Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Supreme court: টেটের শূন্যপদ নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    Supreme court: টেটের শূন্যপদ নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এবার বড় নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। প্যানেলের মেয়াদ শেষে কোনও নিয়োগ নয়, নির্দেশে সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ ২০২০ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রয়ে যাওয়া শূন্যপদে নতুন করে কোনও নিয়োগ নয়, এমনটাই নির্দেশ বিচারপতি হৃষীকেশ রায়ের বেঞ্চের।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Supreme court) 

    ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে একটি ২০১৬ সালে এবং অপরটি ২০২০ সালে। ২০২০ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের তরফে ১৬ হাজার ৫০০ শূন্যপদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। কিন্তু, বিভিন্ন কারণের জন্য ৩৯২৯ টি পদ শূন্যই থেকে গিয়েছিল। এই প্রায় ৪ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের (Primary Recruitment) ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার কাদের রয়েছে? এই সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। যে সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা ২০১৪ সালে টেট পাশ করে তাঁদের দাবি ছিল বাকি পদগুলিতে রয়েছে তাঁদের অগ্রাধিকার। উল্লেখ্য, এর আগে কলকাতা হাইকোর্টে এই শূন্যপদগুলিতে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা গিয়েছিল তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে। তিনি সেই সময় মেধার উপর ভিত্তি করে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু, সুপ্রিম কোর্ট (Supreme court) সেই নির্দেশকে মান্যতা দিল না। 

    শূন্যপদগুলিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ 

    বৃহস্পতিবার মামলাটি আদালতে (Supreme court) উঠতে সেখানেই এই দাবি খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। এই শূন্যপদগুলিতে নিয়োগের (Primary Recruitment) ক্ষেত্রে যে পদগুলি বাকি রয়েছে সেগুলি আগামী নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হবে বলে জানানো হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতের (Supreme court) তরফে। অর্থাৎ ২০২২ সালের যে নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল তার সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সেই মতোই করা হবে নিয়োগ।

    আরও পড়ুন: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    অন্যদিকে আবার এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জলও গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটিই বাতিল করে দেয়। আর এই নির্দেশে শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী মিলিয়ে মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি যায়। আর অযোগ্য চাকরি প্রাপকদের সুদ সমেত টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। যদিও সেই মামলায় আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ভোট বয়কট করা মালদার সেই গ্রামে পুলিশি অত্যাচার, পুরুষশূন্য গ্রাম, সরব বিজেপি

    Malda: ভোট বয়কট করা মালদার সেই গ্রামে পুলিশি অত্যাচার, পুরুষশূন্য গ্রাম, সরব বিজেপি

    মাধ্যম  নিউজ ডেস্ক: দাবি আদায়ের জন্য গ্রামের সকলে ভোট বয়কট করেছিলেন। আর তার জেরেই গ্রামবাসীদের ওপর পুলিশি অত্যাচার শুরু হয়েছে। আর এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে মালদার (Malda) হবিবপুর ব্লকের মঙ্গলপুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধাকান্তপুর এলাকায়। পুলিশি অত্যাচারের কারণে গ্রামে পুরুষ থাকতে পারেন না। চরম আতঙ্কিত গ্রামের মহিলারা। অসহায় গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Malda)

    মালদার (Malda) হবিবপুর ব্লকের মঙ্গলপুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধাকান্তপুর এলাকায় সাড়ে তেরোশো ভোটার। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা এবং ব্রিজ তৈরির দাবি ছিল। ৭ মে ভোটের দিন সেই দাবি আদায়ের জন্য ভোটাররা ভোট না দিয়ে বুথের বাইরে জমায়েত হয়ে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন। রামকৃষ্ণপুর, রাধাকান্তপুর, জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দাদের কেউই ভোট দেননি। ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পরই এলাকায় পুলিশি অত্যাচার শুরু হয়। গ্রামের মহিলাদের বক্তব্য,আন্দোলনকারী মহিলারা পুলিশের অত্যাচারে বাড়িতে থাকতে পারছেন না। গোটা গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে।  রাতের বেলা মহিলারা পুলিশি অত্যাচারে মাঠে-ঘাটে অন্যত্রে লুকিয়ে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ গ্রামে অকথ্য অত্যাচার করেছে। বাড়িতে কাউকে থাকতে দিচ্ছে না। মুখ খুললে কেস দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে গোটা গ্রাম এখনও থমথমে হয়ে রয়েছে। পঞ্চায়েত থেকে লোকসভা দুটি ভোটে বয়কট হয়ে যাওয়ায় এলাকার উন্নয়ন নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেজেন প্রশাসনের কর্তারা।

