Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Dakshin Dinajpur: মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগেই কেলেঙ্কারি! রাস্তায় হাত দিতেই উঠে যাচ্ছে সিমেন্ট-বালি!

    Dakshin Dinajpur: মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগেই কেলেঙ্কারি! রাস্তায় হাত দিতেই উঠে যাচ্ছে সিমেন্ট-বালি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২ বছর পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur) যাচ্ছেন। আগামী মঙ্গলবার তাঁর সভা। বালুরঘাট পুরসভার পক্ষ থেকে ব্যস্ততার সঙ্গে রাস্তা সারাই করার কাজ চলছে। কিন্তু নির্মাণকাজের জন্য ব্যবহার করা সামগ্রী অত্যন্ত নিম্নমানের বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে উঠেছে পুরসভার বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগও। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। উল্লেখ্য খারাপ সামগ্রী ব্যবহারের কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন কাউন্সিলর শিপ্রা খাঁ।

    ১০ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তা (Dakshin Dinajpur)

    বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের নেপালীপাড়া এলাকায় বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। এলাকার মানুষের মূল অভিযোগ, ‘নতুন রাস্তা থেকে পুরাতন রাস্তা অনেক ভালো ছিল। রাস্তাটি আবার তৈরি করে দিতে হবে। রাস্তার উপরের দেওয়া মশলা এমনি এমনি উঠে যাচ্ছে। রাস্তার মধ্যে হাত দিলে সিমেন্ট, বালি, পাথর, উঠে যাচ্ছে।” অভিযোগ শুনে পুরসভার পক্ষ থেকে বলা হয়, অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    রাস্তার জন্য ৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে

    বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) পুরসভার পক্ষে এই রাস্তার জন্য ৮ লক্ষ টাকা বারদ্দ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু এই রাস্তার সিমেন্ট-পাথর-বালি এখনও পর্যন্ত জামাট বাঁধেনি। মোট ৪ ইঞ্চি ঢালাই রাস্তা হওয়ার কথা ছিল কিন্তু তা করা হয়নি। ঠিক কত টাকার রাস্তা, সেই বিষয়ে কোনও রকম পোস্টার দিয়ে জনসাধারণকে জানানো হয়নি। ফলে এখানেই টাকা নয়ছয় করে কাটমানির অভিযোগ জোরালো হয়েছে। রাস্তায় চলাচল তো দূরের কথা, হাত দেওয়া মাত্রই সব উঠে যাচ্ছে।

    কী বললেন কাউন্সিলর?

    বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) পুরসভার কাউন্সিলর শিপ্রা খাঁ বলেন, “রাস্তা নির্মাণে খারাপ মানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি ইঞ্জিনিয়ারকে দেখালে রাস্তা কেন এমন হল সেই কারণ খুঁজে পাওয়া যাবে।” আবার পুরসভার চেয়ারম্যান আশোককুমার মিত্র বলেন, “রাস্তায় নির্মাণ সামগ্রীর বিষয়টি নজরে আসেনি। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে। যদি তেমন কোনও ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে ঠিক হয়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: রানাঘাট মাতৃভূমি লোকাল ট্রেনে চালু হচ্ছে এসি কোচ! কী কী সুবিধা রয়েছে জানেন?

    Ranaghat: রানাঘাট মাতৃভূমি লোকাল ট্রেনে চালু হচ্ছে এসি কোচ! কী কী সুবিধা রয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মাতৃভূমি স্পেশাল ট্রেনে আধুনিক পরিষেবা সংযোজিত হল। এবার থেকে এই ট্রেনে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত দুটি কামরা থাকবে। গরমকালে এসি পরিষেবা পাবেন যাত্রীরা। তবে, বিশেষ এই কামরায় উঠতে যাত্রীদের সামান্য বেশি ভাড়া গুনতে হবে। আর মহিলা যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ এই ট্রেনের কামরার সংখ্যাও বাড়ানো হল। রবিবার নতুন পরিষেবা যুক্ত মাতৃভূমি স্পেশাল ট্রেনের উদ্বোধন করেন সাংসদ জগন্নাথ সরকার। উপস্থিত ছিলেন শিয়ালদার  ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার দীপক নিগম। এই ট্রেনটিতে মিলবে একাধিক যাত্রী পরিষেবা। এদিন সকাল ১০:৪৫ মিনিট নাগাদ রানাঘাট (Ranaghat) পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনটি ছাড়়ে।

