Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Dengue: ডেঙ্গিতে স্বামীর মৃত্যুর খবর শুনেই অ্যাসিড খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা স্ত্রীর

    Dengue: ডেঙ্গিতে স্বামীর মৃত্যুর খবর শুনেই অ্যাসিড খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা স্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গিতে (Dengue) আক্রান্ত হয়ে স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। সেই শোক সামলাতে না পেরে অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন স্ত্রী। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার হাঁসখালির বেনালি গ্রামে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম বিকাশ হালদার। তাঁর বয়স ছিল ৫৩ বছর। তিনি বগুলা হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মী হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্ত্রীর নাম প্রীতি হালদার। তাঁকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বগুলা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার গভীর রাতে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তাঁর অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dengue)

    প্রায় এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছিলেন বিকাশবাবু। বগুলা হাসপাতালে তিনি কাজেও গিয়েছিলেন। তবে, এক সপ্তাহ পরেও সুস্থ হচ্ছিলেন না দেখে জ্বর এবং গলাব্যথার উপসর্গ নিয়ে বগুলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয় তাঁকে। জ্বর না কমায় রক্তের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। রক্ত পরীক্ষার পর জানা যায়, তাঁর ডেঙ্গি (Dengue) হয়েছে। ডেঙ্গির চিকিৎসার জন্য তাঁকে বগুলা হাসপাতাল থেকে রানাঘাটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রক্তে প্লেটলেট অস্বাভাবিক হারে কমতে থাকে। বহু চেষ্টার পরও প্লেটলেট বৃদ্ধি পায়নি। মঙ্গলবার বিকেলে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় বিকাশবাবুর। শোকে ভেঙে পড়েন তাঁর স্ত্রী প্রীতি হালদার। স্বামীর মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন প্রীতি। বিকাশের মৃত্যুর পর গ্রামের বাড়ি থেকে বগুলা হাসপাতালে তাঁর মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক থেকে শুরু করে হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে শেষকৃত্যের জন্য বিকাশের দেহ হাসপাতাল থেকে সরাসরি স্থানীয় শ্মশানঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়।

    মৃতের পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    বিকাশবাবুর ভাই প্রসেনজিৎ হালদার বলেন, দাদা বেশ কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিল। রক্ত পরীক্ষা করে জানা যায় যে তার ডেঙ্গি (Dengue) হয়েছে। অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো যায়নি। দাদার মৃতদেহ বাড়িতে পৌঁছতেই বউদি অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। দাদার মৃত্যুর পর বউদি এভাবে আত্মহত্যার চেষ্টা করবে, তা ভাবতেও পারিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Haldia: পানীয় জলের সমস্যা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র এলাকা

    Haldia: পানীয় জলের সমস্যা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র এলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পানীয় জলের সমস্যাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ার (Haldia) বিষ্ণুরামচক এলাকা। গোষ্ঠীকোন্দলে জড়াল তৃণমূল। বাঁশ, লাঠি, লোহার রড নিয়ে চলল হামলা. পাল্টা হামলা। গ্রামের একাধিক বাড়িঘরেও চলে ভাঙচুর। তৃণমূলের দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন একাধিক। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। একাদশীর দিনেই শিল্পতালুক হলদিয়াতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়াল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Haldia)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হলদিয়ার (Haldia) বিষ্ণুরামচক এলাকায় পানীয় জলের টিউবওয়েলে কেউ বা কারা নোংরা আবর্জনা ফেলে দেন। তা থেকে ঘটনার সূত্রপাত। এলাকায় বেশ কয়েকটি কল এই পরিস্থিতির শিকার হওয়াতে বিপাকে পড়েন মানুষ। এলাকার নেতৃত্বের তত্ত্বাবধানে পুরসভার পানীয় জলের গাড়ি পাঠানো হলেও সেই গাড়ি কার জায়গা দিয়ে যাবে তা নিয়েই শুরু হয় বচসা। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোল বাধে। মূলত প্রাক্তন জেলা সভাপতি দেবপ্রসাদ মণ্ডলের সঙ্গে তমলুক সাংগঠনিক জেলার বর্তমান জেলা যুব সভাপতি অজগর আলির অনুগামীদের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। একে অপরের বাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। অনুগামীদের মারধর করারও অভিযোগ রয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে। ইতিমধ্যে সমগ্র ঘটনা শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানো হয়। গ্রামে পুলিশ টহল দিচ্ছে। তবে, অষ্টমীতেও গ্রামের একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠছে। সমগ্ৰ ঘটনার কথা জানিয়ে হলদিয়া থানায় লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই বিষ্ণুরামচক এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছানোর জন্য তৃণমূলের এক শীর্ষস্থানীয় নেতা খুব চেষ্টা করেছিলেন এবং বিদ্যুৎ পৌঁছেও যায়। কিন্তু, সেখানকার রাজনৈতিক নেতৃত্বের একাংশ জানিয়েছেন, ওই এলাকায় এখন ক্ষমতা দখলের লড়াই জারি রয়েছে। আর তার জেরেই সামান্য পানীয় জলের সমস্যাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকা উত্তাল হয়ে ওঠে। এই বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: থানার নাকের ডগায় বাজারে দোকান ভেঙে সর্বস্ব লুট, পুলিশ কী করছে?