    আরও পড়ুন: গরমে ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    গ্রামবাসীদের পাশে বিজেপি

    সাহস জোগাতে এগিয়ে এলেন বিজেপির নেত্রী তথা গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেত্রী গাঙ্গুলী সরকার। নির্যাতিতাদের গ্রামে গিয়ে তিনি পুলিশি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রাধাকান্তপুর কে পুলিশ প্রশাসন দ্বিতীয় সন্দেশখালি বানাতে চাইছে। মহিলাদের নিরাপত্তা নেই। তাঁরা যেখানে সেখানে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। হকের আদায় চাওয়া কি অপরাধ? এভাবে পুলিশি অত্যাচার মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে এ নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali news: সন্দেশখালির ‘ভুয়ো ভিডিও’ প্রসঙ্গে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপির গঙ্গাধর

    Sandeshkhali news: সন্দেশখালির ‘ভুয়ো ভিডিও’ প্রসঙ্গে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপির গঙ্গাধর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও শিরোনামে সন্দেশখালি। এবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali news) ভাইরাল হওয়া ‘ভুয়ো ভিডিও’ প্রসঙ্গে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। অভিযোগ, তাঁর ছবি ব্যবহার করে ‘ভুয়ো’ ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। তার পর তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সমাজমাধ্যমে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলার অনুমতি চেয়েছেন গঙ্গাধর। অনুমতি দিয়েছে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    উল্লেখ্য, সন্দেশখালির যে ভিডিও ভাইরাল (sandeshkhali viral video) হয়েছিল তাতে স্থানীয় বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালকে দেখা গিয়েছিল। ভিডিওতে দেখা যায়, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের কাছে তিনি নিজে স্বীকার করছেন, সন্দেশখালির আন্দোলন সাজানো। টাকার বিনিময়ে সেখানকার মহিলারা তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং অত্যাচারের ভুয়ো অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভিডিওতে বিজেপি নেতা গঙ্গাধরকে বলতে শোনা গেছিল, “বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন অভিযোগকারী মহিলাদের। সন্দেশখালির ঘটনা পুরোটাই সাজানো। ২০০০ টাকা দিয়ে তাদের ভুয়ো অভিযোগ করতে বলা হয়েছিল।” এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় শুরু হয় রাজ্যে। 

    কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ গঙ্গাধর

    এবার সেই ভিডিও ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন গঙ্গাধর। যদিও বিষয়টি নিয়ে ইতমধ্যেই সিবিআই-এর কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন তাঁরা। তাই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার জন্য বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে আবেদন জানান। এই বিষয়ে বিচারপতি বলেন, “কী করে সিবিআই সরাসরি এই ভাবে মামলা নেবে? তাছাড়া সন্দেশখালির সব মামলা এখন ডিভিশন বেঞ্চে। মামলা দায়ের হোক। সোমবার শোনা হবে।” 

    আরও পড়ুন: ভোটের মধ্যেই হুগলিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে আয়কর হানা

    বিজেপির দাবি 

    এ প্রসঙ্গে যদিও ভিডিওটিকে প্রথম থেকেই ‘ভুয়ো’ বলে দাবি করেছে বিজেপি। তাদের দাবি, ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওই ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। তৃণমূল ভুয়ো ভিডিও তৈরি করে সন্দেশখালি (Sandeshkhali news) নিয়ে মানুষের ক্ষোভ কমানোর চেষ্টায় রয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rekha Patra: গরিবের মেয়ে বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের সম্পত্তি কত জানেন?

