দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Category: রাজ্য
Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর
-

Mahalaya 2023: নতুন বউ দেখতে নয়, সেদিন গ্রামের লোক ভিড় জমিয়েছিল রেডিওয় মহালয়া শুনতে!
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের পর গ্রামের গৃহস্থ বাড়ির ভিতর থেকে বেজে উঠেছিল ‘আশ্বিনের শারদ প্রাতে বেজে উঠেছে আলোক মঞ্জির…’। পাঁচ দশক আগে মহালয়ার এই সুর শুনে ছুটে এসেছিলেন গ্রামের আট থেকে আশি। সেই সময় বাড়ির নতুন বউ দেখতে কেউ আসেননি। এসেছিলেন আকাশবাণীর বেতর তরঙ্গে মহালয়া (Mahalaya 2023) শুনতে আলিপাত্রর বাড়িতে। একথা মনে পড়লে এখনও মনের মধ্যে যেন কিছুটা আক্ষেপ হয় বৃদ্ধা মালতিদেবীর।শুনুন সেদিনকার কথাপ্রায় ৬০ বছর আগের কথা। মালতি আলিপাত্র বিয়ে করে ঘর বেঁধেছিলেন নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের শীতল গ্রামে। বিয়ের যৌতুক হিসাবে বাপের বাড়ি থেকে নিয়ে এসেছিলেন একটি রেডিও। মহালয়ার ভোরে সেই রেডিও থেকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে ভেসে এসেছিল ‘আশ্বিনের শারদ প্রাতে বেজে উঠেছে আলোকমঞ্জির…’। এই সুর শুনেই আলিপাত্র’র বাড়িতে ছুটে এসেছিলেন গ্রামের আবালবৃদ্ধ। অবস্থাপন্ন সেই বাড়িতে তখন পা রাখার জায়গা নেই। মালতিদেবীর আক্ষেপ, “আমি সে সময় নতুন বউ হয়ে বাড়িতে এসেছি। কিন্তু গ্রামের কেউ আমাকে দেখতে আসেননি। এসেছিলেন রেডিওতে মহালয়ার (Mahalaya 2023) গান শুনতে। কারণ তখন গ্রামে রেডিও বলতে শুধু আমাদের বাড়িতেই ছিল।” এরপর থেকে শুধু মহালয়ার দিনই নয়, রেডিওতে খবর, যাত্রা শুনতেও ভিড় জমাতেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিজ্ঞানের কারণে রেডিওর চল কমেছে। এখন ইন্টারনেটের যুগে হাতের মুঠোয় দুনিয়া। ইউটিউবে গেলে পুজোয় নয়, সব সময়েই মহালয়ার সুর ভেসে আসে। ফলে বাড়িতে রেডিও বাজালে নাতি-নাতনিরা বন্ধ করে দেয়। তবে মহালয়ার (Mahalaya 2023) ভোরে রেডিওর কদর আজও বেড়ে যায়”।অধিকাংশ রেডিওর ঠাঁই এখন মিউজিয়ামেশুধু মহালয়া নয়, মালতি দেবী আজও নিয়মিত রেডিওতে খবর শোনেন। তবে এখন আর ভিড় করেন না গ্রামবাসীরা। এখন মালতি দেবী এবং তাঁর বাপের বাড়ি থেকে দেওয়া রেডিও একাকি দিন কাটান। তবে মহালয়ার দিন (Mahalaya 2023) কাছে এলেই মুখে হাসি ফোটে রেডিও মেরামতের সঙ্গে যুক্ত কারিগরদের। গ্রামের রেডিও কারিগর নারায়ণ দত্ত বলেন, “মোবাইলের যুগে রেডিও এখন অতীত। গ্রামে দু-একটা রয়েছে। সেগুলো মহালয়ার আগে মেরামতের জন্য আমাদের কাছে আসে। তবে এখন রেডিওর সব যন্ত্রাংশ পাওয়া যায় না। ফলে অধিকাংশ রেডিও এখন মিউজিয়ামে ঠাঁই করে নিয়েছে”। -

Darjeeling: পাহাড়ে অনলাইনে হোটেল বুক করে পর্যটক দেখছেন, তার অস্তিত্বই নেই!
