Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Enforcement Directorate: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, রথীন্দ্রনাথ দে-কে সিজিওতে তলব ইডির

    Enforcement Directorate: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, রথীন্দ্রনাথ দে-কে সিজিওতে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজ্যের চারটি জায়গায় একশো দিনের কাজের দুর্নীতিতে তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate)। মুর্শিদাবাদের রথীন্দ্রনাথ দে-র বাড়িতে চলে ব্যাপক তল্লাশি। সেই সঙ্গে সাত ঘণ্টা চলেছে টানা জেরা। ইডি সূত্রে খবর, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার হয়েছে। ফের তাঁকে আগামী শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই দিন সকাল ১০টায় হাজিরা দিতে হবে। উল্লেখ্য, রাজ্যে ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতি নিয়ে ক্যাগ রিপোর্ট দিয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু বক্তব্য, “তৃণমূল এখন ক্যাগ আতঙ্কে ভুগছে”।

    ইডি সূত্রে খবর (Enforcement Directorate)

    ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বেলডাঙা ১ ব্লকের বিডিও বিরূপাক্ষ মিত্র এই পঞ্চায়েত কর্মীর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ তুলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তখন অবশ্য রথীন্দ্র বেলডাঙা-১ এর সুজাপুর-কুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যণ্ট পদে কাজ করেছিলেন। উল্লেখ্য, এই অভিযোগের ভিত্তিত্বে তাঁকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এই সূত্র ধরেই তাঁর বহরমপুরের বাড়িতে মঙ্গলবার সারাদিন ব্যাপী চলে তল্লাশি। এবার বোন ইতি চট্টোপাধ্যায়কেও কলকাতায় সিজিও কমপ্লেক্সে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার হয়েছে তল্লাশি

    গতকাল মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের মধুপুরের কালীবাড়ি এলাকায় রাজ্যের দুই সরকারি কর্মীর বাড়িতে ইডি (Enforcement Directorate) কর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একশো দিনের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত কর্মী এবং অপর ব্যক্তি হলেন মুর্শিদাবাদ জেলার মনরেগা প্রকল্পের বর্তমান নোডাল অফিসার সঞ্চয়ন পান।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    গতকাল ইডির (Enforcement Directorate) তদন্ত নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে শশী পাঁজা বলেছেন, “শুভেন্দু দিল্লিতে একাধিক মন্ত্রক এবং মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এসেছেন। আলোচনার বিষয় সম্পর্কে কিছুই বলেননি। অথচ ঠিক পরের দিন থেকেই ইডি সক্রিয় হয়ে পড়েছে। আগামী দিনে কী ইডি পরিচালনা করবে? আসলে ২০২১ সালে বিধানসভায় হারার পর থেকেই বিজেপি  প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে।”    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: স্বর্ণ ব্যবসায়ীর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা, পুলিশ কী করছে?

    Malda: স্বর্ণ ব্যবসায়ীর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা, পুলিশ কী করছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার রানাঘাটে সোনার দোকানে ডাকাতি করার ঘটনা সকলের জানা। পুলিশের সঙ্গে প্রকাশ্যে গুলি বিনিময় হয়েছিল দুষ্কৃতীদের। এছাড়া বারাকপুর, খড়্গপুর সহ একাধিক জায়গায় সোনার দোকান হানা দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। প্রতিটি ঘটনায় দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করা গেলেও অপরাধে লাগাম টানা যাচ্ছে না। এবার মালদায় (Malda) এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী দুষ্কৃতীদের খপ্পরে পড়েন। মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সোনার দোকানের এক ব্যবসায়ীর থেকে লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না লুট করে পালায় দুষ্কৃতীরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    জানা গিয়েছে, মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিঝট কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় কমল ঠাকুর নামে এক সোনার ব্যবসায়ীর থেকে লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই করে দুষ্কৃতীরা। কমলবাবুর দোকান বাংলা-বিহার সীমান্তবর্তী তেঁতুলচকে অবস্থিত। মঙ্গলবার নিজের সোনার দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ছিনতাইয়ের শিকার হন। ছিনতাইকারীরা দলে তিনজন ছিল বলে জানান ওই ব্যবসায়ী। গোটা বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন কমল ঠাকুর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে আড়াই ভরি সোনা, ৩০ ভরি রূপো এবং নগর ৩০ হাজার টাকা।

    ব্যবসায়ী কী বললেন?