    মাতৃভূমি ট্রেনে কী কী সুবিধা রয়েছে? (Ranaghat)

    এই ট্রেনটিতে রয়েছে দুটি স্পেশাল কামরা। রয়েছে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণি। এছাড়াও জনসাধারণের জন্য জেনারেল কামরা রয়েছে। প্রথম শ্রেণির কোচের আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা সহ সিসিটিভি ক্যামেরা, নিরাপত্তা, মোবাইল চার্জিং ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও একাধিক সুবিধা রয়েছে। এর আগেও রানাঘাট (Ranaghat) থেকে শিয়ালদা মাতৃভূমি ট্রেন চলত। কিন্তু, সেই ট্রেনটিতে ছিল মূলত নয়টি কামরা। এবার ট্রেনের কামরা সংখ্যা বাড়িয়ে করা হল ১২টি। দুটি কামরা স্পেশাল করা হয়েছে। যেখানে রয়েছে উন্নত মানের বসার চেয়ার এবং নিরাপত্তার কারণে রাখা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে ভবিষ্যতে আরও উন্নত করা হবে এই ট্রেনগুলিকে। এক মহিলা যাত্রী বলেন, আগে ৯ কামরা ছিল। এবার ১২টি কামরা করা হয়েছে। শুধু মহিলাদের জন্য আরও গুরুত্ব দিয়ে পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    ট্রেন উদ্বোধনের শেষে বিজেপি সংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, লোকাল ট্রেনে এসি কামরার সুবিধা পূর্ব ভারতে প্রথম। ইস্টার্ন রেলওয়ে এই প্রথম লোকাল ট্রেনে এই ধরনের পরিষেবা চালু করেছে। মুম্বইয়ের পর দ্বিতীয় এই ট্রেন। সপ্তাহে রবিবার বাদে প্রতিদিনই রানাঘাট (Ranaghat) স্টেশন থেকে ৭:৪৫ মিনিটে শিয়ালদাগামী এই ট্রেন ছাড়বে। আমি অত্যন্ত খুশি ইস্টার্ন রেলওয়ের এই উদ্যোগে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চাইলে মোদির কাছে আসতে হবে”, বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চাইলে মোদির কাছে আসতে হবে”, বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যে কোনও সুস্থ মাথার মানুষ যাঁরা রাজনীতি এবং মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চান, তাঁদের নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এসে কাজ করতে হবে।” রবিবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের প্রসঙ্গ টেনে ইন্ডি জোটকে কড়া সমালোচনা করে মমতাকে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের টেট এবং শিক্ষক দুর্নীতি প্রসঙ্গে একাধিক বিষয়ে সরকারকে নিশানা করলেন তিনি।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের বক্তব্য শোনার পর নন্দীগ্রামে আজ বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “ইন্ডি জোট হল ছন্নছাড়া দশা।” বিহাররের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “ দলের জাতীয় স্তরে দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁরাই এই বিষয়ে দেখছেন। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু ঘোষণা না করা হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত কিছু বলাটা ঠিক হবে না। সুস্থ রাজনীতি করতে গেলে মোদিজির সঙ্গে কাজ করতে পারেন। দেশকে যাঁরা ভালোবাসেন, পরিবারবাদ, দুর্নীতি এবং তোষণনীতিকে যাঁরা মান্যতা দেন না, তাঁদের নরেন্দ্র মোদির কাছেই এসে কাজ করতে হবে। এটাই একমাত্র ভবিতব্য।”

    তৃণমূলকে আক্রমণ করে কী বললেন?