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে হোটেল বুক করে এসে পর্যটকরা দেখছেন, তাঁদের নামে সেই হোটেলে কোনও বুকিং হয়নি। আবার কোনও ক্ষেত্রে সেই হোটেলের অস্তিত্বই নেই। গত ১০ মাসে দার্জিলিং জেলা পুলিশে মোট পাঁটশোরও বেশি এ ধরনের প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তারপরেও এই প্রতারণা বন্ধ হয়নি। অভিযোগকারীদের অধিকাংশই টাকা ফেরৎ পাননি। এই সাইবার ক্রাইম প্রতারণা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
প্রতারিত পর্যটকদের অভিজ্ঞতা
অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম থেকে এম ভিট্টাল নামে এক ব্যক্তি গত ২৩ জুন দার্জিলিং (Darjeeling) ও গ্যাংটক ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিলেন। গুগল সার্চের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তিনি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা প্রতারিত হন। এনিয়ে তিনি গত ১৩ জুন অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি জানিয়েছেন, রাহুল রায় নামে এক ব্যক্তি ফোনে যোগাযোগ করার পর হোয়াটসঅ্যাপে সব কিছু আদান-প্রদান হয়। তারপর তার কথামতো একটি ব্যাঙ্কে ফোন-পে করে তাকে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জমা করি। তার সব প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু টাকা জমা দেওয়ার সাত দিন পর তার ফোনে ফোন করে পাওয়া যায়নি। এসএমএসেরও কোনও উত্তর মেলেনি।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর এরকমই প্রতারণার অভিযোগ করেন তানিয়া সুলতানা। তাঁর অভিযোগ, গুগল সার্চ করে দার্জিলিংয়ে (Darjeeling) হোটেল বুক করেছিলাম। সেই মতো ফোন-পে’তে টাকা পাঠাই। কিন্তু সপরিবারে দার্জিলিঙে এসে দেখি আমাদের নামে কোনও হোটেল বুকিং হয়নি। একের পর এক অভিযোগ জমা পড়লেও পুলিশ এর কুলকিনারা করতে পারেনি। এতে দার্জিলিঙে ঘুরতে আসা নিয়ে বাইরের পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যা দার্জিলিংয়ের পর্যটন ব্যবসাকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করেন ট্যুর অপারেটররা। পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকায় কার্যত তারা হতাশ।
কী বলছে পুলিশ প্রশাসন (Darjeeling)
দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ বলেন, বিভিন্ন সময়ে পর্যটকদের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় হোটেল, রিসর্ট মালিকদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসে অ্যাপ ও কিউ আর কোড চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তা কার্যকর করা হয়েছে। এই অ্যাপ এবং কিউআর কোডের সাহায্যে গুগল সার্চে গিয়ে পর্যটকরা দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) হোটেল, রিসর্ট, হোমস্টে গাড়ির যাবতীয় তথ্য ও সহযোগিতা পাবেন। যে কোনও সমস্যায় প্রশাসনের সহযোগিতাও পাবেন পর্যটকরা।
আশার আলো দেখছেন না ট্যুর অপারেটররা
হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, অ্যাপ ও কিউআর কোডের সাহায্যে পর্যটকরা হোটেল সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবেন। এ ধরনের অ্যাপে পর্যটকদের (Darjeeling) সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা বন্ধ হবে না। সাইবার ক্রাইম শাখাকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
-

Arambagh: তৃণমূলের লাগামছাড়া তোলাবাজি, আরামবাগে তিতিবিরক্ত বাস মালিকরা ধর্মঘটের পথে
