Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • SIR in Bengal: এসআইআরে ভুল সংশোধন আবেদনের সময়সীমা বাড়াল কমিশন, কতদিন পর্যন্ত করা যাবে?

    SIR in Bengal: এসআইআরে ভুল সংশোধন আবেদনের সময়সীমা বাড়াল কমিশন, কতদিন পর্যন্ত করা যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষ নিবিড় সংশোধন অর্থাৎ এসআইআর (SIR in Bengal)-এর খসড়া তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরে তাতে কোনও ভুল বা আপত্তি থাকলে তা সংশোধন করার আবেদনের মেয়াদ ছিল ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সেই সময়সীমা আরও আরও ৪ দিন বাড়াল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তথ্য সংশোধনের আবেদন জানানো যাবে আগামী ১৯ জানুয়ারি, সোমবার পর্যন্ত। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও এই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে গোয়া, লাক্ষাদ্বীপ, রাজস্থান ও পুদুচেরিকে।

    কোন কোন দলের কত তরফে আবেদন

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, তালিকা সংশোধনের জন্য বিভিন্ন দলের তরফে এখনও পর্যন্ত কমিশনের কাছে মাত্র আটটি অভিযোগ জমা পড়েছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে তৃণমূলের তরফে। তালিকায় তিন জন ভোটারের নাম তোলার আবেদন জানিয়ে তৃণমূল ৩টি অভিযোগ জানিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, খসড়া তালিকা থেকে ওই সব ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। সিপিএম দু’টি, ফরওয়ার্ড ব্লক ও বিজেপি একটি করে এবং বহুজন সমাজ পার্টির তরফে ১টি অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যেক দলই তালিকায় নাম নথিভুক্তির আবেদন জানিয়েছে। নাম বাদ দেওয়ার আবেদন কোনও দলের তরফেই জানানো হয়নি।

    পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সময়সীমা বৃদ্ধি

    এসআইআর-এর (SIR in Bengal) পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর বিশেষ নিবিড় সংশোধনের খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ওই তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ যায়। তবে ওই তালিকা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নয়। সেখানে ভুল থাকতে পারে। আপত্তি বা অভিযোগের জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা আরও চার দিন বাড়ানো হল। সমস্ত অভিযোগ দেখে সেগুলি যাচাই ও সংশোধন করার পরে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। সব মিলিয়ে পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-কে চিঠি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে সময়সীমা বৃদ্ধির কথা।

  • SIR: এসআইআরের নথি হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, জানিয়ে দিল কমিশন

    SIR: এসআইআরের নথি হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, জানিয়ে দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরের (SIR) নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণ না করার কথা সিও-কে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিল কমিশন। এসআইআর-এর নথি বিষয়ে নির্বাচন কমিশন রাজ্যের নির্বাচন আধিকারিক সিইও মনোজ আগারওয়ালাকে শুক্রবার চিঠি দিয়ে এই বিষয়টি স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে। যদিও কমিশন আগে ১৩টি বৈধ নথির কথা জানিয়েছিল। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধকারিকের (Election Commission) সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকেরদের আগে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এরপর প্রস্তাব দিলে কমিশন খারিজ করে দেয়।

    জন্মতারিখের তথ্য হিসেবে বৈধতা দেখাতে হবে (SIR)

    ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে কোনও ভাবেই নথি হিসেবে, জন্মতারিখের তথ্য হিসেবে বৈধতা দেওয়া হবে না। ফলে এতে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার একটা আশঙ্কা রয়েছে। এসআইআর-এর অনেকেই নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা করেছেন। এখন সেই অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে গৃহীত হবে না বলায় অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে কমিশন (Election Commission) ভোটারদের এই নিয়ে ১৩টি নথির মধ্যে যেকোনও একটি দেখানোর কথাই বলেছে।

    ১৩টি নথি কী কী

    সিইও দফতর (SIR) থেকে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সদর দফতরে প্রস্তাব পাঠনো হয়েছিল। অবশেষে নির্বাচন কমিশন বৈধ নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণ করার আবেদন বাতিল করে দিয়েছে। কমিশন ঘোষিত যে ১৩টি নথির কথা বলা হয়েছে, সেগুলি হল—

    • ১) কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র, পেনশন পেমেন্ট অর্ডার
    • ২) ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগের নথি
    • ৩) জন্মের শংসাপত্র
    • ৪) পাসপোর্ট
    • ৫) শিক্ষাগত শংসাপত্র
    • ৬) ডোমিসাইল শংসাপত্র
    • ৭) বনাধিকার শংসাপত্র
    • ৮) জাতিগত শংসাপত্র
    • ৯) জাতীয় নাগরিক পঞ্জিতে নাম
    • ১০) বংশলতিকার শংসাপত্র
    • ১১) সরকারের দেওয়া জমির নথি
    • ১২) আধার কার্ড
    • ১৩) বিহারের এসআইআর নথি।

