Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Nadia: এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেফতার এক

    Nadia: এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেফতার এক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল্যাণী এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে শ’দুয়েক লোকের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত প্রতারকের নাম বলরাম দাস। বাড়ি নদিয়ার রানাঘাটের (Nadia) আনুলিয়ায়। আজ মঙ্গলবার তাকে রানাঘাট আদালতে তোলা হয় এরপর ধৃত প্রতারককে আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হয়েছিল

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে হাঁসখালি (Nadia) থানার পাখিউড়া গ্রামের বাসিন্দা অভিজিৎ বিশ্বাস থানায় এসে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “আমি ছাড়াও এলাকায় আরও অনেক মানুষ এইমসে চাকরির জন্য টাকা দিয়েছিলেন। অভিজিৎ দাস এবং রাজু গুপ্ত নামক দুই ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়ার কথা বলেন। এই দুই ব্যক্তির নম্বর থানায় জানানো হয়েছে। তাদের জেরা করলে বলরাম সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। রামনগর বড়চুপরিয়া ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা তৃণমূল নেতা যামিনী মুন্ডারি সকলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।”

    পুলিশের বক্তব্য

    নদিয়া পুলিশ (Nadia) প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি ফেসবুক পেজ খুলে তাতে বিজ্ঞাপন দিয়ে এইমসে সরকারি পদে করণিক নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এরপর বলা হয় অনলাইনে আবেদন এবং পরীক্ষা হবে। তবে এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান নিজে সকলকে চাকরির সুযোগের কথা জানান। এরপর ৪৫২ টাকা দিয়ে লোকজন ফর্ম ফিলাপ করে। এরপর তন্ময় দাস নামক এক এইমসে কর্মরত ব্যক্তি পরিচয় দিয়ে পাশের খবর দেয়। এরপর নানা ডাক্তারি পরীক্ষার কথা বলে সাড়ে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বলা হয় ২৮ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে। এরপর অনলাইনে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। ৩ ফেব্রুয়ারি কাজে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু অনলাইনে যে গেট পাস এবং আইডি পাঠানো হয়েছিল তা এইমসে নিয়ে কাজে যোগদান করতে গেলে কাউকেই আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর সন্দেহ শুরু হয় এবং পরে বোঝা যায় সকলেই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপর হাঁসখালি থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এই ঘটনায় বলরাম একজন মিডলম্যন।

    পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য

    স্থানীয় পঞ্চায়েত (Nadia) প্রধান যামিনী মুন্ডারি বলেন, “আমি পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু টাকা দিতে বারণ করেছিলাম। ওরা নিজেরাই লোভে পড়ে টাকা দিয়েছে। টাকা দেওয়ার কথা শুনে আমি এইমসে গিয়ে খোঁজ নিয়েছি।” পাশপাশি এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও দুজনের খোঁজ করা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: নন্দীগ্রাম কলেজে সরস্বতী পুজোকে ঘিরে এবিভিপি-তৃণমূলে হাতাহাতি

    Purba Medinipur: নন্দীগ্রাম কলেজে সরস্বতী পুজোকে ঘিরে এবিভিপি-তৃণমূলে হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) নন্দীগ্রামের কলেজে সরস্বতী পুজোকে ঘিরে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হল। এবিভিপি এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মধ্যে ধুন্ধুমার বাধে। উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি এবং ঝামেলায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অবশেষে স্থানীয় থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। যদিও ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

    উত্তপ্ত সীতানন্দ কলেজ  (Purba Medinipur)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিধানসভা ক্ষেত্র নন্দীগ্রামে (Purba Medinipur) সরস্বতী পুজোকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সরস্বতী পুজোকে ঘিরে শাসক দলের ছাত্র সংগঠন এবং আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ব্যাপক ঝামেলা বাধে। একপক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব হয়েছে। সেই সঙ্গে চলে ব্যাপক মারামারি। কার্যত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সীতানন্দ কলেজ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ।