    Rekha Patra: গরিবের মেয়ে বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের সম্পত্তি কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন সন্দেশখালির প্রতিবাদী চরিত্র গরিবের মেয়ে রেখা পাত্র (Rekha Patra)। বিজেপির কাছে এই কেন্দ্র ভীষণ আকর্ষণীয়। সম্প্রতি সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের ঘটনায় সারা দেশ ব্যাপি ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তৃণমূলনেতা শেখ শাহজান এবং তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা এলাকায়। লোকসভা ভোটে গতকাল নিজের কেন্দ্রে মনোনয়ন করেছেন রেখা পাত্র। মনোনয়ন অনুযায়ী তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ কত আসুন জেনে নিই।

    সাধারণ একজন গৃহবধূ (Rekha Patra)

    নিজের মনোনয়নে রেখা পাত্র (Rekha Patra) জানিয়েছেন, তিনি নিজে সাধারণ একজন গৃহবধূ। তাঁর স্বামী সন্দীপ পাত্র। তিনি নিজে পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে কাজ করেন তাঁর স্বামী। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে রেখা আরও জানিয়েছেন, উত্তর বউঠাকুরানি এফপি বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাশ করেছেন ২০০৩ সালে। এটাই তাঁর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা।

    নগদ অর্থ কত?

    রেখা (Rekha Patra) তাঁর হলফ নামায় নিজের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কে জানিয়েছেন, তাঁর হাতে মাত্র নগদ টাকা রয়েছে তিন হাজার টাকা। তবে নির্বাচনী অ্যাকাউন্ট সহ তাঁর আরও দুটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ওই দুটি অ্যাকাউন্টের মধ্যে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় রয়েছে। এই অ্যাকাউন্টে রয়েছে মাত্র ১০ হাজার ৭৬৪.৫৪ টাকা। তবে এছাড়া তাঁর হাতে নগদ অর্থ নেই। আবার স্বামী সন্দীপ পাত্রের নামে একটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এই অ্যাকাউন্টে রয়েছে মাত্র ৪ হাজার ৬৯২ টাকা। রেখা পাত্র অথবা স্বামীর কাছে এর বাইরে কোনও টাকা নেই। নগদ টাকা ছাড়া ফিক্সড ডিপোজিট, অলংকার নেই। সেই সঙ্গে কোনও যানবাহন নেই বলে জানিয়েছেন রেখা।

    আরও পড়ুনঃভোটের মধ্যেই হুগলিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে আয়কর হানা

    স্থাবর সম্পত্তি কত?

    রেখা পাত্র (Rekha Patra) এবং তাঁর স্বামীর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ হল দুই জনের নামে কোনও চাষের জমি নেই। এছাড়াও অচাষযোগ্য জমিও নেই। তাঁদের কোনও পাকা বাড়ি বা কোনও ঋণ নেই। সব মিলিয়ে স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ শূন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: “রাজনীতি করবেন না”, বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Supreme Court: “রাজনীতি করবেন না”, বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট চলাকালীন সুপ্রিম (Supreme Court) দুয়ারে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামী প্রতাপচন্দ্র দে-র বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে যে মামলা হয়েছিল, তা খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ ওই মামলা খারিজ করে দিয়েছে। এর পাশাপাশি ওই মামলার শুনানিতেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এফআইআর করতে রাজ্যকে নিষেধ করেছে শীর্ষ আদালত। 

    কী বলল শীর্ষ আদালত

    একটি পারিবারিক সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ওঠে বিচারপতি সিনহার স্বামীর বিরুদ্ধে। এফআইআর দায়ের করে পুলিশ। পরে ওই অভিযোগের তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডি-কে। সিআইডি আধিকারিকরা আইনজীবী প্রতাপচন্দ্র দে-কে ডেকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদও করেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর আইনজীবী প্রতাপচন্দ্র দে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের কাছে চিঠি লিখে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। চিঠির ছত্রে ছত্রে সিআইডি-র বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। আইনজীবী প্রতাপচন্দ্র দে’র অভিযোগ ছিল, তাঁকে মোটা অঙ্কের টাকা, দামী গাড়ি, বাড়ি-সহ আরও বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখানো হয়। তাঁকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টি রাজ্যে, কলকাতা ছাড়া আরও আট জেলায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