    নো-ম্যাপিং এবং এনুমারেশন ফর্মে (SIR) তথ্যগত অসঙ্গতির জন্য খসড়া ভোটার তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের একাংশকে শুনানির জন্য ডেকেছে কমিশন। তবে শুনানির জন্য যাদের কমিশন ডেকেছে তাদের নির্ধারিত নথির মধ্যে যে কোনো একটি দেখালেই হবে।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ফরাক্কায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন’’, মণিরুলের দৌরাত্ম্যে জ্ঞাণেশকে চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ফরাক্কায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন’’, মণিরুলের দৌরাত্ম্যে জ্ঞাণেশকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফরাক্কায় (Farakka) কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন। তৃণমূল বিধায়কের আচরণে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু অধিকারী নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে কমিশনকে বলেন, “তৃণমূল নেতার মন্তব্য মহা জঙ্গলরাজের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। রাজ্যে এসআইআর আবহে তৃণমূল নেতাদের উত্তেজক ভাষণে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে।” একই ভাবে বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুর জেলার চাকুলিয়ার বিডিও অফিসে এসআইআর শুনানিতে আক্রমণ করে উন্মত্ত জনতা। কার্যত আগুন লাগিয়ে রণক্ষেত্র করে তোলে গোটা সরকারি দফতর।

    সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা প্রয়োগের দাবি (Suvendu Adhikari)

    বুধবার রাজ্যের ফরাক্কায় তৃণমূল নেতার বিরাট দৌরাত্ম্য দেখা গিয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ওইদিন সকাল থেকে বিডিও অফিসের বাইরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল বিধায়ক এবং তাঁর অনুগামীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূল নেতা মণিরুল ইসলাম স্লোগান দেন “এসআইআর মানছি না মানব না।” এরপর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে। বিধায়কের নেতৃত্বে ব্যাপক ভাঙচুর চলে বিডিও অফিসে। শাসক দলের বিধায়কের নেতৃত্বে ভাঙচুরের ঘটনায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলাকে ঘিরে চরম বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে অনুরোধ করে বিরোধী দলনেতা বলেন, “সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে অবিলম্বে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে রাজ্য প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে এসআইআর প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার দাবি জানাই। শুভেন্দু আরও বলেন, “ভয়মুক্ত ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এখনই কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন, না হলে গণতন্ত্রই সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে।”

    হিন্দুদের সব খোয়াতে হবে

    একই ভাবে রাজ্যে একাধিক জায়গায় (Farakka)  এসআইআর বিরোধিতার নামে  তৃণমূল শাসনের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “বর্তমানে এই রাজ্যে মমতা সরকারের তোষণনীতি চরমসীমায় পৌঁছে গিয়েছে, উদ্দেশ্যে সেই ভোটব্যাঙ্ক, কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের কুর্সি টিকিয়ে রাখতে হবে। সুতরাং এই সব জেহাদিরা রাজ্যের যেখানে যা খুশি করুক তাদের বিরুদ্ধে কোনোও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। আসলে এই সরকারটা দ্বিতীয় বাংলাদেশ সৃষ্টি করতে চায়। রাজ্যের হিন্দুদের একত্রিত হয়ে অবিলম্বে এই সরকারটাকে শিকড় সমেত উপড়ে ফেলতে হবে, না হলে এই সব ঘটনা তো ট্রেলার মাত্র, আগামী দিনে হিন্দুদের ভিটে মাটি সব এভাবে প্রশাসনের সামনেই দখল হবে, আর হিন্দুদের সব খোয়াতে হবে। বাংলাদেশ থেকে সব হারিয়ে হিন্দুরা তাদের একমাত্র হোমল্যাণ্ড পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন, এর পর তাঁদের ভাবতে হবে তাঁরা কোথায় যাবেন? তাই সময় থাকতে হিন্দুরা এই হিন্দু-বিরোধী মমতা সরকারকে উৎখাত করতে অবিলম্বে একত্রিত হন।”

    চাকুলিয়ায় বিজেপি অফিসে আগুন ভাঙচুর!

    একই ভাবে ফরাক্কার পরে উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ার বিডিও অফিসে ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসআইআর-এর শুনানির কাজকে ঘিরে দুষ্কৃতীরা সরকারি দফতরে ব্যাপক ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। তবে বিরোধীদের অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সড়ককে অবরোধ করে প্রথমে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তবে যাদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে তারাই এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। ইতিমধ্যে চাকুলিয়া থানার আইসিকে ব্যাপক মারধর করা হয়।

    আবার চাকুলিয়ার বিডিও-র করা অভিযোগ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ টা নাগাদ বিডিও দফতরে জোর করে প্রবেশের চেষ্টা করেন প্রায় ৩০০ জন। পুলিশ প্রথমে উত্তেজিত জনতাকে আটকানোর চেষ্টা করে। এরপর দফতরের ভিতরে ঢুকে বৈদ্যুতিন যন্ত্র থেকে চেয়ার-টেবিল সব ভেঙে ফেলা হয়। প্রচুর নথি নষ্ট করা হয়। অফিসের ২০ লক্ষ টাকার জিনিস ধ্বংস করে দিয়েছে বলে বিডিও নিজে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে ইসলামপুর জেলা পুলিশের তরফে সর্তকতা জারি করা হয়েছে।