    এদিন বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী মমতাকে আক্রমণ করে বলেন, “নবান্নে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তেজস্বী যাদব এবং নীতীশ কুমারের সাংবাদিক বৈঠকটা ছেড়ে দেবো। সব রেডি করা আছে। সুপ্রিম কোর্টে প্যানেল জমা পড়লেই তৎপরতা বাড়ে। ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষায় কত জন চাকরি পেয়েছে? ১৫০ টাকার ফর্ম হয়েছে ৫০০ টাকা। বেকারদের কাছ থেকে এই তৃণমূল সরকার ২৭ কোটি টাকা তুলেছে। ২ কোটি টাকা খরচ করেছে পরীক্ষার জন্য। আর বাকি ২৫ কোটি টাকা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের ফিস দিতে খরচ করা হচ্ছে। বেকারদের কাছ থেকে টাকা তুলেছে তৃণমূল। ২০২২ সালের টেট আবেদনকারী ছিলেন ১০ লাখ আর ২০২৩ সালে সেই টেট আবেদনকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৩ লাখ। চাকরি যে নেই সেটা বাংলার যুবক যুবতীরা ধরে ফেলেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indi Alliance: ইন্ডি জোটের ফের দফারফা! উত্তরবঙ্গে টিম রাহুলের বাস আটকে দিল মমতার পুলিশ

    Indi Alliance: ইন্ডি জোটের ফের দফারফা! উত্তরবঙ্গে টিম রাহুলের বাস আটকে দিল মমতার পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) পিন্ডি চটকে যাওয়ার মতো অবস্থা! এর আগে কোচবিহারে রাহুল গান্ধীর জন্য সভামঞ্চ খুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল মমতার পুলিশের বিরুদ্ধে। মুর্শিদাবাদে রাহুলের কর্মসূচিতে আসা কংগ্রেস কর্মীদের থাকার জন্য বহরমপুর স্টেডিয়াম চাওয়া হয়েছিল। মমতার প্রশাসন তা নাকচ করে দিয়েছে। এর সঙ্গে এবার জুড়ল জলপাইগুড়ির নাম। রাহুলের ন্যায় যাত্রাকে কেন্দ্র করে রবিবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল জলপাইগুড়ি। টিম রাহুলের বাস আটকে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। আর এই অশান্তির মাঝেই শহরে পৌঁছলেন রাহুল গান্ধী। মমতার পুলিশের এহেন আচরণে চরম ক্ষুব্ধ প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Indi Alliance)

    জলপাইগুড়িতে রাহুলের ন্যায় যাত্রা কর্মসূচি রয়েছে। আর এদিন রাজ্য পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর পদে পরীক্ষা রয়েছে। জলপাইগুড়িতে একাধিক পরীক্ষার সেন্টার করা হয়েছে। শহর জুড়ে প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন রয়েছে। সাড়ে এগারোটায় বাগডোগরায় নেমেছেন রাহুল। এদিন সকালে জলপাইগুড়ির পাহাড়পুর মোড়ে ন্যায় যাত্রার বাস ঢুকতেই বাধা দেয় পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন কংগ্রেস কর্মীরা। ফলে, কংগ্রেস কর্মীরা ন্যায় যাত্রায় যোগ দিতে বাধা পান বলে অভিযোগ। কংগ্রেস কর্মীদের বত্তব্য, পরিকল্পনামাফিক পুলিশ বাধা দিয়েছে। নানাভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। এর আগে শনিবার ধূপগুড়ির একাধিক এলাকায়  রাহুল গান্ধীর একাধিক পোস্টার ছেঁড়া অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। বার বার এই ঘটনায় ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বাংলার মাটিতে কংগ্রেসকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে তৃণমূল রাজি নয়, তা আরও একবার পরিষ্কার হয়ে গেল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    ন্যায় যাত্রায় রাহুল

