোটিশের জবাবও দিয়েছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। 

    আরও পড়ুন: মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ! চোরাশিকারিদের হাতে খুন বনরক্ষী

    হুমায়ুনের বক্তব্যে সন্তুষ্ট নয় কমিশন

    হুমায়ুনের (Humayun Kabir) বক্তব্য ছিল, তাঁর বক্তব্যের একটি অংশকে তুলে এমনভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে, যাতে সেটি ভীতি সঞ্চারক ও আদর্শ আচরণবিধি ভাঙার সামিল বলে মনে হয়। যদিও হুমায়ুনের সেই বক্তব্যে সন্তুষ্ট নয় নির্বাচন কমিশন। তাই এবার ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ককে সতর্ক করে দিল কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Sahajahan: শাহজাহানের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ, মে মাসের শেষেই ইডি-সিবিআই-এর চার্জশিট

    Sheikh Sahajahan: শাহজাহানের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ, মে মাসের শেষেই ইডি-সিবিআই-এর চার্জশিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আবহেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Sahajahan) আরও বিপাকে পড়তে চলেছেন বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, মে মাসের শেষেই সন্দেশখালির এই নেতার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করতে চলেছে ইডি এবং সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দুই সংস্থাই এবার সন্দেশখালিকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত হিসাবে শাহজাহানের নাম দিতে চলেছে। একই ভাবে এই তৃণমূল নেতার সঙ্গে অভিযুক্তের তালিকায় নাম থাকবে শেখ আলমগীর, দিদার মোল্লা এবং শিবু হাজরা। এই পরিপ্রেক্ষিতে ফের একবার আলোড়ন ফেলেছে রাজনৈতিক মহলে।

    চলতি মাসের শেষেই চার্জশিট (Sheikh Sahajahan)

    সিবিআই তদন্তকারী সংস্থা কোনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার ৯০ দিনের মাথায় চার্জশিট জমা করতে হয়। শেখ শাহজাহানের (Sheikh Sahajahan) গ্রেফতারের ২৭ দিনের মাথায় চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা। তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকে জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শেষেই সিবিআই চার্জশিট জমা করবে। আবার ইডি, কাউকে গ্রেফতার করার ৬০ দিনের মাথায় চার্জশিট দাখিল করতে হয়। এবার এই মাসের ৩১ তারিখ শেষ হচ্ছে সেই মিয়াদের দিন। তাই মামলা এগিয়ে নিয়ে যেতে চার্জশিট জমা করতেই হবে। আর তাই রাজনৈতিক মহল মনে করছেন রাজ্যের শেষ দফায় ভোট সন্দেশখালি, তাই নির্বাচনী আবহে এই চার্জশিট একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ “ইমামরা আবেদন করতে পারেন, কার্তিক মহারাজ প্রতিবাদ করলেই অসুবিধা?” মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    ঘটনার সূত্রপাত ৫ জানুয়ারি

    গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ইডির আধিকারিকদের উপর আক্রমণ করে শাহজাহান (Sheikh Sahajahan) বাহিনী। ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সেনা জওয়ান আহত হন মারের আঘাতে। সেই সঙ্গে সংবাদ মাধ্যমের গাড়িকেও ভাঙচুর করা হয়। এরপর থেকেই শাহজাহান পলাতক হন। ঘটনার ৫৬ দিনের মাথায় ন্যাজাট থানার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। অপর দিকে সন্দেশখালির মহিলারা যৌন নির্যাতনের অভিযোগে সরব হন। শাহজানের অনুগামী উত্তম-শিবু, সিরাজ, জিয়াউদ্দিনের মতো দুষ্কৃতীরা জোর করে চাষের জমি দখল করে ভেড়ি তৈরি করেছে। একই ভাবে বেছে বেছে হিন্দু মহিলাদের তৃণমূল পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে রাতভর যৌন শোষণ চালাতো। এমনকি কম বয়সী সুন্দরী বাড়ির বউদের এলাকাকে থেকে দূরে বা কোনও অন্য রাজ্যের রাখতে বাধ্য হতেন এলাকার মানুষ। ইতিমধ্যে সন্দেশখালিতে সিবিআই ক্যাম্প করে মানুষের অভিযোগদায়ের করেছে। অপর দিকে রেশন দুর্নীতির কালো টাকাকে সাদা করার ক্ষেত্রে শাহজাহানের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে মনে করছে ইডি। বেআইনি কাজ, দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, জমি দখল, খুন, ধর্ষণ ইত্যাদির মতো গুরুত্বপূর্ণ ধারায় চার্জশিট গঠন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Poachers in Sundarbans: মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ! চোরাশিকারিদের হাতে খুন বনরক্ষী