    এবিভিপির বক্তব্য

    সূত্রে জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজে (Purba Medinipur) এই বছর দুটি পুজো হয়েছে। শাসক দলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপি কলেজ ক্যাম্পাসের ভিতরে পুজো করে আর রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি কলেজের গেটের বাইরে পুজোর আয়োজন করেছিল। গেটের বাইরে এবিভিপির বেশ কিছু পতাকা লাগানো হয়েছিল। কিন্তু এবিভিপি অভিযোগ করে বলে, তাঁদের পতাকা, ফেস্টুন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ছিঁড়ে দেয়। এরপর শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মীদের ব্যাপক মারধর করা হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন এবিভিপি কর্মী।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, “ইচ্ছে করেই এবিভিপির কর্মীরা তৃণমূলের পুজোতে আক্রমণ করে। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি এবং মারামারি হয়। ব্যাপক ভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলেজ ক্যাম্পাস।” পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ নামে এবং নন্দীগ্রাম (Purba Medinipur) থানায় অভিযোগ জানানো হয়।       

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Digha: রাত পর্যন্ত আর সমুদ্রপাড়ে বসে থাকা যাবে না, দিঘায় পর্যটকদের জন্য নয়া নিয়ম

    Digha: রাত পর্যন্ত আর সমুদ্রপাড়ে বসে থাকা যাবে না, দিঘায় পর্যটকদের জন্য নয়া নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পর্যন্ত আর সমুদ্রের ধারে ঘোরাঘুরি করা যাবে না। নতুন নিয়ম ঘোষণা করল প্রশাসন। সম্প্রতি দিঘায় (Digha) এক পর্যটকের ধর্ষণের ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ গ্রেফতার করেছে দু’জনকে। সৈকত শহরে এই ঘটনায় পর্যটকদের সুরক্ষার জন্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। নারী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করল দিঘা পুলিশ।

    মাইকিং করে ঘোষণা(Digha)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিঘার (Digha) সমুদ্র সৈকতে এখন থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বসে থাকা যাবে না। সমুদ্র বিচে ঘুরতে আসা পর্যটকদের সুবিধা এবং সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। স্থানীয় থানার পক্ষ থেকে গতকাল মঙ্গলবার মাইকিং করে এই ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও বলা হয়, সমুদ্রপাড়ে পর্যটকেরা বিনা কারণে এখন থেকে বসে থাকতে পারবেন না। রাতে হোটেলের মধ্যে থাকতে হবে। যদি নিয়মভঙ্গ করা হয় তাহলে প্রশাসন শাস্তির পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যেই সকল দোকানপাট বন্ধ রাখতে হবে। সাধারণত দিঘা হল একটি সমুদ্র সৈকত শহর। সমুদ্রের জলে স্নান, ভ্রমণ এবং অবসর সময় কাটাতে বহু পর্যটক এখানে ঘুরতে আসেন। এবার থাকে তাঁদের সতর্কে থাকার কথা ঘোষণায় বলা হয়েছে।

    প্রেমিকের সামনেই করা হয়েছিল ধর্ষণ

    সম্প্রতি এক প্রেমিক-প্রেমিকা যুগল বেড়াতে গিয়েছিলেন দিঘাতে (Digha)। তাঁরা হোটেলের খোঁজ করছিলেন। কিন্তু দুই ব্যক্তি কম দামে হোটেল খুঁজে দেওয়ার কথা বলে। এরপর প্রেমিককে গাছে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে। সেইসঙ্গে প্রেমিকের সামনেই প্রেমিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগের ভিত্তিতে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই অমানবিক ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে আরও কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবে এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সন্দেশখালি যাওয়ার পথে পুলিশি বাধা, অসুস্থ সুকান্ত, ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে

    Sukanta Majumdar: সন্দেশখালি যাওয়ার পথে পুলিশি বাধা, অসুস্থ সুকান্ত, ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি যাওয়ার পথে টাকিতে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সেখানে পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসা হয়। পরে, তিনি আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। অচৈতন্য হয়ে মাটিতে পড়়ে যান। বেশ কিছুক্ষণ ধরে তিনি মাটিতে পড়ে থাকেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় বসিরহাট জেলা হাসপাতালে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর তাঁকে কলকাতায় বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। জানা গিয়েছে, পালস রেট কমছে। অক্সিজেন দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

