Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Indi Alliance: লোকসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট নয়, মমতার মন্তব্যে ইন্ডি জোটের দফারফা

    Indi Alliance: লোকসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট নয়, মমতার মন্তব্যে ইন্ডি জোটের দফারফা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডি জোট (Indi Alliance) গঠন করে বিজেপি-র বিরুদ্ধে লড়াই করার স্বপ্ন দেখছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। সেই জোট এখনও ফলপ্রসূ হয়নি। তবে, গুয়াহাটিতে রাহুলের বক্তব্যের পরে বাংলায় কংগ্রেস-তৃণমূল জোট নিয়ে খানিকটা ‘ইতিবাচক’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করেছিল। কিন্তু, বুধবার মমতার বক্তব্যের পরে স্পষ্ট যে, পশ্চিমবঙ্গে কোনও জোট বা আসন সমঝোতা হচ্ছে না। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনেই প্রার্থী দিতে চলেছে তৃণমূল।

    তৃণমূলের সঙ্গে জোট নিয়ে রাহুল ঠিক কী বলেছিলেন? (Indi Alliance)

    মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে রাহুল বলেছিলেন, তৃণমূলের সঙ্গে আসন বোঝাপড়ার প্রক্রিয়া রয়েছে, তা চলছে। তার ফলাফল আসবে। ওই বিষয়ে আমি এখানে কোনও মন্তব্য করব না। মমতাজির সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত ও দলের সম্পর্ক খুবই ভালো। তবে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের কেউ কিছু বলে দেন। ওঁদের কেউ কিছু বলেন। এটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু, এতে আসন বোঝাপড়ায় কোনও বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

    রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে কী বললেন মমতা?

    দুদিন আগে পার্ক সার্কাসের মঞ্চ থেকে মমতা ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) সমালোচনা করেছিলেন। কংগ্রেসের নাম না করে বলেছিলেন, “আমি বলেছিলাম, যে রাজ্যে, যে আঞ্চলিক দল শক্তিশালী, তারা সেই রাজ্যে লড়ুক। আর আপনারা ৩০০ আসনে একা লড়াই করুন। আমরা সাহায্য করব। বাকি আসনে আমরা লড়়াই করব। তারা বলছে, তাদের মর্জিমতো হবে।” বুধবার বর্ধমানে প্রশাসনিক বৈঠকে যাওয়ার আগে মমতাকে ওই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দৃশ্যতই ক্ষুব্ধ মমতা জানিয়ে দেন, বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, “আমার কারও সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। আমার প্রস্তাব প্রথম দিনেই প্রত্যাখ্যান করেছে! আমার সঙ্গে কারও কোনও আলোচনা হয়নি। অ্যাবসলিউটলি মিথ্যা কথা!” তিনি আরও বলেন, “এই যে আমাদের রাজ্যে আসছে, আমাকে তো একবারও বলেনি!” মমতা বলতে চেয়েছেন রাহুলের ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’র কথা। অসম থেকে রাহুল তাঁর যাত্রা নিয়ে বৃহস্পতিবারেই কোচবিহার দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করবেন। তার এক দিন আগে মমতার কথায় স্পষ্ট যে, ইন্ডিয়া’র শরিক হিসেবে তৃণমূল ওই যাত্রায় অংশ নেবে না। দুদিন আগে মুর্শিদাবাদ জেলায় সব আসনে লড়াই করার জন্য দলীয় নেতাদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আর অধীর চৌধুরীকে তিনি গুরুত্ব দিতে নারাজ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত ইডি শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকল তালা ভেঙে, উধাও ‘তৃণমূলের বীরপুঙ্গবরা’

