Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sukanta Majumdar: ‘ঘরছাড়া’ দলীয় কর্মীদের দেখতে বারুইপুর গেলেন সুকান্ত, দিলেন ঘরে ফেরানোর আশ্বাস

    Sukanta Majumdar: ‘ঘরছাড়া’ দলীয় কর্মীদের দেখতে বারুইপুর গেলেন সুকান্ত, দিলেন ঘরে ফেরানোর আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর তৃণমূলের অত্যাচারে অনেক কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন। যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত বারুইপুর পার্টি অফিসে ঘরছাড়া দলীয় কর্মীদের সাথে দেখা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এখানেই ‘আশ্রয় শিবির’ তৈরি করেছে বিজেপি। ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরাতে রাজ্য প্রশাসনের সর্বস্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানান তিনি। অনেক জায়গায় পুলিশই হামলার সাথে যুক্ত বলে অভিযোগ করেন তিনি। বারুইপুরের পাশাপাশি ক্যানিং ও কুলতলিতেও যাবেন আজ। আক্রান্ত এবং ঘরছাড়াদের মধ্যে যেমন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা রয়েছে, তেমনি আরও সাধারণ খেটে খাওয়া পুরুষ-মহিলা কর্মী-সমর্থকরাও রয়েছেন। আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    কর্মীদের ঘরে ফেরাতে আশ্বাস সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    দলীয় কর্মীদের ঘরে ফেরানোর প্রসঙ্গ নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আমরা চাই দলীয় কর্মীরা যাতে দ্রুত তাঁদের নিজেদের বাড়িতে ফিরে যেতে পারেন। এবিষয়ে রাজ্য প্রশাসনের সর্বস্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। দলের জেলা সভাপতি সহ জেলা নেতৃত্বরা এই বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিচ্ছেন। যদিও রাজ্যের এই প্রশাসনের উপর কোনও ভরসা নেই আমার। অনেক জায়গাতেই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় পুলিশ সরাসরি যুক্ত ছিল। প্রয়োজনে আমরা কোর্টে যাবো। আমি, রাজ্যের মা মাটি সরকারের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ করব এসে দেখে যান, আপনার গুন্ডাবাহিনীর অত্যাচারে মানুষের জীবন কতটা বিপর্যস্ত। ক্যানিংয়ে শওকত মোল্লার নেতৃত্বে হামলা চলছে বিজেপি কর্মীদের উপর।” তবে তাঁর এই জেলা সফরের পর কর্মীদের মনোবল অনেকটাই চাঙ্গা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি দলীয় কর্মীদের সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয় দলীয় কর্মীরা যাতে নিজেদের অধিকার নিজেরা বুঝে নেন সেই বার্তাও দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুনঃআঙুলের পর আইসক্রিমে বিষাক্ত বিছে! ঢাকনা খুলতেই কিলবিল করে উঠল

    উপনির্বাচন নিয়ে কী বললেন?

    আসন্ন বিধানসভার উপনির্বাচন নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “দু-একদিনের মধ্যেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে। উপনির্বাচনের তিনটি আসন বিজেপিরই ছিল, অন্যটিতেও আমরা জয় লাভের ব্যাপারে আশাবাদী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Core Committee Meeting: ভোটের ফল নিয়ে সাংগঠনিক ৫টি জোনে আলাদা ভাবে সমীক্ষা চালাবে রাজ্য বিজেপি

    BJP Core Committee Meeting: ভোটের ফল নিয়ে সাংগঠনিক ৫টি জোনে আলাদা ভাবে সমীক্ষা চালাবে রাজ্য বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে এরাজ্যে বিজেপির আশানুরূপ ফল হয়নি। বিজেপির ফলাফল পর্যালোচনার (BJP Core Committee Meeting) জন্য শনিবারই কলকাতায় দলের কোর কমিটির বৈঠক বসেছিল। সূত্রের খবর, শনিবারের সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে সাংগঠনিকভাবে সমীক্ষা চালিয়ে ফলাফল বিশ্লেষণ করা হবে। প্রসঙ্গত এ রাজ্যের সাংগঠনিক কাজ করার জন্য বিজেপির পাঁচটি জোন রয়েছে, সেগুলি হল- উত্তরবঙ্গ, নবদ্বীপ, রাঢ়বঙ্গ, কলকাতা এবং হাওড়া-হুগলি-মেদিনীপুর। শনিবারের বৈঠকে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঁচটি জোনেই আলাদা আলাদা ভাবে সমীক্ষা চালাবে দল। এর পাশাপাশি কেন বিজেপির ফল এমন হল? তা খোঁজা হবে। এই সমস্ত বৈঠকগুলিতে হাজির থাকবেন লোকসভার প্রার্থীরা এবং সংশ্লিষ্ট জেলার সভাপতিরা।

    কারা হাজির ছিলেন বৈঠকে?