    ব্যবসায়ী  কমল ঠাকুর বলেন, “রোজের মতো দোকান বন্ধ করে বাড়ি আসছিলাম। তখনই আমার পথ আটকায় বাইক নিয়ে আসা দুষ্কৃতীরা। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার মাথায় বন্দুক ধরে যা ছিল সব নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশকে জানানো হয়েছে গোটা বিষয়টা। এখন দেখা যাক কী হয়।” প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর মালদার চাঁচল থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে একটি বড় সোনার দোকানে ডাকাতি হয়। প্রচুর গয়না লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় ঝাড়খণ্ডের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তারপর তদন্তে নামে সিআইডি। এরপর হবিবপুরেও একটি গয়নার দোকানে ডাকাতি হয়। সেই ঘটনার পর তালিকায় যোগ হল এবার হরিশচন্দ্রপুরের নাম। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: শিল্পতালুকে কাজ চেয়ে আক্রান্ত স্থানীয়রা, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Durgapur: শিল্পতালুকে কাজ চেয়ে আক্রান্ত স্থানীয়রা, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রমিক নিয়োগকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দুর্গাপুরের (Durgapur) পানাগড় শিল্প তালুকের  রাষ্ট্রায়ত্ব তেল সংস্থার বটলিং প্লান্ট চত্বর। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ উঠল ব্লক নেতৃত্বদের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানতে পেরে বুদবুদ থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে, স্থানীয়দের বাধায় কাজ করতে বাধা পান ঠিকাদার সংস্থা। স্থানীয়রা তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। আর ঠিকাদারের হয়ে ব্লক নেতৃত্ব দালালি করতে আসে বলে অভিযোগ। তারা হামলা চালায়। ফলে, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Durgapur)

    জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের (Durgapur) পানাগড় শিল্পতালুকে বটলিং প্লান্টে নতুন ঠিকাদার সংস্থা কাজের বরাত পেয়েছে। বুধবার বহিরাগত শ্রমিকদের দিয়ে কাজ শুরু করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। বিষয়টি জানতে পেরে এলাকার লোকজন জোটবদ্ধ হয়ে কারখানার সামনে জড়ো হন। তাঁরা বহিরাগতদের কার্যত ঢুকতে বাধা দেন। এরপরই ঠিকাদারের হয়ে দাঁড়ান তৃণমূলের ব্লক নেতৃত্ব। ব্লক নেতৃত্বে পক্ষ থেকে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় চারজন জখম হন। স্থানীয়দের বক্তব্য, কারখানায় বহিরাগতদের নিয়ে এসে কাজ করাচ্ছে ঠিকাদার। আমরা সবাই তৃণমূল করি। অথচ আমাদের কাজ না দিয়ে বাইরের লোকজনকে দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। এটা আমরা মেনে নেব না। তাই, আমরা বাধা দিতে গেলে ওরা হামলা চালায়। আসলে ঠিকাদারের হয়ে তৃণমূলের একাংশ দালালি করতে এসেছে। ওরা হামলা চালিয়েছে।

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল নেতা জগবন্ধু বাউরি বলেন, নিয়ম মেনে ঠিকাদার কাজের বরাদ পেয়েছেন। তিনি কাজ করতে এলে কিছু মানুষ তাদের বাধা দেয়। আর বহিরাগতদের যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়। এটা মেনে নেওয়া যায় না। সামান্য উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। পরে, তা মিটে গিয়েছে। আমরা চাই, যে ঠিকাদার কাজ পেয়েছেন, তিনি যাতে সুষ্ঠভাবে কাজ করতে পারেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা রমণ শর্মা বলেন, শিল্পতালুকে গোষ্ঠী কোন্দলে নতুন নয়। আর টাকার বিনিময়ে কারখানায় নিজের লোক ঢোকানো হয়। বিরুদ্ধ গোষ্ঠীদের ঢুকতে দেওয়া হয় না। এবার সেই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূলের কোন্দলের জেরে প্লান্টের কাজ না বন্ধ হয়ে যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: পুলিশি সন্ত্রাসের অভিযোগ, ওসির বিরুদ্ধে এফআইআর-এর দাবি করলেন শুভেন্দু