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের তোলাবাজির জেরে বন্ধ হতে চলেছে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জেলার সঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) মহকুমার যোগাযোগের বেশ কয়েকটি রুটের বেসরকারি বাস পরিষেবা। বাস মালিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ছাপানো হয়েছে পোস্টার। পুজোর মুখে রুটি-রুজি অনিশ্চিত পরিবহণ কর্মীদের। তার জেরেই উদ্বেগ আরামবাগে। আরামবাগের সঙ্গে সরাসরি দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার গণ পরিবহণের বাস বন্ধ হলে একদিকে যেমন সমস্যায় পড়বেন সাধারণ যাত্রীরা, অন্যদিকে রুটি রোজগার বন্ধ হয়ে যাবে বাস কর্মীদের। ইতিমধ্যেই আরামবাগ মহকুমা শাসক, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ও তৃণমূল ভবনেও এই তোলাবাজির অভিযোগ জানিয়েছে বাস মালিক সংগঠন। এমনকি ধর্মঘটের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও বাসগুলিতে পোস্টার লাগিয়ে যাত্রীদের জানানো হচ্ছে। তাতে লেখা, ‘আরামবাগ বাসস্ট্যান্ডে শ্রমিক ইউনিয়নের তোলাবাজির প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য সমস্ত যাত্রী পরিষেবা বন্ধ থাকবে।’ বাস কর্মী থেকে মালিক সকলেই বলছেন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ধর্মঘটের রাস্তায় হাঁটা ছাড়া তাঁদের কোনও উপায় নেই।
বাস চালিয়ে খরচই উঠছে না (Arambagh)
এক বাস মালিক মধুমিতা ভট্টাচার্যের অভিযোগ, আরামবাগ বাসস্ট্যান্ড থেকে শ্রমিক কল্যাণের নামে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা সফিকুল ইসলাম বাস প্রতি চল্লিশ টাকা করে বিল ছাপিয়ে জুলুম করে টাকা তুলছে। তিনি দাবি করেন, লক্ষ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে বাস চালিয়ে কোনওদিন টাকা পান, কোনওদিন পান না। খরচই তুলতে পারেন না বেশিরভাগ সময়। চরম উদ্বেগের ছবি আরামবাগ বাস টার্মিনাসে। তোলাবাজদের জোর-জুলুমে অতিষ্ঠ বাস মালিকরা। দক্ষিণবঙ্গের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ আরামবাগ শহরের বাস টার্মিনাস। যেখন থেকে সারা রাজ্যের বিভিন্ন জেলার প্রায় ২৬টি রুটে ১৫০টির বেশি এক্সপ্রেস বাস চলাচল করে। তার সঙ্গে আরামবাগ মহকুমায় ২০০টিরও বেশি লোকাল বাস চলে। ৩০০ থেকে ৩৫০টি বাস প্রতিদিন আরামবাগ টার্মিনাস (Arambagh) থেকে পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, বাঁকুড়া পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর সহ রাজ্যের আরও বেশ কয়েকটি জেলায় যাতায়াত করে। প্রায় দুই হাজার বাস কর্মচারী গণপরিবহণের সঙ্গে যুক্ত। তোলাবাজির অভিযোগ নিয়ে পুজোর মুখে যদি বাস মালিরা ধর্মঘটে সামিল হন, তাহলে গণপরিবহণের সঙ্গে যুক্ত দুই হাজার শ্রমিকের রুটি রুজিতে টান পড়বে। এর দায় কে নেবে? উঠছে সেই প্রশ্ন। কাঠগড়ায় শাসকদলের নেতারা। আরও অভিযোগ, শাসকদলের এক গোষ্ঠীর নেতাদের মদতেই এই তোলাবাজি চলছে। এক বাস কর্মী বলছেন, শুধু মালিকরা নয়, আমাদেরও পেটে লাথি পড়ছে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। প্রশাসন কোনও উদ্যোগ না নিলে অবস্থা আরও খারাপ হবে। তাই আমরা চাইছি ধর্মঘট হোক।
কী বলছেন অভিযুক্ত, কী অভিযোগ বিজেপির? (Arambagh)
যদিও অভিযুক্ত শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সেখ সফিকুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা এই কাজ করছে আমার জানা নেই। এই ঘটনা যদি ঘটে থাকে তাহলে প্রশাসন তদন্ত করে দেখুক। এই ঘটনা প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, তৃণমূলের তোলাবাজির জেরেই পশ্চিমবঙ্গের দুর্দশা। যার বিড়ি কিনে খাওয়ার পয়সা ছিল না, সেই এখন তৃণমূলের নেতা হয়ে বিশাল বাড়ি, দামি দামি গাড়ি। কোথা থেকে হয়? এটা তো আর নিজের রোজগারের টাকায় হয় না, অপরের টাকা তোলাবাজি করে জুলুমবাজি করে চালিয়ে নিচ্ছে। সময় এলেই মানুষ বুঝিয়ে দেবে, কতটা দুধ আর কতটা জল আলাদা হয়ে যাবে। এসব তৃণমূলের কালচার। ওরাই করতে পারে। সাধারণ মানুষ সব দেখছে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