    বসিরহাট থেকে সন্দেশখালির পথে সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    মঙ্গলবার বসিরহাট এসপি অফিস ঘেরাও অভিযানে যোগ দিতে সড়কপথের পরিবর্তে লোকাল ট্রেনে যান সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। সন্দেশখালিকাণ্ডে মঙ্গলবার বসিরহাট এসপি অফিস ঘেরাও অভিযানে নেতৃত্ব দেন তিনি। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বিজেপির সাতজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মুক্তির দাবিতে রাতভর ধর্না দেন সুকান্ত। গভীর রাতে তাঁকে আটক করার কিছুক্ষণ পর ছেড়েও দেয় পুলিশ। বুধবার সকাল হতেই আবার উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বুধবার সকালে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সুকান্ত সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেন। পুলিশ মাঝপথে তাঁদের আটকে দিলে, যেখানে আটকানো হবে, সেখানেই সরস্বতী পুজো শুরু করবেন তাঁরা। এমনই বলেছিলেন সুকান্ত। কিন্তু, ঘটনাচক্রে দেখা গেল, সেই পরিকল্পনাও বদলে ফেললেন সুকান্ত।

    টাকিতে পুলিশি বাধা, অচৈতন্য হয়ে পড়েন সুকান্ত

    বুধবার দুপুরে টাকির হোটেলের পিছনের দরজা দিয়ে একটি সরস্বতী প্রতিমা কোলে নিয়ে বেরিয়ে আসেন সুকান্ত। ইছামতীর ঘাটে প্রতিমা বসিয়ে পুজো শুরু হয়। পরে সন্দেশখালি যাওয়ার উদ্যোগ নিতে টাকিতে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন তিনি। পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয় সুকান্তের (Sukanta Majumdar)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি জানান, তিনি সন্দেশখালি যাবেনই। অন্য দিকে, পুলিশ জানায় সেখানে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তাই অনুমতি মিলবে না। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির মধ্যে পুলিশের গাড়ির বনেটে উঠে পড়েন সুকান্ত। কিছুক্ষণের মধ্যেই পড়ে যান। দেখা যায়, মুখ ঢাকা এক মহিলা হাত ধরে গাড়ির বনেট থেকে সুকান্তকে নামানোর চেষ্টা করেন। তার মধ্যেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি। খানিকক্ষণ রাস্তায় পড়ে থাকেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। অসুস্থ সুকান্তকে তড়িঘড়ি গাড়িতে তোলা হয়। তাঁকে বসিরহাটের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: প্রেমিকাকে লেখা ৩২৭ ফুটের চিঠি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-তে সংরক্ষণের দাবি জানালেন প্রেমিক

    Asansol: প্রেমিকাকে লেখা ৩২৭ ফুটের চিঠি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-তে সংরক্ষণের দাবি জানালেন প্রেমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩২৭ ফুট চিঠি লিখে তাক লাগিয়েছেন আসানসোলের (Asansol) প্রেমিক অনুপম ঘোষাল। মনের কষ্ট তিনি ফুটিয়ে তুলেছিলেন তাঁর লেখনীর মধ্যে দিয়ে। তাঁর সেই চিঠি এখন আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব প্রেম দিবসে সেই চিঠি নিয়েই তাঁর উৎকন্ঠা। বিশ্বের এই দীর্ঘতম চিঠি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ইঁদুরে ছিঁড়ে ফেলছে সেই চিঠি। তাই সংরক্ষণের দাবি তুলেছেন তিনি।

    ৩২৭ ফুট চিঠি নিয়ে বই লেখা হয়েছে (Asansol)

    আসানসোলের (Asansol) বার্নপুর রোডের বাসিন্দা অনুপম ঘোষাল। এক সময় সাংবাদিকতা করেছেন। বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতার কারণে কিছুই করতে পারেন না। ২০০০ সালে অনুপমবাবুর প্রেমিকা তাঁকে ছেড়ে চলে যান। আর তখনই সেই প্রেমিকাকে ভুলতে চিঠি লিখতে শুরু করেন। সেটাকে তাঁর জীবনের সুইসাইড নোট বলেছেন তিনি। কিন্তু চিঠি লিখতে লিখতে এত বড় হয়ে যায় যে সেটা ক্রমেই একটি সাহিত্যে পরিণত হয়। ৩২৭ ফুট চিঠির দৌলতে রাতারাতি প্রচারের আলোয় চলে আসেন তিনি। তাঁকে নিয়ে এক সময় রীতিমতো চর্চা হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার দুটি বড় পাবলিশার এই চিঠিকে প্রকাশ করেছে বই হিসেবে। সেই বই বইমেলাতে বিক্রিও হয়েছে।

    কী বললেন চিঠির লেখক?