    এদিন বাগডোগরা বিমান বন্দরে নেমে রাহুল সোজা যান জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন পাহাড়পুরে। সেখানে জাতীয় সড়কের ধারে এক ধাবায় মধ্যাহ্নভোজন করেন কংগ্রেস সাংসদ। সেখান থেকে চলে যান জলপাইগুড়ি শহরের পিডব্লুডি মোড়ে। পিডব্লুডি মোড় থেকে পদযাত্রা শুরু করেন রাহুল। পোস্ট অফিস, থানা মোড় হয়ে কদমতলা মোড় পর্যন্ত পদযাত্রা করেন। এই কর্মসূচি শেষ করে সেখান থেকে অসম মোড়, ফাটাপুকুর, ফুলবাড়ি হয়ে রাহুল গান্ধী পৌঁছে যাবেন শিলিগুড়ি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly-Bankura: রেলপথ সম্প্রসারণে চাষিরা পাবেন জমির ন্যায্য দাম, ঘোষণা পশ্চিম অমরপুরে

    Hooghly-Bankura: রেলপথ সম্প্রসারণে চাষিরা পাবেন জমির ন্যায্য দাম, ঘোষণা পশ্চিম অমরপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারকেশ্বর থেকে বিষ্ণুপুর (Hooghly-Bankura) পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণে গোঘাটের ভাবাদিঘির সমস্যা না মিটলেও পশ্চিম অমরপুরে জমির দাম সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানসূত্র মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। ভূমি দফতর কাঠা পিছু ৯২ হাজার করে টাকা দেওয়ার কথা জানিয়ে নোটিশ ইস্যু করেছে চাষিদের উদ্দেশ্যে। অপর দিকে পশ্চিম অমরপুর থেকে ৭ কিমি পূর্বে গোঘাট ১ ব্লকের ভাবাদিঘিতে গ্রামবাসীরা আন্দোলন করেছেন। দিঘি বাঁচিয়ে যাতে রেলপথ নির্মাণ করা হয়, এই দাবিতে দীর্ঘ দিন জমিজটে আটকে রয়েছে এই প্রকল্প।

    আন্দোলনরত চাষিদের বক্তব্য (Hooghly-Bankura)

    রেলপথের সম্প্রসারণে জমির প্রয়োজন। আর তাই এলাকার (Hooghly-Bankura) চাষিরা ‘রেল চালাও, গ্রাম বাঁচাও’ নামে একটি মঞ্চ করে জমির সঠিক দাম নিয়ে আন্দোলন করছিলেন। কমিটির তরফ থেকে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ। জমির মূল্য নিয়ে আমাদের কোনও বিবাদ নেই। এখন কেবল নিকাশি, আন্ডারপাসের দাবি মেনে নেবে বলে আশা প্রকাশ করছি।” আবার অমরপুরের আন্দোলন কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১০ সাল থেকে জমির ন্যায্য মূল্য, নিকাশি ব্যবস্থার দাবিতে আন্দোলন চলছে। ওই সময় জমির মূল্য ধার্য হয়েছিল ১৪ হাজার ৬৫০ টাকা। কিন্তু কমিটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল কাঠা পিছু ৭৫ হাজার টাকা। বর্তমানে জানা গিয়েছে, জমির মূল্য পাওয়া যাবে ৯২ হাজার টাকা প্রতি কাঠা।

    রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিকের বক্তব্য

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, “নিকাশি সমস্যা মেটানো এবং আন্ডারপাস তৈরিটি বিষয়টি কতটা জরুরি, প্রশাসন সরেজমিনে খতিয়ে দেখার পর সমাধানের কথা দ্রুত ভাবা হবে। শীঘ্রই বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসা হবে।” আবার মহকুমা শাসক (Hooghly-Bankura) সুভাষিণী ই বলেন, “পশ্চিম অমরপুরে জমির দামের সমস্যা মিটেছে। চাষিদের দাবির মান্যতা দেওয়া হয়েছে। বাকি বিষয়গুলিও দেখা হচ্ছে এখন।”

    তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুরের ৮২.৮৭ কিমি রেলপথের মধ্যে তারকেশ্বর থেকে আরামবাগ হয়ে গোঘাট পর্যন্ত ৩৩.৯৪ কিমির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে চলেছে ট্রেন। অপর দিকে বিষ্ণুপুর থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত ২২.৪৮ কিমির কাজ শেষ হয়েছে। গোঘাট থেকে ভাবাদিঘির ৯৫০ মিটার বাদ দিলে কামারপুকুর পর্যন্ত ৫.৫০ কিমির কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। ফলে ভাবাদিঘির সমস্যা মিটবে বলেই আশা করছেন দুই জেলাবাসী (Hooghly-Bankura)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কেষ্টর জামিনের জন্য হরিনাম সংকীর্তন, রাম নামেই মজেছে তৃণমূলের যুব সংগঠন