-

South 24 Parganas: তৃণমূলের ছাত্র-যুব সভাপতিকে গুলি করে প্রাণনাশের হুমকি! তীব্র শোরগোল কাকদ্বীপে
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দরবন সংগঠনিক জেলার (South 24 Parganas) তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র-যুব সভাপতিকে এবার গুলি করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হল। আর তা নিয়েই কাকদ্বীপের বিভিন্ন জায়গায় পড়ল পোস্টার। যাকে কেন্দ্র করে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। পোস্টারে পরিষ্কারভাবে লেখা হয়েছে “দেবাশীষ তুই খুব বাড় বেড়েছিস, তুই গুলি খেয়ে মরবি”। পাশাপাশি পোস্টারে আরও উল্লেখ করা রয়েছে যে কাকদ্বীপে যদি, আবুজেল মোল্লার মতো আরেকটা ঘটনা না ঘটুক চাস, তাহলে সাবধান হো। তবে শাসকদলের পক্ষ থেকে বিক্ষুদ্ধদের বিরুদ্ধেই এই অভিযোগ তোলা হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ, ঘটনা তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল ছাড়া অন্য কিছুই না। তৃণমূলের নেতারাই শাসক দলের কাছে সুরক্ষিত নয়। আর এই প্রাণনাশের হুমকির পোস্টারে রীতিমতো সরগরম রাজ্য রাজনীতি।
কেন গুলি করার পোস্টার (South 24 Parganas)
মূলত পোস্টারে থাকা এই আবুজেল মোল্লা কাকদ্বীপ বিধানসভার (South 24 Parganas) নেতাজি গ্রাম পঞ্চায়েতের দীর্ঘদিনের অঞ্চল সভাপতি ছিলেন। এমনকি তিনি তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের ব্লক সভাপতিটির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিন্তু ২০১৬ সালে তাঁকে কুপিয়ে খুন করে দুষ্কৃতীরা। অন্যদিকে পোস্টারে আরও এক তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বুদ্ধদেব দাসেরও নাম রয়েছে। তিনি কাকদ্বীপ বিধানসভার রামকৃষ্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতে ২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত পঞ্চায়েত সমিতির দায়িত্বে ছিলেন। তিনিও আর্থিক দুর্নীতির দায়ে ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন। পোস্টারে এমন ভাবেই লেখা হয়েছে, “যদি বুদ্ধ অথবা আবুজেল মোল্লার মতো তোর অবস্থা না হয়। তাহলে আগে থেকে শুধরে যা।”
তৃণমূল যুব সভাপতির বক্তব্য
রীতিমতো গুলি করে খুন করার হুমকির পোস্টারকে ঘিরে এখন আতঙ্কিত বলে জানিয়েছেন জেলার (South 24 Parganas) ছাত্র-যুব সভাপতি দেবাশীষ দাস। এই বিষয়ে হারুর পয়েন্ট কোস্টাল থানতে তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেও পড়েছে পোস্টার। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী দীপিতা দাস রামকৃষ্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। তিনি বলেন, “আমি মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি কিন্তু এটাই অনেকের সহ্য হচ্ছে না। আমরা আইনের দ্বারস্থ হয়েছি।”
বিজেপির বক্তব্য
মথুরাপুর (South 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সম্পাদক কৌশিক দাস বলেন, “এই ঘটনা তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের প্রকাশ মাত্র। এই পোস্টারের মধ্যেই স্পষ্ট যে তৃণমূল, তৃণমূলের কাছে সুরক্ষিত নয়। টাকার ভাগ নিয়ে নিজেরা নিজেদের সঙ্গে লড়াই করছে। রাজ্যে গণতন্ত্রের পরিবেশ নেই।”
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
-

Bomb Blast: মুর্শিদাবাদে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির, কী করছে পুলিশ?
