Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Ram Mandir: অযোধ্যার রাম মন্দিরে যাচ্ছে বাংলার ফুল, খুশি ফুল চাষিরা

    Ram Mandir: অযোধ্যার রাম মন্দিরে যাচ্ছে বাংলার ফুল, খুশি ফুল চাষিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন সাজবে অযোধ্যা। এজন্য দরকার বিপুল পরিমাণ ফুলের, সেই ফুল পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, রানাঘাট, ঠাকুরনগর থেকে মল্লিকবাজার হয়ে ট্রেন ও বিমানে যাচ্ছে অযোধ্যায়। গাঁদা, দোপাটি, স্টারফুল তো বটেই, প্রচুর পরমাণে রজনীগন্ধার স্টিকও পাঠানো হয়েছে অযোধ্যায়। এখনও পাঠানো চলছে। শীতকালে ফুলের বিক্রিবাটা এমনিতে কম থাকে। শুধু বিয়ে বাড়ি ভরসা। এই অবস্থায় হঠাৎ ফুলের বরাত এসে যাওয়া অকাল-উৎসবের স্বাদ পাচ্ছেন তাঁরা।

    ফুলের চাহিদা আচমকাই বেড়ে যাওয়ায় খুশি ফুল চাষিরা (Ram Mandir)

    মল্লিক ঘাট ফুল বাজার উন্নয়ন সমিতির কোষাধ্যক্ষ চণ্ডী সেনাপতি বলেন, এখানে বহু ফুলচাষি আসেন। তাঁদের অনেকেই ফুল পাঠাচ্ছেন অযোদ্ধা। হলুদ, বাসন্তী ও লাল রঙের গাঁদা তো যাচ্ছেই, সাদা রঙের স্টার ফুলও প্রচুর পাঠানো হচ্ছে। এছাড়াও গোলাপ ও রজনীগন্ধাও এখান থেকে পাঠানো হচ্ছে। হাওড়ার বাগনানের ফুলচাষি রমেশ মালী বলেন, ফুলের চাহিদা সারা বছরই কমবেশি থাকে, তবে জগদ্ধাত্রী পুজোর পরে সেভাবে চাহিদা একেবারেই থাকে না, পৌষমাসে তো বিয়েও থাকে না। এই অবস্থায় আচমকাই ফুলের চাহিদা তৈরি করে দিয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দির। আমাদের এখান থেকে ফুল পাঠানো হয়েছে। মল্লিকবাজার থেকে অর্ডার পাওয়া গেছে। অযোধ্যায় এখন রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার ব্যাপার না থাকলে সেই সরস্বতী পুজো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হত। এই সময় ফুল সরবরাহ করতে পারায় আমাদের সুবিধাই হয়েছে। এখান থেকে রক্তগাঁদা আর কিছু বাহারি ফুল পাঠানো হয়েছে। রজনীগন্ধার স্টিকও আমরা পাঠিয়েছি। তবে চাহিদা থাকলেও এখন তো পদ্মের সিজিন নয়। আরেক ফুল ব্যবসায়ী ভূতনাথ মাজি জানান, গাঁদা ফুলের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। উত্তরপ্রদেশের দিকে গাঁদার খুব কদর। ওখানে নেতারাও গাঁদার মালা পরেন ভোটের সময়, যেটা এরাজ্যে তেমন দেখা যায় না। গাঁদাফুলের রঙও খুব উজ্জ্বল হয়। তাই রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য গাঁদাফুল প্রচুর যাচ্ছে অযোধ্যায়। আমাদেরও অসময়ে ফুলের বিক্রি বেড়েছে। ফলে, কিছুটা লাভও হচ্ছে।