    অনুপমবাবু বলেন, মনের জ্বালা থেকে চিঠি লিখেছিলাম। এখন সেই চিঠি আমাকে চর্চায় নিয়ে এসেছে। আমার এই চিঠি দিয়ে বই লেখা হবে, তা আমি ভাবতে পারিনি। তবে, আমার আক্ষেপ মূল চিঠিটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে দিনে দিনে। এতবড় চিঠি সংরক্ষণ করে রাখা আমার পক্ষেও সম্ভব নয়। তাই আমি চাইছি, সরকার যদি উদ্যোগী হয়ে এই চিঠি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে তাহলে আমার এই সৃষ্টি বেঁচে থাকতে পারে। পাশাপাশি বর্তমান যুগের প্রেমিক-প্রেমিকাদের প্রতি আমার আর্তি, প্রেম আসবে যাবে। হয়তো প্রেম হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু কোনও অবস্থাতেই তার থেকে খারাপ কিছু নয়, বরং সৃষ্টিশীল কিছু করে রাখো, যেটা পৃথিবীতে ইতিহাস হয়ে থাকবে। আমার জীবনে আমি সেই শিক্ষাই পেয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: পেনসিলের ওপর আট মিলিমিটারের দেবী সরস্বতীর মূর্তি, তাক লাগিয়ে দিয়েছেন নদিয়ার শিল্পী

    Nadia: পেনসিলের ওপর আট মিলিমিটারের দেবী সরস্বতীর মূর্তি, তাক লাগিয়ে দিয়েছেন নদিয়ার শিল্পী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইচ্ছেশক্তি আর নিজের ওপর ভরসা থাকলে যে সব কাজই করা সম্ভব, তা আবারও প্রমাণ করে দিলেন নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপের এক শিল্পী। বুধবার সরস্বতী পুজোয় মেতে উঠেছেন রাজ্যবাসী। এরই মাঝে নিজের ইচ্ছেশক্তির ওপর ভর করে ফের একবার ভিন্ন ভাবনায় পেনসিলের ওপর আট মিলিমিটারের দেবী সরস্বতীর মূর্তি তৈরি করে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করলেন নবদ্বীপের অঙ্কন শিক্ষক গৌতম সাহা। নবদ্বীপ শহরের প্রতাপনগর এলাকার বাসিন্দা তিনি। বয়স আনুমানিক ৫৬। 

    চক-চালের ওপর শিল্পকলা 

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গৌতমবাবুর বাবা ছিলেন আকাশবাণীর গীতিকার ও শিক্ষক। পরিবারে স্ত্রী, সন্তান সহ দুই দিদি রয়েছেন। তাঁরাও লেখালেখি, সংগীতচর্চা নিয়ে ব্যস্ত। এক কথায় শিক্ষা ও শিল্পসত্ত্বা ঘেরা পরিবার থেকেই উঠে আসা গৌতমবাবুর। জানা যায়, গত লকডাউনের সময় থেকে তিনি এই ক্ষুদ্র শিল্পকলার কাজ শুরু করেন। অতীতে বিভিন্ন সময়ে তিনি কখনও মুগডালের ওপর, কখনও ধানের ওপর, তো কখনও চক বা চালের ওপর মাটি রং দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন মা কালী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মহাপ্রভু সহ বিভিন্ন দেবদেবী ও মণীষীদের মূর্তি। আর এবার দেবী সরস্বতীর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের জন্য গত পনেরো দিন ধরে দিন রাত এক করে এবার একটি আনুমানিক ছয় সেন্টিমিটারের পেনসিলের ওপর মাটি, রং দিয়ে আট মিলিমিটারের দেবী সরস্বতীর মূর্তি ফুটিয়ে তুলেছেন। আর তা দিয়েই কার্যত আবারও তাক লাগিয়েছেন নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপের এই শিল্পী। আর এবারের তাঁর এই সৃষ্টি দেখতে বাড়িতে হাজির হচ্ছেন অনেকেই।

    কী বললেন শিল্পী?

    গৌতমবাবু বলেন, এর আগে অনেক ক্ষুদ্র শিল্পকলার কাজ করেছি। তবে, এভাবে মা সরস্বতী মূর্তি তৈরি কোনও দিন করিনি। এবার সেই উদ্যোগ নিলাম। দু’সপ্তাহের মধ্যেই আমি এই কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছি। সবার ভালো লেগেছে জেনে আমি খুশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জমিদাতাদের ‘কাটমানি’ চেয়ে ফোন! শোরগোল