    ED: ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত ইডি শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকল তালা ভেঙে, উধাও ‘তৃণমূলের বীরপুঙ্গবরা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ দিন পর বুধবার ফের সন্দেশখালির বেতাজ বাদশার ডেরায় হানা দিল ইডি (ED)। তাঁর বাড়ির ভিতরে তল্লাশি চালিয়ে কী উদ্ধার হয় তা নিয়ে রাজ্যবাসীর নজর ছিল। এদিন শাহজাহানের বাড়িতে হানার সময় রাজ্য পুলিশের পাশাপাশ রাজ্য পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত র‍্যাফকে দেখা গিয়েছে। তাঁরা হেলমেট পরিহিত। হাতে লাঠি বা আধুনিক অস্ত্র। শাহজাহানের বাড়ির ফটকে দাঁড়িয়ে রয়েছেন রাজ্য পুলিশের জওয়ানরা। সঙ্গে রয়েছেন সিআরপিএফ জওয়ানরাও। এবার ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত হয়ে তৃণমূল নেতার ঘরের তালা ভেঙে ঢোকেন ইডি আধিকারিকরা। তারপর একের পর এক ঘরে ঢুকে চলে তল্লাশি। নামিয়ে আনা হয় সুটকেস। ভাঙা হয়েছে আলমারির তালা।

    তল্লাশি চালিয়ে কী মিলল? (ED)

    বুধবার সাতসকালে শাহজাহানের বাড়িতে যান ইডির (ED) ছয় আধিকারিক। তাঁদের মধ্যে দু’জন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার অফিসার রয়েছেন। এ ছাড়া এক জন আছেন শুধুমাত্র ছবি তোলার জন্য। তাঁরা একের পর এক ঘরে যান। সমস্ত ঘরে তল্লাশি চালান। আসবাবপত্র ঘাঁটতে ঘাঁটতে পৌঁছে যান রান্নাঘরেও। ঘরের ভিতরে থাকা আলমারির তালা ভাঙা হয়েছে। সুটকেস নামিয়ে খোলা হয়েছে। কিন্তু, রান্নাঘরের সিঙ্ক থেকে বাসনকোসন আর আলমারি এবং সুটকেস থেকে জামাকাপড় ছাড়া কিচ্ছু মেলেনি।

    নিরাপত্তায় মোড়া গোটা এলাকা, বন্ধ শাহজাহান মার্কেট

    ১৯ দিন আগে ইডি (ED) হানার সময় সন্দেশখালির শাহজাহানের বাড়ির সঙ্গে বুধবারের তাঁর বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশের চেহারা একেবারেই আলাদা। এদিন সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডির অভিযান চালানোর সময় বাড়ির সামনে নেই কোনও জনতার ভিড়়। তৃণমূল নেতার নামাঙ্কিত শাহজাহান মার্কেটের একটি দোকানও খোলেনি। বাজারে দেখা গেল সুনসান ছবি। আদালতের নির্দেশে তৃণমূল নেতার বাড়ির সঙ্গে সঙ্গে সন্দেশখালির বাজারেও সিসি ক্যামেরা বসিয়েছিল পুলিশ। সাধারণ মানুষের আনাগোনাও একেবারেই হাতেগোনা। সমস্ত এলাকা দখল নিয়েছে রাজ্য পুলিশ এবং সিআরপিএফ। শাহজাহানের বাড়ি থেকে বড় রাস্তায় যাওয়ার জন্য রয়েছে এক চিলতে রাস্তা। সেই ১০০ মিটার রাস্তাও পুরোপুরি মোড়া খাকি, জলপাই পোশাক পরিহিত দীর্ঘদেহীদের দিয়ে। বড় রাস্তার দখলও পুরোপুরি নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে। জায়গায় জায়গায় তাঁরা দাঁড়িয়ে রয়েছেন। সকাল থেকে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সেরকম গুরুত্বপূর্ণ কিছু পাননি ইডি আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: ভুয়ো সিম কার্ড বানিয়ে বিদেশে তথ্য পাচার! রাজ্য জুড়ে মাথাচাড়া দিয়েছে জালিয়াতি চক্র