    বিভাজনের রাজনীতি মণিরুলের

    তবে ফারক্কার বিধায়ক মণিরুল উস্কানি মূলক ভাষণ দিয়ে বলেন, “হিন্দুরা আমায় বলেছে, রামের নাম শুনলে বলছে আপনার কিছু লাগবেনা। আর আর রহিমের নাম শুনলে তখন চোদ্দ গুষ্ঠির খতিয়ান চাই। এই দ্বিচারিতা চলবে না। আমরা সকলে এই দেশকে স্বাধীন করেছি। যদি ফরাক্কার মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে গুলি খেতে হয় এই মণিরুল ইসলাম গুলি খাবেন প্রথমে।” বারাসত থেকে বাঁকুড়া সর্বত্র এক দল এস আইআরকে ঘিরে গোলমাল করছে। তবে তৃণমূলের ছোট বড় নেতাদের কমিশন বিরোধী মন্তব্য একমাত্র দায়ী বলে দাবি করেছে বিজেপি। আগামী সময়ে কমিশন এখন কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তাই এখন দেখার।

  • PM Modi: ১৭ জানুয়ারি আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজো সাজো রব মালদায়, সেজে উঠছে স্টেশন

    PM Modi: ১৭ জানুয়ারি আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজো সাজো রব মালদায়, সেজে উঠছে স্টেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ জানুয়ারি ফের পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ওইদিনই মালদায় যাবেন নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকেই দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই নতুন ট্রেন সরাসরি যুক্ত করবে গুয়াহাটি-উত্তরবঙ্গ-কলকাতাকে। তাঁর সফরের আগে নয়া রূপে সেজে উঠেছে মালদা টাউন স্টেশন চত্বর। দিনরাত ধরে চলছে কাজ। মালদা টাউন স্টেশনকে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার কাজও (Vande Bharat Sleeper) চলছে জোরকদমে। স্টেশনে ঢোকার মুখে রয়েছে একটি বিশাল পার্ক। এই পার্কেই বসানো হয়েছে ফাইবারের তৈরি শ্রীচৈতন্য দেবের মূর্তি।

    সাজানো হয়েছে পার্ক (PM Modi)

    বাঁকুড়ার বিখ্যাত পোড়ামাটির ঘোড়া আর নানা ধরনের মূর্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে পার্কটি। এলাকার সমস্ত রাস্তায় নতুন করে পিচের প্রলেপ পড়েছে। পুরো এলাকা সাজানো হচ্ছে আলো দিয়ে। পার্কের কাজ শেষ করতেও ঘাম ঝরাচ্ছেন শ্রমিকরা। মালদা টাউন স্টেশনের ১ ও ২ নম্বর প্লাটফর্মে গিয়ে দেখা গেল, সেখানেও কাজ চলছে। দুটি প্লাটফর্মের মেঝের বেশ কিছু জায়গায় টাইলস পাল্টানো হচ্ছে। কোথাও আবার পড়েছে রংয়ের প্রলেপ। সামনে দাঁড়িয়ে কাজকর্ম তদারকি করছেন রেলকর্তারা। রেল সূত্রে খবর, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মালদায় পৌঁছে যাবে বন্দে ভারত স্লিপারের দুটি রেক। সেগুলি দাঁড়াবে ১ ও ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে (PM Modi)। সেই কারণে ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকে কোনও ট্রেন চলাচল করবে না। পূ্র্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক রসরাজ মাজি বলেন, “ইতিমধ্যেই কাটিহার থেকে বন্দে ভারত স্লিপার মালদার দিকে আসতে শুরু করেছে। এলেই জানিয়ে দেব।” ১৭ জানুয়ারি বন্দে ভারত স্লিপারের (Vande Bharat Sleeper) উদ্বোধন। তার ঠিক আগের দিনই মালদায় এসে পৌঁছবেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    মালদায় প্রধানমন্ত্রী

    ১৭ তারিখেই মালদায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর এই সফর ঘিরে চূড়ান্ত ব্যস্ততা। পুরাতন মালদা বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নানা প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মালদা টাউন স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের নিজস্ব ফাঁকা লক্ষ্মণ সেন স্টেডিয়ামে তৈরি হচ্ছে অস্থায়ী হেলিপ্যাড। জানা গিয়েছে, ১৭ জানুয়ারি দুপুর ২টো নাগাদ প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে সেখানে পৌঁছবেন। সেখান থেকে সড়কপথে আসবেন মালদা টাউন স্টেশনে। সড়ক পথের পুরো রাস্তাটিতে পিচের প্রলেপ পড়তে শুরু করেছে। দফায় দফায় এলাকা পরিদর্শন করছেন মালদা ডিভিশনের রেল কর্তারা।