    Birbhum: কেষ্টর জামিনের জন্য হরিনাম সংকীর্তন, রাম নামেই মজেছে তৃণমূলের যুব সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার হয়ে তিহার জেলে বন্দি বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট। তাঁর জেলজীবন থেকে মুক্তির আশায় তৃণমূলের যুব সংগঠন সাঁইথিয়ায় হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন করেছে। আর এর ফলে জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। কেষ্টর জামিনের জন্য কি এখন রাম নামেই ভরসা? গত ২২ শে জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধনের পর থেকেই দেশ জুড়ে রাম নামের প্রভাব সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। মন্দিরে রোজ উপচে পড়ছে ভিড়। এর মাঝেই তৃণমূল কর্মীরা নিজেদের দলের দুর্নীতিতে  অভিযুক্ত জেলবন্দি নেতার মুক্তির জন্য রামনামের শরণ নিয়েছেন।

    দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার কেষ্ট (Birbhum)

    গরু পাচারকাণ্ডে অনেক দিন আগেই গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত। কয়লা পাচার কাণ্ডেও অভিযুক্ত তিনি। নিজের নামে অথবা অনামে-বেনামে প্রচুর চালকল সম্পর্কে তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অপর দিকে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির তালিকায় অনুব্রতর মেয়ের নাম উঠেছে। স্কুলে না গিয়ে বেতন নিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাবার সঙ্গে এখন মেয়েও জেলে বন্দি। বীরভূমের (Birbhum) এই প্রতাপশালী এবং প্রভাবশালী নেতা বার বার কোর্টে জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু জামিন মঞ্জুর হয়নি। অভিযোগ গুরুতর বুঝেই হয়তো আইনের কৌশলের পাশপাশি রামনামের শরণ নিতে হয়েছে বীরভূমের জেলা তৃণমূলকে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বীরভূমের (Birbhum) জেলা সহ-সভাপতি দীপক দাস বলেছেন, “তৃণমূল শেষ পর্যন্ত রাম নাম করছে, এটা ভালো খবর। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডল জামিন পাবে না।” আবার তৃণমূলের জেলা কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায় এই সবে পাত্তা দিতে নারাজ। তৃণমূলের রামনামে ভুল কিছু নেই বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

    তৃণমূলের বক্তব্য  

    জেলা (Birbhum) কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায় আরও বলেছেন, “অনুব্রত মণ্ডলকে অনেক মানুষ ভালোবাসেন। সকলেই চাইছেন তিনি যেন জেল থেকে মুক্তি পান। আর এই জন্যই কেউ রাম নাম আবার কেউ হরিনাম করছেন।” রাজনীতির বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, জেলার সভাপতি পদে এখনও বহাল রয়েছেন কেষ্ট। তাঁর অনুগামীরা বাড়তি অক্সিজেন দিতে এই সমস্ত করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে পর পর বোমা বিস্ফোরণ! হাত উড়ল যুবকের