    Fraud: ভুয়ো সিম কার্ড বানিয়ে বিদেশে তথ্য পাচার! রাজ্য জুড়ে মাথাচাড়া দিয়েছে জালিয়াতি চক্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানানোর একটি বড় চক্র রাজ্য জুড়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ বা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স হানা দিয়ে মুর্শিদাবাদ ও হুগলি জেলার একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। জানা গিয়েছে, জাল নথির সাহায্যে শ’য়ে শ’য়ে সিম কার্ড বানিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি পাচার করা হত। এই সব সিম কার্ড দিয়ে প্রতারকরা প্রতারণা (Fraud) করত বলে তদন্তকারী আধিকারিকদের ধারণা।

    বহু ভুয়ো সিমকার্ড উদ্ধার (Fraud)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার সীমন্তবর্তী এলাকা তো বটেই, সেই সঙ্গে জেলার সদর বহরমপুরেও জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানানোর একটি বড় চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কিছু যুবক সামনে সিম কার্ড, মোবাইলের দোকান কিংবা অনলাইনে ব্যবসা খুলে আড়ালে চালাচ্ছে জালিয়াতির ব্যবসা। আর ভুয়ো সিম কার্ড দিয়ে চলত প্রতারণা (Fraud)। মুর্শিদাবাদ ও হুগলির বেশ কয়েকটি জায়গায় হানা দেয় এসটিএফ। মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানা এলাকা থেকে নইমুল ইসলাম ও আবদুল আজিমকে, ভগবানগোলা থানা এলাকা থেকে কাওশার শেখ এবং দৌলতাবাদ থানা এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ কামরুজ্জামান ও দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় মুর্শিদাবাদ থানার গুধিয়া এলাকার বাসিন্দা আস্তিক মণ্ডল এবং হুগলির জাঙ্গিপাড়া থেকে গ্রেফতার করা হয় সুরেশ দে এবং রমেশ জানাকে। ধৃতরা প্রত্যেকেই জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানাত বলে পুলিশের দাবি। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে কয়েকশো ভুয়ো সিম কার্ড, বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন, জাল নথি-সহ একাধিক বৈদ্যুতিন যন্ত্র।

    হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে প্রতারণা!

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যন্ত্র দিয়ে যেমন জাল নথি বানানোর কাজ করা হত, তেমনই ওটিপি পাচার করা হত দেশের বাইরে। ধৃতরা দেশে ও বিদেশের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে প্রতারণার (Fraud) কাজ করত বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে ওই জালিয়াতির সঙ্গে দেশের গোপন তথ্যপাচার করা হত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: উত্তরবঙ্গবাসীকে রাম মন্দির দর্শন করাবে সঙ্ঘ পরিবার, তালিকায় কারা?

    Ram Mandir: উত্তরবঙ্গবাসীকে রাম মন্দির দর্শন করাবে সঙ্ঘ পরিবার, তালিকায় কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) নিয়ে দেশ জুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। মন্দির দর্শন করার জন্য লক্ষ লক্ষ ভক্ত অযোধ্যায় ভিড় করছেন। রাম মন্দির সংক্রান্ত যে কোনও কর্মসূচিকেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ গুরুত্ব দিয়ে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাইছে। এবার সেই ঐতিহ্যপূর্ণ রাম মন্দির দর্শন করাতে উদ্যোগী হল সঙ্ঘ পরিবারের বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

    তালিকায় কারা রয়েছেন? (Ram Mandir)