    Poachers in Sundarbans: মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ! চোরাশিকারিদের হাতে খুন বনরক্ষী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোরাশিকারীদের (Poachers in Sundarbans) হাতে খুন বনদফতরের কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে সুন্দরবনের নেতিধোপানি ক্যাম্পের কাছে। বন দফতর সূত্রে খবর, রাতে টহল দেওয়ার সময় হরিণশিকারিদের আক্রমণের মুখে পড়ে বনকর্মীদের একটি দল। সেই সময় কুপিয়ে খুন করা হয় এক বনকর্মীকে। ইতিমধ্যেই তাঁর দেহ উদ্ধার করে সুন্দরবন কোস্টাল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে দেহ। 

    ঠিক কী ঘটছিল? (Poachers in Sundarbans) 

    জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যে বেলা বোট নিয়ে টহল দিতে বেরিয়েছিলেন বনকর্মী অমলেন্দু হালদার। সঙ্গে ছিলেন আরও তিন বনকর্মী ও বোটের দুই কর্মী। সেই সময় বাংলাদেশের দিক থেকে হেতালবাড়ি জঙ্গলে ঢোকে চোরাশিকারিদের নৌকা। বিষয়টি নজরে আসার পরই চোরাশিকারিদের বাধা দিতে যান অমলেন্দু । এরপর চোরাশিকারিদের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধে যায় তাঁর। তখনই দুষ্কৃতীরা গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বনদফতরের ওই কর্মীর। প্রাণে বাঁচতে নদীতে ঝাঁপ দেন বাকি কর্মীরা। কিন্তু এরপর অন্ধকারে আর অমলেন্দুর দেহর খোঁজ মেলেনি। চোরাশিকারিদেরও নাগাল পাননি বন দফতরের কর্মীরা। শেষ পর্যন্ত রবিবার ভোরে নেতিধোপানি ক্যাম্পের কাছ থেকে অমলেন্দুর দেহ উদ্ধার হয়। 

    খুনের মামলা দায়ের 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অমলেন্দুকে কুড়ুল জাতীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোও হয়েছে। তাঁর মাথায় গভীর ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। বন দফতরের অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনায় খুনের মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। তবে কোথা থেকে এসেছিলেন চোরাশিকারিরা (Poachers in Sundarbans), ঠিক কী ঘটেছিল, কারাই বা এর নেপথ্যে রয়েছে, সবটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: “যে বাংলায় সরস্বতীর পুজো হয়, সেখানে তৃণমূল শিক্ষায় চুরি করে”, বঙ্গে ভোটপ্রচারে আক্রমণ মোদির

    এ প্রসঙ্গে এসডিপিও রামকুমার মণ্ডল বলেন, ‘‘বনকর্মীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। বন দফতরের পক্ষ থেকে থানায় একটি অভিযোগ (Poachers in Sundarbans) দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে দেহ। গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এইটুকু পরিষ্কার যে, গুলি চলেনি। দেহে গুলি লাগার চিহ্ন নেই। ধারালো কিছুর আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat Express: বন্দে ভারতে ভূরিভোজ! উত্তরবঙ্গ রুটে মিলবে সর্ষে মাছ থেকে বাসন্তী পোলাও-চিকেন কষা

    Vande Bharat Express: বন্দে ভারতে ভূরিভোজ! উত্তরবঙ্গ রুটে মিলবে সর্ষে মাছ থেকে বাসন্তী পোলাও-চিকেন কষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ রুটের বন্দে ভারতে (Vande Bharat Express) চড়লেই মিলবে দারুণ সব বাঙালি খাবার। পাত পেড়ে যাত্রীরা খেতে পাবেন সর্ষে মাছ থেকে বাসন্তী পোলাও চিকেন কষা । ট্রেনে কবজি ডুবিয়ে রসনা মেটাতে পারবেন বাঙালি পর্যটকরা। আর কোনও হোটেলে যেতে হবে না! এবার বন্দে ভারতেই মিলবে হরেক রকমের বাঙালি খাবার। এমনই ঘোষণা করেছে ভারতীয় রেল। হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস-এ মিলবে এই সমস্ত খাবার।

    বাংলার সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার থাকবে যাত্রীদের পাতে 

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, বাংলার সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন সুস্বাদু খাবারের পদগুলিকে ইতিমধ্যেই রাখা হয়েছে মেনুতে। যেমন ব্রেকফাস্টে বাঙালি ভ্রমণকারীরা (Vande Bharat Express) ব্রেড অমলেট-এর বদলে পাবেন ত্রিকোণ পরোটা, ছোলার ডাল, আটার রুটি প্রভৃতি। লাঞ্চ অথবা ডিনারের সময় যাত্রীদের দেওয়া হবে বাসন্তী পোলাও, চিকেন কষা, ফিস ফ্রাই, ধোকা অথবা ছানার ডালনা। দুপুরের মেনুতে থাকবে সোনামুগের ডাল তার সঙ্গে মাছের ঝোল, সরষে মাছ, মিষ্টি দই, সন্দেশ, ক্ষীর কদম্ব ইত্যাদি। পাহাড় ঘুরতে গেলে চেনা ভাত রুটির বাইরেও বাসন্তী পোলাও-চিকেন কষার স্বাদ নিতে পারবেন যাত্রীরা।