    Dakshin Dinajpur: বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জমিদাতাদের ‘কাটমানি’ চেয়ে ফোন! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) বালুরঘাট – হিলি রেল প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই বহু জমিদাতাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছে। তবে এখনও অনেকের জমির কাগজ ও নানা নথি সংক্রান্ত সমস্যার জন্য টাকা দেরিতে ঢুকছে। তাই প্রতিদিনই হিলি ও বালুরঘাটে জমি দাতারা প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছে। এর সুযোগেই বেশকিছু দালাল চক্রের সক্রিয় হয়ে এমন কাজ করছে বলে এক অডিও কল রেকর্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় সামনে এসেছে। যদিও বা ওই অডিও যাচাই করেনি মাধ্যম। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    অডিও কলে কী রয়েছে? (Dakshin Dinajpur)

    ওই অডিও কলে এক ব্যক্তি সরকারি অফিসের কর্মী বলে পরিচয় দিয়ে এক জমিদাতাকে ফোন করেছেন। ওই জমিদাতার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার পর ৫৫ হাজার টাকা দিতে হবে বলে দাবি করা হয়। যা নিয়ে দর কষাকষি চলছে। ওই জমিদাতা ব্যক্তির অভিযোগ, ঘুষ দিলে টাকা ঢুকবে। শুধু একজনই নয়, এমন একাধিক ব্যক্তির কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও এনিয়ে এখনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।  যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ওই ফোন প্রশাসনের কোনও কর্মী নয়। এর পিছনে দালালচক্র কাজ করছে বলেই মত প্রশাসনের একাংশের। তবে এমন গুরুতর অভিযোগ ঘিরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরেই দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলাপ্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই অভিযোগকারী জমিদাতাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।এবিষয়ে অভিযোগকারী ব্যক্তি বলেন, আমার সঙ্গে এক ব্যক্তির পরিচয় হয়েছিল। জমি দেওয়ার টাকা দ্রুত আমার অ্যাকাউন্টে দেবে বলে সেই ব্যক্তি জানিয়েছিল। আমাকে ফোন করে জানায় যে আজ কালের মধ্যে টাকা ঢুকে যাবে। তাই ওই ব্যক্তিকে যেন ৫৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। আমি মনে করি এটা ঘুষের টাকা। তাই প্রমাণ রাখার জন্য  ওই কল রেকর্ড করেছি। আর কারও কাছে  এই ধরনের টাকা যাতে না চাওয়া হয়, তাই আমি অভিযোগ দায়ের করব।

    জেলা প্রশাসনের আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (এলআর) হারিশ রসিদ বলেন, বিষয়টি গুরুতর। তবে এখনও এনিয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। আমরা ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। এমনটা ঘটে থাকলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সরব সুকান্ত

    এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, যেখানে টাকার গল্প থাকে সেখানেই এক প্রকার দালাল চক্র শুরু হয়ে যায়। দীর্ঘদিনের রেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। সেই রেল প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের  টাকা নিয়েও দালালি শুরু হয়েছে। প্রশাসন সঠিকভাবে নজর দিচ্ছে না। তাই তৃণমূল নেতাদের মদতেই এই ধরনের দালাল চক্র বাড়ছে। আমরা এ নিয়ে অভিযোগ দায়ের করব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, এই ধরনের কাজ কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। পুরোপুরি প্রশাসনের ব্যাপার, প্রশাসন নিশ্চয়ই সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তবে সব কিছুর সঙ্গে তৃণমূলের নাম জড়ানো বিজেপির কাজ। আসলে বিজেপির মদতেই এই ধরনের দালাল চক্র বাড়ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: জোর করে তোলা হল বিজেপি-র অবস্থান! সুকান্তসহ কর্মীদের আটকে রাখা হল স্টেডিয়ামে

    Sukanta Majumdar: জোর করে তোলা হল বিজেপি-র অবস্থান! সুকান্তসহ কর্মীদের আটকে রাখা হল স্টেডিয়ামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি কাণ্ডে বিজেপি-র এসপি অফিস ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল বসিরহাট। পুলিশের নির্বিচারে লাঠিচার্জ এবং দলীয় কর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে পুলিশ সুপারের অফিসের কাছে অস্থায়ী মঞ্চ করে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। গভীর রাতে জোর করে অবস্থান তুলে দেয় মমতার পুলিশ। এমনই অভিযোগ অবস্থানে বসা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের।