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের আগে অযোধ্যার পূজিত চাল বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিয়েছিল রাম মন্দির তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। উত্তরবঙ্গের ২২ লক্ষ পরিবারে চাল পৌঁছে দিয়ে জনসংযোগ করেছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদও। সেই সূত্র ধরে সঙ্ঘ নেতাদের একাংশের ধারণা, তাঁরা সফল হয়েছেন। এবার রাম মন্দির নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম ট্রেনটি আলিপুরদুয়ার থেকে ছাড়ার কথা। পরের ধাপে এনজেপি থেকে ছাড়বে আরও একটি ট্রেন। প্রথম ধাপে উত্তরবঙ্গ থেকে দু’হাজারেরও বেশি মানুষকে অযোধ্যায় নিয়ে যাবে তারা। সে জন্য একটি ট্রেনও ভাড়া করা হয়েছে বলে খবর। অযোধ্যায় যেতে আগ্রহী অনেকেই তাদের সঙ্গে যোগাযাগ করছেন। তালিকার প্রথম দিকে রয়েছেন করসেবকেরা। উত্তরবঙ্গে এখনও একশো জনের মতো করসেবক রয়েছেন। তাঁদের পরিবারকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। করসেবক ছিলেন, কিন্তু মৃত্যু হয়েছে, সে রকম পরিবারের অন্তত দু’জনকে নিয়ে যাওয়া হবে রাম মন্দির দর্শন করাতে। একই সঙ্গে রয়েছেন সঙ্ঘের কার্যকর্তারাও। পরের ধাপে সঙ্ঘ পরিবারের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উত্তরবঙ্গের সম্পাদক কী বলেন?

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উত্তরবঙ্গের সম্পাদক (সংগঠন) অনুপকুমার মণ্ডল বলেন, করসেবকদের মন্দির দর্শন করিয়ে আবার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। বাকিদের নিজেদের খরচেই যেতে হবে। দক্ষিণবঙ্গ, মধ্যবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গ থেকে আপাতত একটি করে ট্রেন ধরা হয়েছে। তবে, এখন রাম মন্দিরে (Ram Mandir) ভক্তদের ভিড় উপচে পড়েছে। তাই, ভিড় থাকলে প্রয়োজনে রাম মন্দির যাত্রা পিছিয়ে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালির সেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে ইডির হানা, শাহজাহান কোথায়?

    Sandeshkhali: সন্দেশখালির সেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে ইডির হানা, শাহজাহান কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাকভোরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে হানা ইডির। বুধবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর শতাধিক জওয়ানকে নিয়ে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) যান ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেখানকার তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়ির তালা ভেঙে ঢুকে পড়েন তদন্তকারীরা। এর আগের দিন ইডির তদন্তে বাধা দিয়েছিল যারা, তৃণমূলের সেই বীরপুঙ্গবরা এদিন যেন উধাও হয়ে গিয়েছে কর্পূরের মতো। ইডি কর্তারা নির্বিঘ্নেই তল্লাশি চালাচ্ছেন শাহজাহানের বাড়িতে। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর থেকে অবশ্য গা ঢাকা দিয়েছেন তৃণমূলের এই নেতা। দলীয় নেতৃত্বই তাঁকে পালক চাপা দিয়ে রেখেছেন, নাকি পগার পেরিয়ে বাংলাদেশে গিয়ে জনতার ভিড়ে মিশে গিয়েছেন, তা জানা যায়নি।

    ইডির ওপর হামলা

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডের তদন্তে গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহানের বাড়িতে যান ইডির তদন্তকারীরা। শাহজাহানের মোবাইলের টাওয়ার জানান দিচ্ছিল তৃণমূলের এই নেতা ছিলেন বাড়িতেই। যদিও দরজার তালা না খোলায় ঘরে ঢুকতে পারেননি ইডির আধিকারিকরা। এই সময় তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী (এরা শাহজাহানের অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত) হামলা চালায় ইডির ওপর। দুষ্কৃতীদের ছোড়া ইটের ঘায়ে ইডির দুই কর্তার পাশাপাশি জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। আধিকারিকদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় ল্যাপটপ, মোবাইল, নগদ টাকা।