    আরও পড়ুন: মুসলিম কট্টরপন্থীদের চাপে এবং ভোট পেতে সাধুদের অপমান করছেন মমতা, তোপ মোদির

    রেলযাত্রীদের সফরকে স্মরণীয় করে তুলতেই এমন উদ্যোগ 

    প্রসঙ্গত, হাওড়া নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত (Vande Bharat Express) এক্সপ্রেস অত্যন্ত উচ্চগতিতে চলে, অন্যান্য বন্দ্যে ভারতের মতোই। এতে রয়েছে বিলাসবহুল সুযোগ সুবিধা এবং বিশ্বমানের সমস্ত কিছু ব্যবস্থা। রেল যাত্রীদের জন্য রেল যাত্রার অভিজ্ঞতাকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে ভারতীয় রেলের তরফে এমনই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। মোদি সরকারের আমলেই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express) ট্রেন চালু হয় এবং তা মেক-ইন-ইন্ডিয়া প্রকল্পের মাধ্যমেই সারা দেশে চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Narendra Modi: মুসলিম কট্টরপন্থীদের চাপে এবং ভোট পেতেই সাধুদের অপমান করছেন মমতা, তোপ মোদির

    PM Narendra Modi: মুসলিম কট্টরপন্থীদের চাপে এবং ভোট পেতেই সাধুদের অপমান করছেন মমতা, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারে ভোট প্রচারে বাংলায় এসে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) বলেন, ‘‘মুসলিম কট্টরপন্থীদের চাপে এবং ভোট পেতে সাধুদের অপমান করছেন মুখ্যমন্ত্রী।’’ প্রসঙ্গত শনিবার একটি সভা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের কার্তিক মহারাজের নাম করে তাঁকে আক্রমণ করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘বহরমপুরের একজন মহারাজ আছেন। কার্তিক মহারাজ। আমি শুনেছি উনি বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টকে বসতে দেব না। তাঁকে আমি সাধু বলে মনে করি না। তিনি সরাসরি রাজনীতি করছেন।’’ এর পাশাপাশি আসানসোলের রামকৃষ্ণ মিশন এবং ইসকনকেও নজিরবিহীনভাবে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার দাবি, এই সংস্থাগুলি বিজেপির নির্দেশে কাজ করছে। এই ইস্যুতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এদিন একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    তীব্র আক্রমণ মোদির

    তীব্র আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) বক্তব্য, ‘‘তৃণমূল-মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সাধু-মহারাজদের প্রকাশ্যেই ধমকাচ্ছেন। মঞ্চ থেকেই হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। বিশ্ব জুড়ে ইসকন, মিশনের লোক থাকেন।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘‘৪ জুন নতুন সরকার তৈরি হওয়ার পরে দুর্নীতিগ্রস্ত জনগণের ঠাঁই হবে জেলে। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘দুর্নীতিগ্রস্ত ইন্ডিয়া জোট, তাতেই রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসও। এটা মোদির গ্যারান্টি, কোনও দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষ সুরক্ষিত থাকবে না।’’

    ধমকাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

    তিনি (PM Narendra Modi) আরও বলেন, ‘‘দেশে ইসকন, রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ নিয়ে পুরো বিশ্বে জনপ্রিয়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের প্রকাশ্যেই ধমকাচ্ছেন। মঞ্চ থেকেই হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। বিশ্ব জুড়ে ইসকন, মিশনের লোক থাকেন। তাঁদের লক্ষ্য, মানুষের সেবা করা। নিজের ভোটব্যাঙ্ককে খুশি করতে এখন তাঁদেরকেই ধমকাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। লাখো মানুষের ভাবনার কথা ভাবছেন না।’’