    রেলের বক্তব্য

    পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার মণীশকুমার গুপ্তা বলেন, “১৭ জানুয়ারি মালদায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন স্লিপার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা হবে। তবে এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কোনও নির্দেশিকা আমাদের কাছে এসে পৌঁছয়নি।” জানা গিয়েছে, ওই দিন সবুজ পতাকা নেড়ে মালদা টাউন স্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী সূচনা করবেন বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। শুধু তাই নয়, সেখান থেকে ফরাক্কা পর্যন্ত তিনি ওই ট্রেনে সফরও করবেন। ট্রেনে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হবে এক ঝাঁক খুদে পড়ুয়া (Vande Bharat Sleeper)। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফর করার সুযোগ কারা পাবে, তাদের বেছে নিতে শুক্রবার থেকে মালদার বেশ কয়েকটি স্কুলে ছবি আঁকা, লেখার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন স্কুল থেকে প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়া পড়ুয়াদের নিয়ে আবার প্রতিযোগিতা হবে জেলাস্তরে। সেখানেই সফল হওয়া ৩০ পড়ুয়াকে বেছে নেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে (PM Modi)।

    একগুচ্ছ ট্রেনের উদ্বোধন

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি সরাসরি যুক্ত করবে গুয়াহাটি-উত্তরবঙ্গ-কলকাতাকে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, প্রথম ভাণ্ডে ভারত স্লিপার চলবে হাওড়া-মালদা টাউন-নিউ জলপাইগুড়ি-নিউ কোচবিহার-নিউ বঙ্গাইগাঁও-গুয়াহাটি (কামাখ্যা) রুটে। অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোর মধ্যে এবার আরও দ্রুত সংযোগ তৈরি হবে। এতেই শেষ নয়, একই দিনে প্রধানমন্ত্রী মোট ছ’টি নতুন ট্রেন পরিষেবার উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি-নাগেরকোইল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, নিউ জলপাইগুড়ি-তিরুচিরাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-বেঙ্গালুরু (SMVT) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-মুম্বই (পানভেল) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, রাধিকাপুর-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস, বালুরঘাট-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস।

    প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী বাছাই শুরু

    রেলের তরফে জেলার ১৮টি স্কুলে প্রতিযোগিতার নির্দেশাবলি পৌঁছে গিয়েছিল আগেই। তার পরেই শুরু হয় প্রতিযোগিতা। মালদার ঐতিহ্যবাহী বার্লো বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দীপশ্রী মজুমদার বলেন, “রেলের তরফে আমাদের চিঠি দিয়ে প্রতিযোগিতাগুলি আয়োজন করার জন্য বলা হয়েছে।” শুক্রবার জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যে সব স্কুল পড়ুয়ারা বন্দে ভারতে সফর করবেন, তাদের বেছে নেওয়া হবে তিন ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। ছবি আঁকা, সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা এবং প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে বলা হয়েছিল। আমরা স্কুলের জুনিয়র ও সিনিয়র ছাত্রীদের মধ্যে পৃথক দুটি ভাগে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম।” প্রতিযোগিতার বিষয় হিসেবে বিকশিত ভারত, বিকশিত বাংলা, নেক্সট জেনারেশন ট্রেন এবং আত্মনির্ভর ভারত ইত্যাদি বিষয় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মালদা অক্রুরমণি করোনেশন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক অজয়কৃষ্ণ রায় বলেন, “রেলের তরফে পড়ুয়াদের ছবিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে (Vande Bharat Sleeper)। স্কুলের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয়দের বক্তৃতার ভিডিও-ও করা হয়েছে (PM Modi)।”

  • CBI: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কলকাতার পাঁচ জায়গায় সিবিআই হানা, কে কে রয়েছেন তালিকায়?

    CBI: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কলকাতার পাঁচ জায়গায় সিবিআই হানা, কে কে রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলার (Bank Fraud Case) তদন্তে বৃহস্পতিবার কাকভোরে কলকাতার পাঁচ জায়গায় হানা দিল সিবিআই (CBI)। এদিন আলিপুর, নিউটাউন-সহ মোট পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, সকালেই শহরের ওই পাঁচ জায়গায় অভিযান চালান সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও।

    তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা (CBI)

    প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এদিন কয়েকজন ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ভুয়ো নথি দেখিয়ে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই দায়ের হয়েছিল মামলা। সেই মামলার সূত্রেই এদিন তল্লাশি চালায় সিবিআই। তদন্তকারীরা কার কার বাড়িতে হানা দিয়েছে, তা জানা না গেলেও, আলিপুর নিউ রোডে জনৈক নিশা কেজরিওয়ালের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

    আলিপুর নিউ রোডেও অভিযান

    নিশা থাকেন ২৮ নম্বর প্লটের একটি বহুতল বিলাসবহুল আবাসনে। এদিন তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় ৬ আধা সেনাকে। ভেতরে রয়েছেন আরও দুজন। তল্লাশি অভিযানে নেমে সিবিআই দেখতে চাইছে ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কার কার কাছে গিয়েছে টাকা। আলিপুর নিউ রোডের কাছে গণেশ কোর্ট আবাসনের পাঁচ তলায়ও এক ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে সিবিআই। এই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে (Bank Fraud Case) ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে কয়েকশো কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সপ্তাহখানেক আগেই কলকাতায় হানা দিয়েছিল ইডি। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা প্রথমে যান আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে। খবর পেয়ে খানিকক্ষণ বাদেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্রুত পায়ে ঢুকে যান আইপ্যাকের অফিসে। খানিক পরে হনহনিয়ে তিনি চলে আসেন বাইরে, তখন তাঁর হাতে ধরা একটি সবুজ ফাইল। ইডির আধিকারিকদের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তদন্তে বাধা দিয়েছেন (CBI)। যদিও মমতার সাফাই, এই সবুজ ফাইলে রয়েছে তাঁর দলের প্রার্থীদের নাম, ভোট স্ট্র্যাটেজির মতো বিভিন্ন (Bank Fraud Case) বিষয়। তাই তিনি ফাইলটি দ্রুত হস্তগত করেছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী (CBI)।