    শনিবারের ওই বৈঠকে (BJP Core Committee Meeting) আরও স্থির হয়েছে সাংগঠনিকভাবে এই গোটা প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করবেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী। শনিবার বিজেপির কোর কমিটির বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে হাজির ছিলেন সুনীল বনসল, মঙ্গল পান্ডে, অমিত মালব্য, আশা লাকড়া। ছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এর পাশাপাশি পাঁচ জন সাধারণ সম্পাদক- জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পল, লকেট চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো এবং দীপক বর্মনও ছিলেন এই বৈঠকে। কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও হাজির ছিলেন। উত্তরবঙ্গে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে আক্রান্ত কর্মীদের দেখতে যাওয়ার জন্য শুভেন্দু অধিকারী হাজির ছিলেন না এই বৈঠকে।

    ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস ও উপনির্বাচন নিয়েও আলোচনা

    বিজেপি সূত্রে (BJP Core Committee Meeting) জানা গিয়েছে, লোকসভা ভোটের পরে কর্মীদের ওপর আক্রমণের খবর ঘন ঘন আসছে এবং বৈঠকেই বার্তা দেওয়া হয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসার পরিস্থিতিতে কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে হবে সংগঠন এবং প্রার্থীদের। আগামী ১০ জুলাই রয়েছে রাজ্যের চার কেন্দ্রের বিধানসভা উপনির্বাচন রয়েছে। শনিবারের বৈঠকে সে নিয়েও বিস্তর আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, প্রতিটি কেন্দ্র থেকে তিনজন প্রার্থীর নাম বাছা হয়েছে। অর্থাৎ চার কেন্দ্রে মোট ১২ জনের নাম আজই তুলে দেওয়া হবে কেন্দ্রীয় নেতাদের হাতে। সেখান থেকে প্রার্থী বাছবেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    শনিবার বঙ্গ বিজেপির বৈঠকের পর সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘এবারও অন্তত তিনটি আসন (বাগদা, রানাঘাট দক্ষিণ ও রায়গঞ্জ) দখলে রাখব। চারটি আসনেও জিততে পারি। মানিকতলাতে আমরা মাত্র তিন হাজার ভোটে পিছিয়ে রয়েছি। সেটাও শুধুমাত্র হয়েছে শান্তিরঞ্জন কুণ্ডুর বদমায়েশি ও গুন্ডামির জন্য। শান্তিরঞ্জন কুণ্ডু টাইট হলে পরেই সব ঠিক হয়ে যাবে। তবে কুণ্ডুবাবুরও জেনে রাখা উচিত, একদিন না একদিন ওঁরও সময় আসবে।’’

    কেন ৪ কেন্দ্রে উপনির্বাচন

    প্রসঙ্গত, রানাঘাট দক্ষিণে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন মুকুটমণি অধিকারী। লোকসভা ভোটের আগে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন ও রানাঘাট আসন থেকে প্রার্থী হয়ে পরাস্ত হন। অন্যদিকে রায়গঞ্জে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন কৃষ্ণ কল্যাণী। পরে দল বদলান। তিনিও এবারের ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন কিন্তু পরাস্ত হন। বাগদা বিধানসভার আসনটি খালি হয়েছে সেখানকার বিশ্বজিৎ দাস লোকসভা ভোটে প্রার্থী হওয়ার জন্য। প্রসঙ্গত বাগদা বিধানসভাও ২০২১ সালে বিজেপি নিজেদের দলে রেখেছিল। পরে দলবদল করেন বিশ্বজিৎ। অন্যদিকে সাধন পাণ্ডের মৃত্যুর পরে খালি হয় মানিকতলা আসন। দু’বছর ধরে কোর্টে মামলা চলার পরে অবশেষে সেখানে উপনির্বাচন হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jiban Krishna Saha: “পদ মানে লুটেপুটে খাওয়া নয়, লোককে সেবা করা”, জেলখাটা জীবনকৃষ্ণের পোস্টে শোরগোল