    Jalpaiguri: থানার নাকের ডগায় বাজারে দোকান ভেঙে সর্বস্ব লুট, পুলিশ কী করছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থানার নাকের ডগায় দোকান। সেই দোকান ভেঙে সর্বস্ব লুট করে পালাল দুষ্কৃতীরা। দশমীর গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ি থানা এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বুধবার দুপুর পর্যন্ত এই ঘটনায় পুলিশ কাউকে গ্রেফতার পর্যন্ত করতে পারেনি। ফলে চরম আতঙ্কে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

    কীভাবে দোকানে লুটপাট চালাল দুষ্কৃতীরা? (Jalpaiguri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দশমীর রাতে বিসর্জনে ব্যস্ত ছিল গোটা শহর। সেই সময়কেই কাজে লাগায় চোরের দল। ধূপগুড়ি থানা থেকে মাত্র ৫০ ফুট দূরে বাজার। থানার উল্টোদিকে বাজার হওয়ায় হামেশাই পুলিশ কর্মীদের আনাগোনা থাকে। ফলে, বাজারের ব্যবসায়ীরা অনেকটাই নিশ্চিন্তে থাকতেন। কিন্তু, তারপরও থানার উল্টোদিকের দোকান থেকে কয়েক লক্ষ টাকার সামগ্রী চুরি করে পালাল চোরের দল। এভাবে দোকান ভেঙে সর্বস্ব লুট করে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যাবে, তা ভাবতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকার ব্যবসায়ী সুকুমার ঘোষের দোকান ভেঙে সমস্ত সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। যার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়িতে।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কী বক্তব্য?

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, এই এলাকায় চুরির ঘটনা নতুন নয়। এর আগে শলাপট্টি এলাকায় দুটি চুরির ঘটনা ঘটেছিল। এই নিয়ে তিনবার একই ঘটনা ঘটল। বার বার চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশের কোনও হুঁশ নেই। তাঁদের আরও অভিযোগ, থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে তা নিতে অস্বীকার করে পুলিশ। এমনকী তাদের রীতিমতো হয়রানি করা হয় বলেও অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। এখানে থানার এমন অবস্থা হয়ে গেছে কেউ কোনও কাজ করছে না। এই যে তিনবার চুরি হল, পুলিশ কোনও কিনারাই করছে না। আর এখানে তো অসামাজিক কাজ প্রচুর হচ্ছে। কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Ratna Award 2023: ‘দুর্গা রত্ন’ পুরস্কার প্রদান করলেন রাজ্যপাল, তালিকায় রয়েছে কোন কোন পুজো?

    Durga Ratna Award 2023: ‘দুর্গা রত্ন’ পুরস্কার প্রদান করলেন রাজ্যপাল, তালিকায় রয়েছে কোন কোন পুজো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছরের ‘দুর্গা রত্ন’ (Durga Ratna Award 2023) পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কলকাতা এবং জেলা মিলিয়ে রাজ্যের মোট চারটি পুজো কমিটিকে মোট ৫ লাখ টাকা পুরস্কারের কথা জানাল রাজভবন। এই ঘোষণায় পুরস্কার প্রাপ্ত পুজো কমিটিগুলির মধ্যে উৎসাহ ধরা পড়ল।