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের ফের বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে (Bomb Blast) মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। ঘটনায় আরও একজন জখন হন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে হরিহরপাড়া থানার খলিলাবাদ মাঠে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সাজিজুল শেখ (৪২)। জখম ব্যক্তির নাম লালন মণ্ডল। তাদের বাড়ি হরিহরপাড়া থানার লোচনমাটি গ্রামে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bomb Blast)
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিহরপাড়া থানার খলিলাবাদ মাঠে কলার বাগানে সাজিজুল, মিলে বোমা বাঁধার কাজ করছিলেন। সেখানে আর কে কে ছিল তা জানা যায়নি। আচমকা বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। তাতে সাজিজুল সহ দুজন গুরুতর জখম হন। সাজিজুল সহ দুজন ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিছুটা দূরে গিয়ে তার মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। বোমা বিস্ফোরণের খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সাজিজুলের মৃত্যু হয়। প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকে এই জেলায় একের পর এক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বেলডাঙায় বোমা বাঁধতে গিয়ে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়। রেজিনগরেও একই ঘটনা ঘটে। বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু হয়। বোমা বাঁধার ঘটনার পাশাপাশি বল ভেবে বোমা ফেটে সূতিতে এক কিশোর জখম হন। ভরতপুরেও এক কিশোর বোমা ফেটে জখন হন। পঞ্চায়েত ভোট শেষ হওয়ার পরও রমরমিয়ে বোমা তৈরির কারবার চলছে। পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, কারা বোমা বাঁধার কাজ করছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মাঠের কলাবাগানে বোমা তৈরির কাজ করছিল। ফলে, তাদের বাইরে থেকে কেউ দেখতে পায়নি। আচমকা বিকট আওয়াজে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। এরপরই মাঠের মধ্যে গিয়ে দেখি, দুজন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একজনের দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত।
কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?
তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ বলেন, বোমা বিস্ফোরণ কেন ঘটল তা পুলিশ প্রশাসনের দেখা দরকার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পুলিশ প্রশাসনের। তবে, কারা এই ধরনের অসামাজিক কাজ করছিলেন তা খতিয়ে দেখছি। এই এলাকায় এসব চলতে পারে না।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
-

Israel Hamas War: বিমানের টিকিট কাটা রয়েছে, ইজরায়েল থেকে দেশে ফেরার দিন গুনছেন বারাকপুরের সুমন
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের (Israel Hamas War) ঘটনায় ইজরায়েলে আটকে পড়েছেন সুমন সাধুখাঁ নামে বারাকপুরের এক গবেষক পড়ুয়া। তাঁর বাড়ি বারাকপুরের মণিরামপুর এলাকায়। ইজরায়েলে যুদ্ধের কারণে আর তিনি বাড়ি ফিরতে পারছেন না। ইজরায়েলে ছেলে আটকে থাকায় চরম উদ্বিগ্ন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ছেলে কবে বাড়ি ফিরবে সেই অপেক্ষায় দিন গুনছেন সাধুখাঁ পরিবার। ছেলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগও করছেন তাঁরা।
কী বললেন গবেষক পড়ুয়া? (Israel Hamas War)