    Jiban Krishna Saha: “পদ মানে লুটেপুটে খাওয়া নয়, লোককে সেবা করা”, জেলখাটা জীবনকৃষ্ণের পোস্টে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন মুর্শিদাবাদের তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha)। এবার তাঁর একটি পোস্ট করা লেখাকে ঘিরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। তিনি তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে একটি বার্তা দিয়ে লেখেন, “পদ মানে ক্ষমতা নয়। পদ মানে দায়িত্ব। পদ মানে লুটেপুটে খাওয়া নয়, লোককে সেবা করা। এটা ভুলে গেলে আসে অহংকার। তারপর পতন।” এই পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। তবে মাধ্যম এই ভাইরাল বার্তালাপের সত্যতা যাচাই করেনি।

    কেন এই পোস্ট (Jiban Krishna Saha)?

    তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ (Jiban Krishna Saha) নিজে এই পোস্ট করে কী বার্তা দিতে চাইছেন, সেই বিষয়ে স্পষ্টতা আসেনি। কেউ কেউ বলছেন তা হলে কি চৈতন্য উদয় হয়েছে বিধায়কের? কারণ তৃণমূলের একাংশের লোকজন মনে করছেন, তাঁর জেলে যাওয়া প্রসঙ্গে দলের ভাবমূর্তি অনেকটাই খুন্ন হয়েছে। তবে এমন হওয়াটা কাম্য ছিলনা। টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়া এবং প্রমাণ লোপাটের মতো গুরুতর অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে। নিজেকে স্বচ্ছ এবং নির্দোষ প্রমাণ করতেই এই পোস্ট করেছিলেন কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। যদিও বিধায়কের উত্তর পাওয়া যায়নি।

    পুকুরে মোবাইল ফেলে দিয়েছিলেন

    ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে নিজের বাড়ি থেকে রাজ্যের শিক্ষক দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha)। যখন তদন্তকারী অফিসারেরা বাড়িতে তল্লাশি করছিলেন, সেই সময় পাঁচিল টপকে পুকুরে নিজের মোবাইল ফেলে দিয়েছিলেন। পরে কার্যত ২ দিন ধরে পুকুরের জল তুলে সেই মোবাইল উদ্ধার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর থেকে জেলে ছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুনঃউত্তরবঙ্গে তিন জেলায় লাল সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই, তীব্র গরমে নাজেহাল

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জীবনকৃষ্ণ (Jiban Krishna Saha) নিজে তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন। তদন্তকারী অফিসারেরা জানিয়েছিলেন, তাঁর মোবাইল থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। চাকির বিক্রি করার বিষয়ে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথাবার্তার চ্যাট পাওয়া গিয়েছিল। গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথমে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু জামিন খারিজ হয় সেখানে। এরপর সুপ্রিম কোর্টে গেলে তাঁর জামিন গৃহীত হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে নিজের বিধানসভার বাইরে যেতে পারবেন না জীবনকৃষ্ণ।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: উত্তরবঙ্গে তিন জেলায় লাল সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই, তীব্র গরমে নাজেহাল

    Weather Update: উত্তরবঙ্গে তিন জেলায় লাল সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই, তীব্র গরমে নাজেহাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ যেখানে বানভাসি, সেখানে দক্ষিণবঙ্গ গরমে নাজেহাল! চাতকের মতো প্রহর গুনছেন মানুষ। ইতিমধ্যে রবিবার উত্তরের তিন জেলায় লাল সর্তকতা জারি করা হয়েছে। পাহাড় লাগোয়া অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কথা জানিয়েছে হাওয়া ওফিস (Weather Update)। তবে দক্ষিণবঙ্গে এখনও বর্ষা প্রবেশ করেনি। আগামী মঙ্গলবার থেকে কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    উত্তরবঙ্গে সতর্কতা (Weather Update)!

    আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী বৃহস্পতি বার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বর্ষণ (Weather Update) চলবে। বৃষ্টি হতে পারে ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত। তবে কোথাও কোথাও তার চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে রবিবার এবং সোমবারে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই ভাবে দার্জিলিং, কালিম্পঙেও ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় সোমবার পর্যন্ত বজ্র-বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত এবং ঝড়ো হাওয়া চলবে। তবে এই তিন জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাষ নেই।

    আরও পড়ুনঃহিংসা খতিয়ে দেখতে রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় আসছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, কোথায় কোথায় যাবেন?

    দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করেনি

    আলিপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে এখনও বর্ষা (Weather Update) প্রবেশ করেনি। রবিবার থেকে সব জেলায় বর্ষার আগের অনুকুল পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। বাতাসে জলীয় বাস্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। আজ সকালের পূর্বাভাসে জানা গিয়েছে, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদবাদে ঝড়বৃষ্টি হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও গরমের অস্বস্তি বজায় থাকবে। মঙ্গলবারের আগে কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তেমন নেই। মঙ্গলবার থেকে সব জেলায় বৃষ্টি হবে। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। আবার কোথাও কোথাও হাওয়ার বেগ ৪০ থেকে ৫০ কিমি পর্যন্ত হতে পারে। চলতি সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢুকতে পারে। রবিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশি। অপর দিকে শনিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৬। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • K. D. Singh: লগ্নিকারীদের সঙ্গে প্রতারণা! উত্তরপ্রদেশে মামলায় অভিযুক্ত প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কে ডি সিং

    K. D. Singh: লগ্নিকারীদের সঙ্গে প্রতারণা! উত্তরপ্রদেশে মামলায় অভিযুক্ত প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কে ডি সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লগ্নিকারীদের সঙ্গে প্রতারণার করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ কে ডি সিং-এর (K. D. Singh) বিরুদ্ধে। মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সেন্ট্রাল বিউরো অফ ইনভেস্টিগেশন। কে ডি সিং ছাড়াও আরও ছয়জনের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের ভাদোহি জেলায় লগ্নিকারীদের ঠকানোর অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ অ্যালকেমিস্ট রিয়েলিটি (Alchemist Reality) এবং অ্যালকেমিস্ট টাউনশিপ লিমিটেডের (Alchemist Township Project) আওতায় ২০০৯ সালে বিনিয়োগ করতে বলা হয়েছিল। এই দুটি কোম্পানিতে যারা বিনিয়োগ করেছেন তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। এর আগেও ভুঁইফোড় সংস্থা খুলে প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। ইডি তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। নতুন মামলায় ফের বিপাকে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ।

    বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারনার অভিযোগ  (K. D. Singh)

    জানা গিয়েছে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ করা অর্থের  ১৮% বার্ষিক রিটার্ন এবং বিনিয়োগের পরিমাণ অনুসারে জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ উঠছে হাজারো বিনিয়োগকারীকে না জমি দেওয়া হয়েছে, না তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। ২০১৮ অবধি বিনিয়োগকারীরা তাঁদের টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় ছিলেন। এবছর কোম্পানির (Alchemist) আধিকারিকদের উপর বিনিয়োগকারীরা টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া শুরু করতেই কোম্পানি দফতর গুটিয়ে পালায়, এমনটাই এফআইআরে অভিযোগ করা হয়েছে। কে ডি সিং  (K. D. Singh) ছাড়া আর বাকি ৬ জন অভিযুক্ত কোম্পানির ডিরেক্টর এবং অফিসের আধিকারিক বলে জানা গিয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গেও মামলা রয়েছে কে ডি সিং-এর বিরুদ্ধে  (K. D. Singh)   

    অ্যালকেমিস্ট এর বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশে মামলা হওয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গে একাধিক মামলা রয়েছে (K. D. Singh)  তাঁর বিরুদ্ধে। সারদা রোজভ্যালি ছাড়া অ্যালকেমিস্ট সংস্থাও সেবি’র কালো তালিকাভুক্ত ভুঁইফোড় সংস্থা বলে  চিহ্নিত হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও আলকেমিস্টের ফাঁদে পড়ে কয়েক হাজার মানুষ সর্বস্ব খুইয়েছেন। “যে ব্যক্তি চিট ফান্ড খুলে বহু মানুষকে প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ তাঁকেই একদা তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যসভার সাংসদ করেছিল।

    আরও পড়ুন: ভরদুপুরে সিনেমার কায়দায় বেলঘরিয়ায় ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    সারদা চিটফান্ড সহ অন্যান্য মামলা এখন স্মৃতির অতলে চলে গিয়েছে। নতুন যে মামলা হয়েছে তাতে যেন যারা সাধারণ মানুষকে ঠকিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠছে তাঁদের সঙ্গে যাতে ন্যায় বিচার হয়।” বলছেন বিজেপি মুখপাত্র রাজর্ষি লাহিড়ি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: হিংসা খতিয়ে দেখতে রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় আসছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, কোথায় কোথায় যাবে জানেন?