    জোর করে অবস্থান তুলে দেয় পুলিশ

    অস্থায়ী মঞ্চ করে শতাধিক কর্মী-সমর্থক নিয়ে মঙ্গলবার বিকাল থেকে অবস্থান শুরু করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। সেখানে প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন ছিল। রাত ১২ টা নাগাদ পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে অবস্থান তুলে নেওয়ার জন্য রীতিমতো হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীরা অবস্থানে অনড় থাকে। রাত ১টা নাগাদ বিশাল পুলিশ বাহিনী একরকম জোর করে অবস্থান তুলে দেয়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের গভীর রাতে ধস্তাধস্তি হয়।  পরে, বসিরহাট স্টেডিয়ামের ভিতরে আনা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা আটকে রাখার পর রাত প্রায় দেড়টা নাগাদ বন্ডে সই করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হল সুকান্ত এবং বিজেপি কর্মীদের।

    সন্দেশখালি যাওয়ার কথা ঘোষণা সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    ছাড়া পাওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “আমাদের দলীয় কর্মীদের আটক করতে পুলিশ যে তৎপরতা দেখালো, শাহজাহান ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গদের ধরতে এ রকম তৎপরতা দেখালে পুলিশকে আজ এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হত না।” তিনি আরও জানান, রাতটা তিনি জেলাতেই কাটাবেন। বুধবার সকালে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেবেন।

    এসপি অফিস ঘেরাও কর্মসূচি নিয়ে রণক্ষেত্র

    সড়ক পথে বাধা দিতে পারে আশঙ্কা করেই বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এদিন লোকাল ট্রেনে দাঁড়িয়ে বসিরহাটে যান। মূল রাস্তা ধরে গেলে বাধার মুখে পড়তে পারেন জেনে সুকান্ত বাইকে চড়ে অলি-গলি ধরে বসিরহাট এসপি অফিসের উদ্দেশে রওনা দেন। আগে থেকে বিজেপি কর্মীরা জমায়েত ছিলেন। এমনিতেই বিজেপির কর্মসূচিকে বানচাল করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। মিছিল করে এসপি অফিসের দিকে রওনা দিতেই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়। পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। এরপরই পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করতে শুরু করে। মহিলা কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়। এমনকী কাঁদানে গ্যাসের একাধিক সেল ফাটানো হয়। গোটা এলাকা কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। পুলিশের নির্বিচারে লাঠিচার্জের প্রতিবাদে সুকান্তর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, দুহাজার কর্মী জমায়েত করে ওরা। পুলিশ কর্মীদের উদ্দেশে ইট, পাথর ছোড়া হয়। তাতে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী জখম হন। এরপরই পুলিশ লাঠিচার্জ করে। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পুলিশ শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করা হয়। বহু কর্মী জখম হয়েছেন। অনেকের পা ভেঙে গিয়েছে। মহিলারা জখম হয়েছে। মমতার পুলিশ এলাকায় সন্ত্রাস চালিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে সন্দেশখালি, তারকা-সাংসদ নুসরতের ফোন ‘সুইচড অফ’

    Sandeshkhali: ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে সন্দেশখালি, তারকা-সাংসদ নুসরতের ফোন ‘সুইচড অফ’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরে অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের লাগামছাড়া অত্যাচারের বিরুদ্ধে ফুঁসছে সন্দেশখালি। মহিলাদের ওপর নির্যাতনের কথা শুনলে হাড়হিম হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে সেখানকারই সাংসদ, একজন মহিলা, তিনি কোথায়? কোথায় বসিরহাটের সাংসদ নুসরত জাহান? সেখানকার মানুষরা এবার সাংসদের বিরুদ্ধেই মুখ খুলছেন। অভিযোগ করছেন, এত সবের পরও নুসরত জাহানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাঁর ফোন সুইচ অফ।

    সাংসদের মোবাইল সুইচড অফ, সরব মহিলারা (Sandeshkhali)