  • Dengue: নিপা ভাইরাসের মাঝেই রাজ্যে দাপট ডেঙ্গির! তীব্র শীতেও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

    Dengue: নিপা ভাইরাসের মাঝেই রাজ্যে দাপট ডেঙ্গির! তীব্র শীতেও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নিপা সংক্রমণ (Nipah Virus) নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।‌ রাজ্যের একাধিক হাসপাতালে স্বাস্থ্য কর্মীদের শারীরিক পরীক্ষাও করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে নিপা ভাইরাস আক্রান্ত নার্সের শারীরিক অবস্থা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।‌ তারমধ্যেই বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে ডেঙ্গি (Dengue)। এমনটাই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, জানুয়ারি মাসে রাজ্য জুড়ে শীতের দাপট অব্যহত ছিল। কিন্তু এই আবহাওয়াতেও ডেঙ্গি তার উপস্থিতি জানান দিয়েছে। মশাবাহিত এই রোগ থেকে রাজ্যবাসীর রেহাই নেই। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

    নতুন বছরে ডেঙ্গি পরিস্থিতি কেন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ডেঙ্গি সংক্রমণ বেশি হয়েছে। শুধুমাত্র কলকাতাতেই ২০২৪ সালে ১ হাজার ৩১৬ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছিলেন। কিন্তু ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত শুধুমাত্র কলকাতাতে ১ হাজার ৭৩৮ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং হাওড়াতেও এক রকম ভাবে ডেঙ্গি সংক্রমণ বেড়েছিলো। নতুন বছরে অর্থাৎ ২০২৬ সালের প্রথম সপ্তাহেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। গোটা রাজ্যে প্রায় শতাধিক মানুষ নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত (West Bengal Dengue Cases) হয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের মরশুমে ডেঙ্গি থেকে রেহাই পাওয়ার আশা করা যায়। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি অন্যরকম। জানুয়ারি মাসে রাজ্যে শীতের ঝড়ো ব্যাটিং চললেও ডেঙ্গির দাপট কমেনি। কারণ রাজ্যের একাধিক জায়গায় ঠিকমতো মশানিধন প্রক্রিয়া হয়নি। তাই শীতের মরশুমেও রাজ্যবাসী মশাবাহিত রোগে কাবু হচ্ছেন।

    নিপা ভাইরাসের আবহে কেন ডেঙ্গি বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিপা ভাইরাস সংক্রমণ রাজ্যে নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। নিপা ভাইরাসের আক্রান্তের মৃত্যু হার অনেক বেশি। সুস্থ হলেও আক্রান্তের শরীরে নানান জটিলতা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গি বাড়তি বিপজ্জনক। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি আক্রান্ত নিপা ভাইরাসে সংক্রামিত হলে তাঁর পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। আবার ডেঙ্গি আক্রান্তের শরীরে নিপা ভাইরাস সংক্রামিত হলে, ভাইরাসের প্রকৃতি পরিবর্তনও ঘটতে পারে। সেই পরিবর্তন সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ মহল একেবারেই ওয়াকিবহাল নন। ফলে সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিপা কিংবা ডেঙ্গি, এই দুই সংক্রমণের নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। ফলে চিকিৎসা খুবই জটিল। মৃত্যু আটকানোও কঠিন। তাই এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে যাতে সংক্রামক রোগ দাপট বাড়াতে না পারে‌ সেই নিয়ে সব মহলের তৎপরতা প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কী বলছেন স্বাস্থ্য কর্তারা?

    স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি মোকাবিলায় জানুয়ারি মাস থেকেই নানান পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন পুরসভার সঙ্গে যৌথভাবে স্বাস্থ্যকর্মীরা নজরদারি করবেন। এলাকায় জল জমছে কিনা, অপরিচ্ছন্ন আছে কিনা সেদিকে নজরদারি চালানো‌ হবে। আবার, নিপা নিয়েও সচেতনতা কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার করা হয়েছে, যাতে খেজুর রস না খাওয়া হয়। সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা কিংবা জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। আবার ডেঙ্গি হচ্ছে কিনা সে নিয়েও খোঁজ রাখা হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি প্রচার করা হচ্ছে।