    BJP: হিংসা খতিয়ে দেখতে রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় আসছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, কোথায় কোথায় যাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা খতিয়ে দেখতে রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় আসছে বিজেপির (BJP) প্রতিনিধি দল। এই দলে রয়েছেন চার বিজেপির প্রবীণ নেতা। তাঁরা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত একাধিক এলাকায় যাবেন। হিংসায় আক্রান্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন এবং এরপর সর্ব ভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডার কাছে বিশেষ রিপোর্ট তুলে ধরবেন।

    কোথায় কোথায় যাবে দল (BJP)?

    রাজ্যে পুরসভা নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচন, বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচনে ভোট পরবর্তী হিংসা একটি প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই রাজ্যের মতো বাকি অন্য রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার চিত্র এরকম আর দেখা যায়নি। রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় পৌঁছে বিজেপির প্রতিনিধি দল প্রথমে যাবে মাহেশ্বরী সদনে। সেখানে আশ্রয় নেওয়া ‘ঘর ছাড়া’ এবং ‘আক্রান্ত’দের সঙ্গে কথা বলবেন দলের সদস্যরা। এরপর সোমবার হিংসা কবলিত এলাকা এবং মানুষের জন-জীবন খতিয়ে দেখতে, রাজ্য বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পলের সঙ্গে ডায়মন্ড হারবার, সন্দেশখালি, বাসন্তী ঘুরে দেখবেন সদস্যরা। এরপর দলের সদস্যরা আবার কলকাতায় ফিরে, ওই দিন রাতেই কোচবিহারের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। এরপর সেখানে হিংসা কবলিত মানুষের সঙ্গে কথা বলে আবার দিল্লি ফিরে যাবেন।

    বিজেপির দাবি

    লোকসভা নির্বাচনের পর এই রাজ্যে কেবল মাত্র ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এই হিংসার কারণ বিশ্লেষণ এবং হিংসার পরিমাণ কতটা ভয়াবহ, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিজেপি (BJP) এই চার সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়েছে। দলের সদস্যদের নির্বাচন করেছেন দলের সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। শনিবার দিল্লির সদর দফতর থেকে এই নিয়ে একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। বিবৃতি থেকে জানা গিয়েছে এই চার সদস্য দলের মধ্যে রয়েছেন, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি তথা রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজলাল এবং মধ্যপ্রদেশের রাজ্যসভার সাংসদ কবিতা পাতিদার। চার সদস্যের এই দল ভোট পরবর্তী হিংসার বিষয়ে শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে রিপোর্ট তুলে দেবেন।

    “জেলা শাসক-আইপ্যাক চক্রান্ত করে নিশীথকে হারিয়েছেন”, তোপ শুভেন্দুর

    প্রেস বিবৃতির বক্তব্য

    বিজেপি (BJP) এই রাজ্যের হিংসা সম্পর্কে প্রেস বিবৃতি দিয়ে বলেছে, “গোটা দেশে এবার লোকসভা ভোট শান্তিপূর্ণ ভাবে হয়েছে। ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে লোকসভা ভোট ছাড়াও চার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটিতে ক্ষমতার বদলও হয়েছে। অথচ কোথাও কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি। শুধুমাত্র বাংলায় হিংসার ঘটনা অব্যহত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari Rajbhavan: আক্রান্তদের নিয়ে আজ সন্ধ্যায় ফের রাজভবনে যাচ্ছেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari Rajbhavan: আক্রান্তদের নিয়ে আজ সন্ধ্যায় ফের রাজভবনে যাচ্ছেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের নিয়ে রবিবার পুনরায় রাজভবনে (Suvendu Adhikari Rajbhavan) যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে যাবেন ভোট-পরবর্তী হিংসায় শাসক দলের হাতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের একাংশ। শনিবার বিরোধী দলনেতার দফতর সূত্রে রবিবারের কর্মসূচি সম্পর্কে জানানো হয়েছিল। দ্বিতীয় বারের কর্মসূচিতে পুলিশের ভূমিকা কী থাকে সেদিকে নজর থাকবে সকলের।  