    আটঘাট বেঁধে তদন্তে ইডি

    সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এদিন ২৫টি গাড়িতে করে ১২৫ জনেরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান নিয়ে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছান শাহজাহানের বাড়িতে। হেলমেট, হাতে গার্ড নিয়ে পজিশন নিয়ে নেন জওয়ানরা। এদিনও যথারীতি শাহজাহানের বাড়ির তালা খুলতে অস্বীকার করেন বাড়িতে থাকা একজন। পরে তালা ভেঙেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে ঢোকেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: “নেতাজির চিন্তার সঙ্গে আমাদের ভাবনার কোনও পার্থক্য নেই”, সাফ জানালেন ভাগবত

    এবার আটঘাট বেঁধেই শাহজাহানের বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। ইডির তরফে নিয়ে আসা হয়েছে তিনজন সাক্ষী। সাক্ষী হিসেবে রাখা হয়েছে স্থানীয় দুজনকেও। এই পাঁচ সাক্ষীর উপস্থিতিতেই চলছে তল্লাশি। তল্লাশির পুরো পর্বটি ভিডিওগ্রাফি করে (Sandeshkhali) রাখছেন ইডির নিয়ে আসা ভিডিওগ্রাফাররা।  

    প্রসঙ্গত, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। গ্রেফতার করা হয়েছে বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যকেও। তৃণমূল নেতা শাহজাহান এই দুজনেরই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি করতে যায় ইডি। তখনই হামলা হয় ইডির ওপর। ইডি পিছু হঠলে, প্রায় বুদবুদের মতো মিলিয়ে যান তৃণমূলের শাহজাহান। এখনও পর্যন্ত টিকি পর্যন্ত দেখা যায়নি তাঁর।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি, অগ্নিমিত্রার হাত ধরে হল যোগদান

    Asansol: সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি, অগ্নিমিত্রার হাত ধরে হল যোগদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে আসানসোলে (Asansol) সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে যোগদান কর্মসূচিতে নানাভাবে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শত বাধার পরও বিজেপির যোগদান কর্মসূচিতে শতাধিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ যোগদান করেন।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন? (Asansol)

    মঙ্গলবার আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের ২৮ নং ওয়ার্ড জাহাঙ্গীর মহল্লায় বিজেপির পক্ষ থেকে যোগদানের অনুষ্ঠান করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে প্রায় শতাধিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেছে। বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল বলেন, আসানসোল রেল পাড়ে নেতাজির জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে কয়েকশো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের যোগদান করার কথা ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার রাত থেকে তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিজেপিতে যোগদান করলে তাদের সবরকম সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে এবং তাদের পরিবারের ওপর অত্যাচার করা হবে বলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। কিন্তু, এখানকার জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের দ্বারা বঞ্চিত হওয়ার কারণে তারা বিজেপিতে যোগদান করেছে। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে  সভা করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, শত প্রতিকুলতার মধ্যে সভা করে শতাধিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপিতে যোগদান করেছে। যা দেখে শাসক দলের নেতাকর্মীরা হতবাক হয়ে গিয়েছেন।

    আরও বহু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপি যোগ দেবেন!

    আসলাম নামে এক যোগদানকারী বলেন, সোমবার রাত থেকে আমাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিজেপির অনুষ্ঠান যাতে না করা হয় ডেকোরেটরদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। ভয়ে কেউ মঞ্চ তৈরি করার সাহস দেখায়নি। কিন্তু, আমরা পথসভার মাধ্যমেই যোগদান করেছি। শাসক দলের বাধা না থাকলে এই এলাকার বহু মানুষ বিজেপিতে যোগদান করেন। তবে, বাধা দেওয়া হলেও আগামীদিনে আরও বহু কর্মী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “রামাতঙ্কে ভুগছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “রামাতঙ্কে ভুগছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রভু রামের জন্মস্থান দখল করতে ১ দিনে ১ লক্ষ হিন্দুকে হত্যা করেছে মোঘল সম্রাট বাবর। রামাতঙ্কে ভুগছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”এমন ভাবেই কটাক্ষ করে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দী গ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মদিনে যোগদান করে রাজ্যের তৃণমূলনেত্রীকে তোপ দাগলেন।