    ট্রেন-বিমানে অযোধ্যায় যাচ্ছে বাংলার ফুল

    ঠিক কী পরিমাণে ফুল হাওড়া তথা পশ্চিমবঙ্গ থেকে অযোধ্যায় গেছে তার হিসেব পাওয়া কঠিন, কারণ কোনও একটি সমিতি বা নির্দিষ্ট কারও মারফত এই অর্ডার আসেনি। ফুলচাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন বাজার থেকে সরাসরি ফুল সংগ্রহ করে ট্রেনে করে অযোধ্যায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফ্লাইটে নিকটবর্তী বিমানবন্দর হয়ে ফুল যাচ্ছে অযোধ্যায়। খুশি ফুল ব্যবসায়ীরা। মল্লিকবাজারে ফুল বিক্রি করতে আসা নিমাই মণ্ডল বলেন, আজ ফুল নিয়ে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। পরিচিত একজন এসে ফুলের সব ছড়ি আর দোপাটি কিনে নিল। বলল রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য ফুল দরকার। ভালোই হল। রোজই অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করতে হয়। সব ফুল যে রোজ বিক্রি হয় তাও নয়। আজ কপাল ভালো ছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি পিসি-ভাইপো,’ তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি পিসি-ভাইপো,’ তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়নগরের সভার পাল্টা সভা জয়নগরের দক্ষিণ বারাসতের রেল মাঠে করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর এই পাল্টা সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন তিনি। মূলত বিজেপির জয়নগর সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে এই সভার আয়োজন করা হয়।

    মমতাকে তীব্র কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোডিয়াম-পটাশিয়ামের গন্ডগোল পুনরায় হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, কপিল মুনির আশ্রম তিনি বানিয়েছেন, এমনকী কালিঘাট-তারাপীঠও তিনি বানিয়েছেন। কি আর করা যাবে? কথাবার্তার কোনও ব্যালান্স নেই। এমনকী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, ৪৭ সালে বেলেঘাটায় এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান্ধীজিকে ফলের জুস খাইয়েছেন। রাকেশ রোশন চাঁদে গিয়েছিলেন বলে তিনি প্রকাশ্যে বলেছিলেন। দেশে আমরা আছি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাথার ঠিক নেই।

    ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি পিসি-ভাইপো

    সন্দেশখালি তৃণমূল নেতা শাহজাহানের প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, শাহজাহান ফেরার নয়, তাঁকে পুলিশ নিয়ে নিয়েছে। তাই, শাহজাহানকে কোনওদিন ধরতে পারবে না। এছাড়াও তিনি চাঞ্চল্যকর দাবি করেন শাজাহান কোথায় রয়েছে সেই খবর আমরা জানি, সরবেরিয়া থেকে ধামাখালির মধ্যে আত্মগোপন করে রয়েছে শাহজাহান। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিষ্ণুপুরের বিজেপি নেতা অগ্নিশ্বর নস্করকে পুলিশ মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করেছে। অথচ শাহজাহানকে গ্রেফতার করছেন। আর পুলিশ ধরতে গেলে কিছু পুলিশ রয়েছে তারাই শাহজাহানকে জানিয়ে দিচ্ছে। যতক্ষণ না পর্যন্ত এই চোর মমতাকে আপনারা পাল্টাবেন, ততক্ষণ আপনাদের এই যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে। যেদিন মমতা প্রাক্তন হবেন, আর চোর ভাইপো জেলে যাবেন, সেদিন মানুষ শান্তি পাবেন। তার আগে কোনও শান্তি পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। আমাদের লড়াই চলছে। তিনি আরও বলেন, সাড়ে তিন বছরের জেল খাটা চোর নর্দমার কিট (কুণাল ঘোষ) সে তো বলে পিসি হল রামকৃষ্ণ দেব আর কয়লা ভাইপো হল স্বামী বিবেকানন্দ। আমার মনে হয়, ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি হলেন পিসি আর ভাইপো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhatpara:  নাম না করে অর্জুনকে ফের তুলোধনা করলেন সোমনাথ

    Bhatpara: নাম না করে অর্জুনকে ফের তুলোধনা করলেন সোমনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অর্জুন সিংকে নিশানা করে আক্রমণ করলেন জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। ভাটপাড়ায় (Bhatpara) খুন হওয়া তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবের স্মৃতিতে জগদ্দল সার্কাস মোড়ে তাঁর বাড়ির কাছে এলাকাবাসীর উদ্যোগে একটি কম্বল বিতরণের অনুষ্ঠান ছিল। সেখানেই হাজির হয়েছিলেন বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম।

    অর্জুনকে নিয়ে কী বললেন সোমনাথ? (Bhatpara)