    ‘দুর্গা রত্ন’ পুরস্কারে কী থাকছে (Durga Ratna Award 2023)

    রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, মানুষের বিচারে সেরা চার পুজো কমিটিকে ‘দুর্গা রত্ন’ (Durga Ratna Award 2023) পুরস্কারে সম্মানিত করা হবে। চার কমিটিকে দেওয়া হবে মোট পাঁচ লক্ষ টাকা এবং সেই সঙ্গে থাকবে রাজবভনের বিশেষ মানপাত্র। এর আগে, সেরা দুর্গা পুজোর কমিটিগুলিকে একটা মোটা অঙ্কের টাকা প্রদানের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফে। এবার রাজ্যপালও নির্বাচিত কিছু পুজো কমিটিকে সেরা পুজোর জন্য পুরস্কার স্বরূপ টাকা প্রদান করলেন।

    কোন কোন ক্লাবের পুজো দুর্গা রত্ন পুরস্কার পেল?

    রাজবভন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল আগেই ‘দুর্গা রত্ন’ (Durga Ratna Award 2023) পুরস্কারের কথা ঘোষণা করেছিলেন। সেই মতো ইমেলের মাধ্যমে রাজ্যবাসীকে মতামত দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। আর তার উপর নির্ভর করেই চার পুজো মণ্ডপের নাম পুরস্কারের তালিকায় ঘোষণা করা হল। ‘দুর্গা রত্ন’ সম্মানে ভূষিত চারটি পুজো মণ্ডপ হল—কলকাতার টালা প্রত্যয়, নেতাজি নগর কলোনি লো-ল্যান্ড, বরানগর বন্ধু দল স্পোর্টিং এবং কল্যাণী লুমিনাস ক্লাব।

    পুজোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বার্তা রাজ্যপালের

    পুজোতে রাজ্যপালকে (Durga Ratna Award 2023) প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে প্রতিমা দর্শন করতে দেখা যায়। তিনি শহরের পুজো মণ্ডপগুলি পরিদর্শন করে, রাজ্যবাসীকে দুর্নীতির অসুরের বিরুদ্ধে লড়াই করার বার্তা দেন। অষ্টমীর দিনে সুকিয়া স্ট্রিটের রামমোহন সম্মিলনীর পুজোতে গিয়ে অঞ্জলি প্রদান করেন তিনি। মণ্ডপে দাঁড়িয়ে রাজ্যপাল বলেন, “আজ মায়ের সামনে আসুন সবাই শপথ গ্রহণ করি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। সকল হিংসার বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করব। পুরাণ অনুযায়ী, দুর্নীতি হল রক্তবীজ এবং হিংসা হল নরকাসুর। মা কালী যেমন রক্তবীজকে বধ করেন, তেমনি মা দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যেমন নরকাসুরকে বধ করেন, ঠিক তেমনই হিংসাকে আমাদের বধ করতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sodepur: সোদপুরে প্রকাশ্যে চলল গুলি, গুলিবিদ্ধ যুবক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Sodepur: সোদপুরে প্রকাশ্যে চলল গুলি, গুলিবিদ্ধ যুবক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে পুজোর সময় কমিশনারেট এলাকায় নিরাপত্তা অনেকটাই জোরদার করা হয়েছে। কিন্তু, বাস্তবে পুলিশের নজরদারি যে কিছু নেই, দশমীর রাতে সোদপুরে (Sodepur) প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনা তা আরও একবার প্রমাণ করে দিল। দশমীর রাতে একদিকে যখন প্রতিমা নিরঞ্জন চলছে, সেই সময় আবার চলল গুলি। সোদপুরের রাসমণি মোড়ে গুলিবিদ্ধ হলেন যুবক। জানা গিয়েছে, আহত যুবকের নাম শুভজিৎ ঠাকুর ওরফে বাচ্চা। তাঁর ডান পায়ে গুলি লেগেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্ক  ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sodepur)

    এমনিতেই দশমীর সন্ধ্যা থেকে একাধিক মণ্ডপে প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য প্রস্তুতি চলছিল।  অনেকে মণ্ডপে প্রতিমা নিরঞ্জন হয়নি। ফলে, সন্ধ্যা থেকেই রাস্তা লোকজনে গমগম করছিল। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোদপুরের (Sodepur) রাসমণি নন্দনকানন এলাকা দিয়ে শুভজিৎ হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তিন দুষ্কৃতী এসে আচমকাই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। গুলির আওয়াজ পেয়ে ছুটে আসেন এলাকাবাসী। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে খড়দা থানার পুলিশ।

    আক্রান্ত যুবকের এক বন্ধু কী বললেন?