    প্রধানমন্ত্রী তুলে আনেন স্বামী বিবেকানন্দর প্রসঙ্গ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) তুলে আনেন স্বামী বিবেকানন্দর প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, ‘‘স্বামী বিবেকানন্দ বিদেশের মাটিতে গিয়েছিলেন, যখন ভারতের কথা বলতেন, তখন লাখো মানুষ ওঁর ভক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু এক জন এমন ছিলেন, যিনি ভারতের প্রতি বিদ্বেষ ছিল, তিনি স্বামী বিবেকানন্দকে ধমকিয়েছিলেন, খুব অপমান করেছিলেন। এখন  আবারও সেরকম হচ্ছে। আজ সেরকমই বাংলার মাটিতে হচ্ছে।  নির্বাচনে বাংলার মানুষকে ভয় দেখানো, ধমকানো, হিংসা করানোর তৃণমূল সরকার এবার সব সীমা পেরিয়ে গিয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “যে বাংলায় সরস্বতীর পুজো হয়, সেখানে তৃণমূল শিক্ষায় চুরি করে”, বঙ্গে ভোটপ্রচারে আক্রমণ মোদির

    Narendra Modi: “যে বাংলায় সরস্বতীর পুজো হয়, সেখানে তৃণমূল শিক্ষায় চুরি করে”, বঙ্গে ভোটপ্রচারে আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় এখন ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আবহ। ২৫ মে, ষষ্ঠ দফায় ভোট রয়েছে পুরুলিয়ায়। আর তার আগে পুরুলিয়ায় বিজেপি প্রার্থী জ্যোতির্ময় মাহাতোর সমর্থনে বাংলায় আরও একবার ভোট প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। আর এদিনও মঞ্চে উঠে দুর্নীতি, টাকা উদ্ধার, শেখ শাহজাহান সহ একাধিক ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী। 

    সন্দেশখালি প্রসঙ্গে মোদি (Narendra Modi)

    এদিন মোদি সন্দেশখালি প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘‘শাহজাহানকে বাঁচাতে সন্দেশখালির মহিলাদের দোষী বলছে। তাঁদের চরিত্র নিয়ে আঙুল তুলছে। ওঁদের জন্য যে ভাষায় কথা বলছে, তার জবাব বাংলার সব মহিলা দেবেন। ভোটের (Lok Sabha Election 2024) মাধ্যমে জবাব দেবেন। তৃণমূলকে বরবাদ করবেন।’’পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, সন্দেশখালিতে যে পাপ হয়েছে, তাতে বাংলার মহিলাদের ভাবাতে বাধ্য করছে। এসসি, এসটি পরিবারের লোকদের তো তৃণমূল মানুষই ভাবে না। 

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে খোঁচা মোদির

    কেবল সন্দেশখালির প্রসঙ্গই নয় এদিন প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) মুখে উঠে এল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, ‘‘তোলাবাজি, চুরি করা তৃণমূল সরকারের বিচার, আচার। যে বাংলায় সরস্বতীর পুজো হয়, সেখানে তৃণমূল শিক্ষায় চুরি করে। শিক্ষক নিয়োগে হাজার হাজার যুবকের ভবিষ্যৎ বরবাদ করেছে। সকলকে ধারে ডুবিয়েছে। বাংলার গ্রামে আজ শিক্ষক নেই। বাচ্চাদের ভবিষ্যৎও চুরি করেছে। তৃণমূল, কংগ্রেস একই।’’
    এছাড়াও তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি (Narendra Modi)বলেন, ‘‘তৃণমূল ও কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্ক আপনারা নন। তাই ওদের আপনাদের জন্য একটুও কোনও দরদ নেই। তৃণমূল মিথ্যা বলছে, যে মা মাটি মানুষের রক্ষা করবে। আজ তৃণমূল মা মাটি মানুষেরও ভক্ষক হয়েছে। বাংলার মানুষের ভরসা তৃণমূলের ওপর থেকে চলে গিয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: কল্যাণের বাড়ির সামনে ‘হায় হায়’ স্লোগান! বিক্ষোভে সামিল মহিলারা

    জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত মোদি

    উল্লেখ্য, এদিন পুরুলিয়ায় অগণিত জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত হন মোদি (Narendra Modi)। কপ্টার থেকে নেমে তিনি চলে গিয়েছিলেন জনসমুদ্র দেখতে। তিনি বলেন, ‘‘এত লোক দেখে দর্শন করতে চলে গেছিলাম। বিকশিত ভারত, আত্মনির্ভর ভারতের জন্য আশীর্বাদ চাইতে এসেছি। দিল্লির এসি ঘরে বসে সব হিসাব করে। এখানে এসে দেখে, ৪ জুন কী হবে?’’এছাড়াও এদিন মোদি বলেন, ‘‘পুরুলিয়া, জঙ্গলমহল বিজেপিকে অসীম স্নেহ দিয়েছে। আজ মোদি আপনাদের থেকে শুধু ভোট (Lok Sabha Election 2024) চাইতে আসেননি। বরং সবার কাছে আশীর্বাদ চাইতে এসেছি। ৪ জুন আর বেশি দিন বাকি নেই।  মোদী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের  পোল খুলে ফেলেছে।’’ 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share