    Purba Medinipur: পুলিশি সন্ত্রাসের অভিযোগ, ওসির বিরুদ্ধে এফআইআর-এর দাবি করলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের বিরুদ্ধে ফের সন্ত্রাসের অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, “ওসির বিরুদ্ধে জাতীয় তফশিলি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান অরুণ হালদারের কাছে এফআইআর করার দাবি জানাবো।” পুরাতন মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে গিয়ে বিজেপি সমর্থক পরিবারকে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠল খোদ ওসির বিরুদ্ধেই। ঘটনা ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) ভগবানপুর-২ ব্লকের জুখিয়া পঞ্চায়েতের এক্তারপুর গ্রামে।

    ঘটনা কী ঘটেছিল (Purba Medinipur)?

    গত রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) এক্তারপুর গ্রামের ভূপতিনগর থানার পুলিশ গত বছর এলাকায় ঘটা একাধিক অশান্তির ঘটনায় বিজেপির স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সুজিত দেবনাথকে অভিযুক্ত করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। পুলিশ এরপর সোমবার দুপুরে এলাকায় তল্লাশি করে। শুধু তাই নয় এলাকার আরও দুই বিজেপি নেতা অনুপ দেবনাথ এবং মঙ্গল দেবনাথ নামক দুই ব্যক্তির বাড়িতে পুলিশ হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশ পরিবারের মানুষের খাবার ছুড়ে ফেলে দেয়। বাধা দিতে গেলে বাড়ির মহিলাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে পুলিশ।

    স্থানীয় বিজএপির বক্তব্য

    এলাকার (Purba Medinipur) বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে শাসক দল তৃণমূল পুলিশকে কাজে লাগিয়ে বিজেপির রাজনৈতিক কর্মসূচিকে বন্ধ করার চেষ্টা করছে। চক্রান্ত করে বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। ভূপতিনগর থানার ওসি গোপাল পাঠক, বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেছে। পুলিশ পরিবারের খাবারের থালা ছুড়ে মেরেছে।”

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    ঘটনার তীব্র নিন্দা করে নিজের এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যের দলিতেরা সুরক্ষিত নন। মমতার পুলিশ আইন ভেঙে তফশিলি জাতির মানুষের উপর হামলা করেছে। মারধর করা হয়েছে। অনুপ দেবনাথ ও মঙ্গল দেবনাথের বাড়ির মহিলাদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করেছে। এটা একটা সংগঠিত অপরাধ। ওসির (Purba Medinipur) বিরুদ্ধে এফআইআর করার দাবি জানাই।” উল্লেখ্য আজ বুধবার আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতে যান শুভেন্দু।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় পুলিশের পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের জেলা (Purba Medinipur) সভাধিপতি বলেন, “এলাকায় যারা সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করছে, পুলিশ তাদের ধরতে অভিযান চালিয়েছে। বিধায়ক এবং বিরোধী দলনেতার অভিযোগ মিথ্যা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ফের কাজল-কেষ্ট দ্বন্দ্ব, মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর, নিন্দার ঝড়