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অঙ্কে পোস্ট ডক্টরেট করতে ২০২১ সালে ইজরায়েলে গিয়েছেন সুমন সাধু খাঁ। তিনি ইজরায়েলের হাইফা শহরে থাকেন। গবেষণার কাজেই কয়েকদিন আগে তিনি পোল্যান্ড গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পরই শুরু হয় দেশে যুদ্ধ (Israel Hamas War) পরিস্থিতি। আর তারপর থেকেই ঘরবন্দি রয়েছেন সুমনবাবু। ইজরায়েলে যুদ্ধের খবর জানার পরেই ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা। সুমনবাবু পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছেন, ইজরায়েলে দক্ষিণ প্রান্তে মূলত যুদ্ধ হচ্ছে। আমরা রয়েছি উত্তর প্রান্তে। এই এলাকায় এখনো যুদ্ধ শুরু হয়নি । তবে, শহরের খুব নিচু দিয়ে বিমান যাওয়ায় ঘরের আসবাবপত্র নড়ছে। বাইরে যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো আবহওয়া তৈরি হচ্ছে। ফলে, ইচ্ছে থাকলেও বাইরে বের হওয়ার সাহস পাচ্ছি না। দেশে ফেরার বিমানের টিকিট কাটা রয়েছে। বিমান চলাচল শুরু করলেই দেশে ফিরব।
গবেষক পড়ুয়ার মায়ের কী বক্তব্য?
সুমন বাবুর মা তপতী সাধুখা বলেন, যুদ্ধ (Israel Hamas War) পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পরেই ছেলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করছি। কখনও আবার ছেলের সঙ্গে কথা না হলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করছি। ও এখন নিরাপদে রয়েছে। কিন্তু, কতদিন তা জানিনা। কারণ যেভাবে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও বড় আকার ধারণ করছে, তাতে দক্ষিণ প্রান্ত থেকে উত্তর প্রান্তে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হবে। তাই ছেলে কবে দেশে ফিরে আসে সেই অপেক্ষায় দিন গুনছি। ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তারাও ছেলেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য সমস্ত রকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। ছেলে বাড়ি না ফেরা পর্যন্ত আমাদের দুশ্চিন্তা কাটছে না।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
-

Paschim Medinipur: বিজেপির নেতা কর্মীদের হাত পা ভেঙে নদীর জলে ফেলে দেওয়ার নিদান তৃণমূল নেতার
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত ঘাটালে সাংসদ দেব-এর নামে নিখোঁজ পোস্টার পড়েছিল। যা নিয়ে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) ঘাটালের তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক তথা জেলা পরিষদের সদস্য শংকর দোলুই। যা নিয়ে জেলা জুড়ে সমস্ত মহলে সমালোচনা চলছে।
ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল নেতা? (Paschim Medinipur)
বুধবার বিকেলে ঘাটালে দলীয় কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে একটি মিছিল হয়। মিছিল শেষে পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রকাশ্যে বিজেপিকে আক্রমণ করেন ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক তথা জেলা পরিষদের সদস্য শঙ্কর দলুই। গলায় প্রকাশ্যে হুমকি। তিনি বলেন, দলের সাংসদকে নিয়ে বিজেপি যা করেছে তা লজ্জার। সাংসদের নামে এভাবে পোস্টার দেওয়ার বিরুদ্ধে হাজার হাজার তৃণমূল কর্মীরা রাস্তা নেমেছে। ২০১৪ সাল থেকে বিজেপি রাজ্যকে বঞ্চনা করেছে। আর নয়। এরপর যদি তৃণমূলকে নিয়ে কুৎসা কর, তাহলে এবার বিজেপির নেতা কর্মীদের হাত পা ভেঙে নদীর জলে ফেলে দিতে বাধ্য হব। আর এই মন্তব্যের পরেই অস্বস্তিতে পড়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, ঘাটালের একসময়ের দাপুটে এই তৃণমূল নেতা গত বিধানসভা ভোটে বিজেপির কাছে পরাজিত হন। আর তারপর থেকেই শাসকদলের রীতিমতো কোণঠাসা অবস্থায় ছিলেন। সম্প্রতি, পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলা পরিষদের আসনে জয় লাভের পর ফের স্বমহিমায় ফের বিজেপিকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল।
কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?