    Bomb Blast: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে পর পর বোমা বিস্ফোরণ! হাত উড়ল যুবকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে পর পর তিনটে বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast)। আর তাতেই হাত উড়ল এক যুবকের। জখম হয়েছেন দুজন। রবিবার দুপুরে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে কাঁচরাপাড়ার সুবোধ রায় সরণির মণ্ডলবাজার এলাকায়। জখম দুজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bomb Blast)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মধু রায় নামে এক ব্যক্তির টিন-লোহা ভাঙার ব্যবসা রয়েছে। বাড়ির পাশেই গোডাউন। সেই গোডাউনে টিন, লোহা ভাঙা মজুত থাকে। দোকানের শ্রমিকরা সাইকেল করে ফেরি করে টিন-লোহা ভাঙা গোডাউনে মজুত করে। এদিন দুপুরে দুজন শ্রমিক ফেরি করে গোডাউনে টিন ভাঙা মজুত করছিলেন। সেই সময় টিনের জিনিসপত্র সরাতে গিয়ে প্রথম বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) হয়। তার কিছুক্ষণ পরই আবারও পর পর দুটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। এক শ্রমিকের পাঞ্জা থেকে হাত উড়ে যায়। আর অন্যজন হাতে জখম হন। আর দিনের বেলার পর পর বোমা বিস্ফোরণে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। গোডাউনের মালিক বলেন, কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ ঘটল তা বুঝতে পারছি না। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। দুজন শ্রমিক জখম হয়েছেন। তাঁদের কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, গোডাউনের পাশে বাচ্চাদের স্কুল রয়েছে। পাড়াতে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা খেলা ধূলা করে। এদিন রবিবার থাকা স্কুল বন্ধ ছিল। না হলে আরও বড় বিপদ হতে পারত। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    স্থানীয় কাউন্সিলর শর্মিষ্ঠা মজুমদার বলেন, শান্ত কাঁচরাপাড়াকে এভাবে অশান্ত করার চেষ্টা হচ্ছে। কী করে এরকম ঘটনা ঘটল তা বুঝতে পারছি না। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। পুলিশ প্রশাসন তদন্ত করে দেখছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: মমতার জেলা সফরের আগে ধাক্কা! তৃণমূল ছেড়ে বহু কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Alipurduar: মমতার জেলা সফরের আগে ধাক্কা! তৃণমূল ছেড়ে বহু কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফরে আসার আগেই আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) তৃণমূলকে জোর ধাক্কা দিল বিজেপি। তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ পঞ্চায়েত সদস্য তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের নেতৃত্বে বহু তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগ দেন। দলের সুপ্রিমোর জেলা সফরের আগেই বহু কর্মীর দলবদলের ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     বিজেপিতে যোগ দিয়ে কী বললেন? (Alipurduar)

    শনিবার বিকালে আলিপুরদুয়ার-১ (Alipurduar) ব্লকের বিবেকানন্দ-২ অঞ্চলের বাদলনগর স্কুলের মাঠে বিজেপি-র যোগদান কর্মসূচি ছিল। সেখানেই বিজেপির চার নম্বর মণ্ডল সভাপতি বিশ্বজিৎ দত্তর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন ১২/১৪৫ পার্টের নির্দল পঞ্চায়েত সদস্য উমা দাস। তিনি এক সময় তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান ও উপপ্রধান ছিলেন। যোগ দেন তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শম্পা কর, বিশু রায়-সহ ৫০ জন তৃণমূলের কর্মী সমর্থক। বিজেপিতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে প্রাক্তন প্রধান উমা দাস বলেন, “তৃণমূল আমাকে টিকিট দেয়নি এবার। দল আমার ওপর ভরসা রাখতে পারেনি। তাই, আমি নির্দলে দাঁড়িয়েছিলাম। গ্রামের মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জিতিয়েছেন। কারমষ মানুষের সঙ্গে আমি প্রতারণা করিনি। মানুষের পাশে আমি সবসময় ছিলাম। মানুষ আমার ওপর আস্থা রেখেছে। তাই, তৃণমূল দল করার কথা আর কোনওদিন ভাবিনি। আমি ঠিক করেছিলাম,তৃণমূলে আর ফিরব না, ফিরিওনি। এবার বিজেপিতে যোগ দিলাম। প্রধানমন্ত্রীর নানা কর্মকাণ্ড দেশকে যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, মানবকল্যাণকর কর্মসূচি নিচ্ছেন তার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই আমার এই যোগদান।  