    ফের রাজভবনে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari Rajbhavan)

    এর আগে শুক্রবার ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা। রাজভবনের সামনে পুলিশের অতি সক্রিয়তার শিকার হন তিনি। রাজভবন অনুমতি দিলেও পুলিশের অনুমতি মেলেনি। যে রাজভবনের গেটে শাসক দলের রাজভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দেয় না, সেই পুলিশকেই দেখা গেল (Suvendu Adhikari Rajbhavan) রাজভবনের অনুমোদিত কর্মসূচিতেই বাধা দিতে। এরপরে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা। বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানিয়ে দেন, রাজভবন অনুমতি দিলে যেতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী।

    আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করার আগহ প্রকাশ রাজ্যপালের  

    শুক্রবার পুলিশের বাধার মুখে পড়েন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari Rajbhavan) এই খবর পৌঁছেছিল রাজ্যপালের কাছেও। খানিক রাতের দিকে রাজ্যপালের (C.V. Anand Bose) তরফে প্রতিক্রিয়া মেলে। তিনি গোটা বিষয়টিতে আশ্চর্য হয়ে যান। শুধু তাই নয় শাসক দলের তরফে রাজ্যজুড়ে যে অত্যাচার চলছে, সে কথা তিনি জানেন বলে স্বীকার করে নেন। সময় পেলে পুনরায় আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। হিংসার জন্য পুলিশের কাছ থেকে ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ চেয়ে পাঠাবেন বলে জানান। যদিও রাজ্যপালের পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় বলে মত বিজেপি শিবিরের।

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ভরাডুবি! সরকারি পদ গেল সৌরভের, ঘুম ছুটেছে নেতাদের

    তাঁদের মতে, রাজ্যপালের কাছে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে। তবু রাজ্যপাল আগের তুলনায় নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন, একথা মেনে নিচ্ছে বিজেপি শিবির। বিজেপির নেতাদের মন্তব্যে তা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। রাজ্যপালও কোনও কারণে হয়ত চাপে রয়েছেন বলে মনে করছে গেরুয়া শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ভরাডুবি! সরকারি পদ গেল সৌরভের, ঘুম ছুটেছে নেতাদের

    Election Result 2024: উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ভরাডুবি! সরকারি পদ গেল সৌরভের, ঘুম ছুটেছে নেতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহার বাদ দিলে উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। ভোটের (Election Result 2024) ফল বের হওয়ার পর দলের এমন হাল খুঁজতে উত্তরবঙ্গে যান মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে আসেন তিনি। এরপরই উত্তরবঙ্গের এক দাপুটে নেতাকে সরকারি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আর দলের এই সিদ্ধান্তে পদ হারানোর ভয়ে ঘুম ছুটেছে একাধিক নেতার।

    উত্তরবঙ্গে ভরাডুবি, পদ গেল সৌরভের (Election Result 2024)

    শুক্রবার এক নির্দেশিকায় শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা এসজেডিএ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে সৌরভ চক্রবর্তীকে। অতিরিক্ত জেলাশাসককে সেই পদ সামলানোর কথা বলা হয়েছে। এ নিয়ে প্রবল হইচই শুরু  হয়েছে দলের অন্দরেই। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার লোকসভা ভোটে কোচবিহারে জয় মিলেছে। দক্ষিণ দিনাজপুরে অল্প ভোটে (Election Result 2024) হেরেছে দল। কিন্তু, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিংয়ে চূড়ান্ত খারাপ ফলের জেরে কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে দলের অন্দরেই। শিলিগুড়ি পুরভোটে ৩৭টি ওয়ার্ডে জিতেছিল দল। কিন্তু, লোকসভায় কার্যত একটি ওয়ার্ড বাদে সব ওয়ার্ডে হেরেছে তৃণমূল। জলপাইগুড়িতেও চূড়ান্ত হতাশাজনক ফল হয়েছে। সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, দল কেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা বলতে পারব না। তাছাড়া আমি শুধু একা নয়, দলের অনেক নেতার এলাকাতেই খারাপ ফল হয়েছে। সময় হলে তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

    আরও পড়ুন: ভরদুপুরে সিনেমার কায়দায় বেলঘরিয়ায় ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    কাজ করে ফল দেখাও, নাহলে পদ ছাড়তে হবে