    যদিও চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি রুখতে বছরভর প্রচার কর্মসূচির কথা ঘোষণা করলেও রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি যে নিয়ন্ত্রণে নেই, তা জানান দিচ্ছে পরিসংখ্যান। তাই ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা অধিকাংশ জেলায় বেড়েছে। নতুন বছরে জানুয়ারি মাসেই আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। শুধু সচেতনতা প্রসার নয়। সংক্রামক রোগ রুখতে প্রশাসনিক সক্রিয়তাও সমানভাবে জরুরি বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

  • Calcutta High Court: আইপ্যাক-কাণ্ডে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য! হাইকোর্টে খারিজ তৃণমূলের মামলা, ইডির দাবি মানল আদালত

    Calcutta High Court: আইপ্যাক-কাণ্ডে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য! হাইকোর্টে খারিজ তৃণমূলের মামলা, ইডির দাবি মানল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টে ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। ইডির বিরুদ্ধে করা তৃণমূলের মামলা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। তৃণমূলের যুক্তি টিকলই না আদালতে। হাইকোর্টে ইডি স্পষ্ট জানায়,কয়লা পাচার মামলার তল্লাশিতে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সংস্থার দফতর থেকে কিছুই বাজেয়াপ্ত করেনি তারা। বুধবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে মামলার শুনানিতে ইডির পক্ষে আইনজীবী তথা অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু জানান, যা নেওয়ার নিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ আইপ্যাক তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা৷ দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি।

    কেন মামলা খারিজ

    এদিন, অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু হাইকোর্টে যুক্তি দেন, তল্লাশি চালানো হয়েছে আইপ্যাক সংস্থার ডিরেক্টরের দফতর ও বাড়িতে। কিন্তু সেক্ষেত্রে আপত্তি জানিয়ে আদালতে এলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশীস চক্রবর্তী। অথচ তিনি তল্লাশির সময় ছিলেন না। তাহলে যে যে তথ্য তিনি আদালতে দিয়েছেন তা কীসের উপর ভিত্তি করে দিলেন? ফলে মিথ্যের উপর দাঁড়িয়ে থেকে কোনও মামলা করা যায় না। যাবতীয় জিনিসপত্র নিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে তৃণমূলের উচিত মমতার বিরুদ্ধে মামলা করা। সেক্ষেত্রে ইডির আইনজীবীরা তাঁদের সমর্থন করবেন। এরপরই এই বক্তব্যের উপর ভিত্তি করে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ মামলা খারিজ করে দেন।

    ভয় পেয়েছে তৃণমূল!

    ইডির দায়ের করা মামলা মুলতুবি করা হয়েছে হাইকোর্টে। এ প্রসঙ্গে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মিস্টার রাজু বলেছেন, তৃণমূলের কোনও কিছু বাজেয়াপ্ত হয়নি। তাই বিচারপতি এই মামলা খারিজ করে দিয়েছেন।” অপরদিকে, আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, “ইডি পরিষ্কার বলেছে, তাঁরা কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করতে পারেনি কারণ তা ডাকাতি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল যে কাগজের দাবি করেছিল ইডি সেই প্রসঙ্গে বলেছেন আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পার্টি করুন। কারণ, উনি সব নথি নিয়ে চলে গিয়েছেন। এই সব কথা শুনে ম্যাটার অন্য দিকে ঘুরে যাবে দেখে তৃণমূলের তরফে বলা হয় যদি কোনও নথি বাজেয়াপ্ত না করা হয়ে থাকে তাহলে মামলা পেনডিং রেখে লাভ নেই। তারপর মামলা খারিজ হয়।”

    বৃহস্পতিবার সুপ্রিম দুয়ারে শুনানি

    আইপ্যাকে ইডি তল্লাশি (IPAC ED Raid) ঘিরে আইনি টানাপড়েনের জল আগেই গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। জানা গেল, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) দায়ের করা মামলার শুনানি বৃহস্পতিবার হবে শীর্ষ আদালতে। আইপ্যাকে ইডি অভিযানের (IPAC ED Raid) পর আগেভাগেই সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছিল রাজ্য সরকার। তার পরপরই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় ইডি। বুধবারই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হবে।

  • Sukanta Majumdar: “মোদি ক্ষণজন্মা, তাঁর কথা শুনুন”, আমন্ত্রণপত্র বিলি করতে গিয়ে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “মোদি ক্ষণজন্মা, তাঁর কথা শুনুন”, আমন্ত্রণপত্র বিলি করতে গিয়ে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি (PM Modi) ক্ষণজন্মা, তাঁর কথা শুনুন। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে টাটারা ফিরবেই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভার আমন্ত্রণপত্র বিলি করতে গিয়ে কথাগুলি বললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ১৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার সেই সভাস্থল পরিদর্শন করেন সুকান্ত। সেখান থেকে তিনি যান সাহানাপাড়া গ্রামে। বিলি করেন প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র। সিঙ্গুর থেকে টাটা বিদায় নেওয়ার পর এই প্রথম সেখানে সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সিংহরভেড়ি মৌজায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারের মাঠে হবে সভা।

    তৃণমূলকে নিশানা (Sukanta Majumdar)