    শুভজিতে এক বন্ধু বলেন, পুজোর নিরঞ্জন নিয়ে আমরা ব্যস্ত ছিলাম। আচমকা আমার এক পরিচিত ফোন করে শুভজিতের বিষয়টি জানান। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে শুনেই আমি দৌড়ে যাই। রাস্তার মধ্যে ও ছটফট করছিল। ওকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। কিন্তু, কে বা কারা, কেন শুভজিতকে এভাবে গুলি করেছে, তা জানি না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: দশমীর রাতেই দলীয় কাউন্সিলারের বাড়িতে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Murshidabad: দশমীর রাতেই দলীয় কাউন্সিলারের বাড়িতে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুদিন ধরেই বিবাদ চলছিল। তবে, দশমীর মাঝরাতে এভাবে প্রকাশ্যেই তৃণমূলের কাউন্সিলারের বাড়িতে হামলা চালানোর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার মাঝরাতে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দি পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার গুরুপদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ এসে লাঠিচার্জ করে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    বুধবার মাঝরাতে ঠিক যখন ঘাটে ঘাটে চলছে প্রতিমা বিসর্জন, সেই সময় আচমকা মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দি পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার গুরুপদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। কাউন্সিলারের বাড়িতে এই হামলার ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে আরও এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। অপর এক ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলারের স্বামীই এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামনে এল সেই শাসক দলের গোষ্ঠীকোন্দল। দুই পক্ষের অনুগামীদের হাতাহাতি এতটাই চরমে পৌঁছায় যে পুলিশকে গিয়ে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়। বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। মাঝরাতে তৃণমূলের অপর গোষ্ঠীর তাণ্ডব দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পাড়ার লোকজন।

    কেন হামলা?

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কান্দি পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার সুকন্যা দত্ত ঘোষের স্বামী সুপ্রিয় ঘোষের নেতৃত্বে গুরুপ্রসাদের বাড়িতে এই হামলা চলে বলে অভিযোগ উঠেছে। মূলত এলাকা দখল নিয়েই এই লড়াই বলে জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, নির্দল থেকে জয়ী হয়ে কাউন্সিলার হয়েছিলেন গুরুপ্রসাদবাবু। পরে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। এরপর থেকেই বিবাদ চলছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই বিবাদ পুজোর মধ্যে আরও তীব্র হয়। তবে, ঠিক কী বিষয় নিয়ে এই বিবাদ চরম পর্যায়ে পৌঁছায় তা জানা যায়নি। সুপ্রিয় ঘোষের লোকজন এসে মাঝরাতে এলাকায় রীতিমতো তাণ্ডব চালায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, দলের মধ্যে গন্ডগোল থাকতে পারে। তাই বলে এভাবে মাঝরাতে বাড়িতে এসে হামলা চালানোর ঘটনা ঠিক নয়। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: পুজোয় জনজোয়ার কল্যাণীতে, ভিড়ের চাপে ৪ দিন বন্ধ রইল রেল স্টেশন!

    Durga Puja 2023: পুজোয় জনজোয়ার কল্যাণীতে, ভিড়ের চাপে ৪ দিন বন্ধ রইল রেল স্টেশন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের পুজোয় কলকাতার অনেক ক্লাবকে ভিড়ের দিক থেকে টক্কর দিল কল্যাণী (Durga Puja 2023)। সাধারণভাবে শারদীয়া উৎসবের দিনগুলিতে গ্রাম বা শহরতলির মানুষের গন্তব্য হয়ে থাকে শহর কলকাতা। এ বছর ঠিক যেন উল্টো স্রোত দেখা গেল হাওড়া বা শিয়ালদা স্টেশন থেকে। সেখানে কল্যাণীগামী ট্রেনগুলিতে ভিড়ে পা রাখার জায়গা নেই। এমনিতে যে কোনও জায়গায় উৎসবকে (Durga Puja 2023) কেন্দ্র করে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করে থাকে ভারতীয় রেল। তা সে কলকাতার দুর্গাপুজো হোক, অথবা নবদ্বীপের রাস কিংবা চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো। তবে এ বছর কল্যাণীতে এত ভিড় হবে, এটা বোধহয় ভাবতেও পারেনি ভারতীয় রেল। ভিড়ের চাপে জনস্রোতকে লাগাম দিতে স্থানীয় প্রশাসনের অনুরোধে ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত কোনও ট্রেনকেই দাঁড় করানো হয়নি কল্যাণী ঘোষপাড়া স্টেশনে।