    ৬৪ বছরের এক বিধবা এবং তাঁর মেয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। পরে অবশ্য এই মামলায় বাড়তি পদক্ষেপ করা যাবে না বলে জানিয়েছিল তারা। তার পর ডিসেম্বরে এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আবার জানায়, পুলিশ আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করতে পারবে। শুক্রবার খারিজ হয়ে গেল সেই মামলাই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এফআইআর করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে আদালত। যদিও শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, মামলাটিতে পুলিশের স্ট্যাটাস রিপোর্ট এবং চার্জশিট নিয়ে কোনও মন্তব্য করছে না তারা। এদিন মামলার শুনানি চলাকালীন, রাজ্যের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতির মন্তব্য, ‘‘এফআইআর দায়ের নিয়ে রাজনীতি করবেন না। চার্জশিট দাখিল হয়ে গিয়েছে, আইনকে আইনের পথে চলতে দিন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Income tax raid: ভোটের মধ্যেই হুগলিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে আয়কর হানা

    Income tax raid: ভোটের মধ্যেই হুগলিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে আয়কর হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করতেই হুগলিতে আয়কর দফতরের (Income tax raid) হানা তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে। তৃণমূলের অবশ্য বক্তব্য বিজেপির নির্দেশেই এই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। অপরে বিজেপি নেত্রী লকেট অবশ্য জানিয়েছেন দুর্নীতি করলে কেউ ছাড় পাবে না। ভোটের মধ্যে এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে।

    মগড়া ও বাঁশবেড়িয়ায় আয়করের হানা (Income tax raid)

    শুক্রবার সকালে হুগলির মগড়া ও বাঁশবেড়িয়ার তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী কমল দাস, বৈদ্যনাথ সাহা, সত্যরঞ্জন শীল, দিলপ্রীত সিংহ, অভিজিৎ ঘটক সহ একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়িতে এবং অফিসে হানা (Income tax raid) দিয়েছে আয়কর দফতর। আয়কর দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। উল্লেখ্য গত ৩ এপ্রিল তারিখে বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় এই ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। এই ব্যবসায়ীরা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ উঠেছিল। এরপর থেকেই হানা বলে মনে করা হচ্ছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় জেলার হুগলি-শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি অরিন্দম গুইন বলেন, “ব্যবসা করা কী অপরাধ? নাকি তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ হওয়ায় অপরাধ? বিজেপির নেত্রী আগেই বলে রেখেছেন ইডি কোথায় যাবে। এছাড়াও আয়কর দফতর (Income tax raid) কোথায় যাবে এই কথাই ঘোষণা করেছিলেন তিনি। সমস্ত এজেন্সি এখন বিজেপির হয়ে কাজ করছে।”

    আরও পড়ুনঃ “শাহজাহানের বিরুদ্ধে এফআইআর তুলে নিতে বলেছিল পুলিশ”, বিস্ফোরক রেখা পাত্র

    কী বললেন লকেট?

    আয়কর দফতরের (Income tax raid) হানা প্রসঙ্গে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে সিন্ডিকেট তোলাবাজি চলছে। যারা এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তাদের ছাড়া যাবে না। দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন না খাবো, না খেতে দেবো। আমরা তাঁর সৈনিক। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলবে। রাজ্যের দুর্নীতি, গুন্ডাগিরি, মাফিয়ারাজ চলছে রাজ্যে। এই অপ শাসনের শেষ দেখতে চাই। দুর্নীতির করলে কেউ ছাড় পাবন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: গরমে  ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    Siliguri: গরমে ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র গরমের মধ্যে শুক্রবার থেকে আগামী ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শহর শিলিগুড়ি (Siliguri)। পুরসভার তরফে বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে সে কথা জানানো হয়েছে। ফলে, চরম দুর্ভোগের আশঙ্কা শহরবাসীর। পুর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছেন পুরবাসী।