    সিঙ্গুরের মাটিতে টাটার শিল্প না হওয়ায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে দায়ী করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “বিজেপি সরকার আসুক। এখানে টাটারা ফিরবে। আমরা জানি, কীভাবে করতে হয়। আমরা উত্তরপ্রদেশে ডিফেন্স করিডর করছি। ভারতের দুটো বড় করিডরের একটা উত্তরপ্রদেশে, আর একটা হয়েছে তামিলনাড়ুতে।” তৃণমূলের আন্দোলনের জেরে সিঙ্গুর থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে ভিন রাজ্যে চলে গিয়েছেন টাটারা (Sukanta Majumdar)। পরে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর সেখানকার জমি ফিরে পেয়েছেন কৃষকরা। তবে সেই জমি আর আবাদযোগ্য নয়। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্লায় পড়লে নাকও যাবে, নরুনও যাবে। তিনি শুধু নিজের পরিবারের কথা ভাবেন, বাকি কারও জন্য ভাবেন না। প্রধানমন্ত্রীর সভায় আসার জন্য আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি (PM Modi)।” এর পরেই সুকান্ত বলেন, “তিনি (নরেন্দ্র মোদি) ক্ষণজন্মা। এমন মানুষ কম জন্মান। গোটা ভারতকে তিনি যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তা শ্রদ্ধা জাগায়। তাঁর বক্তব্য শুনতে সবার আসা উচিত। তৃণমূলের লোকেদেরও আসা উচিত। তবে তাদের সৎ বুদ্ধি হবে।”

    মুখ্যমন্ত্রী চান না, শিল্প হোক

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়ে সুকান্ত বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে শিল্প নেই। কারণ মুখ্যমন্ত্রী চান না, শিল্প হোক। তিনি চান, মানুষ গরিব থাকুন, ঘুগনি বিক্রি করুন। তিনি ভাতা দেবেন, আর সেই ভাতার টাকায় ছোলা কিনবেন বউকে বলবেন ঘুগনি বানাতে, আপনি ঘুগনি বিক্রি করবেন আর মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোরা কোটিপতি হবে। ওঁর পরিবার ভালো থাকবে। এই কলঙ্ক সিঙ্গুরের মাথা থেকে ঘোচানোর (PM Modi) কাজ করবে ভারতীয় জনতা পার্টি।  টাটা-সহ অন্য শিল্পপতিদের এখানে নিয়ে এসে শিল্প করে দেখাব (Sukanta Majumdar) আমরা।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, চৌত্রিশ বছরে বামেদের দুর্গ নাড়াতে সিঙ্গুরের এই আন্দোলন ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। বামফ্রন্ট সরকার তৎকালীন সময়ে এই সিঙ্গুরে টাটা ন্যানোর কারখানা তৈরি করবে বলে কৃষকদের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করে। তবে সেই সময় বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার জেরে শিল্প না করেই সিঙ্গুর থেকে চলে যেতে হয় টাটাদের (Sukanta Majumdar)।

     

  • SIR in Bengal: মাইক্রো অবজারভারদের জন্য কড়া বার্তা! নজরদারিতে নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি কমিশনের

    SIR in Bengal: মাইক্রো অবজারভারদের জন্য কড়া বার্তা! নজরদারিতে নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাইক্রো অবজারভারদের কঠোর নির্দেশ দিলেন রাজ্যের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার। দায়িত্বে উদাসীন হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, বলেও জানায় কমিশন। রাজ্যে প্রায় ৪,০০০ মাইক্রো অবজারভার নিযুক্ত করেছে কমিশন। এই অবজারভাররা বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে আসে। সিইও অফিসের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, মাইক্রো অবজারভাররা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছেন না। তাদের কাজ হল সমস্ত শুনানি পর্যবেক্ষণ করা এবং যেকোনো ম্যানুয়াল ত্রুটি চিহ্নিত করা। এটি চূড়ান্ত নির্বাচনী তালিকাকে নিখুঁত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal)-এর শুনানি পর্বে কাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গে আরও প্রায় দু’হাজার মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

    মাইক্রো অবজারভারদের দায়িত্ব

    সিইও একটি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, “মাইক্রো অবজারভারদের নিযুক্তি কালে তাদের শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণ সিইও-এর অধীনে থাকবে। নির্বাচনী শুনানি চলাকালীন উপস্থিতির স্বাক্ষরও সঠিকভাবে যাচাই করা হচ্ছে না। তাদেরকে তাদের নির্ধারিত কাজ খুবই গুরুত্ব সহকারে করতে হবে। দায়িত্বে অবহেলার ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” মাইক্রো অবজারভারদের বুথ লেভেল অফিসার (BLO) দ্বারা ডিজিটাল করা এন্ট্রিগুলো যাচাই করতে হবে। মৃত্যুহার ও জন্মহারের সাথে নির্বাচনী তালিকার মিল যাচাই করতে হবে। নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা (ERO) এবং সহকারী ইআরও (AERO)-এর নোটিশ প্রাপ্তদের কাগজপত্র যাচাই করতে হবে। নির্বাচনী শুনানি পর্যবেক্ষণ করা ও ইলেক্টরদের স্বাক্ষর এবং আঙুলের ছাপসহ ছবি তুলতে হবে। দিন দুয়েক আগেই মাইক্রো অবজারভারদের কাজে সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছিল কমিশন। নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানিয়েছিল, শুনানি কেন্দ্রে মাইক্রো অবজারভারেরা নিজেদের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করছেন না। ভবিষ্যতে কাজে গাফিলতি হলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে।