    Birbhum: ফের কাজল-কেষ্ট দ্বন্দ্ব, মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর, নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডলের গুরুত্ব বাড়তে শুরু করে বীরভূমে (Birbhum)। কেষ্টর অনুগামীরা চাঙা হয়ে ওঠেন। জেলার কোর কমিটি থেকে বাদ দিয়ে কেষ্ট বিরোধী গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে পরিচিত কাজল সেখের ডানা ছাঁটা হয়। কিন্তু তারপরও শিক্ষা হয়নি! ফের অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। কাঠগড়ায় কাজল শেখের অনুগামীরা। সূত্রের খবর, হাতাহাতিতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা নানুরের থুপসারা অঞ্চলের ব্রাহ্মণখণ্ড গ্রামে। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    কেন হামলা? (Birbhum)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমে (Birbhum) কাজল-কেষ্ট বিবাদ নতুন নয়। মুকুল শেখ নামে এক তৃণমূল কর্মী কেষ্ট অনুগামী হিসেবে পরিচিত। কাজল শেখের অনুগামীদের সঙ্গে তিনি মেলামেশাও করেন না। কাজলের হয়ে তিনি কেন কাজ করেন না, এটাই তাঁর অপরাধ। আর সেই জন্যই তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। কাজল অনুগামীদের হামলায় আহত হয়েছেন মুকুল শেখ। তিনি আবার থুপসরা পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য। অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী সরিনা বিবিকেও বাঁশ-লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারা হয়েছে। হামলার জেরে ফেটেছে মাথা। হাতও ভেঙে গিয়েছে সরিনা বিবির। ছাড় পায়নি তাঁদের দুই মেয়ে। সব থেকে নির্মম ঘটনা হচ্ছে, তৃণমূল কর্মীর দুই মেয়ে এবার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। কাজল অনুগামীরা তাদের মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। তাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়। দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী চরম আতঙ্কিত। তারা ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছে। পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে এই ধরনের আচরণের নিন্দা করেছেন সকলে। থুপসারা অঞ্চলের যুব নেতা সেখ আজাহার, থুপসারা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জামরুল শেখ ও তৃণমূল নেতা আলম শেখের নেতৃত্বে এই মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। আহতের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় নানুর থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে কাজল শেখ কোনও মন্তব্য করতে চাননি। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বাইকের ইঞ্জিন দিয়েই তৈরি করলেন প্যারাগ্লাইডার! আকাশে ওড়ার স্বপ্নপূরণ রাজমিস্ত্রির

    Nadia: বাইকের ইঞ্জিন দিয়েই তৈরি করলেন প্যারাগ্লাইডার! আকাশে ওড়ার স্বপ্নপূরণ রাজমিস্ত্রির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোটবেলা থেকেই শখ ছিল নিজের হাতে এমন কিছু তৈরি করবেন, যা দিয়ে আকাশে উড়তে পারবেন। একই সঙ্গে মাটিতেও দিব্যি ঘুরতে পারবেন। মনের মধ্যে অদম্য ইচ্ছে আর চেষ্টা থাকলে স্বপ্ন একদিন সত্যি হয়। মধ্যবিত্তের সেই আকাশছোঁয়ার গল্প সফল করলেন নদিয়ার (Nadia) পার্থ মণ্ডল। দীর্ঘ ৬ বছরের চেষ্টায় ২৪ বছরের যুবক ইউটিউবের সাহায্য নিয়ে তৈরি করে ফেললেন প্যারাগ্লাইডার।

    কী বললেন যন্ত্রের আবিষ্কারক? (Nadia)

    নদিয়ার (Nadia) ধানতলা থানার দলুয়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা পার্থ মণ্ডল। পেশায় রাজমিস্ত্রি। নিজের তৈরি করা প্যারাগ্লাইডারে চেপে দিব্যি আকাশ-মাটিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। এবার নিজের তৈরি করা প্যারাগ্লাইডার অতি দ্রুত বাজারজাত করে সফল ব্যবসায়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন পার্থ। বর্তমানে প্যারাগ্লাইডারে রয়েছে শুধুমাত্র চালকের আসন। ভবিষ্যতে পাশে বসার আরও একটি আসন তৈরির করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। এখনও পর্যন্ত পেট্রল চালিত গোটা যন্ত্রটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে আনুমানিক দু’লক্ষ টাকা। পার্থ বলেন, ইউটিউবে প্রথম প্যারাগ্লাইডার তৈরি করা দেখি। তারপর ধীরে ধীরে তা তৈরি করা শুরু করি। অনেকবার অসফল হয়েছি। কিন্তু, হার মানতে রাজি হইনি। বার বার চেষ্টা করে ৬ বছর পর অবশেষে আমার স্বপ্নপূরণ হল।