যদিও এই বিষয়টিকে কোনওরূপ পাত্তা দিতে নারাজ গেরুয়া শিবির। ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কোপাট বলেন, কেন্দ্র সবসময় উন্নয়নের পক্ষে। মুখ্যমন্ত্রী উন্নয়নের টাকা মেলা-খেলায় নষ্ট করছেন। আমরা চাই, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হোক। আর বিজেপিকে এরকম হুমকি দিয়ে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। তৃণমূলের সঙ্গে মানুষ নেই গত বিধানসভায় এই এলাকার মানুষ প্রমাণ করে দিয়েছে। লোকসভা ভোটেও আরও একবার প্রমাণ হয়ে যাবে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
-

ED: সাত সকালে মধ্যমগ্রামে ডিয়ার লটারির প্রিন্টিং কারখানায় হানা দিল ইডি
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। এই দুর্নীতি কাণ্ডে ইডি-সিবিআই একাধিক পুরসভার চেয়ারম্যান, প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। পুরমন্ত্রী থেকে খাদ্যমন্ত্রী সকলের বাড়িতে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই বৃহস্পতিবার সাত সকালেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা হানা দিল ডিয়ার লটারির উত্তর ২৪ পরগনার মাইকেল নগরের প্রিন্টিং অফিসে। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা তিনটি গাড়িতে করে পৌঁছান মাইকেল নগরে। সকাল আটটা থেকে চলছে মাইকেলনগরের অফিসে তল্লাশি। এদিন দুপুরে এখনও পর্যন্ত তল্লাশি জারি। এই সংস্থার বিরুদ্ধে আগেও একাধিকবার অভিযোগ উঠেছিল। ইডি (ED) ও সিবিআই এর আগেও এই সংস্থায় তল্লাশি চালিয়েছিল উদ্ধার হয়েছিল বেআইনি কোটি কোটি টাকা। সংস্থার কর্ণধারদের দিল্লির সদর দফতরে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আবার ডিয়ার লটারির অফিসে তল্লাশি নিয়ে উঠতে শুরু করেছে বেশ কিছু প্রশ্ন।
কেন হানা? (ED)
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বুধবার ইডি (ED) আধিকারিকরা শান্তিপুর, কৃষ্ণনগর সহ পাঁচ জায়গায় হানা দেয়। তালিকায় রাইস মিলও ছিল। মূলত, এই দুর্নীতির টাকা এসব জায়গায় বিনিয়োগ হয়েছে বলে তদন্তকারীদের হাতে তথ্য প্রমাণ এসেছে। সেই তথ্য প্রমাণ কতটা সঠিক তা খতিয়ে দেখতেই তদন্তকারীরা এই হানা দেয়। এবার মধ্যমগ্রামে ডিয়ার লটারির প্রিন্টিং কারখানায় ইডি হানা দেয়। এমনিতেই ডিয়ার লটারির টাকা গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত অনুব্রত মণ্ডলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল। একজনের কাছে সেই টাকা কিনেছিল বলে জলঘোলাও হয়েছিল। সেই বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিক অনেক তথ্য হাতে পেয়েছে। তবে, কেষ্ট ছাড়াও একাধিক তৃণমূল নেতার অ্যাকাউন্টে লটারির টাকা ঢুকেছে। কারও কারও অ্যাকাউন্টে বেশ কয়েকবার একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির লটারির প্রথম পুরস্কারের কোটি কোটি টাকা জমা হয়েছে। ইডির সন্দেহ লটারির সঙ্গে এই কারখানায় ছাপা লটারির যোগসূত্র আছে। তার তদন্ত করতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় ইডি অফিসাররা তল্লাশি চালাচ্ছে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