    অর্জুনের নাম না করে সোমনাথ বলেন,’ একই ঘর থেকে সকালে বিজেপি বেরোচ্ছে। সন্ধ্যেয় বেরোচ্ছে অন্য পার্টির লোক। একই ঘর থেকে দু-দুটো পার্টি, এরকম বহুরূপী চাল কীভাবে চলতে পারে? যে বা যারা এসব করছে তারা যেন ভেবে নেয় মানুষ মূর্খ নয়। এসব রাজনীতি আগে চলত। ২০১৯ সালের পরে আমাদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেনাপতিত্বে ওই চালাকি এখন আর চলে না’। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি বিশেষ কারও সম্পর্কে কোনও কথা বলতে আসিনি। আমার প্রশ্ন, ভাটপাড়ার (Bhatpara) তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবের খুনিরা কারা, কীভাবে খুন করালো, কোন পরিবার থেকে বেরিয়ে খুন হচ্ছে সেটা কেন দেখা হবে না? দলীয় কর্মী খুনের পিছনে যে বা যারা আছে তাদের বিরুদ্ধে বলছি। এখানে ব্যক্তি কোনও বিষয়ই নয়’। এদিন জগদ্দলের বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, ২০০৫ অথবা ২০০৬ সাল নাগাদ চোরাই গাড়িতে করে হেরোইন এবং আর্মস নিয়ে নেপাল বর্ডারে কে গ্রেফতার হয়েছিল তা খুঁজে বের করতে, না হলে তার কাছে থাকা হলুদ ফাইল আগামীদিনে এর উত্তর দেবে।  

    ভাটপাড়া পুরসভায় কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন

    বিধায়কের প্রশ্ন, ভাটপাড়া (Bhatpara) পুরসভা থেকে যে কোম্পানি সাড়ে চার কোটি টাকা নিয়ে রেখেছে, তার সঙ্গে কার যোগ আছে, কেন সেই টাকা পুরসভাকে ফেরত দেওয়া হচ্ছে না, কোনও মঞ্চ থেকে তার কেন জবাব নেই। আরও প্রশ্ন, ভাটপাড়া নৈহাটি সমবায় ব্যাঙ্ক দুর্নীতি,ভাটপাড়া পুরসভায় কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি, পেনশন ও মিড ডে মিলে দুর্নীতি সহ জুট মিল থেকে মাটি বিক্রি, কারখানার ভেতর থেকে লোহার স্ক্রাব বিক্রির কেন কোনও জবাব নেই সেই প্রশ্নও তোলেন বিধায়ক। উল্লেখ্য, যেসব দুর্নীতির কথা সোমনাথ বলছেন, সেই সময় ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান পদে ছিলেন অর্জুন সিং। ফলে, অভিযোগের তির যে তার দিকেই তা একপ্রকার স্পষ্ট। যদিও সোমনাথ শ্যাম বলেন, ‘ কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি বা কারোর উদ্দেশ্যে আমি কিছু বলিনি। আমি শুধু ভিকি যাদব খুনে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে বলেছি’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ‘অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন!’ বেফাঁস হুমায়ুন

    Murshidabad: ‘অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন!’ বেফাঁস হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জেলা নেতৃত্বের একটা অংশের বিরোধ রয়েছে। প্রকাশ্যেই দলের সাংসদ আবু তাহের সহ একাধিক নেতার বিরুদ্ধে তিনি মুখ খুলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের রোষে পড়েন। শুক্রবার কালীঘাটে বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো বেশি কথা বলার জন্য ধমক দেন। কিন্তু, বৈঠক থেকে বেরিয়ে তিনি ফের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই সুর চড়িয়েছেন। এবার তাঁর সরাসরি আঙুল অভিষেকের অফিসের দলীয় এক কর্মীর বিরুদ্ধে।

     অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন! (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন বলেন, ‘কোনও চ্যাং-ব্যাং, ২৭-২৮ বছরের ছেলেরা ৬০, ৬২, ৭০ বছরের নেতৃত্বকে অবহেলা করবে, তাঁদের কর্তৃত্ব নিয়ে চ্যালেঞ্জ করবে, ভুল ট্রিটমেন্ট করা, মূল্যায়ন করা, মেনে নেওয়া যায় না। সেটা আমি সব মানব না!’ এসব বলার পাশাপাশিই অভিষেকের ওপর তাঁর আস্থা রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, ‘অভিষেক সত্যিই যোগ্য নেতৃত্ব হয়ে উঠেছেন। তিনি শুধু ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ নন। পাশাপাশি তিনি দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। মমতার পরেই তাঁকে মানি। নবীনদের মধ্যে যদি প্রতিভা থাকে, তাঁরা নেতৃত্ব দিতেই পারেন। যেমন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তাঁর নাম করে তাঁর অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন। নিজে নিজের ব্লক সভাপতি ঠিক করে দিচ্ছেন। তা হলে আমাদের রাজনীতি করার মানে কী? অভিষেককে আমি নেতা মানি। তাঁর হুইপ মানতেও রাজি। কিন্তু, তাঁর নাম করে কেউ অনৈতিক কাজ করবে, সেটা মানা সম্ভব নয়। তিনি নিজের ক্ষমতা জাহির করতে গিয়ে বলেন, দলনেত্রী মমতা আমাকে দায়িত্ব দিলে লোকসভা ভোটে বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে দু’লক্ষ ভোটে হারিয়ে দেখিয়ে দেব।’