    ৮০ কেজি ওজনের প্যারাগ্লাইডারে দিব্যি উড়ছেন পার্থ

    জানা গিয়েছে, ২২০ সিসি মোটরবাইকের একটি ইঞ্জিন, সাধারণ মোটরের দু’টি প্রোপাইলার আর তার সঙ্গে ছোটখাট যন্ত্রপাতি মিলিয়ে মোট ৮০ কেজি ওজনের একটি প্যারাগ্লাইডার তৈরি করা হয়েছে। সড়ক ও আকাশপথে চলতে সক্ষম তৈরি ওই প্যারাগ্লাইডার। নিজের গ্রামের পথে এবং আকাশে ওই প্যারাগ্লাইডার চেপে ঘুরেও বেড়াচ্ছেন পার্থবাবু। এলাকার যুবকের এই কর্মকাণ্ড দেখে খুশি এলাকাবাসীরা। এই অভিনব আবিষ্কার দেখতে প্রতিদিনই প্রায় মানুষের ভিড় জমচ্ছে পার্থের বাড়িতে। আর নিজের হাতে স্বপ্নপূরণ করতে পেরে খুবই খুশি পার্থবাবু।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: দেড় ফুট লম্বা, মাত্র ১৫ কেজি ওজনের সঞ্চিতা এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

    South 24 Parganas: দেড় ফুট লম্বা, মাত্র ১৫ কেজি ওজনের সঞ্চিতা এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে সঙ্গে নিয়েই জীবনের বড় পরীক্ষায় বসল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপের সঞ্চয়িতা গিরি, সুজয় দাস, মুক্তা দাসেরা। তিনজনই কাকদ্বীপের অক্ষয়নগর জ্ঞানদাময়ী বিদ্যাপীঠের পড়ুয়া। এবছর তাদের মাধ্যমিকের সিট পড়েছে অক্ষয়নগর কোমরনারায়ণ হাইস্কুলে। অদম্য ইচ্ছাশক্তির কাছে হার মানল শারীরিক অক্ষমতা। এলাকায় খুশির আবহ।

    মাত্র ১৫ কেজি ওজনের পরীক্ষার্থী (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) অক্ষয়নগর গ্রামের বাসিন্দা সঞ্চয়িতার উচ্চতা মেরেকেটে এক থেকে দেড় ফুট। ওজন ১৫ কেজি। জন্ম থেকেই অসুখ-বিসুখে জর্জরিত। অভাবের সংসারে যথাযথ চিকিৎসাও মেলেনি। তবু অদম্য ইচ্ছার জোরেই সে এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। তাই সেই মতো দিচ্ছে অন্যান্য স্বাভাবিক পরীক্ষার্থীদের মতোই পরীক্ষা। সঞ্চয়িতার বাবা পেশায় দিনমজুর। এর মধ্যেই মেয়ের এই অদম্য ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিতে প্রতিদিন দাদার কোলে, মায়ের কোলে করেই পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে সঞ্চয়িতা। অন্যদিকে সঞ্চয়িতা পড়াশোনার পাশাপাশি খুব সুন্দর অঙ্কন করে থাকে। ইতিমধ্যেই জেলায় বিশেষভাবে সক্ষমদের প্রতিযোগিতায় সে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। সঞ্চয়িতা চায় পড়াশোনার পাশাপাশি বড় হয়ে চিত্রশিল্পী হবে।

    মূক ও বধির পড়ুয়া মাধ্যমিক দিচ্ছে

    অন্যদিকে কাকদ্বীপের (South 24 Parganas) বাসিন্দা মুক্তা দাস মূক ও বধির। ছোটবেলাতেই এই প্রতিবন্ধকতা ধরা পড়ে তার। অনেক চিকিৎসা করেও মেলেনি কোনও সুরাহা। মেয়ের লেখাপড়া নিয়ে সংশয় ছিল পরিবারের লোকজনের। তবে হাল ছাড়েনি মুক্তা। পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছে নিজের উদ্যোগেই। সেও এবার সবার মতোই দিচ্ছে জীবনের বড় মাধ্যমিক পরীক্ষা। অন্যদিকে মুক্তাকে কষ্ট করে পড়াশোনা করতে হলেও তার হাতের লেখা নাকি অত্যন্ত সুন্দর।