    ঠিক কী বলেলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নিজের বিধানসভা ক্ষেত্র নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা দেখতে দেখতে চেয়েছিলেন এই রাজ্যের সনাতন ধর্মের ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে হিন্দুরা নিজের নিজের পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে সাক্ষী হয়ে থাকতে চেয়েছিলেন। আর তাই কেন্দ্রের মোদি সরকারের তরফ থেকে বেলা হয় ২টো ৩০ মিনিটের পর যেন অফিস বা দফতরে যান। উল্লেখ্য এই দিন তো ইতিহাসে বার বার আসবে না। ৩ লক্ষ রাম ভক্ত হিন্দু প্রাণ দিয়েছেন রাম মন্দিরের আন্দোলনে। একদিনে মুসলমান শাসক বাবর ১ লক্ষ হিন্দুকে কেটেছেন, রামের জন্মস্থান দখল করার জন্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রামাতঙ্করোগে ভুগছেন। তাই তিনি ছুটি না দিয়ে বাংলার হিন্দুদের মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী থাকতে দেননি। সবটাই চক্রান্ত।”

    নেতাজি সম্পর্কে কী বললেন?

    মমতা বারবার অভিযোগ করেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে কেন্দ্র সরকার ভুলে গিয়েছে। আর এই কথাকে লক্ষ্য করে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “নেতাজিকে সব থেকে বেশি সম্মান যদি কেউ করে থাকেন তাহলে করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশের জাতীয় রাজধানী দিল্লির প্রাণ কেন্দ্র ইন্ডিয়া গেটের কাছে কর্তব্য পথে বসানো হয়েছে নেতাজির মূর্তি। একই ভাবে কংগ্রেস সরকার যা করেনি বিজেপি সরকার নেতাজির সম্পর্কে ভারত সরকারের গোপন তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে।”

    সংহতি যাত্রা নিয়ে কী বললেন?

    রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে পালটা মমতার সংহতি যাত্রার পার্কসার্কাসের ভাষণকে সমালোচনা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “গতকাল মমতা হিন্দুদের কাফের বলেছেন, মুসলমানরা সহ্য করছেন কীভাবে? বলছেন আল্লহর কসম! আল্লাহকে রাস্তায় নামিয়ে এনেছেন। উনি সব পারেন। নন্দী গ্রামের মানুষ চিনেছে। কলকাতার মানুষ এবার ভালো করে চিনুক।” তিনি মমতাকে চোর সম্বোধন করে আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারকে চোর বানিয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষ। এখন শুধু জেলে যাওয়া টাই বাকি। চোর মমতাকে আমরা জেলে দেখতে চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ঝাড়গ্রামে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী রাম সেনা

    Ram Mandir: ঝাড়গ্রামে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী রাম সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধন নিয়ে সোমবার দেশজুড়ে নানা অনুষ্ঠান হয়। এই আবহের মধ্যেই ঝাড়গ্রামে তৈরি করা হবে রাম মন্দির। রাম সেনা সংগঠনের পক্ষ থেকে এই মন্দির তৈরি করা হবে। সংগঠনের জেলা সভাপতি মধূসূদন সিংহ নিজে উদ্যোগী হয়ে রাম মন্দির তৈরির জন্য ৫ কাঠা জমি দিয়েছেন। সেই জমিতে গড়ে তোলা হবে স্বপ্নের রাম মন্দির। সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে আলোচনার ভিত্তিতে রাজস্থান থেকে বিগ্রহ আনা হবে। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, রামের মন্দির হবে সর্বসাধারণের জন্য।

    রাম সেনার উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির (Ram Mandir)