    সবচেয়ে বেশি উন্মাদনা ‘লুমিনাস’  ক্লাবের পুজোকে কেন্দ্র করে

    কল্যাণীতে সবথেকে বেশি উন্মাদনা ‘লুমিনাস’ ক্লাবের পুজোকে কেন্দ্র করে। দর্শনার্থীদের একাংশের মতে, কলকাতার অনেক বড় ক্লাবকেও ইতিমধ্যে টক্কর দিয়েছে কমবয়সী এই পুজো (Durga Puja 2023)। খাস কলকাতার লোকেরাও ভিড় জমিয়েছেন কল্যাণীর ‘লুমিনাস’-এর পুজো দেখতে। জানা গিয়েছে, কল্যাণীর আইটিআই মোড়ের কাছে ক্লাব ‘লুমিনাস’-এর পুজো চলতি বছরে একত্রিশে পা দিয়েছে। ২০২৩ সালের দুর্গাপুজোয় এই ক্লাবের থিম চিনের বিলাসবহুল হোটেল ‘গ্রান্ড লিসবোয়া’ মূলত লুমিনাসের আকর্ষণেই গ্রাম-মফস্বলের গন্তব্য তাই কল্যাণী।

    অক্ষয় তৃতীয়া থেকে শুরু মণ্ডপ তৈরির কাজ

    পুজো মণ্ডপের উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন যে চতুর্থীর দিন থেকেই বিপুল জনসমাগম দেখা যাচ্ছে। কলকাতা এবং শহরতলি সমেত দূর দূরান্তের গ্রাম থেকেও সাধারণ দর্শনার্থীরা আসছেন পুজোতে। ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ক্লাব কর্তাদের। এরপরেই স্থানীয় কল্যাণী ঘোষপাড়া স্টেশনে ট্রেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। তবে তাতে অবশ্য ভিড় ঠেকানো যায়নি। ক্লাব কর্তারা জানিয়েছেন, চলতি বছরের অক্ষয় তৃতীয়ার দিন থেকে লুমিনাসের মণ্ডপ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ৫০ কেজি সোনার গয়না দিয়ে সাজানো হয়েছে দুর্গাপ্রতিমাকে (Durga Puja 2023)। এক ক্লাব সদস্যের কথায়, ‘‘শুধু নদিয়া জেলা নয়, গোটা রাজ্যের নজর কাড়া আমাদের লক্ষ্য। জেলার পুজোও যে কলকাতার ভিড় টানতে পারে, সেই নজির আমরা তৈরি করেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: অর্থের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন ইস্যুতে মহুয়ার জেল হওয়া উচিত, মত শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: অর্থের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন ইস্যুতে মহুয়ার জেল হওয়া উচিত, মত শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগে বেশ বেকারদায় সাংসদ মহুয়া মৈত্র। চাপে পড়েছে তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসও। এখনও পর্যন্ত দলের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি ওই ইস্যুতে। এরই মধ্যে মহুয়া মৈত্রকে নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) মতে, ‘‘মহুয়া মৈত্র সংসদে মোদি সরকারকে ‘আদানির এজেন্ট’ বলে আক্রমণ করেছিলেন। উনি কার এজেন্ট হয়ে এমন কথা বলেছিলেন সেটা সবার কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। হিরানন্দানি সেটা প্রকাশ্যে এনে দিয়েছেন।’’ শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) জানান, পার্লামেন্টের প্রিভিলেজড কমিটি এবং সিবিআই এই দুই সংস্থা এ নিয়ে তদন্ত করছে। তাঁরা তাঁদের সিদ্ধান্ত জানাবেন। অসাংসদীয় এমন কাজের জন্য তৃণমূল সাংসদের শাস্তির দাবিও তুলেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তিনি বলেন, ‘‘ মহুয়া মৈত্রর মতো কাজের জন্য এর আগে সাংসদদের বিরুদ্ধে ঠিক যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সেই ব্যবস্থা তৃণমূলের এই সাংসদের বিরুদ্ধে নেওয়া হোক। এমন শাস্তি দেখতে চায় পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের মানুষ।’’ তবে শাস্তি হিসেবে মহুয়া মৈত্রর সাংসদ পদ খারিজেই সীমাবদ্ধ থাকেননি শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘আমরা শুধু সাংসদ পদ খারিজ হোক এটাই দেখতে চাই না। আমরা মহুয়া মৈত্রকে জেলে দেখতে চাই।’’

    অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন মহুয়ার

    প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিন ধরেই অর্থ এবং উপহারের বিনিময় সংসদে প্রশ্ন তোলা নিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে জাতীয় রাজনৈতিক মহলে। বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেনি তৃণমূল কংগ্রেস। গতকাল তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন বলেন, ‘‘সাংসদের বিরুদ্ধে সংসদীয় প্যানেলের তদন্ত শেষ হলে তাঁকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে দলের তরফে।’’ তবে মহুয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁর মতে,  কণ্ঠরোধ করার জন্যই নাকি ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে মহুয়ার বিরুদ্ধে। তবে ফিরহাদের এমন মন্তব্যের যে কোনও সারবত্তা নেই তা হিরানন্দানির দেওয়া হলফনামাতেই পরিষ্কার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Murshidabad News: মহাষ্টমীর রাতে খুন মুর্শিদাবাদে, মালদায় নতুন বাইক প্রাণ কাড়ল দুই ভাইয়ের

    Murshidabad News: মহাষ্টমীর রাতে খুন মুর্শিদাবাদে, মালদায় নতুন বাইক প্রাণ কাড়ল দুই ভাইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাষ্টমীর রাতে দুর্গোৎসবের আনন্দের মাঝেই রক্ত ঝরল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad News) ইসলামপুর থানা এলাকায়। রবিবার রাতে জেলার ইসলামপুরের শিশাপাড়া ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে খুন করার ঘটনা ঘটল। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের ছবি ধরা পড়েছে। সোমবার মহানবমীর সকালেও ওই এলাকার আনাচে কানাচে চলছে এই আলোচনা। জানা গিয়েছে, নিহত ব্যবসায়ীর নাম সফিকুল ইসলাম। পুজোর মাঝেই এমন ঘটনায় এলাকার ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইসলাম থানার  পুলিশ। অন্যদিকে মালদায় (Murshidabad News) মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় দুই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। নতুন বাইক কিনে সারারাত ঠাকুর দেখে বাড়ি ফেরার পথে মৃত্যু হয় দুই জনের।

    ঠিক কীভাবে ঘটল এমন ঘটনা?

    জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে সফিকুল ইসলাম নামের ওই ব্যক্তি শিশাপাড়া ক্লাবের মোড়ে একটি মুদিখানার (Murshidabad News) দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখনই টিয়ারুল ওরফে পানসু নামের এক ব্যক্তি ধারাল অস্ত্র নিয়ে ওই ব্যবসায়ীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে জানা যায়। আচমকা আক্রমণে সফিকুল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপরে এলোপাথারি কোপ চালাতে থাকে টিয়ারুল। মুদিখানার দোকানের সামনের রাস্তা তখন রক্তাক্ত হয়ে ওঠে। সফিকুলের চিৎকারে ওই অঞ্চলে ভিড় জমা হয়ে যায়। বাজারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদের লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানেই চিকিৎসকরা সফিকুলকে  মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    পুলিশ তদন্ত করছে

    জানা গিয়েছে, খুনি এখনও পর্যন্ত পলাতক। তবে কেন এই খুনের ঘটনা ঘটল সেটা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। ইসলামপুর থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত করছে। আক্রমণকারী সফিকুলের (Murshidabad News) গলায় তিনটি কোপ মারে বলে খবর। তারপরেই সেখান থেকে সে পালিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে সফিকুলের সঙ্গে কারও ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল কিনা ছিল, এসমস্ত বিষয়গুলিই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অষ্টমীতে নতুন বাইক, সারা রাত ঠাকুর দেখা, মহানবমীর ভোরে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