    কেন জল সঙ্কট? (Siliguri)

    তিস্তা মহানন্দা ক্যানেল থেকে শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল নেওয়া হয়। গত পুজোর আগে সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে গজলডোবার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। শুক্রবার থেকে সেই বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হবে। বাঁধ মেরামত করার জন্য গজলডোবা ব্যারেজের সব স্লুইস গেট খুলে জলস্তর নামানো হয়েছে। এই তাই বাঁধ মেরামত চলাকালীন তিস্তা থেকে আর জল পাওয়া যাবে না।

      মেয়র কী সাফাই দিলেন?

    মেয়র গৌতম দেব বলেন, গজলডোবায় তিস্তা ব্যারেজে বাঁধ মেরামতির কাজ করতেই হবে।  না হলে এই বর্ষায়  বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসে যাবে। প্রচুর মানুষ  ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে। সেই বিপর্যয় এড়ানোর জন্যই এই বাঁধ মেরামত করা হচ্ছে। তবে, মানুষ যাতে নির্জলা না থাকে তারজন্য শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিভিন্ন এলাকায় ২১ টি জলের ট্যাঙ্ক রাখা থাকবে। পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের তরফে ১ লক্ষ জলের পাউচ বিলি করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি দেখা দিত না। বামেরা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার সময় শিলিগুড়ির পানীয় জল প্রকল্পের বিকল্প জলাধার তৈরি করেনি। বিকল্প জলাধার থাকলে এধরনের পরিস্থিতির জন্য আগাম জল ধরে রেখে তা দিয়ে সমস্যার সমাধান করা যেত।

    আরও পড়ুন: “নৈহাটিতে সব থেকে বেশি ভোটে হারবে তৃণমূল,” ঘোষণা অর্জুনের

    জল সঙ্কটের জন্য দায়ী তৃণমূল, বলছে  বিজেপি

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপি কাউন্সিলর অমিত জৈন এই পরিস্থিতির জন্য মেয়রের অযোগ্যতাকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, গত একমাস ধরে শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জলের সঙ্কট চলছে। ভোট নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্য মেয়র ও তাঁর কাউন্সিলররা কাজ করেননি। সেই ব্যর্থতাকে আড়াল করতে তিস্তা বাঁধ মেরামতকে অজুহাত করা হচ্ছে। ছ’মাস আগে কেন বাঁধ মেরামত করা হল না? কেন্দ্রীয় সরকার অম্রুত-২ প্রকল্পে শিলিগুড়ি পুরসভার জল প্রকল্পের জন্য টাকা অনুমোদন করেছে। সেই টাকা পেয়েও মেয়র কাজ শুরু করতে পারেনি। একাধিকবার টেন্ডার ডেকেও বিডার পাওয়া যায়নি। ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।  গৌতম বাবু ১০ বছর মন্ত্রী ছিলেন। তাহলে তিনি নিজের শহরের জন্য পানীয় জল প্রকল্পের ব্যাপারে উদ্যোগ নেননি কেন? আসলে রাজনীতি, দলবাজি করার করতে গিয়ে তিনি  শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল সমস্যাকে জটিল করেছেন। তার জেরে এখন তীব্র গরমে শহরবাসীকে জলকষ্টে থাকতে হচ্ছে।  তিনদিনের মধ্যে যদি শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল সরবরাহ স্বাভাবিক না হয়, তাহলে আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাস্তায় নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টি রাজ্যে, কলকাতা ছাড়া আরও আট জেলায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

    Weather Update: সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টি রাজ্যে, কলকাতা ছাড়া আরও আট জেলায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই শহরের আকাশে মেঘ-রোদের লুকোচুরি চলছে। বেলা বাড়তেই বৃষ্টি নামল কলকাতার (Rain in Kolkata) বিভিন্ন প্রান্তে। বৃষ্টির হাত ধরে স্বাভাবিকের নীচে নেমে এসেছে পারদও। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update), শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলারই বিস্তীর্ণ অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। রাজ্যের ৯টি জেলায় কালবৈশাখীর জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।