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এ ব্যাপারে তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলার সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর মজুমদার বলেন, “তৃণমূলের কোনও পদে আছেন এমন কেউ বিজেপিতে যাননি। যাঁরা গিয়েছেন, তাঁদের পঞ্চায়েতে টিকিট দেওয়া হয়নি। কয়েকজন নির্দল হয়ে জিতেছিলেন। তাঁরাই ওই দলে গিয়েছেন। আর কিছু কর্মী ভোট এলেই এদিক ওদিক করেন। তাতে আমাদের কোনও সমস্যা নেই। ভোটের মুখে কোনও সমস্যা হবে না। বিজেপি এবার হারবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Padma Shri: পদ্মশ্রী পাচ্ছেন ‘হিমালয়ের পাহারাদার’ বিজ্ঞানী একলব্য শর্মা

    Padma Shri: পদ্মশ্রী পাচ্ছেন ‘হিমালয়ের পাহারাদার’ বিজ্ঞানী একলব্য শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমালয় ও হিমালয় পাদদেশের পরিবেশ, বাস্তুতন্ত্র, জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণার জন্য পদ্মশ্রী সম্মান পাচ্ছেন শিলিগুড়ির বিজ্ঞানী একলব্য শর্মা। দীর্ঘ ৪০ বছরের গবেষণার মধ্য দিয়ে তিনি পাহাড়ের বাস্তুতন্ত্র রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী হয়ে উঠেছেন। এই আনন্দের দিনেও পাহাড়ের বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার ব্যাপারে উদ্বিগ্ন তিনি। তাঁর নাম পদ্মশ্রী (Padma Shri) সম্মানের জন্য ঘোষিত হওয়ার পর থেকেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষের শুভেচ্ছা আসার পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও তাঁর বাড়িতে ভিড় করছেন তাঁকে অভিনন্দন জানাতে। আনন্দের এই আবহেও  তিনি বলেন, পাহাড় নিয়ে ছেলেখেলা করা ঠিক হচ্ছে না। সম্প্রতি সিকিমের যে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে গিয়েছে তা থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। কারণ, পাহাড় অত্যন্ত সংবেদনশীল অংশ। এর চরিত্রের বিরুদ্ধে যাওয়া মারাত্মক ভুল এবং বিপদ ডেকে আনতে পারে।

    কীভাবে উত্তোরণ? (Padma Shri)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজের কাকা কে সামনে রেখে একলব্য শর্মার পথ চলা শুরু। কাকা টিকারাম শর্মা ছিলেন খ্যাতনামা পরিবেশবিদ। পরিবেশ রক্ষায় তিনি গবেষণা করেছেন। কাজেই ছোটবেলা থেকে বাড়িতে বিখ্যাত ব্যক্তিদের সামনে থেকে দেখেছেন। এই আবহে কাকাকে আদর্শ করে দেশের জন্য কিছু করার ইচ্ছে নিয়ে জীবন শুরু করেছিলেন একলব্য শর্মা। বর্তমানে তিনি শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তবে, তাঁর জন্ম কার্শিয়াংয়ে। কার্শিয়াংয়ের সেন্ট আলফানসো স্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে উচ্চশিক্ষার জন্য বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন। সেখান থেকে পিএইচডি করেন। তারপর নেপালের কাঠমান্ডুতে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভলপমেন্টে ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল পদে ছিলেন। তারপর সিকিমের জিবি পন্থ ইনস্টিটিউট অব হিমালয়ান এনভায়রণমেন্টের মুখ্য গবেষক পদে যোগ দেন। একলব্য শর্মা ইন্ডিয়ান সায়েন্স অ্যাকাদেমির একজন অন্যতম গবেষক। পরে তিনি দিল্লির টেরি ইউনিভার্সিটির উপাচার্য পদেও ছিলেন। বর্তমানে তিনি উত্তরাখন্ডের জিপি পন্থ ইউনিভার্সিটি অব ন্যাশনাল ইনিস্টিউট অব হিমালয়ান এনভায়রণমেন্টের চেয়ারম্যান এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভলপমেন্টের মুখ্য উপদেষ্টার পদে রয়েছেন।

     বিজেপি সাংসদ ও বিধায়কের অভিনন্দন

    একলব্য শর্মাকে (Padma Shri) তাঁর বাড়িতে গিয়ে অভিনন্দন জানান দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা ও শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। এই কৃতি বিজ্ঞানীর সঙ্গে দেখা করার পর বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “আমরা খুব খুশি। কারণ, উত্তরের এক বিজ্ঞানী তথা পরিবেশবিদ পদ্মশ্রী সম্মান পাচ্ছেন। হিমালয় তথা হিন্দুকুশ পর্বতের উপর তাঁর গবেষণা এক অনন্য নজির। আগামীতে এই অঞ্চলের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন,পরিবেশ রক্ষায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য ভূমিকা থাকবে।

    কী বললেন একলব্য শর্মা?