    মমতার ধমক নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    শুক্রবার দলীয় বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো সকলের সামনেও হুমায়ুনকে ধমক দেন। সেই প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন,’ ধমকের কোনও বিষয় নয়। প্রবাদবাক্য রয়েছে, শাসন করার অধিকার তাঁরই থাকে যিনি ভালবাসেন। সোহাগ করতে জানেন। দিদি আমাকে স্নেহ করেন। তাই কোনও সময়ে ভুল করলে বকুনিও দেন। আমি মনে করি, গুরুজনের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। রাজনীতির ময়দানে তিনি গুরুজন। তাঁর কথায় কিছু মনে করি না। তাঁর প্রতি বলার কিছু নয়। যোগ্য নেতৃত্ব বলে মনে করি।’ এরপরই তিনি চেনা ঢঙে বলেন, ‘আমাকে চমকিয়ে-ধমকিয়ে লাভ নেই। আমি বহিষ্কার বা ওই ধরনের শাস্তির ভয় পাই না। তাঁর কথায়, দল ছাঁটাইয়ে প্রস্তুত আছে। কিন্তু দল ছাঁটাই করবে কি না দলকে ভাবতে হবে। ছাঁটাই করলে কোথায় রাস্তা খুঁজতে হয়, সঠিক মূল্যায়ন করতে হয় আমি জানি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: শাড়িতেই রামায়ণ ফুটিয়ে তুলে রাম মন্দিরের পথে পাড়ি বাংলার তাঁতশিল্পীর

    Ram Mandir: শাড়িতেই রামায়ণ ফুটিয়ে তুলে রাম মন্দিরের পথে পাড়ি বাংলার তাঁতশিল্পীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম করে শাড়ির ওপর ফুটিয়ে তুলেছেন রামায়ণের কাহিনী। এবার সেই শাড়ি অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ram Mandir) সীতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে রওনা দিলেন নদিয়ার রানাঘাট থানার হবিবপুর গ্রামের এক যুবক। শাড়িটি বিক্রির জন্য প্রচুর টাকা অফার পেয়েছেন। কিন্তু, তিনি শাড়িটিকে বিক্রি করেন নি। হবিবপুরের রাঘবপুর পূর্ব পাড়া গ্রামের বাসিন্দা পিকুল রায়। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত তিনি। তাঁর নিজস্ব একটি শাড়ির দোকান রয়েছে। দীর্ঘ এক বছর আগে থেকেই শুরু করেছিলেন ওই শাড়িটি তৈরি করা। কোনওরকম প্রিন্ট বা ছাপা নয়, শাড়ির ওপর নিজের কর্মদক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছেন রামায়ণের কাহিনী। যেখানে রয়েছে রাম এবং সীতার ছবি। তাঁদের বনবাস গল্প রয়েছে ওই শাড়ির মধ্যে।

    শাড়ি তৈরি করতে এক বছর লেগেছে (Ram Mandir)

    দুই দিন বাদেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধন হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই গোটা দেশজুড়ে বিজেপি এবং বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের তরফে বিভিন্ন উৎসব পালন করছে। কোথাও নাম সংকীর্তন আবার কোথাও বিভিন্ন রাম-সীতা মন্দির পরিস্কার করার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই দিনটি যাতে প্রদীপ জ্বালিয়ে রাম নাম করে উদযাপন করা যায় তা নিয়েও সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে। দেশের বহু নামিদামি মানুষ আছে যারা অযোধ্যার রাম মন্দিরকে উৎসর্গ করে টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামগ্রী প্রদান করেছেন। এবার নিজের হাতে তৈরি সেই রামায়ণ রচয়িতা শাড়ি রাম মন্দিরের উৎসর্গ করতে চান পিকুলবাবু। এ বিষয়ে তিনি বলেন, প্রায় এক বছর আগেই রামায়ণের গল্পটি শাড়ির ওপর বসানোর চিন্তাভাবনা আসে। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমি এক বছর আগে থেকে এই শাড়ি তৈরি করতে শুরু করি। শাড়িটি তৈরি হওয়ার পর অনেকে অতিরিক্ত দাম দিয়ে কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু. আমি তাতে রাজি হইনি। এই শাড়িটিকে অযোধ্যার রাম মন্দিরে দিতে চাই।