    নয় জেলায় কালবৈশাখী

    গত সোমবার থেকে প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানাচ্ছে, আজ শুক্রবারও শহর কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনভর আকাশ মূলত মেঘলাই থাকবে। হতে পারে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি। এক্ষেত্রে হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, এদিন কলকাতা সহ রাজ্যের প্রায় সমস্ত জেলাতেই থাকছে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা। যে নয় জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি হয়েছে, সেগুলি হল কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং দুই বর্ধমান। এই জেলাগুলির কোনও কোনও অংশে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ঝড়ের সঙ্গেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে শুক্রবার ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার।

    উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি

    শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও এদিন থাকছে বৃষ্টির সম্ভাবনা। আবহাওয়া দফতর বলছে, আগামী রবিবার পর্যন্ত উত্তরঙ্গের সমস্ত জেলাতেই থাকছে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সঙ্গে কোথাও কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যেতে পারে দমকা হাওয়া। আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, এদিন মালদায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি থাকছে। হাওয়ার বেগ হতে থাকতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। হাওয়া অফিসের তরফে মালদা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আজ অক্ষয় তৃতীয়া, জানুন সারা দিনে শুভ মুহূর্ত, কখন করবেন লক্ষ্মী-আরাধনা?

    কেন বৃষ্টি

    আবহাওয়ার (Weather Update) এই পরিস্থিতির জন্য ঘূর্ণাবর্তকে দায়ী করেছেন আবহবিদেরা। বাংলাদেশ এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় এই মুহূর্তে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ০.৯ কিলোমিটার উপরে অবস্থান করছে। এ ছাড়া উত্তর-পূর্ব রাজস্থান থেকে দক্ষিণ অসম পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত। যার প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প প্রবেশ করছে গাঙ্গেয় বাংলায়। তাতেই ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। লাগাতার বৃষ্টির জেরে অনেকটাই কমেছে তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, শুক্রবার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.৭ ডিগ্রি কম। পাশাপাশি দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪.৯ ডিগ্রি কম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: মাদক উদ্ধার করতে গিয়ে বেধড়ক মার খেল পুলিশ, জখম ১৩ জন, শোরগোল

    South 24 Parganas: মাদক উদ্ধার করতে গিয়ে বেধড়ক মার খেল পুলিশ, জখম ১৩ জন, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসামাজিক কাজকর্ম রুখতে পুলিশের ওপর মানুষের সব থেকে বেশি আস্থা। সেই অসামাজিক কাজকর্ম রুখতে গিয়ে মাদক কারবারীদের হাতে বেধড়ক মার খেতে হল পুলিশকে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বারুইপুর থানার বৃন্দাখালি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন পুলিশ আধিকারিকও আক্রান্ত হয়েছেন। পরে, বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ কর্মীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    বৃহস্পতিবার বিকালে বারুইপুর থানার (South 24 Parganas) পুলিশের কাছে খবর আসে বৃন্দাখালি গ্রামপঞ্চায়েতের একটি বাড়িতে প্রচুর মাদক মজুত করা রয়েছে। মজুত থাকা মাদক উদ্ধার করতেই বারুইপুর থানার পুলিশের একটি বিশাল বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। অভিযোগ, মাদক কারবারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময়ই আচমকা একদল দুষ্কৃতী পুলিশ কর্মীদের ওপর চড়াও হয়। লাঠি, বাঁশ, রড, বটি নিয়ে হামলা চালানো হয়। হামলা চালানোর পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীকে ঘিরে ফেলে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রেখে দেওয়া হয়। সবমিলিয়ে ১২-১৩ জন পুলিশ আক্রান্ত হন। শাবল, লাঠি নিয়ে তাড়া করে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, আক্রান্তদের তালিকায় ৪ জন সাব-ইন্সপেক্টর, ৩ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব- ইন্সপেক্টর-সহ মোট ১৩ জন পুলিশ কর্মী রয়েছেন। এরপর সন্ধ্যায় এসডিপিও বারুইপুর অতীশ বিশ্বাস ও আইসি বারুইপুর সৌম্যজিৎ রায়ের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। আহত পুলিশ কর্মীদের উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: “নৈহাটিতে সব থেকে বেশি ভোটে হারবে তৃণমূল,” ঘোষণা অর্জুনের

    হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি স্থানীয়দের

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বহুদিন ধরে এই এলাকায় মাদক কারবার চলে। বহুবার অভিযোগ করেও কোনও কাজ হয়নি। পুলিশের একাংশের মদতেই এসব কারবার চলত। মাদক কারবারীদের প্রশয় দেওয়ার উচিত শিক্ষা পুলিশ পেল। তবে, পুলিশই আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। কারণ, মাদক কারবারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে যাবে। অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “শাহজাহানের বিরুদ্ধে এফআইআর তুলে নিতে বলেছিল পুলিশ”, বিস্ফোরক রেখা পাত্র

    Sandeshkhali: “শাহজাহানের বিরুদ্ধে এফআইআর তুলে নিতে বলেছিল পুলিশ”, বিস্ফোরক রেখা পাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হলেন বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। উল্লেখ্য সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) নারী নির্যাতন এবং জমি জবর দখলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী নারী চরিত্র ছিলেন এই রেখা। তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেন, “পুলিশ শাহজাহানের বিরুদ্ধে এফআইআর তুলে নিতে বলেছিল।” সম্প্রতি দেশ  জুড়ে সন্দেশখালির ঘটনায় ব্যাপক তোলপাড় হয়েছিল। দেশের প্রধানমন্ত্রী সরব হয়েছেন তৃণমূলের এই অপ শাসনের বিরুদ্ধে। 

    ঠিক কী বললেন রেখা (Sandeshkhali)?

    সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে রেখা পাত্র এবার পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “আমরা যখন আন্দোলন করেছিলাম, সেই সময় পুলিশ আমাকে থানায় ডেকে শাহজাহানের বিরুদ্ধে এফআইআর তুলে নিতে বলেছিল। পুলিশ আরও বলে দরখাস্ত লিখে জমা দিন যে শাহজাহান কোনও দুর্নীতি করেননি, সন্দেশখালিতে কোনও রকম জোরজুলুম করেনি তৃণমূল। আমাদের আন্দোলন তুলে নিতে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। একটা পুরাতন ভিডিও নিয়ে এখন আমাদের আন্দোলনকে অসম্মান করছে তৃণমূল। সন্দেশখালির মা-বোনকে অসম্মান করেছে তৃণমূল।” এই মন্তব্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্য জুড়ে।

    তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান

    এবার নির্বাচনের মধ্যেই সুন্দরবনে তৃণমূলে ভাঙন দেখা দিয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের যোগেশগঞ্জ পঞ্চায়েতের সিপিএম ও টিএমসি থেকে ১৫০ থেকে ২০০ পরিবার যোগ দিলেন বিজেপিতে। তার মধ্যে অন্যতম টিএমসির প্রথম সারির নেতা পলাশ হাউলি রয়েছেন। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মেয়ে বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের হাত ধরে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করলেন তাঁরা। সদ্য দল ত্যাগী নেতারা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কাজের উন্নয়নের জন্য আমরা যোগ দিলাম। বৃহত্তর দল বিজেপিকে আমরা সমর্থন করে আগামী দিনে সুস্থ ভারত গড়তে চাই। পাশাপাশি বলেন বর্তমান শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যেভাবে একের পর এক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে তাই বাধ্য হয়ে আমরা তৃণমূলক ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করলাম। তৃণমূল দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করায় বিজেপির হাত শক্ত হল বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    আরও পড়ুনঃ দুর্গ রক্ষা বোসের! অস্থায়ী কর্মীদের কাজের পর্যালোচনা শুরু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share