    স্নায়ুর সমস্যা নিয়েও পরীক্ষার্থী

    সুজয় দাস জন্ম থেকেই বিকলাঙ্গ, হাঁটাচলা করতে পারে না। লাঠি ধরে চলাফেরা করতে হয় তাকে। ছোট থেকেই স্নায়ুর সমস্যা তার। তিনবার অস্ত্রোপচার হয়েছে। সুজয়ের বাবা পেশায় একজন মৎস্যজীবী। অনেক কষ্ট করে অভাবের মধ্যেই পড়াশোনা করতে হয়েছে সুজয়কে। কিন্তু তার মধ্যেও জীবনের অদম্য ইচ্ছাশক্তির কাছে হার মেনেছে প্রতিবন্ধকতা। তবে এই বিষয়ে অক্ষয়নগর জ্ঞানদাময়ী বিদ্যাপীঠের (South 24 Parganas) প্রধান শিক্ষক আশিষকুমার মাইতি বলেন, “আমরা গর্বিত তাদের এই অদম্য ইচ্ছার কাছে। আর পাঁচজনের মতোই তারা পরীক্ষা দিচ্ছে এবং আশানুরূপ ফলও করবে বলে তাদের উপর ভরসা রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: তৃণমূলের দ্বন্দ্বে তালাবন্ধ উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, এক বছর পর হুঁশ ফিরল প্রশাসনের

    Durgapur: তৃণমূলের দ্বন্দ্বে তালাবন্ধ উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, এক বছর পর হুঁশ ফিরল প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার দখলে থাকবে উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তাই নিয়ে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব। আর ওই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে দীর্ঘ এক বছর ধরে তালাবন্ধ উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র। তার জেরে পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছিলেন প্রসূতি ও যক্ষারোগীরা। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তালা ভাঙতে দৌড়তে হল বিডিওতে। এমনই নজিরবিহীন ঘটনাে ঘটেছে দুর্গাপুর (Durgapur) মহকুমার বুদবুদের দেবশালা অঞ্চলের পশ্চিম চণ্ডীপুরে।

    তৃণমূলের কোন্দলে তালা ঝুলেছিল উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে! (Durgapur)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরখানেক আগে আউশগ্রাম জঙ্গলমহলবাসীর সুবিধার্থে দুর্গাপুর (Durgapur) মহকুমার বুদবুদের দেবশালার কাঁকোড়ায় পশ্চিম চণ্ডীপুরে উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি তৈরি করা হয়। সেখানে দেবশালা অঞ্চলের কাঁকোড়া, কলমডাঙা, সহ ১০ টি গ্রামের প্রায় ৪ হাজার মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা পেতেন। মূলত প্রসূতি, বয়স্ক ও যক্ষা রোগীরা বেশী উপকৃত হতেন। গত ২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারি উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, এলাকাটি জঙ্গলমহল। অনগ্রসর সম্প্রদায়ের বসবাস। সরকারি ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির একাংশ দখল করে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব ক্লাবঘর করতে চেয়েছিল। তাই নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিবাদের জেরে তালা ঝুলে যায়। অভিযোগ, উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি কার দখলে থাকবে তা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ শুরু হয়েছিল। বিবাদের জেরে শেষ পর্যন্ত তালা ঝুলে যায় উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। তার জেরে চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন সাধারণ মানুষ। বিপাকে পড়েন গর্ভবতী মা’য়েরা ও যক্ষা রোগীরা। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার আউশগ্রাম-২ বিডিও চিন্ময় দাস বুদবুদ থানার পুলিশকে নিয়ে দেবশালা অঞ্চলের পশ্চিম চন্ডিপুর উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে  আসেন। তালা ভেঙে দেওয়া হয়।

    স্বাস্থ্যকর্মী কী বললেন?