    ট্রেনে করে অযোধ্যা রওনা তাঁতশিল্পীর

    অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন পিকুলের দাদা অনন্ত রায়। ট্রেনে করে তাঁরা রওনা দিয়েছেন। অনন্তবাবু বলেন, আমার ভাই বিষয়টি আমাকে জানাই এবং আমি অত্যন্ত খুশি হই। সে নিজের হাতে রামায়ণের ইতিহাস বর্ণনা করেছে, সেই শাড়ি রাম মন্দিরে দান করবে। সেই কারণে আমিও ভাইয়ের সঙ্গে রওনা দিয়েছি। অন্যদিকে, পিকুল রায়ের এই উদ্যোগে খুশি প্রতিবেশীরাও। তাঁরা বলেন, পিকুলের এই উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি। তিনি যাতে সফলভাবে অযোধ্যার রাম মন্দিরে পৌঁছে শাড়িটিকে দান করতে পারেন সেই প্রার্থনা করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি! বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন তৃণমূলের কাউন্সিলররা

    Panihati: চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি! বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন তৃণমূলের কাউন্সিলররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাউন্সিলারদের নজিরবিহীন প্রতিবাদে ভেস্তে গেল পানিহাটি (Panihati) পুরসভার বোর্ড মিটিং। শুক্রবার বিকেলে মিটিংয়ে উপস্থিত হওয়া শাসক দলের কাউন্সিলররা প্রকাশ্যে চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব মানতে অস্বীকার করেন। তাঁরা বলেন, পুরসভা সঠিকভাবে চলছে না। চেয়ারম্যানকে সরাতে হবে। উচ্চ নেতৃত্ব আমাদের সঙ্গে না বসলে আমরা বোর্ড মিটিংয়ে অংশ নেব না। এরপর শাসক দলের কাউন্সিলররা হাজিরা খাতায় সই না করে বেরিয়ে যান। এই ঘটনায় সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছেন শাসক দলের জেলা নেতৃত্ব।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Panihati)

    পানিহাটির (Panihati) ৩৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি করে কংগ্রেস ও সিপিএমের দখলে। বাকি তৃণমূলের। শুক্রবার ছিল বোর্ড মিটিং। সমস্ত পুরপ্রতিনিধির থাকার কথা থাকলেও তৃণমূলের ২৯ জন (পুরপ্রধান-সহ) এবং সিপিএম ও কংগ্রেসের দু’জন ছিলেন। দেখা যায়, একে একে সকলে এলেও বিধায়ক নির্মল ঘোষের পুত্র তথা চেয়ারম্যান পারিষদ তীর্থঙ্কর ঘোষ-সহ আরও তিন পুরপ্রতিনিধি, তাপস দে, স্বপন দাস ও সম্রাট চক্রবর্তী অনুপস্থিত। এদিন পূর্ব নির্ধারিত বোর্ড মিটিংয়ে পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার ও ফিনান্স অফিসার সহ সমস্ত কাউন্সিলররা হাজির ছিলেন। কিন্তু, বৈঠকের শুরুতে শাসক দলের কাউন্সিলররা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। প্রবীর ভটাচার্য নামে তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর প্রকাশ্যে পুরসভা সঠিকভাবে চলছে না বলে অভিযোগ তোলেন। অন্যান্য কাউন্সিলররা তাঁকে সমর্থন করেন। চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি জানিয়ে ২৮ জন পুরপ্রতিনিধি আলোচনাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান। দাবি তুললেন, পুরপ্রধান বদল করতে হবে! কারণ, তাঁর নেতৃত্বে কোনও কাজই ঠিক ভাবে হচ্ছে না। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলের অন্দরে তীব্র জলঘোলা শুরু হয়েছে।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    শাসকদলের পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে তাঁর দলেরই পুরপ্রতিনিধিদের এ হেন অনাস্থা প্রকাশের ঘটনা শুক্রবার ঘটেছে পানিহাটিতে (Panihati)। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় তৃণমূলের কোর কমিটির সম্প্রসারণ করেছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কমিটিতে পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে। আর সেই নির্মলবাবুরই খাসতালুক বলে পরিচিত পানিহাটিতে এমন ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। এ দিন ঘটনার পর থেকেই পানিহাটিতে জল্পনা চলছে, তা হলে কি সত্যিই পুরপ্রধান বদল করা হবে? যদিও বিষয়টি নিয়ে নির্মলবাবু কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। পানিহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় রায় বলেন, কোরাম গঠন না হওয়ায় এদিন বোর্ড মিটিং সম্ভব হয়নি। বিষয়টি দলের উচ্চ নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে নতুন করে বোর্ড মিটিংয়ে দিনক্ষণ স্থির করা হবে।