    রামসেনা সংগঠনটি সঙ্ঘ পরিবারের শাখাও নয়। মধুসূদনবাবু এক সময় শিবসেনার জেলা সভাপতি ছিলেন। পরে অবশ্য তিনি শিবসেনার সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেন। মধুসূদন বলেন, পুরুষোত্তম রামচন্দ্রকে নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে। আমরা রামকে নিয়ে বিভাজনের বিপক্ষে। জেলার মধ্যে মানিকপাড়া ও রাধানগরে রামের দু’টি ছোট মন্দির আছে। তাই  জেলা শহরে রামের দৃষ্টিনন্দন মন্দির তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সঙ্ঘের শাখা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের জেলা সংযোজক বাপ্পা বসাক বলেন, শহরে রামের মন্দির (Ram Mandir) প্রয়োজন। ওই মন্দির তৈরির জন্য আমরাও সহযোগিতা করব। জানা গিয়েছে, সোমবার জেলায় দিনভর গেরুয়া শিবিরের ঠাসা কর্মসূচি ছিল। সরাসরি অযোধ্যা থেকে জায়ান্ট স্ক্রিনে সম্প্রচার। তার মধ্যে পৃথক ভাবে রামসেনার উদ্যোগে সব ধর্মের যুবকদের নিয়ে বাইক মিছিল করা হয়।

    রাম মন্দির নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঝাড়গ্রামে রামমন্দির হওয়া প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের সভাপতি দুলাল মুর্মু বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতার ঐতিহ্যকে নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে। শ্রীরামচন্দ্রকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক প্রদীপকুমার সরকার বলছেন, মন্দিরকে কেন্দ্র করে রাজনীতি ও পাল্টা রাজনীতিতে আমরা নেই। জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি দেবাশিস কুণ্ডু বলছেন, রাম মন্দির (Ram Mandir) হওয়ার কথা শুনে যাঁরা ঐতিহ্য নষ্টের কথা বলছেন, তাঁরা প্রকৃতপক্ষে তোষণের রাজনীতি করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bibhas Adhikari: অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ বিভাস অধিকারীকে ফের তলব করল সিবিআই

    Bibhas Adhikari: অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ বিভাস অধিকারীকে ফের তলব করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ বিভাস অধিকারীকে (Bibhas Adhikari) ফের তলব করল সিবিআই। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামালায় নতুন তথ্য পেতেই কি এবার ডাক? প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। উল্লেখ্য রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য গ্রেফতারের পর থেকেই বিভাসের নামের গুঞ্জন উঠেছিল। সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা এবার চলতি সপ্তাহেই কলকাতার নিজাম প্যালেসে ডেকেছেন তাঁকে। যদিও অভিযুক্ত এই তৃণমূল নেতা এই নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি।

    কুন্তলের মুখে নাম উঠেছিল বিভাসের (Bibhas Adhikari)

    তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আগেই গ্রেফতার করেছে। জেরায় প্রথম তাঁর মুখেই প্রকাশ হয় বিভাসের নাম। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেফতারের পরপর বিভাসের নাম নিয়ে ব্যাপক চর্চা চলেছিল। রাজ্যের বেসরকারি বিএড-ডিএড কলেজগুলির সংগঠনের সভাপতি ছিলেন বিভাস (Bibhas Adhikari)। তিনি মানিক ভট্টাচার্যের খুব কাছের বলে পরিচিত। শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় তাঁকে আগেও বেশ কয়েকবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে হাজিরা দিতে হয়েছিল। গত ১৫ নভেম্বর তারিখে শেষ বার সিবিআই দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    কেষ্ট গ্রেফতার হতেই তৃণমূল ছেড়ে দেন