    অষ্টমীতে নতুন বাইক কিনে সেদিন রাতেই ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিলেন মালদার দুই ভাই অভিষেক হালদার এবং সুজন হালদার। সারারাত ঠাকুর দেখার পরে নবমীর ভোরে মিনি বাসের সঙ্গে বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল দুইজনের। মালদার হাবিবপুর থানার ছাতিয়ানগাছি এলাকার এই দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অষ্টমীর রাতেই নতুন বাইক এসেছিল বাড়িতে। তা নিয়েই মামাতো ভাই সুজনের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিলেন অভিষেক। মালদার বুলবুলচণ্ডী এলাকাতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মিনিবাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগে বাইকের। ঘটনাস্থলেই মারা যান সুজন। অভিষেককে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তাঁরও মৃত্যু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটের ক্লাবের পুজোয় পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি দিলেন সুকান্ত

    Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটের ক্লাবের পুজোয় পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি দিলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মহাঅষ্টমীর অঞ্জলি দিলেন বালুরঘাটের (Dakshin Dinajpur) মৈত্রীচক্র ক্লাবে। যেহেতু পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে শাসক বনাম বিরোধীদের লড়াই, প্রত্যেক দিনের অঙ্গ, তাই বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে নানান কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকতে হয়। রাজ্য রাজনীতি নিয়ে শত ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবারকে সময় দিতে অষ্টমী থেকে পুজোর কয়েকটা দিন তিনি বালুরঘাটেই থাকবেন বলে জানা গেছে। পুজো সেরে রাজ্যে হিংসামুক্ত সমাজ গড়ে তোলার বার্তা দিলেন বালুরঘাটের সাংসদ। 

    অষ্টমীর অঞ্জলি দিলেন সুকান্ত (Dakshin Dinajpur)

    অষ্টমীর দিন বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচীর আগেই স্ত্রী কোয়েল চৌধুরী মজুমদার এবং দুই কন্যা সৃজা ও শ্রীময়ীকে নিয়ে পাড়ার মৈত্রী চক্র ক্লাবে (Dakshin Dinajpur) অঞ্জলি দেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। পুজো দিয়ে, রাজ্যের সকলর জন্য অশুভ শক্তিকে পরাজয় করে, শুভ শক্তি জাগরণের মাধ্যমে মঙ্গল কামনা করলেন।

    কী বলেন সুকান্ত

    বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur) পুজো দিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “সংগঠন দেখার কাজে বিভিন্ন কর্মসূচি করে বাড়িতে সময় দিতে পারি না। তাই পুজোয় এসেছি অঞ্জলি দিতে। সেই সঙ্গে স্ত্রী কন্যাদেরকে কাজের ফাঁকে কিছুটা সময় দেওয়াটাও প্রয়োজন।” তবে তিনি পরিবার বলতে সমগ্র জেলার তথা রাজ্যেরবাসীর কথা বোঝাতে চেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে অসুরের সংখ্যা বেড়ে গেছে, তাই পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রার্থনা জানাই মা দুর্গার কাছে।” পাশাপাশি রাজ্যপালের বক্তব্যের পালটা কুনাল ঘোষের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, “বর্তমানে হিংসা মুক্ত, দুর্নীতি মুক্ত পশ্চিমবঙ্গ একান্ত প্রয়োজন।”

    পুজো হল জনসংযোগের মাধ্যম

    সুকান্তর বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur) পুজোতে অঞ্জলি দেওয়াকে বড় জনসংযোগের মাধ্যম হিসাবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। হাতে গোনা কয়েকটা মাস পরেই লোকসভার ভোট। এ রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাদের গতবারের থেকে বেশি আসনের প্রত্যাশা। আর তাই রাজনৈতিক প্রচার এবং জনসমর্থন নিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীয় নেতারা বার বার পরামর্শ দিতে আসছেন রাজ্যে। পুজোর দ্বিতীয়ার দিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এসেছেন। আবার সপ্তমীর দিন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা কলকাতায় এসে পুজো দর্শন করেন। সেই সঙ্গে ভিতরে ভিতরে দলকে আরও শক্ত-মজবুত করার বার্তা দেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুর্নীতির অসুর নিধনের বার্তা নিয়ে বঙ্গবাসীকে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share