    শিলিগুড়িতে জেলা তৃণমূলের (Trinamool Congress) মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলেন, “দলনেত্রীর নির্দেশ থাকলেও একদল নেতার বিলাসবহুল জীবনযাত্রা, সম্পত্তির বৃদ্ধি ভালভাবে নিচ্ছেন না মানুষ। তাই উত্তরে হার। আসলে অভিষেকের পারফরমেন্স থিয়োরির প্রয়োগ দরকার এখানেও। হয় কাজ করে ফল দেখাও, নাহলে পদ ছাড়তেই হবে।” মেয়র গৌতম দেব বলেন, “আমি সৌরভের অপসারনের বিষয়টি জানতাম না। তবে, অভিষেকের পারফরমেন্স থিয়োরি ঠিক সিদ্ধান্ত। আমাদের পারফর্ম করতেই হবে। উত্তরের এই এলাকায় আমরা খারাপ ফল করেছি। নেতাদের সম্পত্তি বৃদ্ধি, জীবনযাত্রা পাল্টে যাওয়া, সবই দল নজরে রেখেছে এটুকু বলতে পারি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘বিজেপি কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে আত্মহত্যা করবে’, কেন এমন বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: ‘বিজেপি কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে আত্মহত্যা করবে’, কেন এমন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশ পেয়েছে প্রায় ১০ দিন হয়ে গেল। কিন্তু জেলায় জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) থামার নাম নেই। বসিরহাট লোকসভার হাড়োয়াতে বিজেপি কর্মীকে বাইক থেকে নামিয়ে মারধর, গলায় দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রাজ্য়পালের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েও দেখা করতে পারেননি শুভেন্দু অধিকারী। এবার আক্রান্ত কর্মীদের হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রশ্ন করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    সুকান্তর প্রশ্ন

    পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি কর্মীরা আত্মহত্যা করুন, সেটাই কি চান মুখ্যমন্ত্রী? দিল্লিতে দাঁড়িয়ে এই প্রশ্ন তুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আক্রান্তদের রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে বাধা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী গণতন্ত্রের মাথা হেঁট করে দিয়েছেন বলেও এদিন দাবি করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী কী চান বিজেপি কর্মীরা ডুবে মরুক, আত্মহত্যা করুক?  মুখ্যমন্ত্রী বলে দিন বিজেপি কর্মীরা ওঁর বাড়ির সামনে গিয়ে আত্মহত্যা করবে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা রাজ্যপালের কাছেও যেতে পারছে না। রাজ্যপালকে গিয়ে দেখা করতে হচ্ছে আক্রান্তদের সঙ্গে। গণতন্ত্রের পক্ষে এটা লজ্জার। মাননীয় রাজ্যপাল সঠিক প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তদের রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। রাজ্যপালকে রাজভবন থেকে বেরিয়ে তাদের সঙ্গে দেখা করতে যেতে হচ্ছে। গণতন্ত্রের মাথা লজ্জায় হেঁট হয়ে গিয়েছে। গণতন্ত্রে সংবিধানকে সংরক্ষণের দায়িত্ব রাজ্যপালের। সেখানেও যদি আক্রান্তরা পৌঁছতে না পারেন তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চানটা কী?’ 

    আরও পড়ুন: ছত্তিশগড়ের জঙ্গলে যৌথবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াই, নিহত ৮ মাওবাদী, শহিদ ১ জওয়ান

    রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল

    উল্লেখ্য, এর আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তরা রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান। রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের আগাম অনুমতি ছিল আক্রান্তদের কাছে। তার পরও ব্যারিকেড করে তাদের আটকায় পুলিশ। প্রায় ১ ঘণ্টা অপেক্ষার পর ফিরে আসেন শুভেন্দু-সহ আক্রান্তরা। এরপর কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। এরই  মধ্যে  রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আসছে বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। হিংসা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় কেন্দ্রীয় টিম গঠন করেছেন বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা। টিমে আছেন ৪ সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব, রবিশঙ্কর প্রসাদ, ব্রিজলাল এবং কবিতা পতিদার। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া অন্য কোনও রাজ্যে, ভোট পরবর্তী হিংসার খবর নেই বলে দাবি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: দাঁইহাটে ধরাশায়ী তৃণমূল, চেয়ারম্যান-কাউন্সিলর দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    Election Result 2024: দাঁইহাটে ধরাশায়ী তৃণমূল, চেয়ারম্যান-কাউন্সিলর দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব বর্ধমানে বিপুল ভোটে (Election Result 2024) জয়লাভ করেছে তৃণমূল। এখন তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের আনন্দ উল্লাস করে উৎসব পালন করা দরকার। কিন্তু, ভোটের ফল মিটতেই একেবারেই অন্যচিত্র ধরা পড়ল দাঁইহাটে। লোকসভায় জয়ী হলেও এই পুসভায় তৃণমূলকে হারিয়ে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। আর তারপরই পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের সঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলরদের একাংশের বিরোধ একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যা নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    দাঁইহাট পুরসভায় ধরাশায়ী তৃণমূল! (Election Result 2024)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাঁইহাট পুরসভায় ১৪টি ওয়ার্ড রয়েছে। কোথাও কোনও বিরোধী সদস্য নেই এক জনও। শহরে শক্তপোক্ত সংগঠন রয়েছে, এমন দাবি করে না প্রধান বিরোধী দল বিজেপিও। তবুও, এই শহরে লোকসভা ভোটে (Election Result 2024) বিজেপি প্রায় আড়াই হাজার ভোটে পিছনে ফেলেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে। লোকসভা ভোটের পর ১৩ জুন প্রথম পুরবোর্ডের বৈঠক ডেকেছিলেন চেয়ারম্যান। কিন্তু, তিনি-সহ মাত্র তিন জন সদস্য হাজির হয়েছিলেন বৈঠকে। কোরাম না হওয়ায় শেষপর্যন্ত বৈঠক বাতিল করেন চেয়ারম্যান। দলীয় সূত্রের খবর, বৈঠকে বাকিদের অনুপস্থিতির বিষয়টি তিনি দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এর আগে দুপক্ষের বিরোধ প্রকাশ্যে এসেছিল। পরে, তা মিটে যায়। এবার ফের দ্বন্দ্ব সামনে চলে এসেছে।

    আরও পড়ুন: ভরদুপুরে সিনেমার কায়দায় বেলঘরিয়ায় ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    ভোটে হারের জন্য চেয়ারম্যান দায়ী!

    শহরে দলের ভোট-বিপর্যয়ের জন্য পুরপ্রধানকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন বৈঠকে অনুপস্থিত তৃণমূলের পুরপ্রতিনিধিরা। শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসীম ঘোষ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দলজিৎ মণ্ডল বলেন, “চেয়ারম্যান সিপিএম থেকে আমাদের দলে এসে সহজেই পদ পেয়েছেন। তাই এখনও তৃণমূল হয়ে উঠতে পারেননি। তিনি বরাবরই দলীয় কাউন্সিলরদের উপেক্ষা করে বিরোধীদের হয়ে কাজ করে চলেছেন। ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি লোকসভা ভোটে (Election Result 2024) বিজেপি প্রার্থীর হয়ে কাজ করেছেন। আমরা এর প্রতিবাদ করলেও তিনি কথা শোনেননি। পুরপ্রধানের জন্যই আজ শহরে ন’টি ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে গিয়েছে। দলীয় নেতৃত্ব সবই জানেন।”

     সরে যাওয়ার আগে ওঁদের সব দুর্নীতি ফাঁস করে দেব

    চেয়ারম্যান প্রদীপ রায় বলেন,  “আমি সিপিএম থেকে তৃণমূলে এসেছিলাম উন্নয়নের কাজ করব বলে। পদের জন্য নয়। তৃণমূল কাউন্সিলরদের একাংশের বক্তব্য, আমি নাকি বিজেপির হয়ে কাজ করছি। দলের ক্ষতি হবে বলে ভোটের আগে এ নিয়ে কিছু বলিনি। কিন্তু, এখন বলতে বাধ্য হচ্ছি, ওঁরা দলবিরোধী কাজ করে চলেছেন। আমি সরে যাওয়ার আগে ওঁদের সব দুর্নীতি ও দলবিরোধী কাজ সাংবাদিক বৈঠক করে বলে যাব। এ সব দলীয় নেতৃত্বকে আগেই জানিয়ে রেখেছি।”

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    দাঁইহাট শহর তৃণমূল সভাপতি রাধানাথ ভট্টাচার্য বলেন, “চেয়ারম্যান বিজেপির হয়ে ভোটে কাজ করেছেন, এ কথা মানতে পারছি না। এ ভাবে আকচাআকচি না করে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া উচিত কাউন্সিলদের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share