    তৃণমূলের জেলা সভাপতির কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের দমদম-ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায় বলেন, সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের নিজের বিধানসভা এলাকার পুরসভার ঘটনা। তাই, দলের উচ্চ নেতৃত্ব বিষয়টি নিশ্চয়ই গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ভেজাল গুড়ের রমরমা! কীভাবে চিনবেন আসল নলেন গুড়?

    Nadia: ভেজাল গুড়ের রমরমা! কীভাবে চিনবেন আসল নলেন গুড়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খেজুর গুড় আমরা সকলেই খেয়েছি। খেজুর গুড় অর্থাৎ নলেন গুড় নদিয়া জেলায় বেশ কয়েক জায়গায় পাওয়া যায়। ঠিক তেমনি নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জ মাজদিয়া নলেন গুড়ের কথা এখন মোটামুটি জানে সকলেই। তার প্রথম ও প্রধান কারণ মাজদিয়ার এই নলেন গুড় টিউব, যা প্রক্রিয়াকরণ করে তার রপ্তানি করা হয় দেশ বিদেশের একাধিক জায়গায়। তবে, ইতিমধ্যেই এই গুড় নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ উঠে আসছে। ভেজাল গুড়ের রমরমা শুরু হয়েছে।

    গুড়ে মেশানো হচ্ছে চিনি! (Nadia)

    গুড়ে মেশানো হচ্ছে চিনি! নদিয়া (Nadia) জেলার  শিউলিরা খেজুর রস গাছ থেকে সংগ্রহ করে এনে তা জাল দিয়ে ফুটিয়ে তৈরি করে খেজুর গুড়। খেজুরের রস মেশানোর সময় সেই রসে শিউলিরা ঢালছেন লাগাতার চিনি। শিউলিদের বক্তব্য, কলকাতা থেকে যে সমস্ত ব্যবসায়ীরা আমাদের থেকে গুড় কেনেন তাঁরাই বলেছেন এই চিনি মেশাতে। এর ফলে খেজুরের গুড়ের রং যেমন সঠিক থাকে, ঠিক তেমনি লাভের অঙ্ক খানিকটা বেশি থাকে। তবে, চিকিৎসকেরা বলছেন চিনি মেশানো নলেন গুড় খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। এতেই সমস্যায় পড়েছেন ভোজন রসিক বাঙালিরা। তবে সমস্যার সমাধান করে দিলেন একাধিক নলেন গুড় বিশেষজ্ঞরা।

    কীভাবে চিনবেন আসল নলেন গুড়?

    কীভাবে পার্থক্য করবেন আসল এবং ভেজাল গুড়ের মধ্যে? তা বলে দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরাই। বিশেষজ্ঞদের মতে, আসল এবং ভেজাল নলেন গুড়ের প্রথম ও প্রধান পার্থক্য হবে তার রঙে। এরপর দ্বিতীয় পার্থক্য হবে গুড়ের ঘনত্বেও। আসল নলেন গুড় অত্যন্ত পাতলা এবং তার মধ্যে ভেজাল কিংবা চিনি মেশানো থাকলে সেই গুড়ে ঘনত্ব হয়ে যায় বেশি। এরপরেও আসল নলেন গুড় সংরক্ষিত করে রাখলে সেই গুড় বহুদিন পর্যন্ত রয়ে যায়। তবে ভেজাল মেশানো গুড় খুব বেশিদিন সংরক্ষিত করা যায় না। এছাড়াও আসল ও ভেজাল মিশ্রিত নলেন গুড় অনেকেই মুখে দিলেই বুঝতে পারবেন বলেও জানাচ্ছেন তারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal Tiger: বক্সায় পায়ের ছাপ মিলল বাঘ মামার! বসানো হল একাধিক ট্র্যাপ ক্যামেরা