    সাংসদকে নিয়ে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রত্যন্ত গ্রামের মহিলারা বিস্ফোরক সব অভিযোগ করছেন। রাতবিরেতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নিগ্রহেরও অভিযোগ উঠছে। গ্রামের এক মহিলা বলেন, “নুসরত জাহানকে তো ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। ফোন বন্ধ করে রেখেছেন। আমরা তো অন্য পার্টি করি না। আমরা টিএমসি পার্টিই করি। ভোট দিই টিএমসি- কে। না দিলে তো হবে না। আমরা না দিলেও ভোট পড়ে যায়।” সাংসদ গ্রামে শেষ কবে এসেছেন, স্মৃতি হাতড়েও মনে করতে পারছেন না গ্রামের মহিলারা। গ্রামের আরেক মহিলা বলেন, “সাংসদকে আমাদের সমস্যার কথা বলতে গেলে শোনেন না তো! অনেক দিন আগে এসেছেন। দু-তিন বছরেরও বেশি আগে এসেছিলেন। একেবারে বাড়ির মেয়ের মতো আমাদের কাছে এসে কথা বলেন। কাউকে মা সম্বোধন করেছিলেন। সব সময় পাশে থাকার কথা বলেছিলেন। কিন্তু, সমস্যায় পড়লে জানানোর কথা বলেছিলেন। এখন নিজেই ধরাছোঁয়ার বাইরে। আর এক মহিলা বলেন, নিজের জন্য তিনি সাংসদ হয়েছেন। আমাদের মতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে তিনি সাংসদ হয়নি।

    সাংসদ অডিওবার্তায় কী বলেছিলেন?

    সন্দেশখালিজুড়ে (Sandeshkhali) তোলপাড় চলছে। একবারের জন্য এই মাটিতে পা দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করেননি সাংসদ নুসরত জাহান। কেবল অডিও বার্তায় নুসরত বলেছেন, “আমি আগুনে ঘি ঢালব না। আমি সংসদের কাজে দিল্লিতে ছিলাম। কিছুদিন আগে ফিরেছি। দিল্লি থেকে ফিরে নিজের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। তবে, প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছি। প্রশাসনকে সবরকমভাবে সাহায্য করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “কোলের একরত্তিদেরও মারধর করা হয়েছে”, চোয়ালে রক্তের দাগ নিয়ে বিস্ফোরক মহিলা

    Sandeshkhali: “কোলের একরত্তিদেরও মারধর করা হয়েছে”, চোয়ালে রক্তের দাগ নিয়ে বিস্ফোরক মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) প্রতিবাদী মহিলারা তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের নির্মম অত্যাচার এবং শোষণের বিরুদ্ধে আরও বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। মহিলাদের অভিযোগ, “লুট করেছে, শোষণ চালিয়েছে, রাতবিরাতে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নিগ্রহ করেছে। তারা সন্দেশখালির বাইরের লোক।”

    অপরে এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিরোধীরা সন্দেশখালি নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে গেলে পুলিশের সঙ্গে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি এলাকায়। অবশেষে মামলায় হাইকোর্ট থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    অত্যাচারিত মহিলার বক্তব্য (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এক মহিলা তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে বলেন, “গ্রামের বাঁধ নির্মাণের জন্য আমাদের কাছে থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। এই টাকা আমাদের দেওয়ার কথা নয়। আমাদের জীবন জীবিকা রয়েছে। আমরা মার খাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি। আর টাকা না দিলে রাতবিরেতে লোক ঘরে এসে ঢুকে যাবে। তুলে নিয়ে যাবে আমাদের। আমাদের বাড়ির পুরুষ মানুষদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।”

    আর কী অভিযোগ?

    গ্রামের (Sandeshkhali) এক বয়স্ক মহিলা বলেন, “আমরা ১০০০ টাকার কাজ করলে ৫০০ করে টাকা দিত। না দিলে রাতে এসে তুলে নিয়ে যেত। বাড়ির সামনে কোদালের বাঁট মেরে দিয়ে যাচ্ছে। শিবু হাজরা, উত্তম সর্দার আমাদের এলাকার লোক নয়। আমাদের টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। আবার ক্যামেরার সামনে মুখ খুললে আমাদের অত্যাচারের শিকার হতে হচ্ছে। বেছে বেছে টার্গেট করা হচ্ছে। আমার চোয়ালে এখনও রক্তের দাগ লেগে রয়েছে। কোলের একরত্তি বাচ্চাদের পর্যন্ত মারধর করা হয়।” এই প্রসঙ্গে আরও এক মহিলা বলেছেন, “শেখ শাহজাহান কোনও মুসলমান মহিলাদের তুলে নিয়ে যায় না, বেছে বেছে হিন্দু মহিলাদের তুলে নিয়ে যায়।” এদিকে শিবু হাজরা এখনও নিখোঁজ। অপর দিকে উত্তম সর্দার সোমবার জামিন পেলেও রাতে আবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আবার তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানের অবশ্য দাবি, “আমার কাজ আগুনে ঘি ঢালা নয়। আমি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। প্রশাসনকে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share