    প্রাথমিক মামলার তদন্তে বিভাসের (Bibhas Adhikari) নলহাটির কৃষ্ণপুরের বাড়ি এবং কলকাতায় শিয়ালদা অফিসের ব্যাপক তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁর ব্যক্তিগত ভাবে নলহাটিতেই নিজস্ব বিএড এবং ডিএড কলেজ রয়েছে। এমনকী কালজেগুলির মালিকানা সত্ত্বা তাঁর নিজের নামেই। এক সময় বীরভূমের তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে খুব সখ্যতা ছিল। কিন্তু গরু পাচার মামলায় অনুব্রত গ্রেফেতার হতেই কেষ্টর সঙ্গ ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। এমনকী তৃণমূল করাও বন্ধ করে দিয়েছেন। এরপর নিজের উদ্যোগে ‘অল ইন্ডিয়া আর্য মহাসভা’ নামে একটি নতুন দল তৈরি করেন। গতকাল আমাদের সংবাদ মাধ্যম বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি কোনও সাড়া দেননি।

      

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: এক ছাদের তলায় শিবের মন্দির ও মাজার! পাশেই রাম মন্দির তৈরি করে হল পুজো

    Ram Mandir: এক ছাদের তলায় শিবের মন্দির ও মাজার! পাশেই রাম মন্দির তৈরি করে হল পুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির বারাকপুরের গারুলিয়া পুরসভার ওমর আলি রোডের মন্দির মাজার মোড়। এক ছাদের তলায় রয়েছে মহাদেবের মন্দির এবং মানিক পীরের মাজার। সেই মাজারের কাছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) আদলে মন্দির তৈরি করে পুজো করলেন গারুলিয়াবাসী।

    মাজারের কাছে রাম মন্দির তৈরি করে রামের পুজো (Ram Mandir)

    রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিন দেশব্যাপী নানা অনুষ্ঠানে মেতেছিলেন রাজ্যের মানুষ। নদিয়ার শান্তিপুরে গির্জায় এবং মসজিদে প্রদীপ জ্বালিয়ে রামলালার জন্মদিনকে স্মরণে রাখা হয়। হিন্দুদের সঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষও সামিল হয়েছিলেন। আর গারুলিয়ার মন্দির মাজার মোড় সম্প্রীতির বার্তা বহন করে চলেছে। জানা গিয়েছে, মহাদেবের মন্দির এবং মানিক পীরের মাজার এক ছাদের তলায় রয়েছে। একটি দরজা দিয়েই হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ সেখানে যান। সেই মাজারের কাছে রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রামের ছবি দিয়ে সেখানে জাঁকজমকভাবে পুজো করা হয়। পুরসভা এলাকার কয়েকশো ভক্ত রামের পুজোয় মেতে ওঠেন। স্থানীয় বাসিন্দা তারকেশ্বর রাও, ধর্মেন্দ্র সাউ বলেন, এখানে মাজার আর আমাদের শিব মন্দির একই জায়গায় রয়েছে। আর শিব মন্দিরে প্রত্যেক সোমবার নিত্যপুজো হয়। মাঝখানে রয়েছে একটি বটগাছ। যেখানে মনস্কামনা পূরণের জন্য মানুষ সুতো বাঁধেন। সেখানেই সঙ্গে হল রাম মন্দিরের পুজো। আমরা নিয়মিত এক দরজা দিয়ে সেখানে যাই। শিবের পুজো করি। আর মাজারে গিয়ে প্রার্থনা করেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ।

    শিব মন্দিরে পুজোর সঙ্গে মাজারে প্রার্থনাও চলে

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা বলেন, আমরা নিয়মিত মাজারে প্রার্থনা করতে যাই। পাশেই শিব মন্দিরে হিন্দু ভাইয়েরা পুজো করেন। আর সোমবার তো অবিকল রাম মন্দির (Ram Mandir) করে সেখানে সাড়ম্বরে পুজো করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে একবার এখান থেকেই শুরু হয়েছিল সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ। তবে, তা মিটে যায়। নতুন করে অপ্রীতিকর ঘটনা আর ঘটেনি। এই সাম্প্রদায়িক মেলবন্ধন বাংলার ইতিহাস।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share