    হিমালয়ের ওপর সামগ্রিক আঘাতের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেই তাঁর গবেষণা। কোথাও প্রাকৃতিক কারণে হিমালয়ের ক্ষতি। কোথাও বা মানুষের দ্বারা ভূমি, বন, জীবজন্তুর ওপর আঘাত তিনি মেনে নিয়ে পারেননি। তিনি রুখে দাঁড়িয়েছেন। আর হিমালয়কে রক্ষা করার জন্যই তিনি নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন। তাঁকে সবাই “হিমালয়ের পাহারাদার” বলে ডাকেন। একলব্য শর্মা বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছরের কর্মজীবনে আমার লক্ষ্য ছিল হিমালয়ের বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্যকে রক্ষা করা। পদ্মশ্রী সম্মান পাব ভেবে ভালো লাগছে। হিমালয়ের বাস্তুতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘অভিষেকের গড়ে ২০ হাজার বিজেপি কর্মীর নাম বাদ’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘অভিষেকের গড়ে ২০ হাজার বিজেপি কর্মীর নাম বাদ’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক ডায়মন্ড হারবার নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার হরিপালের সভা থেকে তিনি মমতার প্রশাসনকে তীব্র আক্রমণ করেন। এমনকী অভিষেককে তাঁর খাসতালুকে তৃতীয় করার হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।

    ২০ হাজার বিজেপি কর্মীর নাম বাদ! (Suvendu Adhikari)

    শনিবার হরিপালের সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ডায়মন্ড হারবারে ১৮ থেকে কুড়ি হাজার বিজেপি কর্মীর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি থেকে শুরু করে যারা সক্রিয় কর্মী তাঁদের নাম বেছে বেছে বাদ দেওয়া হয়েছে। ব্যাপকভাবে গরমিল করা হয়েছে।” তিনি  হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা এটা ছাড়ব না। এসব চলবে না। ফলতার বিডিওকে বলে রাখলাম, দরজা পরিষ্কার করে রাখুন আপনার কাছে যাচ্ছি, যে কোনও দিন। ভাইপো কে ওখানে হারাবো। বিজেপি জিতবে, ভাইপো থার্ড হবে।” প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ভোটার তালিকা সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে সারা রাজ্যের পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রেও ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। সেই ভোটার তালিকায় মমতার প্রশাসন কতটা গরমিল করেছে তা দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা।

    মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনেই কলকাতায় সংহতি মিছিল করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই মমতা বলেছিলেন, “বিজেপি রাম নিয়ে এত উচ্ছ্বাস দেখালেও সীতা দেবীকে নিয়ে কোনও কথা বলে না। বিজেপি নারী বিরোধী বলেও প্রশ্ন তোলেন তিনি।” সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এসব চপবাজি কেউ খাবে না। পশ্চিমবঙ্গের সীতাদের খোঁজ নিতে বলুন, হাঁসখালি, কালিয়াগঞ্জ, রামপুরহাটের সীতারা কি অপরাধ করেছে? শিখল তুলে পুড়িয়ে মেরেছেন লজ্জা লাগেনা?” প্রসঙ্গত, ডায়মন্ড হারবারে এবারেও বড় অঘটন না ঘটলে প্রার্থী হচ্ছেন অভিষেক। তাঁর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা জানিয়েছেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। বিজেপিও প্রভাবশালী কাউকে দাঁড় করাবেন বলেই জানা গিয়েছে। তৃণমূলের যুবরাজের আসনেই তাঁকে হারানার হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share