    পশ্চিম চন্ডিপুর উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মী সোমা ঘোষ জানান, খুব অসুবিধে হচ্ছিল। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলারা সমস্যায় পড়ছিলেন। নিয়মিত ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। যক্ষা রোগীদের জামতাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ওষুধের ব্যবস্থা করা হচ্ছিল। ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে ফের পরিষেবা চালু হল।

    উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল কংগ্রেসের আউশগ্রাম-২ ব্লক সভাপতি আব্দুল লালন বলেন, “দল কখনই এধরনের কাজে মদত দেয় না। যারা তালা ঝুলিয়েছিল, তারা সমাজবিরোধী।” বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলার ওবিসি মোর্চার সহ সভাপতি সৌমেন পাত্র বলেন,” তৃণমূলের কোন্দলের জন্য ভুগতে হয় সাধারণ মানুষকে। এটা অমানবিক, বেদনাদায়ক ঘটনা। আশ্চর্যের বিষয়, বহু আবেদনের পর বন্ধ তালা ভাঙতে পুলিশ-প্রশাসনের এক বছর সময় লাগল। শাসকদলের কাছে কত’টা অসহায় পুলিশ ও প্রশাসন, এটা তারই প্রমাণ।”

    এবার তালা মারলে কড়া ব্যবস্থা

    আউশগ্রাম-২ নম্বর ব্লকের বিডিও চিন্ময় দাস বলেন, “কে বা কারা তালা ঝুলিয়েছিল, পুলিশকে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলেছি। এরপর যদি কেউ তালা মারে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে, তাহলে তার বা তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপি প্রার্থীর রহস্যমৃত্যুর তদন্ত, আদালতে ভর্ৎসিত রাজ্য পুলিশ

    South 24 Parganas: বিজেপি প্রার্থীর রহস্যমৃত্যুর তদন্ত, আদালতে ভর্ৎসিত রাজ্য পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কলকাতা হাইকোর্টে ভর্ৎসিত রাজ্য পুলিশ। মঙ্গলবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থীর রহস্যমৃত্যু নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে মামলার শুনানি ছিল। বিচারক পুলিশি তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। প্রয়োজনে অন্য তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তভার দেওয়ার কথা তিনি বলেন। মূলত পুলিশি তদন্তে ওপর বিচারকের যে ভরসা নেই, তা এদিনের স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন।

    আদালতের কী পর্যবেক্ষণ? (South 24 Parganas)

    জানা গিয়েছে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas)  বিষ্ণুপুর ১ ব্লকের দড়িকাওয়াডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০৯ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী হয়েছিলেন ভোলানাথ মণ্ডল। নির্বাচনের পর ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়। পরিবার ও বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, তৃণমূলের মারের ফলেই মৃত্যু হয়েছে ভোলানাথের। যদিও হাসপাতালের তরফে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে বলা হয়, লিভারজনিত সমস্যার কারণেই মৃত্যু হয়েছে ভোলানাথের। যদিও হাইকোর্টে সেই রিপোর্টের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এদিন সেই মামলার শুনানি ছিল। এদিনের শুনানিতে বিচারপতি বলেন, “একজন চিকিৎসকের ১৬১ ধারায় পুলিশ জবানবন্দি নিয়েছে। কিন্তু, সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে মামলাকারীর।” মামলাকারীর বক্তব্য, বয়ান গ্রহণের কোনও ভিডিয়ো রেকর্ডিং করা হয়নি। কেন করা হয়নি সেটা স্পষ্ট নয়। তদন্তকারী অফিসার, ডিএসপিকে স্বচ্ছভাবে ভরসাযোগ্য তদন্ত করতে হবে। মামলাকারীদের প্রশ্নে যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে, তাই পুলিশ স্বচ্ছভাবে, বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত করে আগামী শুনানিতে রিপোর্ট দেবে। না হলে অন্য এজেন্সিকে তদন্তের দায়িত্ব দেবে আদালত।”বিচারপতি জানিয়ে দিয়েছেন, এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ মার্চ। তার আগে মামলাকারী তাঁদের যাবতীয় অভিযোগ নিয়ে হলফনামা জমা দেবে।

    মামলাকারীর আইনজীবী কী বললেন?