    Bengal Tiger: বক্সায় পায়ের ছাপ মিলল বাঘ মামার! বসানো হল একাধিক ট্র্যাপ ক্যামেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে অন্য আরেকটি নতুন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের (Bengal Tiger) পায়ের ছাপ মিলেছে। আর এই পায়ের ছাপ পাওয়ার পরেই এই বনাঞ্চলে একাধিক রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বন দফতর। ইতিমধ্যেই বাঘের হদিশ পেতে বন দফতরের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

    একাধিক ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হয়েছে (Bengal Tiger)

    বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৮ ডিসেম্বর বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে একটি পূর্ণ বয়স্ক পুরুষ রয়্যাল বেঙ্গলের (Bengal Tiger) ছবি ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়ে। ক্যামেরায় এই ছবি ধরা পড়ার কয়েকদিন আগে থেকেই এই বাঘের পায়ের ছাপ পেয়েছিল বন দফতর। সেই ছাপ নিয়ে হইচইও হয়েছিল। পায়ের ছাপ দেখেই সম্ভাব্য গতিপথে ট্র্যাপ ক্যামেরা বসিয়েছিল বন দফতর। আর তার পরেই ট্র্যাপ ক্যামেরায় ২৮ ডিসেম্বর রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ছবি ধরা পড়ে। তার দুই দিন পর ৩১ ডিসেম্বর ফের ওই একই বাঘের আরেকটি ছবি ক্যামেরা বন্দি হয়। এবারও পায়ের ছাপ দেখে সম্ভাব্য গতিপথে একাধিক ট্র্যাপ ক্যামেরা বসিয়েছে বন দফতর। সেই ক্যামেরা কোনও ভালো ফল দিতে পারে কি না এখন সেই অপেক্ষায় বক্সা বাঘ বন কর্তৃপক্ষ।

    বন দফতরের আধিকারিক কী বললেন? (Bengal Tiger)

    বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন পায়ের ছাপ যে অন্য নতুন একটি বাঘের তা পরীক্ষা করে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে, এবারের নতুন বাঘের পায়ের (Bengal Tiger) ছাপ আগের বাঘের পায়ের ছাপের প্রায় একই আকারের বলে জানিয়েছেন বন দফতরের কর্তারা। জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর ট্র্যাপ ক্যামেরায় বক্সাতে বাঘের ছবি ধরা পড়েছিল। তারপর ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে দুই দিনের ব্যবধানে পর পর একই বাঘের দুটো ছবি ক্যামেরা বন্দি হয়। চলতি বছরের শুরুতেই আরও একটি নতুন বাঘের পায়ের ছাপ মেলায় বক্সাতে একাধিক বাঘের উপস্থিতি রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। রাজ্যের বন্যপ্রাণ বিভাগের প্রধান মুখ্য বনপাল দেবল রায় বলেন, অন্য আরেকটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের পায়ের ছাপ মিলেছে। তার পর যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার তা আমরা নিয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: টুকলি রুখতে ডিএলএডের মহিলা পরীক্ষার্থীদের বিবস্ত্র করে তল্লাশি, চাঞ্চল্য

    Burdwan: টুকলি রুখতে ডিএলএডের মহিলা পরীক্ষার্থীদের বিবস্ত্র করে তল্লাশি, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষা কেন্দ্রে নকল রুখতে মহিলা পরীক্ষার্থীদের বিবস্ত্র করে করে তল্লাশি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের (Burdwan) তালিতের গৌড়েশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে। ইতিমধ্যেই পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ ও জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক) দফতরে শুক্রবার লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন বেশ কয়েকজন মহিলা পরীক্ষার্থী। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে শিক্ষামহলে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    ডিএলএড (ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এডুকেশন) চূড়ান্ত পরীক্ষার সেন্টার পড়়েছিল বর্ধমানের (Burdwan) দেওয়ানদিঘি থানার তালিত গৌড়েশ্বর হাইস্কুলে। গত ১৭ জানুয়ারি থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে ডিএলএড পরীক্ষা গ্রহণ। শুক্রবার যা শেষ হয়েছে। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার পরীক্ষাকেন্দ্রে মহিলা পরীক্ষার্থীদের কাছে টুকলি আছে কি না তা দেখার নামে কার্যত নগ্ন করে তল্লাশি চালানো হয়। শুক্রবার এই নিয়ে অভিযোগ জমা পড়েছে। এক পরীক্ষার্থী বলেন, কোনও পরীক্ষায় এইভাবে তল্লাশি করা হয় না। আমাদের অন্তর্বাস খুলিয়ে শারীরিক তল্লাশি চালিয়েছে। এই ভাবে তল্লাশি করে আমাদের অপমানিত করা হয়েছে। এই পরীক্ষায় নিযুক্ত সংস্থার কর্মীরা এই কাজ করিয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। একই সঙ্গে ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে রাজ্যের প্রথমিক শিক্ষাদফতরও। যদিও তল্লাশিতে নিযুক্ত সংস্থার দাবি, তল্লাশিতে প্রচুর টুকলি উদ্ধার হওয়াতে এইভাবে তাঁদের বদনাম করা হচ্ছে।