    অতিরিক্ত মাইক্রো অবজারভার

    কমিশন সূত্রে খবর, আগামী বৃহস্পতিবার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে নবনিযুক্ত মাইক্রো অবজারভারদের। কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে তথ্যগত অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) তালিকায় রয়েছে ৯৪ লক্ষ। এ ছাড়াও, ‘নো ম্যাপিং’ তালিকায় রয়েছে ৩২ লক্ষ। অর্থাৎ, এক কোটি ২৬ লক্ষ জনের শুনানি হওয়ার কথা। শুনানি পর্ব চলছে ১৫-২০ দিন। এখনও পর্যন্ত শুনানির জন্য ৭০ লক্ষ নোটিস তৈরি করা হয়েছে। তার মধ্যে ৩৪ লক্ষ নোটিস পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে শুনানির কাজ। হাতে বাকি মাত্র ২৫-২৬ দিন। তার মধ্যে গোটা কাজ শেষ করতে আরও লোকের প্রয়োজন। সেই সব বিবেচনা করেই অতিরিক্ত মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের প্রয়োজন। শুধু অতিরিক্ত মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ নয়, বাড়ানো হবে শুনানি কেন্দ্রও। শুনানির কাজ করছেন এইআরও-রা (সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক)। শুনানিকেন্দ্র বাড়লে এইআরও বৃদ্ধি করা হবে। সেই সব কেন্দ্রের জন্য মাইক্রো অবজারভারদের সংখ্যা বাড়বে।

  • Suvendu Attacks Mamata: ‘আইনি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন’, মানহানির নোটিসের জবাব না মেলায় মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Mamata: ‘আইনি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন’, মানহানির নোটিসের জবাব না মেলায় মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Attacks Mamata)। সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের জন্য গত শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীকে আইনজীবী মারফত একটি মানহানির নোটিস পাঠান তিনি। কিসের ভিত্তিতে মমতা ওই মন্তব্য করেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রামাণ্য নথি চেয়েছিলেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার দেওয়া ওই সময়সীমা ইতিমধ্যে অতিক্রম করেছে। কিন্তু সেই চিঠির উত্তর মেলেনি। এবার তাই নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলেন শুভেন্দু।

    ‘আদালতে দেখা হবে

    সমাজমাধ্যমে শুভেন্দু (Suvendu Attacks Mamata) লেখেন, “তাঁকে (মুখ্যমন্ত্রীকে) দেওয়া সময়সীমা এখন অতিক্রম হয়ে গিয়েছে, এবং মুখ্যমন্ত্রী তাঁর আচরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন যে আমার নাম কয়লা কেলেঙ্কারিতে জড়িত বলে তাঁর কল্পিত অভিযোগগুলির কোনও স্পষ্ট প্রমাণ নেই ওনার কাছে, অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত তাই বিপাকে পড়ে তিনি কোনও উত্তর দিতে পারেননি।” বিরোধী দলনেতার দাবি, কী জবাব দেবেন, তা হয়তো মুখ্যমন্ত্রী বুঝে উঠতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধে তিনি আরও লেখেন, “এবার উনি আদালতে আইনি পরিণতির সম্মুখীন হওয়ার জন্য প্রস্তুত হোন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার আপনার সাথে আদালতে দেখা হবে।”

    কেন শুভেন্দুর আইনি চিঠি

    অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীকে কয়লা দুর্নীতির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Attacks Mamata) জড়িয়ে মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই এই আইনি চিঠি নন্দীগ্রামের বিধায়কের। চিঠিতে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ফলাফলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। আই প্যাক-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি তল্লাশি থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার এক বেনজির দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে বাংলা তথা গোটা দেশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির মাঝে ঢুকে মুখ্যমন্ত্রীকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিঁধে দাবি করেছিলেন, ইডি-র মাধ্যমে তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। যদিও ইডি বিবৃতি দিয়ে জানায়, কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় এই তল্লাশি চলছিল। গোটা দেশের ১০ জায়গায় তল্লাশি চলছিল। তার মধ্যে ৬টি বাংলায় ও চারটি দিল্লিতে। ইডির বক্তব্য, এই তদন্তে হাওয়ালা-যোগও উঠে আসে। আর এখানেই উঠে আসে আইপ্যাকের নাম। ইডির দাবি, ইন্ডিয়ান প্যাক কনসালটিং প্রাইভেট লিমিটেড, অর্থাৎ আইপ্যাকের মাধ্যস্থতার হাওয়ালায় ১০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। অভিযুক্ত বেশ কয়েকজনের বয়ানে এই প্রতীক জৈনের নাম উঠে এসেছে। সেই কারণেই তল্লাশি।

LinkedIn
Share