    মামলাকারীর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার বলেন, “চিকিৎসক থেকে সাক্ষী সবাইকে পুলিশ নিজের মতো করে বয়ান বলিয়ে নিয়েছে। তাই ভিডিয়োগ্রাফ করা হয়নি। আর ঠিক একই কারণে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়নি। উল্টে সাক্ষীদের ভয় দেখাতে কোনও কারণ ছাড়াই নোটিস পাঠিয়ে চাপে রাখছে পুলিশ।

    রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতকে কী বলা হল?

    রাজ্যের তরফে অবশ্য বলা হয়, “কোর্টের নির্দেশ মতো আমরা সব তদন্ত করছি। এখানে একটা অসুস্থ লোকের মৃত্যুকে রাজনীতির মোড়ক দিতে গিয়ে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: তৃণমূলের দুর্নীতি বোঝাতে হাইকোর্টে ইডি’র আইনজীবীর মুখে সোনার কেল্লা, ফেলুদা প্রসঙ্গ

    Abhishek Banerjee: তৃণমূলের দুর্নীতি বোঝাতে হাইকোর্টে ইডি’র আইনজীবীর মুখে সোনার কেল্লা, ফেলুদা প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কোম্পানি লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের আরও সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টে একই কথা জানাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। অপর দিকে প্রাথমিকে শিক্ষক-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন করলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। তদন্তের প্রক্রিয়ায় একদম সন্তুষ্ট নন তিনি। ফলে চাপ বাড়ল ইডি’র। মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ মার্চ।

    হাইকোর্টে ইডির বক্তব্য (Abhishek Banerjee)

    আজ হাইকোর্টে ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী তৃণমূল সাংসদ অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সম্পত্তি সম্পর্কে জানিয়ে বলেন, “আরও কিছু সম্পত্তি চিহ্নিত করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধও নিশ্চিত করার কাজ চলছে। এক অভিযুক্তের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার জন্য দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। তা এলেই তদন্তের আরও অগ্রগতি ঘটবে।”

    কী বললেন বিচারপতি?

    বিচারপতি অমৃতা সিনহা এদিন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার (Abhishek Banerjee) দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তকারী অফিসারদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “এভাবে সময় চলে গেলে প্রত্যেকে তদন্তের বাইরে চলে যাবে। তখন আর কিছু পাবেন না। এত দিনের সব পদক্ষেপ কাজে লাগবে না। আর কত দিন লাগবে?” উত্তরে আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী বলেন, “প্রত্যেক পদক্ষেপে আমরা মামলায় জড়িয়ে পড়ছি। যে কোনও নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।” আবার বিচারপতি বলেন, “আপনারা কি মনে করছেন খুব সহজ? অপারাধ যত সামনে আসবে, এই ধরনের মামলার চাপ আরও বাড়বে।” আবার উত্তরে আইনজীবী বলেন, “আমরা সিঙ্গল বেঞ্চ থেকে সুপ্রিম কোর্টে লড়াই করছি। আমাদের নখ, দাঁত বের করে লড়াই করছি। পরবর্তী শুনানির দিন আমরা বিস্তারিত রিপোর্ট দেব।”

    সিবিআই-এর মুখে ‘সোনার কেল্লা’

    তৃণমূল নেতাদের (Abhishek Banerjee) দুর্নীতি নিয়ে সত্যজিৎ রায়ের সোনার কেল্লার উদাহরণ টেনে আইনজীবী বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে বলেন, “এখানে আমার সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত সোনার কেল্লার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। সেখানেও গোয়েন্দারা যখন সোনার কেল্লায় যাচ্ছেন, তখন তাঁদের কাঁটা বিছানো পথ পেরিয়ে যেতে হয়েছিল। তাঁরা (ফেলুদা) সত্য অনুসন্ধান করতে পেরেছিলেন। এখানে দুর্নীতির মামলায় আমরাও আশাবাদী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share