    স্কুল ও কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান তথা মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য বলেন, এটা হয়ে থাকলে চরম অন্যায় হয়েছে। অনৈতিক কাজ হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। এই ঘটনায় কারও জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিখিলকুমার খাঁ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা দফতরে নিযুক্ত বেসরকারি সংস্থা তল্লাশির কাজে ছিল। এখানে স্কুলের কোনও ভূমিকা নেই। অভিযোগের বিষয়েও আমি কিছু জানি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে আরাধনায় মাতবেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে আরাধনায় মাতবেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার সরযু পাড়ে আগামী ২২ শে জানুয়ারি  রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে দেশ জুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। ওই দিনই বালুরঘাটের পুন্যতোয়া আত্রেয়ী নদী পারে লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে আরাধনায় মাতবেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তার আগে অযোধ্যার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বালুরঘাট। জেলা জুড়ে রামচন্দ্রের সঙ্গে সুকান্ত মজুমদারের কাট আউটে ছেয়ে ফেলা হচ্ছে বালুরঘাট শহরসহ জেলার বিভিন্ন শহরে তৈরি করা হচ্ছে গেট। বালুরঘাট আত্রেয়ী নদীর সদরঘাট, কংগ্রেসঘাট সহ বিভিন্ন ঘাটে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের জন্য জায়গা ঠিক করা হচ্ছে। ওই এলাকাগুলি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বিভিন্ন কাট আউট ও আলো দিয়ে। ওই এলাকায় ৩০ ফুট উচ্চতার শ্রী রামচন্দ্রের কাটআউটের ব্যাবস্থা করা হবে। ১৫ জন পুরোহিত সন্ধ্যা আরতি করবেন আত্রেয়ী নদী পাড়ে, ত্রিশ জন ঢাকি ঢাক বাজাবেন। এছাড়াও ওই অনুষ্ঠান বন্যার্ঢ্য করে তুলতে সাংসদের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে আরাধনা করা হবে রামের (Sukanta Majumdar)

    আগামী ২২ শে জানুয়ারি যখন অযোধ্যায় রামলালার স্থাপনা হবে। রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠানের দিনের অনুষ্ঠানের জন্য ইতিমধ্যেই দেশের বিশিষ্টজনদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৬ হাজার জনকে আমন্ত্রিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশিষ্ট সেলিব্রিটি থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদ পৌষ মাসের শুক্লা দ্বাদশী তিথিতে রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার নতুন বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা এবং পুজো করা হবে বলে জানা গিয়েছে। রাম মন্দিরে থাকবে বিশেষ তিন বিগ্রহ। বিগ্রহ প্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে শেষ মুহূর্তের। মন্দির উদ্বোধনের দিন উপস্থিত থাকবেন স্বয়ং দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশের রাষ্ট্রপতি, অন্যান্য মন্ত্রী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদেরও। ওই দিনই উৎসবের আবহে মাতবে বালুরঘাট। সাংসদ অনুগামিদের কথায়, ২২ জানুয়ারি অকাল দীপাবলি হতে চলেছে বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদী পাড়ে। লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে আরাধনা করা হবে রামের। অখন্ড রামায়ণ পাঠ করা হবে। থাকছে বর্ণাঢ্য সন্ধ্যা আরতির আয়োজন।

     কী বললেন সুকান্ত?

    সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, গোটা দেশের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষ ও রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা আর অনুষ্ঠানের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। বালুরঘাটে আত্রেয়ী নদী পাড়ে রাম আরাধনার আয়োজন করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share